উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ এবং মুনকার (আবু ইয়া‘লা হা/৪৯১১; যঈফাহ হা/৫০৮৬; যঈফুত তারগীব হা/৬১৯)। বরং শা‘বান মাসে অধিকহারে ছিয়াম পালনের ব্যাপারে উসামা ইবনু যায়েদ (রাঃ) রাসূল (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘শা‘বান মাস রজব এবং রামাযানের
উত্তর : অশালীনতা প্রচার এবং দেখার কাজে সহযোগিতা করা যাবে না। যদি এটা করতে বাধ্য করা হয় তাহ’লে উক্ত চাকরী করাও যাবে না। কারণ আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সীমালংঘনের কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা করো
উত্তর : হ্যাঁ, ইসলামে সমুদ্রের হিংস্র ও তীক্ষ্ণ দাঁতওয়ালা মাছ খাওয়া বৈধ যদি তা বিষাক্ত না হয় বা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর না হয়। কারণ কুরআনে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ‘তোমাদের জন্য সমুদ্রের শিকার ও তার খাদ্য হালাল করা হয়েছে’ (মায়েদাহ ৫/৯৬)।
উত্তর : যে পরিবারের পক্ষে এক বছরের ছোট-বড় দুই সন্তানকে লালন-পালন করা সম্ভব হয়েছে, তাদের পক্ষে সাড়ে তিন বছরের ছোট আরেকটি সন্তানকে লালন করা খুবই সম্ভব। ভ্রূণ গর্ভে আসার ৪০ দিনের মধ্যেই এর মানবীয় গঠন শুরু হয়। আর এ সময় অতিক্রম হ’লে বাচ্চা নষ্ট করা য
উত্তর : ইমামের অনুসরণ করে তার সাথে সহো সিজদা দিবে। কারণ অনুকরণের জন্যই ইমাম নিযুক্ত করা হয় (বুখারী হা/৩৭৮; মিশকাত হা/৮৫৭)। তবে ছালাতে যদি কোন ওয়াজিব ত্যাগ করার পরেও ইমাম সহো সিজদা না দিয়ে ছালাত সমাপ্ত করেন তাহ’লে ইমামের সালাম শেষে একাকী সুন
উত্তর : এমতাবস্থায় আন্তরিক তওবা করতে হবে। বার বার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে থাকবে এবং দান-ছাদাক্বার মাধ্যমে নিজেকে পবিত্র করার চেষ্টা করবে। আল্লাহ চাইলে তাকে ক্ষমা করে দিতে পারেন। তাতে তার কবরে পাপের বোঝা যুক্ত হবে না ইনশাআল্লাহ। কারণ রাসূল (ছাঃ)
উত্তর : আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সাধ্যমত আল্লাহকে ভয় কর’ (তাগাবুন ৬৪/১৬)। অতএব স্ত্রীকে ধৈর্যের সাথে সময় নিয়ে স্বীয় স্বামীকে বুঝাতে হবে এবং স্বামীর হেদায়াতের জন্য বেশী বেশী দো‘আ করতে হবে। কোনভাবে একত্রে থাকা সম্ভব না হ’লে স্ত্রী চাইলে খোলা-র মাধ
উত্তর : এই যুলুমের মহাশাস্তি থেকে ক্ষমা পেতে হ’লে প্রথমে আল্লাহর নিকট খালেছ নিয়তে তওবা করতে হবে। দ্বিতীয়ত যুলুমের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ তার ওয়ারিছ তথা সন্তানদের ফেরত দিতে হবে। তৃতীয়ত তার কোন আত্মীয়-স্বজনের সন্ধান পাওয়া না গেলে
উত্তর : পিতা সুস্থ অবস্থায় অন্যান্য ওয়ারিছদের বঞ্চিত করার নিয়ত না রেখে প্রয়োজন মত সম্পত্তি পালক পুত্রকে হেবা করতে পারবেন। কারণ একজন সুস্থ ব্যক্তি তাঁর যাবতীয় সম্পত্তি খরচ বা দান করতে পারে। আবুবকর (রাঃ) তাবুকের যুদ্ধের পূর্বে তাঁর যাবতীয় সম্পত্তি
উত্তর : বিবাহের সময় পরিবারের প্রয়োজনে সময় দেওয়ার চুক্তি হয়ে থাকলে এবং স্বামীর আর্থিক স্বচ্ছলতা থাকলে স্ত্রীর জন্য চাকরী ছেড়ে দেয়া আবশ্যক। উছায়মীন বলেন, নারীর কর্মক্ষেত্র হ’ল নারীদের সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রসমূহ, সেটা প্রশাসনিক বা টেকনিকাল চাকুরী হোক। য
উত্তর : এজেন্ট আউটলেট ব্যাংকেরই শাখা। সুতরাং এই শাখার কার্যক্রম ব্যাংককে সংযোগিতা করার মাধ্যম। আর আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সীমালংঘনের কাজে নয়’ (মায়েদাহ ৫/০২)। এক্ষণে ইসলামী ব্যাংকের কার্যক
উত্তর : অবশ্যই। এতে কেবল ছওয়াব প্রাপ্তিই নয় বরং ঋণগ্রস্তকে ছাড় দিলে জান্নাত লাভের কারণ হবে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘কোন ব্যক্তি যদি কোন অভাবগ্রস্ত ব্যক্তিকে অবকাশ দেয় বা তার নিকট পাওনা মাফ করে দেয়, আল্লাহ তা‘আলা ক্বিয়ামতের দ
উত্তর : বিবাহের সময় পরিবারের প্রয়োজনে সময় দেওয়ার চুক্তি হয়ে থাকলে এবং স্বামীর আর্থিক স্বচ্ছলতা থাকলে স্ত্রীর জন্য চাকরী ছেড়ে দেয়া আবশ্যক। উছায়মীন বলেন, নারীর কর্মক্ষেত্র হ’ল নারীদের সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রসমূহ, সেটা প্রশাসনিক বা টেকনিকাল চাকুরী হোক। য
উত্তর : এজেন্ট আউটলেট ব্যাংকেরই শাখা। সুতরাং এই শাখার কার্যক্রম ব্যাংককে সংযোগিতা করার মাধ্যম। আর আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সীমালংঘনের কাজে নয়’ (মায়েদাহ ৫/০২)। এক্ষণে ইসলামী ব্যাংকের কার্যক
উত্তর : অবশ্যই। এতে কেবল ছওয়াব প্রাপ্তিই নয় বরং ঋণগ্রস্তকে ছাড় দিলে জান্নাত লাভের কারণ হবে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘কোন ব্যক্তি যদি কোন অভাবগ্রস্ত ব্যক্তিকে অবকাশ দেয় বা তার নিকট পাওনা মাফ করে দেয়, আল্লাহ তা‘আলা ক্বিয়ামতের দ
উত্তর : যদি মাদ্রাসার ক্যাশিয়ার সতর্কতা অবলম্বন করে এবং কোন অবহেলা না করে থাকে, তবে টাকা চুরি হ’লে তাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না। কারণ দায়ভার সেই ব্যক্তির ওপরই বর্তায়, যে চুরির কারণ হয়েছে। যতক্ষণ ক্যাশিয়ার তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছে এবং প্রয়ো
উত্তর : মৌলিকভাবে এমন প্রতিষ্ঠানে চাকরী করা হারাম নয়, তবে এ ধরনের পরিবেশ তাক্বওয়ার খেলাফ। উত্তম বিকল্প না থাকলে নিম্নের শর্তগুলো পূর্ণ করতে হবে। যেমন- (১) দৃষ্টি সংযত রাখা এবং ব্যক্তিগত শালীনতা বজায় রাখা। (২) নির্জনতা বা একাকিত্ব এড়ানো। (৩) কথাব
উত্তর : কষ্ট অনুপাতে রাতে ভাড়া বেশী নেওয়া যায়। তবে কারো প্রতি যুলুম করা, কারো বিপদের সুযোগ গ্রহণ করা বা অতিরিক্ত ভাড়া প্রদানে বাধ্য করা জায়েয নয়। বরং সমঝোতার ভিত্তিতে ভাড়া নির্ধারিত হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা পরস্পরের সম্পদ অন
উত্তর : ফরয গোসলের জন্য নিয়ত শর্ত, ওযূ শর্ত নয়। এমতাবস্থায় যোহর বা আছরের ছালাত আদায়কালে ওযূ করলেই যথেষ্ট হবে। কেননা কেউ নিয়ত করে সারা শরীরে পানি ঢাললেই গোসলের ফরযিয়াত আদায় হয়ে যাবে। এই গোসলের মাধ্যমে সে পবিত্র হয়ে যাবে এবং ওযূ করে ছালাত ও কুরআন
উত্তর : শাশুড়ি মাহরাম (নিসা ৪/২) হ’লেও সব মাহরাম সমান নয়। অতএব স্পর্শকাতর বিষয়গুলো থেকে বেঁচে থাকাই উত্তম। তাই সাধ্যমত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এবং নিজেকে হেফাযত করতে হবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৭/৩৬৫-৬৬)।প্রশ্নকারী : নাম প্র
উত্তর : হিন্দু মেয়েকে হিন্দু অবস্থায় বিবাহ করা সিদ্ধ নয়, যতক্ষণ না সে ইসলাম কবুল করে। কারণ একই সাথে দুই ধর্মের অনুসারী নারী-পুরুষের বিয়ে বৈধ নয়। আল্লাহ বলেন, আর তোমরা মুশরিক নারীদের বিয়ে করো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে (বাক্বারাহ ২/২২১)। অত
উত্তর : গোসল ফরয হবে। ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে লক্ষ্য করবে পরণের কাপড়ের দিকে। যদি কাপড় ভিজা হয় বা বীর্যপাত হয় তাহ’লে গোসল ফরয হয়ে যাবে যদিও তা এক ফোটা হয়। আয়েশা (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি সম্পর্কে রাসূল (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করল, কেউ ঘুম থেকে উঠে ভিজা (বীর্য)
উত্তর : উক্ত বিবাহ শরী‘আতসম্মত হয়নি। কারণ কারো স্ত্রী থাকা অবস্থায় আরেকজনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হ’তে পারে না। যদি কোন বিবাহিতা নারী তার প্রথম স্বামীর তালাক ছাড়া অন্য কোন পুরুষের সঙ্গে বিয়ে করে, তাহ’লে সেই দ্বিতীয় বিয়ে শরী‘আতে অবৈধ। এক্ষণে প্
উত্তর : প্রথমত যেনায় লিপ্ত হওয়ার কারণে আল্লাহর নিকট খালেছ নিয়তে তওবা করবে এবং নিজের পাপের কথা কারোর সামনে প্রকাশ করবে না (বুখারী হা/৬০৬৯; মিশকাত হা/৪৮৩০)। দ্বিতীয়ত তওবা করার পর অভিভাবকের সম্মতিতে যেকোন নেককার ছেলের সাথে
উত্তর : নফস নিয়ন্ত্রণের কয়েকটি কার্যকর উপায় রয়েছে। যথা- (১) গোনাহের জায়গা ও সুযোগ থেকে দূরে থাকা : যে পরিবেশ বা মাধ্যম নফসকে উত্তেজিত করে, তা থেকে দূরে থাকাই সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিকার। নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, ‘তোমরা এই নোংরা কাজে (গোনাহে) লিপ্ত হ
উত্তর : নিজের গোনাহ অবশ্যই গোপন রাখবে। কেউ জিজ্ঞেস করলে এড়িয়ে যাবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘আমার সমগ্র উম্মত ক্ষমাপ্রাপ্ত থাকবে তবে প্রকাশ্যে পাপকারীরা ব্যতীত। আর প্রকাশ্যে পাপ করা বলতে এরকমও বুঝায়, এক ব্যক্তি রাতে কোন গোনাহ করল, আল্লাহ তা ঢেকে
উত্তর : শয়তান ও তার সন্তানেরা আদম সন্তানের বিরুদ্ধে ক্বিয়ামত পর্যন্ত যুদ্ধ করবে, তাদের বিভ্রান্ত করবে ও জাহান্নামের পথে পরিচালিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবে। তাদের বিভিন্ন নাম রয়েছে এ কথা কুরআন ও ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত। তবে কিভাবে তার সন্তান
উত্তর : স্বামী গোনাহগার হবেন না। কারণ স্বামী যা করেছেন তা শরী‘আত অনুমোদিত। আর যে বিধান আল্লাহ তা‘আলা কুরআনে বৈধ করেছেন তা স্ত্রীর মেনে নিতে না পারা তার ঈমানী দুর্বলতার পরিচয়। মানবীয় কারণে কষ্ট অনুভব করলেও সেটা ধৈর্যের সাথে মেনে নেয়ার মানসিকতা থা
উত্তর : নির্দিষ্টভাবে কোন একটি মাযহাবের অন্ধ অনুসরণ নিষিদ্ধ। অনুরূপভাবে কোন ব্যক্তিকে অন্ধভাবে অনুসরণীয় মনে করাও নিষিদ্ধ। মূলত ফৎওয়া গ্রহণের ক্ষেত্রে সকল স্তরের মানুষের জন্য যরূরী হ’ল, দলীল জেনে নেওয়া। ছাহাবীগণ একটি বিষয়ে একাধিক ছাহাবীর কাছে জান
উত্তর : মেয়ে বা নাতনী অসহায় হয়ে থাকলে মা তাদের প্রতি অতিরিক্ত অর্থ খরচ করতে পারেন। কারণ পিতার মৃত্যুর পর তার পেনশনের মালিক এক মাত্র মাতা। আর মা তার সম্পদ ব্যয়ের ব্যাপারে স্বাধীন। তবে মেয়ে অসহায় না হ’লে অতিরিক্ত অর্থ একপাক্ষিকভাবে কেবল তাকেই দান
উত্তর : জোঁকের তেল ব্যবহার করা যেতে পারে যদি তার উপকারিতা প্রমাণিত হয়। শা‘বী (রহঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, ‘সবচেয়ে উত্তম ওষুধ হ’ল লাদূদ (মুখের এক পাশে দিয়ে ঔষধ ঢোকানো), সাউত (নাকে দিয়ে ঔষধ প্রবেশ করানো), হাঁটা-চলা, হিজামা (রক্তশোধন) এবং জোঁ
উত্তর : হাদীছের বিভিন্ন গ্রন্থে উক্ত মর্মে একটি দীর্ঘ ঘটনা পাওয়া যায়। তবে কোনটির সনদ ছহীহ নয়। বরং আলবানী (রহঃ) এর সনদকে মওযূ‘ বা জাল বলেছেন (যঈফাহ হা/৩১৮৩; বিস্তারিত, মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল্লাহ বামুসা রচিত ‘কিতাব ইসআফুল আখইয়ার ২/৩৩৩-৩৩৬)।প্র
উত্তর : পুরুষের বুকে, পিঠে, উরুতে বা হাঁটুর ওপরে যে চুল গজায় তা অস্বাভাবিক বড় হয়ে গেলে তা কাটা বা ছেঁটে ফেলা নাজায়েয নয়। কারণ এ ধরনের চুল সম্পর্কে শরী‘আতে কোন স্পষ্ট নির্দেশনা নেই। সেজন্য এগুলো রাখা বা অপসারণ করা ব্যক্তিগত পসন্দ, পরিচ্ছন্নতা, সৌ
উত্তর : বঙ্গানুবাদ কুরআন বা তাফসীর গ্রন্থ ওযূ ছাড়া স্পর্শ করা যাবে। কারণ এগুলোকে মুছহাফ বলা হয় না। এগুলোকে তাফসীরের গ্রন্থ হিসাবে গণ্য করা হয়। তাই মুছহাফ থেকে এদের হুকুম ভিন্ন। আর যে মুছহাফে কেবল কুরআনের আরবী পাঠ ছাড়া অন্য কিছু নেই তা ওযূ ছাড়া স
উত্তর : অর্থনীতি ও হিসাববিজ্ঞান অধ্যয়নের হুকুম মূলত শিক্ষার্থীর নিয়ত ও পড়ার উদ্দেশ্যের ওপর নির্ভর করে। যদি অধ্যয়নের উদ্দেশ্য হয় শরী‘আতবিরোধী বিষয়গুলোকে চিহ্নিত করা, সমালোচনা করা এবং তার শারঈ বিকল্প উপস্থাপন করা অথবা কোন বৈধ চাকুরীর জন্য প্রয়োজনী
উত্তর : অমুসলিমদের অনুদানে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান বা এনজিওতে চাকুরী করা জায়েয। তবে কয়েকটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে, যেমন- (১) এনজিওটির কার্যক্রম যেন শরী‘আত বিরোধী না হয়। যেমন সূদী ঋণ, পরিবার-পরিকল্পনা ইত্যাদি। (২) যে কাজ করা হচ্ছে সে কাজটি যদি ইসলামের
উত্তর :প্রথমত যদি কেউ ধর্মত্যাগ করার পর পাকড়াও না হয় বা আদালতে তোলা না হয় এবং সে নিজে নিজেই আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে তওবা করে, তবে তার জন্য সত্যিকারের অনুশোচনাসহ কালেমা শাহাদাত পাঠই যথেষ্ট হবে। এজন্য তাকে কোন আলেমের কাছে বা আদালতে যেতে হবে না।&n
উত্তর : সুন্নাত হচ্ছে জুম‘আর দিনের ফজরের ছালাতে সূরা দাহর ও সূরা সাজদাহ পুরোটা পাঠ করা। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ফজরের ছালাতে সূরা দু’টোর পুরো অংশ পাঠ করতেন (মুসলিম হা/৮৭৯)। ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘সুন্নাত হ’ল দু’টিই সম্পূর্ণভাবে পড়া। কিন্
উত্তর : এধরনের বিদ‘আতী অনুষ্ঠানের জন্য তৈরীকৃত খাবার খাওয়া ও সেখানে উপস্থিত হওয়া সহ যেকোন প্রকার সহযোগিতা করা শরী‘আত সম্মত নয়। কারণ এটি উক্ত বিদ‘আতী কর্মে সহযোগিতার শামিল, যা নিষিদ্ধ (মায়েদাহ ৫/২)। কোন কারণবশতঃ গ্রহণ করা হ’লে তা পশু-পাখিকে
উত্তর : উৎবা বিন আবু লাহাব ছিল রাসূল (ছাঃ) অন্যতম জামাতা। সূরা লাহাব নাযিল হ’লে আবু লাহাব তার দুই ছেলেকে নির্দেশ দেয় যেন তারা রাসূল (ছাঃ)-এর দুই মেয়েকে তালাক দেয়। সেমতে একদিন আবু লাহাবের পুত্র উৎবা এসে রাসূল (ছাঃ)-কে বলল, আমি সূরা নাজমের ১ ও ৮ আ
উত্তর : হাদীছে বর্ণিত নিষেধাজ্ঞার অর্থ হ’ল যারা শা‘বান মাসের শুরু থেকে ছিয়াম রাখেন, তারা যেন ১৫ই শা‘বানের পর আর না রাখেন। কেননা এতে শারিরীক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। তবে সামর্থ্যবান হ’লে ১৫ই শা‘বানের পরও ছিয়াম পালন করা যাবে। এছাড়া যারা সাপ্তাহিক
উত্তর : রজব মাসের বিশেষ মর্যাদা বা বিশেষ কোন ইবাদত যেমন ছালাত-ছিয়াম ও যিকির-আযকারের ব্যাপারে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে, সবই যঈফ ও জাল। যেমন ‘যে ব্যক্তি রজব মাসে তিনটি ছিয়াম পালন করবে, তার জন্য আল্লাহ এক মাসের ছিয়াম লিখে দিবেন’। হাদীছটি জাল (আল-ল
উত্তর : চারটি বিষয়ের মধ্যে আরশ ব্যতীত বাকীগুলো ভিত্তিহীন। যদিও এর সমর্থনে কিছু জাল বর্ণনা রয়েছে যা মুসলমানদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্যই শী‘আরা বানিয়েছে (ছহীহাহ হা/৪৫৮-এর আলোচনা; ইরাকী, তাখরীজু আহাদীছিল ইহইয়া পৃ. ৯৯; বাহারুল আনওয়ার ৫৪/১৭
উত্তর : খামারে রক্ষিত মুরগী, মাছ, কোয়েল পাখি, হাঁস ইত্যাদির মূল্য নির্ধারণ করে এর যাকাত দিতে হবে। মূল্য নির্ধারণ করে তা নিছাব পরিমাণ হ’লে এবং এক বছর অতিক্রান্ত হ’লে তাতে যাকাত দিতে হবে (উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৮/৫৪)।প্রশ্নকারী : ছাবিত
উত্তর : ছালাতে সহো সিজদা অতিরিক্ত কাজ। এটি কেবল ভুল সংশোধনের জন্য দেওয়া জায়েয বা আবশ্যক। কিন্তু কোন ব্যক্তি যদি বিনা কারণে সহো সিজদা দেয় তাহ’লে তার ছালাত বাতিল হয়ে যাবে। কারণ সে ছালাতে এমন কাজ করেছে যা তার জন্য অনুমোদন নেই। কিন্তু কেউ যদি সালামে
উত্তর : যদি এমনভাবে পরিবর্তন করা হয়, যাতে নতুন অবয়ব বা বিকৃত চেহারা সৃষ্টি হয় তাহ’লে তা মূর্তি বা ছবি অঙ্কনের অনুরূপ এবং আল্লাহ প্রদত্ত সৃষ্টির রূপ বিকৃত করার শামিল, যা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আর এখানে মূল পার্থক্য হ’ল হাতে তৈরী প্রতিকৃতি বনাম প্রযুক্
উত্তর : যদি কেউ বাড়ি বানানোর জন্য জমি কিনে এবং সেখানে বসবাসের উদ্দেশ্য রাখে, তাহ’লে সেই জমির জন্য যাকাত বাধ্যতামূলক নয়। কারণ জমি সাধারণভাবে যাকাতের অন্তর্গত নয়। শুধুমাত্র ব্যবসার উদ্দেশ্যে রাখলে তা যাকাতের অন্তর্ভুক্ত হবে (মুগনী ২/৬২৩, ৬২৮)
উত্তর : এটি জুয়া নয়। কারণ এই পুরস্কার সরাসরি শিক্ষার্থীর শ্রম, প্রচেষ্টা ও দক্ষতার মূল্যায়নস্বরূপ দেওয়া হয়। জুয়ার মূল বৈশিষ্ট্য হ’ল এতে পুরস্কার পাওয়া নির্ভর করে ভাগ্য, কপাল বা অনিশ্চিত সম্ভাবনার ওপর, যেখানে অংশগ্রহণকারীর নিজস্ব কোন প্রচেষ্টা বা
উত্তর : উক্ত হাদীছটি তিরমিযীসহ বিভিন্ন হাদীছ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। এর ব্যাখ্যায় ছাহেবে মিরক্বাত বলেন, এই হাদীছের উদ্দেশ্য হ’ল মানুষকে সতর্ক করা যেন জমি, সম্পত্তি বা এর সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয়গুলোতে এত ব্যস্ত হয়ে না পড়ে যে, তা আল্লাহ্র ইবাদত ও আখেরাতের
উত্তর : অল্প পরিমাণ হ’লে নাপাক হবে না। তবে পরিমাণে বেশী এবং দেহে বা কাপড়ে গড়িয়ে তা ভিজে গেলে সেটা নাপাক হয়ে যাবে, যা পরিধান করে ছালাত আদায় করা যাবে না। কারণ ছালাতের অন্যতম শর্ত হ’ল পোষাক পবিত্র হওয়া। ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘অল্প রক্ত এবং
উত্তর : চুল পুরো মাথায় স্বাভাবিকভাবে রাখতে হবে। তবে বর্তমানে কিছু যুবক ও তরুণেরা যেভাবে কাফেরদের অনুকরণে মাথার কিছু অংশ মুন্ডন বা একেবারে ছোট করে এবং কিছু অংশ বড় করে রেখে দেয়, তা নিষিদ্ধ। যেমন,(১) মাথার কিছু অংশ মুন্ডন করা। (২) মাথার দুই পা
উত্তর : শারঈ কোন বাধা নেই। কারণ একজন সুস্থ মানুষ তার উপার্জিত সম্পদ বৈধ খাতে ব্যয়, দান-ছাদাক্বা বা হেবা করতে পারেন। তবে মৃত্যুকালীন অছিয়ত স্ত্রীর জন্য করা যাবে না। কারণ স্ত্রী ওয়ারিছ। আবুবকর (রাঃ) তাবূক যুদ্ধের পূর্বে তাঁর যাবতীয় সম্পত্তি দান কর
উত্তর : জানাযার ছালাত মাইয়েতের জন্য আনুষ্ঠানিক দো‘আ। অতএব সালাম শেষে পুনরায় দাঁড়িয়ে সম্মিলিতভাবে দো‘আ করার কোন ভিত্তি নেই (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১৪/১৯; মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম, মাজমূউল‘ ফাতাওয়া ৩/১৯৪)। তবে দাফন শেষে ব্যক্তিগতভাবে ক
উত্তর : কবরস্থানের অর্থ উদ্বৃত্ত থাকলে মসজিদে দান করতে পারে। কারণ বিদ্বানগণ বলেন, ওয়াকফকৃত সম্পদ অধিকতর কল্যাণে অন্য খাতে ব্যয় করা যেতে পারে। ইমাম আহমাদ ও শায়খুল ইসলাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) একই অভিমত ব্যক্ত করেছেন (মাতালিবু উলিন নুহা ৪/৩৭৬)।প
উত্তর : গুলি করে অজ্ঞান বা আহত করার পর পশুর জীবন থাকা অবস্থায় যবহ করা সম্ভব হ’লে তা খাওয়া জায়েয। আর মৃত্যু ঘটার পর যবহ করা হ’লে তা হারাম। কারণ আল্লাহ তা‘আলা পশু হালাল হওয়ার জন্য যবহকে শর্ত করেছেন (মায়েদাহ ৫/০৩)। হাদীছে এসেছে, সা‘দ বিন মু‘আয
উত্তর : প্রশ্নে বর্ণিত অবস্থায় খোলা‘ হয়েছে। খোলা‘ তথা বিবাহ বিচ্ছেদ যা নারীর পক্ষ থেকে হয় স্বামীকে মোহর বা মোহরের অংশবিশেষ ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে। সেজন্য ফিরিয়ে নেওয়ার কোন সুযোগ নেই, বরং চাইলে তাদের নতুন করে পুনরায় বিয়ে করতে হবে (মুগনী ৮/১৮১
উত্তর : তালাক দেওয়ার পর ফিরিয়ে নিয়ে পুনরায় তালাক দেওয়ায় তা দুই তালাক হিসাবে গণ্য হয়েছে। যদিও তা একই তোহরে ঘটেছে। তবে স্বামী যদি তার স্ত্রীকে মাসিক (হায়েয) অবস্থায়, নিফাস অবস্থায় অথবা এমন তোহরে (পবিত্র অবস্থা) তালাক দেয় যে তোহরে সে স্ত্রী সহবাস ক
উত্তর : বিদ‘আতকে এড়িয়ে চলা একজন মুসলিমের ঈমানী দায়িত্ব। সুতরাং কারো নির্দেশ বা হুমকিতে কোন বিদ‘আতী কর্মে শরীক হওয়া যাবে না। বরং অন্য কোন বৈধ পথ ও পন্থার জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করবে। কেননা আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য উপ
উত্তর : স্বামীর অনুমতি ব্যতীত কোন কিছুই পিতার বাড়ি বা অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়া উচিৎ নয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, কোন স্ত্রী যেন তার স্বামীর ঘরের কোন কিছু স্বামীর অনুমতি ব্যতীত খরচ না করে। জিজ্ঞেস করা হ’ল, হে আল্লাহ্র রাসূল! খাদ্যসামগ্রী খরচ করতে পারবে না?
উত্তর : নিয়মিতভাবে ফজরের ছালাত শেষ সময়ে এবং বাড়িতে একাকী আদায় করা যাবে না। বরং জামা‘আতে ফজরের ছালাত আদায়ের জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর কসম করে বলছি, আমার মন চায় আযান হওয়ার পরেও যারা জামা‘আতে আসে না, ইমা
উত্তর : সাধ্যানুযায়ী সদুপদেশ দিবে এবং পরিবর্তন লক্ষ্য করবে। সংশোধন হ’লে তাকে নিয়েই সংসার করবে। আল্লাহ বলেন, ‘আর যদি তোমরা তাদের অবাধ্যতার আশংকা কর, তাহ’লে তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের বিছানা পৃথক করে দাও এবং (প্রয়োজনে) প্রহার কর। অতঃপর যদি তারা তোমা
উত্তর : ব্যক্তির পূর্বের স্ত্রীর ছেলের সাথে দ্বিতীয় স্ত্রীর পূর্বের স্বামীর ঔরসে জন্ম নেওয়া মেয়ের বিবাহ জায়েয। বৈমাত্রেয় বোন সৎ মায়ের আগের স্বামীর হওয়ায় বিবাহ শরী‘আত সম্মত হবে। কারণ এই দুইজনের মধ্যে কোন রক্তসম্পর্ক নেই, কোন দুধ-সম্পর্কও নেই এবং
উত্তর : কোন ব্যক্তি সূদের মত মহাপাপে জড়িয়ে পড়লেও কাফির হয়ে যায় না। সেজন্য তাদের সালাম দেওয়া যায়। তবে যদি বুঝা যায় যে, সালাম না দিলে সে লজ্জায় সংশোধন হ’তে পারে তাহ’লে তাকে সালাম দেওয়া থেকে বিরত থাকতে পারে। সুতরাং সূদখোরকে সালাম দেওয়া বা না দেওয়া
উত্তর : যা খাওয়া হারাম, তা থেকে কোনভাবে লাভবান হওয়াও হারাম। সুতরাং উক্ত সিগারেট নষ্ট করে ফেলতে হবে। তা কাউকে দেয়া যাবে না, তা বিক্রয় করে লাভবানও হওয়া যাবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘যখন আল্লাহ তা‘আলা কোন বস্ত্ত হারাম করেন, তখন তা বিক্রি করাও
উত্তর : সর্বপ্রকারের তাবীয ঝুলানো থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ তা স্পষ্ট শিরক। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি তাবীয ঝুলালো সে শিরক করল’ (আহমাদ হা/১৬৯৬৯; সিলসিলা ছহীহাহ হা/৪৯২; ছহীহুল জামে‘ হা/৬৩৯৪)। তবে তাবীয শরীরে নিয়ে ছালাত আদায় করলে ছা
উত্তর : বিবাহের পূর্বে অপ্রয়োজনে যোগাযোগ বা ফোনে কথা বলা যাবে না। তবে উপহার পাঠাতে পারে। ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘যদি স্বামী বিবাহের চুক্তির আগে মহিলাকে উপহার দেন এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু পরে অন্য কারো সঙ্গে বিয়ে করেন, তবে সেই উপহার ম
উত্তর : ওযূতে নারী-পুরুষের মাথা মাসাহের নিয়ম কি একই। সুতরাং নারীরাও মাথা মাসাহ করবেন যেভাবে পুরুষেরা পাগড়ীর উপরে মাসাহ করে থাকেন। অর্থাৎ মাথা মাসাহের সময় হাত সামনের দিক থেকে পিছনের দিকে এবং পুনরায় সামনের দিকে আনা সবার জন্য সুন্নাত (নাসাঈ হা
উত্তর : হুবহু এরূপ বর্ণনা কোন প্রসিদ্ধ হাদীছ গ্রন্থে পাওয়া যায় না। তবে ইমাম গাযালীসহ কতিপয় বিদ্বান ‘রাগ, হিংসা ও সম্পদ সম্পর্কে সতর্কতা’ পরিচ্ছেদে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ইয়াহ্ইয়া (আঃ) ঈসা (আঃ)-কে বললেন, রাগ করো না। ঈসা (আঃ) বললেন, ‘আম
উত্তর : জুম‘আ যেমন সমষ্টিগত একটি ইবাদত, তেমনি এটা ইসলামের একটি বড় শে‘আর বা নিদর্শন। সুতরাং যত্রতত্র জুম‘আ কায়েম করা যাবে না। বরং মসজিদে গিয়ে জুম‘আর ছালাত আদায় করবে। সম্ভব না হ’লে যোহরের ছালাত আদায় করবে। তবে নিকটস্থ এলাকায় জুম‘আ মসজিদ না থাকলে সব
উত্তর : এ সময়ে দাঁড়িয়ে থেকেই বিভিন্ন যিকির করবে। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তোমাদের কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করে, সে যেন বসে না পড়ে যতক্ষণ না সে দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করে’ (বুখারী হা/১১৬৩)। আবু ক্বাতাদা (রাঃ) বলেন, আমি একদিন মসজিদে প্রবেশ ক
উত্তর : ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সম্মতি থাকলেও ভ্রমণ না করে ভ্রমণ ভাতা নেওয়া জায়েয নয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমরা নিজেরা নিজেদের অর্থ-সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রহণ কর না’ (বাক্বারাহ ২/১৮৮)। এভাবে ভুয়া বিল অর্থ গ্রহণ করা একদিকে মিথ্যা এবং অন্যদিকে প্রতা
উত্তর : পাঁচ ওয়াক্ত ছালাতেই প্রথম রাক‘আতে কিরা‘আত তুলনামূলক লম্বা করা মুস্তাহাব (মির‘আতুল মাফাতীহ ৩/১৩৩)। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ইমামতিকালে পাঁচ ওয়াক্ত ছালাতেই এ আমল করতেন। আবূ ক্বাতাদা (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) যোহরের ছালাতের প্রথম দুই রা
উত্তর : যাবে। বিশেষ করে সিজদায় এবং শেষ বৈঠকে দরূদের পরে হাদীছে বর্ণিত যেকোন দো‘আ পাঠ করা যায়। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘সাবধান! আমাকে রুকূ ও সিজদায় কুরআন তিলাওয়াত করতে নিষেধ করা হয়েছে। তাই তোমরা রুকূতে তোমাদের রবের মহিমা বর্ণনা কর। আর সিজদায় অতি ম
উত্তর : বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে বিলম্ব হ’লে যে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়, তা সূদ হিসাবে নয় বরং সরকার বা কোম্পানী এটিকে জরিমানা হিসাবে নেয়। বিলম্ব পরিশোধ ঠেকানোর জন্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসাবে এটা চালু আছে। এক্ষণে কেউ বিলম্বে বিল পরিশোধ করলে এবং তাতে জর
উত্তর : ‘যদি কোন শিশুর পিতা-মাতা পৃথক হয়ে যায়, তবে উভয়েরই তাদের সন্তানদের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করার অধিকার রয়েছে। এ বিষয়ে বিদ্বানগণের মধ্যে কোন দ্বিমত নেই। কিন্তু যদি তারা সন্তানদেরকে তাদের পিতা বা সৎ মায়ের প্রতি অবাধ্য হ’তে প্ররোচিত করে, তবে নিঃসন
উত্তর : কুরআন ও ছহীহ হাদীছ সমূহ দ্বারা প্রমাণিত হয় যে কেবলমাত্র জিব্রীল (আঃ) নবী-রাসূলগণের নিকট অহি নিয়ে আগমন করতেন। যে সকল আয়াতে বা হাদীছে বহুবচনের শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলো দ্বারাও কেবল তাঁকে বুঝানো হয়েছে। আর কুরআনের রীতি অনুযায়ী বহুবচনের
উত্তর : ডিএক্সএন মূলত MLM বা পিরামিড স্কিম পদ্ধতিতে পরিচালিত প্রতারণা মূলক ব্যবসা। তারা নানা আকর্ষণীয় প্যাকেজ দেখিয়ে সদস্য ভর্তি করে এবং প্রায় বিনা পরিশ্রমে মোটা অংকের লাভের প্রতিশ্রুতি দেয়। এতে ডাউনলাইন সদস্যদের কেনাকাটা থেকে লভ্যাংশ দেয়া হয়। অ
উত্তর :প্রথমত: পিতা বা বৈধ অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া কোন মেয়ের বিবাহ শুদ্ধ নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে নারী তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিবাহ করে, সেই বিবাহ বাতিল, বাতিল, বাতিল’ (আবূদাউদ হা/২০৮৩; ছহীহুল জামে‘ হা/২৭০৯)। দ্বিতীয়ত: যে
উত্তর : যদি গ্রাহকের পক্ষ থেকে দায়িত্ব নিয়ে কাজটি করা হয়, তবে লাভ রেখে কাপড়ের দাম বেশী বলা যাবে না। কারণ এটা হবে কাপড়ের প্রকৃত মূল্য বা তথ্য গোপন করার শামিল, যা খেয়ানত। রাসূল (ছা.) বলেন, যে আমাদের সাথে প্রতারণা করে সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়
উত্তর : ইসলামে আত্মীয়তার হক মূলত রক্তের সম্পর্কের উপর প্রতিষ্ঠিত। আর বংশ নির্ধারিত হয় পিতৃ-সূত্রে। অতএব পিতার দ্বিতীয় সংসারের সন্তানগণ অর্থাৎ সৎ ভাই-বোনেরা প্রথম অগ্রাধিকার পাবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি প্রশস্ত জীবিকা ও দীর্ঘ জীবন কামনা করে
উত্তর : জুম‘আর খুৎবায় দান-ছাদাক্বা সম্পর্কে আলোচনা করা জায়েয। তবে খুৎবা চলাকালীন দান-ছাদাক্বা আদায় করা যাবে না। কারণ খুৎবা হ’ল ইবাদত, নছীহত এবং আল্লাহ্র যিকির। এটি দুনিয়াবী লেনদেনের স্থান নয়। ইমাম যখন খুৎবা বাদ দিয়ে দান-ছাদাক্বা উত্তোলন শুরু করে
উত্তর : হজ্জ-ওমরাহ কাফেলার বিজ্ঞপ্তি মসজিদের ভিতরে প্রচার করা যাবে না। কারণ এটা ব্যবসার অংশ। আর রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যদি তোমরা মসজিদে কাউকে ক্রয়-বিক্রয় করতে দেখ, তবে বল! আল্লাহ তোমার ব্যবসায় লাভবান না করুক’ (তিরমিযী হা/১৩২১; মিশকাত 
উত্তর : এমন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করলে যে উপার্জন হারাম হবে এমনটি নয়। কারণ শিক্ষকতার মূল পেশাটি হালাল। তবে সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর ক্ষেত্রে দৃষ্টি সংযম, পূর্ণ পর্দা ও তাক্বওয়া বজায় রেখে চলতে হবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানে পর্দার বিধান প্রতিষ্ঠার জন্
উত্তর : এভাবে বসা যাবে না। কারণ প্রথমতঃ এতে আলস্য আসে এবং ঘুমের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। যাতে ওযূ ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়। দ্বিতীয়তঃ এতে খুৎবার প্রতি মনোযোগ বিঘ্নিত হয় এবং অবহেলা সৃষ্টি হয়। অথচ বিভিন্ন হাদীছে বর্ণিত হয়েছে যে, ‘রাসূল (ছাঃ) যখন
উত্তর : এটা রেখে দেওয়া জায়েয হবে ইনশাআল্লাহ। আর তার বক্তব্য দ্বারা কেউ উপকৃত হলে মাইয়েত ছাদাক্বা জারিয়া হিসাবে ছওয়াব পেতে থাকবেন। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘মানুষ যখন মৃত্যুবরণ করে, তখন তার সমস্ত আমল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় কেবল তিনটি আমল ব্যতীত। (১) ছাদাক্বা
উত্তর : ছালাতের ভিতর কোন ওয়াজিব ছুটে গেলে শেষ বৈঠকে সালামের পূর্বে সহো সিজদা দিলেই যথেষ্ট হবে (মুসলিম হা/৫৭২)। তবে কেউ সহো সিজদা দিতে ভুলে গেলে এবং সালাম ফিরানোর পর মনে হ’লে তখনই বসে সহো সিজদা দিয়ে সালাম ফিরাবে। আর ওয়াক্তের মধ্যে মনে ন
উত্তর : কবরে কারো লাশ অক্ষত থাকা বা পচে না যাওয়া সে ব্যক্তির সৎ হওয়ার প্রমাণ নয়। কারণ নবী-রাসূল ছাড়া কারো লাশ অক্ষত থাকার ব্যাপারে আল্লাহ নিশ্চয়তা দেননি (মুসনাদ আহমাদ হা/১৬২০৭; মিশকাত হা/১৩৬৬; ছহীহাহ হা/১৫২৭)। লাশ অক্ষত থাকার বিষয়টি দ
উত্তর : হিন্দুদের মন্দিরে যাওয়া জায়েয নয়, কাফেরদের ইবাদত অনুষ্ঠান পরিদর্শন করা বৈধ নয়, তাদের ধর্মীয় আচারে উপস্থিত থাকা বৈধ নয় এবং তাদের উৎসবে অংশগ্রহণ করাও বৈধ নয়। কারণ এগুলো কাফেরদের ধর্মীয় কাজের অন্তর্ভুক্ত। আর তাদের সাথে এতে সাদৃশ্য করা হারাম
উত্তর : খুৎবা চলাকালে সর্বপ্রকার কাজ, কথা, লিখা, মোবাইল দেখা, হাদীছ মিলানো ইত্যাদি আচরণ অনুচিৎ। বরং এ সময় মনোযোগ দিয়ে ইমামের খুৎবা শ্রবণ করবে। হানাফী বিদ্বান ইবনুল হুমাম বলেন, ‘খুৎবা চলাকালে কথা বলা হারাম; তা যদি আমর বিল মা‘রূফও (সৎকাজের আদেশ) হ
উত্তর : পুনরায় বিবাহ নির্ভর করবে তালাকের ধরনের উপর। যদি এক, দুই তালাক বা খোলা‘ হয়ে থাকে তাহ’লে নতুন বিবাহের মাধ্যমে পুনরায় সংসার করতে পারবে। আর যদি তিন মাসে তিন তালাক বা তালাকে বায়েন হয়ে থাকে তাহ’লে স্বাভাবিকভাবে আর সংসার করতে পারবে না। এক্ষণে ম
উত্তর : হাদীছে খরচ করার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা বর্ণনা করা হয়েছে। যেমন আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, ‘একদা নবী করীম (ছাঃ) ছাদাক্বা করার নির্দেশ দিলে এক ব্যক্তি বলল, আমার কাছে এক দীনার আছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, ‘এটা তোমার নিজের জন্য খরচ কর। লোকটি বলল,
উত্তর : আত্মহত্যা করা কাবীরা গোনাহ। যার পরিণতি ভয়াবহ। তবে এটি মুসলমানকে ইসলাম থেকে খারিজ করে দেয় না। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘কোন ব্যক্তি যদি পাহাড় থেকে পড়ে আত্মহত্যা করে, তাহ’লে সে সর্বদা জাহান্নামে এরূপ করতে থাকবে। কোন ব্যক
উত্তর : ওযূ করে আযান দেওয়া উত্তম (আইনী, আল-বিনায়াহ ২/১০৯)। তবে কেউ সময় স্বল্পতার কারণে ওযূ না করে আযান দিলে তাতে দোষ নেই। কারণ আযান দেওয়ার জন্য ওযূ করা শর্ত নয় (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৬/৩৪৫)। আয়েশা (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ)
উত্তর : স্বামীর সাথে মিলন এবং নির্জনবাস না হয়ে থাকলে তালাক প্রাপ্তা নারীকে কোন ইদ্দত পালন করতে হবে না আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! যখন তোমরা মুমিন নারীদের বিবাহ করবে; অতঃপর তাকে স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দিবে, তখন তোমাদের জন্য তাদের উপর কোন ইদ্দত
উত্তর : নাপাক হবে না। তবে কাপড়ের কোন স্থানে বীর্য লেগে গেলে তা ধুয়ে ফেলবে বা পানি ছিটিয়ে দিবে। মূলত স্বামী-স্ত্রী মিলনে গোসল ফরয হয় কেবল ব্যক্তিদ্বয়ের উপর (মুসলিম হা/২৮৮, আবুদাঊদ হা/৩৭১)।প্রশ্নকারী : হালীম হোসাইন, ভারত।
উত্তর : হিংসা না করে ভালো কাজে প্রতিযোগিতা করতে হবে। কারণ সে যা ভালো আমল করবে তার ছওয়াবের সমপরিমাণ সত্যের সন্ধানদাতার আমলনামায় যোগ হবে (মুসলিম হা/২৬৭৪)। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সৎকর্মে প্রতিযোগিতা কর’ (বাক্বারাহ ২/১৪৮)। তিনি আরো বলেন, ‘তোম
উত্তর : ফরয ছালাতের পরের সুন্নাতকে পূর্বে আদায় করা জায়েয নয়। কারণ তা আদায় করলে সময়ের পূর্বে আদায় করা হয়ে যাবে (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ২৫/২৮১-৮২)। ইবনু কুদামাহ বলেন, ‘প্রতিটি ছালাতের পূর্বে পড়া সুন্নাত (যেমন ফজরের দুই রাক‘আত) এর সময় শুরু হয়
উত্তর : এটা নিয়তের উপর নির্ভরশীল। মানতকারী লাগাতার ছিয়াম পালন করার নিয়ত করে থাকলে লাগাতার পালন করবে। আর কোন নিয়ত না করে থাকলে সুবিধামত দিনগুলোতে ছিয়াম পালন করে ত্রিশদিন পূর্ণ করবে (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ৪০/১৬৬)।প্রশ্নকারী : মাহবূব হা
উত্তর : উপরোক্ত বিবাহ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিতে হয়ে থাকলে সে বিবাহ ও তালাক দুটোই সংঘটিত হয়েছে। যদিও বৈধ অভিভাবক তথা পিতার অনুমতি ছাড়া মেয়ের বিবাহ শুদ্ধ নয়। এক্ষণে অন্য কোথাও বা পূর্বের স্বামীকে বিবাহ করতে চাইলে পিতার অনুমতিক্রমে নতুনভাবে বিবাহ করতে প
উত্তর : যে ব্যক্তি অন্যায় করে মারা যাবে তাকেই সে অন্যায়ের দায়ভার নিতে হবে। অন্য কেউ তার অন্যায়ের দায়ভার নিবে না। এমনকি সন্তানেরাও নয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, কেউ কারো (পাপের) বোঝা বহন করবে না’ (বনু ইস্রাঈল ১৭/১৫)। তবে পিতা কারো হক মেরে মারা গেল
উত্তর : মহিলা শিক্ষিকার ক্লাস করার সময় মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনবে, প্রয়োজনে প্রশ্ন করবে। তবে তার দিকে বা তার চোখে চোখ রাখবে না। তাছাড়া অন্তর থেকে শিক্ষিকার প্রতি সম্মান রাখবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তুমি মুমিন পুরুষদের বলে দাও, তারা যেন তাদের দৃষ্ট
উত্তর : এটা ইসলাম পূর্ববর্তী যুগে ও বর্তমানে অমুসলিমদের মাঝে প্রচলিত অভিবাদন পদ্ধতি, যা ইসলামী শরী‘আত সমর্থন করে না। সেজন্য তা পরিহার করে সালাম আদান-প্রদানের অনুশীলন করতে হবে। একদা আনাস (রাঃ) রাসূল (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদে
উত্তর : ওযূ করার পর স্ত্রীকে স্পর্শ করলে ওযূ বা ছিয়াম ভঙ্গ হবে না। আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) কখনো কোন স্ত্রীকে চুম্বন করতেন এবং ওযূ না করেই ছালাতে বের হতেন (আবুদাঊদ হা/১৭৯; মিশকাত হা/৩২৩)। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, তিনি ছিয়াম অবস্থায় স্ত্রীকে
উত্তর : কেউ শরী‘আতের কোন ফরয বিধান অস্বীকার করলে সে কাফের হয়ে যাবে এবং এ অবস্থায় কোন মুসলিম নারীকে বিবাহ করে থাকলে সে বিবাহ বাতিল বলে গণ্য হবে। কারণ মুসলমানের সাথে কাফেরের বিবাহ বৈধ নয়। এক্ষণে ঐ ব্যক্তি তওবা করে পুনরায় ইসলামে ফিরে আসলে অভিভাবকের
উত্তর : জুম‘আর ছালাত আদায় করার জন্য মসজিদের জায়গা ওয়াকফ হওয়া শর্ত নয়, তবে এটি উত্তম ও সুন্নাত সম্মত। জুম‘আর জন্য প্রধান শর্ত হ’ল- (১) মসজিদে যথেষ্ট জায়গা থাকা, যাতে মুছল্লীরা একত্রিত হয়ে জামা‘আতে ছালাত আদায় করতে পারে। (২) সেখানে খুৎবা দেওয়ার সুব
উত্তর : কোন মাসবূক ভুল করে ইমামের সাথে এক বা দুই সালাম ফিরানোর পরে স্মরণ হ’লে তৎক্ষণাৎ দাঁড়িয়ে বাকী ছালাত আদায় করবে এবং ছালাত শেষে সালামের পূর্বে সহো সিজদা দিবে (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ৮/২০৬)। ইমাম নববী (রহঃ) বলেন, যদি মাসবূক ইমামের
উত্তর : উক্ত কন্যা জারজ হিসাবে গণ্য হবে না। বরং সে তার পিতার সাথে সম্পর্কিত হবে (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ১৯/২৩৭)। ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘মুসলিমরা এ বিষয়ে একমত যে, যে কোন বিবাহকে যদি স্বামী বৈধ বিবাহ বলে বিশ্বাস করে এবং সেই বিবাহে স
উত্তর : সূদী ব্যাংকে চাকুরী করা যাবে না। সেটা পিয়ন, মালি বা অন্য যে কোন পদে হৌক না কেন। কেননা এতে হারাম কাজে সহযোগিতা করা হবে, যা থেকে আল্লাহ তা‘আলা নিষেধ করেছেন (মায়েদাহ ৫/২)। শায়েখ বিন বায (রহঃ) বলেন, ‘যদি কোন ব্যক্তি এমন ব্যাংকে কাজ করে
উত্তর : গালি দেওয়া পাপের কাজ। সুতরাং সর্বাবস্থায় মুসলমানকে গালি দেওয়া হ’তে বিরত থাকতে হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘মুসলিমকে গালি দেওয়া ফাসেকী এবং তার সাথে লড়াই করা কুফরী’ (বুখারী হা/৪৮; মিশকাত হা/৪৮১৪)। তিনি বলেন, ‘মুমিন ব্যক্তি মানুষের নিন্দাকা
উত্তর : ইসলাম এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার প্রয়োজনে গোয়েন্দা বিভাগকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করা এবং ছদ্মবেশ ধারণ বা মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া জায়েয (ইবনুল ক্বাইয়িম, যাদুল মা‘আদ ৩/৩১০)। উম্মে কুলছূম বিনতে উকবা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে কোন অবস্থ
উত্তর : উক্ত মহিলার মুসলিম ভাই জীবিত থাকায় তার অভিভাবক সেই-ই হবে। সে আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে বিবাহের ব্যবস্থা করবে। আবার নির্ভরযোগ্য কাউকে অলীর দায়িত্ব দিতে পারে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৩/৩৮৭)। এরূপ সুযোগ না থাকলে সরকারী প্রতিনিধি
উত্তর : এটি যাকাত হিসাবে যথেষ্ট হবে না (অর্থাৎ ঋণ মাফ করলে যাকাত আদায় হবে না)। শায়খুল ইসলাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, এ ব্যাপারে কোন দ্বিমত নেই। এর কারণ কয়েকটি- প্রথমত যাকাত হ’ল গ্রহণ ও প্রদান উভয়ই। আল্লাহ বলেন, তাদের সম্পদ থেকে ছাদাক্
উত্তর : পারবে না। কারণ এতে আল্লাহর সৃষ্টির পরিবর্তন রয়েছে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ...‘আল্লাহর সৃষ্টিতে বিকৃতি সাধনকারিণীদের আল্লাহ লা‘নত করেছেন’ (বুখারী হা/৪৮৮৬; মুসলিম হা/২১২৫)। তাছাড়া এর মধ্যে ধোঁকা রয়েছে। আর রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্
উত্তর : ছালাতে রাক‘আত সংখ্যা কম হওয়ার বিষয়টি যখনই মনে পড়বে, তখনই দাঁড়িয়ে বাকী ছালাত আদায় করবে এবং শেষ বৈঠকে সালামের পূর্বে সহো সিজদা দিবে। যদিও ক্ষেত্র বিশেষে সালামের পরেও সহো সিজদা দেওয়া যায় (ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৪/৩১)। ইমরান বিন হোছাই
উত্তর : ফজরের ছালাত ক্বাযা হয়ে গেলে যখনই জাগ্রত হবে বা স্মরণ হবে তখনই আদায় করবে। কারণ ক্বাযা ছালাত আদায়ের জন্য নিষিদ্ধ সময় প্রযোজ্য নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যদি তোমাদের মধ্যে কেউ কোন ছালাত ভুলে যায় বা ঘুমের কারণে পড়তে না পারে, তবে সে যখন তা স
উত্তর : দানের ক্ষেত্রে মৌখিক ঘোষণাই যথেষ্ট। এক্ষণে উক্ত দান পিতার মোট সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের কম হ’লে সন্তানদের কর্তব্য হচ্ছে সেটা রেজিস্ট্রি করে মাদ্রাসার নামে দিয়ে দেওয়া। কারণ বৈধ দানের ক্ষেত্রে পিতার অছিয়ত আগে পালন করা অপরিহার্য (নিসা ৪/
উত্তর : এমতাবস্থায় আপনার স্বামীর জন্য দ্বিতীয় বিয়ে করা জায়েয। কিন্তু তা কেবল তখনই, যখন তিনি নিশ্চিত হবেন যে তিনি উভয় স্ত্রীর মধ্যে পরিপূর্ণ ন্যায়বিচার করতে পারবেন এবং উভয়ের ব্যয়ভার বহনে সক্ষম। যদি তিনি এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন, তবে তিনি আল্লাহ
উত্তর : পায়ে স্টিকার লাগার সময়কালের বিষয়টি যদি সন্দেহ হয় যে, ওযূর আগে না পরে তাহ’লে সর্বোচ্চ ধারণার ভিত্তিতে ওযূর পরে লেগেছে বলে বিশ্বাস করতে হবে। এমন অবস্থায় ছালাত শুদ্ধ হয়েছে। কিন্তু ওযূর পূর্বে লেগেছিল এ বিষয়ে নিশ্চিত ছিল তবে পরে ভুলে গিয়েছিল
উত্তর : জিনের সাথে কথা বলা এবং তাদের মাধ্যমে কোন ভালো কাজ করিয়ে নেওয়া জায়েয। তবে হারাম এবং অশ্লীল কাজে তাদের সহযোগিতা নেওয়া বা তাদের বিশ্বাস করা জায়েয নয়। ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, এর তিনটি অবস্থা। (১) হারাম কাজে সহযোগিতা : এমন কাজে জিনের স
উত্তর : যারা কথা বলতে পারে না, তারা বিবাহে ইশারার মাধ্যমে কবুল বলবে বা খাতায় লিখবে ‘আমি ওমুককে স্ত্রী হিসাবে কবুল করলাম’। তবে যারা কথা বলতে পারে তাদেরকে অবশ্যই মুখে উচ্চারণ করে কবুল বা এ জাতীয় শব্দ বলতে হবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৮/৮৫-৮৭)।
উত্তর : ভুল করে হজ্জ বা ওমরা পালনকারী জাঙ্গিয়া পরে হজ্জ বা ওমরা সম্পাদন করে থাকলে তাকে কাফফারা বা কোন জরিমানা দিতে হবে না (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১৭/২৩৯)। আল্লাহ বলেন, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা যদি ভুলে যাই বা ভুল করি তবে আমাদেরক
উত্তর : কুরবানীর গোশতের ন্যায় আক্বীক্বার গোশতও তিনভাগ করা উত্তম (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৯/৩৬৬)। তবে কেউ যদি মনে করে পুরো গোশত রান্না করে নিজে ও আত্মীয়-স্বজন মিলে খাবে, তাতেও কোন দোষ নেই। ইবনু জুরাইজ বলেন, আক্বীক্বার গোশত রান্না করে নিজে খাবে,
উত্তর : বড় ছেলেকে সম্পদ থেকে বঞ্চিত করা ঠিক হয়নি। বরং এটি শরী‘আতের মীরাছ বণ্টনের নীতিমালার লঙ্ঘন (নিসা ৪/১২-১৩)। এক্ষণে পিতা বড় ছেলের ছেলেকে সমপরিমাণ সম্পদ দান করে থাকলে কিছুটা দায়মুক্ত হয়েছেন পুরোপুরি নয়। কারণ বড় ছেলের অন্যান্য সন্তান বা স
উত্তর : হুন্ডির মাধ্যমে অবৈধ লেনদেন করা জায়েয নয়। কেননা রাষ্ট্রীয় আইন শরী‘আত বিরোধী না হ’লে তা পালন করা আবশ্যক। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘মুসলমানরা তাদের স্বাক্ষরিত বা করা শর্তসমূহের প্রতি দায়বদ্ধ। যেহেতু কোন চুক্তি বা শর্ত তারা স্বীকৃতভাবে গ্রহণ করেছে
উত্তর : মসজিদের দোকান ভাড়া দেওয়া এবং তার আয় মসজিদের কাজে ব্যয় করা বৈধ। তবে শর্ত হচ্ছে, ভাড়ার টাকা এবং সিকিউরিটি মানি ন্যায্য ও স্বচ্ছ হ’তে হবে। যাতে অন্যের উপর যুলুম না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আর যামানতের টাকা অন্যত্র ব্যয়ের ব্যাপারে যামানতদা
উত্তর : অনুমান করে সে পরিমাণ টাকা দান করে দিবে। পরবর্তীতে কেউ দাবী করলে ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করবে। ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘যার হাতে এমন কোন টাকা রয়েছে, যার মালিককে সে জানে না। অর্থাৎ যাদের হাতে এমন সম্পদ এসেছে যা তারা নিজেরা মালিক নয় এবং মালিকক
উত্তর : স্ত্রীকে স্বামীর আনুগত্যের ব্যাপারে অধিক পরিমাণে নছীহত করতে হবে। স্বামীর আনুগত্য করা ফরয এবং অবাধ্য হওয়া হারাম। যে নারী দুনিয়ায় স্বামীর অবাধ্য হবে সে যেমন দুনিয়ায় আল্লাহ, ফেরেশতা এবং হুরে আইনের লা‘নত বা অভিশাপপ্রাপ্ত হবে, তেমনি পরকালে জা
উত্তর : নবী করীম (ছাঃ) তার ছাহাবীদের কাছে নির্দেশ দিতেন যে, যখন তারা শত্রুর কাছাকাছি পৌঁছায়, তখন ছিয়াম ভাঙবে, যাতে তারা যুদ্ধের জন্য শারীরিক শক্তি অর্জন করতে পারে। যুদ্ধের সময় ইফতার করা তথা ছিয়াম না রাখা শারীরিক শক্তি অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম
উত্তর : পিতার অনুপস্থিতে প্রাপ্তবয়স্ক ভাইয়েরা বোনের অভিভাবক হ’তে পারে। এক্ষণে বোনের বৈধ ইচ্ছায় ভাইয়েরা বাধা হয়ে দাঁড়ালে পরবর্তী অভিভাবক তথা দাদা, চাচারা অভিভাবক হয়ে বিয়ের ব্যবস্থা করবে (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৭/৭-৮; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৮/১৪
উত্তর : জন্মদিন পালন করা খৃষ্টানদের রীতি। অতএব এই ধরনের উৎসবে উপহার প্রদান নিষেধ। কারণ উপহার প্রদানের মাধ্যমে এমন উৎসবকে সমর্থন বা স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। সুতরাং তাদেরকে স্পষ্টভাবে বুঝাবে যে, উক্ত অনুষ্ঠান আয়োজন করা কেন অগ্রহণযোগ্য বা কুসংস্কার,
উত্তর : দাড়ি রাখা ওয়াজিব এবং মুন্ডন করা হারাম। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘মুশরিকদের বিপরীত পথে চলো। দাড়ি লম্বা করো আর গোঁফ ছোট করো’ (বুখারী হা/৫৮৯২; মিশকাত হা/৪৪২১)। এক্ষণে এই অন্যায় নির্দেশদানকারী আল্লাহর নির্দেশ লংঘনে বাধ্য করায় মহাপাপী হবেন। আ
উত্তর : স্ত্রীর পক্ষ থেকে এই জাতীয় কথা বলা গুনাহের কাজ। কিন্তু এ কারণে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে কোন প্রভাব পড়বে না। তাছাড়া যিহার নারীর পক্ষ থেকে হয় না বরং পুরুষের পক্ষ থেকে হয়। এজন্য যদি কোন স্ত্রী তার স্বামীকে বলে, ‘তুমি আমার কাছে আমার বাবার পিঠ
উত্তর : হাদীছের সুস্পষ্ট বক্তব্য হ’ল যদি তারা এমন সময় মসজিদে আসে যখন ইমাম সালাম ফেরাননি, তবে তারা ইমামের সাথে ছালাতে যুক্ত হবে। ইমাম সালাম ফেরানোর পর তারা বাকী রাক’আতগুলো পূর্ণ করবে। কেননা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘তোমরা যা ইমামের সাথে পেয়েছ তা
উত্তর : মোবাইল অ্যাপ বা অনূদিত কুরআন দেখে কুরআন তেলাওয়াত করার জন্য ওযূ করা বাধ্যতামূলক নয়; কারণ মোবাইল প্রকৃত মুছহাফ নয়, যদিও এতে কুরআনের আয়াত থাকে। মুদ্রিত মুছহাফ স্পর্শ করতে ওযূ করা আবশ্যক, কিন্তু ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে পড়াটা মুখস্থ কুরআন তেলা
উত্তর : বিলম্বে বিয়ে করার প্রবণতা মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই শিক্ষা, ক্যারিয়ার ও স্বাধীনতার পাশাপাশি সঠিক বয়সে বিয়ে করার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। সমাজের এর ক্ষতিকর প্রভাবগুলো হ’ল (১)
উত্তর : বিছানায় খাবার গ্রহণ এবং খালি গায়ে শোয়ার উপর শরী‘আতে কোন স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা নেই। বরং খাদ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা, সর্বাবস্থায় শালীনতা ও আদব অনুসরণ করার নির্দেশনা এসেছে। বিশেষ করে ঘুমানোর পূর্বে বিছানা পরিচ্ছন্ন করে ঘুমানোর নির্দেশ দ
উত্তর : পুরো মাস কাজ করার পরেও যদি আগে বেতন নিলে কম, দেরীতে নিলে বেশী এভাবে চাকরির বেতন নির্ধারণ করা বৈধ নয়। কারণ এতে শ্রমিক পক্ষ যুলুমের শিকার হয়। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা অত্যাচার করো না এবং অত্যাচারিত হয়ো না’ (বাক্বারাহ ২/২৭৯)।প্রশ্নকারী :&nb
উত্তর: আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদা ভঙ্গ করার কারণে তওবা করার পাশাপাশি কাফফারা দিতে হবে। আল্লাহ্ বলেন, ‘তোমরা যখন আল্লাহর সাথে অঙ্গীকার করো, তখন তা পূর্ণ করো এবং শপথগুলো দৃঢ় করার পর তা ভঙ্গ করো না’ (নাহল ১৪/৯১)। ইবনু কুদামাহ (রহঃ) বলেন, ‘যদি কেউ
উত্তর : মায়ের উচিৎ বুঝদার ছেলের সামনে প্রয়োজনীয় পর্দার বিধান মেনে চলা। কারণ এক্ষেত্রে বিদ্বানগণ তিনটি স্তর বর্ণনা করেছেন। প্রথমত যে ছেলেটি এত ছোট যে, সে যা দেখে তা বর্ণনা করতে পারে না, তাহ’লে তার উপস্থিতি না থাকার সমান। সুতরাং তার সামন
উত্তর : এটি সম্পূর্ণরূপে শরী‘আত বিরোধী কাজ এবং অমুসলিমদের অনুকরণে সৃষ্ট। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাদৃশ্য অবলম্বন করবে, সে ব্যক্তি সেই সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে’ (আহমাদ, আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৩৪৭ ‘পোষ
উত্তর : এমন কোন ছহীহ হাদীছ নেই যা স্পষ্টভাবে বলে যে অধিক সম্পদ থাকা পুলছিরাত পার হওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। তবে সম্পদ বান্দার জন্য ক্বিয়ামতের দিন পুলছিরাত পার হওয়ার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। যদি তা অবৈধ পথে উপার্জিত হয় বা হারাম পথে ব্য
উত্তর : ইসলামী প্রতিযোগিতায় পুরস্কার ঘোষণা করা এবং তা গ্রহণ করায় কোন দোষ নেই। তা তৃতীয় পক্ষ (প্রতিযোগীদের বাইরে কারও) থেকে হোক কিংবা কোন প্রতিযোগীর পক্ষ থেকে হোক, কিংবা সকল প্রতিযোগীর পক্ষ থেকে হোক (প্রধানতম ও গ্রহণযোগ্য) মত হ’ল, এটি বৈধ। ‘আল্লা
উত্তর : উক্ত শব্দে সরাসরি কোন হাদীছ পাওয়া যায় না। তবে কাছাকাছি অর্থে যঈফ হাদীছ পাওয়া যায়। যেখানে বলা হয়েছে, ‘রসুন খাও এবং তার মাধ্যমে চিকিৎসা কর, কারণ এতে সত্তুর ধরনের রোগের আরোগ্য রয়েছে। যদি আমার নিকট ফেরেশতা না আসতেন, তাহ’লে আমি তা খেতাম’ 
উত্তর : গুনাহ হবে। মালিকের অনুমতি ছাড়া অন্যের সম্পদ ব্যবহার করা চুরি বা জালিয়াতির শামিল। ইসলামী নীতি অনুসারে অন্যের সম্পত্তি বা সুবিধা অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা হারাম। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা অন্যায়ভাবে পরস্পরের সম্পদ ভক্ষণ করো না’ (বাক্বারাহ ২/১
উত্তর : যেকোন স্বাস্থ্যখাতে চাকরী করা বৈধ। কারণ কর্ম হালাল হ’লে উপার্জনও হালাল। তাছাড়া হাসপাতাল সরাসরি সূদের সাথে জড়িত না থাকায় তাতে কাজ করা এবং সেখান থেকে উপার্জন করা হালাল। কেননা হারাম উপায়ে অর্জিত সম্পদ যদি বৈধ পথে অন্য কাউকে দেওয়া হয়, তবে তা
উত্তর : একথা সঠিক নয়। বরং কেউ খাঁটি মনে তওবা করলে আল্লাহ তওবা কবুল করেন এবং ক্ষমা করে দেন (মায়েদাহ ৫/৩৯)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি পাপ থেকে তওবা করে, সে যেন এমন কোন পাপই করেনি (ইবনু মাজাহ হা/৪২৫০)। অতএব এমতাবস্থায় উভয়েরই উচিৎ হবে
উত্তর : মুসাফির ইমামের জন্য মুক্বীম মুছল্লীদের ইমামতি করা জায়েয। তবে ছালাত শুরুর পূর্বে অবশ্যই ইমাম ক্বছর ছালাতের বিষয়টি তাদেরকে অবহিত করবেন (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১২/২৫৯; ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৫/১৫৩)। অবশ্য মুক্বীম ইমাম থাকলে ইমামতির
উত্তর : আল্লাহর সৃষ্টি নির্দশন দর্শনের ব্যাপারে কুরআন এবং সুন্নাহতে বর্ণনা এসেছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং দেখ আল্লাহ্ কিভাবে সৃষ্টির সূচনা করেছেন’ (আনকাবূত ২৯/২০)। তিনি আরো বলেন, ‘তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং দেখ তোমা
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি ছহীহ (ছহীহুত তারগীব হা/১৯১৪)। অন্য বর্ণনায় চারটি সৌভাগ্য ও চারটি দুর্ভাগ্যের কথা বলা হয়েছে। চারটি সৌভাগ্য হ’ল (১) সৎ ও নেককার স্ত্রী (২) প্রশস্ত বাসগৃহ (৩) উত্তম প্রতিবেশী (৪) আরামদায়ক যানবাহন। আর চারটি দুর
উত্তর : রোগমুক্তির জন্য ছাদাক্বা করা সুন্নাতসম্মত, যা রোগমুক্তির কারণ হ’তে পারে। এই ছাদাক্বা যবহের মাধ্যমে হ’তে পারে, আবার সরাসরি নগদ অর্থ দানের মাধ্যমেও হ’তে পারে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা তোমাদের রোগীদের চিকিৎসা করো ছাদাকবার মাধ্যমে’&nbs
উত্তর : কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়া হারাম নয়। তবে ছালাতে যাওয়ার পূর্বে বা লোকজনের সাথে অবস্থান করতে হবে এমন সময়ের পূর্বে কাঁচা পেঁয়াজ ও রসুন খাওয়া থেকে বিরত থাকা কর্তব্য। কারণ এতে মানুষ যেমন কষ্ট পায়, তেমনি আল্লাহর ফেরেশতারাও কষ্ট পায় (ইবনু মাজাহ হা
উত্তর : নিষিদ্ধ সময়ে কেবল নফল ছালাত আদায় করা নিষিদ্ধ (নববী, আল-মাজমূ‘ ৪/১৭০; ইবনু কুদামাহ, মুগনী ২/৮০)। এছাড়া ক্বাযা ছালাত, তাহিইয়াতুল মাসজিদ দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করা যাবে। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তোমাদের কেউ যদি ছালাতের সময়
উত্তর : শারঈ কারণে পিতা উক্ত বিবাহ প্রত্যাখ্যান করে থাকলে পিতার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। কারণ পিতা তথা বৈধ অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত কোন মেয়ের বিবাহ জায়েয নয় (আবুদাউদ হা/২০৮৩; মিশকাত হা/৩১৩০)। তবে দুনিয়াবী কারণে বা মানসিক কারণে পিতা ব
উত্তর : হাদীছে আস্তাগফিরুল্লাহ তিন বার পাঠ করার বিষয়টি আমভাবে বর্ণিত হয়েছে। যা ফরয ও নফল উভয় ছালাত শেষে পাঠ করা যায়। বাকী যিকির ও দো‘আসমূহ কেবল ফরয ছালাত শেষে পাঠের বিষয়টি স্পষ্টভাবে এসেছে। আলবানী (রহঃ) বলেন, মু‘আক্বিবাত অর্থ হ’ল এমন যিকির, যা ছ
উত্তর : এভাবে ছালাত আদায় জায়েয। যদি দাঁড়াতে সক্ষম হয়, তবে দাঁড়িয়ে ছালাত পড়বে। যদি দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ানোতে কষ্ট হয় তবে যতটুকু দাঁড়ানো সম্ভব ততটুকু দাঁড়িয়ে, পরে বসে ছালাত আদায় করবে। যদি একেবারেই দাঁড়াতে না পারে তবে বসে পুরো ছালাত আদায় করবে। যদি বসতেও
উত্তর : এরূপ পুশ করা ইসলামী শরী‘আতে হারাম। এর মাধ্যমে সন্তান জন্মগ্রহণ করলে সেই সন্তান জারজ হিসাবে গণ্য হবে। ফলে সে কথিত পিতার সম্পত্তিতে ওয়ারিছ হবে না এবং তাকে পিতা হিসাবে ডাকতে পারবে না। কারণ অন্যের পিতাকে পিতা বলে ডাকা হারাম (বুখারী হা/৩
উত্তর : উক্ত কালেমাগুলো এক সাথে একশবার করে পাঠের কোন ফযীলত বর্ণিত হয়নি। তবে পৃথক পৃথকভাবে পড়ার ফযীলত বর্ণিত হয়েছে। যেমন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি প্রতিদিন ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ বলবে, তার গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে, যদিও তা
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁর প্রথমা স্ত্রীর খাদীজাকে নিয়ে দীর্ঘ ২৫ বছর ঘর-সংসার করেন। তাঁর মৃত্যুর পর সামাজিক ও দাওয়াত প্রসারের স্বার্থে আল্লাহর হুকুমে পর্যায়ক্রমে ১১ জন স্ত্রীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এটি তাঁর জন্য খাছ বিধান ছিল। উম্মতের
উত্তর : দ্বীনী জ্ঞানার্জন ও তাহাজ্জুদের ছালাত উভয়টিই গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। তবে ক্ষেত্র বিশেষে জ্ঞানার্জন করাই অধিক ফযীলতপূর্ণ। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে প্রশ্ন করা হ’ল বনু ইস্রাঈলের দুই ব্যক্তির ব্যাপারে তাদের একজন ছিলেন আলেম, যিনি ফরয ছালাত আদায় করার
উত্তর : বর্তমান ফেৎনার যুগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উন্মুক্ত অঙ্গনে নারীদের সরব বিচরণ গ্রহণযোগ্য নয় এবং নারীদের পর্দার বিধানের শারঈ উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় (আহযাব ৩৩/৩৩)। তবে শারঈ সীমারেখা মেনে নিজেকে অন্তরালে রেখে শিক্ষামূলক বা
উত্তর : উক্ত বিবাহ জায়েয হয়েছে। কারণ তারা পরস্পরে মাহরাম নয়। আর আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘এদের ব্যতীত তোমাদের জন্য সকল নারী হালাল করা হয়েছে এই শর্তে যে, তোমরা তাদেরকে মালের বিনিময়ে কামনা করবে বিবাহের উদ্দেশ্যে, ব্যভিচারের উদ্দেশ্যে নয়’ (নিসা ৪/২
উত্তর : বিশুদ্ধ মতে মুসাফিরের জন্যও জামা‘আতে ছালাত আদায় করা ওয়াজিব। সুতরাং কোন মাদ্রাসায় অবস্থান করে জামা‘আত ত্যাগ করে ক্বছর ও ছালাত জমা তাক্বদীম-তা‘খীর করার সুযোগ নেই। শায়েখ আব্দুল আযীয বিন বায (রহঃ) বলেন, ‘কোন ব্যক্তির জন্য একা ছালাত আদায় করা
উত্তর : জামা‘আতে ছালাত আদায়ের জন্য যে যত কষ্ট করবে সে তত অধিক ছওয়াব পাবে। যারা মসজিদ থেকে এমন দূরত্বে অবস্থান করে যদি মাইক ছাড়া আযান দেওয়া হয় তবুও শোনা যায়। তাহ’লে তার উপর মসজিদে এসে জামা‘আতে ছালাত আদায় করা ওয়াজিব। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে আযান শুন
উত্তর : উক্ত মর্মে কোন হাদীছ বর্ণিত হয়নি। তবে যেটি পাওয়া যায় তা হ’ল- রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা সৎকর্ম ও অসৎকর্মগুলো লিপিবদ্ধ করেছেন এবং তা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন। সুতরাং কেউ যদি কোন সৎকর্ম করার সংকল্প করে, কিন্তু তা করতে
উত্তর : এই সফরে সাথে ছিলেন প্রখ্যাত ছাহাবী আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ)। যেমন তিনি বলেন, এক রাতে নবী করীম (ছাঃ) আমাকে নিয়ে হেরা পাহাড়ের দিকে গেলেন। একটি স্থানে পৌঁছে আমার জন্য একটি দাগ টেনে দিলেন এবং বললেন, এ দাগের বাইরে যেয়ো না, আমি তোমার কাছে ফি
উত্তর : সিদরাতুল মুনতাহা আল্লাহর আরশের নিকটে, সপ্তম আকাশের এক প্রান্তে অবস্থিত। এই গাছের নাম ও অবস্থান ইসলামী আক্বীদার গুরুত্বপূর্ণ অংশ, বিশেষ করে মি‘রাজ সম্পর্কিত বর্ণনায়। সিদরাতুল মুনতাহাতেই শেষ হয় যা কিছু পৃথিবী থেকে ঊর্ধ্বে উঠে, আর সেখান থেক
উত্তর : সব ধর্ম আল্লাহর অনুমোদিত নয়। অতএব অন্য ধর্মের অনুসারীরা সৎ হলেও পরকালে তা কোন কাজে লাগবে না (ফুরক্বান ২৩; নূর ৩৯)। আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহর মনোনীত একমাত্র ধর্ম হ’ল ইসলাম (আলে ইমরান ৩/১৯)। তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তি ‘ইসলাম’ ব্যতীত অন্য
উত্তর : গায়েব বা অদৃশ্যের প্রতি বিশ্বাস করা ফরয। মুত্তাক্বীদের জন্য ছয়টি বিশ্বাস রাখা আবশ্যক। যেমন আল্লাহ বলেন, ‘যারা অদৃশ্যে বিশ্বাস স্থাপন করে ও ছালাত কায়েম করে এবং আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি, তা থেকে ব্যয় করে’ (৩)। ‘যারা বিশ্বাস স্থাপন
উত্তর : জিহাদ অর্থ সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো। পারিভাষিক অর্থে আল্লাহর দ্বীনকে সমুন্নত করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো। এর দ্বারা নিজেকে এবং অপরকে প্রবৃত্তির চাহিদা থেকে দূরে রাখা এবং জীবনের সকল ক্ষেত্রে আল্লাহর দ্বীনকে সমুন্নত রাখার সর্বাত
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি নিজের সম্পদ রক্ষায় নিহত হয়, সে শহীদ। যে ব্যক্তি নিজের জীবন রক্ষায় নিহত হয়, সে শহীদ। যে ব্যক্তি দ্বীন রক্ষায় নিহত হয়, সে শহীদ। আর যে ব্যক্তি পরিবার রক্ষায় নিহত হয়, সেও শহীদ’ (মুসলিম হা/৪৭৭২; মিশকাত
উত্তর : গোনাহ হবে। কারণ এতে স্বামীর পিতা-মাতাকে কষ্ট দেওয়া হচ্ছে, যাতে স্বামীও কষ্ট পাচ্ছেন। সেজন্য সম্ভবপর স্বামীর ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিতে হবে। রাসূল (ছাঃ) জনৈক নারীকে বলেন, তুমি দেখো, তুমি তার (স্বামীর) অন্তরের কোথায় অবস্থান করছ। কেননা সে-ই তোম
উত্তর : তালাকের নিয়ত না করে শুধুমাত্র মেসেজ লিখে থাকলে তালাক হবে না। তাছাড়া তালাক শব্দ মুখে উচ্চারণ বা খাতায় উল্লেখ করলেই তালাক হয় না। বরং তালাক দিলাম বা এজাতীয় বাক্য ব্যবহার করতে হয়। ইবনু কুদামাহ বলেন, যদি কেউ তালাকের নিয়ত ছাড়া লিখে, তাহ’লে জমহ
উত্তর : মাইয়েতের রেখে যাওয়া সম্পদ তার ওয়ারিছদের সকলেই পাবে। মাইয়েত কোন উৎস থেকে সম্পদ লাভ করেছিলেন সেটা ধর্তব্য নয়। কোন ব্যক্তি যখন মৃত স্ত্রীর মীরাছ হিসাবে কোন সম্পত্তি প্রাপ্ত হন তখন তা পুরোপুরি তার মালিকানায় চলে আসে। সেজন্য মাইয়েত যে সম্পদ রে
উত্তর : জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করা পুরুষের জন্য ওয়াজিব। বিশেষ করে যদি সে মসজিদের আযান শুনতে পায় এবং সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য রাখে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আযান শুনে ছালাতে আসে না, তার ছালাত নেই। যদি না বৈধ ওযর থাকে’ (ইবনু মাজাহ হা/৭৯
উত্তর : আলু সবজির অন্তর্ভুক্ত। আর শরী‘আতে সবজির উপর ওশর নির্ধারণ করা হয়নি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, ‘সবজির কোন যাকাত নেই’ (তাবারাণী আওসাত্ব হা/৫৯২১; ছহীহুল জামে‘ হা/৫৪১১)। তবে সবজি ও তরি-তরকারী বিক্রয় লব্ধ অর্থ এক বছর সঞ্চিত থাকলে এবং
উত্তর : জায়েয। কারণ তারা মাহরাম নয়। যদি না অন্য কোন প্রতিবন্ধকতা থাকে; যেমন দুধ ভাই-বোনের সম্পর্ক ইত্যাদি (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ৩৩/৭৩)। আল্লাহ তা‘আলা মাহরাম নারীদের আলোচনা শেষে বলেন, ‘উপরোক্ত নারীদের ছাড়া অন্য সকল নারী তোমাদের জন্য হালাল
উত্তর : সঠিক তথ্য প্রদান করে বিবাহের ঘটকালি করা জায়েয। তবে কোন প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া বা মিথ্যা তথ্য প্রদান করা যাবে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সীমালংঘনের কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা করো না।
উত্তর : এমতাবস্থায় গর্ভপাত ঘটানো যাবে না। বরং জন্মগ্রহণের পর স্বাভাবিক মৃত্যু পর্যন্ত চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। হ’তে পারে আল্লাহ তা‘আলা এর মধ্যে শিশুর গঠনে পরিবর্তন করে দিবেন। সেজন্য অনাগত শিশুর সুস্থতার জন্য আল্লাহর নিকট দো‘আ করতে হবে। আল্লাহ তা
উত্তর : দাদার সম্পত্তিতে পৌত্র-পোত্রীদের কোন অংশ নেই। এজন্য যদি তাদের পিতা দাদার জীবদ্দশায় মারা যান, এমন ক্ষেত্রে তারা ওয়ারিছ হয় না। বরং উত্তরাধিকার পায় তাদের চাচারা, অর্থাৎ দাদার জীবিত ছেলেরা। কারণ আল্লাহ তা‘আলা সূরা নিসায় মাইয়েতের সম্পদ
উত্তর : মসজিদ ফান্ড থেকে খরচ করা যাবে। তবে অপচয় এবং বাড়াবাড়ি থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। ফৎওয়া লাজনা দায়েমায় বলা হয়েছে- ‘ইমামতি করার জন্য বেতন বা সম্মানী গ্রহণ করা যাবে, তা হোক ওয়াকফ তহবিল থেকে নির্ধারিত বেতন হিসাবে কিংবা সম্মানী হিসাবে। মুসলিম
উত্তর : প্রথমত কোন ব্যক্তি প্রকাশ্যে অথবা গোপনে হারাম কর্মে লিপ্ত থাকলে যেমন যেনা (ব্যভিচার), হারাম ভক্ষণ ইত্যাদি-তাহ’লে তার দো‘আ কবুল হবে না। যদিও আল্লাহ তা‘আলা কখনো কখনো গোনাহগারের দো‘আও কবুল করেন। নবী করীম (ছাঃ) এমন এক ব্যক্তির কথা বর্ণনা করল
উত্তর : কোন শর্ত দিয়ে ঋণ প্রদান করলে তা সূদ হিসাবে গণ্য হবে। সুতরাং সময়ের বিপরীতে জরিমানা নির্ধারণ করা যাবে না। যদি ঋণদাতা ঋণগ্রহীতার ওপর এই শর্ত আরোপ করে বা তাকে বাধ্য করে যে, নির্ধারিত সময়ের পরে ঋণ পরিশোধ করলে তাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ব
উত্তর : প্রথমত নিজের বৈধ অধিকার রক্ষার্থে বাধ্যগত অবস্থায় ঘুষ প্রদান করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে ঘুষ গ্রহণকারী পাপী হবে, দাতা পাপী হবে না ইনশাআল্লাহ। ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘যদি কেউ অন্য একজনকে উপহার দেয় এই উদ্দেশ্যে যে, সে যেন তার উপর যুলু
উত্তর : যে সকল দেশে ইসলামী আইন চালু নেই এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন সংস্থা বা কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হয়, সে সকল প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ শৃংখলার স্বার্থে বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের আর্থিক জরিমানা করতে পারে। তবে সেটা যেন কারো
উত্তর : প্রশ্নে বর্ণিত অবস্থায় খোলা‘ হয়েছে। খোলা‘ তথা বিবাহ বিচ্ছেদ যা নারীর পক্ষ থেকে হয়, স্বামী থেকে মোহর বা মোহরের অংশবিশেষ ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৮/১৮১)। এক্ষণে স্ত্রী এক ঋতু পর্যন্ত ইদ্দত পালন শেষে অন্যত্র বিবাহ বন্
উত্তর : এই প্রথা সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত হ’লে লোকেরা মাছ ধরে খেতে পারে। কারণ সমাজে প্রচলিত পন্থাগুলো শরী‘আত বিরোধী না হ’লে শরী‘আত সেগুলোকে বাতিল করে না। ইবনু আবেদীন বলেন, ‘সামাজিকভাবে স্বীকৃত বিষয় (عرف) শর্তযুক্ত বিষয়ের মতো গণ্য, আর যা প্রচলিত
উত্তর : মাইয়েতের পক্ষ থেকে হজ্জ করা যাবে। ইবনু আববাস (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘একজন লোক নবী করীম (ছাঃ)-এর নিকট এসে বলল, আমার পিতা হজ্জ না করে মারা গেছেন, আমি কি তার পক্ষ থেকে হজ্জ করব? তিনি বললেন, তুমি কী মনে কর যে, তোমার পিতার উপর যদি ঋণ থ
উত্তর : মেয়ের পৈতৃক সম্পত্তি তার নিজস্ব সম্পদ। এক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তির মালিকানা মেয়েরই। এই অংশ থেকে স্বাভাবিকভাবে বঞ্চিত করা যাবে না, যদি না মেয়ে স্বেচ্ছায় তা ছেড়ে দেয়। এক্ষণে বোনকে লালন-পালন এটি তার প্রতি ভাইদের ইহসান এবং তাদের পক্ষ থেকে এ কাজ
উত্তর : উক্ত প্রথা সঠিক নয়। আক্বীক্বার গোশত পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজন, গরীম-মিসকীন সকলে খেতে পারে। ইমাম নববী (রহঃ) বলেন, ‘আক্বীক্বার গোশত থেকে নিজে খাওয়া, অন্যের জন্য উপহার দেওয়া ও দরিদ্রদের জন্য ছাদাক্বা করা মুস্তাহাব (আল-মাজমূ‘ ৮/৪২৭)। ইবনু
উত্তর : পিতা-মাতা স্বাবলম্বী হ’লে তাদের প্রতি খরচ করা ওয়াজিব নয়। শায়েখ উছায়মীন (রহঃ) বলেন, ‘পিতা-মাতা ও দাদা-দাদীর জন্য ভরণপোষণ ওয়াজিব হওয়ার শর্ত হ’ল তারা অভাবী হন, এবং সন্তান সচ্ছল হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তুমি নিজের থেকে শুরু কর, নিজেকে দ
উত্তর : কেউ কোন পশু কুরবানী করার মানত করলে তা তাকে পালন করতে হবে। অন্যথায় গোনাহ হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর আনুগত্যমূলক কোন কাজের মানত করে, সে যেন তা পালন করে; আর যে ব্যক্তি আল্লাহর অবাধ্যতামূলক কোন কাজের মানত করে, সে যেন তা পালন
উত্তর : প্রশ্নে বর্ণিত পদ্ধতিতে সূদমুক্ত হওয়া সঠিক হবে ইনশাআল্লাহ। এক্ষেত্রে প্রথমে সূদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। অতঃপর খালেছ নিয়তে তওবা করতে হবে এবং এর সাথে ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট না হওয়ার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করতে হবে।প্রশ্নকারী : আবু হুরায়রা ছ
উত্তর : নারীদের জন্য কাতার থেকে সঙ্গত দূরত্বে অবস্থান করে জামা‘আতে ছালাত আদায় করা জায়েয, যদি তাদের জন্য নির্ধারিত স্থানে ইমামের আওয়াজ পৌঁছে এবং তারা ইমামের অনুসরণে ছালাত আদায় করতে পারে। চাই এটা সরাসরি ইমামের কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে হোক অথবা মাইক বা ল
উত্তর : এভাবে ছালাত আদায় করা জায়েয। দু’টি ছালাত, যেগুলোর মাঝে শরী‘আতে জমা‘ (একত্রে পড়া) করার অনুমতি আছে, পরীক্ষার কারণে সেগুলোর মধ্যে জমা‘ তাক্বদীম বা জমা‘ তাখীর করা জায়েয। কারণ এটি হাজত বা বিশেষ প্রয়োজনে করা হয়েছে। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, রাসূলু
উত্তর : যদি কেউ ছালাতের ফরযিয়াতকে অস্বীকার না করে, বরং গাফিলতি, অলসতা বা দুনিয়াবী ব্যস্ততার কারণে ইচ্ছাকৃতভাবে ছালাত আদায় না করে, তাহ’লে সে কবীরা গোনাহগার হ’লেও মুসলমান হিসাবে গণ্য হবে। এ অবস্থায় তার জানাযার ছালাত আদায় করা যাবে এবং যারা জানাযার
উত্তর : কোন সূদী ব্যাংকের এটিএম বুথ করার জন্য জায়গা ভাড়া দেয়া জায়েয হবে না। কেননা এর মাধ্যমে সরাসরি সূদী লেনদেনে সহযোগিতা করা হবে। আর আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, ‘সৎকর্ম ও আল্লাহ্ভীতিতে একে অন্যকে সাহায্য কর। পাপ ও সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যকে সহায়ত
উত্তর : যে জায়গায় ব্যক্তি স্থায়ীভাবে বসবাস করে সেটিই তার স্থায়ী বাসস্থান হিসাবে গণ্য হবে। অতএব উক্ত স্ত্রী যদি স্বামীর নিকট ৩/৪ দিন অবস্থান করে তবে সে মুসাফির হিসাবেই গণ্য হবে এবং ছালাত ক্বছর করতে পারবে (ইমাম শাফেঈ, কিতাবুল উম্ম ১/২১৭; উছায়
উত্তর : পুলছিরাত সহজে পার হওয়ার জন্য নিম্নের আমলসমূহ করা যায়। যেমন- ১. নিয়মিত জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করা (মুসলিম হা/২২৩)। ২. গোপনে ছাদাক্বা করা (তিরমিযী হা/৬১৪, সনদ ছহীহ)। ৩. আল্লাহর যিকরে জিহবা সিক্ত রাখা (ছহীহুত তারগীব হা/১৫০
উত্তর : যদি নিশ্চিতভাবে জানা যায় যে পুরো অর্থ হারাম উৎসের, তাহ’লে ঐ টাকা ঋণ নেওয়া জায়েয নয়। কিন্তু যদি তার আয়ের মধ্যে হালাল ও হারামের সংমিশ্রণ থাকে, তাহ’লে ঋণ গ্রহণ করা জায়েয হবে। শায়খ উছায়মীন (রহঃ) বলেন, ‘যদি কেউ নির্দিষ্টভাবে কোন ব্যক্তির সম্প
উত্তর : কেউ যদি এটাকে সুন্নাত মনে না করে বরং অসুস্থ থাকলে মাঝে মধ্যে আমল করে তাহ’লে এই আমলটি রুকইয়ার নিয়তে জায়েয হবে (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১/৩৩২)। কারণ ছাহাবী ইবনে মাসঊদ (রাঃ) বলেন, ‘অনুসরণ কর, নতুন কিছু আবিষ্কার কর না, তোমাদের
উত্তর : টাকার উপর নয় বরং উৎপাদিত ফসলের উপর যাকাত (ওশর) দিতে হবে। ইমাম রাফেঈ (রহঃ) বলেন, ‘মালিকানাধীন জমি ও ইজারা (ভাড়ায় নেওয়া) জমিতে উৎপন্ন ফসলের ক্ষেত্রে ওশরের (ফসলের যাকাত) বিধানে কোন পার্থক্য নেই। তেমনি যেমন কেউ যদি ব্যবসার উদ্দেশ্যে কোন দোকা
উত্তর : উক্ত পদ্ধতিতে ব্যবসা করা জায়েয হবে না। কারণ এতে এমন পণ্য বিক্রয় করা হচ্ছে, যা নিজের মালিকানায় নেই। ব্যবসার ক্ষেত্রে যরূরী শর্ত হচ্ছে- (১) মালিকানা এমনভাবে সাব্যস্ত হওয়া, যাতে কোন প্রকার ধোঁকা, প্রতারণা, অপকৌশল না থাকে। (২) পণ্য হস্তগত হও
উত্তর : নফল ছিয়াম কারণবশত ছেড়ে দিলে তার ক্বাযা আদায় করা ওয়াজিব নয়। আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন, আমি রাসূল (ছাঃ)-এর জন্য খানা প্রস্ত্তত করলাম। অতঃপর তিনি এবং তাঁর ছাহাবীগণ আসলেন। যখন খানা পেশ করলাম তখন তাদের মধ্য হ’তে একজন ছাহাবী বললেন, আমি ছায়েম।
উত্তর : গরম পানি আগুন নয়। এটি আগুনের মতো হুবহু শাস্তির মাধ্যমও নয়। বরং এটি একটি তরল উপাদান, যা সাধারণত পরিচ্ছন্নতা, জীবাণু ধ্বংস বা কীটনাশক হিসাবে ব্যবহৃত হয়। গরম পানি বা কীটনাশক দিয়ে পোকা মারলে আগুনে পোড়ানো বলা হয় না। বরং এটি পোকামাকড় ধ্বংস করা
উত্তর : এমতাবস্থায় কেবল বছর শেষে হিসাব করে মোট অর্থের উপর যাকাত আদায় করবে। অর্থাৎ বছর শেষে ব্যবসায়ের গরুর বিক্রয় মূল্য হিসাব করে যদি নিছাব পরিমাণ হয় তাহ’লে তাকে যাকাত দিতে হবে (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১৫/১২২)।প্রশ্নকারী : মামূ
উত্তর : এভাবে অফিসের গোপন দরদামের তথ্য কাউকে জানিয়ে কাজ পাইয়ে দেওয়া এবং তার বিনিময়ে ব্যক্তিগত অর্থ গ্রহণ করা বৈধ নয়। কারণ এতে একাধিক গুনাহ রয়েছে। যেমন- আমানতের খেয়ানত, ঘুষ গ্রহণ এবং অপরের অধিকার হরণ। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘সরকারী বা দায়িত্বশীল কর্মচ
উত্তর : এরূপ অবস্থায় যোহরের ছালাত আদায় করবে। শায়েখ উছায়মীন (রহঃ) বলেন, ‘যদি কেউ দেশের বাইরে থাকে এবং তার মসজিদ থেকে দূরত্ব তিন মাইলের বেশী হয়, তবে তার ওপর জুম‘আর ছালাত জামা‘আতের সাথে আদায় করা ফরয নয়’ (আশ-শারহুল মুমতে‘ ৫/১৫)। তিনি আরো বলেন,
উত্তর: থ্যালাসেমিয়া, এইডস ইত্যাদি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা শহীদের মর্যাদা পাবেন কিনা এ মর্মে হাদীছে স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায় না। তবে দুরারোগ্য ব্যাধিতে ধৈর্যধারণকারী ব্যক্তি যদি ঈমানের ওপর মৃত্যুবরণ করে, তাহ’লে তার গুনাহ মাফ হয়, সে ব
উত্তর : এ অবস্থায় মাকে এড়িয়ে চললে গুনাহ হবে না ইনশাআল্লাহ। তবে সুন্দরভাবে মাকে স্বামীর প্রতি ইতিবাচক হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাবে এবং স্বামীকেও বুঝানোর চেষ্টা করবে। ইমাম আহমাদ (রহঃ) বলেন, ‘স্বামীর আনুগত্য করা তার (স্ত্রীর) জন্য মায়ের আনুগত্যের চেয়ে
উত্তর : মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এ ব্যাপারে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধর এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না (আলে ইমরান ৩/১০৩)। পারস্পরিক শ্রদ্ধা প্রদর্শনে ইসলামের নির্দেশনা হচ্ছে মৌলিক আক্বীদা ও ইসলামবিরোধ
উত্তর : কয়েকটি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তা বাই‘য়ে সালাম এর আওতায় পড়বে। ১. মূল্য অগ্রিম পরিশোধ করতে হবে। অর্ডারের সময় সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করা আবশ্যক। পরবর্তী সময়ে কিস্তিতে দেওয়া হ’লে এটি সালাম হবে না। অথবা পণ্য হাতে পাওয়ার সাথে সাথে মূল্য পরিশোধ করতে
উত্তর : বিড়াল পোষা শরী‘আতে বৈধ ও জায়েয, যতক্ষণ না তাতে কষ্ট দেওয়া হয় বা অন্য কোন হারাম কাজ ঘটে। ছাহাবী আবূ হুরায়রা (রাঃ) সহ একাধিক ছাহাবী বিড়াল পুষতেন। আর রাসূল (ছাঃ) একে গৃহ প্রদক্ষিণকারী হিসাবে গণ্য করেছেন (আবূদাউদ হা/৭৫; মিশকাত হা/৪৮২, স
উত্তর : জাতীয় সংগীত বা পতাকার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের নামে মাথা নীচু করা, নীরবতা পালন করা বা সম্মানার্থে দাঁড়িয়ে যাওয়া শরী‘আতের দৃষ্টিতে হারাম। ফৎওয়া লাজনা দায়েমায় বলা হয়েছে- কোন জাতীয় পতাকা বা জাতীয় সংগীতের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে কোন
উত্তর : নারী তার উপার্জনের মালিক। আল্লাহ বলেন, ‘নারী যা উপার্জন করে, সেটা তার অংশ’ (নিসা ৪/৩২)। স্বামী বা পরিবার তাকে সেটা খরচ করতে বাধ্য করতে পারবে না। তবে পারিবারিক ভালোবাসা, সহযোগিতা ও সহনশীলতা রক্ষা করে যদি স্ত্রী নিজ ইচ্ছায় সহযোগিতা কর
উত্তর : প্রথমত শারঈ পর্দার বিধান মেনে সুন্দর ও মার্জিত কালারের বোরক্বা ও নেক্বাব পরিধান করে প্রয়োজনে বাইরে যেতে পারে। তবে অবশ্যই তা ঢিলেঢালা হ’তে হবে (আহযাব ২৪/৫৯)। এছাড়াও আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমরা (নারীরা) নিজেদের গৃহে অবস্থান করো এবং পূর্ব জ
উত্তর : লাশের খাটে আয়াতুল কুরসী লিখলে এতে মৃতব্যক্তির কোন উপকারে আসার প্রশ্নই আসে না। এগুলি মনগড়া ও বিদ‘আতী প্রথা মাত্র। যা অবশ্য পরিত্যাজ্য।প্রশ্নকারী : আব্দুর রশীদ, সাঘাটা, গাইবান্ধা।
উত্তর : জনকল্যাণে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করায় দোষ নেই। কিন্তু এআই প্রযুক্তি দিয়ে কোন আলেম, বক্তা বা সম্মানিত ব্যক্তি যিনি তা বলেননি তার কণ্ঠস্বর বা চেহারা নকল করে মিথ্যা বক্তব্য বানানো এবং তা ছড়ানো হারাম। কেননা এর মধ্যে রয়েছে ধোঁকা, মিথ্যাচার
উত্তর : ঔষধের প্রচারের জন্য স্যাম্পল প্রদানে এবং গ্রহণে কোন দোষ নেই। কারণ ঔষধ প্রচারের জন্য এটা প্রয়োজন। কিন্তু স্যাম্পল ব্যতীত উপহারের নামে বিভিন্ন দ্রব্যাদি প্রদান করা এবং গ্রহণ করা ঘুষের অন্তর্ভুক্ত হবে। কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভালো-মন্দ নির্বি
উত্তর : এটা করা যাবে না। কারণ মুসজিদে গিয়ে খুৎবা শ্রবণ করায় নেকী আছে। কিন্তু বাড়ীতে মোবাইলে খুৎবা শ্রবণ করায় জামা‘আতের নেকী নেই। অতএব যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গোসল করে সুগন্ধি মেখে সকাল সকাল মসজিদে গিয়ে নফল ইবাদতে নিজেকে নিয়োজিত করবে। যেমন দুই দুই রাক‘
উত্তর : এমন চুক্তি, যেখানে প্রকল্প শেষ করার সময় অনুযায়ী লভ্যাংশের পরিমাণ নির্ধারিত হয় (যেমন এক বছরে অর্ধেক, দুই বছরে এক-তৃতীয়াংশ, পাঁচ বছর পরে কিছুই না) তা শরী‘আতে বৈধ নয়। কারণ এতে অনিশ্চয়তা ও অনির্ধারিত শর্ত রয়েছে, যা মুশারাকা বা মুযারাবার চুক্
উত্তর : যাবে। রাসূল (ছাঃ) কুরআনের সূরা শিক্ষা দানকেও বিবাহের মোহরানা হিসাবে গণ্য করেছেন (বুখারী হা/৫০২৯; মুসলিম হা/১৪২৫; মিশকাত হা/৩২০২)।প্রশ্নকারী : যয়নব, ঢাকা।
উত্তর: সাধ্যমত মসজিদে গিয়ে জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায়ের চেষ্টা করবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমরা আল্লাহকে ভয় করো যতটুকু তোমাদের সামর্থ্য হয় (তাগাবুন ৬৪/১৬)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আমি যখন তোমাদের কোন কিছুর আদেশ দিই, তখন তোমরা তা সাধ্যমত পালন কর&n
উত্তর : না। বরং এটা লেনদেনের জন্য সার্ভিস চার্জ মাত্র। অতএব লেনদেনের উদ্দেশ্যে এসব মাধ্যম ব্যবহারে কোন বাধা নেই।প্রশ্নকারী : রাক্বীবুল ইসলাম, টাঙ্গাইল।
উত্তর : নারীদের একাকী সফরের ব্যাপারে ইসলাম কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আর কোন নারী মাহরাম ছাড়া সফরে বের হবে না। এরপর একজন ছাহাবী দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! আমার স্ত্রী হজ্জের উদ্দেশ্যে বের হয়ে গিয়েছেন, আর আমি অমুক অমুক
উত্তর : ঈদুল আযহার দিনে কেবল কুরবানী করাই শরী‘আত সম্মত; আক্বীক্বা নয়। কেননা আক্বীক্বার একটি নির্ধারিত সময় আছে, তাহ’ল সপ্তম দিনে। যদি কেউ সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও নির্ধারিত দিনে আক্বীক্বা না করতে পারে, তবে তার জন্য আক্বীক্বার সময় পার হয়ে গেছে। এখন
উত্তর : শূকরের গোশত ক্রয়-বিক্রয় বা প্যাকেটজাত করা নাজায়েয। তা মুসলমানদের জন্য করা হৌক বা কাফেরদের জন্য হোক। কারণ এতে পাপের কাজে সহযোগিতা করা হয়। আর আল্লাহ পাপ ও সীমালংঘনের কাজে সহযোগিতা করতে নিষেধ করেছেন (মায়েদাহ ৫/২)। আল্লাহ বলেন, ‘বল (হে
উত্তর : কুরবানীর পশু নির্বাচন করার সময় গর্ভবতী পশুকে এড়িয়ে চলাই উত্তম। তবে পশু কেনার পর যদি গর্ভবতী হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পায় তাহ’লে উক্ত পশু দিয়েই কুরবানী দিবে। কারণ গর্ভবতী পশু দ্বারা কুরবানী দেওয়া জায়েয। ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘গর্ভবতী পশু দ
উত্তর : সূদে লেনদেন শুরু করাই গুনাহের কাজ। এজন্য সূদী লেনদেন শুরু করায় ব্যক্তিকে অনুতপ্ত হয়ে তওবা-ইস্তিগফার করতে হবে (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৪/২৪০; ছালেহ ফাওযান, আল-মুনতাকা ৫/২১০)। দ্বিতীয়ত মূল অর্থের অতিরিক্ত যে সূদ হয়েছে, তা না প্রদান করলে শ
উত্তর : বিবাহের শর্তসমূহ উপস্থিত থাকলে এবং অভিভাবকের সম্মতি থাকলে উক্ত বিবাহ পড়ানো জায়েয। আর অভিভাবকের সম্মতি না থাকলে সে বিবাহ পড়ানো যাবে না। কারণ প্রথমত অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত যে বিবাহ হয়, সেটা বাতিল (আবূদাউদ হা/২০৮৩; মিশকাত হা/৩১৩১, সনদ
উত্তর : ডাক্তাররা যদি পেশাগত কাজের পাশাপাশি রোগীর সেবা ও দেখাশোনায় আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও মুসলিম ভাই- বোনের উপকার সাধনের নিয়ত রাখেন, তাহ’লে তারা হাদীছে বর্ণিত মর্যাদা লাভ করবেন ইনশাআল্লাহ। শায়খ ওমর সুলায়মান আশকার বলেন, ‘যারা দুনিয়াবী কাজে নিয়
উত্তর : ছহীহ হাদীছে এ ব্যাপারে স্পষ্টভাবে কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না। তবে কুরআন-সুন্নাহর সাধারণ নীতিমালার আলোকে এবং সালাফদের বক্তব্যে অনুরূপ কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। যেমন আল্লাহ বলেন, অতঃপর তিনি তাকে সুগঠিত করলেন এবং তার মধ্যে তাঁর পক্ষ থেকে রূহ ফুঁক
উত্তর : এটা বর্তমান শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে প্রচলিত একটি প্রতারণা, যা থেকে বিরত থাকা কর্তব্য। এতে যারা সহযোগিতা করে তারাও পাপী হবে অন্যায় কাজে সহযোগিতা করার জন্য। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সী
উত্তর : খোলা‘ তথা বিবাহ বিচ্ছেদ যা নারীর পক্ষ থেকে হয় স্বামী থেকে মোহর বা মোহরের অংশবিশেষ ফেরৎ দেওয়ার মাধ্যমে। সেজন্য এখানে রাজ‘আতের কোন ব্যবস্থা নেই (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৮/১৮১; শাওকানী, নায়লুল আওতার ৬/২৯৫; উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ১২/৪৬৭-
উত্তর : ঈদের ছালাতের জন্য মেহরাব নির্মাণ করা উচিৎ নয়। বরং সুন্নাত হ’ল ঈদের ছালাত খোলা জায়গায় (মাঠে বা ঈদগাহে) আদায় করা, মসজিদে নয়। ঈদের ছালাত খোলা মাঠে আদায় করা সুন্নাত। কেবল মক্কার লোকেরা হারামে পড়তে পারে (আল-মাজমূ‘ ৫/৪)। ইবনু কুদামা (রহঃ)
উত্তর : পিতা-মাতার রেখে যাওয়া বসতবাড়িসহ যাবতীয় সম্পত্তিতে ছেলেদের মতই মেয়েরা অংশীদার হবে। তবে মেয়েরা ছেলেদের অর্ধেক পাবে (নিসা ৪/১১)। উল্লেখ্য, এক্ষেত্রে বোনেরা বণ্টনের সুবিধার্থে ও সামাজিকতা রক্ষার্থে ভাইদের প্রতি সহমর্মিতা দেখাতে পারে এবং
উত্তর : নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ লভ্যাংশ গ্রহণ করায় তা সূদ হিসাবে গণ্য হবে। কারণ ব্যবসা পরিচালিত হয় লাভ-লোকসানের ভিত্তিতে। এক্ষণে কেউ যদি লভ্যাংশের শতকরা একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ নেওয়ার শর্তে টাকা বিনিয়োগ করে এবং আরেকজন ব্যবসা করে তাহ’লে তাতে দোষ নেই।
উত্তর : উক্ত আলেমের বক্তব্য সঠিক। কারণ তালাক প্রদানের জন্য দুই ধরনের বাক্য ব্যবহার করা হয়। (১) স্পষ্টভাবে তালাক শব্দ ব্যবহার করে স্ত্রীকে তালাক দেওয়া। এরূপ ক্ষেত্রে নিয়ত শর্ত নয়। (২) ইঙ্গিতবহ শব্দ ব্যবহার করা। যেমন তুমি পিতার বাড়ি চলে যাও, তুমি
উত্তর : যদি কেউ অপূর্ণ গোসলে ছালাত আদায় করে থাকে, তবে তার ছালাত শুদ্ধ হবে না এবং তাকে গোসল পূর্ণ করার পর পূর্বে আদায়কৃত সব ছালাত পুনরায় আদায় করতে হবে। কারণ পবিত্রতা (তাহারাৎ) ছালাত ছহীহ হওয়ার শর্ত। আর যে বিষয় ছাড়া ফরয আদায় সম্ভব নয়, তা ফরয হয়ে য
উত্তর : যে নিয়তে ছালাত শুরু করেছে সে নিয়তেই ছালাত সমাপ্ত করে সালাম ফিরাবে। অর্থাৎ তাহিয়াতুল ওযূ’র দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করে সালাম ফিরাবে। আর মাসবূক যে আছরের ছালাতের নিয়তে যোগ দিয়েছে, সে ছালাত সম্পন্ন করবে। কারণ ফরয ছালাত আদায়কারী নফল ছালাত আদায়ক
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি অত্যন্ত যঈফ ও জাল (আহমাদ হা/১২৭৭; যঈফুত তারগীব হা/৮৬৮)। তবে কুরআনের হাফেযদের মর্যাদার ব্যাপারে বহু হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। যেমন তারা জান্নাতে সম্মানিত ফেরেশতাদের সাথে অবস্থান করবে (মুসলিম হা/৭৯৮)। কুরআনের
উত্তর : সাময়িক সফর থেকে ফিরে এসেও বিদায়ী তওয়াফ করা যায়। তবে মক্কা থেকে বিদায় নেওয়ার সময় বিদায়ী তওয়াফ সম্পন্ন করেই অন্যত্র সফরে বের হওয়া নিরাপদ। কারণ কোন কারণে ফিরে আসতে না পারলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হ’লে তা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। আর রাসূল (ছাঃ) বলেন, তো
উত্তর : হজ্জে কেরান ও তামাত্তু‘কারীরা তাদের প্রদত্ত হাদীর গোশত নিজেরা খাবে এবং অসহায়দের মাঝে বণ্টন করে দিবে। আল্লাহ বলেন, ‘অতঃপর তোমরা তা থেকে খাও এবং দুস্থ ও অভাবগ্রস্তদের খাওয়াও’ (হজ্জ ২২/২৮)। তবে কোন ওয়াজিব ছুটে যাওয়ার কারণে কাফফারা স্বর
উত্তর : মক্কায় অবস্থানকালে বিষয়টি জানতে পারলে মক্কায় হাদীর ব্যবস্থা করা কর্তব্য। কারণ এটা হজ্জে তামাত্তু‘ ও কেরানকারীর জন্য ওয়াজিব। আর দেশে ফিরে আসার পর জানতে পারলে দশদিন ছিয়াম পালন করবে (বিন বায, ফাতাওয়া নুরুন আলাদ দারব ১৮/১৪৯)। আল্লাহ তা‘
উত্তর : মসজিদে সমাজ কল্যাণমূলক যেকোন কাজের ঘোষণা দেওয়া যাবে। যেমন টিকাদান কর্মসূচী, দারসের ঘোষণা, মক্তবের শিক্ষার্থীদের আহবান, কারো সন্তান হারালে সেটি সন্ধানে ঘোষণা ইত্যাদি। তবে মসজিদে ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন ঘোষণা দেওয়া যাবে না। যেম
উত্তর : পশুর প্রতি ইহসান করা ফরয। আর গুলি করে আহত করা তাকে কষ্ট দেওয়ার শামিল যা বৈধ নয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আল্লাহ প্রত্যেক বিষয়ে সদাচরণ ফরয করেছেন। সুতরাং তোমরা যখন যবহ করো তখন তা সুন্দরভাবে করো (মুসলিম হা/১৯৫৫; মিশকাত হা/৪০৭৩)। অতএব কুরবান
উত্তর : মসজিদ নির্মাণ করা হয় ইবাদতের জন্য। রাসূল (ছাঃ) বলেন, এই মসজিদগুলো এমন কিছু কাজের জন্য নির্মাণ করা হয়নি। যেমন পেশাব বা নাপাক কাজ। এগুলো শুধুই আল্লাহর যিকির, ছালাত এবং কুরআন তেলাওয়াতের জন্য নির্মাণ করা হয় (মুসলিম হা/২৮৫)। আর মানুষের র
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। বরং কোন কিছু ব্যবহার জায়েয হওয়া নির্ভর করবে বস্ত্তটি হালাল নাকি হারাম। বস্ত্ত যদি হালাল হয় তাহ’লে তা ব্যবহারে কোন দোষ নেই। তবে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আতর ব্যবহার করতেন। তার অনুসরণ করে সরাসরি আতর ব্যবহার সুন্নাত এবং ছওয়উা
উত্তর : এগুলো যদি সংশোধনের উদ্দেশ্যে না হয়, তবে গীবত হিসাবে গণ্য হবে। বরং বাইরের কারো সমালোচনা অপেক্ষা আত্মীয়ের সমালোচনা বেশী গুনাহের কারণ হবে (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৫/৪২১)। আল্লাহ বলেন, তোমাদের কেউ যেন অন্যের গীবত না করে (হুজুরাত ৪৯
উত্তর : সাধারণভাবে এতে কোন দোষ নেই। কিন্তু ব্যবসা-বাণিজ্যে অধিক লাভ বা কল্যাণের উদ্দেশ্যে এরূপ আগরবাতি জ্বালালে তা অবশ্যই শিরক হবে। দোকান, বাড়ী বা নিজেকে সুগন্ধিময় রাখা উত্তম অভ্যাসের অন্তর্ভুক্ত। মা আয়েশা (রাঃ) বলেন, দুনিয়ার তিনটি বস্ত্ত রাসূল
উত্তর : ঈদগাহ নির্মাণ কাজে যাকাতের টাকা ব্যবহার করা যাবে না। কারণ যাকাত বণ্টনের খাত নির্ধারিত। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘যাকাতসমূহ কেবল (আট শ্রেণীর) লোকের জন্য। ফকীর, অভাবগ্রস্ত, যাকাত আদায়ের কর্মচারী, ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট ব্যক্তি, দাসমুক্তি, ঋণগ্রস্
উত্তর: স্বামী-স্ত্রী যতদিন চাইবে ততদিনই বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকবে। কারণ বৈবাহিক সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য নির্জনবাস বা মিলন শর্ত নয় (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৭/৩১১)। উল্লেখ্য যে, কোন ব্যক্তির উচিৎ নয় দীর্ঘ দিন স্ত্রী-পরিবার হ’তে দূরে থাকা।প্র
উত্তর : জারজ নারীকে বিবাহ করা জায়েয। কারণ পিতা-মাতার পাপ সন্তানের উপর বর্তাবে না (আন‘আম ৬/১৬৪; ছহীহাহ হা/২১৮৬)। এক্ষণে মেয়ে যদি তাক্বওয়াশীল হয়, তাহ’লে তাকে বিবাহ করায় কোন বাধা নেই (ফাতাওয়া ইসলামিয়া ৩/১৬৬)। উল্লেখ্য যে, অবৈধভাবে জন্ম নে
উত্তর : মুহাররম মাসে বিবাহ-শাদীতে কোন ক্ষতি বা অশুভ লক্ষণ নেই। বরং শী‘আ রাফেযীরা এই মাসে হুসাইন (রাঃ)-এর শাহাদত উপলক্ষে শোক প্রকাশার্থে বিবাহ-শাদী হারাম বা অপসন্দনীয় ঘোষণা করেছে। এটা সুস্পষ্ট অপসংস্কৃতি এবং সুন্নাহ বিরোধী ধারণা। যেমন জাহেলী যুগে
উত্তর :প্রথমত যদি কোন যুবক-যুবতীর বিয়ে অলী ও দু’জন সাক্ষীর উপস্থিতিতে হয়ে থাকে, তাহ’লে সেই বিয়ে শারঈ দৃষ্টিতে সঠিক এবং তাদের পরবর্তী তালাক শারঈ পন্থায় সংঘটিত হয়ে থাকলে তা কার্যকর হবে (ছহীহুল জামে‘ হা/৭৫৫৭)। দ্বিতীয়ত যদি বিয়েতে অলী
উত্তর: সান্ডা ও গুইসাপ এক জাতীয় প্রাণী নয়। সান্ডার আরবী প্রতি শব্দ যবব, যা তৃণভোজী এবং মরুভূমিতে বসবাস করে। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, খালিদ ইবনু ওয়ালিদ (রাঃ) তাঁকে বলেছেন, তিনি একবার রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সঙ্গে উম্মুল মুমিনীন মায়মূনা (রাঃ)-এর ঘ
উত্তর : ইমাম খুৎবায় যেকোন বিষয়ে নছীহত করতে পারেন। হজ্জের ফযীলত বর্ণনা করার সময় তালবিয়া পাঠের ফযীলত বর্ণনা করতে পারেন। কিন্তু সেজন্য ফযীলত পাওয়ার আশায় এই তালবিয়া সব জায়গায় পাঠ করা যাবে না (শাওকানী, নায়লুল আওতার ৪/৩৭৯)।প্রশ্নকারী : আহসান
উত্তর : কুরবানী করা সুন্নাতে মুওয়াক্কাদাহ। আর ঋণ পরিশোধ করা ফরয। সেক্ষেত্রে ঋণ পরিশোধ অগ্রাধিকার পাবে। তবে বিলম্বে ঋণ পরিশোধের যদি সুযোগ থাকে এবং সেটা পরিশোধের অন্য উৎস বিদ্যমান থাকে, তাহ’লে কুরবানী দিতে পারেন। কারণ কুরবানী ইসলামের অন্যতম শে‘আর
উত্তর : এ ব্যাপারে বিদ্বানগণের মাঝে মতপার্থক্য থাকলেও বিশুদ্ধ মত হচ্ছে পুনরায় ইহরাম বাঁধতে হবে না। কারণ ইহরাম অবস্থায় প্রয়োজনে মক্কার বাইয়ে গেলে পূর্বের ইহরাম বিনষ্ট হয় না। তবে কেউ আরেকটি ওমরা করার নিয়তে মক্কার বাইরে গেলে মক্কায় ফেরার পথে
উত্তর : মেহমান হিসাবে যেকোন আগন্তুক বা দায়িত্বশীলকে আপ্যায়ন করানো এবং তদন্ত কর্মকর্তাদের পক্ষে তা গ্রহণ করা জায়েয (বুখারী হা/৬০১৮; মিশকাত হা/৪২৪৩)। তবে হাদিয়া প্রদান এবং গ্রহণ দুটোই সংশয়যুক্ত। কারণ হাদিয়ার মাধ্যমে কর্মকর্তাদের অন্যায় কর্মে
উত্তর : ‘বিটকয়েন’ ‘ইথিরিয়াম’ ‘বিএনবি’ ইত্যাদি হ’ল ক্রিপ্টোকারেন্সি বা এক ধরনের সাংকেতিক মুদ্রা। এর নিজস্ব কোন মূল্যমান নেই। বাস্তব কোন রূপ নেই। এর অস্তিত্ব কেবল ইন্টারনেটে। এজন্য একে ডিজিটাল, ভার্চুয়াল বা অনলাইন কারেন্সিও বলা হয়। বর্তমানে বিটকয়ে
উত্তর : এসময় সহবাস জায়েয। তবে শুধুমাত্র সহবাসের উদ্দেশ্যে হায়েয বন্ধ করা উচিৎ নয়। কারণ এতে একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা হয় এবং সন্তান ধারণেও বাধার সৃষ্টি করে। অতএব এমনটি না করাই উত্তম। তবে যদি কোন নারী হজ্জ বা রামাযান মাসে ছিয়াম রাখ
উত্তর : পর্দার বিধান মেনেও প্রয়োজনীয় আলাপ ও আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা সম্ভব। তাদের সাথে শারঈ পর্দা বজায় রেখেই আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করতে হবে। স্মর্তব্য যে, সম্পর্কের পবিত্রতা বজায় রাখার জন্যই এ ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। যেমন রাসূলুল্
উত্তর : হতাশা-দুশ্চিন্তা থেকে পরিত্রাণ লাভের জন্য নিম্নোক্ত আমলগুলো করা যেতে পারে। যেমন- ১. আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখা। আল্লাহ বলেন, যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, তাঁর জন্য তিনিই যথেষ্ট (তালাক ৬৫/৩)। ২. ছালাত ও ধৈর্যের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা
উত্তর : কিছু শর্ত সাপেক্ষে গাছের নীচে পড়ে থাকা ফল গ্রহণ এবং খাওয়া জায়েয। যেমন- ১. যদি স্থানীয়ভাবে স্বীকৃতি থাকে, যেমন বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এটা স্বাভাবিকভাবে দেখা হয়। ২. বাগান মালিকের পক্ষ থেকে বাগান প্রাচীর দিয়ে সুরক্ষিত না থাকা। ৩. মালিক ব
উত্তর : এটা একটি মানসিক রোগ। প্রথমেই এর জন্য চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। বিশেষত হরমোনগত ত্রুটি আছে কি-না তা পরীক্ষা করে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে।এছাড়া আরো কিছু করণীয় রয়েছে। যেমন- (১) এটা জানা যে সমকামিতা যেনা অপেক্ষা মহাপাপ। খালেছভাবে তওবা করা এবং আল্
উত্তর : আশূরা উপলক্ষে ফেরাঊনের কবল থেকে নাজাতে মূসার শুকরিয়ার নিয়তে দু’দিন নফল ছিয়াম রাখা ব্যতীত আর সকল কর্মই বিদ‘আত। অতএব এ উপলক্ষে শী‘আ বা সুন্নীদের যেকোন অনুষ্ঠান বা খাদ্য ভক্ষণ সবই নাজায়েয (দ্রঃ ‘আশূরায়ে মুহাররম ও আমাদের করণীয়’ পুস্তিকা
উত্তর : যেকোন হালাল পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা যায়। শরীরে ট্যাটু অংকনের উদ্দেশ্য ছাড়া এমনিতে ত্বকের কালার ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে অনুরূপ কোন ব্যবস্থা নেয়া যাবে। তবে তা যেন কোন ধর্মের সাদৃশ্য না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) অসুস্থ ব্যক্তিদের বসে ছালাত আদায় করার নির্দেশনা দিয়েছেন। কিন্তু বসার উপকরণের কথা বলেননি। সেজন্য মুছল্লীরা মাটিতে কিংবা চেয়ারে বা অন্য কোন আসনে বসে ছালাত আদায় করতে পারেন। এক্ষণে রাসূল (ছাঃ)-এর যুগে চেয়ার থাকা সত্ত্বেও তার ছালা
উত্তর : স্বামীর অসম্মতিতে স্ত্রী বা তার পরিবার সংসার বিচ্ছিন্ন করতে চাইলে মোহরানা ফেরত দিয়ে খোলা‘ তথা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। খোলা‘ তথা বিবাহ বিচ্ছেদ যা নারীর পক্ষ থেকে হয় স্বামী থেকে প্রাপ্ত মোহর বা মোহরের অংশবিশেষ ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে। সেজন্য এখা
উত্তর : একবার হজ্জ করলে হজ্জের ফরযিয়াত আদায় হয়ে যাবে। আর কবুলের বিষয়টি আল্লাহর হাতে। তাই আশা ও ভয় দু’টিই থাকতে হবে। তবে সামর্থ্যবানদের জন্য প্রতি পাঁচ বছর অন্তর একবার হজ্জ করা মুস্তাহাব। রাসূল (ছাঃ) বলেন, আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, আমি আমার এক বান্দা
উত্তর : কাউকে এককভাবে সম্পত্তি লিখে দেয়া উচিৎ নয়, বিশেষ করে অন্য ওয়ারিছরা যদি দরিদ্র হয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সন্তানদের স্বাবলম্বী করে রেখে যেতে উৎসাহিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘তুমি যদি তোমার উত্তরসূরীদের ধনী করে রেখে যাও, এটা উত্তম এ অপেক্ষা যে, তুমি
উত্তর : স্ত্রীর সৎ মা তথা শ্বশুরের দ্বিতীয় স্ত্রী মাহরাম নয়। সুতরাং প্রথম পক্ষের মেয়ের জামাই থেকে তাকে পূর্ণ পর্দা করে চলতে হবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৭/৩৬৫-৩৬৬; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২১/১৫; ফাতাওয়া ইসলামিয়া ৩/১৩২)।প্রশ্নকারী : ড. আ
উত্তর : এমন ব্যক্তি যাকাতের হকদার নয়। কারণ সূরা তওবায় আল্লাহ তা‘আলা স্পষ্টভাবে যাকাতের হকদারদের বিষয়ে আলোচনা করেছেন (তওবা ৯/৬০)। যার স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি আছে সে ধনী হিসাবেই গণ্য হবে। আর ধনীর জন্য যাকাত গ্রহণ করা হারাম (আবুদাউদ হা
উত্তর : ‘ফি সাবীলিল্লাহ’ খাত বিবেচনায় নিজ পরিচালিত মাদ্রাসায়ও যাকাত দেয়া যেতে পারে। কারণ দ্বীনী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দ্বীন প্রচারের লক্ষ্যে যাকাতের হকদার, বিশেষত যেসব মাদ্রাসায় সরকারীভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করা হয় না (উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৮/৩৯
উত্তর : ছিয়াম অবস্থায় ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়া গুনাহের কাজ এবং ছিয়ামের ছওয়াব কমে যাওয়ার কারণ (শাওকানী, নায়লুল আওতার ৪/২৪৬)। তবে এতে ছিয়াম ভঙ্গ হবে না। কারণ এটি ছিয়াম ভঙ্গের কারণ নয় (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১০/৩৩২-৩৩৩)।প্রশ্নকারী : তুহিন, নাট
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। কারণ আড়াল থাকলে ইমামের অনুসরণে মসজিদের যেকোন অংশে নারীরা ছালাত আদায় করতে পারে। অতএব নীচ তলায় ইমাম ও পুরুষ মুছল্লী এবং উপরের তলায় নারী মুছল্লীরা ছালাত আদায় করতে পারে (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১২/২১৩)।প্রশ্নকারী :
উত্তর : অনিচ্ছকৃতভাবে প্রস্রাব বেরিয়ে গেলে পুনরায় গোসল করে পবিত্রতা অর্জন করবে (শাওকানী, নায়লুল আওতার ১/১১৪; উছায়মীন, লিকাউল বাবিল মাফতূহ ৩০/১৮৬)। উল্লেখ্য, গোসল করার সময় অযাচিত প্রস্রাবের চাপ বা প্রস্রাব বের হয়ে যাওয়া এক ধরনের রোগ। এতে গোন
উত্তর : যদি তারা অশালীন আচরণ করে অশ্লীলতা ছড়ায়, তাহ’লে তাদেরকে সহযোগিতা করা যাবে না। কারণ এতে পাপের কাজে সহায়তা করা হবে, যা নিষিদ্ধ (মায়েদাহ ৫/২)। তবে সাধারণ হিজড়া যারা অশ্লীলতা ছড়ায় না বা চাঁদাবাজি করে না তাদেরকে সাহায্য করা যাবে এবং নিয়ত
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ), ছাহাবায়ে কেরাম ও তাবেঈদের যুগে বাগদানের আংটি পরানো বা বিনিময় করার বিষয়ে কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না। বরং এটা খৃষ্টানদের ধর্মীয় রীতি, যা তাদের মধ্যে চলমান রয়েছে (উছায়মীন, আল-লিকাউশ শাহরী ১/৪৬; মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৮/১১২; ফা
উত্তর : সরকার কর্তৃক কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে প্রদত্ত বোনাস, ভাতা, অবসরভাতা, এককালীন ভাতা ইত্যাদি গ্রহণ করা বৈধ। কারণ এটা কর্মরত ব্যক্তিদের প্রতি সরকার বা প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত বৈধ সুবিধা (উছায়মীন, আল-লিকাউশ শাহরী ৫৮/২২, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৮/১৭৫;
উত্তর : এ দাবী অবান্তর। বরং ইসলাম নারীর ন্যায্য অধিকার প্রদানের ব্যাপারে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে। উপরন্তু এই নীতি লংঘনের ব্যাপারে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারী এসেছে পবিত্র কুরআনে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘পিতা-মাতা ও নিকটাত্মীয়দের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে প
উত্তর : ছালাতে খুশূ‘-খুযূ তথা একাগ্রতা থাকা যরূরী। কারো ছালাতে খুশূ‘-খুযূ তথা একাগ্রতার ঘাটতি থাকলে ছালাত হয়ে গেলেও ছওয়াব কমে যাবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, এমন লোকও আছে যারা ছালাত শেষ করে ফিরে যায়, অথচ তার ছালাতের পূর্ণ ছওয়াব তার জন্য লেখা হয় না (অর্থ
উত্তর : যিনি সম্পদের মালিক, তার উপরই যাকাত ফরয হয়। এক্ষণে স্ত্রীর সম্পদ সাড়ে ৭ ভরি বা সমপরিমাণ নগদ অর্থ হ’লে তার সম্পদে তার উপরই যাকাত ফরয হবে। অনুরূপই মেয়ে পৃথকভাবে সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণের মালিক হ’লে তার সম্পদেও যাকাত ফরয হবে। অর্থাৎ প্রত্যেকে নি
উত্তর : উক্ত ব্যক্তি যাকাত গ্রহণের উপযুক্ত নয়। বরং সে কিছু জায়গা বিক্রয় করে ঋণ পরিশোধ করার চেষ্টা করবে। কারণ বর্তমানে সে যাকাতের হকদার আট শ্রেণীর মধ্যে পড়ে না (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১৫/৩৩০)।প্রশ্নকারী : শাহরিয়ার অনিক, দোহার,
উত্তর : জুয়া খেলা নিকৃষ্ট হারাম এবং তা থেকে প্রাপ্ত সম্পদও হারাম। তবে এর ভয়াবহতা সম্পর্কে জ্ঞান না থাকার কারণে সে খালেছ নিয়তে তওবা করবে এবং সে দরিদ্র হ’লে প্রয়োজনীয় সম্পদ রেখে অবশিষ্ট সম্পদ প্রাপকদের কাছে ফিরিয়ে দিবে। আর সেটা সম্ভব না হ’লে তাদের
উত্তর : বারা ইবনু আযেব (রাঃ) বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কুরবানীতে কি ধরনের পশু হ’তে বেঁচে থাকা উচিৎ? রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হাতের ইশারা করে বললেন, চার রকমের পশু হ’তে বেঁচে থাকা উচিৎ (১) স্পষ্ট খোঁড়া (২) স্পষ্ট কানা (৩) স্পষ্
উত্তর : কোন নারী ধর্ষণের শিকার হ’লে এবং গর্ভবতী হওয়ার বিষয়টি জানলে সাথে সাথে গর্ভপাতের মাধ্যমে নিজেকে মুক্ত করতে পারে। তবে এটা প্রথম চল্লিশ দিনের মধ্যে হ’লে ভালো। আর এটা সম্ভব না হ’লে আশি দিনের পূর্বে গর্ভপাত করতে পারে। তবে ১২০ দিনের পর কোনভাবেই
উত্তর : উক্ত জমি বসবাস কিংবা চাষাবাদের জন্য ক্রয় করা হ’লে উক্ত টাকার যাকাত দিতে হবে না। বরং ক্রয়কৃত জমিতে যে ফসল উৎপন্ন হবে তাতে ওশর দিতে হবে। আর জমি ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসা করলে জমির মূল্য ধরে বছর শেষে যাকাত দিতে হবে (ওছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে
উত্তর : কারো মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ্র নিকট সালাম পাঠানো শরী‘আতসম্মত নয়। বরং এটি বিদ‘আত (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৬/২৮; আলবানী, আহকামুল জানায়েয ১/২৬০)। কারণ রাসূল (ছা.)-কে সালাম পৌঁছাতে কোন মাধ্যম প্রয়োজন হয় না। বরং পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত থেকে রাস
উত্তর : বাধা নেই। তবে বিক্রয়ের সময় অবশ্যই শালীনতা অবলম্বন করবে। আর ক্রেতারাও নিজেদের সম্ভ্রম রক্ষা করে ক্রয় করবে (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১৯/৭৮)।প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ রাফসান, ঢাকা।
উত্তর : ছালাতে সাধারণভাবে দৃষ্টি থাকবে সিজদার স্থানে। আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) যখন কা‘বা ঘরে ঢুকে ছালাত আদায় করলেন, তখন তাঁর দৃষ্টি ছালাত শেষ হওয়া পর্যন্ত সিজদার স্থান থেকে সরেনি (হাকেম হা/১৭৬১; ছহীহ ইবনু খুযায়মা হা/৩০১২; ছিফাতু ছালাতি
উত্তর : কুরবানী উল্লেখিত নিযাম নামক ব্যক্তির পক্ষেই গণ্য হবে। কারণ তার জন্যই নিয়ত করা হয়েছিল। আর রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘প্রত্যেক ভালো কাজের ছওয়াব প্রাপ্তি নির্ভর করে নিয়তের উপর (বুখারী হা/১; মিশকাত হা/১)। অতএব ইমাম কুরবানী দাতার নাম উচ্চারণে
উত্তর : কুরবানী করা অন্যতম আর্থিক ইবাদত। এই ইবাদত কারো পক্ষ থেকে করলে তার অনুমতি নিতে হবে। কারণ যেকোন ইবাদত করার জন্য নিয়ত শর্ত। আর যার পক্ষ থেকে কুরবানী দেওয়া হবে তিনি অবগত না থাকলে নিয়ত করতে পারবে না। সেজন্য যেকোন জীবিত আত্মীয়ের পক্ষ থেকে কুরব
উত্তর : কুরবানী করা গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নাত এবং ইসলামের প্রকাশ্য শে‘আর। সেজন্য কারো সামর্থ্য থাকলে সফরেও কুরবানী করা মুস্তাহাব (নববী, আল-মাজমূ‘ ৮/৪২৬)। ছাওবান (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তার কুরবানীর পশু যবহ করলেন। তার
উত্তর: যে দুধ পান করবে কেবল তার জন্য দুধ মা সাব্যস্ত হবে এবং বৈবাহিক হারামের বিষয়টি কেবল দুধপানকারীর সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যদের সাথে নয়। অতএব দুধ পানকারীর অন্যান্য ভাই-বোনদের জন্য দুগ্ধদানকারীর আত্মীয়রা মাহরাম সাব্যস্ত হবে না এবং তাদের পারস্পরিক বিব
উত্তর : কুরবানীর পশু যবহ করার পূর্বে কয়েকটি কাজ করা যরূরী। যেমন- (১) ছুরি ভালোভাবে ধার দেওয়া এবং দ্রুত যবহের কাজ সমাধা করা। যেন পশুর কষ্ট কম হয় (মুসলিম হা/১৯৫৫; মিশকাত হা/৪০৭৩)। (২) গরু বা ছাগলের মাথা দক্ষিণ দিকে রেখে বাম কাতে ফেলে ক্বিবলাম
উত্তর : নারীরাও কুরবানীসহ যেকোন হালাল পশু যবেহ করে গোশত প্রস্ত্তত করতে পারবে (ওছায়মীন, ফাতাওয়া নুরুন আলাদ-দারব ২০/০২)। কা‘ব ইবনু মালেক (রাঃ) বলেন, তার একটি ছাগল সালা‘ নামক চারণক্ষেত্রে ছিল। তাঁর এক দাসী ছাগলটিকে মরণাপন্ন দেখে পাথর দ্বারা যব
উত্তর : যেকোন রংয়ের গবাদিপশু দ্বারা কুরবানী করা জায়েয। তবে সাদা রংয়ের পশু কুরবানী করা উত্তম। রাসূল (ছাঃ) বলেন, দু’টি কালো পশু কুরবানী দেওয়া অপেক্ষা সাদা রংয়ের একটি পশু কুরবানী দেওয়া উত্তম। عَفْرَاءَ অর্থ যে পশুর অধিকাংশ সাদা বা সাদাটে রং (ছ
উত্তর : স্ত্রীরা যদি স্বামীর সঙ্গে এক পরিবারভুক্ত থাকে, তবে সকলের পক্ষ থেকে একটি পশুই যথেষ্ট। রাসূল (ছাঃ) বিদায় হজ্জের ভাষণে বলেছেন, হে জনগণ! নিশ্চয় প্রত্যেক পরিবারের উপর প্রতি বছর একটি করে কুরবানী (তিরমিযী হা/১৫১৮; আবুদাঊদ হা/২৭৮৮; ইবনু মা
উত্তর : মসজিদের কোন স্থানে স্ত্রী সহবাসে লিপ্ত হওয়া জায়েয নয়। কারণ মসজিদ যিকর, ছালাত ও কুরআন তেলাওয়াতের জন্য। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, এটা হ’ল মাসজিদ। এখানে প্রস্রাব করা কিংবা ময়লা আবর্জনা ফেলা যাবে না। বরং এ হ’ল আল্লাহ্র যিকর করা, ছালাত আদায় করা এবং
উত্তর : যিলহজ্জ মাসের চাঁদ উঠার পর সিজারসহ যেকোন অপারেশন থেকে বিরত থাকা উচিৎ। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এসময় কুরবানীর নিয়তকারীকে চামড়া কাটতেও নিষেধ করেছেন। তবে অপারেশন যরূরী হ’লে তাতে দোষ নেই (ওছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৭/৪৮৮; বিন বায, ফাতাওয়া
উত্তর : যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার পরে চুল, নখ বা চামড়া কেটে ফেলতে নিষেধ করা হয়েছে (মুসলিম হা/১৯৭৭)। কুরবানীর নিয়তকারী চুল বা দাড়ি আঁচড়াতে পারবে। তবে সাবধানে অাঁচড়াবে যাতে চুল-দাড়ি উঠে না যায়। আর অনিচ্ছাকৃভাবে কোন চুল বা দাড়ি উঠে গেলে গুনাহ হ
উত্তর : কুরবানীর পশু দিনে যবহ করা সুন্নাত। তবে কারো কোন সমস্যা থাকলে রাতেও যবহ করা যায়। উল্লেখ্য যে, ঈদের দিনসহ পরবর্তী তিন দিন পর্যন্ত কুরবানীর পশু যবহ করা যায়। অর্থাৎ যিলহজ্জ মাসের ১৩ তারিখ মাগরিবের পূর্ব পর্যন্ত কুরবানী করা যায় (আহমাদ হা
উত্তর : স্বর্ণের মূল্য এবং নগদ অর্থ মিলে নিছাব পরিমাণ সম্পদ হ’লে এবং মালিকানায় এক বছর অতিক্রম করলে যাকাত দিতে হবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৮/৩২৪; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ২৩/২৬৭; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৪/১২৫)। যেমন কারো কাছে যদি নগদ পাঁচ লক্
উত্তর : যাকাত প্রদানের জন্য শর্ত হচ্ছে নিছাব পরিমাণ স্বর্ণ নিজের মালিকানায় থাকা। যদি উক্ত স্বর্ণ মালিকানায় না আসে তাহ’লে বর্তমানে যার মালিকানায় আছে সে যাকাত দিবে। পিতা-মাতার অধীনে থাকলে তারা যাকাত দিবে। অনুরূপভাবে নাবালক সন্তানেরও যাকাত অভিভাবক
উত্তর : সবার সম্মতি থাকলে এরূপ শর্ত করা জায়েয। কারণ ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নীতিমালা হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত কোন কারবার জায়েয যতক্ষণ না তা নিষেধের দলীল পাওয়া যায় (ইবনু তায়মিয়াহ, আল-ফাতাওয়াল কুবরা ৪/১৩)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, মুসলিমগণ পরস্পরের ম
উত্তর : মালিকের অনুমতি থাকলে পারবে (বাহুতী, কাশশাফুল কেনা‘ ৮/৪৩৬; যুহায়লী, আল-ফিক্বহুল ইসলামী ৪/৫১০)।প্রশ্নকারী : রুতবান, বাগমারা, রাজশাহী।
উত্তর : খাদ্য বা বস্ত্র যদি হালাল হয়, তাহ’লে তা খাওয়াতে বা ব্যবহারে দোষ নেই। এক্ষণে কোন ব্যক্তির জন্য বিশেষ কোন খাদ্য বা বস্ত্র যদি তার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হয় তাহ’লে তা পরিত্যাগ করতে পারে (ওছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ১৫/১০)। আর ইসলামের অ
উত্তর : সুস্থ অবস্থায় কোন কিছুতে হেলান দিয়ে ছালাত আদায় করা যাবে না। বরং কেউ হেলান দিয়ে ছালাত আদায় করলে তা বাতিল হবে (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ৪/১০৪)। অবশ্য অতি বৃদ্ধ বা অক্ষম ব্যক্তি কোন কিছুতে হেলান বা ঠেঁস দিয়ে ছালাত আদায় করতে পারে। কারণ এ
উত্তর : টিকটিকি অপবিত্র প্রাণী। সুতরাং এর বিষ্ঠা বা পায়খানা অপবিত্র। বিছানা বা কাপড়ের কোন ভিজা স্থানে বা নরম পায়খানা শুকনো কাপড় বা বিছানায় লাগলে অবশ্যই তা ধুয়ে ফেলতে হবে। তবে শুকনো হ’লে ঝেড়ে ফেলাই যথেষ্ট হবে (মারদাভী, আল-ইনছাফ ১/৩৩৯; ওছায়মী
উত্তর : সম্বোধিত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ দূরে থাকায় মুখে সালাম উচ্চারণের পাশাপাশি হাতের ইশারায় সালাম দেয়া জায়েয। যেমন বিভিন্ন জনসভা বা বড় মজলিসে করা হয়ে থাকে। হাদীছে এসেছে, কোন এক সময় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মসজিদের দিকে যাচ্ছিলেন। সেখানে একদল মহিলা বস
উত্তর : এভাবে দান করা জায়েয। তবে উদ্দেশ্য হবে আল্লাহ্র সন্তুষ্টি এবং তাঁর বরকত লাভ করা। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা দানকারীদের জন্য বর্ধিত প্রতিদানের ওয়াদা দিয়েছেন। যেমন আল্লাহ বলেন, ‘কে আছে যে আল্লাহকে উত্তম ঋণ দিবে? অতঃপর সেজন্য তিনি তাকে বহুগুণ বেশ
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। কারণ খুৎবা চলাকালীন তাহিইয়াতুল মসজিদ দু’রাক‘আত ছালাত আদায়ের ব্যাপারে রাসূল (ছাঃ) কর্তৃক স্বতন্ত্র নির্দেশনা এসেছে। সুলাইক গাত্বাফানী (রাঃ) জুম‘আর দিন মসজিদে ঢুকে বসে পড়লেন যখন রাসূল (ছাঃ) খুৎবা দিচ্ছিলেন। সে সময় রাস
উত্তর : রক্তের মতই প্লাজমা দান করাও মুস্তাহাব। কারণ এর মাধ্যমে আরেকজন মানুষের জীবন রক্ষা পায় বা উপকৃত হয়। তবে নিজের স্বাস্থ্যের বিষয়টি অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২৫/৭০; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১/২৯২-৯৩)।প্রশ্নকার
উত্তর : শিক্ষার্থী বা শিক্ষার্থীর অভিভাবকের সম্মতি থাকলে শিক্ষকের জন্য উক্ত টাকা নেয়া জায়েয হবে নইলে নয়। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, মুসলিমগণ পরস্পরের মধ্যে যে শর্ত করবে, তা অবশ্যই পালন করবে। কিন্তু যে শর্ত ও চুক্তি হালালকে হারাম এবং হারামকে হা
উত্তর : এটা যিহার হবে না। যিহারের জন্য শর্ত হচ্ছে যিহারের নিয়ত করতে হবে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূউল ফাতাওয়া ৫/৩৪)। কেউ স্ত্রীর সাথে যিহার করে ফেললে তাকে স্পর্শ করার পূর্বে কাফফারা দিতে হবে। অন্যথায় তালাক দিয়ে মুক্ত হবে। কাফফারা দেওয়ার পূর্বে স্
উত্তর : বিশুদ্ধ মতে, ইমামের তাকবীরে তাহরীমা পাঠরত অবস্থায় যে ছালাতে অংশ গ্রহণ করবে, সে তাকবীরে ঊলা পেয়েছে বলে গণ্য হবে এবং হাদীছে বর্ণিত ফযীলত লাভ করবে ইনশাআল্লাহ (নববী, রওযাতুত ত্বালেবীন ১/৩৪২; ইবনু রজব, ফাৎহুল বারী ৭/৯৩; ইবনু মুফলেহ, আল-ফ
উত্তর : ইদ্দতের মধ্যে থাকায় স্ত্রী এখনো স্বামীর অধীনে আছে। সুতরাং সে নিজ স্বামী থেকে কোন প্রকার অনিষ্টের আশঙ্কা করলে পারিবারিকভাবে বা আদালতের মাধ্যমে খোলা‘ করে আলাদা হয়ে যেতে পারে (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৭/৫১৯; শরহ মুখতাছরে খলীল ৪/২১)। উল্লেখ্
উত্তর : ছালাতান্তে বক্তব্য প্রদানকালে মাসবূকের বিষয়টি খেয়াল রাখা কর্তব্য। কারণ এতে ফরয ছালাত আদায়রত মুছল্লীদের ছালাতে বিঘ্ন সৃষ্টি হবে, যা অনুচিৎ। একদা রাসূল (ছাঃ) মসজিদে ই‘তিকাফকালে ছাহাবীদেরকে উচ্চ স্বরে ক্বিরাআত করতে শুনে পর্দা উঠিয়ে বলেন, ‘জ
উত্তর : উক্ত পদ্ধতি জায়েয হ’লেও বর্তমান ফিৎনার যুগে নারী-পুরুষের মাঝে স্বতন্ত্র পর্দা টাঙিয়ে বা প্রতিবন্ধক দেয়াল রেখে ছালাত আদায়ের ব্যবস্থা করাই উত্তম (বুখারী হা/৩৮০; মুসলিম হা/৬৫৮; আব্দুল মুহসিন আল-আববাদ, শরহ সুনান আবু দাউদ ৪/৮৯)। রাসূলুল্
উত্তর : একাধিক বিবাহ শরী‘আতে জায়েয। সুতরাং কারো অর্থনৈতিক ও শারীরিক সক্ষমতা থাকলে সর্বোচ্চ চারটি পর্যন্ত বিবাহ করতে পারে। এক্ষণে প্রথমা স্ত্রীর দাবীর প্রেক্ষিতে পরের দুই স্ত্রীকে তালাক দেওয়া যাবে না। কারণ ইসলামে অকারণে স্ত্রী তালাক দেওয়া জঘন্যতম
উত্তর : কুরআন তেলাওয়াত করার মতই তেলাওয়াত শ্রবণে দশ গুণ বা ততোধিক ছওয়াব পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ। তবে এটি নির্ভর করবে শ্রবণকারীর মনোযোগের উপর (তিরমিযী, মিশকাত হা/২১৩৭; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব)। সেজন্য আল্লাহ তা‘আলা কুরআন মনোযোগ সহকারে
উত্তর : স্বাস্থ্যগত ক্ষতি হবে না এমন যেকোন উপকরণ ব্যবহার করে নারীরা তাদের শরীরের অবাঞ্ছিত লোমগুলো দূর করতে পারে। যেমন দাড়ি, গোঁফ ও শরীরের বিভিন্ন অবাঞ্ছিত পশমসমূহ। কারণ এটা নারীর সৌন্দর্যের খেলাফ (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৫/১৯৪-৯৫; ফাতাওয়া মার
উত্তর : পেটে অলংকার পরা নিম্নোক্ত শর্তসাপেক্ষে জায়েয- ১. এটি কোন কাফের শ্রেণীর নারীদের প্রতীক না হওয়া। ২. স্বামী ছাড়া অন্য কারো সামনে প্রদর্শন না করা। ৩. এর ফলে কোন দৈহিক ক্ষতি না হওয়া। ৪. সমাজের নারীদের মধ্যে এভাবে স্বর্ণ পরার রীতি থাকা। ইবনে ক
উত্তর: নারী-পুরুষ উভয়ে সিজদাকালীন তাদের পা মিলিয়ে বা পৃথক রাখতে পারে। হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, ‘এক রাত্রিতে আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে বিছানায় না পেয়ে আমার হাত দিয়ে খুঁজতে থাকলাম। অতঃপর আমার হাত তাঁর দু’পায়ের উপর পতিত হয়। তখন তিনি সিজদারত ছিলেন এবং
উত্তর : উক্ত বিবাহ সঠিক হয়নি এবং এতে দু’টি বড় পাপ সংঘটিত হয়েছে। ১. মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া ২. ইদ্দত পালনের পূর্বে বিবাহ করা, যা বাতিল এবং যেনার শামিল। কোন নারী স্বামী কর্তৃক তালাকপ্রাপ্তা হ’লে তাকে তিন মাস ইদ্দত পালন করতে হবে (বাক্বারাহ ২/২২৮)।
উত্তর : স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রী চারমাস দশ দিন ইদ্দত পালন করবে। অতঃপর সে চাইলে স্বামীর উপদেশ পালন করতে পারে। তবে বাধ্য নয়। এক্ষণে সে প্রয়োজনে বোনের বাড়ি যেমন যেতে পারবে যেমন সে ইদ্দত শেষে অন্যত্র বিবাহে আবদ্ধ হ’তে পারবে। উম্মে মুবাশশির (রাঃ) বল
উত্তর : জোর করে খোলা‘ তালাকে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে থাকলে বিবাহ বিচ্ছিন্ন হবে না। বরং উক্ত স্ত্রীর সাথে সংসার অব্যাহত রাখবে। ইবনু কুদামাহ বলেন, যে ব্যক্তিকে তালাক দেয়ার জন্য অন্যায়ভাবে যবরদস্তি করা হয়েছে; সে ব্যক্তি যদি এ যবরদস্তি থেকে বাঁচার জন্য
উত্তর : বেশ কিছু পাপ রয়েছে যাতে লিপ্ত হ’লে মানুষের রিযিকে বরকত কমে যায়। যেমন- (১) যেনায় লিপ্ত হওয়া (ইবনু মাজাহ হা/৪০১৯; ছহীহুত তারগীব হা/৭৬৫)। (২) মাপে বা ওযনে কম দেওয়া (ছহীহাহ হা/১০৬)। ৩. আল্লাহর বিধান অনুযায়ী বিচার না করা (ছহীহা
উত্তর : যেনা-ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া জঘন্য কবীরা গুনাহের একটি, যা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, তোমরা ব্যভিচারের নিকটবর্তী হয়ো না। নিশ্চয়ই এটা অশ্লীল কাজ ও নিকৃষ্ট পথ (ইসরা ১৭/৩২)। হাদীছে এসেছে, যেনাকারদেরকে উলঙ্গ অবস্থায় একটি পেট
উত্তর : স্বামীর অনুমতি ছাড়া স্ত্রী উচ্চতর পড়াশুনা ও চাকুরী করতে পারবে না। কারণ বিবাহের পর নারী স্বামীর আনুগত্য করবে। পিতা-মাতা ও স্বামীর মধ্যে দুনিয়াবী বিষয়ে বিরোধ দেখা দিলে স্বামীর আনুগত্য প্রাধান্য পাবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৯/১৬৫)। ইবন
উত্তর : প্রথমত ঋণ রেখে মারা যাওয়া কঠিন শাস্তির কারণ হ’তে পারে। এমনকি কোন ব্যক্তি যদি আল্লাহর রাস্তায় শহীদও হয়, তবুও সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না যতক্ষণ না তার ঋণ পরিশোধ করা হয় (নাসাঈ হা/৪৬৮৪; মিশকাত হা/২৯২৯, সনদ ছহীহ)। জাবের (রাঃ) বলেন,
উত্তর : ঘুম থেকে যখনই জাগ্রত হবে তখনই পবিত্রতা অর্জন করে ছালাত আদায় করবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ছালাত আদায় করতে ভুলে যায় অথবা আদায় না করে ঘুমিয়ে পড়ে, তার কাফ্ফারা হ’ল যখনই তা স্মরণ হবে তখনই ছালাত আদায় করে নিবে (বুখারী হা/৫৯৭)।
উত্তর : ওযূ অবস্থায় কুরআন স্পর্শ করা কর্তব্য। আল্লাহ বলেন, ‘পবিত্রগণ ব্যতীত কেউ একে স্পর্শ করবে না (ওয়াক্বি‘আ ৫৬/৭৯)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘কেউ পাক-পবিত্র অবস্থা ছাড়া কুরআন স্পর্শ করবে না (ছহীহুল জামে‘ হা/৭৭৮০; ইরওয়া হা/১২২)। মুছ‘আব
উত্তর : নবী করীম (ছাঃ) রামাযানের শেষ দশকে নিয়মিত ই‘তিকাফ করতেন। আয়েশা (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত রামাযানের শেষ দশকেই ই‘তিকাফ করতেন। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর সহধর্মিণীগণও ই‘তিকাফ করতেন (বুখারী হা/২০২৬)। আর শেষ বছর তিনি বিশদ
উত্তর : হজ্জের কোন ওয়াজিব কাজ ত্যাগ করার কারণে ধার্যকৃত দম বা কুরবানী মক্কায় করতে হবে। বাইরে করলে এর হক্ব আদায় হবে না (তাফসীরে কুরতুবী ২/৩৮৫; শরহুয যারক্বানী আলাল মুয়াত্তা ২/৫৮৩)।প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, খুলনা।
উত্তর : শরী‘আত বিরোধী নয় এমন নিয়ম-কানূন সাধ্যমত মেনে চলবে। যদিও এসব বিষয়ের মধ্যে গুরুত্বের তারতম্য রয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, মুসলিমগণ পরস্পরের মধ্যে যে শর্ত করবে, তা অবশ্যই পালন করতে হবে। কিন্তু যে শর্ত ও চুক্তি হালালকে হারাম এবং হারামকে হা
উত্তর : আরবী হরফের নির্দিষ্ট মাখরাজ এবং উচ্চারণ পদ্ধতি রয়েছে। সুতরাং যে কোন দো‘আ পাঠের সময় তাজবীদ ঠিক রেখে পাঠ করা উচিৎ। কারণ তাজবীদের বিষয়টি কেবল কুরআন ও সুন্নাহর সাথে সংশ্লিষ্ট নয় বরং এটি আরবী ভাষার সঠিক উচ্চারণের সাথে সংশ্লিষ্ট। তবে কুরআনের ম
উত্তর : ছালাতের সময় মুছল্লীর সম্মুখ দিয়ে শিশু চলাচল করলে বা কোলে উঠে বসলে তাতে বাধা নেই (বুখারী হা/৫১৬; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৩/৩২১, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৯/৩৪৮)। তবে শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে শিশুদেরকে বাধা দেয়া যেতে পারে। রাসূলুল্লাহ (ছা
উত্তর : গুনাহগার হবে না। কাতারে পায়ের সাথে পা ও কাঁধের সাথে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ানো সুন্নাত। এক্ষণে কোন মুছল্লী পা মিলাতে বিরক্ত বোধ করলে জোর করে তার সাথে পা মিলানো থেকে বিরত থাকবে। বরং সুন্নাত ত্যাগ করার কারণে সে দায়ী থাকবে। উল্লেখ্য যে, জামা‘আতে ছ
উত্তর : উক্ত মর্মে কোন হাদীছ বর্ণিত হয়নি। তবে ইয়াযীদ ইবনু জাবের নামে একজন তাবেঈর উক্তি থেকে এমন বর্ণনা পাওয়া যায়। এটি তার নিজস্ব বক্তব্য হওয়ায় গায়েবী বিষয়ে তা শরী‘আতের দলীল হিসাবে গণ্য হবে না (ইবনু আবীদ্দুনিয়া, মাকায়েদুশ শয়তান ২৫ পৃ.; ইবনু
উত্তর : সন্তানের প্রতি খরচ করা পিতার দায়িত্ব। আর শিক্ষা ক্ষেত্রে খরচে তারতম্য হ’তে পারে, যা অন্যায় নয়। যেমন কোন সন্তান ভাল কোন প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ পেলে তার জন্য অধিক খরচ করার প্রয়োজন হয় ঐ সন্তান থেকে, যে সাধারণ কোন বিশ্ববিদ্যায়ে পড়াশুনা করে।
উত্তর : মাগরিবের নিয়তেই জামা‘আতে অংশগ্রহণ করবে এবং ইমামের সাথে মাগরিবের ছালাত আদায় করবে। অতঃপর আছরের ছালাত আদায় করবে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূউল ফাতাওয়া ২২/১০৬; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৫/২৭১-৭২)।প্রশ্নকারী : মুহাম্মদ সালমান রহমানী, জামালপ
উত্তর : সম্পদে যাকাত ফরয হওয়ার জন্য মৌলিক দু’টি শর্ত- (১) নিছাব পরিমাণ সম্পদ হওয়া (২) এক বছর মালিকানায় থাকা। সোনার ভরি প্রতি বর্তমান বাজার মূল্য যাচাই করে সাড়ে সাত ভরি সোনার মূল্য সমপরিমাণ অর্থ থাকলে যাকাত দিতে হবে। আর নিছাব পরিমাণ না হ’লে যাকাত
উত্তর : দুই বা ততোধিক মুছল্লীকে সাথে নিয়ে নারী ইমামতি করলে সে কাতারের মাঝখানে দাঁড়াবে। আর একজন মুছল্লী সাথে নিয়ে জামা‘আত করলে সে বামে এবং মুছল্লী ডানে দাঁড়িয়ে ছালাত আদায় করবে। কারণ আয়েশা ও উম্মে সালামা নারীদের ছালাতে ইমামতি করার সময় কাতারে মাঝেই
উত্তর : কা‘বার ছবি বা কুরআনের আয়াত ঘরের ভিতর টাঙিয়ে রাখা সমীচীন নয়। এতে বরং সম্মানিত বস্ত্তর প্রতি অসম্মান হ’তে পারে। এজন্য বিদ্বানগণ দেওয়ালে কুরআনের আয়াত বা কা‘বার ছবি টাঙানোকে মাকরূহ মনে করতেন (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৪/৪৬-৪৯,৫৮)। অতএব ঘরে
উত্তর : সকাল-সন্ধ্যায় সূরা ইয়াসীন পাঠের ফযীলতে যে হাদীছ বর্ণিত হয়েছে সেটি ছহীহ নয়। ফলে উক্ত ফযীলত পাওয়ার নিয়তে সূরা ইয়াসীন পাঠ করা যাবে না। বরং সাধারণভাবে তেলাওয়াতের নেকী পাওয়ার জন্য সূরা ইয়াসীন যে কোন সময় পাঠ করতে পারে (ইবনুয যারীস, ফাযায়ে
উত্তর : আছর ও ফজর ছালাতের পর নফল ছালাত আদায় করা যাবে না। কারণ এ সময়ে ছালাত আদায় করতে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) নিষেধ করেছেন। ওমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ফজরের পর সূর্য উজ্জ্বল হয়ে না উঠা পর্যন্ত এবং আছরের পর সূর্য অস্তমিত না হওয়া পর্যন্ত ছালাত আদা
উত্তর : এশার ছালাত বিলম্ব করে আদায় করা জায়েয। কারণ এশার ছালাতের ওয়াক্ত অর্ধরাত্রি পর্যন্ত অবশিষ্ট থাকে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘আর তোমরা যখন এশার ছালাত আদায় করবে, তখন জেনে রেখ এশার ছালাতের সময় থাকে অর্ধেক রাত পর্যন্ত’ (মুসলিম হা/৬১২; মিশকা
উত্তর : এ অবস্থায় দুটো পদ্ধতিই জায়েয। কেউ চাইলে প্রথমে একাকী এশার ফরয ছালাত আদায় করে তারাবীহর জামা‘আতে অংশ গ্রহণ করতে পারে। আবার চাইলে তারাবীহর জামা‘আতে এশার নিয়তে অংশ গ্রহণ করে ইমামের সালাম শেষে বাকী ছালাত আদায় করে নিবে। অতঃপর তারাবীহর জামা‘আতে
উত্তর : একই মসজিদে একাধিকবার নফল ছালাতের জামা‘আত করাতে দোষ নেই। অর্থাৎ কোন মসজিদে প্রথম রাতে আট রাক‘আত আবার শেষ রাতে আট রাক‘আত নফল ছালাত আদায়ের ব্যবস্থা করা যায় (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৬/৮২; ছালেহ ফাউযান, ইত্তিহাফু আহলিল ঈমান ৬৮-৬৯ পৃ.)। মুছ
উত্তর : ফজরের আযানে ‘আছ-ছালাতু খায়রুম মিনান নাউম’ বলা সুন্নাত। অতএব কেউ ভুলে উক্ত বাক্য ছেড়ে দিলে আযান শুদ্ধ হবে ইনশাআল্লাহ (ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১২/১৭৬)। তবে আযান শেষেই মনে পড়লে উক্ত বাক্য পাঠ করে আযানের বাকী অংশ পাঠ করে আযান শেষ করবে।
উত্তর : সম্পূর্ণ টাকার যাকাত দিতে হবে। কারণ সম্পদ যার মালিকানায় থাকবে তাকেই যাকাত দিতে হবে। তবে নিয়ম হচ্ছে যার ঋণ আছে সে প্রথমেই ঋণ পরিশোধ করবে। তারপর সম্পদ হিসাব করে যাকাত আদায় করবে। ওছমান (রাঃ) বলেন, ‘এটি (রামাযান) যাকাতের মাস। অতএব যদি কারো উ
উত্তর : বিতর ছালাত সুন্নাতে মুওয়াক্কাদাহ। এটা একাকী ও জামা‘আতে এক বা তিন রাক‘আত পড়া যায়। সুতরাং কেউ একাকী এক রাক‘আত বিতর আদায় করে চলে গেলে দোষণীয় নয়। তবে ইমামের সাথে শেষ পর্যন্ত ছালাত আদায় করার বিশেষ ফযীলত রয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক
উত্তর : ওযূর অঙ্গগুলো তিনবার করে ধৌত করা সুন্নাত এবং মুস্তাহাব (বুখারী হা/১৫৯)। তবে ওযূতে অঙ্গগুলো একবার করে ধুলেও যথেষ্ট হবে (বুখারী হা/১৫৭)। দুইবার করে ধৌত করাও যথেষ্ট হবে (বুখারী হা/১৫৮)। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে প্রতিটি অ
উত্তর : উক্ত সময়েও পানি গরম করে ওযূ করে তাহাজ্জুদ ও ফজরের ছালাত আদায় করার চেষ্টা করবে। কারণ পানি বিদ্যমান থাকা এবং তা ব্যবহারের সক্ষমতা থাকা পর্যন্ত তায়াম্মুম করা জায়েয হবে না। এক্ষণে যদি পানি গরম করার সুযোগ না থাকে এবং ঠান্ডা পানি ব্যবহারের সক্
উত্তর : ঈদের ছালাতে কুনূতে নাযেলা পাঠ করা যাবে না। কারণ এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরামের আমল থেকে কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৭/১৫০)। তবে ইমাম শাফেঈ (রহঃ) বলেন, ‘হঠাৎ করে মুসলমানদের উপর কোন বিপদ চলে আসলে ঈদ
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি মুনকার এবং যঈফ (ইবনু খুযায়মাহ হা/১৮৮৭; যঈফাহ হা/৮৭১; যঈফুত তারগীব হা/৫৮৯)। তবে রামাযানের প্রতিটি আমলের ছওয়াব বহু গুণে বৃদ্ধি করা হয়। বিশেষ করে ক্বদরের রজনীতে ইবাদত করা হাযার মাস ইবাদত করা অপেক্ষা বেশী ছওয়াব
উত্তর : জামা‘আতে ছালাত আদায় করার ক্ষেত্রে পুরুষ বা স্বামী সামনে দাঁড়াবে এবং নারী/স্ত্রী পিছনে দাঁড়াবে। সে জামা‘আত ফরয ছালাতের হৌক বা নফল ছালাতের হৌক (মুছান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ হা/১৭৪৪১, মাজমাউয যাওয়ায়েদ হা/৭৫৪৭, সনদ ছহীহ)। আর যেকোন ছাল
উত্তর : বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ মায়ের স্থাস্থ্য ঝুঁকির আশংকা করলে এবং গর্ভপাত করার পরামর্শ দিলে গর্ভপাত করাতে পারে। কারণ অনাগত জীবনের চেয়ে জীবিত ব্যক্তির মূল্য অনেক বেশী (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২১/৪৫০)।প্রশ্নকারী : রানা হামীদ, ময়মনসিংহ।
উত্তর : মুছল্লীগণ ছালাতের শর্ত ও রুকনগুলো সঠিকভাবে পালন করে থাকলে তাদের ছালাত হয়ে যাবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘অচিরেই এমন কিছু লোক আসবে যারা ছালাতে তোমাদের ইমামতি করবে, যদি তারা পরিপূর্ণভাবে ছালাত আদায় করে, তাহ’লে তোমরা ছওয়াব পাবে এবং তারাও ছও
উত্তর : এক রাক‘আত বিতরের ছালাত যেমন একাকী আদায় করা জায়েয তেমনি জামা‘আতের সাথেও আদায় করা জায়েয। জামা‘আতে ইমাম যত রাক‘আত পড়াবেন তত রাক‘আতে ইমামের অনুসরণ করবে তাহ’লে ক্বিয়ামুল লাইলের ছওয়াব পেয়ে যাবে (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৯/৪৬২)। রা
উত্তর : সফর অবস্থাতে অন্যান্য সুন্নাত ছালাত ছাড়া গেলেও ফজরের দু’রাক‘আত সুন্নাত ও বিতরের ছালাত আদায় করতে হয় (মুসলিম হা/১২১৮; মিশকাত হা/২৫৫৫, যাদুল মা‘আদ ১/৪৭৩)। আর সময় ও সুযোগ সাপেক্ষে অন্যান্য নফল ছালাত যেমন তাহাজ্জুদ ও ইশরাক/যুহাসহ অন্যান্
উত্তর : সাধারণভাবে শেষ রাতে ঘুম থেকে উঠে এটা পাঠ করার বিষয়টি ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত (বুখারী হা/১৮৩, মিশকাত হা/১১৯৫, ১২০৯)। তবে ‘শেষ রাতে সূরা আলে ইমরানের শেষাংশ পাঠ করলে তাহাজ্জুদ ছালাতের নেকী অর্জিত হবে’ মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (
উত্তর : কেউ যদি আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে হাত পা কেটে ফেলে এবং তাতেই মারা যায় তাহ’লে সে জাহান্নামে যাবে এবং বিকলাঙ্গ অবস্থায় উঠবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, আর যে কোনো ধারালো অস্ত্র দ্বারা আত্মহত্যা করেছে, সে জাহান্নামের মধ্যে সর্বদা ঐরূপ ধারালো অস্ত্র
উত্তর : সশব্দে নয়, তবে অনুচ্চ স্বরে আমীন বলবে। কেননা ‘যখন ইমাম আমীন বলে, তখন তোমরাও আমীন বল’ (বুখারী হা/৭৮০) হাদীছের এই নির্দেশনা নারী-পুরুষ সবার জন্যই প্রযোজ্য। তবে পুরুষদের শ্রবণের সম্ভাবনা থাকলে নিচু স্বরে আমীন বলবে। ওছায়মীন বলেন, আ
উত্তর : কোন ওয়াজিব কাজ ছুটে যাওয়ার কারণে সহো সিজদা ওয়াজিব হয়ে থাকলে ছালাত শেষে সহো সিজদা দিয়ে সালাম ফিরাবে। এক্ষণে কেউ সহো সিজদা দিতে ভুলে গেলে এবং নিকটবর্তী সময়ের মধ্যে মনে পড়লে সহো সিজদা দিয়ে সালাম ফিরাবে। যদি ওযূ ছুটে যায়, তবে ওযূ করে এসে সহো
উত্তর : ঈদের ছালাত নারী-পুরুষ সবার জন্য ঈদের ময়দানে গিয়ে আদায় করাই সুন্নাত (বুখারী হা/৩৫১; মুসলিম হা/৮৯০; মিশকাত হা/১৪৩১)। তবে প্রয়োজনে একজন পুরুষের ইমামতিতে নারীরা মসজিদে ঈদের ছালাত আদায় করতে পারে। যেমন যাকওয়ান (রাঃ)-এর ইমামতিতে আয়েশা
উত্তর : দুধ পানের মাধ্যমে মিরাছ তথা উত্তরাধিকারের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয় না। সুতরাং কোন শিশু কারো দুধ পান করে থাকলে সে দুধ মায়ের কোন সম্পত্তির অধিকারী হবে না (নববী, শরহু মুসলিম ১০/১৯; ফাতাওয়াল ওলামাইল বালাদিল হারাম, পৃ. ৩৩৪; ফাতাওয়া লাজনা দায়
উত্তর : মধ্যস্থতাকারী হিসাবে রাজমিস্ত্রী লেবারদের নিকট থেকে কমিশন নিতে পারে। কারণ এটা তার কর্মের বিনিময় হিসাবে গণ্য হবে। তবে তা হ’তে হবে নির্ধারিত এবং ইনছাফ ভিত্তিক (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৩/১৩১; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ২৬/৬০)।প্রশ্নকারী :&
উত্তর : ঈদগাহ নির্মাণ কাজে যাকাতের টাকা দেওয়া যাবে না। কারণ যাকাত বণ্টনের খাত নির্ধারিত। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘যাকাতসমূহ কেবল (আট শ্রেণীর) লোকের জন্য। ফকীর, অভাবগ্রস্ত, যাকাত আদায়ের কর্মচারী, ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট ব্যক্তি, দাসমুক্তি, ঋণগ্রস্ত, আল্
উত্তর : উক্ত বিবাহ শুদ্ধ হবে না। কারণ মেয়ের অভিভাবক পিতা জীবিত আছেন এবং তিনি উক্ত বিবাহে রাযী নন। তবে দুনিয়াবী কারণে পিতা মেয়ের বিবাহ দিতে টালবাহানা করলে এবং তা সুস্পষ্ট হ’লে মেয়ে গুনাহ থেকে মুক্ত থাকার সৎ নিয়তে পরবর্তী অভিভাবক তথা দাদা, ভাই বা
উত্তর : ছিয়াম অবস্থায় মাংসপেশীতে যেকোন ইঞ্জেকশন গ্রহণ করা যাবে। কারণ এগুলো সাধারণত পাকস্থলীতে পৌঁছে না (ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৯/১৯৬, ১৯৯)। উল্লেখ্য যে, স্ত্রী ও সন্তানের স্বাস্থ্যগত দিক বিবেচনায় সাময়িক জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবস্থা গ্রহ
উত্তর : মৃত স্ত্রীকে গোসল দেয়া এবং কবরস্থ করা উভয়টি স্বামীর জন্য জায়েয। ইসলামে মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেয়ার দায়িত্ব সাধারণত নিকটাত্মীয়দের (যেমন, ছেলে, মেয়ে, পিতা, মাতা, ভাই) উপর। স্বামী তার স্ত্রীর মৃতদেহ গোসল দিতে পারেন, তবে তা শরী‘আতের বিধান অনুযা
উত্তর : এভাবে ছালাত আদায়ে কোন বাধা নেই (মারদাভী, আল-ইনছাফ ২/২৯৩; ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৪/২০০)।প্রশ্নকারী : আব্দুল আউয়াল সুমন, বাগাতিপাড়া, নাটোর।
উত্তর : সতর উন্মুক্ত হওয়া বা সতরের কিছু অংশ খোলা অবস্থায় ওযূ করা ওযূ ভঙ্গের কারণ নয়। অতএব এমতবস্থায় ওযূ করলে ওযূ হয়ে যাবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৫/২৭০, ২৮৩)।প্রশ্নকারী : শাকিল আহমাদ, শ্যামলী, ঢাকা।
উত্তর : আক্দ তথা ঈজাব ও কবূল সম্পন্ন হ’লেই স্ত্রীর সাথে নির্জনবাস জায়েয। কারণ খুৎবার পরে দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে অলীর প্রস্তাবের ভিত্তিতে বর কবুল বললেই বিবাহ সম্পন্ন হয়ে যায় (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৯/২৭১)।প্রশ্নকারী : জাবেদ হোসাইন, অক
উত্তর : এজাতীয় বিষয়ে পড়াশুনা করা ইসলামী শিক্ষার বিপরীত নয়, যদি তা দ্বীনের পক্ষে বা মানবকল্যাণে ব্যবহৃত হয়। তবে সেক্ষেত্রে দ্বীনের উপর টিকে থাকার জন্য কিছু কর্তব্য রয়েছে। যেমন- (১) ধর্মীয় বিধিবিধান যথাযথভাবে পালন করা। (২) ইবাদতগুলো সময়মত আদায় করা
উত্তর : কারো পকেট বা অন্য কোন স্থান থেকে অজ্ঞাতসারে টাকা নেওয়া গুনাহের কাজ এবং চুরি হিসাবে গণ্য হবে। এক্ষণে অনুতপ্ত হয়ে সরাসরি টাকাগুলো ফেরত দিতে পারলে ভালো হয়। আর সরাসরি ফেরত দেওয়া সম্ভব না হ’লে অনুতপ্ত হৃদয়ে যেকোন মাধ্যমে টাকাগুলো তার নিকট পৌঁ
উত্তর : প্রথমত পিতা অজ্ঞাতসারে কোন পাপে লিপ্ত থাকা অবস্থায় মারা গেলে তার নাজাতের আশা করা যায়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আর তোমরা কোন ভুল করলে তাতে তোমাদের কোন অপরাধ নেই। কিন্তু তোমাদের অন্তরে দৃঢ় সংকল্প থাকলে অপরাধ হবে। বস্ত্তত আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম
উত্তর : এক বৈঠকে তিন তালাক এক তালাক হিসাবে গণ্য হয় (মুসলিম হা/১৪৭২)। কাজেই কেউ তার স্ত্রীকে এক বৈঠকে তিন তালাক দিলে সে স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে পারে। ইদ্দতের (তিন তোহরের) মধ্যে হ’লে স্বামী সরাসরি স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেবে। ইদ্দত পার হয়ে গেলে উভয়ের স
উত্তর : প্রথমত বসবাস বা ফসল ফলানোর উদ্দেশ্যে জমির মালিকের নিকট জমাকৃত টাকা জমির বিনিময় হিসাবে প্রদান করায় উক্ত পরিশোধিত টাকা যাকাতের হিসাবের মধ্যে গণ্য হবে না। বরং বর্তমানে নিজ মালিকানায় থাকা টাকা নিছাব পরিমাণ হ’লে এবং এক বছর অতিক্রান্ত হ’লে তাত
উত্তর : কেউ কোন অর্থ-সম্পদ কারো নিকট আমানত রাখলে তা মালিকের অনুমতি ব্যতীত বিনিয়োগ করা বা ব্যবসা করা বা খরচ করা জায়েয নয়। অতএব ভাই প্রদত্ত অর্থ আমানত হিসাবে জমা রাখতে হবে। আর ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করতে চাইলে ভাইয়ের অনুমতি নিতে হবে (ইবনু তায়মিয়াহ,
উত্তর : অজ্ঞতার কারণে কেউ কোন শিরক করে থাকলে তার ভুল স্বীকার করা এবং অনুতপ্ত হওয়া এবং সে পাপ না করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করাই যথেষ্ট। আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমরা কোন ভুল করলে তাতে তোমাদের কোন অপরাধ নেই। কিন্তু তোমাদের অন্তরে দৃঢ় সংকল্প থাকলে অপরাধ হবে। বস্
উত্তর : একাকী ছালাত আদায়কালেও মুছল্লী সূৎরা ব্যবহার করবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তোমাদের কেউ যখন কোন কিছু দিয়ে লোকেদের আড়াল করে ছালাত আদায় করে; এমতাবস্থায় যদি কেউ তার সামনে দিয়ে অতিক্রম করতে চায় সে যেন তাকে ধাক্কা দিয়ে ফিরিয়ে দেয়। যদি সে বিরত হ
উত্তর : তওবার পাশপাশি কাফফারা আদায় করতে হবে। একাধিকবার কসম ভঙ্গের জন্য অনুতপ্ত হয়ে একবার কাফফারা আদায় করলেই যথেষ্ট হবে ইনশাআল্লাহ (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৪/১৪৫)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, পরে অন্যটিকে তা থেকে উত্তম মন
উত্তর : আল্লাহ বলেন, ‘দুর্ভোগ ঐসব লোকদের জন্য, যারা সম্মুখে ও পশ্চাতে পরনিন্দা করে’ (হুমাযাহ ১)। হুযায়ফা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘গীবতকারী বা চোগলখোর ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না’ (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/৪৮২৩)। এতদ্ব্যতীত অ
উত্তর : কারো প্রশ্নের কারণে নিজের অবস্থান তুলে ধরলে সেটা রিয়া হিসাবে গণ্য হবে না। বরং নিজেকে যাহির করার জন্য স্বেচ্ছায় কেউ নিজের আমলের কথা প্রকাশ করলে সেটা রিয়া হিসাবে গণ্য হবে। অন্যদিকে একটি পাপ ঢাকার জন্য অন্য একটি বড় পাপ করা যাবে না। আর কোন ক
উত্তর : প্রতিনিয়ত আল্লাহর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করা মুমিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের ক্ষমা প্রার্থনা কর। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর অজস্র বৃষ্টিধারা ছেড়ে দিবেন। তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্
উত্তর : যেহেতু তারা উভয়ে এক মায়ের ও এক পিতার সন্তান নয়, সেহেতু তারা পরস্পরের মাহরাম নয়। অতএব তাদের বিবাহ বৈধ হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘এদের ব্যতীত তোমাদের জন্য সকল নারী হালাল করা হয়েছে এই শর্তে যে, তোমরা তাদেরকে মালের বিনিময়ে কামনা করবে বিবাহের উদ্দে
উত্তর : সাধারণভাবে পুরুষরা পুরুষ শিক্ষকের নিকট কুরআন শিখবে। আর মেয়েরা ছেলে কিংবা মেয়ে উভয় শিক্ষকের নিকট কুরআন শিখতে পারে। তবে প্রয়োজনে নারীদের কাছেও পুরুষরা শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। সর্বক্ষেত্রে মৌলিক বিবেচ্য হ’ল শারঈ পর্দার সীমারেখা বজায় রাখা। প
উত্তর : এক্ষেত্রে গোসল আবশ্যক হওয়ার বিষয়টি অধিক শক্তিশালী দলীল দ্বারা প্রমাণিত। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আর তাদের নিকটবর্তী হয়ো না পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত (বাক্বারাহ ২/২২২)। অত্র আয়াতের পবিত্রতা বলতে গোসলকে বুঝানো হয়েছে (মুছান্নাফ আব্দুর রায
উত্তর : স্ত্রীকে তালাক দেওয়া আবশ্যক নয়। বরং আবশ্যক হচ্ছে স্ত্রীকে সর্বদা নছীহত করা। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা নারীদের জন্য মঙ্গলকামী হও। কারণ নারীকে পাঁজরের (বাঁকা) হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর পাঁজরের হাড়ের সবচেয়ে বেশী বাঁকা হ’ল তার উপরের
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটির সনদ ‘হাসান’ (মাজমা‘উয যাওয়ায়েদ হা/১৭৫৯৮; ছহীহুল জামে‘ হা/৬০২৬)। অতএব আমাদের প্রত্যেকের উচিত অপর মুসলিম ভাইয়ের জন্য মাগফিরাতের দো‘আ করা। আব্দুল্লাহ ইবনু সারজিস বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে দেখেছি এবং তাঁর
উত্তর : মতপার্থক্য থাকলেও এরূপ ব্যক্তির জানাযার ছালাতে অংশগ্রহণ করা জায়েয (ইবনুল ক্বাইয়িম, আছ-ছালাত ওয়া আহকামু তারিকিহা পৃ. ৩১)। কারণ সে আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাসী বলে অনুমিত হয়। এরূপ ছালাত ত্যাগকারী কবীরা গুনাহগার। এজন্য তাকে জাহান্নামে যে
উত্তর : যাবে। সফরে থাকা অবস্থায় মুসাফির ছালাত জমা‘ ও কছর করতে পারবে যদিও বাড়ি গিয়ে এশার ছালাতের ওয়াক্ত থাকবে বলে মনে হয় (নববী, আল-মাজমূ‘ ৪/১৮০; ইবনু কুদামাহ, মুগনী ২/২০৭; ফৎওয়া লাজনা দায়েমাহ ৮/১৫২)। তবে কেউ যদি ওয়াক্তের মধ্যে বাড়িতে এসে পূর
উত্তর : তাহাজ্জুদের ছালাত আদায়ের মুস্তাহাব সময় হ’ল রাতের শেষাংশ (আবুদাউদ হা/১২৭৭, সনদ ছহীহ)। কারণ এসময় আল্লাহ তা‘আলা বান্দাদের আহবান শোনার জন্য প্রথম আকাশে অবতরণ করেন (বুখারী হা/১১৪৫)। তবে কেউ মধ্যরাতে আদায় করতে চাইলে আদায় করা যাবে। বর
উত্তর : ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যে কোন ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত স্থানে যাওয়া বৈধ। কারণ আল্লাহ বলেন, ‘বলে দাও! তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর। অতঃপর দেখ মিথ্যারোপকারীদের পরিণতি কেমন হয়েছে’ (আন‘আম ৬/১১)। তিনি আরো বলেন, ‘তুমি বল, তোমরা পৃথিবীতে
উত্তর : দৈনন্দিন আমল হিসাবে উক্ত সূরাগুলো পাঠের পূর্বেও বিসমিল্লাহ পাঠ করা মুস্তাহাব। কারণ আনাস (রাঃ) বলেন, একদা রাসূল (ছাঃ) মুচকি হাসি দিলে এর কারণ জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি বললেন, এই মাত্র আমার উপর একটি সূরা অবতীর্ণ হয়েছে। অতঃপর তিনি ‘বিসমিল্লাহ
উত্তর : একাধিক হাদীছ প্রমাণ বহন করে যে শেষ যামানায় কুরআনের বাণী তুলে নেওয়া হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ইসলাম পুরাতন হয়ে যাবে, যেমন কাপড়ের কারুকার্য পুরাতন হয়ে যায়। এমনকি অবস্থা এমন হবে যে, জানবে না, ছিয়াম কি? ছালাত কি? কুরবানী কি, যাকাত কি?। এক রাতে
উত্তর : যাবে ইনশাআল্লাহ। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম বিশেষ সূরার বিশেষ মর্যাদার কারণে সেটি বেশী বেশী তেলাওয়াত করতেন। যেমন আবুবকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তো বৃদ্ধ হয়ে গেলেন। তিনি জবাবে বলেন, সূরা হূদ, ওয়াকি‘আহ, মুরসালাত, আ
উত্তর : সাত দিনে কেউ কুরআন খতম করতে চাইলে ছাহাবায়ে কেরামের পথ অনুসরণ করা মুস্তাহাব। তারা সাত দিনে কুরআন খতম করতে চাইলে প্রথম দিনে প্রথম তিনটি সূরা, দ্বিতীয় দিনে পরের পাঁচটি সূরা, তৃতীয় দিনে পরের সাতটি সূরা, চতুর্থ দিনে পরের নয়টি সূরা, পঞ্চম দিনে
উত্তর : কুরআনের কোন বাণীর ক্ষেত্রে কুরআনে এমনটি বলা হয়েছে বা কুরআন বলেছে এমন বাক্য ব্যবহার করা যাবে। কেননা এর মূল অর্থ এই যে, কুরআনে আল্লাহ বর্ণনা করেছেন। ইবনু তায়মিয়াহ, ইবনুল ক্বাইয়িম, সাইয়েদ রশীদ রেযা, আলবানী, ওছায়মীন প্রমুখ সালাফগণ থেকে এরূপ
উত্তর: কুরআন ভুলে যাওয়া মন্দ কাজ। বিশেষতঃ অলসতা বশতঃ এরূপ হলে তা আরো নিন্দনীয়। ইবনু সীরীন বলেন, কেউ কুরআন ভুলে গেলে লোকেরা তাকে কঠিন ভাষায় ভৎর্সনা করত’ (ইবনু হাজার, ফাৎহুল বারী হা/৫০৩৮-এর আলোচনা, সনদ ছহীহ)। অলসতাবশতঃ কুরআন ভুলে গেলে গুনাহগা
উত্তর : এরূপ আদেশও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন হিসাবে গণ্য হবে। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘সেই ব্যক্তি সম্পর্ক রক্ষাকারী নয়, যে সম্পর্ক বজায় রাখার বিনিময়ে সম্পর্ক রক্ষা করে। বরং প্রকৃত সম্পর্ক রক্ষাকারী হ’ল সেই ব্যক্তি, যে কেউ তার সাথে সম্পর্ক ছি
উত্তর : নাপিতের পেশা থেকে উপার্জিত সম্পদ হালাল। তবে দাড়ি কাটার মত পাপ কাজে সহযোগিতার জন্য গোনাহ হবে। এক্ষণে হজ্জ একটি দৈহিক ইবাদত। এই ইবাদত পালনে অর্থ ব্যয় মূল ইবাদত নয় বরং সহায়ক। সেজন্য নাপিতের পেশা থেকে উপার্জিত অর্থ থেকে হজ্জ করে থাকলে হজ্জের
উত্তর : কুরআনের আয়াত সম্বলিত নোটপত্র হাতে নিয়ে টয়লেটে প্রবেশ করা নিষেধ। কারণ এতে কুরআনের চরম অসম্মান হয়। তবে কারো পকেটের ভিতর বা ব্যাগের ভিতরে থাকলে তাতে দোষ নেই (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ১/১২৩; ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১১/১০৯)।প্রশ্নকারী :
উত্তর : ওযূতে পায়ের গোড়ালী বা দুই টাখনু ধৌত করা ফরয। আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! যখন তোমরা ছালাতে দন্ডায়মান হবে, তখন তোমাদের মুখমন্ডল ও হস্তদ্বয় কনুই সমেত ধৌত কর এবং মাথা মাসাহ কর ও পদযুগল টাখনু সমেত ধৌত কর’ (মায়েদাহ ৫/৬)। আব্দুল্লাহ ইবনু ও
উত্তর : এটা খোলা‘ হিসাবে গণ্য হবে এবং বিবাহ বিচ্ছিন্ন হবে। উক্ত নারী এক ঋতু ইদ্দত পালন শেষে শারঈ পদ্ধতিতে অন্যত্র বিয়ে করতে পারে। কারণ স্বামী তালাক দিতে টাল-বাহানা করলে স্ত্রী জনপ্রতিনিধি বা আদালতের মাধ্যমে স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন হ’তে পারে। উল্লে
উত্তর : সূরা কাফিরূন গুরুত্বপূর্ণ একটি সূরা। রাসূল (ছাঃ) এই সূরাটি বিভিন্ন ছালাতে পাঠ করতেন। যেমন বিতর ছালাতের দ্বিতীয় রাক‘আতে, ফজর ছালাতের প্রথম রাক‘আতে এবং তাওয়াফের প্রথম রাক‘আতে (মুসলিম হা/৭২৬, ১২১৮; তিরমিযী হা/৪৬২)। এছাড়া তিনি এই সূরাটি
উত্তর : উক্ত কর্ম তা‘বীয হিসাবেই গণ্য হবে। রাসূলুল্লাহ কোন কিছু ঝুলাতে নিষেধ করেছেন। কারণ ঝুলন্ত বা লটকানো বস্ত্তর প্রতি নির্ভর করা স্পষ্ট শিরক। তা‘বীয থাকার কারণে রাসূল (ছাঃ) এক ছাহাবীর বায়‘আত নেননি। তা কেটে ফেলে দেয়া হ’লে তিনি তার বায়‘আত গ্রহণ
উত্তর : ওযূ ও গোসলে ব্যবহৃত পানি পবিত্র। কেউ চাইলে সে পানি দ্বারা ওযূ বা গোসল করতে পারে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূউল ফাতাওয়া ২১/২৬)। পানিতে যতক্ষণ না অপবিত্র হওয়ার তিনটি আলামতের একটি পাওয়া যাবে ততক্ষণ পানি পবিত্র হিসাবে গণ্য হবে। আর তিনটি আলামত
উত্তর : উভয়টিই সঠিক। জানাযার ছালাতান্তে ডান দিকে এক সালাম ও দুই দিকে সালাম উভয়ই জায়েয। এই মর্মে একাধিক ছহীহ হাদীছ, ছাহাবায়ে কেরামের বক্তব্য ও সালাফগণের আমল রয়েছে (দারাকুৎনী হা/১৮৩৯; বায়হাক্বী, সুনানুল কুবরা ৬৯৮২; ও ১৮৬৪; আলবানী, আহকামুল জান
উত্তর : এরূপ ধারণা সঠিক নয়। তবে সর্বদা মৃত্যুর জন্য প্রস্ত্তত থাকতে হবে। নিয়মিত নেক আমল করার মাধ্যমে সর্বদা নিজেকে প্রস্ত্তত রাখতে হবে। হ’তে পারে উক্ত স্বপ্নের মাধ্যমে মৃত্যুর জন্য প্রস্ত্ততি নেওয়ার আহবান জানানো হয়েছে। যেমন ইবনু ওমর (রাঃ) মৃত্যু
উত্তর : লেপ, বালিশ, তোষক বা এজাতীয় কাপড়ে পেশাব লেগে তা রোদ-বাতাসে শুকানোর পরে কোন গন্ধ না থাকলে তা ব্যবহারে দোষ নেই। তবে সেখানে ছালাত আদায় করতে চাইলে তার উপর পবিত্র কাপড় বা মুছাল্লা বিছিয়ে ছালাত আদায় করবে। সর্বোপরি যে কাপড়গুলো ধোয়া সম্ভব সেগুলো
উত্তর : পেশাবের চাপ যদি এমন পর্যায়ের হয় যা ছালাতের একাগ্রতা ও খুশূ‘ খুযূ‘ বিনষ্ট করতে পারে তাহ’লে সে চাপ নিয়ে ছালাত আদায় করা যাবে না এবং পেশাব আটকিয়ে রাখাও যাবে না। কারণ এটি যেমন শরী‘আত নিষিদ্ধ কাজ তেমনি এর কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিও রয়েছে। আর চাপ চ
উত্তর: হাদীছটির সনদ জাল (যঈফুত তারগীব ওয়াত তারহীব হা/৮৭৪)।প্রশ্নকারী : খালিদ, ঢাকা।
উত্তর : এভাবে ব্যবসা করা জায়েয হবে ইনশাআল্লাহ। কারণ নি©র্র্দষ্ট সময়ের জন্য জায়গা বা গাড়ি ভাড়া নেওয়া ও তাতে ব্যবসা করার মধ্যে কোন অস্পষ্টতা, ধোঁকা, প্রতারণা বা পণ্যের অনুপস্থিতি কিছুই নেই (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৫/৮; ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৮/
উত্তর : মসজিদে গিয়ে জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করার চেষ্টা করবে। কেননা জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করা ওয়াজিব। কেউ যদি আযান শোনার পরেও ওযর ছাড়া বাড়িতে ছালাত আদায় করে, তাহ’লে সে গুনাহগার হবে (নাসাঈ হা/৮৫০; ছহীহুত তারগীব হা/৪২৯)। এমনকি রাসূল (ছা
উত্তর : আল্লাহর সৃষ্টিজীব হিসাবে পশু-পাখির জন্যও দো‘আ করা যায় এবং তাদের চিকিৎসায়ও ঝাঁড়-ফুঁক করা যায়। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) পশু-পাখির চিকিৎসা করতেন সে সকল দো‘আ পাঠ করে যে দো‘আসমূহ মানুষের চিকিৎসার জন্য পাঠ করতেন (মুছান্নাফে ইবনু আবী শা
উত্তর : সকল ভাষা আল্লাহর সৃষ্টি হ’লেও আরবী আল্লাহর বিশেষভাবে নির্বাচিত ভাষা। এই ভাষায় তিনি কুরআন নাযিল করেছেন এবং এই কুরআনকে বিশ্ববাসীর হেদায়াতের বাহক হিসাবে নির্ধারণ করেছেন। তাছাড়া পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ মুহাম্মাদ (ছাঃ)ও আরবী ভাষী ছিলেন। আল্লাহ
উত্তর : অভাবী আত্মীয়কে সহযোগিতা করা অধিক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তার আত্মীয়ের প্রয়োজনীয়তা মসজিদে দান করা অপেক্ষা গুরুত্ববহ। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘লোকেরা তোমাকে জিজ্ঞেস করছে, কিভাবে খরচ করবে? বলে দাও যে, ধন-সম্পদ হ’তে তোমরা যা ব্যয় করবে, তা তোমাদের পিত
উত্তর : জুম‘আর খুৎবার পূর্বে মসজিদে প্রচলিত খুৎবা-পূর্ব বয়ান বলে কিছু শরী‘আতে নেই। বরং এটিই নিষিদ্ধ। আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল ‘আছ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) জুম‘আর দিন ছালাতের পূর্বে বৃত্তাকারে বসতে (মজলিস করতে) এবং মসজিদে ক্রয়-বিক্রয়
উত্তর : উক্ত দাবী ভিত্তিহীন। কারণ ১. রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নির্দেশনা ছিল আম বা ব্যাপক অর্থে। এটিকে খাছ করতে হ’লে স্বতন্ত্র দলীল লাগবে, যা নেই। ২. এটা যে ইহূদীদের কবরের জন্য খাছ নয়, তার প্রমাণ হ’ল ছুমামাহ ইবনু শুফাই (রহঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, আম
উত্তর : এ বিষয়ে সরাসরি হাদীছ না থাকলেও একাধিক ছাহাবী ও তাবেঈর বক্তব্য রয়েছে (শু‘আবুল ঈমান হা/১১৭; ইবনু আবী শায়বাহ হা/৩৫২২৩, সনদ ছহীহ; ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূউল ফাতাওয়া ৫/৩৩৪)। কারণ এতে ঈমান অধিক বৃদ্ধি পায়। এজন্য আল্লাহ তাঁর সৃষ্টিজগত নিয়ে চিন
উত্তর : জামা‘আতে ছালাত আদায়কালে মুছল্লীদের পরস্পরে পায়ে পা মিলানো একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত। আনাস (রাঃ) বলেন, ‘আমাদের মধ্য থেকে একজন একে অপরের কাঁধে কাঁধ ও পায়ে পা মিলিয়ে দিতেন। আজকের দিনে তোমরা এরূপ করতে গেলে, তোমাদের কেউ কেউ অবশ্যই খরতাপে উদভ্
উত্তর : অজ্ঞতাবশত কোন মাহরামকে বিয়ে করে থাকলে জানার সঙ্গে সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। এ সময়ের মধ্যে কোন সন্তান জন্মগ্রহণ করলে সে সন্তান পিতার সাথে সম্পৃক্ত হবে এবং যাবতীয় মীরাছের বিধান তার জন্য প্রযোজ্য হবে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূঊল ফাতাও
উত্তর : গরম চা বা কফি ঠান্ডা করার উদ্দেশ্যে হ’লেও ফুঁ দেয়া ঠিক নয়। আব্দুল্লাহ ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) পাত্রে নিঃশ্বাস ফেলতে এবং তাতে ফুঁ দিতে নিষেধ করেছেন (তিরমিযী হা/১৮৮৮; মিশকাত হা/৪২৭৭, সনদ ছহীহ)। পানীয়তে ফুঁ দিলে তাতে নিঃশ্বা
উত্তর : উক্ত আলেম বাড়াবাড়ি করেছেন। তবে দো‘আয় কেবল আমীন বলাই যথেষ্ট। কারণ হাদীছে যত জায়গায় দো‘আ শেষে আমীন বলার কথা এসেছে কেবল আমীন শব্দটির ব্যবহার হয়েছে। আর অর্থগতভাবেই আমীন অর্থ ‘হে আল্লাহ তুমি কবুল কর’। সেজন্য আমীনের পূর্বে আল্লাহুম্মা বলা অতির
উত্তর : যেকোন গ্রামে বা শহরে প্রবেশের পূর্বে হাদীছে বর্ণিত দো‘আটি পাঠ করা মুস্তাহাব। নতুন গন্তব্য স্থলে পৌঁছে কিংবা কোন ক্ষতিকর বস্ত্ত থেকে বাঁচার জন্য পড়বে- أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ ‘আ‘ঊযু বিকালিমা-তিল্
উত্তর : স্বামী স্ত্রীকে দুই তোহরে দুই তালাক দিয়ে থাকলে স্বামী দুই তালাকের অধিকার হারিয়ে ফেলে। এখন এক তালাক দিয়ে দিলে সে আর স্ত্রীকে স্বাভাবিকভাবে ফিরিয়ে নিতে পারবে না (বাক্বারাহ ২/২২৯)। কিন্তু স্ত্রী খোলা‘ করে নিলে স্বামী আবার নতুন বিবাহের
উত্তর : কুরআন খতমের ক্ষেত্রে সূরাগুলোর ধারাবাহিকতা অবলম্বন করা মুস্তাহাব। কারণ রাসূল (ছাঃ) আল্লাহর পক্ষ থেকে অহী প্রাপ্ত হয়ে কুরআনের সূরাগুলো সাজানোর নির্দেশনা দিয়েছিলেন। হুযায়ফা ইবনু ইয়ামান (রাঃ) বলেন, আমি এক রাতে নবী করীম (ছাঃ)-এর সঙ্গে ছালাত
উত্তর : কুরআন তেলাওয়াত পরিত্যাগ করা যাবেনা। বাধ্যগত অবস্থায় কুরআন তেলাওয়াত না করতে পারলে গুনাহ হবে না। তবে কুরআন তেলাওয়াত একেবারেই ছেড়ে দিলে গুনাহ হবে। আল্লাহর বাণী- ‘সেদিন রাসূল বলবেন, হে আমার প্রতিপালক! নিশ্চয়ই আমার উম্মত এই কুরআনকে পরিত্যাজ্য
উত্তর : দীর্ঘ তেলাওয়াতে তারাবীহ ছালাত আদায় করা মুস্তাহাব। কারণ রাসূল (ছাঃ) যে তিন দিন তারাবীহ ছালাত আদায় করেছিলেন তাতে তিনি লম্বা তেলাওয়াত করেছিলেন।বরং একই রাক‘আতে তিনি সূরা বাক্বারাহ, আলে ইমরান ও নিসা পাঠ করেছিলেন (বুখারী হা/১১৪৭; মুসলিম হ
উত্তর : রামাযান মাসে অন্তত একবার কুরআন খতম করা মুস্তাহাব (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১১/৩৩১)। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, প্রতি বছর জিব্রীল (আঃ) নবী করীম (ছাঃ)-এর সঙ্গে একবার কুরআন মাজীদ শোনাতেন ও শুনতেন। কিন্তু যে বছর তাঁর ওফাত হয় সে বছর তিনি রাস
উত্তর : আযানের সময় আসমানের দরজা খুলে দেওয়া হয় এবং দো‘আ কবুল হয় (ছহীহাহ হা/১৪১৩)। অনুরূপভাবে একামতের সময় আসমানের দরজা খুলে দেওয়া হয় ও দো‘আ কবুল হয়, প্রত্যাখ্যান করা হয় না বলে হাদীছ বর্ণিত হয়েছে (ইবনু আবী শায়বাহ হা/২৯২৪৮, সনদ হাসান)। এজন
উত্তর: যাদের আমলনামায় নেকী ও পাপ সমান হবে তাদেরকে কুরআনের ভাষায় বলা হয়েছে ‘আ‘রাফবাসী’। আ‘রাফ জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যবর্তী একটি উঁচু স্থানের নাম। যা প্রাচীর স্বরূপ। যাদের নেকী সেই পরিমাণ হবে না যাতে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং গোনাহও সেই পরি
উত্তর : সর্বাবস্থায় কুরআন তথা আল্লাহর কালামকে সম্মান করতে হবে। কুরআনের প্রতি অসম্মান হয় এমন কোন কাজ করা যাবে না। তবে ভুলবশত কারো হাত থেকে কুরআন পড়ে গেলে কুরআনের ওযন পরিমাণ চাউল ছাদাকা করতে হবে এমন বক্তব্যের কোন ভিত্তি নেই। বরং এজন্য অনুতপ্ত হয়ে
উত্তর : টয়লেটের বাইরে কেউ কুরআন তেলাওয়াত করলে বা কোন ডিভাইসে বাইরে তেলাওয়াত চালানো থাকলে টয়লেটে প্রবেশ করে কুরআন শ্রবণ করলে তা দোষণীয় নয়। কারণ টয়লেটে কুরআন তেলাওয়াত করতে নিষেধ করা হ’লেও শুনতে নিষেধ করা হয়নি। উল্লেখ্য যে, কোন কোন সালাফ গোসলখানা ব
উত্তর : কুরআন বুকে নিয়ে ঘুমানো ঠিক হবে না। কারণ এতে কুরআনের প্রতি অসম্মান হয়ে যায়। যেমন কুরআন বুক থেকে পড়ে বিছানার নীচে বা শরীরের নীচে পড়ে যেতে পারে। যা কুরআনের জন্য অসম্মানজনক (ছালেহ আল-ফাওযান, আল-মুন্তাকা ৯/৪০)। বরং জিন-শয়তানের কুপ্রভাব থ
উত্তর : অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশুদের জন্য মুছহাফ স্পর্শ করা বা স্পর্শ করে তেলাওয়াত করার জন্য ওযূ শর্ত নয়। কারণ তারা শরী‘আতের বিধান পালনের জন্য আদিষ্ট নয়। আর রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তিন ব্যক্তি (ক্বিয়ামত দিবসে) দায়মুক্ত। ঘুমন্ত ব্যক্তি জেগে না ওঠা পর্য
উত্তর : কুরআন তেলাওয়াতের জন্য হিজাব শর্ত নয়। তবে কুরআনের আদব রক্ষার্থে উত্তম ও তাক্বওয়ার পোষাক পরিধান করা মুস্তাহাব (ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১/৪২০; আল- ফাতাওয়াল জামে‘আ লিল মারআতিল মুসলিমাহ ১/২৪৯)।প্রশ্নকারী : আব্দুস সাত্তার, ময়মনসিংহ।&
উত্তর : শুক্রবারে সূরা কাহফ পড়ার বিশেষ ফযীলত রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য দিনে এর প্রথম দশ আয়াত বা শেষ দশ আয়াত মুখস্থ ও পাঠ করার বিশেষ ফযীলত বর্ণিত হয়েছে। যেমন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুম‘আর দিন সূরা কাহ্ফ তেলাওয়াত করবে, তার ঈমানী জ্যোতি এক
উত্তর : অসুস্থতা বা সফরের কারণে ছুটে যাওয়া ছিয়ামসমূহ পরবর্তীতে আদায় করতে হবে (বাক্বারাহ ২/১৮৪; বুখারী হা/৩২১; মুসলিম হা/৩৩৫; মিশকাত হা/২০৩২)। উক্ত ছিয়ামগুলি শাওয়াল মাসের ছয়টি ছিয়াম আদায় করার পরেও করতে পারে (বুখারী হা/১৯৫০; মুসলিম হা/১১
উত্তর : অমুসলিমদের প্রদত্ত ইফতার খাওয়া জায়েয। রাসূল (ছাঃ) অমুসলিমদের দাওয়াত খেয়েছেন এবং তাদের উপহার গ্রহণ করেছেন (বুখারী হা/২৬১৫-১৮, ‘মুশরিকদের নিকট থেকে হাদিয়া গ্রহণ’ অনুচ্ছেদ, আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৫৯৩১)। তবে তাদের যবহ কৃত পশুর গোশত খাওয়া যা
উত্তর : উক্ত বক্তব্য ভিত্তিহীন। তবে রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, কোন (মুসলিম) ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে একদিন (নফল) ছিয়াম পালন করলে এবং এটিই তার জীবনের শেষ আমল হ’লে (অর্থাৎ এ আমলের পর মৃত্যুবরণ করলে) সে জান্নাতে প্রবেশ করবে (আহমাদ হা
উত্তর : এরূপ চুক্তি শরী‘আতসম্মত নয়। কারণ ব্যবসায় লাভ-লোকসানের ভিত্তিতে ব্যবসায়িক চুক্তি হয়। কেবল লভ্যাংশের ভিত্তিতে নয়। তবে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্ধারিত মূল্যে অগ্রিম রড ক্রয় করে থাকলে তা জায়েয হবে। যাকে শরী‘আতে বাই‘য়ে সালাম বলা হয় (ইবনু
উত্তর : স্ত্রীকে রাজঈ তালাক দেওয়ার পর ইদ্দতের মধ্যে ফিরিয়ে নিতে চাইলে সহবাস শর্ত নয়। বরং এজন্য স্বামী ইচ্ছা এবং স্ত্রীকে অবহিত করাই যথেষ্ট। আল্লাহ বলেন, ‘যখন তারা তাদের ইদ্দতের শেষ সীমায় পৌঁছে যায়, তখন তোমরা তাদেরকে সুন্দরভাবে রেখে দাও, অথবা সুন
প্রশ্নকারী : আব্দুল আহাদ, বগুড়া।উত্তর : আল্লাহভীরু মুসলিম বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত জরায়ু কেটে ফেলা যাবে না। তবে জীবনের জন্য বড় ঝুঁকি থাকলে এবং জীবন রক্ষার্থে একাধিক মুসলিম চিকিৎসক জরায়ু কেটে ফেলার পরামর্শ দিলে কেটে ফেলতে পারে
উত্তর : মূল জামা‘আতে ছালাত আদায় করার চেষ্টা করবে। কারণ আল্লাহ বলেন, নিশ্চয় ছালাত মুমিনদের উপর নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্ধারিত (নিসা ৩/১০৩)। তবে নিয়মিত রাতে দায়িত্ব থাকলে বা কর্তৃপক্ষ সুযোগ না দিলে উক্ত সময় জামা‘আত করে বা একাকী ছালাত আদায় করত
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটির সনদে বিচ্ছিন্নতা থাকায় তা যঈফ (আল-মুসনাদু লিশ শাশী হা/৯২২)। মুসনাদে আহমাদেও অনুরূপ বর্ণনা এসেছে, তাও যঈফ (আহমাদ হা/৩৮২৪)। অবশ্য কতিপয় বিদ্বান একাধিক সনদে হাদীছটি বর্ণিত হওয়ায় এর সনদকে হাসান পর্যায়ের ব
উত্তর : শরী‘আতের কিছু বিধান রহিত হওয়া বা পরিবর্তন হওয়া কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আমরা কোন আয়াত রহিত করলে কিংবা তা ভুলিয়ে দিলে তদপেক্ষা উত্তম অথবা তদনুরূপ আয়াত আনয়ন করি। তুমি কি জানো না যে, আল্লাহ সকল কিছুর উপরে ক্
উত্তর : বিবাহের পূর্বে যতই শর্ত করে থাক না কেন, কোন তালাক হবে না। কারণ তালাকের পূর্ব শর্ত হচ্ছে স্ত্রী স্বামীর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ থাকা (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৭/৩৪৬)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, বিয়ের পূর্বে তালাক নেই (ইবনু মাজাহ হা/২০৪৮; মিশ
উত্তর : মূল অর্থ দিয়ে হজ্জ-ওমরাসহ যেকোন আর্থিক ইবাদত পালন করতে পারবে (আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ ঊমরানী, আল মানফা‘আতু ফিল কারযি পৃ. ২৪৫-২৫৪)। তবে লভ্যাংশ অবশ্যই গ্রহণ করা যাবে না; বরং তা ছওয়াবের আশা ব্যতীত জনকল্যাণমূলক খাতে ব্যয় করবে।প্রশ্নকা
উত্তর : এক্ষেত্রে মূলনীতি হ’ল যে প্রাণীর গোশত হালাল সে প্রাণীর বিষ্ঠা কাপড়ে লাগলে কাপড় অপবিত্র হবে না। কাপড়ে বিষ্ঠা লাগা অবস্থায় ছালাত আদায় করলেও ছালাত হয়ে যাবে। তবে ছালাতের পূর্বে দৃষ্টিগোচর হ’লে ধুয়ে ফেলবে বা মুছে ফেলবে। আর যে সকল প্রাণীর গোশত
উত্তর : প্রাপ্ত বয়স্ক ভাই-বোন ও মা-ছেলে এক বিছানায় শুতে পারবে না। এমনকি একই ঘরে একাকী বোন বা মায়ের সাথে আলাদা বিছানায় ঘুমানো যাবে না। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যখন তোমাদের সন্তানদের বয়স সাত বছর হবে তখন তোমরা তাদেরকে ছালাতের আদেশ দাও। আর যখন
উত্তর : শারীরিক অক্ষমতার বিষয়টি চিকিৎসার মাধ্যমে প্রমাণিত হ’লে বিবাহ করা জায়েয হবে না। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কেবল শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের বিবাহের নির্দেশনা দিয়েছেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘হে যুবকেরা! তোমাদের মধ্যে যার বিবাহ করার
উত্তর : প্যান পরিষ্কার থাকলে তার উপর দাঁড়িয়ে ওযূ করতে পারে। কারণ সাধারণত বর্তমান সময়ে নির্মিত টয়লেটগুলোকে পরিষ্কার ও পবিত্র রেখে তাতে ওযূ করায় কোন সমস্যা হয় না (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৫/৮৫; ৫/২৩৮; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১২/৩৬৯)।প্রশ্নকারী&n
উত্তর : ইসলামী শরী‘আতে এ বিষয়ে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে শী‘আ ও হিন্দুদের বিভিন্ন বইপত্রে এ সংক্রান্ত কিছু বর্ণনা পাওয়া যায়। হিন্দু শাস্ত্রে সূর্য বা চন্দ্রগ্রহণকালে বিভিন্ন আচরণবিধি এবং নিষেধাজ্ঞার উল্লেখ আছে। যেমন বলা হয়েছে, ‘সূর্য গ্রহণের সময় য
উত্তর : নিষিদ্ধ সময় কা‘বা ঘর বা যে কোন মসজিদের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। এসময়ে কোন নফল ছালাত আদায় করা যাবে না। তবে তাহিইয়াতুল মসজিদ বা ক্বাযা ছালাত আদায় করতে পারে। কারণ এই ছালাতগুলোর কোন নির্দিষ্ট সময় নেই (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ২/৯০)। অন্যদিকে
প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, রাজশাহী।উত্তর : এমতাবস্থায় সদাচরণে অভ্যস্ত হওয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। আর হাদীছে বর্ণিত দো‘আসমূহ পাঠ করা যেতে পারে- (১) اللَّهُمَّ اهْدِنِي لِأَحْسَنِ الْأَعْمَالِ وَأَحْسَنِ الْأَخْلَاقِ
উত্তর : কাফেরদের কবরস্থানে মুসলমানদের দাফন করা যাবে না। অনুরূপ মুসলমানদের কবরস্থানে কাফেরদের দাফন করা যাবে না (নববী, আল-মাজমূ‘ ৫/২৮৫; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ২১/১৯; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৮/৪৫৩)। বাশীর ইবনু খাছাছিয়াহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি
উত্তর : উক্ত হাদীছ ছহীহ। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, আমার উম্মতের বয়স ষাট হ’তে সত্তর বছরের মাঝামাঝি এবং এমন লোকের সংখ্যা কম হবে যারা তা অতিক্রম করবে’ (তিরমিযী হা/২৩৩১, ৩৫৫০; মিশকাত হা/৫২৮০; ছহীহাহ হা/৭৫৭)। উম্মতে মুহাম্মাদীর ষাট থেকে সত্তর বছরে
উত্তর : শ্রম বা কর্মের বিনিময়ে মজুরী গ্রহণ করা জায়েয। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় পাস করুক বা না করুক। তবে শিক্ষক পাঠদানে অবহেলা করে থাকলে তাকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, সাবধান! তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল, আর (পরকালে) নিজ নিজ
উত্তর : নারী সর্বদা মুখমন্ডল ঢেকে বাইরে বের হবে। কারণ গায়ের মাহরাম পুরুষের সামনে মুখমন্ডল খোলা ফিৎনা সৃষ্টিকারী। আর পরিচয় যাচাইয়ের জন্য এনআইডি বা অন্যান্য বিজ্ঞানসম্মত ডিভাইস বা পদ্ধতি অবলম্বন করা যেতে পারে। আয়েশা (রাঃ) বলেন, পূর্বের মুহাজির মহি
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ঘুম থেকে উঠে সূরা আলে ইমরানের শেষ দশ আয়াত তেলাওয়াত করেছেন, অতঃপর ওযূ করে তাহাজ্জুদের ছালাত আদায় করেছেন। যেমন ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, আমি একদা নবী করীম (ছাঃ)-এর সহধর্মিণী ও আমার খালা মায়মূনা (রাঃ)-এর নিকট রাত্রি যাপন করলা
উত্তর : শারঈ ওযর ব্যতীত স্ত্রী স্বামীর নিকট তালাক চাইতে পারে না। কোন কারণ ছাড়াই যদি কেউ স্বামীর কাছে তালাক চায়, তাহ’লে সে জান্নাতের সুগন্ধিও পাবে না (আবূদাঊদ হা/২২২৬; মিশকাত হা/৩২৭৯; ছহীহুত তারগীব হা/২০১৮)। অন্য বর্ণনায় বিনা কারণে তালাকপ্রা
উত্তর: সর্বাবস্থায় ভাষা শালীন হওয়া আবশ্যক। ভাষা সুন্দর করেও কাজ করিয়ে নেওয়া যায়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ কদর্য ও অশ্লীলতা পসন্দ করেন না (আহমাদ হা/৫১৭৬; ছহীহাহ হা/২৭২১)। তিনি আরো বলেন, ‘মুমিন খোঁটাদানকারী, অভিশাপকারী, অশা
উত্তর : দৈহিক ও আর্থিক সামর্থ্য থাকলে বিয়ে করা যরূরী। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, তোমাদের মধ্যে যার বিয়ে করার সামর্থ্য আছে, সে যেন বিয়ে করে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৩০৮০ ‘বিবাহ’ অধ্যায়)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বৈরাগ্য জীবন যাপন করতে নিষেধ করেছেন
উত্তর : দুনিয়ার জীবনের ন্যায় জান্নাতেও সম্পর্ক থাকবে। কোন জান্নাতী ব্যক্তির একাধিক স্ত্রী জান্নাতী হ’লে সবাই উক্ত স্বামীর স্ত্রী হিসাবে জান্নাতে থাকবে এবং স্বামী হূরের অধিকারী হ’লেও দুনিয়ার স্ত্রীই তাদের নেত্রী হবে। পক্ষান্তরে একাধিক স্বামীর অধি
উত্তর : হাদীছে বর্ণিত কুনূতের দো‘আটি পাঠ করার পর কুরআন ও হাদীছে বর্ণিত যেকোন দো‘আ পাঠ করা জায়েয। কারণ স্থানটি দো‘আ করার। এসময় ব্যক্তির যেকোন প্রার্থনাকে দো‘আর সাথে যোগ করতে পারে। তাছাড়া মুসলমানদের সাফল্য চেয়ে ও কাফেরদের হেদায়াত প্রার্থনা কিংবা ধ
উত্তর : জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করা সাবালক পুরুষের জন্য ওয়াজিব। প্রত্যেক মুসলিমের উচিৎ প্রতি ওয়াক্ত ছালাত জামা‘আতের সাথে মসজিদে আদায় করা। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি আযান শুনল, অথচ জামা‘আতে এলো না, তার ছালাত হ’ল না। তবে বিশেষ ওযর ব্যতীত’ 
উত্তর : পৃথিবী ব্যতীত অন্যান্য জগতের বিষয়টি গায়েবী বিষয়। কুরআন ও সুন্নাহে আকাশ এবং যমীনে বসবাসরত প্রাণীর কথা বলা হয়েছে। তবে প্রাণী দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে জিন, মানুষ ও ফেরেশতা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, তাঁর নিদর্শন সমূহের অন্যতম হ’ল নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল
উত্তর : ছাহাবী হওয়ার জন্য তিনটি শর্ত- (১) রাসূলুল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ হওয়া। (২) রাসূলের প্রতি ঈমান আনয়ন করা (মুসলমান হওয়া) এবং (৩) ঈমানের উপরে মৃত্যুবরণ করা। এক্ষণে রাসূল (ছা.)-এর সাথে ভারতের মালাবারের রাজা চেরুমন পেরুমলের সাক্ষাৎ হওয়ার বিষয়টি নির
উত্তর : এরূপ করায় শরী‘আতে কোন বাধা নেই। পিপাসা এবং গরমের কারণে নবী করীম (ছাঃ)-এর উপর একবার পানি ঢালা হয়েছিল (আবুদাঊদ হা/২৩৬৫)। তবে কোন অবস্থায় যেন পানি পেটের মধ্যে না যায়, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে (মাজমূ‘ ফাতাওয়া উছায়মীন ১৯/২১১)।প্র
উত্তর : তওবা করলে ক্ষমার আশা করা যায়। যখনই মনের মধ্যে আল্লাহ সম্পর্কে কোন খটকা তৈরি হবে তখনই কয়েকটি করণীয় রয়েছে। যেমন-(১) আমানতু বিল্লাহ (আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান আনলাম) বলবে (২) আঊযুবিল্লাহ পাঠ ও বাম দিকে তিন বার থুক মারবে। করবে (৩) সূরা ইখলাছ পা
উত্তর : চুরি থেকে রক্ষা পেতে হ’লে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে হবে এবং টাকা বা জিনিসপত্র রাখার সময় বা দরজা বা আলমারী বন্ধ করার সময় বিসমিল্লাহ বলতে হবে। কারণ বিসমিল্লাহ বলা হ’লে শয়তান সে দরজা বা প্রতিবন্ধক খুলতে পারে না (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজম
উত্তর : উক্ত আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘অতঃপর যদি সে স্ত্রীকে (তৃতীয়) তালাক দেয়, তাহ’লে সে যতক্ষণ তাকে ব্যতীত অন্য স্বামী গ্রহণ না করে, ততক্ষণ উক্ত স্ত্রী তার জন্য সিদ্ধ হবে না। অতঃপর যদি উক্ত স্বামী তাকে তালাক দেয়, তখন তাদের উভয়ের পুনরায় ফিরে আসায় কোন
উত্তর : তিলাওয়াতের জন্য সিজদা দেওয়া সুন্নাত। সুতরাং ইমাম সিজদা দিতে চাইলে তেলাওয়াত শেষেই সিজদায় চলে যাবে। সিজদা থেকে উঠে রুকূতে যাবে এবং ছালাত সম্পন্ন করবে। তবে এরূপ ক্ষেত্রে মুছল্লীদের অগ্রিম জানিয়ে রাখা ভালো। তাছাড়া ইমাম সিজদা থেকে উঠে অন্য সূ
উত্তর : যথাসময়ে ছালাত আদায় করা আবশ্যক। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘নিশ্চয় ছালাত মুমিনদের উপর নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্ধারিত’ (নিসা ৪/১০৩)। তবে দুগ্ধদানকারীণী মায়েরা পবিত্রতা অর্জনে বিলম্বের কারণে বা একাধিক সন্তান লালন-পালনের ক্ষেত্রে অতি ব্যস্ততার
উত্তর : প্রথমত হিকমত ও সুন্দর আচরণের মাধ্যমে মাসহ অন্যান্য সদস্যদের ইসলামী বিধানের দিকে দাওয়াত অব্যাহত রাখবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, তুমি মানুষকে তোমার প্রতিপালকের পথে আহবান কর প্রজ্ঞা ও সুন্দর উপদেশের মাধ্যমে এবং তাদের সাথে বিতর্ক কর সুন্দর পন্থায়
উত্তর : গোসলের পূর্বে ওযূ করলে এবং ওযূ ভঙ্গের কারণ না ঘটলে গোসলের পর আর ওযূ করতে হবে না। আর পূর্বে ওযূ না করলে গোসলের পরে ওযূ করতে হবে। কারণ ওযূ ব্যতীত ছালাত হবে না’ (আবূদাঊদ হা/৬১; শায়খ বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১০/১৭৫-৭৬; ওছায়মীন, আশ-শারহুল
উত্তর : যাবতীয় কল্যাণ বা অকল্যাণ সংঘটিত হয় আল্লাহর হুকুমে। এরূপ আক্বীদা পোষণ করে যাবতীয় হালাল চিকিৎসা বা প্রতিষেধক গ্রহণে শরী‘আতে কোন বাধা নেই (মাজমূ‘ ফাতাওয়া বিন বায ৪/৪২৭, ৬/২১)। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) রোগ বা ব্যাধির পূর্বে খেজুর খেয়ে তা
উত্তর : পিতার জীবদ্দশায় পিতাই হবেন মেয়ের অভিভাবক। নারী উপযুক্ত পাত্র খুঁজে নিতে পারে, কিন্তু বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হ’তে পিতার অভিভাবকত্ব যরূরী। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, ‘ওলী ছাড়া বিবাহ সিদ্ধ নয়’ (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৩১৩০, সনদ ছহীহ)। ত
উত্তর : স্কুল বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সূদ সংশ্লিষ্ট নয়। সেজন্য উক্ত প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করা যাবে। আর উক্ত স্কুলে চাকুরীরত ইমামের পিছনে ছালাত আদায় করাও জায়েয। তবে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করা থেকে বিরত থাকাই অধিক তাক্বওয়ার পরিচায়ক
উত্তর : অমুসলিমদের অনুকরণে এসব দিবস পালিত হয়। যা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। এগুলি স্রেফ জাহেলিয়াত এবং বিজাতীয় সংস্কৃতি মাত্র। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের সাদৃশ্য অবলম্বন করবে, সে ব্যক্তি (ক্বিয়ামতের দিন) তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে’
উত্তর : সম্পদ যেখান থেকেই উপার্জিত বা প্রাপ্ত হৌক নারীর সকল সন্তানই শারঈ পদ্ধতিতে মীরাছের অধিকারী হবে। আল্লাহ বলেন, আর তোমাদের স্ত্রীদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে তোমরা অর্ধেক পাবে, যদি তাদের কোন সন্তান না থাকে। যদি থাকে, তবে তোমরা সিকি পাবে, তাদের অ
উত্তর : স্বামীর দাদা বা নানা মহিলার জন্য মাহরাম। সুতরাং অন্যান্য মাহরামের সামনে যেমন শালীন পোষাকে যেতে পারে, তেমনি স্বামীর দাদা বা নানার সামনেও যেতে পারবে (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৩/১৫৪৯; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৭/৩৫৫)। আল্লাহ তা‘আল
উত্তর : মুছল্লীদের পায়ের সাথে পা ও কাঁধের সাথে কাঁধ মিলিয়ে কাতার সোজা করে দাঁড়ানো ছালাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ (বুখারী হা/৭২৩; মুসলিম হা/৪৩৩; মিশকাত হা/১০৮৭)। আনাস (রাঃ) বলেন, ‘আমাদের মধ্য থেকে একজন পরস্পরের কাঁধে কাঁধ ও পায়ে পা মিলিয়ে দি
উত্তর : কেবল বিবাহের উদ্দেশ্যে প্রস্তাবকারী ছেলে এবং মহিলা আত্মীয়-স্বজনরা প্রস্তাবিত মেয়েকে দেখতে পারে। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে বলল, আমি আনছারদের এক মেয়েকে বিবাহ করতে ইচ্ছুক। তিনি বললেন, তুমি তাকে প্রথমে দেখে না
উত্তর : মিলন ব্যতীত কেবল নির্জনবাস হওয়ার পর স্ত্রীকে তালাক দিলে তালাক কার্যকর হওয়ার ব্যাপারে বিদ্বানগণের মাঝে মতপার্থক্য রয়েছে। একদল বিদ্বান মনে করেন, তালাকে রাজঈ কার্যকর হবে এবং স্বামী তাকে ফিরিয়ে নিতে পারবে। আরেক দল বিদ্বান মনে করেন, তালাকে বা
উত্তর : যেকোন সময় ছালাত আদায়কালে মুখ বা মুখমন্ডল খোলা রাখবে। কারণ আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ছালাতরত অবস্থায় মুখমন্ডল ঢাকতে নিষেধ করেছেন (আবুদাউদ হা/৬৪৩; ইবনু মাজাহ হা/৯৬৬, সনদ ছহীহ)। তবে কারণবশত সাময়িকভাবে
উত্তর : বিশ্বস্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক জন্মদাত্রী মায়ের সামগ্রিক কল্যাণে স্থায়ী পদ্ধতি গ্রহণের নির্দেশনা দিলে তা গ্রহণে দোষ নেই। কারণ জীবিত ব্যক্তির জীবনের নিরাপত্তা ভবিষ্যতে অনাগত সন্তানের জীবনের চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আ
উত্তর : সঞ্চয়পত্র ক্রয় করা শরী‘আতসম্মত নয়। কারণ এটি সরাসরি সূদের সাথে সংশ্লিষ্ট। আর সূদ সর্বাবস্থায় হারাম। সূদের টাকা গ্রহণের নিয়তে সঞ্চয়পত্র ক্রয় করাও জায়েয নয়। এক্ষণে কেউ যদি অতীতে সঞ্চয়পত্র ক্রয় করে থাকে তাহ’লে সূদ থেকে মুক্তি লাভ করার জন্য প
উত্তর : এজন্য কোন আমল নেই। তবে গর্ভের সন্তানের বয়স ১২০ দিন হওয়ার পূর্বে নষ্ট করলে অনুতপ্ত হয়ে খালেছ নিয়তে তওবা করতে হবে এবং ১২০ দিনের পরে নষ্ট করে থাকলে তওবার পাশাপাশি রক্তপণ ও কাফফারা উভয়টি দিতে হবে। গর্ভের সন্তান নষ্ট করার রক্তপণ হচ্ছে গুর্রাহ
উত্তর : ইমাম ছাহেব মসজিদে আসার পর পর্যাপ্ত সময় থাকলে তাহিয়াতুল মসজিদ ও সাধারণ নফল ছালাত আদায় করতে পারেন। নইলে সরাসরি খুৎবায় অংশগ্রহণ করতে পারেন। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সময়াভাবে সরাসরি খুৎবার মিম্বারে এসে বসতেন (নববী, আল-মাজমূ‘ ৪/৪০১; উছায়মী
উত্তর : বাধা নেই। কারণ মসজিদ নির্মাণের সময় কর্তৃপক্ষ যে নিয়তে যে ঘর নির্মাণ করবে সেটাই বিবেচ্য। এক্ষণে মসজিদ নির্মাণের সময় কর্তৃপক্ষ কোন ঘরকে ইমাম ও মুওয়াযযিনের জন্য নির্ধারণ করলে তারা সেখানে অবস্থান করতে পারবে। এতে শারঈ কোন বাধা নেই (রুহায়
উত্তর : ঘুম বা ভুলে যাওয়ার কারণে ছুটে যাওয়া ছালাত ওয়াক্তের মধ্যে আদায় করলে সেই ছালাত আদায়ের নিয়ত করে ছালাত আদায় করবে। কারণ ওয়াক্ত এখনো অবশিষ্ট। আর ওয়াক্ত অতিক্রম করলে ক্বাযা ছালাত আদায় করার নিয়ত করবে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২৪/৫৭; মি
উত্তর : দেশে প্রচলিত সাধারণ বা ইসলামী কোন ব্যাংকই পূর্ণভাবে সূদমুক্ত নয়। সুতরাং কোন ব্যাংকেই লাভের উদ্দেশ্যে অর্থ সঞ্চয় করা এবং লভ্যাংশ গ্রহণ করা জায়েয নয়। দেশে প্রচলিত ইসলামী ব্যাংকগুলি ঝুঁকি থাকার কারণে ইসলামী ব্যবসা পদ্ধতি মুশারাকা ও মুযারাবা
উত্তর : এতে স্বামীর সন্তুষ্টি বা অসন্তুষ্টির কোন কারণ নেই। তবুও যদি তিনি সন্তুষ্ট হন, তাহ’লে করা যাবে। তবে দু’টি বিষয়ে সচেতন হ’তে হবে। ১. এতে যেন পরপুরুষের সামনে গোপন সৌন্দর্য প্রকাশ না পায় (নূর ২৪/৩১)। ২. যেন শারীরিক ক্ষতির সম্ভাবনা না থাক
উত্তর : বাসরপূর্ব দুই রাক‘আত ছালাত স্বামী-স্ত্রী জামা‘আতের সাথে আদায় করতে পারবে। তবে পাশাপাশি দাঁড়াবে না। বরং স্বামী সামনে ও স্ত্রী পিছনে দাঁড়াবে (মুছান্নাফে ইবনু আবী শায়বাহ হা/১৭১৫৬; আলবানী, আদাবুয যিফাফ হা/৯৬ পৃ.)। আর ছালাত রাতে হ’লে সরবে
উত্তর : জীবন বীমা সেক্টরে চাকুরী করা যাবে না। কারণ এর কার্যক্রম সূদী। আর পাঁচ বছর পরে সেক্টর পরিবর্তনের বিষয়টি ভবিষ্যতের সাথে সংশ্লিষ্ট। আর জীবনকে ভবিষ্যতের সাথে জড়িয়ে হারামে প্রবেশ করা সঠিক নয়। কারণ মৃত্যু যেকোন সময় চলে আসতে পারে। ছাহাবী আব্দুল
উত্তর : জনকল্যাণমূলক যেকোন ঘোষণা মসজিদের মাইকে দেওয়া যাবে। কারণ এগুলোতে মানুষের উপকারিতা রয়েছে। যেটা নিষেধ সেটা হচ্ছে ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়। যেমন ব্যবসা-বাণিজ্য বা হারানো বস্ত্ত তালাশ করা। তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে ঘোষণাদানে অন্য মুছল্লী
উত্তর : শিশুর জন্য শরী‘আতের বিধান প্রযোজ্য নয়। এক্ষণে শিশুর হাঁচির জওয়াবে অভিভাবকের ‘বারাকাল্লাহু ফীক’ বলা সম্পর্কে যে হাদীছ বর্ণিত হয়েছে তা ‘মুনকার’। সুতরাং এটাকে সুন্নাত বা মুস্তাহাব বলা যাবে না। বরং কেউ চাইলে সাধারণ ভাবে শিশুর জন্য দো‘আ হিসাব
উত্তর : জ্ঞান বিতরণ মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে হ’তে পারে। প্রশাসনের বিভিন্ন পদে থেকেও জ্ঞান বিতরণসহ দাওয়াতী কাজ করা যায়। সেজন্য বৈধ পন্থায় সরকারী চাকুরীতে গিয়ে দাওয়াতী কাজ করা কল্যাণকর। আল্লাহ বলেন, ঐ ব্যক্তির চাইতে কথায় উত্তম আর কে আছে, যে (মান
উত্তর : শুধু রূপা নয়, যে কোন প্রকার হার বা চেইন পুরুষদের জন্য ব্যবহার করা বৈধ নয়। কারণ এতে নারীদের সাথে সাদৃশ্য হবে। আর ইসলামী শরী‘আতে পুরুষদেরকে নারীদের সাথে সাদৃশ্য করতে নিষেধ করা হয়েছে। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মহিলাদের সাদৃশ্
উত্তর : উক্ত পদ্ধতিতে কেউ বিবাহ করে থাকলে তা শিবহে নিকাহ হয়েছে। এরূপ বিবাহ ভাঙ্গার জন্য শারঈ পদ্ধতিতে যেমন তালাক দিতে হবে, তেমনি মোহর বকেয়া থাকলে তা পরিশোধ করতে হবে। ইবনু কুদামা বলেন, মতপার্থক্যপূর্ণ বিবাহের ক্ষেত্রে তালাক দিলে তালাক হয়ে যাবে। য
উত্তর : না। বরং মসজিদে গিয়ে জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি আযান শুনলো এবং কোন ওযর ছাড়াই জামা‘আতে উপস্থিত হ’ল না, তার ছালাত নেই (ইবনু মাজাহ হা/৭৯৩; মিশকাত হা/১০৭৭)। জনৈক অন্ধ ব্যক্তি তাকে মসজিদে নিয়ে যাওয়ার মত ল
উত্তর : উক্ত তালাক পতিত হয়েছে এবং একই সময়ে বা একই তোহরে হওয়ায় তা এক তালাকে রাজঈ হিসাবে গণ্য হবে (মুসলিম হা/১৪৭২; আহমাদ হা/২৮৭৭; হাকেম হা/২৭৯৩)। কাজেই এমতাবস্থায় সে স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে পারে। ইদ্দতের (তিন তোহরের) মধ্যে হ’লে স্বামী সরাসরি স্ত
উত্তর : আগের বিবাহ হয়নি। কারণ বিবাহের জন্য প্রধান শর্ত হচ্ছে মেয়ের অভিভাবকের অনুমতি থাকা। আবু মূসা আশ‘আরী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হ’তে বর্ণনা করেন যে, ‘ওলী ব্যতীত বিবাহ হয় না’ (আহমাদ, তিরমিযী, আবুদাঊদ, ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/৩১৩০, হাদীছ ছহীহ
উত্তর : দম্ভভরে কারো সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা যাবে না। কারণ সম্পর্ক ছিন্ন করা জাহান্নামে যাওয়ার কারণ। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘কোন মুসলিমের জন্য এ কাজ বৈধ নয় যে, তার কোন মুসলিম ভাইয়ের সাথে তিন দিনের ঊর্ধ্বে কথাবার্তা বন্ধ রাখবে। সুতরাং যে ব্যক্ত
উত্তর : মানুষের ছায়া পরিলক্ষিত হ’লে ছালাতের ক্ষতি হয় না। নবী করীম (ছাঃ)-এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) রাতে উঠে ছালাতে দাঁড়াতেন আর আমি তাঁর ও কিবলার মাঝখানে আড়াআড়িভাবে তাঁর পরিজনদের বিছানায় শুয়ে থাকতাম
উত্তর : হাঁচির সময় দুই হাতের তালু বা রুমাল দিয়ে মুখমন্ডল ঢাকবে এবং শব্দ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করবে। হাঁচি শেষে ‘আলহামদুলিল্লাহ বলবে (বুখারী হা/৬২২৪; মিশকাত হা/৪৭৩৩)। এছাড়া হাদীছে ‘আলহামদুলিল্লাহি আলা কুল্লি হাল’ (আবুদাউদ হা/৫০৩৩; তিরমিযী
উত্তর : প্রতি বুধবারের যোহর ও আছরের মধ্যবর্তী সময়টুকু দো‘আ কবুলের সময় বলে একটি বর্ণনায় পাওয়া যায়। জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এই মসজিদে অর্থাৎ মসজিদুল ফাৎহ (বিজয়ের মসজিদ)-এ সোমবার, মঙ্গলবার ও বুধবার দো‘আ করলেন এবং বুধবার
উত্তর : স্ত্রীর পূর্ব স্বামীর সন্তানকে সাধারণভাবে সন্তান হিসাবে পরিচয় দিতে বাধা নেই। তবে বিস্তারিত পরিচয় দানকালে অন্যের পিতাকে নিজ পিতা হিসাবে এবং অন্যের সন্তানকে নিজ সন্তান হিসাবে পরিচয় দেওয়া যাবে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘এবং তোমাদের পোষ্যপুত্র
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘মুসলিম কাফেরের উত্তরাধিকারী হয় না আর কাফেরও মুসলিমের উত্তরাধিকারী হয় না’ (বুখারী হা/৬৭৬৪; মিশকাত হা/৩০৪৩)। তবে কতিপয় ছাহাবীসহ একদল বিদ্বান মনে করেন যে, কাফেররা মুসলমানের উত্তরাধিকারী হ’তে পারবে না। কিন্তু মু
উত্তর : সূদ সর্বাবস্থায় হারাম এবং এর দ্বারা কোনভাবেই উপকার গ্রহণ করা যাবে না। এক্ষণে সূদের টাকা দিয়ে রাষ্ট্রীয় ট্যাক্স প্রদান করা সূদের টাকা থেকে উপকার গ্রহণ করার শামিল, যা হারাম। উল্লেখ্য যে, রাষ্ট্র পরিচালনার সুবিধার্থে রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারি
উত্তর : জায়েয নয়। কারণ মায়ের দ্বিতীয় স্বামী উক্ত নারীর মাহরাম নয়। অতএব তার সাথে পূর্ণ পর্দা রক্ষা করে চলতে হবে (নিসা ৪/২৩-২৪; নূর ২৪/৩১; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৭/৪৪৫)।প্রশ্নকারী : নাঈমুল ইসলাম, ঢাকা।
উত্তর : মুসলমানদের জন্য শূকর পালন করা বা শূকর পালনে সহায়তা করা জায়েয নয়। কারণ শূকর জন্মগতভাবে হারাম। আর এই হারাম প্রাণী পালন করা বা পালনে সহায়তা করা জায়েয নয় (ইবনু হাজার, ফাৎহুল বারী ৬/৪৯১; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়াহ ৩৫/১২৩)।প্রশ্নকারী : 
উত্তর : মানব কল্যাণে বিড়ালকে নির্বংশ করা যায়। কারণ শরী‘আতের বিধান তাদের উপর প্রযোজ্য নয় (উছায়মীন, ফাতাওয়া ইসলামিয়াহ ৪/৫৯৫; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২৬/১৬৩)। তাছাড়া রাসূল (ছাঃ) নির্বংশ হওয়া ছাগল দ্বারা কুরবানী করেছেন (আহমাদ, ইরওয়া হা/১১৪৭)
উত্তর : উক্ত বিবাহ শরী‘আত সম্মত হয়েছে। সুতরাং পিতা-মাতার কথায় গর্ভবতী স্ত্রীকে তালাক দিবে না। আর স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার ক্ষেত্রে পিতা-মাতার আদেশ মান্য করা অপরিহার্য নয়। ইবনু আববাস ও আবুদ্দারদা (রাঃ)-কে পিতা-মাতার আদেশে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার ব্যাপ
উত্তর : এভাবে সালাম দেওয়া শরী‘আত সম্মত নয়। বরং শিক্ষক শ্রেণীকক্ষে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে সালাম দিবেন বা শিক্ষার্থীরা বসে থেকেই শিক্ষককে সালাম দিবে (বুখারী হা/৬২৩১; মিশকাত হা/৪৬৩৩) এবং একে অপরের সালামের উত্তর দিবে। রাসূলুল্ল
উত্তর : পিতা নিজ সম্পত্তি খরচ করা বা দান করার ব্যাপারে সম্পূর্ণ স্বাধীন। সন্তানদের অজ্ঞাতে স্ত্রীকে নিজ সম্পদ দান করা অপরাধ নয়। আর এ ব্যাপারে সন্তানদের অবহিত করতেও তিনি বাধ্য নন। কেবলমাত্র একাধিক স্ত্রী বা একাধিক সন্তানদের দান করতে চাইলে সমতা রক
উত্তর : এসব স্থানে ছালাত আদায় করার পৃথক কোন ফযীলত নেই। মসজিদে নববীর যে কোন স্থানে ছালাত আদায় করলে (মসজিদে হারাম ছাড়া) সে ছালাত অন্য স্থানের এক হাযার ছালাত অপেক্ষা উত্তম হবে (মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, মিশকাত হা/৬৯২ ‘মসজিদ সমূহ’ অনুচ্ছেদ)। উল্লেখ্য
উত্তর : পূজাকে কেন্দ্র করে ছাগল বিক্রয় করা যাবে না। কারণ এ সময় তা হিন্দুরা কিনে মূর্তির নামে উৎসর্গ করে থাকে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সীমালংঘনের কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা করো না’...। ‘তোমাদের উপর
উত্তর : শরীফ কুরআনের কোন গুণবাচক নাম নয়। তবে শরীফ অর্থ সম্মানিত, উঁচু, উচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন ইত্যাদি। সে হিসাবে কুরআনের সাথে সম্মানার্থে শরীফ শব্দ যুক্ত করলে দোষ নেই। তবে সর্বদা কুরআন ও হাদীছে বর্ণিত ছিফাতগুলো ব্যবহার করার চেষ্টা করবে। যেমন আল-কু
উত্তর :প্রথমত নিজ অপরাধের কথা গোপন রেখে খালেছ নিয়তে তওবা করবে এবং অধিকহারে সৎকর্ম সম্পাদন করবে। আল্লাহ বলেন, ‘আর তুমি ছালাত কায়েম কর দিনের দুই প্রান্তে ও রাত্রির কিছু অংশে। নিশ্চয়ই সৎকর্মসমূহ মন্দ কর্মসমূহকে বিদূরিত করে’ (হূদ ১১/১১৪)। তিনি
উত্তর : যখন আর্থিক সক্ষমতা আসবে তখনই আক্বীক্বা করবে। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘বাচ্চা আক্বীক্বার সাথে বন্ধক থাকে। তার পক্ষ থেকে সপ্তম দিনে আক্বীক্বা করতে হবে, নাম রাখতে হবে এবং মাথা মুন্ডন করতে হবে’ (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৪১৫৩ ‘আক্বীক্বা’
উত্তর : স্বামী তালাক না দিলে বা নারী খোলা‘ না করে থাকলে বিবাহ বহাল আছে। কারণ তালাক এবং খোলা‘ ব্যতীত বিবাহ বিচ্ছিন্ন হয় না। অতএব দু’বছর পর স্বামীর ঘরে ফিরে আসায় অপরাধ হয়নি এবং এজন্য গুনাহগার হওয়ারও কোন কারণ নেই। বরং বৈবাহিক সম্পর্ক রক্ষা করার নেক
উত্তর : মাইয়েতকে দাফন করার দায়িত্ব পুরুষদের। যদিও নারীরা জানাযায় অংশ গ্রহণ করতে পারে। সেজন্য নারী হোক বা পুরুষ হোক কারো জন্য দূরে কোন পাত্রে মাটি দিয়ে সে মাটি কবরে দেয়া জায়েয নয়। বরং যাদের সামর্থ্য আছে তারা কবরে মাইয়েতের মাথার দিক থেকে তিন অঞ্জল
উত্তর: কয়েকটি শর্তসাপেক্ষে উক্ত পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করা জায়েয। ১. পণ্যের মূল্য বাজারদর অপেক্ষা বেশী হওয়া যাবে না। ২. কেবল পুরস্কার পাওয়ার উদ্দেশ্যে পণ্য ক্রয় করা যাবে না। ৩. অন্য ব্যবসায়ীদের ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্য থাকা যাবে না। উক্ত তিনটি বিষয়ের
উত্তর : এমতাবস্থায় স্ত্রী নেকাব ছাড়া বাসার বাইরে বের হ’লে এক তালাক হয়ে যাবে। কারণ ভবিষ্যতের শর্তযুক্ত তালাক ফিরিয়ে নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। বরং শর্ত ভঙ্গের সঙ্গে সঙ্গেই এক তালাক হয়ে যাবে। সেজন্য স্ত্রীর সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখবে এবং অধিক হারে নছীহত
উত্তর : সাধারণভাবে এমন সন্তানকে ছেলে হিসাবে পরিচয় দিতে পারে। তবে ব্যাখ্যার প্রয়োজন হ’লে বিষয়টি স্পষ্ট করে দিবে। কারণ অন্যের সন্তানকে নিজ সন্তান হিসাবে পরিচয় দেয়া প্রতারণার শামিল। আর আল্লাহ তা‘আলা বলেন, তোমাদের পোষ্যপুত্রদেরকে তোমাদের ‘পুত্র’ করে
উত্তর : উক্ত মর্মে একটি প্রসিদ্ধ হাদীছ পাওয়া যায়। যাতে বলা হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি অত্যাচারীর সাথে এ উদ্দেশ্যে চলে যে, সে তার শক্তি বৃদ্ধি করবে; আর সে এটা জানে যে, সে যুলুমকারী, তবে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে গেল’ (ত্বাবারাণী কাবীর হা/৬১৯; মিশকাত হা/
উত্তর : অনুরূপ বর্ণনা ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব ও আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে। ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) বলেছেন, ইমাম চারটি বিষয় নিঃশব্দে পড়বে। আঊযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ, আমীন ও রববানা লাকাল হামদ (ইবনু হযম, মুহাল্লা ২/২৯৪)। বর্ণনা
উত্তর : কারো প্রতি মহববত সৃষ্টি হওয়া মানুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য। এক্ষণে বিবাহের উদ্দেশ্যে কোন মেয়ের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হ’লে বৈধ অভিভাবকের নিকটে বিবাহের প্রস্তাব দিয়ে বিবাহের ব্যবস্থা করবে। রাযী না হ’লে তাক্বওয়া অবলম্বন করবে এবং আসক্তি দূর করার
উত্তর : বিবাহে খরচ কম হওয়া উত্তম (আবুদাউদ হা/২১১৭)। এছাড়া যে নারীর বিবাহের মোহর কম, সে বিবাহকে হাদীছে বরকতপূর্ণ বলা হয়েছে (আহমাদ হা/২৪৫২২; ইরওয়া হা/১৯২৮, সনদ হাসান)। অতএব বিবাহ ও মোহরানা সকল ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় থেকে বিরত থাকা উচিৎ
উত্তর : শারঈ পদ্ধতিতে তিন তালাক কার্যকর হ’লে এখন আর পুনরায় বিবাহের সুযোগ নেই। অর্থাৎ স্বামী স্ত্রীকে তিন মাসে তিন তালাক দিয়ে থাকলে অন্যত্র বিবাহ হওয়ার পর স্বামী কর্তৃক স্বাভাবিকভাবে তালাকপ্রাপ্তা না হওয়া পর্যন্ত সাবেক স্ত্রীকে বিবাহ করতে পারবে ন
উত্তর : পরিচালনা পরিষদের অনুমোদন থাকলে এবং প্রতিষ্ঠানের শৃংখলা ভঙ্গ না হ’লে বা স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত না হ’লে এমন সুযোগ গ্রহণ করা যেতে পারে। কারণ সরকার সময় নির্ধারণের ব্যাপারে অধ্যক্ষ মহোদয়কে কিছু ক্ষেত্রে ইখতিয়ার দিয়ে থাকে। অতএব কর্ত
উত্তর : ইস্তিস্কার ছালাতে দু’টি কাজ ভিন্নভাবে বা নতুন আঙ্গিকে করা হয়। (১) ছালাতের মধ্যে চাদর পরিবর্তন করা। এর হিকমত সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই ছালাতের মাধ্যমে বৃষ্টির প্রত্যাশা করা হয় এবং বৃষ্টি হ’লে খারাপ অবস্থা থেকে ভালো অবস্থার দিকে প্রত্যাবর্তন
উত্তর : অমুসলিমদের ব্যবস্থাপনায় নির্মিত ট্যাংক-এর পানি দ্বারা ওযূ করা জায়েয। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ইহূদী-নাছারাদের দেওয়া হাদিয়া গ্রহণ করেছেন (বুখারী হা/৩১৬১; ইবনু তায়মিয়াহ, ইকতিযাউছ ছিরাতিল মুস্তাক্বীম ১/২৫১)। অতএব পানি পবিত্র হ’লে ওযূ করা যাবে
উত্তর : সাধ্যমত পর্দা রক্ষার করবে এবং পরিপূর্ণ পর্দা করা যায় এমন পরিবেশ তৈরীর চেষ্টা করবে (তাগাবুন ৬৪/১৬)। প্রয়োজনে একক পরিবার নিয়ে বসবাস করার চেষ্টা করবে। মনে রাখতে হবে যে, নারীদের হাতের কব্জি পর্যন্ত অংশ পর্দার অন্তর্ভুক্ত। অনুরূপভাবে নার
উত্তর : এভাবে পর্দার বিধান লংঘন করে ক্লাবের কাজে সম্পৃক্ত হওয়া যাবে না। কেননা এতে শয়তান পরস্পরকে পাপ কাজে প্ররোচিত করবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আর তুমি মুমিন নারীদের বলে দাও, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থান সমূহের হেফাযত করে।
উত্তর : যেকোন হিলা বা কৌশল অবলম্বন করে মাছ শিকার করা যায়। এটা প্রতারণা হিসাবে গণ্য হবে না (রুহায়বানী, মাতালিবু উলিন নুহা ৬/৩৫৪)। কারণ আল্লাহ তা‘আলা (মাছ-মাংস সহ) সব কিছুকে মানুষের কল্যাণের জন্য সৃষ্টি করেছেন (বাক্বারাহ ২/২৯)। আর ইমাম ব
উত্তর : স্বামী তার সক্ষমতা অনুযায়ী স্ত্রীর জৈবিক চাহিদা মিটানোর চেষ্টা করবে। আল্লাহ বলেন, তোমরা স্ত্রীদের সাথে সদ্ভাবে বসবাস কর। যদি তোমরা তাদের অপসন্দ কর, (তবে হ’তে পারে) তোমরা এমন বস্ত্তকে অপসন্দ করছ, যার মধ্যে আল্লাহ প্রভূত কল্যাণ রেখেছেন&nbs
উত্তর : যেকোন পর্যায়ের নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিয়ত সঠিক রেখে সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে সমর্থন দিবে। এরপর যদি সে কোন পাপ কাজে লিপ্ত হয়, তবে সে নিজেই গুনাহগার হবে। কারণ কেউ কারো পাপের বোঝা বহন করবে না (আন‘আম ৬/১৬৪)। আল্লাহ বলেন, কাফেররা মুমিনদের
উত্তর : একমাত্র পানি ব্যবহারে অক্ষম বা তায়াম্মুম করতে অপারগ ব্যক্তিরা ওযূ ও তায়াম্মুম ছাড়াই ছালাত আদায় করবে। কারণ জ্ঞান থাকা পর্যন্ত মুসলিমের উপর থেকে ছালাত রহিত হয় না (ইবনু হাজার, ফাৎহুল বারী ১/৪৪০; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৫/৩৭৭; শাওকান
উত্তর : বিশেষ পরিস্থিতিতে যোহর-আছর এবং মাগরিব-এশার ছালাত জমা‘ করা অর্থাৎ তাক্বদীম-তাখীর (আগে-পিছে) করে আদায় করা যায়। এক্ষণে এরূপ পরিস্থিতিতে পরীক্ষার পূর্বে যোহর ও আছরের ছালাত এক সাথে আদায় করবে এবং পরীক্ষা শেষে মাগরিব পিছিয়ে এশার সাথে উভয় ওয়াক্ত
উত্তর : সর্বদা চক্ষু অবনমিত রাখার চেষ্টা করবে। আল্লাহ বলেন, তুমি মুমিন পুরুষদের বলে দাও, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাযত করে। এটা তাদের জন্য পবিত্রতর (নূর ২৪/৩০)। তবে অনিচ্ছাকৃতভাবে কোন নারীর প্রতি দৃষ্টি পড়ে
উত্তর : স্বামীর মৃত্যুর পর নারীর অভিভাবক তার পিতা। পিতার অবর্তমানে দাদা, সাবালক ছেলে বা ভাই। যে সকল ক্ষেত্রে অভিভাবকের প্রয়োজন সে সকল ক্ষেত্রে মা ছেলের পরামর্শ অনুসরণ করবেন। সাধারণভাবে সামাজিক ও ধর্মীয় যে কোন ক্ষেত্রে ছেলের জন্য আবশ্যক হ’ল মায়ের
উত্তর : বিবাহের পূর্বে তালাক কার্যকর হয় না। কারণ যে স্ত্রী নয় তাকে তালাক দেয়ার প্রশ্নই উঠে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, বিয়ের পূর্বে তালাক নেই (ইবনু মাজাহ হা/২০৪৮; মিশকাত হা/৩২৮১, সনদ ছহীহ)। তিনি আরো বলেন, নারীকে স্পর্শ করা যার জন্য বৈধ, তাল
উত্তর : বিদ‘আতযুক্ত আমল যে প্রকারেরই হোক, তওবা না করা পর্যন্ত তা আল্লাহর কাছে কবুল হবে না (আবূদাঊদ হা/৪৬০৭, সনদ ছহীহ)। উল্লেখ্য যে, বিদ‘আতকারীর কোন প্রকার আমল কবুল হয় না, তা নয়; বরং তার যে আমলটি বিদ‘আতযুক্ত, সেটি কবুল হবে না (ইবনু তায়ম
উত্তর : লাভের পরিমাণের সীমারেখা নির্দিষ্ট নয়। আল্লাহ বা তাঁর রাসূল (ছাঃ) কেউ লভ্যাংশের সীমারেখা নির্ধারণ করেননি (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৩/৮৮; ওছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব)। তবে ইসলামী শরী‘আতে ‘আল-মাছলাহাতুল মুরসালা’ বা জনস্বার্থ নামে এক
উত্তর : মানত পূর্ণ করা ওয়াজিব। আর হজ্জ এবং ওমরার মানতের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে অন্যকে দিয়ে বদলী আদায় করানো যায়। যেমন মানতকারীর শারীরিক ও আর্থিক সক্ষমতা না থাকা কিংবা মানতকারীর মৃত্যু হওয়া। স্মর্তব্য যে, হজ্জের মত বদলী ওমরাহ আদায়কারীর জন্যও নিজে প্রথম
উত্তর : যেকোন বক্তব্যের সময় প্রয়োজনে লাঠি বা এ জাতীয় কিছু ব্যবহার করা মুস্তাহাব (আবূদাঊদ হা/১০৯৬, সনদ হাসান)। তবে এটি নিয়মিত সুন্নাত বা ওয়াজিব নয়। কারণ রাসূল (ছাঃ) নিয়মিত ব্যবহার করেছেন মর্মে কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না। সেজন্য হাফেয ইবনুল ক্বা
উত্তর : পুরো স্বর্ণের উপরে যাকাত দিতে হবে। কারণ যাকাত ফরয হওয়ার নেছাব হচ্ছে সাড়ে সাত ভরি। এর কম হ’লে কোন যাকাত দিতে হবে না। কিন্তু এ পরিমাণ বা এর বেশী হ’লে পুরো সোনার মূল্য হিসাব করে শতকরা আড়াই ভাগ হারে যাকাত দিতে হবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ
উত্তর : এর কোন ভিত্তি নেই। বরং মাইয়েতকে কবরে রাখার সময় উপস্থিত সকলে ‘বিসমিল্লা-হি ওয়া ‘আলা মিল্লাতে রাসূলিল্লাহ’ অথবা ‘ওয়া ‘আলা সুন্নাতে রাসূলিল্লাহ’ দো‘আটি পাঠ করবে (ইবনু মাজাহ হা/১৫৫০; আহমাদ হা/৪৯৯০)।প্রশ্নকারী : রবিউল ইসলাম, নাটোর।
উত্তর : চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণের সময় স্ত্রীর সাথে সহবাসের ব্যাপারে হাদীছে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণের সময় করণীয় সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, কারো মৃত্যু ঘটা বা জন্মগ্রহণের কারণে কখনো সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ হয় না। তোমরা
উত্তর : ওয়াশরুমে টয়লেট ও গোসলখানা উভয়টি থাকলে টয়লেট সেরে গোসলের স্থানে এসে বিসমিল্লাহ বলে ওযূ শুরু করবে এবং ওযূ শেষে বাথরুম থেকে বের হয়ে ওযূ ও বাথরুম থেকে বের হওয়ার দো‘আ একসাথে পাঠ করবে (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১০/২৮; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ
উত্তর : বায়তুল মাল রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমাকৃত সম্পদ, যা বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত হয়। যেমন যাকাত, ওশর, খারাজ, জিযিয়া, খাজনা, গণীমত ইত্যাদি। কোন ব্যক্তি মারা গেলে তার সম্পদ থেকে প্রথমেই মাইয়েতের ঋণ পরিশোধ করবে এবং আরো সম্পদ থাকলে অছিয়ত পূর্ণ করবে।
উত্তর : ইক্বামতের সময় ইমাম কিবলামুখী হয়ে অথবা মুছল্লীদের দিকে মুখ ফিরে থাকবেন। অতঃপর তিনি কাতার সোজা করার প্রতি নির্দেশনা দিবেন। এ সময় তিনি মুছল্লীদের দিকে মুখ করে থাকবেন। আবূ মাসউদ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ছালাতের সময় আমাদের কাঁধ স্পর্শ কর
উত্তর : শর্তসাপেক্ষে নারীরা পুরুষের দরসে বসতে পারে এবং পুরুষরা পাঠাদান করতে পারে। যেমন- (১) শারঈ পর্দার পোষাক পরিধান করা বা উভয়ের মাঝে প্রয়োজনীয় আড়াল সৃষ্টি করা (নূর ২৪/৩১; আহযাব ৩৩/৫৯)। (২) চক্ষু অবনমিত রাখা (নূর ২৪/৩১)। (৩) অন্তরকে প
(৮) কাতারের ফাঁকা বন্ধ করা :জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায়ের প্রাক্কালে পায়ে পা এবং কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ছালাত আদায় করা সুন্নাতে মুআক্কাদাহ। মা আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, مَنْ سَدَّ فُرْجَةً فِي صَفٍّ رَفَعَهُ اللهُ بِهَا دَرَجَةً، وَبَنَى ل
উত্তর : যেভাবে সম্ভব হবে সেভাবে আঙ্গুলে গণনার মাধ্যমে তাসবীহ পাঠ করবে। কারণ হাদীছে আঙ্গুলে গণনার মাধ্যমে তাসবীহ পাঠ করতে বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, অবশ্যই তোমরা তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ), তাহলীল (লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ) ও তাক্বদীস (সুববুহুন কু
উত্তর : ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ)সহ সালাফী বিদ্বানগণের বক্তব্য হ’ল, বিশুদ্ধ ক্বিয়াস বা যুক্তি কখনো অহি তথা কুরআন ও সুন্নাহ বিরোধী হবে না। অনুরূপভাবে কুরআন ও ছহীহ হাদীছ কখনো বিশুদ্ধ ক্বিয়াস বিরোধী হবে না। ক্বিয়াস বা যুক্তি যদি কুরআন ও সুন্নাহ বিরোধী হয়
উত্তর : মা তার সন্তানকে দুই বছরের পরেও দুধ পান করাতে পারে। আল্লাহ বলেন, জন্মদাত্রী মাতাগণ তাদের সন্তানদের পূর্ণ দু’বছর দুধ পান করাবে, যদি তারা দুধ পানের মেয়াদ পূর্ণ করতে চায় (বাক্বারাহ ২/২৩৩)। অর্থাৎ পূর্ণ দুই বছর শিশুর শরীর গঠনে মায়ের দুধ
উত্তর : পূরণ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। বিদ্বানগণ বলেন, মানতের মধ্যে বিবেচ্য বিষয় হ’ল নিয়ত (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূউল ফাতাওয়া ৩২/৮৬)।প্রশ্নকারী : মাসঊদ, কুমিল্লা।
উত্তর: জানাযার ছালাত ফরযে কিফায়া। আর ফরযে কিফায়া সুন্নাতের উপর অগ্রগামী। সুতরাং ফরয ছালাতের পরেই জানাযা শুরু হ’লে তাতে অংশগ্রহণ করবে এবং সুন্নাত ছালাত পরে আদায় করে নিবে। আর সুন্নাতের পর শুরু হ’লে সুন্নাত পড়েই অংশগ্রহণ করবে। তবে সুন্নাতের পূর্বেই
উত্তর : কোন পুরুষের দৃষ্টিতে পড়া নারীর জন্য ওযূ ভঙ্গের কারণ নয়। এতে ওযূ ভঙ্গ হবে না (ফাতাওয়া আশ-শাবকাতুল ইসলামিয়া ১১/১৫১১)। তবে সর্বদা সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, ঢাকা।
উত্তর : জুম‘আ যেমন সমষ্টিগত একটি ইবাদত, তেমনি এটা ইসলামের একটি বড় নিদর্শন। সুতরাং যত্রতত্র জুম‘আ কায়েম করা যাবে না। বরং মসজিদে গিয়ে জুম‘আর ছালাত আদায় করবে। সম্ভব না হ’লে যোহরের ছালাত আদায় করবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৮/১৭৮)। তবে অত্র এলাকায়
উত্তর : এরূপ কথা বলা পাপ এবং মহাঅন্যায়। কারণ আল্লাহ তা‘আলা নারীকে মা, কন্যা, বোন, স্ত্রী, খালা, নানী-দাদী ইত্যাদি পরিচয়ে সম্মান ও মর্যাদা দান করেছেন। তারা মানবজাতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘পুরুষেরা নারীদের অভিভাবক। এজন্য যে, আল্লা
উত্তর : উক্ত মেশিনে কাপড় ওয়াশ করাতে দোষ নেই। কারণ এতে বিভিন্ন প্রকারের ডিটারজেন্ট ব্যবহার করা হয়, যাতে কুকুরে লালা বা অপরিষ্কার জিনিস ধুয়ে যায়। তাছাড়া কুকুর কোন খাবারের পাত্রে মুখ দিলে বিশেষভাবে ধোয়ার কথা বলা হয়েছে, অন্যক্ষেত্রে নয়। যেমন কোন প্র
উত্তর : স্ত্রীর কর্তব্য হচেছ স্বামীকে খুশী করার জন্য শ্বশুর-শাশুড়ীর সাথে অবস্থান করা এবং সাধ্যমত সেবা করা। আর স্বামীর দায়িত্ব হ’ল পিতা-মাতার সেবা করা। এক্ষণে স্ত্রী কোনভাবেই শ্বশুর-শাশুড়ীর সাথে অবস্থান করতে না চাইলে স্ত্রীর জন্য আলাদা থাকার ব্যব
উত্তর : বিবাহের পরিকল্পনা নিয়ে কোন গায়ের মাহরাম পুরুষের সাথে বিশেষ সম্পর্ক রাখা হারাম। বরং বিবাহের উদ্দেশ্যে পাত্রী দেখা বা জানাশোনা করে বিবাহের সিদ্ধান্ত নিবে। জাবের (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন কোন নারীকে বিবাহের প্রস্
উত্তর : মূল্য নির্ধারণ না করে এরূপ লেনদেন বৈধ হবে না। কেননা তা ‘গারার’ বা প্রতারণার অন্তর্ভুক্ত হবে, যা থেকে রাসূল (ছাঃ) নিষেধ করেছেন (মুসলিম হা/১৫১৩; মিশকাত হা/২৮৫৪)।প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, বুড়িচং, কুমিল্লা।
উত্তর : বিবাহের ক্ষেত্রে সর্বাগ্রে পাত্র ও পাত্রী উভয়ের দ্বীনদারীকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। আর সবকিছুই নির্ভর করবে পাত্র-পাত্রীর ব্যক্তিগত পসন্দের উপর। যদিও দ্বীনদারীকে অগ্রাধিকার দিতে উৎসাহিত করা হয়েছে। তবে দ্বীনদারীর পাশাপাশি অর্থ ও বংশ মর্যাদা দ
উত্তর : ইবাদত কিংবা বরকত মনে করে কবরের উপরে গাছ লাগানো বিদ‘আত। কারণ রাসূল (ছাঃ) বা ছাহাবায়ে কেরাম কোন কবরের উপর বৃক্ষ রোপণ করেননি। তবে কবরস্থানের ফাঁকা জায়গায় বৃক্ষ থাকলে বা মুছল্লীদের ছায়ার জন্য বৃক্ষ রোপণ করলে তাতে দোষ নেই। তাছাড়া কবরস্থানের ব
উত্তর : সূর্যোদয়ের পর ইশরাক্বের ছালাতান্তে জুম‘আর দিনের উত্তম সময় শুরু হয়। কোন ব্যক্তি বা দল এ সময়ে মসজিদে প্রবেশ করলে সে বা তারা উঁট কুরবানী করার ছওয়াব পাবে। অর্থাৎ সূর্যোদয়ের পর থেকে খুৎবা পর্যন্ত সময়ের পাঁচটি স্তর থাকবে। প্রথম স্তর শুরু হবে স
উত্তর : মসজিদের অন্তর্গত গ্রাউন্ড ফ্লোরে ইমামের অবস্থান থেকে নীচে বা উপরে, ডানে বা বামে পর্দার সাথে নারীরা ছালাত আদায় করতে পারে। এতে কোন বাধা নেই। তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে ইমামের সামনে কাতার চলে না যায় (মারদাভী, আল-ইনছাফ ২/২৯৩; ওছায়মীন, মাজ
উত্তর : ইস্তেহাযা অবস্থায় স্বামীর সাথে মিলিত হওয়া যাবে। কারণ এটা ঋতু বা নেফাস নয়, যে অবস্থায় স্ত্রী মিলন নিষেধ করা হয়েছে (বাক্বারাহ ২/২২২; নববী, আল-মাজমূ‘ ২/৩৭২; ইবনু কুদামাহ, মুগনী ১/২৪৬)। ফাতেমা বিনতে আবু হুবাইশ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর
উত্তর : ঋতু অবস্থায় মুখস্থ বা কুরআন স্পর্শ না করে দেখে দেখে তেলাওয়াত করা জায়েয। এমনকি ঋতুবর্তী মহিলা হাত মোযা পরে কুরআন স্পর্শ করেও তেলাওয়াত করতে পারবে। কারণ এটা তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৯/২৩৮, ২১/৪৬০; ওছায়মীন
উত্তর : সর্বাবস্থায় কাতারের সাথে দাঁড়িয়ে ছালাত আদায় করবে। কারণ জামা‘আতের জন্য শর্ত হচ্ছে কাতারের সাথে কাতার মিলে থাকা এবং ইমামের আওয়াজ শুনতে পাওয়া। এক্ষণে বাধ্যগত অবস্থায় মসজিদের বারান্দায় একাধিক মুছল্লী ছালাত আদায় করলে জামা‘আতে ছালাত হয়ে যাবে ই
উত্তর : নির্দিষ্ট কয়েক ওয়াক্ত ছালাত ছুটে গেলে ধারাবাহিক ভাবে ক্বাযা আদায় করে নিবে। তবে অগণিত ওয়াক্ত ছালাত ছুটে গিয়ে থাকলে অনুতপ্ত হৃদয়ে আল্লাহর কাছে খালেছ তওবা করবে এবং পরবর্তীতে আর কোন ওয়াক্ত ছালাত যাতে ক্বাযা না হয়, সে বিষয়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হবে।
উত্তর : উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে। কিন্তু উক্ত পাথরে বরকত আছে মনে করাটা শিরক হয়েছে। যেমন ওমর (রাঃ) হাজারে আসওয়াদকে চুমু দেওয়ার সময় বলেছিলেন, আল্লাহর কসম! আমি জানি যে, তুমি একটি পাথর মাত্র। কোন উপকার বা ক্ষতি করার ক্ষমতা তোমার নেই। তবে যদি
উত্তর : উক্ত পেনশনের টাকা সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার জন্য ভোগ করা জায়েয হবে না। কারণ উক্ত টাকার মূল ভিত্তি সূদী ব্যাংকের সাথে সংশ্লিষ্ট। তবে উক্ত টাকা তুলে জনকল্যাণমূলক কাজ যেমন কালভার্ট বা রাস্তা নির্মাণ, ইয়াতীম খানা পরিচালনা, কূপ খননসহ যেকোন জনহি
উত্তর : যাবে। কেননা শ্রোতার অবস্থা বুঝে বক্তা খুৎবা দিবেন। যেমন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বক্তব্যের সময় কখনো এত বেশী রেগে যেতেন যে, তার মুখমন্ডল লাল হয়ে যেত (মুসলিম হা/৮৬৭; মিশকাত হা/১৪০৭)। আবার কখনো এত কোমল ও হৃদয়গ্রাহী ভাষায় বক্তব্য দিতেন যে ছাহা
উত্তর : জায়েয হবে না। কারণ এতে অন্যায় কাজে সাহায্য করা হবে। আল্লাহ বলেন, তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সীমালংঘনের কাজে সহযোগিতা করো না। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ কঠোর শাস্তি দানকারী’ (মায়েদাহ ৫/২)।প্রশ্
উত্তর : রাতের নফল ছালাত দুই দুই রাক‘আত করে পড়তে হবে। এ ব্যাপারে কোন মতপার্থক্য নেই। তবে দিনের ছালাতের ব্যাপারে মতপার্থক্য রয়েছে। কিছু বিদ্বান মনে করেন, দিনের নফল ছালাতও দুই দুই রাক‘আত করে পড়তে হবে। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, রাতের ও দিনের (নফল) ছালা
উত্তর : স্ত্রী ১/৮ অংশ পাবে যখন সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে। কন্যা অর্ধাংশ পাবে যখন এক কন্যা থাকে এবং পুত্র না থাকে। সহোদর ভাইয়ের পুত্র আছাবা বা একমাত্র অবশিষ্ট ভোগী হিসাবে অবশিষ্ট সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে (নিসা ৪/১১)।প্রশ্নকারী :
উত্তর : অধিকাংশ মুহাদ্দিছের মতে ছায়া দ্বারা উদ্দেশ্য আরশের ছায়া। কারণ হাদীছে স্পষ্ট ‘তার আরশের ছায়াতলের’ কথা উল্লেখ আছে (আলবানী, ইরওয়া হা/৮৮৭-এর আলোচনা দ্রষ্টব্য)। অর্থাৎ সাত শ্রেণীর মানুষ আরশের ছায়াতলে অবস্থান করবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়ে
উত্তর : জায়েয হবে। কিন্তু তাকে পরিবর্তনের সাধ্যমত চেষ্টা করতে হবে। আল্লাহ বলেন, ‘যদি তোমরা তাদের অবাধ্যতার আশংকা কর, তাহ’লে তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের বিছানা পৃথক করে দাও এবং (প্রয়োজনে) প্রহার কর’ (নিসা ৪/৩৪)। এতেও সমাধান না হ’লে সর্বশেষ পদক্
উত্তর : প্রতিষ্ঠানে এরূপ নিয়ম থাকলে তা মেনে নিয়ে বিলম্ব ফী দিতে হবে। আর এটি করা হয় যাতে সবাই সময়মত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে তার তাকীদ হিসাবে। যেকোন বৈধ প্রতিষ্ঠানে দেরীর জন্য এরূপ জরিমানার বিধান করার স্বাধীনতা রয়েছে। এটি শরী‘আতের হালাল-হারাম বিধান
উত্তর : দুই থেকে আড়াই বছর ব্যবধান রাখা ভালো। কারণ আল্লাহ তা‘আলা একজন শিশুকে দুই থেকে আড়াই বছর দুধ পান করানোর নির্দেশনা দিয়েছেন (বাক্বারাহ ২/২৩৩)। আর বিরতির সময় আযল বা অস্থায়ী যেকোন পদ্ধতি গ্রহণ করা যায়। তবে নারী বা পুরুষের জন্য স্থায়ী বন্ধ্
উত্তর : হবে। কেননা একজনের পাপের বোঝা অন্যে বহন করবে না (আন‘আম ৬/১৬৪)। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেন, তার নিকটে জনৈক ব্যক্তি এসে বলল, আমার একজন প্রতিবেশী আছে যে সূদ খায় এবং সর্বদা আমাকে তার বাড়িতে খাওয়ার জন্য দাওয়াত দেয়। এক্ষণে আমি তার দা
উত্তর : এক বছর যাবত মিলন না হ’লেও তালাকের পর তিন মাস (তিন তোহর) এবং খোলা‘র পর স্ত্রীকে এক হায়েয ইদ্দত পালন করতে হবে। কারণ ইদ্দত শুরু হয় তালাক প্রদানের পর। আল্লাহ বলেন, আর (সহবাসকৃত) তালাক প্রাপ্তাগণ তিন ঋতু পর্যন্ত অপেক্ষা করবে (বাক্বারাহ ২
উত্তর : উক্ত ঘটনাটি অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। কিন্তু সনদগতভাবে বিশুদ্ধ নয়। ঘটনা এই যে, জনৈক ইরাশী (الْإِرَاشِيُّ) ব্যক্তি মক্কায় উট নিয়ে আসেন। আবু জাহল তার নিকট থেকে একটি উট খরীদ করেন। কিন্তু তার মূল্য পরিশোধে টাল-বাহানা করেন। তখন উক্ত ব্যক্তি কুরায়েশদে
উত্তর : স্ত্রীকে বাড়ির কাজে সহায়তা করা বা বাড়ির প্রয়োজনীয় কাজ নিজে করা রাসূলুল্লাহর অন্যতম আদর্শ বা অভ্যাসগত সুন্নাত। এটি সুন্নাত ছালাতের মত ইবাদতগত সুন্নাত নয়, যে না করলে গোনাহগার হ’তে হবে বা নেকীর কমতি হবে। আসওয়াদ বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্
উত্তর : বূলাস (بُولَسَ) নামে কোন নবী ছিলেন না। বরং বূলাস ছিলেন একজন ইহূদী। পরে খৃষ্টান হয়ে যান এবং ঈসা (আঃ)-এর পরে খৃষ্টধর্ম প্রচারে আত্মনিয়োগ করেন। ফলে অনেকে তাকে নবী মনে করত। কিন্তু ঈসা (আঃ) ও মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর মধ্যবর্তী সময়ে কোন নবী-রাসূল আস
উত্তর : ইচ্ছাকৃতভাবে ঔষধ পরিহার করা এবং নিজেকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া আত্মহত্যার শামিল। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা নিজেদেরকে হত্যা করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের প্রতি দয়াশীল’ (নিসা ৪/২৯)। তিনি বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর পথে ব্যয় কর এবং নিজেদেরকে ধ্বংস
উত্তর : যথাযথ খাদ্য ও পানীয় দেওয়ার শর্তে বাড়িতে খাঁচার ভিতরে পাখি পালন করা জায়েয (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৯/৩৮১; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২২/৫১১)। আনাস (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) সর্বাধিক সদাচারী ছিলেন। আমার একটা ভাই ছিল; তাকে আবূ উমায়ের বলে ডাকা
উত্তর : অবশ্যই আছে। যেমন (১) লায়লাতুল ক্বদরের রাত্রি। আল্লাহ বলেন, ক্বদরের রাত্রি হাযার মাস অপেক্ষা উত্তম’ (ক্বদর ৯৭/০৩)। অর্থাৎ হাযার মাস ইবাদত অপেক্ষা উত্তম। এতদ্ব্যতীত তাহাজ্জুদের ফযীলত বিষয়ক হাদীছ দ্রষ্টব্য (ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/১
উত্তর : একটি হাদীছে বিনয় ও নম্রতার কথা বলা হয়েছে যা অন্তরের ইলমের সাথে সম্পর্কিত (ত্বাবারাণী কাবীর ৭/৩৫৪, শাদ্দাদ বিন আউস কর্তৃক বর্ণিত হাদীছ মওকূফ) এবং অপর হাদীছে আমানতের কথা বলা হয়েছে যা আমল ও আখলাকের সাথে সম্পর্কিত (মুছান্নাফ ই
উত্তর : প্যাথলজি টেস্টের রক্তের বা পেশাবের শিশি পকেটে নিয়ে ছালাত আদায় করা যাবে, যদি তা বের না হয় এবং পোষাককে অপবিত্র না করে। কেননা মুমিন কখনও নাপাক হয়না (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/৪৫১)।প্রশ্নকারী : আসাদুয্যামান, সিরাজগঞ্জ।
উত্তর : মেয়েদের থেকে জমিসহ বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে তা চিকিৎসায় ব্যয় করা যাবে। কারণ অন্য মানুষকে দান করার পর তা ফিরিয়ে নেওয়া হারাম হলেও সন্তানকে দান করা সম্পদ পিতা-মাতা ফিরিয়ে নিতে পারেন। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘কারো জন্য এটা বৈধ নয় যে, সে কাউকে দান করে তা ফ
উত্তর : পিতা-মাতাকে বুঝিয়ে বিবাহ করার চেষ্টা করতে হবে। কারণ পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতে আল্লাহর সন্তুষ্টি (ছহীহুত তারগীব হা/২৫০৩)। এক্ষণে পিতা ছেলের বিবাহে রাযী না হ’লে ছেলে পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজনে নিজেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হ’তে পারে। কারণ
উত্তর : গোপনে বিবাহ করা যাবে না। বরং বিষয়টি অভিভাবকদের যথাযথভাবে জানাবে ও বুঝাবে। এমতাবস্থায় অভিভাবকদের কর্তব্য হচ্ছে দ্রুত বৈধভাবে বিবাহের ব্যবস্থা করা। কারণ যে বিবাহ অধিক সহজ হয় সে বিবাহে বরকত বেশী হয় (আহমাদ হা/২৪৫২২, ২৪৬৫১; ইরওয়া হা/১৯২৮
উত্তর : এভাবে লিখিত নির্দেশনা প্রদান করা সঠিক নয়। কেননা ওয়াক্ত হয়ে গেলে বিশেষ প্রয়োজনে মসজিদের মূল জামা‘আতের পূর্বে ছালাত আদায় করায় বাধা নেই। যেমন ছালাতের সময় হয়ে যাওয়ার পরে রাসূল (ছাঃ)-এর অনুপস্থিতিতে আব্দুর রহমান বিন আওফ (রাঃ) জামা‘আতে ইমামতি
উত্তর : এগুলো সাধারণ খাদ্য। আর সাধারণ খাদ্য বিক্রয় করা দোষণীয় নয়। তবে শরীরের জন্য অতিরিক্ত ক্ষতিকর প্রমাণিত হ’লে উক্ত পণ্য বিক্রয় করা যাবে না। আল্লাহ বলেন, ‘হে বিশ্বাসীগণ! আমরা তোমাদের যে রূযী দান করেছি, সেখান থেকে হালাল ও পবিত্র বস্ত্ত সমূহ ভক্
উত্তর : ক্রয়-বিক্রয়ের সময় সাধ্যমত দৃষ্টিপাত এড়িয়ে কথা বলবে। আর দৃষ্টিপাত সম্পূর্ণ কামনামুক্ত রাখবে। আল্লাহ বলেন, ‘তুমি মুমিন পুরুষদের বলে দাও, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখে’ (নূর ২৪/৩০)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘চোখের যেনা হ’ল (বেগানা) নারীর
উত্তর : একটি বিষয়ের উপর দৃঢ় হ’তে হবে। যদি মনে হয় একটি সিজদা হয়েছে তাহ’লে তৎক্ষণাৎ আরেকটি সিজদা দিবে এবং শেষ বৈঠকে সহো সিজদা দিয়ে সালাম ফিরাবে। আর যদি মনে হয় দু’টি সিজদাই হয়েছে তাহ’লে তার উপর ভরসা রেখে ছালাত সম্পন্ন করবে। এমতাবস্থায় সহো সিজদা না
উত্তর : হারাম ও দুর্গন্ধযুক্ত বস্ত্ত দ্বারা হালাল প্রাণীর খাদ্য তৈরি করা সমীচীন নয়। তবে হালাল প্রাণীর বিষ্ঠা মৌলিক ভাবে নাপাক না হওয়ায় এগুলো দ্বারা বিশেষ প্রক্রিয়ায় অন্য প্রাণী বা মাছের খাদ্য বানানোতে দোষ নেই (ইবনুল ক্বাইয়িম, যাদুল মা‘আদ; ও
উত্তর : উক্ত ব্যবসা হালাল। তবে উক্ত খেলনা গায়ের মাহরাম ছেলে-মেয়েদের জন্য অবৈধভাবে আনন্দের উপকরণ যেন না হয় সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। কারণ পাপের কাজে সহায়তা করা যাবে না। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা কর এবং প
উত্তর : অন্যমনস্ক না হ’লে যিকর-আযকারে বাধা নেই। কেননা মুমিনের জিহবা সর্বাবস্থায় আল্লাহর যিকরে সিক্ত থাকবে। আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে অধিকহারে স্মরণ কর (আহযাব ৩৩/৪১)। এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! ইসলামী বিধান তো আমার ক্
উত্তর : শায়খ আলবানী (রহঃ) হাদীছটিকে মওকূফ হিসাবে হাসান বলেছেন। কারণ এ ব্যাপারে এক ডজনের অধিক ছাহাবী ও তাবেঈ থেকে বর্ণনা এসেছে (ইরওয়া হা/৫০০-এর আলোচনা দ্রষ্টব্য)। তবে এটি আলবানী (রহঃ)-এর ব্যক্তিগত গবেষণা। আর পূর্ববর্তী ও পরবর্তী বহু বিদ্বান
উত্তর : উক্ত চিন্তাধারা ভুল। কেননা নেশাদার দ্রব্য গ্রহণ করা হারাম এবং এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর (আ‘রাফ ৭/১৫৭)। আল্লাহ বলেন, ‘হে মানবজাতি! তোমরা পৃথিবী থেকে হালাল ও পবিত্র বস্ত্ত ভক্ষণ কর। আর শয়তানের পদাংক অনুসরণ করো না। নিশ্চয়
উত্তর : মুখের যে অবাঞ্ছিত লোমের কারণে নারীকে অসুন্দর দেখায় তা তুলে ফেলাতে কোন দোষ নেই। কারণ এগুলোর ব্যাপারে ইসলাম কোন বিধি-নিষেধ আরোপ করেনি। অবশ্য ভ্রূ কোনভাবেই তুলে ফেলা যাবে না। কারণ এ ব্যাপারে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে (মুসলিম হা/২১২৫; ছহী
উত্তর : মসজিদের প্রাচীরে কোন কিছু লেখা সমীচীন নয়। বিশেষ করে সামনে দৃষ্টি আকর্ষণ করার মত কোন কিছু লেখা বা টাঙানো মোটেও ঠিক নয়। কারণ এতে মুছল্লীর মনোযোগ বিনষ্ট হ’তে পারে, যা ছালাতের আদবের খেলাফ। আর রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘নিশ্চয়ই মুছল্লী ছালাতের মধ্যে
উত্তর : উক্ত বিবাহ সঠিক নিয়মে হয়নি। কারণ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া নারীদের বিবাহ বৈধ নয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘অলী ব্যতীত বিবাহ নেই’ (তিরমিযী হা/১১০১ প্রভৃতি; মিশকাত হা/৩১৩০)। তিনি বলেন ‘কোন মহিলা যদি অলীর বিনা অনুমতিতে বিবাহ করে তাহ’লে তার ঐ বিবা
উত্তর : হালাল পন্থায় উপার্জন করেই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। কারণ হারাম পন্থায় উপার্জন করা আরেক বড় হারাম। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, হে মানবজাতি! তোমরা পৃথিবী থেকে হালাল ও পবিত্র বস্ত্ত ভক্ষণ কর। আর শয়তানের পদাংক অনুসরণ করো না। নিশ্চয়ই সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্
উত্তর : এরূপ কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না। তবে মূসা (আঃ) তার দলবল নিয়ে যখন নদী অতিক্রম করে চলে যান। তারা আর মিসরে ফিরে আসেননি। বরং ফিলিস্তীনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন এবং রাস্তায় মূর্তিপূজক সম্প্রদায়ের সাথে সাক্ষাৎ হয়। এরই মধ্যে আল্লাহ তা‘আলা চল্লিশ দিন
উত্তর : যাবে। যেকোন বৈধ মাধ্যম ব্যবহার করে মানুষের জন্য উপকারী হালাল প্রাণী উৎপাদন করা জায়েয। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তিনিই সেই সত্তা যিনি তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন পৃথিবীতে যা আছে সবকিছু’ (বাক্বারাহ ২/২৯)। অতএব বৈধ পন্থায় মানব কল্যাণে প্রাণী
উত্তর : যাবে। বিশেষ করে লাশ থেকে দুর্গন্ধ ছড়ানোর আশঙ্কা থাকলে মাইয়েতের কাফনে বা দেহে যে কোন সুগন্ধি ব্যবহার করা যেতে পারে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তার মৃত কন্যার গোসলকালীন যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন তাতে বলেছিলেন ‘তাকে তিনবার, পাঁচবার অথবা প্রয়োজনবোধে এর
উত্তর : সাধারণভাবে ইমাম যদি একাকী অল্প উঁচুতে দাঁড়িয়ে ইমামতি করেন বা ইমামের সাথে একাধিক মুছল্লী থাকে তাহ’লে ইমামের উঁচু স্থানে বা স্টেজে অবস্থান করে ইমামতি করা দোষণীয় নয়। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) একদা মিম্বারের উঁচু স্থানে দাঁড়িয়ে ছাহাবীগণের ছালাত
উত্তর : এ বক্তব্য ভিত্তিহীন। এ মর্মে যেসব বক্তব্য সমাজে ছড়িয়ে রয়েছে, তা বিভ্রান্ত ছূফীদের কল্পিত বক্তব্য। কুরআন ও হাদীছে এর কোন ভিত্তি খুঁজে পাওয়া যায় না।প্রশ্নকারী : সাঈদুর রহমান, সিরাজগঞ্জ।
উত্তর : পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়া জঘন্য পাপ। তবে এটি স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ভঙ্গের কারণ নয়। স্বামী বা স্ত্রী যে-ই এমন পাপে জড়িয়ে পড়ুক, তাকে অবশ্যই অনুতপ্ত হৃদয়ে তওবা করে তা থেকে ফিরে আসতে হবে। কারণ আল্লাহ তা‘আলা বলেন, তোমরা প্রকাশ্য ও গোপন কোন অশ্লীলতার
উত্তর : ইত্তেহাদ বা ওয়াহদাতুল উজূদ বলতে অদ্বৈতবাদী দর্শন বুঝায়, যা ‘হুলূল’-এর পরবর্তী পরিণতি হিসাবে রূপ লাভ করে। এর অর্থ হ’ল আল্লাহর অস্তিত্বের মধ্যে বিলীন হয়ে যাওয়া। অস্তিত্ব জগতে যা কিছু আমরা দেখছি, সবকিছু একক এলাহী সত্তার বহিঃপ্রকাশ। এই আক্বী
উত্তর : ধৈর্য ধারণ করতে হবে, দো‘আ করা অব্যাহত রাখবে এবং দো‘আ কবূল না হওয়ার কারণগুলো বর্জন করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে কোন ব্যক্তি আল্লাহর নিকট কোন দো‘আ করলে তার দো‘আ কবুল হয়। হয়তোবা সে দুনিয়াতেই তার ফল পেয়ে যায় অথবা তা তার আখিরাতের জমা
উত্তর : এটি জায়েয হবে না। বরং ঘুষ হিসাবে গণ্য হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, ‘যাকে আমরা কোন দায়িত্বে নিয়োগ করি আমরা তার রুযীর ব্যবস্থা করে থাকি’ (আবূদাঊদ হা/৩৫৮৮; মিশকত হা/৩৭৪৮; ছহীহুল জামে‘ হা/৬০২৩)। তবে নিয়োগকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান
উত্তর : নির্ধারিত ইমামের পিছনে জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করাই কর্তব্য (ওছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৪/১৫৪)। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, কোন ব্যক্তি যেন কোন ব্যক্তির নেতৃত্বস্থলে ইমামতি না করে এবং গৃহে তার বিশেষ আসনে তার বিনা অনুমতিতে না বসে&nb
উত্তর : প্রথমত : যেকোন মাধ্যমে লাশ স্থলভাগে নিয়ে যাবে এবং সেখানে দাফন করার চেষ্টা করবে। প্রয়োজনে বরফ ব্যবহার করে লাশ অক্ষত রেখে স্থলভাগে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে এবং কবরস্থ করার ব্যবস্থা করবে। দ্বিতীয়ত : যদি স্থলভাগে নিয়ে যাওয়
উত্তর : দাড়ি রাখা ওয়াজিব। কোন অবস্থাতে দাড়ি কাটা যাবে না। এক্ষণে কোন প্রতিষ্ঠান যদি দাড়ি রাখা নিষিদ্ধ করে তাহ’লে ইসলামের বিধান অমান্য করে সে প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করা যাবে না। ওমর বিন আব্দুল আযীয (রহঃ) বলতেন, ‘দাড়ি মুন্ডন করা অঙ্গহানি করার শামিল। আ
উত্তর : সাধারণভাবে প্রকাশ্যে শাসকদের সমালোচনা করা ইসলামের নীতি নয় (বুখারী হা/৭০৫২, ৫৩)। কেননা এতে কল্যাণের চেয়ে অকল্যাণই বেশী হয়। তবে বর্তমান গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে রাষ্ট্রপ্রধানের সমালোচনা অনুমোদিত। সেজন্য জনগণকে সচেতন করার উদ্দেশ্যে রাষ্ট্
উত্তর : সাধারণ অবস্থায় কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে উক্ত খাবার গ্রহণে কোন বাধা নেই। তাছাড়া চরম ক্ষুধার্ত অবস্থায় এমন খাবার অনুমতি ছাড়া খাওয়াতেও দোষ নেই। তবে অতিরিক্ত খাদ্য বহন করে বাড়িতে বা বাসায় নিয়ে যাওয়া যাবে না (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আ
উত্তর : যেকোন বাঁশি বাজানো এবং শোনা হারাম। রাসূল (ছাঃ) বলেন, দু’টি বস্ত্ত দুনিয়া ও আখেরাতে অভিশপ্ত। আনন্দের সময় বাঁশি বাজানো এবং বিপদের সময় বিলাপ করা (বাযযার, ছহীহুত তারগীব হা/৩৫২৭; মাজমা‘উয যাওয়ায়েদ হা/৪০১৭)। তিনি আরো বলেন, আমি দু’টি নির্ব
উত্তর : জমি বিক্রেতা ও মৃতের পরিবারের সাথে বসে এর সমাধান করতে হবে। কারণ জেনে-শুনে অন্যের সম্পদ ভক্ষণ করা হারাম। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আর তোমরা অন্যায়ভাবে পরস্পরের সম্পদ ভক্ষণ করো না এবং অন্যের সম্পদ গর্হিত পন্থায় গ্রাস করার উদ্দেশ্যে তোমরা জেনে-শ
উত্তর : আবু লাহাব কর্তৃক তার দাসী ছুওয়াইবাকে মুক্ত করার বিষয়টি ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত। কারণ হিসাবে মৃত ছোট ভাই আব্দুল্লাহর পুত্র সন্তান হওয়ার আনন্দের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আবু লাহাবের কোন কর্মকান্ড শরী‘আতের দলীল নয় এবং সে মুসলমানও ছিল না।
উত্তর : উক্ত ঘটনা সত্য। শিশু অবস্থায় তিনি উক্ত কথাটি বলেছিলেন। হুসাইন বিন আলী (রাঃ) বলেন, আমি একদিন ওমরের কাছে আসলাম, যখন তিনি মিম্বারে খুৎবা দিচ্ছিলেন। আমি বললাম, আপনি আমার পিতার মিম্বার থেকে নেমে যান এবং আপনার পিতার মিম্বারে যান। তিনি বললেন, আ
উত্তর : এক শিশু আরেক শিশুকে মারলে বা কোন কিছু দ্বারা আঘাত করলে আহত শিশুর পিতা মেরে প্রতিশোধ নিতে পারবে না। বরং আঘাতকারী শিশুর অভিভাবকের মাধ্যমে তাকে শাসন করতে হবে বা আদব শিক্ষা দিতে হবে (ইবনু ফারহুন, তাবছিরাতুল হুক্কাম ২/২৪২,২৫৭; আল-মাওসূ‘আ
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) স্বামী-স্ত্রীকে এক সাথে গোসল করার নির্দেশ দিয়েছেন মর্মে কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না। তবে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) নিজ স্ত্রীর সাথে একই পাত্র থেকে পানি তুলে গোসল করেছেন। আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি ও নবী করীম (ছাঃ) একই পাত্রের পানি নিয়ে
উত্তর : মৃত্যু যন্ত্রণা শুরু হয়ে যাওয়ার পর তওবা করলে কোন উপকারে আসবে না। তবে তার পূর্ব পর্যন্ত কোন ব্যক্তি তওবা করলে আল্লাহ তার তওবা কবুল করবেন। যেমন তিনি বলেন, আল্লাহ তো কেবল তওবা কবুল করেন ঐসব ব্যক্তিদের, যারা মন্দ কর্ম করে অজ্ঞতাবশে। অতঃপর দ্
উত্তর : উক্ত মর্মে কিছু বর্ণনা মানুষের মাঝে প্রচলিত আছে। এগুলোর সঠিক কোন ভিত্তি পাওয়া যায় না। তবে হিমছের গভর্ণর ওক্ববা বিন ফারক্বাদ তাঁর নিকটে সিলাল (سلال) নামক উন্নতমানের মিষ্টান্ন হাদিয়া পেশ করলে তিনি তাকে বলেন, হে ওক্ববা! সকল মুসলমান কি এরূপ
উত্তর : উক্ত মর্মে কিছু বর্ণনা পাওয়া যায়। যার কিছু জাল, কিছু যঈফ এবং মুরসাল (যঈফাহ হা/৪১২৯)। সুতরাং এটা আমলযোগ্য নয়। তবে সাধারণভাবে জুম‘আর ছালাতের পরে অন্যান্য ছালাতের ন্যায় একবার করে সূরা নাস, ফালাক্ব ও ইখলাছপাঠ করতে পারে (তিরমিযী হা/
উত্তর : পাপাচারী ব্যক্তিরাও সুন্দর ও সত্য স্বপ্ন দেখতে পারে। যেমন ইউসুফ (আঃ)-এর দুই সাথীর সত্য স্বপ্ন এবং মিসরের বাদশার সত্য ও সতর্কতামূলক স্বপ্ন। তবে ফাসিক ব্যক্তির সুন্দর স্বপ্ন তার হেদায়াতের কারণ হ’তে পারে বা তার জন্য সতর্ক বার্তা হ’তে পারে।
উত্তর : সাধারণভাবে অমুসলিম রাষ্ট্রের দর্শনীয় স্থানে ভ্রমনে যাওয়া দোষণীয় নয়। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর। অতঃপর দেখ মিথ্যারোপকারীদের পরিণতি কেমন হয়েছে’ (আন‘আম ৬/১১)। তিনি আরো বলেন, ‘তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং দেখ কিভাবে তিনি সৃষ্ট
উত্তর : অনুতপ্ত হয়ে তওবা করলেই যথেষ্ট হবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘অতঃপর যার নিকটে তার প্রভুর পক্ষ থেকে উপদেশ এসে গেছে এবং সে বিরত হয়েছে, তার জন্য পিছনের সব গোনাহ মাফ। তার (তওবা কবুলের) বিষয়টি আল্লাহর উপর ন্যস্ত’ (বাক্বারাহ ২/২৭৫)।
উত্তর : যতদিন মানুষ জানবে যে, উক্ত স্থানে কবর আছে ততদিন বাড়ি বা মসজিদ নির্মাণ করা যাবে না। কারণ উক্ত জায়গার জন্য মাইয়েতই অধিক হকদার (নববী, আল-মাজমূ‘ ৫/৩০৩; ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৭/২১২; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৩/২২১)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ব
উত্তর : যে কারণেই প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাক তা পূরণ করতে হবে। অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা না থাকলে প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করে ক্ষমা চেয়ে নিবে। কারণ প্রতিশ্রুতি পূরণ করা ফরয। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আর তোমরা অঙ্গীকার পূরণ কর। নিশ্চয়ই অঙ্গীকার সম্পর্কে তোমরা জিজ্ঞাসি
উত্তর : জায়েয হবে না। কারণ চাচা দুধ ভাই। আর দুধ ভাইয়ের মেয়ে ভাতিজী। আর ভাতিজীকে বিবাহ করা হারাম। আলী (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি আপনার চাচা হামযার মেয়েকে বিয়ে করতে আগ্রহী হন না? কেননা,
উত্তর : এরূপ মায়ের রান্না করা খাবার খাওয়া যাবে। কারণ রান্নার সাথে কুফরীর কোন সম্পর্ক নেই। একজন কাফির মহিলাও রান্না করলে তার রান্না করা হালাল খাবার খাওয়া জায়েয (মুছান্নাফে আব্দুর রাযযাক হা/১০১৫৫)। তবে মাকে এরূপ কথা না বলার জন্য নছীহত করতে হব
উত্তর : পুরুষদের সতর হচ্ছে হাটু থেকে নাভী পর্যন্ত। ছালাত আদায়ের ক্ষেত্রে এর সাথে যোগ হবে দুই কাঁধ। অতএব কেউ লুঙ্গী বা পায়জামার সাথে দুই কাঁধের উপর গামছা ঝুলিয়ে দিয়ে ছালাত আদায় করলে ছালাত হয়ে যাবে। তবে ছালাত হচ্ছে আল্লাহর সাথে গোপন আলাপের মাধ্যম।
উত্তর : পুঁজ-রক্ত বের হওয়া অবস্থাতেই ছালাত আদায় করা যাবে। কারণ পুঁজ-রক্ত বের হওয়া ওযূ ভঙ্গের কারণ নয় (বুখারী ১/৩১৮; আলবানী, তামামুল মিন্নাহ ৫০-৫১ পৃ.)।প্রশ্নকারী : মুস্তাক্বীম, ঢাকা।
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি জাল এবং ভিত্তিহীন (আবূদাউদ হা/১৬৬৫; মিশকাত হা/২৯৮৮; যঈফাহ হা/১৩৭৮)। তবে আল্লাহ তা‘আলা ভিক্ষুকদের তাড়িয়ে দিতে বা ধমক দিতে নিষেধ করেছেন (সূরা যোহা ৯৩/১০; মা‘উন ২)।প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ, কাজলা, রাজ
উত্তর : ভ্যাট প্রদানের কারণে পণ্যের ক্রয় মুল্য বেড়ে গেলে বিক্রয় মূল্য বৃদ্ধি করতে হবে এবং ব্যবসায় লাভবান হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। অথবা সরকারকে ভ্যাট কমানোর জন্য আহবান করতে হবে। কিন্তু মিথ্যা বলা বা সরকারকে ফাঁকি দেওয়া জায়েয নয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ক
উত্তর : নাপাক পানি পরিশোধনের মাধ্যমে পানি তার পূর্ণ বৈশিষ্ট্য তথা রং, স্বাদ, ঘ্রাণ, পুষ্টিগুণ ইত্যাদি ফিরে পেলে তা পবিত্র হয়ে যাবে এবং উক্ত পানি পান করা বা তাদ্বারা ওযূ করা জায়েয হবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৫/৯৫-৯৭)।প্রশ্নকারী : মাহমূদু
উত্তর : যে দেশের নাম দিয়ে একাউন্ট করা হবে সে দেশের অনুমোদন থাকলে উক্ত ব্যবসা জায়েয। আর সংশ্লিষ্ট দেশের অনুমোদন না থাকলে জায়েয নয়। কারণ মিথ্যা এবং প্রতারণা কোন অবস্থাতেই জায়েয নয়।প্রশ্নকারী : জাহিদুল ইসলাম, সিলেট।
উত্তর : তালাকের নিয়ত সহকারে যদি স্বামী এসব কথা বলে এবং সে কারণে স্ত্রী চলে যায় অথবা স্বামীর কথায় সাড়া দিয়ে তালাকে সম্মতি দেয়, তবে এক তালাক হয়ে যাবে। এভাবে স্বামীর কথা বলার অর্থ স্ত্রীকে তালাক গ্রহণের অধিকার দেওয়া। এ অবস্থায় স্ত্রী তালাক গ্রহণ কর
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (ইবনু শাহীন, আত-তারগীব হা/২৮৩)। তবে আলেমগণের সম্মানে রাসূল (ছাঃ) কর্তৃক বহু ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘সে ব্যক্তি আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়, যে ব্যক্তি আমাদের বড়দেরকে সম্মান দেয়
উত্তর : স্ত্রী এক অষ্টমাংশ পাবে এবং কন্যারা দুই তৃতীয়াংশ পাবে। অবশিষ্টাংশ বোন পাবে। বোন জীবিত থাকায় ভাতিজারা কোন অংশ পাবে না (নিসা ৪/১১)।প্রশ্নকারী : আবু হুরায়রা সিফাত, মান্দা, নওগাঁ।
উত্তর : যে খাদ্যে শূকরের চর্বি মিশ্রিত রয়েছে, তা জেনে-শুনে হালাল প্রাণীকে খাওয়ানো যাবে না। কারণ তা সবার জন্য খাওয়া হারাম (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২২/১১৮; ফাতাওয়া ইসলামিয়াহ ৩/৪৪০)। তবে অল্প সময়ের জন্য বা অল্প পরিমাণ খেয়ে থাকলে উক্ত প্রাণীর গোশ
উত্তর : ব্যাংকের সূদ নেওয়া হারাম। অতএব মায়ের হারাম উপার্জন মায়ের জন্য হারাম হলেও সন্তানের জন্য নয়। কারণ একের পাপের বোঝা অন্যে বহন করবে না (আন‘আম ১৬৪)। তবে অবশ্যই মাকে সূদ বর্জনের উপদেশ দিতে হবে এবং হালাল উপার্জনের পথ ও পদ্ধতি বাতলিয়ে দিতে হ
উত্তর : মসজিদের উন্নতি কল্পে মসজিদের টাকা মসজিদ কমিটির সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত মতে ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। তবে কারো ব্যক্তিগত ব্যবসায় খাটানো যাবে না এবং কেউ ঋণ নিতেও পারবে না। কারণ এগুলো আল্লাহর আমানত। আর আমানত যে উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছে কেবল স
উত্তর : ইবাদত করার মধ্যে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের আনুগত্য উদ্দেশ্য থাকে। অন্যদিকে বরকত অর্থ অতিরিক্ত, প্রাচুর্য, অন্তরে প্রশান্তি লাভ ইত্যাদি। বস্ত্তত হাজারে আসওয়াদ চুম্বন করা ইবাদত। এর দ্বারা বরকত লাভ উদ্দেশ্য নয়। ওমর (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি হাজ
উত্তর : সালোয়ার-কামীছ বড় হ’লে এবং ঢিলাঢালা হলে তার উপর হিজাব দ্বারা পর্দা হ’তে পারে। নারীদের পর্দার ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত বৈশিষ্ট্যসমূহ থাকা আবশ্যক। যথা- (১) তাক্বওয়াপূর্ণ পোষাক পরিধান করা (আ‘রাফ ৭/২৬)। (২) এমন পোষাক পরা, যা পুরো দেহ আবৃত করে&
উত্তর : ব্যক্তির পূর্বের স্ত্রীর ছেলের সাথে দ্বিতীয় স্ত্রীর পূর্বের স্বামীর ঔরসে জন্ম নেওয়া মেয়ের বিবাহ জায়েয। বৈমাত্রেয় বোন সৎ মায়ের আগের স্বামীর হওয়ায় বিবাহ শরী‘আত সম্মত হবে। কারণ কুরআনে যেসকল নারীকে বিবাহ করতে নিষেধ করা হয়েছে এরূপ বোন তাদের ম
উত্তর : মসজিদের ভিতর জানাযার ছালাত আদায় করা যাবে। আয়েশা (রাঃ) ও অন্যান্য উম্মাহাতুল মুমিনীন মসজিদে নববীর মধ্যে সা‘দ বিন আবু ওয়াকক্বাছ (রাঃ)-এর লাশ আনিয়ে নিজেরা জানাযা পড়েছিলেন (মুসলিম হা/৯৭৩, মিশকাত হা/১৬৫৬; ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/১৮২)। কিছু লো
উত্তর : যদি একটি কবর হয় এবং সেটি কেবল সিঁড়ির অংশে পড়ে তাহ’লে কবরের অংশটুকু ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। আর কবরের অংশটুক আলাদা প্রাচীর দিয়ে ঘিরে রাখবে। আর যদি কবর একাধিক থাকে তাহ’লে যে অঞ্চল জুড়ে কবর আছে সে অঞ্চলের ভবন ভেঙ্গে ফেলতে হবে। কারণ
উত্তর : উক্ত বিবাহ শুদ্ধ হয়নি। কারণ একজনের স্ত্রী থাকা অবস্থায় অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া শরী‘আত সম্মত নয়। এজন্য তাকে খালেছভাবে তওবা করতে হবে। তবে তার দ্বিতীয় বিবাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি থাকায় উক্ত বিবাহ শিবহে নিকাহ বা বিবাহের মত বন্ধন হিসাব
উত্তর : বায়ুর চাপ নিয়ে ছালাত আদায় করলে তা আদায় হয়ে যাবে। তবে বায়ুর চাপ নিয়ে ছালাত আদায় করা সমীচীন নয়। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘খাদ্য উপস্থিত হ’লে ছালাত নেই এবং পেশাব-পায়খানার চাপ থাকলে কোন ছালাত নেই’ (মুসলিম হা/৫৬০; মিশকাত হা/১০৫৭)। বায়ুর অ
উত্তর : শারঈ কোন বিধানের ক্ষেত্রে কোন কাফির বিচারকের নিকট বিচার প্রার্থনা করা যাবে না। যেমন বিবাহ, তালাক, ইদ্দত ইত্যাদি। তবে দুনিয়াবী বিষয়ে তাদের নিকট বিচার চাওয়া যাবে (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিইয়া ৩৩/২৯৫)।প্রশ্নকারী : ইকবাল করীম, সিডনী, অ
উত্তর : حضرة শব্দটি আরবী ও ফার্সীতে ব্যবহার হয়, যার বহুবচন حضرات। এর অর্থ মাননীয়, মহামান্য, সম্মানিত ইত্যাদি (আল-মু‘জামুল ওয়াছীত্ব ১/১৮১)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম তাদের নিজের নামের পূর্বে ও সালাফগণ ছাহাবায়ে কেরামের নামের পূর্বে হ
উত্তর : উক্ত নারীর প্রেরিত তালাকনামার মাধ্যমে ‘খোলা’ হয়ে গেছে এবং স্বামীর সাথে স্ত্রীর বিচ্ছেদ কার্যকর হয়েছে। ‘খোলা’ তথা বিবাহ বিচ্ছেদ হয় নারীর পক্ষ থেকে, যা স্বামীকে মোহর বা মোহরের অংশবিশেষ ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে কার্যকর হয় (আল-মুগনী ৮/১৮১;
উত্তর : বিবাহিতা নারীর জন্য স্বামীর অনুসরণ করা কর্তব্য। স্বামী পড়াতে চাইলে পর্দার বিধান মেনে পড়াশুনা করবে। স্বামী সংসারে মনোনিবেশ করতে বললে তাই করবে। যদি পিতা-মাতা এবং স্বামীর আদেশ-নিষেধের মাঝে চূড়ান্ত বৈপরীত্য দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে সংসার জীবনে ব
উত্তর : মালিককে অবহিত করে অনুতপ্ত হয়ে উক্ত জিনিস বা সমমূল্য ফেরত দেয়াই উত্তম হবে (ওছায়মীন, আল-লিক্বাউশ শাহরী ৩১; ফাতাওয়া ইসলামিয়াহ ৪/১৬২)। বিশেষ কারণে চুরির কথা না জানিয়ে চুরিকৃত মাল যে কোন উপায়ে ফেরত দেওয়াতেও কোন দোষ হবে না (ওছায়মীন, ফাতাও
উত্তর: যিনি আমানত রেখেছেন তার সরাসরি অনুমতি সাপেক্ষে তার আমানতের টাকা ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করা যাবে (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ২৩/১৮৪)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, আরোহণের পশু বন্ধক রাখলে, তার উপর আরোহণ করা যাবে। তার এর ব্যয়ভার তাকে বহন করতে হবে। দ
উত্তর : বাধ্যগত অবস্থায় হিজড়া বা চাঁদাবাজদের দেওয়া যেতে পারে। তবে এ জাতীয় লোকদের অর্থ প্রদানের উদ্দেশ্যে ব্যাংকের সূদ গ্রহণ করা যাবে না (নববী, আল-মাজমূ‘ ৯/৩৫১)।প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, রাজশাহী।
উত্তর : যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে রামাযানের ছিয়াম পরিত্যাগ করবে তাকে অবশ্যই তওবা করতে হবে এবং ছুটে যাওয়া ছিয়ামগুলোর পরিমাণ অনুমান করে ক্বাযা আদায় করতে হবে। তবে কাফফারা আদায় করতে হবে না। কারণ এটি একটি ফরয ইবাদত যা আদায় ব্যতীত যিম্মাদারী থেকে মুক্ত
উত্তর: যবহের বিনিময় হিসাবে কুরবানীর গোশত হাদিয়া নেওয়া যাবে না। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এ থেকে নিষেধ করেছেন। আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আমাকে তাঁর কুরবানীর উটগুলোর নিকট দাঁড়াতে এবং এগুলোর গোশত, চামড়া, ভুঁড়ি ইত্যাদি ছাদাক্বা করে দিতে আদেশ কর
উত্তর : গোসল ফরযের ভিত্তি হচ্ছে বীর্যপাত হওয়া। এক্ষণে কাপড় ভেজা দেখলে গোসল ফরয হবে অন্যথায় ফরয হবে না। সে নারী হৌক বা পুরুষ হৌক। আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ)-কে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হ’ল, যে স্বপ্নদোষের কথা স্মরণ করতে পারছে না, অথচ তা
উত্তর: সৎ মায়ের মর্যাদা জন্মদাত্রী মায়ের সমান নয়। তবে পিতার স্ত্রী হিসাবে তিনি মাহরাম এবং সদাচরণ পাওয়ার পূর্ণ হকদার। বনু সালামা গোত্রের এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা-মাতার মৃত্যুর পর তাদের সাথে সদ্ব্যবহার করার কোন অবকাশ আছে কি?
উত্তর: বেপর্দা নারী চরিত্রসহ শরী‘আত বিরোধী দৃশ্য থাকলে কিংবা তাক্বওয়া বিরোধী ও সঠিক ইতিহাস বিরোধী এবং সর্বোপরি তাওহীদের স্বচ্ছ আক্বীদা বিনষ্টকারী বিষয় থাকলে এসব অনুষ্ঠান দেখা হ’তে বিরত থাকা আবশ্যক। প্রকাশ থাকে যে, নাট্যচিত্রগুলোর বেশীরভাগ অংশই ম
উত্তর : হজ্জ ফরয হয়ে গেলে ছয় মাসের বাচ্চা নিরাপদে রেখে হজ্জে যেতে পারে। আর যদি বাচ্চার নিরাপত্তার ব্যবস্থা না থাকে তাহলে সাথে করে নিয়ে হজ্জে যাবে বা বাচ্চার নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে তার পরে হজ্জে যাবে (ওছায়মীন, আল-লিক্বাউশ
উত্তর : যাকাত ফরয হওয়ার জন্য সাবালক হওয়া শর্ত নয়। নাবালিকা সন্তানকে এককালীন কোন কিছু দান করে দিলে এবং তা নিছাব পরিমাণ হ’লে সে স্বর্ণের যাকাত দিতে হবে। এক্ষেত্রে স্বর্ণের মালিক নাবালিকা হওয়ায় তার সম্পদ থেকে তত্ত্বাবধায়ক হিসাবে পিতা যাকাত আদায় করে
উত্তর : মাথায় হাত রেখে দো‘আ পাঠের কোন দলীল নেই। তবে দু’টি সময়ে সূরা পাঠ করে মাথাসহ শরীরে হাত বুলানোর কথা হাদীছে এসেছে- (১) ঘুমানোর সময়। (২) ঝাড়-ফুঁক করার সময়। এছাড়া সকাল-সন্ধ্যা বা অন্য সময়গুলোতে কেবল সূরা বা দো‘আ পাঠের কথা এসেছে। আয়েশা (রাঃ) বল
উত্তর : এক্ষেত্রে নিজে না করে মহিলা নার্সের মাধ্যমে মহিলাদের ইনজেকশন পুশ করানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। মহিলা ডাক্তার বা নার্স না পাওয়া গেলে বাধ্যগত অবস্থায় পুরুষ ডাক্তার এটি করতে পারে। কারণ বিভিন্ন যুদ্ধে উম্মে সুলায়েম, রুবাইয়ে‘ বিনতে মু‘আওয়া
উত্তর : সন্তানের পরিচিতি নিশ্চিতের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি বা ডিএনএ টেস্টের সহায়তা নেওয়া যাবে। কারণ সন্তানের পরিচিতির বিষয়টি একমাত্র মাতা নিশ্চিত করতে পারে। আবার কোন নারী একাধিক ব্যক্তির সাথে একই সময়ে মিলিত হয়ে থাকলে সেও সন্তানের পরিচিতি নিশ্চিত ক
উত্তর : উক্ত তালাক সঠিক ও ইসলামী শরী‘আত মোতাবেক হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, তালাক হ’ল দু’বার। অতঃপর হয় তাকে ন্যায়ানুগভাবে রেখে দিবে, নয় সদাচরণের সাথে পরিত্যাগ করবে। আর তাদেরকে তোমরা যা কিছু দিয়েছ, তা থেকে কিছু ফেরৎ নেওয়া তোমাদের জন্য সিদ্ধ নয়&nbs
উত্তর : এশার ছালাতের পূর্বে কোন সুন্নাতে রাতেবা নেই। বরং আযানের পরে ও এক্বামতের পূর্বে দুই রাক‘আত সাধারণ নফল ছালাত আদায় করা যায় (বুখারী হা/৬২৮)। অনুরূপভাবে মাগরিবের ছালাতের পর থেকে এশা পর্যন্ত অনির্ধারিতভাবে নফল ছালাত আদায় করা যায় (ছহী
উত্তর : মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে এক সাথে তিন তালাক এক তালাক হিসাবে গণ্য হয়েছে (মুসলিম হা/১৪৭২; আহমাদ হা/২৮৭৭; হাকেম হা/২৭৯৩)। আর দ্বিতীয় তালাকটি হায়েয অবস্থায় হওয়ায় তা পতিত হয়নি। এমতাবস্থায় স্বামী স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে চাইলে ইদ্দতের মধ্যে সাধা
উত্তর : কুরবানী ইসলামের অন্যতম নিদর্শন। কুরবানীর দিনগুলিতে কুরবানীর পশুও ইসলামের নিদর্শন (হজ্জ ২২/৩৬)। সুতরাং এই দিনগুলিতে কুরবানী ব্যতীত গোশত খাওয়ার নিয়তে কুরবানীযোগ্য অন্য কোন পশু যবেহ করা সমীচীন নয়। কুরবানীর দিনসহ আইয়ামে তাশরীকের দিনগুলি
উত্তর : সার্ভিস চার্জ বা পরিচালনা ফী হিসাবে নির্দিষ্ট অংকের ফী নেওয়া যাবে। তবে সময়ের সাথে ফী-এর পরিমাণ বৃদ্ধি বা দেরীতে পরিশোধে ফী বৃদ্ধি ইত্যাদি সূদী কলা-কৌশল করা যাবে না (মাজাল্লাতুল মুজাম্মা‘ সংখ্যা ২, ২/৫২৭; সংখ্যা ৩/৭৭)।প্রশ্নকারী :&nb
উত্তর : উক্ত বর্ণনার ছহীহ কোন ভিত্তি নেই। আর উক্ত মর্মে কিছু আংশিক বর্ণনা পাওয়া গেলেও তার সবগুলোই যঈফ অথবা জাল (আলবানী, যঈফুল জামে‘ হা/৫৭৮০-৮৩; যঈফুত তারগীব হা/৯৭৫)। তবে সূরা ইখলাছের ফযীলত সম্পর্কে অসংখ্য ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। যেমন-আবু হ
উত্তর : ঋতুর পূর্বে আগত বিভিন্ন রংয়ের রক্ত হায়েয হিসাবে গণ্য হওয়ার জন্য দু’টি শর্ত আছে। ঋতু শুরু হওয়া পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে রক্ত বের হ’তে থাকা এবং সেই সাথে ব্যথা থাকা। যদি মধ্যের সময়ে রক্তপাত বন্ধ হয় এবং ব্যথা না থাকে, তাহ’লে তা ঋতু হিসাবে গণ্য
উত্তর : গুনাহগার হবেন না ইনশাআল্লাহ। তবে যে বান্ধবী ছবি প্রকাশ করেছে সে চরম গুনাহগার হবে। উল্লেখ্য যে, একজন নারীকে বহিরাগতদের সামনে নিজ ঘরেও শালীন অবস্থায় থাকতে হবে। এমনকি অন্য নারী কর্তৃক পর্দার বিধান লংঘিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে সেক্ষেত্রে বিশেষ
উত্তর : পারবে। কেননা দুধপিতার জন্য আপন দাদী মাহরাম নয়। আর নিষিদ্ধের বিষয়টি কেবল দুধ পানকারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্থাৎ দুধ পানকারীর জন্য তার দুধ মা, দুধপিতা, দুধ ভাই, দুধ বোন প্রমুখ নিষিদ্ধ। এদের মধ্যে পারস্পরিক হুরমত বা নিষিদ্ধের বিষয়টি কার্যকর
উত্তর : মসজিদের খুৎবা লাইভে শুনে জামা‘আতের সাথে জুম‘আ আদায় করা যাবে না। বরং মসজিদ বহু দূরে হ’লে সেক্ষেত্রে একাধিক মুছল্লী থাকলে নিজ কর্মস্থলে খুৎবা দিয়ে জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করবে। আর একাকী থাকলে বা জুম‘আ কায়েম করা সম্ভব না হ’লে যোহরের ছালাত
উত্তর : যাবে। আত্মীয়-স্বজনকে সাধ্যমত সহায়তা করবে। স্ত্রীর আত্মীয়-স্বজন দরিদ্র হ’লে তাদেরও সহায়তা করার চেষ্টা করবে। এক্ষণে নিজ আত্মীয়-স্বজনকে দান করার কারণে স্ত্রীর অসন্তুষ্ট হওয়াটা সমীচীন নয়। এরপরেও অসন্তুষ্ট হ’লে তাকে না জানিয়ে আত্মীয়-স্বজনকে স
উত্তর : মসজিদের শ্রীবৃদ্ধি বা অতি অসহায় দরিদ্রদের ছাদাক্বার মধ্যে যেটি অধিক প্রয়োজন হবে, সেটিই করা উত্তম। প্রয়োজনে বিশুদ্ধ নিয়তে উভয় স্থানেও দিতে পারে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২০/৪৮)।প্রশ্নকারী : ছাববীর আহমাদ, পাবনা।
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (মিশকাত হা/১৫৯০; যঈফুল জামে‘ হা/৩৮৯৯)। তবে বিদ্বানগণ বলেন, রোগী দেখতে গিয়ে দীর্ঘ সময় অবস্থান করা যাবে না। কারণ এতে রোগী বা তার পরিবারের জন্য বিব্রতকর বা কষ্টদায়ক অবস্থা তৈরি হ’তে পারে। তবে রোগী কারো দীর
উত্তর : প্রথম স্ত্রীর ছেলে পিতার সম্পদে অন্যান্য ছেলে সন্তানের সমপরিমাণ সম্পদ পাবে। আর ছেলেরা কন্যা সন্তানের দ্বিগুণের ভিত্তিতে সম্পদ পাবে। আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ তোমাদের সন্তানদের (মধ্যে মীরাছ বণ্টনের) ব্যাপারে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, এক পুত্রের অংশ
উত্তর : পাঠদান হালাল হওয়ায় হালাল কর্মের বিনিময়ে ব্যাংকারের সন্তানকে পড়ানো এবং তার থেকে সম্মানী গ্রহণ করতে বাধা নেই। আর সূদের সাথে জড়িত থাকার জন্য ব্যক্তি গুনাহগার হবে। আল্লাহ বলেন, মানুষ যা করে তার ফল তার উপরে বর্তায়। একজনের পাপের বোঝা অন্যজন বহ
উত্তর : ডান দিকে সালাম ফিরানো অবস্থায় ছালাতে অংশ গ্রহণ করলে ছালাত হয়ে যাবে। আর বাম দিকে সালাম ফিরানোর সময় যোগ দিলে জামা‘আতে অংশগ্রহণ হবে না। তখন তাকে পুনরায় ছালাত আদায় করতে হবে। কারণ ইমাম সালামের মাধ্যমে ছালাত শেষ করে ফেলেছেন (মারদাভী, আল-
উত্তর : নতুন করে মুসলিম হ’তে হবে না। তবে আল্লাহর নিকট উক্ত পাপের জন্য খালেছ তওবা করতে হবে এবং কাযা ছালাতসমূহ আদায় করে নিতে হবে। কারণ ছুটে যাওয়া ছালাতের কাফফারা হচ্ছে উক্ত ছালাত আদায় করে নেওয়া। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যদি কেউ কোন ছালাতের কথা ভুলে
উত্তর : মাদ্দে মুত্তাছিল ৪ আলিফ টেনে পাঠ করা মুস্তাহাব, ওয়াজিব নয়। এতে ভুল হ’লে গুনাহ নেই। তবে সাধ্যমত মাদ্দের স্থানে এমন দীর্ঘস্বরে পাঠ করা কর্তব্য, যাতে শব্দের অর্থের কোন পরিবর্তন না হয়। অর্থাৎ যেখানে মাদ্দ নেই সেখানে দীর্ঘস্বরে পড়া যাবে না। আ
উত্তর: আশূরার ছিয়াম ১০ তারিখে একদিন রাখা যায়। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) একদিনই রেখেছিলেন (বুখারী হা/২০০২, ৪৫০৪; মুসলিম হা/১১২৫)। তবে ১০ই মুহাররমের পূর্বে বা পরে আরেক দিন ছিয়াম রাখা উত্তম। কেননা ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, তোমরা আশূরার দিন ছিয়াম রাখ
উত্তর : তোমাকে আমি ছেড়ে দিব, রাখব না, তুমি চলে যাও ইত্যাদি বাক্যগুলোর মধ্যে ‘তুমি চলে যাও’ বাক্যটি তালাকের নিয়তে বললে এক তালাক হয়ে যাবে। আর তিন তোহরে তিন মাসে এমন কথা তিনবার বলে থাকলে তিন তালাক হয়ে যাবে। কারণ এটি কেনায়া বা ইঙ্গিতবহ তালাক। আর কেন
উত্তর : স্ত্রীর বোন তথা শ্যালিকা মাহরাম না হওয়ায় তার প্রতি অন্যায় দৃষ্টিপাত বা স্পর্শ তো দূরের কথা, তার সাথে নির্জনে সাক্ষাৎ করা বা অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলাও হারাম। আল্লাহ বলেন, তোমরা প্রকাশ্য ও গোপন কোন অশ্লীলতার নিকটবর্তী হয়ো না’ (আন‘আম ৬
উত্তর : ঈদায়নের তাকবীর সমূহ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নির্দেশনা ও ছাহাবায়ে কেরামের আমল দ্বারা প্রমাণিত। আর তা হ’ল-‘আল্ল-হু আকবার, আল্ল-হু আকবার, লা ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু, আল্ল-হু আকবার আল্ল-হু আকবার ওয়া লিল্লা-হিল হামদ্’ (ইবনু আবী শায়বাহ হা/৫৬৭৯)।
উত্তর : হুযায়ফা (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) একদিন গোত্রের আবর্জনা ফেলার স্থানে আসলেন এবং সেখানে দাঁড়িয়ে পেশাব করলেন। অতঃপর পানি আনতে বললেন। আমি তাঁকে পানি এনে দিলে তিনি ওযূ করলেন (বুখারী হা/২২৪; মিশকাত হা/৩৬৪)। অতএব বসার পরিবেশ না থাকলে বা জ
উত্তর : মুছল্লীদের খাওয়ানোর মাধ্যমে দো‘আ চাওয়া যাবে। কারণ মুছল্লীদের খাওয়ানো নফল ছাদাক্বার অন্তর্ভুক্ত। আর রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তোমরা ছাদাক্বার মাধ্যমে তোমাদের রোগীদের চিকিৎসা কর (ছহীহুত তারগীব হা/৭৭৪)। ছাদাক্বাকারী দো‘আ না চাইলেও মুছল্ল
উত্তর : অমুসলিমদের নিকট দো‘আ চাওয়া যাবে না। আর তাদের দো‘আ কবুলও হবে না। আল্লাহ বলেন, বস্ত্তত (আল্লাহকে ছেড়ে) কাফেরদের প্রার্থনা কেবলই নিষ্ফল (রা‘দ ১৩/১৪)। তবে তারা নিজেদের হেদায়াতের জন্য বা দুনিয়াবী সাহায্যের জন্য দো‘আ করলে তাদের দো‘আয় আমীন
উত্তর : কোন অমুসলিম নারী ইসলাম গ্রহণ করলে তার বিবাহের অভিভাবক হিন্দু পিতা হ’তে পারবেন না। বরং ইসলামী আদালত বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি অভিভাবক হয়ে বিবাহের ব্যবস্থা করবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যদি মেয়ের অভিভাবকদের (ওলীগণের) মধ্যে আপোসে মতবিরোধ দেখা
উত্তর : স্ত্রী খোলা‘ করে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। এজন্য আদালত বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে স্বামীকে মোহর বা মোহরের অংশবিশেষ ফিরিয়ে দিবে’ (ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী ৮/১৮১; ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ৩২/২৮৯-৯০)। খোলা‘কারী মহিলা এক ঋতু ইদ
উত্তর : উক্ত বক্তব্য মূলত শিষ্টাচারমূলক। কেননা কুরআন, হাদীছসহ যে কোন কিতাব বা বই খুলে রেখে চলে যাওয়া আদবের খেলাফ। অতএব বই পড়ার পর তা বন্ধ করে আদব রক্ষা করবে। আর বই খুলে রাখার সাথে শয়তানের পড়ে নেওয়ার কোন সম্পর্ক নেই (হাকীম তিরমিযী, নাওয়াদিরু
উত্তর : বিবাহিতা মেয়ে স্বামীর নির্দেশনা মেনে চলবে। স্বামী তার স্ত্রীকে যেখানে রাখতে চায় স্ত্রী সেখানেই থাকবে। যদি পিতা-মাতা এবং স্বামীর আদেশ-নিষেধের মাঝে বৈপরীত্য দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে বৈষয়িক বিষয় সমূহে স্বামীর আদেশকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। কেননা ব
উত্তর : যে সকল প্রাণীর গোশত হালাল সে সকল প্রাণীর বিষ্ঠা হালাল। সুতরাং গরুর গোবর দিয়ে বাড়ির প্রাচীর লেপন করায় এবং উক্ত বাড়িতে ছালাত আদায়ে কোন বাধা নেই। একদা জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করল, ভেড়া-ছাগল বাঁধার স্থানে ছালাত আদায় করতে পা
উত্তর : ছেলে বা মেয়ে বালেগ হওয়ার কিছু লক্ষণ রয়েছে যেমন স্বপ্নদোষ হওয়া, (মেয়েদের) ঋতু হওয়া, নাভীর নীচে লোম গজানো বা ১৪/১৫ বছরে উপনীত হওয়া ইত্যাদি (বুখারী হা/২৬৬৪; মুসলিম হা/১৮৬৮; মিশকাত হা/৩৩৭৬, ৩৯৭৪)। এক্ষণে যখন কোন মেয়ের বালেগা হওয়ার
উত্তর : মিথ্যা তথ্য দিয়ে কোন বাড়তি সুযোগ গ্রহণ করা যাবে না। কারণ মিথ্যা বলা ও মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া উভয়টি কবীরা গুনাহ। আল্লাহ বলেন, অতএব তোমরা মূর্তিপূজার কলুষ এবং মিথ্যা কথা হ’তে দূরে থাক (হজ্জ ২২/৩১)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, আমি কি তোমাদের
উত্তর : দায়িত্ব একটি আমানত। কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে তার দায়িত্বে অবহেলা করে বা ফাঁকি দেয় তাহ’লে ক্বিয়ামতের দিন সে কৈফিয়তের সম্মুখীন হবে (বুখারী হা/২৫৫৪; মুসলিম হা/২৮২৯)। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের আদেশ দিচ্ছেন যে, তোমরা আমানত সমূহকে
উত্তর : সাদা স্রাব বের হওয়ার কারণে ওযূ ভঙ্গ হয়ে যাবে। যেমন কোন পুরুষের মযী বের হ’লে ওযূ ভঙ্গ হয়। ছালাতরত অবস্থায় সাদাস্রাব অনুভব করলে ছালাত ছেড়ে দিবে। অতঃপর লজ্জাস্থান ধৌত করে ওযূ করবে এবং পুনরায় ছালাত আদায় করবে। তবে এটি যদি কারো নিয়মিত ব্যাধি হ
উত্তর : ইসলাম বিরোধী না হ’লে সরকারী নিয়মনীতি অনুসরণ করা আবশ্যক এবং বালুচরের জমি বিক্রয় করা হ’তে বিরত থাকা কর্তব্য। নইলে এতে দু’টি পাপ রয়েছে। ঘুষ দেওয়ার পাপ ও সরকারী বিধান লংঘন করার পাপ। অতএব রাষ্ট্রের নাগরিক হিসাবে রাষ্ট্রীয় বিধি-বিধান মেনে চলতে
উত্তর : নির্বাচন কমিশন নেতৃত্ব নির্বাচনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত সরকারের একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। প্রচলিত গণতান্ত্রিক নির্বাচন ব্যবস্থা ইসলাম সমর্থন করে না। তবে নেতৃত্ব নির্বাচন বৈধ বিষয়। অতএব বাধ্যগত অবস্থায় নির্বাচন কমিশন প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করলে
উত্তর : সূর্য ও চাঁদকে মামা বলা হিন্দুদের একটি ধর্মীয় সংস্কৃতি। হিন্দু ধর্মানুসারে সমুদ্রমন্থনের ফলে সমুদ্রগর্ভ থেকে লক্ষ্মী আর চাঁদের উৎপত্তি। তাই তাদেরকে ভাই বোন হিসাবে ধরা হয়। আর হিন্দু শাস্ত্রে যেহেতু লক্ষ্মীদেবীকে মাতৃসম করে পূজা করা হয়, তা
উত্তর : উক্ত ঘটনাটি ইবনু কুদামাহ বিনা সনদে স্বীয় ‘আত-তাওয়াবীন’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, বিদ্বানগণ উক্ত ঘটনাকে ইস্রাঈলী বর্ণনা হিসাবে উল্লেখ করেছেন (ইবনু কুদামাহ, ‘আত-তাওয়াবীন’ ৫৫ পৃ.)।প্রশ্নকারী : আব্দুল মালেক বিন ইদ্রীস, চাঁপ
উত্তর : যে মসজিদের নীচে কবর রয়েছে তা পাকা করা হৌক বা ঢালাই করা হৌক তাতে ছালাত আদায় করা জায়েয নয়। কেননা কবরের ব্যাপারে তিনটি বিষয় নিষিদ্ধ- ১. কবরের উপরে ছালাত আদায় করা ২. সরাসরি কবরের দিকে ছালাত আদায় করা ৩. কবরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা মসজিদে ছালাত
উত্তর : ছূফীদের মতে, বুযুর্গানে দ্বীন যে খতম পড়ে দো‘আ করতেন সে খতমকে খতমে খাজেগান বলে। খাজেগান শব্দের অর্থ হ’ল ছাহেবগণ বা পীর ছাহেবগণ। এর দ্বারা উদ্দেশ্য হ’ল পীর ও বুযুর্গানে দ্বীন। এই খতমের নির্দিষ্ট পদ্ধতি আছে। এসব পদ্ধতিতে দো‘আ ও যিকির পাঠের
উত্তর : গর্ভপাত করানো জায়েয হবে না। কারণ জনৈকা গামেদী মহিলা তার উপর যেনার হদ্দ কায়েম করতে বললে রাসূল (ছাঃ) তাকে সন্তান জন্ম দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলেন (মুসলিম হা/১৬৯৫; মিশকাত হা/৩৫৬২)। বিশেষ করে শিশুর শারীরিক গঠন শুরু হয়ে গেলে কোনভাবেই
উত্তর : সরকারের যেকোন বৈধ প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করা জায়েয এবং বেতন নেয়াও জায়েয। নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত হওয়ার জন্য শিক্ষকগণ শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করবেন। এরপরেও ক্লাসে উপস্থিত না থাকলে শিক্ষকগণ দায়ী হবেন না। কিন্তু শিক্ষক বা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অবহেলা
উত্তর : অন্যের জমি অবৈধভাবে দখল করা নিঃসন্দেহে মহাপাপ। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, কেউ যদি অন্যায়ভাবে কারু এক বিঘত জমি দখল করে, ক্বিয়ামতের দিন সাত তবক যমীন তার গলায় বেড়ী পরানো হবে (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/২৯৩৮)। সমস্ত অবৈধ সম্পদ ক্বিয়ামতের দিন ঐ ব্যক্তি
উত্তর : অন্যের পক্ষ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা এবং এর বিনিময় গ্রহণ করা উভয়টি প্রতারণা ও হারাম। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে আমাদের সাথে প্রতারণা করল, সে আমাদের দলভূক্ত নয়’ (মুসলিম হা/১০১)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আরো বলেছেন, ‘আল্লাহ যখন কোন বিষয় হারাম ক
উত্তর : প্রথমত: ছাত্রদের থেকে মাত্রাতিরিক্ত ফী উঠানো সমীচীন নয়। অতঃপর প্রয়োজন অনুযায়ী ফী উঠানোর পরও যদি টাকা অবশিষ্ট থাকে, তাহ’লে তা কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে শিক্ষকগণ নিজেদের মধ্যে বন্টন করে নিতে পারবেন। অনুমতি ছাড়া এমন কাজ করলে তা খেয়ানত হবে
উত্তর : সুন্নাত হ’ল মৃত্যুর পরে ওয়ারিছদের মধ্যে শরী‘আত মোতাবেক সম্পত্তি বণ্টন করা। কারণ আল্লাহ তা‘আলা মৃত্যুর পরে সম্পদ বণ্টনের কথা বলেছেন’ (নিসা ৪/১১-১২)। এক্ষণে যদি কেউ কোন কারণ বশত তার যাবতীয় সম্পদ বা কিছু সম্পদ ওয়ারিছদের মাঝে বণ্টন করে
উত্তর : কালো জাদু বলতে এমন কিছু কাজ বুঝায়, যেগুলোর মাধ্যমে নিজ স্বার্থ হাছিল কিংবা অন্যের ক্ষতি সাধন করা হয়ে থাকে। যেমন বশীকরণ, তাবীয-কবয করা, বান মারা, জাদু-টোনা ইত্যাদি। এসব কাজকে যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেন, তা জাদু হিসাবেই পরিগণিত হবে। জা
উত্তর : যেহেতু জায়গাটি মায়ের নামে রয়েছে, সেহেতু মায়ের সকল ওয়ারিছ উক্ত সম্পত্তির ভাগ পাবে। আল্লাহ তা‘আলা সূরা নিসায় সম্পদ বণ্টন পদ্ধতি উল্লেখ করে বলেন, আল্লাহ তোমাদের সন্তানদের (মধ্যে মীরাছ বণ্টনের) ব্যাপারে তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, এক পুত্র
উত্তর : হজ্জের কুরবানীর সাথে দেশে থাকা পরিবারের কুরবানীর কোন সম্পর্ক নেই। অতএব প্রত্যেক হাজীর কর্তব্য হবে সামর্থ্য থাকলে পরিবারের জন্য আলাদাভাবে কুরবানীর ব্যবস্থা করা (ওছায়মীন, আল লিকাউশ শাহরী ৩৪/১৬; বিস্তারিত দ্র.হাফাবা প্রকাশিত ‘মাসায়েলে
উত্তর : অভিভাবক ছাড়া বিবাহ শুদ্ধ হয় না। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে নারী তার অলীর অনুমতি ছাড়া বিবাহ করবে, তার বিবাহ বাতিল, বাতিল, বাতিল’ (তিরমিযী হা/১১০২; মিশকাত হা/৩১৩১; ছহীহুল জামে‘ হা/২৭০৯)। তবে যেহেতু বিবাহ রাষ্ট্রীয় অনুমোদনে বিবাহ সম্পাদিত হ
উত্তর : মুসলমান একে অপরকে হাদিয়া প্রদান করতে পারে। তবে এর দ্বারা উদ্দেশ্য হবে পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করা এবং রাসূল (ছাঃ)-এর সুন্নাতের উপর আমল করা। এছাড়া তাতে দুনিয়াবী কোন উদ্দেশ্যও রাখা যাবে না, নতুবা তা ঘুষে পরিণত হবে। ওমর (রাঃ) বলেন, ‘রাসূল (
উত্তর : কুরবানী করা সুন্নাতে মুওয়াক্কাদাহ। অতএব প্রত্যেক মুসলমানের জন্য সাধ্যানুযায়ী কুরবারী করা আবশ্যক। তবে এটি ওয়াজিব নয়, যে সাধ্যে না কুলালেও তাকে কুরবানী করতেই হবে। এটি ইসলামের অন্যতম নিদর্শন, যা আল্লাহ কুরআনে ছালাতের পাশাপাশি উল্লেখ করেছেন&
উত্তর : অতিরিক্ত গ্যাসের সমস্যা দেখা দিলে দুই ওয়াক্তের ছালাত জমা‘ করে আদায় করা যায় (আবূদাউদ হা/২৯৪; নাসাঈ হা/২১৩. সনদ ছহীহ; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১৩/১১৮)। যেমন যোহর ও আছরের ছালাত ক্বছর ছাড়াই জমা করবে এবং একইভাবে মাগরিব ও এশার ছাল
উত্তর : মাইয়েতের পরিচয়ের স্বার্থে অনলাইনে মাইয়েতের ছবি ব্যবহার করা দোষণীয় নয় (আলবানী, আহকামুল জানায়েয ৩৩. পৃ.; ফাতাওয়া ইসলামিয়াহ ২/১০৬)। তবে মাইয়েতের মৃতদেহের ছবি প্রচার করা তার জন্য অবমাননার শামিল। অতএব তা প্রচার থেকে বিরত থাকতে হবে। উল্লে
উত্তর : হারাম বস্ত্তর মাধ্যমে কোন চিকিৎসা নেই। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আল্লাহ তা‘আলা রোগ নাযিল করেছেন এবং প্রতিষেধকও। আর প্রত্যেক রোগের ঔষধও নির্ধারণ করেছেন। সুতরাং তোমরা ঔষধ ব্যবহার করো, কিন্তু হারাম বস্ত্ত দ্বারা ঔষধ সেবন করবে না (আবূদাউদ হা/৩
উত্তর : যদি ফেসবুকে প্রদর্শিত বিজ্ঞাপনের উপর নিজের নিয়ন্ত্রণ থাকে এবং তা অশ্লীলতামুক্ত ও হালাল হয়, তাহ’লে হালাল কন্টেন্ট পোস্টের মাধ্যমে যে অর্থ উপার্জিত হবে, তা গ্রহণ করা জায়েয হবে; নইলে নয়।প্রশ্নকারী : শারাবান তাহুরা, শিরোইল, রাজশাহী।
উত্তর : কেবল পিতা-মাতাই নয়, যেকোন বিবদমান দুই পক্ষের মাঝে সংশোধনের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া যেতে পারে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘ঐ ব্যক্তি মিথ্যাবাদী নয়, যে মানুষের মধ্যে সদ্ভাব স্থাপন করার জন্য (বানিয়ে) ভাল কথা পৌঁছে দেয় অথবা ভাল কথা বলে
উত্তর : আক্বীকার জন্য খাওয়ার আয়োজন করা কিংবা প্রতিবেশীদের মধ্যে সে গোশত বিতরণ করায় বাধা নেই। তবে স্মর্তব্য যে, একে অলীমা অনুষ্ঠানে পরিণত করা যাবে না। ইমাম ইবনু আব্দিল বার্র ইমাম মালেকের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘বিবাহের অলীমায় যেভাবে লোকদের দাওয়াত দেও
উত্তর : অন্যান্য ওয়ারিছদের বাদ দিয়ে পুরো সম্পত্তি কোন একজনকে বা শুধু মেয়েদেরকে লিখে দেওয়া যাবে না। আর এতে অন্য ওয়ারিছদের বঞ্চিত করার নিয়ত থাকলে তিনি নিশ্চিতভাবে আল্লাহর বিধান লংঘনের কারণে গোনাহগার হবেন। তবে শারঈ কারণে ও সন্তানের নিরাপত্তার স্বার
উত্তর : মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া কবীরা গোনাহ। এর মাধ্যমে সে নিজে যেমন তার পরকাল হারায়, তেমনি অন্যের ক্ষতি করে বাড়তি গোনাহগার হয়। অতএব একজন পুলিশের জন্য কর্তব্য হবে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান থেকে আবশ্যিকভাবে বিরত থাকা। যদি মিথ্যা সাক্ষ্য না দেওয়ার কারণে
উত্তর : ছালাতে রাফ‘উল ইয়াদায়েন করা সুন্নাত এবং এটা ছহীহ হাদীছ সমূহ দ্বারা প্রমাণিত। অতএব সবাইকে এই প্রতিষ্ঠিত সুন্নাতটি পালন করার চেষ্টা করতে হবে (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ২৭/৯৫; বিস্তারিত দ্রঃ ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) ১০৮ পৃষ্ঠা)। ইমাম শাফেঈ (রহ
উত্তর : কোন ব্যক্তি নাপাক অবস্থায় মারা গেলে তার জন্য একটি গোসলই যথেষ্ট (নববী, আল-মাজমূ‘ ৫/১২৩; ইবনু কুদামাহ, মুগনী ২/৩৪৫)। যেমন বদরের যুদ্ধে হানযালা (রাঃ) নাপাক অবস্থায় শহীদ হ’লে ফেরেশতাগণ একটি গোসলই দিয়েছিলেন (ছহীহাহ হা/৩২৬; ইরওয়া হা/
উত্তর : প্রশ্নেই স্পষ্ট যে উক্ত কার্যক্রম সূদভিত্তিক ও প্রতারণাপূর্ণ। আর আল্লাহ তা‘আলা সূদকে হারাম করেছেন এবং সূদখোরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন (বাক্বারাহ ২/২৭৮-৭৯)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতারণা করে, যে আমাদের দলভুক্ত নয়
উত্তর : অন্যান্য বিষয়ের মতই বিবাহ আল্লাহ তা‘আলা কর্তৃক পৃথিবী সৃষ্টির ৫০ হাযার বছর পূর্বে লিপিবদ্ধ (মুসলিম হা/২৬৫৩; মিশকাত হা/৭৯)। আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষার কারণে বিবাহ বিলম্বিত হ’তে পারে। কেননা তিনি ভাল-মন্দের মাধ্যমে পরীক্ষা করে থাকেন&nb
উত্তর : মিথ্যা ও প্রতারণা না থাকার শর্তে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করা জায়েয এবং এ কাজে পারিশ্রমিক নেওয়াও জায়েয। বেতনের বিনিময়ে শ্রমিক কোম্পানীর কাছে শ্রম বিক্রি করে থাকে। আর শ্রমিক সরবরাহ করাও একধরনের বেচাকেনা। এই ধরনের চুক্তিতে মধ্যস্থতাকারী
উত্তর : সর্বাবস্থায় পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করতে হবে যদিও তারা সন্তানের প্রতি যুলুম করেন (ইসরা ১৭/২৩)। পিতা তার ভাল-মন্দ কর্মের জন্য দায়ী হবেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তোমাদের সন্তানগণ তোমাদের উপার্জনের অন্তর্ভুক্ত’ (আবূদাঊদ, নাসাঈ
উত্তর : ‘সাধ’ বা ‘সাধভক্ষণ’ কোন কোন সমাজে একটি গর্ভকালীন অনুষ্ঠান হিসাবে পরিচিত। গর্ভবতী নারীর গর্ভধারণের সাত মাস পূর্ণ হ’লে অষ্টম বা নবম মাসে মা ও সন্তানের সুস্বাস্থ্য কামনায় প্রসূতিকে ভাল কিছু খাওয়ানোর প্রথাকে ‘সাধভক্ষণ’ বলা হয়। এই রেওয়াজের সাথে ইস
উত্তর : ঋণ পরিশোধের নিমিত্তে যাকাতের অর্থ গ্রহণ করা যায় (তওবা ৯/৬০; নববী, আল-মাজমূ‘ ৬/২১০; ওছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৬/২৩৪)। এক্ষণে যদি ব্যক্তি প্রকৃতই যাকাতের হকদার হয় এবং ঋণ পরিশোধের কোন অবলম্বন না থাকে, তাহ’লে স্বীয় ঋণ পরিশোধে উক্ত যাকাত
উত্তর : যাকাত ফরয হওয়ার জন্য শর্ত দু’টি (১) নিছাব পরিমাণ স্বর্ণ বা সমপরিমাণ নগদ অর্থের মালিক হওয়া বা স্বর্ণ ও নগদ অর্থের সমন্বয়ে নিছাব পরিমাণ সম্পদ মালিকানায় থাকা। (২) নিছাব পরিমাণ সম্পদ বা অর্থ পূর্ণ এক বছর মালিকানায় থাকা। এক্ষণে কারো মালিকানায়
উত্তর : উক্ত দো‘আটি নিয়মিত পাঠ করা যায়। এর পাশাপাশি নিম্নের দো‘আসমূহ পাঠ করবে। ১. ‘রাবিবগ্ফির্লী ওয়ালি ওয়া-লি দাইয়া ওয়ালিমান দাখালা বায়তিয়া মুমিনাও ওয়া লিল মু’মিনীনা ওয়াল মু’মিনাত’। (হে আমার রব! আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে, যে আমার ঘরে বিশ
উত্তর : এমন কাজে সহায়তা করা যাবে না। কারণ আল্লাহ তা‘আলা যেমন অশ্লীলতার নিকটবর্তী হ’তে নিষেধ করেছেন, তেমনি সহায়তা করতেও নিষেধ করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমরা গুনাহ ও সীমালংঘনের কাজে একে অপরকে সহযোগিতা কর না’ (মায়েদাহ ৫/২)। অতএব উক্ত কোম্প
উত্তর : প্রচলিত ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা পুরোপুরি সূদমুক্ত নয় বা সন্দেহমুক্ত নয়। আর ইসলামী শরী‘আত সন্দেহ থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘হালাল সুস্পষ্ট এবং হারামও সুস্পষ্ট। আর উভয়ের মধ্যে এমন বহু সন্দেহযুক্ত বিষয় রয়েছে, যা অনে
উত্তর : যেখানে অশ্লীলতা ও পাপাচারের প্রসার ঘটে, সেখানে কাজ করা যাবে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তুমি বল, নিশ্চয়ই আমার প্রতিপালক প্রকাশ্য ও গোপন সকল প্রকার অশ্লীলতা হারাম করেছেন’ (আ‘রাফ ৭/৩৩)। তিনি আরো বলেন, ‘তোমরা প্রকাশ্য বা গোপন কোন অশ্লীলতা
উত্তর : পিতার অনুমতি ছাড়া মা তার মেয়েকে অন্যত্র বিবাহ দিতে পারবে না। কারণ মেয়ের বিবাহের জন্য তার বৈধ পুরুষ অভিভাবক আবশ্যক। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘ওলী ব্যতীত বিবাহ সিদ্ধ নয়’ (আহমাদ, সুনান চতুষ্টয়; ছহীহুল জামে’ হা/৭৫৫৫; মিশকাত, হা/৩১৩০)। তিনি আরো
উত্তর : মূসা (আঃ)-এর তোতলামী তাঁর জন্য নবুঅত ও রিসালাতের দায়িত্ব পালনে প্রতিবন্ধক ছিল না। তাছাড়া তাঁর দো‘আর কারণে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর সেই ত্রুটিও দূর করে দেন। মূসা (আঃ) দো‘আয় বলেছেন, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমার বক্ষ প্রসারিত করে দাও! আমার কর্ম সহজ ক
উত্তর : জামা‘আতে ছালাত আদায় করা ওয়াজিব। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আযান শুনতে পেয়েও বিনা ওযরে মসজিদে আসে না তার ছালাত সিদ্ধ হবে না’ (ইবনু মাজাহ হা/৭৯৩: ছহীহ তারগীব হা/৪২৬; মিশকাত হা/১০৭৭)। অতএব সাধ্যমত মসজিদে গিয়ে জামা‘আতে ছালাত আদায় করব
উত্তর : এসকল ক্ষেত্রে স্ত্রীকে অধিক পরিমাণে নছীহত করবে। স্ত্রীর চাহিদা যেমন স্বামী পূরণ করবে, তেমনি স্বামীর চাহিদা পূরণেও স্ত্রী সচেষ্ট থাকবে। স্ত্রী সুস্থ থাকলে তার জন্য আবশ্যক হ’ল স্বামী আহবান করলে যে কোন সময় তার ডাকে সাড়া দেয়া (তিরমিযী হ
উত্তর : সিসি ক্যামেরার ছবিযুক্ত মনিটর ছালাতের জন্য প্রতিবন্ধক নয় কিংবা ফেরেশতাদের প্রবেশের জন্যও বাধা নয়। কেননা তা ছবি, মূর্তি, প্রতিকৃতির অন্তর্ভুক্ত নয় এবং তা সম্মানের উদ্দেশ্যেও রাখা হয় না। তবে তা সম্মুখভাবে থাকলে বা ছালাত আদায়ে বিঘ্ন সৃষ্টি
উত্তর : পবিত্র কুরআনে ফরয ছাদাক্বা সমূহ ব্যয়ের আটটি খাত বর্ণিত হয়েছে (তওবা ৯/৬০)। (ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/৩৮৬)। ইমাম শাফেঈসহ একদল বিদ্বান সূরা তাওবার ৬০ নং আয়াতে বর্ণিত যাকাতের ৮টি খাতেই ফিৎরা বণ্টন করাকে জায়েয বলেছেন। কেননা ফিৎরাও একটি ফর
উত্তর : উক্ত পদ্ধতি সুন্নাহসম্মত হয়নি। বরং ঋতুবতী অথবা অপবিত্র ব্যক্তি মারা গেলে তার জন্য শুধু একবার গোসলই যথেষ্ট হবে (বাহূতী, কাশ্শাফুল ক্বেনা‘ ২/৮৭)। যেমন হানযালা (রাঃ) ওহোদের যুদ্ধে নাপাক অবস্থায় শহীদ হ’লে ফেরেশতাগণ তাঁকে একবারই গোসল দেন
উত্তর : পবিত্র সম্পদ থেকেই দান করা কর্তব্য (বাক্বারাহ ২/২৬৭)। তবে কেউ যদি হারাম উপার্জন থেকে স্বেচ্ছায় দান করে, তবে তা গ্রহণ করা যাবে। রাসূল (ছাঃ) অমুসলিমদের হাদিয়া গ্রহণ করেছেন (বুখারী হা/২৬১৭)। হারাম উপার্জনের জন্য দাতা দায়ী হবেন, গ্
উত্তর : এমতাবস্থায় হজ্জ আদায় হয়ে যাবে এবং এর জন্য কোন কাফ্ফারা দিতে হবে না। কেননা কেউ কারো পাপের বোঝা বহন করবে না (নাজম ৫৩/৩৮)। তবে অভিযুক্ত মু‘আল্লিমগণ কঠিন গুনাহের অংশীদার হবেন। এটা একদিকে যেমন প্রতারণা, অন্যদিকে হজ্জের একটি ওয়াজিব বিধান
উত্তর : আপন ভাই-বোন অসহায় হ’লে তাদের যাকাতের অর্থ দেওয়া জায়েয। কারণ তাদের উপর খরচ করা ভাইয়ের জন্য অপরিহার্য নয়। বরং আত্মীয়কে যাকাত দিলে দ্বিগুণ ছওয়াব পাওয়া যাবে। একগুণ দানের জন্য ও আরেকগুণ আত্মীয়কে দান করার মাধ্যমে সম্পর্ক রক্ষার জন্য (ওছায়
উত্তর : উক্ত ছালাতই যথেষ্ট হবে। পুনরায় ছালাত আদায় করতে হবে না (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ১/৪১৪; বাহূতী, কাশশাফুল ক্বেনা‘ ১/২৬৯)। ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, যদি নারীর চুল বা শরীরের কোন ছোট অংশ উন্মুক্ত হয়ে যায়, তবে তাকে ছালাত পুনরাবৃত্তি করতে হবে ন
উত্তর : বিবাহ শুদ্ধ হওয়ার জন্য ছেলে-মেয়ে, মেয়ের অভিভাবক, ন্যায়পরায়ণ দু’জন সাক্ষী এবং ঈজাব কবূল সম্পন্ন হওয়া শর্ত। এগুলো বিদ্যমান থাকলে বিবাহ শুদ্ধ হয়েছে (বুখারী হা/৪৭৪১; ছহীহুল জামে‘ হা/১০৭২, ৭৮৫৫)। আর বিদ্যমান না থাকলে বিবাহ শুদ্ধ হয়নি। মো
উত্তর : সন্তান লাভের জন্য নবী ইব্রাহীম ও যাকারিয়া (আঃ) কর্তৃক পঠিত দো‘আ পাঠ করবে এবং যথাযথ চিকিৎসা করবে। (১) যাকারিয়া (আঃ) দো‘আয় বলেন, রবেব লা-তাযারনী ফারদাঁও ওয়া আনতা খায়রুল ওয়ারিছীন। অর্থ : হে আমার রব, আমাকে একা রেখো না। তুমি তো উত্তম উত্
উত্তর : পোষা বা ক্রয় করা কোন পশুকে কুরবানীর জন্য নির্দিষ্ট করলে ও সেই মর্মে ঘোষণা দিলে তা আর বদল করা যাবে না। এটি ওয়াকফের মত। তবে যদি নির্দিষ্ট না করে থাকে, তাহ’লে তার বদলে উত্তম পশু কুরবানী দেওয়া যাবে (নববী, আল -মাজমূ‘ ৮/৪০২; ইবনু কুদামাহ,
উত্তর : যাদের পিতৃ পরিচয় অজ্ঞাত তারা দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ইসলামী আইনে নিজ পিতার স্থানে অন্য কাউকে পিতা হিসাবে পরিচয় দেয়া বৈধ নয়। অতএব পালক পুত্রকে নিজ পুত্র হিসাবে কোন দলীলে উপস্থাপন করা যাবে না (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজ
উত্তর : একমাত্র শারঈ কারণ ব্যতীত স্বামীর নির্জনবাসের আহবানকে প্রত্যাখান করা হারাম। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘সেই আল্লাহর কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ আছে! কোন স্বামী তার স্ত্রীকে নিজ বিছানার দিকে আহবান করার পর সে আসতে অস্বীকার করলে যিনি আকাশে আছেন
উত্তর : যেনা-ব্যভিচার জঘন্য হারাম কাজ। এগুলো থেকে বিরত থাকা এমনকি নিকটবর্তী হওয়া থেকে দূরে থাকাও আবশ্যক (ইসরা ১৭/৩২)। এক্ষণে যেনার মাধ্যমে যেহেতু নারীর পেটে সন্তান চলে এসেছে সেজন্য উভয়ের তওবা করা আবশ্যক এবং ছেলের জন্য আবশ্যক হচ্ছে তাকে বিবা
উত্তর : কোম্পানীর সাথে যেভাবে চুক্তি হবে সেভাবে কাজ করা এবং কমিশন গ্রহণ করা জায়েয। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা তোমাদের অঙ্গীকার সমূহ পূর্ণ কর’ (মায়েদাহ ৫/০১)। আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন, ‘হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা পরস্পরের সম্পদ অন্যায়
উত্তর : বিছানা ধুয়ে ফেলা ভাল, তবে আবশ্যক নয়। রাসূল (ছাঃ)-এর কাপড়ে বীর্য লেগে শুঁকিয়ে গেলে আয়েশা (রাঃ) নখ দিয়ে খুঁটে ফেলতেন। অতঃপর তিনি ঐ কাপড়েই ছালাত আদায় করতেন (মুসলিম হা/২৮৮; মিশকাত হা/৪৯৫)। এজন্য অধিকাংশ ছাহাবী ও সালাফে ছালেহীন বীর্য লাগ
উত্তর: জনৈকা কুরায়শী মহিলা কর্তৃক দাওয়াত প্রদান এবং রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম কর্তৃক গ্রহণ মর্মে বর্ণিত ঘটনাটি ছহীহ (আহমাদ হা/২২৫৬২; ছহীহাহ হা/৭৫৪; ইরওয়া হা/৭৪৪)। তবে মাইয়েতের
উত্তর : এক্ষেত্রে কিছুই করার প্রয়োজন নেই। প্রথমতঃ সাধারণ অবস্থায় অমুসলিমদের সালাম দেওয়ার মাধ্যমে দো‘আ করা যাবে না (ছহীহাহ হা/৭০৪; মিশকাত হা/৪৬৩৫)। দ্বিতীয়তঃ কোন অমুসলিম মুসলমানকে সালাম দিলে ‘ওয়া আলাইকা’ বলে উত্তর দিবে (বুখারী
উত্তর : নিয়তের স্থান হচ্ছে অন্তর। সেজন্য নিয়ত মুখে পাঠ করা যাবে না (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১১/৪১৬)। বরং কুরবানীর পশু যবেহ করার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ ও ‘আল্লাহু আকবার’ পাঠ করবে এবং এর সাথে যার পক্ষ থেকে কুরবানী করা হবে তার নামও উল্লেখ করতে পারে&nb
উত্তর : আল-কুরআনে পারা, রুকূ ও মানযিলসহ অন্যান্য বিষয়গুলো ইজতিহাদী বিষয়, যা পরবর্তীকালে সংযোজিত হয়েছে। বিশেষ করে এগুলো হাজ্জাজ বিন ইউসুফের আমলে সংযোজিত হয়। যদিও ইতিপূর্বে ছাহাবীদের আমলে কেবল সূরার ভিত্তিতেই কুরআনের বিভাজন করা হ’ত (ইবনু তায়ম
উত্তর : রাসূল (ছাঃ)-এর স্ত্রীগণকে ‘মা’ বলে সম্বোধন করা হয়। কারণ আল্লাহ তা‘আলা স্বয়ং তাদেরকে ‘মুমিনদের মা’ বলে আখ্যায়িত করেছেন (আহযাব ৩৩/০৬)। কিন্তু তাদের কন্যাদের ‘মা’ বলে সম্বোধন করা সমীচীন নয়। কারণ এই পরিভাষাটি রাসূল (ছাঃ)-এর স্ত্রীগণের জ
উত্তর : সকল শুভ কাজ ডান হাতে করাই হাদীছ সম্মত (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/৪০০)। তবে ডান হাত অক্ষম হ’লে বা দুর্বল হ’লে বাম হাতে কুরবানী করা জায়েয (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২২/৪৭৪-৭৫)। প্রশ্নকারী : রেযওয়ান, মিরপুর, ঢাকা।
উত্তর : সাগরের সকল প্রকারের প্রাণী হালাল। চাই তা হাঙ্গর, শুশুক কিংবা অক্টোপাস হোক। কারণ আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের জন্য ভোগ্যবস্ত্ত হিসাবে সমুদ্রের শিকার ও সামুদ্রিক খাদ্য হালাল করা হয়েছে’ (মায়েদাহ ৫/৯২)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘সমুদ্রের পানি পবিত্র
উত্তর : জুম‘আ ও ঈদের মতই ইস্তিস্কার ছালাতের ক্ষেত্রেও সুন্নাত হচ্ছে যিনি ইমামতি করবেন তিনিই খুৎবা দিবেন বা যিনি খুৎবা দিবেন তিনিই ইমামতি করবেন। যেমন রাসূল (ছাঃ) ও খোলাফায়ে রাশেদীন নিজেরা খুৎবা দিতেন এবং ইমামতি করতেন। যিনি খুৎবা দিবেন তার জন্যই ই
উত্তর : ঈদের দিনে পারস্পরিক সাক্ষাতে কোলাকুলি করাতে দোষ নেই। কারণ লোকেরা এটা সামাজিক প্রথা হিসাবে করে থাকে, ইবাদত হিসাবে নয়। ঈদে বহু লোক বাইরে থেকে নিজ এলাকায় আগমনে করে এবং আত্মীয়-স্বজনের সাথে সাক্ষাৎ করে। কুশল বিনিময়ের সময় কোলাকুলি করে যা সুন্দ
উত্তর : বিবাহ করতে পারবে। কেননা দুধ পানকারীর জন্য কেবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বৈবাহিক সম্পর্ক হারাম, অন্যান্য আত্মীয়দের জন্য হারাম নয় (ফাৎহুল বারী ৯/১৪১-১৪২)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে সকল লোককে আল্লাহ তা‘আলা বংশগত সম্পর্কের কারণে (বিবাহ করা) হার
উত্তর : পাপী হ’তে থাকবে (ইবনু আলান, দলীলুল ফালেহীন ২/১৩৬; ওছায়মীন, শরহ রিয়াযুছ ছালেহীন ২/৩৪৫)। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি ইসলামে কোন মন্দ রীতির প্রচলন করবে, তার উপর তার নিজের এবং ঐ লোকদের গোনাহ বর্তাবে, যারা তার (মৃত্যুর) পর তার উপর
উত্তর : গর্ভবতী পশু দ্বারা কুরবানী করা জায়েয। কারণ কোন পশুর গর্ভবতী হওয়া তার শারীরিক ত্রুটি নয় (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২৬/৩০৭)। তবে গর্ভহীন পশু দ্বারা কুরবানী করা উত্তম। কারণ গর্ভবতী পশুর গোশত স্বাদে কম হয়ে থাকে (আল-মাওসূ‘আতুল
উত্তর : লাশ বা কবরের অস্তিত্ব খুঁজে না পাওয়া গেলে সেখানে মসজিদ নির্মাণ বা ছালাত আদায়ে কোন বাধা নেই (নববী, আল-মাজমূ‘ ৫/৩০৩; মারদাভী, আল-ইনছাফ ২/৩৮৭)। তবে কবর থাকার বিষয়টি স্পষ্ট হ’লে তার উপর কোনভাবেই মসজিদ নির্মাণ করা যাবে না। রাসূল (ছাঃ) বল
উত্তর : হালাল প্রাণী অমুসলিমদের থেকে ক্রয় করাতে কোন দোষ নেই। আর কুরবানী হিসাবে কবুল হ’তেও কোন সমস্যা নেই। কারণ আল্লাহ যে সকল প্রাণী হালাল করেছেন তা খাওয়া হালাল সেটি যেখানেই লালিত-পালিত হোক না কেন (মায়েদাহ ৫/৫)।প্রশ্নকারী : আব্দুর রাকিব
উত্তর : বিবাহের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য সন্তান লাভ করা। সেজন্য একান্ত বাধ্য না হ’লে সন্তান জন্মদান থেকে নিবৃত থাকা সমীচীন নয়। মা‘কিল ইবনু ইয়াসার (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি নবী করীম (ছাঃ)-এর খেদমতে উপস্থিত হয়ে বলল, আমি এক সুন্দরী ও মর্যাদা সম্পন্ন নার
উত্তর : কেবল শুক্রবারকে কেন্দ্র করে কোন নফল ছিয়াম রাখা জায়েয হবে না। কারণ শুক্রবারকে রাসূল (ছাঃ) ছিয়াম দ্বারা খাছ করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, রাত্রিসমূহের মধ্যে জুম‘আর রাতকে ক্বিয়াম (নফল ছালাত) পড়ার জন্য নির্দিষ্ট করো না এবং দিনসমূহের মধ্যে জু
উত্তর : পিতা-মাতার অন্য কোন আর্থিক উৎস থাকলে সন্তান ঋণ পরিশোধকে অগ্রাধিকার দিবে। কারণ ঋণ পরিশোধ না করা পর্যন্ত তা ব্যক্তির সাথে ঝুলন্ত থাকে। আর পিতা-মাতার অন্য কোন উৎস না থাকলে পিতা-মাতার প্রতি খরচ করাকে অগ্রাধিকার দিবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, 
উত্তর : যুদ্ধের কারণে রামাযানের ফরয ছিয়াম ত্যাগ করা জায়েয (মুসলিম হা/১১২০; আবুদাঊদ হা/২৪০৬)। তবে যুদ্ধ শেষে আবশ্যিকভাবে উক্ত ছিয়ামগুলো ক্বাযা আদায় করে নেয়া কর্তব্য ছিল (ইবনু হাযম, আল-ইস্তিযকার ১/৭৭; ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৪/৩৬৫; ফাতাওয়া ল
উত্তর : রুকূ পরবর্তী যিকিরের তিন অবস্থা- (১) ইমাম তার ইমামতিকালে ‘সামি‘আল্লা-হু লিমান হামিদাহ’ ও ‘আল্লা-হুম্মা রববানা লাকাল হামদ...’ উভয়টি বলবে (নববী, আল-মাজমূ‘ ৩/৪১৯; মারদাভী, আল-ইনছাফ ২/৪৮; ইবনু রুশদ, বিদায়াত
উত্তর : মূসা বিন সাইয়ার ছাহাবী ছিলেন না। বরং তিনি তাবে তাবেঈ ছিলেন। তিনি বছরার অধিবাসী ছিলেন। বর্ণনাকারী হিসাবে তিনি ‘যঈফ’ ছিলেন। তিনি তাক্বদীরে অবিশ্বাসী ছিলেন। তাছাড়া তিনি একজন গল্পকারও ছিলেন (আবু ওছমান জাহিয, আল-বায়ান ওয়াত তাবঈন ১/২৯৩)।
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি ছহীহ। ছালাত মুসলিম ও অমুসলিমের মাঝে পার্থক্য করে। যেমন অন্য হাদীছে এসেছে, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘বান্দা ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে ছালাত ত্যাগ করা’ (আবুদাঊদ হা/৪৬৭৮; মিশকাত হা/৫৬৯)। অন্যত্র তিনি বলেন, ‘আমা
উত্তর : উক্ত ব্যবসা জায়েয হবে না। কারণ ইবনু ওমর (রাঃ) বলেন, আমি বাজারে গিয়ে যয়তুন কিনলাম। তা আমার হস্তগত হ’লে এক ব্যক্তি এসে আমাকে এর একটা ভালো মুনাফা দিতে চাইলো। আমি তাকে সেটা দিতে চাইলে পিছন থেকে এক ব্যক্তি আমার বাহু টেনে ধরলেন। তাকিয়ে দেখি, য
উত্তর : ইবাদতের ফযীলত সম্পর্কে না জানলেও একনিষ্ঠভাবে আমল করলে নির্ধারিত ছওয়াব পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘হ্যাঁ, যে ব্যক্তি তার চেহারাকে আল্লাহর জন্য সমর্পণ করেছে এবং সৎকর্মশীল হয়েছে, তার জন্য তার পালনকর্তার নিকটে প্রতিদান রয়েছে।
উত্তর : ছহীহ মুসলিমের উক্ত হাদীছটি মসজিদে অনুষ্ঠিত প্রথম জামা‘আতের সাথে সংশ্লিষ্ট। সুতরাং পরবর্তী জামা‘আত চলাকালীন অন্যান্য মুছল্লীদের সুন্নাত ছালাত আদায়ে কোন বাধা নেই। ছহীহ মুসলিমে বর্ণিত হাদীছটি হচ্ছে- রাসূল (ছাঃ) বলেন, ছালাতের ইক্বামত দেয়া হ’
উত্তর : রহমত ও বরকত লাভের আশায় কোন আলেমকে বাড়িতে ছালাত আদায় করতে বলা যাবে না। কারণ বরকত ও রহমত কেবল আল্লাহর নিকট থেকে আসে। তবে রহমত ও বরকতের জন্য দো‘আ করতে বলা যাবে (শায়েখ বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৭/৬৫)। উল্লেখ্য যে, বদরী ছাহাবী ইতবান বিন মা
উত্তর : তারাবীহ ছালাতের পরে উক্ত দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করা যায়। আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) রাতে তের রাক‘আত নফল ছালাত আদায় করতেন। প্রথমে তিনি আট রাক‘আত ছালাত আদায় করতেন। তারপর বিতর আদায় করতেন। সবশেষে বসে বসে আরো দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করতেন। ...অ
উত্তর : ঈদের ছালাত নারী-পুরুষ সবাই জামা‘আতের সাথে মাঠে আদায় করবে। এক্ষণে নারীদের জন্য যদি ঈদের ময়দানে ছালাতের ব্যবস্থা না থাকে তাহ’লে তারা কোন পুরুষ ইমামের নেতৃত্বে মসজিদে অথবা নিজেরা মসজিদ বা বাড়িতে আদায় করে নিতে পারে। যাকওয়ান (রাঃ)-এর ইমামতিতে
উত্তর : নিজে পড়ার জন্য ফটোকপি করা জায়েয। তবে ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে কপি প্রিন্ট করা জায়েয নয় (ওছায়মীন, লিক্বাউল বাবিল মাফতূহ ১৯/১৭৮)। কারণ এতে মূল প্রকাশক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হ’তে পারে। আর ইসলামের অন্যতম মূলনীতি হচ্ছে কেউ অপরের দ্বারা ক্ষতি
উত্তর : এ বিষয়ে বিদ্বানদের মতভেদ রয়েছে। আধুনিক যুগের বিদ্বানদের মধ্যে যারা এ ব্যাপারে আপত্তি করেছেন তাদের মধ্যে শায়খ বিন বায (রহঃ) বলেন, একদল বিদ্বান মরণোত্তর দেহদান জায়েয বললেও আমার নিকট তা হাদীছে নিষিদ্ধ অঙ্গহানি মনে হয়। সেজন্য অঙ্গদান থেকে বি
উত্তর : সূদী ব্যাংকে টাকা রেখে সূদ গ্রহণ করা হারাম। বরং এর পরিবর্তে সে উক্ত টাকা দিয়ে সরাসরি সহযোগিতা করতে পারে অথবা বৈধ কোন স্থানে বিনিয়োগ করে লাভবান হয়ে অসহায়কে সাহায্য করতে পারে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৩/৩৪৩; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৯/৪
উত্তর : কাফির-মুশরিকেরা নির্যাতিত হ’লে এবং আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করলে তাদের দো‘আ কবুল হ’তে পারে। আল্লাহ বলেন, যিনি আর্তের আহবানে সাড়া দেন, যখন সে তাকে ডাকে এবং তার কষ্ট দূর করে দেন (নমল ২৭/৬২)। উক্ত আয়াতে মুসলিম ও অমুসলিমকে আলাদা করা হয়নি।
উত্তর : মক্কায় প্রবেশের জন্য বিশেষ কোন দো‘আ কুরআনে বা ছহীহ হাদীছে বর্ণিত হয়নি। বিভিন্ন বই-পুস্তকে এ বিষয়ে যে সকল দো‘আ পাওয়া যায় সেগুলো সনদবিহীন। অতএব মাসনূন বা রাসূল (ছাঃ) বর্ণিত দো‘আ হিসাবে কিছু পাঠ করা যাবে না (নববী, আল-মাজমূ‘ ৮/২৫৯; মাওয়
উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা দু’টি কারণে বিপদ-আপদ দেন। প্রথমতঃ পাপীদের শাস্তি দেওয়ার জন্য। যেমন আল্লাহ বলেন, তোমাদের যেসব বিপদাপদ হয়, তা তোমাদের কৃতকর্মের ফল (শূরা ৪২/৩০)। অন্যত্র আল্লাহ তা‘আলা বলেন, স্থলে ও সমুদ্রে সর্বত্র বিপর্যয় ছড়িয়ে
উত্তর : ছিয়ামরত অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সহবাস ব্যতীত অন্তরঙ্গ হওয়া জায়েয। তবে সাবধান থাকতে হবে, যেন এমন কাজ না করা হয়, যাতে ছিয়াম ভঙ্গ হওয়াসহ ক্বাযা ও কাফফারা উভয়টি ওয়াজিব হয়ে যায়। আর মযী নির্গত হওয়াতে ওযূ ভঙ্গ হ’লেও ছিয়াম ভঙ্গ হয় না (মুগনী ৩/
উত্তর : উক্ত বিবাহ বাতিল করে দিতে হবে এবং পুনরায় বিবাহ করতে চাইলে সন্তান প্রসব করা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কেননা গর্ভবতী অবস্থায় বাচ্চা প্রসব না করা পর্যন্ত বিবাহ সংঘটিত হয় না (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূউল ফাতাওয়া ৩২/১০৬; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন
উত্তর : ফরয ছাদাক্বা যাকাত, ওশর, ছাদাক্বাতুল ফিতর কেবল মুসলিম হকদারদের জন্য নির্দিষ্ট, অমুসলিমদের জন্য নয় (নববী, আল-মাজমূ‘ ৬/১৪২, ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী ২/৪৮৭)। তবে যদি তাদের অন্তরকে ইসলামের দিকে আকৃষ্ট করার উদ্দেশ্য থাকে কিংবা তাদের কোন বি
উত্তর : এটি জায়েয হবে না। কেননা কারবারটি জমি বন্ধকী প্রথার অন্তর্ভুক্ত, যা নিষিদ্ধ। তাছাড়া এখানে মেয়াদকাল অনির্ধারিত। আর ইসলামী শরী‘আতে অস্পষ্ট ব্যবসা হারাম (মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহীম, ফাতাওয়া ওয়া রাসায়েল ৭/৪৯-৫০)। এটি এক ধরনের প্রতারণা। আর প্
উত্তর : যেসব মহিলা জুম‘আর ছালাতের জন্য মসজিদে যেতে চান তাদের জন্য গোসল করা সুন্নাত। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘পুরুষ এবং নারীর যে কেউ জুম‘আর ছালাতের জন্য মসজিদে আসবে সে যেন গোসল করে’ (ছহীহ ইবনু খুযায়মাহ হা/১৭৫২)। তিনি বলেন, হে মুসলিমগণ! জুম‘আ
উত্তর : কোন উপায় না থাকলে পুরুষ সার্জনের মাধ্যমে যথাসাধ্য পর্দা বজায় রেখে অপারেশন করানো যেতে পারে (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ২১/৪৩৯; ওছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৯/০২)। তবে মহিলা চিকিৎসককে দেখানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। আর অর্থনৈত
উত্তর: ঋণদাতা স্বেচ্ছায় ও খুশী মনে ছেড়ে দিলে তা ভোগ করায় দোষ নেই। আর ভুলে গিয়ে ছেড়ে দিলে তাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। তাতেও স্মরণ না হ’লে তার নামে দান করে দিবে (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১৫/৩৮৫, ১৯/১৯১)।প্রশ্নকারী :ন
উত্তর : পিতা-মাতার খেদমত করা অপরিহার্য। আবার জামা‘আতে ছালাত আদায় করা ওয়াজিব। এক্ষণে পিতা-মাতার পাশে থাকার মত অন্য কেউ থাকলে তাকে রেখে জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করবে। আর যদি কেউ না থাকে তাহ’লে পিতা-মাতার খেদমতকে অগ্রাধিকার দিবে এবং বাসায় ছালাত আদ
উত্তর : প্রথম বিবাহই যথেষ্ট। নতুন করে বিয়ে পড়তে হবে না। সংসারে সুখ-শান্তি ফিরিয়ে আনতে হ’লে ইসলামের বিধি বিধান মেনে চলতে হবে। এক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রীর পারস্পরিক ভালোবাসা ও একে অপরের প্রতি দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে সংসার সুখী হবে ইনশাআল্লাহ&nbs
উত্তর : বিবাহ সঠিক হয়েছে। কারণ বিবাহের জন্য ছেলের ক্ষেত্রে অভিভাবক শর্ত নয়। তবে ছেলের উচিৎ বিবাহের ক্ষেত্রে পিতা-মাতার সামাজিক ও আর্থিক অবস্থা ও মর্যাদার প্রতি খেয়াল রেখে বিবাহ করা। কারণ রাসূল (ছাঃ) কুফু বা সমতা দেখে সন্তানের বিবাহ প্রদানের নির্
উত্তর : এক্ষেত্রে গৃহীত সমপরিমাণ টাকাই ফেরত দিবে। এ ব্যাপারে বিদ্বানগণের মধ্যে কোন মতভেদ নেই’ (ইবনু কুদামা, আল-মুগনী, মাসআলা নং ৩২৬১, ৪/২৩৯)। আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রাঃ) বলেন, যদি কেউ কাউকে কোন ঋণ দেয়, সে যেন তা আদায় করার শর্ত ব্যতীত অন্য কোন
উত্তর : এটি একটি অনৈসলামিক সংস্কৃতি, যা পরিত্যাজ্য। রাসূল (ছাঃ) বলেন, তোমরা ইহূদী-নাছারাদের অনুকরণে সালাম দিয়ো না। কেননা তারা হস্ততালু, মাথা ও ইশারার মাধ্যমে সালাম প্রদান করে থাকে (দায়লামী, ছহীহাহ হা/১৭৮৩)। তিনি আরো বলেন, তোমরা সালাম প্রদান
উত্তর : ফেরত দিতে হবে। কারণ স্ত্রীর পক্ষ থেকে খোলা‘ বা বিবাহ বিচ্ছেদ হ’লে স্ত্রী তার মোহরানা স্বামীকে ফেরত দিবে (বুখারী হা/৫২৭৩; মিশকাত হা/৩২৭৪)। তবে ফেরত দেওয়ার সামর্থ্য না থাকলে সামাজিকভাবে মীমাংসা করে নিবে (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৭/৩২৩
উত্তর : ওযূ করার সময় ধৌতকৃত অঙ্গগুলো শুকানোর পূর্বে বাকী অঙ্গগুলো ধৌত করতে হবে। যদি কারো অঙ্গ ধৌত করার পর বাকী অঙ্গগুলো ধৌত করার পূর্বে শুকিয়ে যায় তাহ’লে ওযূ বাতিল হয়ে যাবে (শাওকানী, আস-সায়লুল জারার ৫৬ পৃ.; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৩/২৯৪; ওছ
উত্তর: ঋণগ্রস্ত হিসাবে যাকাতের টাকা গ্রহণ করতে পারবেন। কারণ এটি যাকাতের ৮টি খাতের অন্যতম (তওবাহ ৯/৬০; ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৮/৩৩১-৩৩৭)।প্রশ্নকারী :নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, কিশোরগঞ্জ।
উত্তর : কোন প্রকারের সম্পর্ক রাখা যাবে না। এতে শয়তান অবৈধ সুযোগ নিবে। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয় তোমার কর্ণ, চক্ষু ও হৃদয় প্রতিটিই জিজ্ঞাসিত হবে’ (বনু ইস্রাঈল ৩৬)। তিনি বলেন, বস্ত্তত যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য উপায় বের করে দেন’।
উত্তর : তালাক হবে না। তালাকের জন্য শর্ত হচ্ছে নিয়তের সাথে মুখে সরাসরি তালাকের কথা উল্লেখ করে বলা বা লিখা। আর তালাকে কেনায়ার ক্ষেত্রে অন্তরে স্পষ্ট তালাক প্রদানের নিয়ত থাকতে হবে। যেহেতু স্বামী তালাক প্রদানের বিষয়টি অস্বীকার করছে, সেহেতু তাতে তালা
উত্তর : এক্ষেত্রে বিধান হ’ল- প্রথমতঃ মুকুল আসার পূর্বে ফল বিক্রি করা জায়েয হবে না। কারণ জাবের (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) ফল পরিপক্ক হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এবং কয়েক বছরের মেয়াদে কোন গাছের বা বাগানের ফল বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন (বুখারী হা
উত্তর : স্বামী ও স্ত্রী প্রত্যেকে নিজ নিজ সম্পদের যাকাত দিবে। কারণ যাকাত ফরয হয় মালিকানার উপর। এক্ষণে যেহেতু স্বামী এবং স্ত্রীর কারো সম্পত্তি আলাদাভাবে নিছাব পরিমাণ হয়নি তাতে যাকাত দিতে হবে না।প্রশ্নকারী :শাহারুল ইসলাম, শাহবাগ ,ঢাকা।
উত্তর : শেষ বৈঠকে দৃষ্টি শাহাদত আঙ্গুলি নাড়ানোর প্রতি থাকবে। আব্দুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ছাঃ) যখন তাশাহহুদ আদায় করতে বসতেন তখন তাঁর ডানহাত তাঁর ডান উরুর উপর রাখতেন এবং তর্জনি দ্বারা ইশারা করতেন। আর দৃষ্টি তা
উত্তর : গীবত করা হয়েছে এমন ব্যক্তির জন্য অধিকহারে ইস্তিগফার পাঠ করাই তার কাফফারা। আর তার জন্য দান-ছাদাকা, ইস্তিগফার ও দো‘আ করবে (নববী, আল আযকার ৫৫০ পৃ.)। আর দো‘আয় বলবে, ‘আল্লাহুম্মাগফির লানা ওয়া লাহু’ অর্থাৎ আল্লাহ তুমি আমাদের ও তাকে ক্ষমা
উত্তর : পারবে। আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহরানা ফরয হিসাবে প্রদান কর। তবে তারা যদি তা থেকে খুশী মনে তোমাদের কিছু দেয়, তাহ’লে তা তোমরা সন্তুষ্টচিত্তে স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর (নিসা ৪/৪)।প্রশ্নকারী :হাফছা বিনতে শাহীন, বগুড়া।
উত্তর : সময় মত ছালাত আদায় করা মুসলমানের ধর্মীয় অধিকার। এই অধিকার কোম্পানীর নিকট চেয়ে নিতে হবে। আশা করি এ সুযোগ তারা দিবে। না দিলে এবং সকল চেষ্টা ব্যর্থ হলে চাকুরী ছেড়ে অন্যত্র রিযিক অন্বেষণ করবে। আল্লাহ বলেন, বস্ত্তত যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে,
উত্তর : এতে কোন সমস্যা নেই। তবে যদি স্পষ্ট কোন নাপাকি বহন করে আর তা কাপড়ে বা পোষাকে দৃশ্যমান হয় তাহ’লে তা ধুয়ে ফেলতে হবে (আত-তাজ ওয়াল ইক্বলীল ১/২০৬,২১৬; যাকারিয়া আনছারী, আসনাইল মাতালিব ১/১৪)।প্রশ্নকারী :ছিয়াম শিকদার, চিতলমারী, বাগেরহাট।
উত্তর : মানুষের উপর তার নামের প্রভাব পড়তে পারে। আর এজন্য রাসূল (ছাঃ) ব্যক্তি, বস্ত্ত এমনকি জায়গার নামও পরিবর্তন করে দিতেন। নবী করীম (ছাঃ) আ‘ছ (অবাধ্য), আযীয (পরাক্রমশালী), আতলাহ (কর্কশ), হাকাম (বিচারক), গুরাব (কাক), হুবাব (সাপ) ও শিহাব (উল্কা) ন
উত্তর : উক্ত ফযীলত পেতে হ’লে ইমামের ছালাত সমাপ্ত করা পর্যন্ত সাথে থাকতে হবে (আবুদাঊদ হা/১৩৭৫; মিশকাত হা/১২৯৮)। ইমাম যদি বিতর সমাপ্ত করেন তাহ’লে ইমামের সাথে বিতর আদায় করবে। আর ইমাম বিতর আদায় না করলে মসজিদে বা বাড়ীতে বিতর আদায় করবে। তাহ’লে পু
উত্তর : বছরের নিষিদ্ধ পাঁচ দিন বাদ দিয়ে সারা বছর ছিয়াম পালন করা যায়; তবে সেটি সুন্নাতসম্মত নয়। কারণ এতে দেহের হক নষ্ট হয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি সারা বছর ছিয়াম রাখলো সে যেন কোন ছিয়ামই রাখেনি। একথা তিনি তিনবার বলেন (বুখারী হা/১৯৭৭; মু
উত্তর : যে কোন হালাল পশুর যবেহকালীন প্রবাহিত রক্ত নাপাক (আন‘আম ৬/১৪৫)। তা দেহে বা পোষাকে লাগলে ধুয়ে ছালাত আদায় করতে হবে। আর মাংসে লেগে থাকা রক্তের ছিটাফেঁাটা শরীরে বা কাপড়ে লাগলে নাপাক হবে না। উক্ত পোষাক পরিধান করে ছালাত আদায়ে কোন দোষ নেই&n
উত্তর : পুরোটা আদায় করতে হবে। কারণ বছর অতিক্রান্ত হওয়া যাকাত মওকূফের কারণ নয়। এক্ষণে প্রত্যেক বছরের মূল সম্পদ আনুমানিক হিসাব করে যাকাতের পরিমাণ বের করবে এবং যাকাত আদায় করবে। আর যাকাত আদায়ে বিলম্ব করার জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাইবে (বিন বায,
উত্তর : ছালাতের সম্পর্ক পবিত্রতা ও সতরের সাথে। যদি প্যারালাইস্ড রোগীর ডায়াপারে অপবিত্রতা লেগে থাকে তাহ’লে ছালাতের পূর্বে পবিত্র হয়েই ছালাত আদায় করতে হবে। এক্ষেত্রে আত্মীয়রা সহযোগিতা করবে। কেউ সহযোগিতা করার মত না থাকলে উক্ত ডায়াপার পরেই ছালাত আদা
উত্তর : বিশুদ্ধ মতে জিনদের মাঝে আলাদা কোন নবী-রাসূল প্রেরণ করা হয়নি। বরং মানবজাতির নবী-রাসূলই জিনদের নবী-রাসূল। তবে জিনদের নিকট তাদের পক্ষ থেকে ভীতি প্রদর্শনকারী আগমন করে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমার পূর্বে আমরা জনপদবাসীদের মধ্য হ’তে কেবল পুরুষদে
উত্তর :‘ইয়া ছাবরা আইউবা’ দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে ‘হে আল্লাহ! তুমি আমাকে আইউব (আঃ)-এর মত ধৈর্য ধারণের তাওফীক দাও’। এরূপ বাক্য দো‘আ অর্থে ব্যবহার করায় দোষ নেই। কারণ শারঈ বিধান ব্যতীত নবী-রাসূলগণের আদর্শ ও আচরণ অনুসরণীয়। আল্লাহ বলেন, এরাই হ’ল ঐসব মান
উত্তর : স্বামী ইসলাম গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে স্ত্রীর সাথে তার বিবাহবন্ধন ছিন্ন হয়ে গেছে এবং তালাকে রাজঈ হয়ে গেছে। কেননা কোন মুসলিমের সাথে কাফির ব্যক্তির বিবাহ হারাম (বাক্বারাহ ২/২২১)। অতএব এমতাবস্থায় স্ত্রী থেকে আলাদা থাকতে হবে। এক্ষণে স্ত্র
উত্তর : মসজিদে কোন মুছল্লী অজ্ঞান হয়ে পড়লে পাশের মুছল্লীগণ ছালাত ছেড়ে দিয়ে রোগীর সেবা করবে এবং পরবর্তীতে উক্ত ছালাত পুনরায় আদায় করে নিবে (ওছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৮/০২)।প্রশ্নকারী : হাসান আলী, ফুলবাড়ি, দিনাজপুর।
উত্তর : সূদ সর্বাবস্থায় হারাম। তা গ্রহণ থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। এক্ষণে পিতার সম্পদ যদি হারাম উপার্জন থেকে হয় তাহ’লে সন্তানের জন্য সেখান থেকে খরচ গ্রহণ করা অপরাধ নয়। এতে সূদ গ্রহণ করার জন্য পিতা গুনাহগার হবেন, কিন্তু সন্তান নয়। তবে সন্তানের দায়িত্
উত্তর : পূর্বেকৃত পাপকর্মের জন্য অনুতপ্ত হয়ে খালেছ অন্তরে তওবা করবে। আল্লাহ বলেন, ‘হে আমার বান্দারা! যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করে দিবেন। তিনি তো ক্ষমাশীল ও দয়াবান (যুম
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। কেননা হাদীছটি পর্যালোচনা সাপেক্ষ। প্রথমত উক্ত হাদীছ দ্বারা স্বর্ণ ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত আয়েশা (রাঃ) কর্তৃক এর বিপরীত আমল বর্ণিত হওয়ায় তা মানসূখ বলে কতিপয় বিদ্বান অভিমত ব্যক্ত করেছেন (বায়হাক্বী
উত্তর : ঈদের ছালাতের জন্য জামা‘আত শর্ত। কিন্তু ওযরের কারণে জামা‘আত ছুটে গেলে করণীয় সম্পর্কে বিভিন্ন বর্ণনা পাওয়া যায়। বিশুদ্ধ মত হচ্ছে, সাধারণ ছালাতের উপর ভিত্তি করে একাকী তাকবীরসহ দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করে নিবে। এসময় খুৎবা দেওয়া যাবে না (ফ
উত্তর : হজ্জে ওযর ব্যতীত নারী-পুরুষ কেউ অন্যকে জামরায় পাথর নিক্ষেপের দায়িত্ব দিতে পারে না। কেউ এমনটি করলে ওয়াজিব ত্যাগকারী হিসাবে দম বা কুরবানী দিতে হবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১১/২৮৯; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৭/৩০৬)। অনুরূপভাবে কোন নারী বিন
উত্তর : এটা প্রতারণা হবে। কারণ মায়ের পণ্য কেনার সাথে নিজে লাভবান হওয়ার বিষয়টি মায়ের অজানা। ব্যবসা করতে হ’লে নিজের অর্থ দিয়ে ক্রয় করে মালিকানা সাব্যস্ত হওয়ার পর অধিক মূল্যে বিক্রয় করতে হবে (বুখারী হা/২১৩৫; মিশকাত হা/২৮৭০)। অতএব উক্ত কাজ থেকে
উত্তর : ঈদের দিন সন্তান জন্মের সপ্তম দিন হ’লে সে দিনেই আক্বীক্বা করবে। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘প্রত্যেক শিশু তার আক্বীক্বার সাথে বন্ধক থাকে। অতএব জন্মের সপ্তম দিনে তার পক্ষ থেকে পশু যবেহ করতে হয়, নাম রাখতে হয় ও তার মাথা মুন্ডন করতে হয়’ (আবুদাউদ
উত্তর : মাসিক আত-তাহরীকসহ ইসলামী বইপত্র কুরআন ও হাদীছ সম্বলিত, সেজন্য এসব যত্রতত্র বিক্রয় করা যাবে না। বরং পাঠের জন্য অন্য মুসলমানদের মাঝে বিতরণ করা যেতে পারে। এতে ছওয়াব হবে। আর যদি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে যায় তাহ’লে মাটিতে পুঁতে দিতে পারে বা আগুনে
উত্তর : অমুসলিম শ্বশুর-শাশুড়ীর বাড়ীতে পিতা-মাতা বা শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর হক আদায়ের উদ্দেশ্যে গমন করায় বাধা নেই। তবে তা যেন তাদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে না হয়। কেননা ইসলামী শরী‘আতে অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবে অংশগ্রহণ করা হারাম (ফুরকান ৭২; আবুদাঊদ, মিশক
উত্তর : এই উক্তিটি ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব, ইবনু আববাস ও ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে ছহীহ সনদে বর্ণিত হয়েছে। তাঁদের উক্ত বাক্য দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে, রাযা‘আত বা দুধ মা কেবল ছোটকালে দুই বছরের মধ্যে দুধ পান করলে সাব্যস্ত হয়। বড় হয়ে বা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়ে দুধ
উত্তর : কাউকে কষ্ট না দেওয়ার উদ্দেশ্যে সন্তান বা শিশুদের ভালোবেসে তার নাম ছোট করে ডাকা দোষণীয় নয়। রাসূল (ছাঃ) আয়েশা (রাঃ)-কে ‘আয়েশ!’ বলে আহবান করতেন (বুখারী হা/৩৭৬৮; মিশকাত হা/৬১৭৮)। তিনি স্বীয় খাদেম আনজাশাহকে ‘আনজাশ’ বলে ডাকতেন (বুখার
উত্তর : এমতাবস্থায় তিনি ক্বাযাও আদায় করতে পারেন বা ফিদইয়াহও দিতে পারেন। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, আল্লাহ মুসাফিরের উপর থেকে রহিত করে দিয়েছেন অর্ধেক ছালাত এবং মুলতবী রেখেছেন ছিয়ামকে। আর গর্ভবতী মহিলা ও দুগ্ধদানকারীণী মহিলা থেকে মুলতবী করে দিয়েছেন ছিয়াম
উত্তর : ছালাতরত অবস্থায় কোন নারীর মাসিক শুরু হ’লে ছালাত ছেড়ে দিবে এবং পরবর্তীতে পবিত্র হ’লে উক্ত ছালাতের ক্বাযা আদায় করবে। কারণ ওয়াক্ত প্রবেশের পর তার মাসিক শুরু হয়েছে (ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১২/২১৮)।প্রশ্নকারী : নাঈমা খাতুন, গোদাগাড়ী
উত্তর : সাধারণভাবে পশুর প্রতি ইহসান করার নিয়তে তাকে যবেহ করার সময় চোখ ঢেকে যবেহ করলে দোষ নেই। এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ছাগল যবেহ করি এবং দয়াপরবশ হই অথবা সে বলল, ছাগল যবেহ করতে আমার অন্তরে দয়ার উদ্রেক হয়। রাসূল (ছাঃ) দুইবার বললেন, তু
উত্তর : যাবে। কারণ এগুলো কোন খাদ্য নয় যা পাকস্থলীতে যায়। আর এগুলি রক্ত তৈরিতেও সহায়তা করে না (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২৫/২৪৫;মাজাল্লাতু মাজমা‘ইল ফিক্বহিল ইসলামী ১০/৯১৩)।প্রশ্নকারী : আব্দুর রহমান, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।
উত্তর : না, এতে কোন ক্ষতি নেই। এ কারণে স্ত্রী তার মা হয়ে যায় না। কারণ দুধ পানের মাধ্যমে হারাম হওয়ার জন্য প্রধানতঃ দু’টি শর্ত আছে। (১) দুই বছর বয়সের মধ্যে বা দুধ পানকালীন বয়সে দুধ পান করতে হবে (বাক্বারাহ ২/২৩৩)। সুতরাং প্রাপ্ত বয়সে দুধ পান ক
উত্তর : অনিচ্ছাকৃতভাবে কুরআন পড়ে গেলে কিংবা পা লাগলে ভীতি ও শ্রদ্ধার সাথে তওবার মন নিয়ে ‘ইন্নালিল্লা-হি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজে‘উন’ পাঠ করবে (বাক্বারাহ ২/১৫৬; মুসলিম হা/৯১৮; মিশকাত হা/১৬১৮)। অনুরূপভাবে কারো শরীরে বা সম্মানজনক কিছুর
উত্তর : যাবে। কারণ দ্বীনের মৌলিক জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য ফরযে আইন (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ৩/৩২৮)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘জ্ঞান অন্বেষণ করা প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরয (ইবনু মাজাহ হা/২২৪; ছহীহুত তারগীব হা/৭২)।
উত্তর : স্বামীর আনুগত্য করা ফরয এবং অবাধ্য হওয়া হারাম। যে নারী দুনিয়ায় স্বামীর অবাধ্য হবে সে যেমন দুনিয়ায় আল্লাহ, ফেরেশতা এবং হুরে আইনের লা‘নত বা অভিশাপপ্রাপ্ত হবে তেমনি পরকালে জাহান্নামে যাবে। পিতার বাড়ি যেতে হ’লে অবশ্যই স্বামীর অনুমতি নিতে হবে
উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা কুরআনে যাকাতের খাত স্পষ্টভাবে বর্ণনা করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ছাদাক্বাসমূহ কেবল (আট শ্রেণীর) লোকের জন্য। ‘ফক্বীর, অভাবগ্রস্ত, যাকাত আদায়ের কর্মচারী, ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট ব্যক্তি, দাসমুক্তি, ঋণগ্রস্ত, আল্লাহর রাস্তায় এবং (দুস
উত্তর : মোহর নির্ধারিত হবে বরের সামর্থানুযায়ী। বরের অর্থনৈতিক অবস্থা দুর্বল হ’লে বর এবং কনে পক্ষ বসে মীমাংসা করে নিবে বা স্ত্রীর সাথে সমঝোতা করে সাধ্যমত মোহরানা প্রদান করে মিটমাট করে নিবে। জনৈক ছাহাবী চার উক্বিয়া মোহর প্রদানের মাধ্যমে বিয়ে করলে
উত্তর : স্বপ্নদোষ হ’লে কেবল গোসল ফরয হয়। আর যে পোষাকে বীর্য লেগে যায় কেবল সেটা ধুয়ে নিবে (নববী, আল-মাজমূ‘ ২/১৪৬)। আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হ’ল, কোন পুরুষ লোক (ঘুম থেকে জেগে শুক্রের) আর্দ্রতা পেল, অথচ স্বপ্নদোষের কথ
উত্তর: বাদ্যযন্ত্রের বাজনা যে মাধ্যমেই করা হৌক না তা হারাম। মুখের মাধ্যমে হ’লেও হারাম এবং অন্য কোন মাধ্যমে করা হ’লেও হারাম (ইবনুল ক্বাইয়িম, আল-কালামু ‘আলা মাসআলাতিস সেমা‘ ১৬৭ পৃ.; তালবীসু ইবলীস ২৭৫ পৃ.)। ইবনু আবেদীন বলেন, বাদ্যযন্দ্র কেবল য
উত্তর : নফল ছালাতের ক্ষেত্রে ছালাতরত অবস্থায় প্রয়োজনে রাক‘আত কম বা বেশী করার নিয়ত পরিবর্তন করা যায়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, ‘রাতের নফল ছালাত দুই দুই রাক‘আত। অতঃপর যখন তোমাদের কেউ ফজর হয়ে যাবার আশংকা করে, তখন সে যেন এক রাক‘আত পড়ে নেয়। যা তা
উত্তর : তওবা করলেই যথেষ্ট হবে। থুতনিসহ মুখমন্ডল ধৌত করা কর্তব্য। অজ্ঞতাবশত আমল না করার কারণে আল্লাহ তা‘আলা ক্ষমা করে দিবেন ইনশাআল্লাহ। তবে জানার পর থেকে থুতনিসহ মুখমন্ডল ধৌত করবে এবং পূর্বের ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে। আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূ
উত্তর : অমুসলিমদের হেদায়াত এবং সুস্থতার জন্য দো‘আ করা জায়েয (হায়তামী, তোহফাতুল মুহতাজ ২/৮৮; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১/১০৩)। ওক্ববা বিন ‘আমের আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বলেন, তিনি মুসলিমদের বেশভূষাধারী এক ব্যক্তির নিকট দিয়ে গমনকালে সে তাকে সালাম দিল
উত্তর : উক্ত মেসেজ লেখায় এক তালাক কার্যকর হয়েছে। কারণ তালাক কার্যকর হওয়ার জন্য স্ত্রীকে অবহিত করা শর্ত নয়। স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে নিয়তের সাথে মুখে তালাকের কথা উচ্চারণ করলে বা লিখলে তালাক হয়ে যাবে (বিন বায, ফাতাওয়া ইসলামিয়াহ ৩/২৭৯; উছায়মীন, মা
উত্তর : উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে। কেননা মসজিদটি কবর কেন্দ্রিক নয়। তাছাড়া কবর রয়েছে মসজিদের পিছনে। আর হাদীছে কবর সামনে নিয়ে বা কবরের উপরে ছালাত আদায় করতে নিষেধ করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘সাবধান! তোমাদের পূর্বে যারা ছিল তারা তাদের
উত্তর : তাকদীরে বিশ্বাস করা ফরয। তাকদীরে লেখা থাকে বলে মানুষ আত্মহত্যা করে এমন কথা সঠিক নয়। বরং আল্লাহ তা‘আলা অদৃশ্যের খবর রাখেন। বান্দা সমগ্র জীবনে কি করবে বা করবে না তাঁর সবই জানা। এজন্য তিনি লিখে রাখেন (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ৮/
উত্তর : পুনরায় আদায় করতে হবে না। কারণ ছালাত আদায়ের সময় উক্ত অপবিত্রতা সম্পর্কে তার জানা ছিল না। রাসূল (ছাঃ) নাপাক জুতা পরে ছালাত আদায় করছিলেন। যখন জিব্রীল (আঃ) তাকে অবহিত করলেন তাঁর জুতার নাপাকী সম্পর্কে, তখন তিনি জুতা খুলে ফেলে দিলেও ছালাত পুনর
উত্তর : অসৎ কাজ করতে থাকলে সর্বদা নছীহত করতে হবে এবং তার হেদায়াতের জন্য আল্লাহর নিকট দো‘আ করতে হবে। তবে নরম ভাষায় তাকে উপদেশ দিতে হবে। কারণ আল্লাহ্ হেদায়াত না করলে যবরদস্তি করে কাউকে হেদায়াত করা সম্ভব নয় (বাক্বারাহ্ ২৭২; ক্বাছাছ ৫৬)। এছাড়া
উত্তর : হারামকে হারাম হিসাবে দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সাধ্যমত লোকদেরকে মদ খাওয়া থেকে নিরুৎসাহিত করবে। কোনভাবেই ‘অল্প খাবেন’ বা ‘অল্প ক্ষতিকর ব্রান্ডের খাবেন’ এজাতীয় কোন বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। সেই সাথে সুযোগমত ইসলামের পথে দাওয়াত দিতে হবে। রাসূল (ছাঃ)
উত্তর: রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সাথে খাদীজা (রাঃ)-এর বিয়ের সময় খাদীজা (রাঃ)-এর বয়সের ব্যাপারে ছহীহ সনদে কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না। তবে ঐতিহাসিকগণ চল্লিশ বছরকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন (সীরাতুর রাসূল (ছাঃ) ৭৬৩ পৃ.)। আবার আরেকদল ঐতিহাসিক ২৫, ২৮, ৩৫ বছর
উত্তর : দো‘আ কবুলের জন্য আল্লাহর প্রশংসা ও রাসূল (ছাঃ)-এর প্রতি দরূদ পাঠ করা মুস্তাহাব এবং দো‘আর একটি গুরুত্বপূর্ণ আদব। ফাযালা ইবনে ওবায়দ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) একজন লোককে ছালাতে প্রার্থনা করতে শুনলেন। কিন্তু সে তাতে আল্লাহর প্রশংসা করেনি
উত্তর : প্রকৃতিগতভাবে পুরুষ কোনভাবে নারী হ’তে পারে না। আবার নারী কখনো পুরুষ হ’তে পারে না। কেউ পুরুষ হয়ে নারীর ভান করার চেষ্টা করলে সেটা হারাম হবে। প্রথমতঃ এটা সৃষ্টির পরিবর্তন, যা আল্লাহ তা‘আলা হারাম করেছেন (নিসা ৪/১১৯)। দ্বি
উত্তর : প্রত্যেক মুমিনের জন্য কর্তব্য হ’ল চল্লিশ দিনের মধ্যে নাভীর নীচের লোমসহ সর্বপ্রকার নির্দেশিত ফিৎরাতসমূহ অপসারণ করা (মুসলিম হা/২৫৮; মিশকাত হা/৪৪২২)। চল্লিশ দিনের পরও এগুলো রেখে দেওয়া সুন্নাত বিরোধী কাজ। তাছাড়া দীর্ঘ দিন এগুলো কর্তন বা
উত্তর : এরূপ আমল করা যাবে। কিন্তু এর জন্য সময় নির্দিষ্ট করা জায়েয নয়। কেননা ছাহাবায়ে কেরাম থেকে এরূপ কোন দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় না।উল্লেখ্য যে, সূরা ইখলাছ তিনবার তেলাওয়াত করলে একবার পুরো কুরআন তেলাওয়াতের নেকী পাওয়া যায়। কেবল ফজরের পর নয় বরং যেকোন স
উত্তর : বিজয়ের মসজিদ তথা ‘মাসজিদুল ফাৎহ’ মসজিদে নববীর পশ্চিম দিকে খন্দকের যুদ্ধস্থলের পার্শ্বে অবস্থিত। আর প্রতি বুধবারের যোহর এবং আছরের মধ্যবর্তী সময়টুকু দো‘আ কবুলের সময় বলে একটি বর্ণনায় পাওয়া যায়। জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ
উত্তর : বাড়িতে সুন্নাতে রাতেবা দুই রাক‘আত আদায় করলে মসজিদে এসে বসার পূর্বে দুখূলুল মাসজিদ আদায় করতে পারে। আর মসজিদে এসে দুই রাক‘আত সুন্নাতে রাতেবা পড়লে তাহিইয়াতুল ওযূ ও দুখূলুল মাসজিদের হক আদায় হয়ে যাবে এবং পূর্ণ ছওয়াব পেয়ে যাবে। উল্লেখ্য যে, ফজ
উত্তর: উক্ত নামে মসজিদের নামকরণ করা যাবে না। কারণ এটা রাসূল (ছাঃ) এবং তাঁর মসজিদের সাথে খাছ। সুতরাং সাধারণভাবে অন্য মসজিদের এরূপ নামকরণ জায়েয নয়। কারণ এতে বহু বিধি-নিষেধের সমাবেশ ঘটে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৫/২৮৪)। আব্দুর রহমান বিন নাছের আল
উত্তর : ঋতুবতী মহিলারা মসজিদে অবস্থান করে খুৎবা শ্রবণ করতে পারবে না (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৫/৩৯৮, ৬/২৭২)। কারণ উম্মে আতিয়া (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) ঋতুবতী নারীদেরকে আদেশ করেছেন তারা যেন মুসলিমদের ছালাতের স্থান থেকে কিছুটা পৃথক থাকে (মুস
উত্তর : সন্তানকে সম্পদ থেকে বঞ্চিত করার জন্য পিতা-মাতা পাপী হবেন। এতদসত্ত্বেও সন্তান হিসাবে সাধ্যমত পিতা-মাতার মানসিক, শারীরিক ও আর্থিক সহায়তা দিতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের সন্তানগণ তোমাদের পবিত্রতম উপার্জনের অন্তর্ভুক্ত। অত
উত্তর : প্রথম বিবাহ শারঈ পদ্ধতিতে হয়নি। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘কোন মহিলা যদি অলীর বিনা অনুমতিতে বিবাহ করে, তাহ’লে তার ঐ বিবাহ বাতিল, বাতিল, বাতিল’ (তিরমিযী হা/১১০২; আবুদাউদ হা/২০৮৩ প্রভৃতি; মিশকাত হা/৩১৩১)। নবী করীম (ছাঃ) আরো বলেন, ‘কোন ম
উত্তর : ইন্টারনেটে প্রচলিত ইমোজিগুলো খৃষ্টানদের ধর্মীয় কোন চিহ্ন বলে প্রমাণিত নয়। সে দৃষ্টিকোণ থেকে এগুলো ব্যবহারে দোষ নেই। আবার এটি সরাসরি শারীরিক কাঠামোযুক্ত জীবন্ত কোন ছবি নয় যা হারামের পর্যায়ে পড়ে। বরং এটি মানবমনের অবস্থার ইঙ্গিতবাহক। সুতরাং
উত্তর : নারী বা পুরুষ যারাই জুম‘আর ছালাতের উদ্দেশ্যে মসজিদে আসবে তাদের জন্যই গোসল করা সুন্নাত। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘পুরুষ ও নারীর মধ্য হ’তে যেই জুম‘আর ছালাতের জন্য মসজিদে আসবে, সে যেন গোসল করে। আর যে আসবে না তার জন্য গোসল নেই’ (ছহীহ ইবনু খুযা
উত্তর : জেনে শুনে হারাম কাজ বা হারাম কাজে সহযোগিতা করা যাবে না; নতুবা উপার্জন হারাম হবে (ছালেহ ফাওযান, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২/৭২০)। বরং তাক্বওয়ার নীতি অবলম্বন করে আল্লাহর প্রতি ভরসা করবে। সাথে সাথে অন্য কোথাও হালাল আয়ের উৎস খোঁজ করবে। আল্লাহ তা‘আ
উত্তর : শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া হারাম, যা অমুসলিমদের সংস্কৃতি। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি যে জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করে, সে ব্যক্তি সেই জাতিরই অন্তর্ভুক্ত (আবুদাউদ হা/৪০৩১; মিশকাত হা/৪৩৪৭)। অতএব এত্থেকে মুসলিমদের বিরত থাকা আবশ্যক। তবে কাউকে
উত্তর : আদব শিক্ষার জন্য এমন নিয়ম করা প্রশংসনীয় কাজ। কারণ কুরআন তেলাওয়াত করাতে শিক্ষার্থীরা এক সময়ে কুরআন পাঠে অভ্যস্ত হয়ে পড়বে এবং ছালাতের রাক‘আত ছুটে যাওয়া থেকেও বিরত থাকবে। আর এজন্য সাত বছরের শিশুদের ছালাত আদায়ের প্রশিক্ষণ দিতে বলা হয়েছে। দশ
উত্তর : আযানের জবাব দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে সংক্ষেপে দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করার পর বসে খুৎবা শ্রবণ করবে (মুগনী ১/৩১১; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব ১৩/৩০৫)। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা যখন আযান শুনবে, তখন মুওয়াযযিন যা বলে তোমরাও তা ব
উত্তর: গযব নাযিলের স্থান অভিশপ্ত হওয়ায় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) গযব নাযিলের স্থানে অবস্থান করতে এবং সেখানে পানি পান করতে নিষেধ করে বলেন, ‘তোমরা গযবপ্রাপ্ত ছামূদ কওমের ঘর-বাড়িতে প্রবেশ করো না ক্রন্দনরত অবস্থায় ব্যতীত। যাতে তাদের যে বিপদ হয়েছে, তোমাদের ত
উত্তর : রামাযানের ছিয়াম ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম। যা অবহেলাবশতঃ পরিত্যাগ করার মাধ্যমে ব্যক্তি কবীরা গোনাহে পতিত হয়। অতএব উক্ত তিন বছর ছিয়াম ত্যাগের জন্য অনুতপ্ত চিত্তে তওবা করতে হবে এবং ভবিষ্যতে কোন দিন তা পরিত্যাগ করব না বলে প্রতিজ্ঞা করে আল
উত্তর : যে সকল কারণে ছিয়াম ছেড়ে দিলে কেবল ক্বাযা ওয়াজিব হয় সেগুলো হ’ল- ১. কোন ওযরের কারণে ছিয়াম ছাড়লে। যেমন অসুস্থ বা মুসাফির ব্যক্তির ছিয়াম, ঋতুবতী ও নিফাসওয়ালী নারীর ছিয়াম, গর্ভবতী বা দুগ্ধদান কারীণী মায়ের ছিয়াম। ২. কোন কারণ ছাড়াই ইচ্ছাকৃতভাবে
উত্তর : রামাযানে জোরপূর্বক কোন ছায়েমকে খাদ্য খাওয়ানো হ’লে তার ছিয়াম ভঙ্গ হবে না। সে ছিয়াম চলমান রাখবে এবং দিনের বাকী সময়ে কিছু খাবে না (নববী, আল-মাজমূ‘ ৬/৩২৬; ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৯/১৯৪)। আল্লাহ বলেন, ‘যার উপরে (কুফরীর জন্য) যবরদস্তি কর
উত্তর : মুসাফির ব্যক্তি সফরকালে ছিয়াম ভাঙ্গতে পারে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, অতএব তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ মাস পাবে, সে যেন এ মাসের ছিয়াম রাখে। তবে যে ব্যক্তি পীড়িত হবে অথবা সফরে থাকবে সে এটি অন্য সময় গণনা করবে। আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ চান, কঠিন চা
উত্তর : টয়লেটে ছালাত আদায় করা জায়েয নয় (তিরমিযী হা/৩১৭; মিশকাত হা/৭৩৭; আহমাদ হা/১১৮০১, সনদ ছহীহ)। তবে কোন উপায়ান্তর না থাকলে বাধ্যগত অবস্থায় ফরয ছালাত এমন স্থানেও আদায় করা যায় (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব)। সেক্ষেত্রে ভয়ের কারণে য
উত্তর : অতি বৃদ্ধ বা বৃদ্ধা যারা ছিয়াম পালনে অক্ষম, তারা ছিয়ামের ফিদ্ইয়া হিসাবে দৈনিক একজন করে মিসকীন খাওয়াবেন (বাক্বারাহ ২/১৮৪)। ছাহাবী আনাস (রাঃ) অতি বৃদ্ধ অবস্থায় গোশত-রুটি বানিয়ে একদিনে ৩০ (ত্রিশ) জন মিসকীন খাইয়েছিলেন (কুরতুবী)। ফি
উত্তর : পানিতে বরই পাতা ব্যবহার করা মুস্তাহাব। কারণ পবিত্রতা অর্জনের ক্ষেত্রে এটা পরিপূর্ণ (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৩/১১৩; ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৭/৪৭৩)। রাসূল (ছাঃ) তার মৃত কন্যার গোসল দানের নির্দেশনা দিয়ে বলেন, ‘তোমরা তিনবার, পাঁচবার,
উত্তর : ছালাতের পর এরূপ আমল রাসূল (ছাঃ), ছাহাবায়ে কেরাম বা সালাফে ছালেহীনের আমল দ্বারা প্রমাণিত নয়। অতএব এটি বিদ‘আত (মুসলিম হা/১৭১৮; মিশকাত হা/৫৩১৫)। তবে চিকিৎসা হিসাবে উক্ত আমল করা যায়। কারণ রাসূল (ছাঃ) সূরা নাস, ফালাক্ব ও ইখলাছ পাঠ করে হা
উত্তর : পিতা সুস্থ অবস্থায় তার কন্যা সন্তানদের বা ছেলে সন্তানদের প্রয়োজন মাফিক সম্পত্তি হেবা করতে পারবেন। তবে অছিয়ত করতে পারবেন না। কারণ ওয়ারিছদের জন্য কোন অছিয়ত নেই (বুখারী হা/২৭৪৭; মিশকাত হা/৩০৭৪)। পিতা অন্যান্য ওয়ারিছদের বঞ্চিত না করার ন
উত্তর : কন্যারা পাবে দুই-তৃতীয়াংশ, স্ত্রী এক-অষ্টমাংশ এবং বাকী সম্পত্তি দুই সহোদর বোন পাবে। দুই সহোদর বোন থাকায় চাচাতো ভাই-বোন কোন সম্পত্তি পাবে না। আল্লাহ বলেন, যদি দুইয়ের অধিক কন্যা থাকে, তাহ’লে তারা পরিত্যক্ত সম্পত্তির দুই-তৃতীয়াংশ পাবে। আর য
উত্তর : এ অবস্থায় স্বামীর অনুমতি নিতে হবে না। কারণ স্বামীর উপস্থিতিতে স্ত্রীকে নফল ছিয়াম পালন করতে নিষেধ করার কারণ হচ্ছে স্বামীর চাহিদার প্রতি খেয়াল রাখা। অতএব স্বামী যেহেতু পাশে না থেকে আরেকজন স্ত্রীর নিকট অবস্থান করছে, সেজন্য নফল ছিয়াম পালনে অ
উত্তর : রামাযানে দিনের বেলায় কেউ কিছু সময় অজ্ঞান হয়ে থাকলে তার ছিয়াম ভঙ্গ হবে না। রাসূল (ছাঃ) বলেন, তিন ব্যক্তির উপর থেকে কলম উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। (১) নিদ্রিত ব্যক্তি, যতক্ষণ না জাগ্রত হয়, (২) অসুস্থ (পাগল) ব্যক্তি, যতক্ষণ না আরোগ্য লাভ করে এবং (৩
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি ‘বাতিল’ (আলবানী, যঈফাহ হা/৮৩১)। অন্য বর্ণনায় সত্তুরটি রামাযান অপেক্ষা উত্তম বলা হয়েছে। এ বর্ণনাটিও ‘যঈফ’ (আতিয়া সালেম, শরহুল আরবাঈন ৫/৭৯)। আরো উল্লেখ্য যে, মক্কায় ছিয়াম পালন করা অন্যত্র ছিয়াম পালন অপেক
উত্তর : রামাযানে শয়তানদের শৃংখলাবদ্ধ করা হয় মর্মে একাধিক ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। এটি গায়েবী বিষয়। যেভাবে হাদীছে এসেছে সেভাবেই মুসলমানদের বিশ্বাস করতে হবে। তবে বিদ্বানগণ এর ব্যাখ্যায় বিভিন্ন অভিমত ব্যক্ত করেছেন। হাফেয ইবনু হাজার আসক্বালানী (রহঃ)
উত্তর : একাকী দো‘আ করার সময় হাতের পেট আকাশের দিকে মুখ বরাবর রেখে প্রার্থনা করবে। এ সময় এক হাত আরেক হাতের সাথে মিলে থাকবে (নববী, শরহ মুসলিম ৬/১৯০; ওছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৪/১৮)। শায়খ ওছায়মীন বলেন, দুই হাত ফাঁকা করে বা আলাদা করে হাত তুলে প্
উত্তর : শারঈ কারণ ব্যতীত জীব হত্যা মহাপাপ। সুতরাং অসুস্থ বিড়ালকে সাধ্যমত চিকিৎসা দিতে হবে এবং কোন মাধ্যম ব্যবহার করে তাকে হত্যা করা যাবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, আমার সামনে জাহান্নামকে পেশ করা হয়। তাতে আমি বনু ইস্রাঈলের এমন একজন মহিলাকে দেখতে
উত্তর : কন্যাশিশুদের মসজিদে নিয়ে যাওয়া যায়। তবে অন্য মুছল্লীদের জন্য বিরক্তিকর হ’লে তাদের নিয়ে যাবে না বা নিয়ে গেলেও পিছনে বসিয়ে রাখবে। আবু ক্বাতাদাহ (রাঃ) বলেন, আমি নবী করীম (ছাঃ)-কে ইমামতি করতে দেখেছি। এমতাবস্থায় নাতনী উমামাহ বিনতে আবুল ‘আছ তা
উত্তর : সরকার কর্তৃক প্রদত্ত যেকোন বৈধ সুবিধা গ্রহণ করাতে দোষ নেই (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৭/১২৬-৩০)। আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রাঃ) বলেন, আমি ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) আমাকে কিছু দান করতেন, তখন আমি বলতাম, য
উত্তর: প্রথমে বিভিন্নভাবে টাকার মালিককে খোঁজার চেষ্টা করবে। খুঁজে না পেলে অজ্ঞাত ব্যক্তির নামে উক্ত টাকা ছাদাক্বা করে দিবে (ইবনু আবী শায়বাহ হা/২৩১৩৩-৩৫; মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২২/১৪২)।তবে মালিকের নামে দান করার পরে যদি তার সন্ধান পাওয়া যায় এবং সে
উত্তর : ছাদাক্বা করা যায়। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, তোমরা ছাদাক্বার মাধ্যমে রোগের চিকিৎসা করো (ছহীহুত তারগীব হা/৭৪৪)। বিপদকালীন অবস্থায় করণীয় সম্পর্কে নছীহত করে রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা বিপদ দেখতে পেলে আল্লাহর নিকট দো‘আ কর এবং তার বড়ত্ব ঘোষণ
উত্তর : কর্তৃপক্ষের উচিৎ ছালাতের সময় পরীক্ষা না রাখা। কারণ আল্লাহ তা‘আলা ছালাতের জন্য সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন (নিসা ৪/১০৩)। এক্ষণে পরীক্ষা চলাকালীন ছালাত আদায়ের সুযোগ না পেলে মা‘যূর হিসাবে পরীক্ষা শেষে ছালাত আদায় করে নিবে (বিন বায, ফা
উত্তর : পবিত্র কুরআন মুমিনদের জন্য রোগ নিরাময়কারী এবং রহমত। সুতরাং উক্ত দো‘আ হতাশা দূর করার জন্য পাঠ করা যায় (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ১০/২৪৪-৪৬; ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২/৩৩৭)। দো‘আটি হ’ল- রবেব ইন্নী বিমা আনযালতা ইলাইয়া মিন খায়রিন ফ
উত্তর : নফল ছিয়াম আদায়কারী তার ছিয়ামের ব্যাপারে স্বেচ্ছাধীন। সে চাইলে তা পূর্ণ করতে পারে, আবার চাইলে ছেড়ে দিতে পারে (তিরমিযী হা/৭৩২; মিশকাত হা/২০৭৯, সনদ হাসান)। তিনি আরো বলেন, নফল ছিয়ামের উদাহরণ হ’ল ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে স্বীয় ধন-সম্পদ থেকে দ
উত্তর: অহংকারবশে পুরুষের টাখনুর নীচে যতটুকু কাপড় যাবে, সেটুকু জাহান্নামের আগুনে পুড়বে (বুখারী হা/৩৪৮৫, ৫৭৮৭; মিশকাত হা/৪৩১৩-১৪)। তবে প্রশ্নে উল্লেখিত বিব্রতকর অবস্থায় তিনি গোনাহগার হবেন না। কারণ এটি বাধ্যগত অবস্থা। আর আল্লাহ কারু উপরে তার সাধ্যে
উত্তর : উক্ত সম্পদ মালিককে ফেরত দেয়ার সাধ্যমত চেষ্টা করতে হবে। মালিককে না পাওয়া গেলে তার ওয়ারিছদের ফেরত দিতে হবে। তাদেরও না পাওয়া গেলে মালিকের নামে ছাদাক্বা করে দিবে (ইবনু আবী শায়বাহ হা/২৩১৩৩-৩৫; ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২২/১৪২)।প্রশ
উত্তর : বিশেষ কোন বরকত লাভের উদ্দেশ্যে আগরবাতি জ্বালানো হ’লে তা শিরক হবে, যা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। তবে স্থান সুগন্ধিময় করার লক্ষ্যে মাইয়েতের পাশে আগরবাতি জ্বালানোতে কোন দোষ নেই (আহমাদ হা/১৪০৬৯; নাসাঈ হা/৩৯৪০; মিশকাত হা/৫২৬১, সনদ হাসান)।প্র
উত্তর : এক্ষেত্রে চারটি পদ্ধতি বর্ণিত হয়েছে, যেগুলো ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত।(১) সুবহানাল্লাহ ৩৩ বার, আলহামদুলিল্লাহ ৩৩ বার, আল্লাহু আকবর ৩৩ বার ও লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহূ লা শারীকা লাহূ; লাহুল মুল্কু ওয়া লাহুল হাম্দু ওয়া হুয়া ‘আল
উত্তর : যে কোন পশু যবহ করার সময় বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবর বলবে। এছাড়াও বিভিন্ন দো‘আ বর্ণিত হয়েছে। যার কয়েকটি নিম্নরূপ- কুরবানীর পশু যবহ করার সময় বলবে, বিসমিল্লা-হি আল্লা-হুম্মা তাক্বাববাল মিন্নী ওয়া মিন আহলে বায়তী (আল্লাহর নামে, হে আল্ল
উত্তর : মোট ফসলের উপর বর্গাদার ওশর দিবে। কারণ ওশর হয় ফসলের উপর, জমির উপরে নয়। এর উপরেই জমহূর বিদ্বানগণের ঐক্যমত রয়েছে। পক্ষান্তরে ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) বলেন, জমির মালিককে ওশর দিতে হবে বর্গদারকে নয় (ইবনু হাযম, আল-মুহাল্লা ৪/৪৭; ইবনু কুদামা,
উত্তর : এটা শরী‘আত সম্মত নয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, তোমরা জানাযা করে দ্রুত লাশ দাফন কর। কেননা যদি মৃত ব্যক্তি পুণ্যবান হয়, তবে তোমরা ‘ভাল’-কে দ্রুত কবরে সমর্পণ কর। আর যদি অন্যরূপ হয়, তাহ’লে ‘মন্দ’-কে দ্রুত তোমাদের কঁাধ থেকে নামিয়ে দাও’ (মুত
উত্তর : মূল অর্থ গ্রহণ করায় দোষ নেই। মূল অর্থ থেকে আগত লভ্যাংশ ছওয়াবের আশা ছাড়াই ছাদাক্বা করে দিতে হবে (নববী, আল-মাজমূ‘ ৯/৩৫১; ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২৯/৩০৭; ২৯/৩০৭)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি হারাম মাল সঞ্চয় করে, অতঃপর তা থেকে
উত্তর : বান্দার হক বা অধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলোই হাক্কুল ইবাদ। যেমন কারো অর্থ বা জমি আত্মসাৎ করা ইত্যাদি। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আমার উম্মতের মধ্যে নিঃস্ব সেই ব্যক্তি, যে দুনিয়া থেকে ছালাত-ছিয়াম-যাকাত ইত্যাদি আদায় করে আসবে। সাথে ঐসব লোকেরাও আসবে, যা
উত্তর : জানাযার ছালাতে নিয়ত, ক্বিয়াম, চার তাকবীর, সূরা ফাতিহা পাঠ, দরূদ পাঠ, মাইয়েতের জন্য জানাযার দো‘আ ও সালামের মাধ্যমে ছালাত সমাপ্ত করা এক একটি রুকন। যার কোন একটি বাদ পড়লে ছালাত বাতিল হয়ে যাবে। কোন কোন বিদ্বান ধারাবাহিকতাকেও রুকন হিসাবে গণ্য
উত্তর : দানকৃত বস্ত্ত বিক্রয় করে তা দাতার উদ্দেশ্য মোতাবেক ব্যবহার করলে জায়েয হবে; নতুবা নয়। তবে মসজিদের ভিতরে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না (তিরমিযী হা/৩২২; মিশকাত হা/৭৩২)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যখন তোমরা মসজিদে ক্রয়-বিক্রয় করতে দেখবে তখন বলবে, আল্
উত্তর : তাকবীরে তাহরীমার পর মাসবূক ইমামকে যে অবস্থায় পাবে সে অবস্থায় ছালাতে অংশগ্রহণ করবে। ইমামের সাথে যে কয় রাক‘আত পাবে সেগুলো তার প্রথম দিকের রাক‘আত হিসাবে গণ্য করবে এবং ইমাম সালাম ফিরানোর পর দাঁড়িয়ে বাকী রাক‘আতগুলো আদায় করবে। বাকীগুলো পরের রা
উত্তর : Rx নিয়ে কয়েকটি ধারণা প্রচলিত রয়েছে। কেউ বলেন, এর দ্বারা রোমান দেবতা জুপিটার গ্রহ উদ্দেশ্য, যার শুভদৃষ্টিতে রোগ উপশম হবে বলে বিশ্বাস করা হয়। কারো মতে, এর দ্বারা বুঝানো হয় refer to x বা যিশুর নামে শুরু করছি। তবে চিকিৎসাশাস্ত্রের অভিধান মতে
উত্তর : চেয়ারে বসে ছালাত আদায় করলেও সুৎরা পরিমাণ জায়গা ফাঁকা রাখতে হবে। কারণ সে মাথা নিচু করে ইশারায় হ’লেও রুকূ ও সিজদা করবে (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়াহ ৬/২১)।প্রশ্নকারী : আবুল হোসাইন, দারুসা, রাজশাহী।
উত্তর : যদি বিলম্বে ঋণ পরিশোধ করার সুযোগ থাকে তাহ’লে বিবাহ করে ধীরে ধীরে ঋণ পরিশোধ করবে। আল্লাহ বলেন, যদি তারা নিঃস্ব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দিবেন (নূর ৩২)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, আল্লাহ তা‘আলার জন্য ঐ ব্যক্তিকে সাহায্
উত্তর : কবরের পাশে কুরআন তেলাওয়াত করা যাবে না। শায়েখ বিন বায (রহঃ) বলেন, মৃত ব্যক্তির জন্য কবরের পাশে বা যে কোন স্থানে গিয়ে কুরআন তেলাওয়াত করা বিদ‘আত (মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৪/৩৩৯; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ৯/৪৩)। কবরস্থানে গিয়ে সূরা ইয়াসীন পাঠের ফযীলত
উত্তর : বাড়িতে থেকে জামা‘আতে অংশগ্রহণ করা যাবে না। কেননা জামা‘আত হওয়ার জন্য শর্ত হ’ল কাতারের সাথে কাতার মিলে থাকা এবং ইমাম বা অন্য মুছল্লীদের দেখতে পাওয়া অথবা ইমামের আওয়াজ শুনতে পাওয়ার মাধ্যমে স্থানিক ঐক্য সাধিত হওয়া, যা বাড়ির মধ্যে থেকে সম্ভব ন
উত্তর : উক্ত মর্মে কিছু বর্ণনা পাওয়া যায়, যার সবগুলো যঈফ ও জাল (আলবানী, যঈফাহ হা/১২৫৫, ২৬৮৭)।প্রশ্নকারী : জাহেদুল ইসলাম, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
উত্তর : মাথার চুল, নখ ইত্যাদি মাটির নীচে পুঁতে ফেলা উত্তম বলে কিছু কিছু বিদ্বান অভিমত ব্যক্ত করেছেন। কিন্তু এটি যরূরী নয় (নববী, আল-মাজমূ‘ ১/২৯০; ইবনু কুদামাহ, মুগনী ১/৬৬)। ইবনে ওমর (রাঃ) সহ একাধিক ছাহাবীর আমল থেকে পুঁতে ফেলার প্রমাণ পাওয়া য
উত্তর : অর্থ না বুঝে কুরআন তেলাওয়াত করলেও তেলাওয়াতের ছওয়াব পাওয়া যাবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব হ’তে একটি হরফ পাঠ করবে তার জন্য দশটি নেকী রয়েছে (তিরমিযী হা/২৯১০; মিশকাত হা/২১৩৭)। তবে কুরআন বুঝে তেলাওয়াত করা অধিক ছওয়াবের কা
উত্তর : মদ খাওয়া নিষিদ্ধ (মায়েদাহ ৯০)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, সকল মাদক নিষিদ্ধ (মুসলিম হা/১৭৩৩; মিশকাত হা/৩৬৩৮)। তিনি বলেন, যার বেশীটা মাদকতা আনে, তার কমটাও হারাম (তিরমিযী হা/১৮৬৫ প্রভৃতি; মিশকাত হা/৩৬৪৫)। তিনি বলেন, তোমরা ক্ষতিগ্রস্থ
উত্তর : এটা তালাক হিসাবে গণ্য হবে না। কারণ তালাক প্রদানের অধিকার স্বামীর হাতে, স্ত্রীর নয় (ওছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১৯/০২)। তবে স্বামীর অনিষ্ট থেকে রক্ষা পেতে স্ত্রী চাইলে তালাক প্রার্থনা করতে পারে বা আদালতের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘ
উত্তর : মানব রচিত বিধান শরী‘আহ বিরোধী না হ’লে তা শিরকের মধ্যে গণ্য হবে না। এক্ষণে সরকারী কর্মজীবীরা রাষ্ট্রের অধীনে কাজ করে। রাষ্ট্র তার অধীনস্থ কোন কর্মকর্তাকে কোন শিরকী কাজ করার আদেশ দিলে সাধ্যানুযায়ী তা পরিহার করবে। এরপরেও তা করতে বাধ্য করা হ
উত্তর : একাধিক ওয়াজিব ছুটে গেলে একাধিক দম দিতে হবে। সুতরাং একটি দম দেওয়া যথেষ্ট হয়নি। বরং যে কয়টি ওয়াজিব ছুটে গেছে সেটি হিসাব করে দম দিতে হবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১১/৩৪২; ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২৩/৪০০)। আর যদি ওয়াজিবগুলো ভুলক্রমে তরক করা
উত্তর : অন্তরকে আল্লাহমুখী করার জন্য ছালাত হ’ল সর্বোত্তম যিকর’ (ত্বোয়াহা ১৪)। এছাড়া অন্য যেকোন যিকর নীরবে করা উত্তম। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ডাক বিনীতভাবে ও চুপে চুপে। নিশ্চয়ই তিনি সীমালংঘন কারীদের ভালবাসেন না’ (আ‘রাফ ৭
উত্তর : প্রথমত সুন্নাতী তরীকায় ছালাত আদায় করা হয়, এমন মসজিদে ছালাত আদায়ের চেষ্টা করবে, যদিও তা দূরে হয়। আর যদি এমন মসজিদ না পাওয়া যায়, তবে পার্শ্বস্থ মসজিদে গিয়েই জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করবে, যদি ইমামের বিদ‘আত এমন না হয়, যা তাকে ইসলাম থেকে খা
উত্তর : বোনদের সম্পদ বা মীরাছ থেকে বঞ্চিত করা কবীরা গোনাহ (ইবনুল ক্বাইয়িম, ই‘লামুল মুওয়াক্কিঈন ৪/৩০৬; বিন বায, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২০/২২১)। এমতাবস্থায় মায়ের নিকট থেকে লিখিত জমি ভাইয়েরা প্রাপ্য অনুযায়ী বোনদের মাঝে বণ্টন করে দিবে। রাসূল (ছাঃ) বল
উত্তর : আল্লাহর ভয়ে অনুতপ্ত না হয়ে এমনিতেই গুনাহ ছাড়লে সে পাপ মুক্ত হবে না। তাছাড়া ছওয়াবের উদ্দেশ্য না থাকলে সে এতে কোন ছওয়াব পাবে না (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ১০/৭৩৮; ইবনুল ক্বাইয়িম, শিফাউল আলীল ১/১৭০)। আর সাধারণভাবে লোকলজ্জায় কোন প
উত্তর : যেকোন বৈধ কাজ সৎমানুষ দ্বারা উদ্বোধন করানো যাবে। মসজিদের ইমাম ইটের ভাটা আগুন প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে উদ্বোধন করলে তাতে দোষ নেই। কেননা আগুন দিয়েই ইট পোড়ানো হয়। উল্লেখ্য যে, মাটি পুড়িয়ে ইট তৈরী করার ব্যাপারে কোন কোন এলাকায় কুসংস্কার রয়েছে। মূ
উত্তর : স্বামী মারা গেলে স্ত্রী চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করবে (বাক্বারাহ ২/২৩৪)। ইদ্দত পালনকালে একান্ত প্রয়োজন ব্যতীত বাড়ির বাইরে যাবে না; এমনকি আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতেও নয়। বাহ্যিক কোন সৌন্দর্য প্রকাশ করা যাবে না। এমনকি কানের দুল, নাকফুল ইত
উত্তর : হৃদয়ে দৃঢ় বিশ্বাস রেখে ও জেনে-বুঝে সেই মোতাবেক জীবন পরিচালনা করলে এবং আমৃত্যু এ অবস্থায় টিকে থাকতে পারলে সে জান্নাতে যাবে ইনশাআল্লাহ। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি এ বিশ্বাস নিয়ে মারা যাবে যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই, সে অবশ্যই জান্ন
উত্তর : যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি থাকলে গুনাহ হবে না। তবে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত খাবার বাড়িতে নেওয়া জায়েয হবে না। কারণ উক্ত খাবারের মালিক সরকার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। আর রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যাকে আমরা কোন দায়িত্বে নিয়োগ করি আমরা তার রূযীর ব্যব
উত্তর : ফুফুরা সুস্পষ্ট সম্মতি দেওয়ার পরে কোন স্বার্থের কারণে বর্তমানে তা অস্বীকার করলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। কারণ একবার সর্বসম্মতিক্রমে কাউকে সম্পত্তি দেওয়ার পর তা নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করা বা ফিরিয়ে নেওয়া জায়েয নয়। তবে ফুফুরা সম্পদ দাবী করলে ফারায়ে
উত্তর : মুকাবিবর নিযুক্তির উদ্দেশ্য ছিল মুছল্লীদের নিকট ইমামের আওয়াজ পৌঁছে দেওয়া। আর মাইক বা বক্স ব্যবহারে সে উদ্দেশ্য পূরণ হয়ে যাচ্ছে। বরং নির্বিঘ্নে মুছল্লীদের নিকট আওয়াজ পৌঁছার ক্ষেত্রে এটি নিরাপদ ও যরূরী মাধ্যম। সুতরাং মাইক ব্যবহারে সুন্নাত
উত্তর : সরাসরি উক্ত বাক্যে কোন হাদীছ বর্ণিত হয়নি। তবে দো‘আ অর্থে আল্লাহ হাফেয, ফি আমানিল্লাহ, ফি হিফযিল্লাহ ইত্যাদি বাক্য ব্যবহারে দোষ নেই। যেমন জনৈক ছাহাবী সফরকালে রাসূল (ছাঃ)-এর কাছে বিদায় চাইলে তিনি তার হাত ধরে বলেন, ‘ফী হিফযিল্লাহ ওয়া ফী কান
উত্তর : কুরআন ও হাদীছে বর্ণিত দো‘আসমূহ দো‘আ হিসাবে বলার সময় সর্বনাম, বচন বা লিঙ্গ পরিবর্তন করে পাঠ করা যাবে। এ ব্যাপারে ইবনু তায়মিয়াহ, শায়খ বিন বাযসহ বিদ্বানগণ আলোকপাত করেছেন (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূউল ফাতাওয়া ২২/৪৮৮; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৫
উত্তর: উক্ত মর্মে আয়েশা (রাঃ) থেকে বিশুদ্ধ সূত্রে একটি বর্ণনা পাওয়া যায় (মুসনাদে আবু ইয়া‘লা হা/৪৫৮৬; ফাৎহুল বারী ৫/৭৪)। তবে আয়েশা (রাঃ) নিজেই তঁার এই ভুলের জন্য ওযর পেশ করেছেন। যেমন তিনি বলেন, রাসূল (ছাঃ) আমার বুকে ও কোলে মাথা রেখে মারা গেছ
উত্তর : উক্ত মর্মে কিছু বর্ণনা পাওয়া যায়, যার অধিকাংশ ইস্রাঈলী বর্ণনা এবং যঈফ (নববী, আল-মাজমূ‘ ১/১১৪; ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ১৩/৩৬৬; ফাৎহুল বারী ৬/৪০৪)। সেজন্য কুরআন ও ছহীহ হাদীছে যতটুকু পাওয়া যায় ততটুকুতেই বিশ্বাস রাখতে হবে (
উত্তর : বর্ণনাটির সনদ যঈফ (যঈফাহ হা/৬০১১)। তবে আয়েশা (রাঃ) দুনিয়া ও আখেরাতে রাসূল (ছাঃ)-এর স্ত্রী হবেন বলে একাধিক দলীল রয়েছে। যেমন একদিন রাসূল (ছাঃ) আয়েশা (রাঃ)-কে বললেন, তুমি কি এতে খুশী নও যে, তুমি আমার দুনিয়া ও আখেরাতের স্ত্রী? তিনি বললে
উত্তর : উক্ত মর্মে কা‘ব আল-আহবার থেকে একটি ইস্রাঈলী বর্ণনা পাওয়া যায়, যা যঈফ (সুয়ূতী, আল-হাভী লিল ফাতাওয়া ২/৩৮২)। ঈসা (আঃ) ব্যতীত আসমানে অন্য কোন নবীর জীবিত থাকার ব্যাপারে বিশুদ্ধ কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না। অতএব কুরআন ও ছহীহ হাদীছে যতটুকু আছে
উত্তর : বর্ণনামতে এক তালাক হয়ে গেছে। কারণ কেউ তালাকের নিয়তে স্ত্রীকে কোন কাজ করা বা না করার শর্ত দিলে এবং স্ত্রী তা ভঙ্গ করলে তার এক তালাক হয়ে যাবে (বুখারী ১৭/৪২৯; ফাৎহুল বারী ৯/৩৯২; ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ৩৩/৬৫ পৃ.)। এক্ষণে স্ত্রী
উত্তর : সার্ভিস চার্জসহ দিতে হবে। কেননা যাকাতদাতার দায়িত্ব হ’ল যাকাতের অর্থ হকদারদের নিকট পৌঁছানো। সেজন্য সার্ভিস চার্জ যাকাতদাতার পক্ষ থেকেই দেওয়া কর্তব্য (বাহুতী, কাশশাফুল কেনা‘ ২/২৬৯; ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৮/৪৭৯-৮০)।প্রশ্নকারী :
উত্তর : শীতের টুপি মাথায় দিয়ে কপাল আবৃত করে ছালাত আদায় করা যায়। তবে সিজদার সময় সরাসরি কপাল ও নাক ঠেকিয়ে সিজদা দেওয়া উত্তম (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব ৮/৩০৩; ওছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব ৮/০২)। হাসান বাছরী (রহঃ) বলেন, রাসূলের ছাহ
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক। কারণ ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, একদিন নবী করীম (ছাঃ) ঘুমিয়েছিলেন, তখন তাঁর নাক ডাকার আওয়াজ শোনা গেল। অতঃপর দাঁড়িয়ে ছালাত আদায় করলেন। কিন্তু ওযূ করলেন না’ (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/১১৯৫)। অত্র হাদীছের ব্যাখ্যায় বিদ্বানগণ বলেন
উত্তর : এজন্য সবচেয়ে বড় উপায় হ’ল পরনারী থেকে দৃষ্টিকে অবনত রাখা। যে বিষয়ে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন (নূর ২৪/৩০)। রাসূল (ছাঃ) বেগানা নারীর দিকে তাকাতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেন, একবার দৃষ্টি পড়ার পর পুনরায় নয়। কেননা প্রথমবারের জন্য তোমার অনুমতি র
উত্তর : দ্বীন বলতে তাওহীদ এবং শরী‘আত বলতে বিভিন্ন নবীর জন্য নাযিলকৃত বিধিবিধান সমূহকে বুঝায়। আল্লাহ বলেন, ‘প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য আমরা পৃথক পৃথক বিধান ও পন্থা নির্ধারণ করেছি। আল্লাহ চাইলে তোমাদের সবাইকে তিনি এক দলভুক্ত করে দিতেন। কিন্তু তিনি
উত্তর : মাসবূক্বের ইক্বতিদা করায় দোষ নেই। তবে একা ছালাত আদায় করা উত্তম (ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ্দারব ১২/১৮৩; শায়েখ বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১২/১৫২)। শায়েখ ওছায়মীন (রহঃ) বলেন, মাসবূকের সাথে জামা‘আতে অংশ গ্রহণ করায় কোন দোষ নেই। তবে মাসবূক্বের ইক্ব
উত্তর : নারীরা মসজিদে ছালাত আদায় করতে পারেন। রাসূল (ছাঃ) তাদের মসজিদে যেতে অনুমতি দিয়েছেন (বুখারী হা/৯০০)। সেজন্য ওমরা পালনকারী নারী বায়তুল্লাহ বা মসজিদে নববীতে গিয়ে ছালাত করতে পারেন। তবে বিদ্বানদের মতে, অতিরিক্ত ছওয়াব প্রাপ্তির বিষয়টি কেবল
উত্তর : স্বামী শারীরিকভাবে অক্ষম হ’লে স্ত্রী চাইলে ধৈর্য ধারণ করবে অথবা খোলা‘ করে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। কারণ বিবাহের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক জৈবিক চাহিদা পূরণ করা (মুগনী ৭/২০১; ওছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ১২/২০৭)।প্রশ্নকা
উত্তর : ভ্রান্ত বিশ্বাস নিয়ে গঙ্গাসহ যেকোন তীর্থস্থানে জায়গায় যাওয়া এবং তাতে গোসল করা হারাম। কারণ তা শিরক। তাছাড়া খোলা জায়গায় গোসল করা নারীদের জন্য পর্দার খেলাফ। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আমার উম্মতের নারীদের জন্য বাইরে গোসল করা হারাম’ (ছহীহাহ হা/
উত্তর : ইমামের ভুল সংশোধনের জন্য আল্লাহু আকবার বলা সুন্নাত সম্মত পন্থা নয়। বরং ভুল সংশোধনের বাক্য হচ্ছে সুবহানাল্লাহ(আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়াহ ১১/২৮৮)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘ছালাতের মধ্যে যে ব্যক্তির কাছে কোন কিছু আপতিত হয় সে ব্যক্তি
উত্তর : আয়াতের শেষে লম্বা করে টানা যায়। তবে আয়াতের মধ্যে এক আলিফের স্থানে চার আলিফ টানা থেকে বিরত থাকা কর্তব্য। কেউ না জেনে টান দিয়ে পড়লে ছালাত বাতিল হবে না। কিন্তু জেনে শুনে যেখানে টান নেই সেখানে দীর্ঘ টান দিয়ে অর্থ বিকৃত করে ফেললে গুনাহ হবে। ত
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ইসলামে কোন মন্দ রীতি চালু করবে, তার পাপের বোঝা তার উপরই বর্তাবে এবং সে অনুযায়ী যে আমল করবে তার পাপও তার উপরে বর্তাবে। অথচ তাদের (অনুসরণকারীদের) পাপের কোন কমতি করা হবে না। পক্ষান্তরে প
উত্তর : কেবল অন্তরের পরিকল্পনায় তালাক হয় না। বরং তালাক দেওয়ার জন্য মুখে উচ্চারণ করা বা কাগজে লিখে প্রকাশ করা আবশ্যক। তবে তালাক দেওয়ার জন্য স্ত্রীকে জানানো বা তাকে শোনানো শর্ত নয়। বরং স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে অন্তরে নিয়ত রেখে মুখে উচ্চারণ করে তালাক দ
উত্তর : আত্মহত্যাকারী মুসলমান হ’লে তার জন্য দো‘আ ও ছাদাক্বা করা যায়। কেননা আত্মহত্যার ফলে সে কবীরা গুনাহগার হয়। কিন্তু কাফের হয়ে যায় না (নববী, শরহ মুসলিম ২/১৩২; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৮/৩৫১)। জাবের (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) যখন মদীনায় হিজরত কর
উত্তর : তাকবীরে তাহরীমার সময় আঙ্গুল স্বাভাবিক রাখবে (শানক্বীত্বী, শারহু যাদিল মুস্তাক্বনে‘ ১৩/৩৮; নববী, আল-মাজমূ‘ ৩/৩০৭)। আলক্বামা বিন ওয়ায়েল (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যখন রুকূ করতেন তখন তাঁর (হাতের) আঙগুলগুলো পরস্পরে ফাঁক করে রাখতেন এব
উত্তর : লাভ ভোগ করার প্রচলিত বন্ধকী প্রথা নিষিদ্ধ। কারণ ঋণের বিনিময়ে লাভ ভোগ করা সূদ। ছাহাবীগণ এমন ঋণ দিতে নিষেধ করতেন, যা লাভ নিয়ে আসে (বায়হাক্বী ৩/৩৪৯-৩৫০; ইরওয়াউল গালীল হা/১৩৯৭, ৫/২৩৪ পৃ.)। তবে বছরে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে জমি ভাড়া (লীজ
উত্তর : যে সব প্রাণীর গোশত হালাল, সে সব প্রাণীর দুধও হালাল। ঘোড়া ও বন্য গাধার গোশত হালাল (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/৪১০৭-০৮)। মহিষ হ’ল গরুর সমজাতীয় হালাল প্রাণী (মির‘আত হা/১৪৭০-এর আলোচনা)।প্রশ্নকারী : লিয়াকত আলী, হরিপুর, ঠাকুরগাঁও।
উত্তর : উক্ত মর্মে প্রচলিত বর্ণনাটি সঠিক নয়। তবে ডান দিক থেকে যেকোন ভালো কাজ করা মুস্তাহাব। কারণ নবী করীম (ছাঃ) জুতা পরা, চুল আঁচড়ানো এবং পবিত্রতা অর্জন করা তথা প্রত্যেক কাজই ডান দিক থেকে শুরু করতে ভালবাসতেন (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/৪০০)।প্রশ্নকা
উত্তর : মাইয়েত যতদিন বেহুঁশ বা জ্ঞানহীন অবস্থায় ছিলেন, ততদিন তিনি ছালাত ও ছিয়ামের বিধান থেকে মুক্তি পাবেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তিন ধরনের লোকের উপর থেকে কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছে- (১) নিদ্রিত ব্যক্তি, যতক্ষণ না জাগ্রত হয়, (২) অসুস্থ (পাগল) ব্যক্ত
উত্তর : পারবে। বরং চল্লিশ দিনের মধ্যে অন্তত একবার এগুলি ছাফ করবে (মুগনী ১১/২৮৮)। তবে তা যেন সৌন্দর্য প্রকাশের জন্য না হয় (শারবীনী, আল-ইক্বনা‘ ২/৪৭২)।প্রশ্নকারী : মাঈশা, নিমতলা, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
উত্তর : বিভিন্ন কিতাবে উক্ত বর্ণনা পাওয়া যায়। তবে বর্ণনাটি সঠিক নয়। ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ ও যাহাবীসহ অন্যান্য বিদ্বানগণ উক্ত ঘটনার অসারতা ও মিথ্যা হওয়ার বিষয়টি বর্ণনা করেছেন (মুহাম্মাদ বিন মুফলেহ, আল-আদাবুশ শার‘ইইয়াহ ২/৭৮; ড. নাছের আল-জাদী‘, আ
উত্তর : কোন যেনাকার নারী-পুরুষ খালেছ তওবা করলে তাকে বিবাহে বাধা নেই (ইবনু কাছীর, উক্ত আয়াতের তাফসীর; তাফসীরে সা‘দী ৫৬১ পৃ.)। তবে পিতা-মাতার সম্মান ও সামাজিক মর্যাদার প্রতি খেয়াল করে সন্তানের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিৎ। রাসূল (ছাঃ) বলেন, মহিলাকে চ
উত্তর : সাধারণ অবস্থায় স্থায়ীভাবে জন্মনিরোধ হারাম। তবে সাময়িকভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ জায়েয। সেজন্য সৎ উদ্দেশ্যে উক্ত প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করায় বাধা নেই (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৯/৩১১; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ্দারব ২১/৩৮৯)। উল্লেখ্য, দারিদ্রের ভ
উত্তর : মহিলাদের জন্য হালকা সুগন্ধিযুক্ত লোশন ব্যবহারে দোষ নেই। আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমরা নবী করীম (ছাঃ)-এর সাথে (মদীনা থেকে) মক্কায় সফর করেছি এবং ইহরামের সময় আমরা আমাদের কপালে ‘সুক্ক’ (السُّكّ) নামক সুগন্ধি (মহিলাদের ব্যবহৃত সুগন্ধি বিশেষ, যা বাইর
উত্তর : মিসওয়াকের উদ্দেশ্য হচ্ছে মুখ পরিষ্কার করা (বুখারী হা/২৭; মিশকাত হা/৩৮১)। একই উদ্দেশ্যে পেষ্ট-ব্রাশ ব্যবহৃত হয়। সুতরাং টুথপেষ্ট দিয়ে ব্রাশ করলেও মিসওয়াকের সুন্নাত পালন হবে এবং হাদীছে বর্ণিত ফযীলত পাওয়া যাবে। আর ‘মিসওয়াক’ দ্বারা প্রচল
উত্তর : উক্ত কাজ সঠিক হয়নি। ছালাতে শিশুদের সাথে করে নিয়ে যাওয়া উত্তম। এতে শৈশব থেকেই তাদের মসজিদে ছালাত আদায়ের অভ্যাস গড়ে ওঠে। সেকারণ নববী যুগে শিশুদের মসজিদে নিয়ে যাওয়ার প্রচলন ছিল। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) শিশুর ক্রন্দন শুনে ছালাত সংক্ষিপ্ত করেছেন&nb
উত্তর : প্রতিবেশীর হক উভয়ের জন্য সমান। তবে মুসলমানদের তুলনায় কম। প্রতিবেশী তিন প্রকার: (১) মুসলিম আত্মীয় প্রতিবেশী যার তিনটি হক রয়েছে। মুসলমান হিসাবে। আত্মীয় হিসাবে ও প্রতিবেশী হিসাবে (২) মুসলিম প্রতিবেশীর জন্য দু’টি হক রয়েছে। মুসলিম হিসাবে ও প্
উত্তর : সাধারণ অবস্থায় ভিক্ষাবৃত্তিকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করা হারাম। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ভিক্ষাবৃত্তি একটি হীন ক্লেশকর কাজ। এর দ্বারা মানুষ তার চেহারাকেই ক্লান্ত করে ফেলে। তবে শাসকের নিকট কিছু চাওয়া বা এমন অবস্থায় চাওয়া, যখন কোন গত্যন্তর নেই, তাহ’লে
উত্তর : অমুসলিমদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যাওয়া যাবে না এবং উক্ত উপলক্ষে এলাকার দোকানের দেওয়া কোন ছাড় গ্রহণ করাও যাবে না। কারণ সেখানে গমন করলে এবং ক্রয়-বিক্রয় করলে তাদের ধর্মীয় উৎসবকে সম্মান করা হবে এবং তা বাস্তবায়নে সহায়তা করা হবে। অথচ আল্লাহ নেকীর ক
উত্তর : বিভিন্ন বর্ণনা থেকে পাওয়া যায় যে, রাসূল (ছাঃ) বড় বড় পাত্রে দু’হাত ডুবিয়ে পানি পান করেছেন। যেমন, আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) পেয়ালাটি তার দুই হাতে নিয়ে মাথা তুলে আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলেন এবং বললেন, আবু হুরায়রা! এখন তুমি
উত্তর : একই আমল একাধিক নিয়তে করা যাবে। কেউ মাসিক আইয়ামে বীযের ৩দিন ও সাপ্তাহিক সোম ও বৃহস্পতিবারে দু’টি ছিয়ামের নিয়ত করে ছিয়াম পালন করলে উভয় ছিয়ামের ছওয়াব পেয়ে যাবে। অনুরূপভাবে কেউ তার রামাযানের ক্বাযা ছিয়ামগুলো আইয়ামে বীয বা সাপ্তাহিক ছিয়ামের দ
উত্তর : কুরআন ও ছহীহ হাদীছ দ্বারা এমন কোন বক্তব্য প্রমাণিত নয়। অতএব এরূপ আকবীদা পোষণ করা যাবে না।প্রশ্নকারী : ইশরাত জাহান, ঢাকা।
উত্তর : কবরস্থানে চাষাবাদ করা যাবে না। কারণ রাসূল (ছাঃ) ও খুলাফায়ে রাশেদীনের সময় এরূপ রীতি ছিল না (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৫/৪০৭)। প্রশ্নকারী : যয়নাল আবেদীন, উত্তর দিনাজপুর, ভারত।
উত্তর : এতে কোন দোষ নেই। তাছাড়া কোম্পানীর জ্ঞাতসারে খাবার ও ভাড়ার টাকা ব্যবহার না করলেও দোষ নেই। তবে এরূপ বরাদ্দ না থাকলে প্রতিষ্ঠানের অজ্ঞাতসারে এটি নেওয়া যাবে না।প্রশ্নকারী : মি‘রাজুল ইসলাম, মিরপুর, ঢাকা।
উত্তর : সাধ্যমত দৃষ্টি অবনত রাখবে এবং তাকানো থেকে বিরত থাকবে। কারণ দৃষ্টিপাত মনের মধ্যে কামনার ফিৎনা সৃষ্টি করতে পারে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘চোখের যেনা হ’ল (বেগানা) নারীর প্রতি দৃষ্টিপাত করা’ (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/৮৬)।শায়েখ ওছায়মীন (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস কর
উত্তর : পারবে। কারণ দুধ পান সম্পর্কিত মাহরাম কেবল তার জন্য সাব্যস্ত হবে যে দুধ পান করেছে। অতএব দুধ পানকারীর অন্যান্য ভাই-বোনদের জন্য দুগ্ধদানকারীর আত্মীয়রা মাহরাম সাব্যস্ত হবে না (ওছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন ‘‘আলাদ্দারব ১৯/২)। আল্লাহ বলেন, তোমাদ
উত্তর : ছালাত হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। তবে সাধ্যমত সঠিক উচ্চারণে তেলাওয়াত করবে এবং অবশ্যই সূরা ফাতিহা সঠিক ভাবে পাঠ করবে। কেননা এটি ব্যতীত ছালাত হয় না’ (বুখারী হা/৭৫৬; মুসলিম হা/৩৯৪; মিশকাত হা/৮২২; ওছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৮/০২)।প্রশ্নক
উত্তর : এটা জায়েয হবে না। শরী‘আতে যৌথ ব্যবসার পদ্ধতি দু’টি- (১) মুশারাকা : দুই বা ততোধিক ব্যক্তি বিনিয়োগ করবে এবং বিনিয়োগের পরিমাণ অনুযায়ী লাভ-লোকসান বণ্টিত হবে (দারাকুৎনী হা/৩০৭৭) (২) মুযারাবা : একজনের অর্থে অপরজন ব্যবসা করবে। লভ্যাংশ
উত্তর : শাব্দিক অর্থে পার্থক্য থাকলেও পারিভাষিক অর্থে ঈমান ও আক্বীদার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। ঈমান হ’ল মুখে স্বীকৃতি, হৃদয়ে বিশ্বাস এবং কর্মে বাস্তবায়নের নাম। আর আক্বীদা হ’ল অন্তরের অভিপ্রায়, ইচ্ছা ও সংকল্পের নাম। মূলত ঈমান হ’ল আম এবং আক্বীদা হ’
উত্তর : সাধারণভাবে কোন নাপাকী কাপড়ে লেগে গেলে তা ধুয়ে নিয়ে ছালাত আদায় করবে। আর ধুলা-বালি বা কাদা-মাটি কাপড়ে লেগে থাকলে তা কাপড়কে নাপাক করে না। বরং পরের ধুলা সেটি বিনষ্ট করে দেয় (আবুদাঊদ হা/৩৮৩; মিশকাত হা/৫০৪)। আর কাপড়ে স্পষ্ট কোন নাপাকী দেখ
উত্তর : শয়তান ওয়াসওয়াসা দিয়ে মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে দূরে রাখতে চায়। এজন্য ওয়াসওয়াসা থেকে বাঁচতে হ’লে- (১) শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করতে হবে (আ‘রাফ ৭/২০০)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, শয়তান তোমাদের কারো কারো নিকটে আসে এবং (বিভিন্ন ব্যা
উত্তর : উক্ত বক্তব্যের কোন সত্যতা নেই। বরং পৃথিবীর যে প্রান্তে নিয়ে গিয়ে পান করবে সেখানেই এর বরকত লাভ করবে (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১৭/২৯৯)। উল্লেখ্য যে, যমযমের পানি পানের নানাবিধ উপকারিতা রয়েছে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যমযমের পানি যে উ
উত্তর : যমযমের পানির সাথে অন্য পানি মিশানো দোষণীয় নয়। তবে অন্যকে মিশ্রিত পানি পান করালে বা হাদিয়া দিলে তাকে সেটা জানাতে হবে। নইলে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হ’তে পারে। আর যমযমের পানির সাথে অন্য পানি মিশালে এর গুণগত মান অবশিষ্ট থাকে কি-না তা বৈজ্ঞানিকভ
উত্তর : সুন্নাত হচ্ছে নারী পুরুষের সম্মিলিত জামা‘আতে ইমাম ভুল করলে পুরুষেরা ‘সুবহানাল্লাহ’ বলবে এবং নারীরা বাম হাতের পিঠের উপর ডান হাত মারবে (বুখারী হা/১২০৩; মিশকাত হা/৯৮৮)। তবে যদি নারীদের জামা‘আতে নারী ইমাম ভুল করে বা নারী তার পুরুষ মাহরা
উত্তর : নতুন কাপড়ের মাধ্যমে হৌক বা পরিহিত কাপড় পরিষ্কার করার মাধ্যমে হৌক নারী বা পুরুষের যে কেউ ইহরাম অবস্থায় কাপড় পরিবর্তন করতে পারে (ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২৪/৪০০; দ্র. হাফাবা প্রকাশিত ‘হজ্জ ও ওমরাহ’ বই পৃ. ৬১)।প্রশ্নকারী : ক্বাযী হ
উত্তর : ‘তাহাজ্জুদ শুরু করলে আর ছাড়া যাবে না এবং ছাড়লে গুনাহ হবে’ মর্মে প্রচলিত কথাটি ভিত্তিহীন। তবে নিয়মিত পড়াই উত্তম। আয়েশা (রাঃ) বলেন, তোমরা রাতের ছালাত ছেড়ে দিয়ো না। কারণ রাসূল (ছাঃ) এ ছালাত ছাড়তেন না। যখন তিনি অসুস্থ বা দুর্বল বোধ করতেন তখন
উত্তর : অপবিত্র পানি বা তরল কোন বস্ত্ত শরীরে বা কাপড়ে লেগে গেলে সিক্ত স্থান সাধ্যমত ধুয়ে ছালাত আদায় করবে। তবে এতে ওযূ নষ্ট হবে না (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৫/২৫৩)।প্রশ্নকারী : ইমরান ফরহাদ, রাজশাহী।
উত্তর: ঘরে কোন প্রাণীর ছবি টাঙিয়ে রাখা যাবে না। কারণ যে ঘরে ছবি থাকে সে ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না। তবে ছবি যদি বইয়ের ভিতরে থাকে বা কোন কিছু দ্বারা ঢেকে রাখা হয় বা জীবের অবয়ব মুছে ফেলা হয় তাহ’লে সে ঘরে ছালাত আদায়ে কোন দোষ নেই। আর এরূপ ঘরে
উত্তর : পুনরায় বিবাহ করতে হবে না। প্রথম বিবাহই যথেষ্ট (মুগনী ৫/৬৪; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৮/৯০)।প্রশ্নকারী : সোহরাব হোসাইনআল-ক্বাছীম, সঊদী আরব।
উত্তর : ঘটককে নয় বরং সরাসরি বর বা কনেকে দেখা বা অভিভাবকের মাধ্যমে ছবি আদান প্রদান করা যাবে। জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে বলল, আমি আনছারদের এক মেয়েকে বিবাহ করতে চাই। তিনি বললেন, তুমি তাকে প্রথমে দেখে নাও। কারণ আনছার মহিলাদের চোখে দোষ থাকে&nb
উত্তর: চল্লিশ দিনের মধ্যে গোঁফ ছাটা, বগলের লোম উপড়ানো ও নাভীর নীচের লোম কাটা সুন্নাত (মুসলিম হা/২৫৮; মিশকাত হ/৪৪২২)। তবে প্রতি সপ্তাহে পরিষ্কার করা উত্তম (শারহুস সুন্নাহ হা/৩১৯৭; কাশশাফুল ক্বেনা‘ ১/৭৭)।প্রশ্নকারী : মহিবুল ইসলাম, ন
উত্তর : সূদ সর্বাবস্থায় হারাম। ছাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) বলেন, যারা সূদ খায়, সূদ দেয়, সূদের হিসাব লেখে এবং সূদের সাক্ষ্য দেয়, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাদের উপর লা‘নত করেছেন এবং অপরাধের ক্ষেত্রে এরা সকলেই সমান’ (মুসলিম, মিশকাত হা/২৮০৭)।
উত্তর: ছালাতের ভিতরে নারীর সাদাস্রাব শুরু হ’লে ওযূ নষ্ট হয়ে যাবে। এমতাবস্থায় ছালাত ছেড়ে দিয়ে ওযূ করে নতুনভাবে ছালাত আদায় করবে (দারেমী হা/১১৪১; নববী, আল-মাজমূ‘ ৬/৪)। উল্লেখ্য যে, যে হাদীছে বলা হয়েছে যে, আগের ছালাতের সাথে মিলিয়ে ছালাত সম্পূর্
উত্তর : নিজের একাউন্ট থেকে ছবি ও ভিডিও মুছে করে ফেলুন এবং যার কাছে আছে, সেও যেন মুছে ফেলে। নইলে অশ্লীলতা প্রচারের জন্য দুনিয়া ও আখেরাতে কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে (নূর ২৪/১৯)। মনে রাখতে হবে যে, অনুতপ্ত হওয়ার সাথে আন্তরিক তওবা আল্লাহ কবুল
উত্তর: যারা ইসলামের বিরোধিতা করে না বা মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে না, তাদের সাথে বন্ধুত্বে কোন দোষ নেই (মুমতাহিনাহ ৬০/০৮)। তবে তাদের প্রতি বিশেষ মহববত ও ভালোবাসা রেখে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করা যাবে না এবং কোনভাবেই তাদের ধর্মীয় কাজে সহযোগিতা
উত্তর : হাদীছে বর্ণিত মনের যেনা বলতে যেনার পরিকল্পনাকে বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ কেউ যদি নির্দিষ্টভাবে কারো সাথে যেনা করার সংকল্প করে এবং বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করে তাহ’লে সে রূপক অর্থে যেনাকার হিসাবে গুনাহগার হবে (নববী, শরহ মুসলিম ১৬/২০৬)।
উত্তর : মসজিদের জায়গায় হারাম কোন কাজ করা বা মাদক সেবন করা নিষিদ্ধ। এক্ষণে মসজিদ কমিটির দায়িত্ব হ’ল তাদেরকে বাধা দেওয়া। তারা এ ব্যাপারে সচেতন না হ’লে এবং ব্যবস্থা না নিলে গুনাহগার হবেন।প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ পলাশ, পাংশা, রাজবাড়ী।
উত্তর: যমযমের পানি পানের সময় ১. বিসমিল্লাহ বলবে, ২. ডান হাতে পান করবে, ৩. তিন নিঃশ্বাসে পান করবে. ৪. দো‘আ পাঠ করবে।উল্লেখ্য যে, যমযম পানি কেবলামুখী হয়ে পান করার ছহীহ দলীল নেই। বরং যমযমের পানিসহ যেকোন পানাহার বসে করাই সুন্নাত (মুসলিম হা/২০২৪
উত্তর : জুম‘আর দিনে আখেরী যোহর নামে কোন ছালাত নেই। বরং জুম‘আর পরে সুন্নাত ছালাত রয়েছে। তা দুই, চার বা ছয় রাক‘আত পর্যন্ত পড়া যায়। যেমন রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমাদের কেউ যখন জুম‘আর ছালাত আদায় করে, তখন সে যেন তারপরে চার রাকা‘আত (সুন্নাত) ছালাত আদায় কর
উত্তর : মর্যাদার মাপকাঠি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন রূপ হ’তে পারে। যেমন (১) পদমর্যাদা : আল্লাহ বলেন, হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা আনুগত্য কর আল্লাহর এবং আনুগত্য কর রাসূলের ও তোমাদের নেতৃবৃন্দের (নিসা ৪/৫৯)। (২) ইলম : আল্লাহ বলেন, তুমি বল, যারা জানে এ
উত্তর : পিতার অনুমতি ও ভাই-বোনসহ অন্যান্য ওয়ারিছদের সম্মতি থাকলে পিতার জীবদ্দশায় বড় ভাই তার নিজের ভাগ বুঝে নিয়ে বাড়ি বানাতে পারেন। যা তিনি পিতার মৃত্যুর পর পুনরায় দাবী করতে পারবেন না। যেমন ছাহাবী সা‘দ বিন ওবাদা (রাঃ) তাঁর জীবদ্দশায় তাঁর যাবতীয় স
উত্তর : কোন পুকুর বা ঘেরের মাছ তা শনাক্ত করা সম্ভব হ’লে মালিককে ফেরৎ দিবে। নইলে ঐ মাছ ধরা ও খাওয়া জায়েয। কারণ তখন তা আর কারো মালিকানায় থাকে না (ইমাম মালেক, আল-মুদাউবেনা ৪/৪৭৩)।প্রশ্নকারী : আব্দুল আহাদ, মোহনপুর, রাজশাহী।
উত্তর : কেউ ভালো কাজ করার নিয়ত করলে সে তা পূরণ করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলার আনুগত্যের মানত করে, সে যেন অবশ্যই তা আদায় করে। আর যে ব্যক্তি তাঁর নাফরমানীর মানত করে, সে যেন অবশ্যই তা না করে’ (ব
উত্তর : বিবাহের অন্যতম প্রধান শর্ত হ’ল অলী উপস্থিত থাকা এবং তার সম্মতি থাকা। উক্ত বিবাহে দুই জন বালেগ সন্তান সাক্ষী থাকলেও অলী না থাকায় বিবাহ শুদ্ধ হয়নি (ওছায়মীন, আশ-শারহুল মুমমে‘ ১৩/৩২৪, ১২/৯৯)। আর দু’জন বালেগ সন্তানের একজন অলী এবং অপরজন স
উত্তর : কোন ব্যক্তি বিশুদ্ধ নিয়তে ছওয়াবের আশায় কাউকে মানবতার জন্য علم نافع বা উপকারী কোন শিক্ষা দান করলে সে আল্লাহ, ফেরেশতা ও সকল সৃষ্টজীবের দো‘আয় শামিল হবে ইনশাআল্লাহ। রাসূল (ছাঃ) বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ, ফেরেশতাকুল, আসমানসমূহ ও যমীনের অধিবাসীগণ এ
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) তার সমগ্র জীবনে চারটি ওমরা এবং একটি হজ্জ করেছেন (মুসলিম হা/১২৫৩; তিরমিযী হা/৮১৫)। তবে হজ্জ ফরয হওয়ার পূর্বে মক্কায় থাকা অবস্থায় তিনি একাধিকবার হজ্জ করেছেন মর্মে একটি বর্ণনা পাওয়া যায়। কিন্তু তা শরী‘আতের বিধান হিসাবে আসার
উত্তর : ইহুদীরা বহু নবীকে হত্যা করেছিল। আল্লাহ বলেন, ‘আর তারা নিজেদের উপর আল্লাহর গযবকে ফিরিয়ে নিল। এটা এ কারণে যে, তারা আল্লাহর আয়াতসমূহে অবিশ্বাস করত এবং নবীগণকে অন্যায়ভাবে হত্যা করত’ (বাক্বারাহ ২/৬১)। তিনি আরো বলেন, ‘কিন্তু তাদের অঙ্গীকা
উত্তর : হায়েয বন্ধের বহুদিন পরেও কালো রক্ত দেখা দিলে তা হায়েয হিসাবে গণ্য হবে। কারণ হায়েয়ের রক্ত কালোও হ’তে পারে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যখন হায়েযের রক্ত আসবে তখন তা কালো হয়, যা সহজে চেনা যায়। এ রক্ত দেখলে ছালাত আদায় করবে না (আবুদাউদ হা/৩০৪; মিশ
উত্তর : হানযালা ইবনু ছাফওয়ান নামের একজন নবীর কথা কিছু বর্ণনায় পাওয়া যায়। কিন্তু বর্ণনাগুলোর সনদ যঈফ হওয়ায় বিদ্বানগণ তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। কুরআনে যেভাবে এসেছে সেভাবে বিশ্বাস করার বিষয়টি তারা গুরুত্বারোপ করেছেন। আল্লাহ বলেন, ‘তাদের পূর্বে ম
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক। হিন্দু বা সনাতন ধর্ম কোন আসমানী ধর্ম নয়; বরং তাদের ধর্মগুরুদের রচিত ধর্ম মাত্র। আর ইসলামই প্রথম ও প্রাচীনতম ধর্ম। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট মনোনীত একমাত্র দ্বীন হ’ল ইসলাম (আলে ইমরান ৩/১৯)। তিনি আরো
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটির সনদ যঈফ (আবুদাউদ হা/৫৩০; মিশকাত হা/৬৬৯)। সুতরাং এসময় বিশুদ্ধ সনদে বর্ণিত দো‘আসমূহ পাঠ করবে (নববী, আল-মাজমূ‘ ৩/১৬)।প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ গিয়াছুদ্দীন, ইব্রাহীমপুর, ঢাকা।
উত্তর : কমিটির অনুমতি সাপেক্ষে হিসাবরক্ষক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিতে পারে (খারশী, শারহু মুখতাছারু খলীল ৭/১৯৪)। তবে কাউকে না জানিয়ে ক্যাশ থেকে কোন টাকা নেওয়া খেয়ানত হিসাবে গণ্য হবে। কারণ হিসাবরক্ষকের দায়িত্ব প্রতিষ্ঠানের অর্থ সংরক্ষণ করা। বরং ব
উত্তর : যাবে না। কারণ এতে অন্যায় কাজে সহায়তা করা হবে। আল্লাহ বলেন, তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সীমালংঘনের কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা করো না। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ কঠোর শাস্তি দানকারী (মায়েদাহ ৫/২)।প্র
উত্তর : স্ত্রী স্বামীর ঋণের টাকা পরিশোধে বাধ্য নয়। কেননা স্ত্রী ও সংসারের যাবতীয় দায়িত্ব স্বামীর উপর। তবে স্ত্রী স্বামীর সংসারে ব্যয় করে স্বামীর প্রতি ইহসান করতে পারে। আবূ সাঈদ খুদরী বলেন, ইবনু মাসঊদের স্ত্রী যায়নাব (রাঃ) নবী করীম (ছাঃ)-এর নিকট
উত্তর : জমি ইজারা বা ভাড়া দেওয়া যায়। বর্গাও দেওয়া যায় (নাসাঈ হা/৩৮৯৪; আহমাদ হা/১৫৪২)। এসব ক্ষেত্রে উভয়ের সম্মতিতে চুক্তি বাস্তবায়ন করবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ ভক্ষণ কর না, উভয়ের সন্তুষ্টিতে ব্যবসার
উত্তর : কোন অমুসলিম মসজিদে শর্তহীন দান করলে তা গ্রহণে কোন দোষ নেই। রাসূল (ছাঃ) অমুসলিমদের শর্তহীন অনুদান বা হাদিয়া গ্রহণ করতেন (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৭/৪৯৯)। তাছাড়া মুসলিম রাষ্ট্রের এমপি রাষ্ট্রীয় সম্পদ থেকে অনুদান দিলে সেটা অমুসলি
উত্তর : ওয়াক্তের মধ্যে পানি পাওয়ার সম্ভবনা না থাকলে তায়াম্মুম করে ছালাত আদায় করবে (মায়েদাহ ৫/৬; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব ৫/৩৪২)। আমর ইবনুল ‘আছ (রাঃ) বলেন, ‘যাতুস সালাসিল’ যুদ্ধে শীতের রাতে আমার স্বপ্নদোষ হয়েছিল। শারীরিক অসুস্থতার আ
উত্তর : শারঈ পর্দার বিধান মেনে মহিলারাও ব্যবসা করতে পারে এবং ব্যবসায় স্বামীকে সহযোগিতা করতে পারবে (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২৮/১০৭)।প্রশ্নকারী : মাসঊদ, ভোলাহাট, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
উত্তর : স্বামীর মৃত্যুজনিত কারণে স্ত্রী ৪ মাস ১০ দিন ইদ্দত পালনকালে সব ধরনের সৌন্দর্য বর্জন করবে। এর মধ্যে গহনাও শামিল (ওছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ২/১৯)। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) বলেন, যে রমণীর স্বামী মারা গেছে, সে (ইদ
উত্তর : সম্মানের জন্য স্ত্রীর পিতা-মাতাকে বা স্বামীর পিতা-মাতাকে আববা-আম্মা বলে সম্বোধন করাতে কোন দোষ নেই। কারণ তারা পিতা ও মাতা সমতুল্য (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব ২১/১২৫)। উল্লেখ্য যে, নিজের পিতা-মাতাকে বাদ দিয়ে অন্যকে আসল পিতা-মাত
উত্তর : নারী-পুরুষ তাদের দেহের কোন প্রকার বিকৃতি না ঘটিয়ে এবং শরী‘আত নিষিদ্ধ কাজ না করে রূপচর্চা করতে পারে। যেমন ভ্রূ উপড়াবে না, দুই দাঁতের মাঝে ফাঁক সৃষ্টি করবে না বা আল্লাহর সৃষ্টির পরিবর্তন হয় এমন কাজ করবে না ইত্যাদি (ওছায়মীন, ফাতাওয়া নূ
উত্তর : আকদ সংঘটিত না হওয়া পর্যন্ত কোন মেয়ের সাথে যোগাযোগ রাখা যাবে না। কারণ তার সাথে বিবাহ না হওয়া পর্যন্ত সম্পর্কটা গায়রে মাহরাম নারীর মতই। উল্লেখ্য যে, বিবাহ ঠিক করে দীর্ঘ দিন আকদ না করা এবং বিবাহবিহীন যোগাযোগ রক্ষা করা অনৈসলামিক সংস্কৃতি, যা
উত্তর : ধুলা-বালি বা ঘাস-পাতা ইত্যাদি পানিতে পড়ার কারণে পানি নাপাক হয় না; যতক্ষণ না এর রং, গন্ধ বা স্বাদের পরিবর্তন হয়। সেজন্য পানি অপবিত্র হওয়ার নিশ্চিত প্রমাণ না পেলে সে পানি দিয়েই ওযূ করে ছালাত আদায় করবে (মুগনী ১/২৫; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতা
উত্তর : পাপ থেকে বিরত থাকবে এবং কাফফারা দিবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘মানত দু’প্রকার। অতএব যে ব্যক্তি নেক কাজের জন্য মানত করবে, তা কেবল আল্লাহর জন্য হবে। আর যে ব্যক্তি গুনাহের কাজের জন্য মানত করে, তা কেবল শয়তানের জন্য হবে। এই জাতীয় মানত পূরণ করতে নেই
উত্তর : যেকোন সম্মানজনক এবং ভালো কাজে রাসূল (ছাঃ) ডান হাত এবং ডান পা এবং ছোট কাজে বাম হাত ও বাম পা ব্যবহার করতেন (আবুদাউদ হা/৩২; ছহীহুল জামে‘ হা/৪৯১২)। যেমন ওযূ, গোসল, লেনদেন, খাবার গ্রহণ, মুছাফাহা, মসজিদে প্রবেশ ইত্যাদি ক্ষেত্রে ডান হাত ও
উত্তর : নবী-রাসূলগণের জীবনীতে আমাদের জন্য উত্তম আদর্শ রয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূলের মধ্যে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ নিহিত রয়েছে, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিবসকে কামনা করে ও অধিকহারে আল্লাহকে স্মরণ করে (আহযাব ৩৩/২১)।
উত্তর : কর্মচারী প্রতিষ্ঠানের বেতনভুক্ত দায়িত্বশীল। সুতরাং প্রতিষ্ঠানের অনুমতি ব্যতীত কৌশলে অতিরিক্ত লাভ করা ঘুষ গ্রহণের অন্তর্ভুক্ত। নবী করীম (ছাঃ) বলেন, আমরা যাকে অর্থের বিনিময়ে কোন কাজে নিযুক্ত করি, তার অতিরিক্ত কিছু গ্রহণ করলে তা হবে খেয়ানত
উত্তর : পূর্বের স্বামী তালাক না দেওয়া পর্যন্ত এবং তালাক শেষে ইদ্দত পালন সম্পন্ন না হ’লে আরেকজনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হ’তে পারবে না। তবে স্ত্রী যদি স্বামীর নিকট হ’তে খোলা‘ নিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং এক ঋতুকাল ইদ্দত পালন করে তাহ’লে অন্যত্র বিব
উত্তর : এভাবে অপ্রয়োজনীয় কথা বলা জায়েয নয়। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেন, যখন কোন পুরুষ কোন পরনারীর সাথে নির্জনে কথা বলে, তখন সেখানে তৃতীয়জন থাকে শয়তান’ (তিরমিযী হা/১১৭১; মিশকাত হা/৩১১৮)। আর মোবাইলে কোন পরনারীর সাথে নিয়মিতভাবে অপ্রয়োজনীয় কথা বলা শ
উত্তর : মালাকুল মাউত বা আযরাঈল কারো জান কবয করতে গিয়ে কেঁদেছেন মর্মে কোন ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়নি। বরং মালাকুল মাউতের কান্না সম্পর্কে যে বর্ণনাগুলো পাওয়া যায় সেগুলো হয় কিচ্ছা-কাহিনী, না হয় ইস্রাঈলী বর্ণনা (আবুশ শায়েখ আছবাহানী, আল-‘আযমাহ হা/৪৪
উত্তর : ‘ওযূ ব্যতীত ছালাত কবুল হয় না’ (মুসলিম হা/২২৪; মিশকাত হা/৩০১)। ওযূ ভঙ্গের কারণে কাতার থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আর ইমামের সুতরাই মুক্তাদীদের সুতরা। অতএব মুক্তাদীদের সামনে দিয়ে বেরিয়ে আসা দোষের নয়। এক্ষণে যদি কাতার থেকে বের হওয়ার সুযোগ না
উত্তর : সাধারণভাবে যেকোন গুনাহগার মুসলিমের মাগফিরাতের জন্য দো‘আ করা যাবে (নাসাঈ হা/১৯৬৪; নববী শরহ মুসলিম ৭/৪৮)। তবে কেউ যদি এমন স্পষ্ট শিরকে লিপ্ত হয় যা ইসলাম থেকে বের করে দেয় তাহ’লে তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা যাবে না। আল্লাহ বলেন, ‘নবী ও
উত্তর : কতিপয় বিদ্বান ওযূর অবশিষ্ট পানি দাঁড়িয়ে পান করাকে মুস্তাহাব বলেছেন (আল-মাওসূ‘আতিুল ফিকহিয়া ৪৩/৩৭৮)। কারণ আলী (রাঃ) একদিন যোহরের ছালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনে কূফা মসজিদের চত্বরে বসে পড়লেন। অবশেষে আছরের ছালাত আ
উত্তর : এরূপ বক্তব্য সঠিক নয়। বরং যোহরের সুন্নাত বাড়ীতে বা মসজিদে যেখানেই হোক চার বা দুই রাক‘আত আদায় করবে (বুখারী হা/৯৩৭; মিশকাত হা/১১৬০; আবুদাউদ হা/১২৬৯; মিশকাত হা/১১৬৭)। উভয় আমলই শরী‘আত সম্মত।প্রশ্নকারী : আব্দুর রাযযাক, নওগাঁ।
উত্তর : নফল বা ফরয কোন ছালাত শুরুর পূর্বে বিশেষ কোন দো‘আ বর্ণিত হয়নি। বরং ছালাতে তাকবীরে তাহরীমার পর ছানা হিসাবে বিভিন্ন দো‘আ বর্ণিত হয়েছে। সেগুলোর কোন একটি পাঠ করলে যথেষ্ট হবে (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৮/১৬৫, ৮/১৬৭, ১০/১২)।প্রশ্নকা
উত্তর : যদি বিচারক হিসাবে হককে হক হিসাবে আর বাতিলকে বাতিল হিসাবে প্রতিষ্ঠা করা, হককে তার প্রাপকের নিকটে পৌঁছে দেয়ার এবং মযলূমকে সাহায্য করার সুযোগ থাকে এবং তা বাস্তবায়ন করা যায়, তাহ’লে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে শরী‘আতে বাধা নেই। আল্লাহ বলে
উত্তর : সর্বাবস্থায় নেক আমল করতে হবে এবং তাক্বদীরের ভালো-মন্দের উপর বিশ্বাস করতে হবে। কারণ তাক্বদীরে বিশ্বাস না করলে মানুষ যেকোন ব্যর্থতায় অস্থির হয়ে পড়ে। কিন্তু মুমিন কখনও আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় না। সে কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘মুমিনের ব্যাপা
উত্তর : সাধারণভাবে অমুসলিমদের কাছে জমি বিক্রয়ে বাধা নেই (বুখারী হা/২০৯৬; মুসলিম হা/১৬০৩)। তবে যদি জানা যায় যে, এই জমি ক্রয় করে অমুসলিমরা শিরক করবে বা মূর্তিপূজা করবে, অথবা ভবিষ্যতে নিজের জন্য দ্বীন পালন করা কঠিন হয়ে পড়বে, তাহ’লে তাদের নিকট
উত্তর : শায়েখ আলবানী (রহঃ) বিভিন্ন দলীলের ভিত্তিতে ‘আছ-ছালাতু খায়রুম মিনান নাওম’-কে ফজরের প্রথম আযানের সাথে সম্পৃক্ত করেছেন, যা তাহাজ্জুদের আযান নামে খ্যাত এবং দ্বিতীয় আযানের সাথে সম্পৃক্ত করাকে বিদ‘আত ও সুন্নাত বিরোধী বলে মন্তব্য করেছেন (ত
উত্তর : কেউ মারা গেলে পরিবারের জন্য রান্না বন্ধ রাখা আবশ্যক নয়। তবে প্রতিবেশীদের উচিৎ শোকাহত পরিবারের প্রতি দয়া প্রদর্শন করে অন্তত তিন দিন পর্যন্ত খাবার সরবরাহ করা। জা‘ফর বিন আবী তালিব মু‘তার যুদ্ধে শহীদ হ’লে রাসূল (ছাঃ) তার পরিবারের জন্য খাবার
উত্তর : ইবনু ওমর (রাঃ) তার স্ত্রীকে ঋতু অবস্থায় তালাক দিলে সেটি গণ্য করা হয়নি (আবুদাঊদ হা/২১৮৫)। অতএব ঋতু অবস্থায় তালাক পতিত হবে না। স্বামী উক্ত বিষয়টি জানুন বা না জানুন। বরং জেনে-শুনে ঋতু অবস্থায় তালাক দিলে তিনি গুনাহগার হবেন (ওছায়মীন
উত্তর : সকাল ও সন্ধ্যার যিকিরগুলো পাঠের সময়সীমা নির্ধারণ নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে। তবে গ্রহণযোগ্য মত হ’ল, সন্ধ্যার যিকিরসমূহ আছরের পর থেকে রাতের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত এবং সকালের যিকিরসমূহ ফজর উদয় থেকে ইশরাকের ছালাতের ওয়াক্ত পর্যন্ত পাঠ করা যায়। আল্লা
উত্তর : যেকোন ওযরে ছালাতের ভিতর প্রথম ইমাম মুছল্লীদের মধ্য হ’তে পিছন থেকে যে কাউকে ইমাম বানাতে পারেন। ওমর (রাঃ) ছালাতে শত্রু দ্বারা আক্রান্ত হ’লে তিনি আব্দুর রহমান বিন ‘আওফকে ইমাম বানিয়ে পিছনে সরে যান এবং আব্দুর রহমান ছালাত শেষ করেন। কিন্তু তিনি
উত্তর : বিভিন্ন কারণে ভূমিকম্প হয়ে থাকে। যেমন- (১) কখনও আল্লাহ মুসলমানদের সতর্ক করা ও ভীতি প্রদর্শনের জন্য ভূমিকম্প দেন (ইসরা ১৭/৫৯)। (২) কখনো আল্লাহ নিজের দিকে ফিরিয়ে আনার জন্য ভূমিকম্প পাঠান (বুখারী হা/১০৫৯; মিশকাত হা/১৪৮৪)। (৩) কখনও
উত্তর : ছালাতে কাতারের ডানে দাঁড়ানোর ফযীলতে বর্ণিত হাদীছগুলি যঈফ (তামামুল মিন্নাহ ১/২৮৮; যঈফ আবুদাউদ হা/১০৪; সিলসিলাতুল হুদা ওয়ান নূর, টেপ নং ১৬৯)। ইবনু হাজার (রহঃ) বলেন, একাধিক মুছল্লী থাকা অবস্থায় ইমামের ডানে দাঁড়ালে বিশেষ ফযীলতের কোন দলী
উত্তর : সরাসরি কোন জিন কোন মানুষের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে পারে না। সে স্বপ্নে কিছু করতে পারে বা ওয়াসওয়াসা দিতে পারে। তবে কোন কোন বিদ্বান বলেন, জিনেরা আমলহীন পুরুষ বা নারীর সাথে মিলন করতে সক্ষম। সেটা তিনটি পদ্ধতিতে হ’তে পারে। ১. স্বপ্নের মাধ্য
উত্তর : ইদ্দত পালন শেষে স্ত্রী যদি জানতে পারে যে, তার পেটে সন্তান রয়েছে তাহ’লে তার ইদ্দতকাল হবে সন্তান প্রসব করা পর্যন্ত। আল্লাহ বলেন, গর্ভবতী নারীদের ইদ্দতকাল হবে গর্ভ খালাস হওয়া পর্যন্ত (তালাক ৬৫/৪)। উক্ত সন্তানের মালিক হবে পূর্বের স্বামী
উত্তর : লজ্জাস্থান থেকে হালকা পানি বের হওয়া ওযূ ভঙ্গের কারণ। সুতরাং ওযূ করার পর কারো লজ্জাস্থান থেকে কোন তরল পদার্থ বের হ’লে ওযূ নষ্ট হয়ে যাবে। এমতাবস্থায় সে ছালাত ছেড়ে দিয়ে লজ্জাস্থান ধুয়ে পুনরায় ওযূ করবে এবং কাপড়ের উপরে পানির ছিটা দিয়ে ছালাত আ
উত্তর : শরী‘আত বিরোধী নয় স্বামীর এমন যেকোন আদেশ-নিষেধ পালন করা স্ত্রীর কর্তব্য। ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, আনুগত্যের ক্ষেত্রে বিবাহিতা নারীর জন্য পিতা-মাতার উপর স্বামীই অগ্রগণ্য (মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ৩২/২৬১)।এক্ষণে স্বামীর কোন কথা বা কাজ অকল্যাণ
উত্তর : এ ব্যাপারে কুরআন বা হাদীছে স্পষ্ট কোন বর্ণনা নেই। বরং তাফসীর ইবনু জারীরে সূরা ছোয়াদ ৩১ আয়াতে বর্ণিত الصَّافِنَاتُ (দ্রুতগামী অশ্বরাজি) শব্দের তাফসীরে কয়েকটি মতামত উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন ইবনু যায়েদ বলেন,وَكَانَتْ لَهَا أَجْنِحَةٌ ‘ঘোড়াগুল
উত্তর : শিশুর বয়স দশ বছর হয়ে গেলে বিছানা আলাদা করতে হবে। যেমন ছেলে শিশু থেকে মায়ের বিছানা, মেয়ে শিশু থেকে পিতার বিছানা কিংবা ভাই-বোন পরস্পরের বিছানা আলাদা হওয়া আবশ্যক। এক্ষণে জায়গার সংকটের কারণে কখনও মা তার ছেলে সন্তানকে নিয়ে একই বিছানায় ঘুমাতে
উত্তর : মুসাফির হিসাবে গ্রামের বাড়িতে ছালাত জমা‘ ও ক্বছর করা যাবে (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১৩/৩৪; ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) ১৮৭ পৃ.)। যদিও তার সফর নিজ গ্রামের বাড়ি বা জন্মস্থানে হোক না কেন। এক্ষেত্রে তার বর্তমান অবস্থানই মুক্বীম হওয়ার স্
উত্তর : ভাই তার বোনকে বয়োজ্যেষ্ঠ হিসাবে শাসন বা নছীহত করতে পারবে। বিশেষত পিতা-মাতার অবর্তমানে বা তাদের অনুমতিক্রমে ভাই তার বোনকে আদব শিক্ষা দেওয়ার জন্য শাসন করতে পারে (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ১০/২১-২২)। উল্লেখ্য যে, শাসনের নামে শারীরিক নির্
উত্তর : কোন নারীকে মডেল বানিয়ে কোন পণ্যের বিজ্ঞাপন দেওয়া জায়েয নয়। কারণ নারী প্রদর্শনীর বস্ত্ত নয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, নারীরা পর্দার মানুষ। যখন সে বাড়ি থেকে বের হয়, তখন শয়তান তাকে পুরুষের দৃষ্টিতে সুশোভিত করে তোলে (তিরমিযী হা/১১৭৩; মিশকাত হা/
উত্তর : বাচ্চা প্রসব করতে গিয়ে কোন মুসলিম নারী মারা গেলে সে শহীদের মর্যাদা পাবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, আল্লাহর পথে (জিহাদে) নিহত হওয়া ছাড়া আরো সাত ব্যক্তি শহীদ হয়; প্লেগ রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, ডুবে গিয়ে মৃত ব্যক্তি শহীদ, ফুসফুসের প্রদাহ বা যক্ষ্মা র
উত্তর: ছাদাক্বা দুই প্রকারের। (১) ঐ যাকাত, যা হকদার ব্যতীত অন্যদের জন্য হারাম। চাই সে শিক্ষক হৌক বা ছাত্র হৌক। তবে যাকাতের হকদার তার যাকাতের সম্পদ থেকে কোন ধনীকে দাওয়াত করে খাওয়ালে তাতে দোষ নেই। যেমন বারীরা (রাঃ)-এর যাকাতের অংশ থেকে রাসূল (ছাঃ)
উত্তর: ছাদাক্বা দুই প্রকারের। (১) ঐ যাকাত, যা হকদার ব্যতীত অন্যদের জন্য হারাম। চাই সে শিক্ষক হৌক বা ছাত্র হৌক। তবে যাকাতের হকদার তার যাকাতের সম্পদ থেকে কোন ধনীকে দাওয়াত করে খাওয়ালে তাতে দোষ নেই। যেমন বারীরা (রাঃ)-এর যাকাতের অংশ থেকে রাসূল (ছাঃ)
উত্তর: প্রথমতঃ ভাইকে সঠিক হিসাব প্রদানের জন্য নিজে বা কাউকে দিয়ে অনুরোধ জানাবে এবং সামাজিকভাবে চাপ সৃষ্টি করবে। কারণ ইসলাম পারস্পরিক কল্যাণকামিতার ধর্ম। রাসূল (ছাঃ) বলেন, দ্বীন হ’ল কল্যাণ কামনার নাম। আমরা বললাম, কার জন্য? তিনি বললেন, আললাহর জন্য
উত্তর: ঋণদাতাকে ঋণগ্রহীতা তুচ্ছ কোন হাদিয়া দিলেও সেটি গ্রহণ করা সূদ’ (বুখারী হা/৩৮১৪; মিশকাত হা/২৮৩৩)। অতএব ঋণদাতার সন্তুষ্টির জন্য বিশেষভাবে দাওয়াত দেয়া যাবে না। তবে যদি তাদের মধ্যে আগে থেকে সাধারণ যাতায়াত ও খাওয়া-দাওয়া থাকে তবে দাওয়াত খাও
উত্তর: স্বামী জীবিত থাকায় এবং সন্তান না থাকায় স্বামী পাবেন মৃত স্ত্রীর মোট সম্পত্তির অর্ধেক। আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমাদের স্ত্রীদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে তোমরা অর্ধেক পাবে, যদি তাদের কোন সন্তান না থাকে। যদি থাকে, তবে তোমরা সিকি পাবে, তাদের অছিয়ত পূরণ
উত্তর : উক্ত বক্তব্য শব্দে শব্দে সঠিক নয়, তবে মর্মের দিক দিয়ে সঠিক। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেন, বাড়িতে একাকী নিভৃতে সুন্নাত বা নফল ছালাত আদায় করলে অনুরূপ ছওয়াব পাওয়া যায়, যেরূপ ফরয ছালাত একাকী আদায়ের চেয়ে মসজিদে জামা‘আতের সাথে আদায় করলে পাওয়া যায়&nb
উত্তর: এতে বাধা নেই। কারণ এর অর্থ হচ্ছে তার জন্য জান্নাতের দো‘আ করা। আবু নুহায়লা (রহঃ)-কে বলা হ’ল, আল্লাহর নিকট দো‘আ করুন। তিনি বলেন, হে আল্লাহ! রোগ কমিয়ে দিন, কিন্তু ছওয়াব কমাবেন না। তাকে বলা হ’ল, আরো দো‘আ করুন। তিনি বলেন, হে আল্লাহ! আমাকে আপনা
উত্তর: কাজের পারিশ্রমিক মালিক এবং শ্রমিকের সন্তুষ্টি অনুযায়ী আদান প্রদান করতে হবে। আল্লাহ বলেন, হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা পরস্পরের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করো না পারস্পরিক সম্মতিতে ব্যবসা ব্যতীত (নিসা ৪/২৯)। তাছাড়া অন্যান্য হাদীছগুলোতে ছা‘-এর উল্
উত্তর : চন্দ্র মাসের ১৭, ১৯ বা ২১ তারিখে হিজামা করানো মুস্তাহাব। কারণ এই দিনগুলোতে রাসূল (ছাঃ) হিজামা করাতেন। আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কাঁধের দু’পার্শ্বে এবং কাঁধের মধ্যবর্তী স্থানে শিঙ্গা লাগাতেন এবং তিনি ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখে শিঙ্গা লাগ
উত্তর : যেহেতু রূহই মানুষের মৌলিক বিষয়, সেজন্য আমাদের দেশে মৃত ব্যক্তির রূহের মাগফিরাত কামনার প্রচলন রয়েছে। তবে হাদীছের বর্ণনায় দেখা যায়, রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম রূহ নয়; বরং ব্যক্তির নাম ধরেই দো‘আ করতেন। যেমন রাসূল (ছাঃ) বলেন, হে আল্লাহ! তু
উত্তর : পেশা হিসাবে বই বিক্রয়ের পেশা নিঃসন্দেহে হালাল ও উত্তম। এর মাধ্যমে বিশুদ্ধ দ্বীন প্রচারে বড় ভূমিকা রাখা যায়। যা সর্বাধিক নেকী হাছিলের মাধ্যম। তবে শিরক ও বিদ‘আতের দিকে আহবানকারী বই-পুস্তক বিক্রি করলে কঠিন গুনাহের ভাগিদার হ’তে হবে। এটা তার
উত্তর : ইসলামী শরী‘আতে এরূপ চিকিৎসার কোন ভিত্তি নেই। এছাড়া ক্রোধ দমনে ওযূ করা সম্পর্কিত হাদীছটিও যঈফ (আবুদাঊদ হা/৪৭৮৪, যঈফাহ হা/৫৮২)। বরং রাগ কমানোর জন্য রাসূল (ছাঃ) বলেন, তোমরা যখন রেগে যাবে তখন আ‘ঊযুবিল্লাহি মিনাশ শাইত্বানির রাজীম&nb
উত্তর : শরী‘আতে বিবাহের পূর্বে এরূপ ওয়াদাবদ্ধ হওয়ার কোন সুযোগ নেই। তাই পিতা-মাতার নির্দেশ মেনে নিতে হবে। কেননা শরী‘আত বিরোধী নির্দেশ ছাড়া অন্য সকল ব্যাপারে পিতা-মাতার আনুগত্য করা অপরিহার্য (নিসা ৪/৩৬; আনকাবূত ২৯/৮; ইসরা ১৭/২৩, ২৪, লোক্বমান
উত্তর : ভোক্তার নির্দেশনায় হ’লেও পাপের কাজে সহযোগিতা করা যাবে না। কেননা আল্লাহ রাববুল আলামীন অন্যায় কাজে সহায়তা করতে নিষেধ করেছেন (মায়েদাহ ৫/২)।প্রশ্নকারী : কাওছার আযম, ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর।
উত্তর : হিজামাকে চিকিৎসা পেশা হিসাবে গ্রহণ করা এবং এর বিনিময় গ্রহণ করা জায়েয। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) শিঙ্গা লাগিয়েছেন এবং তাকে মজুরী দিয়েছেন। যদি এটি হারাম হ’ত বা তিনি নিকৃষ্ট মনে করতেন, তবে তিনি মজুরী দিতেন না’ (বুখারী হা/২১
উত্তর : বোনের নাতনী নিজ নাতনী সমতুল্য, যে মাহরামের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের জন্য হারাম করা হ’ল- তোমাদের মা, মেয়ে, ফুফু, খালা, ভাতিজী, ভাগিনেয়ী’ (নিসা ৪/২৩)। উক্ত আয়াতে বোনের নাতনী ভাগিনেয়ীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বিদ্
উত্তর : গায়ের মাহরাম নারী ও পুরুষ পরস্পরের প্রতি আকৃষ্ট হওয়াটা স্বভাবজাত। অতএব নারীর পর্দার জন্য তার সৌন্দর্য ধর্তব্য নয়। বরং প্রত্যেক নারীকে ইসলামী পর্দার বিধান মেনে চলতে হবে। আল্লাহ বলেন, আর তুমি মুমিন নারীদের বলে দাও, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে
উত্তর : উক্ত কথা ভিত্তিহীন। বরং দ্বীন হ’ল নছীহত (মুসলিম হা/৫৫; মিশকাত হা/৭৯৬৬)। পিতা বা অন্য যে কেউ ভুল করলে তার সংশোধনের কথা তাকে জানাতে হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘একজন মুমিন তাঁর ভাইয়ের জন্য আয়না স্বরূপ। সে তার কোন ভুল দেখলে সংশোধন করে দেয়’&
উত্তর : মৃত ব্যক্তিকে চুমু দেওয়া জায়েয। আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ওছমান বিন মাযঊনকে মৃত অবস্থায় চুম্বন করেন। তখন তিনি ক্রন্দনরত ছিলেন এবং তাঁর অশ্রু ওছমানের চেহারার উপর পড়ছিল’ (তিরমিযী হা/৯৮৯; আবুদাঊদ হা/৩১৬৩; মিশকাত হা/১৬২৩)। তিন
উত্তর : এরূপ কবীরা গোনাহ সমূহের মধ্যে রয়েছে। যেমন- (১) গণীমতের মাল আত্মসাৎকারী (আবুদাউদ হা/২৭১০; মিশকাত হা/৪০১১)। (২) আত্মহত্যাকারী (মুসলিম হা/৯৭৮)। (৩) ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি (বুখারী হা/২২৯৫; মিশকাত হা/২৯০৯)। (৪) ছালাত পরিত্যাগকারী, (৫
উত্তর : ছালাতের ফরয হুকুমের প্রতি বিশ্বাস রেখে কেউ অলসতাবশত ছালাত পরিত্যাগ করলে সে কবীরা গুনাহগার হবে। যা থেকে অবশ্যই তওবা করতে হবে। আর এর মাধ্যমে আমলগতভাবে সে কুফরী কাজ করলেও বিশ্বাসগত- ভাবে সে কাফির হবে না, যদিও সে নিয়মিত ছালাত আদায় না করে বা
উত্তর : বিশ্বব্যাংক বা সরকারের অর্থায়নে বৈধ কাজের ট্রেনিং করাতে কোন দোষ নেই। কারণ এমন প্রশিক্ষণের সাথে সূদী লেনদেনের সম্পর্ক নেই। অতএব এধরনের ব্যবস্থাপনায় ট্রেনিং-এ অংশগ্রহণ করা জায়েয (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব; ওছায়মীন, আল-কাউলুল মু
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) ছাহাবায়ে কেরামকে বায়তুল্লাহ তওয়াফে উৎসাহিত করতেন। তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তি বায়তুল্লাহ তওয়াফ করল এবং দু’রাক‘আত ছালাত পড়ল, তা একটি ক্রীতদাসকে মুক্ত করার সমতুল্য’ (ইবনু মাজাহ হা/২৯৫৬; মিশকাত হা/২৫৮০)। তিনি আরো বলেন, ‘কোন লোক
উত্তর : এমন ক্ষেত্রে আনুগত্য আবশ্যিক নয়। শারঈ কারণে পিতা-মাতা স্ত্রীকে তালাক দিতে বললে পিতা-মাতার আনুগত্য করতে হবে। যেমন ইসমাঈল (আঃ) তাঁর পিতা ইব্রাহীম (আঃ)-এর এবং ইবনু ওমর তার পিতা ওমর (রাঃ)-এর নির্দেশ মেনে স্ব স্ব স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিলেন। তবে
উত্তর : এব্যাপারে সরাসরি কোন দলীল না থাকায় শায়েখ বিন বাযসহ কিছু বিদ্বান একে বিদ‘আত বলেছেন (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ৯/২৯২)। বরং এজন্য ছালাতের শেষ বৈঠকে বা একাকী ছালাত শেষে হাত তুলে আল্লাহর কাছে প্রাণ ভরে দো‘আ করাই যথেষ্ট। এছাড়া নেককার মুরববীদের
উত্তর : যাবে। কারণ এইগুলো সম্মানসূচক শব্দ, যা আঞ্চলিক পরিভাষা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। আর যে কোন পরিভাষা শরী‘আহ বিরোধী না হ’লে তা ব্যবহারে কোন দোষ নেই (আল-ফারাবী, আছ-ছিহাহ ৫/১৯৯০; নববী, আল-আযকার ৩৬২-৬৩, ৫৭৫; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব
উত্তর : এক বৈঠকে তিন তালাক এক তালাক হিসাবে গণ্য হয় (মুসলিম হা/১৪৭২; আহমাদ হা/২৮৭৭; হাকেম হা/২৭৯৩)। কাজেই কেউ তার স্ত্রীকে এক বৈঠকে তিন তালাক দিলে সে স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে পারে। ইদ্দতের (তিন তোহরের) মধ্যে হ’লে স্বামী সরাসরি স্ত্রীকে ফিরিয়ে নে
উত্তর : কেউ অপবিত্র অবস্থায় ছালাত আদায় করলে তার ছালাত হবে না। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, পাক-পবিত্রতা ছাড়া ছালাত এবং হারাম ধন-সম্পদের দান-খয়রাত কবূল হয় না (মুসলিম হা/২২৪; মিশকাত হা/৩০১)। তিনি আরো বলেন, যার ওযূ ছুটে গেছে তার ছালাত কবূল হয় না যতক
উত্তর : সূরা বাক্বারার ৬২ আয়াতে বলা হয়েছে, নিশ্চয়ই মুমিন, ইহূদী, নাছারা ও ছাবেঈদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎকর্ম সম্পাদন করেছে, তাদের জন্য পুরস্কার রয়েছে তাদের প্রতিপালকের নিকটে। তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা চিন
উত্তর : সূরা মুলক রাতে পাঠ করার যেমন ফযীলত রয়েছে তেমনি সাধারণভাবে যেকোন সময় পাঠেরও ফযীলত রয়েছে। তবে এটি রাতে পাঠ করাই উত্তম। সূরা মুলক সাধারণভাবে পাঠের ফযীলত সম্পর্কে রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, এটি তাকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দিবে এবং জান্নাতে প্
উত্তর : কসমের সময় প্রয়োজনীয় কথা বলার বিষয়টি নিয়তে রাখলে কোন কাফফারা দিতে হবে না। আর নিয়তে না রাখলে একবার কাফফারা দিলেই যথেষ্ট হবে (ওছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ১৫/১৩২-১৩৩; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২৩/৬২)। আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ তোমাদের পাকড়াও করবেন
উত্তর : স্বামীর উচিৎ স্ত্রীর আহবানে সাড়া দিয়ে তালাক প্রদানের মাধ্যমে স্ত্রীকে মুক্ত করে দেওয়া। নইলে স্বামী গোনাহগার হবে। আল্লাহ বলেন, ‘এক্ষণে যদি তোমরা ভয় কর যে তারা আল্লাহর নির্ধারিত সীমা ঠিক রাখতে পারবে না, তাহ’লে স্ত্রী কিছু বিনিময় দিলে তা গ্
উত্তর : উক্ত মর্মে কোন হাদীছ পাওয়া যায় না। তবে সাধারণভাবে শয়তান মানব দেহের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে তাকে ধোঁকা দিয়ে থাকে। যেমন রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যখন তোমাদের কেউ ঘুম থেকে উঠবে, সে যেন নাকে পানি দিয়ে তিনবার নাক ঝেড়ে নেয়। কেননা শয়তান তার নাকের ভ
উত্তর : রাষ্ট্রের আইন-কানূন শরী‘আতবিরোধী না হ’লে তা মেনে চলা আবশ্যক (শানক্বীতী, আযওয়াউল বায়ান ৩/২৬০)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘মুসলিমগণ পরস্পরের মধ্যে যে শর্ত করবে, তা অবশ্যই পালন করতে হবে (তিরমিযী হা/১৩৫২; মিশকাত হা/২৯২৩)। অতএব প্রশাসনিক নি
উত্তর : প্রথমতঃ তালাকের নিয়তসহ এমন ইঙ্গিতবহ বাক্য উল্লেখ করে তালাক প্রদান করাকে ‘কেনায়া তালাক’ বলে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৩২/৩০২)। অতএব তালাকের নিয়তে স্বামী এসব কথা বলে থাকলে প্রত্যেক মাসের পবিত্রতাকালীন সময়ে প্রদত্ত তালাক এক তালাক
উত্তর : স্ত্রীর জন্য স্বামীর অনুমতি ব্যতীত পিতার বাড়িতে চলে যাওয়া অবাধ্যতা এবং গুনাহের কাজ। তবে তার চলে যাওয়াটা মোহরানা মাফের কারণ নয়। এক্ষণে স্বামীর পক্ষ থেকে তালাক হওয়ায় স্ত্রীকে তার প্রাপ্য মোহরানা দিতে হবে। প্রদান না করলে তিনি ঋণী থাকবেন। উল
উত্তর : মুওয়াযযিন বা যিনি ইক্বামত দিবেন তাকে ইমামের পিছনে দাঁড়ানো আবশ্যক নয়। তবে দায়িত্বশীল হিসাবে তিনি ইমামের পিছনে দাঁড়াতে পারেন। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমাদের মাঝে বুদ্ধিমান ও বিজ্ঞজন (ছালাতে) আমার কাছাকাছি দাঁড়াবে। তারপর দাঁড়াবে তাদের নিকটবর্তী
উত্তর : সুন্নাত হ’ল মৃত্যুর পরে ওয়ারিছদের মধ্যে শরী‘আত মোতাবেক সম্পত্তি বণ্টন হবে। কারণ আল্লাহ তা‘আলা মৃত্যুর পরে সম্পদ বণ্টনের কথা আলোচনা করেছেন (নিসা ৪/১১-১২)। তাছাড়া জীবদ্দশায় সম্পদ বণ্টন করে দিলে নিজেই অসহায় হয়ে যেতে পারে। এক্ষণে কেউ যদ
উত্তর : শরী‘আত বিরোধী নয় রাষ্ট্রের এমন বিধিনিষেধ পালন করা আবশ্যক। কোন দেশের আইন উপেক্ষা করে সেখানে অবস্থান করা সমীচীন নয়। কারণ আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা তোমাদের অঙ্গীকারসমূহ পূর্ণ কর’ (মায়েদাহ ৫/১)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘মুসলিম
উত্তর : তায়াম্মুম করে ছালাত আদায় করার পরে ওয়াক্তের মধ্যে পানি পেয়ে গেলেও পুনরায় ছালাত আদায় করার প্রয়োজন নেই। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) বলেন, দুই লোক সফরে বের হ’ল। পথিমধ্যে ছালাতের সময় হ’ল, অথচ তাদের কাছে পানি ছিল না। তাই তারা দু’জনই পাক মাটিতে তায়
উত্তর : আত্মহত্যা মহাপাপ এবং তার জাহান্নামী হওয়ার অন্যতম কারণ। তবে পাগল বা মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি আত্মহত্যা করলে সে পরকালীন শাস্তি থেকে রক্ষা পাবে ইনশাআল্লাহ। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘তিন ব্যক্তির উপর থেকে কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছে (১) পাগল, যতক
উত্তর : এ পদ্ধতি শরী‘আতসম্মত নয়। বরং এটি সূদী পদ্ধতি। এখান থেকে মুসলমানদের বেঁচে থাকা আবশ্যক। সরকার ঘোষিত সার্বজনীন পেনশনের রূপরেখাটি প্রচলিত বীমা পদ্ধতি বা ব্যাংকের ডিপিএসের মত, যা গারার (অস্পষ্টতা) ও রিবা (সূদ)-নির্ভর। অর্থাৎ একজন নাগরিক নির্দ
উত্তর : এটা সৃষ্টির পরিবর্তন নয়; বরং চিকিৎসা হিসাবে গণ্য হবে। কুলাবের যুদ্ধে আরফাজাহ বিন আস‘আদ-এর নাক কাটা গিয়েছিল। তিনি রূপার দ্বারা একটি নাক তৈরি করেছিলেন। অতঃপর তাতে দুর্গন্ধ দেখা দিলে নবী করীম (ছাঃ) তাঁকে স্বর্ণের নাক তৈরি করতে নির্দেশ দিলেন
উত্তর : মূল হারাম হ’লে লাভও হারাম হবে। তবে কেউ যদি না জেনে বিনিয়োগ করে থাকে, তবে হারাম সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর উক্ত হারাম মূলধন নেকীর আশা ব্যতীত জনকল্যাণে ব্যয় করে দিলে লভ্যাংশ হালাল হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ বলেন, ‘অতঃপর যার নিকটে তার প্র
উত্তর : উক্ত হাদীছদ্বয়ে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূল (ছাঃ) বলেন, তোমরা ‘ছওমে বিছাল’ পালন করবে না। লোকেরা বলল, আপনি যে ছওমে বিছাল করেন? তিনি বললেন, আমি তোমাদের মত নই। আমাকে পানাহার করানো হয় (অথবা বললেন) আমি পানাহার অবস্থায় রাত্রি অতিবাহিত করি (বুখ
উত্তর : মাগরিব ছালাতের পরে দু’রাক‘আত সুন্নাতে রাতেবা রয়েছে। এর পরে কেউ নফল ছালাত আদায় করতে চাইলে নিয়মিতভাবে নয়, বরং অনিয়মিতভাবে দুই দুই রাক‘আত করে অনির্ধারিত রাক‘আত নফল ছালাত আদায় করতে পারে (শাওকানী, নায়লুল আওতার ৩/৬৮; ওছায়মীন, ফাতাওয়া নূরু
উত্তর : মোবাইলে কুরআন পাঠ করা যায়। যদিও বিদ্বানগণ মুছহাফ থেকে তেলাওয়াতকে উত্তম বলেছেন। কারণ এতে অন্তরে অধিক পরিতৃপ্তি লাভ হয় (নববী, আত-তিবইয়ান ফি আদাবি হাম্মালাতিল কুরআন ১০০ পৃ.; নববী, আল-মাজমূ‘ ২/১৬৬)। তবে যে পদ্ধতিতেই তেলাওয়াত করা হৌক না
উত্তর : বন্ধকী জমি দ্বারা উপকৃত হওয়া যাবে না এবং উপকার গ্রহণের শর্তে জমি বন্ধকও রাখা যাবে না। কারণ এটা ঋণ, আর ঋণ প্রদান করে এর বিনিময়ে লাভ ভোগ করা সূদের অন্তর্ভুক্ত। ছাহাবীগণ এমন ঋণ নিষেধ করতেন, যা লাভ নিয়ে আসে (বায়হাক্বী ৩/৩৪৯-৩৫০; ইরওয়াউল
উত্তর : খুৎবার সময় অনুবাদ চলবে না (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৩/১৮১; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ১৯/১৭৮-৮০)। খুৎবা ও ফরয ছালাত শেষে খুৎবার অনুবাদ করা যেতে পারে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৮/২৫৩; ওছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব ০৮/০২)।প্রশ্নকারী :&nb
উত্তর : ছালাতরত অবস্থায় কোন মুছল্লী তার জুতা চুরি হয়ে যাচ্ছে, বুঝতে পারলে ছালাত ছেড়ে নিজের সম্পদ রক্ষা করবে (ওছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ০৮/০২)। অতঃপর ছালাতে দাঁড়িয়ে যাবে। রাসূল (ছাঃ) জান ও মালের ক্ষতি থেকে আত্মরক্ষার জন্য ছালাতে সাপ ব
উত্তর: এটি জায়েয এবং কুরআন ও সুন্নাহ বিরোধী নয় (উছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৪/২)। বস্ত্ততঃ গর্ভাশয়ে সন্তানের অবস্থান বা লিঙ্গ জানা যায় ভ্রুণের বয়স চার মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পর। এর পূর্বে মানুষ কিছুই জানতে পারে না। চার মাস পরে এটি আর গায়
উত্তর : উক্ত মর্মে কোন হাদীছ বর্ণিত হয়নি। বরং এটি কোন বিদ্বানের হিকমতপূর্ণ বক্তব্য। তবে বাস্তবে ‘ছবর’ (ধৈর্য) নামে একটি বৃক্ষ রয়েছে যার পাতা ‘এলোভেরা’ নামে পরিচিত। এর দ্বারা রাসূল (ছাঃ) চোখের চিকিৎসা করতে বলেছেন। আর ছাহাবায়ে কেরাম এই ছবর বৃক্ষের
উত্তর : দু’টি পদ্ধতি রয়েছে। ১. প্রত্যেক সূরা ধারাবাহিক একবার করে মোট তিন বার পাঠ করবে। ২. প্রত্যেক সূরা তিন তিন বার করে পাঠ করবে (ইবনু রজব, ফাৎহুল বারী ৭/৪১৪-১৬)। যার নিকট যেটি সহজ হয় সে পদ্ধতিতে আমল করবে।প্রশ্নকারী : আমজাদ আলী, মণীপুর
উত্তর : ইসলামী শরী‘আতে রাশিফল নির্ণয় করা নিষিদ্ধ। গণককে বিশ্বাস করলে বা তার কথা সত্য বলে মেনে নিলে আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে। হাফছা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি গণকের কাছে যায় এবং তাকে কোন কথা জিজ্ঞেস করে, তার ৪০ দিনের ছালাত কবুল হ
উত্তর : দাড়ি মুন্ডন করা ফাসেকী কাজ। কেউ দাড়ি মুন্ডল করলে সে গুনাহগার হবে। তবে দাড়ি মুন্ডন ইসলাম থেকে বের করে দেয় না। সেজন্য দাড়ি মুন্ডনকারীকে সালাম দিতে বাধা নেই (ওছায়মীন, লিকাউল বাবিল মাফতূহ ১৬৫/১২)।প্রশ্নকারী : আব্দুল লতীফ, কলারোয়া,
উত্তর : স্যাকারিন হারাম বস্ত্ত নয়। সেজন্য সরিষার সাথে স্যাকারিন মিশালে গুনাহ নেই। তবে গবেষকদের মতে, অতিরিক্ত স্যাকারিন মানবদেহে ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করে। কেননা স্যাকারিন একটি মিষ্টিজাতীয় পদার্থ, যাতে কোন পুষ্টিকর উপাদান নেই। এটি মানবদেহে মেশে
উত্তর: পিতার গায়ে হাত তোলা ধ্বংসাত্মক কবীরা গুনাহ। পিতা-মাতা অন্যায় করলেও তাদের সাথে সুন্দর আচরণ করতে হবে। এক্ষণে সন্তানের কর্তব্য হ’ল পূর্ণ অনুতপ্ত হয়ে পিতার নিকট ক্ষমা চেয়ে নেওয়া এবং তার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য চেষ্টা করা। আর পিতার উচিৎ হবে সন্
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তোমরা কবরের দিকে ফিরে ছালাত আদায় করো না এবং তার উপর বসো না (মুসলিম হা/৯৭২; মিশকাত হা/১৬৯৮)। শহীদ মিনার সরাসরি কবর নয়। সেটাকে কবর মনে করে শ্রদ্ধা জানানো শিরক। অতএব সামনে বা পার্শ্বে শহীদ মিনার থাকলে ছালাতের ক্
উত্তর : স্ত্রী স্বামীর ডাকে সাড়া না দিয়ে অপরাধ করেছে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, কোন ব্যক্তি যদি নিজ স্ত্রীকে বিছানায় ডাকে আর সে অস্বীকৃতি জানায় এবং সে ব্যক্তি স্ত্রীর উপর রাগ নিয়ে রাত্রি-যাপন করে, তাহ’লে ফেরেশতাগণ ঐ স্ত্রীর উপর সকাল পর্যন্ত লা‘নত করতে থ
উত্তর : উক্ত মর্মে একটি বর্ণনা পাওয়া যায়। তবে বর্ণনাটির সনদ জাল। অতএব এই ধরনের ভিত্তিহীন কথা রাসূল (ছাঃ)-এর দিকে সম্পৃক্ত করা যাবে না (মুসনাদে আবী ইয়া‘লা হা/৩৬৭৮; মাজমা‘উয যাওয়ায়েদ হা/১৭৫৬০; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৩/২৪৮)। তাছাড়া এটি ছহীহ হাদ
উত্তর : ছওয়াব অর্জনই মূখ্য হতে হবে। তৃপ্তি পাওয়ার জন্য চেষ্টা করতে হবে। তৃপ্তি পাওয়ার জন্য তিনটি কাজ করতে হবে। যেমন রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যার মধ্যে তিনটি গুণ থাকে, সে ঈমানের স্বাদ লাভ করে থাকে। ১. আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তার কাছে অন্য সব কিছু থেকে অধিক
উত্তর : মানুষের শরীর থেকে রক্ত বের হওয়া ওযূ ভঙ্গের কারণ নয়। কেননা তা অপবিত্র নয়। সুতরাং কারো দেহ থেকে রক্ত বের হ’লে এবং শরীরে বা পোষাকে লেগে থাকলে ছালাতের কোন ক্ষতি হবে না (বুখারী ১/৩১৮; তিরমিযী হা/১৫৮২; নববী, আল-মাজমূ‘ ২/৬৩-৬৫; ওছায়মীন, আশ
উত্তর : কুরআন বা হাদীছে এমন রোগ থেকে আরোগ্য লাভের জন্য নির্দিষ্ট কোন আমল বর্ণিত হয়নি। বরং এজন্য অভিজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হ’তে হবে। পাশাপাশি আল্লাহর প্রতি ভরসা রেখে নিম্নোক্ত দো‘আটি পাঠ করবে, যে দো‘আটি আল্লাহ তা‘আলা মূসা (আঃ)-কে মুখের জড়তা দূর হ
উত্তর : অভিভাবক বা সরকারী প্রতিনিধির উপস্থিতিতে বিবাহ না হওয়ায় উক্ত বিবাহ বৈধ হয়নি (আবুদাউদ হা/২০৮৩; মিশকাত হা/৩১৩১; ছহীহুল জামে‘ হা/২৭০৯)। এমতাবস্থায় মেয়েটি অবৈধ বিবাহের পাপ থেকে খালেছ তওবা করবে। অতঃপর ইসলামী বিধান অনুযায়ী আদালতের মাধ্যমে
উত্তর : এটি কুসংস্কার। এতে বিশ্বাস করা শিরক। কারণ এখানে আল্লাহকে বাদ দিয়ে সাগরের পানিকে ব্যবসায় বরকতদাতা হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। অথচ ব্যবসায় বরকত রয়েছে সত্য কথা বলা এবং পণ্যের প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরার মধ্যে (বুখারী হা/২০৭৯; মিশকাত হা/২৮০২)। এ
উত্তর : প্রথমতঃ কবরস্থান চাষাবাদের জায়গা নয়। দ্বিতীয়ত: কবরস্থানকে বাগানের সদৃশ সুসজ্জিত করা মূলত: ইহূদী-নাছারাদের কাজ, যার বিরোধিতা করা আবশ্যক। তৃতীয়ত: কবরস্থানে ছায়াদার বৃক্ষরোপণ বা ফুলগাছ লাগানোর নযীর সালাফে ছালেহীন থেকে পাওয়া যায় না। এজন্য আজ
উত্তর : এরকম লোককে ইমাম হিসাবে রাখা যাবে না। কারণ ইমামতি একটি মর্যাদাপূর্ণ দায়িত্ব, যার পিছনে অসংখ্য মুছল্লী ছালাত আদায় করেন। তবে বাধ্যগত অবস্থায় ফাসেক ইমামের পিছনে ছালাত আদায় করলে ছালাত হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। কারণ ছাহাবায়ে কেরাম যালেম ও ফাসেক ব্য
উত্তর : শিরক মহাপাপ, যা তওবা ব্যতীত মাফ হয় না। তবে কোন ব্যক্তি দ্বীনের সঠিক দাওয়াত না পেলে কিংবা অনিচ্ছাকৃত বা অজ্ঞতাবশত শিরকে লিপ্ত অবস্থায় মারা গেলে আল্লাহ চাইলে তাকে মুক্তি দিতে পারেন (মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ৩/২৩১; মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৯/৩৯; আশ-শারহ
উত্তর : এমন অনিশ্চয়তাপূর্ণ এবং ভবিষ্যৎবাচক কথা বলায় তালাক হবে না (ওছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ১৩/৬১)। অতএব তারা যথারীতি সংসার করে যাবে।প্রশ্নকারী : জাবের হোসাইন, বরগুনা।
উত্তর : সরকারী খাস জমি অবৈধভাবে দখল করে ভোগ করা যাবে না। তবে সরকারের সাধারণ অনুমতি থাকলে চাষাবাদে বাধা নেই। যেমন নিজ জমির সম্মুখভাগে অবস্থিত রাস্তার জমি ব্যবহার করা তার জন্য অনুমোদিত। আর যদি কোন অরক্ষিত খাস জমিতে সরকারের কোন নির্দেশনা না থাকে, ত
উত্তর : বিনা টিকিটে ভ্রমণ করা বৈধ নয়। এক্ষণে কোন কারণে টিকিট কাটা সম্ভব না হ’লে ট্রেনে দায়িত্বরত কর্মকর্তার নিকট থেকে টিকিট সংগ্রহ করবে। তিনি টিকিট দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে যথাযথ ভাড়া প্রদান করে নিজেকে গুনাহমুক্ত করবে (বুখারী হা/৩৬০৩; মুসলি
উত্তর : এটি শরী‘আতসম্মত নয়। কারণ খুৎবার পূর্বে কোন বয়ান নেই। এতে দু’টি বিদ‘আত রয়েছে- ১. জুম‘আর সুন্নাতী খুৎবার পূর্বে একটি বিদ‘আতী খুৎবা চালু করা এবং ২. জুম‘আর পূর্বে সুন্নাতে রাতেবা চালু করা। অথচ জুম‘আর পূর্বে নফল ছালাত থাক দারব ১৩/২৭৮; ওছ
উত্তর : বাড়িতে একাধিক মহিলা থাকলে জামা‘আতে ছালাত আদায় করা উত্তম। উম্মে সালামা ও আয়েশা (রাঃ) জামা‘আতের সাথে বাড়িতে ছালাত আদায় করতেন এবং তাঁরা কাতারের মাঝে দাঁড়িয়ে ইমামতি করতেন (বায়হাক্বী হা/৫৩৫৫; ইবনু আবী শায়বাহ হা/৪৯৫৩; আলবানী, তামামুল
উত্তর : ইসলামী শরী‘আতে শিরনী নামে কোন পরিভাষা নেই। বরং কেউ মারা গেলে তার আত্মীয়-স্বজন মাইয়েতের পরকালীন মুক্তির জন্য দো‘আ করবে এবং ছাদাক্বা করবে। যা গোপনে করাই উত্তম। আর প্রকাশ্যে করলে ফকীর-মিসকীনরাই তার বেশী হকদার (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আ
উত্তর : ইসলামী শরী‘আতে কবরের দু’টি পদ্ধতি চালু আছে। ১. লাহাদ তথা বগলী কবর, যা নবী করীম (ছাঃ)-এর কবর ছিল। ২. শাক্ক বা ছাদ কবর, যা বালিমাটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য (মুসলিম হা/৯৬৬; মিশকাত হা/১৬৯৩)। অতএব মাটি বুঝে যে কোন পদ্ধতির কবর দেওয়া যাবে।প্রশ্
উত্তর : মসজিদের পুরাতন জিনিসপত্র বিক্রয় করে মসজিদের উন্নয়নে ব্যয় করায় কোন বাধা নেই (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ৩১/৯২)।প্রশ্নকারী : তানযীল আহমাদ, লালপুর, নাটোর।
প্রশ্নকারী : মুনীরুল গাযী, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।উত্তর : যে কোন প্রকার এনার্জি ড্রিংকে যে এ্যালকোহল মিশ্রিত থাকে, তা প্রমাণিত। যদিও অতিরিক্ত ক্যাফেইন মিশ্রিত থাকায় সেটি অনেক সময় অনুভব করা যায় না। (www.drink aware.co.uk/)। আর কোন খাদ্য ও পান
উত্তর : মসজিদের মাইক আযানের জন্য ব্যবহৃত হবে অন্য কাজে নয়। তাছাড়া হারানো সম্পদ খোঁজার জন্য মসজিদের মাইক ব্যবহার করা নিষিদ্ধ (মুসলিম হা/৫৬৮)। তবে বিশেষ সামাজিক প্রয়োজনে যেমন গ্রামে ডাকাত পড়লে, আগুন লাগলে বা শিশু হারিয়ে গেলে তার নিরাপত্তার জন
উত্তর : পানি ছিটিয়ে দিলেই যথেষ্ট হবে। জ্যেষ্ঠ তাবেঈ হুমাম বিন হারেছ একদিন আয়েশা (রাঃ)-এর মেহমান হন। এমতাবস্থায় সকালে তিনি কাপড় ধুতে থাকলে আয়েশা (রাঃ)-এর দাসী সেটা দেখেন এবং তাঁকে সেটা অবহিত করেন। তখন আয়েশা (রাঃ) বললেন, তার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট ছি
উত্তর : এটি রাসূল (ছাঃ) এবং আয়েশা (রাঃ)-এর চাহিদার ভিত্তিতে লোকেরা করত না। বরং তারা আয়েশা (রাঃ)-এর মর্যাদার প্রতি লক্ষ্য রেখে করতেন। কারণ আয়েশা (রাঃ) একমাত্র স্ত্রী যার সাথে একই কাপড়ে থাকাকালীন রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট অহী নাযিল হয়েছিল। লোকেরা আল্লাহ
উত্তর : পুরুষেরা রূপা বা চাঁদির আংটি ব্যবহার করতে পারে। রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম চাঁদির আংটি ব্যবহার করেছেন। আনাস (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, যখন নবী করীম (ছাঃ) পারস্যের রাজা কিছরা এবং রোম সম্রাট কায়ছার এবং নাজাশীর নিকট পত্র লিখার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন,
উত্তর : আল্লাহর সকল সৃষ্টি তথা জীব ও জড় সব কিছুই আল্লাহর তাসবীহ পাঠ করে। আল্লাহ বলেন, ‘সাত আসমান ও যমীন এবং এ দু’য়ের মধ্যেকার সবকিছু তাঁরই পবিত্রতা ঘোষণা করে। আর এমন কিছু নেই যা তার প্রশংসাসহ পবিত্রতা বর্ণনা করে না। কিন্তু তাদের পবিত্রতা বর্ণনা
উত্তর : স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানো কবীরা গুনাহ। যদি পিতা-মাতাও দ্বীনী স্বার্থ ছাড়া দুনিয়াবী কারণে সন্তানের সংসার ভাঙ্গেন, তবে তারাও কবীরা গুনাহগার হবেন। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে, মালিকের বিরুদ্ধে কর্মচারীকে প্ররোচিত
উত্তর : ফজরে নিয়মিত কুনূত পাঠ করা সমীচীন নয়। কারণ ফজরে নিয়মিত কুনূত পাঠ করার ব্যাপারে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ এবং মুনকার (যঈফাহ হা/১২৩৮)। বরং রাসূল (ছাঃ) যখন কোন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন তখন ফরয ছালাতে কুনূত পাঠ করেছেন। কখনও একমাস ব্যাপীও কুনূত প
উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা কোন কাজ করার পূর্বে পরামর্শ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। আবার রাসূল (ছাঃ) কোন কাজ করার পূর্বে ইস্তেখারার ছালাত আদায় করার নির্দেশনা দিয়েছেন। এক্ষণে অধিকাংশের মতে, প্রথমে ইস্তেখারার ছালাত আদায় করবে। অতঃপর বিজ্ঞজনদের সাথে পরামর্শ ক
উত্তর : ঘুষ আদান-প্রদান কবীরা গুনাহ। এদের উপর আল্লাহর লা‘নত বর্ষিত হয় (আবুদাঊদ, ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/৩৭৫৩)। সুতরাং কোন অযোগ্য ব্যক্তি ঘুষ দিয়ে চাকুরী নিলে সে নিজে যেমন অপরাধী, তেমনি অপরের হক নষ্ট করার জন্য দায়ী হবে। এমতাবস্থায় সে খালেছ নিয়
উত্তর : যাবে না। নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে এসব উপহার গ্রহণ করলে ঘুষের অন্তর্ভুক্ত হবে। কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভালো-মন্দ নির্বিশেষে হাদিয়া প্রদানকারী কোম্পানীর ঔষধ রোগীদেরকে লিখে দেওয়ার জন্য প্ররোচিত করতেই উক্ত হাদিয়া প্রদান করা হয়ে থাকে, যা ঘুষ হিস
উত্তর : সন্তান পিতাকে সম্পূর্ণভাবে হারাম বর্জন করে হালাল ইনকামে উৎসাহিত করবে। তাদেরকে হালাল রিযিক উপার্জনের গুরুত্ব বুঝাবে। তবে এরপরেও যদি পিতা হারাম বর্জন না করে, তবুও তার উপার্জন থেকে সন্তানের পড়ার খরচ গ্রহণ করায় দোষ নেই। কারণ কেউ কারো পাপের ব
উত্তর : এমন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করা পর্দার সাথে হ’লেও নারীদের জন্য সমীচীন নয়। কারণ এমন কর্মস্থলে নারী-পুরুষের বাধাহীন সহাবস্থানের কারণে ফিৎনার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। এজন্য নারীবান্ধব কর্মস্থল খুঁজে নিতে হবে। কোন বিকল্প না থাকলে শারঈ পর্দার বিধান যথা
উত্তর : এটা ঠিক হবে না। কারণ মানত পূর্ণ করা ওয়াজিব। এই মানত ভঙ্গের জন্য আল্লাহ তার অন্তরে নিফাক সৃষ্টি করে দিবেন এবং পরকালে তাকে কঠিন শাস্তি দিবেন (তওবাহ ৯/৭৫-৭৮)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর আনুগত্য করার জন্য নযর মানে, সে যেন (তা
উত্তর : ছালাতে ক্রন্দন করা অধিক আল্লাহভীরু সৎকর্মশীল লোকদের বৈশিষ্ট্য। আল্লাহ বলেন, ‘আর তারা কাঁদতে কাঁদতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এবং তাদের বিনয়চিত্ততা আরও বৃদ্ধি পায়’ (ইসরা ১৭/১০৯)। রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম ছালাতে ক্রন্দন করতেন। আব্দুল্লাহ
উত্তর : মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর থেকে ইদ্দত পালন শুরু করবে। জীবনের অস্তিত্ব থাকে বলেই কোমায় রাখা হয়। এক্ষণে বিশেষজ্ঞ চিকিৎকগণ ব্যক্তির ব্রেন এবং হার্ট উভয়টির মৃত্যু নিশ্চিত না করা পর্যন্ত তাকে মৃত হিসাবে গণ্য করা যাবে না। অতএব স্বামীর মৃত্যুর পরে
উত্তর : সক্ষম পুরুষের জন্য এটি জায়েয হবে না। কারণ ছালাত একটি সমষ্টিগত ইবাদত, যা মসজিদে গিয়ে জামা‘আতের সাথে আদায় করা আবশ্যক (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১১/২০৫; ওছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৪/৩২৩)। তবে মহিলারা বাড়ির ভিতরে একটি কক্ষ নির্বাচ
উত্তর: ঋণদাতা ও গ্রহীতার জন্য নিম্নের কয়েকটি বিষয় পালন করা কর্তব্য। যেমন (১) ঋণ গ্রহণ বা প্রদানের বিষয়টি উভয় পক্ষের স্বাক্ষরে লিখিত হওয়া (বাক্বারাহ ২/২৮৪)। (২) যথাসময়ে পরিশোধের মানসিকতা থাকা। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ঋণ নেয় পরিশো
উত্তর : অনুতপ্ত হয়ে তওবা করলে এবং সে গোনাহ পুনরায় না করলে আল্লাহ শিরকের গোনাহ ক্ষমা করে দেন। যেমন তিনি বলেন, ‘হে আমার বান্দারা! যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সকল গোনাহ মাফ করে দিবেন। তিনি তো ক্ষমাশী
উত্তর : জুম‘আ যেমন সমষ্টিগত একটি ইবাদত, তেমনি এটা ইসলামের বড় নিদর্শন। সুতরাং যত্রতত্র জুম‘আ কায়েম করা যাবে না। বরং মসজিদে গিয়ে জুম‘আর ছালাত আদায় করবে। সম্ভব না হ’লে যোহরের ছালাত আদায় করবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৮/১৭৮)। তবে অত্র এলাকায় মসজিদ
উত্তর : প্রচলিত অনশন ধর্মঘট আত্মহত্যার শামিল। এতে মারা গেলে নিঃসন্দেহে সে আত্মহত্যাকারী হিসাবে গণ্য হবে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা নিজেদেরকে হত্যা করো না’ (নিসা ৪/২৯)। তিনি বলেন, ‘যে কেউ সীমালংঘন ও যুলুমের বশবর্তী হয়ে এরূপ করবে, তাকে শীঘ্রই আমরা
উত্তর : শারঈ ওযর থাকলে বাধ্যগত অবস্থায় এমনটি করা যাবে, নতুবা নয়। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি অহংকারবশে পাজামা বা লুঙ্গী টাখনুর নীচে ঝুলিয়ে চলে ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহ তার প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না’ (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/৪৩১১)। অন্য
উত্তর: কোল্ড ড্রিংক্সে পানির রং, স্বাদ ও গন্ধ পরিবর্তন হয়ে যায়। অতএব এতে ওযূ করা জায়েয হবে না। এতে ওযূ করে ছালাত আদায় করলে তাকে পুনরায় পবিত্র পানিতে ওযূ করে ছালাত আদায় করতে হবে (মুগনী ১/১১; ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২১/২৬)। উল্লেখ্য যে, পব
উত্তর: নছীহত করা সত্ত্বেও দাদা-দাদী তওবা না করলে তাদের হারাম আয়ের জন্য তারাই দায়ী হবেন। পরিবারের অন্য সদস্যরা নয়। কারণ একের পাপের বোঝা অন্যে বহন করবে না (বাক্বারাহ ২/২৮৬; আন‘আম ৬/১৬৪)।প্রশ্নকারী : মাইশা সাবা*, শিবগঞ্জ, বগুড়া।*[আরবীতে ব
উত্তর : যিনি দাঁড়িয়ে ছালাত আদায় করতে সক্ষম, কিন্তু বসতে অক্ষম, তিনি দাঁড়িয়েই ছালাত আদায় করবেন। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে বিনীতভাবে দন্ডায়মান হও’ (বাক্বারাহ ২/২৩৮)। তিনি রুকূ ও সিজদা দাঁড়ানো অবস্থাতেই ইশারায় আদায় করবেন। রুকূতে সা
উত্তর: উক্ত সম্পদে মা ও ছেলের পরিবার উভয়ে অংশীদার হবে। কারণ একজন জায়গা ক্রয়ে বিনিয়োগ করেছেন, অন্যজন ভবন নির্মাণে বিনিয়োগ করেছেন। পূর্ব থেকে লিখিত বা মৌখিক চুক্তি থাকলে সে অনুপাতে উভয় পরিবার লভ্যাংশ ভোগ করবেন। না থাকলে মা এবং ছেলের পরিবার সমঝোতার
উত্তর : ত্বাওয়াফ অবস্থায় অতি সংক্ষেপে প্রয়োজনীয় কথা বলা যায়। তবে অপ্রয়োজনীয় কথা বলা বা ভিডিও ধারণ করার মত অতিরঞ্জিত কর্ম থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। রাসূল (ছাঃ) বলেন, বায়তুল্লাহর ত্বাওয়াফ, ছাফা-মারওয়ার সাঈ এবং জামরায় কংকর নিক্ষেপ ইত্যাদি কেবলমাত্র আল
উত্তর : অসুস্থ বা মা‘যূর ব্যক্তি বসে ইশারায় রুকূ-সিজদা করে ইমামতি করতে পারবেন। কারণ রাসূল (ছাঃ) ওযরের কারণে বসে ছালাতে ইমামতি করেছিলেন। আর আবুবকর (রাঃ) তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে এবং অন্যান্য ছাহাবীগণ তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে ইক্তেদা করেছিলেন (ব
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি ছহীহ। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘ক্বিয়ামতের অন্যতম আলামত হচ্ছে, লোকেরা মসজিদের ভিতর দিয়ে অতিক্রম করে চলে যাবে। অথচ তাতে দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করবে না এবং পরিচিত ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কাউকে সালাম প্রদান করা হবে না (ছহী
উত্তর : কর্তৃপক্ষ তাদের ধর্ম পালনের সুযোগ দিতে পারে, তবে ধর্ম পালনে সহায়তা করবে না। কারণ তাদের ধর্ম পালন অর্থ আল্লাহর সাথে শিরক করা। আর কোন শিরকী কাজে কোনভাবেই সহায়তা করা যাবে না। আল্লাহ বলেন, তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা কর
উত্তর: এমন শর্তে বিয়ে করা জায়েয। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘মুসলিমগণ পরস্পরের মধ্যে যে শর্ত করবে, তা অবশ্যই পালন করতে হবে। কিন্তু যে শর্ত ও চুক্তি হালালকে হারাম এবং হারামকে হালাল করবে তা জায়েয হবে না’ (আবুদাউদ হা/৩৫৯৪; ছহীহুল জামে‘ হা/৬৭১৪)। সুতরাং
উত্তর : পিতা ও দাদার পরকালীন মুক্তির জন্য চাচার প্রাপ্য অংশ প্রদান করা ভাতীজাদের উপর আবশ্যক (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব ১৯/৪৯৪)। কারণ আল্লাহ তা‘আলা ওয়ারিছদের নায্য অধিকার কুরআনে নির্ধারণ করে দিয়েছেন এবং রাসূল (ছাঃ) হাদীছে সন্তানদের ম
উত্তর : সুন্নাত হচ্ছে দ্বিতীয়বার মিলনের পূর্বে ওযূ করে নেওয়া। কারণ এতে মানসিক প্রশান্তি বৃদ্ধি পায় (ছহীহুল জামে‘ হা/২৬৩)। তবে ওযূ বা গোসল না করলেও কোন বাধা নেই (ত্বাহাবী, শরহু মা‘আনিল আছার হা/৭৮৯)। সুতরাং ওযূ ছাড়া মিলন করার পর গর্ভে সন
উত্তর : অসুস্থতার কারণে পৃথক জায়নামায (মুছাল্লা) ব্যবহার করে ছালাত আদায় করা যাবে। এতে কোন বাধা নেই (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৫/২৭৯)।প্রশ্নকারী : ইয়াকূব, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
উত্তর: পিতা যে কাউকে ওলীর দায়িত্ব দিয়ে মেয়ের বিবাহের ব্যবস্থা করতে পারেন। তাছাড়া আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করেও মেয়ের বিবাহের ব্যবস্থা করতে পারেন। বরং আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে নিজেই ওলী হিসাবে মেয়ের বিবাহ সম্পন্ন করা উত্তম হবে
উত্তর: পর্দার সাথে হ’লেও ফেসবুকে অপ্রয়োজনীয় ও যথেচ্ছ ছবির ব্যবহার থেকে নারীদের সতর্ক থাকা উচিৎ। কারণ এতেও ফিৎনা ছড়ানোর আশংকা রয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আর তোমরা প্রকাশ্য ও গোপন অশ্লীলতার নিকটবর্তী হয়ো না’ (আন‘আম ৬/১৫১)।প্রশ্নকারী :ইবনু আনন
উত্তর: কবর যিয়ারত মৃত্যুকে স্মরণ করার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। কিন্তু যে সকল ইবাদতের ব্যাপারে হাদীছে সময়, কাল বা স্থান নির্ধারণ করা হয়নি সেগুলো পালন করার ক্ষেত্রে নিয়ম বানিয়ে নেওয়া যাবে না। বরং মাঝে মধ্যে কবর যিয়ারত করবে এবং আত্মীয়-স্বজনের জন্য দো
উত্তর: তাকবীরে উলার সময়সীমার ব্যাপারে মতপার্থক্য রয়েছে। বিশুদ্ধ মতে, ইমাম যখন তাকবীরে তাহরীমা প্রদান করবেন তখন মুছল্লীকে মসজিদে উপস্থিত থেকে ছালাতে অংশগ্রহণ করতে হবে, তাহ’লে সে তাকবীরে উলা’র ফযীলত লাভ করবে, অন্যথায় নয়। ইমাম নববী (রহঃ) বলেন, মুস্
উত্তর : শারঈ কারণে ছুটে যাওয়া বিগত বছরের ছিয়ামগুলোর ক্বাযা আদায় করতে হবে (মুসলিম হা/৩৩৫; মিশকাত হা/২০৩২; ওছায়মীন, ফাতাওয়া আরকানিল ইসলাম ৪৫৫পৃ.)। এক্ষণে নারীর বার্ধক্যের কারণে বা অসুস্থতার কারণে যদি ছিয়ামগুলোর ক্বাযা আদায়ে সক্ষমতা না থাকে, ত
উত্তর : এই পদ্ধতিতে জমি বিক্রয় হয়নি; বরং টাকার বিনিময়ে জমি বন্ধক রাখা হয়েছে। এরূপ পদ্ধতিতে জমি বন্ধক রাখা জায়েয। তবে বন্ধক গ্রহীতা উক্ত জমি চাষাবাদ করে উপকার লাভ করতে পারবে না। কারণ বন্ধককৃত জমি থেকে উপকার গ্রহণ করা সূদ (ইবনু কুদামাহ, মুগনী
উত্তর : কোলাকুলি বা মুআ‘নাকা অর্থ কাঁধে কাঁধ মিলানো এবং মহববতে জড়িয়ে ধরা। মাহরাম পুরুষ বা নারীর সাথে সাধারণভাবে কোলাকুলি করা যায়। তবে বিরত থাকাই উত্তম। আর কোলাকুলির বিষয়টি সফর থেকে ফিরে আসা ব্যক্তির সাথে খাছ বলে বিদ্বানগণ আলোকপাত করেছেন (বি
উত্তর : আত্মহত্যা কবীরা গুনাহ। এই মহাপাপের ভাবনা থেকে মুমিনকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। যে ব্যক্তি যেভাবে আত্মহত্যা করবে জাহান্নামে সে সেই পদ্ধতিতেই শাস্তি ভোগ করবে। তবে তাওহীদে বিশ্বাসী আত্মহত্যাকারী ব্যক্তি স্থায়ী জাহান্নামী হবে না। বরং শাস্তি ভো
উত্তর : উল্লিখিত দ্বিতীয় পদ্ধতিও সূদী। কারণ এখানে ঋণের বিনিময়ে অতিরিক্ত লাভ তথা তিন ভাগের এক ভাগ ফসল নেওয়া হচ্ছে। আর যে ঋণ লাভ নিয়ে আসে সেটাই সূদ। উবাই ইবনে কা’ব, ইবনে মাস‘উদ ও ইবনে আববাসসহ (রাঃ) অনেক ছাহাবী তা গ্রহণ করতে নিষেধ করতেন (বায়হা
উত্তর: জেনেশুনে এমন অপরাধে সহযোগিতা করলে পাপী হ’তে হবে। এজন্য তাকে ঋণ দেওয়ার সময় শর্ত করে নিতে হবে যে, উক্ত টাকা কোন অবৈধ কাজে ব্যবহার করা যাবে না। সে ওয়াদা দিলে তাকে ঋণ দিবে, অন্যথায় দিবে না। কারণ পাপের কাজে সহযোগিতা করা যাবে না। আল্লাহ বলেন, ‘
উত্তর : খালেছ নিয়তে তওবা করতে হবে। বান্দা তার পাপ থেকে ফিরে আসতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে বিশুদ্ধ তওবা করলে আল্লাহ তাঁর তওবা কবুল করবেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘আল্লাহ তাঁর বান্দার তওবা কবুল করেন তার মৃত্যুর লক্ষণ প্রকাশ পাওয়া পর্যন্ত’ (তিরমিযী,
উত্তর : আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা বা দৃঢ় করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা উত্তম কাজ। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘সালাম প্রদানের মাধ্যমে হ’লেও আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা কর’ (ছহীহাহ হা/১৭৭৭)। তবে যে কোন বৈধ আয়োজন শারঈ বিধান অক্ষুণ্ণ রেখেই করতে হবে (বি
উত্তর : সম্মান পাওয়ার ক্ষেত্রে আল্লাহর পরেই পিতা-মাতার অবস্থান। সেজন্য পিতা-মাতার হেদায়াতের জন্য দো‘আ করবে এবং নছীহত করবে। এক্ষণে পিতা যদি স্পষ্ট শিরকী কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন এবং তার মাঝে সংশোধনের ইচ্ছা না থাকে, তবে তিনি মেয়ের বিবাহের অভিভাবকত্ব
উত্তর : ঘর-সংসার সামলানো ও স্বামী এবং সন্তানদের দেখাশুনা করা স্ত্রীর মৌলিক দায়িত্ব। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘নারী তার স্বামীর গৃহের ও সন্তানদের দায়িত্বশীল। এজন্য সে আল্লাহর নিকট জিজ্ঞাসিত হবে’ (মুসলিম হা/১৮২৯; মিশকাত হা/৩৬৮৫)। উক্ত হাদীছের ব্যাখ্
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটির সনদ ছহীহ (আহমাদ হা/১৫৬৪৮;ছহীহাহ হা/৫৮৯)। অতএব উক্ত ফযীলত প্রাপ্তির আশায় সূরা ইখলাছ পাঠ করা যায়।প্রশ্নকারী : মিশকাত উজ্জ্বল*, মাতুয়াইল, ঢাকা।*[সুন্দর ইসলামী নাম রাখুন (স.স.)]
উত্তর : কোন ব্যক্তির মালিকানাধীন জিনিস তার অনুমতি ছাড়া গ্রহণ করা যাবে না। সেটা যে ধরনের বস্ত্তই হোক। সুতরাং কপিরাইট করা থাকলে বা মালিকের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা থাকলে সে জিনিস গ্রহণ করা নাজায়েয (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ১৫/৪১৯; ফাতাওয়া&
উত্তর : পাপী মানুষ ও পাথরকে জাহান্নামের অন্যতম ইন্ধন হিসাবে ব্যবহার করা হবে। মানুষের মধ্যে যারা আল্লাহতে অবিশ্বাসী, বিদ্রোহী এবং পাথরের মধ্য হ’তে ঐ সকল পাথরকে জ্বালানী হিসাবে ব্যবহার করা হবে, যে সকল পাথর দ্বারা মূর্তি বানিয়ে আল্লাহর সাথে শিরক কর
উত্তর : প্রথমতঃ হাদীছে বর্ণিত তিনটি মসজিদ ব্যতীত কোন মসজিদে ছওয়াব অর্জনের উদ্দেশ্যে সফর করা যাবে না। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তিনটি মসজিদ ব্যতীত (ছওয়াবের উদ্দেশ্যে) সফর করা যায় না। সেগুলো হ’ল মসজিদুল হারাম, মসজিদে নববী ও মসজিদুল আক্বছা’ (বুখারী হ
উত্তর : যারা কুরআনের সাথে হাদীছকে শরী‘আতের দলীল হিসাবে বিশ্বাস করে না, তারা সুস্পষ্ট কাফির। কারণ হাদীছ অনুসরণ করা কুরআনেরই নির্দেশ। আল্লাহ বলেন, ‘আর রাসূল তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত হও’ (হাশর ৫৯/৭)। তিনি আ
উত্তর : সন্তানেরা যদি পিতা-মাতার সাথে আর্থিকভাবে জড়িত থাকে কিংবা বাড়িতে এসে একই খাবারে অংশগ্রহণ করে তাহ’লে পিতা সবার পক্ষ থেকে কুরবানী দিলেই যথেষ্ট হবে। কিন্তু আলাদা বাড়িতে অবস্থান করলে এবং আলাদা রান্না হ’লে প্রত্যেককে আলাদাভাবে কুরবানী দিতে হবে
উত্তর : যে দেখবে বা যে এলাকায় দেখা যাবে কেবল তারাই সূর্য বা চন্দ্র গ্রহণের ছালাত আদায় করবে (নাসাঈ হা/১৪৮৩, ১৫০২; শায়েখ বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৩/৩২)।প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ, মহাদেবপুর, নওগাঁ।
উত্তর : কাউকে স্বাগত জানানোর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ফুলের তোড়া প্রদান করা ইসলামের রীতি নয়। এতে অর্থেরও অপচয় হয়। তাছাড়া এর মাধ্যমে অমুসলিমদের রীতিকে উৎসাহিত করা হয়। এজন্য এত্থেকে বিরত থাকাই উচিৎ। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি যে জাতির সাদৃশ্য অবলম্ব
উত্তর : স্ত্রীর প্রকাশ্য অপকর্ম ও স্ত্রীর যেকোন অপকর্মে স্বামী বাধা না দিলে বা নীরব থাকলে ঐ স্বামী পাপী হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘পুরুষ তার পরিবারের দায়িত্বশীল। অতএব সে তার দায়িত্বশীলতার বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে’ (বুখারী হা/২৭৫১; মিশকাত হা/৩৬৮৫)।
উত্তর : প্রাপ্ত বয়স্ক ভাই-বোন একই বিছানায় অবস্থান করবে না। কারণ এতে বড় পাপ সংঘটিত হ’তে পারে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমাদের সন্তানদের বয়স সাত বছর হ’লে তাদেরকে ছালাত শিক্ষা দাও এবং দশ বছর হ’লে তার (ছালাতের) উপর তাদেরকে প্রহার কর এবং তাদের বিছানা পৃথক
উত্তর : আটটি খাতের সবক’টি খাতে বণ্টন করা যরূরী নয়; বরং যেকোন একটি খাতে প্রদান করলেও যথেষ্ট হবে। (কাসানী, বাদায়েঊছ ছানায়ে‘ ২/৪৬ ওছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৬/২৪৭; দ্র. ‘যাকাত ও ছাদাক্বা’ বই)।প্রশ্নকারী : ফরীদুল ইসলাম, রাণীনগর, নওগাঁ।
উত্তর : স্ত্রী নিজের নিরাপত্তার জন্য তার স্বামীর নির্যাতনের কথা পিতা-মাতা বা নিকটতম অভিভাবকদের জানাতে পারবে। এটা গীবতের মধ্যে গণ্য হবে না। আসমা বিনতে আবুবকর (রাঃ) তার স্বামী কর্তৃক নির্যাতিত হ’লে তিনি পিতা আবুবকর (রাঃ)-কে অভিযোগ করেন। অভিযোগ শুন
উত্তর : যানবাহনের সামনে আল্লাহর নাম বা বিভিন্ন আয়াত লেখা থেকে বিরত থাকাই উত্তম। কারণ এসব স্থানে এগুলো টাঙানো হ’লে পদদলিত বা পড়ে গিয়ে অপদস্থ হ’তে পারে। তাছাড়া তাবীয ঝুলানোর ন্যায় অনেকে গাড়ি বা যানবাহনে এগুলো লিখে বরকত অর্জন করতে চায়, যা শিরক। বরং
উত্তর : ক্রিপ্টোকারেন্সি এক প্রকার জুয়া। সেহেতু এর ক্রয়-বিক্রয় বা এর সাথে সম্পৃক্ত হওয়া বৈধ নয়। এক্ষণে হারাম থেকে মুক্তি পেতে নিজের বিনিয়োগ সেখান থেকে উঠিয়ে নিবে। সম্ভব না হ’লে ছেড়ে চলে আসতে হবে। কারণ হারাম বস্ত্ত বা খাদ্য যেমন নিজে ভোগ করা হারা
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটির সনদ ছহীহ (ছহীহাহ হা/১৮০৫)। হাদীছের ব্যাখ্যাও স্পষ্ট। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, তিন শ্রেণীর লোক দো‘আ করবে, কিন্তু দো‘আ কবুল হবে না। কারণ তারা আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (ছাঃ)-এর নির্দেশনা অমান্য করেছে। উক্ত তিন শ্রেণী
উত্তর : জেনে-শুনে অন্যায় কাজে দৈহিক বা আর্থিক কোনভাবে সহযোগিতা করা যাবে না। আল্লাহ বলেন, তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সীমালংঘনের কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা করো না (মায়েদাহ ৫/২)। তবে বাধ্যগত কারণে অন্তরে ঘৃণা রে
উত্তর : কোন মেয়ের বিবাহ হয়ে গেলে সে স্বামীর অধীনে চলে যায়। সেজন্য স্ত্রী চাইলে পরিবারের অসম্মতিতেও স্বামীর নিকট চলে যেতে পারে। তবে পিতা-মাতাকে বুঝানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, বিবাহিতা নারীর স্বামীই আনুগত্যের ক্ষেত্রে
উত্তর : স্ত্রীর পরিবারের প্রতি স্বামী সাধ্যমত সদাচরণ করবে। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, অদূর ভবিষ্যতে তোমরা নিশ্চয় মিসর জয় করবে। তা এমন একটি দেশ যেখানে কীরাত (আঞ্চলিক মুদ্রার নাম) ব্যবহার হয়ে থাকে। তোমরা যখন তা জয় করবে, তখন সেখানকার অধিবাসীদের সাথে সদ্ব্
উত্তর : পারবে। তবে সন্তানদের কিছু হেবা বা দান করতে চাইলে দু’টি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। (১) শারঈ উত্তরাধিকার আইন অনুপাতে হেবা বা দান করতে হবে। (২) অন্য সন্তানদের সম্মতি সাপেক্ষে হেবা বা দান করতে হবে। এর বাইরে তাদের প্রতি খরচের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে ত
উত্তর: ছালাত সম্পন্ন করবে। কারণ নিষিদ্ধ সময় কেবল নফল ছালাতের সাথে সম্পর্কিত। অতএব ফরয ছালাতের ক্বাযা বা মসজিদে প্রবেশকালীন ছালাত বা ত্বাওয়াফের ছালাত নিষিদ্ধ সময়েও আদায় করতে পারবে (মুসলিম হা/৬৮৪; মিশকাত হা/৬০৩; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দ
উত্তর : ইদ্দত পালন করতে হবে (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২২/১৭৪)। কারণ তালাক কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইদ্দত পালন করতে হয়। আল্লাহ বলেন, আর (সহবাসকৃত) তালাকপ্রাপ্তাগণ তিন ঋতু পর্যন্ত অপেক্ষা করবে (বাক্বারাহ ২/২২৮)। ইমাম ইবনু আব্দিল বার্র (রহঃ)
উত্তর : জায়েয। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘ক্রয়-বিক্রয় ও তাগাদার ক্ষেত্রে আল্লাহ তা‘আলা নমনীয়তা পসন্দ করেন’ (তিরমিযী হা/১৩১৯; ছহীহাহ হা/৮৯৯)। তিনি আরো বলেন, ‘আল্লাহ ঐ ব্যক্তির ওপর রহম করুন, যে ব্যক্তি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ও ক্রয়ের ক্ষেত্রে এবং নিজের প্
প্রশ্নকারী : আব্দুল মান্নান, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা।উত্তর : পারবে। কেউ মারা গেলে এবং তার জানাযায় অংশগ্রহণ করতে না পারলে তার কবরকে সামনে রেখে একাকী বা জামা‘আতের সাথে মাইয়েতের জন্য যে কোন দিন জানাযার ছালাত আদায় করা যাবে। রাসূল (ছাঃ) ও তাঁর ছা
উত্তর : মু‘আবিয়া (রাঃ)-এর মত প্রসিদ্ধ ছাহাবীকে কাফের আখ্যাদানকারী ব্যক্তি নিজেই কুফরীতে পতিত হয়েছে। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তার কোন মুসলিম ভাইকে কাফের বলল, তাদের দু’জনের একজন কাফের হবে’ (মুসলিম হা/৬০)। অতএব তার এই ভ্রান্ত আক্ব
উত্তর : এই ধরনের বাক্য তিন প্রকারের অর্থ বহন করে। (১) ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সংবাদ দেওয়া। এটা শিরক। কারণ ভবিষ্যতের বিষয় আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না (হূদ ১১/১২৩; আলে ইমরান ৩/১৭৯)। (২) লক্ষণ দেখে বা দূরদৃষ্টির মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে কোন কথা বলা। এটা শিরক
উত্তর : বিবাহের পর মিলনের পূর্বে স্ত্রীকে তালাক দিলে এক তালাকই যথেষ্ট। এর মাধ্যমে স্ত্রী তালাকে বায়েন হয়ে যাবে। রাজ‘আত করার কোন সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে তাকে নির্ধারিত মোহরের অর্ধেক দিতে হবে এবং স্ত্রীকে কোন ইদ্দত পালন করতে হবে না (আবুদাঊদ হা/২
উত্তর : অশ্লীলতা বা গুনাহে পতিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে সেসব পর্যটন স্থলে যাওয়া হারাম। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমরা প্রকাশ্য বা গোপন কোন অশ্লীলতার নিকটবর্তী হয়ো না’ (আন‘আম ৬/১৫১)। বরং আল্লাহ তা‘আলা সফর করতে বলেছেন যেখানে গেলে তাঁর সৃষ্টির রহস্য
উত্তর : এ মর্মে তিনটি জাল ও যঈফ হাদীছ পাওয়া যায় (বায়হাক্বী হা/৩৩২৪, ৩৩২৫, সিলসিলা যঈফাহ হা/২৬৫২, ত্বাবারাণী কাবীর হা/১৭৮৭৯, যঈফাহ হা/৫৫০০)। অতএব এভাবে সিজদা করা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।নিলুফার আখতার, ঝিনাইদহ।
উত্তর : চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করার মত সম্পদ মামার না থাকলে তাকে যাকাত প্রদান করা যাবে। কারণ কুরআনে যে সকল ব্যক্তিদের যাকাত দিতে বলা হয়েছে তাদের মধ্যে ‘মিসকীন’ বা ‘অভাবগ্রস্ত’ অন্যতম। সুতরাং চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনে সত্যিকার অর্থে অক্ষম হ’লে তিনি ‘অভ
উত্তর : যদি ওয়াক্তের মধ্যে অবতরণ করে গোসল করে ছালাত আদায়ের সুযোগ থাকে, তাহ’লে তাই করবে। নইলে তায়াম্মুম করে ছালাত আদায় করবে (নিসা ৪/৪৩; আবুদাঊদ হা/৩৩৪; ইরওয়া হা/১৫৪)।প্রশ্নকারী : ছাদিকুল ইসলাম, মোহনপুর, রাজশাহী্
উত্তর : সকল স্থানে ছহীহ সুন্নাহ মোতাবেক আমল করার চেষ্টা করবে। কারণ কারো নিকট সত্য স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পর তা গোপন করা বা তার বিপরীত আমল করা জায়েয নয়। কেবলমাত্র জীবননাশের আশংকা থাকলে এটা করা যায়। যেমন করেছিলেন ‘আম্মার বিন ইয়াসির (রাঃ)। যাকে কঠিনভাবে
উত্তর : সাধারণভাবে অমুসলিমদের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য জায়েয। রাসূল (ছাঃ) খায়বারের ফসলি জমিগুলো ইহূদীদের চাষাবাদ করতে দিয়েছিলেন (বুখারী হা/২২৮৫; মিশকাত হা/২৯৭২)। তখন আল্লাহর রাসূল ছিলেন বিজয়ী ও শক্তিশালী। পক্ষান্তরে খায়বরের ইহূদীরা ছিল প্রজা। বর
উত্তর : যদি মুমূর্ষু ব্যক্তি সজ্ঞানে তার কোন অঙ্গদান করে এবং জীবিত ব্যক্তি তাতে উপকৃত হয় তাহ’লে এতে দোষ নেই। তবে দান বাস্তবায়ন অবশ্যই মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর হ’তে হবে। জীবিত অবস্থায় হ’লে এমন অঙ্গ হওয়া যাবে না যার জন্য দানকারীর অঙ্গহানী হয়ে যায় ক
উত্তর : ইসলামে দিবস পালনের কোন সুযোগ নেই। প্রশ্নোল্লিখিত দিবসদ্বয় অপসংস্কৃতি, অশ্লীলতা ও শিরকী চিন্তাধারায় পরিপুষ্ট। সুতরাং এসব দিবসে ফুল বিক্রয় করে উক্ত কাজে সহায়তা করা যাবে না। আল্লাহ বলেন, তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা কর
উত্তর : উক্ত মর্মে কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না। এটি শী‘আদের আবিষ্কৃত কোন বর্ণনা হ’তে পারে। তাছাড়া এতে ফাতেমা (রাঃ)-এর মত ছাহাবীর প্রতি অপবাদ আরোপ করা হয়। তবে রাসূল (ছাঃ)-এর আমলে আলী (রাঃ) আবু জাহলের মেয়েকে বিয়ে করতে চাইলে রাসূল (ছাঃ) বলেন, আমি হালাল
উত্তর : প্রথমতঃ মাসিক অবস্থায় স্ত্রী মিলন হারাম। কেউ যদি অজ্ঞতাবশত কিংবা ভুলক্রমে এরূপ করে, তবে তাকে তওবা করতে হবে (ইবনু মাজাহ হা/২০৪৩; উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ১/৫৭১)। আর কেউ জ্ঞাতসারে করলে তাকে তওবার সাথে সাথে কাফফারা প্রদান করতে হবে। আর
উত্তর : মাহরাম বা কুরআনে যে ১৪ জন নারীকে বিবাহ নিষিদ্ধ করা হয়েছে তারা ব্যতীত অন্য আত্মীয়দের বিবাহ করার ব্যাপারে শরী‘আতে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। ‘আত্মীয়রা আত্মীয়দের বিবাহ করো না...’- মর্মে বর্ণিত কথাটি হাদীছ নয়। সম্ভবতঃ ইমাম গাযালী তাঁর আল-ওয়াসীত্ব ও
উত্তর : সাধারণভাবে কেউ এক সাথে তিন তালাক দিলে এক তালাক হিসাবে গণ্য হবে। তবে প্রশ্নোল্লিখিত দু’টি অবস্থায় তথা ঋতু অবস্থা ও হিতাহিত জ্ঞানশূন্য ক্রোধের অবস্থায় তালাক পতিত হয় না (তালাক ৬৫/১; বুখারী হা/৫২৫১, ৫৩৩২; ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূউল ফাতাওয়া
উত্তর : নিজ দ্বীন রক্ষার সুযোগ এবং যুলুম ও অন্যায় দূরীকরণের ইচ্ছা ও ক্ষমতা থাকলে অমুসলিম দেশে যেকোন বৈধ চাকুরী করা যাবে। বিচারকার্য একটি বৈধ পেশা। অতএব মুসলমানদের উপকার হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে পুলিশে কিংবা বিচারকার্যে সহায়ক হিসাবে চাকুরী করাতে কোন
উত্তর : নারীদের মাঝে দাওয়াতী কাজ করা যাবে। রাসূল (ছাঃ) নারীদের মাঝে দাওয়াতী কাজ করেছেন (বুখারী হা/৭৩১০; মিশকাত হা/১৭৫৩)। অতএব ফিৎনার আশংকা না থাকলে গোপনীয়তার সুযোগ না রেখে গ্রুপে মেয়েদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যায়। তবে সর্বাবস্থায় হৃদ
উত্তর : ফাতেমা (রাঃ)-এর মৃত্যুর পর আলী (রাঃ) পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সময়ে আরো আট জন মহিলার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁর অন্যান্য স্ত্রীগণ হ’লেন- (১) উম্মুল বানীন বিনতে হিযাম, (২) লায়লা বিনতে মাসঊদ, ৩. আসমা বিনতে উমায়েস, ৪. উম্মে হাবীবা বিনতে রাব
উত্তর : ফরয-নফল উভয় ছিয়ামের জন্যই প্রযোজ্য। কেননা কোন হাদীছে উক্ত ফযীলতকে ফরয ছিয়ামের সাথে খাছ করা হয়নি (ইমাম বাজী, আল-মুনতাক্বা শারহুল মুওয়াত্ত্বা ২/৬০)।প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ আল-মামূনএএসআই, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ।
উত্তর : কোন জীবিত ব্যক্তির পক্ষ থেকে ছিয়াম পালন করার বিধান নেই। তবে মাইয়েতের পক্ষ থেকে তিন অবস্থায় ছিয়াম পালন করা যাবে। (১) মাইয়েত যদি কোন ছিয়াম পালনের মানত করে মারা যায় তাহ’লে তার পক্ষ থেকে ছিয়াম পালন করতে হবে। (২) যদি মাইয়েতের রামাযানের ক্বাযা
উত্তর : উৎপাদনের খরচ ধর্তব্য নয় (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৩/১৮; ইবনুল হুমাম, ফাৎহুল ক্বাদীর ২/২৫০; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৮/৫১; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব ১৫/৭৫)। মালিকানায় যে ফসল পাবে তা নিছাব পরিমাণ হ’লে তাতে ওশর দিতে হবে। এক্ষত্রে শারঈ
উত্তর : বদ নযর সত্য। কেবল শিশুই নয়, বড় মানুষও এতে ক্ষতিগ্রস্ত হ’তে পারে। সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।আসমা বিনতে ঊমাইস (রাঃ) বলেন, আমি নবী করীম (ছাঃ)-এর নিকট আবেদন করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! জা‘ফরের সন্তানদের বদ নযর লাগে। আমি কি তাদের জন্যে ঝাড়-ফ
উত্তর : বিতর হ’ল রাত্রির শেষ ছালাত (বুখারী হা/৯৯৮; মিশকাত হা/১২৫৮)। এক্ষণে কেউ রাতের প্রথম অংশে বিতরের ছালাত আদায় করে নিলে সে ক্বিয়ামুল লায়েল বা তাহাজ্জুদ পড়তে পারে। তবে দ্বিতীয়বার আর বিতর পড়বে না। কেননা এক রাতে দু’বার বিতর পড়া যায় না
উত্তর : যে কোন প্রাণীর ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য নিম্নোক্ত দো‘আটি পাঠ করতে হবে। আ‘ঊযু বি কালিমা-তিল্লাহিত তা-ম্মা-তি মিন শার্রি মা খালাক্বা’ ‘আমি আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালেমাসমূহের মাধ্যমে সেই সবের ক্ষতি থেকে তাঁর আশ্রয় প্রার্থনা করছি, যেগুলি তিনি সৃষ্
উত্তর : দিতে হবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘শাক-সবজিতে কোন যাকাত (ওশর) নেই’ (তিরমিযী, ইবনু মাজাহ, ছহীহুল জামে‘ হা/৫৪১১; মিশকাত হা/১৮১৩)। তবে এসবের ব্যবসার অর্থ যদি নিছাব পরিমাণ হয় এবং এক বছর সঞ্চিত থাকে, তাহ’লে উক্ত অর্থের ১/৪০ ভাগ যাকাত
উত্তর : মোবাইল বন্ধ করেই ছালাতে আসবে। ভুলবশতঃ মোবাইল বন্ধ না করে ছালাত শুরু করলে এবং ছালাতরত অবস্থায় মোবাইল বেজে উঠলে তা বন্ধ করা যাবে। কেননা ছালাতে বিঘ্ন ঘটায় এমন কাজ ছালাত অবস্থায় প্রতিহত করা যায়। হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) দরজা
উত্তর : সংসার দেখাশুনা ও অতিরিক্ত শ্রম দেওয়ার কারণে পিতা তাদের কিছু জায়গা কেনায় সহায়তা করে থাকলে, তা দোষণীয় নয়। কারণ এ সময়ে বাইরের কাউকে দিয়ে কাজ করিয়ে নিলে তাকে বেতন বা পারিশ্রমিক দিতে হ’ত। সুতরাং এতে ইনছাফের কোন ব্যত্যয় ঘটেনি (বিন বায, মা
উত্তর : যে পরিমাণ অর্থ মিথ্যার মাধ্যমে অর্জন করেছে, সে পরিমাণ অর্থ তার জন্য হারাম হবে। তবে ব্যবসায় মিথ্যা বললে বরকত উঠে যাবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যদি তারা সত্য বলে ও সবকিছু খুলে বলে, তাহ’লে তাদের ব্যবসায়ে বরকত দেওয়া হবে। আর তারা যদি (দোষ-ত্রুটি) গ
উত্তর : কুরআন বা ছহীহ হাদীছে যে সকল দো‘আ পাঠের নির্দিষ্ট সময়, কাল বা পাত্র উল্লেখ করা হয়নি সে দো‘আগুলোকে নির্দিষ্ট সময়ে নিয়মিতভাবে পাঠ করা যাবে না। কেউ যদি কোন দো‘আ বা যিকিরকে নির্দিষ্ট সময়ে পাঠ করাকে নিয়ম বানিয়ে নেয়, তাহ’লে তা বিদ‘আত হবে। বরং য
উত্তর : যাবে। এতে পূর্ণ নেকীও অর্জিত হবে ইনশাআল্লাহ। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব হ’তে একটি হরফ পাঠ করবে তার জন্য দশটি নেকী রয়েছে (তিরমিযী হা/২৯১০; মিশকাত হা/২১৩৭)। অতএব মুখস্ত হৌক, মুছহাফ দেখে হৌক আর কম্পিউটারে দেখে হৌক, সবক্
উত্তর : মাইয়েতের সম্পত্তি থাকলে তার সম্পত্তি থেকেই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। ওয়ারিছগণ উক্ত সম্পদ থেকে ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব পালন না করলে চরম গুনাহগার হবেন। কেননা আল্লাহ তা‘আলা সম্পত্তি বণ্টনের পূর্বে ঋণ পরিশোধ ও অছিয়ত পূরণকে অপরিহার্য করে দিয়েছেন (
উত্তর: পারিশ্রমিক হিসাবে আদায়কারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে অনুরূপ অর্থ নিতে পারবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, কোন ব্যক্তিকে যদি আমরা কোন কাজে নিযুক্ত করি এবং তাকে সে কাজের বিনিময়ে পারিশ্রমিক প্রদান করি। অতঃপর যদি সে তার চাইতে অতিরিক্ত কিছু গ্রহণ করে,
উত্তর: সাধারণভাবে লজ্জাস্থানে স্পর্শে ওযূ ও ছালাত নষ্ট হয় না (আবুদাঊদ হা/১৮২; মিশকাত হা/৩২০)। যে সকল হাদীছে লজ্জাস্থান স্পর্শে ওযূ নষ্ট হবে বা ওযূ করা আবশ্যক হবে বলা হয়েছে (আবুদাঊদ হা/১৮১; মিশকাত হা/৩১৯)। তার ব্যাখ্যা হ’ল, উত্তেজনার সা
উত্তর: মুছল্লীদের দাঁড়ানোর ব্যাপারে নির্দিষ্ট সময়সীমা হাদীছে বর্ণিত হয়নি। যখনই ইক্বামত শুরু হবে, তখনই মুছল্লীরা দাঁড়াবে। দাঁড়ানোর নির্দিষ্ট সময়সীমার ব্যাপারে যে বর্ণনাগুলো এসেছে সেগুলো ইমামগণের অভিমত মাত্র (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১০/৩৬৭; ও
উত্তর : ঈদের ছালাত আদায় করার উদ্দেশ্যে নারীদের জন্য মাঠে গমন করা মুস্তাহাব (নববী, শরহ মুসলিম হা/৮৯০-এর আলোচনা ৬/১৭৮; আল-মাজমূ‘ ৫/৯; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৬/২১০)। আর ঋতুবতী মহিলারাও ঈদের ময়দানে যেতে পারেন। তবে তারা ছালাতের কাতারে না দাঁড়ি
উত্তর : মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় নিদর্শন প্রচারের জন্য এবং মুছল্লীদের স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য চাঁদ দেখার পর থেকে মাইকে তাকবীর পাঠ করা যাবে। ইমাম বা মুওয়াযযিন মাঝে-মধ্যে মাইকে তাকবীর পাঠ করে থেমে যাবে আর মুছল্লীরা একাকী পাঠ করবে। ইবনু ওমর ও আবু হ
উত্তর : সম্মতিসূচক আলহামদুলিল্লাহ বললেও বিবাহ কবুল হবে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২৯/১১)।প্রশ্নকারী : হাবীবা, ঢাকা।
উত্তর : ছালাত আদায় করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরয। ছালাত পরিত্যাগ করা কুফরী। এক্ষণে কেউ ছালাত পরিত্যাগ করলে তাকে নছীহত করার উদ্দেশ্যে তার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে হবে। আল্লাহ বলেন, ‘দ্বীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি এবং
উত্তর : পিতা-মাতা সন্তানের নিকট সমান সম্মানের পাত্র। যদিও সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে মায়ের অগ্রাধিকার রয়েছে। প্রশ্নে বর্ণিত ক্ষেত্রে সচেতন সন্তানের দায়িত্ব হ’ল নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে উভয়কে নিজেদের ভুলের ব্যাপারে সতর্ক করা এবং তাদের মাঝে মীমাংসা করা। আল্লাহ
উত্তর: ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ লেখা চাদর ব্যবহারে পৃথক কোন ফযীলত নেই। সুতরাং ভ্রান্ত আক্বীদার প্রসার বন্ধ করার জন্য কালেমা, আয়াতুল কুরসী বা কুরআনের অন্য কোন আয়াত লেখা চাদর লাশের উপর বা খাটিয়ার উপর রাখা হ’তে বিরত থাকা আবশ্যক। তাছাড়া এতে কালেমা বা
উত্তর :প্রথমত: সাধারণভাবে মুসলমানদের কবর খনন করে লাশ বের করে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করা জায়েয নয়। কারণ মাইয়েতেরা উক্ত জায়গার হকদার, যেমনভাবে কোন ব্যক্তি তার নিজ মালিকানাধীন সম্পত্তির হকদার (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১/১৩৯)। শায়খ উছায়মীন (রহঃ) বলে
উত্তর : মুসলিম বা অমুসলিম কারো সম্পদ আত্মসাৎ করা যাবে না। মুগীরা (রাঃ) অন্ধকার যুগে কয়েকজন ব্যক্তিকে তার সাথী হিসাবে নেন, পরে তিনি তাদের হত্যা করে তাদের ধন-সম্পদ নিয়ে নেন। অতঃপর তিনি নবী করীম (ছাঃ)-এর নিকট হাযির হয়ে ইসলাম কবুল করেন। তখন নবী করীম
উত্তর : ঈদ ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে উপযুক্ত মাদুর বা কার্পেট বিছানো থাকলে আলাদা জায়নামায বিছানো সমীচীন নয়। কারণ এতে অহংকার প্রকাশ পেতে পারে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূঊল ফাতাওয়া ২২/১৭৩-৭৭)।প্রশ্নকারী : হুযায়ফা, সাহাপুর, রাজশাহী।
উত্তর : পারবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) স্বীয় চাচা আববাস, চাচাতো ভাই আব্দুল্লাহ বিন আববাস, ফযল বিন আববাস, জামাতা আলী, তার ভাই জা‘ফর, নাতি হাসান-হোসায়েন, গোলাম যায়েদ বিন হারেছাহ, তৎপুত্র উসামা বিন যায়েদ ও আয়মান ইবনে উম্মে আয়মান প্রমুখ পরিবারের সদস্যদের
উত্তর : হাম্দ ও ছানার মাধ্যমেই ঈদের খুৎবা শুরু করবে। তাকবীর পাঠের মাধ্যমে খুৎবা শুরুর ব্যাপারে আব্দুল্লাহ বিন ওক্ববা (রাঃ) থেকে যে বর্ণনা পাওয়া যায় সেটি তাঁর নিজস্ব আমল (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূঊল ফাতাওয়া ২২/৩৯৪-৯৫)।প্রশ্নকারী : শরীফুল ইসল
উত্তর: খুৎবা চলাকালীন নয়, বরং তার পূর্বে বা পরে কৌটা, রুমাল, চাদর ইত্যাদি পদ্ধতি অবলম্বন করে মুছল্লীদের নিকট থেকে ছাদাক্বা গ্রহণ করা কর্তব্য। রাসূল (ছাঃ) ঈদের ছালাত শেষে দান-ছাদাক্বার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছেন (বুখারী হা/৯৮; মিশকাত হা/১৪২৯ ‘ঈদায়
উত্তর: ঈদের সুন্নাত মনে না করে শুধুমাত্র গোশত খাওয়ার উদ্দেশ্যে ঈদুল ফিতরের দিন বা তার পূর্বের দিন গরু যবেহ করায় কোন দোষ নেই। কারণ ঈদের দিন হচ্ছে আনন্দ ও উৎসবের দিন। এই দিনে বৈধ খেলাধুলা বা খাবারের আয়োজন করা ঈদের আনন্দেরই অংশ (বিন বায, ফাতাও
উত্তর : ওযূ অবস্থায় মোযা পরিধানের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেউ ওযূ অবস্থাতে মোযা খুললে ওযূ ভঙ্গ হয় না (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২১/১৭৯,২১৫; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১১/১৭৯)। প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ রোহান, মান্দা, নওগাঁ।
উত্তর : মহিলারা পৃথকভাবে পর্দা বজায় রেখে ইমামের সাথে বা পৃথকভাবে জানাযার ছালাত আদায় করতে পারবে। আয়েশা (রাঃ) ও অন্যান্য উম্মাহাতুল মুমিনীন মসজিদে নববীর মধ্যে সা‘দ বিন আবু ওয়াকক্বাছ (রাঃ)-এর লাশ আনিয়ে নিজেরা জানাযা পড়েছিলেন (মুসলিম হা/৯৭৩, মি
উত্তর : এ বিষয়ে বিদ্বানদের মতপার্থক্য থাকলেও ক্বাযা আদায় করাই কর্তব্য এবং অধিক সতর্কতাপূর্ণ। কারণ আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য ছালাতের ওয়াক্ত শেষ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত ছালাত আদায়ের অবকাশ দিয়েছিলেন। অতএব কোন ছালাতের ওয়াক্ত শেষ হওয়ার পূর্বে হায়েয শুরু হ’ল
উত্তর : স্বামী হিসাবে কর্তব্য হ’ল স্ত্রীকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাতে যথাসাধ্য নছীহত করা এবং শারঈ পর্দার গুরুত্বের ব্যাপারে সচেতন করা। এভাবে স্বামী তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে সে গোনাহগার হবে না। তবে নিঃসন্দেহে বেপর্দা এবং স্বামীর অবাধ্য হ
উত্তর : প্রকাশ্যে বা আকারে-ইঙ্গিতে দাবী করা কিংবা বাধ্য করে মোটর সাইকেল নিয়ে থাকলে সেটি পাপের কাজ হয়েছে। অতএব তা সরাসরি কিংবা তার সমমূল্য স্ত্রীর পরিবারকে ফেরত দিতে হবে। আর ফেরত দেওয়ার ক্ষমতা না থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যদি কোন
উত্তর : বিবাহের ৪টি শর্তের মধ্যে দ্বীন হ’ল প্রধান। অতএব কনে বা তার পরিবারে যদি দ্বীন না থাকে, তাহ’লে বিবাহ বাতিল করাই উচিৎ। এরপরেও যদি করতেই হয়, তাহ’লে কনের পাপের বোঝা স্বামী বহন করবে না (আন‘আম ৬/১৬৪, ইসরা ১৫/১৫)।প্রশ্নকারী : মাহমূদুল
উত্তর : ঋণগ্রস্ত হিসাবে তাকে যাকাত দেয়া যাবে। অতঃপর উক্ত যাকাতের টাকা দিয়ে যদি সে ঋণ পরিশোধ করে তাতে কোন দোষ নেই (দ্র. হাফাবা প্রকাশিত ‘যাকাতা ও ছাদাক্বা’ বই ‘বিবিধ মাসায়েল’ অনুচ্ছেদ, মাসআলা ২৩ পৃ. ১০১)। উল্লেখ্য যে, ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির হাতে
উত্তর : স্ত্রীর ঋণ শোধ করার মত কোন সম্পদ না থাকলে সে যাকাতের হকদার। আর যাকাতের হকদার হিসাবে স্বামী ঋণগ্রস্ত স্ত্রীকে ঋণ পরিশোধের জন্য যাকাত দিতে পারবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১০/৫৬, ৬২)।প্রশ্নকারী : এমদাদুল হক, টিকরামপূর, চাঁপাই নবাবগঞ্
উত্তর : ছাদাক্বাতুল ফিৎর বা ফিৎরা ধনী-গরীব, ছোট-বড় প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর ফরয। সুতরাং তা পরিহার করা কবীরা গুনাহ। এক্ষণে কেউ তওবা করতে চাইলে তাকে যেমন অনুতপ্ত হ’তে হবে, তেমনি অধিকাংশ বিদ্বানের মতে বকেয়া ফিৎরাগুলো আদায় করতে হবে, যেমনভাবে বকে
উত্তর : যাবে। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু ওমর (রাঃ) একটি গরুর চামড়া বিক্রয় করে এর মূল্য ছাদাক্বা করে দেন (ইসহাক বিন রাহওয়াইহ, মাসায়েলে ইমাম আহমাদ ৮/৪০৪৮-৪৯)। উল্লেখ্য যে, উক্ত অর্থ নিজে ভোগ করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ (ছহীহুত তারগীব হা/১০৮৮)।প্র
উত্তর : বিক্রেতার অনুমতি সাপেক্ষে খাদ্যদ্রব্য চেখে খাদ্যের স্বাদ বা মান যাচাই করা যাবে (বাহূতী, আর-রওযুল মুরবি‘ ৪/৩৩১)। তবে ক্রয়ের উদ্দেশ্য না থাকলে চেখে দেখা যাবে না।প্রশ্নকারী : মুজাহিদুল ইসলাম, দুপচাঁচিয়া, বগুড়া।
উত্তর : যাকাত আদায় করা একটি ফরয ইবাদত। আর এই ইবাদত পালনের জন্য নিয়ত শর্ত। সুতরাং দাতাকে না জানিয়ে তার পক্ষ থেকে তার সম্পদের যাকাত আদায় করা যাবে না। বরং সম্পদের মালিকের অনুমতি বা অবগতি সাপেক্ষে অন্য যে কেউ যাকাত আদায় করতে পারে (নববী, আল-মাজম
উত্তর : উক্ত মর্মে কিছু বর্ণনা পাওয়া যায়, তবে তা গ্রহণযোগ্য নয়। কেননা এর কোনটির সনদে ইনকিতা‘ বা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। আবার কোনটি যঈফ (ইবনুল জাওযী, আয-যু‘আফা ওয়াল মাতরূকীন ১/৩০১, সনদ যঈফ)।প্রশ্নকারী : সাইফুল ইসলাম, কাজলা, রাজশাহী।
উত্তর : অমুসলিমদের সকল প্রকার হালাল বস্ত্তর দান গ্রহণ করা যাবে (ইবনু তায়মিয়াহ, ইক্বতিযাউ ছিরাতিল মুস্তাক্বীম ২/৫২)। রাসূল (ছাঃ) অমুসলিমদের হাদিয়া গ্রহণ করেছেন (বুখারী হা/২৬১৭)।প্রশ্নকারী : মোশাররফ আলী, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
উত্তর : নারী-পুরুষের জন্য আলাদা শিক্ষা ব্যবস্থা থাকা আবশ্যক। এই ব্যবস্থা না থাকলে সাধ্যমত দৃষ্টি নত রেখে পাঠদান করবে (নূর ২৪/৩০-৩১)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আলী (রাঃ)-কে বলেন, ‘হে আলী! তুমি দৃষ্টির উপর দৃষ্টি ফেলো না। হঠাৎ যে দৃষ্টি পড়ে ওটা তোমার
উত্তর : হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, কেউ তরকারী বা অন্য কিছুর স্বাদ পরীক্ষা করলে তাতে কোন দোষ নেই (বুখারী ৭/২৮৮)। ইমাম আহমাদ (রহঃ) বলেন, ছিয়াম অবস্থায় কোন কিছুর স্বাদ গ্রহণ না করাই উত্তম। তবে প্রয়োজনে করলে ক্ষতি নেই (মুগনী ৪/
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি রামাযানের ছিয়াম পালন শেষে শাওয়াল মাসের ছয়টি ছিয়াম পালন করল, সে যেন সারা বছর ছিয়াম পালন করল’ (মুসলিম হা/১১৬৪; মিশকাত হা/২০৪৭)। অন্য হাদীছে এক বছরের হিসাব রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এভাবে দিয়েছেন যে, ‘রামাযা
উত্তর : তার পিছনে ছালাত আদায়ে দোষ নেই। তবে কেবল ইমাম ও মুওয়াযযিনই নয় প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য রাসূল (ছাঃ) কর্তৃক বর্ণিত সুন্নাত ও নফল ছালাতগুলো গুরুত্ব সহকারে আদায় করা এবং অবহেলা না করা (ওছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ দারব ৬/২)।প্রশ্নকারী :&
উত্তর : এতে গোসল করতে হবে না। বরং ধূয়ে ফেলে ওযূ করতে হবে। তবে কারো যদি নিয়মিত এটা হয়, এমনকি ছালাতের সময়ও রক্ত বের হয় তাহ’লে তার বিধান মুস্তাহাযা নারীর বিধানের ন্যায়। অর্থাৎ ওযূ করে মলদ্বারে তুলা দিয়ে ছালাত শুরু করবে। এর মধ্যে রক্ত বের হ’লে ছালাত
উত্তর : সাহারীর আযান দেওয়া সুন্নাত। কারণ রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরামের আমলে এই সুন্নাত জারী ছিল (বুখারী হা/৬১৭; মিশকাত হা/৬৮০)। সাহারীর আযানে ‘হাইয়া আলাছ ছালাহ ও হাইয়া আলাল ফালাহ’ যথারীতি বলবে কিন্তু ‘আছ-ছালাত খায়রুম মিনান নাওম’
উত্তর : এটি নিষিদ্ধ। কেননা কবরবাসী শুনতে পায় না। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি শুনাতে পারো না কোন মৃত ব্যক্তিকে’ (নামল ২৭/৮০)। আর ‘তুমি শুনাতে পারো না কোন কবরবাসীকে’ (ফাত্বির ৩৫/২২)। ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘তেলাওয়াতের উদ্দেশ্যে হ’
উত্তর : সুফারিশের বিনিময়ে কোন প্রকারের সুবিধা গ্রহণ করা যাবে না। সেটি ঘুষ হবে। যখন নবী করীম (ছাঃ)-এর নিকট কোন প্রার্থী আসত, তখন তিনি তাঁর সঙ্গীদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বলতেন (এর জন্য) ‘তোমরা সুফারিশ কর, তোমাদেরকে পরস্কার দেওয়া হবে। আর আল্লাহ তাঁর নবী
প্রশ্নকারী : আয়েশা, ঢাকা।উত্তর : দেবর গায়ের মাহরাম। অতএব তার সামনেও যথাসম্ভব মুখমন্ডল ঢেকে রেখে পূর্ণ পর্দা করে চলবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা কোন নারীদের নিকট গমন (নিঃসঙ্গভাবে গৃহে প্রবেশ) করো না। (এটা শুনে) জনৈক ব্যক্তি প্রশ্ন করল, হে আল্
উত্তর : কেউ যদি বসবাসের জন্য বা ভাড়া দেওয়ার জন্য বাড়ি বানাতে ঋণ করে তাহ’লে উক্ত ঋণকৃত অর্থের যাকাত দিতে হবে না। তবে ভাড়া বাসা থেকে প্রাপ্ত ভাড়ার টাকা নিছাব পরিমাণ হ’লে এবং তা এক বছর মালিকানায় থাকলে তাতে যাকাত দিতে হবে (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাও
উত্তর : বর্ণনাগুলো জাল ও মুনকার (আলবানী, যঈফাহ হা/৬১৭৮-৭৯)। ইবনুল জাওযী (রহঃ) বলেন, ‘এটি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নামে বানোয়াট বর্ণনা’ (আল-মাওযূ‘আত ৩/১৯১)। শায়েখ বিন বায (রহঃ) বলেন, ‘এ হাদীছের কোন বিশুদ্ধ ভিত্তি নেই। বরং এটা বাতিল ও মিথ্যা
উত্তর : স্বামী উক্ত কথা বলার দ্বারা তালাক উদ্দেশ্য নিয়ে থাকলে এবং স্ত্রী শর্তযুক্ত কাজ করে ফেললে তা এক তালাক গণ্য হবে। আর যদি স্ত্রীকে সতর্ক করা এবং ধমক দেওয়ার উদ্দেশ্যে বলে থাকে, তবে তাতে কোন সমস্যা নেই (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূঊল ফাতাওয়া ৩৩/৬
উত্তর : রোগীর আত্মীয়রা রোগীরা অধিকতর কল্যাণের কথা ভেবে সিদ্ধান্ত নিবে। যদি তার জীবনের প্রত্যাশা ও সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাহ’লে অবশ্যই অপারেশনের সিদ্ধান্ত নিবে। উল্লেখ্য যে, রোগী বা মাইয়েতের সকল অছিয়ত বাস্তবায়ন করা আবশ্যক নয় (বিন বায, মা
উত্তর : ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে অতিরিক্ত সময়ে বাড়তি ইনকাম করা যেতে পারে। তবে অফিসের মূল কাজ ব্যাহত করে কোন কাজ করা যাবে না। আর অফিসের জিনিসপত্র ব্যবহারের কারণে অফিসকে অবশ্যই নির্ধারিত খরচ ও সার্ভিস চার্জ প্রদান করবে। এতে কোন অপরাধ হ
উত্তর : ইবনু আববাস (রাঃ) থেকে এরূপ আমল পাওয়া যায় না। পবিত্র কুরআনের আয়াত দিয়ে তাবীয করা যদিও কতিপয় বিদ্বান জায়েয বলেছেন, কিন্তু তা জায়েয হওয়ার পক্ষে স্পষ্ট দলীল নেই। বরং কুরআন তেলাওয়াত ও আয়াত দ্বারা ঝাড়-ফুঁকের মাধ্যমে কুরআন থেকে চিকিৎসা গ্রহণ কর
উত্তর : বিকল্প না থাকলে তাদের মসজিদে জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করবে। কেননা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের আক্বীদা হ’ল, আহলে ক্বিবলার পিছনে ছালাত আদায় করা জায়েয (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূঊল ফাতাওয়া ২৩/৩৫৩; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৭/৩৮২-৮৩; বিন বায, মা
উত্তর : অমুসলিমদের ধর্মীয় গ্রন্থ বা সত্য-মিথ্যা মিশ্রিত বই-পুস্ত্তক সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাঠ করা সমীচীন নয়। কারণ এতে ঈমান হারানোর আশংকা রয়েছে। তবে যাদের সত্য-মিথ্যা পার্থক্য করার যোগ্যতা আছে বা তাদের ধর্মীয় অসারতাকে প্রতিহত করার সক্ষমতা রয়েছে, ত
উত্তর : স্ত্রীর এমন কথা বৈবাহিক সম্পর্কে কোন প্রভাব ফেলবে না। কারণ শারঈ দৃষ্টিকোণ থেকে স্ত্রী স্বামীকে তালাক প্রদানের অধিকারী নয়। এক্ষণে স্বামী যদি স্ত্রীকে এমন শর্তযুক্ত কথা বলে এবং স্ত্রী উক্ত শর্ত ভঙ্গ করে তাহ’লে স্ত্রী এক তালাক হয়ে যাবে 
উত্তর : আল-ফি‘আতুল বাগিয়াহ বা ‘বিদ্রোহী দল’ বলতে হাদীছে কী বুঝানো হয়েছে, তা নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন, আমরা একটা একটা করে কাঁচা ইট বহন করছিলাম আর ‘আম্মার দু’টো করে কাঁচা ইট বহন করছিলেন। নবী করীম (ছাঃ) তা দেখে তাঁর দেহ হ’তে
উত্তর : ছালাত আদায়ে খুশূ‘-খুযূ বজায় রাখতে হবে। এক্ষণে তেলাওয়াতের সময় কারো মনোযোগে বিঘ্ন সৃষ্টি হ’লে বা মনোযোগ না থাকলে পুনরায় সূরা ফাতিহা পড়তে হবে না। বরং যখনই ধারণা করবে যে, তার মনোযোগ নেই, তখনই মনোযোগ ফিরিয়ে আনবে (মারদাভী, আল-ইনছাফ ২/৯৯;
উত্তর : ছালাত পূর্ণ করবে। ইমামের সাথে যে অংশ পাবে সেগুলো তার জন্য প্রথম অংশ হবে (বুখারী হা/৬৩৫; মিশকাত হা/৬৮৬)। আর এজন্য সে প্রথম তাকবীরের সূরা ফাতিহা ও তার সাথে অন্য সূরা মিলাবে অতঃপর দরূদ ও জানাযার দো‘আ পাঠ করবে এবং লাশ উঠানোর পূর্বেই ছাল
উত্তর : মেয়ের পক্ষ থেকে একটি ছাগল আক্বীক্বা দেওয়া সুন্নাত। প্রয়োজনে বড় ছাগল ক্রয় করে আক্বীক্বা দিবে। এর পরেও মেহমানদের জন্য পর্যাপ্ত না হ’লে বাজার থেকে গোশত ক্রয় করে খাওয়ানোতে কোন দোষ নেই (আল-আদাবুল মুফরাদ হা/১২৫৫; নববী, আল-মাজমূ‘ ৮/৪৩০; ইব
উত্তর : যাতায়াতে যে পরিমাণ অর্থ খরচ হবে ঠিক সে পরিমাণই ভাউচারে লিখবে। অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণের কারণে একদিকে মিথ্যা অন্যদিকে প্রতারণার অপরাধ হবে। এরূপ হারাম থেকে সর্বতোভাবে বেঁচে থাকা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেন,
উত্তর : পিতা-মাতার সাথে সর্বাবস্থায় সদাচরণ করতে হবে। তবে শিরক বা বিদ‘আতযুক্ত কোন আমল করতে নির্দেশ দিলে তা সম্মানের সাথে পরিহার করবে। কারণ আল্লাহ বলেন, ‘তোমার পিতা-মাতা যদি তোমাকে চাপ দেয় আমার সাথে কাউকে শরীক করার জন্য, যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান ন
উত্তর : ক্বায়লূলা তথা দুপুরের পর স্বল্প বিশ্রাম করা মুস্তাহাব। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা ক্বায়লূলা কর, কারণ শয়তান ক্বায়লূলা করে না’ (ছহীহাহ হা/১৬৪৭)। আর ক্বায়লূলার সময় হচ্ছে যোহর ছালাতের পর। যেমন ছাহাবীগণ বলেন, জুম‘আর (ছালাতের) পরই আমরা ক্বা
উত্তর : বিশুদ্ধমতে মুসলিম নারীরা অমুসলিম নারীদের থেকে সেভাবে পর্দা করবে যেভাবে মাহরাম পুরুষদের থেকে পর্দা করে থাকে। অর্থাৎ অমুসলিম নারীদের সামনে সাধারণভাবে মাথা, মুখমন্ডল, হাত ও পা প্রদর্শন করতে পারবে (ওছায়মীন, ফাতাওয়াল মারআতিল মুসলিমাহ ১/৪
উত্তর : বিসমিল্লাহসহ সূরা কাফিরূন, নাছর, নাস, ফালাক্ব ও ইখলাছ পাঠ করলে সফরকালীন বিশেষ ফযীলত পাওয়া যায় মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ ও মুনকার (আলবানী, যঈফাহ হা/৬৯৬৩; যঈফুল জামে‘ হা/৮৮)। অতএব এটি আমলযোগ্য নয়।প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহদক্ষিণ কোরি
উত্তর : এমতাবস্থায় নিয়ত পরিবর্তন করে পিতা-মাতার জন্য ব্যয় করায় কোন বাধা নেই। কারণ আল্লাহ বলেন, ‘লোকেরা তোমাকে জিজ্ঞেস করছে, কিভাবে খরচ করবে? বলে দাও যে, ধন-সম্পদ হ’তে তোমরা যা ব্যয় করবে, তা তোমাদের পিতা-মাতা, নিকটাত্মীয়, ইয়াতীম, মিসকীন ও মুসাফির
উত্তর : খাঁচায় বন্দী রেখে পাখি লালন-পালন করা এবং এগুলোর ব্যবসা করা যাবে। কেননা বন্দী না রাখা ব্যতীত তা থেকে উপকার গ্রহণ করা যায় না। তবে পাখিকে পানি ও খাদ্য ঠিক মত প্রদান করতে হবে (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৪/১৯৩; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ২৯/১৪৮)।প
উত্তর : দিন-রাত হয় ২৪ ঘণ্টায়। অতএব ২৪ ঘণ্টার হিসাব করে পাঁচ ওয়াক্ত ছালাত আদায় করে নিবে। দাজ্জাল আগমনের সময়কালে যখন একদিন এক বছরের সমান হবে তখনকার ছালাতের ব্যাপারে ছাহাবীগণ রাসূল (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি বলেন, না। তোমরা (দিন রাতের ২৪ ঘণ্টা হি
উত্তর : ক্ষতি হবে না। তবে মসজিদের সম্মানার্থে সরাসরি মুছাল্লার উপরে বাথরুম নির্মাণ না করাই উত্তম (আলবানী, রিহলাতুল খায়র, টেপ নং ১০)।প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, বগুড়া।
উত্তর : সন্তান গর্ভে আসার পর কোন ব্যবস্থা নেয়া যাবে না বা গর্ভপাত করা যাবে না। সুতরাং গর্ভে যখন সন্তান চলে এসেছে তখন ধৈর্য ধারণ করবে এবং আল্লাহর ফয়ছালার জন্য অপেক্ষা করবে। আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন, একদা তিনি নবী করীম (ছাঃ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলেন
উত্তর : ই‘তিকাফ অবস্থায় নফল ছালাত, যিকির, তাসবীহ, তাহলীল, তাহমীদ ও কুরআন তেলাওয়াত প্রভৃতি ইবাদতে ব্যস্ত থাকা মুস্তাহাব। তবে একান্ত প্রয়োজনে ইবাদতের উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য বইপত্র পড়তে পারে (বাহুতী, কাশশাফুল কেনা‘ ২/৩৬৩; নববী, আল-মাজমূ‘ ৬/২২৮)।
উত্তর : হিজড়াদের সামনে পর্দা করতে হবে। হাদীছে এসেছে, উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) তার ঘরে প্রবেশ করলেন। তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আবূ উমাইয়াকে উদ্দেশ্য করে এক হিজড়াকে বলতে শুনলেন, আল্লাহ যদি আগামীতে তায়েফ বিজয় দান করেন তবে আমি তোমাকে এমন এ
উত্তর : এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার অংশের সমান (নিসা ৪/১১) ভিত্তিতে সম্পদ ভাগ হবে। সে হিসাবে জমিতে মোট ভাগ হবে ৯টি। যার ৮ ভাগ পাবে ৪ ছেলে এবং একভাগ পাবে ১ মেয়ে।প্রশ্নকারী : রাফী, ঝালোপাড়া, সিলেট।
উত্তর : সাময়িক জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ বিক্রি করা যাবে। তাছাড়া কোন স্ত্রী তার স্বামীর অনুমতি ব্যতীত জন্মনিয়ন্ত্রণের কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে না এবং স্থায়ীভাবে জন্মনিরোধ করা নিষিদ্ধ (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২
উত্তর : হালীম ডাল ও গোশতের মিস্রণে একটি জনপ্রিয় খাবার, যাকে আরবীতে হারিস বলা হয়ে থাকে। কালক্রমে উপমহাদেশে এটি হালীম নামে পরিচিতি লাভ করেছে। হালীম শব্দটি খাদ্যের নাম হিসাবে ব্যবহারে কোন দোষ নেই। কেননা হালীম শব্দটি আল্লাহর নাম ব্যতীত সৃষ্টির নাম হ
উত্তর : স্ত্রীর হায়েয বন্ধ হওয়ার পরে গোসল বা তায়াম্মুম না করা পর্যন্ত তার সাথে দৈহিক মিলন করা যাবে না। কারণ আল্লাহ বলেন, ‘আর তাদের নিকটবর্তী হয়ো না পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত। অতঃপর যখন তারা ভালভাবে পবিত্র হবে, তখন আল্লাহর নির্দেশ মতে তোমরা তাদের নি
উত্তর : কোন অমুসলিম নারী ইসলাম গ্রহণ করলে তাকে বিবাহ করা এবং তার সাথে সংসার করা জায়েয, যদিও সে বিবাহের জন্য ইসলাম গ্রহণ করে। কারণ এখানে মৌখিক স্বীকৃতিই গ্রহণীয়। আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমরা মুশরিক নারীদের বিয়ে করো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে’ (বা
উত্তর : ইসলাম গ্রহণের জন্য প্রাথমিক শর্ত তিনটি। (১) ইসলাম গ্রহণের জন্য বিশুদ্ধ নিয়ত থাকা (নিসা ১২৫; লোকমান ২২), (২) জেনে-বুঝে কালেমায়ে শাহাদত তথা-‘আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহূ ওয়া রাসূলুহু’ পাঠ ক
উত্তর : প্রকৃত অভাবী হ’লে এবং জায়গা-জমি বিক্রয়ে সক্ষম না হ’লে, তাকে যাকাতের অর্থ প্রদান করা যাবে। নদী পারাপারের নৌকার মালিককে আল্লাহ ‘মিসকীন’ বলেছেন (কাহফ ১৮/৭৯)। অতএব অভাবী প্রতিবেশীকে যাকাতের অর্থ দেওয়া যাবে (নববী, আল-মাজমূ‘ ৬/১৭৪-৭৬
উত্তর : নাপাক প্রাণীর গোবর যমীনে ফেলে রাখলে তার বিধান পরিবর্তন হয়ে যায়। সে হিসাবে শূকরের গোবর ব্যবহারে দোষ নেই। তবে অনেক বিদ্বান তা অপসন্দ করেছেন (নববী, আল-মাজমূ‘ ৪/৪৪৮; ইবনুল ক্বাইয়িম, যাদুল মা‘আদ ৫/৬৬৪)।প্রশ্নকারী : আব্দুর রায্য
মাসিক আত-তাহরীক জানুয়ারী’২৩ প্রশ্নোত্তর ১৫/১৩৫-এর মধ্যে বলা হয়েছে, ‘তবে বন্ধকদাতার পক্ষ থেকে স্বেচ্ছায় তা ভোগ করা বা তা থেকে উপকৃত হওয়ার অনুমতি থাকলে তা জায়েয হবে। কেননা তা শর্তযুক্ত নয়’। লেখাটি ভুলবশতঃ যুক্ত করা হয়েছে। অনাকাংখিত ভুলের জন্য আমরা দুঃখ
উত্তর : নির্ভরযোগ্য যে কোন সরকারী বা বেসরকারী সংস্থা, সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানকে যাকাত বিতরণের জন্য জমা দেওয়া যেতে পারে (নববী, আল-মাজমূ‘ ৬/১৬৫; মারদাভী, আল ইনছাফ ৩/১৯৮; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৪/২৫৪)।প্রশ্নকারী : সাজিদ, মেঘনা, কুমিল্লা।
উত্তর : মসজিদ নির্মাণে অমুসলিমদের অনুদান গ্রহণ করা যাবে। যদিও এই অনুদানে তাদের কোন ছওয়াব নেই (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৫/২৫৫-২৫৬)। রাসূল (ছাঃ) মুশরিকদের বহু হাদিয়া গ্রহণ করেছেন (বুখারী হা/১৪৮১, ৩১৬১,২৬১৭; মুসলিম হা/২১৯০)। আসমা (রাঃ) তার ম
উত্তর : যামানত হিসাবে দেওয়া টাকার মালিকানা এখন যামানত গ্রহীতার। সুতরাং যাকাত তিনিই প্রদান করবেন। পরবর্তীতে যামানতকারী উক্ত টাকা ফেরৎ পাওয়ার পর তাকে নির্ধারিত নেছাব অনুযায়ী যাকাত প্রদান করতে হবে (ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৮/২৪)।প্রশ্নকারী :&n
উত্তর : স্বামী তার মৃত স্ত্রীকে বা স্ত্রী তার মৃত স্বামীকে গোসল দিতে পারেন যদি তাদের ধৈর্য থাকে (নববী, আল-মাজমূ‘ ৫/১১৪ ও ১২২; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৩/১০৯)। রাসূল (ছাঃ) স্বীয় স্ত্রী আয়েশা (রাঃ)-কে বলেছিলেন, ‘যদি আমার পূর্বে তুমি মারা যাও,
উত্তর : উক্ত বক্তব্য ভিত্তিহীন। কারণ শেষনবী মুহাম্মাদ (ছাঃ) সর্বপ্রথমে জান্নাতে প্রবেশ করবেন। আনাস (রাঃ) হ’তে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ক্বিয়ামতের দিন নবীদের মধ্যে আমার অনুসারীদের সংখ্যা হবে সর্বাপেক্ষা বেশী এবং আমিই প্রথম জান্নাতের দরজা
উত্তর : এক্ষেত্রে দু’টি বিষয় লক্ষণীয়। ১. নিজহাতে ব্যবহারকালে মলদ্বারের অভ্যন্তরে হাত প্রবেশ করানো যাবে না। নতুবা ওযূ নষ্ট হয়ে যাবে। কেননা যে ব্যক্তি লজ্জাস্থান স্পর্শ করবে তার ওযূ নষ্ট হবে (নাসাঈ হা/৪৪৪; ছহীহুল জামে‘ হা/৬৫৫৫; ইবনু কুদামাহ,
উত্তর : বসবাসের জন্য বা ভাড়া দেওয়ার উদ্দেশ্যে নির্মিত বাড়ির জন্য ব্যয়কৃত অর্থের যাকাত দিতে হবে না। তবে অন্যান্য উৎস থেকে প্রাপ্ত অর্থ ও বাড়ি ভাড়া থেকে পাওয়া অর্থ নিছাব পরিমাণ হ’লে এবং এক বছর থাকলে তাতে যাকাত দিতে হবে (বুখারী হা/১৪৬৪; মুসলিম
উত্তর : শারঈ পদ্ধতিতে বিবাহের ঈজাব ও কবুল হয়ে থাকলে নির্জনবাস করায় কোন বাধা নেই। তবে নিজ বাড়িতে এনে বাসর রাত উদযাপন করে নির্জনবাস করাই সামাজিক দৃষ্টিতে উত্তম (উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ১২/৩৯২)। উল্লেখ্য যে, দ্রুত অলীমা করা সুন্নাত। কিন্তু ব
উত্তর : মসজিদের ইমাম ছাহেব নয় বরং প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ নিজ নবী-রাসূলগণের সাথে আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবে। আল্লাহ বলেন, (স্মরণ কর) যেদিন আমরা প্রত্যেক সম্প্রদায়কে তাদের ইমামসহ আহবান করব। অতঃপর যাদেরকে তাদের ডান হাতে আমলনামা দেওয়া হবে, তারা তাদের আ
উত্তর : মোহর নির্ধারণ ব্যতীতও বিবাহ জায়েয (বাক্বারাহ ২/২৩৬; আবুদাউদ হা/২১১৬; মিশকাত হা/৩২০৭)। বিবাহের পর স্বামী-স্ত্রী মিলে মোহর নির্ধারণ করবে। যদি উভয়ের মাঝে সমঝোতা না হয় তাহ’লে মেয়ের মায়ের সমপরিমাণ মোহর নির্ধারণ করবে বা স্থানীয় জনপ্র
উত্তর : যমযমের পানিসহ যেকোন পানাহার বসে করাই সুন্নাত। হাদীছে দাঁড়িয়ে পান করার ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা এসেছে (মুসলিম হা/২০২৪; মিশকাত হা/৪২৬৬, ৬৭)। যেমন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, দাঁড়িয়ে পানকারী ব্যক্তি যদি জানতো এতে কি ক্ষতি রয়েছে, তাহ’লে সে
উত্তর : একান্ত বাধ্যগত না হ’লে প্রচলিত ময়না তদন্ত জায়েয নয়। কেননা মুসলিম মাইয়েতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা অত্যাবশ্যক। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘মৃত ব্যক্তির হাড় ভাঙ্গা জীবিত ব্যক্তির হাড় ভাঙ্গার ন্যায় (আবুদাউদ হা/৩২০৭; মিশকাত হা/১৭১৪)। জাবের (রা
উত্তর : এক্ষেত্রে দু’টি পদ্ধতিই শরী‘আত সম্মত। কেউ চাইলে পুরো ওযূ করে গোসল করবে (বুখারী হা/২৭২; নাসাঈ হা/৪২০)। আবার কেউ চাইলে ওযূর অন্যান্য অঙ্গ ধৈত করে গোসল করে নিবে এবং অবশেষে পা ধৌত করবে (বুখারী হা/২৪৯; মুসলিম হা/৩১৭)। এক্ষেত্রে যদি
উত্তর : উক্ত মর্মে হাদীছটি রাসূল (ছাঃ) থেকে ছহীহ সনদে বর্ণিত হয়নি (যঈফাহ হা/৫২৮৬)। তবে সূরা তওবার শেষ আয়াত ও গুরুত্বপূর্ণ দো‘আ হওয়ায় তা সংখ্যা নির্দিষ্ট না করে পাঠ করা যেতে পারে (ইবনুল ক্বাইয়িম, যাদুল মা‘আদ ২/৩৭,৩৪২; বিন বায, মাজমূ‘ ফা
উত্তর : যাবে। সাবানের ফেনা বা কাপড়ের সাধারণ ময়লা অপবিত্র নয়। অতএব তা কাপড়ে বা শরীরে লেগে গেলে শরীর অপবিত্র হয় না বা ওযূ ভঙ্গ হয় না। উম্মু হানী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও মায়মূনাহ (রাঃ) একই পাত্রে গোসল করেছেন, তা এমন পাত্র ছিল যাতে আটার খামী
উত্তর : পুরুষরা নারীদের মাঝে অফলাইন বা অনলাইনে দাওয়াতী কাজ করতে পারে। আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন, এক মহিলা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! কেবলমাত্র পুরুষেরাই আপনার হাদীছ শোনার সৌভাগ্য লাভ করছে। সুতরাং আপনি আমাদের জন্যও একটি
উত্তর : উক্ত বিবাহ বিশুদ্ধ হবে। কারণ বিদ্বানগণ বলেন, পিতা তার উপযুক্ত ভাই বা আত্মীয়-স্বজন বা কোন পরহেযগার ব্যক্তিকে বিবাহের অলীর দায়িত্ব দিতে পারে (হাত্তাব, মাওয়াহিবুল জলীল ৩/৪১৮; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়াহ
উত্তর : সপ্তম দিনে আক্বীক্বা করা সুন্নাত। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘প্রত্যেক শিশু তার আক্বীক্বার সাথে বন্ধক থাকে। অতএব জন্মের সপ্তম দিনে তার পক্ষ থেকে পশু যবেহ করতে হয়, নাম রাখতে হয় ও তার মাথা মুন্ডন করতে হয়’ (আবুদাঊদ হা/২৮৩৮ প্রভৃতি; ইরওয়া হা/১১৬৫)। অ
উত্তর : লেনদেনের কোন শর্তসাপেক্ষে বিবাহ করা যাবে না। কেননা তা যৌতুক, যা ইসলামে হারাম (ইবনু আবী শায়বাহ হা/১৭৩৮৪-৮৫; ইবনু হাযম, মুহাল্লা ৯/৫০)। তবে বিবাহের পর কোন শর্ত ছাড়া শ্বশুর বৈধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে বৈধ চাকুরীর ব্যবস্থা করে দিলে তাতে কোন
উত্তর : যেনা-ব্যভিচার হদযোগ্য কবীরা গুনাহ। এথেকে বেঁচে থাকা মুসলমানের জন্য আবশ্যক। তাদের হদ কায়েম করবে সরকার ও প্রশাসন। তারা সে দায়িত্ব পালন না করলে তারা দায়ী হবে। স্বাভাবিক অবস্থায় এই বিবাহ জায়েয নয়। জমহূর বিদ্বান এর বিরোধিতা করেছেন। কেননা গর্ভ
উত্তর : পিতা-মাতার বিয়েটা সঠিক পদ্ধতিতে না হ’লেও তা শিবহে নিকাহ বা সন্দেহপূর্ণ বিবাহ হয়েছে। আর উক্ত বিবাহ ক্বাযীর মাধ্যমে হওয়ায় এবং পরবর্তীতে পিতা মেনে নেওয়ায় তাদের সন্তানেরা জারজ হিসাবে গণ্য হবে না। আয়েশা (রাঃ) তার ভাই আব্দুর রহমান শামে থাকাকাল
উত্তর : উক্ত বর্ণনা কোন হাদীছের নয়। বরং জনৈক মুফাসসির বর্ণনা করেছেন। তিনি মনে করেন যে, বিসমিল্লাহ-সহ সূরা ফাতিহায় আটটি আয়াত রয়েছে এবং প্রত্যেকটি আয়াত পাঠে জান্নাতের এক একটি দরজা খুলে যাবে (আবু ইউসুফ যায়েদ, ফায়যুর রহমান তাফসীরু জাওয়াহিরিল কু
উত্তর : বিচার ব্যবস্থা দুই প্রকারের। ১. শারঈ বিচার ব্যবস্থা ২. দুনিয়াবী বিচার ব্যবস্থা। আর দুনিয়াবী বিচার ব্যবস্থা আবার দুইভাগে বিভক্ত। ১. শরী‘আত সম্মত। ২. শরী‘আত বিরোধী। এক্ষণে কোন মুসলিম দেশে যদি শরী‘আত বিরোধী আইন না থাকে, তাহ’লে তাতে চাকুরী ক
উত্তর : যাবে। কারণ বাবরী রাখা বাধ্যতামূলক নয়, বরং এটি অভ্যাসগত সুন্নাত। রাসূল (ছাঃ) কখনো চুল বড় রাখতেন, আবার কোন কোন সময়ে ছোট করতেন। এতে কোন বাধা নেই। ছাহাবী ওয়ায়েল বিন হুজর (রাঃ) একদিন লম্বা চুল নিয়ে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর কাছে এলেন। তখন রাসূল (ছ
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (ইবনু মাজাহ হা/৩৬৬২; যঈফুত তারগীব‘ হা/১৪৭৬)। তবে উক্ত হাদীছের মর্ম ছহীহ। কারণ যার উপর পিতা-মাতা সন্তুষ্ট তার উপর আল্লাহ সন্তুষ্ট। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘পিতার সন্তুষ্টিতে আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং পিতার অসন্তুষ
উত্তর : গর্ভাবস্থায় দীর্ঘ সময় রক্ত বের হ’লে তা ঋতু হিসাবে গণ্য হবে এবং উক্ত দিনগুলোতে ছালাত ও ছিয়াম থেকে বিরত থাকবে। আর যদি বাচ্চা প্রসবের কিছু পূর্ব থেকে রক্ত দেখা যায়, তাহ’লে তা নিফাসের রক্ত হিসাবে গণ্য হবে। তখনও ছালাত ও ছিয়াম থেকে বিরত থাকবে।
উত্তর : যদি বাচ্চা পেটে থাকার কারণে মায়ের জীবননাশের আশংকা থাকে, তবে ঔষধের মাধ্যমে বা যেকোন স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতিতে গর্ভপাত ঘটাতে পারে। তবে বিষয়টি মানব হত্যার মত গুরুতর হওয়ায় একাধিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে শারঈ বিধান অনুসরণ করে সিদ্ধা
উত্তরঃ উক্ত টাকা নেছাব পরিমাণ হ’লে তার যাকাত দিতে হবে। কারণ এ টাকার উপর তার পূর্ণ মালিকানা রয়েছে (ছহীহ আবূদাঊদ হা/১৫৭৩, সনদ ছহীহ)। তিনি ইচ্ছা করলে যখন-তখন টাকা উঠিয়ে খরচ করতে পারেন।প্রশ্নকারী : আব্দুল মতীন, চন্ডিপুর, নওগাঁ।
উত্তর : যদি অসাবধানতাবশত অল্প পরিমাণ চুল বের হয়ে যায়, তাহ’লে তার ছালাত বাতিল হবে না। শায়খুল ইসলাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘যদি কোন মহিলার অল্প পরিমাণে এবং অল্প সময়ের জন্য চুল বা দেহের কোন অংশ প্রকাশ পেয়ে যায়, তাহ’লে তাকে ছালাত পুনরায় পড়তে হবে
উত্তর : ফেরেশতাগণ আমাদের মতই সৃষ্ট জীব। আল্লাহর ইবাদতের জন্য তাদের সৃষ্টি করা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা তাদের জন্য কিছু কাজ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। যেগুলো তারা কোন প্রশ্ন ছাড়াই পালন করে থাকেন। তার মধ্যে পৃথিবীর পরিচালনার বিষয়ে কিছু কার্যক্রম রয়েছে। যেম
উত্তর : পিতার সাথে যোগাযোগ করে তার অনুমতি নিয়েই মেয়ের বিবাহ দিতে হবে। আর পিতা মেয়ের খরচ দেয়া বা দেখা-শোনা না করার জন্য গুনাহগার হবেন। উল্লেখ্য যে, স্ত্রী তালাকপ্রাপ্তা হয়ে আদালত কর্তৃক কন্যা সন্তানের দায়িত্ব পেয়ে গেলেও বিবাহের ক্ষেত্রে পিতা বা ত
উত্তর : রক্তদাতার শরীর ঠিক রাখার জন্য মেডিকেল থেকে বা রক্ত গ্রহীতার পক্ষ থেকে সৌজন্য হিসাবে যা কিছু খাওয়ানো হয়, তা রক্ত বিক্রয়ের হুকুমে পড়বে না। কেননা এটা সামাজিক সৌজন্যবোধ মাত্র (ওছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৮/১০০)। উল্লেখ্য যে, রক্ত ক্রয়-বিক
উত্তর : মুরগীর ফার্ম বাড়িতে রাখতে চাইলে ঔষধ ব্যবহারের মাধ্যমে দুর্গন্ধ দূর করার চেষ্টা করবে, যাতে প্রতিবেশীদের কষ্ট না হয়। অন্যথায় লোকালয় থেকে দূরে ফার্ম স্থানান্তর করবে (আলী হায়দার আফেন্দী, দুরারুল হুক্কাম ৩/২১৬)। আর যদি প্রতিবেশীকে কষ্ট দ
উত্তর : জানাযার ছালাতে প্রথম কাতারে জায়গা থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত কাতার করানোতে কল্যাণ রয়েছে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, কোন মুসলিমের মৃত্যু ঘটলে তিন সারি বিশিষ্ট জামা‘আত দ্বারা জানাযার ছালাত আদায় সম্পন্ন করা গেলে আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য (জান্নাত ও মাগফিরা
উত্তর : এক বৈঠকে তিন তালাক এক তালাক হিসাবে গণ্য হয় (মুসলিম হা/১৪৭২)। কাজেই কেউ তার স্ত্রীকে এক বৈঠকে তিন তালাক দিলে সে স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে পারে। ইদ্দতের (তিন তোহরের) মধ্যে হ’লে স্বামী সরাসরি স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেবে। ইদ্দত পার হয়ে গেলে উভয়ের স
উত্তর : মৃত্যুর আগে হোক বা পরে হোক, ফয়তা নামক প্রচলিত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না। কেননা বিশেষ কোন উপলক্ষ বা দিবসকে কেন্দ্র করে এভাবে খাওয়ালে তা বিদ‘আতে পরিণত হবে। উল্লেখ্য যে, সাধারণ ছাদাক্বা হিসাবে যেকোন লোককে খাওয়ানোতে দোষ নেই। এতে ধনী-গরীব
উত্তর : যারা বলেন শবে ক্বদরে, তাদের কথাই ঠিক। কেননা শবেবরাতে কুরআন নাযিল হয়েছে বলে স্পষ্ট কোন দলীল নেই। আর শবে ক্বদরে নাযিল হয়েছে বলে স্পষ্ট দলীল রয়েছে। যেমন আল্লাহ বলেন, আমরা এটি নাযিল করেছি ক্বদরের রাত্রিতে’ (ক্বদর ৯৭/১)। তিনি বলেন, ‘রামা
উত্তর : এটি আল্লাহর জন্য ছিয়ামের কারণে হয়ে থাকে, অন্য কারণে নয়। ফলে সেটি আল্লাহর নিকটে অতীব প্রিয়। যদিও দুর্গন্ধ হওয়ার কারণে মানুষের নিকট অপ্রিয়। অবশ্য এর অর্থ এটা নয় যে, ছায়েমকে তার মুখ দুর্গন্ধযুক্ত রাখতে হবে। বরং সে প্রয়োজনে সকাল-বিকাল নিয়মিত
উত্তর : ‘বড় শয়তানগুলি শৃঙ্খলিত হয়’ এবং ‘প্রতি রাতে আহবানকারী ফেরেশতা মানুষকে আহবান করে’। অন্য বর্ণনায় এসেছে, জান্নাতের দরজা সমূহ খুলে দেওয়া হয় ও জাহান্নামের দরজা সমূহ বন্ধ করা হয়’। যার ফলাফল হিসাবে দেখা যায় যে, এ মাসে পৃথিবীতে দুষ্কৃতি কমে যায় এ
উত্তর : ১৯৮৬ সালের ১১-১৬ অক্টোবর জর্ডানের রাজধানী আম্মানে অনুষ্ঠিত ওআইসি-র অঙ্গসংস্থা ‘আন্তর্জাতিক ইসলামী ফিক্বহ একাডেমী’র উক্ত মর্মে গৃহীত ৫নং সিদ্ধান্তটি অগ্রহণযোগ্য। কারণ সিদ্ধান্তটি স্পষ্টভাবে কুরআন ও সুন্নাহর বিপরীত। কেননা আল্লাহ বলেছেন, তো
উত্তর : কোন অবস্থাতেই সূদের উপর ঋণ নেওয়া যাবে না। কারণ সূদ হারাম। একমাত্র ক্ষুধায় মৃত্যুর মুখোমুখি হওয়ার মত নিরুপায় অবস্থায় পড়লে সে অবস্থাতে হারাম ভক্ষণের অনুমতি রয়েছে (মায়েদাহ ৩)।প্রশ্নকারী : যাকির হোসাইন, নাটোর।
উত্তর : শরী‘আতে এরূপ নির্দেশনা রয়েছে। রাসূল (ছাঃ) যখন কোন বিষয়ে দুশ্চিন্তায় পড়তেন, তখন তিনি নফল ছালাতে দন্ডায়মান হ’তেন (আবুদাঊদ হা/১৩১৯, মিশকাত হা/১৩২৫, সনদ হাসান)। এছাড়া রাসূল (ছাঃ) যখন কোন দুঃখ বা সংকটের সম্মুখীন হ’তেন, তখন এই দো‘আটি পড়তে
উত্তর : পারবে। কেননা যে সকল ছালাতে পুরুষ সরবে ক্বিরাআত করে, মহিলারাও সেই সকল ছালাতে সরবে তেলাওয়াত করতে পারে। এ বিধান নারী-পুরুষ সকলের ক্ষেত্রে সমান। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) জনৈকা মহিলাকে তার পরিবারের ইমামতি করার নির্দেশ প্রদান করেছিলেন (আবুদাঊদ হ
উত্তর : খালাতো বোনের মেয়েকে বিবাহ করা জায়েয। আলী (রাঃ) তার চাচাতো ভাইয়ের মেয়ে ফাতেমা (রাঃ)-কে বিবাহ করেছিলেন। একজন মেয়ের বিবাহের জন্য তার পিতার অনুমতি শর্ত। পিতা বা বৈধ অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত কোন মেয়ের বিবাহ জায়েয নয় (আবূদাউদ হা/২০৮৩; মিশক
উত্তর : কেউ যদি ছিয়ামরত অবস্থায় ভুলবশতঃ স্ত্রী মিলন করে বা বীর্যপাত ঘটায় তাহ’লে ছিয়াম ভঙ্গ হবে না। এমতাবস্থায় ছায়েম তার ছিয়াম পূর্ণ করবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ভুল করে ছিয়াম অবস্থায় দিনের বেলায় স্ত্রী মিলন করে, তার কোন ক্বাযাও নেই, কাফফা
উত্তর : কতিপয় শাফেঈ বিদ্বান এমন মন্তব্য করেছেন। কিন্তু তাদের পক্ষে কোন দলীল নেই। কারণ হাদীছে কম বা বেশী খাওয়ার কথা বলা হয়নি। বরং সাধারণভাবে ভুলে খাওয়ার কথা বলা হয়েছে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ছায়েম ভুলে কিছু খায় সে যেন তার ছিয়াম পূর্ণ করে। কেননা আল
উত্তর : হাদীছে বর্ণিত কারণগুলো ছাড়া অন্য কোন গুনাহে লিপ্ত হ’লে ছিয়াম ভঙ্গ হবে না। ছিয়ামের ফরযিয়াত আদায় হয়ে যাবে। তবে ছিয়ামরত অবস্থায় কেউ কবীরা গুনাহে লিপ্ত হ’লে সে ছিয়ামের ছওয়াব পাবে না (ইবনু হাজার, ফাৎহুল বারী ৪/১১৭; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ;
উত্তর: শিশু বালেগ না হ’লে তার উপর ছিয়াম ফরয হয় না (আবুদাউদ হা/৪৪০১; মিশকাত হা/৩২৮৭; ছহীহুল জামে‘ হা/৩৫১২)। আর বালেগ হওয়ার কিছু লক্ষণ রয়েছে যেমন, স্বপ্নদোষ হওয়া, নাভীর নীচে চুল গজানো বা ১৫ বছরে উপনীত হওয়া ইত্যাদি (বুখারী হা/২৬৬৪; মুসলিম হা/১
উত্তর : যার জন্য তহবিল সংগ্রহ করা হয়েছে তার জন্যই খরচ করা কর্তব্য হবে। তবে অতিরিক্ত অর্থ অন্য কোন অসুস্থ ব্যক্তির জন্যও খরচ করা যায়। কারণ দাতাগণ মূলতঃ অসহায়কে সহায়তা করার জন্য অর্থ দান করেছেন (হাত্তাব, মাওয়াহিবুল জলীল ৬/৫৫; যাকারিয়া আনাছারী
উত্তর : অফিসের কাজের ব্যাঘাত ঘটিয়ে নফল ছালাত আদায় করা যাবে না। বরং নিজ দায়িত্বে নিয়োজিত থাকতে হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘সাবধান! তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল। তোমাদের প্রত্যেককেই ক্বিয়ামতের দিন স্ব স্ব দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে’ (মুত্তাফ
উত্তর : উটের গোশত খেয়ে ওযূ করা আবশ্যক (মুসলিম, মিশকাত হা/৩০৫)। শরী‘আতের প্রতিটি বিধানের প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্য করা মুমিনের দায়িত্ব। হিকমত বা কারণ যাই হৌক তা শরী‘আতের বিধান। তবে বিদ্বানগণ কিছু হাদীছের আলোকে এর কারণ বর্ণনা করে বলেন, (১) উটের স
উত্তর : অন্যায় কাজে সহযোগিতার জন্য গোনাহগার হ’তে হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, তোমরা সৎকর্ম ও তাক্বওয়ার কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা কর আর গুনাহ ও পাপ কাজে সহযোগিতা করা থেকে বিরত থাক (মায়েদাহ ৫/২)।প্রশ্নকারী : আলাউদ্দীন, মুম্বাই, ভারত।
উত্তর : যাবূর অন্যতম একটি আসমানী কিতাব, যা দাঊদ (আঃ)-এর ওপর নাযিল করা হয়েছিল (নিসা ৪/১৬৩)। বর্তমানে সেই কিতাবটি অক্ষত নেই। বর্তমানে মাযামীর নামে একটি কিতাব পাওয়া যায় যেটিকে কেউ কেউ যাবূর মনে করে, যা সঠিক নয়। আর যাবূরে ১৫০টি সূরা থাকলেও তাতে
উত্তর : যাবে। প্রবল শীতের কারণে শারীরিক অসুস্থতা বা রোগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকলে ওযূর পরিবর্তে তায়াম্মুম করে ছালাত আদায় করা যাবে (আবুদাঊদ হা/৩৩৭; মিশকাত হা/৫৩১; ছহীহুল জামে‘ হা/৪৩৬২-৬৩)। আমর ইবনুল ‘আছ (রাঃ) বলেন, ‘যাতুস সালাসিল’ যুদ্ধে শীতের
উত্তর : প্রশিক্ষণ শিবির যদি সফর অবস্থায় হয় তবে সেখানে সাময়িক জুম‘আ কায়েম করা যাবে না। বরং যোহর আদায় করবে কিংবা আশ-পাশের কোন মসজিদে গিয়ে জুম‘আ আদায় করবে। আর যদি মুক্বীম অবস্থায় হয় তাহ’লে অবশ্যই মসজিদে জুম‘আর ছালাত আদায় করবে। তবে যদি মসজিদে মুছল্ল
উত্তর : এটা জুয়ার অন্তর্ভুক্ত নয়। কারণ এতে টাকার হার-জিত উদ্দেশ্য নয়, বরং উদ্দেশ্য হ’ল বৈধ আয়োজনের জন্য বৈধ প্রয়োজনের খরচ মেটানো। অতএব এতে কোন দোষ নেই (ইবনু তায়মিয়াহ, আল-ইখতিয়ারাত ৪৯৬-৯৭ পৃ.; ইবনু ক্বাইয়িম, আল-ফুরুসিয়া ৩১৮ পৃ.; উছায়মীন, লিক
উত্তর : পিতা-মাতার জন্য আবশ্যক হ’ল সন্তানের বয়স হওয়ার সাথে সাথে বিবাহ দেওয়া। পাত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে দ্বীনকে অগ্রাধিকার দেওয়া অপরিহার্য। আর সন্তানের কর্তব্য হ’ল পিতা-মাতাকে রাযী করে বিবাহ করা (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব ২০/১৮৩; উছ
উত্তর : এমতবস্থায় ছালাত পুনরায় পড়তে হবে না (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূউল ফাতাওয়া ২২/১৮৪; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৭/৩০২; উছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ২/৮)। কারণ রাসূল (ছাঃ) অজ্ঞাতসারে নাপাক জুতা পায়ে পরে ছালাত আদায় করছিলেন। জিব্রাঈল (
উত্তর : যাকাত না দেওয়ার নিয়তে এমন ছলচাতুরি করা যাবে না। তবে সাধারণভাবে সন্তানকে নিজের স্বর্ণালকার থেকে দান করা যায়। এমতাবস্থায় প্রত্যেকের স্বর্ণ যদি আলাদাভাবে নিছাব পরিমাণ না হয়, তাহ’লে যাকাত দিতে হবে না। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘প্রত্যেক স্বর্ণ ও রৌপ
উত্তর : অছিয়তের মধ্যে এমন কিছু রয়েছে যা বাস্তবায়ন করা ওয়ারিছদের জন্য অত্যাবশ্যক। যেমন তার মৃত ছেলে বা মেয়ের সন্তানদের জন্য সর্বোচ্চ এক-তৃতীয়াংশ সম্পদ দান করা (বাক্বারাহ ২/১৮১; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৫/৩৭৮)। এই ধরণের বৈধ অছিয়ত পূরণ করা বাধ্
উত্তর : হজ্জের নিয়তে জমাকৃত অর্থ বিশেষ প্রয়োজনে অন্য কাজে খরচ করতে পারে। তবে সক্ষমতা আসলে যত দ্রুত সম্ভব ফরয হজ্জ আদায় করার চেষ্টা করবে (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব ১৮/১২৭-২৮)।প্রশ্নকারী : মাহফূযুল হক, মাদারগঞ্জ, জামালপুর।
উত্তর : বিবাহের আক্বদ তথা ঈজাব-কবুল সংঘটিত হওয়ার পূর্বে সে স্ত্রী নয়। আর যে স্ত্রী নয় সে অন্যান্য গায়রে মাহরাম নারীর মতই। অতএব বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া প্রস্তাবিত নারীর সাথে সাধারণ কথাবার্তা বা আলাপচারিতা করা যাবে না। বরং তার অভিভাবকের সাথে সার্বিক যো
উত্তর : উক্ত কথা ভিত্তিহীন। আর হজ্জ বা ওমরাহ থেকে ফেরার পর বিশেষ কিছু পালনীয়ও নেই। তবে রাসূল (ছাঃ) হজ্জ বা ওমরা থেকে ফেরার সময় কিছু কাজ করতেন। যেমন হাদীছে বর্ণিত হয়েছে, ইবনু ওমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যখন কোন যুদ্ধ, হজ্জ বা ওমরাহ হ’তে ফির
উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী মানুষের রিযিক লিখে রেখেছেন। প্রতিটি মানুষের রিযিক নির্দিষ্ট। সেগুলো সে পাবেই। রাসূল (ছাঃ) বলেন, তোমরা তোমাদের রিযিক আসতে বিলম্ব হচ্ছে এমন মনে করো না। কারণ কোন বান্দাহ ততক্ষণ পর্যন্ত মারা যাবে না যতক্ষণ না
উত্তর : বিশুদ্ধ মতে কাট-ছাঁট করা যাবে না। কেননা বৃদ্ধাবস্থাতেও রাসূল (ছাঃ)-এর ঠোটের নিম্নভাগে উক্ত লোম ছিল। যার কিছু অংশ সাদা ছিল (বুখারী হা/৩৫৪৫-৪৬)। জনৈক ব্যক্তি নিম্ন ঠোটের নীচের চুল কাটা অবস্থায় ওমর বিন আব্দুল আযীয (রহঃ)-এর নিকট সাক্ষ্য
উত্তর : এরূপ করা প্রতারণার শামিল, যা শরী‘আতে বৈধ নয়। কর্তৃপক্ষ প্রকৃত ওমরাহকারীদের তাওয়াফে সুবিধার জন্য এমন নিয়ম করেছে, যা লংঘন করা সঠিক নয় (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব)।প্রশ্নকারী : ক্বাযী হারূনুর রশীদ, নওদাপাড়া, রাজশাহী।
উত্তর : ইহরামের কাপড় কোনভাবে নাপাক হয়ে গেলে ধুয়ে পরিস্কার করতে পারে। আবার পরিবর্তনও করতে পারে (মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৭/৫৭; ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১৭/২৬৬)।প্রশ্নকারী : হারূনুর রশীদ, নওদাপাড়া, রাজশাহী।
উত্তর : ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পূর্বে আযান বা ইক্বামত দেওয়া যাবে না এবং এক ওয়াক্ত ছালাতও আদায় করা যাবে না। কেননা আল্লাহ তা‘আলা ছালাতের জন্য নির্দিষ্ট ওয়াক্ত নির্ধারণ করেছেন (নিসা ৪/১০৩)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যখন ছালাতের সময় উপস্থিত হবে তখন একজন আয
উত্তর : যাবে। তবে যেন মসজিদে তাদের কোন শব্দ না আসে এবং ইবাদতে বিঘ্ন না ঘটে। ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) মসজিদে নববীর অনতিদূরে একটি বড় চত্বর বানিয়েছিলেন, এর নাম রাখা হয়েছিল ‘বুত্বায়হা’। তিনি লোকেদের বলে রেখেছিলেন, যে ব্যক্তি অনর্থক কথা বলবে অথবা কব
উত্তর : যে সকল পাখির গোশত খাওয়া হালাল সে সকল পাখির পায়খানা কাপড়ে লেগে থাকলে সে পোষাকে ছালাত আদায় করা যাবে। তবে সম্ভবপর তা মুছে ফেলবে কিংবা ধুয়ে ফেলবে। আর যে সকল পাখির গোশত হারাম সে সকল পাখি বা প্রাণীর পেশাব বা পায়খানাও নাপাক। এ সকল প্রাণীর পায়খা
উত্তর: স্বামী শারীরিকভাবে অক্ষম হ’লে স্ত্রী উক্ত স্বামীর সাথে সংসার করতে বাধ্য নয়। বরং সে স্বামীর নিকট তালাক চাইতে পারে বা খোলা করে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। প্রয়োজনে আদালতের আশ্রয় নিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। কারণ বিবাহের গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হ’ল পরস্পর
উত্তর : জানাযার ছালাতে তৃতীয় তাকবীরের পর মাইয়েতের জন্য খাছ দো‘আ পাঠের সময় পিতা-মাতার জন্য উক্ত দো‘আ পাঠ করা যায় (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ২/৩৬৫; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৩/১৪৭; আশ-শারহুল মুমতে‘ ৫/১৬৩)।প্রশ্নকারী : ক্বামারুয্যামান, সাঘাটা, গ
উত্তর : দাড়ি রাখার জন্য দাড়ি ঘন বা পাতলা হওয়া শর্ত নয়। বরং দাড়ি রাখা আবশ্যক। একদিক পাতলা বা ঘন হওয়া সাময়িক ব্যাপার, যা বয়সের সাথে ঠিক হয়ে যাবে। সুতরাং দাড়ি সেভ বা মুন্ডন করা যাবে না (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৩/৩৬৩; উছায়মীন, ফাতাওয়া নূরু
উত্তর : স্বামী নিজ পিতার পরিচয় না দেওয়ার কারণে কবীরা গুনাহগার হবে (বুখারী হা/৪৩২৬; মিশকাত হা/৩৩১৪; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২০/৩৯২)। এজন্য তাকে তওবা করা আবশ্যক। তবে এ কারণে বিবাহ বাতিল হবে না। কারণ পুরুষের বিবাহের জন্য পিতা থাকা বা অভিভাবক থাক
উত্তর : অমুসলিম বা মিশ্রিত উপার্জনকারী থেকে করযে হাসানাহ নেওয়া যাবে। কারণ হারাম উপার্জনের জন্য উপার্জন কারী ব্যক্তি দায়ী হবে, গ্রহণকারী নয়। রাসূল (ছাঃ) তার মৃত্যুর কিছুদিন পূর্বে এক ইহুদীর কাছে বর্ম বন্ধক রেখে ত্রিশ কেজি যবের আটা করয বা ধার নিয়ে
উত্তর : সাধারণভাবে স্বপ্নের কথা স্মরণ থাক বা না থাক, ঘুম থেকে উঠে কাপড় ভেজা দেখলে গোসল ফরয হবে। আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ)-কে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হ’ল, যে স্বপ্নদোষের কথা স্মরণ করতে পারছে না, অথচ তার কাপড় (বীর্যপাতের কারণে) ভিজা মন
উত্তর : কবীরা গুনাহ হ’ল যে সকল গুনাহের ব্যাপারে অভিসম্পাত করা হয়েছে এবং পরকালীন শাস্তি কিংবা দুনিয়ায় হদ্দের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আর জেনে-শুনে বার বার ছগীরা গুনাহে লিপ্ত হ’লে তাও কবীরা গুনাহে পরিণত হয়। যেমন ওমর ও ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন,لاَ ك
উত্তর : কেউ মারা গেলে এবং তার জানাযায় অংশগ্রহণ করতে না পারলে তার কবরকে সামনে রেখে একাকী বা জামা‘আতের সাথে মাইয়েতের জন্য যে কোন দিন জানাযার ছালাত আদায় করা যাবে। রাসূল (ছাঃ) ও তাঁর ছাহাবীগণ একাধিক কবরের উপর জানাযার ছালাত আদায় করেছেন (বুখারী হ
উত্তর : অধিকাংশ বিদ্বানের মতে, সাদাস্রাব অপবিত্র নয়। তবে এটি বের হ’লে ওযূ নষ্ট হয়ে যাবে এবং ছালাতের জন্য পুনরায় ওযূ করতে হবে। আর মযীর মতই সাদাস্রাব কাপড়ে বা শরীরে লেগে থাকলে ধুয়ে নেওয়া আবশ্যক নয়। বরং সে পোষাক পরেই ছালাত আদায় করা যাবে (ইবনু
উত্তর : যাবে না। কারণ ফেন্সিডিল বা অনুরূপ কোন মাদক নেশাদার দ্রব্য, যা স্পষ্ট হারাম। এর দ্বারা চিকিৎসা নেয়া জায়েয নয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা তার মধ্যে আরোগ্য রাখেননি, যা তিনি তোমাদের জন্য হারাম করেছেন’ (বুখারী হা/১৮, ৪৮০; ই
উত্তর : পেটে বাচ্চা থাকা অবস্থায় পশু কুরবাণী করায় শরী‘আতে কোন বাধা নেই। এছাড়া উক্ত পশুর গোশত খাওয়া যাবে। এমনকি রুচি হ’লে পেটের বাচ্চাও খেতে পারে। আবু সাঈদ খুদরী বলেন, আমি বললাম হে আল্লাহর রাসূল! আমরা উটনী, গাভী ও ছাগী যবেহ করি এবং কখনো কখনো আমরা
উত্তর : পেশাব-পায়খানা বা বায়ুর চাপ নিয়ে ছালাত আদায় করলে তা আদায় হয়ে যাবে। তবে সেটি মাকরূহ। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘খাদ্য উপস্থিত হ’লে ছালাত নেই এবং পেশাব-পায়খানার চাপ থাকলে কোন ছালাত নেই’ (মুসলিম হা/৫৬০; মিশকাত হা/১০৫৭)। বায়ুর অতিরিক্ত চাপ
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছ ছহীহ। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি সকালে জেগে উঠে একশ’ বার বলবে, ‘সুবহানাল্লাহিল ‘আযীম ওয়া বিহামদিহি’ এবং সন্ধ্যায় উপনীত হয়েও অনুরূপ বলে, তাহ’লে সৃষ্টিকুলের কেউই তার মত মর্যাদা ও ছওয়াব অর্জনে সক্ষম হবে
উত্তর: সাধারণভাবে অমুসলিমরা হালাল কোন খাবার হাদিয়া হিসাবে প্রদান করলে তা গ্রহণে দোষ নেই (ইবনু তায়মিয়াহ, ইক্বতিযাউ ছিরাতিল মুস্তাক্বীম ১/২৫১)। আল্লাহ বলেন, ‘ধর্মের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেনি এবং তোমাদেরকে দেশ থেকে বহিষ্কার করে
উত্তর : স্ত্রীর একনিষ্ঠ তওবা সাপেক্ষে স্বামী তাকে স্ত্রী হিসাবে রাখতে পারে (ছহীহাহ হা/৬৬৩)। আর তার থেকে আবারও একই কর্মে জড়িয়ে পড়ার আশংকা থাকলে, তাকে তালাক দিয়ে বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারে। কারণ স্ত্রীর ব্যভিচার চলমান থাকার বিষয়টি জানার পরেও তাক
উত্তর : মুসাফিরের জন্য সফরকালীন যোহর-আছর ও মাগরিব-এশার ছালাত জমা ও কছর করা মুস্তাহাব (বুখারী হা/১১১১)। তবে প্রতি ওয়াক্তে ছালাত আদায়ের সুযোগ থাকলে জামা‘আতের সাথেও ছালাত আদায় করা যায়। কারণ ছালাত নির্দিষ্ট সময়ের সাথে সংশ্লিষ্ট। আল্লাহ বলেন, নি
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছগুলো যঈফ (আহমাদ হা/২৬৩৮৩; যঈফাহ হা/১৫০৩)। তবে ওযূর পূর্বে মিসওয়াক করা গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘আমি যদি উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম, তাহ’লে প্রত্যেক ছালাতের সময় মিসওয়াক করার আদেশ দিতা
উত্তর : মেয়েদের হোস্টেলে পূর্ণ পর্দার পরিবেশ ও নিরাপত্তা থাকলে সেখানে অবস্থান করে পড়াশোনা করা যাবে (বুখারী হা/৫২৩৭; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১২/১৭৮)।প্রশ্নকারী : রুক্বাইয়া খাতুন, সিংড়া, নাটোর।
উত্তর : উপার্জনের মাধ্যম হারাম হওয়ায় তার লভ্যাংশ সর্বাবস্থায় ভোগ করা নিষিদ্ধ এবং পরিত্যাজ্য। তাকে অবশ্যই খালেছ তওবার সাথে সাথে উক্ত সম্পদ মালিককে ফেরত দিতে হবে। আর মালিককে না পাওয়া গেলে তার নামে ছাদাক্বা করে দিবে (মুছান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ
উত্তর : পারবে না। বরং ইদ্দত শেষ করে ওমরাহ পালন করবে। কারণ মৃত স্বামীর জন্য স্ত্রীকে চার মাস দশদিন ইদ্দত পালন করতে হয় (বাক্বারাহ ২/২৩৪)। অতএব সে ইদ্দত পালন করবে এবং পরবর্তীতে শারীরিক ও আর্থিক সক্ষমতা থাকলে ওমরাহ করবে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজ
উত্তর : বোনের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করতে হবে। অবাধ্যতার কারণে সাময়িকভাবে শাস্তিমূলকভাবে সম্পর্কচ্ছেদ করা যেতে পারে, কিন্তু স্থায়ীভাবে আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা নিষিদ্ধ। তাছাড়া উক্ত বিচ্ছেদ যেহেতু ‘খোলা’ তালাক ছিল, অতএব উক্ত নারীর জন্য নতু
উত্তর : হাতের আঙ্গুল দ্বারা মুছে সে আঙ্গুল ও প্লেট চেটে খাওয়া সুন্নাত (ওছায়মীন, শরহ রিয়াযুছ ছালেহীন ২/২৯৯)। জাবের (রাঃ) বলেন, নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) খাওয়ার পর আঙ্গুলগুলি ও পাত্র চেটে খাওয়ার আদেশ দিয়েছেন এবং বলেছেন, ‘ওর কোনটিতে বরকত আছে ত
উত্তর : ধৈর্যের সাথে মীমাংসার চেষ্টা করবে এবং প্রয়োজনে স্ত্রীকে চাকুরী ছাড়ার পরামর্শ দিয়ে একই স্থানে থাকবে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে তা নিরসনের শারঈ পদ্ধতি হ’ল- প্রথমে তাকে উপদেশ দিতে হবে (বুখারী হা/৩৩৩১; মুসলিম হা/১৪৬৮; মিশকাত
উত্তর : পারবে। কারণ নারীর পক্ষ থেকে তালাক নেওয়া শরী‘আতে ‘খোলা’ হিসাবে গণ্য। আর ‘খোলা’র ইদ্দত এক মাস। অতঃপর মোহর, অভিভাবকের অনুমতি ও দু’জন সাক্ষীর উপস্থিতিতে হ’তে হবে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ৩৩/১৫৩)।প্রশ্নকারী : জামিরুল ইসলাম,
উত্তর: ওশর বা যাকাতের নির্দিষ্ট আটটি খাত রয়েছে। ওশর সেগুলোতেই দিতে হবে (তওবা ৯/৬০; ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৮/৩৩১-৩৩৯)। এক্ষণে দ্বীনী মাহফিল দ্বীনী জ্ঞান প্রচারের মাধ্যম। আর কুরআনে ‘ফী সাবীলিল্লাহ’ বা আল্লাহর পথ নামে একটি খাত রয়েছে। আর দ্বী
উত্তর: নিকটবর্তী তথা মহল্লার মসজিদে গমনই উত্তম। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘লোকেরা যেন তাদের নিকটতম মসজিদে ছালাত আদায় করে, একাধিক মসজিদ খুঁজে না বেড়ায় (ফাওয়ায়েদু তামাম হা/১৪১৬; ছহীহাহ হা/২২০০)। শায়খ ওছায়মীন (রহঃ) বলেন, উত্তম হচ্ছে তুমি মহল্লার মসজ
উত্তর : নমীনী সাময়িকভাবে মৃতের সম্পত্তি প্রাপ্তির একটি মাধ্যম মাত্র। এটি ইসলামী উত্তরাধিকারের কোন পদ্ধতি নয়। এজন্য মাইয়েতের যাবতীয় সম্পত্তি শারঈ পদ্ধতিতে বণ্টন করতে হবে। এক্ষণে মোট সম্পত্তির এক-ষষ্ঠাংশ করে পিতা-মাতা পাবেন। স্ত্রী এক-অষ্টমাংশ পাব
উত্তর: ওলামায়ে কেরাম পিতা-মাতা কর্তৃক সন্তানের সম্পদ গ্রহণের ক্ষেত্রে কিছু শর্তারোপ করেছেন। যেমন- ১. পিতা-মাতাকে দরিদ্র হ’তে হবে, যাদের কোন সম্পদ নেই এবং কোন উপার্জনও নেই। ২. পিতা-মাতার প্রতি খরচ করার জন্য সন্তানের সামর্থ্য থাকতে হবে। ইবনু কুদাম
উত্তর : এক্ষেত্রে দাতাকে পাপের ভাগিদার হ’তে হবে। কারণ এটি সরাসরি শিরকের কাজে সহযোগিতা করা। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা নেকী ও তাক্বওয়ার কাজে পরস্পরে সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সীমালংঘন কাজে সহযোগিতা কর না’ (মায়েদাহ ৫/২)। অতএব এমন কাজে চাঁদা প্রদান থেকে
উত্তর : কিছু লোককে আল্লাহ বিশেষ দক্ষতা প্রদান করেন, যার মাধ্যমে ব্যক্তি বা বস্ত্তর কিছু লক্ষণ দেখে তারা তা বুঝতে পারেন। এটি তাদের প্রতি আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ। যেমন চিকিৎসকগণ রোগীর কিছু লক্ষণ দেখে কিছু রোগের কথা বলতে পারেন। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। ছালাত বিশুদ্ধ হওয়ার জন্য বা তেলাওয়াতে ছওয়াব পাওয়ার জন্য অর্থ বুঝা শর্ত নয়। তবে দ্বীনকে সঠিকভাবে বুঝা এবং ছালাতে পূর্ণ মনোযোগ আনার জন্য পঠিত সূরা এবং দো‘আগুলির অর্থ সাধ্যমত জানার চেষ্টা করা কর্তব্য (ইবনুল ক্বাইয়
উত্তর : সন্দেহের ক্ষেত্রে প্রবল ধারণার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যদি এটি কোন রুকনের ক্ষেত্রে হয় যেমন রুকূ, সিজদা বা শেষ বৈঠকের তাশাহহুদ, তাহ’লে সে রাক‘আত পুনরায় আদায় করতে হবে এবং শেষ বৈঠকে সহো সিজদা দিয়ে সালাম ফিরাবে। যদি কোন ওয়াজিবের ক্ষেত্র
উত্তর : গীবত বা পরনিন্দা হারাম। তবে পারিবারিক বিষয় মীমাংসার জন্য নিজেদের মধ্যে দোষ বলা বা সমালোচনা করা জায়েয (নববী, রিয়াযুছ ছালেহীন ৪১২ পৃ.)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আমি কি তোমাদের এমন আমল সম্পর্কে বলব না, যার ছওয়াবের মর্যাদা ছিয়াম, ছাদাক্বা ও ছ
উত্তর : পরস্পরে হাদিয়া আদান-প্রদান মুস্তাহাব। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা পরস্পরে হাদিয়া দাও এবং মহববত বৃদ্ধি কর’ (আল-আদাবুল মুফরাদ হা/৫৯৪; মিশকাত হা/৪৬৯৩)।হযরত আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ফাতেমাকে একটা মোটা কাপড়ের চাদর, একটা মশক ও একটা
উত্তর: কোন তওবাকারীকে তার পূর্বের গোনাহ নিয়ে খোটা দেওয়া যাবেনা। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি গোনাহ থেকে তওবা করে, সে নির্দোষ ব্যক্তির ন্যায়’ (ইবনু মাজাহ হা/৪২৫০; মিশকাত হা/২৩৬৩)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহ তিন শ্রেণীর ল
উত্তর : মানুষের মত জিনেরাও যমীনে বসবাস করে (রহমান ৫৫/১০)। গোপনস্থান সমূহে বিশেষ করে টয়লেটে (আবুদাঊদ হা/৬; মিশকাত হা/৩৫৭)। জিনেরাই আগে পৃথিবীতে বসবাস করত। কিন্তু তাদের অবাধ্যতার কারণে আল্লাহ তাদেরকে হটিয়ে পৃথিবীতে মানুষের বসবাসের ব্যবস্
উত্তর: বাজারদর অনুযায়ী লাভ করবে। কেননা লাভের সীমা শরী‘আতে নির্দিষ্ট করা হয়নি (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৩/৮৯-৯১)। জনৈক ছাহাবী এক দীনার দিয়ে একটি ছাগল কিনে দুই দীনারে বিক্রয় করেছিলেন (আহমাদ হা/১৯৩৮১; ইরওয়া হা/১২৮৭)।প্রশ্নকারী : তাক্বী
উত্তর : অনিয়মিত ঋতু হওয়ার কারণে ভুলবশত স্ত্রী মিলন করে থাকলে কোন কাফফারা দিতে হবে না। তবে এই ভুলের কারণে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে (নববী, আল-মাজমূ‘ ২/৩৫৯)।প্রশ্নকারী : ওছমান গণী, ঢাকা।
উত্তর : বড় ভাই হিসাবে উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে সাধ্যমত ইসলামী পরিবেশ বজায় রাখার জন্য চেষ্টা করবেন ও সবাইকে উপদেশ দিবেন। অনুষ্ঠানের কিছু অংশ অপসন্দনীয় হ’লেও পুরো অনুষ্ঠান বর্জন করা যাবে না। বোনকে পর্দার বিধান অনুসরণ করে মহিলাদের পরিবেশে রাখার
উত্তর : নৌযানে আরোহণের নির্দিষ্ট কোন দো‘আ ছহীহ হাদীছে বর্ণিত হয়নি। এজন্য সাধারণ বাহনে আরোহণের সময় পঠিতব্য দো‘আটি পাঠ করা যায় (ওছায়মীন, লিক্বাউল বাবিল মাফতূহ ৫/৫৪; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ২৩/১২৪)। আর সেটি হ’ল- সুবহা-নাল্লাযী সাখখারা লান
উত্তর : গর্ভস্থ সন্তান নষ্ট করা বা হত্যা করা নিষিদ্ধ। বিশেষ করে শিশুর গঠন শুরু হয়ে গেলে গর্ভপাত করা যাবে না। আর ৪০ দিনেই শিশুর গঠন শুরু হয়ে যায় (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ৩৪/১৬০)। উল্লেখ্য, গর্ভপাত ঘটানোর অর্থই হ’ল সন্তান হত্যা করা, য
উত্তর : নিজের ব্যভিচারের মাধ্যমে জন্মগ্রহণ করা কন্যাকে বিবাহ করা যাবে না। কেননা জারজ হ’লেও সে তারই অংশবিশেষ। পিতৃপরিচয় গোপন থাকলেও সে জিনগতভাবে তারই সন্তান। অতএব তাকে বিয়ে করা হারাম। এ ব্যাপারে জমহুর বিদ্বানগণ একমত (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৭/১১
উত্তর : শরী‘আতের প্রতিটি বিধান পুরুষের পাশাপাশি নারীর জন্যও প্রযোজ্য। সুতরাং উক্ত ফযীলত মসজিদের ইক্বামতের সাথে খাছ নয়, বরং বাড়িতেও নারীরা উক্ত সময়ে দো‘আ করলে দো‘আ কবুল হবে ইনশাআল্লাহ। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যখন ছালাতের জন্য আযান দেওয়া হয়, তখন আসমানের
উত্তর : ছেলেরা বালেগ হ’লে তাদের উপর ছালাত ফরয হয়ে যায়। যদিও ছালাত আদায়ে অভ্যস্ত করতে ১০ বছর বয়স থেকেই তাদেরকে নিয়মিত ছালাত আদায়ের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং এজন্য সে ছওয়াব পাবে (আবুদাউদ হা/৪৩৯৮; মিশকাত হা/৩২৮৭; ছহীহুল জামে‘ হা/৩৫১২)। সাধা
উত্তর : ছালাতের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ পাঠ করা ফরয (নাসাঈ হা/১২৭৭; ইরওয়া হা/৩১৯; ইবনু কুদামাহ ১/৩৮৭)। তাছাড়া একদল বিদ্বানের মতে শেষ বৈঠকে দরূদ পাঠও ফরয বা ওয়াজিব (বুখারী হা/৪৭৯৮; মুসলিম হা/৪০৫; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২৯/২৯৯ পৃ.)। সেজন্য য
উত্তর : হ্যাঁ, যেনা-ব্যভিচারের মাধ্যমে জন্মগ্রহণকারী জারজ সন্তানকে অপমানসূচক কথা বলা বা সমালোচনা করা গুনাহের কাজ। কেননা তার জন্মদাতা যেনাকার নারী-পুরুষের অপরাধের কারণে সে পাপী নয়। আল্লাহ বলেন, ‘কেউ কারো পাপের বোঝা বহন করবে না’ (আন‘আম ৬/১৬৪;
উত্তর : কারো মধ্যে স্পষ্ট কুফরী দেখা গেলে এবং তাকে সতর্ক করার পরও কুফরীর উপর অটল থাকলে তাকে কাফের বলা যাবে (বুখারী হা/৩০০৭, ২৬৬১, ৬১০৬; ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২৩/৩০৬)। তবে একজন নিরপরাধ মুমিনকে কুফরীর অপবাদ দেওয়া তাকে হত্যার সমতুল্য
উত্তর : সম্পদ আত্মসাৎকারী বা ছিনতাইকারী নিঃসন্দেহে কবীরা গোনাহগার ও মহাপাপী এবং তার জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি (শূরা ৪২/৪২; মুত্বাফ্ফেফীন ৮৩/১-৬)। আদালতে বিচারক তাদের অপরাধের মাত্রা অনুপাতে শাস্তি নির্ধারণ করবেন। সেটি জেল বা জরিমানা বা
উত্তর : এমতাবস্থায় ছিয়াম পালন বা ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি নির্ভর করবে পরিস্থিতির উপর। দাওয়াতদাতা কষ্ট পাবে এমন সম্ভাবনা থাকলে ছিয়াম ছেড়ে দেওয়াই উত্তম। আর আপত্তি না থাকলে ছিয়াম পালন করা উত্তম। আয়েশা (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) আমার নিকট এসে বলতেন, তোমাদ
উত্তর :প্রথমতঃ দৃষ্টি অবনমিত রাখবে এবং কোন গায়ের মাহরাম নারীর দিকে কামনার দৃষ্টিতে তাকাবেনা। আল্লাহ বলেন, ‘তুমি মুমিন পুরুষদের বলে দাও, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে’ (নূর ২৪/৩০)। অনুরূপভাবে নারীরাও এমন পোষাক পরে চলাফেরা করবে না, যাতে পুর
উত্তর : প্রথমতঃ কেউ ইচ্ছা করে ছালাত ত্যাগ করে থাকলে তাকে ক্বাযা আদায় করতে হবে না। বরং ছালাত ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুতপ্ত হৃদয়ে তওবা করতে হবে এবং পরবর্তী ছালাতগুলো সঠিকভাবে আদায় করতে হবে। সাথে সাথে অধিকহারে ইস্তিগফার করবে এবং অধিক পরিমাণে নফল ছালাত আ
উত্তর : হায়েয ও নিফাস অবস্থায় স্ত্রী মিলন করা হারাম। নিফাসের জন্য সর্বোচ্চ চল্লিশদিন অপেক্ষা করতে হবে (আবুদাউদ হা/৩১১; ইরওয়া হা/২১১)। তবে চল্লিশ দিনের পূর্বে কেউ পবিত্র হয়ে গেলে তার উপর ছালাত ও ফরয ছিয়াম আবশ্যক হয়ে যাবে এবং স্বামীর সাথে নির
উত্তর : উক্ত মর্মে কয়েকটি বর্ণনা পাওয়া যায়, যার কোনটাই ছহীহ নয়। বরং কিছু যঈফ ও কিছু জাল (ইবনু বাত্তা, আল-ইবানাতুল কুবরা হা/১৭৯; আলবানী, যিলালুল জান্নাহ হা/৬৯৬)। অতএব মূসা (আঃ)-এর সাথে উক্ত বক্তব্য সম্পৃক্ত করা যাবে না।প্রশ্নকারী : তাইফ
উত্তর : প্রথমতঃ রাসূল (ছাঃ) অলী ছাড়া বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়াকে বাতিল বলে গণ্য করেছেন (আবুদাউদ হা/২০৮৩; মিশকাত হা/৩১৩১; ছহীহুল জামে হা/২৭০৯)। এরূপ ক্ষেত্রে অলী বা তার প্রতিনিধি বা বর্তমান অভিভাবকের সম্মতিতে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে পুন
উত্তর :হাদীছটি সিলসিলা ছহীহাহ গ্রন্থে ছহীহ সূত্রে সংকলিত হয়েছে (হা/৬৪৭)। উক্ত হাদীছের অর্থ হ’ল ক্বিয়ামতের পূর্বে ব্যবসা-বাণিজ্যের চরম বিস্তার ঘটবে। বাড়িতে বাড়িতে দোকান-পাট তৈরি হবে। যত্রতত্র বাজার ছড়িয়ে যাবে। নারীরাও দোকানে বসবে এবং তাদের স্বামীদেরক
উত্তর : ইয়াজূজ ও মাজূজ মানব জাতিরই অংশ। তারা নূহ (আঃ)-এর ছেলে ইয়াফেছের বংশধর। তারা মানুষ হিসাবে জন্ম নিলেও মুসলিম নয়। কারণ তারা বিশ্বের অন্যান্য মানুষের মত ঈসা (আঃ)-এর অনুসারীদেরও ধ্বংসের চেষ্টায় থাকবে (ইবনু হাজার, ফাৎহুল বারী ৬/১০৪; আনওয়ার
উত্তর : গন্ধ ছড়ায় এমন কিছু মহিলারা ব্যবহার করবে না। সেটি সুগন্ধি নামে বিক্রি হৌক বা অন্য নামে বিক্রি হৌক। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘পুরুষরা গন্ধ পাবে এমন উদ্দেশ্যে আতর মেখে কোন মহিলা যদি পুরুষদের মাঝে গমন করে তাহ’লে সে একজন ব্যভিচারিণী বলে গণ্য হবে’&nb
উত্তর : দাড়ি রাখা ওয়াজিব। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, তোমরা মুশরিকদের বিরোধিতা কর এবং দাড়িকে নিজের অবস্থায় ছেড়ে দাও (বুখারী হা/৫৮৯২; মিশকাত হা/৪৪২১; শায়েখ বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৩/৩৬৩; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১১/১২৫)। কোন দুনিয়াবী
উত্তর : এটি বানোয়াট রেওয়াজ। ইসলামী শরী‘আতের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। এই বানোয়াট প্রথা অবশ্যই বর্জনীয়।প্রশ্নকারী : তিথি*, ভাটিয়ারী, চট্টগ্রাম।*[আরবীতে ইসলামী নাম রাখুন (স.স.)]
উত্তর : উক্ত হাদীছ সমূহে লা‘নত শব্দের অর্থ কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হওয়া, রহমত থেকে দূরে সরে যাওয়া, আল্লাহর রহমত থেকে তাদেরকে বিতাড়িত করার জন্য বদ দো‘আ করা ইত্যাদি (ইবনুল মানযূর, লিসানুল আরব ১৩/৩৮৭)। যে সকল বৈশিষ্ট্যের লোকদের লা‘নত করা হয়েছে তারা
উত্তর : এমতাবস্থায় তেলাওয়াত বা বক্তব্য বন্ধ রেখে আযানের জওয়াব দেওয়াই উত্তম। কেননা আযানের জওয়াব পরে দেওয়ার সুযোগ থাকে না। আর একাধিক আযান হ’লে একটির জওয়াব দিলেই যথেষ্ট হবে। ইমাম নববী (রহঃ) বলেন, ‘আযান শুনলে তেলাওয়াত বন্ধ করে আযানের শব্দগুলোর জওয়াব
উত্তর : এটা নিয়তের উপর নির্ভর করবে। কেউ যথার্থ কারণে সুফারিশ করলে গুনাহগার হবে না। কারণ কেউ কারো পাপের বোঝা বহন করবে না (আন‘আম ৬/১৬৪; ইসরা ১৭/১৫, ফাত্বির ৩৫/১৮; যুমার ৩৯/৭; নজম ৫৩/৩৮)। তবে জেনেশুনে খারাপ মানুষের পক্ষে সুফারিশ করা যাবে না। আ
উত্তর : ছালাতের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ পাঠ করা ফরয (নাসাঈ হা/১২৭৭; ইরওয়া হা/৩১৯; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১১/২৪৮; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৩/৩৪৪)। সেজন্য যে ব্যক্তি তাশাহহুদ পাঠ ব্যতীত সালাম ফিরিয়েছে তাকে উক্ত দো‘আ ও দরূদ পাঠ করে সহো স
উত্তর : স্ত্রীর সম্মতি থাকলে সঠিক হবে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহরানা ফরয হিসাবে প্রদান কর। তবে তারা যদি তা থেকে খুশী মনে তোমাদের কিছু দেয়, তাহ’লে তা তোমরা সন্তুষ্টচিত্তে স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর’ (নিসা ৪/৪)। তবে স্ত্রী যদি এতে স
উত্তর : কুচকাওয়াজে হোক বা যেখানেই হোক বাদ্যযন্ত্র সর্বাবস্থায় হারাম। আল্লাহ বলেন, ‘লোকদের মধ্যে কিছু লোক অজ্ঞতাবশে বাজে কথা ক্রয় করে মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য এবং আল্লাহর পথকে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে। তাদের জন্য রয়েছে মর্মন্তুদ শাস্তি
উত্তর : এরূপ অস্বচ্ছ ব্যবসা জায়েয নয়। এই পদ্ধতিতে পণ্য ক্রয় বা বিক্রয় উভয়টি হারাম। কেননা এটি শরী‘আতে নিষিদ্ধ বায়‘এ গারারের অন্তর্ভুক্ত। আর বায়‘এ গারার হ’ল এমন অস্পষ্ট ক্রয়-বিক্রয় করা যার প্রকৃতি ও পরিমাণ সম্পর্কে ক্রেতা বা বিক্রেতা জানে না
উত্তর : উক্ত আছারটি একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, যার সবগুলিই দুর্বল (দুর্রে মানছূর, ইবনু কাছীর, সূরা নিসা ৬৫ আয়াতের আলোচনা দ্রঃ; তাহক্বীক কুরতুবী হা/২২৯৮-৯৯)।প্রশ্নকারী : বযলুর রশীদ, খুলনা।
উত্তর : দো‘আ করার ঘটনাটি ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত (আর-রাহীক্ব পৃঃ ১২৬; ইবনু হিশাম ১/৪২০)। তবে এর সনদ যঈফ (ত্বাবারাণী, সিলসিলা যঈফাহ হা/২৯৩৩; দ্রঃ সীরাতুর রাসূল (ছাঃ) ‘তায়েফ সফর’ অধ্যায়)।প্রশ্নকারী : মা‘রূফ, আশাশুনি, সাতক্ষীরা।
উত্তর : বিনিয়োগকারীর সম্মতি সাপেক্ষে সাধ্যমত সঠিকভাবে হিসাব করে লভ্যাংশ প্রদান করবে। এটি শরী‘আতসম্মত মুযারাবা পদ্ধতি, যা সূদ নয়। আনুমানিকভাবে দেয়া যাবে, তবে কোনমতেই যেন বিনিয়োগকারীকে ঠকানোর উদ্দেশ্য না থাকে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘হে বিশ্বাসীগণ! ত
উত্তর : কোন মুসলিম সিঁদুর ব্যবহার করতে পারবে না। কারণ এটি হিন্দুদের ধর্মীয় রীতি বা নিদর্শন। আর রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি অন্য জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করবে, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে’ (আবুদাঊদ হা/৪০৩১; মিশকাত হা/৪৩৪৭; ছহীহুল জামে‘&
উত্তর : মুসলিম হওয়ার জন্য শর্ত হ’ল গোসল করে বিশুদ্ধ নিয়তে কালেমা শাহাদাত পাঠ করা এবং যাবতীয় শিরক ত্যাগ করে ইসলামের জন্য নিজেকে সোপর্দ করা (মুহাম্মাদ আল-ক্বাহত্বানী, মুখতাছারু মা‘আরিজিল কুবূল ১১৯-১২২ পৃ.)। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় আইনের অনুসরণে অ
উত্তর : ওযূ অবস্থায় সালাম দেওয়া ও সালামের জওয়াব দেওয়া জায়েয। তবে ওযূ শেষে জওয়াব দেওয়া উত্তম (আবুদাউদ হা/১৭; মিশকাত হা/৪৬৭; ছহীহাহ হা/ ৮৩৪; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১০/১৫৫)।প্রশ্নকারী : শাহীন হোসাইন, চরফ্যাশন, ভোলা।
উত্তর : বাড়িতে পৌঁছলে মুসাফিরের হুকুম বাতিল হয়ে যায়। ফলে সফরের ক্বাযা ছালাত বাড়িতে বা নিজ এলাকায় পূর্ণ আদায় করতে হবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৬/৪৪৯; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ২৭/২৮২, ২৮৭)।প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ শামাউন, রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও
উত্তর : হাদীছের প্রামাণিকতাকে অস্বীকারকারী নিঃসন্দেহে কাফের এবং ইসলামের গন্ডি বহির্ভূত। কেননা যে হাদীছকে অস্বীকার করে, সে মূলতঃ কুরআনকেই অস্বীকার করে। হাদীছ ব্যতীত দ্বীনের ওপর আমল করা অসম্ভব। এজন্য মুসলিম বিদ্বানগণ সর্বসম্মতভাবে হাদীছ অস্বীকারকা
উত্তর : এগুলো স্পষ্ট প্রতারণার শামিল। আর প্রতারণা দ্বারা দু’টি পাপ হয়। একটি মিথ্যা বলা ও আরেকটি অন্যকে ঠকানো। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি প্রতারণা করে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়’ (মুসলিম হা/১০১-১০২; মিশকাত হা/২৮৬০, ৩৫২০)। কিন্তু যদি ঘটনা
উত্তর : ঋণের বিনিময়ে লাভ ভোগ করা সূদ (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৪/২৫০; ছালেহ ফাওযান, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২/৫০৫; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৪/১৭৬-৭৭)। ছাহাবীগণ এমন ঋণ নিষেধ করতেন, যা লাভ নিয়ে আসে (বায়হাক্বী ৩/৩৪৯-৩৫০; ইরওয়াউল গালীল হা/১৩৯৭)। তবে
উত্তর : ঈমান ভঙ্গের কারণগুলোর মধ্যে কোনটি মারাত্মক পর্যায়ের যা ইসলাম থেকে খারিজ করে দেয়, আবার কোনটি কবীরা গুনাহ। আক্বীদাগত কোন বিষয় অস্বীকার করলে সে কাফের হয়ে যাবে এবং তাকে কাফের বলা যাবে। যেমন আল্লাহর সাথে প্রকাশ্যে শিরক করা, প্রকাশ্যে কোন ফরয
উত্তর : ঘুষের কারবার সম্পূর্ণ হারাম। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ঘুষদাতা, ঘুষ গ্রহীতা ও ঘুষের দালাল সকলের উপর লা‘নত করেছেন’ (আহমাদ, তিরমিযী, বায়হাক্বী ইত্যাদি মিশকাত হা/৩৭৫৩-৫৫, সনদ ছহীহ)। অতএব কষ্টকর হ’লেও ঘুষ দেওয়া বা ঘুষের কাজে মধ্যস্ততা করা থেকে
উত্তর : শিরকে আকবারে লিপ্ত হ’লে সে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে এবং তার সমস্ত আমল বাতিল হয়ে যাবে। আল্লাহ বলেন, ‘যদি তুমি শিরক কর, তাহ’লে তোমার সমস্ত আমল বরবাদ হয়ে যাবে এবং তুমি অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে (যুমার ৩৯/৬৫)। তবে কেউ শিরক
উত্তর : জায়েয হবে না। বরং এটাও সূদ হিসাবে গণ্য হবে। আর জাহেলী যুগে সূদের এই প্রথা ব্যাপক হারে প্রচলিত ছিল। যায়েদ ইবনু আসলাম (রহঃ) বলেন, জাহেলী যুগে সূদ ছিল এইরূপ যে, এক ব্যক্তির অপর ব্যক্তির উপর মেয়াদী পাওনা রয়েছে। যখন পাওনা আদায় করার সময় উপস্থি
উত্তর : প্রথমতঃ স্ত্রী স্বামীর অগোচরে কোন পাপ করলে স্বামী পাপী হবেন না। কেননা আল্লাহ বলেন, ‘কেউ কারো পাপের বোঝা বহন করবে না’ (আন‘আম ৬/১৬৪ প্রভৃতি)। আর যদি স্ত্রীর পাপের কথা স্বামী জ্ঞাত থাকে এবং সে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহ’লে স্বামী গু
উত্তর : ফজরের সুন্নাতের পর ও ফরয ছালাতের পূর্বে কোন ছালাত নেই (তিরমিযী হা/৪১৯; ইরওয়া হা/৪৭৮; ছহীহুল জামে‘ হা/৬৭৮)। তবে সাধারণ যিকর-আযকার করবে। উল্লেখ্য যে, তিরমিযী ও ছহীহ ইবনু খুযায়মাসহ কিছু হাদীছ গ্রন্থে ফজরের সুন্নাতের পর পঠিতব্য দীর
উত্তর : প্রথমে উক্ত ব্যক্তিকে সাধ্যমত নছীহত করতে হবে, যাতে সে সংশোধন হয়। আর অভিযোগ সম্পর্কে সুনিশ্চিত হ’লে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ পেশ করতে হবে। অন্যদিকে ছালাত আদায় করা আবশ্যক। কেননা কেউ ছালাতকে অস্বীকার করলে কাফের হয়ে যাবে। আর অলসতা
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ। যেখানে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি ৫০ বার বায়তুল্লাহ ত্বাওয়াফ করবে সে পাপ থেকে ঐ দিনের মত মুক্ত হয়ে যায় যেদিন তার মা তাকে প্রসব করেছেন (তিরমিযী হা/৮৬৬; সিলাসিলা যঈফাহ হা/৫১০২)।প্রশ্নকারী : ফারহান ছাদীক, চা
উত্তর : স্বামীর জন্য কর্তব্য হ’ল স্ত্রীর মৌলিক চাহিদা পূরণ করা। তবে স্ত্রীর বিলাসী কামনা পূরণ করা স্বামীর দায়িত্ব নয়। এক্ষণে স্বামী যদি প্রকৃতই স্ত্রীর মৌলিক চাহিদা পূরণ না করে বা সক্ষম না হয় তাহ’লে স্ত্রীর জন্য তার সাথে থাকা বা না থাকার এখতিয়ার
উত্তর : পিতা-মাতার নামে নাম রাখা যায়। তারা অছিয়ত করে গেলে সেই নামে নাম রাখা সদাচরণের মধ্যে গণ্য হবে। আর সাধারণভাবে ভালোবাসার টানে রাখলে নিয়ত অনুপাতে ছওয়াব হবে। তবে তাদের নামে নাম রাখা আবশ্যক কোন বিষয় নয়। বরং আল্লাহর নিকট ‘আব্দ’ যুক্ত প্রিয় নাম র
উত্তর : এমতাবস্থায় তাদের জন্য উচিৎ ছিল বাকী রাকা‘আতটি একাকী সম্পন্ন করা (বুখারী হা/৯০৮)। এর পরিবর্তে একই জামা‘আতে মূল ইমাম থেকে ভিন্ন আলাদা ইমাম নিয়োগ করায় তাদের ছালাত শুদ্ধ হয়নি। তাছাড়া নারীদের জন্য জুম‘আর ছালাতের ইমামতিও জায়েয নয়। কারণ তা
উত্তর : বিড়াল পোষা জায়েয (মুসলিম হা/১৫৬৯; মিশকাত হা/২৭৬৮)। রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম বিড়ালের প্রতি ইহসান করতেন এবং এদের মুখ দেওয়া খাবারকে পবিত্র মনে করতেন। যেমন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, বিড়াল নাপাক নয়। কারণ যেসব প্রাণী সবসময় তোমাদের আশে
উত্তর : উক্ত ঘটনাটি ঐতিহাসিক আযরাকী তাঁর ‘আখবারু মাক্কা’ গ্রন্থে আলোচনা করেছেন। তবে বর্ণনাটি জাল। কারণ উক্ত বর্ণনার সনদে একাধিক মাতরূক (পরিত্যক্ত) ও মাজহূল (অপরিচিত) রাবী রয়েছে (যাহাবী, আল-মুগনী ২/৩৯৯; ইবনু হাজার, তাক্বরীবুত তাহযীব ১/৩৫৮)।
উত্তর : অন্যকে রক্তদান করা প্রভূত নেকীর কাজ। বিশেষত কারো জীবন বাঁচানোর স্বার্থে রক্তদান করা আরো গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা ইহসান কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ ইহসানকারীদের ভালবাসেন’ (বাক্বারাহ ২/১৯৫)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘প্রত্যেক জীবের প্রতি দয়া
উত্তর : প্রত্যেক মুসলিমের উপর দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করা ফরয (ইবনু মাজাহ হা/২২৪; মিশকাত হা/২১৮; ছহীহুল জামে‘ হা/৩৯১৩)। অতএব পিতা-মাতার অবশ্য কর্তব্য হ’ল, সন্তানের দ্বীনী জ্ঞানার্জনের ব্যবস্থা করা, নতুবা তারা আল্লাহর কাছে দায়ী হয়ে যাবে। পিতা-মা
উত্তর : যাবে। এটা ওযূ ভঙ্গেরও কারণ নয়। তবে কাঁচা পেঁয়াজ খেয়ে মসজিদে যাওয়া নিষেধ। জাবের (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি এই দুর্গন্ধময় গাছ খাবে সে যেন মসজিদে না আসে। কারণ মানুষ যাতে কষ্ট পায় ফেরেশতাগণও তাতে কষ্ট পায়’ (বুখারী, ম
উত্তর : ভবিষ্যদ্বাণী করা আর আশংকা বা অনুমান করা এক জিনিস নয়। অতএব কিছু আলামত বা নিদর্শন দেখে ভবিষ্যতের বিষয়ে আশংকাজনক কিছু বলাতে কোন দোষ নেই। যেমন কোন যুদ্ধের ফলাফল স্বরূপ বিশ্বে ধ্বংসলীলা হবে, এতে উৎপাদন কমে যাবে, জান-মালের ক্ষয় ক্ষতি হবে, জিনি
উত্তর : উক্ত ইমামের পিছনে ছালাত আদায়ে দোষ নেই। কারণ কেউ কারো পাপের বোঝা বহন করবে না (আন‘আম ৬/১৬৪, ইসরা ১৫/১৫, ফাত্বির ৩৫/১৮, যুমার ৩৯/৭, নাজম ৫৩/৩৮)। আর হারাম মিশ্রিত থাকলেও পিতার উপার্জিত সম্পদ সন্তানের জন্য মৌলিকভাবে হালাল (ইবনু তায়ম
উত্তর : ইসলাম গ্রহণের জন্য এফিডেভিট করে স্বীকৃতি দেয়া শর্ত নয়, বরং এটি রাষ্ট্রীয় বিধান ও আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। বরং সঠিক নিয়তে গোসল করে কালেমা পাঠ করলেই মুসলমান হওয়া যায়। আর বিয়ের জন্য মেয়ের অভিভাবক আবশ্যক। আর যেহেতু তার মুসলিম অভিভাবক নেই, সেজন্য
উত্তর : শিক্ষা ও জ্ঞানার্জনের মূল উদ্দেশ্য হবে স্রষ্টাকে জানা এবং তাঁর প্রেরিত বিধানসমূহ অবগত হওয়া। দ্বিতীয় বিষয়টি এই যে, প্রকৃত শিক্ষা হ’ল সেটাই যা খালেক্ব-এর জ্ঞান দান করার সাথে সাথে ‘আলাক্ব-এর চাহিদা পূরণ করে। অর্থাৎ নৈতিক ও বৈষয়িক জ্ঞানের সম
উত্তর : ভাইকে হারাম উপার্জন থেকে বিরত থাকার জন্য উপদেশ দিবে। সে নিবৃত না হ’লে সাধারণভাবে তার সাথে বসবাস বা খাওয়াতে দোষ নেই। কেননা একের অপরাধ অন্যের উপর বর্তায় না (ইবনু কুদামা. মুগনী ৪/২০১; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৯/১৯৬; উছায়মীন, লিকাউল বাব
উত্তর : প্রচন্ড বৃষ্টি, ঝড়, বন্যা, ঠান্ডা ইত্যাদি কারণে আযানে ‘আছ-ছালাতু ফী রিহালিকুম বা বুয়ূতিকুম’ (তোমরা তোমাদের অবস্থানস্থল বা বাড়িতে ছালাত আদায় কর) বলা জায়েয (নববী, শারহু মুসলিম ৫/২০৭; ইবনু হাজার, ফাৎহুল বারী ২/১১৩)। আর এই বাক্যটি দু’টো
উত্তর : এমতাবস্থায় মাকে পারস্পরিক সুন্দর আচরণের গুরুত্ব বুঝাতে হবে। কোনভাবেই তাকে বুঝানো না গেলে পৃথকভাবে সংসার করবে এবং সে অবস্থাতেও ধৈর্যধারণ করবে। আর সর্বাবস্থায় মায়ের সাথে সদাচরণ করবে। পারতপক্ষে কোন কষ্ট দিবে না (লোকমান ৩১/১৫)। রাসূল (ছ
উত্তর : দো‘আ অর্থে এমন বাক্য ব্যবহারে কোন দোষ নেই। তবে সাক্ষাতে এবং বিদায়ের আদব হ’ল সালাম বিনিময় করা। কারণ সালাম হচ্ছে ইসলামের মৌলিক সম্ভাষণ। তাছাড়া সালামে রয়েছে ছওয়াব ও ভ্রাতৃত্বের চাবিকাঠি (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২৪/১১৫, ১১৯; বিন বায, ফাতা
উত্তর : দু’জন সাক্ষী ও রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধির উপস্থিতিতে যদি ঈজাব ও কবুল হয়ে থাকে, তবুও নারীর ওলী বিহীন এরূপ বিবাহ শুদ্ধ নয়। তবে এটি শিবহে নিকাহ বা সন্দেহপূর্ণ বিবাহ হিসাবে গণ্য হবে (ইবনু কুদামা, মুগনী ৭/০৮, ১১/১৯৬; ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘ ফাতা
উত্তর : সূদমুক্ত ঋণ গ্রহণ করা যাবে। কিন্তু সূদ দিতে হ’লে তা গ্রহণ করা যাবে না। কারণ সূদ সর্বাবস্থায় হারাম। ছাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) বলেন, যারা সূদ খায়, সূদ দেয়, সূদের হিসাব লেখে এবং সূদের সাক্ষ্য দেয়, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাদের উপর লা‘নত
উত্তর : পারবে। কারণ এমতাবস্থায় দেবর বা ভাসুরের সাথে বিবাহে কোন বাধা নেই (নিসা ৪/২৪)। তবে বিধবা নারী অবশ্যই চার মাস দশ দিন স্বামীর জন্য শোক পালন করবে অতঃপর অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে (বাক্বারাহ ২/২৩৪)।প্রশ্নকারী : আব্দুল ওয়াহেদ,&nbs
উত্তর : ঋণ যার কাছেই করা হোক বা যেভাবেই করা হোক তা পরিশোধ করা আবশ্যক। কারণ ঋণ পরিশোধ না করলে বিচার দিবসে এর বিনিময়ে ছওয়াব দিতে হবে অথবা প্রাপকের গুনাহ নিতে হবে। সেজন্য ঋণ করতে হ’লে তা পরিবারের সদস্যদের অবহিত করতে হবে। যাতে তারা অপরিশোধিত ঋণ পরিশ
উত্তর : মুযদালিফায় অবস্থান করা ওয়াজিব (নববী, আল-মাজমূ‘ ৮/১৩৪, ১৫০; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৭/২৭৭; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২৩/৫১)। হাজীগণ মুযদালিফায় মাগরিব ও এশার ছালাত জমা‘ ও তাখীর করে আদায় করবেন। অতঃপর রাতে অবস্থান করে ফজরের ছালাত আদায় কর
উত্তর : ডান পায়ের রান বা হাঁটুর উপর ডান হাত রেখে মুষ্টিবদ্ধ করে শাহাদত আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করবে। আর বাম পায়ের উরু বা হাঁটুর উপর বাম হাত বিছিয়ে ক্বিবলামুখী করে রাখবে। আব্দুল্লাহ ইবনু যুবায়ের (রাঃ) বলেন, ছালাত আদায়ের সময় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যখন তাশা
উত্তর : ছালাতে বিনা কারণে ইলতেফাত বা এদিক-ওদিক দেহ বা দৃষ্টি ফিরানো নিষেধ, কেননা তা ছালাতে খুশূ-খুযূর বিপরীত। আয়েশা (রাঃ) বলেন, একবার আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে ছালাতের মধ্যে এদিক-সেদিক দেখা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, এটা শয়তানের ছোঁ মারা।
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) অধিকাংশ সময় দীর্ঘ জামা তথা প্রচলিত জুববার মত পোষাক পরিধান করতেন (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৪৩০৫)। তবে ক্বামীছ ও পায়জামাও রাসূল (ছাঃ) মাঝে-মধ্যে পরিধান করেছেন (সাফারেনী, গেযাউল আলবাব ২/২৪১)। বরং ক্বামীছ রাসূল (
উত্তর : শারঈভাবে শাস্তিযোগ্য যে কোন অপরাধের ক্ষেত্রে আইন নিজের হাতে তুলে নেয়া যাবে না। বরং তাকে প্রশাসনের হাতে তুলে দিবে। রাষ্ট্র শারঈ বিধান অনুযায়ী তার উপর হদ্দ কায়েম করবে। আল্লাহ বলেন, চোর পুরুষ হৌক বা নারী হৌক তার হাত কেটে দাও তার কৃতকর্মের শ
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক। কোন সন্তান, ধন-সম্পদ বা কারো কোন নে‘মত প্রাপ্তিতে ‘বারাকাল্লাহু লাকা’ বা ‘মা-শাআল্লাহ লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বা ‘হাযা মিন ফাযলি রাববী’ পাঠ করবে (ইবনু কাছীর ৫/১৪৩, ৬/১৭২, সূরা নমল ২
উত্তর : ‘ছালাতুয যাওয়াল’ বা বা সূর্য ঢলে পড়ার ছালাত মূলতঃ ৪ রাক‘আত বিশিষ্ট নফল ছালাত। আব্দুল্লাহ ইবনুস সায়েব (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সূর্য ঢলার পর হ’তে যোহরের পূর্ব পর্যন্ত ৪ রাক‘আত ছালাত আদায় করতেন এবং বলতেন, এ সময় আকাশের দরজা খুলে দেয়া হ
উত্তর : মৃত্যুর ফেরেশতা মূলতঃ একজন। যেমন আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের জন্য নিযুক্ত মৃত্যুর ফেরেশতা তোমাদের প্রাণ হরণ করবে’ (সাজদাহ ৩২/১১)। তবে মালাকুল মউত ফেরেশতার অসংখ্য সহযোগী রয়েছে যারা তার নির্দেশে বহু প্রাণীর জান কবয করে। যেমন আল্লাহ বলেন, ‘প
উত্তর : বিভিন্ন খাত থেকে ব্যয় সংকোচন করার রাষ্ট্রীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক অনুমোদন বা সাধারণ প্রচলন থাকলে দোষ নেই। আর অনুমতি না থাকলে সামর্থ্য অনুযায়ী নিজ অর্থ দ্বারা মেহমানদারী করবে। কারণ ক্ষেত্রবিশেষে মেহমানের আপ্যায়ন করা ওয়াজিব (বুখারী হা/৬০১৯
উত্তর : আত্মীয়দের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা কবীরা গুনাহ। যদি তারা ভুল করে তবে তাদেরকে কুরআন ও সুন্নাহর প্রতি দাওয়াত দিতে হবে; কিন্তু পরিত্যাগ করা যাবে না। রাসূল (ছাঃ) বলেন, আল্লাহ তা‘আলা ‘আত্মীয়তা’-এর সাথে ওয়াদা করে বলেন, ... যে ব্যক্তি তোমাকে বহাল
উত্তর : ‘রিয়া’ তথা লোক দেখানো আমল ছোট শিরকের অন্তর্ভুক্ত। অতএব ‘রিয়া’ থেকে মুক্ত থাকার জন্য নিম্নের আমলগুলো সহায়ক। (১) যিকির ও ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে সম্পর্ক দৃঢ় করা (তওবা ৯/১২৯; ফাতেহা ১/০৪)। শায়খুল ইসলাম ইবনু তায়মিয়া ও ইবন
উত্তর : এটি হাদীছ ও কবর আযাব অস্বীকারকারীদের বক্তব্য। যা সরাসরি কুরআন ও সুন্নাহ বিরোধী। আল্লাহ বলেন, (১) আল্লাহ মুমিনদের দৃঢ় বাক্য দ্বারা মযবূত রাখেন ইহকালীন জীবনে ও পরকালে (ইব্রাহীম ১৪/২৭)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, উক্ত আয়াতটি নাযিল হয়েছে ক
উত্তর : সার্ভিস চার্জ হিসাবে কিছু টাকা নেওয়াতে কোন দোষ নেই। কেননা সামাজিক প্রচলন মোতাবেক বিষয়টি গ্রাহকের অবগতিতেই থাকে ও তার সম্মতিও থাকে। তবে দায়মুক্তির জন্য যদি কেউ গ্রাহকের বাড়তি অর্থ ফেরৎ দেয়, তবে সেটাই অধিক তাক্বওয়াপূর্ণ হবে। আল্লাহ বলেন, ‘
উত্তর : কোন ঋতুবতী মহিলার স্বপ্নদোষ হ’লে সে ফরয গোসল করবে। আল্লাহ বলেন, ‘আর যদি তোমরা নাপাক হয়ে থাক, তাহ’লে গোসলের মাধ্যমে ভালভাবে পবিত্র হও’ (মায়েদাহ ৫/০৬)। ইবনু কুদামাহ (রহঃ) বলেন, যদি কেউ ঋতুকালীন নাপাকীর গোসল করে, তাহ’লে তার গোসল শ
উত্তর : এ কাজে সহযোগিতা করা যাবে না। কারণ মূর্তিপূজা শিরক (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৫/৪০৮; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ১/২৮৬)। আল্লাহ বলেন, ‘নেকী ও তাক্বওয়ার কাজে তোমরা পরস্পরকে সাহায্য কর এবং গোনাহ ও অন্যায় কাজে সহযোগিতা কর না’ (মায়েদাহ ৫/২)।প
উত্তর : নিজ ও পরিবারের বসবাস ও প্রয়োজনীয় খরচের জন্য ব্যবহৃত জমিজমার বাইরে সাধারণ বিক্রয়যোগ্য অতিরিক্ত জমিজমা থাকলে তার উপর হজ্জ ফরয হবে (বাহূতী, কাশশাফুল ক্বেনা‘ ২/৩৮৯; শারবীনী, মুগনিল মুহতাজ ২/২১৩)। আল্লাহ বলেন, আল্লাহর জন্য লোকদের উপর বায়
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি জাল। এর সনদে আবু ইয়াহইয়া আল-কাত্ত্বাত ও সুওয়াইদ বিন সাঈদ নামে দু’জন যঈফ রাবী রয়েছে (আলবানী, যঈফাহ হা/৪০৯)।প্রশ্নকারী : ইলিয়াস হোসাইন, কালিগঞ্জ, সাতক্ষীরা।
উত্তর : যদি মুসলিম সন্তান পরবর্তীতে কাফের বা মুরতাদ হয়ে যায়, তাহ’লে সে ইসলামী বিধান মতে পিতা-মাতাসহ তার মুসলিম আত্মীয়দের সম্পদ থেকে বঞ্চিত হবে। আর কাফের কোন মুসলিমের মীরাছ পাবে না (বুখারী হা/৬৭৬৪; মুসলিম হা/১৬১৪; মিশকাত হা/৩০৪৩)। তবে মুরতাদ
উত্তর : ছালাতে মেয়েরা চুল বেণী বা খোপা করে রাখবে। কারণ মেয়েদের চুল সতরের অন্তর্ভুক্ত। যা ঢেকে রাখা ওয়াজিব। মেয়েদের চুল যাতে বাইরে বের হয়ে না যায় সেদিকে যেমন সতর্ক দৃষ্টি রাখবে, তেমনি তাদের চুলের খোপা যেন উটের কুঁজের মত উঁচু হয়ে না থাকে সেদিকে খে
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি ছহীহ (বুখারী হা/৭৫২৭)। মধুর সুরে তেলাওয়াতের অর্থ হচ্ছে নিজ স্বভাবজাত সুরে কুরআনকে শ্রুতিমধুর করে তোলা (নববী, শরহ মুসলিম ৬/৭৮; মির‘আত ৭/২৬৮)। যেমন রাসূল (ছাঃ) অন্যত্র বলেন, ‘তোমাদের (সুমিষ্ট) শব্দ দ্বার
উত্তর : অমুসলিমদের রান্নাকৃত খাবার গ্রহণে কোন দোষ নেই। তবে তাদের যবেহকৃত প্রাণীর গোশত খাওয়া যাবে না (মুছান্নাফে আব্দুর রাযযাক হা/১০১৫৫; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২২/৪১৩)। ইমাম কুরতুবী (রহঃ) বলেন, মূর্তিপূজক ও মুশরিকদের খাবার গ্রহণে কোন দোষ নেই
উত্তর : পুরাতন মসজিদের জিনিসপত্র নবনির্মিতব্য মসজিদে ব্যবহার করা যাবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৬/৭৬-৭৭; ইবনুল হুমাম, ফাৎহুল ক্বাদীর ৬/২২৮)। তাছাড়া পুরাতন মসজিদের জমি বিক্রয় করেও তার অর্থ নতুন মসজিদে লাগানো যাবে। কূফার মসজিদে রক্ষিত বায়তুল মা
উত্তর : বিবাহের ক্ষেত্রে পিতা এবং ছেলের মাঝে বৈপরিত্য দেখা দিলে ছেলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে। কারণ ছেলের বিবাহের জন্য অভিভাবকের অনুমোদন শর্ত নয়। তবে সর্বাবস্থায় পিতা-মাতার সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করবে এবং পিতার বিরোধিতার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাক
উত্তর : অবৈধভাবে গর্ভবতী হ’লেও গর্ভপাত করা জায়েয হবে না। কারণ জনৈকা গামেদী মহিলা তার উপর যেনার হদ্দ কায়েম করতে বললে রাসূল (ছাঃ) তাকে সন্তান জন্ম দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলেন (মুসলিম হা/১৬৯৫; মিশকাত হা/৩৫৬২)। বিশেষ করে শিশুর গঠন শুরু হয়ে
উত্তর : উক্ত কথার শারঈ কোন ভিত্তি নেই। বরং এগুলো হিন্দুদের থেকে আসা কুসংস্কার। বরং সন্ধ্যার সময় ইফতার গ্রহণ করার বিধান রয়েছে। যা সারা বছর চলতে থাকে। অতএব উক্ত কথা ভিত্তিহীন।প্রশ্নকারী : আহমাদ, গাযীপুর।
উত্তর : এমতাবস্থায় প্রথমতঃ খালেছ অন্তরে তওবা করতে হবে। কেননা ফরয বিধান পরিত্যাগ করা কবীরা গুনাহ। দ্বিতীয়তঃ যেহেতু বিগত ছুটে যাওয়া ছিয়ামগুলোর নির্ধারিত কোন হিসাব নেই, সেহেতু এজন্য তওবা করাই যথেষ্ট হবে এবং বেশী বেশী নফল ছিয়াম আদায় করবে। ইবনু তায়মি
উত্তর : মানুষ হিসাবে সবার প্রতি মানবিক সমবেদনা দেখানো যাবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা পৃথিবীবাসীর প্রতি দয়া কর, আসমানবাসী (আল্লাহ) তোমাদের প্রতি দয়া করবেন’ (আবুদাউদ হা/৪৯৪১; মিশকাত হা/৪৯৬৯; ছহীহাহ হা/৯২৫)। জনৈক ইহূদী বালক রাসূল (ছাঃ)-এর খিদমত করত। সে
উত্তর : এটি একটি প্রতারণা। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি প্রতারণা করে, সে আমাদের দলভুক্ত নয় (মুসলিম হা/১০১; মিশকাত হা/৩৫২০)। অতএব প্রতারণার কাজে কাউকে সহযোগিতা করা যাবে না (মায়েদাহ ৫/২)। শায়েখ বিন বায (রহঃ) বলেন, কোনভাবেই পরীক্ষায় প্রতারণা করা বৈধ ন
উত্তর : সন্তানদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করা হারাম। একদিন রাসূল (ছাঃ)-এর পাশে একজন ছাহাবী বসে ছিলেন। তার পুত্র সন্তানটি আগমন করলে সে চুমু দিয়ে নিজের কোলে বসাল। একটু পরে তার কন্যা সন্তানটি আসলে তাকে পাশে বসিয়ে দিল। এটি দেখে রাসূল (ছাঃ) বললেন, ত
উত্তর : চুল বিক্রয়যোগ্য বস্ত্ত নয়। কারণ চুল দেহেরই একটি অংশ। আল্লাহ বলেন, ‘আমরা আদম সন্তানকে উচ্চ মর্যাদা দান করেছি’ (ইসরা ১৭/৭০)। তাই এটি জায়েয হবে না যে, এভাবে মানব দেহের কোন অংশ অপদস্থ ও অপমানিত হৌক’ (আল-ইনাইয়া শারহুল হেদায়া ৬/৪২৫; আল-মাওসূ‘আতুল ফ
উত্তর : মা ও বোনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা থাকলে ওমরায় যাওয়া যাবে (নববী, আল-মাজমূ‘ ৮/৩১৪)।-আব্দুল্লাহ, টেকনাফ, কক্সবাজার।
উত্তর : অস্বাভাবিক ও কুশ্রী লাগলে বা নারীর স্বাভাবিক সৌন্দর্য বিনষ্ট হ’লে তা উৎপাটন বা ওয়াক্সিং করতে পারে (আল- মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ১৪/৮২)।প্রশ্নকারী : হোসনে মোবারক, চিলমারী, কুড়িগ্রাম।
উত্তর : প্রথমেই তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করবে এবং তার মাল-সামান তার কাছে পৌঁছে দিবে বা তার কাছে ব্যবহারের অনুমতি নিবে। যদি যোগাযোগ করা সম্ভব না হয়, তাহ’লে তার জন্য এক বছর অপেক্ষা করবে। যদি এক বছরের মধ্যে তার সন্ধান পাওয়া না যায়, তাহ’লে তার জিনিসপ
উত্তর : এক বৈঠকে তিন তালাক এক তালাক হিসাবে গণ্য হয় (মুসলিম হা/১৪৭২; আহমাদ হা/২৮৭৭; হাকেম হা/২৭৯৩)। অতএব ইদ্দতের মধ্যে অর্থাৎ তিন তোহরের মধ্যে স্বামী তাকে সরাসরি ফিরিয়ে নিতে পারে। ইদ্দত পার হয়ে গেলে উভয়ের সম্মতিতে নতুন বিবাহের মাধ্যমে ফেরত নিবে (বাক্ব
উত্তর : নির্দিষ্ট ইমাম থাকলে তিনিই ইমামতির সর্বাধিক হকদার। তার অনুমতিক্রমে অন্যে ইমামতি করতে পারবে। আর নির্ধারিত না থাকলে কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহর জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিকেই ইমামতির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘জামা‘আতের ইমামতি ঐ
উত্তর : আপন ভাগ্নীর মেয়ে মাহরাম। আর মাহরামকে বিবাহ করা হারাম (নিসা ৪/২৩; তাফসীর ক্বাসেমী ৫/৮৬, ৩/৬৩)। তবে মায়ের ফুফাতো বোন মাহরাম নয়। সে হিসাবে মায়ের ফুফাতো বা মামাতো বোনকে বিবাহ করা জায়েয (আহযাব ৩৩/৫০; তাফসীর সা‘দী ১/৬৬৯ উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যা দ্রষ্টব
উত্তর : তাশাহহুদের সময় ডান পায়ের আংগুল কেবলামুখী করে রাখা সুন্নাত (মুসলিম, মিশকাত হা/৭৯১)। অসুস্থতা বা দৈহিক স্থূলতার কারণে যদি কেউ আংগুল কেবলামুখী করতে না পারে বা পায়ের পাতা দাঁড় করিয়ে রাখতে না পারে, তাহ’লে কোন দোষ নেই (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ৬/৪৪৬)।প
উত্তর : সাধারণভাবে সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে কোন বাধা নেই। যাতে মুছল্লীরা প্রশান্তির সাথে ছালাত আদায় করতে পারেন। ওছমান (রাঃ) মসজিদে নববীর সৌন্দর্য বর্ধন করেছিলেন (বুখারী ফাৎহসহ হা/৪৪৬, ১/৬৪৩)। তবে সাজ-সজ্জার প্রতিযোগিতা এবং গর্ব-অহংকার প্রকাশের জন্য মসজিদের
উত্তর : লাভ ভোগ করার প্রচলিত নিয়মে বন্ধক রাখা যাবে না। কারণ ঋণের বিনিময়ে লাভ ভোগ করা সূদ (মুগনী ৪/২৫০; ছালেহ ফাওযান, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২/৫০৫; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৪/১৭৬-৭৭)। ছাহাবীগণ এমন ঋণ নিষেধ করতেন, যা লাভ নিয়ে আসে (ইরওয়াউল গালীল হা/১৩৯৭)। তবে অর্
উত্তর : ইসলামে এ ধরনের কোন দিবস পালনের বিধান নেই। এগুলো বিজাতীয় অপসংস্কৃতির অনুকরণ মাত্র। যা নিষিদ্ধ (আবুদাঊদ হা/৪০৩১; তিরমিযী হা/২৬৯৫; সিলসিলা ছহীহাহ হা/২১৯৪)। রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরামের যুগে বড় বড় ঐতিহাসিক বিজয় সংঘটিত হয়েছিল। অথচ সালাফে ছালেহীন
উত্তর : এমতাবস্থায় পিতা-মাতা অভিযুক্ত ছেলেকে খুঁজে বের করে তার সাথে ঐ মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে। যদি অভিযুক্ত মাহরাম হয় বা বিয়ে দেওয়া অসম্ভব হয়, তাহ’লে সন্তান প্রসব হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। অতঃপর অন্যত্র মেয়েকে বিয়ে দিবে (আবুদাউদ হা/২১৫৭; ইবনু
উত্তর : মৃত ব্যক্তির জন্য কবরের পাশে নিয়মিত বা অনিয়মিত কোনভাবেই কুরআন তেলাওয়াত করা যাবে না। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি শুনাতে পারো না কোন মৃতকে...’ (নমল ২৭/৮০)। রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম থেকে এরূপ কোন আমলের প্রমাণ পাওয়া যায় না। ইবনু তায়মিয়াহ
উত্তর : মাসবূকের ছালাত শেষ হওয়ার পর হাদীছ পাঠ করাই উত্তম। মসজিদে মুছল্লীদের ইবাদতে বিঘ্ন সৃষ্টি হয় এমন কোন কাজ করা সমীচীন নয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, নিশ্চয়ই ছালাতের মধ্যে আল্লাহর দিকে নিবিষ্টতা থাকে’ (বুখারী হা/১১৯৯; মুসলিম হা/৫৩৮; মিশকাত হা/৯৭৯)। এক্ষণে
উত্তর : যাবে না। কারণ এটি দৈহিক ইবাদত। যার নেকী কেবল ব্যক্তি পাবেন। অতএব যে ব্যক্তি এটি তেলাওয়াত করবে সে-ই এর ফযীলত লাভ করবে, অন্য কেউ নয়। কারণ ‘মানুষ মারা গেলে তার সমস্ত আমল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়’ (মুসলিম হা/২৬৮২)। তবে যেকোন সময় সন্তান দো‘আ করলে, ছাদাক্
উত্তর : সুন্নাত হ’ল প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনরা মাইয়েতের পরিবারের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করবে। জা‘ফর বিন আবু তালিব (রাঃ) মুতার যুদ্ধে শহীদ হ’লে রাসূল (ছাঃ) তার পরিবারের খাবারের ব্যবস্থা করার জন্য প্রতিবেশীদের নির্দেশ দেন (আবুদাউদ হা/৩১৩২; ইবনু মাজাহ হা
উত্তর : এরূপ গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান শরী‘আত সম্মত নয়। এগুলো কুসংস্কার ও অমুসলিমদের অনুকরণ। যা নিষিদ্ধ (আবূদাঊদ হা/৪০৩১; মিশকাত হা/৪৩৪৭)। তবে বর-কনে চাইলে নিজেরা হলুদ মাখতে পারে (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/৩২১০ ‘ওয়ালীমা’ অনুচ্ছেদ)। মূলতঃ গায়ে হলুদ হিন্দুদের বৈবাহিক
উত্তর : ঘুষ সংশ্লিষ্ট থাকায় এমন অনুদান গ্রহণ করা যাবে না। কেননা ঘুষ আদান-প্রদান হারাম। এই পন্থায় অর্থ গ্রহণ করলে হারাম কাজে সহযোগিতা করা হবে। আর আল্লাহ বলেন, ‘নেকী ও তাক্বওয়ার কাজে তোমরা পরস্পরকে সাহায্য কর এবং গোনাহ ও অন্যায় কাজে সহযোগিতা কর না’ (মা
উত্তর : উক্ত ছালাতগুলি পুনরায় ক্বাযা আদায় করতে হবে। কারণ অপবিত্র অবস্থার ছালাত আল্লাহ কবুল করেন না (নববী, আল-মাজমূ‘ ২/৭৮; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১২/১৪৭; উছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৮/০২)। উল্লেখ্য যে, পূর্বসময়ে অজ্ঞতা বা না জানার কারণে
উত্তর : রাতের নফল ছালাতে কিরাআত সরবে পাঠ করা উত্তম। তবে নীরবেও পাঠ করা যায় (আবূদাউদ হা/১৩২৯; মুছান্নাফ আব্দুর রাযযাক হা/৪১৯৯; মিশকাত হা/১২০৪; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১১/১২৪-২৬)। আব্দুল্লাহ ইবনে আবু কায়েস বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ)-কে রাসূল (ছাঃ)-এর রাতের
উত্তর : জুম‘আর দিন সূরা জুম‘আ পাঠের বিশেষ কোন ফযীলত ছহীহ হাদীছে বর্ণিত হয়নি। তবে রাসূল (ছাঃ) মাঝে মধ্যে জুম‘আর রাতে এশার ছালাতের প্রথম রাক‘আতে সূরা জুম‘আ পাঠ করতেন (মুসলিম হা/৮৭৯; আবুদাউদ হা/১১২৫)। তাছাড়া সূরা জুম‘আ মুফাছ্ছাল সূরা সমূহের অন্তর্ভুক্ত
উত্তর : ছালাত অবস্থায় অকারণ নড়াচড়া করা বা হাটাহাটি করা নিষিদ্ধ। কিন্তু কাতার পূরণ করার জন্য বা ফাঁকা জায়গা পূরণ করার জন্য স্থান পরিবর্তন করা মুস্তাহাব (ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৩/২৭, ৩১০; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১১/১১২-১৩)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে
উত্তর : অসুস্থ মানুষকে দেখতে যাওয়া বা তার সেবা করা যেমন মুসলমানের উপর ওয়াজিব, তেমনি এর বিশেষ ফযীলত রয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘আল্লাহ ক্বিয়ামতের দিন বলবেন, হে আদম সন্তান! আমি অসুস্থ ছিলাম, তুমি আমাকে দেখতে আসনি। সে বলবে, হে প্রভু! কিভাবে আমি আপনা
উত্তর : দুধ মা সাব্যস্ত হওয়ার জন্য দু’টি শর্ত রয়েছে। প্রথমতঃ দুধ পান করার বয়সে দুধ পান করাতে হবে (বুখারী হা/২৬৪৭; মিশকাত হা/৩১৬৮)। দ্বিতীয়তঃ পৃথক পৃথক সময়ে পাঁচবার দুধ পান করাতে হবে (মুসলিম হা/১৪৫১; মিশকাত হা/৩১৬৭; আশ-শারহুল মুমতে‘ ১২/১১২-১১৩)। রাসূল
উত্তর : ওযূ করার পরে কিছু খেলে কুলি করা মুস্তাহাব। কারণ কোন কোন সময় দু’দাঁতের মাঝে খাবার আটকে থাকে। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) একবার দুধ পান করার পর পানি আনালেন। এরপর কুলি করলেন এবং বললেন, এতে তৈলাক্ত পদার্থ রয়েছে (মুসলিম হা/৩৫৮; মিশকাত হা/৩০
উত্তর : সূরা বাক্বারার প্রথম পাঁচ আয়াত পাঠের বিশেষ কোন ফযীলত হাদীছে বর্ণিত হয়নি। সূরা বাক্বারার প্রথম চার আয়াত, আয়াতুল কুরসী, শেষ তিন আয়াত, আলে ইমরানের প্রথম আয়াত পাঠের ফযীলত সম্পর্কে একটি বর্ণনা পাওয়া যায়, যেটি অত্যন্ত যঈফ (আহমাদ হা/২১২১২; মাজ
উত্তর : সাজ-সজ্জা ও সৌন্দর্য মনে করে কেউ নাকফুল ব্যবহার করলে তাতে কোন দোষ নেই। কারণ এ ব্যাপারে শরী‘আতে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই (হাশিয়া ইবনু আবেদীন ৬/৪২০; ফৎওয়া লাজনা দায়েমাহ ২৪/৩৬; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব, ফৎওয়া নং ১৪৯২৭)। ওছায়মীন (রহঃ) বলেন, ‘কো
উত্তর : হায়েয ও নিফাসওয়ালী নারীদের জন্য বিশুদ্ধ মতে কুরআন তেলাওয়াত যেমন জায়েয, তেমনি লেখাও জায়েয (শায়খ বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১০/২০৯)।প্রশ্নকারী : রেযাউল করীম, খলীফাপাড়া, রংপুর।
উত্তর : প্রথমে খাওয়ার দো‘আ পড়বে। অতঃপর মেযবানের জন্য দো‘আ পড়বে। খাবার পরে একাধিক দো‘আ রয়েছে। যেমন- আল-হামদু লিল্লা-হিল্লাযী আত্ব‘আমানী হা-যা ওয়া রাযাক্বানীহি মিন্ গাইরি হাওলিম্ মিন্নী ওয়া লা কুউওয়াহ। অর্থাৎ ‘সেই আল্লাহর জন্য যাবতীয় প্রশংসা, যিনি আমাক
উত্তর : যদি স্পষ্টভাবে জানা যায় যে, উক্ত লেখা হারাম এবং অশ্লীলতা বা অন্যায় কোন কাজে ব্যবহার করা হবে, তাহ’লে তা কম্পোজ করে দেওয়া যাবে না। তাছাড়া ফটোকপির বিষয়বস্ত্ত জানা বা বুঝা না গেলে ফটোকপি করা যাবে। আর যদি নিশ্চিত জানা যায় যে, সেগুলি হারাম বা বিদ‘আ
উত্তর : এজন্য কাপড় হৌক বা শরীর হৌক অপবিত্র স্থান ধুয়ে ফেললেই যথেষ্ট হবে (নববী, আল-মাজমূ‘ ২/৯১)। উল্লেখ্য যে, পেশাব থেকে পবিত্রতার ব্যাপারে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ কবরের অধিকাংশ আযাব পেশাবের কারণেই হয়ে থাকে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা পেশাব
উত্তর : দাওয়াতের দায়িত্ব নারী ও পুরুষের উপর সমান। তবে নারীদের ক্ষেত্র আলাদা। তারা পর্দার মধ্যে থেকে নারী সমাজের মধ্যে সৎকাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ করবেন’ (সূরা তওবা ৯/৭১; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৪/২৪০; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৩/২৩৩)। রাসূল (ছ
উত্তর : ছবি সরিয়ে ফেলবে বা ঢেকে রাখবে। কেননা প্রাণীর ছবি-মূর্তি হারাম। হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) স্বীয় গৃহে (প্রাণীর) ছবিযুক্ত কোন বস্ত্তই রাখতেন না; বরং তা নষ্ট করে ফেলতেন (বুখারী হা/৫৯৫২; মিশকাত হা/৪৪৯১)। একইভাবে প্লাস্টিকের ম্যান
উত্তর : কুরআন তেলাওয়াতের পূর্বে কোন বিশেষ দো‘আ বা আমল নেই। বরং ওযূ করে ‘আ‘উযুবিল্লাহ’ ও ‘বিসমিল্লাহ’ বলে তেলাওয়াত শুরু করবে (ওয়াক্বি‘আহ ৫৬/৭৭-৮০; নববী, আল-মাজমূ‘ ২/৭২; ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২১/২৬৬-৬৭)। আর তেলাওয়াতের পূর্বে নিয়মিত দরূদে ইব্র
উত্তর : ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে সূদ ছাড়াই মূল ঋণ পরিশোধ করার চেষ্টা করবে। কোনভাবেই তারা মেনে না নিলে বাধ্যগত অবস্থায় সূদ সহ ঋণ পরিশোধ করবে। আর এতে সন্তানের কোন গুনাহ হবে না। কেননা একের পাপের বোঝা অন্যে বহন ক
উত্তর : খালা এবং ফুফু উভয়ে মাহরাম। আর মাহরামের সামনে নারীরা নিজেদের স্বাভাবিক সৌন্দর্য প্রকাশ করতে পারে (নিসা ৪/২৪)। তবে খালাতো ও ফুফাতো বোনদের থেকে পর্দা করে চলতে হবে (নূর ২৪/৩১; ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৭/৯৮; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৭/২৯০, ৯৭)। এক্ষণে
উত্তর : যাবে না। কারণ সময়ের পূর্বে ছালাত আদায় যথেষ্ট নয়। আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই ছালাত মুমিনদের উপর নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্ধারিত (নিসা ৪/১০৩)। অতএব ফজরের ওয়াক্ত হওয়ার পরেই ফজরের ছালাত আদায় করতে হবে। যদি রাস্তায় ওয়াক্ত হয়, তবে সেখানেই পড়বে। সেই সুয
উত্তর : এই ব্যবসা ছেড়ে বিকল্প কর্মক্ষেত্র খুঁজতে হবে। কারণ এই পেশায় সাধারণতঃ ঘুষের কারবার চলমান থাকে। রাসূল (ছাঃ) ঘুষদাতা ও ঘুষগ্রহীতার প্রতি লা‘নত করেছেন (আবুদাউদ হা/৩৫৮০; ইবনু মাজাহ হা/২৩১৩; মিশকাত হা/৩৭৫৩)। আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহক
উত্তর : স্বামীর চাচা, মামা, খালু স্ত্রীর জন্য মাহরাম নয়। স্ত্রীকে এদের সামনে পর্দা করতে হবে। কেবলমাত্র স্বামীর পিতা ও দাদা স্ত্রীর জন্য মাহরাম (নূর ২৪/৩১; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ২০/২৯৩-৯৪; উছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১৯/০২)। আর স
উত্তর : ওযূতে ঘাড় মাসাহ করা সুন্নাতও নয়, মুস্তাহাবও নয়। কারণ এর স্বপক্ষে কোন ছহীহ দলীল নেই (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১০/১০২)। আবূদাঊদে এ সম্পর্কে যে হাদীছ বর্ণিত হয়েছে, তা যঈফ (আবূদাঊদ হা/১৩২, সিলসিলা যঈফাহ হা/৬৯-এর আলোচনা দ্রঃ)। ইমাম নববী (রহঃ)
উত্তর : কোন ইজতিহাদী মাসআলায় কোন নির্ভরযোগ্য আলেমের কুরআন ও ছহীহ হাদীছভিত্তিক এবং সালাফে ছালেহীনের বুঝের আলোকে কৃত ইজতিহাদকে গ্রহণ করলে তা দোষ হবে না। বরং এমন পরিস্থিতিতে কারো প্রতি অন্ধ পক্ষপাত না করে আল্লাহর প্রতি ভরসা রেখে নির্ভরযোগ্য আলেম
উত্তর : বিভিন্ন সময়ে বহুবার তালাক দেওয়ায় সংসার ভেঙ্গে গেছে (মুসলিম হা/১৪৭১; আহমাদ হা/৪৫০০)। ফাতেমা বিনতে কায়েস (রাঃ) বলেন, আমি রাসূল (ছাঃ)-এর খেদমতে উপস্থিত হয়ে বললাম, আমি আলে খালিদের কন্যা। হে আল্লাহর রাসূল! আমার স্বামী অমুক আমার নিকট তিন তালা
উত্তর : এ মর্মে দায়লামী তার মুসনাদুল ফিরদাউসে একটি বর্ণনা উল্লেখ করেছেন। যা মওযূ‘ বা জাল (সিলসিলা যঈফাহ হা/১৪৪৯)।প্রশ্নকারী : জাহাঙ্গীর আলম, মোহনপুর, রাজশাহী।
উত্তর : আলী (রাঃ) সম্পর্কে উক্ত ঘটনা বিশুদ্ধ সনদে কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না। তবে ৪র্থ হিজরীতে সংঘটিত যাতুর রিক্বা‘ যুদ্ধ থেকে ফেরার পথে এক স্থানে রাতে বিশ্রামকালে রাসূল (ছাঃ)-এর নির্দেশে পাহারারত আনছার ছাহাবী ‘আববাদ বিন বিশ্র (রাঃ) গভীর মনোযোগে
উত্তর : সুন্নাত ছালাত নিয়মিত কাযা করা যাবে না। মালিককে বুঝিয়ে যথাসময়ে আদায় করার চেষ্টা করবে। অথবা ফরয ছালাত পড়ে এসে সুন্নাত দোকানে পড়ে নিবে। প্রয়োজনে কখনও বাসায় ক্বাযা আদায় করতে পারে। আর যদি ক্বাযা আদায় না করতে পারে, তাতে গুনাহ নেই (বিন বায,
উত্তর: খোলা‘র মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন হওয়া স্ত্রীকে তার স্বামী ইদ্দত চলাকালে নতুন বিবাহের মাধ্যমে ফিরিয়ে নিতে পারবে (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৮/১২৭; তাফসীর ইবনু কাছীর ১/৬২০)। তবে পূর্ব স্বামী ব্যতীত অন্য কেউ ইদ্দত চলাকালীন বিবাহ করলে সে বিবাহ বাতিল বলে গণ
উত্তর : উক্ত ছালাতগুলো পুনরায় আদায় করতে হবে। কারণ অপবিত্র অবস্থার ছালাত আল্লাহ কবুল করেন না (নববী, আল-মাজমূ‘ ২/৭৮; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১২/১৪৭; উছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৮/০২)। উল্লেখ্য যে, অজ্ঞতা বা না জানার কারণে কেউ যদি অগণিত
উত্তর : যে কোন অন্যায় কাজে সহযোগিতা করা যাবে না। আল্লাহ বলেন, ‘নেকী ও তাক্বওয়ার কাজে তোমরা পরস্পরকে সাহায্য কর এবং গোনাহ ও অন্যায় কাজে সহযোগিতা কর না’ (মায়েদাহ ৫/২)। শায়খুল ইসলাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, যদি নিশ্চিত অনুমান করা যায় যে, উক্ত প
উত্তর : লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ পাঠ করার অনেক ফযীলত আছে। যেমন (১) একে জান্নাতের ধনভান্ডার বলা হয়েছে (বুখারী হা/৪২০৫; মিশকাত হা/২৩০৩)। (২) জান্নাতের দরজা বলা হয়েছে (তিরমিযী হা/৩৫৮১; ছহীহাহ হা/১৭৪৬)। (৩) এটি পাঠ করে দো‘আ করলে দো‘আ কবুল হয়
উত্তর : উক্ত বিবাহ জায়েয হয়েছে। কারণ বিবাহের পর তাদের শারীরিক কোন সম্পর্ক হয়নি। আর শারীরিক সম্পর্ক না হয়ে থাকলে কোন ইদ্দত পালন করতে হবে না। আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! যখন তোমরা মুমিন নারীদের বিবাহ করবে; অতঃপর তাকে স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দ
উত্তর : হাদীছে হুবহু এমন কথা বর্ণিত হয়নি। তবে বিভিন্ন অসৎ কর্মের কারণে যে মানুষের রিযিকে বরকত কমে যায়, তা সঠিক। যেমন- ১. যেনায় লিপ্ত হওয়া (ইবনু মাজাহ হা/৪০১৯; ছহীহুত তারগীব হা/৭৬৫)। ২. ওযনে কম দেওয়া (ছহীহাহ হা/১০৬)। ৩. আল্লাহর বিধান অনুযায়ী বিচার
উত্তর : মাহরাম নারীকে বিবাহ করা হারাম। কেউ জেনেশুনে মাহরাম নারীকে বিবাহ করলে এবং তার সাথে সহবাস করে থাকলে তার উপর হদ্দ কায়েম হবে। আর না জেনে বিবাহ করে থাকলে জানার সঙ্গে সঙ্গে আলাদা হয়ে যাবে এবং খালেছ নিয়তে তওবা করবে (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ১২/৩৪১-
উত্তর : প্রথমতঃ এসকল দেশে দীর্ঘ সময়ের জন্য গমন থেকে দূরে থাকতে হবে। কারণ এসব দেশগুলোতে অবস্থান করে ঈমান রক্ষা করা অতীব কঠিন (উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৩/৩০, ৬/১৩৮)। দ্বিতীয়তঃ এই দেশগুলোতে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ বা ইসলামের দাওয়াত পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে যেতে
উত্তর : পিতামাতা চাইলে সন্তানকে প্রদত্ত কোন দান ফেরত নিতে পারেন। রাসূল (ছাঃ) বলেন, কোন ব্যক্তির জন্য কোন কিছু দান করার পর তা ফেরত নেওয়া জায়েয নয়। কেবল পিতা তার সন্তানদের কিছু দিয়ে তা ফেরত নিতে পারেন (আবুদাউদ হা/৩৫৩৯; নাসাঈ হা/৩৬৯০; মিশকাত হা/৩০
উত্তর : তিনি যদি শিরক ও কুফরীর মধ্যে নিমজ্জিত থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে থাকেন, তবে তার জন্য দো‘আ করা যাবে না। আল্লাহ বলেন, ‘নবী ও মুমিনদের উচিত নয় মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা যদিও তারা নিকটাত্মীয় হয়’ (তওবা ৯/১১৩)। শায়খ বিন বায (রহঃ) ব
উত্তর : ইয়াতীমের সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যয় নির্বাহের দায়িত্ব নিবেন দাদা। তবে পিতা মৃত্যুকালে কারো ব্যাপারে অছিয়ত করে গেলে সে-ই ইয়াতীমের সম্পদ দেখা-শুনা করবে। যদি দাদা না থাকে বা পিতা কারো ব্যাপারে অছিয়ত করে না যান, তাহ’লে স্থানীয় জনপ্রতিন
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটির সনদ ‘হাসান’। শায়খ আলবানী, শু‘আইব আরনাউত্ব, ইবনু তায়মিয়াহ, যাহাবীসহ অনেকে এর সনদকে হাসান বা ছহীহ বলেছেন (আহমাদ হা/১৭১৯০, ১৭২০৩; মিশকাত হা/৫৭৫৯; ইবনু কাছীর, তাফসীর সূরা বাক্বারাহ ১২৭ আয়াত; ইবনু তায়মিয়াহ, আর-রাদ্দু
উত্তর : উক্ত সম্পদ ভাই-বোনদের সম্মতি ছাড়া গ্রহণ করা জায়েয হবে না। তবে ভাই-বোনেরা যদি পিতা-মাতার খেদমত করার কারণে সম্মতি দেয় তাহ’লে তা গ্রহণে কোন দোষ নেই। আর তারা সম্মতি না দিলে অতিরিক্ত অংশটুকু ফেরত দিতে হবে এবং পিতা-মাতার খেদমতের প্রতিদান আল
উত্তর : দো‘আ করার সময় নিয়তই মূল। মুখের ভুল উচ্চারণ বা ভাষা ধর্তব্য নয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, তোমরা কোন ভুল করলে তাতে তোমাদের কোন অপরাধ নেই (আহযাব ৩৩/৫)। আর আল্লাহ তা‘আলা মানুষের নিয়ত ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে ভালো জানেন। ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন
উত্তর : লাভ ভোগ করার প্রচলিত নিয়মে জমি বন্ধক রাখা যাবে না। কারণ ঋণের বিনিময়ে লাভ ভোগ করা সূদ (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৪/২৫০; আল-মুদাওয়ান্নাহ ৪/১৪৯; ছালেহ ফাওযান, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২/৫০৫; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৪/১৭৬-৭৭)। ছাহাবীগণ এমন ঋণ নিষেধ করতেন, যা মুনা
উত্তর : আল্লাহর নাম বা আয়াত বিশিষ্ট বই-পত্র বা পুরাতন কাগজগুলো পুড়িয়ে ফেলা জায়েয। বরং পদদলিত বা অপমানিত হওয়ার আশঙ্কা থাকলে সেগুলো দ্রুত পুড়িয়ে ফেলাই কর্তব্য। ওছমান (রাঃ) কুরআন সংকলন করার পর ছিন্ন কপিগুলো আগুনে পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন (
উত্তর : যাবে। কেননা যবেহের জন্য পবিত্রতা শর্ত নয়। তবে অবশ্যই ‘বিসমিল্লাহ’ বলে যবেহ করবে (বুখারী হা/৫৫০১; নববী, আল-মাজমূ‘ ৯/৭৪; ইবনু কুদামাহ, মুগনী ১১/৬১)।প্রশ্নকারী : সজীব হোসাইন, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া।[শুধু ‘হোসাইন’ নাম রাখুন (স.স.)]
উত্তর : বিকল্প না থাকলে বাধ্যগত অবস্থায় শারঈ পর্দা বজায় রেখে বেগানা নারীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যাবে। তবে সাধ্যমত সেই নারীর কোন মাহরামকে সাথে রাখার চেষ্টা রাখতে হবে। কারণ বেগানা নারী-পুরুষ একত্রিত হ’লে ফিৎনার আশঙ্কা থাকে। এজন্য রাসূল (ছাঃ) বল
উত্তর : অমুসলিম নারীকে বিবাহ করা যাবে না (ইমাম শাফেঈ, কিতাবুল উম্ম ৬/৩৮৫)। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা মুশরিক নারীদের বিয়ে করো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে। (মনে রেখ) মুমিন ক্রীতদাসী মুশরিক স্বাধীনার চাইতে উত্তম। যদিও সে তোমাদের বিমোহিত করে। আর তোমরা মু
উত্তর : উপরোক্ত হাদীছটির সনদ হাসান (ছহীহাহ হা/১৮৬১)। দু’টি কালো পশু কুরবানী দেওয়া অপেক্ষা সাদা রংয়ের একটি পশু কুরবানী দেওয়া উত্তম। عَفْرَاءَ অর্থ মেটে/ধুসর নয় বরং যার অধিকাংশ সাদা বা সাদাটে রং। যেমন আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে সরাসরি সাদা রংয়ের বিষয়
উত্তর : এ সকল বিদ্বানের কুরআন ও ছহীহ হাদীছ ভিত্তিক ফৎওয়াগুলো গ্রহণ করতে হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘দলীল-প্রমাণ ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ব্যতীত কাউকে ফৎওয়া দেয়া হ’লে তার পাপের বোঝা ফৎওয়া প্রদানকারীর উপর বর্তাবে (ইবনু মাজাহ হা/৫৩; ছহীহুল জামে‘ হা/৬০৬৯)।
উত্তর : ‘ফিক্বহ’ অর্থ বুঝ। পারিভাষিক অর্থে কুরআন ও সুন্নাহর সঠিক বুঝ। আর এ ব্যাপারে ছাহাবায়ে কেরামের বুঝই সর্বাগ্রগণ্য। কারণ তাঁরাই ‘অহি’ নাযিলের প্রত্যক্ষ সাক্ষী এবং রাসূল (ছাঃ) কর্তৃক তার প্রয়োগ ও ব্যাখ্যার যথার্থ অনুসারী ও বর্ণনাকারী। আল্ল
উত্তর : কুরআন বা হাদীছে বর্ণিত দো‘আর অর্থ না জেনেও কেউ দো‘আ করলে আললাহ তার নিয়ত ও উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে দো‘আ কবুল করবেন ইনশাআল্লাহ। কারণ দো‘আর উৎস থাকে হৃদয়ে। আর জিহবা তার অনুগামী (মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২২/৪৮৯)। তবে অর্থ বুঝে দো‘আ করলে তা মানসিক&nbs
উত্তর : শেষ নবীর মতই অন্যান্য নবীর প্রতি দরূদ পাঠ করা মুস্তাহাব। তবে গুরুত্বের দিক থেকে রাসূল (ছাঃ) দরূদের সর্বাধিক হকদার। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা পূর্ববর্তী নবী-রাসূলগণের প্রতি দরূদ পাঠ কর। কারণ আমার মতই তাদেরকে নবুঅত দিয়ে পাঠানো হয়েছিল’ (ছ
উত্তর : ফরয বা নফল ছালাত শেষে নিয়মিত হাত তুলে দো‘আ করা সুন্নাতসম্মত নয়। তবে মাঝে-মধ্যে একাকী হাত তুলে দো‘আ করা যায়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, আল্লাহ অত্যধিক লজ্জাশীল ও দাতা। যখন কোন ব্যক্তি তার দরবারে দুই হাত তুলে (প্রার্থনা করে), তখন তিনি তার হাত শূ
উত্তর : এমতাবস্থায় মুছাল্লী জামা‘আতের ছওয়াব পেয়ে যাবে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২২/২৪৩)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘কোন ব্যক্তি উত্তমরূপে ওযূ করে মসজিদে গিয়ে দেখতে পেল লোকেরা ছালাত আদায় করে ফেলেছে। এমতাবস্থায় মহান আল্লাহ তাকেও জামা‘আতে শামিল হয়ে
উত্তর : জেনেশুনে পূজার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার জন্য কোন কিছু বিক্রয় করা বা দান করা যাবে না। কারণ এটি অন্যায় কাজে সহায়তা করার শামিল। আর আল্লাহ বলেন, ‘নেকী ও তাক্বওয়ার কাজে তোমরা পরস্পরকে সাহায্য কর এবং গোনাহ ও সীমালংঘনের কাজে সহযোগিতা কর না’ (ম
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক। কারণ এ সময় মুছল্লী আল্লাহর যিম্মায় থাকে। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘ছয়টি এমন আমল রয়েছে, কোন মুসলমান যদি তার একটির উপরও আমলরত অবস্থায় মারা যায়, তবে আল্লাহ তার জান্নাতে প্রবেশ করানোর জন্য যিম্মাদার হবেন- (১) যে ব্যক্ত
উত্তর : মাগরিবের আযানের পর ছালাতের পূর্বে এরূপ আমল নিয়মিত করা যাবে না। কেননা রাসূল (ছাঃ) মাগরিবের আযানের পর ও ফরয ছালাতের পূর্বে দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করতে উৎসাহ দিতেন। রাসূল (ছাঃ) একদিন তিনবার নির্দেশনা দিয়ে বলেন, ‘তোমরা মাগরিবের পূর্বে
উত্তর : উক্ত বক্তব্য ভিত্তিহীন। কারণ মৃত্যুর পরে তার আমল বন্ধ হয়ে গেলেও তার জন্য কিছু নেক আমল আছে, যেগুলির ছওয়াব মাইয়েত পেতে থাকেন। জনৈকা মহিলা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার মা হঠাৎ মারা গেছেন। তিনি এভাবে মারা না গেলে ছাদাক্বা ও দান করে যেতেন।
উত্তর : কোন জান্নাতী ব্যক্তির একাধিক স্ত্রী জান্নাতী হ’লে সবাই উক্ত স্বামীর সাথে জান্নাতে থাকবে। পক্ষান্তরে একাধিক জান্নাতী স্বামীর অধিকারী জান্নাতী মহিলা তার সর্বশেষ স্বামীর সাথে জান্নাতে অবস্থান করবে। আবুদ্দারদা (রাঃ)-এর মৃত্যুর পর তাঁর বিধ
উত্তর : নারীদের হাতে মেহেদী ব্যবহারে বাধা নেই (আবূদাউদ হা/৪১৬৬)। তবে প্রচলিত নকশাদার মেহেদী ব্যবহারকারী নারী বাইরে গেলে ফেৎনার আশংকা রয়েছে। অতএব তার জন্য হাতে হাত মোযা ব্যবহার করাই কর্তব্য (তাফসীরে ইবনু কাছীর সূরা নূর ৩১ আয়াতের ব্যাখ্যা ৬/৪২; বিন ব
উত্তর : মসজিদে কোন স্থানকে নির্দিষ্ট করে নেওয়া শরী‘আতসম্মত নয়। আব্দুর রহমান বিন শিবল (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তিনটি কাজ করতে নিষেধ করেছেন। সিজদায় কাকের ন্যায় ঠোকর মারতে, হিংস্র প্রাণীর ন্যায় হাত বিছিয়ে দিতে এবং মসজিদের কোন স্থানকে নিজের জন্
উত্তর : মসজিদে অপ্রয়োজনীয় দুনিয়ারী কথা-বার্তা বলা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, অচিরেই এমন এক সময় আসবে যখন মানুষ মসজিদে বসে নিজেদের দুনিয়াবী কথাবার্তা বলবে। অতএব তোমরা এসব লোকদের গল্প-গুজবে বসবে না। আল্লাহ তা‘আলার এমন লোকের প্
উত্তর : স্ত্রী যদি মনে করে স্বামী জানতে পারলে মেনে নিবেন না, তাহ’লে দান করতে পারবে না। কারণ স্বামীর অনুমতি ছাড়া দান করা নিষেধ (তিরমিযী হা/৬৭০, সনদ হাসান; মিশকাত হা/১৯৫১; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৮/৪৭২)। সংসার ধ্বংসকর নয় এমন দান করা যাবে। আয়
উত্তর : মুছাফাহা করার পরে বুকে হাত দেয়া, হাতে চুমু দেয়া বা মাথা ঝুঁকানো ইত্যাদি করা যাবে না। বরং ছহীহ হাদীছ মোতাবেক পরস্পরে ডান হাত মিলিয়ে মুছাফাহা করাই যথেষ্ট। এর অতিরিক্ত কিছু গ্রহণযোগ্য নয় (বি. দ্র. ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) ২৭৬ পৃ.)।প্রশ্নকার
উত্তর : ছালাতের মধ্যে তাকবীর, রাক‘আত বা কোন কিছু নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশী হয়ে গেলে সহো সিজদা দিতে হবে। একবার রাসূল (ছাঃ) যোহরের ছালাত ৫ রাক‘আত আদায় করে সালাম ফিরালে মুছল্লীরা তাঁকে ভুল ধরিয়ে দেন। তখন তিনি সহো সিজদা আদায় করেন (বুখারী হা/
উত্তর : দো‘আ করার ঘটনাটি ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত (আর-রাহীক্ব পৃঃ ১২৬; ইবনু হিশাম ১/৪২০)। তবে এর সনদ যঈফ (ত্বাবারাণী, যঈফুল জামে‘ হা/১১৮২; সিলসিলা যঈফাহ হা/২৯৩৩; দ্রঃ সীরাতুর রাসূল (ছাঃ) ‘তায়েফ সফর’ অধ্যায়)।প্রশ্নকারী : আব্দুর রশীদ, রাজবাড়ী।
উত্তর : উক্ত বক্তব্য কুরআন-হাদীছ বা ইতিহাস দ্বারা প্রমাণিত নয় (ড. আব্দুল ওয়াহহাব আল-মাসীরী, মাওসূ‘আতুল ইয়াহূদ ওয়াল ইহূদীয়া ৫/২৯৩)।প্রশ্নকারী : মা‘ছূম বিল্লাহ, কোণাবাড়ি, গাযীপুর।
উত্তর : উক্ত উপায়ে অর্থ উপার্জন করা হালাল হবে না। কারণ এতে কেবল কাজের বিপরীতে পারিশ্রমিক দিচ্ছে না। বরং অর্থের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে অর্থ প্রদান করা হচ্ছে, যা টাকার বিনিময়ে অতিরিক্ত টাকা প্রদানের শামিল। আর এরূপ ব্যবসা ইসলামী শরী‘আতে হারাম 
উত্তর : আল্লাহ তা‘আলার কোন গুণবাচক নামের কাছে কোন কিছু চাওয়া যাবে না। বরং যিনি এই সকল ছিফাত বা গুণবাচক নামের মালিক তথা আল্লাহ তা‘আলার নিকট বা গুণবাচক নাম ধরে যাবতীয় প্রার্থনা করতে হবে। যেমন হে কালামের মালিক! হে ক্ষমতার মালিক! তুমি আমাকে ক্ষমা কর
উত্তর : ছালাতের ভিতরে পরকাল বা মৃত্যুর কথা স্মরণ করলে ছওয়াব কমবে না। বরং মনোযোগী হওয়ার জন্য অধিকহারে মৃত্যু ও পরকালকে স্মরণ করাই উত্তম। আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই সফলকাম হবে মুমিনগণ। যারা তাদের ছালাতে ভীত-বিনয়ী (মুমিনূন ২৩/১-২)। রাসূল (ছাঃ) বলেন,
উত্তর : বিদ্যুৎ, গ্যাস, ইন্টারনেট সহ দুনিয়ার সকল বস্ত্তর মূল মালিক আল্লাহ (রা‘দ ১৩/১৬)। আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত কোন কিছুই পাওয়া সম্ভব নয়। এজন্য এগুলোর নিয়মিত সরবরাহ পেতে তাঁর নিকটেই প্রার্থনা করতে হবে। আয়েশা (রাঃ) বলেন, ‘আল্লাহর নিকটে তোমরা সব
উত্তর : এরূপ কোন নির্দেশনা শরী‘আতে নেই। এটি কতিপয় বিদ্বানের বক্তব্য মাত্র (নববী, আল-মাজমূ‘ ২/২৩৩)। বরং মসজিদে ইমাম উপস্থিত থাকলে বা প্রবেশ করলে এবং সময় হয়ে গেলে মুছল্লীরা স্বাভাবিকভাবে কাতারবদ্ধ হয়ে দাঁড়াবে। রাসূল (ছাঃ) এরশাদ করেন, ‘যখন ছাল
উত্তর : সফরে ছালাত ক্বছর করা উত্তম (নিসা ৪/১০১; বুখারী হা/১১০২; মুসলিম হা/৬৮৯; মিশকাত হা/১৩৩৮)। তবে মুক্বীম-মুসাফির উভয় অবস্থাতেই জামা‘আতে ছালাত আদায় করা ওয়াজিব (বুখারী হা/৬১৮; আহমাদ হা/১৮৬২; ছহীহাহ হা/২৬৭৬; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৫/
উত্তর : সুনির্দিষ্টভাবে কুরআন বা ছহীহ হাদীছে আদম (আঃ) থেকে মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর মাঝের ব্যবধান বর্ণিত হয়নি। সেজন্য সুনির্দিষ্টভাবে বলা যাবে না যে, এত বছর পূর্বে মানব সৃষ্টির সূচনা হয়েছে। তবে কোন কোন নবী-রাসূলের আগমনের ব্যবধান সম্পর্কে কিছু হাদীছ পা
উত্তর : সাধারণভাবে রং ফর্সা বা উজ্জ্বলকারী ক্রীম ব্যবহারে কোন দোষ নেই। কেননা তা মৌলিক সৃষ্টিগত পরিবর্তন নয়। তবে এজন্য কোনরূপ প্রতারণার আশ্রয় নেয়া যাবে না।প্রশ্নকারী : হাবীবা আখতার, ঢাকা।
উত্তর : ভালো মেয়ে বা ছেলে খুঁজে দেওয়া এবং উভয় পরিবারের মধ্যে সমন্বয় সাধন করার বিনিময়ে মজুরী নেওয়া যাবে। কারণ ইসলামী শরী‘আতের মূলনীতি সম্পর্কে আল্লামা শানকীত্বী বলেন, বৈধ উপকার প্রদানের বিনিময়ে মজুরী গ্রহণ করা জায়েয হওয়ার ব্যাপারে বিদ্বানগণের ঐক্
উত্তর : সূরা ফাতিহা ব্যতীত ইমামের অন্য সূরা পাঠকালীন মুছল্লীরা মনোযোগ সহকারে ইমামের তেলাওয়াত শুনবে (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১১/২২১, ২৩৪)। কারণ আল্লাহ বলেন, আর যখন কুরআন পাঠ করা হয়, তখন তোমরা তা মনোযোগ দিয়ে শোন এবং চুপ থাকো, যাতে তোমরা অনুগ্
উত্তর : বক্তব্যটি সঠিক। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘তোমরা ভূ-সম্পত্তি অর্জনে মগ্ন হয়ো না। কেননা তা তোমাদেরকে দুনিয়ার পিছনে লিপ্ত করে ফেলবে (তিরমিযী হা/২৩২৮; মিশকাত হা/৫১৭৮ ‘রিক্বাক্ব’ অধ্যায়)। এখানে الضَّيْعَةَঅর্থ ভূ-সম্পত্তি, বাগ-বাগি
উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা অনর্থক কোন কিছুই সৃষ্টি করেননি (আলে ইমরান ৩/১৯১)। সুতরাং সাপের মধ্যেও উপকারিতা রয়েছে। এক্ষণে যদি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সাপ লালন-পালন করে উপকৃত হওয়া যায় তাহ’লে তা পালনে কোন দোষ নেই (ইবনু হুমাম, ফাৎহুল ক্বাদীর ৭/১
উত্তর : সূরা মুলক পাঠের অনেক ফযীলত রয়েছে। যেমন রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, কুরআনে একটি সূরা আছে যাতে ত্রিশটি আয়াত আছে। যেটি তার পাঠকারীর পক্ষে সুফারিশ করবে এবং তার সুফারিশেই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে। সেটি হ’ল সূরা মুল্ক (ত্বাবারাণী আওসাত্ব হা
উত্তর : বাড়িতে জামা‘আতে ছালাত আদায় করলে জামা‘আতের নেকী পাওয়া যাবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, একাকী ছালাত আদায়কারীর চেয়ে জামা‘আতে ছালাত আদায়কারী ২৭ গুণ বেশী নেকী পাবে’ (বুখারী হা/৬৪৫; মুসলিম হা/৬৫০; মিশকাত হা/১০৫২)। তবে মসজিদে আদায়ের নেকী পাওয়া যাবে
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে পশু থেকে রক্ত প্রবাহিত করা হয় এবং তাতে আল্লাহর নাম স্মরণ করা হয়, তা থেকে তোমরা খাও’ (বুখারী হা/২৫০৭; মিশকাত হা/৪০৭১)। হুলকূম ও মারী অর্থাৎ দুই পাশের দড়া শিরা সহ শ্বাসনালী ও খাদ্যনালী কেটে ফেলার মাধ্যমেই পশু যবে
উত্তর : কুরআন ভুলে যাওয়া মন্দ কাজ। বিশেষতঃ অলসতা বশতঃ এরূপ হলে তা আরো নিন্দনীয়। আবুল ‘আলিয়া (রহঃ) বলেন, আমরা কোন ব্যক্তির কুরআন শিক্ষার পর তা থেকে চোখ ফিরিয়ে রাখার কারণে ভুলে যাওয়াকে বড় পাপ হিসাবে গণ্য করতাম’। ইবনু সীরীন বলেন, কেউ কুরআন ভুল
উত্তর : নার্সিং একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশা। এর মাধ্যমে মানব সেবা করার উত্তম সুযোগ পাওয়া যায়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় সেই ব্যক্তি যে মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশী উপকারী (ত্বাবারাণী কাবীর হা/৩৬৬৪৬; ছহীহাহ হা/৯০৬)। সাধারণভাবে পুরুষ
উত্তর : এটি বাংলাদেশের মডার্ণ হারবাল নামক একটি খাদ্যপণ্য প্রস্ত্ততকারী কোম্পানীর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। যেটি আমাদের জানা মতে এমএলএম পদ্ধতিকে ব্যবসা করে। আর এমএলএম পদ্ধতির সকল ব্যবসা সরকারীভাবে নিষিদ্ধ। পিরামিড স্কীম, নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা এমএলএম যে ন
উত্তর : আল্লাহ তা‘আলার কোন বিধান বা রাসূল (ছাঃ)-এর নির্দেশনা বিনা শর্তে মেনে নেওয়াই মুমিনের বৈশিষ্ট্য। আল্লাহ তা‘আলার প্রতিটি নির্দেশনার পিছনে হিকমত রয়েছে। তবে শরী‘আতে সবগুলোর হিকমত বর্ণনা করা হয়নি। রাসূল (ছাঃ) নারীদের যে দু’টি ঘাটতির কথা বলেছেন
উত্তর : উক্ত মর্মে কোন চিকিৎসা কুরআন বা হাদীছে পাওয়া যায় না। তবে সেটি বিপজ্জনক সময় হিসাবে ঐ সময় দো‘আ কবুল হয় (নমল ২৭/৬২)। আল্লাহ বলেন, ‘আর আমরা কুরআন নাযিল করি, যা বিশ্বাসীদের জন্য আরোগ্য ও রহমত স্বরূপ’ (ইসরা ১৭/৮২)। এক্ষণে কুরআনের কোন
উত্তর : অসম্মান হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে আল্লাহর যিকির সম্বলিত পোস্টার মানুষকে স্মরণ করানোর উদ্দেশ্যে নিরাপদ স্থানে টাঙিয়ে রাখায় কোন দোষ নেই। বরং নিজেকে বা অন্য মানুষকে স্মরণ করানোর জন্য দো‘আ, যিকির বা গুরুত্বপূর্ণ হাদীছ বা আয়াত বা আয়াতের অর্থ নি
উত্তর : এটা বিদ‘আত হিসাবে গণ্য হবে। কারণ রাসূল (ছাঃ)-এর কবর যিয়ারত হজ্জের কোন অংশ নয়। তবে মসজিদে নববী যিয়ারতে গিয়ে রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরামের কবর যিয়ারত ও সালাম দেওয়া মুস্তাহাব। অনুরূপভাবে মদীনার অদূরে মসজিদে ক্বোবায় দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করা
উত্তর : নারীদের জন্য ছালাতরত অবস্থায় মুখমন্ডল খোলা রাখা কর্তব্য। তবে গায়ের মাহরাম পুরুষ উপস্থিত থাকলে বা পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সম্ভাবনা থাকলে মুখমন্ডল ঢেকে ছালাত আদায় করতে পারে (বায়হাক্বী হা/৮৮৩২; ইরওয়া হা/১০২৩; মিশকাত হা/২৬৯০, ইবনু ক
উত্তর : চুরি করা কবীরা গুনাহ (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/১৮)। যা তওবা ব্যতীত মাফ হবে না (নিসা ৪/৩১)। সেই সাথে এটি বান্দার হকের অন্তর্ভুক্ত। তাই তওবার কবুলের জন্য অবশ্যই চুরিকৃত সম্পদ মালিককে ফেরৎ দিতে হবে। এক্ষণে চুরিকৃত জিনিসপত্র মজুদ না থাকলে
উত্তর : এগুলি ভিত্তিহীন। তবে আল্লাহ বলেন, ‘আমরা কুরআন নাযিল করেছি। যা বিশ্বাসীদের জন্য আরোগ্য ও রহমত স্বরূপ’ (ইসরা ১৭/৮২)। এক্ষণে কোন সৎব্যক্তি কুরআনের আয়াত দিয়ে শিরকমুক্ত কোন আমল করলে তা থেকে তিনি উপকার পেতে পারেন।প্রশ্নকারী : ছাবিবর খান,&
উত্তর : ছালাত চলাকালে কোন মুছল্লী কাতার থেকে বের হয়ে গেলে সে স্থান পূরণ করা মুস্তাহাব। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কাতারের ফাঁকা স্থান পূর্ণ করবে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি গৃহ নির্মাণ করবেন এবং তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দিবেন’ (ছহীহাহ হা
উত্তর : দুধ ভাইয়ের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া যাবে না। কারণ দুধ ভাই মাহরামের অন্তর্ভুক্ত। রাসূল (ছাঃ) ও তাঁর চাচা হামযা (রাঃ) একই মায়ের দুধপান করেছিলেন। সেকারণ হামযার মেয়ের সাথে রাসূল (ছাঃ)-এর বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হ’লে তিনি বলেন, সে আমার জন্য
উত্তর : সন্ধ্যার পর কিছু সময় জিন-শয়তানরা বাইরে ঘোরাফেরা করে। এজন্য তাদের অপপ্রভাব থেকে শিশুদের রক্ষার উদ্দেশ্যে এ সময়ে তথা মাগরিব থেকে এশার ওয়াক্ত শুরু হওয়া পর্যন্ত শিশুদের বাইরে নিয়ে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, তোমরা তোমাদের গৃহপালি
উত্তর : উক্ত ছালাত সঠিক হয়েছে। ইমাম শাওকানী বলেন, ওয়াজিব তরক হ’লে ‘সিজদায়ে সহো’ ওয়াজিব হবে এবং সুন্নাত তরক হ’লে ‘সিজদায়ে সহো’ সুন্নাত হবে (শাওকানী, আস-সায়লুল জাররা-র ১/২৭৪ পৃ.)। প্রশ্নে বর্ণিত অবস্থায় ভুলক্রমে সিজদা একটি বেশী হয়ে গেছে। এমতা
উত্তর : ছালাতরত অবস্থায় ইস্তিহাযার রক্ত বের হ’লেও ছালাতের কোন ক্ষতি হবে না। ফাতেমা বিনতে আবু হুবাইশ রাসূল (ছাঃ)-কে বললেন, আমার রক্তস্রাব হ’তেই থাকে এবং আমি কখনো পবিত্র হ’তে পারি না। আমি কি ছালাত ছেড়ে দিব? তিনি বলেন, না। এটা হায়েযের রক্ত নয় বরং এ
উত্তর : যাবে। কেননা বিশেষ দিনের ছিয়াম যেমন আরাফা বা আশূরার ছিয়াম, ক্বাযা বা মানতের ছিয়াম বা অভ্যাসগত ছিয়াম ইত্যাদি কারণে জুমআ‘র দিন ছিয়াম পালনে বাধা নেই (নববী, আল-মাজমূ‘ ৬/৪৩৭; ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৩/১৭০)।প্রশ্নকারী : আনাস, লক্ষ্মীপুর,&
উত্তর : ফেরেশতাগণের নামে সন্তানের নাম রাখা যায়। অধিকাংশ বিদ্বান নবী-রাসূল ও ফেরেশতাগণের নামে নাম রাখাকে জায়েয বলেছেন (নববী, আল-মাজমূ‘ ৮/৪৩৬; বাহুতী, কাশশাফুল কেনা‘ ৩/২৭)। তবে এর পরিবর্তে সুন্দর ও অর্থপূর্ণ নাম বা ‘আব্দ’ যুক্ত নাম রাখা উত্তম
উত্তর : উক্ত পদ্ধতি শরী‘আত সম্মত নয়। বরং প্রত্যেক মসজিদে ওয়াক্ত হ’লে পৃথক পৃথক মুয়াযযিন আযান দিবে এবং ছালাত আদায় করবে। সমকালীন বিদ্বানগণ অধিকাংশই এরূপ আযানকে নাজায়েয সাব্যস্ত করেছেন (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৫/৬২, ৬/৬৯; উছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন
উত্তর : উক্ত দো‘আটি ছানা হিসাবে তাকবীরে তাহরীমার পর পড়া যাবে (মুসলিম হা/৭৭১; মিশকাত হা/৮১৩)। এটাকে এদেশে ‘জায়নামাযের দো‘আ’ বলা হয়, যা তাকবীরে তাহরীমার পূর্বে পাঠ করা হয়। যা ভুল।প্রশ্নকারী : আল-আমীন, পোতাহাটী, ঝিনাইদহ।
উত্তর : যে কোন নেককার মৃত মুসলিম ব্যক্তির নামের শেষে ‘রহেমাহুল্লাহ’ (আল্লাহ তার প্রতি দয়া কর) বলা যাবে। এটি বান্দার জন্য অপর বান্দার দো‘আ। তবে ইসলামী পরিভাষায় সকল নবীর নামের শেষে ‘আলাইহিস সালাম’ (আঃ) বলা হয়। কিন্তু শেষনবীর নামের শেষে ‘ছাল্লাল
উত্তর : নখ লম্বা রাখা যাবে না। এটি নবীগণের সুন্নাতের বিরোধী। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, মানুষের স্বভাবগত আমল হ’ল ৫টি (১) নাভির নীচের লোম ছাফ করা (২) খাৎনা করা (৩) গোফ ছেঁটে ফেলা (৪) বগলের লোম ছাফ করা (৫) নখ কাটা (বুখারী হা/১২৫৭)। অনেকে বগলের লোম
উত্তর : ইসলামী আদালত কর্তৃক উক্ত দন্ড কার্যকর হ’লে পরকালীন শাস্তির জন্য তা কাফফারা হয়ে যাবে (বুখারী হা/১৮; মুসলিম হা/১৭০৯; মিশকাত হা/১৮)।প্রশ্নকারী : রূহুল আমীন, ফরিদপুর।
উত্তর : হজ্জ ও ওমরাহ উভয় ক্ষেত্রে মাথা মুন্ডন করা অথবা সমস্ত চুল খাটো করা ওয়াজিব (বুখারী হা/১৭২৯; মুসলিম হা/১৩০১; মিশকাত হা/২৬৩৬)। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর রাসূল-এর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছেন। তোমরা অবশ্যই মসজিদুল হারামে প্রবেশ করবে আল্লাহর
উত্তর : না। একথা সঠিক নয়। উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (আহমাদ হা/৮৭০২, সিলসিলা যঈফাহ হা/১৪৯৯-এর আলোচনা দ্রঃ)। আশূরার ছিয়াম ফেরাঊনের কবল থেকে নাজাতে মূসা (আঃ)-এর শুকরিয়া হিসাবে মূসা, ঈসা ও মুহাম্মাদী শরী‘আতে পালিত হয় (বুখারী হা/৪৭৩৭; মুসলিম হা/১১৩০)।
উত্তর : এক্ষেত্রে উক্ত নারী অত্যাচারিতা ও নিরপরাধ হিসাবে গণ্য হবে। জনৈক পুরুষ একজন নারীকে ধর্ষণ করলে তাদেরকে উভয়কে রাসূল (ছাঃ)-এর নিকটে আনা হ’লে তিনি মহিলাকে বললেন, তুমি চলে যাও। আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করুন। অতঃপর তিনি ঐ ধর্ষণকারী পুরুষকে রজম কর
উত্তর : একথা সঠিক। মুমিনের রোগ-ব্যাধি হ’লে সেটি তার গুনাহের কাফফারা হয়। যেমন (১) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘কোন মুসলমানের কোন বিপদাপদ, রোগ-ব্যাধি, দুশ্চিন্তা-দুর্ভাবনা, দুঃখ-কষ্ট হয় না, এমনকি তার দেহে কোন কাঁটাও বিদ্ধ হয় না, যার দ্বারা আল্লাহ ত
উত্তর : কারো কল্যাণের জন্য ছিয়াম বা ছালাত আদায় করা যাবে না (মুওয়াত্ত্বা হা/১০৬৯, মিশকাত হা/২০৩৫)। বরং প্রিয় ব্যক্তিদের কল্যাণের জন্য দো‘আ করতে হবে। আর এ দো‘আ ‘ছালাতুল হাজত’ শেষেও করা যায়। আল্লাহ বলেন, তোমরা ছবর ও ছালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থ
উত্তর : এক্ষেত্রে কিছুই করণীয় নেই। এজন্য কোনরূপ ছাদাক্বা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আর যেসব স্বপ্ন ব্যাখ্যাসাপেক্ষ নয়, সেগুলি মনের কল্পনা মাত্র। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, মানুষের স্বপ্ন তিন ধরনের হয়ে থাকে (ক) ভাল স্বপ্ন, যা আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদ ব
উত্তর : অধিক গ্রহণযোগ্য মত অনুযায়ী কর্মচারী যে অনুপাতে কাজ করবে সে অনুপাতে মজুরী পাবে। তবে কর্মচারী যদি গ্রহণযোগ্য কারণ ব্যতীত ও মালিকের অনুমতি ব্যতীত চুক্তি অনুযায়ী পূর্ণ দিবস কাজ না করে এবং তাতে মালিকের ক্ষতি হয়, তাহ’লে কর্মচারীকে ক্ষতিপূরণ
উত্তর : চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ক্ষতির আশংকা না থাকলে হায়েয বন্ধের জন্য ওষুধ সেবন করতে পারে। জনৈক মহিলা ওষুধ সেবন করে হায়েয বন্ধ করার ব্যাপারে ইবনু ওমর (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, এতে কোন দোষ নেই (মুছান্নাফ আব্দুর রাযযাক হা/১২১৯-২০ কাশশা
উত্তর : উক্ত হাদীছের ব্যাখ্যা এবং বিজ্ঞানের ব্যাখ্যার মধ্যে কোন বিরোধ নেই। কারণ দায়িত্বে নিয়োজিত ফেরেশতারা বিচ্ছিন্ন মেঘমালাকে একত্রিত করার জন্য আগুনের চাবুক দিয়ে আঘাত করে তখন যে চার্জ সৃষ্টি হয় তাতেই গর্জন ও আলো বিচ্ছুরিত হয়। আবার ফেরেশতারা
উত্তর : প্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরিকল্পনা, কমিটি গঠন, যৌথ হিসাব খুলে ও ছক নির্ধারণ করে দ্বীনী খেদমতের উদ্দেশ্যে অর্থ আদায় করা যায়। তবে যাকাতের টাকা জমা রাখা যাবে না। কারণ এর নির্ধারিত খাত রয়েছে।প্রশ্নকারী : ইউনুস আকন্দ, ক্যান্টনমেন্ট, রাজ
উত্তর : মহিলারা কোন সুগন্ধি বা সুগন্ধিযুক্ত তেল ব্যবহার করে বাইরে বের হ’তে পারবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, জেনে রাখো যে, পুরুষদের খোশবূ এমন যাতে সুগন্ধি আছে, রং নেই। আর নারীদের খোশবূ এমন যাতে রং আছে, সুগন্ধি নেই’ (তিরমিযী, নাসাঈ, মিশকাত হা/৪৪
উত্তর : এজন্য স্ত্রীকে অধিকহারে নছীহত করবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা নারীদেরকে উত্তমভাবে নছীহত কর। কেননা তাদেরকে পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর পাঁজরের হাড়গুলোর মধ্যে উপরের হাড়টি বেশী বাঁকা। যদি তুমি তা সোজা করতে যাও, তাহ’লে তা ভেঙ্গে
উত্তর : পেশাবে সিক্ত বিছানা ভালোভাবে শুকিয়ে যাওয়ার পর তাতে শয়ন করলে কাপড় বা দেহ নাপাক হবে না (ছালেহ ফাওযান, আল-মুনতাক্বা ৪৮/১৮; ফাতাওয়াল মারআতিল মুসলিমাহ ১/১৯৪)। কিন্তু নাপাক বিছানায় শুয়ে ঘেমে গেলে এবং পেশাবযুক্ত বিছানাকে সিক্ত করলে দেহ নাপাক হবে (হা
উত্তর : স্ত্রীর প্রতি স্বামীর হক আছে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ... তোমার উপর তোমার স্ত্রীর হক আছে। অতএব প্রত্যেক হাকদারকে তার প্রাপ্য হক প্রদান কর’ (বুখারী হা/১৯৭৫, ৬১৩৯)। স্ত্রীর হক আদায় না করার কারণে স্বামী গুনাহগার হবেন। তবে স্বামী তার স্ত্রীর সম
উত্তর : বিবাহ করা সুন্নাত। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘হে যুবকেরা! তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি বিবাহ করার ক্ষমতা রাখে, সে যেন বিবাহ করে। কেননা এটা তার দৃষ্টিকে অবনমিত রাখে এবং লজ্জাস্থানের হেফাযত করে। আর যে ব্যক্তি বিবাহ করতে অক্ষম, সে যেন ছিয়াম পালন করে
উত্তর : সন্তানের পাপের ভার পিতা-মাতাকে বহন করতে হবে না। আল্লাহ বলেন, ‘একের পাপের বোঝা অন্যে বহন করবে না’ (আন‘আম ৬/১৬৪)। বিদায় হজ্জের ভাষণে রাসূল (ছাঃ) বলেন, সাবধান! অপরাধী তার অপরাধের দ্বারা নিজেকেই দায়বদ্ধ করে। পিতার অপরাধে পুত্রকে এবং পুত্রের অ
উত্তর : জুম‘আর খুৎবা শ্রবণ করা যেমন ওয়াজিব, তেমনি মসজিদে প্রবেশ করে বসার পূর্বে দু’রাক‘আত তাহিয়াতুল মসজিদ আদায় করাও গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত। তাই জনৈক ব্যক্তি খুৎবা চলাকালীন সময়ে মসজিদে প্রবেশ করলে রাসূল (ছাঃ) তাকে সংক্ষেপে দু’রাক‘আত ছালাত আদায় ক
উত্তর : দো‘আ ও ছাদাক্বার মাধ্যমে জটিল রোগের চিকিৎসা গ্রহণ করা যায়। নবী-রাসূল ও সালাফে ছালেহীন দো‘আর মাধ্যমে বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসা নিতেন। যেমন হযরত আইয়ূব (আঃ) দীর্ঘ দিন রোগাক্রান্ত থাকার পর আল্লাহর নিকট দো‘আ করে বলেন, (রাবিব ইন্নী মাস্সান
উত্তর : একাকী নির্জন ঘরে থাকার সময়ও বিনা কারণে সতর খুলে রাখা ঠিক নয় (মুসলিম হা/৩৪১; মিশকাত হা/৩১২২)। তবে স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের সামনে সতর উন্মুক্ত রাখতে পারে (মুমিনূন ২৩/৫-৬; বুখারী হা/২৯৯-৩০০)। বাহয বিন হাকীম তাঁর দাদার সূত্রে বর্ণনা করেন, একদা তি
উত্তর : এশার ছালাতের পরে দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করা সুন্নাতে মুওয়াক্কাদা (বুখারী হা/১১৬৫; মুসলিম হা/৭২৮; মিশকাত হা/১১৫৯)। এরপরে বাড়িতে গিয়ে কেউ চাইলে চার রাক‘আত নফল ছালাত আদায় করতে পারে (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ২/৯৬)। উল্লেখ্য যে, এই চার রাক‘আত ছালাত বিশ
উত্তর : ওশর হ’ল ফসলের যাকাত। সুতরাং যে ব্যক্তি ফসল উৎপন্ন করবে তা নিছাব পরিমাণ হ’লে তাকে ফসলের ওশর বা নিছফে ওশর দিতে হবে। চাই তা ভাড়া জমি থেকে হোক বা নিজের জমি থেকে হোক (বাক্বারাহ ২/২৬৭; আন‘আম ১৪১; ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৩/৩০)। কেবল বৃষ্টির পানিতে
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) স্ত্রীদের ঘরের বিভিন্ন কাজে সহায়তা করতেন। আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) গৃহস্থালির কাজ করতেন। অর্থাৎ স্ত্রীর কাজে সহযোগিতা করতেন। অতঃপর আযান হ’লে তিনি ছালাতের জন্য বেরিয়ে যেতেন (বুখারী হা/৬৭৬; মিশকাত হা/৫৮১৬)। হযরত আয়েশা (রা
উত্তর : পাত্র পাত্রীর মুখমন্ডল, কব্জি সহ দুই হাত ও গোড়ালী সহ দুই পা দেখতে পারে। এভাবে পাত্রীও পাত্রকে দেখতে পারে (ইবনু রুশদ, বেদায়াতুল মুজতাহিদ ৩/৩১)। এছাড়া উভয়ে উভয়কে যেকোন বৈধ মাধ্যমে যাচাই করতে পারে (আলবানী, ছহীহাহ হা/৯৯)।প্রশ্নকারী : মুস্তাক্বীম
উত্তর : আল্লাহর নিকট থেকে কল্যাণ ইঙ্গিত প্রার্থনার জন্য যে নফল ছালাত আদায় করা হয়, তাকে ‘ছালাতুল ইস্তেখারাহ’ বলা হয়। কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থায় কোন্ শুভ কাজটি করা মঙ্গলজনক হবে, সে বিষয়ে আল্লাহর নিকট থেকে ইঙ্গিত পাওয়ার আশায় বিশেষভাবে এই ছালাত আদায়
উত্তর : এমন কাজ করা পিতার জন্য জায়েয হবে না। বরং সন্তানদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। কেউ যদি তার সম্পদ দান করতেও চায় তাহ’লে সে তার সম্পদের সর্বোচ্চ এক-তৃতীয়াংশ দান করতে পারবে। জনৈক ছাহাবীকে রাসূল (ছাঃ) বলেন, এক-তৃতীয়াংশ অছিয়ত করতে পার। আর এক-তৃতীয়
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) থেকে বর্ণিত দো‘আ পাঠের পর আরবীতে অতিরিক্ত দো‘আ পাঠ করা যায় (নববী, আল-মাজমূ‘ ৩/৪৯৭; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ক্রমিক ৭৭৮, ১৪/১৩৭ পৃ.)। ছাহাবীগণ বিতরের কুনূতে অতিরিক্ত দো‘আ পাঠ করেছেন (আল-আদাবুল মুফরাদ হা/৬৯৯; ছহীহ ইবনু খুযায়মাহ হা/১১
উত্তর : যবহকৃত হালাল পশুর চামড়া, পা ইত্যাদি হালাল অংশ কেউ চাইলে রান্না করে খেতে পারে। কেননা আল্লাহ বলেন, ‘তুমি বলে দাও, আমার নিকট যা অহি করা হয়েছে, তাতে ভক্ষণকারীর জন্য আমি কোন খাদ্য হারাম পাইনি যা সে ভক্ষণ করে, কেবল মৃত প্রাণী, প্রবাহি
উত্তর : উক্ত বর্ণনাটি বানোয়াট বা জাল (আলবানী, যঈফাহ হা/৩১১৩; যঈফুল জামে‘ হা/১৬৮২)।প্রশ্নকারী : আবেদ আলী, বিরামপুর, দিনাজপুর।
উত্তর : একজন আলেমের মধ্যে ন্যূনতম নিম্নোক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো থাকলে তার নিকট থেকে ইলম অর্জন করা বা ফৎওয়া নেওয়া যাবে। (১) আল্লাহভীরু হওয়া (২) দলীল সহকারে দ্বীনের সঠিক জ্ঞান ও বুঝ থাকা (৩) কুরআন ও ছহীহ হাদীছে বর্ণিত সিদ্ধান্তের কাছে নিরংকুশভাবে আত্
উত্তর : সাধারণভাবে পেশাব-পায়খানারত অবস্থায় কথা বলা অপসন্দনীয়। সে হিসাবে মোবাইলেও কথা বলা থেকে বিরত থাকবে (নববী, আল -মাজমূ‘ ২/৮৮; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ১০/৩৪)। তবে যরূরী কোন কারণ দেখা দিলে বা প্রয়োজন পূরণরত অবস্থায় না থাকলে মোবাইলে বা সরাসরি কথা বলা
উত্তর : এক বৈঠকে তিন তালাক এক তালাক গণ্য হয় (মুসলিম হা/১৪৭২; আহমাদ হা/২৮৭৭; হাকেম হা/২৭৯৩)। কাজেই কেউ তার স্ত্রীকে এক বৈঠকে তিন তালাক দিলে সে স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে পারে। ইদ্দতের (তিন তোহরের) মধ্যে হ’লে স্বামী সরাসরি স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেবে। ইদ্দত প
উত্তর : সঙ্গত কারণেই খোলাফায়ে রাশেদীন থেকে বর্ণিত হাদীছের সংখ্যা কম। প্রথমতঃ তারা খেলাফত, যুদ্ধ ও উম্মতের যরূরী বিষয়গুলো নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে হাদীছ শ্রবণ ও বর্ণনায় মনোযোগ দিতে পারেননি। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, লোকেরা বলে, আবু হুরায়রা (রাঃ) বড়
উত্তর : কুরআন তেলাওয়াতের কতিপয় আদব হ’ল পবিত্রতা অর্জন করা (আবুদাঊদ হা/১৭; নাসাঈ হা/৩৮; মিশকাত হা/৪৬৭; ছহীহাহ হা/৮৩৪)। মিসওয়াক করা (ইবনু মাজাহ হা/২৯১; ছহীহাহ হা/১২১৩)। ক্বিবলামুখী হওয়া (আলে ইমরান ৩/১৯১)। তেলাওয়াতের শুরুতে আঊযুবিল্লাহ ও বিসমিল্লা
উত্তর : রক্ত গ্রহণ বা প্রদান কাউকে মাহরাম সাব্যস্ত করে না। অতএব কাউকে রক্ত দান করে থাকলে তা বিবাহ বন্ধনের জন্য প্রতিবন্ধক হবে না (শায়খ বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ২০/২৮৫-৮৬)।প্রশ্নকারী : খায়রুল ইসলাম, সরাইল, বি-বাড়িয়া।
উত্তর : উক্ত জঘন্য কাজের জন্য শ্বশুর কবীরা গুনাহগার হবেন। রাসূল (ছাঃ) বলেন, হাতের যেনা হ’ল স্পর্শ করা (মুসলিম হা/২৬৫৭, মিশকাত হা/৮)। তিনি বলেন, কোন ব্যক্তির জন্য কোন নারীকে অবৈধভাবে স্পর্শ করার চেয়ে তার মাথায় লৌহ সুচ দ্বারা খোঁচা খাওয়া বরং উত্তম (ত্ব
উত্তর : আমলে বড় শিরক থাকলে তার ঈমান ও আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে এবং বড় শিরকে লিপ্ত ব্যক্তি তওবা না করে মৃত্যুবরণ করলে চিরস্থায়ীভাবে জাহান্নামী হবে। যেমন আল্লাহর ইবাদতে শিরক করা ইত্যাদি। আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে তাঁর সাথে ক
উত্তর : বিবাহের উদ্দেশ্যে মেয়ের অভিভাবকের সম্মতিক্রমে কেবলমাত্র পাত্র তার প্রস্তাবিত পাত্রীকে দেখতে পারে। পাত্র ব্যতীত কোন গায়ের মাহরাম পুরুষ পাত্রী দেখতে পারবে না। তবে পরিবেশ বা আনুসঙ্গিক বিষয় সমূহ দেখার জন্য অভিভাবকগণ খোঁজ-খবর নিতে পারবেন এ
উত্তর : প্রতি পরিবারের পক্ষ থেকে একটি পশু কুরবানী করাই সুন্নাতসম্মত। কেননা প্রতি বছর ঈদুল আযহাতে একটি পশু কুরবানী করাই রাসূল (ছাঃ)-এর সাধারণ নির্দেশনা (বুখারী হা/৭২১০; আবুদাঊদ হা/২৭৮৮ প্রভৃতি; মিশকাত হা/১৪৭৮; মির‘আত হা/১৪৯২, ৫/১১৪ পৃ.)। শরীকা
উত্তর : উক্ত প্রতিষ্ঠান যদি বৈধ ব্যবসার সাথে যুক্ত থাকে, তবে সেখানে চাকরী করা হারাম নয়। তবে দায়িত্বশীল হিসাবে কর্তব্য হবে মালিককে সূদী লেনদেন থেকে বিরত রাখার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা। কেননা সূদী ঋণ গ্রহণ করে তিনি অপরাধ করেছেন (উছায়মীন, লিকাউ
উত্তর : এতে স্বামীর সম্মতি থাকলে কোন বাধা নেই। হযরত সাওদা বিনতে যাম‘আ (রাঃ) শারীরিক সম্পর্ক না রাখার শর্তে রাসূল (ছাঃ)-এর স্ত্রী হিসাবে থাকতে চাইলে তিনি তাতে সম্মতি দেন (আবুদাউদ হা/২১৩৫; ছহীহাহ হা/১৪৭৯)। অতএব অসুস্থতার কারণে উভয়ের সম্মতিতে এই ধ
উত্তর : গোঁফ ছাঁটাই সুন্নাত। আয়েশা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘দশটি বিষয় হ’ল স্বভাবের অন্তর্ভুক্ত। তার মধ্যে গোঁফ ছাঁটা অন্যতম’ (মুসলিম হা/২৬১; মিশকাত হা/৩৭৯ ‘পবিত্রতা’ অধ্যায়)। আর চল্লিশ দিনের অধিক গোঁফ না ছেঁটে রাখা যাবে না (মুসলিম হা/
উত্তর : যেকোন সূরা বা দো‘আ পাঠ করে পানিতে ফুঁক দিয়ে সে পানি চিকিৎসা হিসাবে পান করা যাবে। এটি সূরা বা দো‘আর বরকত হিসাবে গণ্য হবে, ব্যক্তির ফুঁকের বরকত হিসাবে নয় (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৮/৯৪; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৭/৬৭, ১/১০৭-৮; আব্দুল মুহসিন
উত্তর : স্বামীকে খুশী করার জন্য নিজের বাড়িতে স্ত্রী এরূপ পোষাক পরিধান করতে পারে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২৪/৩৪)। কিন্তু বাড়ীতে অন্য কেউ থাকলে এরূপ পোষাক থেকে বিরত থাকা কর্তব্য। আর কপালে টিপ দেওয়া যাবে না। কারণ এটি হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি। প্রশ্নকারীঃ
উত্তর : যে সকল আয়াতের জবাব দেওয়ার ব্যাপারে ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। তা নিম্নরূপ-(১) সূরা আ‘লা-তে ‘সাবিবহিস্মা রবিবকাল আ‘লা’-এর জওয়াবে ‘সুবহা-না রবিবয়াল আ‘লা’ (মহাপবিত্র আমার প্রতিপালক, যিনি সর্বোচ্চ) (আহমাদ, আবূদাঊদ হা/৮৮৩, মিশকাত হা/৮৫৯)।(২) সূরা ক্
উত্তর : মোবাইল আসক্তি বর্তমান সময়ে নৈতিক অধঃপতনের অন্যতম বড় মাধ্যম। শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই মোবাইলের কোন না কোন এ্যাপস বা গেম নিয়ে ব্যস্ত থাকে। মোবাইল আসক্তি থেকে বাঁচতে প্রথমেই সময়ের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন হ’তে হবে। আল্লাহর দেওয়া নে‘মত এই সময়কে
উত্তর : যদি পিতামাতা কোন পাপের সূচনা করে যান এবং সন্তানেরা সেই পাপকর্ম করতে থাকে তাহ’লে সেই পাপের বোঝা পিতামাতাকে বহন করতে হবে। আল্লাহ বলেন, ‘ক্বিয়ামতের দিন ওরা পূর্ণমাত্রায় বহন করবে ওদের পাপভার এবং তাদের পাপভার যাদেরকে ওরা অজ্ঞতাবশে বিভ্রান্
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি খুবই যঈফ (আহমাদ হা/১৬০৭৫; ইরওয়া হা/১৯১২)। আর এটি আদৌ কোন সামান্য কারণ নয়। তাছাড়া বিবাহের বিষয়টি ব্যক্তিগত পসন্দ-অপসন্দের ব্যাপার। ইসলাম এক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী উভয়কে স্বাধীনতা দিয়েছে।প্রশ্নকারীঃ আবুল হোসাইন,&nb
উত্তর : ফরয গোসলই জুম‘আর জন্য যথেষ্ট হবে (নববী, আল-মাজমূ‘ ৪/৫৩৬)।প্রশ্নকারীঃ মাহদী হাসান, ঢাকা।
উত্তর : যার অলী নেই তার অলী হবে সরকার বা সরকার নিযুক্ত প্রতিনিধি বা আদালত (ইবনু মাজাহ হা/১৮৮০; মিশকাত হা/৩১৩১; ছহীহুল জামে‘ হা/৭৫৫৬)। অমুসলিম রাষ্ট্র হ’লে অলী হবে মুসলিম সংস্থা বা কোন ইসলামী প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা তার নিযুক্ত প্রতিনিধি। তবে অবশ্য
উত্তর : যেকোন ফরয ছালাতে কোন জাতীয় সমস্যার প্রতিকারার্থে কুনূতে নাযেলা পাঠ করা যায়। সুতরাং জুম‘আর ছালাতেও কুনূতে নাযেলা পাঠে বাধা নেই। তবে খুৎবায় দো‘আ পাঠের সুযোগ থাকায় জুম‘আর ছালাতে কূনূতে নাযিলা পাঠ করাকে অনেক বিদ্বান অপসন্দ করেছেন। অতএব জু
উত্তর : মোবাইল এ্যাপস বা টেলিভিশনের রেকর্ডকৃত আযান শ্রবণকালে আযানের জওয়াব দিতে হবে না। কেননা এগুলো মৌলিক আযান নয়। বরং সরাসরি আযান শোনার সময়ই কেবল জওয়াব দিতে হবে। আর একাধিক আযান শোনার ক্ষেত্রে যেকোন একটি আযানের জওয়াব দিলেই যথেষ্ঠ হবে (উছায়মীন,
উত্তর : এমতাবস্থায় হজ্জ আদায় হয়ে যাবে এবং এর জন্য কোন কাফ্ফারা দিতে হবে না। কেননা কেউ কারো পাপের বোঝা বহন করবে না (নাজম ৫৩/৩৮)। তবে অভিযুক্ত মু‘আল্লিমগণ কঠিন গুনাহের ভাগিদার হবেন। এটা একদিকে যেমন প্রতারণা, অন্যদিকে হজ্জের একটি ওয়াজিব বিধান লঙ্ঘন।
উত্তর : পোষা বা ক্রয় করা কোন পশুকে কুরবানীর জন্য নির্দিষ্ট করলে ও সেই মর্মে ঘোষণা দিলে তা আর বদল করা যাবে না। এটি ওয়াকফের মত। তবে যদি নির্দিষ্ট না করে থাকে, তাহ’লে তার বদলে উত্তম পশু কুরবানী দেওয়া যাবে। কোন কোন বিদ্বান উত্তম পশু ক্রয় করার লক্
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। কারণ কুরবানী দেওয়া সুন্নাত, ওয়াজিব নয় (ফাৎহুল বারী ১৬/৩; তুহফাতুল আহওয়াযী ৫/৭৯)। সামর্থ্য থাকলে অবশ্যই কুরবানী দিবে। নিছাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়া শর্ত নয়। রাসূল (ছাঃ) নিজেও নিছাবের মালিক ছিলেন না। অথচ তিনি একাধিক
উত্তর : পূর্ণ চেষ্টার পরেও যদি ক্বিবলা ভুল হয়ে যায়, তবে পুনরায় তা আদায় করতে হবে না। একদা কতিপয় ছাহাবী অন্ধকার রাতে কোন এক অজ্ঞাত স্থানে ছালাত আদায় করার সময় ভুলে ক্বিবলার বিপরীত দিকে ফিরে ছালাত আদায় করেন। অতঃপর তারা রাসূল (ছাঃ)-কে ঘটনাটি বর্ণন
উত্তর : ওযুর পরে সন্দেহ দূরীকরণের জন্য লজ্জাস্থান বরাবর পানি ছিটানো নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য মুস্তাহাব (আহমাদ হা/১৭৫১৫; মিশকাত হা/৩৬৬; নববী, আল-মাজমূ‘ ২/১১২)।প্রশ্নকারীঃ রফীকুল ইসলাম,পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
উত্তর : বিশ্রামের জন্য ব্যবস্থা করা কল্যাণের কাজ। ওমর (রাঃ) মসজিদে নববীর সামনে লোকদের খোশগল্প করার জন্য একটি বারান্দা নির্মাণ করে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তি অনর্থক কথা, কবিতা পাঠ কিংবা উচ্চ স্বরে কথা বলতে চায়, সে যেন ঐ স্থানে চলে যায়’
উত্তর : সর্বোচ্চ সতর্কতা ও তাক্বওয়া অবলম্বন করে কাজ করতে হবে। কারণ আল্লাহ তা‘আলা যেমন চক্ষু অবনমিত করার আদেশ দিয়েছেন, তেমনি রাসূল (ছাঃ) দ্বিতীয়বার কোন নারীর দিকে তাকাতে নিষেধ করেছেন (নূর ২৪/৩০; আবুদাঊদ হা/২১৪৯; মিশকাত হা/৩১১০)। অতএব বৈধ কাজ সতর
উত্তর : অজ্ঞতা বা ভুলবশতঃ অপবিত্র কাপড়ে ছালাত সম্পাদন করার পর অপবিত্রতার বিষয়টি স্মরণ হ’লে বিশুদ্ধ মতে পুনরায় ছালাত আদায় করতে হবে না। একদা রাসূল (ছাঃ) অপবিত্র লেগে থাকা জুতা পরে ছালাত আদায় করছিলেন। ছালাতের ভিতরে জিব্রাঈল (আঃ) বিষয়টি অবহিত করল
উত্তর : চারজন ছেলে সন্তান জন্মগ্রহণ করলে জনপ্রতি দু’টি হিসাবে আটটি ছাগল দ্বারা আক্বীকা করা সুন্নাত (আবুদাঊদ হা/২৮৩৪; মিশকাত হা/৪১৫২)। এক্ষণে পিতা-মাতার পক্ষে আটটি ছাগল আক্বীক্বা করার সামর্থ্য না থাকলে চার ছেলের পক্ষ থেকে চারটি ছাগল আক্বীক্বা করবে (আব
উত্তর : মসজিদের হেফাযত অর্থ তার সম্মানের হেফাযত। তার চার দেওয়ালের হেফাযত নয়। খোদ রাসূল (ছাঃ) কা‘বাগৃহকে ভেঙ্গে ইব্রাহীমী ভিতের উপরে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু করেননি (মুসলিম হা/১৩৩৩)। এতে বুঝা যায় যে, যেকোন কারণে মসজিদ ভাঙ্গা-গড়া হ’
উত্তর : অন্ধ ব্যক্তির জন্য আযান ও ইমামতিতে বাধা নেই। কারণ রাসূল (ছাঃ)-এর আমলে অন্ধ ছাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনু উম্মে মাকতূম (রাঃ) মসজিদে নববীতে ফজরের আযান দিতেন এবং রাসূল (ছাঃ) ও বড় বড় ছাহাবীগণের অনুপস্থিতিতে ইমামতি করেছেন (বুখারী হা/৬১৭; মিশকাত হা/
উত্তর : প্রথম তালাকটি একটি তালাক হিসাবে গণ্য হবে এবং পরবর্তী একই তোহরে প্রদত্ত দু’টি তালাক মূলতঃ এক তালাক হিসাবে গণ্য হবে (মুসলিম হা/১৪৭২; আহমাদ হা/২৮৭৭; হাকেম হা/২৭৯৩)। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, আবু রুকানা তার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর দারুণভাবে মর্
উত্তর : কোন ব্যক্তি খালেছভাবে হজ্জের নিয়ত করার পর মারা গেলে সে হজ্জের ছওয়াব পেয়ে যাবে (আহমাদ হা/১৮০৬০; ছহীহুত তারগীব হা/১৬)। তবে উক্ত ব্যক্তির উপর হজ্জ ফরয হয়ে গিয়েছিল এবং ইহরাম বাঁধার পূর্বে মারা যাওয়ায় তা পালনকৃত হজ্জ হিসাবে গণ্য হবে না। সুতরাং
উত্তর : যে সকল পাখির গোশত খাওয়া হালাল সে সকল প্রাণীর মলমূত্র অপবিত্র নয়। সুতরাং এ সকল প্রাণীর বিষ্ঠা কাপড়ে লেগে গেলে তাতে ছালাত আদায় করা যাবে। তবে বিষ্ঠা লেগে গেলে কাপড় ধুয়ে ফেলা কিংবা পানি ছিটিয়ে দেওয়া কর্তব্য। অপরদিকে যে সকল পাখির গোশত খাওয়
উত্তর : হাদীছটির অর্থ হ’ল- দুনিয়া তার অধিবাসীকে আল্লাহ থেকে বিমুখ করে রাখে। তাই দুনিয়াকে অভিশপ্ত বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। আর مَلْعُونٌ مَا فِيهَا অর্থ যারা আল্লাহর যিকর থেকে বিমুখ তারাও অভিশপ্ত। যে ব্যক্তি আল্লাহর আদেশ মান্য করে, নিষেধ বর্জন ক
উত্তর : উভয়ের মধ্যে কোন বৈপরীত্য নেই। বরং আল্লাহ তা‘আলা আদম (আঃ)-কে মাটির বিভিন্ন উপাদান দিয়ে তৈরী করেছেন এবং তার দেহে রূহ ফুঁকে দিয়েছেন (ছোয়াদ ৩৮/৭-৭২; হজ্জ ২২/৫; হিজ্র ১৫/২৬)। অতঃপর মানুষকে সেই আদমের পানি (বীর্য) থেকে এবং তাকে বিভিন্ন স্তরে
উত্তর : সাধারণভাবে পুরুষ-নারীর সংমিশ্রণ রয়েছে এমন প্রতিষ্ঠানে নারীর জন্য চাকুরী করা জায়েয নয়। কারণ এতে অনেক ধরনের ফিৎনার আশংকা রয়েছে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৭/৫৩; উছায়মীন, ফাতাওয়া ইসলামিয়া ৩/১০৩)। এক্ষণে বিকল্প না থাকলে বাধ্যগত অবস্থায় সাধ্যমত পর্দার
উত্তর : গোপনীয়তা পরিহার করে গ্রুপে মেয়েদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যায়। তবে সর্বাবস্থায় হৃদয়ের তাক্বওয়া ও ইসলামী পর্দা বজায় রাখতে হবে (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৪/২২৬)।প্রশ্নকারীঃ ক্বামারুয্যামান, ঢাকা।
উত্তর : উক্ত দো‘আগুলি অনুচ্চস্বরে পাঠ করা সুন্নাত। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা তোমাদের প্রভুকে ডাক, বিনীতভাবে ও চুপে চুপে’ (আ‘রাফ ৭/৫৫; ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২৩/২৮৪-৮৫)। তবে পার্শ্ববর্তী ব্যক্তি কেবল শুনতে পায় এমন শব্দে সিজদা ও রুকূ পরবর্তী দো‘আ পা
উত্তর : ত্বাগূত শব্দের অর্থ শয়তান, মূর্তি, প্রতিমা। আল্লাহ ও রাসূল (ছাঃ)-কে বাদ দিয়ে অন্য কারো নিকট থেকে ফায়ছালা গ্রহণ করা বা কারো প্রতি অন্ধ আনুগত্য প্রদর্শন করাই ত্বাগূত। এক কথায় আল্লাহ ব্যতীত অন্য যে কাউকে মা‘বূদ বা উপাস্য হিসাবে গ্রহণ করা
উত্তর : যাকাত ফরয হওয়ার জন্য শর্ত হ’ল নিছাব পরিমাণ সম্পদ এক বছর কারো নিজ মালিকানায় থাকা। একান্নবর্তী পরিবার হ’লেও মা, স্ত্রী, সন্তান এবং পরিবারের কর্তা নিজ নিজ সম্পদের মালিক। তারা ব্যক্তিগতভাবে নিছাব পরিমাণ সম্পত্তির অধিকারী হ’লে যাকাত দিবে,
উত্তর : বিপদাপদে মুক্তির জন্য কুরআন তেলাওয়াত বা আযান দেওয়ার কোন দৃষ্টান্ত রাসূল (ছাঃ) ও তাঁর ছাহাবীদের যামানায় পাওয়া যায় না। বরং কোন মুছীবতে পড়লে ছহীহ হাদীছে বর্ণিত দোআ‘গুলি পাঠ করবে অথবা ছালাতে দাঁড়িয়ে যাবে (বাক্বারাহ ৪৫; আবুদাঊদ হা/১৩১৯; মিশক
উত্তর : স্কুলে কোন অনৈসলামী কাজ না করার শর্তে উক্ত খেদমত করা যাবে এবং এতে ছওয়াবও পাওয়া যাবে। মানুষের কল্যাণে যে কোন পরিশ্রম বৃথা যাবে না। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় হ’ল সেই ব্যক্তি যে মানুষের জন্য সবচেয়ে উপকারী (ছহীহাহ হা/৪২
উত্তর : হজ্জের পূর্বে ওমরা পালন করা যায়। তবে যদি ওমরা পালনে হজ্জের খরচ বা প্রস্ত্ততি গ্রহণে বাধা হয়ে দাঁড়ায় তবে একই সফরে হজ্জ ও ওমরা পালন করা উত্তম। সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব (রহঃ)-কে জনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, আমি কি হজ্জের পূর্বে ওমরা করতে পারি। ত
উত্তর : ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করা সুন্নাতে মুওয়াক্কাদাহ। সুতরাং মসজিদে প্রবেশ করলে দু’রাক‘আত ছালাত আদায় না করে বসবে না (বুখারী হা/৪৪৪; মুসলিম হা/৭১৪; মিশকাত হা/৭০৪)। এমনকি জুম‘আর খুৎবা চলাকালীন সময়েও কেউ মসজিদে প্রবেশ করলে রা
উত্তর : এগুলি সব ভুয়া কথা। শরী‘আতে শুভ-অশুভ লক্ষণ বলে কোনকিছুর ভিত্তি নেই। কোনকিছুতে কল্যাণ দান করা বা না করার মালিক আল্লাহ। উক্ত বাড়ি বা ভূমির কল্যাণ বা অকল্যাণের ব্যাপারে আল্লাহ সর্বাধিক জ্ঞান রাখেন। কারণ গায়েবের চাবিকাঠি আল্লাহর হাতে (আন‘আম ৬/৫৯)।
উত্তর : এতে কোন বাধ্যবাধকতা নেই। কেননা রাসূল (ছাঃ)-কে জিব্রীল বলেন, যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতাকে বা তাদের একজনকে পেল। অথচ সে তাদের সাথে সদ্ব্যবহার করল না, সে জাহান্নামে প্রবেশ করল। আল্লাহ তাকে স্বীয় রহমত থেকে দূরে সরিয়ে দিলেন (ছহীহ ইবনু হিববান হা/৪০৯)।
উত্তর : একাধিক হজ্জ পালন করা মুস্তাহাব। আর ওমরাহ ইমাম শাফেঈ, আহমাদসহ সমকালীন অনেক বিদ্বানের মতে ওয়াজিব (বাক্বারাহ ২/১৬৬; ইবনু মাজাহ হা/২৯০১; নববী, মিনহাযুত ত্বালেবীন ৮২ পৃ.; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১১/৩১৭; উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৯/৭)। সেজন্য তৃতীয়বা
উত্তর : সফরের জন্য মহিলাদের সাথে মাহরাম পুরুষ থাকা শর্ত (বুখারী হা/১৮৬২)। এছাড়া রাসূল (ছাঃ) বলেন, মাহরাম ব্যতীত কোন নারী হজ্জ করবে না (বাযযার, সিলসিলা ছহীহাহ হা/৩০৬৫)। বোনের স্বামী মাহরাম নয়। অতএব বোন থাকা সত্ত্বেও বোনের স্বামীর তত্ত্বাবধানে হজ্জে গম
উত্তর : হজব্রত পালনরত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারীর বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। একদা আরাফার মাঠে জনৈক ছাহাবী মুহরিম অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তোমরা তাকে বরই পাতা ও পানি দিয়ে গোসল করাও, তাকে দু’টি কাপড়ে কাফন পরাও, তাকে সুগন্ধি লাগিয়ো না এবং মাথ
উত্তর : মসজিদে আযান হওয়া ফরযে কিফায়াহ। সেজন্য প্রত্যেক মসজিদে আযান হওয়া আবশ্যক। এক্ষণে ইমামসহ যে কেউ বৃষ্টি বা ভয়-ভীতির কারণে জামা‘আতে ছালাত আদায় পরিত্যাগ করলে কোন দোষ নেই। তবে মসজিদের প্রতিবেশীরা একজন হ’লেও আযান ও এক্বামত দিয়ে ছালাত আদায়ের মাধ্যমে ম
উত্তর : এখানে দু’টি বিষয় লক্ষণীয়। প্রথমতঃ কেউ যদি দুনিয়ার জীবনকে তুচ্ছ মনে করে এবং পরকালীন জীবনকে স্থায়ী মনে করে এমন কথা বলে তাহ’লে তাতে কোন দোষ নেই। কারণ দুনিয়ার জীবন অস্থায়ী। আল্লাহ বলেন, বস্ত্ততঃ পার্থিব জীবন ধোঁকার উপকরণ ছাড়া কিছুই নয়’ (আলে ইমরান
উত্তর : তারীখে ইস্ফাহান ও শারফু আছহাবিল হাদীছসহ কিছু গ্রন্থে উক্ত মর্মে একটি বর্ণনা পাওয়া যায়। ঐ বর্ণনাটি ‘জাল’ (তাহযীবুল কামাল ১৪/৩০; লিসানুল মীযান, রাবী নং ১৪৫৮)।প্রশ্নকারী : আশিকুল ইসলাম, গঙ্গাচড়া, রংপুর।
উত্তর : রাসূল (ছাঃ)-এর নবুঅত প্রাপ্তির পূর্বের কোন আমল বা বাণী শরী‘আতের দলীল হিসাবে গণ্য নয়। কারণ তখনও তিনি সাধারণ মানুষ ছিলেন এবং কোন কাজ আল্লাহর নিকট থেকে অহী প্রাপ্ত হয়ে করতেন না। সেজন্য ছাহাবায়ে কেরামদের কেউ গারে হেরায় বসে একদিনের জন্যও ই
উত্তর : মসজিদ নির্মাণের জন্য অর্থ আদায়কালে লোকদেরকে হালাল উপার্জন থেকে দান করতে উৎসাহিত করা মুস্তাহাব। কেননা আল্লাহ পবিত্র জিনিস ছাড়া কবুল করেন না (মুসলিম হা/১০১৫)। তবে কেউ যদি তার হারাম উপার্জন যেমন সূদ, ঘুষ, ব্যাংকে চাকুরীর বেতন ইত্যাদির টা
উত্তর : রাসূল (ছাঃ)-এর পিতা-মাতা তাঁর নবুঅত প্রাপ্তির পূর্বেই মারা গেছেন। ফলে তাঁরা ঈমান আনার সুযোগ পাননি। দ্বিতীয়তঃ রাসূল (ছাঃ)-এর পিতা-মাতার ঈমান আনা সম্পর্কিত যত বর্ণনা এসেছে তার অধিকাংশই জাল। কিছু যঈফ বর্ণনা রয়েছে সেগুলোও পরিত্যাজ্য (আযীম
উত্তর : শিক্ষার্থীরা অপরাধ করলে প্রথমে তাদের বুঝাতে হবে এবং ভৎর্সনা করতে হবে। এরপর শাস্তির ভয় দেখাতে হবে। এতেও সংশোধন না হ’লে মৃদুভাবে প্রহার করা যেতে পারে। তবে যখম হয় এমনভাবে প্রহার করা যাবে না এবং মুখে মারা যাবে না। সর্বাবস্থায় শাস্তির উদ্দ
উত্তর : এ ব্যাপারে সরাসরি হাদীছ বর্ণিত হয়নি। তবে নবী করীম (ছাঃ) বলেন, মুওয়াযযিন যা বলেন তোমরাও তাই বল (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৬৫৭)। উক্ত হাদীছে থেকে এক্বামতের উত্তর দেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হয় (আলবানী, মিশকাত হা/৬৭০-এর টীকা দ্রঃ)। তাছাড়া অন্য হাদীছে
উত্তর : একই সাথে জামা‘আতে কোন ছালাত আদায় করলে নারী পুরুষের পিছনের সারিতে দাঁড়াবে, পাশাপাশি নয়। চাই সে মা হৌক বা স্ত্রী হৌক। তবে জামা‘আত ব্যতীত পৃথকভাবে যেকোন ছালাত পাশে দাঁড়িয়ে ব্যবধান রেখে আদায় করলে বাধা নেই (নববী, আল-মাজমূ‘ ৩/৩৩১)।প্রশ্নকারী
উত্তর : ডান হাত দ্বারা তাসবীহ গণনা করা মুস্তাহাব। কারণ রাসূল (ছাঃ) প্রতিটি ভালো কাজ ডান দিক দিয়ে শুরু করা পসন্দ করতেন (বুখারী হা/১৬৮, ৫৯২৬; মিশকাত হা/৪০০)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা তাসবীহ সমূহ আঙ্গুলে গণনা কর। কেননা আঙ্গুল সমূহ ক্বিয়ামতের দিন জ
উত্তর : যেকোন ভাল কাজ ডান দিক থেকে শুরু করা মুস্তাহাব। আয়েশা (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) জুতা পরা, চুল আঁচড়ানো এবং পবিত্রতা অর্জন করা তথা প্রত্যেক কাজই ডান দিক থেকে শুরু করতে ভালবাসতেন (বুখারী হা/১৬৮, ৫৯২৬; মিশকাত হা/৪০০)। ছাহাবায়ে কেরাম ভালো কা
উত্তর : আয়াতুল কুরসীসহ রাতে ঘুমের সময় পঠিতব্য যিকর গুলো দিনে ঘুমানোর পূর্বেও পাঠ করা যায়। তবে রাতে ঘুমানোর পূর্বে পাঠ করলেই যথেষ্ট হবে (উছায়মীন, লিক্বাউল বাবিল মাফতূহ, ক্লিপ নং ৫; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১৭/৩৯৬)।প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ *বিল্ল
উত্তর : যে ইমাম তাবীয লেখার মত শিরকী কাজ এবং ভাগ্য গণনার মত কুফরী কাজে লিপ্ত, তার পিছনে ছালাত আদায় করা যাবে না। কমিটির দায়িত্ব হবে অনতিবিলম্বে তাকে সরিয়ে বিশুদ্ধ আক্বীদা সম্পন্ন কোন আলেমকে ইমাম নিযুক্ত করা (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ, ফৎওয়া ক্রমিক ২
উত্তর : সঊদী ফাতাওয়া বোর্ডকে এ মর্মে প্রশ্ন করা হ’লে তারা উত্তরে বলেন- জাতীয় পতাকাকে সালাম দেয়া কিংবা জাতীয় পতাকার সম্মানে দেখিয়ে দাঁড়ানো নিকৃষ্ট বিদ‘আত। এরূপ কাজ রাসূল (ছাঃ) এবং খোলাফায়ে রাশেদীনের যুগে ছিল না। এছাড়া এসব কর্মকান্ডের দ্বারা কা
উত্তর : কান মাসাহ করার পরিমাপ ও পদ্ধতি সম্পর্কে ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) কানের ভিতরাংশ নিজের দুই শাহাদাত আঙ্গুল দ্বারা ও উপরিভাগ বৃদ্ধাঙগুলি দ্বারা মাসাহ করেছেন (নাসাঈ হা/১০২; মিশকাত হা/৪১৩)। অর্থাৎ ভেজা হাতের শাহাদাত অঙ্গুলী কানের
উত্তর : উভয় পক্ষ পরস্পরের জানাশোনা ও বিশ্বস্ত হ’লে মেয়ের পিতা বা অভিভাবকের উপস্থিতিতে দুইজন ন্যায়নিষ্ঠ সাক্ষীর সামনে মোবাইল বা ভিডিও কলের মাধ্যমে কনের পিতা বা অভিভাবকের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে ছেলে ‘কবুল’ করলে বিবাহ সিদ্ধ হবে (আবুদাউদ, তিরমিযী,
উত্তর : পিল বা এ জাতীয় ওষুধের মাধ্যমে সাময়িক জন্ম নিয়ন্ত্রণ করা জায়েয। অতএব এর ব্যবসা করা যায়। এক্ষণে কেউ যদি এর অপব্যবহার করে তাহ’লে সে নিজে দায়ী হবে, বিক্রেতা নয় (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ২১/৩৯৪; উছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ২২/০২
উত্তর : খতম তারাবীহ হৌক বা সূরা তারাবীহ হৌক এতে ইমামতির সম্মানী গ্রহণ করা যাবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা যেসব জিনিসের বিনিময়ে পারিশ্রমিক নিয়ে থাকো, তাদের মধ্যে কিতাবুল্লাহ (আল্লাহর কিতাব) অধিকতর উপযোগী’ (বুখারী হা/৫৭৩৭; মিশকাত হা/২৯৮৫)। তবে এ
উত্তর : মাসিকের নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে প্রবাহিত রক্তকে ইস্তিহাযা বা প্রদর রোগ বলা হয়। একে কিছুই গণ্য না করে ছালাত ও ছিয়াম পালন করে যাবে। আর অতিরিক্ত হ’লে ছিয়াম পালন করবে এবং ওযূ করার পূর্বে প্যাড বা প্রতিরোধক কাপড় পরিধান করে ছালাত আদায় করবে (উ
উত্তর : উক্ত ব্যক্তি ফকীর-মিসকীনদের মধ্যে শামিল হ’লে তাকে ফিদইয়া দেওয়া যাবে। আল্লাহ বলেন, আর যাদের জন্য এটি খুব কষ্টকর হবে, তারা যেন এর পরিবর্তে একজন করে মিসকীনকে খাদ্য দান করে (বাক্বারাহ ২/১৮৪)। যে ছিয়াম পালন করেনি, তাকেও ফিদইয়া হিসাবে খাদ্য
উত্তর : বীর্য কাপড় থেকে তুলে ফেলবে বা ধুয়ে ফেলবে। চিহ্ন দেখা না গেলে পানি ছিটিয়ে দিবে। এটাই যথেষ্ট হবে। জ্যেষ্ঠ তাবেঈ হুমাম বিন হারেছ একদিন আয়েশা (রাঃ)-এর মেহমান হন। এমতাবস্থায় সকালে তিনি কাপড় ধুতে থাকলে আয়েশা (রাঃ)-এর দাসী সেটা দেখেন এবং তাঁ
উত্তর : ই‘তিকাফ করা সুন্নাত। রাসূল (ছাঃ) ও অন্যান্য সালাফগণ রামাযানে নিয়মিত ই‘তিকাফ করতেন (নববী, আল-মাজমূ‘ ৬/৫০১; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৫/৪৪০; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২০/১৫৮)। সুতরাং কেউ ই‘তিকাফ করলে ছওয়াব প্রাপ্ত হবে। আর না করলেও গুনাহগার হবে ন
উত্তর : ছিয়ামরত অবস্থায় ঠোঁটে লিপজেল বা এ জাতীয় কিছু ব্যবহার করা ছিয়াম ভঙ্গের কারণ নয় (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৫/২৬০; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৯/২২৪; ফাতাওয়া উলামাইল বালাদিল হারাম ২০১ পৃ.)। তবে মুখের ভিতর কিছু যাচ্ছে এমন সন্দেহ হ’লে তা ফেলে দিবে বা
উত্তর : অন্যান্য সন্তানদের সম্মতি থাকলে ঘোষিত উপহার প্রদান করা যেতে পারে, এতে কোন বাধা নেই। আর সম্মতি না থাকলে তা দেওয়া যাবে না। কারণ দান বা উপহারের ক্ষেত্রে সন্তানদের মাঝে ইনছাফ করা আবশ্যক। নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমা
উত্তর : স্বামী যে ভাষায় সম্মানবোধ করেন স্ত্রী তাকে সে ভাষাতেই সম্বোধন করবে। নিঃসন্দেহে আপনি অধিক সম্মানবোধক শব্দ। সে হিসাবে স্ত্রী স্বামীকে আপনি বলে সম্বোধন করতে পারে। যদি তুমি বলাতে সে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে এবং বেশী হৃদ্যতা প্রকাশ পায়, তাতেও ক
উত্তর : উক্ত তালাক সংঘটিত হয়নি। কারণ জোর করে বা বাধ্য করে তালাক দেওয়া হ’লে তা কার্যকর হয় না। আল্লাহ বলেন, যার উপরে (কুফরীর জন্য) যবরদস্তি করা হয়, অথচ তার হৃদয় ঈমানের উপর অটল থাকে (নাহল ১৫/১০৬)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আল্লাহ তা‘আলা আমার উম্মতক
উত্তর : সন্তান হিসাবে জন্মদাতা পিতা-মাতার সম্পত্তি যথারীতি পেয়ে যাবে। আল্লাহ বলেন, আল্লাহ তোমাদের সন্তানদের (মধ্যে মীরাছ বণ্টনের) ব্যাপারে তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার অংশের সমান (নিসা ৪/১১)। আর ইসলামী শরী‘আতের আলোক
উত্তর : এমতাবস্থায় বাড়িতে ছালাত আদায় করা যাবে। এতে গুনাহ হবে না ইনশাআল্লাহ। কারণ দুর্গন্ধ যেমন মানুষের জন্য কষ্টদায়ক তেমনি ফেরেশতাদের জন্যও কষ্টদায়ক। দুর্গন্ধ ছড়ানো রোধের জন্য রাসূল (ছাঃ) কাঁচা পিঁয়াজ ও রসুন খেয়ে মসজিদে ছালাতে আসতে নিষেধ করেছ
উত্তর : এমতাবস্থায় গুনাহগার হবে না। কারণ পবিত্র হওয়ার লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার পর স্বামী-স্ত্রী মিলিত হয়েছে। তবে পরবর্তীতে আবার রক্ত দেখা মাত্রই মিলন থেকে বিরত থাকবে। সাথে সাথে ছালাত ও ছিয়াম পালন থেকে বিরত থাকবে। কারণ পরবর্তী রক্তও হায়েয হিসাবে গণ
উত্তর : ঘুমানোর পূর্বে ওযূ করে শোয়া মুস্তাহাব। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে মুসলিম রাতে পবিত্র অবস্থায় যিকর করতে করতে ঘুমায়, এরপর ঘুম ভেঙে গেলে সে আল্লাহর কাছে দো‘আ করে দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ ও মঙ্গলের জন্য, তখন আল্লাহ্ তাকে তা দান করেন’ (আবুদাঊদ হ
উত্তর : প্রশ্নালোকে প্রথমবার প্রদত্ত তালাকটি এক তালাক হিসাবে কার্যকর হয়েছে। তবে ১২ই জানুয়ারীতে প্রদত্ত তালাকটি এমন তোহরে দেওয়া হয়েছে যে তোহরে মিলন হয়েছে। সেজন্য উক্ত তালাক কার্যকর হবে না (বুখারী হা/৫৩৩২; মুসলিম হা/১৪৭১; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২০
উত্তর : এরূপ বলা ঠিক নয়; বরং বলতে হবে ‘আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখুন’। কারণ মানুষ নিজে নিজে ভাল থাকতে পারে না আল্লাহর রহমত ব্যতীত। তবে কেউ বললে তাতে শিরক বা অনুরূপ গুনাহ হবে না। কেননা এটি সংবাদবাচক বাক্য। এর দ্বারা সাধারণতঃ দো‘আই উদ্দেশ্য থাকে (উছা
উত্তর : জামাই অভাবী হ’লে যাকাতের টাকা দিয়ে সহায়তা করা যাবে। কারণ আল্লাহ তা‘আলা কুরআনে যে আটটি খাতের কথা বলেছেন তার মধ্যে মিসকীন বা অভাবী অন্যতম (তাওবাহ ৯/৬০)।প্রশ্নকারী : তানিয়া আখতার, রাজশাহী।
উত্তর : মৃত স্বামীর জন্য স্ত্রীকে চার মাস দশদিন ইদ্দত পালন করতে হয় (বাক্বারাহ ২/২৩৪)। এমতাবস্থায় ইদ্দত পালনার্থে হজ্জের ফরযিয়াত রহিত হয়ে যায়। অতএব সে ইদ্দত পালন করবে এবং পরবর্তী বছর শারীরিক ও আর্থিক সক্ষমতা থাকলে হজ্জ করবে। অন্যথায় কোন নেককার ব
উত্তর : পিঁপড়া বা ছোট ছোট পোকা খাবারে পড়ে গেলে খাদ্য নাপাক হয় না। কারণ এগুলো এমন প্রাণী, যেগুলোর রক্ত প্রবাহমান নয়। তাছাড়া রাসূল (ছাঃ) যে খাদ্যে মাছি পড়েছে, সে খাদ্যকে অপবিত্র বলেননি (বুখারী হা/৩৩২০)। তবে এ জাতীয় প্রাণী খাদ্যের ভিতর পড়লে যথাসম্
উত্তর : কবরস্থানের যে অংশে কবর রয়েছে সেখানে ফসলাদী আবাদ করা ও গাছ লাগানো ঠিক নয়। কারণ তা কবরের অবমাননার মধ্যে পড়ে যায় (শায়খ বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৩/৩৬১ ‘জানাজা’ অধ্যায়)। তবে যে স্থানে কবর হয়নি বা বহু পুরাতন হওয়ায় যদি কোন চিহ্ন না থাকে তবে এমন জায়গ
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সিজদা থেকে উঠে রাফ‘উল ইয়াদায়েন করতেন না’ মর্মে ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে (বুখারী হা/৭৩৮; ছহীহ ইবনু খুযায়মা হা/৬৯৪)। আলী (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বসা অবস্থায় কখনো হস্ত উত্তোলন করতেন না’ (আবুদাঊদ হা/৭৪৪, তিরমিযী হা/৩৪২৩)। শায়খ আ
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কোন ছাহাবীকে শা‘বান মাসের ছুটে যাওয়া ছিয়ামের ক্বাযা আদায় করতে বলেননি। বরং প্রশ্নকারী ব্যক্তির প্রতি মাসের শেষে ছিয়াম পালন করার অভ্যাস ছিল। অথবা এটি তার মানতের ছিয়াম ছিল। যেটি রাসূল (ছাঃ) তাকে সেটি পরে আদায় করার নির্দেশ দেন।
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) ওলী ছাড়া বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়াকে বাতিল বলে গণ্য করেছেন (আবুদাউদ হা/২০৮৩; মিশকাত হা/৩১৩১; ছহীহুল জামে হা/২৭০৯)। এক্ষণে ওলীর সম্মতিতে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে পুনরায় বিবাহের ঈজাব-কবুল করাতে হবে এবং মোহর প্রদান করতে হবে (মুগনী ৯/৩৪৬; আ
উত্তর : এগুলো সামাজিক কুসংস্কারের অন্তর্ভুক্ত। নবী করীম (ছাঃ) শিরকী কথার মাধ্যমে ঝাড়-ফুঁক করা, মাদুলী ঝুলানো এবং স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ভালবাসা তৈরীর জন্য কোন মাধ্যম অবলম্বন করা শিরক বলেছেন (ইবনু মাজাহ হা/৩৫৩০; আবুদাঊদ হা/৩৮৮৩)। তবে চিকিৎসা হিসাবে ঝাড়ফু
উত্তর : অত্র আয়াতে নূর অর্থ কুরআন অথবা ইসলাম বা আল্লাহ্র হেদায়াতের নূর, আলো, সঠিক পথ (তাফসীর ইবনে কাছীর, ফাৎহুল ক্বাদীর ২/২৩ উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যা দ্রঃ)। আলোচ্য আয়াতে ‘নূর’ শব্দ দ্বারা নবী করীম (ছাঃ)-কে নূরের তৈরী বলা হয়েছে এমন তাফসীর কোন মুফাসসির করে
উত্তর : নারীদের জন্য মসজিদে গিয়ে জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করা জায়েয। তবে তাদের বাড়িতে ছালাত আদায় করাই উত্তম। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা তোমাদের মহিলাদেরকে মসজিদে যেতে নিষেধ করো না। তবে তাদের জন্য তাদের ঘরই উত্তম (আবুদাউদ হা/৫৬৭; মিশকাত হা/১০৬২; ছহীহুত
উত্তর : এভাবে নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশ গ্রহণ করা সূদের অন্তর্ভুক্ত, যা হারাম। বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যবসা করাকে মুশারাকা বলে। অর্থাৎ শরীকানা ব্যবসা। এতে লাভ-ক্ষতি বিনিয়োগের পরিমাণের ভিত্তিতে হবে (মুগনী ৫/২৭-২৮)। অতএব এভাবে চুক্তি ক
উত্তর : সম্পদ রক্ষার জন্য সমাজে প্রচলিত আইন মেনে যাবতীয় বৈধ পন্থা অবলম্বন করবে। প্রয়োজনে কোর্টে মামলা করতে হবে। কোনভাবেই প্রতিকার না পেলে ধৈর্যধারণ করতে হবে এবং আল্লাহ্র উপর ভরসা করতে হবে। আল্লাহ চাইলে আরো বহু উপার্জনের পথ উন্মুক্ত করে দিতে পারেন। আল
উত্তর : বিবাহের আক্বদ সম্পন্ন হওয়ার ক্ষেত্রে পবিত্র থাকা বা হায়েয থেকে পবিত্র থাকা শর্ত নয়। বরং ওলী, সাক্ষী ও ঈজাব-কবুল হওয়া শর্ত (উছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ দারব, অডিও টেপ নং ১৪৯)। তবে হায়েয থেকে পবিত্র থাকা উত্তম। কেননা এমতাবস্থায় মিলন জায়েয নয়।
উত্তর: দো‘আ ছালাতের ভিতর হ’লে তাশাহহুদই আল্লাহ্র প্রশংসা ও দরূদের জন্য যথেষ্ট হবে। আর ছালাতের বাইরে হ’লে প্রথমে ‘আলহামদুলিল্লাহি রাবিবল আলামীন’ বলবে ও রাসূলের প্রতি দরূদের জন্য ‘আল্লাহুম্মা ছাল্লি‘আলা ওয়া বারিক আলা মুহাম্মাদ’ বলে দো‘আ করবে বা অনুরূপ
উত্তর : এমতাবস্থায় মায়ের কর্তব্য হ’ল, সন্তানের হেদায়াতের জন্য বেশী বেশী উপদেশ দেওয়া, তাকে সম্ভবপর সঙ্গ দেওয়া, তার জন্য অধিকহারে দো‘আ করা, তার জন্য সৎসঙ্গীর ব্যবস্থা করে দেওয়া, কোন বিজ্ঞজন বা সন্তানের কোন শিক্ষক বা সৎ বন্ধুর মাধ্যমে সন্তানকে উপদেশ দেও
উত্তর : ছালাতের পর স্পষ্ট পেশাব বা আঠালো পদার্থের কারণে কাপড় ভেজা অনুভব করলে লজ্জাস্থান পরিষ্কার করে ওযূ করে পুনরায় ছালাত আদায় করবে। সাথে সাথে পেশাবে ভেজা স্থান ধুয়ে ফেলবে এবং মযী দ্বারা ভেজা স্থানে পানি ছিটিয়ে দিবে। কারণ পেশাব বের হওয়া বা মযী নির্গত
উত্তর : স্ত্রীর ভরণ-পোষণ ও সকল খরচ বহন করার দায়িত্ব স্বামীর। আল্লাহ বলেন, ‘আর জন্মদাতা পিতার দায়িত্ব হ’ল ন্যায়সঙ্গতভাবে প্রসূতি মায়েদের ভরণ-পোষণের ব্যবস্থা করা’ (বাক্বারাহ ২/২৩৩)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আর তোমাদের উপর তাদের ন্যায়সঙ্গত ভরণ-পোষণের ও
উত্তর : রামাযান মাসে যাকাত আদায়ের বিশেষ কোন ফযীলত বর্ণিত হয়নি। যাকাত যখন ফরয হবে তখনই আদায় করা ওয়াজিব। বরং আববাস (রাঃ) রাসূল (ছাঃ)-এর নিকটে বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই যাকাত আদায়ের অনুমতি চাইলে তিনি তাকে অনুমতি দেন (তিরমিযী হা/৬৭৮)। তবে রামাযানের কাছা
উত্তর : যদি সন্তান জন্মের দুই বা তিনদিন পূর্বে ব্যাথাসহ কোন রক্ত বের হয় তাহ’লে তা নিফাস হিসাবে গণ্য হবে। আর যদি কেবল তরল পানি বের হয় তাহ’লে তা কিছুই না। তাতে ছালাত বা ছিয়ামের কোন ক্ষতি হবে না। তবে তাতে ওযূ ভেঙ্গে যাবে (কাশশাফুল কেনা‘ ১/২১৯; উ
উত্তর: আপাতঃদৃষ্টিতে উক্ত কর্ম দোষনীয় নয়। কেননা জনস্বার্থবিরোধী এবং পাপের কাজে ব্যবহৃত না হ’লে প্রয়োজনে ভিপিএনের সাহায্য নিতে বাধা নেই। আর সাধারণভাবে যে কোন বৈধ কর্মের বিনিময়ে অর্থ গ্রহণ করা জায়েয, যদি না তাতে কোন অস্পষ্টতা, ধোঁকা, প্রতারণা ব
উত্তর : মোহরের পরিমাণ ছেলের সামর্থ্য অনুযায়ী নির্ধারিত হবে এবং সেই মোহর পরিশোধ করা স্বামীর জন্য আবশ্যক। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা তাদের অভিভাবকদের অনুমতিক্রমে বিয়ে কর এবং উত্তমভাবে তাদের মোহর প্রদান কর’ (নিসা ৪/২৫)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কম
উত্তর : কোন সন্তানকে প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহের খরচ হিসাবে কোন সম্পত্তি ব্যবহারের জন্য দিতে পারে। তবে মৃত্যুর পর সম্পদ মীরাছ অনুযায়ীই বণ্টিত হবে। যেমন আবুবকর (রাঃ) প্রয়োজনের প্রেক্ষাপটে আয়েশা (রাঃ)-কে জীবদ্দশায় কিছু সম্পদ অতিরিক্ত দিয়ে উপকৃত হ’
উত্তর : বিয়েতে মেয়ে রাযী না থাকায় এবং কাবিননামায় স্বাক্ষর না করায় আদতে বিয়েই হয়নি। এই অবস্থায় মেয়ের উচিৎ হয়নি স্বামীর ঘর করা। এজন্য মেয়েও দায়ী হবে। তাকে অবশ্যই অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহ্র নিকট তওবা করতে হবে। এক্ষণে এটি ‘শিবহে নিকাহ’ হয়েছে। উক্ত নিকা
উত্তর : বর্ণনামতে ১ম তালাকটি হায়েয অবস্থায় দেওয়া হয়েছে। যা কার্যকর হবে না (বুখারী হা/৫২৫১, ৫৩৩২, মিশকাত হা/৩২৭৫)। ২য় এবং ৩য় তালাকটি নিশ্চিতভাবে ১টি করে তালাক হয়েছে। আর ৪র্থ তালাকের ক্ষেত্রে যদি এমন ক্রোধান্ধ অবস্থায় থাকে যে, সম্পূর্ণভাবে হিতাহিত
উত্তর : দুধ পান করানোর কারণে দুধ মা মাহরাম সাব্যস্ত হন এবং আত্মীয়তার হক লাভের অধিকারী হন। তবে এর দ্বারা তিনি প্রকৃত মায়ের মত অধিকার অর্জন করেন না এবং প্রকৃত মায়ের মত দুধ মায়ের প্রতি খরচ করা বা খেদমত করাও আবশ্যিক নয়; বরং মুস্তাহাব।প্রশ্নকারী :
উত্তর : ইদ্দতের মধ্যে বিবাহ করায় উক্ত বিবাহ হয়নি এবং ঐ স্ত্রীর সাথে পাঁচ মাস অবস্থান করা পুরোপুরি অবৈধ ছিল (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিইয়াহ ২৯/৩৪৬; মুগনী ৮/১২৭)। আলাহ বলেন, ‘আর ইদ্দতকাল পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবার সংকল্প করো ন
উত্তর : শিশুদের কথা বলানোর জন্য নির্দিষ্ট কোন আমল বা দো‘আ নেই। তবে কুরআনে যেহেতু সকল প্রকার রোগের শিফা রয়েছে সেজন্য ঝাঁড়ফুক সংক্রান্ত সূরা বা আয়াতগুলো এবং হাদীছে বর্ণিত দো‘আগুলো পাঠ করে ফুঁক দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া যায়। যেমন মূসা (আঃ) তোত্লা ছিলেন
উত্তর : টাক দূর করার জন্য মাথার অন্য অংশের চুল টাকের স্থলে স্থাপন করা জায়েয। কারণ এটি সৃষ্টির পরিবর্তন নয়। বরং এটি পরিবর্তিত রূপকে আসল রূপে ফিরিয়ে আনার সমতুল্য (উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৭/০৭,১৭/২৩)।প্রশ্নকারী : আসাদুয্যামান, গান্দাইল, সিরাজগঞ্জ
উত্তর : হাদীছের ভাষায় বুঝা যায় ঋণ পরিশোধ না করা পর্যন্ত মাইয়েত কবরের আযাব থেকে রক্ষা পাবে না। বরং সে ঋণের সাথে ঝুলন্ত থাকে এবং তার উপর কবরের আযাব হ’তে থাকে। তবে এ ক্ষেত্রে যদি মৃতের নিকটাত্মীয় বা অন্য কোন ব্যক্তি ঋণদাতার নিকট থেকে সময় নেন এবং
উত্তর : মৃত সুন্নাত জীবিত কারী নয় বরং উম্মতের পতন অবস্থায় কোন সুন্নাতকে দৃঢ়ভাবে ধারণকারী ব্যক্তি পঞ্চাশ জন শহীদের সমান নেকী পাবে বলে হাদীছে বর্ণিত হয়েছে। যেমন রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমাদের পরে এমন একটা কঠিন সময় আসছে, যখন কোন সুন্নাতকে দৃঢ়ভাবে ধা
উত্তর : যে দেশে যাবে সে দেশের লোকেরা যে দিন ঈদ করবে সে দিন ঈদ করবে যদিও ছিয়াম ৩১টি হয়। আর ছিয়াম ২৮টি হয়ে গেলে লোকদের সাথে ঈদ করে নিবে এবং পরবর্তীতে একটি ছিয়ামের ক্বাযা আদায় করে নিবে। কারণ আরবী মাস ২৮ দিনে হয় না (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৫/১৫৫;
উত্তর : প্রথমতঃ ক্বিবলা নির্ধারণের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। কারণ ছালাতের জন্য ক্বিবলা শর্ত (বাক্বারাহ ২/১৪৪; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১২/৪৩৩-৩৫)। দ্বিতীয়তঃ ক্বিবলা অল্প বিচ্যুত হ’লে কোন দোষ নেই এবং তাতে ছালাত আদায়ে কোন বাধা নেই। রাসূল (ছাঃ
উত্তর : নেশাদার দ্রব্য গ্রহণ করা হারাম এবং এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর (আ‘রাফ ৭/১৫৭)। তবে এগুলো পান করে বা গ্রহণ করে কেউ আত্মহত্যার চেষ্টা করে না। সেজন্য এগুলো আত্মহত্যা হিসাবে গণ্য হবে না (উছায়মীন, লিক্বাউল বাবিল মাফতূহ ১৪/১৯৪)।প্রশ্নকার
উত্তর : অর্থ উপার্জন ও শিক্ষা দু’টিই প্রয়োজন। সেজন্য এমন উৎস থেকে অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করবে, যেখানে অর্থ উপার্জনের পাশাপাশি শিক্ষা অর্জনও করা যায়। এমন উৎস না পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করবে এবং পিতা-মাতার আদেশ পালন করে বৈধ উৎস থে
উত্তর : মুখের অবাঞ্ছিত লোম বা দাগ যা দেখলে নারীকে অসুন্দর দেখায় তা তুলে ফেলাতে কোন দোষ নেই। কারণ এগুলোর ব্যাপারে ইসলাম কোন বিধি-নিষেধ আরোপ করেনি। অবশ্য ভ্রু কোনভাবেই তুলে ফেলা যাবে না। কারণ এ ব্যাপারে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে (ফাতাওয়া লাজনা দা
উত্তর : চিকিৎসার সুবিধার্থে একান্ত বাধ্যগত অবস্থায় অন্তর পবিত্র রেখে মহিলাদের শরীরে হাত দিলে কোন গুনাহ হবে না। তবে চেষ্টা থাকতে হবে যাতে মহিলা চিকিৎসকরাই মহিলাদের চিকিৎসা করে। সুযোগ ও পরিবেশ না থাকলে যরূরী অবস্থায় পুরুষ চিকিৎসকরা মহিলাদের চিক
উত্তর : কুরআন তেলাওয়াত শ্রবণের পর সিজদায়ে তেলাওয়াতের জন্য পবিত্রতা শর্ত নয়। অতএব হায়েয অবস্থায় তেলাওয়াতের সিজদা দেওয়া এবং তাতে দো‘আ পাঠ করায় কোন দোষ নেই (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২৯/২২৪; ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব ১০/৪৪৭; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৭/২
উত্তর : প্রশাসনিক কোন দায়িত্ব পালন বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে চাকুরী করা মৌলিকভাবে বৈধ। তবে যে সব অপরাধের শাস্তি ইসলামী শরী‘আত অনুযায়ী প্রদান করা যাচ্ছে না, সে জন্য দায়ী থাকবেন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলগণ, যাদের হাতে ক্ষমতা আছে। তাছাড়া অধিকাংশ বিচার
উত্তর : এ কথা ভিত্তিহীন। হাদীছে একসাথে খাওয়ার কথা এসেছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা বিসমিল্লাহ বলে এক সাথে খাবার গ্রহণ কর, তাতে তোমাদের জন্য বরকত নাযিল করা হবে’ (তিরমিযী, মিশকাত হা/৪২৫২; ছহীহাহ হা/৬৬৪)। তিনি বলেন, ‘সে খাবার আল্লাহর নিকট সর্
উত্তর : নাপাক অবস্থায় সাহারী খেলে ছিয়ামের কোন ক্ষতি হবে না। আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) অপবিত্র অবস্থায় গোসল না করেই ঘুমিয়ে যেতেন, অতঃপর উঠে গোসল করতেন’ (ইবনু মাজাহ হা/৫৮১; তিরমিযী হা/১১৮, সনদ ছহীহ)। এছাড়া কখনও জুনুবী অবস্থায় রাসূল (ছাঃ
উত্তর : হাদিয়া ফেরত দেওয়া সমীচীন নয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা দাওয়াত দানকারীর ডাকে সাড়া দিয়ো, উপহারাদি ফেরত দিও না এবং মুসলিমদেরকে প্রহার করো না’ (আল-আদাবুল মুফরাদ হা/১৫৭; আহমাদ হা/৩৮৩৮, সনদ ছহীহ)। অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘যে ব্যক্তি চাওয়া বা
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। বরং সর্বাবস্থায় পুরুষদের জন্য স্বর্ণের গহনা ব্যবহার করা হারাম। চাই তা সফরে হৌক বা বাড়ীতে হৌক। রাসূল (ছাঃ) একদা ডান হাতে রেশম এবং বাম হাতে সোনা ধরলেন, অতঃপর বললেন, ‘আমার উম্মতের পুরুষদের জন্য এ দু’টি বস্ত্ত হারাম’
উত্তর : মাহরাম আত্মীয়রা সম্পর্ক রক্ষার ক্ষেত্রে সবচেয়ে অগ্রগামী। তাদের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করা অতীব যরূরী। অতঃপর গায়ের মাহরাম আত্মীয়দের সাথে সম্পর্ক রক্ষার ক্ষেত্রে নিকটতার ভিত্তিতে এর গুরুত্ব ও বিধান কম-বেশী হবে (কারাফী, আল-ফুরূক ১/১৪৭; আল-মাওস
উত্তর : ইফতারের পর ও সাহারীর পূর্বে ইনসুলিন নেওয়াই উত্তম। যদি এরপরেও প্রয়োজন হয়, সেটা দিনের বেলায় ছিয়াম অবস্থায় নিতে পারে। কেননা ইনসুলিন গ্রহণ করা ছিয়াম ভঙ্গের কারণ নয়। আর এটি কোন খাদ্য নয়। অনুরূপ হাঁপানী রোগের জন্য ছিয়াম অবস্থায় ‘ইনহেলার’ নে
উত্তর : সাহারীর সময়সূচীর ১ মিনিট বাকী থাকলেও সে সময় এক লোকমা খাদ্য বা এক ঢোক পানি পান করলে সাহারী আদায় হয়ে যাবে এবং সাহারী খাওয়ার ফযীলত পাওয়া যাবে। তাছাড়া সাহারী খেতে না পারলেও ছিয়ামের নিয়ত করলে ছিয়াম আদায় হয়ে যাবে (বুখারী, ফাৎহুল বারী ৪/১৭৫ হা
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ ও মুনকার (ইবনু আবী হাতিম, ইলালুল হাদীছ ১/২৪৯; সিলসিলা যঈফাহ হা/৮৭১; মিশকাত হা/১৯৬৫)। এর সনদে আলী ইবনু যায়েদ ইবনে জুদ‘আন নামে একজন ত্রুটিপূর্ণ রাবী আছে (বুগইয়াতুল বাহেছ ১/৪১২)। প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ, আ
উত্তর : উক্ত অবস্থায় যখন তাদের পক্ষে সম্ভব তখন আদায় করবে। এক বা দু’বছর পরেও যদি হয়। কেননা তাদের শারঈ ওযর রয়েছে। কিন্তু যদি কোন মহিলা অবজ্ঞা ও অবহেলা করে, তাহ’লে সে গোনাহগার হবে। আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমার কিছু ছিয়াম ক্বাযা হয়ে যেত, যা পরবর্তী শা‘
উত্তরঃ রামাযান মাসে হোক কিংবা রামাযানের বাইরে হোক মৃত ব্যক্তির জন্য আলেম-ওলামা বা মাদ্রাসার ছাত্রদেরকে দাওয়াত দিয়ে কুরআন খতম করানো একটি বিদ‘আতী প্রথা মাত্র। রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরামের যুগে এ নিয়ম চালু ছিল না (যাদুল মা‘আদ ১/৫২; নায়লুল আওত্বা
উত্তর : কথাটি স্বীয় জায়গায় সঠিক হ’লেও প্রয়োগক্ষেত্রটি সঠিক নয়। এর ভিত্তিতে কোন একটি নির্দিষ্ট মাযহাবকে অন্ধভাবে অনুসরণ সাব্যস্ত করা অবান্তর। বরং শারঈ বিষয়ে অভিজ্ঞ এবং পবিত্র কুরআন ও ছহীহ আলোকে মাসআলা প্রদানকারী নির্ভরযোগ্য বিদ্বানদের দলীলভিত্
উত্তর : কোন অমুসলিম উপকার করলে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ‘শুকরান’ বা ধন্যবাদ বলা যায়। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি মানুষের শুকরিয়া আদায় করে না, সে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতিও শুকরিয়া আদায় করে না’ (আবুদাউদ হা/৪৮১১; ছহীহাহ হা/৪১৬)। এছাড়া তার
উত্তর : ঘরে কেউ না থাকলেও ঘরে প্রবেশ করার সময় সালাম দেওয়া মুস্তাহাব। এ সময় সাথে আরো কিছু বাক্য যোগ করতে পারে- আস-সালামু আলায়না ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিছ-ছালেহীন অথবা- আস-সালামু আলাইকুম আহলাল বায়তি ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারারাকাতুহ (বুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ
উত্তর : প্রথমতঃ এই হাদীছে মুমিন বান্দারা যে আল্লাহর অলী বা বন্ধু, তা বর্ণিত হয়েছে। যারা এসকল বান্দার সাথে শত্রুতা পোষণ করে তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহ তা‘আলা দুনিয়াতেই ব্যবস্থা নেন। দ্বিতীয়তঃ আল্লাহর নৈকট্য লাভের যে সকল মাধ্যম রয়েছে তার মধ্যে ফরয ই
উত্তর : বড় বোন তার অংশ বিক্রয় করার ইচ্ছা করলে এবং উভয়ের জমিতে যাওয়ার পথ, সেচের পথ ও জমির সীমানা একই হ’লে প্রথমে ছোট বোনকে উক্ত অংশ নায্যমূল্যে ক্রয়ের প্রস্তাব করবে। সে প্রস্তাব গ্রহণ করলে তাকেই দিবে অন্যথায় বাইরে বিক্রয় করে দিবে। আর জমিতে প্র
উত্তর : ডিভোর্স লেটার কোর্ট থেকে যেই তারিখে পাঠানো শুরু হবে, সেদিন থেকে ইদ্দত পালনের সময় হিসাব করবে। তালাকপ্রাপ্তার নিকট কয়েক দিন পরে পৌঁছলেও তা ধর্তব্য নয়। আর তিন মাসের মধ্যে রাজ‘আত না করা হ’লে বা ফিরিয়ে না নিলে তা তালাকে মুগাল্লাযা বা চূড়ান
উত্তর : প্রথমতঃ নিয়ত বিশুদ্ধ করতে হবে। কারণ বান্দা কোন সৎ কাজের দৃঢ় নিয়ত করে থাকলে আল্লাহ তাকে অবশ্যই পথ দেখাবেন (আনকাবূত ২৯/৬৯)। দ্বিতীয়তঃ ফজর ছালাত জামা‘আতে আদায়ের গুরুত্ব সম্পর্ক সচেতন থাকতে হবে। কারণ এতে যেমন সারা রাত জেগে ইবাদত করার ছওয়াব পা
উত্তর : উক্ত ঘটনা তাফসীরে ইবনু কাছীর, কুরতুবীসহ বেশ কিছু হাদীছ গ্রন্থে রয়েছে। তবে এর সনদ যঈফ বরং জাল (মাজমা‘উয যাওয়ায়েদ হা/১৭০৭৫; যঈফাহ হা/৪৮৪৩)।প্রশ্নকারী : রেযওয়ান, বগুড়া।
উত্তর : মালিককে সাধ্যমত খুঁজতে হবে। একান্ত না পাওয়া গেলে উক্ত অর্থ মালিকের নামে দান করে দিবে। কিন্তু পরবর্তীতে মালিককে খুঁজে পেলে উক্ত টাকা প্রদান করতে হবে। যদি সামর্থ্য না থাকে, তবে ক্ষমা চেয়ে নেবে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ৩০/৪১৩-১৪; ব
উত্তর : কেউ ভুল করে কিছু দিলে তাকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে এবং তা ফেরত দিতে হবে। অন্যথায় অতিরিক্ত সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রহণ করার জন্য ক্বিয়ামতের দিন কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে (মুজাদালাহ ৫৮/৭)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, কোন ব্যক্তি যদি তার কোন ভাইয়ের সম্মান
উত্তর : কোন বাধা নেই। নাপাক অবস্থায় ঘুম থেকে উঠে শুধু সাহারী খাওয়ার সময় অবশিষ্ট থাকলে বিনা গোসলেই সাহারী খাবে। অতঃপর গোসল করে ফজরের ছালাত আদায় করবে। তবে সাহারী খাওয়ার সুযোগ নেই এমন সময় ঘুম ভাঙলে গোসল করে ছালাত (ফজর) আদায় করে মনে মনে ছিয়ামের ন
উত্তর : হাদীছটি ইমাম বায়হাক্বী সংকলিত ‘শু‘আবুল ঈমানে’ বর্ণিত হয়েছে (হা/৩৭১৭)। তবে বর্ণনাটি যঈফ ও মুনকার (যঈফ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব হা/৫৮৯; আলবানী, মিশকাত হা/১৯৬৫ ‘ছওম’ অধ্যায়)।প্রশ্নকারী : আখতারুল ইসলামচট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তরঃ রামাযান মাসে শয়তানের পায়ে শিকল দেয়া থাকে, রহমতের দরজা খোলা থাকে, জান্নাতের দরজা খোলা থাকে, জাহান্নামের দরজা বন্ধ থাকে (বুখারী ও মুসলিম, মিশকাত হা/১৯৫৬)। এর মাধ্যমে মূলতঃ বান্দার প্রতি আল্লাহর অসীম রহমত ও দয়াকে বুঝানো হয়েছে এবং রামাযান মাসের বি
উত্তর : সূর্য ডোবার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরও বাড়তি সতর্কতার দোহাই দিয়ে তারা এটা করেন। যা সুন্নাত পরিপন্থী। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেন, সূর্যাস্তের সাথে সাথে ছায়েম ইফতার করবে (বুখারী হা/১৯৫৪; মুসলিম হা/১১০০; মিশকাত হা/১৯৮৫)। শুধু তাই নয়, দেরী করে
উত্তর : জুম‘আর খুৎবাকালীন লাঠি, ধনুক বা যেকোন জিনিসের উপর হেলান বা ঠেস দিয়ে খুৎবা দেওয়া মুস্তাহাব (আবুদাউদ হা/১০৯৬; ইরওয়া হা/৬১৬)। কারণ এতে খত্বীবের দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে খুৎবা দিতে সুবিধা হয় (উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৫/৬২-৬৩)। এক্ষণে কেউ যদি খুৎবাকালীন
উত্তর : প্রশ্ন অনুযায়ী উক্ত নারী দু’বার ‘খোলা’ করে অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে। আর ‘খোলা’র মাধ্যমে স্ত্রী স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন হ’লে এবং পুনরায় উভয়ে সংসার করতে চাইলে নতুন বিবাহ ও মোহরের মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হ’তে পারে (বাক্বারাহ ২/২
উত্তর : কর্তৃপক্ষের অনুমতি থাকলে এটি জায়েয। নইলে নয়। কর্তৃপক্ষের অজান্তে কমিশন পাওয়ার লোভে নির্দিষ্ট কোন ট্রান্সপোর্টে পণ্য প্রেরণ করা প্রতারণার শামিল। নবী করীম (ছাঃ) বলেন, আমরা যাকে অর্থের বিনিময়ে কোন কাজে নিয়োজিত করি, তার অতিরিক্ত কিছু গ্রহ
উত্তর : আল্লাহ বলেন, জন্মদাত্রী মাতাগণ তাদের সন্তানদের পূর্ণ দু’বছর দুধ পান করাবে, যদি তারা দুধপানের মেয়াদ পূর্ণ করতে চায় (বাক্বারাহ ২/২৩৩)। অর্থাৎ পূর্ণ দুই বছর শিশুর শরীর গঠনে মায়ের দুধ যরূরী। তবে এরপরেও যদি মা শিশুর কল্যাণের জন্য দুধ পান করায়
উত্তর : পিতা সন্তানের কোন দেখাশুনা বা ভরণ-পোষণ না দিলে তার জবাবদিহিতা আল্লাহর দরবারে তিনিই করবেন। তবে এ কারণে সন্তান তার দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকবে না। পিতা পাপ করলে এর জন্য সন্তান দায়ী নয়; আবার সন্তান পাপ করলে তার জন্য পিতা দায়ী নন। আল্লাহ
উত্তর : প্রবল শীতের কারণে শারীরিক অসুস্থতা, রোগ সৃষ্টি বা বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকলে তায়াম্মুম করে ছালাত আদায় করবে (আবুদাঊদ হা/৩৩৬; মিশকাত হা/৫৩১)। আমর ইবনুল ‘আছ (রাঃ) বলেন, ‘যাতুস সালাসিল’ যুদ্ধে শীতের রাতে আমার স্বপ্নদোষ হয়েছিল। শারীরিক অসুস্থতার আ
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) অধিক বিনয় প্রকাশের জন্য মাটিতে বসে খেতেন। যেমন তিনি বলেন, আমি খাই যেভাবে গোলাম খায়। আমি বসি যেভাবে গোলাম বসে (শারহুস সুন্নাহ; মিশকাত হা/৫৮৩৬; ছহীহাহ হা/৫৪৪)। তিনি জনৈক ব্যক্তিকে বলেন, আমি হেলান দিয়ে খাবার গ্রহণ করি না (বুখারী হা/৫
উত্তর : হারাম সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর হারাম সম্পত্তি জনকল্যাণ মূলক কাজে খরচ করে দিলে বাকী সম্পত্তি হালাল হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ বলেন, অতঃপর যার নিকটে তার প্রভুর পক্ষ থেকে উপদেশ এসে গেছে এবং সে বিরত হয়েছে, তার জন্য পিছনের সব গোনাহ মাফ। তার
উত্তর : আল্লাহ বলেন, তোমরা নেকী ও তাক্বওয়ার কাজে পরস্পরকে সাহায্য কর এবং গুনাহ ও অন্যায়ের কাজে সাহায্য করো না’ (মায়েদাহ ৫/২)। অতএব কোন দেশের সার্বিক পরিস্থিতির কারণে যদি শরীআ‘তের উপরোক্ত নির্দেশনা মেনে দায়িত্ব পালন করা দুঃসাধ্য হয়, তাহ’লে ঐরূপ চা
উত্তর : মৃত স্ত্রীর নামে হজ্জ করা যায়। কিন্তু ব্যাংকে থাকা চার লাখ টাকার মালিক এখন স্ত্রী নয়। বরং তার উত্তরাধিকারীরা (বুখারী হা/৬৫১৪; মিশকাত হা/৫১৬৭)। এক্ষণে ওয়ারিছরা সর্বসম্মতিক্রমে মাইয়েতের স্বামীকে উক্ত অর্থ দিয়ে হজ্জ সম্পাদন করার অনুমতি দিলে
উত্তর : সন্তানদের কোন সম্পদ দান বা হেবা করার সময় সমতা স্থাপন করা ওয়াজিব। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, তুমি আল্লাহকে ভয় কর এবং সন্তানদের মাঝে ইনছাফ কায়েম কর (বুখারী হা/২৫৮৭; মুসলিম হা/১৬২৩; মিশকাত হা/৩০১৯)। তবে কোন সন্তান যদি পিতার সম্পত্তি দেখাশোনা ক
উত্তর : উক্ত মর্মে ছয়টি বর্ণনা পাওয়া যায় যার সবগুলো যঈফ বরং জাল (আলবানী, যঈফাহ হা/৫৭১, ১৬৭৫, ৪১৪৭, ৬১৯৭; যঈফুল জামে‘ হা/৪০৭১)। বরং হূরের মোহর হবে আল্লাহর উদ্দেশ্যে কৃত ব্যক্তির সৎকর্ম (কুরতুবী, আত-তাযকেরাহ ৫৫৬ পৃ. ইবনু রজব, লাতাইফুল মা‘আরেফ ১৫৯ পৃ.)।
উত্তর : ঘরে জামা‘আত করলে জামা‘আতের নেকী পাওয়া গেলেও মসজিদে যাওয়ার নেকী থেকে মাহরূম হবে। কেননা রাসূল (ছাঃ) দূরের বাসিন্দা অন্ধ ছাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূমকেও মসজিদে জামা‘আতে না আসার ব্যাপারে অনুমতি দেননি (মুসলিম হা/৬৫৩; মিশকাত হা/১০৫৪, ১
উত্তর : সিজদায়ে তেলাওয়াতের ন্যায় এখানেও একটি সিজদা হবে এবং এই সিজদাতে ওযূ বা ক্বিবলা শর্ত নয়। অতএব ঋতু অবস্থায় এই সিজদা দেওয়া এবং দো‘আ পাঠ করায় কোন দোষ নেই (ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) ১৫৫ পৃ.; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২৯/২২৪;)।প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে
উত্তর : মানবদেহের অবাঞ্ছিত লোম ৪০ দিনের মধ্যে পরিষ্কার করা সুন্নাত (বুখারী হা/৫৮৯০; মিশকাত হা/৩৭৯)। অতএব তা ৪০ দিনের মধ্যে পরিষ্কার করা কর্তব্য (মুসলিম হা/২৫৮; মিশকাত হা/৪৪২২)। তবে কেউ কোন কারণে সময়মত পরিষ্কার করতে না পারলে তা ইবাদত কবুলের জন্য প্রতি
উত্তর : এতে যদি কোম্পানীর অনুমোদন থাকে, তাহলে জায়েয। নইলে প্রতারণার শামিল হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়’ (মুসলিম হা/১০১; মিশকাত হা/৩৫২০)। প্রশ্নকারী : রাক্বীবুল ইসলাম, বেনাপোল, যশোর।
উত্তর : নির্দিষ্ট কোন দো‘আ নেই। তবে নিম্নোক্ত দো‘আটি পাঠ করা যেতে পারে।- আল্লা-হুম্মা আদখিলনিল জান্নাতা ওয়া আজিরনী মিনান্ না-র (৩ বার)। ‘হে আল্লাহ তুমি আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও এবং জাহান্নাম থেকে পানাহ দাও’! (তিরমিযী হা/২৫৭২; নাসাঈ হা/৫
উত্তর : যদি উক্ত জমি তার পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস হয় এবং বছর শেষে কোন সঞ্চয় না থাকে, তাহ’লে হজ্জ ফরয হবে না। অর্থাৎ নিয়মিত পারিবারিক ব্যয় নির্বাহের পর হজ্জ করার মত আর্থিক সচ্ছলতা থাকলে তার উপর হজ্জ ফরয হবে, নইলে
উত্তর : তেলাওয়াতের সিজদা দেওয়া কর্তব্য। তবে এটি ফরয নয়। যদি কেউ এটা না করে, তবে কোন ক্ষতি নেই (বুখারী হা/১০৭২, ৭৭; তিরমিযী হা/৫৭৬)। এক্ষণে ছালাতে ইমাম সূরা ‘আলাক্ব পাঠ করলে সূরা শেষে তেলাওয়াতের সিজদা দিয়ে দাঁড়িয়ে যাবেন। অতঃপর রুকূ করে ছালাত শেষে
উত্তর : ঘুষ দেওয়া এবং নেওয়া উভয়টিই হারাম (তিরমিযী হা/৬১৪; ছহীহুত তারগীব হা/১৭২৮)। সুতরাং যে টাকা সরাসরি ঘুষের মাধ্যমে অর্জিত হয়, জেনে-শুনে তা থেকে পারিশ্রমিক নেওয়াও হারাম। এতে হারাম উপার্জনে সাহায্য করা হয়। যা নিষিদ্ধ (মায়েদাহ ৫/২)।প্রশ্নকারী : ই
উত্তর : মুসলিম মাইয়েতকে মুসলিম কবরস্থানে দাফন করায় কোন বাধা নেই। কারণ বারযাখী জীবনের সুখ বা দুঃখের বিষয়টি ব্যক্তির আমলের উপর নির্ভরশীল (উছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১/৩৩৭)। উল্লেখ্য যে, ‘তোমরা সৎ ব্যক্তিদের পাশে মৃতদের দাফন কর। কেননা জীবিত অসৎ
গত ফেব্রুয়ারী’২২ সংখ্যায় (২৭/১৮৭) প্রশ্নোত্তরে ভুলক্রমে ‘দ্বিতীয় মা মৃতের স্ত্রী হিসাবে এবং সন্তান না থাকায় এক-চতুর্থাংশ পাওয়ার পর বাকী সম্পত্তি চার ভাই সমানভাবে পেয়ে যাবে’ বলা হয়েছে। বরং সঠিক উত্তর হ’ল, ‘মৃতের ১ম স্ত্রীর সন্তান থাকায় ২য়
উত্তর : নেকী পাওয়া যাবে। এমনকি চোর, ধনী বা কোন কবীরা গোনাহগার ব্যক্তিকে ছাদাক্বা করলেও নেকী পাওয়া যাবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৮৭৬)।প্রশ্নকারী : শাহীন, আবুধাবী, আরব আমিরাত।
উত্তর : এ মর্মে বর্ণিত হাদীছটি জাল (সিলসিলা যঈফাহ হা/২০৫৫)। এছাড়া মহিলারা যত সন্তান জন্ম দিবে ততটি কবুল হজ্জের নেকী পাবে মর্মে একটি বক্তব্য সমাজে প্রচলিত আছে, সেটিও বানোয়াট।প্রশ্নকারী : আকবার হোসাইন, রাজশাহী।
উত্তর : এশার ছালাতের সাথে বিতর পড়ে নিলেও তাহাজ্জুদের ছালাত আদায় করতে পারবে। তবে তাহাজ্জুদ শেষে দ্বিতীয়বার বিতর পড়া যাবে না। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, এক রাতে দু’বার বিতর ছালাত নেই (আবুদাউদ হা/১৪৩৯; ছহীহুল জামে হা/৭৫৬৭)।প্রশ্নকারী : আব্দুর রাক্বীব,
উত্তর : ওযূ শেষে দো‘আ পাঠকালে আকাশের দিকে তাকাতে হবে মর্মে বর্ণিত অতিরিক্ত অংশটুকু ‘মুনকার’। উক্ত মর্মে বহু ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হ’লেও আকাশের দিকে তাকানোর বিষয়টি নেই (আহমাদ হা/১৭৪০১; ইরওয়া হা/৯৬, সনদ যঈফ)। অতএব ওযূ শেষে যে কোন দিকে ফিরে দো‘আ পাঠ ক
উত্তর : যদি কোন ঘরে সম্মানের জন্য বা সৌন্দর্যের ছবি রাখা হয় বা টাঙানো থাকে, তাহ’লে উক্ত ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করবে না (বুখারী হা/৩২২৬; মুসলিম হা/২১০৬)। তবে অপ্রদর্শিত কিংবা অবহেলিত স্থানে যেমন বইয়ের ভিতরে, বিছানার চাদরে, বালিশের কাভারে বা বসা
উত্তর : পিতার সম্পদ যদি মৌলিকভাবে হারাম না হয়, তাহ’লে তা থেকে মীরাছ গ্রহণে সন্তানদের কোন দোষ নেই। যেমন চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই, সূদ, ঘুষ ইত্যাদির মাধ্যমে উপার্জিত সম্পদ। যদি পিতার সম্পত্তিতে এই ধরনের সম্পদ থাকে এবং এর পরিমাণ জানা থাকে তাহ’লে সম্ভ
উত্তর : দাদা মেয়েদের বঞ্চিত করে কেবল ছেলেকে জমি লিখে দিয়ে কবীরা গুনাহ করেছেন। উক্ত ছেলের জন্য অত্যাবশ্যক হ’ল তার বোনদের প্রাপ্য হক ফিরিয়ে দেওয়া। অন্যথায় সেও কবীরা গুনাহগার হবে। মীরাছ বণ্টনের নির্দেশ দেওয়ার পর আল্লাহ বলেন, ‘পক্ষান্তরে যে ব্যক্
উত্তর : মৃত সন্তানের ছেলে-মেয়েদের জন্য অছিয়ত করা দাদার জন্য ওয়াজিব নয়, তবে মুস্তাহাব। আর তা সর্বোচ্চ এক-তৃতীয়াংশ পরিমাণ সম্পদ (ইবনু আব্দিল বার্র, আত-তামহীদ ১৪/২৯২)। আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের কারু যখন মৃত্যুকাল উপস্থিত হয়, তখন যদি সে কিছু ধন-সম্পদ ছেড়
উত্তর : সাধারণ আমলগত নিফাকীর কারণে ছালাত পরিত্যাগ করে থাকলে সে মুসলিম মিল্লাত থেকে খারিজ হবে না এবং স্ত্রীর সাথে বিবাহ বিচ্ছেদও হবে না। এমতাবস্থায় সে কবীরা গুনাহগার হবে। আর যদি আক্বীদাগত নিফাকী তথা কুফরীর পর্যায়ের যায় এবং ছালাতের বিধানকে অস্ব
উত্তর : এমতাবস্থায় প্রথমতঃ সম্ভাব্য সকল উপায়ে প্রাপককে খুঁজে বের করার জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করতে হবে। প্রয়োজনে তাদের অবর্তমানে তাদের ওয়ারিছদের নিকট তা পৌঁছে দিতে হবে। দ্বিতীয়তঃ কোনভাবেই তাদের খুঁজে না পেলে তাদের নামে উক্ত সম্পদ ছাদাক্বা করে দিল
উত্তর : জিন বা অন্য কোন প্রাণীকে খুশি করার জন্য ভবনের ভিতে সোনা-রূপা বা অন্য কিছু প্রদান করা শিরক। কারণ উপকার বা ক্ষতি করার ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর হাতে (বিন বায, মাজাল্লাতুদ দাওয়াহ সংখ্যা ১৬০২, পৃ. ৩৪; ছালেহ ফাওযান, আস সিহরু ওয়াশ-শাঊযা পৃ. ৮৬-৮
উত্তর : বিবাহের উদ্দেশ্যে পাত্রী দেখা মুস্তাহাব। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে বলল, আমি আনছারদের এক মেয়েকে বিবাহ করতে চাই। তিনি বললেন, তুমি তাকে প্রথমে দেখে নাও। কারণ আনছার মহিলাদের চোখে দোষ থাকে (মুসলিম হা/১৪২৪, ম
উত্তর : ভুলবশতঃ এমন ঘটনা ঘটে গেলে কেউ অপরাধী হবে না ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ বলেন, আর তোমরা কোন ভুল করলে তাতে তোমাদের কোন অপরাধ নেই। কিন্তু তোমাদের অন্তরে দৃঢ় সংকল্প থাকলে অপরাধ হবে। বস্ত্ততঃ আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু’ (আহযাব ৩৩/০৫)। রাসূল (ছাঃ) বল
উত্তর : তিনি যতজনের সাথে সাক্ষাৎ করবেন, সম্ভব হ’লে ততজনকে সালাম দেওয়া মুস্তাহাব। নবী করীম (ছাঃ)-কে প্রশ্ন করা হ’ল উত্তম ইসলাম কোনটি? জবাবে তিনি বললেন, অন্যকে খাদ্য খাওয়ানো এবং পরিচিত অপরিচিত সকলকে সালাম দেওয়া (বুখারী হা/১২; মিশকাত হা/৪৬২৯)। আ
উত্তর : ভালোবাসা, দয়া বা স্নেহ প্রকাশার্থে মাহরাম নারী-পুরুষের জন্য আলিঙ্গন ও কপাল বা গালে চুম্বন করা জায়েয। সে হিসাবে পিতা-মাতা তাদের সন্তানদেরকে কিংবা ভাই-বোন পরস্পরের কপালে বা গালে চুম্বন দিতে পারে এবং কোলাকুলিও করতে পারে। তবে কারো মনে অনৈ
উত্তর : পিতা-মাতার সাথে সর্বাবস্থায় সুসম্পর্ক রাখাই ইসলামের নির্দেশ। আল্লাহর পরই পিতা-মাতার হক আদায় করা যরূরী। এমনকি পিতা-মাতা কাফের হ’লেও তাদের সম্মান ও আনুগত্য করতে হবে; যদি না তারা শিরক, কুফরী বা অন্যায়ের আদেশ দেন (আনকাবূত ২৯/৮)। সুতরাং তা
উত্তর : ইমামের খুৎবা চলাকালীন মুক্তাদী চুপ থেকে খুৎবা শুনবে যদিও সে ভাষা না বুঝে। কারণ খুৎবায় হাযির হওয়া জুম‘আর দিনের বিশেষ ইবাদতের অংশ (জুম‘আ ৬২/০৯)। আর রাসূল (ছাঃ) বলেন, জুম‘আর দিন ইমাম খুৎবারত অবস্থায় যদি তুমি তোমার পাশের মুছল্লীকে ‘চুপ কর’ বল
উত্তর : স্ত্রী তার মৃত স্বামী থেকে প্রাপ্ত মীরাছের সম্পদ বিক্রয় করতে পারবে। তবে সেটি বণ্টননামা চূড়ান্ত হওয়ার পর কার্যকর হবে। অতএব বণ্টননামা প্রস্ত্ততের পূর্বে কোন সম্পত্তি বিক্রয় করে থাকলে তা অবৈধ হিসাবে গণ্য হবে। আর সরকারী আইনেও সেটি অবৈধ। অ
উত্তর : পিতা-মাতাকে বুঝিয়ে ছালাতের জামা‘আতে যেতে হবে। কেননা সন্তান বালেগ বা বয়ঃপ্রাপ্ত হ’লে তার জন্য জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করা ওয়াজিব। কেউ যদি আযান শোনার পরেও ওযর ছাড়া বাড়িতে ছালাত আদায় করে, তাহ’লে সে গুনাহগার হবে (নাসাঈ হা/৮৫০; ছহীহুত তারগ
উত্তর : মসজিদের নীচে সেফটি ট্যাঙ্ক বা টয়লেটের পাইপ দেওয়াতে কোন বাধা নেই। তবে অবশ্যই মসজিদের পবিত্রতা নিশ্চিত করতে হবে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরালো রাখতে হবে (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ২/৫৪; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব; উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘
উত্তর : সাময়িকভাবে পিতা তার কতিপয় সন্তানকে সমঝোতার ভিত্তিতে কিছু জায়গা চাষাবাদ করার জন্য দিতে পারেন। তবে পিতার মৃত্যুর পর সেগুলো মীরাছ অনুপাতে ভাগ করে নিতে হবে। আয়েশা (রাঃ) বলেন, ‘আবুবকর (রাঃ) গাবা নামক স্থানের বাগানের কিছু খেজুর গাছ আম
উত্তর : বিদ্বানগণ হাতিকে হিংস্র প্রাণীর মধ্যে গণ্য করে হাতির গোশত হারাম সাব্যস্ত করেছেন। নববী (রহঃ) বলেন, আমাদের নিকট হাতির গোশত হারাম (আল-মাজমূ‘ ৯/১৭)। ইমাম আহমাদ ও ইবনু কুদামা (রহঃ) বলেন, এটি হারাম। হাতির গোশত মুসলমানদের খাদ্য নয় (মুগনী ৯
উত্তর : এরূপ জঘন্য ও ঘৃণ্য কর্মে লিপ্ত ব্যক্তির উপর বিচারক তার বিবেচনা অনুপাতে শাস্তি প্রদান করবেন। আর পশুটিকে হত্যা করতে হবে (উছায়মীন, শারহুল মুমতে‘ ১৪/২৪৬; ইবনু কুদামা, আল-মুগনী ৯/৬২)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি পশুর সাথে কুকর্মে লিপ্ত হয়, সে অভ
উত্তর : প্রথমতঃ যদি অজ্ঞতার কারণে হারাম পন্থায় উপার্জন করে থাকে এবং সঠিক বিধান জানার সঙ্গে সঙ্গে হারাম থেকে বিরত হয় তাহ’লে পূর্বের উপার্জিত সম্পদ তার জন্য ভোগ করা জায়েয (বাক্বারাহ ২/২৭৫; ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২৯/৪৪৩-৪৪, তাফসীরু আয়াতিন
উত্তর : ছালাতের প্রথম বৈঠকে তাশাহহুদ পাঠ করা ওয়াজিব।এক্ষণে কেউ যদি তাশাহহুদ পাঠ করতে ভুলে যায় তাহ’লে শেষ বৈঠকে দু’টি সহো সিজদাহ দিয়ে সালাম ফিরাবে। এজন্য পুরো ছালাত আদায় করতে হবে না (বুখারী হা/৮২৯; মিশকাত হা/১০১৮; ইবনু কুদামাহ, আল-কাফী ১/২৭৩; বিন
উত্তর : উক্ত কাজ করা জায়েয হবে না। কারণ এতে গুনাহের কাজে সহায়তা করা হবে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা পাপ ও অন্যায়ের কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা করো না’ (মায়েদাহ ৫/২)। এক্ষণে যদি কর্তৃপক্ষ এই ধরনের কাজে বাধ্য করে, তবে বিকল্প কর্ম অন্বেষণ করবে। আল্লাহ বলেন,
উত্তর : বিনা ওযরে কফিন বক্সে রেখে দাফন করা শরী‘আত সম্মত নয়। রাসূল (ছাঃ) বা ছাহাবায়ে কেরামের আমলে এমন পদ্ধতি চালু ছিল না। বরং কবরের সাধারণ মাটিতে রেখে লাশ দাফন করবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২/৩১২)। এক্ষণে লাশ যদি পুড়ে যায় বা বন্যায় ভেসে যাওয়ার আ
উত্তর : যেকোন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তি নিয়োগদাতার সাথে চুক্তি অনুযায়ী যথাযথভাবে দায়িত্বপালন না করে ফাঁকি দিলে গুনাহগার হবে। কারণ চাকুরীরত ব্যক্তি নিয়োগকারীর সাথে নির্দিষ্ট শর্তাধীনে চুক্তিবদ্ধ হয়ে কর্মরত হয়েছেন। যা একটি আমানত। এর খেয়ানত করল
উত্তর : লাশের সাথে এমন অসম্মানজনক আচরণ করা গর্হিত অপরাধ। শারঈ কারণ ব্যতীত কবর খনন করে লাশ উঠানো বা কবর স্থানান্তর করা জায়েয নয়। এতে লাশের প্রতি অসম্মান করা হয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, লাশের হাড্ডি ভাঙ্গা জীবিতের হাড্ডি ভাঙ্গার সমান (মুওয়াত্ত্বা, আবুদ
উত্তর : মৃতের ছেলে ও মেয়ে জীবিত থাকায় পৌত্রী কোন সম্পত্তি পাবে না। কারণ মৃতের নিকটতম আত্মীয় ছেলে ও মেয়েরা জীবিত আছেন। তবে দাদা ও চাচাদের উচিৎ ইয়াতীম মেয়েটির জন্য কিছু সম্পত্তি অছিয়ত করা বা পিতা জীবিত থাকলে যে পরিমাণ সম্পত্তি পেত সে পরিমাণ সম্
উত্তর : এ ধরনের অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সমালোচনা গীবত হিসাবে গণ্য হবে, যা ইসলামে নিষিদ্ধ। রাসূল (ছাঃ) তাঁর উম্মতকে এ বিষয়ে সতর্ক করে বলেন, ‘আমার উম্মতের অধিকাংশ মানুষ তার যবানের কারণে জাহান্নামে যাবে’ (তিরমিযী হা/২০০৪; ছহীহুত তারগীব হা/১৭২৩)
উত্তর : এতে কোন সমস্যা নেই। কারণ এটি মূলতঃ প্রতারণা নয়। বরং রোগীকে সান্ত্বনা দেওয়া। এমতাবস্থায় প্রয়োজনবোধে রোগীকে ঔষধের কার্যকারিতা বিলম্বের সঠিক কারণ জানাবে।প্রশ্নকারী : মুছত্বফা, নওগাঁ।
উত্তর: প্রথমতঃ পিতা মীরাছ বণ্টন যথাযথভাবে না করায় এবং মেয়েদের হক নষ্ট করায় গোনাহগার হয়েছেন। এক্ষণে বোনেরা যদি খুশি হয়ে প্রাপ্য দাবী ত্যাগ করেন বা কম-বেশীতে রাযী থাকেন, তবেই পিতা দায়মুক্ত হবেন। কারণ ভাই-বোনদের পারস্পরিক সন্তুষ্টি ও সমঝোতার মাধ
উত্তর : বিবাহিতা মেয়ে স্বামীর আনুগত্য করবে এবং যথাসম্ভব পিতা-মাতাকে সাহায্য করবে। কারণ ইসলামী শরী‘আতে স্বামীর আনুগত্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে (আহমাদ হা/১৯০২৫; ছহীহাহ হা/২৬১২)। শায়খুল ইসলাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, বিবাহিতা নারীর জন্য স্বামীই
উত্তর : দো‘আ ইউনুস দ্বারা ইস্তিগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করা যায়। কারণ দো‘আ দুই প্রকার-প্রশংসা মূলক ও প্রার্থনা মূলক। আর দো‘আ ইউনুসের মধ্যে দু’টোই রয়েছে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ১০/২৪৪)। যেমন আল্লাহ বলেন, অতঃপর সে (মাছের পেটে) ঘন অন্ধকা
উত্তর : আল্লাহর গুণাবলী দু’ভাবে বিভক্ত। (১) সত্তাগত গুণাবলী। যেমন তাঁর চেহারা, হাত, পা, চক্ষু, কর্ণ ইত্যাদি। আল্লাহ বলেন, وَيَبْقَى وَجْهُ رَبِّكَ ذُو الْجَلاَلِ وَالْإِكْرَامِ- ‘কেবল অবশিষ্ট থাকবে তোমার প্রতিপালকের চেহারা। যিনি মর্যাদা ও সম্
উত্তর: উক্ত মর্মে কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না। তবে শয়তান মানুষের সাথে সর্বক্ষণ অবস্থান করে এবং ওয়াসওয়াসা প্রদান করে (মুসলিম হা/২৮১৪)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘শয়তান মানুষের রক্তনালীর মধ্যে প্রবেশ করে তাকে বিভ্রান্ত করতে পারে’ (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৬৮ ‘
উত্তর : সর্বাবস্থায় টাখনুর উপর কাপড় পরতে হবে। কারণ টাখনুর নীচে কাপড় পরিধান করা নিষিদ্ধ। বরং শীত নিবারণের জন্য লম্বা মোযা পরিধান করবে (তিরমিযী হা/২৮২০; মিশকাত হা/৪৪১৮)। অহংকারবশে টাখনুর নীচে কাপড় ঝুলিয়ে পরলে ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন
উত্তর : এমন পশুর সমস্যা গোপন রেখে বিক্রয় করা যাবে না। বরং পশুটির অসুস্থতার কথা স্পষ্টভাবে ক্রেতাকে জানাবে। জেনেশুনে ক্রয় করলে কোন বাধা নেই। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ক্রেতা-বিক্রেতা (একে অপরের সাথে) বিচ্ছিন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের উভয়ের এখতিয়ার থাকবে
উত্তর: প্রশ্নে উল্লেখিত বিষয়টি ব্যবসায়িক ইন্স্যুরেন্স-এর অন্তর্ভুক্ত। আর ব্যবসায়িক ইন্স্যুরেন্স ইসলামী শরী‘আত সম্মত নয়। কারণ- (১) ইন্স্যুরেন্সের মধ্যে সূদ বিদ্যমান। এতে জমা টাকার বিনিময়ে অধিক টাকা দিয়ে সহযোগিতা করা হয়। (২) ইন্স্যুরেন্স জুয়ার
উত্তর : পেশাব বা পায়খানার চাপ নিয়ে ছালাত আদায় করলে তা আদায় হয়ে যাবে। তবে রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘খাদ্য উপস্থিত হ’লে ছালাত নেই এবং পেশাব-পায়খানার চাপ থাকলে কোন ছালাত নেই’ (মুসলিম হা/৫৬০; মিশকাত হা/১০৫৭)। এছাড়া এর ফলে ছালাতে খুশূ-খুযূ থাকে না। অতএব এম
উত্তর : সন্তান প্রসবের সময় ডাক্তার বা ধাত্রী এবং উক্ত বিষয়ে অভিজ্ঞ সহযোগী মহিলা ব্যতীত অন্য কোন মহিলার সেখানে থাকা আদৌ ঠিক নয়। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘কোন পুরুষ কোন পুরুষের এবং কোন মহিলা কোন মহিলার সতরের দিকে যেন দৃষ্টিপাত না করে’ (মুসল
উত্তর : ওয়ায মাহফিলের জন্য দান ধনী-গরীব সবাই গ্রহণ করতে বা খেতে পারে। সেখানে মসজিদ কমিটির সদস্যসহ আম জনতা উক্ত খাবার গ্রহণ করলে তাতে বাধা নেই। কেননা সেটি হাদিয়ার অন্তর্ভুক্ত (নববী, আল-মাজমূ’ ৬/২৩৬; ইবনু কুদামাহ, মুগনী ২/২৭৬; আযীমাবাদী, আওনুল মা
উত্তর : যৌতুক মনে না করে যদি শ্বশুর স্বেচ্ছায় তার জামাইকে হাদিয়া স্বরূপ কিছু প্রদান করেন, সেটি গ্রহণ করা জায়েয। রাসূল (ছাঃ) ফাতেমা (রাঃ)-এর বিয়ের সময় তাঁর সংসারের জন্য দিয়েছিলেন- একটি চাদর, খেজুর গাছের ছালে ভরা একটি বালিশ, একটি চামড়ার গদি, এক
উত্তর : অভাব-অনটন আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ থেকে একদিকে যেমন পরীক্ষা অন্যদিকে অভাবীদের জন্য রয়েছে সুসংবাদ। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আমি জান্নাতে উঁকি মেরে দেখলাম যে, এর অধিকাংশ অধিবাসী হ’ল গরীব-মিসকীন’ (বুখারী হা/৩২৪১; মিশকাত হা/৫২৩৪)। তিনি বলেন, ‘দরিদ্ররা
উত্তর : ‘কুনূতে নাযেলাহ’ ফজর ছালাতে অথবা সব ওয়াক্তে ফরয ছালাতের শেষ রাক‘আতে রুকূর পরে দাঁড়িয়ে ‘রববানা লাকাল হাম্দ’ বলার পরে দু’হাত উঠিয়ে সরবে পড়তে হয়। অবস্থা বিবেচনা করে ইমাম আরবীতে দো‘আ পড়বেন ও মুক্তাদীগণ ‘আমীন’ ‘আমীন’ বলবেন (বুখারী হা
উত্তর : সূরা যিলযালের ফযীলত সংক্রান্ত তিরমিযীর উক্ত হাদীছাংশটি মুনকার ও যঈফ। যেখানে বর্ণিত হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি সূরা যিলযাল পাঠ করবে, সে অর্ধেক কুরআন পাঠের সমপরিমাণ নেকী পাবে’ (তিরমিযী হা/২৮৯৪; মিশকাত হা/২১৫৬ ; সিলসিলা যঈফাহ হা/১৩৪২)।প্রশ্নকারী :
উত্তর : নাজায়েয নয়। কেননা হারাম উপার্জনের জন্য উক্ত ব্যক্তি নিজে দায়ী হবে। এতে ব্যবসা হারাম হবে না (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৪/২০১; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ১৫/৭৮)। শর্ত হ’ল, ব্যবসাটি যেন হারাম না হয়।প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ হোসাইন, নওগাঁ।
উত্তর : জুম‘আর ছালাতের পূর্বে নির্দিষ্ট কোন সুন্নাতে রাতেবা নেই। বরং সময় সাপেক্ষে দুই দুই রাক‘আত করে নফল ছালাত আদায় করতে থাকবে। যেহেতু পূর্বে কোন সুন্নাত নেই, সেজন্য কোন ক্বাযা আদায় করতে হবে না (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১২/৩৮৬)।প্রশ্নকারী : রূহু
উত্তর : প্রশ্নের বিবরণ মোতাবেক এক তালাক হয়েছে এবং রাজ‘আতও হয়েছে। এজন্য বর্তমানে তার সাথে কোন আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই সংসার করা যাবে (বাক্বারাহ ২/২২৮; ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৭/৫২৪)। তবে রাজ‘আতের সময় দু’জন সাক্ষী রাখা ভালো (শায়খ বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দা
উত্তর : ধর্মীয় রেওয়াজ বানিয়ে যদি কেউ এরূপ খাওয়ায়, তবে সেটি নিষিদ্ধ। যেমন বর্তমানে এটিকে বলা হয় অগ্রিম ‘ফয়তা’। আর মৃত্যুর পর যে কোন অছিয়ত শরী‘আতসম্মত হ’লে পালন করা ওয়াজিব। এক্ষণে যদি কেউ বিশেষ কোন দিন নির্দিষ্ট না করে সাধারণভাবে লোকজন বা অসহায়
উত্তর : মিশনারীদের উক্ত দাবী ভিত্তিহীন। কেননা সূরা আলে ইমরানের উক্ত আয়াতদ্বয়ে বলা হয়েছে, কুরআন তার পূর্ববর্তী ইলাহী কিতাব সমূহের সত্যায়নকারী। যা স্ব স্ব যুগের জন্য হেদায়াত গ্রন্থ ছিল। কুরআন আসার পরে পূর্বের গ্রন্থ সমূহের হুকুম রহিত হয়ে গেছে।
উত্তর : ক্রুশ প্রতীক খৃষ্টানদের ধর্মীয় নিদর্শন। এটি ব্যবহার করা মুসলিমদের জন্য জায়েয নয়। আল্লাহ বলেন, যখন তোমরা লোকদের থেকে কুরআনের আয়াত সমূহে অবিশ্বাস ও বিদ্রূপ শুনবে, তখন তাদের সাথে বসবে না, যতক্ষণ না তারা অন্য কথায় লিপ্ত হয়। নইলে তোমরাও তা
উত্তর : দ্বিতীয় মা মৃতের স্ত্রী হিসাবে এবং সন্তান না থাকায় এক-চতুর্থাংশ পাওয়ার পর বাকী সম্পত্তি চার ভাই সমানভাবে পেয়ে যাবে। আর দ্বিতীয় মায়ের পূর্বের পক্ষের সন্তানরা এই পিতার ওয়ারিছ না হওয়ায় তারা কোন সম্পত্তি পাবে না (নিসা ৪/১১)।প্রশ্নকারী : ম
উত্তর : শরীর ভেজা অবস্থায় স্মরণ হ’লে শুকনো স্থান ভেজা হাত দ্বারা মাসাহ করবে। আর পরে মনে হ’লে কিছুই করতে হবে না। কারণ এটি শয়তানের ওয়াসওয়াসা হ’তে পারে (ইবনু রজব, আল-কাওয়ায়েদ ৩৪০ পৃ.; ইবনু তায়মিয়াহ, আল-ফাতাওয়াল কুবরা ২/৫০)।প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ নাব
উত্তর : যখনই উক্ত নারীর কথা স্মরণ করিয়ে শয়তান ওয়াসওয়াসা দিবে তখনই বাম দিকে তিনবার থুক মারবে ও ‘আ‘ঊযুবিল্লাহ’ পাঠ করে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করবে (মুসলিম হা/২২০৩; মিশকাত হা/৭৭)। আল্লাহ বলেন, শয়তানের কুমন্ত্রণা যদি তোমাকে প্ররোচিত করে, তাহ’লে আল্লাহর
উত্তর : মাংস শব্দটির উৎপত্তি সংস্কৃত (মন+স) থেকে। এর অর্থ, ‘জীবদেহের অভ্যন্তরস্থ হাড় এবং চামড়ার মধ্যবর্তী নরম ও কোমল অংশ, গোশত’ (আধুনিক বাংলা অভিধান পৃ. ১০৯৫ পৃ., ব্যবহারিক বাংলা অভিধান পৃ. ৯৬৮)। সুতরাং মাংসকে মাংশ তথা হিন্দুদের মায়ের (গরুর) অংশ মন
উত্তর : অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় ও তাতে অংশগ্রহণ করা মুসলমানদের জন্য নিষিদ্ধ। এর মাধ্যমে তাদের বাতিল ধর্মবিশ্বাসকে সমর্থন করা হয়, যা হারাম। আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন দ্বীন তালাশ করে, তার নিকট থেকে তা
উত্তর : কুরআন তেলাওয়াতের শুরুতে এক বার ‘আ‘ঊযুবিল্লাহ’ এবং ‘বিসমিল্লাহ’ পাঠ করবে। অতঃপর তেলাওয়াতরত অবস্থায় কিছুক্ষণ বিরতি নিলে কেবল ‘আ‘ঊযুবিল্লাহ’ পাঠ করা মুস্তাহাব। আর সূরার প্রথম থেকে শুরু করলে ‘বিসমিল্লাহ’ পাঠ করবে (নাহল ১৫/৯৮; নববী, আত-তিবইয়ান ১০০
উত্তর : দ্বিতীয় স্ত্রীর প্রথম স্বামীর মেয়ের সাথে প্রথমা স্ত্রীর গর্ভজাত ছেলের বিবাহে কোন সমস্যা নেই। কারণ তারা পরস্পর মাহরাম নয়। এ ব্যাপারে বিদ্বানগণ ঐক্যমত পোষণ করেছেন (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৭/১২৮; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ২০/২৭৩, ২৯০; ছ
উত্তর : গোঁড়ালী ঢাকে এমন যে কোন মোজার উপর মাসাহ করা জায়েয। হাফ মোজার মাধ্যমে গোঁড়ালী ঢেকে গেলে তার উপর মাসাহ করা যাবে। আর গোঁড়ালী খোলা থাকলে মাসাহ করা যাবে না (তিরমিযী হা/৯৯; শায়খ বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১০/১১১,২৯/৬৮; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৫/২৬
উত্তর : উক্ত পদ্ধতি রাষ্ট্র বা সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত হ’লে তা করা যাবে। দাঊদ ও সুলায়মান (আঃ) বকরী কর্তৃক ফসলের ক্ষতি সাধিত হ’লে জরিমানা করে সমাধান করেন (আম্বিয়া ২১/৭৮; বুখারী ২৩/৩৯৩)।প্রশ্নকারী : আমীনুর রহমানদুপচাঁচিয়া, বগুড়া।
উত্তর : যেকোন উপায়েই হৌক কোন নারীর নিজের বুকের দুধ কোন শিশুকে খাওয়ানো হ’লে এবং দু’টি শর্ত পূরণ হ’লে শিশুটি তার দুধ সন্তান হিসাবে গণ্য হবে। (১) দু’বছরের মধ্যে দুধ পান করতে হবে (বাক্বারাহ ২/২৩৩; দারাকুৎনী হা/৪৪১৩, ৪৩৬৫)। (২) বিশুদ্ধ মতে, অন্ততঃ প
উত্তর : ছালাতের কাতার ঠিক রেখেই অসুস্থ ব্যক্তিকে চেয়ারে বসে ছালাত আদায় করতে হবে। চেয়ারে ছালাত আদায়কারীর তিনটি অবস্থা রয়েছে। প্রথমতঃ মসজিদের প্রথম কাতার মুছল্লী দ্বারা পূর্ণ হ’লে চেয়ারে ছালাত আদায়কারীরা কাতারের যেকোন এক পার্শ্বে ছালাত আদায় করবে। ক
উত্তর : সঠিক নয়। আলিফ না টেনে পড়লে ছালাতের কোন ক্ষতি বা গুনাহ হবে না (উছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৫/২; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ১০/১৭৯)। তবে তাজবীদ, মাখরাজ ও ছিফাতসহ সুন্দরভাবে কুরআন তেলাওয়াত করা উচিৎ। রাসূল (ছাঃ) বলেন, সর্বোত্তম ক্বারী সেই,
উত্তর : লটারীর মাধ্যমে বণ্টন করা জায়েয। রাসূল (ছাঃ) সফরে বের হ’লে লটারীর মাধ্যমে সফরসঙ্গী হিসাবে একজন স্ত্রীকে নির্বাচন করতেন (বুখারী হা/২৫৯৩; মুসলিম হা/২৪৪৫; মিশকাত হা/৩২৩২)। তবে মৃত্যুর পরই মীরাছ বণ্টন করা শারঈ বিধান (নিসা ৪/১১)। এক্ষণে কেউ যদি জীব
উত্তর : পাঠ করা যাবে। হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সর্বাবস্থায়ই আল্লাহর যিকর করতেন (বুখারী ২/৩১; মুসলিম হা/৩৭৩; মিশকাত হা/৪৫৬)।প্রশ্নকারী : সিরাজুল ইসলামনাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম।
উত্তর : তেলাওয়াতে কোন ভুল হ’লে সহো সিজদা যেমন ইমামকে দিতে হবে না, তেমনি মুছল্লীকেও দিতে হবে না। বরং ছালাতের রাক‘আতে কম-বেশী হ’লে বা কোন ফরয-ওয়াজিব-সুন্নাত ছুটে গেলে সহো সিজদা দিতে হবে। তবে সূরা ফাতিহার বিষয়টি স্বতন্ত্র। কেননা এটি ফরয। কেউ যদি
উত্তর : সুন্নাত হ’ল যেখানে মারা যাবে সেখানেই লাশ দাফন করা। রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরামের আমল থেকে এমন সুন্নাতই চালু রয়েছে (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ২/৩৮০; ফাতাওয়া ইসলামিয়াহ ২/৩১)। এক্ষণে যদি কেউ কোন অমুসলিম দেশে মারা যায় এবং সেখানে মুসলমানদের পৃথক গো
উত্তর : শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে রক্ষা পেতে যেকোন কাজ শুরুর পূর্বে ‘আ‘ঊযুবিল্লাহ’ পাঠ করা মুস্তাহাব। আল্লাহ বলেন, ‘শয়তানের কুমন্ত্রণা যদি তোমাকে প্ররোচিত করে, তাহ’লে আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ কর। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ (আ‘রাফ ৭/২০০)। আর কুরআন
উত্তর : কারো প্রশংসায় এমন বাক্য বলা যাবে না। কারণ আকাশ ও যমীন উভয়ের মালিক আল্লাহ (যুখরুফ ৪৩/৮৪)। আল্লাহ বলেন, ‘বল যা আল্লাহ ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত আমি আমার নিজের কোন কল্যাণ ও অকল্যাণের মালিক নই’ (আ‘রাফ ৭/১৮৮)। এক ব্যক্তি কোন ব্যাপারে রাসূল (ছাঃ)-কে ব
উত্তর : মূসা (আঃ) মাদায়েন থেকে মিসরের পথে যাত্রাকালে যে আগুন দেখেছিলেন তা মূলতঃ আল্লাহর নূর ছিল। আল্লাহ বলেন, ‘(স্মরণ কর) যখন মূসা তার পরিবারকে বলল, আমি একটা আগুন দেখেছি। সত্বর আমি সেখান থেকে তোমাদের জন্য (পথের) সন্ধান নিয়ে আসতে পারব। অথবা জ্
উত্তর : প্রয়োজনে একাধিক স্থানে জানাযায় বাধা নেই (মুত্তাফাক আলাইহ, মিশকাত হা/১৬৫৮; ইবনু কাছীর, আল-বিদায়াহ ৫/২৬৬-৬৭; আর-রাহীকুল মাখতুম, পৃ. ৪৭১)। তবে বর্তমানে জনপ্রিয় মানুষদের লাশ জানাযার উদ্দেশ্যে বহু স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়, যা ঠিক নয়। কেননা তা রাসূ
উত্তর : কারো জন্য মৃত্যু কামনা করে দো‘আ করা যাবে না। তবে তার জন্য মৃত্যু কল্যাণকর মনে হ’লে তার জন্য কল্যাণের দো‘আ করা যাবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমাদের কেউ যেন তার নিকটে বিপদ পৌঁছার কারণে মৃত্যু কামনা না করে। তবে সে যদি মৃত্যু কামনা করতেই চায়
উত্তর : নবুঅত প্রাপ্তির পর থেকেই ছালাত ফরয হয়। তবে তখন ছালাত ছিল কেবল ফজরে ও আছরে দু’ দু’ রাক‘আত করে (কুরতুবী)। যেমন আল্লাহ স্বীয় রাসূলকে বলেন,وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ بِالْعَشِيِّ وَالْإِبْكَارِ- ‘তুমি তোমার প্রভুর প্রশংসা জ্ঞাপন কর আছরে ও ফজর
উত্তর : সাধারণভাবে আইনী সহায়তা কোন নাজায়েয পেশা নয়। তবে সেখানে সর্বদা সত্যকে বিজয়ী করা, যুলুমের প্রতিরোধ করা এবং মানুষকে তার হক ফেরত দেয়ার কাজে নিয়োজিত থাকতে হবে। যাতে কোন নিরপরাধ ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত না হয় এবং অপরাধী ছাড়া না পায়। আল্লাহ বলে
উত্তর : ছেলের অসুস্থতা কিংবা দরিদ্রতাহেতু প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহে অক্ষম হয়ে পড়লে বা ঋণগ্রস্ত হ’লে সামর্থ্যবান পিতা তার ছেলে বা ছেলের স্ত্রীকে যাকাতের অর্থ প্রদান করতে পারে (উছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ দারব ১০/০২; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ২৩/৩২৬
উত্তর : জনস্বার্থে মসজিদের জায়গায় বসানো মটর থেকে সাধারণ মানুষের পানি গ্রহণ করায় কোন বাধা নেই। তবে মসজিদের পবিত্রতা ও আদব যেন নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে পূর্ণ দৃষ্টি রাখতে হবে (যাকারিয়া আনছারী, আসনাল মাতালিব ১/১৮৬; উছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ দারব ১৬
উত্তর : কেউ যদি তার অধিকৃত জায়গায় মূল্যবান পাথর বা অন্য কিছু লাভ করে এবং তা উত্তোলন করে নিজের জন্য ব্যবহার করে, তাহ’লে তাতে যাকাত দিতে হবে না। আর যদি উত্তোলন করে বিক্রি করে এবং এর মূল্য নিছাব পরিমাণ হয় ও এক বছর অতিক্রান্ত হয়, তাহ’লে তাতে যাকা
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কর্তৃক আত্মহত্যার ইচ্ছা পোষণের বিষয়টি সঠিক নয়। যিনি বিশ্বমানবতার জন্য আদর্শ, তার পক্ষ থেকে এমন ইচ্ছা পোষণ করা অসম্ভব। তাছাড়া নবী-রাসূলগণ জন্মগতভাবে মা‘ছূম বা গুনাহ মুক্ত (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ৪/৩২০)। অহী বন্
উত্তর : চুল ও দাড়িতে মেহেদী ব্যবহার করা মুস্তাহাব (আওনুল মা‘বুদ ১১/১৭২; তোহফাতুল আহওয়াযী ৫/৩৫৪; নায়লুল আওতার ১/১৫২)। মক্কা বিজয়ের দিন আবুবকরের পিতা আবু কুহাফার মাথার চুল ও দাড়ি কাশফুলের মত সাদা দেখে রাসূল (ছাঃ) বলেছিলেন, এই সাদাকে পরিবর্তন কর এবং
উত্তর : শেষ বৈঠকে ‘আত্তাহিইয়া-তু’ পড়ার পরে দরূদ, দো‘আয়ে মাছূরাহ এবং সম্ভব হ’লে অন্য দো‘আ পড়বে (ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/১২৯; মির‘আত ১/৭০৪; ঐ, পৃ. ৩/২৯৪-৯৫, হা/৯৪৭, ৯৪৯; ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) ‘শেষ বৈঠক’ অধ্যায় ১১৬ পৃ.)। আর দরূদ ছুটে গেলে সহো সিজদা দেওয়া যরূরী
উত্তর : সন্তানের বিরুদ্ধে বদ দো‘আ করা সমীচীন নয়। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা নিজেদের জন্য বদ দো‘আ করো না, নিজ সন্তানদের বিরুদ্ধে বদ দো‘আ করো না এবং নিজেদের অর্থ-সম্পদের ব্যাপারে বদ দো‘আ করো না, যাতে তোমরা এমন এক সময়ে না পৌঁছে যাও, যে সময় দো
উত্তর : সাধারণ অবস্থায় স্বামীর অনুমতি ছাড়া জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করা যাবে না। কারণ সন্তান গ্রহণ বিবাহের অন্যতম মূখ্য উদ্দেশ্য। তবে স্বামীর অনিষ্ট থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সম্পর্ক স্থির না হওয়া পর্যন্ত সাময়িক জন্ম নিয়ন্ত্রণে কোন দোষ হবে না
উত্তর : বিবাহ করা গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত। মানব বংশ রক্ষার জন্য এটি আল্লাহ প্রদত্ত একটি চিরন্তন ব্যবস্থা। এটি নবীগণের সুন্নাত। বিবাহ করার জন্য পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছে অনেক নির্দেশনা এসেছে (নিসা ৪/৩; নূর ২৪/৩২; মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৩০৮০)
উত্তর : পৃথিবীতে যাদের ভাই বা বোন নেই তাদের পরকালে আপন ভাই বা বোন পাওয়ার ব্যাপারে কোন হাদীছ বর্ণিত হয়নি। তবে জান্নাতবাসীগণ সেখানে যা চাইবে তাই পাবে। আল্লাহ বলেন, ‘...সেখানে তোমাদের জন্য রয়েছে যা তোমাদের মন চাইবে এবং সেখানে রয়েছে যা তোমরা দাবী
উত্তর : হাজরে আসওয়াদ একটি পাথর মাত্র। সেটি আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত কারো উপকার বা ক্ষতি করতে পারে না, যেমনটি ওমর (রাঃ) বলেছেন (বুখারী হা/১৫৯৭; মুসলিম হা/১২৭০)। এ ব্যাপারে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, জিজ্ঞেস কর, সবকিছুর কর্তৃত্ব কার হাতে? যিনি আশ্রয় দেন ও যার
উত্তর : এজন্য কোন গুনাহ হবে না বা কাফফারাও দিতে হবে না। কারণ এটা মানব হত্যার শামিল নয়। বরং কেউ ইচ্ছা করে গর্ভপাত ঘটালে তাকে গুনাহগার হতে হবে এবং কাফফারা দিতে হবে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২৪/২৬৭; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২১/৪০৪-৪০৫)। এক্ষ
উত্তর : আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করলে জীবন ও জীবিকায় বরকত লাভ হয় এবং হায়াত বৃদ্ধি পায় বলে একাধিক ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে (তিরমিযী হা/২১৪১; মিশকাত হা/২২৩৩; ছহীহাহ হা/১৫৪)। তবে নির্দিষ্টভাবে ত্রিশ বছর বৃদ্ধি পাওয়া বা কমে যাওয়ার বিষয়ে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ
উত্তর : পিতা-মাতা সন্তানের নিকট সমান অধিকার রাখেন। যদিও সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে মায়ের অগ্রাধিকার রয়েছে। এক্ষণে মায়ের প্রতি পিতার অসদাচরণের ক্ষেত্রে সন্তানের দায়িত্ব হ’ল নিরপেক্ষভাবে উভয়কে তাদের ভুলের ব্যাপারে সচেতন করা এবং সাধ্যমত মীমাংসার চেষ্ট
উত্তর : প্রথম সালাম ফিরানোর মাধ্যমে ছালাত সমাপ্ত করায় ছালাত শুদ্ধ হয়েছে (বুখারী হা/৭১৫; জাছছাছ, শারহু মুখতাছারুত ত্বাহাবী ২/১৭)। তবে সহো সিজদার পরে সালাম না ফিরানো ভুল হয়েছে। কারণ সহো সিজদার পর সালাম ফিরানো সুন্নাত (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/১০১৬, দ্র. ছালাত
উত্তর : সফরকালে কেউ দো‘আ চাইলে ‘ফী আমানিল্লাহ’ বলার স্পষ্ট দলীল নেই। তবে সাধারণভাবে এক্ষেত্রে ফী আমানিল্লাহ, ফী হিফযিল্লাহ, ফী কানাফিল্লাহ, আলা বারাকাতিল্লাহ ইত্যাদি শব্দ ব্যবহারে দোষ নেই। যেমন জনৈক ছাহাবী সফরকালে রাসূল (ছাঃ)-এর কাছে বিদায় চা
উত্তর : রুকূ ও সিজদায় কুরআনের সূরা ও আয়াত সমূহ তেলাওয়াত করা নিষিদ্ধ। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘সাবধান! আমাকে রুকূ-সিজদায় কুরআন তেলাওয়াত করতে নিষেধ করা হয়েছে। তাই তোমরা রুকূতে তোমাদের রবের মহিমা বর্ণনা কর। আর সিজদায় অতি মনোযোগের সাথে দো‘আ কর। আশা করা
উত্তর : বেগানা নারী ও পুরুষের মধ্যে বিবাহ বহির্ভূত প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলা হারাম। অতএব বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হ’তে চাইলে প্রথমতঃ পূর্বের পাপের জন্য খালেছ নিয়তে অনুতপ্ত হৃদয়ে তওবা করবে। আল্লাহ বলেন, ‘তবে তারা ব্যতীত, যারা তওবা করে, ঈমান আনে ও সৎক
উত্তর : ক্রয় করার পর জানতে পারলে মূল মালিককে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে। আর মালিক মারা গেলে তার উত্তরাধিকারীদের দিবে। কাউকে না পাওয়া গেলে মসজিদ, ব্রীজ-কালভার্ট নির্মাণ প্রভৃতি খাতে মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে দান করে দিবে (নববী, আল-মাজমূ‘ ৯/৩৫১; ইবনু
উত্তর : উল্লেখিত মর্মে সরাসরি কোন বর্ণনা নির্ভরযোগ্য সূত্রে পাওয়া যায় না। তবে তারীখু বাগদাদে ইসহাক বিন রাহওয়াইহ-এর সাথে ইমাম আহমাদের অনুরূপ একটি বর্ণনা পাওয়া যায়, যেখানে রুটি বিক্রেতার কথা উল্লেখ নেই। উপরন্তু সেটির সনদও গ্রহণযোগ্য নয় (তারীখু
উত্তর : কেউ উপকার করলে তার প্রতিদানে ‘জাযাকাল্লাহ’ বলা সুন্নাত। রাসূল (ছাঃ) বলেন, কাউকে অনুগ্রহ করা হ’লে সে যদি অনুগ্রহকারীকে বলে, ‘জাযাকাল্লাহু খায়রান’ (আল্লাহ আপনাকে সর্বোত্তম প্রতিদান দিন) তবে সে উপযুক্ত ও পরিপূর্ণ প্রশংসা করল (তিরমিযী হা/
উত্তর : আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই ছালাত মুমিনদের উপর নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্ধারিত (নিসা ৪/১০৩)। অতএব নির্ধারিত সময়েই ছালাত আদায় করতে হবে। কেউ ইচ্ছা করে সময়ের পূর্বে ছালাত আদায় করলে তা বাতিল হয়ে যাবে এবং গুনাহগার হবে (উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ২/৯৬)।
উত্তর : সিজদায় যাওয়ার সময় মাটিতে প্রথমে কপাল রাখবে এরপর নাক রাখবে। আর উঠানোর সময় সুবিধামত উঠাবে (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ১/৩৭০ পৃ.)।প্রশ্নকারী : মিনহাজ পারভেয, হড়গ্রাম, রাজশাহী।
উত্তর : প্রাণীর ছবি নেই এমন কক্ষে ছালাত আদায় করার চেষ্টা করবে এবং ছবি অপসারণ করার জন্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে নছীহত করবে। সম্ভব না হ’লে উক্ত কক্ষেই সিজদার স্থানে দৃষ্টি রেখে ছালাত আদায় করবে। এমন বাধ্যগত পরিস্থিতিতে সেখানে ছালাত আদায় হয়ে যাবে
উত্তর : বিদ‘আতীর আমল বিনষ্টের ব্যাপারে বিদ্বানগণ বিশদ আলোচনা করেছেন, যার সারমর্ম হচ্ছে, বিদ‘আতযুক্ত আমল সমূহ সরাসরি বিনষ্ট হবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৪০) এবং ভবিষ্যতের অন্যান্য আমল সমূহের ফরযিয়াত আদায় হ’লেও ইবাদতের বিপরীতে বর্ণিত ফযীলতসমূহ থে
উত্তর : একই ব্যক্তি আযান, ইক্বামত ও ইমামতির দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। তবে আযান ও ইক্বামত আলাদা ব্যক্তি দেওয়াই উত্তম (নববী, আল-মাজমূ‘ ৩/৮০; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১০/৩৩৯)।প্রশ্নকারী : মাহমূদুল হাসান, কাউনিয়া, রংপুর।
উত্তর : বাজার থেকে সদ্য ক্রয়কৃত নতুন-পুরাতন সকল পোষাক ধুয়ে পরিধান করা উত্তম। কারণ নতুন পোষাকেও অনেক মানুষের স্পর্শ থাকে, যার ফলে অপবিত্রতা লেগে যেতে পারে। আর ব্যবহৃত পুরাতন পোষাক ধুয়ে পরিধান করা যরূরী। কারণ উক্ত পোষাকের অপবিত্রতা লেগে থাকার স
উত্তর : সুযোগ থাকলে এগুলি খুলে রেখে ওযূ করে ছালাত আদায় করবে। আর সহজ না হ’লে বা পর্দার পরিবেশ না থাকলে মাথার উপরে ওড়নাসহ খোপা বা ব্যান্ড রেখে মাথা মাসাহ করবে। রাসূল (ছাঃ) নিজে মোযা ও পাগড়ীর উপর মাসাহ করেছেন (মুসলিম হা/২৭৫; তিরমিযী হা/১০১)। তিনি
উত্তর : উক্ত মর্মে কিছু ঘটনা তাফসীর সহ বিভিন্ন গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে, যার সবই যঈফ (তাফসীর ইবনু কাছীর ৭/৪০০; বিস্তারিত দ্রষ্টব্য : আব্দুস সালাম বিন মুহসিন, দিরাসাতুন নাক্বদিইয়াহ ফিল মারভিইয়াতিল ওয়ারেদাহ ফী শাখছিইয়াতি ওমর ১/৩২৭-৩১ পৃ.)।প্রশ্নকারী
উত্তর : এভাবে খুৎবা শুনে জুম‘আর ছওয়াব অর্জিত হবে না। বরং মসজিদে গিয়ে ইমামের খুৎবা শুনে জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করবে। প্রয়োজনে যে মসজিদে খুৎবা উত্তমরূপে দেওয়া হয়, সেখানে গিয়ে খুৎবা শুনে ছালাত আদায় করবে (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব ১৩/২২৩
উত্তর : পূর্বের কোন কোন নবীর যুগে সম্মানের উদ্দেশ্যে সিজদা করা জায়েয থাকলেও শেষনবী মুহাম্মাদ (ছাঃ) কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছেন (ইবনু মাজাহ হা/১৮৫৩; ছহীহাহ হা/৩৪৯০; আবুদাঊদ হা/২১৪০; মিশকাত হা/৩২৭০; ছহীহুত তারগীব হা/১৯৩৬)। ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) সিজদা
উত্তর : পবিত্র কুরআন মূলতঃ তিনটি বিষয়ে বিভক্ত। তাওহীদ, আহকাম ও নছীহত। সূরা ইখলাছে ‘তাওহীদ’ পূর্ণভাবে থাকার কারণে তা কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের মর্যাদা পেয়েছে। অর্থাৎ সূরা ইখলাছ একবার পাঠে কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ পাঠের ছওয়াব অর্জিত হয়, যদিও তা এক-তৃতীয়
উত্তর : যেনা অতীব জঘন্য কর্ম। তওবা ছাড়া আল্লাহ তাকে মাফ করবেন না। আল্লাহ বলেন, ক্বিয়ামতের দিন তার শাস্তি দ্বিগুণ হবে এবং সেখানে সে স্থায়ী হবে হীন অবস্থায় (ফুরক্বান ২৫/৬৮-৬৯)। হাদীছে এসেছে, তাদেরকে উলঙ্গ অবস্থায় একটি পেটমোটা সরু মুখ সম্পন্ন চুলা
উত্তর : স্ত্রী সহবাসে কেবল গোসল করা ফরয। কাপড় ধোয়া ফরয নয়। পোষাক পরিধান করে সহবাস করলে পোষাক নাপাক হয় না। এমনকি কাপড়ে বীর্য লেগে গেলেও কাপড় নাপাক হয় না। বরং কাপড়ে বীর্য লেগে গেলে উক্ত স্থান ধুয়ে বা ঘষে বীর্য তুলে ফেলবে এবং তাতে ছালাত আদায় করব
উত্তর : মসজিদের কোন অংশেই অধিক সাজ-সজ্জা করা সমীচীন নয়। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, মসজিদ সমূহকে অতিরিক্ত চাকচিক্যময় করে নির্মাণ করার জন্য আমি নির্দেশপ্রাপ্ত হইনি। ইবনে আববাস (রাঃ) বলেন, কিন্তু তোমরা উহাকে চাকচিক্যময় করবে যেভাব
উত্তর : ক্বিয়ামতের দিন চন্দ্র ও সূর্যকে ভাঁজ করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে মর্মে বিশুদ্ধ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে (ছহীহাহ হা/১২৪; ছহীহুল জামে‘ হা/১৬৪৩)। তবে এটি শাস্তি দেওয়ার জন্য নয়। কারণ এই দু’টো আল্লাহর অনুগত সৃষ্টি। আল্লাহ বলেন, তুমি কি দেখ না যে,
উত্তর : মসজিদের মাইক রাখা হয় আযানের জন্য। এটিকে অন্য কাজে ব্যবহার করা ঠিক নয়। তাছাড়া মসজিদে ব্যবসা-বাণিজ্য করা বা ব্যক্তিগত সম্পদ, প্রাণী বা বস্ত্ত অনুসন্ধান করা নিষিদ্ধ (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৭৩২; তিরমিযী, ইরওয়া হা/১২৯৫)। তবে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক
উত্তর : এক্ষেত্রে তায়াম্মুম করা যাবে না। বরং কোন ওযূখানায় বা কোন বাড়িতে পর্দার পরিবেশ খুঁজে নিয়ে ওযূ করে ছালাত আদায় করবে। কোনভাবেই ব্যবস্থা না করা গেলে বাধ্যগত অবস্থায় তায়াম্মুম করে ছালাত আদায় করবে (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব ৫/১৩১ পৃ.)।
উত্তর : অমুসলিম নারীদের থেকে ততটুকু পর্দা করবে যতটুকু মাহরাম আত্মীয়দের থেকে করা হয়। যেমন সে তার মুখমন্ডল, মাথা, হাত-পা মাহরামের সামনে প্রকাশ করতে পারে তেমনি অমুসলিম নারীদের সামনেও প্রকাশ করতে পারে (উছায়মীন, ফাতাওয়াল মারআতিল মুসলিমাহ ১/৪১৭, ২/৫৮
উত্তর : ওযূর পর জরায়ুর রাস্তা দিয়ে বাতাস বের হ’লে বিশুদ্ধ মতে ওযূ ভেঙ্গে যাবে (নববী, আল-মাজমূ‘ ২/৪; ইবনু কুদামাহ, মুগনী ১/১২৫)। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, স্পষ্টভাবে বায়ূর শব্দ বা গন্ধ না পেলে ওযূ করতে হবে না (ইবনু মাজাহ হা/৫১৫; মিশকাত হা/৩১০; ছহীহুল জ
উত্তর : ফজরের ফরয ছালাতের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত কোন নফল ছালাত নেই (আবুদাউদ হা/১২৭৮; ছহীহুল জামে‘ হা/৫৩৫৩; ইরওয়া হা/৪৭৮)। তবে যদি কারো ফজরের দুই রাক‘আত সুন্নাত ছালাত কাযা থাকে তাহ’লে সেটা আদায় করবে (আবুদাউদ হা/১২৭৮; ছহীহুল জামে‘ হা/৫৩৫৩; উছায়মীন, আশ-শার
উত্তর : চোখে চশমা থাকাকালীন নাক ও কপাল মাটিতে স্পর্শ করিয়ে সিজদা করা সম্ভব হ’লে চশমা পরে সিজদা দেওয়ায় কোন দোষ নেই। তবে চশমা কপাল ও নাক মাটিতে স্পর্শ করাতে বাধা হয়ে দাঁড়ালে চশমা খুলে ছালাত আদায় করবে (উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৩/১৮৬)। কারণ র
উত্তর : কুরআনের শিক্ষিকা হায়েযা অবস্থায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দিতে পারবে, তবে সরাসরি কুরআন স্পর্শ করবে না। বরং হাত মোযা বা কোন প্রতিবন্ধকের মাধ্যমে কুরআন স্পর্শ করবে (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ দারব ৫/৪৩১ পৃ.)।প্রশ্নকারী : রবীউল ইসলাম, পুঠিয়া,
উত্তর : এ ব্যাপারে শারঈ কোন নির্দেশনা নেই। তবে সর্বাবস্থায় মাইয়েতের জন্য ছাদাক্বা করা যায়। কারণ ছাদাক্বার মাধ্যমে মাইয়েত কবরে উপকৃত হয় (বুখারী হা/১৩৮৮, ২৭৫৬; মুসলিম হা/১০০৪)। আর কেউ খারাপ বা দুশ্চিন্তাযুক্ত স্বপ্ন দেখলে বাম দিকে তিনবার থুক মারবে,
উত্তর : মুসলিম দেশে বসবাসকারী অমুসলিমের জীবন, ধন-সম্পদ ও সম্মান রক্ষা করার দায়িত্ব মুসলিম সরকারের (মুমতাহিনা ৬০/৮)। সেক্ষেত্রে মুসলিম নিরাপত্তারক্ষীরা দায়িত্ব পালন করলে কোন দোষ নেই। এর উদ্দেশ্য তাদের শিরকী কাজে সহযোগিতা নয়, বরং রাষ্ট্রের নাগরিক হ
উত্তর : উক্ত বর্ণনাটি কোন হাদীছ নয়। বরং জনৈক বিদ্বানের উক্তি (মানাভী, আত-তাইসীর ১/৫৩০; মিরক্বাত ১/৩৯৫)। এছাড়া কিছু হাদীছে বর্ণিত হয়েছে যে, মেসওয়াক করে ছালাত আদায় করা মেসওয়াকবিহীন সত্তর রাক‘আত ছালাতের সমতুল্য (বাযযার হা/১০৯; বায়হাক্বী, সুনানুছ ছাগীর হ
উত্তর : উক্ত মর্মে কিছু গল্প শী‘আ রাফেযীদের কিতাবে পাওয়া যায়। যাতে বলা হয়েছে, ৯০০ বছর সফর করেও জিব্রীল (আঃ) জান্নাতের সামান্যতম অংশ ঘুরে শেষ করতে পারেননি। এগুলো কোন হাদীছ নয় বা আছারও নয়। আমাদের জানা মতে কোন মুফাসসির বা ঐতিহাসিকও তাদের কিতাবে
উত্তর : নানীর পূর্বে মা মারা গেলে এবং নানীর অন্যান্য ছেলে ও মেয়ে থাকলে মৃত মেয়ের সন্তানেরা ওয়ারিছ হবে না। সুতরাং উক্ত সম্পত্তি গ্রহণ করা ভুল হয়েছে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ, ফৎওয়া নং ১৯১৪৯, ১৬/৪৮৯ পৃ.)। এমতাবস্থায় করণীয় হবে যে, ওয়ারিছদের থেকে সম্ম
উত্তর : প্রাণীর ছবিযুক্ত কোন পানপাত্র বা খাবারের পাত্র ব্যবহার করা অপসন্দনীয়। তবে হারাম নয় (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৭/২৮০; আবু ইসহাক আশ-শীরাযী, আল-মুহায্যাব ২/৪৭৮)। কারণ আয়েশা (রাঃ)-এর পর্দায় ছবি থাকায় তা কেটে বিছানার কভার বানিয়ে তিনি তা ব্যবহার করেছিলেন
উত্তর : কোন ছালাতের জন্য সময়ের পূর্বে আযান দেওয়া শরী‘আত সম্মত নয়। কারণ আল্লাহ তা‘আলা ছালাতের জন্য ওয়াক্ত নির্ধারণ করেছেন (নিসা ৪/১০৩)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যখন ছালাতের সময় উপস্থিত হবে তখন একজন আযান দিবে আর তোমাদের মধ্যে যে বড় সে ইমামতি করবে’ (বুখারী, মু
উত্তর : তেলাওয়াতের শুরুতে তথা সূরা ফাতিহা পাঠের পূর্বে ‘আ‘ঊযুবিল্লাহ’ পাঠ করা সুন্নাত। সে হিসাবে প্রথম রাক‘আতে সূরা ফাতেহার পূর্বে আঊযুবিল্লাহ পড়তে হয়। আল্লাহ তা‘আলা তেলাওয়াতের শুরুতে ‘আ‘ঊযুবিল্লাহ’ পাঠ করার নির্দেশনা দিয়েছেন (নাহ্ল ১৬/৯৮)। স
উত্তর : তালাক প্রদানের মূল অধিকার স্বামীর। আল্লাহ বলেন, হে নবী! যখন তোমরা স্ত্রীদের তালাক দাও, তখন তাদেরকে ইদ্দত অনুযায়ী তালাক দাও (তালাক ৬৫/১)। কিন্তু স্বামী তার স্ত্রীকে তালাকের অধিকার দিলে এবং সে তালাককে বেছে নিলে তা কার্যকর হয়ে যাবে (মুগনী
উত্তর : স্বামী এবং পিতা-মাতা উভয়ের আদেশ-নিষেধ মেনে চলা ওয়াজিব। তাই সাধ্যমত উভয়কে সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করবে। এরপরেও যদি উভয়ের আদেশ-নিষেধের মাঝে চূড়ান্ত বৈপরিত্য দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে সংসার জীবনে বৈষয়িক বিষয় সমূহে স্বামীর আদেশকে অগ্রগণ্য করতে হ
উত্তর : যেকোন প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম যতক্ষণ শরী‘আতবিরোধী বা যুলুম না হবে ততক্ষণ মেনে চলতে হবে। যেহেতু হলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিয়ম মেনে চলার শর্তে অবস্থান গ্রহণ করতে হয়, অতএব তাদের দেয়া বৈধ শর্তাবলী মেনে চলা যরূরী। রাসূল (ছাঃ) বলেন, মুসলিমগ
উত্তর : মিথ্যা বলা মহাপাপ। ব্যবসা-বাণিজ্যে মিথ্যা বললে ও কোনরূপ প্রতারণার আশ্রয় নিলে আল্লাহ তা থেকে বরকত উঠিয়ে নেন। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের জন্য ততক্ষণ পর্যন্ত স্বাধীনতা রয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা পৃথক হয়। যদি তারা সত্য
উত্তর : সামনে কাতারের জায়গা ফাঁকা রেখে পিছনে কাতার করা যাবে না। এটি রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরামের সুন্নাত বিরোধী। কাতারের সাথে কাতার মিলিয়ে ছালাত আদায় করার নির্দেশ দিয়ে রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা (ছালাতের) কাতারসমূহে মিলে-মিশে দাঁড়াবে। এক কাতা
উত্তর : কেবল ছালাতই নয় যেকোন ইবাদতরত অবস্থায় কারো মৃত্যু তার জন্য পরকালীন কল্যাণের বার্তা বহন করে। যেমন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘যখন আল্লাহ কোন ব্যক্তির ভালো চান, তাকে মানুষের প্রিয়পাত্র করেন। কেউ রাসূল (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! প্
উত্তর : হিন্দুদের দাওয়াত দানের উক্ত তরীকা প্রজ্ঞা সম্পন্ন নয়। কেননা এতে তারা মনঃক্ষুণ্ণ ও ক্ষুব্ধ হবে। তবে অন্যভাবে তাদের দাওয়াত দেওয়ায় বাধা নেই। আল্লাহ বলেন, ‘তুমি মানুষকে তোমার প্রতিপালকের পথে আহবান কর প্রজ্ঞা ও সুন্দর উপদেশের মাধ্যমে এবং ত
উত্তর : স্বামী যদি তালাক একাধিকবার দিয়ে থাকে এবং যদি নিয়মতান্ত্রিকভাবে তিন তালাক সম্পন্ন হয়ে থাকে অর্থাৎ তিন মাসে বা পৃথক পৃথক তিন তোহরে তিন বার তালাক দিয়ে থাকলে তালাক বায়েন হয়ে যাবে। তারপর কোনভাবেই এক সাথে সংসার করা যাবে না, যতক্ষণ না উক্ত স
উত্তর : শিশুকে শাল দুধ পান করানোর পূর্বে তাহনীক করা সুন্নাত (নববী, আল-মাজমূ ৮/৪৪৩)। কারণ হাদীছে তাহনীক সংক্রান্ত যে সকল বর্ণনা এসেছে তার সবগুলোতে শাল দুধ পান করার পূর্বের কথা বলা হয়েছে। আবু তালহার সন্তান উম্মে সুলাইমের গর্ভে জন্মগ্রহণ করার পরেই
উত্তর : ছালাত চলাকালীন কোন মুছল্লী অসুস্থ হয়ে পড়লে পাশের মুছল্লীরা ছালাত ছেড়ে দিয়ে তাকে সাহায্য করবে। তবে ইমাম অন্যান্য মুছল্লীদের নিয়ে ছালাত চলমান রাখবেন। রাসূল (ছাঃ) ছালাতরত অবস্থায় সাপ ও বিচ্ছু মারতে বলেছেন (আবূদাঊদ হা/৯২১ প্রভৃতি; মিশকাত হা
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটির সনদ যঈফ (হাকেম হা/৭৬৩৭; যঈফাহ হা/১১৮৩)। তবে ‘আল্লাহর রহমত ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না’ মর্মে ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে (ছহীহ ইবনু হিববান হা/৩৪৮; ছহীহুত তারগীব হা/৩৫৯৮)।প্রশ্নকারী : ফরহাদ আলী, পশ্চিমবঙ্গ,&n
উত্তর : দুম্বা, ছাগল, ভেড়া দ্বারা আক্বীক্বা করা সুন্নাত (আবূদাঊদ হা/২৮৩৪; মিশকাত হা/৪১৫২; ছহীহাহ হা/১৬৫৫)। গরু ও উট দিয়ে আক্বীক্বা করার হাদীছটি জাল (ইরওয়া হা/১১৬৮)। আর মহিষের কথা কোন হাদীছে নেই। আয়েশা (রাঃ)-এর ভাতিজা জন্মগ্রহণ করলে তাকে উট দ্বারা
উত্তর : কারোর জন্য দো‘আ করার সময় তার মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়ার কোন বিধান নেই। এমন আমল রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরামের সময়ে প্রচলিত ছিল না। অতএব বিশেষতঃ নেকী বা বরকত মনে করে এরূপ করা কিংবা কারো থেকে হাত বুলিয়ে নেওয়া থেকে বিরত থাকা যরূরী। তবে কারো
উত্তর : এতে কোন বাধা নেই। কেননা মানুষকে খাদ্য দান বা মেহমানদারীর ফযীলতের ব্যাপারে বহু হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। যেমন রাসূল (ছাঃ) বলেন, তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সেই, যে অন্যকে খাদ্য খাওয়ায়’ (আহমাদ হা/২৩৯৭১; ছহীহাহ হা/৪৪; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২/৪৯০)।প্রশ
উত্তর : বীর্য অপবিত্র নয়। তাই গাঢ় বীর্য কোন কাপড়ে লেগে শুকিয়ে গেলে তা ঘষে তুলে ফেললে উক্ত কাপড়ে ছালাত আদায় করা জায়েয। জ্যেষ্ঠ তাবেঈ হুমাম বিন হারেছ একদিন আয়েশা (রাঃ)-এর মেহমান হন। এমতাবস্থায় সকালে তিনি কাপড় ধুতে থাকলে আয়েশা (রাঃ)-এর দাসী সেটা
উত্তর : যেদিকে মুখ করে ওযূ করতে সুবিধা হবে সেদিকেই মুখ করে ওযূ করবে (উছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব ৭/০২)। কোন কোন বিদ্বান ওযূর সময় কেবলামুখী হওয়াকে মুস্তাহাব বলেছেন। তবে এর পক্ষে কোন দলীল নেই। তবে ক্বিবলার দিকে থুথু ফেলা সমীচীন নয়। বরং ছালাতে
উত্তর : সক্ষম ব্যক্তির জন্য নফল ছালাত দাঁড়িয়ে আদায় করা উত্তম। তবে কেউ বসেও আদায় করতে পারে। সেক্ষেত্রে সে দাঁড়িয়ে আদায়কারীর অর্ধেক ছওয়াব পাবে (বুখারী, মিশকাত হা/১২৪৯, ১২৫২)। উল্লেখ্য, সক্ষম ব্যক্তি ফরয ছালাত দাঁড়িয়েই আদায় করবে। কেননা ক্বিয়াম ছ
উত্তর : সাধারণ অবস্থায় হারাম প্রাণীর কোন অঙ্গ মানব দেহে প্রতিস্থাপন করা যাবে না; বরং হালাল প্রাণীর কিডনী প্রতিস্থাপন করতে হবে। তবে যদি ব্যক্তির জীবন রক্ষার জন্য শূকর ব্যতীত অন্য কোন প্রাণীর কিডনী পাওয়া না যায়, তাহ’লে বাধ্যগত অবস্থায় তা জায়েয।
উত্তর : সূর্যাস্তের পর থেকে দিন শুরু হয়। আর ৭ম দিনে আক্বীক্বা করার ব্যাপারে হাদীছে নির্দেশনা এসেছে (আবুদাঊদ হা/২৮৩৮)। কিন্তু সেটা দিনে বা রাতে বলে কোন বাধ্যবাধকতা নেই। অতএব সুবিধামত দিনে বা রাতে যেকোন সময় আক্বীক্বা করবে।প্রশ্নকারী : অলিউল্লাহ, জ
উত্তর : উভয় মসজিদেই ছালাত আদায় করা যাবে। তবে ছালাতের যে জামা‘আতে লোক সংখ্যা বেশী হয়, তাতে বেশী ছওয়াব পাওয়া যায়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘ছালাতের নেকী অর্জনের ব্যাপারে ঐ ব্যক্তিই সর্বাপেক্ষা নেকীর ভাগিদার, যে বেশী দূর থেকে আগমনকারী’ (বুখারী হা/৬৫১;
উত্তর : সাধ্যমত জামা‘আতে ছালাত আদায় করার চেষ্টা করতে হবে। কারণ জামা‘আতে ছালাত আদায় করা পুরুষের জন্য ওয়াজিব। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি আযান শুনল, অথচ জামা‘আতে এলো না, তার ছালাত হ’ল না। তবে বিশেষ ওযর ব্যতীত’ (ইবনু মাজাহ হা/৭৯৩; ছহীহ ইবনু হিববা
উত্তর : ঋতুর মেয়াদ শেষে গোসলের পরিবর্তে তায়াম্মুম করে ছালাত আদায় করবে (মুসলিম হা/৩৩৪; বুলূগুল মারাম হা/১৩৯)। কারণ গোসল ও ওযূ করে যে সকল ইবাদত করা যায়, অসুস্থতার কারণে তায়াম্মুম করেও সে সকল ইবাদত করা যায়। আল্লাহ বলেন, ‘আর যদি পানি না পাও, তাহ’লে
উত্তর : প্রথমে লাশের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করতে হবে। সেটি বিভিন্নভাবে হ’তে পারে। যেমন খাৎনা, পোষাকের ধরন, দাড়িতে খেযাব, ধর্মীয় পরিচয় বহন করে এরূপ কোন চিহ্ন ইত্যাদি। এক্ষণে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব না হ’লে এলাকার উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করতে হবে
উত্তর : মুক্তাদী হৌক বা একাকী হৌক ছালাতে ক্বিরাআত ও দো‘আ-দরূদ চুপে চুপে পড়াই সুন্নাত। আর চুপে চুপে পড়ার নিম্নতম সীমা হ’ল নিজে শোনা (নববী, আল-মাজমূ‘ ৩/২৯৫)। তবে ছালাতের বাইরে সাধারণ যিকর-আযকার হৃদয়ে এবং মুখে উচ্চারণ উভয় নিয়মে হ’তে পারে। তবে মুখে উ
উত্তর : মসজিদের ক্বিবলার দিকের প্রাচীর ও টয়লেটের প্রাচীর যদি একই হয়, তবে সেখানে ছালাত আদায় করা সমীচীন নয়। কেননা তা সরাসরি টয়লেট অভিমুখে ছালাত আদায়ের নামান্তর। আব্দুল্লাহ ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, তোমরা অবশ্যই তিনটি ঘরের দিকে ফিরে ছালাত আদায় করোন
উত্তর : যে ব্যক্তি শয়তানের ধোঁকায় পড়ে এরূপ কাজে পুনরায় জড়িয়ে পড়েছে তাকে দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করে একনিষ্ঠভাবে তওবা করতে হবে (আবুদাঊদ হা/১৫২১; ছহীহুল জামে‘ হা/৫৭৩৮)। বারবার জড়িয়ে পড়লে বারবার তওবা করবে। তবে স্মর্তব্য যে, তওবা কবুলের জন্য তিনটি শর্ত
উত্তর : যে প্রাণীর গোশত খাওয়া হারাম, সে প্রাণীর শরীরের অন্যান্য অংশও হারাম। শূকরের চর্বি হারাম হওয়ার ব্যাপারে কোন মতভেদ নেই। সুতরাং হারাম পশুর প্রক্রিয়াজাতকৃত বস্ত্ত যে খাদ্যে মিশ্রিত করা হবে সেটিও হারাম হয়ে যাবে। অতএব জিলেটিন যদি শূকরের চর্ব
উত্তর : চুরি প্রমাণিত হ’লে এবং দেশের আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত হ’লে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসন প্রথমে তার ডান হাতের কব্জি পর্যন্ত কেটে দিবে। এরপর আবার করলে বাম পায়ের গোড়ালী পর্যন্ত কেটে দিবে। এরপরে আবারো চুরি করলে তার বাম হাতের কব্জি পর্যন্ত কাটতে হ
উত্তর : এটি অমুসলিমদের রেওয়াজ, যা সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাজ্য। সেবামূলক কর্মের ক্ষেত্রে মোমবাতির মত নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে অন্যকে আলোকিত করার শপথ নেওয়ার জন্য অমুসলিমদের অনুকরণে এই রেওয়াজ পালন করা হয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি অন্য কোন জাতির
উত্তর : উক্ত দাবী সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বরং মর্যাদার দৃষ্টিকোণ থেকে রাসূল (ছাঃ)-এর পরপর দুই কন্যাকে বিবাহ করায় ওছমান (রাঃ)-কে উক্ত লকবে ডাকা হয় (যাহাবী, সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা ২/৪৫১)। উল্লেখ্য যে, اَوَّلُ مَا خَلَقَ اللهُ نُوْرِى ‘আল্লাহ সর্বপ্রথম
উত্তর : প্রত্যেক রাক‘আতে সূরা ফাতিহা পাঠ করতে হবে। জেহরী ছালাতে ইমামের পিছনে কেবল সূরা ফাতিহা পাঠ করবে। আর যোহর ও আছর তথা সের্রী ছালাতে ইমামের পিছনে ১ম ও ২য় রাক‘আতে সূরা ফাতিহা এবং অন্য একটি সূরা এবং শেষ ২ রাক‘আতে কেবল সূরা ফাতিহা পাঠ ক
উত্তর : এ মর্মে কোন ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়নি। তবে যঈফ সনদে কিছু কিছু বর্ণনা এসেছে যে, আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতবাসীকে কুরআন শুনাবেন যাতে লোকেরা মনে করবে তারা কখনো এরূপ শুনেনি (আবুল ফযল রাযী, ফাযায়েলুল কুরআন হা/১৩৩; আলবানী, যঈফাহ হা/১২৪৮)। যেহেতু এটি
উত্তর : নিজ বাসার জানালা দিয়ে বা ছাদ থেকে কিছু দেখার সময় কারো প্রতি অনাকাঙ্ক্ষিত দৃষ্টি পড়লে গুনাহ হবে না। তবে সাধ্যমত দৃষ্টি সংযত রাখতে হবে (সূরা নূর ৩০)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, কেউ যদি অনুমতি প্রদানের পূর্বেই পর্দা সরিয়ে ঘরের ভেতর দৃষ্টি নিক্ষেপ
উত্তর : স্ত্রী স্বামীকে আলাদা করার কোন অধিকার রাখে না। বরং স্বামী যালেম হ’লে স্ত্রী ‘খোলা’ করে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। তবে স্বাভাবিক অবস্থায় স্বামী সর্বদা স্ত্রীর সাথে সুন্দর আচরণ করবে এবং স্ত্রীও স্বামীর আনুগত্য করে চলবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন
উত্তর : ছাহাবায়ে কেরামের আমল থেকে বুঝা যায় যে, তারা তাহিইয়াতুল মসজিদ সাধারণতঃ সংক্ষিপ্ত করতেন (মুসলিম হা/২৪৮৪)। এছাড়া রাসূল (ছাঃ)-এর খুৎবা চলাকালীন জনৈক ছাহাবী মসজিদে প্রবেশ করে তাহিয়াতুল মসজিদ না পড়ে বসে পড়লে রাসূল (ছাঃ) তাকে সংক্ষেপে দু’রাক‘আত
উত্তর : মাছ যেভাবেই জন্মলাভ করুক না কেন, পুকুরের মালিক বা লীজ গ্রহীতার অনুমতি ব্যতীত এসব মাছ শিকার করা যাবে না। শিকার করলে তা চুরি হিসাবে গণ্য হবে। তবে সরকারী বিল অথবা কারো পুকুর বা ডোবায় যদি কোন বিধি-নিষেধ না থাকে, তবে সেখান থেকে মাছ শ
উত্তর : উক্ত বুঝ পুরোপুরি ভুল। কারণ ‘কালিমাতুল্লাহ’ দ্বারা উদ্দেশ্য আল্লাহর আদেশ বাচক শব্দ ‘কুন’ যার অর্থ ‘হও’ আর তাতেই হয়ে যায়। অর্থাৎ ঈসা (আঃ) যেহেতু পিতা বিহীন এই পৃথিবীতে এসেছেন। আল্লাহ তা‘আলা তাকে সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে এই ‘কুন’ শব্দ ব্যব
উত্তর : তালাকের নিয়তে প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্য সমূহ বললে এক তালাক হবে। তালাকের নিয়তে ইঙ্গিতবহ কোন কথা বললে তাকে ‘কেনায়া তালাক’ বলা হয় (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ৩২/৩০২)। আয়েশা (রাঃ) বলেন, জাওনের কন্যাকে (ابْنَةُ الْجَوْنِ) যখন রাসূলুল্লাহ
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরামের আমলে জুম‘আ মসজিদ ব্যতীত ওয়াক্তিয়া মসজিদ ছিল। যেমন মসজিদে বনূ যুরায়েক্ব (বুখারী, মিশকাত হা/৩৮৭০)। তাছাড়া রাসূল (ছাঃ) প্রতিটি মহল্লায় মহল্লায় ওয়াক্তিয়া মসজিদ নির্মাণ করার আদেশ দিয়েছিলেন (আবুদাঊদ হা/৪৫৫; তিরমিযী হা
উত্তর : আড়াই চাঁদের ছিয়াম বলে শরী‘আতে কিছু নেই। বরং এটি স্পষ্ট বিদ‘আত। সুতরাং এই মানত পূরণ করা নিষিদ্ধ। রাসূল (ছাঃ) বলেন, কোন ব্যক্তি যদি আল্লাহর আনুগত্যের মানত করে, তাহ’লে সে যেন তা পূরণ করে। আর কোন ব্যক্তি যদি নাফরমানীর মানত করে, সে যেন তা
উত্তর : উক্ত মর্মে যতগুলি বর্ণনা এসেছে সবগুলিই যঈফ (তিরমিযী হা/৩২৯৪, ৩২৯৮; আহমাদ হা/১৭৭০, ৮৮২৮; বাযযার হা/৪০৭৫, সনদ যঈফ)। সেজন্য এক আসমান থেকে অপর আসমানের দূরত্বের বিষয়টি একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন। এটি অদৃশ্যের বিষয়। যার উপর ঈমান আনা প্রত্যেক মু
উত্তর : স্ত্রীর সন্তান যেখানেই লালিত-পালিত হৌক সে দ্বিতীয় স্বামীর জন্য মাহরাম এবং তাকে বিবাহ করা হারাম। আল্লাহ বলেন, তোমাদের জন্য হারাম করা হ’ল-... সহবাসকৃত স্ত্রীদের (অন্য স্বামীর) কন্যা, যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে। যদি ঐ স্ত্রীদের সাথে সহব
উত্তর : নারী হৌক বা পুরুষ হৌক ক্বাযা ছালাত বা একাকী ছালাত আদায়কালে কেবল ইক্বামত দিবে (ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/৯১ ‘আযান’ অধ্যায়; মুসলিম হা/৬৮০; মিশকাত হা/৬৮৪)। তবে জামা‘আতের ক্ষেত্রে আযান দিতে পারে। আয়েশা (রাঃ) আযান ও ইক্বামত দিয়ে মহিলাদের জামা‘আতে ইমামতি
উত্তর : মসজিদের দেওয়াল ও কবরস্থানের মধ্যে আলাদা প্রাচীর থাকলে উক্ত মসজিদে ছালাত শুদ্ধ হবে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ১২/৩১; উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ২/২৫৪; শায়খ বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৩/৩৫৭)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, তোমরা কবরের দিকে ফিরে এবং কবরের
উত্তর : আল্লাহর নামে যবেহ করা ব্যতীত কোন হালাল পশুর গোশত খাওয়া হালাল নয় (বাক্বারাহ ২/১৭৩)। অতএব এ ব্যাপারে স্পষ্ট জানা না থাকলে ঐ গোশত খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এ যুগে আহলে কিতাব বলে কেউ নেই। যারা ইহূদী-খৃষ্টান বলে দাবী করে, তারা দ্বিত্ববাদী ব
উত্তর : উক্ত চুক্তি শরী‘আত সম্মত হয়নি। কেননা এমন চুক্তিতে ব্যবসায় লোকসান হ’লে চালককে দু’দিক থেকে দায়িত্ব নিতে হয়। প্রথমতঃ সে ব্যবসা পরিচালনা করে, আবার লোকসানেরও ভাগ বহন করে, যা সুস্পষ্ট যুলুম। সুতরাং উভয়ের সম্মতি থাকলেও এরূপ চুক্তি জায়েয হবে
উত্তর : কারু ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা কারু জন্য বৈধ নয়। একত্রে বাজার-ঘাটে কেউ কাউকে বাধা দেন না, অথচ মসজিদে একত্রে ছালাত আদায় করতে গেলে হানাফী ভাইয়েরা আহলেহাদীছ ভাইদের বাধা দিবেন, এটি কখনই সঙ্গত নয়। তবুও যদি তারা আহলেহাদীছদের মসজিদ থেক
উত্তর : একাকী বা ইমাম অবস্থায় এমন সন্দেহ হ’লে এক রাক‘আত ছালাত আদায়ের শেষ বৈঠকে সহো সিজদা দিয়ে সালাম ফিরাবে। কারণ সূরা ফাতিহা ছালাতের অন্যতম রুকন। তবে মুক্তাদী অবস্থায় এমন সন্দেহ হ’লে তার কিছুই করতে হবেনা, স্রেফ ইমামের অনুসরণ করবে (বুখারী হা/৭
উত্তর : দাহিয়াতুন অর্থ সেনাপ্রধান (আল-মু‘জামুল ওয়াসীত্ব)। ‘কালব’ একটি গোত্রের নাম (আল-ইস্তী‘আব, ক্রমিক ৭০১)। ছাহাবায়ে কেরাম ও সৎকর্মশীল মুমিনদের নামে নাম রাখা যাবে। আশারায়ে মুবাশশারাহর অন্যতম বিখ্যাত ছাহাবী হযরত যুবায়ের ইবনুল ‘আওয়াম (রাঃ) বলেন,
উত্তর : বাম হাত দ্বারা কোন কিছু আদান-প্রদান করা ইসলামী শিষ্টাচারের বিপরীত এবং তা শয়তানের কাজ। সুতরাং শয়তানের কর্ম অনুসরণ করা থেকে প্রত্যেক মুসলিমের বিরত থাকা আবশ্যক। রাসূল (ছাঃ) বলেন, তোমাদের প্রত্যেকে যেন ডান হাতে আহার করে, ডান হাতে পান করে,
উত্তর : এভাবে টাঙিয়ে রাখা সমীচীন নয়। কারণ (১) অধিকাংশ ক্ষেত্রে এর উদ্দেশ্য থাকে সৌনদর্য বর্ধন। অথচ কুরআন নাযিল হয়েছে মানুষকে হেদায়াতের জন্য, সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য নয়। (২) এতে অনেক সময় কুরআনের অমর্যাদা ঘটে, যা তার অপব্যবহারের শামিল। (৩) কেউ তা
উত্তর: পরিত্যক্ত সন্তান লালন-পালন করা ইয়াতীম পালন অপেক্ষা অধিক ছওয়াবের কাজ। কিন্তু পালিত সন্তান পালক পিতা-মাতার পরিচয়ে পরিচিত হ’তে পারবে না যদিও তাদের পিতৃপরিচয় জানা না যায় (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৪/২৫৫)। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা তাদেরকে তাদের পিত
উত্তর : পুরুষের ন্যায় নারীরাও একাকী জেহরী ছালাতে তথা মাগরিব, এশা ও ফজরে সরবে ক্বিরাআত করবে। কারণ ছালাতের বিধানে নারী ও পুরুষের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। তবে পাশে গায়ের মাহরাম পুরুষ থাকলে নীরবে পাঠ করবে (নববী, আল-মাজমূ‘ ৩/১০০; বিন বায, ফাতাওয়া নূর
উত্তর : সন্তানের সহায়তায় ও সম্মতিতে পিতা এরূপ অন্যায় কাজ করেছেন। সেজন্য পিতা ও সন্তান উভয়ে দায়ী হবে। আর সন্তান দায়ী হৌক বা না হৌক তার জন্য আবশ্যক হ’ল যাবতীয় সম্পদ শরী‘আত নির্ধারিত অংশ হিসাবে ৫ ভাই-বোনের মাঝে বণ্টন করে নেওয়া এবং আল্লাহর নিকটে
উত্তর : সূরা ফাতিহায় বিস্মৃতিজনিত ভুল হ’লে তা শুদ্ধ করে পাঠ করতে হবে এবং সহো সিজদা দিতে হবে। কারণ এটা ছালাতের অন্যতম রুকন। আর সূরা ফাতিহার পরে অন্য ক্বিরাআতে ভুল করলে সহো সিজদা দিতে হবে না। বরং ইমাম বা মুক্তাদী ছালাত আদায়কালে সূরা ফাতিহা শেষে
উত্তর : হ্যাঁ পাবে। পিতার স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পত্তির মালিক হবে তার জীবিত ওয়ারিছগণ। তারা কে কতটুকু পাবে তা স্বয়ং আল্লাহ নির্ধারণ করে দিয়েছেন, তাই এখানে কমবেশী করার কোন সুযোগ নেই (নিসা ৪/৭, ১১-১২; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৬/৪৯৫)। উল্লেখ্য যে, কো
উত্তর : এতে গুনাহগার হ’তে হবে। কারণ পিতা-মাতার সাথে কথা না বলা তাদের অসন্তুষ্টির কারণ। আর আল্লাহ সে ব্যক্তির উপর অসন্তুষ্ট থাকেন যে ব্যক্তির উপর তার পিতা-মাতা অসন্তুষ্ট থাকেন (তিরমিযী হা/১৮৯৯; মিশকাত হা/৪৯২৭; ছহীহাহ হা/৫১৬)। এছাড়া কেবল পিতা-ম
উত্তর : এমন ঘরে ছালাত আদায় করলে তার ছালাত হয়ে যাবে। কারণ এটি ছালাত ভঙ্গের কারণ নয় (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৬/২৫৪; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১২/২৯৪)। তবে এ ব্যাপারে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। কারণ যে ঘরে প্রাণীর ছবি থাকে সে ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না (ব
উত্তর : গুনাহগার হ’তে হবে। বরং কষ্টসাধ্য হ’লে গরম পানি করে গোসল করবে এবং সময়ের মধ্যে ফজরের ছালাত আদায় করবে। আর অসুস্থতার ভয় থাকলে তায়াম্মুম করে ছালাত আদায় করবে (আবুদাঊদ হা/৩৩৪, ৩৩৬; মিশকাত হা/৫৩১; ছহীহুল জামে‘ হা/৪৩৬২; ইবনু কুদামা, মুগনী ১/১৮৯-
উত্তর : লোশনে বা সেন্টে ব্যবহৃত এ্যালকোহল খাদ্য বা পানীয়ের অন্তর্ভুক্ত নয়। এতে সামান্য পরিমাণ পরিশোধিত এ্যালকোহল ব্যবহার করা হয় তা সংরক্ষণের জন্য। অতএব এসব লোশন ব্যবহার করা অপছন্দনীয়, তবে হারাম নয়। এতে ছালাত আদায়ও শুদ্ধ হবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়
উত্তর : নিজের মালিকানাধীন জায়গায় নিজের জন্য কবরের জায়গা নির্ধারণ করায় কোন দোষ নেই। যেমন আয়েশা (রাঃ) রাসূল (ছাঃ)-এর পাশে তার কবরের স্থান নির্ধারণ করেছিলেন, যা তিনি পরবর্তীতে ওমর (রাঃ)-কে প্রদান করেন (উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৭/৭৮)। তবে মৃত্যুক
উত্তর : উক্ত মর্মে ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। রাসূল (ছাঃ) এক রাতে ছালাতে সূরা মায়েদার ১১৮ আয়াতটি বারবার তেলাওয়াত করছিলেন (ইবনু মাজাহ হা/১৩৫০; তিরমিযী হা/৪৪৮; আহমাদ হা/১১৬১১; মিশকাত হা/১২০৫)। আয়াতটির অনুবাদ হ’ল- ‘যদি আপনি তাদেরকে শাস্তি দেন, তাহ’লে তা
উত্তর : ইসলামী শরী‘আতে উপরোক্ত ধারণার কোন ভিত্তি নেই। অতএব এরূপ ভ্রান্ত আক্বীদা থেকে প্রত্যেক মুসলিমের বিরত থাকা আবশ্যক। আর চুল ও নখের কর্তিত অংশ মাটি চাপা দেওয়ার পক্ষে কোন কোন বিদ্বান মত পেশ করেছেন (উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১১/১৩২)। তবে এ মর্মে
উত্তর : মেয়েদেরকে তাদের প্রাপ্য হক থেকে মাহরূম করা নিঃসন্দেহে কাবীরা গুনাহ এবং তা অন্যের হক আত্মসাতের শামিল। তারা ক্ষমা না করলে আল্লাহ তা‘আলা উক্ত পাপ ক্ষমা করবেন না (বুখারী হা/২৪৪৯ ‘অত্যাচার ও আত্মসাত’ অধ্যায় ৪৬, ১০ অনুচ্ছেদ)। এক্ষণে পরকালীন
উত্তর : জয়ফল বহু প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত মশলা জাতীয় খাদ্য। তবে খাদ্য হিসাবে এটি ব্যবহারের বৈধতা নিয়ে বিদ্বানগণের মধ্যে দু’টি মত লক্ষ্য করা যায়। একদল এটি হারাম বলেছেন। আরেকদল খাদ্য-দ্রব্যের সঙ্গে মিশ্রিতভাবে স্বল্প পরিমাণ জায়েয বলেছেন। ইবনু দা
উত্তর : পূর্বের ভুল পদ্ধতিতে করা ওযূ ও গোসলের জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাইবে এবং সঠিক নিয়মে ওযূ-গোসল করে ইবাদত করবে। এটাই তার জন্য যথেষ্ট হবে। কেননা ছালাতে ভুলকারী ব্যক্তিকে রাসূল (ছাঃ) চলমান ছালাতকে সঠিকভাবে পড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু পূর
উত্তর : একই মসজিদে একাধিক জুম‘আ কায়েম করা যাবে না। ইসলামের ইতিহাসে এমন পদ্ধতি কোথাও চালু ছিল না। বরং মসজিদ সম্প্রসারণ করবে এবং একটি বড় জামা‘আতের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে। জুম‘আর জামা‘আত না পেলে পরে যোহরের ছালাত জামা‘আতে বা একাকী আদায় করবে। অতএব এ
উত্তর : তওবাকারীর তওবা যদি খাঁটি হয় এবং তা আল্লাহর কাছে কবুলযোগ্য হয়ে যায়, তবে তার আমলনামা থেকে গুনাহসমূহ মুছে ফেলা হবে (তাহরীম ৬৬/৮)। ফলে ব্যক্তির গুনাহের পাল্লা হালকা হয়ে যাবে। আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই সৎকর্মসমূহ মন্দ কর্মসমূহকে বিদূরিত করে (হূদ ১১/১১৪
উত্তর : হাদীছ ব্যতীত কুরআন অনুসরণের দাবী অবাস্তব। আল্লাহ ছালাত আদায় ফরয করেছেন। কিন্তু কিভাবে করবেন, তা কুরআনে নেই। তিনি যাকাত ও হজ্জ ফরয করেছেন। কিন্তু কিভাবে করবেন, তা কুরআনে নেই। তিনি বিবাহ করার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু কিভাবে করবেন, তা কুর
উত্তর : মসজিদের কল্যাণার্থে নীচে বা উপরে মার্কেট, বাসস্থান বা গবেষণা সেন্টার নির্মাণে কোন বাধা নেই (ফাতাওয়া নাযীরিইয়াহ ৩/৩৬৮; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৫/২২০)। ইমাম ইবনু তাইমিয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘মসজিদের নীচে দোকানপাট ও পানির হাউয তৈরী করা যায়। তাতে কোন ক্ষত
উত্তর : বিবাহ পিতা-মাতা, বর বা কনের সম্মতি বা পরামর্শ ক্রমে হওয়া আবশ্যক। অন্যথায় পরিবারে অশান্তি বিরাজ করতে পারে। এক্ষণে চাচাতো বোন সচ্চরিত্র ও ধার্মিকা হ’লে মাকে বুঝিয়ে বিবাহ করা সমীচীন। রাসূল (ছাঃ) কুফূ বা সমতার ক্ষেত্রে ‘দ্বীন’কে অগ্রাধিকা
উত্তর : এটি মাসিক বেতন হিসাবে নির্ধারিত। সেজন্য কোন ওযরবশতঃ এক বা একাধিক দিন না পড়িয়েও পুরো মাসের বেতন নেওয়া যাবে। তবে এসব ক্ষেত্রে দাতার পক্ষ থেকে সম্মতি থাকতে হবে। নতুবা কেউ কেউ ওযর ছাড়াই সুযোগ গ্রহণ করতে পারে (যায়লাঈ, তাবঈনুল হাকায়েক ৫/১৩৪;
উত্তর : তাহাজ্জুদ ছালাত সর্বনিম্ন ২ রাক‘আত পড়ার কথা রাসূল (ছাঃ) উল্লেখ করেছেন (মুসলিম হা/৭৬৮; আবুদাঊদ হা/১৪২২; মিশকাত হা/১২৬৫)। আর সর্বোচ্চ হ’ল ৮ রাক‘আত (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/১২৫৬; আবুদাঊদ হা/১৩৬২; মিশকাত হা/১২৬৪)। তিনি কখনো এই ছালাত এত দীর্ঘ করতেন যে,
প্রশ্নকারী : কাদেরুল ইসলাম, রংপুর।উত্তর : পাকা চুল উঠানো যাবে না। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘তোমরা পাকা চুল তুলে ফেলো না। কেননা পাকা চুল হ’ল মুসলমানের জ্যোতি। কোন মুসলমানের একটি চুল পেকে গেলে আল্লাহ তার জন্য একটি নেকী লিখেন, একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন
উত্তর : সমালোচনার ক্ষেত্রে কিছু শর্ত পালন করা কর্তব্য। যেমন- (১) নিয়ত বিশুদ্ধ থাকা : অর্থাৎ সমালোচনা হবে স্রেফ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এবং ইসলাম ও মুসলমানের স্বার্থ রক্ষার জন্য। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘একজন মুমিন তাঁর ভাইয়ের জন্য আয়নাস্বরূপ। সে তা
উত্তর : এ বিষয়ে স্পষ্ট দলীল না থাকলেও বিদ্বানগণ একমত যে, পায়ুপথ দিয়ে যা কিছু বের হবে তাতে ওযূ নষ্ট হয়ে যাবে (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ১/২৩০)। অতএব কৃমি, নুড়ি, চুল, গোশতের টুকরা বা অনুরূপ কিছু সবই অপবিত্র হিসাবে গণ্য হবে। এর উপরেই ফৎওয়া দিয়েছেন সুফিয়ান
উত্তর : উক্ত সম্পদ মীরাছ অনুপাতে সকলে পুনরায় ভাগ করে নিবে। অথবা সকল ওয়ারিছের সম্মতিক্রমে তা মৃতের নামে দানও করা যেতে পারে। তবে কারো আপত্তি থাকলে দান করা যাবে না। কারণ ওয়ারিছগণ সকলেই উক্ত সম্পদের মালিক (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৬/৪৫৩; আল-মাওসূ‘আতু
উত্তর : আব্দুর রহমান ছাফূরী তাঁর ‘নুযহাতুল মাজালেস’ (২/৮৪-৮৫) গ্রন্থে উক্ত মর্মে একটি বর্ণনা উল্লেখ করেছেন, যার কোন ভিত্তি নেই; বরং জাল ও বানোয়াট।প্রশ্নকারী : আল-আমীন, ভুগরইল, রাজশাহী।
উত্তর : মাটি কোন খাদ্য নয়। এতে স্বাস্থ্যগত ক্ষতি হ’তে পারে। সেজন্য বিদ্বানগণ মাটি, পাথর ও কয়লা ভক্ষণ করাকে হারাম বলেছেন (নববী, আল-মাজমূ‘ ৯/৩৭; রওযাতুত ত্বালেবীন ৩/২৯১; ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৯/৪২৯; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ৫/১২৫)।প্রশ্নকারী :
উত্তর : মনের অজান্তে কারো মুখ থেকে কুফরী বা শিরকী কথা বেরিয়ে গেলেই সে কাফির বা মুশরিক হিসাবে গণ্য হবে না। কারণ আল্লাহ নিজেই স্বীয় বান্দাকে দো‘আ শিখিয়ে দিয়েছেন এই মর্মে যে, হে আমাদের প্রতিপালক! যদি আমরা ভুলে যাই বা অজ্ঞতাবশে ভুল করি, সেজন্য তু
উত্তর : অলীমা বিষয়ে শরী‘আতের নির্দেশনা হ’ল বাসর রাতের পরের দিন অলীমা করা। রাসূল (ছাঃ) যয়নব বিনতে জাহশ (রাঃ)-এর সাথে বাসর রাত অতিবাহিত করার পর দিন অলীমা করেছিলেন (বুখারী হা/৫১৭০)। রাসূল (ছাঃ) ছাফিয়াহ (রাঃ)-কে বিবাহের পর তিনদিন যাবৎ অলীমা করেছিলে
উত্তর : প্রথমে ওয়ারিছ খুঁজে বের করার জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করবে। যদি কোনভাবেই না পাওয়া যায় তাহ’লে উক্ত সম্পদ তার নামে বায়তুল মাল বা অন্য কোন জনকল্যাণমূলক কাজে দান করে দিবে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২৯/৩২১; উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ১০/৩৮৮;
উত্তর : ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাউকে বিবাহ দেওয়া শরী‘আতসম্মত নয়। এজন্য সাবালক ছেলে-মেয়ের সম্মতি আবশ্যক। জনৈকা সাবালিকা মেয়েকে তার পিতা তার অসম্মতিতে বিবাহ দিলে রাসূল (ছাঃ) মেয়ের আপত্তির কারণে উক্ত বিবাহ বাতিল করে দেন (বুখারী হা/৬৯৪৫; মিশকাত হা/৩১২৮, ই
উত্তর : পরিবারের জন্য ব্যয় করাই হ’ল মূল কর্তব্য। এব্যাপারে শরী‘আতের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। রাসূল (ছাঃ) জনৈক ছাহাবীকে খরচ করার পদ্ধতি বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘এ অর্থ তুমি প্রথমে তোমার নিজের জন্য ব্যয় কর। তারপর যদি কিছু বাকী থাকে তাহ’লে তোমার পরিবার
উত্তর : এগুলির সত্যতা ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত। রাসূল (ছাঃ) এবং তাঁর দুই সাথী আবুবকর ও ওমর (রাঃ)-এর লাশ চুরি করার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হয়েছে (যাহাবী, সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা ১১/৪৩৫)। কিন্তু প্রতিবারেই আল্লাহর অসীম অনুগ্রহে তা ব্যর্থ হয়ে গেছে। অ
উত্তর : ভাড়ায় নেওয়া বাড়ি অন্যত্র অধিক ভাড়া দিয়ে ব্যবসা করা জায়েয। তবে যদি মালিকের সাথে এর বিপরীত কোন চুক্তি থাকে তাহ’লে করা যাবে না। ইবনু তায়মিয়াহ, ইবনু কুদামাহ, যারকাশী, ইবনু রজব হাম্বলী প্রমুখ বিদ্বানগণ বলেন, ভাড়াটিয়া ভাড়াকৃত বস্ত্ত সমমূল্য
উত্তর : দরিদ্র বা অসহায় ব্যক্তিরা উক্ত শিক্ষাবৃত্তি নিতে পারে। কারণ সূদ মিশ্রিত টাকা উপার্জনকারীর জন্য হারাম হ’লেও গ্রহীতার জন্য হারাম নয়। ইমাম নববী (রহঃ) বলেন, যখন হারাম সম্পদ দরিদ্র বা অসহায়দের প্রদান করা হয়, তখন তা গ্রহণ করা তাদের জন্য হার
উত্তর : মসজিদের প্রাচীরে কোন কিছু লেখা সমীচীন নয়। বিশেষ করে সামনে দৃষ্টি আকর্ষণ করার মত কোন কিছু লেখা বা টাঙানো মোটেও ঠিক নয়। কারণ এতে মুছল্লীর মনোযোগ বিনষ্ট হ’তে পারে, যা ছালাতের আদবের খেলাফ। আর রাসূল (ছাঃ) বলেন, নিশ্চয়ই মুছল্লী ছালাতের মধ্য
উত্তর : দ্বীনদার ও উপযুক্ত পাত্রের পক্ষ থেকে বিবাহের প্রস্তাব আসার পরও অভিভাবক বিবাহ না দিলে এবং সাবালিকা মেয়ের পূর্ণ সম্মতি থাকা সত্ত্বেও অভিভাবক অন্যায় যিদ করলে পরবর্তী অভিভাবক হিসাবে চাচা বা সাবালক ভাইয়ের তত্ত্বাবধানে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হব
উত্তর : এ বিষয়ে কোন বাধ্যবাধকতা নেই। তবে সালাম দেওয়াই উত্তম। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যখন কোন মুসলিম তার ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ করে তখন সে যেন তাকে সালাম দেয়। যদি তাদের উভয়ের মাঝে গাছ, দেওয়াল ও পাথর আড়াল হয়, অতঃপর আবার উভয়ের সাক্ষাৎ হয়, তাহ’লে ত
উত্তর : সক্ষম স্বামীকে দ্বিতীয় বিবাহে বাধা দেওয়া জায়েয নয়। কারণ এটি শরী‘আতে বৈধ। আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমরা মেয়েদের মধ্য থেকে যাদের ভাল মনে কর দুই, তিন বা চারটি পর্যন্ত বিয়ে করতে পার (নিসা ৪/০৩)। উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় উছায়মীন বলেন, কোন নারীর জন্য
উত্তর : অশ্রুপাত যদি আল্লাহভীতির কারণে হয়, তবে তা সর্বোত্তম এবং এটি আল্লাহভীরু বান্দাদের অন্যতম নিদর্শন (আবুদাঊদ হা/৯০৪; নাসাঈ হা/১২১৪)। তবে দুনিয়াবী কারণে চিৎকার করে কান্নাকাটি করা যাবে না। এতে বরং ছালাত বাতিল হয়ে যাবে (মুগনী ২/৪০-৪১; আল-মাওসূ‘আতুল
উত্তর : জানাযার ছালাতেও যথারীতি পায়ে পা ও কাঁধে কাঁধ মিলাতে হয়। এক্ষেত্রে জানাযার ছালাত ও সাধারণ ছালাতের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই (মুগনী ২/১৮৫, ২/৩৬৮; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৩/২২-২৩, ১৭/১০)।প্রশ্নকারী : আফযাল হোসাইন, বিরল,
উত্তর : বিধান জানার পর স্বামী-স্ত্রী হিসাবে আর একসাথে থাকার সুযোগ নেই; বরং এখুনি বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে হবে। এজন্য কোন তালাকও দেওয়া লাগবে না। কারণ উক্ত বিবাহ বৈধ হয়নি। সৎবোনের নাতনী নিজের বোনের নাতনী সমতুল্য, যে মাহরামের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ বলেন,
উত্তর : সূর্যাস্তের সাথে সাথে মাগরিবের ওয়াক্ত শুরু হয় এবং পশ্চিমাকাশে লাল আভা থাকা পর্যন্ত স্থায়ী হয়। এটি সাধারণতঃ এক ঘন্টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হ’তে পারে (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৭/২৭-২৮)।প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ, রা
উত্তর: মৃত মায়ের পক্ষ থেকে ওমরাহ করা যাবে। কারণ মৃতের জন্য সর্বোত্তম হাদিয়া হ’ল তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা, ছাদাক্বা করা ও তার পক্ষ থেকে হজ্জ করা (আবুদাঊদ হা/২৮৮৩; মিশকাত হা/৩০৭৭; ছহীহুল জামে‘ হা/৫২৯১)। আর ওমরাহ হ’ল হজ্জের মত। পার্থক্য হ’ল এট
উত্তর : পবিত্র সম্পদ থেকেই দান করা কর্তব্য (বাক্বারাহ ২/২৬৭)। তবে কেউ যদি হারাম উপার্জন থেকে দান করে, তবে তা গ্রহণ করা যাবে। রাসূল (ছাঃ) অমুসলিমদের হাদিয়া গ্রহণ করেছেন (বুখারী হা/২৬১৭)। হারাম উপার্জনের জন্য দাতা দায়ী হবেন, গ্রহীতা নন। আল্লাহ বলেন, এক
উত্তর : এশার ছালাতে ক্বিরাআত সরবে পাঠ করতে হয় (বুখারী হা/৭৬৯, মিশকাত হা/৮৩৪)। এক্ষণে কেউ যদি ক্বিরাআত নীরবে পাঠ করে তাহ’লে মুক্তাদীরা লোকমা দিবে এবং ইমাম পুনরায় সূরা ফাতিহা থেকে পাঠ করবে। আর যদি এভাবেই এক রাক‘আত শেষ হয়, তাহ’লে তার জন্য সহ
উত্তর : হিন্দুদের বাসায় দাওয়াত খাওয়া জায়েয। তবে কিছু শর্তসাপেক্ষে, যেমন- (১) তাদের যবেহকৃত প্রাণীর গোশত খাওয়া যাবে না। মূলতঃ মূর্তিপূজক, নাস্তিক প্রমুখ যারা আল্লাহকে বিশ্বাস করে না এবং আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে যবেহ করে, তাদের যবেহকৃত পশু খাও
উত্তর : বিদ‘আত হবে না। তবে প্রথমে হাদীছে বর্ণিত মাসনূন দো‘আসমূহ পাঠ করবে অতঃপর আম দো‘আসমূহ পাঠ করবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যখন তোমাদের কেউ দো‘আ করবে, তখন সে যেন প্রথমে তার প্রতিপালকের প্রশংসা বর্ণনা ও আমার প্রতি দরূদ ও সালাম পেশ করে দো‘আ শুরু কর
উত্তর : সরকারের যে কোন বৈধ কর্মে সহযোগিতা করায় কোন বাধা নেই। ভ্রান্ত আক্বীদা-বিশ্বাস পোষণ করলে সেজন্য সরকারই দায়ী থাকবে। আল্লাহ বলেন, ‘প্রত্যেকেই স্বীয় অপকর্মের জন্য দায়ী হবে এবং কেউ অন্য কারো (পাপের) ভার বহন করবে না’ (আন‘আম ৬/১৬৪)। আর নির্
উত্তর : মৃত্যুর পর সম্পদ বণ্টিত হওয়াই ইসলামী শরী‘আতের বিধান। কেননা আল্লাহ প্রত্যেক হকদারের জন্য তার হক নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন’ (আবুদাঊদ, ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/৩০৭৩)। ইমাম আহমাদ বলেন, কুরআনে বর্ণিত বিধি মোতাবেক মৃত্যুর পরেই মীরাছ বণ্টন করাকে আমি পসন্দ
উত্তর : সৎমায়ের মর্যাদা জন্মদাত্রী মায়ের সমান নয়। তবে পিতার স্ত্রী হিসাবে তিনি মাহরাম এবং সদাচরণ পাওয়ার হকদার। বনু সালামা গোত্রের এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা-মাতার মৃত্যুর পর তাদের সাথে সদ্ব্যবহার করার কোন অবকাশ আছে কি? তি
উত্তর : স্বামী-স্ত্রী পারস্পরিক সম্মতিতে যতদিন প্রয়োজন ততদিন বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে। এতে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটবে না। তবে স্বামীর চাহিদা থাকা সত্ত্বেও স্ত্রী যদি তাতে কোন কারণ ছাড়াই সাড়া না দেয়, তাহ’লে সে চরম অপরাধী হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যদি কোন পুর
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘মসজিদ তো আল্লাহর যিকর, ছালাত ও কুরআন তেলাওয়াতের জন্য (মুসলিম হা/২৮৫; মিশকাত হা/৪৯২ ‘ত্বাহারৎ’ অধ্যায়)। সুতরাং মসজিদকে দুনিয়াবী গল্প-গুজবের স্থান বানানো যাবে না। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘সাবধান! তোমরা মসজিদে বাজারের ন্যা
উত্তর : মৃতের বাড়িতে এরূপ আনুষ্ঠানিকতার সাথে খাবারের আয়োজন করা শরী‘আত সম্মত নয়। কারণ এটি বিলাপের অন্তর্ভুক্ত (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ২/৩৪; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৭/৩৬৬; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৩/৪০৪)। জারীর বিন আব্দুল্লাহ বাজালী (রাঃ) বলেন, মৃতের বা
উত্তর : মোহরানা নির্ধারণ হবে ছেলের সামর্থ্যের উপর ভিত্তি করে। মোহরানার মালিক হ’ল স্ত্রী। এক্ষণে স্ত্রী চাইলে মোহরানার কিছু অংশ অথবা পুরোপুরি মাফ করে দিতে পারে। অতএব বিষয়টি স্ত্রীর সাথে আলোচনা করে সমাধান করে নিবে (শায়খ বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলা
উত্তর : ফরয হজ্জ হ’লে সেটাই প্রথমে আদায় করতে হবে। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘তোমরা দ্রুত (ফরয) হজ্জ সম্পাদন কর। কেননা কেউ জানে না তার ভাগ্যে কি ঘটবে’ (আহমাদ হা/২৮৬৯)। তিনি আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি হজ্জের ইচ্ছা পোষণ করে, সে যেন তা দ্রুত সম্পাদন করে’
উত্তর : পাগল হওয়া তালাক কার্যকর হওয়ার কোন কারণ নয়। তবে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যে কেউ পাগল হয়ে গেলে সুস্থ ব্যক্তি স্বাভাবিকভাবে তালাক দিতে বা নিতে পারে। যদিও মানবিকতার দিকটিই অগ্রাধিকার প্রদান করা কর্তব্য হবে এবং স্ত্রী যদি অসুস্থ হয়, স্বামীর দা
উত্তর : হাদীছটি সুনান আবুদাঊদে বর্ণিত হয়েছে হাসান সূত্রে (হা/৫১০)। হাদীছের ভাষ্য থেকে বুঝা যায় যে, কতিপয় ছাহাবী এক্বামতের পর ওযূ করতেন। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে, সকল ছাহাবী এক্বামতের পর ওযূ করতেন। বরং ইবনু ওমর (রাঃ) এটা এজন্য উল্লেখ করেছেন যেন ম
উত্তর : মৌখিকভাবে মসজিদে দান করলেই দান কার্যকর হয়ে যাবে। তবে লিখিত বা প্রচলিত রেজিস্ট্রি পদ্ধতি গ্রহণ করা যরূরী, যাতে কোন অস্পষ্টতার সুযোগ না থাকে। আর দান করার পর উক্ত জমিদাতা নিজে আবাদ করে উৎপাদিত ফসল দেয়ার পরিবর্তে পুরো মালিকানা মসজিদ কমিটি
উত্তর : বিবাহের উক্ত পদ্ধতি শরী‘আত সম্মত হয়নি। কারণ পিতা মেয়ের সিদ্ধান্তের উপর ছেড়ে দিলেও তিনি বিবাহে অলীর ভূমিকা পালন করেননি বা কাউকে অলীর দায়িত্ব প্রদান করেননি। আর রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘কোন মহিলা যদি অলীর বিনা অনুমতিতে বিবাহ করে, তাহ’লে তার ঐ
উত্তর : ইসলামে দিবস পালনের কোন বিধান নেই। এগুলো বিজাতীয় রীতি হিসাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে চালু হয়েছে। আর যেগুলো ইসলাম সমর্থন করে না, সেগুলোতে অংশগ্রহণ করা ও সহযোগিতা করা যাবে না (মায়েদাহ ৫/২)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের সাদৃশ্য অবলম্
উত্তর : পিতা-মাতার নামে এভাবে কসম খাওয়া যাবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে কসম করল, সে ব্যক্তি শিরক করল’ (তিরমিযী হা/১২৪১; মিশকাত হা/৩৪১৯)। তিনি বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের বাপ-দাদার নামে কসম করতে
উত্তর : এমন একটি বিষয় নিয়ে সম্পর্ক নষ্ট করার যাবে না। বরং এমতাবস্থায় ধৈর্য ধারণ করতে হবে এবং সম্পর্ক বজায় রেখে আসল পিতা-মাতার পরিচয় জানার চেষ্টা করবে। কারণ শ্বশুর পরিবার যদি ইচ্ছাকৃতভাবে পরিচয় গোপন রাখেন, তাহ’লে তারা গুনাহগার হবেন। কেননা একার
উত্তর : এটি উক্ত নারীর হায়েযের নিয়মিত সময়সীমার উপর নির্ভর করবে। সাধারণভাবে যে সময় হায়েয হওয়ার কথা, সেসময় রক্তস্রাব শুরু হ’লে সেটি হায়েয হিসাবে গণ্য হবে। আর যদি রক্তস্রাব অনিয়মিত হয় তাহ’লে তা ইস্তিহাযা হিসাবে গণ্য হবে। সাধারণত নিফাস বন্ধ হওয়ার
উত্তর : উক্ত শর্তটি মসজিদ নির্মাণের জন্য নয় বরং জামা‘আতে উপস্থিতি ওয়াজিব হওয়ার জন্য। যেমন রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আযান শুনল এবং তার কোন ওযর না থাকা সত্ত্বেও জামা‘আতে উপস্থিত হ’ল না, তার ছালাত নেই (ইবনু মাজাহ হা/৭৯৩; মিশকাত হা/১০৭৭; ফাৎহুল
উত্তর : সদগুণাবলী সম্পন্ন স্বামী বা স্ত্রী পাওয়ার জন্য বিশেষ কোন দো‘আ কুরআন বা হাদীছে বর্ণিত হয়নি। তবে সারগর্ভ দো‘আ হিসাবে বেশী বেশী ‘রববানা আ-তিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাঁও ওয়া ফিল আ-খিরাতে হাসানাতাঁও ওয়া ক্বিনা আযা-বান্না-র’ দো‘আটি পাঠ করা যায়। এই দো‘আ
উত্তর : সাধারণ অবস্থায় ফজরের ছালাত পর্যন্ত ফরয গোসল বিলম্ব করা যাবে। তবে এসময় ওযূ করে নেওয়া মুস্তাহাব। আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) যখন নাপাক থাকতেন তখন কিছু খাওয়া অথবা ঘুমানোর ইচ্ছা করলে ওযূ করে নিতেন (মুসলিম হা/৩০৫; মিশকাত হা/৪৫৩)। ও
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) মধু পান করতে পসন্দ করতেন (বুখারী হা/৫২৬৮)। আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) প্রায়ই মধু পান করতেন (মুসলিম হা/২০০৮; মিশকাত হা/৪২৮৬)। তিনি তার স্ত্রীগণের নিকটে গেলে মধু পান করতেন (বুখারী হা/৫২৬৮)। তিনি ছাহাবীগণকে মধু পানের মাধ্যমে চিকিৎস
উত্তর : পিতার সম্পত্তির মত মায়ের সম্পত্তিও ‘ছেলেরা মেয়ের দ্বিগুণ’ ভিত্তিতে বণ্টিত হবে (নিসা ৪/১১; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ দারব ১৯/৪৬৭)। এছাড়া মায়ের জীবিত অন্য কোন ওয়ারিছ থাকলে তারাও উক্ত সম্পত্তিতে অংশ পাবেন।প্রশ্নকারী : আবিদ আহমাদ, কুড়
উত্তর : এরূপ কর্ম সরকারী সম্পদ তথা জনগণের সম্পদ অবৈধভাবে ব্যবহার করা আত্মসাৎ করা বা আমানতের খেয়ানত করার শামিল। আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা অন্যায়ভাবে একে অপরের মাল ভক্ষণ করো না’ (নিসা ৪/২৯)। তবে খাবার হালাল হ’লে তা খাওয়াতে দোষ নেই। কিন্তু
উত্তর : ছালাতুল হাজত আদায় করা মুস্তাহাব। যেকোন বিপদে বা প্রয়োজনে আল্লাহর সাহায্য কামনার উদ্দেশ্যে ওযূ করে নির্দিষ্ট কোন পদ্ধতি কিংবা বিশেষ কোন দো‘আ ব্যতীত সাধারণ পদ্ধতিতে দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করবে। আল্লাহ ছবর ও ছালাতের মাধ্যমেই তার সাহায্য প্
উত্তর : ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (৬৬১-৭২৮ খৃ.) সালাফে ছালেহীনের মাসলাক অনুসরণকারী একজন যুগশ্রেষ্ঠ মুজতাহিদ ছিলেন। মাসআলা ইসতিম্বাতের সময় তিনি ব্যক্তি নির্বিশেষে সকল ইমামের মাসআলা যাচাই করতেন। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (রহঃ) তার অন্যতম অনুসরণীয় ব্যক্তিত
উত্তর : ছালাতরত অবস্থায় কারো মযী বের হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেলে তাকে ওযূ করে পুনরায় পুরো ছালাত আদায় করতে হবে। আর ছালাতের পর বের হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেলে ছালাত পুনরায় আদায় করতে হবে না। আর ধৌত করার পরে মযী বের হ’লেও তাতে ওযূ নষ্ট হবে।
উত্তর : অমুসলিমের রক্ত কোন মুসলমানের দেহে প্রবেশ করানোতে শরী‘আতে কোন বাধা নেই। মুশরিকগণ আক্বীদাগত তথা বিশ্বাসগত দিক দিয়ে অপবিত্র (তওবা ৯/২৮), তবে শারীরিক দিক দিয়ে নয়। এছাড়া অমুসলিমদেরকে রক্ত দান করতেও কোন বাধা নেই। বরং মানুষ হিসাবে মুসলিম-অমুসলিম
উত্তর : শ্বশুরের দেওয়া হাদিয়া জামাইয়ের জন্য গ্রহণ করা জায়েয। বরং হাদিয়া আদান-প্রদান করা মুস্তাহাব। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা পরস্পরকে হাদিয়া প্রদান কর ও মহববত বৃদ্ধি কর (আল-আদাবুল মুফরাদ হা/৫৯৪; ছহীহুল জামে‘ হা/৩০০৪)। তিনি আরো বলেন, ...যদি আমা
উত্তর : পরকীয়া একটি জঘন্য কর্ম। এতে কেবল ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয় না; বরং পুরো সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেজন্য সংশোধনের স্বার্থে বিষয়টি তাকে জিজ্ঞেস করা বা তার স্বামীর কানে আভাস দেওয়ায় কোন দোষ হবে না। সাক্ষী না থাকলে বিচার করা যাবে না বা হদ কায়েম ক
উত্তর : তাওয়াফ বারবার করা যায়। কারণ নফল তাওয়াফের সময় ও সংখ্যা নির্দিষ্ট নেই। রাসূল (ছাঃ) বলেন, তাওয়াফকারীর প্রতি পদক্ষেপে একটি দাস মুক্তির ছওয়াব পাওয়া যায়, দশটি করে গুনাহ ঝরে পড়ে ও দশটি করে নেকী লেখা হয় এবং দশগুণ মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয় (আহমাদ
উত্তর : লাশকে ডান কাতে শোয়ানো এবং ক্বিবলামুখী করে রাখা মুস্তাহাব। রাসূল (ছাঃ) বলেন, আমাদের মৃত ও জীবিত সবার ক্বিবলা কা‘বা (আবুদাউদ হা/২৮৭৫; ইরওয়া হা/৬৯০)। ইবনু হাযম (রহঃ) বলেন, এই আমল রাসূল (ছাঃ)-এর যুগ থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে চলে আসছে (মুহাল্লা ৫/১৭১,
উত্তর : ইহূদী-খৃষ্টানদের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য করা নাজায়েয নয়। তাছাড়া এই প্রতিষ্ঠানগুলি মৌলিকভাবে হারাম নয়। বরং তা হারাম কাজে ব্যবহার করাটা হারাম। সেজন্য দ্বীনী কাজে এসব গণমাধ্যম ব্যবহার করাতে কোন দোষ নেই। তবে অবশ্যই এই মাধ্যমগুলির খারাপ দিকগুল
উত্তর : কোন বান্দা কি পাপ করবে এবং তার জন্য কি শাস্তি ভোগ করবে এবং কতদিন শাস্তি ভোগ করবে সবই আল্লাহ তা‘আলার জ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত। সেকারণ তিনি তাদের ভবিষ্যৎ শাস্তি অগ্রিম প্রদর্শন করাতেও সক্ষম, যা রাসূল (ছাঃ)-কে মি‘রাজ রজনীতে বা বিভিন্ন সময়ে স্
উত্তর : স্বামী তার স্ত্রীর মোহরানার সমুদয় অর্থ বর্তমান জীবিত ওয়ারিছদের মধ্যে মীরাছের বিধান অনুযায়ী বণ্টন করে দিবেন। তিনি তার স্ত্রীর মোহরানার অর্থ দান করতে পারবেন না। কারণ বর্তমানে তিনি উক্ত অর্থের একক মালিক নন। বরং উক্ত অর্থের মালিক জীবিত ওয়
উত্তর : এ বিষয়ে কোন দলীল পাওয়া যায় না। ইমাম শাফেঈ (রহঃ) বলেন, মৃত ব্যক্তিকে নিজ অবস্থায় (গোঁফ ও নখসহ) রেখে দেওয়াই আমার নিকট পসন্দনীয় (নববী, আল-মাজমূ‘ ৫/১৬৯-৭০)। ইমাম মালেক (রহঃ) বলেন, ‘এগুলি কাটা আমার নিকট অপসন্দনীয়। বরং আমি মনে করি, যারা এটা করে তার
উত্তর : এরূপ শর্তে ব্যবসা জায়েয হবে না। কারণ উক্ত চুক্তিতে যুলুম রয়েছে। ইবনু কুদামা বলেন, এক্ষেত্রে ব্যবসায়ী লোকসানের ভাগিদার হয়। অথচ বিনিয়োগকারী হয় না। অথচ লাভের ক্ষেত্রে উভয়ে সমঝোতা মোতাবেক শরীক হবে। এ বিষয়ে বিদ্বানগণের মধ্যে কোন মতভেদ আছে
উত্তর : ছালাতের সিজদায় কারো তন্দ্রাজনিত কারণে মস্তিস্কের পরিবর্তন দেখা দিলে এবং ইমামের তাকবীরের কারণে তন্দ্রা দূরীভূত হয়ে গেলে ওযূ বা ছালাতের কোন ক্ষতি হবে না। বরং এই অবস্থায় ছালাত সম্পন্ন করবে। আর যদি সিজদায় গভীর ঘুম চলে আসে এবং ইমামের তাকবী
উত্তর : যেকোন পেশায় অসত্য তথ্য প্রদান করা নিষিদ্ধ। আল্লাহ বলেন, তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করো না এবং জেনেশুনে সত্যকে গোপন করো না (বাক্বারাহ ২/৪২)। তবে এজন্য আইনী পেশায় যুক্ত থাকা নিষিদ্ধ নয়; বরং কোনরূপ মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া থেকে বিরত থাকতে
উত্তর : উক্ত বিবাহ সঠিক হয়নি। কারণ পিতার অসম্মতিতে মেয়ের বিবাহ বৈধ নয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, অলী ব্যতীত বিবাহ নেই’ (তিরমিযী হা/১১০১ প্রভৃতি; মিশকাত হা/৩১৩০)। তিনি বলেন ‘কোন মহিলা যদি অলীর বিনা অনুমতিতে বিবাহ করে তাহ’লে তার ঐ বিবাহ বাতিল, বাতিল, বাতিল’ (ত
উত্তর : কোন বই বা পত্রিকার পাতায় কুরআনের আয়াত থাকলে তা সম্মানের সাথে রাখতে হবে এবং অন্য কাজে ব্যবহার করা থেকে সাধ্যমত বিরত থাকতে হবে। যদিও তা কুরআনের মুছহাফের সমতুল্য নয়। আর অধিক পুরানো হ’লে বা ব্যবহার অনুপযোগী হ’লে তা পবিত্র স্থানে পুঁতে ফেল
উত্তর : কুরবানী ইসলামের অন্যতম প্রধান নিদর্শন। কুরবানীর দিনগুলিতে কুরবানীর পশুও ইসলামের নিদর্শন (হজ্জ ২২/৩৬)। সুতরাং এই দিনগুলিতে কুরবানী ব্যতীত গোশত খাওয়ার নিয়তে অন্য কোন কুরবানীযোগ্য পশু যবেহ করা সমীচীন নয়। কুরবানীর দিনসহ আইয়ামে তাশরীকের দিনগ
উত্তর : রাসূল (ছাঃ)-এর জন্মদিন মনে করে সোমবারে ছিয়াম রাখা যাবে না। কারণ জন্ম বা মৃত্যু দিবস পালন ইসলামে বৈধ নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার ছিয়াম পালন করতেন প্রথমতঃ এই কারণে যে, তিনি সোমবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন ও প্রথম অহি প্র
উত্তর : পাত্রে রাখা পানিতে পরিষ্কার হাত বা পা ডুবালে পানি অপবিত্র হয় না। অতএব তাতে ওযূ করা যাবে (নববী, আল-মাজমূ‘ ১৪/১০৩; ইবনু কুদামাহ, মুগনী ১/২৫)। রাসূল (ছাঃ) সামান্য আটা মিশ্রিত পানি দ্বারাও গোসল করেছেন (নাসাঈ হা/২৪০; মিশকাত হা/৪৮৫; ইরওয়া হা/২৭, সন
উত্তর : চেয়ারে বসে ছালাত আদায়কারীর তিনটি অবস্থা রয়েছে। প্রথমতঃ মসজিদের প্রথম কাতার মুছল্লী দ্বারা পূর্ণ হ’লে চেয়ারে ছালাত আদায়কারীরা কাতারের যেকোন এক পার্শ্বে ছালাত আদায় করবে। কারণ চেয়ারে বসে কাতারের মাঝে ছালাত আদায় করলে কাতারের সৌন্দর্য বিনষ
উত্তর : ইমামের বেতন ঈদের মাঠে দানকৃত বায়তুল মাল তহবিল থেকে দেওয়া যাবে। এতে কোন বাধা নেই (ইবনু তায়মিয়াহ, আল-ইখতিয়ারাতুল ফিক্বহিইয়াহ ১/৪৯২)।প্রশ্নকারী : যহূরুল ইসলাম, বিরামপুর, দিনাজপুর।
উত্তর : জানাযার ছালাতে ক্বিরাআত ও দো‘আ নীরবে বা সরবে অনুচ্চ স্বরে দু’ভাবেই পড়া জায়েয। উভয়টিই রাসূল (ছাঃ) থেকে বর্ণিত (দ্র.‘আওনুল মা‘বূদ হা/৩২০২-এর আলোচনা; ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) ২১৬ পৃ.)। যেমন আবু উমামা বাহেলী (রাঃ) বলেন, জানাযার ছালাতে সুন্নাত হ’ল প্
উত্তর : স্ত্রী স্বামীকে যিহার করতে পারে না, বরং স্বামী স্ত্রীকে যিহার করে থাকে। ফলে এটি যিহারের অন্তর্ভুক্ত নয়। বরং একটি সাধারণ কথা মাত্র। এতে কোন কাফফারা দিতে হবে না। মূলতঃ ‘যিহার’ হ’ল, স্বামী যদি তার স্ত্রীকে অথবা তার কোন অঙ্গকে নিজের ‘মা’
উত্তর : যদি নিফাস বন্ধের পর স্বামী স্ত্রীর সাথে মিলন করে এবং স্ত্রীর হায়েয না হয় তাহ’লে এ অবস্থায় তালাক দেওয়া যাবে না, মেয়াদ যতই দীর্ঘ হোক। কেননা মিলন হয়েছে এমন তুহরে তালাক দেওয়া নিষিদ্ধ (তালাক্ব ১)। অতএব তাকে তালাক দিতে হ’লে পুনরায় হায়েয হওয়
উত্তর : মসজিদের কোন কাজে যাকাতের সম্পদ ব্যয় করা যাবে না। কেননা যাকাতের নির্দিষ্ট আটটি খাত রয়েছে। যাকাত উক্ত খাতগুলোতেই প্রদান করতে হবে (তওবা ৯/৬০)। সুতরাং মসজিদ বা মসজিদের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান যেমন মসজিদ ও লাইব্রেরী অথবা ইমাম ও মুওয়াযযিনের ব
উত্তর : অজ্ঞতাবশত কেউ সময়ের পরে সাহারী গ্রহণ করে থাকলে সে ছিয়াম পূর্ণ করবে। কারণ অজ্ঞতার কারণে কেউ কোন ভুল করলে তার জন্য আল্লাহ পাকড়াও করেন না (বাক্বারাহ ২/২৮৬)। কতিপয় ছাহাবী সাদা রেখা ও কালো রেখার ব্যাখ্যা বুঝতে না পারায় নির্দিষ্ট সময়ের পরে
উত্তর : কাউকে ‘জাহান্নামী’ বলা বা এই ধরনের ভাষায় গালি দেওয়া জায়েয নয়। কারণ এটা তার উপর কুফরীর অপবাদ দেওয়ার নামান্তর, যা হারাম (উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৫/৭৯; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৫/৩৬৫, ১৩/৪২২)। এই অপবাদের দু’টি ক্ষতিকর দিক রয়েছে- (১) অপবাদটি অপব
উত্তর : এ সময় মাসবূক নিজেকে ইমাম মনে করে বাকী ছালাত সমাপ্ত করবে। সামনে জায়গা থাকলে মাসবূক ইমাম সামনে চলে যাবে এবং দু’জন মুছল্লী পিছনে থাকবে। আর সামনে জায়গা না থাকলে দু’জনকে পিছনে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত করবে। আর জায়গা না থাকলে দু’জনকে পাশে নিয়েই ছা
উত্তর : কুরবানীর নিয়তে নির্দিষ্টভাবে পশু ক্রয়ের পর তা ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না। কেননা এটি ওয়াকফের ন্যায়। অতএব তা দিয়ে আক্বীক্বা করা যাবে না। আর ক্রয়ের পর অসুস্থ হয়ে পড়া পশু দ্বারা কুরবানী করায় বাধা নেই (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়
উত্তর : সরকারী শর্ত মেনে কোন দেশে বসবাসের অনুমতি নেওয়ার পর শর্ত ভেঙ্গে এরূপ প্রতারণার আশ্রয় গ্রহণ করা জায়েয হবে না। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে শর্ত ও চুক্তি হালালকে হারাম এবং হারামকে হালাল করবে তা ব্যতীত মুসলিমগণ পরস্পরের মধ্যে যে শর্ত করবে, ত
উত্তর : SPC (Super power community) ওয়ার্ল্ড এক্সপ্রেস মূলতঃ এম.এল.এম পদ্ধতিতে ব্যবসা করা একটি অনলাইন কোম্পানী। আর এম.এল.এম পদ্ধতির সকল প্রকার ব্যবসা নিষিদ্ধ। কারণ এর মধ্যে চরম প্রতারণা, ধোঁকা, জুয়া ও জনগণের সম্পদের সাথে খেল-তামাশা রয়েছে (ফাত
উত্তর : সাধারণ রোগ-ব্যাধি গোপন রাখায় দোষ নেই। কিন্তু যদি তা বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো কঠিন রোগ হয়। যেমন যৌন অক্ষমতা, বন্ধ্যাত্ব ও সন্তান পালনগত অক্ষমতা বা জন্মগতভাবে বড় ধরনের কোন রোগ হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে তা গোপন করার জন্য অভিভাবকগণ
উত্তর : মানব চক্ষু দ্বারা দুনিয়ায় আল্লাহকে দর্শন করা অসম্ভব। তবে মুমিনগণ পরকালে জান্নাতে আল্লাহ দেখতে পাবেন। দুনিয়াতেই আল্লাহ্কে দর্শন করা বিদ‘আতী ও বাতিলপন্থীদের ভ্রান্ত দাবী। যার পক্ষে কোন দলীল নেই। এটি আল্লাহর শানের খেলাফ (ফাতাওয়া লাজনা দা
উত্তর : গরীব-মিসকীনদের মধ্যে গোশত বিতরণের জন্য বিশ্বস্ত কোন সংগঠন বা সংস্থার সহযোগিতা নেওয়া যায়। এতে কোন বাধা নেই। তবে তা সঠিকভাবে বিতরণ করা হচ্ছে কি-না সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব; ফাতাওয়া আশ-শাবাকাতুল ইসলামিয়া;
উত্তর : পিতা-মাতার অছিয়ত দু’ধরনের হ’তে পারে। সম্পদ সম্পর্কিত এবং সম্পদ বহির্ভূত। সম্পদ সম্পর্কিত অছিয়ত যদি এক-তৃতীয়াংশের কম হয় তাহ’লে তা পালন করা আবশ্যক (নিসা ৪/১১)। আর সম্পদ বহির্ভুত অছিয়ত যা পালন করা মুস্তাহাব। এক্ষণে ছেলে জানাযার ছালাত পড়া
উত্তর : সরাসরি ফেরত দিতে সমস্যা থাকলে পরিচয় গোপন রেখে কারু মাধ্যমে পণ্যটি কিংবা পণ্যের মূল্য ফেরত দিবে (উছায়মীন, ফাতাওয়া ইসলামিইয়াহ ৪/১৬২-৬৫ পৃ.)।প্রশ্নকারী : আবুল কালাম, ক্ষেতলাল, জয়পুরহাট।
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। শিশুর বয়স দু’বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর বা প্রাপ্ত বয়স্ক কেউ কোন নারীর দুধ পান করলে তিনি দুধ মা সাব্যস্ত হবেন না। দুধ মাতা সাব্যস্ত হওয়ার জন্য শর্ত দু’টি। (১) দু’বছরের কম বয়সে দুধ পান করতে হবে (বাক্বারাহ ২/২৩৩; দারাকু
উত্তর : প্রতিটি সুন্নাত পালনে নেকী রয়েছে। ছোট হোক বা বড় হোক সুন্নাত পালনের মধ্যে রয়েছে দুনিয়াবী কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তি। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ক্বিয়ামতের দিন লোকদের আমল সমূহের মধ্যে সর্বপ্রথম জিজ্ঞাসা করা হবে তাদের ছালাত সম্পর্কে। যদি তাতে কোন ক্
উত্তর : কবরে যতদিন মুমিনের লাশের কোন অংশ বাকী থাকবে, ততদিন তাকে সম্মান করতে হবে। কোন সাধারণ অজুহাতে কবরের সম্মান হানিকর কোন কিছু করা যাবে না (ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/৩০১; আলবানী, তালখীছ ৯১ পৃ.; ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) ‘কবর ও লাশ বিষয়ে’ জ্ঞাতব্য ২৪৩ পৃ.)।
উত্তর : সৎ দাদী যদি যাকাতের হকদার হয় এবং তার নিজ সন্তানরা তার প্রয়োজনীয় খোরপোষ দানে অক্ষম হয়, তবে তাকে যাকাতের টাকা দেওয়া যাবে। কেননা সৎ পিতা-মাতা ও সৎ দাদা-দাদী আপন পিতা-মাতা ও আপন দাদা-দাদীর মত অপরিহার্য হক রাখেন না (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিইয়াহ
প্রশ্নকারী : রায়হান, সিংহমারা, রাজশাহী।উত্তর : নারীদের জন্য হাই হিল জুতা পরা জায়েয নয়। কেননা তাতে তার গোপন সৌন্দর্য প্রকট হয়ে পড়ে। আল্লাহ বলেন, ‘নারীরা যেন এমনভাবে চলাফেরা না করে, যাতে তাদের গোপন সৌন্দর্য প্রকাশিত হয়ে পড়ে’ (নূর ২৪/৩১)। এছাড়া এত
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি মওযূ‘ বা জাল (যঈফাহ হা/৪৫৪৯)। মিউজিক যুক্ত সঙ্গীত ইসলামী হৌক বা অনৈসলামিক হৌক তা শ্রবণ করা হারাম। অনুরূপভাবে অশালীন গান-বাজনা শ্রবণ করা এবং গাওয়াও হারাম। আল্লাহ বলেন, ‘লোকদের মধ্যে কিছু লোক অজ্ঞতা বশে বাজে কথা
উত্তর : ব্যাংকে প্রোগ্রামার বা ইলেকট্রিশিয়ান পদেও চাকুরী করা যাবে না। কারণ এটিও পরোক্ষভাবে সূদী কারবারে সহযোগিতারই শামিল (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৫/৪১)। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা নেকী ও তাকবওয়ার কাজে পরস্পরে সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সীমালংঘনের কাজে সহযোগিতা কর
উত্তর : অন্য ওয়ারিছদের বঞ্চিত করার অসৎ উদ্দেশ্য না থাকলে হেবা বা হাদিয়া হিসাবে এরূপ প্রদান করায় কোন বাধা নেই (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ, ফৎওয়া নং ৬৭৪৫)। তাছাড়া ভবিষ্যৎ ওয়ারিছ তথা মামা ও খালাদের সম্মতিতে মা তার যে কোন সম্পদ মেয়ের নামে লিখে দিতে পারে। এতে
উত্তর : এসকল ক্ষেত্রে নির্যাতিত ব্যক্তি উক্ত অর্থের হকদার হবে। যেমন দিয়াতের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি হকদার হয়ে থাকে। তবে ক্ষেত্র বিশেষে সামাজিক তহবিলে এই অর্থ জমা করা যেতে পারে। যেমন উভয়ের সম্মতিতে অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে সামাজিক শান্তি ও
উত্তর : অতীতে ঘটে যাওয়া কিছু নিয়ে চিন্তাগ্রস্ত হয়ে এবং তাক্বদীরের উপর অসন্তুষ্ট হয়ে ‘যদি’ শব্দ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। কারণ এতে শয়তান খুশী হয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যদি কোন কিছু (বিপদ) তোমার উপর আপতিত হয়, তবে এরূপ বলবে না যে, যদি আমি এরূপ করতা
উত্তর : নারীদেরকে পুরুষের পাঁজরের উপরের বাঁকা হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে (নিসা ৪/১; বুখারী হা/৩৩৩১; মুসলিম হা/১৪৬৮)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা নারীদের সাথে উত্তম আচরণ কর। কারণ তাদেরকে পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর পাঁজরের হাড়ের মধ্যে সর্বাপ
উত্তর : কবর যিয়ারতের জন্য জুম‘আর দিনকে নির্দিষ্ট করে নেওয়া এবং কবরে গিয়ে দলবদ্ধভাবে দু’হাত তুলে মুনাজাত করা শরী‘আত সম্মত নয়। তবে সেখানে গিয়ে দাঁড়িয়ে প্রত্যেকে নিজে নিজে দো‘আ পড়বে। এক্ষণে কারো যদি জুম‘আর দিন ব্যতীত অন্য দিন কবর যিয়ারতের সময় না
উত্তর : বিবাহের ব্যাপারে বর বা কনেকে বিপরীত পক্ষ সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রদান করা যাবে। রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট ফাতেমা বিনতে ক্বায়েস তার বিবাহের জন্য আগত প্রস্তাবের ব্যাপারে পরামর্শ চেয়ে বলেন, মু‘আবিয়া বিন আবু সুফিয়ান এবং আবু জাহাম আমার বিবাহের পয়গা
উত্তর : এটি সফর হিসাবে গণ্য হবে না এবং ক্বছর ছালাতের বিধানও প্রযোজ্য হবে না। তবে বিশেষ শারঈ ওযর বশতঃ দু’ওয়াক্তের ছালাত ক্বছর ও সুন্নাত ছাড়াই একত্রে জমা করে পড়া যায়। যেমন যোহর ও আছর পৃথক এক্বামতের মাধ্যমে ৪+৪=৮ এবং মাগরিব ও এশা ৩+৪=৭ রাক‘আত। ই
প্রশ্নকারী : ইশরাত জাহান, কোরপাই, বুড়িচং, কুমিল্লা।উত্তর : ঘুমানো ও ঘুম থেকে ওঠার সময় পঠিতব্য দো‘আ যেকোন সময় ঘুমানোর ক্ষেত্রে পড়া যাবে। কারণ হাদীছে ঘুমের কথা বলা হয়েছে। রাত বা দিনের কথা উল্লেখ নেই। রাসূল (ছাঃ) যখন বিছানায় যেতেন, তখন তিনি এ দো‘আ
উত্তর : এ ব্যাপারে রাসূল (ছাঃ) বা ছাহাবায়ে কেরাম থেকে আমল পাওয়া যায় না। সুতরাং এ থেকে বিরত থাকাই কর্তব্য। বরং কারু সুস্থতার জন্য হাদীছে বর্ণিত দো‘আ সমূহ পাঠ করবে এবং ছাদাক্বা করবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, তোমরা ছাদাক্বা করার মাধ্যমে তোমাদের রোগীদের
উত্তর : তাসবীহ, তাহলীল, তাকবীর ও এ জাতীয় দো‘আগুলি অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ। এগুলি পাঠে প্রভূত নেকী অর্জিত হয়। তাই মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য এগুলি টাঙানো যায়। তবে নিরাপদ জায়গায় টাঙাতে হবে, যেখানে আল্লাহর নামের অবমাননা না হয় (বিন বায, ফাতাওয়া ন
উত্তর : স্ত্রীর উপস্থিতিতে তার ভাগ্নী বা বোনের মেয়েকে বিবাহ করা যাবে না। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘কোন নারীকে তার ফুফু বা খালার সাথে বিবাহে একত্রিত করা যাবে না’ (বুখারী হা/৫১৯০; মুসলিম হা/১৪০৮; মিশকাত হা/৩১৬০)। অন্যত্র তিনি বলেন, ভাতিজীর সাথে তার
উত্তর : প্রতি আরবী মাসের মধ্যবর্তী ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ, আইয়ামে বীয-এর ৩ দিন ছিয়াম পালন করা মুস্তাহাব (তিরমিযী হা/৭৬১; নাসাঈ হা/২৪২৪; মিশকাত হা/২০৫৭)। তবে কোন সমস্যা থাকলে মাসের অন্য দিনেও রাখা যেতে পারে। এক্ষণে যিলহজ্জ মাসের ১৩ তারিখ আইয়ামে তাশরীক্
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) বলেন, মযী বের হ’লে তোমার লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেলবে এবং ছালাতের ওযূর ন্যায় ওযূ করবে (আবুদাঊদ হা/২১১; নাসাঈ হা/৪৩৫)। তিনি আরও বলেন, ‘কাপড়ের যে স্থানে মযীর নিদর্শন দেখবে, হাতে পানি নিয়ে ঐ স্থানে ছিটিয়ে দিবে, যেন সেখানে পানি পৌঁছে যায় (আব
উত্তর : মাথার চুল স্বাভাবিকভাবে কাটতে হবে। এমনভাবে চুল কাটা যাবে না যাতে অশালীনতা ও উগ্রতা প্রকাশ পায়। একদা নবী করীম (ছাঃ) দেখলেন যে, একটি শিশুর মাথার কিছু অংশ কামানো আর কিছুটা অবশিষ্ট আছে। তিনি তাদেরকে এরূপ করতে নিষেধ করে বললেন, হয় সবটুকু কা
উত্তর : নারীদের জন্য হাতে ও পায়ে মোযা পরিধান করা মুস্তাহাব। নববী যুগে নারীদের হাত মোযা পরার প্রচলন ছিল। রাসূল (ছাঃ) বলেন, হজ্জের সময় মুহরিম মহিলাগণ মুখে নেক্বাব এবং হাতে মোযা পরবে না (বুখারী হা/১৮৩৮; মিশকাত হা/২৬৭৮)। এই হাদীছ প্রমাণ করে যে, তৎক
উত্তর : কুরবানীর জন্য কেমন পশু হ’তে বিরত থাকতে হবে, এমন প্রশ্নের উত্তরে রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘চার প্রকার পশু থেকে : স্পষ্ট খোঁড়া, স্পষ্ট কানা, স্পষ্ট রোগী ও জীর্ণশীর্ণ (আহমাদ হা/১৮৬৯৭, ১০৪৮, ১০৬১; তিরমিযী হা/১৪৯৭; ইবনু মাজাহ হা/৩১৪৪ প্রভৃতি; মিশকা
উত্তর : পর্দা সহকারেও নারীদের যে কোন ধরনের যানবাহন চালনা করা সমীচীন নয়। কেননা প্রথমতঃ এধরণের কাজ তাদের জন্য স্বভাবসিদ্ধ নয়, বরং পুরুষালী কর্ম এবং এতে প্রকারান্তরে তাদের বেহায়াপনা প্রকাশ পায়। আল্লাহ প্রকাশ্য ও গোপন যাবতীয় বেহায়াপনাকে নিষিদ্ধ ক
উত্তর : বিবাহ বৈধ করার জন্য মেয়ের পিতার উপস্থিতিতে বা সম্মতিতে দ্বিতীয়বার বিবাহের ঈজাব-কবুলের ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ কোন নারী বিবাহের অলী হ’তে পারে না। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘অলী ব্যতীত বিবাহ সিদ্ধ নয়’ (তিরমিযী হা/১১০১; মিশকাত হা/৩১৩০)। নবী করীম
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটির সনদের বিশুদ্ধতা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। ইবনু হাজার আসক্বালানী এবং আলবানী হাদীছটিকে ‘যঈফ’ বলেছেন। তবে আলবানী ‘মওকূফ হিসাবে ছহীহ’ বলেছেন (ইবনু হাজার, নাতাইজুল আফকার ১/২৬৩; আলবানী, তিরমিযী হা/৩৫০০; তামামুল মিন্নাহ ৯৫-৯
উত্তর : পিতার পেনশনের টাকা পরিত্যক্ত সম্পদ হিসাবে গণ্য হবে এবং উক্ত সম্পদ শারঈ বিধান অনুযায়ী ওয়ারিছদের মধ্যে বণ্টিত হবে। সন্তান থাকলে মা মৃতের স্ত্রী হিসাবে এক-অষ্টমাংশ পাবেন। আর সন্তান না থাকলে সিকি পাবেন। বাকী সম্পদ ছেলে-মেয়েরা এক পুত্র সমা
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) ওহোদের শহীদদের কবরে মাথার দিক থেকে পায়ের দিকে তিনবার মাটি ছড়িয়ে দিয়েছেন (ইবনু মাজাহ হা/১৫৬৫; ইরওয়া হা/৭৫১, সনদ ছহীহ)। অতঃপর তিন অঞ্জলী বা তিন মুষ্ঠি দু’ধরনের বর্ণনাই এসেছে, যার দু’টিই যঈফ (আলোচনা দ্রষ্টব্য : ইরওয়া হা/৭৫১)। অতএব যা
উত্তর : ইসলাম ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল সৃষ্টির প্রতি দয়া ও অনুগ্রহের শিক্ষা প্রদান করে। তাই অসহায় অমুসলিমদের দান করলেও ছওয়াব পাওয়া যাবে। আল্লাহ বলেন, তারা আল্লাহর মহববতে অভাবগ্রস্ত, ইয়াতীম ও বন্দীদের আহার্য প্রদান করে (দাহর ৭৬/০৯)। ইবনু কুদামা
উত্তর : বন্ধ্যা নারীকে বিবাহ করা জায়েয। তবে রাসূল (ছাঃ) অধিক সন্তানদায়িনী নারীকে বিবাহ করার প্রতিই উৎসাহিত করেছেন। মা‘ক্বিল বিন ইয়াসার (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী করীম (ছাঃ)-এর নিকটে উপস্থিত হয়ে বললে, আমি একজন সুন্দরী এবং সদ্
উত্তর : মসজিদ বসবাসের স্থান নয়। বরং ইবাদতের স্থান। তবে যদি মসজিদ কমিটি মসজিদের পবিত্রতা রক্ষা করে ইমামের জন্য মসজিদ সংলগ্ন স্থানে কোন বাসগৃহ নির্ধারণ করে, সেখানে তিনি সপরিবারে বসবাস করতে পারেন (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ, ২য় ভাগ, ৫/২২১-২২; ওছায়মীন,
উত্তর : অমুসলিম রাষ্ট্র বেষ্টিত মুসলিম রাষ্ট্র বাংলাদেশের সীমান্তের নিরাপত্তা বিধানে যারা জড়িত, তারা যদি আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে একাজে নিযুক্ত থাকেন, তবে তারা হাদীছে বর্ণিত সীমান্ত পাহারা দেওয়ার নেকী লাভ করবেন ইনশাআল্লাহ। তবে তাদের জ
উত্তর : অবৈধ পথে উপার্জিত সম্পদ যা ব্যয় করে ফেলেছে, তার জন্য কোন কাফ্ফারা নেই। আর অবশিষ্ট সম্পদ থেকে তার জীবন ধারণের জন্য যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু রেখে বাকী সম্পদ জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করে দিবে। সাথে সাথে খালেছ নিয়তে তওবা করবে (ইবনু তায়মিয়াহ, ম
উত্তর : ইভ্যালী, আলিশা মার্ট প্রভৃতি ই-কমার্স সাইট অনলাইনে পণ্য বিক্রয়ের আধুনিক প্রতিষ্ঠান। যেখানে ৪৫ দিন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে পণ্য সরবরাহের চুক্তিতে অগ্রিম টাকা জমা দিতে হয় এবং বিনিময়ে বাযারমূল্য থেকে বিশাল অংকের লোভনীয় ছাড় দেওয়া হয়। আর নির্দ
উত্তর : কোন প্রাণীর প্রতিকৃতি নির্মাণ করা এবং তাতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ (আম্বিয়া ৫২)। এটা বিধর্মীদের অনুকরণ যা শরী‘আতে হারাম (মায়েদাহ ৫১)। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘যে অন্যদের সাথে সাদৃশ্য রাখবে সে আমাদের অন্তর্ভ
উত্তর : চিকিৎসা মানুষের মৌলিক চাহিদা সমূহের অন্তর্ভুক্ত, যা নারী-পুরুষ সকলের জন্যই একান্ত প্রয়োজন। সেকারণ নারীদের জন্য নারী এবং পুরুষদের জন্য পুরুষ চিকিৎসক ও নার্স থাকা এবং হাসপাতালগুলিতে পুরুষ ও মহিলাদের জন্য পৃথক বিভাগ থাকা আবশ্যক। এরূপ ব্য
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) নিজে সর্বদা দাজ্জালের ফিৎনা থেকে পানাহ চেয়েছেন। তিনি স্বীয় উম্মতকে এ ব্যাপারে সতর্ক করেছেন এবং তার অনিষ্ট থেকে পানাহ চাওয়ার দো‘আ শিখিয়েছেন (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/২৪৫৯ ‘দো‘আ সমূহ’ অধ্যায়)। কেবল আমাদের নবীই নন বরং সকল নবীই
উত্তর : ওযূ করার সময় ক্বিবলামুখী হওয়াকে অধিকাংশ বিদ্বান মুস্তাহাব বলেছেন, ওয়াজিব বলেননি (নববী, আল মাজমূ‘ ১/৪৬৫)। কিন্তু মুস্তাহাব হওয়ার পক্ষে কোন হাদীছ বা আছার পাওয়া যায় না। সুতরাং মুছল্লী যে দিকে মুখ করে ওযূ করতে স্বাছন্দ্য বোধ করবে, সেদিকে মুখ
উত্তর : সরকার মসজিদের জমি অধিগ্রহণ করেছে এর ক্ষতি পূরণ মসজিদই পাবে, দাতা নন। কারণ জমিদাতা শর্তহীনভাবে তার জমি মসজিদে ওয়াকফ করেছেন। বর্তমানে উক্ত জমির মালিক মসজিদ। এক্ষণে মসজিদ কর্তৃপক্ষ মসজিদ সংশ্লিষ্ট যেকোন কাজে উক্ত অর্থ ব্যয় করতে পারেন। প্
উত্তর : দাফন শেষে মাইয়েতের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। হযরত ওছমান (রাঃ) বলেন, ‘মৃত ব্যক্তিকে দাফন শেষে নবী কারীম (ছাঃ) সেখানে দাঁড়াতেন এবং উপস্থিত লোকদেরকে বলতেন, ‘তোমাদের ভাইয়ের জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর এবং ঈমানের উপর দৃঢ় থাকা
উত্তর : ছয় মাসের ভেড়া কুরবানী করা যায় না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যে ছাহাবীকে অনুমতি দিয়েছিলেন সেটা তার জন্য খাছ ছিল (ইরওয়া ৪/৩৫৭ পৃঃ)।প্রশ্নকারী : আবুবকর ছিদ্দীক, ঢাকা
উত্তর : ছালাতের সালাম শেষে ইমাম ডাইনে অথবা বামে ঘুরে সরাসরি মুক্তাদীগণের দিকে ফিরে বসবেন (বুখারী হা/৮৫২; মুসলিম হা/৭০৭; মিশকাত হা/৯৪৪-৪৬)। আর ইমামের ঘুরে থাকাতে মুছল্লীর বিরক্তির কোন কারণ নেই। তবে ইমামের কোন কথার বলার প্রয়োজন না থাকলে এবং মুছল্লী
উত্তর : জানার পরে চোরাই মাল ক্রয় করা নিষিদ্ধ। তবে অজ্ঞাত অবস্থার কথা ভিন্ন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘পাপ এবং অন্যায়ের কাজে তোমরা একে অপরের সহযোগিতা করো না’ (মায়েদাহ ২)।প্রশ্নকারী : জাহিদুল ইসলাম, সবুজবাগ, ঢাকা।
উত্তর : এককভাবে শুক্রবারে ছিয়াম পালন নিষিদ্ধ। তবে আগে বা পরে মিলালে তাতে কোন দোষ নেই। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘অবশ্যই কেউ যেন স্রেফ জুম‘আর দিনে ছিয়াম না রাখে। তবে যদি তার একদিন আগে কিংবা পরে রাখে তাহ’লে তাতে ক্ষতি নেই (বুখারী হা/১৯৮৫)। অর্থাৎ শুক্র
উত্তর : দুধ ভাই ও বোন থেকে ততটুকু পর্দা করবে যতটুকু নিজ ভাই ও বোন থেকে করা আবশ্যক। অর্থাৎ দুধ ভাই দুধ বোনের হাত, পা, মাথা, মুখমন্ডল ও চুল দেখতে পারে যেমন অন্যান্য মাহরামরা দেখতে পারে। আল্লাহ বলেন, তোমাদের জন্য হারাম করা হ’ল- তোমাদের মা, মেয়ে,
উত্তর : একজন নারী থেকে আরেকজন নারীর পর্দা হ’ল মাহরাম পুরুষদের থেকে পর্দার ন্যায় (নূর ২৪/৩১)। সেজন্য রাসূল (ছাঃ) বলেন, কোন নারী যেন অপর নারীর লজ্জাস্থানের দিকে না তাকায়। একইভাবে কোন পুরুষ যেন অন্য পুরুষের লজ্জাস্থানের দিকে না তাকায় (ইবনু মাজ
উত্তর : জামা‘আতবদ্ধভাবে হাত তুলে মুনাজাত করা বিদ‘আত (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২৪/১৯০)। এর সাথে আবার সূরা ফাতিহা ও সূরা ইখলাছ পাঠের বিধান যুক্ত করা আরেক বিদ‘আত। বরং মুনাজাতের সুন্নাতী তরীকা হ’ল একাকী হাত তুলে মুনাজাত করা (আবুদাউদ হা/১৪৮৮; মিশকাত হা/২
উত্তর : ছালাত অবস্থায় ওযূ ভেঙ্গে গেলে ছালাত ছেড়ে দিবে এবং ওযূ করে নতুনভাবে ছালাত শুরু করবে। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, ছালাতরত অবস্থায় তোমাদের কেউ যখন নিঃশব্দে বাতাস বের করে, সে যেন ফিরে গিয়ে ওযূ করে এসে পুনরায় ছালাত আদায় করে নেয় (আবুদাউদ হা/২০৫;
উত্তর : নিফাসের সময়সীমা চল্লিশ দিন পূর্ণ করা আবশ্যক নয়। বরং যখনই নিফাস বন্ধ হবে, তখনই পবিত্র হয়ে ছালাত ও ছিয়াম আদায় করবে। কারণ নিফাসের সর্বোচ্চ সময়সীমা চল্লিশ দিন ও রাত হ’লেও সর্বনিম্ন সময়সীমা নির্ধারিত নেই (আবুদাউদ হা/৩১১; ইরওয়া হা/২১১; নববী,
উত্তর : মসজিদ ও ঈদগাহের মত পবিত্র স্থানের সম্মান ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বিনষ্ট হয়, এমন কোন খেলা-ধুলা জায়েয নয়। তবে সাধারণ খেলা-ধূলা বা শরীরচর্চা যা ছালাতের সময় নষ্ট করে না, সেগুলি জায়েয। রাসূল (ছাঃ)-এর যামানায় হাবশী যোদ্ধারা মসজিদে শরীর চর্চা
উত্তর : পিতা-মাতা এমন দু’ব্যক্তি যাদেরকে উহ্ শব্দ দ্বারাও কষ্ট দেয়া যাবে না। এক্ষণে খারাপ আচরণের কারণে ক্ষমা নিতে না পারলে করণীয় হ’ল নিজে তওবা করা, মায়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা ও তার জন্য দান করা ইত্যাদি। হাদীছে এসেছে, বনু সালিমা গোত্
উত্তর : উক্ত দো‘আটি ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত (তিরমিযী হা/২৮৪; মিশকাত হা/৯০০)। দুই সিজদার মাঝে প্রচলিত দো‘আটি ভিন্ন ভিন্ন শব্দে বর্ণিত হয়েছে। যেমন কোন কোন হাদীছে কেবল ‘রবিবগ ফিরলী, রবিবগ ফিরলী’ (আল্লাহ আমাকে ক্ষমা কর, আল্লাহ আমাকে ক্ষমা কর) অং
উত্তর : মি‘রাজ রজনীতে নবী-রাসূলগণ স্ব স্ব আকৃতিতে বায়তুল মুক্বাদ্দাসে উপস্থিত হয়েছিলেন এবং মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর ইমামতিতে দু‘রাক‘আত ছালাত আদায় করেছিলেন। সেকারণ রাসূল (ছাঃ) তাদের চিনতে পেরেছিলেন। তবে তারা কিভাবে এসেছেলেন সে বিষয়ে কিছু বর্ণিত হয়নি
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি নিতান্তই যঈফ (ইরওয়াউল গালীল হা/১১১, ৪/৩০৮ পৃঃ)। ইমাম নাসাঈ বলেন, হাদীছটি পরিত্যক্ত। ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, হাদীছটি ‘মুনকার’ বা অগ্রহণযোগ্য (ইরওয়া, ঐ)। বরং স্পর্শ করত চুম্বন করা ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত (বুখারী, মি
উত্তর : উক্ত আয়াতের অনুবাদ- ‘আর তুমি তোমার পরিবারকে ছালাতের আদেশ দাও এবং তুমি এর উপর অবিচল থাক। আমরা তোমার নিকট রূযী চাই না। আমরাই তোমাকে রূযী দিয়ে থাকি। আর (জান্নাতের) শুভ পরিণাম তো কেবল মুত্তাক্বীদের জন্যই’ (ত্বোয়াহা ২০/১৩২)। এর তাফসীরে হাফ
উত্তর : পিতা-মাতার অবাধ্য হ’লে ছেলে-মেয়ে কবীরা গোনাহগার হয়। কিন্তু মীরাছ হ’তে বঞ্চিত হয় না। কারণ মীরাছ হয় বংশীয় কারণে, সদাচরণের জন্য নয় (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২৫/২৮১)। তাই সন্তানকে ত্যাজ্যপুত্র করা বা সম্পদ থেকে বঞ্চিত করা নিষিদ্ধ। বরং পিতা-মাতা
উত্তর : ইফতারের পূর্বে সম্মিলিতভাবে হাত তুলে দো‘আ করার কোন দলীল পাওয়া যায় না। নির্দিষ্টভাবে ইফতারের সময় দো‘আ কবুল হয় মর্মে যে হাদীছ বর্ণিত হয়েছে তা যঈফ (ইবনু মাজাহ হা/১৭৫৩; মিশকাত হা/২২৪৯; যঈফুল জামে‘ হা/১৯৬৫)। তবে ছিয়াম পালনকারীর দো‘আ কবুল করা
উত্তর : নাজাতপ্রাপ্ত দলটি কেবল শামের অধিবাসী বা বায়তুল মুক্বাদ্দাসের অধিবাসী হবে মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (যঈফাহ হা/৬৩৯০)। উক্ত বর্ণনাগুলোকে ছহীহ ধরা হ’লেও নাজাতপ্রাপ্ত দলের শামে অবস্থান করাকে আবশ্যক করে না। বরং এই দলটি একেক সময় একেক স্থানে অবস্থ
উত্তর : এটা ঘুষ হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, সুফারিশ করার দরুণ যে ব্যক্তি সুফারিশকারীকে উপহার দেয় এবং (তার থেকে) সে ঐ উপহার গ্রহণ করে তাহ’লে সে ব্যক্তি সূদের দ্বারসমূহের মধ্য থেকে একটি বৃহৎ দ্বারে উপনীত হবে (আবুদাউদ হা/৩৫৪৭; ছহীহাহ হা/৩৪৬৫)। তবে কাউক
উত্তর : কাতার সোজা করা, কাতারের শূন্যস্থান পূরণ করা বা ডান বাম থেকে কোন মুছল্লী সরে যাওয়ার কারণে ফাঁকা স্থান পূরণ করার লক্ষ্যে প্রয়োজনে ডানে বা বামে সরে যাওয়া মুস্তাহাব (উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১২/৫০৩)। ইবনু আববাস (রাঃ) ছালাতে রাসূল (ছাঃ)-এর বা
উত্তর : সাধারণ নকশাদার কাপড় পরিধান করা নারীদের জন্য নাজায়েয নয়। তবে এমন নকশাদার কাপড় পরিধান করা যাবে না, যা পরপুরুষদের নযর কাড়ে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আর তারা যে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। তবে যেটুকু স্বাভাবিকভাবে প্রকাশ পায় সেটুকু ব্যতীত (ন
উত্তর : ছালাতরত অবস্থায় ক্বিবলার দিকে থুথু নিক্ষেপ করা সিদ্ধ নয়। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ক্বিবলার দিকে থুথু ফেলে ক্বিয়ামতের দিন তার ঐ থুথু দু’চোখের মধ্যখানে পতিত অবস্থায় উপস্থিত হবে’ (আবুদাউদ হা/৩৮২৪; ছহীহাহ হা/২২২)। তিনি আরো বলেন, ক
উত্তর : কাগজের টাকা স্বর্ণ বা রৌপ্যের মূল্যমান যা প্রথমে তাম্র মুদ্রা হিসাবে তাবেঈগণের যুগে চালু হয়ে পরবর্তীতে টাকার রূপ ধারণ করে অদ্যাবধি চলমান। উমাইয়া খলীফা আব্দুল মালেক ইবনে মারওয়ান (৬৫-৮৬ হি.) প্রথমবারের মত মুসলিম বিশ্বে আরবীতে লেখা দীনার
উত্তর : যারা দূরপাল্লার পরিবহনে কাজ করে, তাদের জন্য ছালাত ক্বছর করাতে শরী‘আতে কোন বাধা নেই। আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রাঃ) আযারবাইজান সফরে গেলে পুরো বরফের মৌসুম সেখানে আটকে যান ও ছয় মাস যাবৎ ক্বছর করেন (বায়হাক্বী ৩/১৫২ পৃঃ; ইরওয়া হা/৫৭৭, সনদ ছহীহ)। অ
উত্তর : উপমহাদেশে সম্মানসূচক সম্বোধন হিসাবে ‘মাওলানা’ (আমাদের বন্ধু/অভিভাবক) বলা হয়ে থাকে (ফীরোযুল লুগাত)। ‘মাওলানা’ এমন একটি শব্দ যা আল্লাহ এবং বান্দা উভয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, দাস তার মালিককে যেন আমার মাওলা না বলে। কারণ তোমাদ
উত্তর : ওযূ করার সময় ক্বিবলামুখী হওয়াকে অধিকাংশ বিদ্বান মুস্তাহাব বলেছেন (নববী, আল-মাজমূ‘ ১/৪৬৫; হাশিয়াতু ইবনু আবেদীন ১/১২৫; ইবনুল মুফলেহ, আল-ফুরূ‘ ১/১৫২)। কিন্তু মুস্তাহাব হওয়ার পক্ষে কোন দলীল পাওয়া যায় না। সুতরাং মুছল্লী যে দিকে মুখ করে ওযূ করত
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘কোন মুসলমান যদি জুম‘আর দিনে বা রাতে মারা যায়, আল্লাহ তাকে কবরের ফিৎনা হ’তে রক্ষা করেন’ (আহমাদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/১৩৬৭; ছহীহুল জামে‘ হা/৫৭৭৩)। অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলা এ দিনের বরকতে মুমিন ব্যক্তিদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা তাকে
উত্তর : দাজ্জাল পূর্ব থেকেই জীবিত রয়েছে এবং বিখ্যাত ছাহাবী তামীম দারী (রাঃ) ও তার ত্রিশজন সাথী সাগরে পথ হারিয়ে এক দ্বীপে গিয়ে ওঠেন। সেখানে পানির খোঁজে বের হ’লে একজন ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হয়। যে তার চুল টেনে নিয়ে চলছিল। অতঃপর তিনি দাজ্জালের কাহি
উত্তর : দো‘আ পাঠে অবহেলার কারণে অথবা মানসিক কারণে এমনটি হ’তে পারে। তবে কেউ জাদু-টোনা করে থাকলে তা নষ্ট করে দিতে হবে। রাসূল (ছাঃ)-কে যাদু করা হ’লে ততক্ষণ তিনি সুস্থ হ’তে পারেননি, যতক্ষণ না জাদুকৃত বস্ত্ত দূর করা হয় (বুখারী হা/৩২৬৮; মুসলিম হা/২১৮
উত্তর : বিবাহের কেউ স্বর্ণ উপহার দিলে তা গ্রহণ করা যাবে। তবে নিজে ব্যবহার না করে স্ত্রীসহ যেকোন মহিলা আত্মীয়কে হাদিয়া প্রদান করবে বা বিক্রয় করে দিবে। রাসূল (ছাঃ)-কে রেশমের পোষাক উপহার দেওয়া হ’লে তিনি তা গ্রহণ করেন এবং অন্যকে হাদিয়া দিয়ে দেন (
উত্তর : অতিবৃদ্ধ, গর্ভবতী, দুগ্ধদায়িনী মা বা চিররোগী ব্যক্তি ফিদ্ইয়া হিসাবে দৈনিক সিকি ছা‘ (৬২৫ গ্রাম) চাউল বা গম মিসকীনকে প্রদান করবে। অথবা একদিনে ৩০ জন মিসকীনকে খাওয়াবে। চাই সেটা বাড়িতে খাবার বানিয়ে হৌক বা হোটেলে হৌক। আনাস (রাঃ) বার্ধক্যজনি
উত্তর : সাধারণ অবস্থায় পিলারসহ কাতার করা যাবে না। কুর্রা (রাঃ) বলেন, আমাদেরকে খুঁটি সমূহের মধ্যবর্তী জায়গায় ছালাত পড়তে নিষেধ করা হ’ত। এমনকি সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়া হ’ত’ (ইবনু মাজাহ হা/১০০২; ছহীহাহ হা/৩৩৫; তামামুল মিন্নাহ ২৯৬ পৃ.)। তবে লোক সমাগম
উত্তর : কাফের বা অমুসলিম দুনিয়াতে কোন সৎকর্ম করলে এর প্রতিদান দুনিয়াতেই পাবে, পরকালে নয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই যারা অবিশ্বাসী হয়েছে এবং অবিশ্বাসী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে, তাদের কারু কাছ থেকে যমীন ভর্তি স্বর্ণও গ্রহণ করা হবে না, যদি তার
উত্তর : জমির মালিকের সাধারণ অনুমতি থাকলে কিংবা এলাকায় প্রচলন থাকলে ঘাস খাওয়ানো বা চরানোয় কোন বাধা নেই। আর জমির নির্দিষ্ট মালিক না থাকলে বা সরকারী খাস জমি যেমন রাস্তার দু’পাশ বা নদীর পাড়সমূহে পশু চরানোতে কোন দোষ নেই (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ১/৪১৮)।
উত্তরঃ জুম‘আর খুৎবা সংক্ষিপ্ত হবে আর ছালাত দীর্ঘ হবে-এর অর্থ হ’ল, খুৎবা তার মান অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত ও সারগর্ভ হবে। আর ছালাতকে তার সুন্নাত অনুযায়ী দীর্ঘ করতে হবে (বিস্তারিত দেখুন মির‘আত ৪/৪৯৬ পৃঃ)। অত্র হাদীছটির ব্যাখ্যা অন্য হাদীছ দ্বারা সুস্পষ্ট
উত্তরঃ ক্বাযা ছালাতের সুন্নাত আদায় করা ভাল। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ফজরের ক্বাযা সুন্নাত আদায় করেন। একদা তিনি (ছাঃ) ঘুমিয়ে যান। তিনি সূর্য উঠার পর ফজরের ছালাত আদায় করেন। প্রথমে সুন্নাত পড়েন ও পরে ফরয পড়েন (মুসলিম হা/৪৭৩; ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/..)।
উত্তরঃ মুসাফির বাড়ী পৌঁছার পূর্ব পর্যন্ত মুসাফির থাকে। তাই সে যোহর-আছর জমা কছর ও করতে পারে (আবূদাঊদ হা/১২০৮; তিরমিযী ৫৫৩)। তবে বাড়ী পৌঁছে গেলে পূর্ণ ছালাত আদায় করতে হবে। কারণ সে তখন আর মুসাফির থাকে না।
উত্তরঃ মহিলাদের ফরয ছালাতে ইক্বামত দিতে হবে। কারণ ইক্বামত একটি যিকির। আয়েশা (রাঃ) আযান দিতেন, ইক্বামত দিতেন এবং মহিলাদের ইমামতি করতেন, তিনি তাদের মাঝে দাঁড়াতেন (বায়হাক্বী, ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/১৪৪)। মহিলাদের আযান ইক্বামত দিতে হবে না মর্মে বর্ণিত
উত্তরঃ এ ঘটনা সত্য নয়। প্রকাশ থাকে যে, মানুষ পাপের কারণে নারীতে পরিণত হয় না। তবে শুকর বানরে পরিণত হ’তে পারে (সিলসিলা ছাহীহাহ হা/১৬০৪/২৬৯৯; আবূদাঊদ, মিশকাত হা/৫১৯৯; বুখারী, ইবনু মাজাহ হা/৪০২০)।
উত্তরঃ ছালাতুত তাসবীহ সম্পর্কে কোন ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়নি। বরং কেউ এ সম্পর্কিত ইবনু আববাস (রাঃ) বর্ণিত হাদীছকে ‘মুরসাল’, কেউ ‘মওকূফ’, কেউ ‘যঈফ’, কেউ ‘মওযূ’ বা জাল বলেছেন। যদিও শায়খ আলবানী (রহঃ) উক্ত হাদীছের যঈফ সূত্র সমূহ পরষ্পরকে শক্তিশালী ক
উত্তরঃ প্রত্যেক অমুসলিম মুসলমানের কাছে পূর্ণ সদাচরণ পাওয়ার হক রাখে। তবে তারা তাদের পূজার কোন সুযোগ-সুবিধা মুসলমানের কাছে পাওয়ার অধিকার রাখে না। কারণ পূজার সবকিছুই শিরকী কাজ, যা সবচেয়ে বড় গোনাহ। আর শিরক হ’ল সবচেয়ে বড় পাপ। আর পাপের সহযোগিতা করত
উত্তরঃ ছালাতে দাঁড়ানোর সময় সীসাঢালা প্রাচীরের মত একে অপরের সাথে মিলে দাঁড়াতে হবে। মধ্যে ফাঁকা রাখলে শয়তান প্রবেশ করে এবং মুছল্লী রহমত হ’তে বঞ্চিত হয়। ইবনু ওমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, তোমরা কাতার সোজা করবে, বাহু সমূহ সমপর্যায়ে রা
উত্তরঃ নির্দিষ্ট করে কেবল জুম‘আর দিন ছিয়াম পালন করা যাবে না। তার সাথে আগে অথবা পরে একদিন যোগ করে ছিয়াম রাখতে হবে। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, তোমাদের কোন ব্যক্তি যেন শুধু জুম‘আর দিন নির্দিষ্ট করে ছিয়াম পালন না করে। তবে ত
উত্তরঃ গর্ভবতী মহিলার জন্য নফল ছিয়াম না রাখাই ভাল। কারণ ফরয ছিয়ামের ব্যাপারে তাকে ছাড় দেয়া হয়েছে। আনাস (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা মুসাফিরকে ছিয়াম পালনের ব্যাপারে ছাড় দিয়েছেন এবং ছালাত অর্ধেক করে দিয়েছেন। আর গর্ভবতী ও বাচ
উত্তরঃ আইয়ামে বীয-এর ছিয়াম পালনকারী ব্যক্তিগণ যিলহজ্জ মাসে ২দিন ছিয়াম পালন করবেন। কারণ প্রতি মাসে দু’টি ছিয়ামও পালন করা যায়। নবী করীম (ছাঃ) এক ব্যক্তিকে বললেন, তুমি প্রতি মাসে একদিন ছিয়াম পালন কর। লোকটি বলল, আমি এর চেয়ে বেশী পারব। রাসূলুল্লাহ
উত্তরঃ এ ব্যাপারে সবচেয়ে উত্তম হ’ল আরাফার দিন সকাল হ’তে মিনায় অবস্থানের শেষ দিন আছর পর্যন্ত তাকবীর পাঠ করা। তবে যিলহজ্জের প্রথম দিন হ’তে কুরবানীর পরের তিন দিন পর্যন্ত তাকবীর বলা যায় (মির‘আত ৫/৯০ পৃঃ)। আলী (রাঃ) আরাফার দিন ফজরের পর থেকে ঈদের পরে
উত্তরঃ যিলহজ্জের প্রথম হ’তে নবম তারিখ পর্যন্ত ছিয়াম পালন করা যায়। হাফছা (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) আশুরার ছিয়াম, যিলহজ্জের ১ম দশকের ছিয়াম, প্রতি মাসে তিন দিনের ছিয়াম এবং ফজরের পূর্বে দু’রাক‘আত ছালাত ছাড়তেন না (নাসাঈ হা/২৪১৬)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ
উত্তরঃ একথা ঠিক নয়। মৃতব্যক্তিকে গোসল করানোর নিয়ম হচ্ছে ওযূ করানো পর গোসল দেয়া (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/১৬৩৪)। কাজেই গোসলের পূর্বে ওযূ ছাড়া অন্য কিছুই করা উচিত নয়।
উত্তরঃ মুছল্লীর দৃষ্টি আকৃষ্ট হয় এমন কিছু মসজিদের দেয়ালে বা মেহরাবে লাগানো যাবে না। ছালাতের সময় এগুলি চোখে পড়লে ছালাতের একাগ্রতা নষ্ট হয়। আয়েশা (রাঃ) বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এমন একটি চাদরে ছালাত আদায় করেন যাতে বুটা ছিল। তিনি তার বুটার দি
উত্তরঃ মুস্তাহাব ও সাধারণ গোসলের সময় প্রথমে ‘বিসমিল্লাহ’ বলে সমস্ত দেহে পানি ঢালবে কিংবা পুকুর, খাল, নদীতে গোসলের ক্ষেত্রে ডুব দিবে। উল্লেখ্য যে, নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য পর্দার মধ্যে গোসল করা আবশ্যক (আবূদাঊদ, নাসাঈ, মিশকাত হা/৪৪৭)।
উত্তরঃ শিরক একটি অমার্জনীয় পাপ (নিসা ৪/৪৮) যাকে আল্লাহ মহা যুলুম বা অন্যায় বলে আখ্যায়িত করেছেন (লোক্বমান ১৩)। তবে সে প্রকৃতপক্ষে অনুতপ্ত ও লজ্জিত হয়ে শিরক থেকে ফিরে আসলে এবং আমলে ছালেহ করলে আল্লাহ তার তওবা কবুল করবেন। আল্লাহ বলেন, ‘তবে যারা তওবা
উত্তরঃ রামাযানের ছিয়াম পালন করা প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর ফরয (বাক্বারাহ ১৮৩)। সুতরাং স্বামী যদি ছিয়াম পালনকারী স্ত্রীর সাথে জোর পূর্বক সহবাস করে তাহ’লে সে গোনাহগার হবে। এক্ষেত্রে স্ত্রী দায়ী হবে না। কেননা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘আল্লাহ ত
উত্তরঃ রাক‘আত কম হ’লে বা বেশী হ’লে অথবা কত রাক‘আত হয়েছে তা নির্ণয় করতে না পারলে কিংবা তাশাহহুদ ছুটে গেলে সহো সিজদা দিতে হবে। রাক‘আত কম হ’লে পূর্ণ করার পর তাশাহহুদের বৈঠক শেষ করে দু’টি সিজদা দিতে হবে। রাক‘আত বেশী হ’লে সালাম ফিরানোর পরে হোক অথব
উত্তরঃ এটি কোন হাদীছ নয়।
উত্তরঃ আল্লাহ ব্যবসা-বাণিজ্যকে হালাল এবং সূদকে হারাম করেছেন (বাক্বারাহ ২৭৫)। ব্যবসা-বাণিজ্যের কয়েকটি মূলনীতি হচ্ছে- (১) সূদ না থাকা। কেননা তা হারাম (বাক্বারাহ ২৭৮-৭৯)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সূদ গ্রহীতা, সূদ দাতা, সূদের লেখক ও তার সাক্ষীদ্বয়কে অভিসম্পাত ক
উত্তরঃ বসার পূর্বে দু’রাক‘আত তাহিয়াতুল মাসজিদ আদায় না করে বসা সুন্নাত বিরোধী কাজ। এরূপ যারা করেন তারা সুন্নাত বিরোধী আমল করেন। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) দু’রাক‘আত ছালাত আদায় না করে বসতে নিষেধ করেছেন (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৭০৪)।
উত্তরঃ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মেয়ে শিশুর বেলায় এরূপ করতে বলেছেন। এজন্য ধৌত না করলে পবিত্র হয় না। কারণ কি তা জানা যাক বা না যাক রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরূপ করতে বলেছেন তাই করতে হবে। প্রত্যেক মুসলিমের আক্বীদাহ এরূপই হওয়া উচিত। তবে ইসলাম ধর্মের কোন কিছুই
উত্তরঃ তাহাজ্জুদ ছালাত আলোতে বা অন্ধকারে যে কোন অবস্থায় আদায় করা যায়। তবে কারো যদি অন্ধকারে তাহাজ্জুদের ছালাত আদায় করার মধ্যে আল্লাহ্ভীতি বেশী আসে তাহ’লে তার জন্য অন্ধকারে ছালাত আদায় করাই উত্তম। কিন্তু হাদীছে আলো ও অন্ধকারের মধ্যে পার্থক্য কর
উত্তরঃ জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য অস্ত্রোপচার করানো গুনাহের কাজ। কিন্তু এ গুনাহের কারণে কেউ অমুসলিম হয় না। অতএব প্রশ্নে উল্লেখিত ব্যক্তি যেহেতু একজন মুসলিম সেহেতু তার পিছনে ছালাত আদায় করলে ছালাত হয়ে যাবে। কিন্তু যদি অধিকাংশ মুছল্লী শরী‘আত সম
উত্তরঃ প্রশ্নোল্লেখিত বক্তব্য সঠিক নয়। কেননা রক্ত মানুষের ভাল মন্দ করার কোন ক্ষমতা রাখে না। এটি সম্পূর্ণ আল্লাহর এখতিয়ারে।
উত্তরঃ কোন অমুসলিম যদি সালাম দেয় তাহ’লে তার উত্তরে শুধুমাত্র ‘ওয়া‘আলায়কা’ অথবা ‘ওয়া‘আলায়কুম’ বলতে হবে (বুখারী ‘কিতাবুল ইসতিযান’ হা/৬২৫৭, ‘কিতাবু ইসতিতাবাতুল মুরতাদ্দীন’ হা/৬৯২৮; মুসলিম হা/২১৬৪; ছহীহ আবূদাঊদ হা/৫২০৬; ছহীহ ইবনু মাজাহ হা/৩৬৯৭)।
উত্তরঃ কোন ফরয ছিয়ামের দিন পড়ে না গেলে নফল হিসাবে নির্দিষ্ট করে শুধুমাত্র জুম‘আর দিবসে ছিয়াম রাখা যাবে না (ছহীহ আবূদাঊদ হা/২৪২১; ছহীহ তিরমিযী হা/৭৪৪)। তবে জুম‘আর দিনের আগে অথবা পরে মিলিয়ে যদি রাখা হয় তাহ’লে দোষ নেই (বুখারী ‘কিতাবুছ ছাওম হা/১৯৮৫; মুসল
উত্তরঃ মৃত ব্যক্তির নিকট কুরআন তেলাওয়াত করা যাবে না। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হ’তে এ মর্মে কোন ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়নি। রোগী যদি এরূপ অবস্থায় থাকেন যে, তিনি কুরআন শুনতে চাচ্ছেন। তাহ’লে তার নিকট কুরআন পাঠ করলে তিনি এর দ্বারা উপকৃত হবেন। আর যদি তা
উত্তরঃ জুম‘আর খুৎবা দু’টি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) দাঁড়িয়ে খুৎবা দিতেন এবং মাঝে বসতেন। অতঃপর বসা থেকে উঠে দ্বিতীয় খুৎবা দিতেন (বুখারী ‘কিতাবুল জুম‘আ’ হা/৯২৮; মুসলিম ‘জুম‘আ’ হা/৮৬১; আবূদাঊদ হা/১০৯২)। খুৎবার পূর্বে বয়ান করার সমর্থনে কোন হাদীছ নেই। রাসূলুল্
উত্তরঃ কাদিয়ানীরা যেহেতু নবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)-কে সর্বশেষ নবী হিসাবে স্বীকার করে না, সেহেতু তারা মুসলিম নয়, কাফির। কাফিরদের সাথে যেমন সম্পর্ক রাখা যায় না, অনুরূপভাবে তাদের সাথেও সম্পর্ক গড়া যাবে না (নিসা ৪/১৪৪, মায়েদা ৫/৫১, ৫৭)। যে তাদের সাথে বন্
উত্তরঃ বিষয়টি সুস্থ-সবল আর বৃদ্ধ হওয়ার সাথে সম্পৃক্ত নয়। বিষয়টি শরী‘আতের সাথে সম্পৃক্ত। লাঠি নিয়ে খুৎবা দেয়া সুন্নাত (ছহীহ আবূদাঊদ হা/১০৯৬, হাদীছটিকে ইবনু হাজার ও শায়খ আলবানী হাসান বলেছেন এবং ইবনুস সাকান ও ইবনু খুযায়মাহ ছহীহ বলেছেন)।
উত্তরঃ এ সময় দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করার সুযোগ থাকলে দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করে বসবেন। যদি ছালাত আদায় করার সুযোগ না থাকে তাহ’লে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করবেন। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) দু’রাক‘আত ছালাত আদায় না করে বসতে নিষেধ করেছেন (বুখারী, ‘কিতাবুছ ছালাত’ হা/
উত্তরঃ কোন শরী‘আত সম্মত কারণে গোসল করতে অপারগ হ’লে অথবা গোসল করার মত পানি না থাকলে যদি ওযূ করার সমান পানি থাকে তাহ’লে ওযূই করবে। আর যদি মোটেও পানি না থাকে তাহ’লে শুধু তায়াম্মুম করবে। আয়াতের বিধানটি পানি না থাকার ক্ষেত্রে। আর আয়াতে শুধুমাত্র গ
উত্তরঃ আবূ মাহযূরাহ্ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে বলেছিলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে আযানের নিয়ম শিখিয়ে দিন। ... তিনি তাকে আযানের শব্দগুলো শিখিয়ে দেন এবং বলেন, যদি সকালের ছালাত হয় তাহ’লে তুমি বলবে, ‘আছ-ছালাতু খায়রুম মিনান্ নাঊম, আছ-ছালাতু খাইরুম মিনান
উত্তরঃ ছহীহ বুখারীতে নাফে‘-এর সূত্রে আব্দুল্লাহ ইবনু ওমর (রাঃ) হ’তে ঈদের ছালাতের পূর্বে ছাদাকাতুল ফিতর আদায় করার কথা এসেছে (বুখারী, হা/১৫১১ ‘যাকাত’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ ৭৭)। কিন্তু পরবর্তী অনুচ্ছেদে নাফে‘ (রাঃ) ইবনু ওমর (রাঃ) হ’তে ছাদাক্বাতুল ফিতর সং
উত্তরঃ মহিলাদের জন্য পুরুষ থেকে পর্দা করা ফরয (নূর ৩১)। বাড়ী যদি চারিদিকে পর্দাঘেরা হয় এবং সেখানে বেগানা পুরষ না থাকে কিংবা তারা যথেচ্ছ যাতায়াত না করে, তাহ’লে মাথা খোলা থাকলে কোন অসুবিধা নেই এবং এজন্য গোনাহ হবে না। আল্লাহ বলেন, ‘তারা যেন তাদের
উত্তরঃ যিনা বিভিন্ন প্রকার হ’তে পারে। নিজের স্ত্রী বা দাসী ব্যতীত অন্য মহিলার সাথে জৈবিক চাহিদা পূরণ করাকে যৌনাঙ্গের যিনা বলে। এছাড়া চোখের যেনা হচ্ছে মাহরাম ব্যতীত অন্য মহিলার দিকে কামনার দৃষ্টি নিক্ষেপ করা। মুখের বা জিহবার যেনা হচ্ছে কামভাবে
উত্তরঃ মানুষ একান্ত বাধ্য হয়েই অপারেশন বা অস্ত্রোপচার করিয়ে থাকে। সুতরাং কোন রোগের জন্য কিংবা সন্তান প্রসবকালে জটিলতার কারণে অপারেশন করালে এবং এজন্য মৃত্যুবরণ করলে ঐ মহিলার কাছে যাওয়া বা ধরা-ছোঁয়া যাবে না মর্মে প
উত্তরঃ তিনি নূরের তৈরী ছিলেন না; বরং তিনি মাটির মানুষ ছিলেন। সূরা মায়েদার ১৫নং আয়াতের শেষাংশের অনুবাদ হচ্ছে ‘তোমাদের কাছে একটি উজ্জ্বল জ্যোতি এসেছে এবং একটি সমুজ্জ্বল গ্রন্থ’। এ আয়াতে نُوْرٌ (নূর)-এর ব্যাখ্যা স্বরূপ এসেছে وَكِتَابٌ مُبِيْنٌ (
উত্তরঃ উক্ত বক্তব্য সঠিক। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, প্রথম আঘাতে টিকটিকি মারতে পারলে ১০০ নেকী, দ্বিতীয় আঘাতে তার চেয়ে কম, তৃতীয় আঘাতে মারতে পারলে তার চেয়েও কম নেকী পাবে (মুসলিম, মিশকাত হা/৪১২১)। এর কারণ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, টিকটিকি ইবর
উত্তরঃ উক্ত দো‘আটি ৪ প্রকার সংকট থেকে মুক্তি চেয়ে আল্লাহর নিকটে আশ্রয় ভিক্ষার জন্য বলা হয়েছে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২৪৫৭)। তন্মধ্যে একটি হ’ল ‘সূইল ক্বাযায়ে’ যার অর্থ ‘মন্দভাগ্য’। ভাগ্য বিধাতা আল্লাহ ইচ্ছা করলে ভাগ্যে যেকোন পরিবর্তন আনতে পা
উত্তরঃ যে ব্যক্তি অন্য সব দ্বীন থেকে বিমুখ হয়ে সত্য দ্বীনের দিকে অগ্রসর হয় তাকেই হানীফ বলে। আবার একনিষ্ঠ এবং এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করে এমন ব্যক্তিকেও হানীফ বলে। এছাড়া আল্লাহর নির্দেশাবলী মেনে নেয়ার ক্ষেত্রে যে নিজেকে সমর্পণ করে তাকেইও হান
উত্তরঃ এভাবে জমি ওয়াকফ্ হবে না। ওয়াকফকারীর শুধু অভিভাকত্ব চলবে। এছাড়া আর কোন শর্ত চলবে না। বিশেষভাবে মসজিদের নামে যা ওয়াকফ্ করা হয় তা শুধু মসজিদের কাজেই ব্যয় করতে হবে। কোন মসজিদ অনাবাদ হলে বা মসজিদের সম্পদ ব্যয় করার খাত না থাকলে অন্য মস
উত্তরঃ সামাজিক স্বার্থে মসজিদে খাটিয়া রাখা যায়। এর দ্বারা মৃত্যুকে স্মরণ হয়। যেহেতু মসজিদে খাওয়া-দাওয়া, অবস্থান করা ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত সেহেতু খাটিয়া রাখা যেতে পারে (ছহীহ ইবনু মাজাহ হা/৩৩০০; বুখারী হা/৪৪০)। তবে মসজিদের পবিত্রতা ও মর্যাদা
উত্তরঃ মসজিদের মেহরাব বা দেওয়ালে উক্ত বাক্য কিংবা পবিত্র কুরআনের কোন আয়াত লেখা যাবে না। অনুরূপভাবে কারুকার্য খচিত টাইল্সও বসানো যাবে না। এগুলো ছালাতের একাগ্রতা বিনষ্ট করে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/’৭৫৭-৫৯)।
উত্তরঃ ইসলামে মুমিন ব্যক্তির মৃত দেহকে অতীব সম্মান দান করা হয়েছে (আহমাদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/১৭০৩)। তার মৃত দেহকে সযত্নে সাবান-পানি দিয়ে গোসল করিয়ে সুগন্ধি মাখিয়ে পরিষ্কার কাপড়ে কাফন পরিয়ে তার পরকালীন মুক্তির জন্য সমবেত ভাবে জানাযার ছালাতের মাধ্
উত্তরঃ উক্ত আমল শরী‘আত সম্মত নয়। দৈহিক ইবাদত অন্যকে বখশানো যায় না। যেমন একজনের ছালাত অন্যজনের হয় না। ইবনু ওমর (রাঃ) বলেন, ‘একজনের ছওম অন্যজনে বা একজনের ছালাত অন্যজনে আদায় করতে পারে না’ (মুওয়াত্ত্বা, বায়হাক্বী সনদ ছহীহ; মিশকাত হা/২০৩৫ ‘ছওম’ অধ্য
উত্তরঃ জানাযা ব্যতীত অন্য যা কিছু করা হবে, তা বিদ‘আত হিসাবে গণ্য হবে। জাহেলী যুগে মৃতের জন্য শোক প্রকাশ ও বেশী করে কান্নাকাটির জন্য ভাড়াটিয়া লোক পাওয়া যেত। যে মৃতের জন্য যতবেশী লোক কাঁদতো, সে মৃত ব্যক্তি তত বেশী সম্মানিত বলে গণ্য হ’ত। ইসলাম এ
উত্তরঃ উক্ত হাদীছটি যঈফ (যঈফ তিরমিযী হা/৩৬০৪; যঈফাহ হা/১৩৬২)। তবে আল্লাহর কাছে সর্বদা চাইতে হবে অন্যথা তিনি বান্দার উপর রাগান্বিত হন। আর আল্লাহর কাছে চাওয়া অধিক মর্যাদাকর বিষয় (তিরমিযী হা/৩৩৩৬, ৩৩৭০; মিশকাত হা/২২৩২)।
উত্তরঃ মাইয়েতের কপালে সুগন্ধি দ্বারা আল্লাহ ও মুহাম্মাদ লেখার শারঈ কোন ভিত্তি নেই। এগুলো বিদ‘আত বা কুসংস্কার। মৃতকে কেন্দ্র করে এ ধরনের অসংখ্য বিদ‘আত সমাজে চালু আছে। এগুলো থেকে বিরত থাকা অপরিহার্য (বিস্তারিত দ্রঃ ছালাতুর রাসূল (ছাঃ), পৃঃ ১২৭-১২
উত্তরঃ দেওয়া যাবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা ঘুমানোর সময় চোখে ‘ইছমাদ’ সুরমা লাগাও। এতে চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি হয় এবং ভ্রুতে নতুন লোম গজায়’ (ইবনু মাজাহ, হাকেম, আহমাদ, ইবনু হিববান, ছাহীহাহ হা/৭২৪; ছহীহুল জামে‘ হা/৪০৫৪)।
উত্তরঃ মহিলারা মসজিদের ছাদে থাকলে ছাদে মাইক ব্যবহার করতে পারে। তবে পাড়া-প্রতিবেশী মহিলাদেরকে জুম‘আর খুৎবা শুনানোর জন্য মাইক ব্যবহার করা যাবে না। কারণ তারা অমনোযোগী থাকে। আর এমন অবস্থায় কাউকে কুরআন-হাদীছ শুনানো ঠিক নয়। ইকরিমা থেকে বর্ণিত, ইবনু
উত্তরঃ কুরআন ভুলে যাওয়া বড়ই মন্দ কাজ। চেষ্টা সত্ত্বেও যদি ভুলে যায়, তবে সে গুনাহগার হবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা কুরআনের প্রতি যথাযথ দৃষ্টি রাখ। আল্লাহর কসম! উট যেমন বাঁধন হ’তে ছুটে চলে যায়, ‘কুরআন তার চেয়ে বেশী দ্রুত চলে যায়’ (বুখা
উত্তরঃ উক্ত বক্তব্য মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এছাড়া ইমাম ছাহেব এক ওযূতে ফজর পড়েছেন ৪০ বছর যাবৎ (২) তিনি প্রতি রাক‘আতে এক খতম কুরআন পড়তেন (৩) প্রতি রাতে এশার হাযার রাক‘আত ছালাত পড়তেন (৪) যে স্থানে তাঁর মৃত্যু হয়, সে স্থানে তিনি সাত হাযার বার কুরআন খ
উত্তরঃ মা হাওয়া নাকে নাকফুল ব্যবহার করেছেন কিনা তার কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না। রাসূল (ছাঃ) সব কাজ ডান দিক থেকে করতেন বলতে এই অর্থ নয় যে, নাকের ডান দিকে নাকফুল দিতে হবে; বরং সুবিধা অনুযায়ী দিবে। রাসূল (ছাঃ) ডান হাতে আংটি পরতেন। প্রয়োজনে কখনো বাম
উত্তরঃ বদ নযর থেকে রক্ষার জন্য উক্ত টিপ দিলে সেটা শিরকের অন্তর্ভুক্ত হবে। আল্লাহর উপর ভরসা করতে হবে। বদ নযর লাগলে কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী ঝাড়-ফুঁক দিতে হবে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৪৫২৬, ৪৫২৮)।
উত্তরঃ উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (সিলসিলা যঈফাহ হা/১০০৪; ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/১৫৮৮)।
উত্তরঃ ঐ ছালাত পুনরায় আদায় করতে হবে। কারণ উক্ত ছালাত ওয়াক্তের অনেক পূর্বেই আদায় করা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা নির্দিষ্ট সময়ে ছালাত আদায় করতে বলেছেন (নিসা ১০৩)। রাসূল (ছাঃ)ও নির্দিষ্ট সময়ে ছালাত আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন (মুসলিম হা/২৩৯)।
উত্তরঃ বৈধ হবে না। ইমামের পিছনে ছালাত আদায় করা জায়েয হওয়ার শর্ত হচ্ছে স্থান এক হতে হবে, কাতারগুলোকে মিলিতভাবে হ’তে হবে এবং ইমাম সম্মুখে থাকবেন (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১১৩৬-৩৮)।
উত্তরঃ হীনকর কোন শব্দে পিতা-মাতাকে ডাকা যাবে না। উক্ত শব্দ দু’টি সাধারণতঃ অসম্মানজনক সম্বোধনে ব্যবহার করা হয়। অতএব এ থেকে বিরত থাকাই উত্তম। তবে ঐসব সম্বোধনে যদি পিতা-মাতা খুশী হন, তবে বলা যাবে। আল্লাহ তা‘আলা পিতা-মাতার সাথে সুন্দর কথা ও উত্তম
উত্তরঃ তার ফরযিয়াত আদায় হয়ে যাবে। কেননা হজ্জের জন্য সক্ষমতা শর্ত (আলে ইমরান ৯৭)। হজ্জের যাবতীয় খরচ সরকারের পক্ষ থেকে তার নামে বরাদ্দ করা হয়। আর তখন তিনি সেই সম্পদের মালিক হয়ে যান। অবশ্য সক্ষম মুসলিম ব্যক্তির জন্য নিজের উপার্জিত পবিত্র সম্পদ দ্ব
উত্তরঃ এ সব দরূদ বানাওয়াট ও ভিত্তিহীন।
উত্তরঃ ওমর, ইবনু ওমর, আনাস ও অন্যান্য ছাহাবী থেকে ছহীহ মওকূফ সূত্রে হাত উঠানোর প্রমাণ পাওয়া যায় (মির‘আত ৫/৫৩-৫৪; ইরওয়াউল গালীল ৩/১১৩)।
উত্তরঃ যরূরী কারণে এক কবরে একাধিক লাশ রাখা যায়। নবী করীম (ছাঃ) ওহোদ যুদ্ধে শহীদ হওয়া ছাহাবীগণের একাধিক লাশ এক এক কবরে রেখেছিলেন (বুখারী হা/১৬০ ও ১৬৯)।
উত্তরঃ খাসী করা জায়েয। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) খাসী করা ছাগল কুরবানী করেছেন (ছহীহ্ ইবনু মাজাহ্ হা/৩১২২; মিশকাত হা/১৪৬১)। যে হাদীছে নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে (বায়হাক্বী, ছহীহুল জামে‘ হা/৬৯৬০) সে সম্পর্কে ইমাম নববী বলেন, সেগুলি হারাম পশুর বেলায় প্রযোজ্য (দ্র
উত্তরঃ ইক্বামতের উত্তর দিতে হবে। কারণ আযান ও ইক্বামত দু’টিকেই হাদীছে আযান বলা হয়েছে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৬৬২)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘মুওয়াযযিন যা বলে তোমরাও অনুরূপ বল’ (মুসলিম, মিশকাত হা/৬৫৭; আলোচনা দ্রঃ আলবানী, মিশকাত হা/৬৭০-এর টীকা)। অতএ
উত্তরঃ মসজিদের জন্য মানত করে থাকলে মসজিদেই দিতে হবে। কারণ মসজিদের জমি মসজিদের স্বার্থে ব্যবহার করাই উত্তম। তবে জমিটি মসজিদের জন্য তেমন কোন কাজে না আসলে উপকারিতার দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। যদি কবরস্থানের জন্য বেশী উপকার বিবেচিত হয়, তাহ’লে সেখানে দ
উত্তরঃ অন্যান্য ছালাতের ন্যায় জানাযার ছালাতেও উভয় দিকে সালাম ফিরানোর ছহীহ হাদীছ রয়েছে। আব্দুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) বলেন, লোকেরা তিনটি কাজ ছেড়ে দিয়েছে, যেগুলো রাসূল (ছাঃ) করতেন। তার একটি হচ্ছে, জানাযার ছালাতের সালাম অন্যান্য ছালাতের ন্যায় হ
উত্তরঃ সর্বনিম্ন দু’জন অর্থাৎ ইমামের সাথে মাত্র একজন মুছল্লী থাকলে জুম‘আর ছালাত কায়েম করা যাবে (মির‘আত ৪/৪৪৯-৫০)। কারণ জুম‘আর ছালাত অন্যান্য ফরয ছালাতের ন্যায় একটি ফরয ছালাত। আর ইমামের সাথে সর্বনিম্ন একজন থাকলেই জামা‘আতের ছওয়াব অর্জিত হয়। মূলতঃ
উত্তরঃ বর্ণনাটি যঈফ (যঈফুল জামে‘ হা/২৬৪১; সিলসিলা যঈফাহ হা/২৫৯২)।
উত্তরঃ মানুষ মারা যাওয়ার পর কাপড় দিয়ে ঢেকে দেয়া সুন্নাত। রাসূল (ছাঃ) মারা গেলে তাঁকে একটি সূতী কাপড় দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছিল (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৬২০ ‘জানাযা’ অধ্যায়)।
উত্তরঃ ইদ্দতের সময়কাল চার মাস দশ দিন। তবে গর্ভবতী থাকলে সন্তান প্রসব হওয়া পর্যন্ত (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৩২২৯-৩১; সূরা তালাক ৪; ফিক্বহুস সুন্নাহ ‘ইদ্দত’ অনুচ্ছেদ)। এ সময় স্বামীর বাড়ীতে অবস্থান করবে। একান্ত যরূরী প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হবে
উত্তরঃ তার উক্ত বিবাহ সিদ্ধ হয়নি। সে ব্যভিচারী এবং মহাপাপী। কিন্তু সে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যায়নি। অতএব পিতার সম্পত্তি পেতে তার বাধা নেই। পিতার বাড়িতেও তার অংশ রয়েছে। তবে সে যেহেতু শরী‘আত বিরোধী কর্মের সাথে জড়িত হয়েছে অতএব তওবা ব্যতীত তার গোনা
উত্তরঃ পুরুষ বা মহিলা কারো জন্যই জুম‘আ মসজিদ ছাড়া বাড়ীতে ই‘তিকাফ করা সিদ্ধ নয় (বাক্বারাহ্ ১৮৭; আবুদাউদ, মিশকাত হা/২১০৬ ‘ইতিকাফ’ অনুচ্ছেদ)। মহিলাদের জন্য মসজিদে পৃথক জায়গা থাকলে এবং যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকলে কোন জুম‘আ মসজিদে গিয়ে ই‘তিকাফ করতে
উত্তরঃ দাতা খেতে পারবে না। কারণ ছাদাক্বা গরীব-মিসকীনদের হক্ব। তাদের মাঝেই তা বণ্টন করে দিতে হবে (তওবা ৬০; মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৯৫৪)।
উত্তরঃ মহিলারা ইসলাম সম্পর্কে আলোচনা করার জন্য এবং কিশোরী ও যুবতীরা ইসলামী সঙ্গীত পরিবেশনের উদ্দেশ্যে টেলিভিশনের পর্দায় উপস্থিত হ’তে পারবে না। কারণ এরূপ অংশগ্রহণের দ্বারা বাহ্যিক সৌন্দর্য প্রকাশিত হয়, যা প্রকাশ করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ (নূর ৩
উত্তরঃ জানাযা করে দাফন করাই সুন্নাত (আবুদাউদ হা/৩১৮০; মিশকাত হা/১৬৬৭)। কিন্তু বাধ্যগত কারণে জানাযা করতে না পারলে পরে যথাসম্ভব দ্রুত জানাযা করা যায় (ইরওয়া ৩/১৮৬)।
উত্তরঃ জিনদের মধ্যে যারা শয়তান তারা মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা সেই মহিলার কাছে প্রবেশ করো না যার স্বামী অনুপস্থিত রয়েছে। কারণ তোমাদের যে কারো মধ্যে শয়তান প্রবেশ করতে পারে রক্তনালীতে রক্ত প্রবাহিত হওয়ার ন্যা
উত্তরঃ কবরস্থানের উপর ঘর-বাড়ি, টয়লেট নির্মাণ করে বসবাস করা যাবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘তোমাদের কোন ব্যক্তির আগুনের টুকরার উপরে বসা এবং সে টুকরাটা তার কাপড়কে পুড়িয়ে তার চামড়া পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া তার জন্য বেশী উত্তম হবে কবরের উপর বসা
উত্তরঃ যে রাসূলের উপর উক্ত আয়াত নাযিল হয়েছে, সেই রাসূলই বলেছেন, ইসলাম পাঁচটি বুনিয়াদের উপর দন্ডায়মান : কলেমা, ছালাত, যাকাত, ছিয়াম ও হজ্জ’ (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৪)। তাছাড়া জিব্রীল নিজে এসে ছাহাবীদের মজলিসে ইসলামের ঐ পাঁচটি ফরযের কথা
উত্তরঃ উক্ত বক্তব্য একটি জাল হাদীছের অংশ বিশেষ (সিলসিলা যঈফাহ হা/২৮০)।
উত্তরঃ শুধু পাপের কারণে মানুষের অসুখ-বিসুখ হয় না, বরং পরীক্ষা স্বরূপও হ’তে পারে (বাক্বারাহ ১৫৫)। শিশুদের অসুখের বিষয়টি পিতা-মাতার পাপ মোচনের জন্যও হ’তে পারে কিংবা তাদেরকে পরীক্ষা করার জন্যও হ’তে পারে। আর এই পরীক্ষা ও উপদেশ পিতা-মাতা, সমাজনেতা,
উত্তরঃ উক্ত কথা সত্য। নাফে‘ (রাঃ) বলেন, একদা ইবনু ওমর বাজনা শুনে দু’কানে আঙ্গুল দিলেন এবং রাস্তা থেকে দূরে সরে গেলেন। অতঃপর আমাকে বললেন, নাফে তুমি কিছু শুনতে পাচ্ছ কি? আমি বললাম না। তখন তিনি আঙ্গুল কান থেকে সরালেন। অতঃপর বললেন, আমি রাসূলুল্লা
উত্তরঃ মানুষ যত দিন খুশী নিজ খোরাকির খাদ্য জমা করে রাখতে পারে। রাসূলুলাহ (ছাঃ)-এর পরিবারে এক বছরের খাদ্য জমা করে রাখা হ’ত। তবে সমাজে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টির কপট উদ্দেশ্য হ’লে ঐ ব্যক্তি গোনাহগার হবে (মুসলিম হা/১৬০৫; মিশকাত হা/২৮৯২)।
উত্তরঃ যেসব কারণে ওযূ নষ্ট হয় হাঁটুর উপর কাপড় উঠে যাওয়া তার অন্তর্ভুক্ত নয় (দ্রঃ মিশকাত, ‘যার ফলে ওযূ ওয়াজিব হয়’ অনুচ্ছেদ হা/৩০০-৩৩৩)।
উত্তরঃ খাওয়ার পর পঠিতব্য বেশ কয়েকটি দো‘আ ছহীহ হাদীছে বর্ণিত হয়েছে। তন্মধ্যে একটি হ’ল, اَللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيْهِ وَأَطْعِمْنَا خَيْرًا مِنْهُ উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা বা-রিক লানা ফীহি ওয়া আত্বইমনা খয়রাম মিনহু (তিরমিযী হা/৩৪৫৫)।
উত্তরঃ কোন কিছুকেই আল্লাহ বাতিল সৃষ্টি করেননি (আলে ইমরান ৩/১৯১)। সমস্ত প্রাণীকেই আল্লাহ তাসবীহ পাঠ করার জন্য সৃষ্টি করেছেন এবং সব প্রাণীর মধ্যেই মানুষের জন্য উপদেশ রয়েছে। আসমান-যমীনে এবং তার মধ্যে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর তাসবীহ পাঠ করে (ইসরা ৪৪
উত্তরঃ পিতার পাপ ছেলের উপর বর্তাবে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, মানুষ যা কর্ম করে তার ফল তার উপর বর্তায়। একজনের পাপের বোঝা অন্য জনের উপর বর্তাবে না’ (আন‘আম ১৬৪)। আল্লাহ অন্যত্র বলেন, প্রত্যেক মানুষ তার কর্মের সাথে আবদ্ধ (মুদ্দাছছির ৩৮)। তবে ছেলের উচিত
উত্তরঃ তালবিয়াহ সহ বিশেষ কয়েকটি দো‘আ ব্যতীত হজ্জের সময় বাকী যেসব দো‘আ ও তাসবীহ, তাহলীল পাঠ করা হয় তা বাড়ীতেও পড়া যায়। বিশেষভাবে রুকনে ইয়ামানী থেকে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত যে দো‘আটি পড়া হয় তা সর্বদা পড়া যাবে (ছহীহ আবুদাঊদ হা/১৮৯২, সনদ হাসান; মিশকাত
উত্তরঃ এ সময় সে পূর্ণ মুমিন থাকে না। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘যখন কোন মানুষ যেনা করে তখন ঈমান তার থেকে বের হয়ে যায় এবং তার মাথার উপর ছায়ার মত হয়ে থাকে। যখন সে এ কাজ থেকে বিরত হয় তখন ঈমান তার কাছে ফিরে আসে’ (আবুদাঊদ,
উত্তরঃ হেদায়াত প্রাপ্ত হওয়ার বিষয়টি তাক্বদীরের উপর নির্ভর করে এবং এটি একমাত্র আল্লাহর যিম্মায় রয়েছে। তিনি যাকে চান হেদায়াত দেন (ক্বাছাছ ৫৬)। উক্ত ছাহাবীগণ যালেম ছিলেন না। তাঁদের দ্বন্দ্ব ছিল ধর্ম নিয়ে। তাঁরা নিজেদেরকে সঠিক ধর্মের অধিকারী মনে করতেন।
উত্তরঃ জুম‘আর ছালাতের শেষ রাক‘আতের রুকূ পেলে রাক‘আত হবে। আর রুকূ না পেলে চার রাক‘আত যোহরের ছালাত আদায় করবে। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ) বলেন, আপনি জুম‘আর এক রাক‘আত পেলে অপর রাক‘আত মিলিয়ে নিন। তবে রুকূ না পেলে চার রাক‘আত পড়ুন (বায়হাক্বী, ইরওয়া হ
উত্তরঃ বৃষ্টির কারণে যোহর ও আছর এক সাথে আদায় করা যায়। ছাহাবীগণ বৃষ্টির কারণে মাগরিব ও এশার ছালাত জমা করতেন (মুওয়াত্ত্বা, বায়হাক্বী, ইরওয়া হা/৫৮৩, ৩/৪১ পৃঃ)। তাছাড়া মুক্বীম অবস্থাতে বিনা ক্বছরে দু’ ওয়াক্তের ছালাত একত্রে জমা করা যায় (ছহীহ আবুদাঊদ হা/১২
উত্তরঃ উক্ত অনুবাদটি ভুল হয়েছে। বক্তব্যটি মূলতঃ মূসা (আঃ)-এর। মেরাজের সময় ৬ষ্ঠ আসমানে শেষনবীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি কেঁদে বলেছিলেন, আমার পরে এমন একজন ছেলেকে নবী করে পাঠানো হবে যার উম্মত আমার উম্মত অপেক্ষা অধিক সংখ্যায় জান্নাতে প্রবেশ করবে .
উত্তরঃ বীমার ধারণাটাই ইসলামী অর্থনীতির বিরোধী এবং পুঁজিবাদী অর্থনীতির অনুসঙ্গ। ইসলামী শরী‘আতে ব্যবসা-বাণিজ্য মাত্র দু’ধরনেরঃ (১) মুশারাকা- অংশহারে ব্যবসা (আবুদাঊদ, ইরওয়া হা/১৪৬৮)। (২) মুযারাবা- এক জনের অর্থ এবং অপর জনের ব্যবসা। লাভ চুক্তি অনুযা
উত্তরঃ লাভ ভোগ করার প্রচলিত নিয়মে বন্ধক রাখা যাবে না। কারণ কর্যের লাভ ভোগ করা সূদ। ছাহাবীগণ এমন কর্য নিষেধ করতেন যা লাভ বহন করে (বায়হাক্বী ৩/৩৪৯-৩৫০; ইরওয়াউল গালীল হা/১৩৯৭)। তবে টাকার বিনিময়ে জমি ভাড়া (লীজ) নেয়া জায়েয (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/২৯৭৪
উত্তরঃ কোন অমুসলিমকে দাফন করার কেউ না থাকলে মুসলিমগণ তাকে দাফন করতে পারে। আলী (রাঃ) নবী করীম (ছাঃ)-কে বলেন, আপনার পথভ্রষ্ট চাচা মারা গেছেন। নবী করীম (ছাঃ) বললেন, ‘তুমি তাকে নিয়ে গিয়ে মাটিতে ঢেকে দাও’ (আবুদাঊদ, নাসাঈ, ইরওয়া হা/৭১৭)। তবে মুসলিম
উত্তরঃ ৬ ভরি স্বর্ণের যাকাত দিতে হবে না। কারণ স্বর্ণের নিছাব হচ্ছে বিশ মিছক্বাল বা সাড়ে সাত ভরি (দারাকুৎনী, ইরওয়াউল গালীল হা/৮১৫)।
উত্তরঃ ছালাতুত তাসবীহ পড়ার প্রমাণে বর্ণিত হাদীছগুলি জাল। ইমাম আহমাদ (রহঃ) বলেন, এ মর্মে কোন ছহীহ হাদীছ বর্ণিত নেই। ইমাম আবু হানীফা, মালিক ও শাফেঈ (রহঃ) ছালাতুত তাসবীহ সম্পর্কে জানতেন না (ফাতাওয়া আরকানিল ইসলাম, পৃঃ ৩৬৩, মাসআলা নং ২৯৩)।
উত্তরঃ এভাবে শর্তযুক্ত ধার দিয়ে লভ্যাংশ গ্রহণ করা যুলুমের অন্তর্ভুক্ত। এটা ব্যবসার মধ্যে পড়ে না। আর ঋণ গ্রহীতা সন্তুষ্টিতে এরূপ বিনিময় প্রদান করে না, বরং নিরূপায় হয়ে করে থাকে। এরূপ করা শারী‘আত সম্মত নয় (নিসা ২৯)। উবাই ইবনু কা‘ব, আব্দুল্লাহ ইবনু
উত্তরঃ এর কোন দলীল নেই। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যে সময়ে ঈদের ছালাত আদায় করতেন সে সময়ে আদায় করলে সামিয়ানার প্রয়োজন হয় না। কারণ তিনি ঈদুল আযহায় সূর্য এক ‘নেযা’ বা সাড়ে ৬ হাত উপরে উঠার পরে এবং ঈদুল ফিতরে দুই ‘নেযা’ উপরে উঠলে ঈদের ছালাত শুরু করতেন (আবু
উত্তরঃ বর্তমানে আমাদের নিকট যেভাবে কুরআন লিখিত আছে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর মৃত্যুর সময় সেভাবেই বহু ছাহাবীগণের স্মৃতিতে সম্পূর্ণ কুরআন মুখস্থ ছিল। অনেক ছাহাবীর নিকট কুরআনের বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন বস্ত্ততে লিপিবদ্ধ ছিল। প্রথম খলীফা আবুবকর (রাঃ)-এর সম
উত্তরঃ কুরআনে মা হাওয়ার সৃষ্টির বিবরণ দেয়া হয়নি। তবে আদম থেকেই যে হাওয়াকে সৃষ্টি করা হয়েছে তা বলে দেয়া হয়েছে (নিসা ১; রূম ২১)। হাদীছে এসেছে, নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে আদমের পাঁজরের হাড় থেকে (বুখারী হা/৩৩৩১)। এর চেয়ে বেশী কিছু বর্ণিত হয়নি।
উত্তরঃ খাওয়া যাবে। নাপাক অবস্থায় থাকাটা খাদ্য নাপাক হওয়ার প্রমাণ বহন করে না।
উত্তরঃ বিনা কারণে লাগাতার এরূপ করলে ছালাত নষ্ট হয়ে যাবে। কেননা এর ফলে ছালাতের একাগ্রতা নষ্ট হয়। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, ‘নিঃসন্দেহে সেসব ঈমানদার মুক্তি পেয়ে গেছে, যারা নিজেদের ছালাতে একান্তভাবে বিনয়াবনত হয়’ (মু’মিনূন ১-২)। অতএব একান্ত প্রয়োজনে মা
উত্তরঃ শামিল হতে পারবে। তার জন্য দ্বিতীয় ছালাত নফল হিসাবে গণ্য হবে (ছহীহ্ আবুদাঊদ হা/৫৭৪; আলবানী, মিশকাত হা/১১৪৬, সনদ ছহীহ)।
উত্তরঃ সর্বদা এভাবে নির্দিষ্ট করে পড়া সুন্নাতী তরীকা নয়। নবী করীম (ছাঃ) সর্বদা এরূপ করেননি। অন্য এক হাদীছে এসেছে, তিনি একবার ফজরের দু’রাক‘আতেই একই সূরা (সূরা যিলযাল) পাঠ করেছিলেন (ছহীহ্ আবুদাঊদ হ/৮১৬)।
উত্তরঃ উক্ত পাপগুলো আযাব নাযিল হওয়ার কারণ হতে পারে। কিন্তু এলাহী গযব নাযিলের বিধি এটা নয় যে, কেউ অন্যায় করার সাথে সাথে আল্লাহ তাকে পাকড়াও করেন। বরং তিনি তাকে তওবা করার অবকাশ দেন। তওবা না করলে প্রথমে ছোট ছোট আযাব দিয়ে তাকে হুঁশিয়ার করেন। এরপরে
উত্তরঃ ময়লা বলতে যদি অপবিত্র কিছু থাকে তাহলে সেখানে ছালাত আদায় করা যাবে না। কারণ ছালাত আদায় করার জন্য স্থান পবিত্র হওয়া শর্ত। আর অন্য কোন ময়লা বা কষ্টদায়ক কিছু থাকলে যেমন কংকর ইত্যাদি সরানো যাবে মাত্র একবার (বুখারী হা/৩৮৫, ১২০৮; মুসলিম হা/৬২০)।
উত্তরঃ কুরআনের মোট আয়াত সংখ্যা কত সে সম্পর্কে কোন নির্ভরযোগ্য বর্ণনা পাওয়া যায় না। এ জন্য আয়াত সংখ্যা নির্ধারণের ক্ষেত্রে মতভেদ রয়েছে। কেউ হয়ত কোন এক আয়াতকে দু’আয়াত হিসাবে গণনা করেছেন আবার কেউ এক আয়াত হিসাবে গণ্য করেছেন। আয়াতের সংখ্যা যায় হোক
উত্তরঃ যাবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১২৬)। তবে কবরের উপরে উঠা যাবে না (মুসলিম, মিশকাত হা/১৬৯৭)। বরং জানাযার ছালাতের সময় বিনা কারণে জুতা খুলে রাখলে অথবা খুলে তার উপর দাঁড়িয়ে ছালাত আদায় করার বিষয়টি ভিত্তিহীন প্রথা মাত্র।
উত্তরঃ আযান দিয়ে ছালাত আদায় করতে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘যখন ছালাতের সময়ে উপস্থিত হবে তখন তোমাদের কেউ যেন আযান দেয় এবং তোমাদের মধ্যের বড় ব্যক্তি যেন ইমামতি করে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৬৮৩)। দুইজন ব্যক্তি সফরে গেলেও তাদের রাসূলুল্লাহ (ছ
উত্তরঃ রামাযান মাসে লাইলাতুল ক্বদরে কুরআন নাযিল শুরু হয়েছে (বাক্বারাহ ১৮৫; ক্বদর ১)। অতঃপর প্রয়োজন মাফিক ২৩ বছরে নাযিল শেষ হয়েছে।
উত্তরঃ পুনরায় বিতর পড়তে হবে না। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘এক রাতে দু’বিত্র নেই’ (ছহীহ্ তিরমিযী হা/৪৭০; ছহীহ্ আবুদাঊদ হা/১৪৩৯)। তবে যিনি তাহা্জ্জুদের ছালাত নিয়মিত আদায় করেন তিনি প্রথম রাতে বিত্র আদায় না করে তাহাজ্জুদ শেষে বিত্র আদায় করবেন (মুসলি
উত্তরঃ মাথা দক্ষিণ দিকে রেখে বাম কাতে ফেলে যবহ করবে। তখন যবহকারী ক্বিবলামুখী হবে (সুবুলুস সালাম ৪/১৭৭ পৃঃ; মির‘আত ২/৩৫১)। উল্লেখ্য, এ সময় ক্বিবলামুখী হওয়া ও ক্বিবলামুখী করা যরূরী নয়। তবে ক্বিবলামুখী হয়ে এবং পশুকে ক্বিবলামুখী করে যবেহ্ করা উত্তম।
উত্তরঃ রাসূলের প্রতিটি সুন্নাতই আমলযোগ্য। তাতে নেকী আছে। অবজ্ঞা করলে গোনাহ হবে। এতে সুন্নাতে মুওয়াক্কাদা বা গায়ের মুওয়াক্কাদা কোন প্রভেদ নেই। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, (একাগ্রতা ও সুন্নাত অনুযায়ী যথাযথভাবে না হওয়ার কারণে) ... খুব নগণ্য সংখ্যক ল
উত্তরঃ উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। বরং রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ‘বা‘ইদ বায়নী (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৮১২) ও ‘সুবহানাকা... দু’টিই পড়েছেন (আবুদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/৮১৫)। দ্বিতীয়টির সনদে কিছু বিতর্ক রয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) রাতের নফল ছালাতে ‘সুবহা-নাকা...’
উত্তরঃ এরূপ ছাগল কুরবানী করা ও তার গোশ্ত খাওয়া যাবে। কারণ হিজড়া হওয়া না হওয়া হালাল হারামের মাপকাঠি নয়। ইসলামে ছাগলের গোশ্ত খাওয়া হালাল (ছহীহ তিরমিযী হা/১৫০৫)।
উত্তরঃ টেস্টটিউবের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দেওয়া শর্ত সাপেক্ষে জায়েয হতে পারে। কেবলমাত্র স্বামীর বীর্যই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে স্ত্রীর রেহেমে দেয়ার নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা থাকলে, ডাক্তার সততার সাথে তা সম্পন্ন করলে, কোন প্রকার প্রতারণার আশ্রয় না নিলে
উত্তরঃ এ মর্মে কোন হাদীছ পাওয়া যায় না। তাছাড়া সব সত্য কথাই তিতা এমন কথাও সঠিক নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘সত্য কথা বল যদিও তা তিতা হয়’ (আহমাদ, মিশকাত হা/৫২৫৯; সিলসিলা ছহীহাহ হা/২১৬৬)।
উত্তরঃ দাজ্জালকে ঈসা (আঃ) বায়তুল মুক্বাদ্দাসের নিকটবর্তী ‘লুদ্দ’ নামক শহরের প্রধান ফটকে হত্যা করবেন (মুসলিম, মিশকাত হা/৫৪৭৫)।
উত্তরঃ মসজিদে জায়গা সংকুলান না হ’লে ঈদের মাঠ সহ যেকোন পবিত্র স্থানে ছালাত আদায় করা যাবে। ঈদের মাঠে ঈদের ছালাত ছাড়া অন্য ছালাত হবে না এই ধারণা সঠিক নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘সমগ্র যমীনকে আমার জন্য পবিত্র স্থান এবং মসজিদ বানিয়ে দেয়া হয়েছে’ (
উত্তরঃ উক্ত কথা দলীলবিহীন।
উত্তরঃ গোনাহ্ হ’তে মুক্তি লাভের আশায় পাপগুলো স্মরণ করে আল্লাহর নিকট একনিষ্ঠচিত্তে ক্ষমা প্রার্থনা করবে (তাহরীম ৮)। তবে তওবা কবুলের জন্য তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে (১) একমাত্র আল্লাহ্কে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যেই তওবা হ’তে হবে। (২) কৃত গোনা
উত্তরঃ দাজ্জালকে ঈসা (আঃ) বায়তুল মুক্বাদ্দাসের নিকটবর্তী ‘লুদ্দ’ নামক শহরের প্রধান ফটকে হত্যা করবেন (মুসলিম, মিশকাত হা/৫৪৭৫)।
উত্তরঃ আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদ উদ্বোধন করার শারঈ কোন ভিত্তি নেই। মসজিদের দায়িত্বশীলগণ আযান দিয়ে নতুন মসজিদে ছালাত আদায় করা শুরু করবেন। তবে মসজিদ ছালাত আদায়ের উপযোগী হয়ে গেলে লোকদেরকে জানানো যেতে পারে এবং ছালাতের প্রতি উৎসাহিত করতে কুরআন ও হাদীছ
উত্তরঃ উক্ত আয়াত শুধু বিবাহের সাথে যুক্ত নয়। অতএব সাধ্যানুযায়ী চেষ্টা চালিয়ে সৎ পাত্র-পাত্রীকে বিবাহ করতে হবে। তাছাড়া এই আয়াত যার উপর নাযিল হয়েছে তিনিও বিবাহ করেছেন, অপরকে বিবাহ করতে বলেছেন। এমনকি বিবাহ থেকে বিরত থাকা ব্যক্তিকে তার উম্মত থেকে
উত্তরঃ এক সঙ্গে দু’টিই করা যাবে এবং তাতে ফযীলত ভিন্ন ভিন্ন। সোম ও বৃহস্পতিবারের ছিয়াম সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হ’লে তিনি বলেন, সোম ও বৃহস্পতি এ দু’দিনে আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক মুসলিমকে ক্ষমা করে দেন। তবে সেই দু’ব্যক্তি ছাড়া যা
উত্তরঃ উক্ত আমলের পক্ষে কোন ছহীহ দলীল পাওয়া যায় না। শুধু আয়াতুল কুরসী পড়ার দলীল রয়েছে (নাসাঈ, সিলসিলা ছহীহাহ হা/৯৭২)।
উত্তরঃ মোবাইলে সংবাদ দেয়া যাবে। তবে মাইকে প্রচার করা যাবে না। কারণ মাইক ও মোবাইলে সংবাদ প্রচার এক নয়। মাইকের মাধ্যমে সকল জনতার কাছে শোক সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এটা ‘নাঈ’ অর্থাৎ বিলাপ হিসাবে গণ্য হবে। হাদীছে শোক সংবাদ প্রচার করতে নিষেধ করা হয়েছে
উত্তরঃ হাদীছে এ ব্যাপারে তিনটি পরিভাষা উল্লেখিত হয়েছে (১) ‘আহফুশ শাওয়ারিবা’ অর্থাৎ তোমরা গোঁফ বেশী করে কাটো (২) ‘ক্বাছছুশ শাওয়ারিবা’ তোমরা গোঁফ ছাঁটো (৩) আনহিকুশ শাওয়ারিবা -তোমরা গোঁফ ছোট করো (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৪৪২০ ও ৪৪২১)। অতএব গ
উত্তরঃ স্বর্ণের প্রলেপ দেয়া রৌপ্যের আংটি ব্যবহার করা বৈধ নয়। তবে ইমিটেশন অলংকার বৈধ (ছহীহ নাসাঈ হা/৫১৪৩)।
উত্তরঃ আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, ‘অবশ্যই আমার নেককার বান্দারাই যমীনের অধিকারী হবে’ (আম্বিয়া ১০৫)। অন্যত্র তিনি বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান আনে এবং নেক আমল করে তাদের সাথে আল্লাহ্ তা‘আলা ওয়াদা করেছেন যে, তিনি যমীনে তাদেরকে খেলাফত দান করবেন (নূর ৫
উত্তরঃ কোন বিদ‘আতী অনুষ্ঠানে কুরআন তেলাওয়াত করা শরী‘আত সম্মত নয়। জন্মদিন, জন্মবার্ষিকী, মৃত্যু বার্ষিকী, শোক দিবস, শোক সভা ইত্যাদি পালন করা নাজায়েয। যেখানে একজন ইসলামে এগুলোর কোন অস্তিত্বই নেই, সেখানে অমুসলিমের অনুষ্ঠানে কুরআন পাঠ করার প্রশ্ন
উত্তরঃ হাদীছটি জাল (আলবানী, মিশকাত হা/১৭৬৮)। কোন দিন নির্দিষ্ট করে নয় বরং যেকোন সময় পিতা-মাতার কবর যিয়ারত করা যাবে এবং দো‘আ করা যাবে (মুসলিম ১/১১৩)।
উত্তরঃ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) অষ্টধাতুর আংটি বা উপকার করতে পারে এমন কোন আংটি পরিধান করেননি। কোন উপকার করবে অথবা অপকার প্রতিরোধ করতে পারবে এই বিশ্বাস করে ধাতুর আংটি, বালা বা অন্য কিছু ব্যবহার করা শিরক (তিরমিযী, মিশকাত হা/৪৫৫৬; ছহীহ তিরমিযী হা/২০৭২)।
উত্তরঃ অমুসলিমের হাদিয়া গ্রহণ করা যাবে। তবে শর্ত হচ্ছে পোষাকটি যেন তাদের কোন ধর্মীয় নিদর্শন বহন না করে এবং অনৈসলামিক প্রভাব সৃষ্টি করবে এরূপ সম্ভাবনা না থাকে (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৪৩৪৭)। ছালাত বিশুদ্ধ হওয়ার জন্য কাপড় পবিত্র হওয়া শর্ত। অতএব পবিত
উত্তরঃ মুছল্লী তার সুবিধা মত বসে খুৎবা শুনবে। তবে ঘুম আসলে নড়েচড়ে বসবে (তিরমিযী, মিশকাত হা/১৩৯৪)। জুম‘আর খুৎবা চলা অবস্থায় নিতম্বের উপর ভর দিয়ে দু’হাঁটুকে বুকের সাথে একত্রিত করে বসা যাবে না (ছহীহ আবুদাঊদ হা/১১১০; ছহীহ তিরমিযী হা/৫১৪)। এছাড়া এমনভাবে ব
উত্তরঃ এমন ক্রয়-বিক্রয় করা জায়েয নয়। কারণ অজ্ঞাত বস্ত্ত বিক্রয় করা বৈধ নয় (বুখারী হা/২১৪৪; মুসলিম হা/১৫১৪)। তাছাড়া বস্ত্ত তো বিক্রেতার অধীনে আসেনি। আর যা নিজের অধীনে আসেনি তা বিক্রয় করা নিষেধ (ছহীহ আবুদাঊদ হা/৩৫০৩; মিশকাত হা/২৮৬৭)। এটা ধোঁকাবাজিরও শা
উত্তরঃ মাইয়েতকে যেমন তার ডান দিক থেকে ওযূ ও গোসল করানো হয় তেমনি তার ডান দিকের কাপড়ই আগে উত্তোলন করতে হবে (বুখারী হা/১২৫৪; মিশকাত হা/১৬৩৪)। এখানে বিষয়টি যিনি পরিধান করাচ্ছেন তার ডান বা বামের সাথে সম্পৃক্ত নয়। তবে তিনি তার ডান হাত দিয়ে শুরু করবেন।
উত্তরঃ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মাটি দ্বারা সৃষ্ট মানুষ ছিলেন, তিনি নূরের সৃষ্ট ফেরেশতা ছিলেন না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘হে নবী! আপনি বলুন, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের মত একজন মানুষ। আমার নিকট অহি অবতীর্ণ হয়’ (কাহফ ১১০)। তাদেরকে তাদের নবীগণ বলেছিলেন, ‘নিশ্চয়ই আ
উত্তরঃ অমুসলিম প্রতিবেশীর সাথে সামাজিক লেনদেন করা যাবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘যারা তোমাদের সাথে লড়াই করে না এবং তোমাদেরকে ঘর থেকে বের করে দেয় না আল্লাহ তাদের সাথে সদাচরণ করতে এবং তাদের সাথে ইনছাফ করতে নিষেধ করেন না’ (মুমতাহানা ৮)। তবে তাদের ধর্ম
উত্তরঃ জেহরী ছালাতে ‘আমীন’ ব্যতীত ছালাতের ক্বিরাআত, তাসবীহ-তাহলীল, যিকর-আযকার সবকিছুই নীরবে বলতে হবে। সুন্নাত হ’ল মুছল্লী ছালাতের মধ্যে তার প্রতিপালকের সাথে চুপে চুপে কথা বলবে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৭৪৬; আহমাদ, মিশকাত হা/৮৫৬)। উল্লেখ্য, জ
উত্তরঃ উক্ত মর্মে জাবের (রাঃ) বর্ণিত হাদীছটি বাতিল বা মিথ্যা (শাওকানী, আল-ফাওয়াইদুল মাজমূ‘আহ ফী আহাদীছিল মাওযূ‘আহ হা/১৩৭৪, ২/৬০৬)।
উত্তরঃ দুই সালামের পরে মাসবূক দাঁড়াবে। কারণ ইমামের দু’সালাম পর্যন্ত মুক্তাদীকে ইমামের অনুসরণ করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘নিশ্চয়ই ইমাম নির্ধারণ করা হয় তার অনুসরণ করার জন্য’ (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/১১৩৯; হাইআতু কিবারিল ওলামা ১/২১৮ পৃঃ)।
উত্তরঃ পকেটে টাকা বা পরিচয় পত্র থাকলে ছালাতের কোন ক্ষতি হবে না। কেননা সেটা চোখে দেখা যায় না। একদা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আয়েশা (রাঃ)-কে বললেন, তুমি এ চাদরটি আমার সামনে থেকে সরিয়ে নাও। এর ছবি আমার ছালাতের একাগ্রতা নষ্ট করে (বুখারী, মিশকাত হা/৭৫
উত্তরঃ কোনরূপ হীন স্বার্থে মিথ্যা বলা যাবে না। কারণ মিথ্যা বলা মহাপাপ। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা মিথ্যা কথা থেকে বেঁচে থাক’ (হজ্জ ৩০)।
উত্তরঃ ঘুষ দেয়া, নেয়া উভয়ই হারাম। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ঘুষ দাতা ও গ্রহীতার প্রতি অভিসম্পাত করেছেন (ছহীহ আবুদাঊদ হা/৩৫৮০; মিশকাত হা/৩৭৫৩)। হকদারকে তার প্রাপ্য হক থেকে বঞ্চিত করে ঘুষ দিয়ে চাকুরী নিলে তার উপার্জিত অর্থ বৈধ হবে না। তবে হকদার তার হক রক্ষ
উত্তরঃ আয়েশা (রাঃ) আযান দিতেন, এক্বামত দিতেন এবং মহিলাদের ইমামতি করতেন। এ সময় তিনি কাতারের মাঝে দাঁড়াতেন (বায়হাক্বী হা/৪০৮; ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/১৪৪)। তবে উচ্চৈঃস্বরে নয়, সরবে আযান দিবে।
উত্তরঃ ক্ষমা চাওয়ার সময় ভিক্ষা শব্দ ব্যবহার করা যায় (বাক্বারাহ ১৮৬)। কারণ আল্লাহর নিকট সবাই ভিক্ষুক। আর হাদীছে চাওয়ার শব্দই ব্যবহার করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি আমার কাছে চায় আমি তাকে দিব’ (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/১২২৩)। কাজেই সব মানুষই
উত্তরঃ সংসারকে সচ্ছল করার নিয়তে জন্মনিয়ন্ত্রণ নিষিদ্ধ। কেননা রূযীর মালিক আল্লাহ। আল্লাহ বলেন, ‘দারিদ্রে্যর ভয়ে তোমরা তোমাদের সন্তানকে হত্যা কর না। তাদেরকে এবং তোমাদেরকে আমিই খাদ্য প্রদান করে থাকি’ (ইসরা ৩১)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা প্র
উত্তরঃ পাঁচটি নয়, বরং তিনটি স্থানে মিথ্যা বলা যায়। (১) মীমাংসার জন্য, (২) যুদ্ধক্ষেত্রে, (৩) স্ত্রী-স্বামী পরষ্পরের নিকট (ছহীহ আবুদাঊদ হা/৪৯২১; মুসলিম, তিরমিযী, মিশকাত হা/৫০৩১ ও ৫০৩৩)। এছাড়া কল্যাণকর কাজের স্বার্থে সাময়িকভাবে মিথ্যার আশ্রয় নেয়া যায়।
উত্তরঃ ডান হাতে আঙ্গুলের মাধ্যমে তাসবীহ গণনা করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ডান হাতে তাসবীহ গণনা করতেন (আবুদাঊদ হা/১৫০২; সিলসিলা যঈফাহ হা/৮৩-এর আলোচনা)। তিনি ডান দিক থেকে কাজ করা পসন্দ করতেন (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৪০০)। আঙ্গুলকে ক্বিয়ামতের দিন জি
উত্তরঃ উক্ত অর্থের যাকাত দিতে হবে না। কারণ এগুলি কারো ব্যক্তিগত মালিকানায় নেই। আর ব্যক্তিগত মালিকানা ছাড়া যাকাত ফরয হয় না।
উত্তরঃ যত বছর থেকে আপনি নিছাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন, তার হিসাব সহ বর্তমান সম্পদের হিসাব করে যাকাত প্রদান করতে হবে (মুসলিম, মিশকাত হা/১৭৭৩)। কারণ হকদারদের হক পরিশোধ করা যরূরী (মা‘আরিজ ২৪-২৫)। যদি সঠিক হিসাব করা সম্ভব না হয়, তাহ’লে সাধ্যমত হিসা
উত্তরঃ মালিককে না জানিয়ে নেওয়ার কারণে গোনাহগার হ’তে হবে। এটা খেয়ানত। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘আমি তোমাদের যাকে কোন দায়িত্ব দিয়েছি সে যদি সুঁচ পরিমাণ বা তার চেয়ে কম কিছু গোপন করে তাহ’লে তা খেয়ানত হবে। সে তা নিয়ে ক্বিয়ামতের মাঠে উপস্থিত হবে’ (ম
উত্তরঃ নিরুপায় অবস্থায় এক সাথে থাকা যাবে। তবে তাদেরকে আল্লাহ যা আদেশ করেছেন তা পালন করার জন্য এবং যা নিষেধ করেছেন তা থেকে বিরত থাকার উপদেশ দিতে হবে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা ভাল কাজে আদেশ কর এবং মন্দ কাজের নিষেধ কর’ (আলে ইমরান ১১০)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ
উত্তরঃ পারবে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/১০৫৯)। তবে তাদের জন্য বাড়ীতে ছালাত আদায় করা উত্তম (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/১০৬২ ও ১০৬৯)। জুম‘আর ছালাতে তাদের জন্য মসজিদে যাওয়া ভাল। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা মহিলাদের মসজিদে যেতে নিষেধ কর না’ (মুসলিম, মিশকাত হা
উত্তরঃ উক্ত মর্মে সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে মসজিদ নির্মাণ করে সেখানে জুম‘আ-জামা‘আত কায়েম করা যাবে। আনাস (রাঃ) বলেন, মদীনায় হিজরত করার পর মসজিদ নির্মাণের স্বার্থে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বনু নাজ্জারকে বললেন, তোমরা তোমাদের বাগানটি আমার নিকট
উত্তরঃ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) দাস প্রথাকে রহিত করেননি। বরং তিনি দাস-দাসীদেরকে মুক্ত করে দেয়ার জন্য উৎসাহিত করেছেন। অমুসলিমদের সাথে জিহাদ সংঘটিত হ’লে এখনও দাস-দাসী সৃষ্টি হ’তে পারে। জানা আবশ্যক যে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ফায়ছালাকে কেউ মেনে নিতে দ্বি
উত্তরঃ উক্ত বিবাহে মোহর নির্ধারণের ক্ষেত্রে ধোঁকাবাজির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। তবে বিয়ে বৈধ হয়েছে। ধার্য মোহরানা অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে। পুনরায় মোহর নির্ধারণের কোন সুযোগ নেই। অবশ্য স্ত্রী স্বেচ্ছায় কিছু অংশ ক্ষমা করতে পারেন (নিসা ৪)। কিন্তু তার কা
উত্তরঃ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে মুসলমান আল্লাহর কালেমাকে সমুন্নত করার লক্ষ্যে লড়াই করবে, কেবলমাত্র সেই-ই আল্লাহর পথে লড়াই করল’ (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৩৮১৪)। অতএব যারা তাওহীদের কালেমাকে সমুন্নত করার খালেছ নিয়তে আল্লাহর পথে লড়াই করে মারা
উত্তরঃ প্রশ্নে বর্ণিত শর্তে বিবাহ করতে পারবে না। এরূপ মেয়াদ ও চুক্তিভিত্তিক শর্তে বিয়ে করা হারাম। একে ‘নেকাহে মুৎ‘আহ’ বা ঠিকা বিবাহ বলা হয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) একে চিরতরে নিষিদ্ধ করেছেন (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৩১৪৭)। রবী‘ ইবনু সাবরাহ আল-জ
উত্তরঃ হাদীছটি ছহীহ (মুসলিম হা/২৮৬৪; মিশকাত হা/৫৫৪০ ‘কিয়ামতের অবস্থা’ অধ্যায় ‘হাশর’ অনুচ্ছেদ)।
উত্তরঃ ইমামের পিছনে জ্ঞানী ও সম্মানী ব্যক্তিগণ দাঁড়াবেন (মুসলিম, মিশকাত হা/১০৮৯)। এরপরে সবাই স্বাভাবিকভাবে দাঁড়াবে। বাচ্চাদের পিছনের কাতারে দাঁড়াতে হবে মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/১১১৫)।
উত্তরঃ পড়া যাবে। যেমনটি বেলাল (রাঃ) পড়তেন (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৩২২; তিরমিযী, সনদ ছহীহ, মিশকাত হা/১৩২৬)। তবে সময় সংক্ষেপ হ’লে কেবল ফরয ছালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট সুন্নাত পড়তে হবে (মুসলিম, মিশকাত হা/১১৫৯)।
উত্তরঃ শুধু রোগ মুক্তির জন্য নয়, যে কোন উদ্দেশ্যে তাবীয ব্যবহার করা হারাম। তা কুরআনের আয়াত ©র্লখে হোক আর অন্য কিছু দিয়ে তৈরি করা হোক। এর বিনিময়ে হাদিয়া গ্রহণ করাও হারাম। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তাবীয লটকাল সে শিরক করল (আহমাদ হা/
উত্তরঃ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম জিনদের সহায়তায় নিজেদের বা অন্যের চিকিৎসা করেছেন মর্মে কোন দলীল পাওয়া যায় না। তাছাড়া দুষ্ট জিনেরা সর্বদা মানুষকে বিপথে প্ররোচিত করে থাকে (আন‘আম ১২৮; জিন ৬)। একদা কিছু লোক রাসূলের কাছে এসে বলে, হে রাসূল
উত্তরঃ গোনাহ্ হবে না। তবে আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে বিয়ে করতে না পেরে পাপে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিলে ‘ছিয়াম’ পালন করবে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৩০৮০)।
উত্তরঃ সুবহা-না রবিবয়াল ‘আযীম ও সুবহা-না রবিবয়াল আ‘লা কম পক্ষে তিনবার বলবে (ইবনু মাজাহ হা/৮৮৮)। অন্য দো‘আও পাঠ করা যাবে। বেশী বলার নির্ধারিত সংখ্যা নেই। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কখনো কখনো দীর্ঘ সময় রুকূ ও সিজদাতে থাকতেন এবং দো‘আ সমূহ পাঠ করতেন (আ
উত্তরঃ রুকূর পূর্বে ক্বিরাআত শেষে বুকে হাত বাঁধা অবস্থায় কুনূত পড়ার দলীল পাওয়া যায় না। একইভাবে ‘তাকবীরে তাহরীমা’র ন্যায় দু’হাত উঠিয়ে পুনরায় বুকে বাঁধারও কোন দলীল পাওয়া যায় না। তবে রুকুর আগে বা পরে উভয় অবস্থায় দু’হাত উঠিয়ে দো‘আয়ে কুনূত পড়ার দল
উত্তরঃ সূর্যাস্তের বা মাগরিবের পূর্বে যদি এক রাক‘আাত ছালাত আদায় করার মতও সময় না থাকে তাহ’লে সেটাই ছালাতের জন্য নিষিদ্ধ সময়। কারণ কেউ যদি সূর্যাস্তের পূর্বে আছরের এক রাক‘আত ছালাত আদায় করতে পারে, তাহ’লেই সে আছরের ছালাত পেয়ে গেছে বলে গণ্য হবে (ব
উত্তরঃ অশ্লীল কোন বস্ত্তকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করা বা তার সমর্থক হওয়া যাবে না। বাদ্যযন্ত্র হারাম (লোকমান ৬; বুখারী, মিশকাত হা/৫৩৪৩)। তবে বাদ্যযন্ত্র ছাড়া ইসলামের জন্য উপকার বয়ে আনবে এরূপ গান লিখলে, গাইলে, সুর দিলে এবং এর সাথে সম্পৃক্ত থাকলে এতে কোন
উত্তরঃ এটা ভ্রান্ত দাবী। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) দাজ্জালের আকৃতি-প্রকৃতি সহ কোথা থেকে সে বের হবে, কারা তার সঙ্গী হবে, সে কী কী ঘটাবে এবং তার মৃত্যু কোথায় হবে, কে তাকে কোন্ সময় হত্যা করবেন, সবই বর্ণনা করে গেছেন (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৫৪৭১-৫৪৮
উত্তরঃ লটারী ও জুয়া ধোঁকাবাজির অন্তর্ভুক্ত এবং তা প্রকাশ্য হারাম (মায়েদাহ ৯০; মুসলিম, মিশকাত হা/২৮৬০)। অতএব আলেম-ওলামার উদ্ধৃতি দিয়ে তাকে বৈধ করা যাবে না। সউদী আরব সহ মুসলিম বিশ্বের কোন যোগ্য আলেমই প্রচলিত লটারীকে জায়েয বলেননি।
উত্তরঃ পুরানোটির পরিবর্তে নতুন যে মসজিদ নির্মাণ করা হবে তা মুছল্লীদের জন্য অধিক কল্যাণকর হ’লে এবং কোন প্রকার শারঈ বাধা না থাকলে পরিবর্তন করা যাবে এবং পূর্বের মসজিদ নিজের কল্যাণ কর্মে ব্যবহার করা যাবে। যেমন ওমর (রাঃ) কূফার মসজিদ পরিবর্তন করেছি
উত্তরঃ কোর্টের মাধ্যমে এক বৈঠকে তিন তালাক দিলে এক তালাকই গণ্য হবে। সুতরাং তিন মাসের মধ্যে ফেরত নিলে পুনরায় বিবাহ ছাড়াই দু’জন সাক্ষীর মাধ্যমে ফেরত নেওয়া যাবে। আর তিন মাস পার হয়ে গেলে পুনরায় মোহর নির্ধারণ করে নতুন বিবাহের মাধ্যমে ফেরত নিতে পারে
উত্তরঃ এ অবস্থায় ছালাত হবে। তবে ক্বিরাআত শুদ্ধ এমন ব্যক্তিকে ইমাম নিয়োগ করা আবশ্যক (মুসলিম, বুখারী, মিশকাত হা/১১১৭, ১৮, ২৬)। ইমাম ভুল করলেও মুক্তাদীদের ছালাত হয়ে যাবে। কিন্তু ইমামের গোনাহ তার উপরে বর্তাবে’ (বুখারী, মিশকাত হা/১১৩৩)। মুছল্লীরা কোন শারঈ
উত্তরঃ কোন মহল্লায় যদি সারা বছর তাহাজ্জুদ ও নফল ছিয়ামের অভ্যাস জারি থাকে, তবে সারা বছরই তাহাজ্জুদ ও সাহারীর আযান দেওয়া যাবে। যেমন মক্কা-মদীনার দুই হারামে চালু আছে (ফাৎহুল বারী ২/১২৭ পৃঃ, হা/২২১, ২২২, ২২৩)।
উত্তরঃ সালাম ফিরানোর পর যখন মনে পড়বে তখন সহো সিজদা দিতে হবে। কারণ এটাও একটা ভুল। আর ভুলের প্রতিকার হচ্ছে সহো সিজদা দেয়া। সালামের পরেও সহো সিজদা দেয়া যায় (মুসলিম, মিশকাত হা/১০২১)।
উত্তরঃ আরবী বা আরাবী নাম রাখা যায়। আরাবী শব্দের অর্থ আরবের অধিবাসী বা আরবী ভাষী। তবে বাংলাভাষী বা অনারব কোন ছেলের নাম ‘আরবী’ রাখা ঠিক নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, সবচেয়ে উত্তম নাম হ’ল আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান (মুসলিম, মিশকাত হা/৪৭৫২ ‘শিষ্টাচার’
উত্তরঃ ছিয়াম নষ্ট হওয়ার জন্য নির্দিষ্টভাবে পাঁচটি কারণ উল্লেখ করা হয়নি। তবে বর্ণিত কারণ সমূহে ছিয়াম ত্রুটিপূর্ণ হয়। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও কর্ম ছাড়ল না তার খানাপিনা ত্যাগ করায় আল্লাহর কোন প্
উত্তরঃ আভিধানিক অর্থে ফিক্বহ বা শরী‘আতের বুঝ ছাহাবায়ে কেরাম সহ সকল যুগে ছিল ও থাকবে। তবে প্রশ্নে বর্ণিত উছূলভিত্তিক ফিক্বহ শাস্ত্রের আবির্ভাব ঘটে রাসূল (ছাঃ)-এর মৃত্যুর অনেক পরে। দলীল হিসাবে বর্ণিত হাদীছটি মুনকার (সিলসিলা যাঈফাহ হা/৮৮১; আবুদাঊদ
উত্তরঃ পানির অপচয় না করে ওযূ ও গোসলে পরিমাণ মত পানি খরচ করা সুন্নাত। আনাস (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) ওযূ করতেন এক মুদ পানি দ্বারা এবং গোসল করতেন এক ‘ছা’ হ’তে পাঁচ মুদ পর্যন্ত পানি দ্বারা (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৪৩৯)। আয়েশা (রাঃ) বলেন, তিনি এ
উত্তরঃ উক্ত ঘটনা মিথ্যা। ঘটনাটি নূহ (আঃ)-এর ছেলের সাথে নয়; বরং মূসা (আঃ)-এর যুগের। ফেরাঊনের হাত থেকে নাজাত পাবার পর মূসা (আঃ) যখন ইহুদীদেরকে তাদের পিতৃভূমি ফিলিস্তীন দখলকারী মহাশক্তিধর আমালেক্বাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করার হুকুম দেন এবং সেখানে বার
উত্তরঃ কসমের কাফফারা হচ্ছে ১০ জন মিসকীনকে খাদ্য প্রদান করা অথবা একজন দাসকে মুক্ত করা কিংবা তিনদিন ছিয়াম পালন করা (মায়েদাহ ৫/৮৯)। আল্লাহ এখানে পর পর ছিয়াম পালনের কথা বলেননি। কাজেই কসমের কাফফারার ছিয়াম পালন করার সময় বিশেষ কারণে একটি ছুটে গেলে তার জ
উত্তরঃ আযানের শব্দ দু’বার এবং ইক্বামতের শব্দ একবার করে বলতে হবে। ইবনু ওমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর যুগে আযান দু’বার করে এবং ইক্বামত একবার করে দেয়া হ’ত (আবুদাঊদ, নাসাঈ, মিশকাত হা/৬৪৩)। বেলাল (রাঃ)-কে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল যে, আযান দিবে জোড়
উত্তরঃ মসজিদের মুছল্লীদেরকে নিয়ে মৃত ব্যক্তির জন্য হাত তুলে দো‘আ করা যাবে না। এটি বিদ‘আত, যা পরিত্যাজ্য। মৃত ব্যক্তির জন্য কেউ দো‘আ চাইলে অথবা নিজে থেকে দো‘আ করলে ব্যক্তিগতভাবে নিম্নের দো‘আটি পড়া যায়। ছাহাবী আবু সালামাহ (রাঃ) মারা গেলে
উত্তরঃ বিষয়টি সত্য। কেননা সম্পদের অংশ বণ্টনের বিষয়টি এরূপ যে, একজনের উপস্থিতিতে অন্যজন অংশ হ’তে বঞ্চিত হয়। যেমন ছেলের উপস্থিতিতে ছেলের ছেলে বঞ্চিত হয় (ফিক্বহুস সুন্নাহ ৪/৩৪৪ পৃঃ)। অনেক সময় একজনের উপস্থিতিতে অন্যজন সম্পদ কম পায়। যেমন- স্ত্রী স
উত্তরঃ প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বিভিন্নভাবে দো‘আ করা যায়। যেমন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁর খাদেম আনাসের জন্য নিম্নোক্ত ভাবে দো‘আ করেছিলেন, اَللَّهُمَّ أَكْثِرْ مَالَهُ وَوَلَدَهُ وَبَارِكْ لَهُ فِيْمَا أَعْطَيْتَهُ ‘হে আল্লাহ! আপনি তার মাল ও সন্তান বৃদ
উত্তরঃ ইমাম যে অবস্থায় থাকবেন সে অবস্থায় মুক্তাদী ছালাতে যোগদান করবে । সূরা ফাতিহা পড়ার প্রয়োজন নেই। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ... তোমরা যতটুকু পাবে ততটুকু (ইমামের সাথে) আদায় কর, আর যা ছুটে যাবে তা পূর্ণ কর’ (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৬৮৬)
উত্তরঃ উক্ত পদ্ধতি হারাম। বন্ধক এক ধরনের কর্য। আর কর্যের মাধ্যমে লাভ গ্রহণ করা সূদ। ছাহাবীগণ এমন কর্য নিষেধ করতেন যে কর্য লাভ আনয়ন করে (বায়হাক্বী, ইরওয়াউল গালীল হা/১৩৯৭)।
উত্তরঃ হাদীছটি যঈফ (ইবনু হিববান, সিলসিলা যঈফাহ হা/৩৯)। উক্ত হাদীছের দোহাই দিয়ে অনেকে আছরের পরে ঘুমাতে নিষেধ করেন। অথচ শারীরিক চাহিদা অনুযায়ী মানুষ যেকোন সময় ঘুমাতে পারে। আল্লাহ বলেন, ‘তাঁর নিদর্শন সমূহের মধ্যে অন্যতম হ’ল রাত্রিকালে ও দিবসে তোমা
উত্তরঃ উক্ত কথা সত্য নয়। তিনি ৪০ বছর বয়সে নবী হয়েছিলেন। অতএব তার আগে ‘উম্মাতী’ ‘উম্মাতী’ বলার প্রশ্নই ওঠে না।
উত্তরঃ উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়।
উত্তরঃ ৪র্থ হিজরীর রবীউল আউয়াল মাসে মদীনার ইহুদী গোত্র বনু নাযীর আত্মসমর্পণ করে (আর-রাহীক্ব ২৯৭)। বিনা যুদ্ধে প্রাপ্ত এই শত্রু সম্পদগুলিকে ‘ফাই’ বলা হয়। যা কেবলমাত্র আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের জন্য নির্দিষ্ট ছিল (হাশর ৫
উত্তরঃ শিশু অবস্থায় কোন ছেলে-মেয়ে মারা গেলে তারা ক্বিয়ামতের দিন তাদের মুসলিম পিতা-মাতাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, মুসলিম শিশু সন্তানেরা জান্নাতের ‘শিশু খাদেম’ হবে। তাদের কেউ পিতা-মাত
উত্তরঃ স্বামী-স্ত্রী উভয়ে জান্নাতী হ’লে আল্লাহ তাদেরকে একত্রে জান্নাতে প্রবেশের নির্দেশ দিবেন’ (যুখরুফ ৪৩/৭০)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আয়েশা (রাঃ)-কে বলেন, তুমি কি সন্তুষ্ট নও যে, তুমি দুনিয়া ও আখেরাতে আমার স্ত্রী হয়ে থাকবে? তিনি বললেন, জি হ্যাঁ। তখন ন
উত্তরঃ মৃত পিতা-মাতার পক্ষ থেকে ছেলে হজ্জ করতে পারে। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, একজন লোক নবী করীম (ছাঃ)-এর কাছে এসে বলল, আমার পিতার পক্ষ থেকে আমি হজ্জ করতে পারি কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তুমি তোমার পিতার পক্ষ থেকে হজ্জ কর’ (ইবনে মাজাহ হা/২৯০৪; তিরমি
উত্তরঃ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কদরের রাত বুঝতে পারতেন (বুখারী, মিশকাতহা/২০৯৫)। কদরের রাত কোনটি তা অন্যদের জানা যরূরী নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, কদর রাতের নির্দিষ্ট তারিখ না জানার মধ্যে তোমাদের জন্য কল্যাণ নিহিত রয়েছে (বুখারী, মিশকাত হা/২০৯৫)
উত্তরঃ যে কোন ছালাতের জন্য ওযূ করার পর ওযূ নষ্ট না হওয়া পর্যন্ত অন্য ছালাত আদায় করা যাবে। আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) প্রত্যেক ছালাতের জন্য ওযূ করতেন। আমাদের কারো ওযূ নষ্ট না হওয়া পর্যন্ত একই ওযূতে বার বার ছালাত আদায় করতেন (দারেমী, মিশ
উত্তরঃ প্রয়োজনমত সাধারণভাবে স্টেজ করা যাবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, কোন সম্প্রদায় যখন কোন স্থানে বসে দ্বীনী আলোচনা করে তখন ফেরেশতা তাদের ঢেকে নেয়, রহমত তাদের ঘিরে ধরে এবং তাদের উপর আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রশান্তি অবতীর্ণ হয় (মুসলিম, মিশকাত হা/২০৪
উত্তরঃ মোল্লা আলী ক্বারী হানাফী (রহঃ) বলেন, আল্লাহ কোন মানুষকে হানাফী, মালেকী, শাফেঈ, হাম্বলী (বা অন্য কোন মাযহাবপন্থী) হওয়ার জন্য বাধ্য করেননি; বরং কুরআন ও সুন্নাহ মানতে বাধ্য করেছেন (হাক্বীক্বাতুল খিযক্বহ ৮৫ পৃঃ)। আল্লাহ বলেন, তোমরা তোমাদের
উত্তরঃ অবৈধ সম্পর্ক গড়া মহা পাপ। যার শাস্তি হচ্ছে ১০০ বেত্রাঘাত এবং এক বছরের জন্য দেশান্তর (বুখারী, মিশকাত হা/৩৫৫৬)। এ অবস্থায় অনুতপ্ত হয়ে খালেছ তওবা করা আবশ্যক। নইলে গুনাহ মাফ হবে না।
উত্তরঃ উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। ইমাম বুখারী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আববাস (রাঃ) হ’তে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন যে, এটি ‘মানসূখ’ নয়। বরং এর অর্থ হ’ল, যাদের ছিয়াম রাখার ক্ষমতা নেই যেমন অতি বৃদ্ধ ও বৃদ্ধা, তারা প্রতিদিনের ছিয়ামের বদলে একজন মিসকীন খাওয়াবে
উত্তরঃ একটু থেমে উঠতে হবে। একে ‘জালসায়ে ইস্তিরাহাত’ বলা হয়। মালিক ইবনে হুওয়াইরিছ (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে ছালাত আদায় করতে দেখেছেন যে, নবী করীম (ছাঃ) তাঁর ছালাতের প্রথম রাক‘আত কিংবা তৃতীয় রাক‘আত হ’তে উঠার সময় কিছুক্ষণ না বসে উঠতেন
উত্তরঃ একটি সূরা পড়ার কারণ হ’ল রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) একটি সূরা পড়তেন। তিনি ফরয ছালাতের প্রথম দু’রাক‘আতে সূরা ফাতিহার সাথে অন্য দু’টি সূরা পড়তেন। আর শেষ দু’রাক‘আতে শুধু সূরা ফাতিহা পড়তেন (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৮২৮)। ইবাদত হ’ল তাওক্বীফী। যাতে ক
উত্তরঃ সংসারে ফিরে আসতে না চাইলে মোহরের দাবী ত্যাগ করে ‘খোলা’-র মাধ্যমে স্ত্রী বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে (নাসাঈ হা/৩৫১০)। বরং স্বামী পূর্বে মোহরানা পরিশোধ করে থাকলে তা ফেরত দিয়ে ‘খোলা’ করে চলে যেতে হবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৩২৭৪)। অতঃপর
উত্তরঃ মৃত ব্যক্তির নামে জুম‘আর দিন জিলাপি বিতরণ করা এবং সবাই মিলে তার জন্য উক্ত পদ্ধতিতে মুনাজাত করা যাবে না। কবরের পাশে গিয়ে অথবা যেকোন স্থান হ’তে মৃত ব্যক্তির জন্য একাকী হাত তুলে বা না তুলে দো‘আ করা যায় (মুসলিম হা/২২৫৫, ১/৩১৩ পৃঃ; আবুদাঊদ,
উত্তরঃ যেসব মসজিদে বিদ‘আতী আমল চালু আছে সেসব মসজিদের পরিচালনা কমিটিতে সদস্য পদ গ্রহণ করা উচিত নয়। কারণ এতে বিদ‘আতের সহযোগিতা করা হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমরা নেকী ও তাক্বওয়ার কাজে পরস্পরে সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সীমালংঘন কাজে সহযোগিতা কর না’
উত্তরঃ ঈমানদারের জন্য যরূরী হ’ল, আল্লাহ অবতরণ করেন একথা বিশ্বাস করা এবং কিভাবে করেন সেকথা বলা থেকে বিরত থাকা। কারণ আল্লাহর কাজ তাঁর মতই হয় মানুষের মত নয়। সারা পৃথিবীতে বিভিন্ন সময়ে রাত হয় এটা আল্লাহর ইচ্ছাতেই হয় এবং তাঁর অবতরণ তাঁর ইচ্ছাতেই হ
উত্তরঃ এ মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (আবুদাঊদ হা/৪৯০৩)। তবে হিংসা করা একটি জঘন্যতম অপরাধ। এই অভ্যাস শরী‘আতের দৃষ্টিতে অত্যন্ত ঘৃণিত (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৫০২৮)। এ বিষয়ে বহু হাদীছ বর্ণিত হয়েছে।
উত্তরঃ জান্নাত ও জাহান্নাম সপ্তম আসমানের উপরে সৃষ্ট অবস্থায় রয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা আদম ও হাওয়াকে জান্নাত থেকে বের করে দুনিয়াতে নামিয়ে দেন’ (বাক্বারাহ ২/৩৬)। এর দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, জান্নাত আসমানের উপরে অবস্থিত। এছাড়া একাধিক ছহীহ হাদীছ দ্বারা
উত্তরঃ মনগড়াভাবে কুরআনের কোন শব্দ বা আয়াতের অর্থ করা যাবে না। ইমাম রাযীন বলেছেন, যে ব্যক্তি তার নিজ মতামত দ্বারা কুরআনের ব্যাপারে কিছু বলে ভুল করল সে কুফরী করল। একদা আবুবকর (রাঃ)-কে একটি অক্ষরের ব্যাখ্যা জিজ্ঞেস করা হ’লে তিনি বলেন, যদি কিতাবু
উত্তরঃ মৃত ব্যক্তির জন্য ক্ষমা চাওয়ার উদ্দেশ্যে কবরস্থানে যাওয়া যরূরী নয়। বরং যেকোন স্থান হ’তে একাকী হাত তুলে (বা না তুলে) দো‘আ করা যায় (আহমাদ হা/২৪৯৭০ হাদীছ ছহীহ)।
উত্তরঃ এটি ভিত্তিহীন কথা মাত্র। জাহান্নামে গিয়ে যদি আগুনের তাপ না লাগে, পশমও যদি না পুড়ে তাহ’লে আল্লাহ্ তাকে জাহান্নামে দিবেন কেন? এমন কথা বলা থেকে সাবধান হওয়া উচিত।
উত্তরঃ উৎপাদিত ফসল নেছাব পরিমাণ হ’লে যিনি জমি পত্তন বা লীজ নিয়েছেন তাকেই ওশর দিতে হবে। কেননা লীজ গ্রহীতাই উৎপাদিত শস্যের মালিক। আর শস্যের মালিকের উপরেই ওশর ফরয (আন‘আম ৬/১৪১)। অপর দিকে জমির মালিক যেহেতু টাকা নিয়েছে, তাই তার টাকা যদি সাড়ে সাত ত
উত্তরঃ দাড়ি কেটে ফেলা শারঈ নির্দেশকে অমান্য করার শামিল। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা মুশরিকদের বিরোধিতা কর। দাড়ি পূর্ণভাবে ছেড়ে দাও ও গোঁফ পূর্ণভাবে ছেটে ফেলো’ (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৪৪২১ ‘পোষাক’ অধ্যায় ‘চুল অাঁচড়ানো’ অনুচ্ছেদ)। দাড়ি
উত্তরঃ উভয় পক্ষের ওয়ালী এবং দু’জন মুমিন ন্যায়নিষ্ঠ বয়স্ক পুরুষ সাক্ষী না থাকায় বিবাহ সিদ্ধ হয়নি। এজন্য আপনারা উভয়ে ব্যভিচারের দায়ে অভিযুক্ত। অপরপক্ষে আপনার অভিভাবক আপনার মতের বিরুদ্ধে চাপ দেওয়ায় তারাও অন্যায় করেছেন। অতএব বিয়েই যেখানে হয়নি, সে
উত্তরঃ এধরনের ত্রুটি হ’লে কিছু করণীয় নেই। কোন কোন সময় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) একই দো‘আ রুকূ‘ এবং সিজদাতে পড়েছেন (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৮১৭)। তবে এ ধরনের ভুল যেন না হয় সে জন্য সতর্ক থাকতে হবে এবং যে দো‘আ যে স্থানে পড়ার নির্দেশ রয়েছে তা সেখানে
উত্তরঃ প্রথমত জানতে হবে যে সেটা সূদমুক্ত ঋণ কি-না। সূদমুক্ত হ’লে এ ঋণ নেয়া যাবে। এই ঋণ যথাসময়ে পরিশোধ করতে পারলে সরকার কর্তৃক যে বিশেষ ছাড় দেয়া হবে তাও গ্রহণ করা যাবে। কারণ সরকারের পক্ষ থেকে তা হবে পুরস্কার স্বরূপ। যার সাথে সূদের কোন সম্পৃক্ত
উত্তরঃ এ অবস্থায় এক তালাক হয়েছে। কারণ এক বৈঠকের শত তালাক দিলেও তা এক তালাক বলেই গণ্য হয় (আবুদাঊদ হা/২১৯৬)। আর তিনটি কাজে হাসি-ঠাট্টা চলে না। তার একটি হচ্ছে তালাক (তিরমিযী, মিশকাত হা/৩২৮৪)। তিন মাসে তিন তালাক বায়েন প্রাপ্তা মহিলা অন্যত্র বিবাহ
উত্তরঃ সমস্যা হবে না। তবে ইমাম একাকী উপরে দাঁড়াতে পারবেন না। একদা আম্মার ইবনে ইয়াসির (রাঃ) একাকী উপরে দাঁড়িয়ে ইমামতি করছিলেন। হুযায়ফা (রাঃ) তাঁকে পিছন থেকে ধরে টেনে সমতল যমীনে নামিয়ে দেন এবং বলেন, আপনি শুনেননি, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ইমাম যেন মু
উত্তরঃ কুরআন মজীদে হাত দিয়ে শপথ করা শারঈ তরীকা নয় এবং পাপ মুক্ত হওয়ারও পদ্ধতি নয়। বরং ক্ষমা পেতে হ’লে আল্লাহর নিকট তওবা করতে হবে। পাপ থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত হয়ে কৃত পাপের জন্য অনুতপ্ত হ’তে হবে, পুনরায় না করার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করতে হবে এবং
উত্তরঃ মুসাফির ব্যক্তি ছালাত কছর করবে (নিসা ১০১; ছহীহ মুসলিম হা/৬৯১; মিশকাত হা/১৩৩৭)। কিন্তু মুসাফির হয়ে মুক্বীম ইমামের পেছনে ছালাত আদায় করলে পূর্ণই পড়তে হবে (আহমাদ, ইরওয়াউল গালীল হা/৫৭১)। কছর করা ওয়াজিব নয় এবং কছর না করলে গুনাহও হবে না। তবে
উত্তরঃ এসব অনুষ্ঠানের পূর্বে কুরআন তেলাওয়াত করা যাবে না। কারণ যেখানে কুরআনের মুল্যায়ন থাকে না সেখানে কুরআন তেলাওয়াত করা শরী‘আতে নিষিদ্ধ (বুখারী, মিশকাত হা/২৫২)।
উত্তরঃ পবিত্র কুরআন ৩০ পারা। যা আল্লাহ তা‘আলা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর উপর জিবরীল (আঃ)-এর মাধ্যমে নাযিল করেছেন। এর শুরু সূরা ফাতিহা দিয়ে এবং শেষ সূরা নাস দিয়ে। এ কুরআনকেই আল্লাহ হেফাযত করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন (হিজর ৯)। কোন কোন অমুসলিম ও ভ্রান্ত ফ
উত্তরঃ উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। বরং বেসরকারী দ্বীনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এসব সম্পদের বেশী হকদার। ফী সাবীলিল্লাহ খাত থেকে এসব স্থানে এ সম্পদ দেওয়া যাবে (তওবাহ ৬০)।
উত্তরঃ এরূপ বলা উচিত নয়। বরং বলতে হবে ‘আল্লাহর রহমতে অতঃপর আপনাদের দো‘আয় ভাল আছি’। এখানে ‘অতঃপর’ শব্দটি গুরুত্বপূর্ণ (ছহীহ ইবনে মাজাহ হা/২১১৭; ছহীহ বুখারী হা/৬৬৫৩, ‘শপথ ও মানত’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-৭; মিশকাত হা/১৮৭৮)। তবে শুধু ‘আল-হামদুলিল্লাহ্’
উত্তরঃ উক্ত নিয়ম শরী‘আত সম্মত নয়। কেননা উপরোক্ত বর্ণনা মতে বিবাহের সকল শর্ত পূরণ করা হয়েছে। কেবল খুৎবা বাকী রয়েছে, যা শর্ত নয়, বরং সুন্নাত। বিবাহের শর্ত হ’ল চারটি। অলি, দু’জন ন্যায়নিষ্ঠ সাক্ষী, মোহরানা ও স্থায়ী উদ্দেশ্যে বিবাহ করা। বিবাহের দু
উত্তরঃ বাইরে পড়াই সুন্নাত। তবে বিশেষ অবস্থায় মসজিদের মধ্যে জানাযার ছালাত আদায় করা যাবে (মুসলিম, মিশকাত হা/১৬৫৬)।
উত্তরঃ বিশুদ্ধ সুন্নাতের উপর আমল করেই ইমামের অনুসরণ করতে হবে। এতে ছালাতের কোন ক্ষতি হবে না। ছহীহ হাদীছে থাকা সত্ত্বেও যে সমস্ত আমল ইমাম ছেড়ে দিবেন মুক্তাদী হিসাবে সেগুলো আমল করা সম্ভব হ’লে তা পালন করতে হবে (বুখারী হা/৩৭৮, ৬৮৯; মুসলিম হা/৪১১,
উত্তরঃ আল্লাহ্ কারো দো‘আ প্রত্যাখ্যান করেন না। বাহ্যিকভাবে কবুল না হ’লেও হয়ত সে দো‘আর মাধ্যমে আল্লাহ্ দো‘আকারীকে অন্য বিপদ থেকে রক্ষা করেন (ছহীহ তিরমিযী হা/৩৩৮১; মিশকাত হা/২২৩৬, সনদ হাসান)। তাই বাচ্চা না নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সঠিক নয়। এমন
উত্তরঃ যুল কিফল একজন নবী ও একজন সৎকর্মশীল ব্যক্তি ছিলেন। পবিত্র কুরআনে তাকে নবীদের সাথেই উল্লেখ করা হয়েছে (আম্বিয়া ৮৫-৮৬; ছোয়াদ ৪৮)। হাফেয ইবনু কাছীর বলেন, যুল কিফলের নবী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট (তাফসীরে ইবনে কাছীর, আম্বিয়া ৮৫)।যুল কিফল সম
উত্তরঃ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ... একটি মাত্র দল জান্নাতে যাবে। আর সে দলটির পরিচয় হিসাবে তিনি বলেন, আমি এবং আমার ছাহাবীগণ যার উপর আছি’ (ছহীহ তিরমিযী হা/২৬৪১; মিশকাত হা/১৭১)। অতএব রাসূল ও ছাহাবীদের গুণাবলী সম্পন্ন জান্নাতী দলে অন্তর্ভুক্ত হ’
উত্তরঃ বিতর ব্যতীত তাহাজ্জুদ ছালাতের সর্বনিম্ন রাক‘আত সংখ্যা হচ্ছে দুই (মুসলিম হা/১৩৯, ‘মুসাফিরের ছালাত’ অধ্যায়)। এছাড়া রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, রাতের (নফল) ছালাত দু’রাক‘আত দু’রাক‘আত’ (বুখারী হা/৪৭২; মুসলিম হা/৭৪৯; মিশকাত হা/১২৫৪)। অতএব সর্ব
উত্তরঃ ব্যবসার কাজে ব্যস্ত থাকলেও জামা‘আতে ছালাত আদায় করা উচিত। কারণ ইসলাম মসজিদে গিয়ে জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায়ের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৭০২ ও ১০৫২)। তাছাড়া অন্য হাদীছে এসেছে, আযান শুনার পরেও গ্রহণযোগ্য ওযর ছাড়
উত্তরঃ জোরপূর্বক ২০% বেশী নেয়া যুলুম করার শামিল। অতএব তা থেকে বিরত থাকতে হবে। তবে বাকীতে এক দাম আর নগদে এক দাম এভাবে বিক্রি করা জায়েয আছে (আবুদাঊদ হা/৩৪৬১; আওনুল মা‘বূদ হা/৩৪৫৭-এর আলোচনা ৯/২৩৮)। ক্রেতা এক্ষেত্রে তার সামর্থ্য অনুযায়ী যে মূল্যে
উত্তর : শব্দটি লাবু ঝাবু নয় বরং শব্দটি হচ্ছে লা মাযহাবী- অর্থাৎ যারা নির্দিষ্টভাবে কোন একটি মাযহাবের অন্ধ অনুসরণ করেন না। এটি আহলেহাদীছের বিরুদ্ধবাদীদের আক্রোশমূলক গালি মাত্র। আব্দুল কাদের জীলানী (রহঃ) বলেন, বিদ‘আতীদের কিছু নিদর্শন রয়েছে, যা
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যখন সর্বপ্রথম কা‘বা ঘরে প্রবেশ করলেন তখন ভিতরে ঢুকে ছালাত আদায় করেছিলেন কি-না এ বিষয়ে আব্দুল্লাহ ইবনু ওমর (রাঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) উসামা, বেলাল ও ওছমান বিন তালহাকে নিয়ে কা‘বা গৃহে প্রবেশ করেন ও দরজা বন্ধ করে
উত্তরঃ ছালাত ত্যাগকারী মুসলমান প্রকৃত অর্থে কাফির নয়। বরং মহাপাপী। কাজেই প্রশ্নে বর্ণিত হুকুম সমূহ তার উপর বর্তাবে না। এই ধরণের তরককারীগণ কলেমার বরকতে ও শেষনবী (ছাঃ)-এর শাফা‘আতের ফলে শেষ পর্যায়ে জাহান্নাম থেকে জান্নাতে ফিরে আসবে’ (মুত্তাফাক্ব
উত্তর : আদম (আঃ) ৬০ হাত লম্বা ছিলেন মর্মে হাদীছ ছহীহ (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৪৬২৮)। তবে তার শরীরের প্রশস্ততা ৭ ফুট ছিল এ মর্মে কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না।
উত্তর : শব্দটি সোহেল নয় বরং সোহাইল سُهَيْل অর্থ উজ্জ্বল তারকা বিশেষ। রানা শব্দটি রাজপুত হিন্দু রাজাদের উপাধি। এটি ইসলামী নাম নয়। তবে শুধু سُهَيْل নাম রাখা যায়।
উত্তরঃ গিটার ক্রয় করা যাবে না। কারণ বাদ্যযন্ত্র কেনা ও ব্যবহার করা হারাম (আবুদাঊদ হা/৪৯২৪; মিশকাত হা/৪৮১১)।
উত্তরঃ মসজিদ কমিটি বাধ্যতামূলক টাকা নিতে পারে না। তবে স্বেচ্ছায় দিলে নেওয়া যাবে এবং দেওয়ার জন্য আবেদন করতে পারে। তবে মোহরানাকে হিসাব করে কোন টাকা নেওয়া যাবে না।
উত্তর : এরূপ করা জায়েয নয়। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা খাও এবং পান কর। তবে অতিরিক্ত খেয়ো না ও পান কর না। নিশ্চয়ই আল্লাহ অতিরিক্ত করা পসন্দ করেন না’ (আ‘রাফ ৩১)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা খাও, পান কর, পরিধান কর এবং দান কর। তবে অতিরিক্ত কর না এবং অহংকা
উত্তর : এটা অবৈধ হয়েছে। এ অবস্থায় জমি ফেরত নিতে হবে এবং অংশ হারে সবাইকে লিখে দিতে হবে। একজন লোক রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট এসে বলল, আমি আমার এই ছেলেকে একটি গোলাম প্রদান করেছি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, ‘তুমি কি তোমার সব ছেলেকে অনুরূপ দিয়েছ? লোক
উত্তর : সৎ উদ্দেশ্যের বিষয়টি পিতা-মাতাকে সাধ্যমত বুঝাতে হবে। মনে রাখতে হবে যে, পিতা-মাতার সন্তুষ্টি হচ্ছে আল্লাহর সন্তুষ্টি, আর পিতা-মাতার অসন্তুষ্টি হচ্ছে আল্লাহর অসন্তুষ্টি (তিরমিযী, মিশকাত হা/৪৯২৭)। তবে পিতা-মাতা যদি শরী‘আত বিরোধী কোন আদেশ দ
উত্তর : লাশ নিয়ে যাওয়ার সময় বিনা ওযরে কাঁধ পরিবর্তন করা যাবে না এবং করার সময় ‘আল্লাহ রাববী’ ও ‘মুহাম্মাদ নবী’ বলার কোন শারঈ বিধান নেই। বরং এটা কুসংস্কার মাত্র। ছাহাবী ও তাবেঈগণ এরূপ করতেন না।
উত্তর : নির্দিষ্ট একটি দিনকে দলবদ্ধভাবে ছিয়াম পালনের জন্য নির্ধারণ করা মুসলিম সমাজে অনুপ্রবিষ্ট নতুন একটি বিদ‘আত। এরূপ কোন উদাহরণ রাসূল (ছাঃ) ও সালাফে ছালেহীনের যুগে খুঁজে পাওয়া যায় না। রাসূল (ছাঃ) দ্বীনের মধ্যে যে কোন নতুন প্রথা উদ্ভাবনের বি
উত্তর : এতে বিবাহ বিচ্ছিন্ন হয় না। তবে ছালাত তরককারী ব্যক্তি মহাপাপী। ফেরাউনের বিধি-বিধান আমাদের জন্য প্রযোজ্য নয়। কুরআনে আল্লাহ আসিয়াকে ফেরাউনের স্ত্রী হিসাবে উল্লেখ করেছেন (তাহরীম ১৩)।
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর পিতা-মাতা অমুসলিম অবস্থায় মারা গেছেন। তাই তিনি তাদের ব্যপারে কোন সুফারিশ করতে পারবেন না’ (মুসলিম হা/২৩০৪ ‘জানাযা’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ ৩৬)। আল্লাহ স্বীয় রাসূলকে তার মায়ের কবর যেয়ারতের অনুমতি দিয়েছিলেন। কিন্তু তার জন্য ক্ষমা প
উত্তর : লাভের কোন নির্ধারিত সীমা নেই। চলতি বাজার দর হচ্ছে সীমা, যা চাহিদা ও যোগানের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। কোন পণ্যের দাম বাজার মূল্যের চেয়ে বেশী নিলে যুলুম করা হবে, যা হারাম। অনেক সময় ক্রয়মূল্যের চেয়ে বিক্রয়মূল্য দ্বিগুণও হ’তে পারে। একদা ওরও
উত্তরঃ পুরুষ বড় চুল রাখতে পারে। তবে চুলের পরিমাপ আছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর মাথায় তিন ধরনের চুল থাকত। জুম্মা, লিম্মা ও ওয়াফরা। সবচেয়ে বড় হ’ল জুম্মা যা কাঁধের উপর ঝুলে পড়ত (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৩৬৩৫)। তার চেয়ে ছোট লিম্মা যা প্রায় কাঁধের ক
উত্তর : ছালাতে সূরা ফাতিহা পড়া উক্ত আয়াতের হুকুমের অন্তর্ভুক্ত নয়। উক্ত আয়াতে কুরআন পড়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সূরা ফাতেহাকে নয়। আল্লাহ তা‘আলা নিজেই সূরা ফাতেহা ও কুরআনকে পৃথকভাবে উল্লেখ করেছেন (হিজর ৮৭) । রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সকলের জন্য সূরা ফাতেহা প
উত্তর : উক্ত অবস্থায় সুন্নাত ছেড়ে দিয়ে জামা‘আতে যোগ দিতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘ফরয ছালাতের এক্বামত হ’লে সেই ফরয ছালাত ব্যতীত অন্য কোন ছালাত চলবে না’ (মুসলিম, মিশকাত হা/১০৫৮)।
উত্তর : তারা মসজিদ কমিটির সদস্য হ’তে পারবে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আল্লাহর মসজিদে আবাদকারী (তত্ত্বাবধায়ক ও খাদেম) তো সে লোকেরাই হ’তে পারেন যারা আল্লাহ এবং পরকালকে বিশ্বাস করে, ছালাত আদায় করে, যাকাত প্রদান করে, আর যারা আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে
উত্তরঃ সচ্ছল হিসাবে বেতন ছাড়াই ইমামতি করা উত্তম। এটি অত্যন্ত সম্মানিত দায়িত্ব। তাই বেতন নিয়ে দর কষাকষি করা মর্যাদাকর নয়। মুছল্লীদের উচিত ইমামের জন্য সম্মানজনক ভাতার ব্যবস্থা করা। কারণ ভাতা নির্ধারণ না হ’লে ইমামের মাঝে অলসতা আসতে পারে। বুরায়দা
উত্তরঃ দু’টি যঈফ হাদীছের ভুল ব্যাখ্যা করে উক্ত ফযীলত সাব্যস্ত করা হয়েছে। যেমন ‘ছালাত, ছিয়াম ও যিকিরকে আল্লাহর রাস্তায় খরচ করার উপরে ৭০০ গুণ নেকী বৃদ্ধি করা হয় (আবুদাঊদ, ‘জিহাদ’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ ১৪)। অন্যটি হ’ল, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় টাকা
উত্তরঃ বাহাইয়াহ্ নামে একটি ঈমান বিধ্বংসী ভ্রান্ত বাতেনী মতবাদ রয়েছে। এর প্রবর্তক হচ্ছে মিরযা হুসাইন আলী মাযেনদারানী (১২৩৩-১৩০৯ হিজরী)। সে ইরানে ‘‘নূর’’ নামক গ্রামে জন্ম গ্রহণ করে। ৭৫ বছর বয়সে সে পাগল হয়ে মারা যায়। সে নিজেকে বাহাউল্লাহ্ হিসাবে
উত্তরঃ উক্ত শব্দগুলো আল্লাহর নামের সাথে যোগ করে বলা যাবে। কারণ এগুলো হাদীছে বর্ণিত হয়েছে। যেমন ‘আল্লাহ্ তা‘আলা’ (বুখারী হা/৩৯৪; ছহীহ আবুদাঊদ হা/১০১)। ‘আল্লাহ সুবহানাহু’ (ছহীহ আবুদাঊদ হা/২৫৮)। ‘আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা’ (ছহীহ আবুদাঊদ হা/২১৬৩)। আর
উত্তরঃ বিভিন্ন তাফসীর গ্রন্থে এরূপ বর্ণিত হ’লেও এর কোন ছহীহ ভিত্তি নেই। এরূপ ভাবার্থের একটি হাদীছ তিরমিযীতে এসেছে, কিন্তু সেটাও ছহীহ নয় (যঈফ তিরমিযী হা/৩২৯৮; সূরা হাদীদ ২ ও ৩ নং আয়াতের ব্যাখ্যা দ্রঃ)। এ ব্যাপারে আল্লাহই সর্বাধিক অবগত।
উত্তরঃ উক্ত হাদীছে ঐ রাসূল বা দূতের নাম উল্লেখ করা হয়নি (সিলসিলা ছহীহাহ হা/১৪৩৪)। এ ব্যাপারে আল্লাহই ভাল জানেন।
উত্তরঃ ঢেলা-কুলুখ নিয়ে চল্লিশ কদম হাঁটা ও কাশি দেওয়া মর্মে শরী‘আতে কোন বিধান নেই। এগুলো বাড়াবাড়ি মাত্র। রাসূল (ছাঃ) ও তাঁর ছাহাবীগণ পানি এবং ঢেলা এক সঙ্গে ব্যবহার করেননি। কারো সন্দেহ হ’লে ওযূ শেষে লজ্জাস্থান বরাবর কাপড়ে পানি ছিটিয়ে দিবে। (আবু
উত্তরঃ বিতর ছালাত এক, তিন, পাঁচ, সাত ও নয় রাক‘আত পর্যন্ত পড়া যায়। তিন রাক‘আত বিতর পড়লে এক তাশাহ্হুদে আদায় করতে হবে। দু’রাক‘আত পড়ার পর বসা যাবে না (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১২৫৪)। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বিতর ছালাতকে মাগরিবের ছালাতের মত করে আদা
উত্তর : আদমকে সৃষ্টি করার আগেই আল্লাহ ফেরেশতাদেরকে আদমের প্রতি সিজদা করার কথা বলে দিয়েছিলেন (হা-মীম সাজদাহ/ফুছছিলাত ৪১/১১)। তাছাড়া কুরআনের বর্ণনা সমূহ থেকে একথা স্পষ্ট হয় যে, আদমকে সিজদা করার জন্য আল্লাহর নির্দেশ ব্যক্তি আদম হিসাবে ছিল না, বরং ভব
উত্তরঃ ‘আখেরী চাহারশম্বা’ কথাটি ফার্সী। ইরান, ইরাক, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশে আরবী ছফর মাসের শেষ বা চতুর্থ বুধবারকে ‘আখেরী চাহারশম্বা’ বলা হয়ে থাকে এবং দিবস হিসাবে পালন করা হয়। কথিত আছে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) (মৃত্যুর পাঁচদিন পূর্বে) এদিনে রোগযন
উত্তরঃ ছালাতের মধ্যে বাম হাতের উপর ডান হাত রেখে বুকের উপরে বাঁধতে হবে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৭৯৭-৯৮; আবুদাঊদ হা/৭৫৯)। এছাড়া ডান হাতকে বাম হাতের তালুর পিঠ, কব্জি ও বাহুর উপর রাখা মর্মে হাদীছ বর্ণিত হয়েছে (আবুদাঊদ হা/৭২৭; নাসাঈ হা/৮৮৯)। উল্লেখ্য, ন
উত্তরঃ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে কারা স্বপ্নে দেখতে পারে এব্যাপারে হাদীছে কিছু বলা হয়নি এবং তাঁকে স্বপ্নে দেখার বিশেষ কোন ফযীলতও বলা হয়নি। তবে হাদীছে এভাবে এসেছে যে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখেছে সে প্রকৃতই আমাকে দেখেছ
উত্তরঃ নিজ সুবিধার জন্য নয়, ভুল বুঝতে পেরে জমিটি ঈদগাহের নামে ওয়াক্ফ করে দেওয়া উচিত। ওয়াক্ফ করে দিলে অবশ্যই সেখানে ছালাত আদায় করা বৈধ হবে। এজন্য দলাদলি করে দু’স্থানে ছালাত আদায় করা বৈধ হবে না। সরকারী জমিতে ঈদগাহ করা হ’লে মৌখিক নয়; বরং লিখিত অ
উত্তরঃ কুরআন ও হাদীছে নির্ধারিত হিসাব অনুযায়ী ওয়ারিছগণ সম্পত্তি বণ্টন করে নিবেন (নিসা ১১-১২)। ওয়ারিছগণ মৃতব্যক্তির শরী‘আত সম্মত অছিয়ত বাস্তবায়ন না করলে তারাই এর জন্য গুনাহ্গার হবে। এর জন্য মৃতব্যক্তি দায়ী হবে না এবং এজন্য তার কবরে আযাবও হবে না।
উত্তরঃ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হাতে লাঠি নিয়ে জুম‘আর খুৎবা দিতেন। এটি সুন্নাত। হাকাম বিন হাযন আল-কুলাফী (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে জুম‘আর দিন হাতে লাঠি নিয়ে খুৎবা দিতে দেখেছি (আবুদাঊদ, সনদ হাসান, হা/১০৯৬; ইরওয়াউল গালীল হা/
উত্তরঃ কালো খেযাব বা কলপ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। জাবের (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘তোমরা সাদা চুল কালো করা থেকে বেঁচে থাক’ (মুসলিম, মিশকাত হা/৪৪২৪)। তিনি আরো বলেছেন, ‘শেষ যামানায় এমন কিছু লোক হবে যারা কবুতরের বক্ষের ন্যায় কালো
উত্তরঃ পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন আয়াত ও ছহীহ হাদীছ সমূহে প্রমাণিত হয় যে, আল্লাহ তা‘আলার আকার আছে। যেমন আল্লাহর চেহারা (আর-রহমান ২৭), তাঁর দুই হাত (ছোয়াদ ৭৫; মায়েদাহ ৬৪), তাঁর চোখ (তূর ৪৮) আছে বলে কুরআন মজীদে উল্লেখিত হয়েছে। অনুরূপভাবে হাদীছে এসেছে, আল
উত্তরঃ মুক্তাদী পুনরায় সম্পূর্ণ ছালাত আদায় করবে। কারণ সালাম ফিরানোর মাধ্যমে ছালাত সম্পূর্ণ হয় (আবুদাঊদ হা/৬১; তিরমিযী হা/৩; ইবনু মাজাহ হা/২৭৫)। উল্লেখ্য, শেষ বৈঠকে বসে ওযূ নষ্ট হ’লে ছালাত হয়ে যাবে মর্মে আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হ’তে যে হাদীছ বর্ণিত
উত্তরঃ মৃতের কোন সন্তান না থাকলে স্ত্রী পাবেন এক-চতুর্থাংশ। আর সন্তান থাকলে আটভাগের একভাগ পাবেন। অবশিষ্ট সম্পদে একজন পুত্র দু’জন কন্যার সমান অংশ পাবে। আর যদি দু’য়ের অধিক শুধু কন্যা সন্তান থাকে তাহ’লে তারা দুই-তৃতীয়াংশ পাবে। যদি একজন কন্যা সন্
উত্তরঃ কালেমা ত্বাইয়েবা হচ্ছে لا إله إلا الله ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ অর্থ: ‘নেই কোন উপাস্য আল্লাহ ব্যতীত’। আব্দুল্লাহ ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, الكلمة الطيبة لا إله إلا الله ‘কালেমায়ে ত্বাইয়েবাহ’ হ’ল, ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ (তাফসীরে কুরতুবী, তাফসীরে
উত্তরঃ এতে শরী‘আতে কোন বাধা নেই; বরং উৎসাহিত করা হয়েছে। কেননা জুম‘আ মসজিদের উদ্দেশ্যই হ’ল জামা‘আত বড় হওয়া। জামা‘আত যত বড় হবে, মুছল্লীর নেকী তত বেশী হবে। এর মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য যোরদার হয় এবং পরস্পরে পরিচিতি ও ভালবাসা বৃদ্ধি পায়। আর এটা
উত্তর : উচ্চৈঃস্বরে (সর্বত্র মাইকে) মৃত ব্যক্তির শোক সংবাদ প্রচার করা জায়েয নয় (তিরমিযী হা/৯৯৫, ইবনু মাজাহ হা/১৪৭৬)। তবে নিকটাত্মীয়, পরিচিত জন ও মুসলিমদের নিকটে সাধারণভাবে (ফোন ও মোবাইলের মাধ্যমে) মৃত্যু সংবাদ জানানো যাবে। হাবশার বাদশাহ নাজ
উত্তর : ইমাম বুখারী (রহঃ) উক্ত হাদীছকে ‘মুনকার’ বলেছেন (তাহকীক সীরাতে ইবনে হিশাম ৩/৪১ পৃঃ)। তাছাড়া আল্লাহ তা‘আলা কুরআন মজীদে রক্তকে হারাম ঘোষণা করেছেন (মায়েদাহ ৩)।
উত্তর : ইফতার যদিও ইবাদত, তবে এমন ইবাদত যেখানে সামাজিকতার ব্যাপার রয়েছে। তাই এখানে কাফেরদেরও দাওয়াত করা যেতে পারে, যদি তাতে কাফেরদেরকে ইসলামের প্রতি আহবান করা বা আগ্রহী করার উদ্দেশ্য থাকে। আল্লাহ্র রাসূল (ছাঃ) ইহুদী-নাছারাদের কাছ থেকে হাদিয়া
উত্তর : কাতার বড় করার উদ্দেশ্যে ক্বিবলা পরিবর্তন করা শরী‘আত সম্মত নয়। ছালাত ক্বিবলামুখী হয়েই আদায় করতে হবে। কারণ ছালাত বিশুদ্ধ হওয়ার একটি শর্ত হচ্ছে ক্বিবলামুখী হওয়া (বাক্বারাহ ১৪৪; বুখারী ও মুসলিম, মিশকাত হা/৭৯০)। ১ম কাতার একটু ছোট হলেও দোষ নে
উত্তর : সহযোগিতা ও উত্তম আচরণ পাওয়ার অধিক হকদার নিকটতম প্রতিবেশী। প্রতিবেশীকে কষ্ট দেওয়ার পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তির নিকট তার প্রতিবেশী নিরাপদ নয়, সে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না (মুসলিম, মিশকাত হা/৪৯৬৩)। অন্যত
উত্তর : উক্ত বিবাহ সিদ্ধ হয়নি। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, যে নারী অভিভাবক ছাড়া বিয়ে করল তার বিয়ে বাতিল, বাতিল, বাতিল (তিরমিযী হা/১১০২; আবুদাঊদ হা/২০৮৩; মিশকাত হা/৩১৩১)। যেখানে বিয়েই হয়নি সেখানে মৌখিক বা লিখিত সম্মতিতে বৈধতার কোন প্রশ্নই আসে ন
উত্তর : সাধ্য থাকলে ঐ দেশের সূর্যাস্ত অনুযায়ী ইফতার করবে। অন্যথা ছিয়াম ছেড়ে দিবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৯৮৫)। কারণ সফর অবস্থায় ছিয়াম তার উপর ফরয নয়। পরে ক্বাযা আদায় করে নিবে (বাক্বারাহ ১৮৪)। তবে কোন দেশে যদি দীর্ঘস্থায়ী দিন বা রাত হয়, তাহলে ন
উত্তর : পৃথিবীর সকল স্থানের চাঁদের উদয়স্থল এক নয়। কাজেই সারা দুনিয়ার ছিয়াম রাখা ও ছিয়াম ছাড়া এক সাথে হতে পারে না। আল্লাহ বলেন, তোমাদের যে ব্যক্তি এ মাস পাবে, সে যেন ছিয়াম পালন করে (বাক্বারাহ ১৮৫)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তোমরা চাঁদ দেখে ছিয়াম শ
উত্তর : আল্লাহ্র রাসূল (ছাঃ) সকল শুভ কাজ ডাক দিক দিয়ে করা পসন্দ করতেন (মুসলিম হা/৬১৭; আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৩৪৮)। আর ডান হাতের ডান পাশ কড়ে আঙ্গুল দিয়েই শুরু হয়। তাছাড়া এই আঙ্গুল দিয়ে গণনা শুরু করাই সহজ ও স্বভাবজাত।
উত্তর : নলকূপের প্রয়োজন না থাকলে মসজিদের বারান্দায় বা অন্য স্থানে কাজে লাগাতে পারবে। এই মসজিদের দরকার না হলে অন্য মসজিদের কাজে লাগানো যায়। তবে মক্তবে লাগানো যাবে না। কারণ মসজিদের সম্পদ মসজিদের কাজেই ব্যবহার করতে হবে (ফিক্বহুস সুন্নাহ ৪/২৯০)।
উত্তর : ইয়াজূজ মাজূজ সম্প্রদায় আদম (আঃ)-এর বংশধর। তারা ক্বিয়ামতের প্রাক্কালে ঈসা (আঃ)-এর সময় পৃথিবীতে উত্থিত হবে। শাসক যুলক্বারনাইন তাদেরকে এখন প্রাচীর দিয়ে আটকিয়ে রেখেছেন (কাহফ ৯৪-৯৮)। ঐ প্রাচীর ভেঙ্গে তারা সেদিন বেরিয়ে আসবে এবং সামনে যা পাব
উত্তর : হাদীছটি অনুরূপ নয়। ছাওবান (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, আমার উম্মতের দু’টি দলকে আল্লাহ জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়েছেন। তার একটি হচ্ছে যারা হিন্দুস্থানবাসীদের সাথে যুদ্ধ করবে। আর একটি হচ্ছে যারা ঈসা (আঃ)-এর সাথে থাকবে (নাসাঈ হা/
উত্তর : হাদীছটির ব্যাখ্যা হল- কোনকিছুর মধ্যে অকল্যাণ নেই। যদি থাকত তবে ঘোড়া, নারী ও বাড়ীর মধ্যে অকল্যাণ থাকত (আহমাদ, সিলসিলা ছহীহাহ হা/৪৪২ ও ৯৯৩)। মূল ঘটনা হল, জাহেলী যুগে ধারণা করা হত যে সবকিছুর মধ্যে অকল্যাণ রয়েছে। তারই জবাবে রাসূল (ছাঃ) উক্ত কথা ব
উত্তর : ‘জশন’ ফারসী শব্দ। এর অর্থ উৎসব, আনন্দ। আর ‘জুলূস’ আরবী শব্দ। অর্থ- উপবেশন, বৈঠক, অনুষ্ঠান ইত্যাদি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর জন্ম ও মৃত্যু দিবস পালনের জন্য বাৎসরিক মীলাদ উপলক্ষে যে মিছিল বের করা হয়, তা ‘জশনে জুলূস’ বলে পরিচিত। ইসলামে এধরনে
উত্তর : অবশ্যই শরীক হতে পারবে এবং তার পূর্ণ নেকী পাবে। পরবর্তী ছালাত তার জন্য নফল হিসাবে গণ্য হবে। আবু যার গিফারী (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আমাকে বলেন, যখন তোমাদের আমীরগণ নির্দিষ্ট সময় হতে ছালাত দেরী করে পড়বে তখন কী করবে
উত্তর : হাদীছে সামর্থ্যবান ব্যক্তিকে বিবাহ করতে বলা হয়েছে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৩০৮০)। মোহরসহ স্ত্রীর ভরণ-পোষণ ও বাসস্থান সবই এর অন্তর্ভুক্ত। তাই সম্ভব হলে পৃথক বসবাসের ব্যবস্থা করবে। অন্যথা একই পরিবারে নারী ও পুরুষ প্রত্যেককে সতর্ক থাকতে
উত্তর : আযান ও এক্বামতের উত্তর একই রকম হবে। কারণ হাদীছে উভয়কেই আযান বলা হয়েছে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৬৬২)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা তাই বল যা মুওয়াযযিন বলে (মুসলিম, মিশকাত হা/৬৫৭)। ইবনু ওমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর যামানায় আযান
উত্তর : ওযূ না করে গোসল করলে ঐ গোসলের পর ছালাত আদায় করা যাবে না। কারণ ছালাতের জন্য ওযূ শর্ত। আর ওযূর জন্য নিয়ত শর্ত। সুতরাং এজন্য গোসলের পূর্বে ওযূ করে নিতে হবে (নাসাঈ, মিশকাত হা/৪৪৫)।
উত্তর : উক্ত দাবী সঠিক নয়। কারণ আদম সৃষ্টির ঘটনা থেকে স্পষ্টভাবে বুঝা যায় যে, মানুষের আগে আল্লাহ জিনকে সৃষ্টি করেছেন। আর জিনের পূর্বে ফেরেশতাকে সৃষ্টি করেছেন। আর ফেরেশতারা যা দাবী করেন তাতে আদম প্রথম মানুষ (বাক্বারাহ ৩০)। আনাস (রাঃ) বলেন, রাস
উত্তর : ফরয বা সুন্নাত ছালাতে সিজদায় গিয়ে কুরআনের আয়াত দ্বারা দো‘আ করা যাবে না (মুসলিম, মিশকাত হা/৮৭৩)। সিজদায় কুরআন ব্যতীত হাদীছে বর্ণিত দো‘আ সমূহ পড়া যায়। আর শেষ বৈঠকে বসে ‘আত্তাহিইয়াতু’ ও ‘দরূদ’ পড়ার পর কুরআন এবং হাদীছ থেকে সব ধরনের দো‘আ পড়া
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক। রাসূল (ছাঃ) বলেন, আমি আমার প্রতিপালককে স্বপ্নে সুন্দরতম আকৃতিতে দেখেছি। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, শীর্ষস্থানীয় ফেরেশতাগণ কি বিষয়ে বিতর্ক করছে? আমি বললাম, আপনি ভাল জানেন... (তিরমিযী হা/৩২৩৪-৩৫; মিশকাত হা/৭২৫; সিলসিলা ছ
উত্তর : মসজিদে এমন গ্লাস বা টাইলস দেওয়া উচিত নয় যাতে মুছল্লীর ছবি দেখা যায়। এমতাবস্থায় সামনে কাপড় টাঙিয়ে ও নীচে কাপড় বিছিয়ে ছালাত আদায় করতে হবে। কারণ যেকোন ছবি বা চিত্র ছালাতের জন্য ক্ষতিকর। যেমন প্রাণীর অংকিত চিত্র, তৈলচিত্র ও কাপড়ের চিত্র ক
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক। দুনিয়ায়ী আমলের ভাল-মন্দের ফলাফল কবর থেকেই শুরু হয়। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় কবরবাসীকে তার জান্নাত অথবা জাহানণামের ঠিকানা দেখানো হয়। ক্বিয়ামত পর্যন্ত এই রূপ হতে থাকবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, বুখারী হা/
উত্তর: মোহরানা ছাড়া বিবাহ বৈধ নয়। আল্লাহ তা‘আলা এরশাদ করেন, ‘আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহরানা খুশীমনে দিয়ে দাও’ (নিসা ৪)। রাসূল (ছাঃ) জনৈক ব্যক্তিকে মোহরানা বাবদ লোহার আংটি হলেও নিয়ে আসার নির্দেশ দেন। অতঃপর সেটাও না পাওয়ায় কুরআন শিক্ষা দেওয়ার শ
উত্তর: খাৎনা করা ইসলামের স্বভাবগত সুন্নাত এবং অন্যতম নিদর্শন (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৪৪২০)। ইবরাহীম (আঃ) আল্লাহর হুকুমে আশি বছর বয়সে নিজের খাৎনা করেছিলেন (বুখারী হা/৩৩৫৬)। কিন্তু খাৎনার অনুষ্ঠান করা যাবে না। রাসূল (ছাঃ)-এর স্বর্ণ যুগে এর কোন
উত্তর: নবী এবং রাসূলের মধ্যে পার্থক্য হ’ল, আল্লাহ তা‘আলা যাকে নতুন শরী‘আত দিয়ে তাঁর সম্প্রদায়ের নিকট পাঠান তাঁকে রাসূল বলা হয়। আর যাকে নতুন শরী‘আত না দিয়ে পূর্বের রাসূলের শরী‘আতই প্রচারের দায়িত্ব দিয়ে পাঠান তাঁকে নবী বলা হয় (আলোচনা দ্রঃ
উত্তর : ছালাতে ইমাম ভুল করলে মুক্তাদীরা লোকমা দিবে (আবুদাঊদ হা/৯০৭)। যদি ক্বিরাআতে ভুল হয় তাহলে সহো সিজদা দেওয়া লাগবে না (আবুদাঊদ হা/৯০৮; নায়লুল আওত্বার ২/৩৭২)। তবে রাক‘আত গণনায় ভুল হলে ঐ রাক‘আত পুনরায় পড়ে সহো সিজদা দিতে হবে। রাক‘আতের ব্যাপারে সন
উত্তর : মুমিনদের মৃত্যুর পর তাদের রূহ আসমানে চলে যায় এবং শরীর মাটিতে খেয়ে নেয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, আদমের সকল সন্তানকে মাটিতে খেয়ে নিবে শুধু তার মেরুদন্ডের সর্বনিম্ন হাড্ডি (عَجْبُ الذَّنَبِ) ব্যতীত। কারণ তা থেকেই তাদের সৃষ্টি করা হয়েছে এবং তা থ
উত্তর : মৃত ব্যক্তির দাফনের পূর্বে ও পরে এ ধরনের সকল অনুষ্ঠান বিদ‘আত, যা অবশ্য বর্জনীয়। ইসলামের সোনালী যুগে এসবের কোন প্রমাণ নেই। বরং জাহেলী যুগে দানশীল ও নেককার ব্যক্তিদের কবরের পাশে গরু-ছাগল-মোরগ ইত্যাদি যবহ করা হ’ত। ইসলাম আসার পরে এগুলি নি
উত্তর : বাড়ীতে অবস্থান করাই মহিলাদের কর্তব্য (আহযাব ৩৩)। বের হলেই শয়তান তাদের পিছু নিবে (ছহীহ তিরমিযী হা/১১৭৩; মিশকাত হা/৩১০৯)। তবে প্রয়োজনে বের হলে নিরাপত্তার সাথে পর্দা সহ বের হবে। অর্থাৎ শর্তসাপেক্ষে বাইরে যেতে পারবে এবং চাকুরীও করতে পারবে। যে
উত্তর : মৃত ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে কুলখানী, চেহলাম, কুরআন খানি, কবরস্থানে গিয়ে বিভিন্ন সূরা পাঠ করা, কুরআন বখশানো সবই কুসংস্কার ও বিদ‘আত। রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম থেকে এধরনের কোন প্রথা প্রমাণিত নয় (বিস্তারিত দ্রঃ ছালাতুর রাসূল (ছাঃ), পৃঃ ১৯৪
উত্তরঃ একাকী ছালাত বাদে সরাসরি নয়, বরং তাসবীহ পাঠ শেষে দো‘আ করবে। তাহাজ্জুদের সময় বা অন্য সময়ে ছিয়ামরত অবস্থায় একাকী হাত তুলে দো‘আ করা যাবে। তবে দো‘আ শেষে মুখে মাসাহ্ করবে না। কেননা মুখে মাসাহ করার হাদীছ যঈফ।
উত্তরঃ জুম‘আর ছালাতে কেবল তাশাহ্হুদ পেলে সালাম শেষে দাঁড়িয়ে যোহরের চার রাক‘আত ফরয ছালাত আদায় করবেন। কারণ তিনি রাক‘আত পাননি (ইবনু মাজাহ হা/১১২৩; দ্রঃ তুহফাতুল আহওয়াযী হা/৫২৪)।
উত্তরঃ ১ম কারণ হ’ল, আল্লাহ বাক্য না বলে আয়াত বলেছেন। ২য় কারণ হ’ল, কুরআন মানুষের কালাম নয়। এটি আল্লাহর কালাম। যিনি অদৃশ্য। কিন্তু তাঁর কালাম হ’ল তাঁর সত্তার বাহ্যিক নিদর্শন। তাই তাকে আয়াত বা নিদর্শন বলা হয়। বাংলায় উচ্চারিত কুরআন সঠিক তাজবীদ সহ
উত্তরঃ যদি সন্তানের সামর্থ্য থাকে তাহলে পিতার হারাম উপার্জন ভক্ষণ করা এবং হারাম উপার্জনের দ্বারা তৈরি করা বাড়িতে বসবাস করা থেকে বিরত থাকাই উত্তম। সামর্থ্য না থাকলে পিতাকে হারাম পথ ছেড়ে সৎ পথে উপার্জন করতে নছীহত করতে হবে ও সেপথে পিতাকে পূর্ণ স
উত্তরঃ যেতে পারে। কারণ মহিলাদের জন্য কবর যিয়ারত করা জায়েয, যদি না তারা সেখানে গিয়ে সরবে কান্নাকাটি করেন। আয়েশা (রাঃ) তার ভাই আব্দুর রহমান ইবনু আবী বাক্র-এর কবর যিয়ারত করেছেন। তাকে বলা হ’ল রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কি কবর যিয়ারত করতে নিষেধ করেননি। তিন
উত্তরঃ সুতরা অর্থ আড়াল করার বস্ত্ত। মুছল্লীর দাঁড়ানো অবস্থার পায়ের অগ্রভাগ থেকে সম্মুখ ভাগের দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত সুতরা। এতটুকু দূরত্বের বাহির দিয়ে যাতায়াত করতে কোন বাধা নেই। যদিও সুতরা ব্যবহার না করা হয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মক্কা বিজয়ের দিন কা‘ব
উত্তরঃ দুই সালামের পর দাঁড়াবেন। এটিই সঠিক।
উত্তর : অবশ্যই দাবা খেলা হারাম। হাদীছে এসেছে, ‘যে লুডু (النَّرد) খেলল, সে যেন শুকরের গোশ্ত ও তার রক্তে তার হাত ডুবাল’ (মুসলিম ২২৬০; ইবনু মাজাহ হা/৩৭৬৩)। অন্য হাদীছে এসেছে রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে লুডু খেলল, সে আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের নাফরমানী করল’ (
উত্তরঃ আত-তাহরীক-এর বক্তব্য সঠিক। কারণ হাদীছটি অকাট্যভাবে ছহীহ (বিস্তারিত দ্রঃ সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৬৬৮)।
উত্তরঃ ইন্স্যুরেন্স শরী‘আত সম্মত নয়। কারণ (১) ইন্স্যুরেন্সের মধ্যে সূদ বিদ্যমান। এতে জমা টাকার বিনিময়ে অধিক টাকা দিয়ে সহযোগিতা করা হয়। (২) ইন্স্যুরেন্স জুয়ার উপরে প্রতিষ্ঠিত। এতে হয় ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লাভবান হয়, অথবা জমাকারী লাভবান হয়। তবে
উত্তরঃ কারো উপরে জিন আছর করলে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছে বর্ণিত আয়াত ও দো‘আ পাঠের মাধ্যমে আরোগ্য লাভ করা যায়। বিছানায় শয়নকালে নিয়মিত ‘আয়াতুল কুরসী’ পাঠ করলে আল্লাহ তা‘আলা ফেরেশতার মাধ্যমে তার হেফাযত করেন এবং সকাল হওয়া পর্যন্ত শয়তান তার কোন প্
উত্তরঃ একথা সঠিক। পোষ্যপুত্রের তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীকে বিবাহ করা বৈধ হওয়ার ব্যাপারে মুমিনদের দ্বিধা-সংকোচ দূরীভূত করার জন্য রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যয়নাব বিনতু জাহাশকে বিবাহ করেন (তাফসীর ইবনে কাছীর ৩/৬৪২)। এ মর্মে আল্লাহ বলেন, ‘যাতে মুমিনদের পোষ্য প
উত্তরঃ এ ব্যক্তি অশেষ ছওয়াবের অধিকারী হবে। কেননা আল্লাহ রাববুল আলামীনের রেযামন্দি হাছিলের লক্ষ্যে কোন কাজ করলে ঈমান পরিপূর্ণ হয় এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জিত হয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য ভালবাসল, আল্লাহর জন্যই রাগান্বিত
উত্তরঃ সূদকে আল্লাহ হারাম করেছেন (বাক্বারাহ ২৭৫)। সুতরাং সূদ গ্রহণ করা ও সূদের সাথে সংশ্রব রাখা কবীরা গোনাহ। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সূদ গ্রহীতা, সূদ দাতা, সূদের লেখক ও সাক্ষীদেরকে অভিসম্পাত করেছেন (মুসলিম, মিশকাত হা/২৮০৭)। অন্যত্র রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বল
উত্তরঃ ঈদের মাঠ খোলা রাখাই ভাল। তবে সংরক্ষণ করার জন্য চতুর্দিকে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা যেতে পারে। ইমাম দাঁড়ানোর জন্য মেহরাব বা মিম্বর, মুছল্লীদের ছায়ার জন্য প্যান্ডেল, ছাদ বা অনুরূপ কিছুই তৈরী করা যাবে না। নবী করীম (ছাঃ) মসজিদে নববীর মাত্র ৫০০ গজ
উত্তরঃ প্রশ্নে বর্ণিত অবস্থায় ইদ্দত শেষ হয়ে গেলে স্ত্রীর এক তালাকে বায়েন হবে এবং তাকে ফেরৎ না নিলে স্বামী গোনাহগার হবে না।
উত্তরঃ মুছল্লীর জন্য সূরা ফাতিহা পাঠের পর অন্য একটি সূরা বা কুরআনের কিছু অংশ তেলাওয়াত করা সুন্নাত (ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/১৪২)। ইবনু আববাস (রাঃ) সূরা ফাতেহা পাঠের পর প্রত্যেক রাক‘আতে সূরা বাক্বারার একটি আয়াত তেলাওয়াত করতেন (দারাকুৎনী হা/১২৬৪, সনদ হাসান)।
উত্তরঃ উল্লেখিত বিষয়ে চরিতকারগণ ঐক্যমত পোষণ করেছেন। অতএব এ ব্যাপারে ভিন্নমত পোষণের কোন অবকাশ নেই (আর-রাহীকুল মাখতূম, পৃঃ ৬০-৬১; ১৩৬)।
উত্তরঃ মীলাদ যেহেতু বিদ‘আত, সেহেতু মীলাদের উদ্দেশ্যে তৈরী খাবার হচ্ছে বিদ‘আতী খাবার। এজন্য তা খাওয়া যাবে না। কারণ এতে অন্যায়ের সহযোগিতা করা হবে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা নেকী ও আল্লাহভীরুতার কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা কর। গোনাহ ও সীমা লংঘনের কাজে একে
উত্তরঃ ঘটনাগুলো জাল ও বানোয়াট (সিলসিলা যঈফাহ হা/১১২৮, ১১২৯, ১১৮৯; যঈফুল জামে‘ হা/৬৩৭৫)। সিডি মানুষের তৈরী। তাতে ভুল থাকতে পারে।
উত্তরঃ কবরের উপরে বা কবরকে সামনে রেখে ছালাত হয় না’ (মুসলিম, মিশকাত হা/১৬৯৮)।
উত্তরঃ আযানের উত্তর দেয়া ও আযান শেষের দো‘আ পড়া উত্তম হবে। কারণ এ ইবাদত চলন্ত অবস্থায় রয়েছে যার উত্তর দেয়ার জন্য রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আদেশ করেছেন (মুসলিম, মিশকাত হা/৬৫৭)।
উত্তরঃ শরী‘আতের বিধান বজায় রেখে কোন ছেলে কোন মেয়েকে পসন্দ করলে পিতা-মাতার তাতে রাযী হওয়াই ভাল। মেয়ে পসন্দ করার বিষয়টি ব্যক্তির অধিকার। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমাদের পসন্দ মত বিবাহ কর (নিসা ৩)। নবী করীম (ছাঃ) বিবাহের পূর্বে কনে দেখে নেয়ার জন্য বল
উত্তরঃ গরীব-দুস্থ বলে ঘৃণা করা অহংকারের পরিচয়। আল্লাহ অহংকারীকে পসন্দ করে না (লোক্বমান ১৮)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যার অন্তরে সরিষাদানা পরিমাণ অহংকার থাকবে সে জান্নাতে যাবে না’ (মুসলিম, মিশকাত হা/৫১০৭)।
উত্তরঃ শাক্বীক্ব ইবনু সালামা একজন তাবেঈ। তাঁর থেকে এরূপ দো‘আ সাব্যস্ত হয়েছে এবং আব্দুল্লাহ্ ইবনু মাসঊদ ও ওমর (রা) হ’তেও বর্ণিত হয়েছে। সূরা রা‘দের ৩৯ নং আয়াতের ব্যাখ্যায় বিভিন্ন তাফসীর গ্রন্থে এবং বিভিন্ন আক্বীদা সংক্রান্ত গ্রন্থে তা উল্লেখ কর
উত্তরঃ কালেমা হিসাবে আমরা যেসব নাম অবগত সেগুলো পরবর্তী আলেমদের দেয়া। আল্লাহর সাক্ষ্য যুক্ত বাক্য হ’ল কালেমা ত্বাইয়েবা যেমন- لاإله إلاالله (ইবরাহীম ২৪ আয়াতের ব্যাখ্যা দ্রঃ)। আর আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের সাক্ষ্য যুক্ত বাক্য হ’ল কালেমা শাহাদাত যেমন-أش
উত্তরঃ দারিদ্র্যমুক্ত সংসারের আশায় পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ করা যাবে না। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা দারিদ্রে্যর ভয়ে সন্তান হত্যা কর না। আমরা তাদের ও তোমাদের রুযী দিয়ে থাকি’ (ইসরা ৩১)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, দ্বিতীয় বড় পাপ হ’ল তোমার সাথে খাবে, সেই ভয়ে স
উত্তরঃ আযান শেষে বাড়ি বাড়ি ডাকতে যাওয়ার কোন বিধান নেই। এমনকি ছালাত আরম্ভ হওয়ার পূর্বেও বলা যাবে না। আযানের পরে এভাবে ডাকা বিদ‘আত। ইবনে ওমর (রাঃ) একথা বলেন’ (ইরওয়া ১/২৫৫)।
উত্তরঃ পারেন। কারণ যে কোন বস্ত্ত সুতরা হিসাবে গ্রহণ করা যায়। আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘তোমাদের কোন ব্যক্তি কোন কিছু সামনে রেখে ছালাত আদায় করবে, যা লোকদের থেকে তাকে আড়াল করবে...’ (বুখারী ও মুসলিম, মিশকাত হা/৭৭৭)।
উত্তরঃ নির্জনে বিবস্ত্র হয়ে গোসল করা যায়। মূসা (আঃ) এবং আইয়ূব (আঃ) বিবস্ত্র অবস্থায় গোসল করতেন (বুখারী হা/২৭৮, ২৭৯)। তবে বস্ত্র পরিহিত অবস্থায় গোসল করা উত্তম। নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, ‘লজ্জা করার ব্যাপারে মানুষের চেয়ে আল্লাহই অধিকতর হকদার’ (বুখারী, তরজ
উত্তরঃ বাড়িতে এসে কছর করা যাবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মদীনা থেকে মক্কায় গিয়ে কছর করতেন (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৩৩৬)।
উত্তরঃ অপবিত্র অবস্থায় বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানো যাবে। এ অবস্থায় দুধ খাওয়ানো যায় না এরূপ ধারণা করা কুসংস্কার। নবী করীম (ছাঃ) বললেন, ‘সুবহা-নাল্লাহ নিশ্চয়ই মুমিন অপবিত্র হয় না’ (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৪৫১)।
উত্তর : ছিয়াম পালন ও তওবা করার কারণে জাহান্নাম মুখী ব্যক্তিকে আল্লাহ মুক্তি দান করেন। এটা অবশ্যই তাকদীর অনুযায়ী হয়ে থাকে। প্রকৃত মুমিন সৎকর্মশীল ব্যক্তিকে কবরে কোন মাসেই আযাব দেয়া হবে না। এ মাসে কবরের আযাব মাফ করে দেওয়া হয় এ কথা সঠিক নয়। এ মা
উত্তরঃ নির্দিষ্ট দো‘আর প্রমাণ পাওয়া যায় না। তবে নিম্নের দো‘আ পড়া যায় اَللَّهُمَّ اغْفِرْلَهُ وَارْفَعْ دَرَجَتَهُ فِى الْمَهْدِيِّيْنَ وَاخْلُفْهُ فِيْ عَقَبِهِ فِي الْغَابِرِيْنَ وَاغْفِرْلَنَا وَلَهُ يَا رَبَّ الْعَالَمِيْنَ وَافْسَحْ لَ
উত্তরঃ গান শোনা হারাম। গান শুনলে কাবীরা গুনাহ হয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘যারা গান-বাজনা খেল-তামাশা ক্রয় করে... তদের জন্য অপমানজনক শাস্তি রয়েছে’ (লুক্বমান ৬)। নবী করীম (ছাঃ) গান-বাজনা নিষিদ্ধ করেছেন (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৩৬৫২)। নবী করীম (ছাঃ) গান-বা
উত্তরঃ যৌথ সংসারের কেউ এমন করলে তা খিয়ানত হবে, যাতে বড় গুনাহ হয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি খিয়ানত করল সে আমার শরী‘আতের অন্তর্ভুক্ত নয়’ (তিরমিযী হা/১৩১৫)।
উত্তরঃ ‘ফাযায়েলে আমল’ ও ‘ফাযায়েলে ছাদাক্বা’ ও এ জাতীয় বইগুলোতে বহু যঈফ ও জাল হাদীছ এবং ছহীহ হাদীছের অপব্যাখ্যা রয়েছে। উক্ত বইগুলোতে যা রয়েছে তা হেদায়াত থেকে মানুষকে অনেক দূরে সরিয়ে দেয়। এ সমস্ত ফাযায়েল ছেড়ে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ অধ্যয়ন কর
উত্তরঃ ২০ রামাযান দিবাগত সন্ধ্যার পূর্বে ই‘তেকাফের জন্য মসজিদে প্রবেশ করতে হবে (ফিক্বহুস সুন্নাহ)। নবী করীম (ছাঃ) রামাযানের শেষের দশকে ই‘তেকাফ করতেন। আর শেষের দশক শুরু হয় ২০ রামাযান দিনের শেষ থেকে (ঐ)। ছিয়াম অবস্থা
উত্তরঃ পাপের প্রতি অনুতপ্ত হয়ে পাপ না করার দৃঢ় সংকল্প করে আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাইলে ক্ষমা হবে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/২৩৩৩)। ক্ষমা চাওয়ার পদ্ধতি হ’ল, রাতে বা যেকোন সময়ে সুন্দর ভাবে ওযূ করে দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করে ক্ষমা চাইলে তার পাপ ক্ষমা হবে (তি
উত্তরঃ পিতার অবৈধ সম্পত্তি প্রাপ্তবয়ষ্ক সন্তান জেনেশুনে ভোগ করলে গোনাহগার হবে। কারণ এতে অন্যায়ের সমর্থন করা হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘সতর্ক থাক সেই ফিতনা হ’তে যা বিশেষভাবে তোমাদের সীমা লংঘনকারীদের মাঝেই কেবল সীমাবদ্ধ থাকে না’ (আনফাল ২৫)।
উত্তর : তাদের সংখ্যা ছিল ৭০ হাযার। তখনকার অত্যাচারী শাসক স্রেফ ঈমানের কারণে একই দিনে তাদেরকে পুড়িয়ে হত্যা করেছিল (ছহীহ তিরমিযী হা/৩৩৪০)।
উত্তর : উক্ত আয়াতের অর্থ হল, ‘আর আল্লাহর জন্যই পূর্ব এবং পশ্চিম। সুতরাং যে দিকেই তোমরা মুখ ফিরাও সেই দিকেই আল্লাহর চেহারা রয়েছে’।উল্লেখ্য যে, তাফসীর মাআরেফুল কুরআনের বঙ্গানুবাদে বলা হয়েছে, ‘তোমরা যেদিকেই মুখ ফেরাও সেদিকেই আল্লাহ বিরাজমান’। আল্
উত্তর : এধরনের জঘন্য কর্মের পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি খাদ্যের দাম বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে খাদ্য মজুত করে সে মহাপাপী’ (মুসলিম হা/৪২০৬; মিশকাত হা/২৮৯২)। এরূপ ব্যবসায়ী মহল, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি বড় ধরনের প্রতারক ও ধো
উত্তর : মিশকাতে উদ্ধৃত আলী কর্তৃক বর্ণিত বায়হাক্বীর উক্ত হাদীছটি যঈফ, যা মিশকাতেই বলে দেওয়া হয়েছে’ (বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান, মিশকাত হা/৯৭৪; সিলসিলা যঈফাহ হা/৬১৭৪)। তবে পৃথক সনদে নাসাঈ কুবরাতে ও ছহীহ ইবনে হিববানে আবু উমামা থেকে ছহীহ সনদে হাদ
উত্তর : আপনার জানাটা ভুল এবং উক্ত মাওলানার দাবীই সঠিক। ‘আবাবীল’ শব্দটি বহুবচন। এর অর্থ ঝাঁকে ঝাঁকে, পাখির দল। উক্ত পাখির কোন নাম উল্লেখ নেই। এই পাখি আল্লাহ প্রেরিত গযবের পাখি, যা আরবরা পূর্বে বা পরে কখনো দেখেনি (তাফসীরে কুরতুবী ২০/১৩৫
উত্তর : ঘটনাটি ভিত্তিহীন। মোল্লা আলী ক্বারী হানাফী (রহঃ) মিশকাতের ভাষ্য গ্রন্থ মিরক্বাতুল মাফাতীহে ইবনুল মালেকের উদ্ধৃতি দিয়ে উক্ত ঘটনাটি উল্লেখ করেছেন। কিন্তু তার কোন সনদ উল্লেখ করেননি (মিরক্বাত ২/৩৩১ পৃঃ ‘তাশাহহুদ’ অধ্যায়)। আল্লাম
উত্তর : যাবে। যদি পরিশোধ করার সামর্থ্য থাকে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম পরস্পরকে ঋণ দিতেন (বুখারী, মিশকাত হা/২৯০৫; ফিক্বহুস সুন্নাহ ৩/১৮৪ পৃঃ)। তাছাড়া কুরবানীর বিষয়টি সামর্থ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট। যার সামর্থ্য আছে সেই কুরবানী করবে।
উত্তর : কেবল ক্বদরের রাত্রে এগুলো আল্লাহকে সিজদা করে একথা সঠিক নয়। বরং আসমান-যমীনে যা কিছু আছে সবই আল্লাহকে সিজদা করে’ (নাহল ৪৯)।
উত্তর : উক্ত ব্যবসা জায়েয। তবে মহিলারা তাদের সামনে যেতে পারবে না এবং তাদের কাছ থেকে চুড়ি পরিয়ে নিতে পারবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, মহিলারা হচ্ছে গোপন বস্ত্ত। বাড়ীতে থাকাই হ’ল তাদের জন্য আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা (ত্বাবারাণী, সিলসিলা ছ
উত্তর : চিল্লায় যাওয়া যাবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম সবচেয়ে বেশী দাওয়াতী কাজ করেছেন কিন্তু তারা চিল্লা নামে ৪০ দিনের কোন সীমা নির্ধারণ করেছেন মর্মে দলীল পাওয়া যায় না। অনুরূপভাবে তিন চিল্লা, বছর চিল্লা, জীবন চিল্লারও কোন অস্ত
উত্তর : বাথরুমে ‘বিসমিল্লাহ’ বলা যাবে না এমনটি নয়। বরং পেশাব-পায়খানা করা অবস্থায় কোন ইবাদত করা যাবে না। এ অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে কেউ সালাম দিলে তিনি উত্তর দিতেন না। তিনি প্রয়োজন সেরে উঠে পরে উত্তর দিতেন (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকা
উত্তর : এজন্য সর্বাগ্রে শিরক মুক্ত হ’তে হবে এবং শরী‘আত অনুমোদিত নেক আমল করতে হবে (কাহফ ১১০)। কবরের শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য নির্দিষ্ট কোন আমল নেই। নবী করীম (ছাঃ) কবরের শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দো‘আ পড়তেন। আয়েশা (রাঃ
উত্তর : খাৎনার অনুষ্ঠান করা যাবে না এবং এর দাওয়াতও খাওয়া যাবে না। কারণ এগুলো কুসংস্কার, যা সমাজ থেকে তুলে দেয়া যরূরী। খাৎনা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত এবং ইসলামী নিদর্শন সমূহের অন্যতম। যা সন্তানের অভিভাবককে পালন করতে হবে। যেখানে কোন
উত্তর : তারাবীহর ছালাতের জন্য নির্দিষ্ট কোন দো‘আ নেই। তাছাড়া প্রচলিত পদ্ধতিতে যে মুনাজাত করা হয় তাও শরী‘আত সম্মত নয় এবং উক্ত দো‘আ পাঠের প্রমাণে কোন দলীল পাওয়া যায় না।
উত্তর : উক্ত বক্তব্য রাসূলের নামে মিথ্যা ও বানোয়াট মাত্র।
উত্তর : উক্ত দাবী ভ্রান্ত ও মিথ্যা। এক শ্রেণীর অজ্ঞ ও পথভ্রষ্ট লোকেরা এই দাবী করে থাকে। যারা এদের কথা মেনে নেয় তারা মুসলমান থাকতে পারে না। কারণ আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘রাসূল যা দিয়েছেন তা তোমরা গ্রহণ কর। আর তিনি যা নিষেধ করেছেন তা বর্জন কর’
উত্তর : উক্ত বক্তব্য ভুল। যাকাত প্রদানের সময় নিছাবের প্রয়োজন হয়। ফিৎরা প্রদানের সময় নিছাবের প্রয়োজন নেই। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ফেতরার যাকাত ধনী-গরীব সবার উপর ফরয করেছেন (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/১৮১৫)। কিন্তু যাকাত কেবল ধনীর উপর ফরয। ফ
উত্তর : বক্তব্য সঠিক হ’লে ছেলে সহ প্রশ্নকারীর কঠিন শাস্তি হওয়া আবশ্যক। যা সূরা মায়েদার ৩৩ নং আয়াতে বর্ণিত হয়েছে। অনুবাদ : ‘যারা আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের সাথে লড়াই করে এবং পৃথিবীতে বির্পযয় সৃষ্টি করে বেড়ায় তাদের জন্য নির্ধারিত শাস্তি এই যে
উত্তর : وَسِيْلَةٌ শব্দটি একবচন বহু বচনে وَسَائِلُ অর্থ নৈকট্য, নৈকট্যের উপায়। অসীলা এমন ইবাদত যা আল্লাহর নিকট পৌঁছিয়ে দেয়। অর্থাৎ ইবাদতের মাধ্যমে নৈকট্য লাভ করা (লোগাতুল কুরআন)। অসীলা দুই প্রকার (১) সিদ্ধ অসীলা। যেমন- (ক) আ
উত্তর : জুমআর দিন দো‘আ কবুল হওয়ার দু’টি সময়ের প্রমাণ পাওয়া যায়। (১) ইমাম ছাহেবের মিম্বারে বসা থেকে নিয়ে ছালাত শেষ হওয়া পর্যন্ত (মুসলিম, মিশকাত হা/১৩৫৭-৫৮)। (২) আছরের পর থেকে নিয়ে সূর্য ডোবা পর্যন্ত (তিরমিযী, মিশকাত হা/১৩৬০)। তবে প্রথমট
উত্তর : শিশু অবস্থায় যারা মারা যায় তারা জান্নাতে যাবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) জান্নাত দেখার সময় অনেক ছেলেমেয়েকে ইবরাহীম (আঃ)-এর সামনে দেখলেন, যারা জনগণের সন্তান (বুখারী, মিশকাত হা/৪৬২১)। অন্য এক বর্ণনায় রয়েছে, জিবরীল (আঃ) বলল
উত্তর : لَمَمَ শব্দটি কোন জিনিসের সামান্য পরিমাণ কিংবা সামান্য প্রভাব অথবা স্বল্প সময় থাকা বুঝানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। যেমন اَلَمَّ بِالْمَكَانِ ‘সে অমুক স্থানে সামান্য সময় অবস্থান করেছে’ اَلَمَّ بِالطَّعَامِ ‘সে সামা
উত্তর : অন্তত একজনকে ই‘তেকাফে বসতে হবে নইলে মহল্লার লোকেরা গোনাহগার হবে একথা ঠিক নয়। কারণ ই‘তেকাফ যেমন কোন ফরয ইবাদত নয়, তেমনি মহল্লার মসজিদে একজনকে বসতেই হবে একথাও ঠিক নয়। ই‘তেকাফ একটি সুন্নাত ইবাদত, যা ছিয়াম অবস্থায় জুম‘আ মসজিদে করতে হ
উত্তর: উক্ত ধারণা সঠিক নয়। কারণ এটা ছিয়াম ভঙ্গের কারণ সমূহের অন্তর্ভুক্ত নয়। রক্ত বের হলে ছিয়াম নষ্ট হয় না এবং দুর্বলও হয় না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ছিয়াম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়ে রক্ত বের করেছেন (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২০০২)।
উত্তর : সকল নেকীর কাজের দ্বারা মানত করা যায়। মানত হচ্ছে যরূরী নয় এমন কিছু কাজকে নিজের উপর যরূরী করে নেয়া। নেকীর কাজের মানত করলে তা পালন করতে হবে। আর পাপের কাজের মানত করলে তা পালন করতে হবে না (বুখারী, মিশকাত হা/৩৪২৭)। শিরক ও বিদ‘আতী কো
উত্তর : কুঁচে, চিংড়ি, কচ্ছপ ও তার ডিম রুচি হ’লে খাওয়া যায়। কারণ এগুলো পানিতে বসবাস করা প্রাণী। আর পানির শিকার (যা হিংস্র নয়) হালাল। আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের জন্য সাগরের শিকার হালাল করা হয়েছে’ (মায়েদাহ ৯৬)। তবে ব্যাঙ খাওয়া জায়েয নয়। কার
উত্তর : যে কোন বৈধ বস্ত্ত ব্যবহার করে নারীরা সুন্দরী হওয়ার চেষ্টা করতে পারে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, পুরুষের সুগন্ধি হচ্ছে যার গন্ধ প্রকাশ পায় কিন্তু রং গোপন থাকে। আর নারীদের সৌন্দর্য হচ্ছে যার রং প্রকাশ পায় কিন্তু সুগন্ধি গোপন থাকে 
উত্তর : উক্ত দো‘আ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। মোল্লা আলী ক্বারী হানাফী (রহঃ) বলেন, এটি মানুষের মুখের প্রচলিত কথা মাত্র। এর কোন ভিত্তি নেই (মিরক্বাতুল মাফাতীহ ৬/৩০৪ পৃঃ)। এছাড়া কোন কোন স্থানে নিম্নোক্ত দো‘আটিও চালু আছে- باسم الله والحمد لله اللهم ل
উত্তর: উক্ত বর্ণনা যঈফ ও মুনকার (আলোচনা দ্রঃ সিলসিলা যঈফাহ হা/৪১৬৯)। ছহীহ হাদীছ সমূহে শুধু চুম্বন করার কথা এসেছে (বুখারী হা/১৫৯৭; মিশকাত হা/২৫৮৯)।
উত্তর : আব্দুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, ‘তোমরা মাগরিবের পূর্বে দু’রাক‘আত ছালাত আদায় কর। তোমরা মাগরিবের পূর্বে দু’রাক‘আত ছালাত আদায় কর, তোমরা মাগরিবের পূর্বে দু’রাক‘আত ছালাত আদায় কর, যে ব্যক্তি ইচ্ছা কর’ (মুত্তা
উত্তর : এটা মানতকারীর নিয়তের উপরে নির্ভরশীল (ফাতাওয়া লাজনা আদ-দায়িমাহ, ২য় খন্ড, নযর অধ্যায়, পৃঃ২৯৩-৯৪; মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১)। সুতরাং মসজিদের জন্য মানত করলে তা মসজিদের কাজে লাগাবে।
উত্তর : ‘ওমরী ক্বাযা’ আদায় করার কোন শারঈ ভিত্তি নেই। কোন ব্যক্তির বিগত দিনের ছেড়ে দেওয়া ছালাত ও ছিয়ামের জন্য অনুতপ্ত হয়ে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অন্যায় না করার প্রতিজ্ঞা করে খালেছ নিয়তে তওবা করলে তার অতীতের গোনাহগুলো মাফ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ
উত্তর : ঘটনাটি জাল বা মিথ্যা (বিস্তারিত দ্র. তাফসীর ইবনে কাছীর, ৭/২৪৪-৪৬ পৃঃ, সূরা তওবা ৭৫ নং আয়াতের ব্যাখ্যা)।
উত্তর : সাধারণভাবে কোন অমুসলিমকে ঘর ভাড়া দেওয়া যাবে। তবে যদি সেখানে দেব-দেবী, মূর্তি-প্রতিমা রাখা হয় বা পূজা করা হয়, তবে সে ব্যক্তির নিকটে ঘর ভাড়া দেওয়া উচিত নয়। কেননা তখন হারাম কাজে সহযোগিতা করা হবে, যা শরী‘আতে নিষিদ্ধ (মায়েদাহ ২)।
উত্তর : মসজিদে কারো জন্য কোন জায়গা নির্দিষ্ট করে রাখা ঠিক নয়। বরং যিনি আগে আসবেন, তিনি প্রথম কাতারে দাঁড়াবেন (মুসলিম; মিশকাত হা/১০৯০)। তবে বিচক্ষণ ও দ্বীনি জ্ঞান সম্পন্ন ব্যক্তিগণই ইমামের নিকটবর্তী ও পিছনে দাঁড়াবেন। অতঃপর অন্যরা দাঁড়াবে&nbs
উত্তর : জানাযার ছালাতে ক্বিরাআত ও দো‘আ সরবে ও নীরবে দু’ভাবেই পড়া যায় (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/১৬৫৪-৫৫, নাসাঈ হা/১৯৮৯, ১৯৯১)।
উত্তর : মহিলারা তারাবীহ-এর জামা‘আতে শামিল হ’তে পারবে, যদি মসজিদে গমনের পথ নিরাপদ থাকে। এক্ষেত্রে তাদেরকে সুগন্ধি ব্যবহার ও সৌন্দর্য প্রদর্শনী পরিহার করতে হবে (মুত্তাফাক্ব আলঅইহ, মিশকাত হা/১০৫৯-৬০)। তবে মহিলাদের জন্য বাড়ীতে ছালাত আদায়
উত্তর : এমতাবস্থায় আপনি যোহর ও আছর একত্রে জমা করতে পারেন। কেননা বিশেষ অবস্থায় যোহরের সাথে আছরের ছালাত ক্বছর ছাড়াই জমা (একত্রিত) করা যেতে পারে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যোহর-আছর ও মাগরিব-এশার ছালাত কোন ভয়-ভীতি ও বৃষ্টি-সফর ছাড়াই জমা করেছেন (ম
উত্তর : ইবরাহীম (আঃ) তাঁর প্রথম ও জ্যেষ্ঠ পুত্র ইসমাঈল (আঃ)-কে কুরবানী করেছিলেন। এটাই কুরআন ও হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত। নিঃসন্তান ইবরাহীম (আঃ) আল্লাহর কাছে সুসন্তান প্রার্থনা করেছিলেন। সেই দো‘আর বদৌলতে যে সন্তানকে তিনি পেয়েছিলেন তাকেই কুরবা
উত্তর : জান্নাত একটি। এর দরজা ৮টি (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৯৫৭)। যেমন রাইয়ান, আদন, জান্নাতুল ফেরদাউস ইত্যাদি। জাহান্নাম একটি। যার দরজা ৭টি (হিজর ১৫/৪৩)। যেমন হুত্বামাহ, সাঈর, সাক্বার ইত্যাদি।
উত্তর : কাঁধের সাথে কাঁধ ও কদমের সাথে কদম মিলাবে (বুখারী)। ইমামের সালাম ফিরানোর পরে মাসবূক মুছল্লীগণ পৃথক পৃথকভাবে দাঁড়িয়ে ছালাত পড়তে পারবে।
উত্তর : ইসলামে বিনিয়োগের মাত্র দু’টি পথ রয়েছে। (১) শরিকানা ব্যবসা। যা লাভ-ক্ষতি ভাগাভাগির ভিত্তিতে হবে। যাকে ‘মুশারাকা’ বলে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, আল্লাহ বলেছেন, আমি দুই শরীকের তৃতীয়জন। যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের দু’জনের একজন খিয়ানত না করে’&
উত্তর : সূদ প্রদান করা হলে সেই পরিমাণ সূদ বর্জন করতে হবে। আর যদি গ্রহণ করতেই হয় তাহ’লে সূদের টাকাগুলো সামাজিক কাজে ব্যয় করতে হবে।
উত্তর : মা‘রেফাত’ অর্থ চেনা বা বিশেষভাবে জানা। পারিভাষিক অর্থে আল্লাহকে জানা। অন্য সৃষ্টির সাথে মানুষের পার্থক্য এই যে, তাকে জ্ঞান দান করা হয়েছে এজন্য যে, তার দ্বারা সে তার প্রতিপালককে চিনতে পারবে ও তার লাভ ও ক্ষতির তারতম্য করতে পারবে। ক
উত্তর : এগুলো সবই বিদ‘আতী প্রথা। এতে মৃত ব্যক্তির কোন উপকার হয় না। মীলাদ মাহফিল ও চল্লিশা পালন সম্পূর্ণরূপে শরী‘আত বিরোধী কর্ম। যা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।
উত্তর : বিষয়টি বুঝতে ভুল হয়েছে। রাসূলের সরাসরি নানার গোত্র ছিল মক্কার বনু যোহরা। যা ছিল কুরায়েশদের একটি সম্ভ্রান্ত গোত্র। আর তারাই উক্ত বৈঠকে হাযির ছিল। পক্ষান্তরে মদীনার বনু নাজ্জার ছিল রাসূলের দাদা আব্দুল মুত্ত্বালিবের নানার গোত্র। কেন
উত্তর : বিক্রি করা যাবে না; বরং তার সাথে যবহ করবে (মির‘আত ২/৩৬৮-৬৯; মাসায়েলে কুরবানী, পৃঃ ২৬)।
উত্তর : ঈদ ও তারাবীহ্র ছালাতে দু’বার ইমামতি করা সম্পর্কে কোন দলীল পাওয়া যায় না। কারণ রাতের নফল ছালাত রাসূল (ছাঃ) এগারো রাক‘আতের বেশী পড়েননি।
উত্তর : আছারটি ছহীহ ও গ্রহণযোগ্য (বুখারী হা/১৩২২-এর পূর্বের আলোচনা দ্র: ‘জানাযা’ অধ্যায়অনুচ্ছেদ৫৬)।উল্লেখ্য, আছারটি মওকূফ হিসাবে ছহীহ। আর মারফূ হিসাবে যঈফ। তাই ইমাম বুখারী মওকূফ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। শায়খ বিন বায বলেন, وهى مقب
উত্তর : ছালাতের মধ্যে পাঠ করা হ’লে আমীন বলা যাবে না। কারণ হাদীছ দ্বারা তা সাব্যস্ত হয়নি। তবে ছালাত ছাড়া অন্য সময়ে দো‘আ হিসাবে পড়লে আমীন বলা যাবে।
উত্তর :কুরআনকে আল্লাহ ‘কুরআনুল কারীম’ (ওয়াক্বি‘আহ ৪৪) ও ‘কুরআনুম মাজীদ’ (বুরূজ ২১), কুরআনুল হাকীম (ইয়াসীন ২) বলেছেন। সুতরাং এ শব্দগুলিই ব্যবহার করা উচিত। ‘শরীফ’ শব্দটি আরবী, এর অর্থ মর্যাদাপূর্ণ। ভাবার্থের দিক দিয়ে কুরআন,
উত্তর : কেউ দো‘আ চাইলে তার উদ্দেশ্য পূরণ ও বিপদমুক্ত হওয়ার জন্য দো‘আ করতে হবে (বুখারী হা/১৯৮২ ও ৬৩৩৪)। যাদের দো‘আ কবুল হয় তাদের নিকট দো‘আ চাওয়া উচিত। যেমন পিতা-মাতা, ছিয়ামকারী ও মুসাফির প্রমুখ (ছহীহ মুসলিম হা/২৫৪২)।
উত্তর : উক্ত কথা ভিত্তিহীন। মহামতি ইমামের নামে এরূপ অন্যায় দাবী করা এবং এরূপ কথা বলা ঠিক নয়।
উত্তর : স্পষ্ট সূদের আওতায় পড়বে। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, ঋণ গ্রহিতা থেকে উপকার নিতে আমাদেরকে নিষেধ করা হয়েছে’ (ইরওয়া ৫/২৩৪, হা/১৩৯৭)। সুতরাং কর্য দিয়ে তা থেকে লাভ নেওয়া হারাম। এক্ষণে ইমাম সূদ গ্রহণ করলে সে ফাসিক (পাপাচারী) হবে। কেননা সূদকে আ
উত্তর : সাত আসমানের চেয়ে আল্লাহ্র আরশ বড় একথা ঠিক (ইবনু আবী শায়বা, সিলসিলা ছহীহাহ হা/১০৯)। কিন্তু আরশের চেয়ে আল্লাহ বহুগুণ বড় এ কথা বলা যাবে না। কারণ এর দ্বারা আল্লাহকে তাঁর সৃষ্টির সাথে তুলনা করা হয়। অথচ তাঁর সাথে তাঁর কোন সৃষ্টিকে ত
উত্তর : কোন পোষাকেই আয়াত লেখা যাবে না। কারণ এর দ্বারা আল্লাহ্র বাণীর অবমাননা হ’তে পারে (বুখারী, মিশকাত হা/২৫২)। এ নিয়ে পেশাব-পায়খানাতে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।
উত্তর : মৃত ও অক্ষম জীবিত ব্যক্তির পক্ষ থেকে ওমরাহ আদায় করা যাবে (ছহীহ নাসাঈ হা/২৬৩৭; মিশকাত হা/২৫২৮; আবুদাঊদ, মিশকাত হা/২৫২৯)। তবে যিনি পূর্বে ওমরাহ করছেন তিনিই কেবল বদলী ওমরাহ করতে পারবেন। উল্লেখ্য, শারীরিক এবং আর্থিক উভয় দিক দিয়ে সক্
উত্তর : উক্ত পদ্ধতির পক্ষে শরী‘আতে কোন দলীল পাওয়া যায় না। কারণ রাতের নফল ছালাত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) রমাযান এবং রমাযান ছাড়া অন্য সময়ে এগারো রাক‘আতের বেশী পড়েননি (বুখারী, মুসলিম প্রভৃতি)। সুতরাং মসজিদুল হারামে করা হচ্ছে বলে একে দলীল হিসা
উত্তর : কুরবানীর গোশত তিন শ্রেণীর ব্যক্তিদের মধ্যে বণ্টিত হবে। আল্লাহ বলেন, ‘তা হ’তে তোমরা খাও, অভাবগ্রস্তকে খাওয়াও এবং ভিক্ষাকারীকে দাও’ (হজ্জ ৩৬)। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কুরবানীর গোশত তিন ভাগ করে একভাগ নিজ পরিবার
উত্তর : ছয় মাসের ভেড়া কুরবানী করা যায় না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যে ছাহাবীকে অনুমতি দিয়েছিলেন সেটা তার জন্য খাছ ছিল (ইরওয়া ৪/৩৫৭ পৃঃ)।
উত্তর : মুক্বীম অবস্থায় ভাগে কুরবানী করার কোন বিধান নেই। বরং একটি পরিবারের পক্ষ থেকে একটি পশু কুরবানী করাই যথেষ্ট। তবে সামর্থ্য থাকলে একাধিক পশুও কুরবানী করতে পারবে। সফর অবস্থায় ভাগা কুরবানী করা সম্পর্কে ছহীহ দলীল রয়েছে। নিম্নে এ বিষয়ে আ
উত্তরঃ মসজিদের নীচে বা উপরে মার্কেট করা যায় (মাজমূউ ফাতাওয়া ইবনে তায়মিয়াহ ৩১/২৫৯)।
উত্তর : ঈদের অতিরিক্ত তাকবীরগুলোতে হাত তোলা যাবে (ফিরইয়াবী, সনদ ছহীহ, মওকূফ, ইরওয়া ৩/১১৩)। ওয়ায়েল ইবনে হুজর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাকবীরের সাথে হাত উঠাতেন (ইরওয়া হা/৬৪১)। মালেক ইবনে আনাস (রাঃ) বলতেন, তোমরা অতিরিক্ত তাকবীর সমূহে
উত্তর : মহিলাদের জন্য জুম‘আর জামা‘আতে অংশগ্রহণ করা জায়েয। যদি সেখানে পর্দার ব্যবস্থা থাকে এবং মহিলা শারঈ লেবাস পরিহিতা হন ও সুগন্ধি না মাখেন। যদি স্বামী বা অভিভাবকের অনুমতি থাকে। অন্য কোন সমস্যা না থাকলে অভিভাবকদের নিষেধ করা উচিত নয়। কেন
উত্তর : যাবে না। এতে কুরআন মজীদের অবমাননা হয়। কারণ এতে আয়াত ও শব্দের যেকোন স্থানে বন্ধ করা হ’তে পারে। পবিত্র অপবিত্র যেকোন স্থানে এবং আগ্রহী অনাগ্রহী যেকোন ব্যক্তির কাছে তেলাওয়াত হ’তে পারে, যা অসিদ্ধ (বুখারী, মিশকাত হা/২৫২) এবং
উত্তর : কাদিয়ানী সম্প্রদায় কাফের। চৌদ্দশ’ হিজরীর প্রথম দিকে গোলাম আহমাদ কাদিয়ানীর (১৮৩৫-১৯০৮) মাধ্যমে মুসলিমদেরকে বিভ্রান্ত করার জন্য ইংরেজদের সহযোগিতায় এ সম্প্রদায় জন্মলাভ করে (পৃঃ ১১৮-২২)। গোলাম আহমাদ প্রথমে নিজেকে মুজাদ্দিদ ও ইমা
উত্তর : পিতা-মাতা আছে এমন শিশুর মাথায় হাত বুলালে দশটি ছওয়াব হয় কথাটি সঠিক নয়। আর ইয়াতীমের মাথায় হাত বুলালে তার মাথার চুলের সমপরিমাণ ছওয়াব পাওয়া যায় মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (আহমাদ, মিশকাত হা/৪৯৭৪, যঈফ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব হা/১৫১৩)। ত
উত্তর : ছেলেকে তাজ্যপুত্র করা যাবে না। ভাল করার প্রাণপণে চেষ্টা করতে হবে। আল্লাহ্র ভয় দেখাতে হবে (আহমাদ, মিশকাত হা/৬১)। স্ত্রীকেও ভাল উপদেশ দিতে হবে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৩২৩৮)। শেষ পরিণতি হিসাবে তাকে তালাক দিতে হবে (মুসলিম,
উত্তর : এ নিয়ম জাহেলী যুগে চালু থাকলেও ইসলাম একে নিষিদ্ধ করেছে (আহযাব ৪ ও ৫ নং আয়াতের তাফসীর দ্রঃ)। যে কেউ নেকীর উদ্দেশ্যে ইয়াতীম বা দরিদ্র সন্তানকে লালন-পালন করতে পারে। তবে সে যখন থেকে বুঝতে শিখবে তখন তাকে জানিয়ে দিতে হবে যে, লালন-পালন
উত্তর : আল্লাহ রাববুল ‘আলামীন যাকাত বন্টনের যেসব খাত উল্লেখ করেছেন, মসজিদ তার অন্তর্ভুক্ত নয় (তওবা ৬০)। সুতরাং মসজিদ নির্মাণের জন্য যাকাতের অর্থ ব্যয় করা যাবে না (ফিক্বহুস সুন্নাহ ‘যাকাত বন্টন’ অধ্যায়, ১/৪৭০ পৃঃ)।
উত্তর : ঐ ব্যক্তি জঘন্যতম পাপ করেছে, যার জন্য শরী‘আতে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে এই অবৈধ কর্মের জন্য স্বামী-স্ত্রীর বিবাহ বিচ্ছেদ হবে না। কারণ কোন অবৈধ সম্পর্ক কোন বৈধ বিবাহকে হারাম করে না। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, ‘যেনা বৈবাহিক বন্ধনকে
উত্তর : উক্ত ঘটনা সঠিক নয় (আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ ২/৫৪)। বিভিন্ন তাফসীর ও ইতিহাস গ্রন্থে এ ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। যা বানোয়াট ইসরাঈলী বর্ণনা মাত্র।
উত্তর : দেয়া যাবে। তবে কবরস্থানে কবর দেওয়াই ভাল (ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/৩০০)। পিতা-মাতার পাশে কবর দেওয়ার কোন ফযীলত আছে বলে জানা যায় না। তবে ওমর ফারূক (রাঃ) রাসূলের পাশে কবরস্থ হওয়ার জন্য আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট যে আবেদন করেছিলেন, তার কার
উত্তর : তাহাজ্জুদ ছালাত ছুটে গেলে দিনে পড়ে নেয়া ভাল। আয়েশা (রাঃ) বলেন, যে কোন কারণে রাতে ছালাত ছুটে গেলে, নবী করীম (ছাঃ) দিনে ১২ রাক‘আত ছালাত আদায় করতেন (মুসলিম হা/১৭৩৯, ৪৩ ‘মুসাফিরের ছালাত’ অধ্যায়)। তাহাজ্জুদ রাসূলের জন্য ছিল নির্ধারিত
উত্তর : আদম সন্তানের আমল লিপিবদ্ধ করার জন্য দু’জন ফেরেশতা নির্ধারিত থাকেন, যারা মানুষের ডানে ও বামে অবস্থান করেন। আল্লাহ বলেন, ‘যখন দুই ফেরেশতা ডানে ও বামে বসে তার কর্ম লিপিবদ্ধ করে’ (ক্বাফ ১৭)। ডান দিকের ফেরেশতা সৎ আমল ও বাম দিকের ফে
উত্তর : ঐসব প্রতিষ্ঠানে চাকরী করা যাবে না। এতে পাপের সহযোগিতা করা হবে। কারণ আল্লাহ তা‘আলা সূদকে হারাম করেছেন (বাক্বারাহ ২৭৫)। সূদদাতা, গ্রহীতা, লেখক ও সাক্ষী সবাইকে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) অভিশাপ করেছেন (মুসলিম, মিশকাত হা/২৮০৭)।
উত্তর : কোন মুসলিম ব্যক্তির জানাযা না হ’লে তার জন্য গায়েবানা জানাযা পড়া যাবে। অনুরূপ অমুসলিম দেশে কোন ব্যক্তি মারা গেলে তার জানাযা না হ’লে ঐ ব্যক্তির গায়েবানা জানাযা করা যাবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৬৫২)। কিন্তু যার জানাযা হয়
উত্তর : আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, ‘মাক্বামে মাহমূদ হচ্ছে সুফারিশ’ (আহমাদ, সিলসিলা ছাহীহাহ হা/২৩৬৯; আলোচনা দ্রঃ ইবনু খুযায়মাহ, সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৪৬০; তিরমিযী হা/৩১৩৭)। কা‘ব ইবনে মালিক (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলে
উত্তর : কর্য গ্রহীতা স্বেচ্ছায় বেশী দিলেও তা গ্রহণ করা যাবে না। কারণ কর্যের লাভ গ্রহণ করা সূদ। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, ছাহাবীগণ কর্যের লাভ অপসন্দ করতেন এবং যে কর্য লাভ নিয়ে আসে তা নিষেধ করতেন (বায়হাক্বী, ইরওয়া হা/১৩৯৭)। কর্য হবে স্রেফ
উত্তর : উক্ত সন্তান পূর্বের স্বামীর হবে। কারণ পরের বিবাহ বৈধ হয়নি। সন্তান পেটে থাকা অবস্থায় অন্যত্র বিবাহ জায়েয নয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘যার পেটে সন্তান থাকে তার ইদ্দতের সময়সীমা হ’ল সন্তান প্রসব হওয়া পর্যন্ত’ (তালাক ৪)। সুবাই‘আ বিনতে
উত্তর : নিয়মিত ছালাত আদায় করার ব্যাপারে স্বামী ও পরিবারের সদস্যগণ তাকে বারবার নছীহত করবে। অধিক নছীহতের মাধ্যমে স্ত্রীর মনের বক্রতা দূর করতে হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা নারীদেরকে উত্তম নছীহত কর। কেননা নারী জাতিকে পুরুষের পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করা
উত্তর : এরূপ ভুলের জন্য ইমাম দায়ী হবেন। তবে তার পিছনে ছালাত হয়ে যাবে। ইমাম সংশোধন না হ’লে মসজিদ কমিটির কর্তব্য হবে, তাকে বাদ দিয়ে অন্য ইমাম নিয়ে আসা। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তিন জন ব্যক্তির ছালাত তার মাথার উপরে এক বিঘতও উঠে না (অর্থাৎ তার ছালাত কবুল
উত্তর : বৈধ অনেক খেলা সাধারণভাবে জায়েয হলেও যদি তা অনর্থক সময় নষ্টের কারণ হয় বা ইবাদতকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, তা অবশ্যই পরিত্যাজ্য। বর্তমানে মোবাইলসহ বিভিন্ন ডিভাইসে রক্ষিত গেম সমূহ এর অন্তর্ভুক্ত। যাতে বিনোদনের চাইতে ক্ষতি বেশী রয়েছে। তাছাড়া এতে ইবাদত পা
উত্তর : হায়েযের শেষ সময় দু’ভাবে বোঝা যায়। প্রথমতঃ হয়তবা শ্বেতস্রাব বা সাদা তরল পদার্থ নির্গত হবে, যা জরায়ু থেকে বের হয়। অথবা রক্ত এমনভাবে বন্ধ হবে যে, কাপড় বা টিস্যু ব্যবহার করলে তাতে লাল, হলুদ বা খয়েরী রঙ-এর কোন প্রকার তরল পদার্থ আসবে না। এরপর গোসল
উত্তর : সালাম ফিরানোর সময় মুছল্লী স্বাভাবিকভাবে ডানে ও বামে দৃষ্টিপাত করে সালাম ফিরাবে (মুসলিম হা/৪৩১)। আর যদি একাকী ছালাত আদায় করে, তাহ’লে ডানে ও বামে থাকা ফেরেশতাদেরকে সালাম প্রদানের নিয়ত করবে (নববী, আল-মাজমূ‘ ৩/৪৫৬, ৪৬২; উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে’
উত্তর : মাসীহ শব্দটি এসেছে ‘মাসাহ’ থেকে। যার অর্থ স্পর্শ করা বা মোছা। ঈসা (আঃ)-কে মাসীহ বলা হয় এজন্য যে, তাঁর হাতের স্পর্শে আল্লাহর হুকুমে অন্ধ ও কুষ্ঠ রোগী আরোগ্য লাভ করত। এমনকি মৃত ব্যক্তি জীবন লাভ করত (আলে ইমরান ৩/৪৯)।অন্য দিকে দাজ্জালকেও মাসীহ বল
উত্তর : সুখী হওয়ার একমাত্র উপায় হ’ল তাক্বদীর ও তাওয়াক্কুল। অর্থাৎ সর্বাবস্থায় আল্লাহর ফয়ছালা তথা তাক্বদীরকে মেনে নিতে হবে এবং বিশ্বাস রাখতে হবে যে, আল্লাহর সিদ্ধান্তের মধ্যে অবশ্যই কল্যাণ রয়েছে। অতঃপর সকল কাজে আল্লাহর উপর ভরসা করতে হবে। আল্লাহ বলেন,
উত্তর : ইসলামী আক্বীদা-আমল ও সংস্কৃতির প্রচার-প্রসার এবং শারঈ বিধানকে সহজভাবে তুলে ধরার জন্য গল্প, উপন্যাস বা কল্পকাহিনী রচনা করা যায়, যা মূলতঃ মিথ্যার পর্যায়ভুক্ত নয় বরং বাস্তবতা অনুধাবনের জন্য উপমা, উদাহরণ বা সাদৃশ্য হিসাবে পরিগণিত হয়। কারণ রাসূল (
উত্তর : উক্ত বক্তব্য ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি এশার ছালাত জামা‘আতের সাথে আদায় করল, সে যেন অর্ধরাত্রি পর্যন্ত ছালাত আদায় করল। আর যে ব্যক্তি ফজরের ছালাত জামা‘আতের সাথে আদায় করল, সে যেন সারারাত্রি ব্যাপী ছালাত আদায় করল’ (ম
উত্তর : তারাবীহসহ যেকোন নফল ছালাতে কুরআন দেখে পড়া যায়। আয়েশা (রাঃ)-এর গোলাম যাকওয়ান রামাযান মাসে কুরআন দেখে আয়েশা (রাঃ)-এর ইমামতি করেছেন (বুখারী, ‘আযান’ অধ্যায়, ৫৪ অনুচ্ছেদ; বায়হাক্বী হা/৩১৮৩)। তবে ছালাতে কুরআন মুখস্থ পড়াই উত্তম। কেননা এতে ছালাতে খুশ
উত্তর : এরূপ বাড়ীতে বসবাস করা উচিৎ নয়। কারণ জাদু দ্বারা মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রাসূল (ছাঃ)-কেও জাদু করে রোগাক্রান্ত করে দেওয়া হয়েছিল। পরে সূরা নাস-ফালাক নাযিল হলে এর মাধ্যমে চিকিৎসা নিলে তিনি সুস্থ হন (সূরা নাস ও ফালাক্বের তাফসীর দ্রষ্টব্য)। তাছাড়া কো
উত্তর : কুরআনে যেমন ইহুদী-খৃষ্টধর্মের মত একেশ্বরবাদী ইব্রাহীমী ধর্মগুলি বিকৃতি ও অসারতা প্রমাণ করা হয়েছে, তেমনি হিন্দু-বৌদ্ধ প্রভৃতি ধর্মের মত পৌত্তলিক ধর্মের অসারতাও প্রমাণ করা হয়েছে, যাদেরকে সাধারণভাবে মুশরিক কিংবা মূর্তিপুজক হিসাবে কুরআনে উল্লেখ ক
উত্তর : ক্লিনিক্যাল চিকিৎসা নেওয়ার পাশপাশি শারঈ ঝাড়-ফুঁকের চিকিৎসা নেওয়া জায়েয। জাবের (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) এক সময় ঝাড়-ফুঁক নিষিদ্ধ করে দিলেন। অতঃপর ‘আমর ইবনু হায্ম সম্প্রদায়ের ব্যক্তিরা এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের নিকট একটি ঝাড়-ফুঁক ছিল, যা
উত্তর : সরকারের সিদ্ধান্ত যদি কুরআন ও সুন্নাহ বিরোধী না হয় এবং নাগরিকদের প্রতি যুলুম না হয়, তবে তা মেনে চলা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য (নিসা ৪/৫৯)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহর নাফরমানীর নির্দেশ দেওয়া না হয়, ততক্ষণ পসন্দনীয় ও অপসন্দনীয় সব
উত্তর : সরকার কর্তৃক প্রদত্ত উৎসাহমূলক ভাতা গ্রহণে বাধা নেই। রাসূল (ছাঃ) সূদখোর ইহূদী-নাছারা ও মুশরিকদের হাদিয়াও গ্রহণ করতেন (বুখারী ৯/৩৮৪; আল-আদাবুল মুফরাদ হা/২৪৩)। তবে যে উপলক্ষ্যে হাদিয়া প্রদান করা হয়ে, সে উপলক্ষ্য যদি হারাম হয়, তাতে অংশগ্রহণ করা
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) বলেন, আমার উম্মতের সত্তুর হাযার লোক বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের কোন শাস্তি হবে না। লোকেরা জিজ্ঞেস করল, তারা কারা? তিনি বললেন, যারা শরীরের ক্ষতস্থানে লোহা পুড়িয়ে দাগা দেয় না এবং (জাহেলী যুগের ন্যায়) ঝাড়-ফুঁক বা মন্ত্
উত্তর : চার মাযহাবের বিদ্বানগণের মতে, স্বামীর দুধপিতাও মাহরামের অন্তর্ভুক্ত। কারণ বংশীয় কারণে যা হারাম হয়, দুধপানের সম্পর্কের কারণেও তা হারাম হয় (বুখারী হা/২৬৪৫)। তাদের মতে, দুধপানের কারণে বংশীয় সম্পর্কের মত বৈবাহিক সম্পর্কেও প্রভাব পড়ে। কেননা
উত্তর : ফরয বা নফল ছালাতের পর একাকী নিয়মিত হাত তুলে দো‘আ করা সমীচীন নয়। কারণ রাসূল (ছাঃ) ও তার ছাহাবীগণ থেকে এমন নিয়মিত আমল প্রমাণিত নয়। তবে নফল ছালাতের পর বা যেকোন সময়ে ‘আম হাদীছের ভিত্তিতে মাঝে মধ্যে হাত তুলে দো‘আ করা জায়েয বা মুস্তাহাব। কারণ
উত্তর : ঋণগ্রহীতাকে অবহিত না করে উক্ত টাকা যাকাত হিসাবে কেটে রাখা যাবে না। বরং প্রয়োজনে ঋণগ্রহীতাকে আরো সময় দিতে হবে অথবা হকদার হিসাবে তাকে যাকাতের সম্পদ থেকে দান করা যাবে। ঋণগ্রহীতা সেই অর্থ দিয়ে ঋণ পরিশোধ করবে। তাতে কোন দোষ নেই (নববী, আল-মাজমূ‘ ৬/২
উত্তর : হাদীছ বিরোধী কোন আদেশ মানতে মুসলমান বাধ্য নয়। অতএব সেনাবাহিনী কর্তৃপক্ষের কাছে নিজের ধর্মীয় অধিকার রক্ষার্থে জোরালো দাবী রাখতে হবে এবং সাধ্যমত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। যদি কর্তৃপক্ষ সম্মত না হয়, তবে ভিন্ন রিযিক অনুসন্ধান করতে হবে (শায়খ বিন বায
উত্তর : যে ব্যক্তি পূর্ব রাতে স্ত্রী সহবাস করেছে তার জন্য কোন নারীকে কবরে নামানো সমীচীন নয়; তবে নিষিদ্ধও নয়। আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁর কন্যার কবরের পার্শ্বে উপস্থিত হন। তিনি সেখানে বসেন। আমি দেখতে পেলাম, তাঁর চোখ হ’তে অশ্রু ঝরছে। অতঃপর
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) ছুরাদ পাখি, ব্যাঙ, পিঁপড়া ও হুদহুদ পাখি মারতে নিষেধ করেছেন (আবুদাউদ হা/৫২৬৭ প্রভৃতি; মিশকাত হা/৪১৪৫; ছহীহুত তারগীব হা/২৯৯০)। তবে মানুষকে কষ্টদানকারী পিঁপড়া মারা বৈধ (ফাৎহুল বারী ৬/৩৫৮১; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব; উছায়মীন, ম
উত্তর : উভয়ে আলাদা ছালাত আদায় করলে পাশাপাশি বা সামনে বা পিছনে যে কোন স্থানে দাঁড়ানোতে কোন দোষ নেই (নববী, আল-মাজমূ‘ ৩/২৫২)। তবে জামা‘আতে ছালাত আদায় করলে নারী একাকী হ’লেও পিছনের কাতারে দাঁড়িয়ে ছালাত আদায় করবে (বুখারী হা/৩৮০; মুসলিম হা/৬৫৮)।প্রশ্ন
উত্তর : সন্তানের জন্য মায়ের প্রতি দায়িত্ব পালন করা অধিকতর প্রাধান্যযোগ্য (বুখারী হা/৫৯৭১; মুসলিম হা/২৫৪৮)। কিন্তু মায়ের অন্যত্র বিবাহ হয়ে যাওয়ায় তার অনুপস্থিতিতে পিতা অগ্রাধিকার পাবেন। কেননা মায়ের পরেই পিতার স্থান (ছহীহাহ হা/৩৬৮-এর আলোচনা দ্রষ্টব্য)।
উত্তর : উক্ত হাদীছের সারমর্ম হ’ল ফজরের ছালাত অন্ধকারে শুরু করতে হবে এবং দীর্ঘ কেরাআতের মাধ্যমে আকাশ ফর্সা হয়ে এলে ছালাত শেষ করতে হবে, যা অধিক ছওয়াব লাভের কারণ হবে। যেমন অন্য হাদীছে রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা ফজরের ছালাতের মাধ্যমে ফর্সা করে দাও যাতে লোক
উত্তর : মুনাজাত বা হাত তুলে দো‘আ শেষে মুখমন্ডল মাসাহ করার পক্ষে কোন ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়নি। ইমাম আবুদাঊদ (রহঃ) মুখে হাত মাসাহ করা সংক্রান্ত হাদীছ বর্ণনা করে তা যঈফ হিসাবে উল্লেখ করেছেন (আবুদাঊদ হা/১৪৮৫, পৃঃ ২০৯)। শায়খ আলবানী (রহঃ) এ সংক্রান্ত হাদীছগু
উত্তর : নিয়ম হ’ল দাতার নিয়ত মোতাবেক নির্ধারিত স্থানে ব্যয় করা (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ, ফাৎওয়া ক্রমিক ১৩৮৭৪, ১৬/৩২ পৃ.)। তবে শারঈ কল্যাণ থাকলে প্রয়োজনে ওয়াকফকারীর শর্ত পরিবর্তন করা জায়েয (ইবনু তায়মিয়াহ, আল-ইখতিয়ারাত ৫০৯ পৃ.; ইবনুল ক্বাইয়িম, ই‘লামুল মুও
উত্তর : অনতিবিলম্বে বিবাহ বিচ্ছেদ করে আলাদা হয়ে যেতে হবে। কারণ দুধ বোন নিজ বোনের সমতুল্য। রাসূল (ছাঃ)-এর সাথে তার দুধ বোনের বিয়ে দিতে চাইলে তিনি বলেন ‘দুধ পানের সম্পর্ক দ্বারা ঐসব লোক হারাম হয়ে যায় যারা রক্ত সম্পর্ক দ্বারা হারাম হয়’ (বুখারী হা/২৬৪৫;
উত্তর : তার অছিয়ত অনুযায়ী ছাগলের বাচ্চাটি দ্বারা আক্বীক্বা দিতে হবে। কারণ প্রথমতঃ তার আক্বীক্বা হয়নি (ছহীহাহ হা/২৭২৬)। দ্বিতীয়তঃ তার অছিয়ত পূরণ করা ওয়াজিব। আল্লাহ তা‘আলা মীরাছ বণ্টনের পূর্বে অছিয়ত পূরণের নির্দেশ দিয়েছেন (নিসা ৪/১২)।প্রশ্নকারী :
উত্তর : প্রচলিত ছূফী মতবাদ একটি ভ্রান্ত মতবাদ, যার ব্যাপারে ইমামগণ সতর্ক করে গেছেন। নাছীবী বলেন, আমরা একদিন ইমাম মালেক (রহঃ)-এর নিকট বসা ছিলাম, জনৈক ব্যক্তি বলল, হে আবু আব্দুল্লাহ! আমাদের এলাকায় ছূফী মতবাদের কিছু লোক রয়েছে, যারা অনেক খায়। এরপর ক্বাছী
উত্তর : প্রয়োজনে নফল ছালাত সংক্ষিপ্ত করে কিংবা ত্যাগ করেই সাড়া দিবে। কেননা যাদের আহবানে নফল ইবাদত পরিত্যাগ করার অনুমতি আছে তারা হ’লেন পিতা-মাতা ও স্বামী (বুখারী হা/৩৪৩৬; মুসলিম হা/২৫৫০; উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতি‘ ৬/৪৮৭)। স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি
উত্তর : ইবনু ওমর (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) সফরে বাহনের উপরে বিতর ছালাত আদায় করতেন (বুখারী হা/৯৯৯; মুসলিম হা/৭০০)। হাফেয ইবনুল ক্বাইয়িম (রহঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) সফরে বিতর ছালাত ও ফজরের দু’রাক‘আত সুন্নাত পরিত্যাগ করতেন না (যা-দুল মা‘আদ ১/৪৭৩)। অতএব সফরেও
উত্তর : দেহের স্বাভাবিক ভারসাম্য অনুযায়ী নিজের দুই পায়ের মাঝে ফাঁকা রাখবে (বুখারী হা/৭২৫; আবুদাঊদ হা/৬৬২; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ৫/৩৫৭)। সমাজে প্রচলিত- ‘দু’পায়ের মাঝে হাতের তালু পরিমাণ স্থান ফাঁকা রাখবে’ কথাটির শরী‘আতে কোন ভিত্তি নেই (উছায়মীন, মাজমূ‘ ফ
উত্তর : এরূপ অক্ষম ব্যক্তি অন্যের সাহায্য নিয়ে ছিয়াম রাখতে পারলে রাখবে। নইলে চিররোগী হিসাবে প্রতিদিনের বিনিময়ে অর্ধ ছা‘ ফিদিয়া প্রদান করবে। তবে সামর্থ্য না থাকলে ফিদিয়া ওয়াজিব নয় (মির‘আত ৭/৩২)। আল্লাহ বলেন, আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যের অতিরিক্ত কাজে বাধ্
উত্তর : ছালাতে ওয়াজিব তরক হ’লে ‘সিজদায়ে সহো’ ওয়াজিব হবে এবং সুন্নাত তরক হ’লে ‘সিজদায়ে সহো’ সুন্নাত হবে (শাওকানী, আস-সায়লুল জাররা-র (বৈরূত : দারুল কুতুবিল ইলমিয়াহ, তাবি) ১/২৭৪ পৃ.)। বর্ণিত বিবরণ অনুযায়ী সহো সিজদা না দিলেও চলত। তবে দেওয়াতেও কোন ক্ষতি ন
উত্তর : ত্বাওয়াফ মূলতঃ ৩টি। (১) ত্বাওয়াফে কুদূম। যা হজ্জের উদ্দেশ্যে কা‘বায় পৌঁছে করতে হয়। (২) ত্বাওয়াফে ইফাযাহ। যা আরাফার ময়দানে অবস্থানের পর ঈদুল আযহার দিন বা পরের তিন দিনের মধ্যে করতে হয়। যা হজ্জের অন্যতম রুকন। (৩) ত্বাওয়াফে বিদা‘। যা হজ্জ শেষে বি
উত্তর : আসমাউল হুসনা মুখস্থ করা আবশ্যিক নয়, বরং এগুলির মর্ম অনুধাবন করা আবশ্যিক। রাসূল (ছাঃ) বলেন, আল্লাহ তা‘আলার নিরানববইটি অর্থাৎ এক কম একশ’টি নাম আছে। যে ব্যক্তি এগুলি মুখস্থ করে রাখবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে’ (বুখারী হা/৬৪১০; মুসলিম হা/২৬৭৭)। এর
উত্তর : ফিৎনার আশংকা না থাকলে শারঈ পর্দা রক্ষা করে প্রাপ্ত বয়স্কা সুস্থ নারী রক্তদান করতে পারে (আহযাব ৩৩/৩২-৩৩)।প্রশ্নকারী : রিযওয়ান, বিরল, দিনাজপুর।
উত্তর : চাচা ও মামারা মাহরামের অন্তর্ভুক্ত। কারণ আল্লাহ তা‘আলা মাহরামদের বর্ণনায় বোনের মেয়েকে ও ভাইয়ের মেয়েকে বিবাহ করতে নিষেধ করেছেন। আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের জন্য হারাম করা হ’ল তোমাদের মা, মেয়ে, ফুফু, খালা, ভাতিজী, ভাগিনেয়ী (নিসা ৪/২৩)। তাছাড়া চাচা ফু
উত্তর : উক্ত ছালাত নারীদের জন্যও মুস্তাহাব। কারণ ইসলামের কোন বিধান যদি কোন হাদীছ দ্বারা বিশেষ কোন শ্রেণীর জন্য নির্দিষ্ট না হয় তাহ’লে উক্ত বিধান সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হয় (উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৩/২৭)।প্রশ্নকারী : নাজমুল হুদা
উত্তর : সেক্ষেত্রে প্রশংসিত ব্যক্তি নিম্নের দো‘আটি পাঠ করতে পারেন।-اللَّهُمَّ لَا تُؤَاخِذْنِيْ بِمَا يَقُولُوْنَ وَاغْفِرْ لِيْ مَا لاَ يَعْلَمُوْنَ (আল্লাহুম্মা লা তুআখিযনী বিমা ইয়াকূলূন, ওয়াগফিরলী মা লা ইয়া‘লামূন)। অর্থ : ‘হে আল্লাহ! তারা যা
উত্তর : গোসল করে পবিত্র হওয়ার পূর্বে হায়েযা স্ত্রীর সাথে সহবাস করা সিদ্ধ নয়। কেননা আল্লাহ বলেন, ‘পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তাদের নিকটবর্তী হয়ো না। অতঃপর যখন তারা ভালভাবে পবিত্র হবে, তখন আল্লাহর নির্দেশ মতে তোমরা তাদের নিকট গমন কর’ (বাক্বারাহ ২/২
উত্তর : দিন ও রাতে ফরয ছালাত সতের রাক‘আত অর্থাৎ যোহরের চার, আছরের চার, এশার চার, মাগরিবের তিন ও ফজরের দুই। আয়েশা (রাঃ) বলেন, আল্লাহ তা‘আলা মুক্বীম অবস্থায় ও সফরে দু’রাক‘আত করে ছালাত ফরয করেছিলেন। পরে সফরের ছালাত আগের মত রাখা হয় আর মুক্বীম অব
উত্তর : চোখে দেখা বা কানে শোনার মাধ্যমে যদি ইমামের ইক্বতিদা করা সম্ভব হয়, তবে কাছাকাছি হ’লে তাঁর ইক্বতিদা করা জায়েয। যদিও সেটা মসজিদের বাইরে হয় কিংবা উভয়ের মধ্যে কোন দেওয়াল, রাস্তা বা অনুরূপ কোন প্রতিবন্ধক থাকে (আবুদাঊদ হা/১১২৬; মিশকাত হা/১১১৪)
উত্তর : কন্যা সন্তান উপার্জনক্ষম হ’লে বা স্বামীর সম্পদ থেকে খরচ করার স্বাধীনতা থাকলে পিতা-মাতার জন্য সাধ্যমত খরচ করবে। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের সন্তানগণ তোমাদের পবিত্রতম উপার্জনের অন্তর্ভুক্ত। অতএব তোমরা তোমাদের সন্তানদের
উত্তর : ছাহাবীগণের নামে সন্তানের নাম রাখা যাবে। বরং নবী-রাসূল ও সৎ বান্দাদের নামে নাম রাখা মুস্তাহাব। রাসূল (ছাঃ) নিজ সন্তানের নাম ইবরাহীম (আঃ)-এর নামে রেখেছিলেন (মুসলিম হা.২৩১৫; ছহীহুল জামে‘ হা/৭১২১)। যেমন হাদীছে এসেছে, মুগীরা বিন শু‘বাহ (রাঃ)
উত্তর : ইমাম ও মুছল্লী একই কাতারে দাঁড়ালে তারা কাতার সোজা করে পায়ের সাথে পা মিলিয়ে দাঁড়াবে। ইমাম একটু সামনে আর মুক্তাদী একটু পিছনে দাঁড়াবে এমন বিধান নেই। ইবনু আববাস (রাঃ) সহ একাধিক ছাহাবী রাসূল (ছাঃ)-এর পাশে দাঁড়িয়ে ছালাত আদায় করেছেন কিন্তু আ
উত্তর : সাধ্যমত বিকল্প পথ অন্বেষণ করতে হবে। যেমন গামবুট পরা। কারণ সাধারণ অবস্থায় অহংকার বশে লুঙ্গি ঝুলিয়ে পরা নিষিদ্ধ (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/৪৩১২)। তবে বাধ্যগত অবস্থায় তা জায়েয। কারণ সেখানে অহংকারের বিষয়টি থাকে না।প্রশ্নকারী : জাহিদুল ইসলাম, মা
উত্তর : আক্দ হ’ল দু’জন স্বাক্ষীর উপস্থিতিতে অভিভাবকের প্রস্তাবের ভিত্তিতে বরের কবুল বলা। অতএব আক্দ হওয়ার পর স্বামী-স্ত্রী পরস্পরে মেলামেশা ও সাক্ষাত করা সবই জায়েয। এমনকি স্বামী মারা গেলে স্ত্রী মোহরানাসহ যাবতীয় মীরাছের অংশীদার হবে (আবুদাঊদ হা
উত্তর : এই ধরনের অছিয়ত পালনযোগ্য নয়। কারণ প্রয়োজন ছাড়া একটি কবরে একাধিক ব্যক্তিকে দাফন জায়েয নয়। তাছাড়া এতে প্রথম লাশের সম্মানহানী হয় (নববী, আল-মাজমূ‘ ৫/২৮৪; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১৩/৪২০-২১)। কেবল বাধ্যগত কারণে যেমন স্থান সংকুলান না হ’লে
উত্তর : ছেলেদের বুক বা পিঠের স্বাভাবিক লোম তার সৃষ্টিগত সৌন্দর্যের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহর ধর্ম, যার উপরে তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর সৃষ্টির কোন পরিবর্তন নেই’ (রূম ৩০/৩০)। উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় ইবনু কাছীর বলেন, তোমরা আল্লাহর
উত্তর : ক্যান্সারের মত দুরারোগ্য ব্যাধি অতি কষ্টদায়ক হওয়ায় এসব রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারীদেরকে শহীদ হিসাবে গণ্য করেছেন কোন কোন বিদ্বান। তারা পেটের রোগের উপর ভিত্তি করে এদেরকে শহীদ হিসাবে গণ্য করেছেন। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি পেটের পী
উত্তর : যবেহের নিয়ম হ’ল- যবেহকারী ক্বিবলামুখী হয়ে ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে যবেহ করবে। এসময় পশু-পাখির মাথা দক্ষিণ দিকে থাকবে। ছুরি বা যন্ত্র ধারালো হ’তে হবে। নারী-পুরুষ যে কেউ পশু-পাখি বা গরু-ছাগল সবই যবেহ করতে পারে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েম
উত্তর : মৃতের স্ত্রী থাকলে তাকে এক-চতুর্থাংশ প্রদানের পর অবশিষ্ট পুরো সম্পত্তি ভাই ও বোনেরা ছেলের অর্ধেক মেয়ে হিসাবে পেয়ে যাবে। সহোদর ভাই ও বোন থাকায় বৈমাত্রেয় ভাই মীরাছ পাবে না (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২০/১৯৯; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ৩/৪৭)।
উত্তর : মাহরাম ব্যতীত কোন নারীর একাকী দূরে সফরে কিংবা বিদেশে গমন করা নিষিদ্ধ। নারীর সার্বিক নিরাপত্তা বিধান ও ফেৎনা থেকে প্রতিরক্ষার জন্যই ইসলামের এই নীতি। রাসূল (ছাঃ) বলেন, মেয়েরা মাহরাম ব্যতীত অন্য কারো সাথে সফর করবে না এবং মাহরাম কাছে নেই
উত্তর : অসুস্থ বা মা‘যূর ব্যক্তি চেয়ারে বসে ইশারায় সিজদা করে ইমামতি করতে পারবেন। কারণ রাসূল (ছাঃ) ওযরের কারণে বসে ছালাতে ইমামতি করেছিলেন। আর আবুবকর (রাঃ) তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে এবং অন্যান্য ছাহাবীগণ তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে ইকতেদা করেছিলেন (বুখারী হা/৬৮
উত্তর : কবরে মাইয়েতকে শোয়ানোর পূর্বে সালাম দেওয়ার বিধান নেই। রাসূল (ছাঃ) বা পূর্ববর্তী কোন সালাফ থেকে এ ব্যাপারে কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না। সুতরাং মাইয়েতকে কবরে শোয়ানোর পূর্বে তাকে সালাম নয়, বরং তার জন্য দো‘আ করা মুস্তাহাব। কারণ এসময় মানুষ দো‘আ
উত্তর : জান্নাতে কেবল একশটি নয় বরং অসংখ্য স্তর আছে (নিসা ৪/৯৫-৯৬; আনআম ৬/১৩২; আনফাল ৮/৪; বনী ইসরাঈল ১৭/২১; ত্ব-হা ২০/৭৫)। যার মধ্যে শুধু একশটি স্তর এমন রয়েছে, যা আল্লাহ তা‘আলা তাঁর পথে জিহাদকারীদের জন্য প্রস্ত্তত করে রেখেছেন (বুখারী হা/২৭৯০; মিশকাত হ
উত্তর : এক্ষেত্রে শারঈ বিধান হ’ল, পূর্ণ এক বছর মালিক বা তার ওয়ারিছদের সন্ধানে থাকতে হবে। এরপরে মালিক বা তার ওয়ারিছদের পাওয়া না গেলে ব্যক্তি উক্ত সম্পদ ভোগ করতে পারে কিংবা ছাদাক্বা করতে পারে। তবে কোনদিন যদি পাওনাদারকে খুঁজে পাওয়া যায় বা
উত্তর : ভবিষ্যৎ কোন বিষয়ে এমন জোর প্রতিজ্ঞা করা সমীচীন নয়। কেননা বান্দার তাক্বদীর পূর্বনির্ধারিত। কারো প্রতিজ্ঞায় বা সংকল্পে তা পরিবর্তনশীল নয়; বরং একমাত্র আল্লাহর ইচ্ছার উপর তা নির্ভরশীল। তবে ইনশাআল্লাহ বলে নিজের বৈধ ইচ্ছা বা কামনা প্রকাশ কর
উত্তর : অবহেলাবশে ছালাত ত্যাগকারীর বিবাহ বন্ধন ছিন্ন হবে না। বরং কেউ যদি ছালাতের ফরযিয়াতকে অস্বীকার করে, তাহ’লে সে কাফের হয়ে যাবে এবং স্বামী-স্ত্রীর বিবাহ বন্ধন ছিন্ন হবে। যেহেতু আপনারা ছালাতকে অস্বীকার কারী ছিলেন না, সেহেতু আপনাদের মধ্যে তাল
উত্তর : এমতাবস্থায় ছালাত সিদ্ধ হবে (ফাতাওয়া আশ-শাবকাতুল ইসলামিয়া ১১/১৫৪৭)।প্রশ্নকারী : আব্দুল বারী, রাজশাহী।
উত্তর : সূদের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির খালেছ নিয়তে তওবা করার শর্তে যাকাতের মাল থেকে সূদী ঋণ পরিশোধে সহযোগিতা করা যাবে (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৬/৪৮০; উছায়মীন, আশ-শারহুম মুমতে‘ ৬/২৩৫; লিকাউল বাবিল মাফতূহ, লিকা ১৫১; ড. ওমর সুলায়মান আশকার, আবহাছুন নাদও
উত্তর : মহিলাদের চেহারা ও দুই হাতের কব্জি ব্যতীত সর্বাঙ্গ সতর (আবুদাঊদ হা/৪১০৪; মিশকাত হা/৪৩৭২)। সে হিসাবে ছালাতে নারীদের জন্য পায়ের পাতা ঢেকে রাখা উত্তম (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ৭/৮৬)। তবে পায়ের পাতা প্রকাশ পেলে ছালাতের ক্ষতি হবে না, কেননা এটি স্বভা
উত্তর : শারঈ ওযরের কারণে বাড়িতে একাকী বা জামা‘আতে ছালাত আদায় করলে ইনশাআল্লাহ আল্লাহ তাকে নেক নিয়তের কারণে পূর্ণ ছওয়াব প্রদান করবেন (উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৪/৩২৩)। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, মানুষ অসুস্থ হ’লে অথবা সফরে থাকলে তার আমালনামায় তাই লেখা
উত্তর : হিজাব পরিহিতা হ’লেও একাকী নির্জনে কোন গায়ের মাহরাম নারীকে পড়ানো যাবে না। কারণ দু’জন বেগানা নারী-পুরুষ একাকী হ’লে তৃতীয়জন থাকে শয়তান (তিরমিযী হা/২১৬৫; মিশকাত হা/৩১১৮; ছহীহ আত-তারগীব হা/১৯০৮)। এক্ষণে যদি গায়ের মাহরামকে পড়াতে হয় তাহ’লে নির
উত্তর: ‘বিসমিল্লাহ’ বলে বন্দুকের গুলি ছোড়া হ’লে এবং রক্ত প্রবাহিত হ’লে সে প্রাণীগুলো খাওয়া বৈধ হবে। এছাড়া জীবিত অবস্থায় পেলে যবেহ করে নিবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আর তুমি তীর ছোড়ার সময় আল্লাহর নাম নিয়েই ছুড়বে। অতঃপর শিকার একদিন পর্যন্ত নিরুদ্দেশ
উত্তর : সাধ্যানুযায়ী দাওয়াত দিয়ে যাওয়াই উত্তম হবে এবং পরিবর্তন লক্ষ্য করতে হবে। আল্লাহ বলেন, ‘আর যদি তোমরা তাদের অবাধ্যতার আশংকা কর, তাহ’লে তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের বিছানা পৃথক করে দাও এবং (প্রয়োজনে) প্রহার কর। অতঃপর যদি তারা তোমাদের অনুগত হয়
উত্তর : উক্ত বিবাহ শিবহে নিকাহ হিসাবে গণ্য হবে এবং সন্তানেরা প্রকৃত সন্তান হিসাবেই গণ্য হবে। তারা ওয়ারিছ হিসাবে গণ্য হবে। কারণ মেয়ের পরিবার বিবাহ মেনে নিয়েছে এবং উক্ত বিবাহ রাষ্ট্রীয় আইনের মাধ্যমে হয়েছে (ইবনু কুদামা, মুগনী ৭/০৮, ১১/১৯৬; ইবনু তা
উত্তর : রাসূল (ছাঃ)-কে স্বপ্নে দেখা সম্ভব। ছাহাবী ও তাবেঈদের কেউ কেউ রাসূল (ছাঃ)-কে স্বপ্নে দেখেছেন। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে আমাকে স্বপেণ দেখবে, সে অচিরেই জাগ্রত অবস্থাতেও আমাকে দেখবে। আর শয়তান আমার আকৃতি ধারণ করতে পারে না (বুখারী হা/৬৯৯৩; মুসল
উত্তর : জারজ নারীকে বিবাহ করা জায়েয। কারণ পিতা-মাতার পাপ সন্তানের উপর বর্তাবে না (আন‘আম ৬/১৬৪; ছহীহাহ হা/২১৮৬)। এক্ষণে মেয়ে যদি তাক্বওয়াশীল হয়, তাহ’লে তাকে বিবাহ করায় কোন বাধা নেই (ফাতাওয়া ইসলামিয়া ৩/১৬৬)। উল্লেখ্য যে, অবৈধভাবে জন্ম নেওয়া নারীর অভিভা
উত্তর : সরকারী জমিতে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত জবর দখল করে মসজিদ নির্মাণ করা যাবে না। কারণ মসজিদ নির্মাণের জন্য জমি ওয়াক্ফ হওয়া আবশ্যক। তবে মালিকানাহীন পরিত্যক্ত খাস জমিতে মসজিদ নির্মাণ করা যাবে, যদি তাতে কারো বৈধ আপত্তি না থাকে বা কারো কোন ক
উত্তর : নবী করীম (ছাঃ) ওহোদ পাহাড়কে ভালোবাসতেন এবং ওহোদ পাহাড়ও রাসূল (ছাঃ)-কে ভালোবাসত। যেমন হাদীছে এসেছে, রাসূল (ছাঃ) ওহোদ পাহাড়ের দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, এ পাহাড় আমাদেরকে ভালোবাসে এবং আমরাও একে ভালোবাসি (বুখারী হা/২৮৮৯; মিশকাত হা/২৭৪৫)। হাফ
উত্তর : মোহরানা বিবাহের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহরানা ফরয হিসাবে প্রদান কর’ (নিসা ৪/৪)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, বিবাহের সর্বাধিক প্রয়োজনীয় শর্ত হ’ল, তোমরা যা দ্বারা মহিলার লজ্জাস্থান হালাল করবে, তা আদায় করা (আবুদাউদ
উত্তর : জামাতা শ্বশুরের অন্যতম নিকটাত্মীয়। সুতরাং শ্বশুরের সামর্থ্য ও নিমন্ত্রণ সাপেক্ষে জামাতা শ্বশুর বাড়িতে যতদিন খুশি থাকতে বা খেতে পারবে। এতে কোন শারঈ বাধা নেই। উল্লেখ্য যে, একটি হাদীছে এসেছে, রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিন
উত্তর : মুছল্লীদের শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে যেকোন সময় ছালাত শেষে নিয়মিত দ্বীনী আলোচনার আয়োজন করায় কোন বাধা নেই। তবে মুছল্লীদের মাসনূন যিকর-আযকার শেষ হওয়ার পর আলোচনা শুরু করা উত্তম (উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২৬/৭৪-৭৫)। শায়খ বিন বায (রহঃ) বলেন, ছালাতে
উত্তর : দাড়িতে মেহেদী বা খেযাব ব্যবহার করা সুন্নাত। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তোমরা বার্ধক্যের শুভ্রতাকে পরিবর্তন করো এবং ইহূদীদের সাদৃশ্য অবলম্বন করো না’ (তিরমিযী হা/১৭৫২; মিশকাত হা/৪৪৫৫, হাদীছ ছহীহ)। তবে কোন মুসলমান দাড়িতে খেযাব ব্যবহার না করলে
উত্তর : ‘ছয়দিনে’ কথাটি কুরআনে সাত স্থানে এসেছে। যার প্রথম হ’ল সূরা আ‘রাফের ৫৪ নং আয়াত। অত্র আয়াতে ‘দিন’ অর্থ সময়কাল। যার দৈর্ঘ্য হ’ল আখেরাতের হিসাবে হাযার বছর (সাজদাহ ৩২/৫) অথবা পঞ্চাশ হাযার বছরের সমান (মা‘আরেজ ৭০/৪)। কেননা তখন সূর্য ছিল না। তা
উত্তর : প্রকাশ্য আয়াত এবং ইবনু আববাস (রাঃ)-এর বক্তব্য অনুযায়ী তাদের সংখ্যা ছিল সাত জন (ইবনু কাছীর, তাফসীর সূরা কাহফ ২২ আয়াত)। তবে অত্র আয়াতে এসব নিয়ে বিতর্ক করতে নিষেধ করা হয়েছে। কেননা এগুলি আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। অতএব সংখ্যা মুখ্য নয়, বরং
উত্তর : ছিয়ামরত অবস্থায় করোনা ভাইরাসের টিকা গ্রহণ করা যাবে। কেননা ছিয়াম অবস্থায় খাদ্য নয় এরূপ বস্ত্ত দ্বারা চিকিৎসা গ্রহণ করায় কোন বাধা নেই। অতএব যেসব টিকা, ইনস্যুলিন, ইনজেকশন বা ভ্যাকসিন খাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয় না বা শরীরে বাড়তি পুষ্টি যোগায়
উত্তর : ইচ্ছাকৃতভাবে ছালাত তরককারী অথবা ছালাত ফরয হওয়াকে অস্বীকারকারী ব্যক্তি কাফির ও জাহান্নামী। ঐ ব্যক্তি ইসলাম হ’তে বহিষ্কৃত। কিন্তু যে ব্যক্তি ঈমান রাখে, অথচ অলসতা ও ব্যস্ততার অজুহাতে ছালাত তরক করে, সে ব্যক্তি কবীরা গোনাহগার। তার জানাযা ব
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘বিতর ছালাত আবশ্যিক (حق)। যে ব্যক্তি ইচ্ছা করে সে ৫ রাক‘আত পড়ুক, যে ইচ্ছা করে ৩ রাক‘আত পড়ুক, যে ইচ্ছা করে ১ রাক‘আত পড়ুক’ (ইবনু মাজাহ, দারাকুৎনী হা/১৬২৫, সনদ ছহীহ)। এক্ষণে বিতর কিভাবে পড়বে, সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হ
উত্তর : পিতা-মাতার নামে কসম খাওয়া যাবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের নিষেধ করেছেন তোমাদের বাপ-দাদাদের নামে কসম করতে। যে ব্যক্তি কসম করতে চায়, সে যেন আল্লাহর নামে কসম করে, অথবা চুপ থাকে’ (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৩৪০৭ ‘ক
উত্তর : উক্ত দাবী সঠিক নয়। হাস্সান বিন ছাবিত (রাঃ)-এর জন্য রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মসজিদে একটি মিম্বর তৈরি করেছিলেন ইসলামের পক্ষে কবিতা বলার জন্য (বুখারী, মিশকাত হা/৪৮০৫ ‘শিষ্টাচার’ অধ্যায় ৯ অনুচ্ছেদ; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৪৫৯৫)।
উত্তর : তিরমিযী বর্ণিত উক্ত হাদীছটি অন্যান্য সমার্থক হাদীছের কারণে ছহীহ (আলবানী, ছহীহ তিরমিযী হা/২৬৯৯)। আর তা হ’ল যেমন, السَّلاَمُ قَبْلَ السُّؤَالِ، مَنْ بَدَأَ بِالسُّؤَالِ قَبْلَ السَّلامِ فَلا تُجِيْبُوْهُ ‘প্রশ্নের পূর্বেই সালাম। যে ব্যক্তি
উত্তর : উক্ত অবস্থায় ইবাদত শুরু করাই যরূরী। কারণ নারীদের ঋতু অবস্থায় থাকার সাধারণত সময় হচ্ছে ৬ দিন বা ৭ দিন (বাকীটা প্রদর রোগ)। (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৫৬১ ‘ইস্তিহাযা’ অনুচ্ছেদ)।
উত্তর : পারবেন। কেননা আপনি ঐ সময় মুসাফির (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৩৩৬ ‘সফরের ছালাত’ অনুচ্ছেদ)।
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যেভাবে এক্বামতের শব্দগুলো শিক্ষা দিয়েছেন সেভাবেই বলতে হবে। উক্ত মতপার্থক্যের প্রশ্নই আসে না। যেমন-اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ، أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، حَى
উত্তর : জুম‘আর দিন মাথায় পাগড়ী বাঁধা কোন যরূরী সুন্নাত নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বিভিন্ন সময়ে মাথায় পাগড়ী বাঁধতেন। আমর ইবনু হুরায়েছ (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) জুম‘আর খুৎবা দিলেন, তখন তাঁর উপর কাল পাগড়ী ছিল। যার দু’মাথা কাঁধের মাঝে ঝুলছিল (ম
উত্তর : ছালাতের পর টাকা উঠনো জায়েয। রাসূল (ছাঃ) ছালাতের খুৎবা শেষে দান করার জন্য বলতেন (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/১৪৫২)। ফী সাবীলিল্লাহ টাকা উঠানোর পর তা প্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় করতে হবে।
উত্তর : বস্ত্তর মূল ছায়ার একগুণ হওয়ার পর হ’তে আছরের ছালাতের ওয়াক্ত শুরু হয় এবং দু’গুণ হ’লে শেষ হয় (আবুদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/৫৮৩)।
উত্তর : এখন করণীয় হচ্ছে যরূরী ভিত্তিতে ক্রেতাকে জমি রেজিষ্ট্রি করে দেয়া। যদি বিক্রেতা ঐ জমি ভোগ করে থাকে তাহ’লে ১০ বছর যাবৎ ঐ জমিতে যে শস্য উৎপাদিত হয়েছে, এলাকায় প্রচলিত বর্গার নিয়ম মোতাবেক সেই পরিমাণ ভাগরা ফসল তাকে দিতে হবে অথবা উভয়ের সম্মতি
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) দাড়ি ছাটতেন এ মর্মে কোন ছহীহ হাদীছ নেই। ছহীহ বুখারীতে থাকার প্রশ্নই আসে না। বরং উম্মতের উদ্দেশ্যে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর দ্ব্যর্থহীন ঘোষণা হ’ল, ‘তোমরা মুশরিকদের বিরোধিতা কর। দাড়ি লম্বা কর, গোঁফ ছোট কর’ (মুত্তাফাক্ব আলা
উত্তর : সংসার পরিচালনার জন্য কর্য হয়ে থাকলে প্রথমে কর্য পরিশোধ করতে হবে। কারণ কর্য রেখে সম্পদ সঞ্চিত হয় না। তবে ব্যবসা বা নির্মাণ কাজের জন্য কর্য নিলে প্রথমে যাকাত দিতে হবে তারপর কর্য পরিশোধ করতে হবে।
উত্তর : প্রভিডেন্ড ফান্ডে জমাকৃত টাকা নিজের পূর্ণ অধিকারে থাকলে অর্থাৎ যেকোন সময়ে উঠানো সম্ভব হ’লে সূদের টাকা ব্যতীত বাকী টাকার যাকাত দিতে হবে। কারণ যাকাত দেয়ার জন্য নিছাব পরিমাণ সম্পদের পূর্ণ মালিক হওয়া যরূরী।
উত্তর : ফিদইয়ার পরিমাণ অর্ধ ছা‘। এই ফিদইয়া ফক্বীর-মিসকীনকে দিতে হবে (বুখারী হা/৪৫১৭ ‘তাফসীর’ অধ্যায় ৩২ অনুচ্ছেদ, বাক্বারাহ ১৯৬)।
উত্তর : ‘মাযহাব’ শব্দের আভিধানিক অর্থ চলার পথ। পারিভাষিক অর্থ মতবাদ, মতাদর্শ ইত্যাদি। চারজন প্রসিদ্ধ মুজতাহিদ ইমামের ফিক্বহী মতামতকে ইসলামী পরিভাষায় মাযহাব বলা হয়। উক্ত চার ইমামের মৃত্যুর বহু পরে রাজনৈতিক দলাদলির সুবাদে বিভিন্ন মাযহাবের সূত্র
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। এমন মর্মের কোন আয়াত সূরা বাক্বারায় বা কুরআনের কোথাও নেই।
উত্তর : নবীগণের আত্মগুলোকেই স্ব স্ব আকৃতিতে দেখানো হয়েছে (মিরক্বাত ১১/১৪৩ পৃঃ, ‘মি‘রাজ’ অনুচ্ছেদ ১ম হাদীছের ব্যাখ্যা)।
উত্তর : খাৎনা করা মুস্তাহাব। কেননা এটি ইসলাম ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য স্বরূপ। এটি হ’ল মানুষের ফিৎরত বা স্বভাবজাত পাঁচটি বিষয়ের অন্যতম (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৪৪২০ ‘পোষাক’ অধ্যায় ‘চুল অাঁচড়ানো’ অনুচ্ছেদ)। এর মধ্যে যে স্বাস্থ্যগত কল্যাণ নিহিত রয়
উত্তর : সিদ্ধ হবে। কারণ তখন সে ঐ অপবিত্র ব্যক্তির মত, যে ছিয়াম রেখেছে কিন্তু ফজরের পূর্বে গোসল করতে পারেনি। আয়েশা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁর স্ত্রীদের সাথে সহবাসের পর অপবিত্র অবস্থায় সকাল করতেন এবং ছিয়াম রাখতেন’ (মুত্তাফাক্ব আল
উত্তর : সালাম দেওয়া যাবে। উসামা বিন যায়েদ (রাঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) একদা একটি মজলিসের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন, যেখানে মুসলিম, মুশরিক, মূর্তিপূজারী ও ইহুদীরা ছিল। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাদেরকে সালাম দিলেন (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৪৬৩৯ ‘শিষ্ট
উত্তর : পাগড়ী ব্যবহার করা কারো জন্যই সুন্নাত নয়। এটি হ’ল দেশ ও অঞ্চল ভিত্তিক আদত বা অভ্যাস। রসূল (ছাঃ) পাগড়ী পরেছিলেন এ কারণে যে, পাগড়ী পরিধান করা ছিল তাঁর সম্প্রদায়ের লোকদের অভ্যাসগত পোষাক। সে সময়ের আরব মুসলিম ও অমুসলিম সকলে পাগড়ী পরত। তিনি
উত্তর : রং, স্বাদ ও গন্ধ বিনষ্ট হ’লে সে পানি নাপাক। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ‘জাল্লালাহ’ অর্থাৎ ময়লা-আবর্জনা ভক্ষণকারী প্রাণীর গোশত খেতে ও তার দুধ পান করতে এবং তার পিঠে আরোহন করতে নিষেধ করেছেন’ (আবুদাঊদ হা/৩৭৮৬; তিরমিযী হা/১৮২৫; নাসাঈ হা/৪৪৬০)। অন্য
উত্তর : উক্ত কথা সঠিক। মুছাফাহা করার পরে বুকে হাত দেয়া কিংবা হাতে চুমু দেয়া বা মাথা ঝুঁকানো ইসলামী রীতি নয়। বরং এগুলি বিদ‘আতী কাজ। ছহীহ হাদীছে মুছাফাহা করার পদ্ধতি বলে দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ পরস্পরের ডান হাত মিলানো।
উত্তর : শেষনবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)- কে সর্বপ্রথম কবর থেকে উঠানো হবে (মুসলিম, মিশকাত হা/৫৭৪১ ‘ফাযায়েল ও শামায়েল’ অধ্যায়)।
উত্তর : মোযার উপরে মাসাহ করা সুন্নাত (বুখারী হা/১০৬; মুসলিম হা/২৭৪; মিশকাত হা/৫১৮)। ইমাম আহমাদ (রহঃ) বলেন, মোযার উপর মাসাহ করার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম থেকে ৪০টি হাদীছ রয়েছে (শায়খ উছায়মীন, বুহূছুন ওয়া ফাতাওয়া ফিল মাসাহ আলাল খুফফাই
উত্তর : উক্ত ঘটনা মিথ্যা ও বানোয়াট। যাদের সম্পর্কে এ ধরনের মিথ্যা কাহিনী বর্ণনা করা হয়, প্রকারান্তরে তাদেরকেই অপমান করা হয়। অতএব এগুলো বর্ণনা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।
উত্তর : উক্ত অবস্থায় যখন তাদের পক্ষে সম্ভব তখন আদায় করবে। এক বা দু’বছর পরেও যদি হয়। কেননা তাদের শারঈ ওযর রয়েছে। কিন্তু যদি কোন মহিলা অবজ্ঞা ও অবহেলা করে, তাহ’লে সে গোনাহগার হবে। আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমার কিছু ছিয়াম ক্বাযা হয়ে যেত, যা পরবর্তী শা‘
উত্তর : প্রয়োজনে মসজিদ স্থানাস্তর করা যায়। ওমর (রাঃ) কূফাবাসীর জামে‘ মসজিদকে ভেঙ্গে শহরের অন্যত্র বানিয়েছিলেন এবং প্রথম মসজিদের স্থানে খেজুর বিক্রেতাদের জন্য বাজার তৈরি করে দিয়েছিলেন (মাজমূ‘উ ফাতাওয়া ৩১/২১৬)। এমনকি মসজিদের সম্পত্তি কোন উপকারে ন
উত্তর : ইমাম গাযালীর এহইয়াউ উলূমিদ্দীন গ্রন্থে উক্ত বর্ণনা রয়েছে। কিন্তু বর্ণনাটি যঈফ এবং রাসূল (ছাঃ) থেকে প্রমাণিত নয়’ (তাফসীর রাযী, তাফসীর নিযামুদ্দীন নাইসাপুরী, বাক্বারাহ ১০৯)। উক্ত ছয় প্রকার লোক হ’ল, অত্যাচারী শাসক, জাত্যাভিমানী আরব, অহংকারী নেতা
উত্তর : ছালাতের মধ্যে আঙ্গুল ফুটানো যাবে না। ইবনু আববাস (রাঃ)-এর গোলাম শো‘বা বলেন, আমি ইবনু আববাসের পাশে ছালাত আদায় করছিলাম। আমি আঙ্গুল ফুটালে তিনি আমাকে ছালাতের মধ্যে আঙ্গুল ফুটাতে নিষেধ করেন (মুছান্নাফ ইবনু আবী শায়বা, ইরওয়া হা/৩৭৮-এর ব্যাখ্যা
উত্তর : তার উক্ত ছিয়াম শুদ্ধ হবে। কেননা তখনও রক্ত দেখা যায়নি (শায়খ উছায়মীন, সুয়ালান ফিল হায়েয ওয়ান নিফাস, পৃঃ ১০)।
উত্তর : এটি শরী‘আত সম্মত নয়। বরং যেকোন আনন্দে সিজদায়ে শুকর আদায় করা সুন্নাত (আবূদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/১৪৯৪ ‘সিজদায়ে শুক্র’ অনুচ্ছেদ)। তাছাড়া এজন্য আল্লাহর রাস্তায় ছাদাক্বা করা আবশ্যক। কা‘ব বিন মালিক (রাঃ)-এর তওবা কবুল হওয়ার সুসংবাদ পেয়ে তিনি খ
উত্তর : একই সমাজে পরস্পরের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে যে নতুন মসজিদ তৈরি করা হয় এবং যার দ্বারা মুমিন সমাজে বিভক্তি সৃষ্টি হয়, এ মসজিদকেই ‘মসজিদে যিরার’ বলা হয়। এরূপ মসজিদ তৈরির ক্ষেত্রে আল্লাহর সন্তুষ্টি উদ্দেশ্য থাকে না এবং তা তাক্বওয়ার উপর প্রত
উত্তর : অনীহা বশতঃ বিবাহ না করলে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর বিরুদ্ধাচরণ করা হবে। তিনি বলেন, ‘আমি তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে আল্লাহভীরু। আমি ছিয়াম রাখি, ছালাত আদায় করি এবং আমি বিবাহ করেছি। অতএব যে ব্যক্তি আমার সুন্নাত থেকে মুখ ফিরিয়ে নিল, সে ব্যক্তি আমার
উত্তর : উক্ত বর্ণনাটি জাল বা মিথ্যা (আলবানী, তাহক্বীক্ব মিশকাত হা/৬০৫৯; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৫৮১০, ১১/১৩৭ পৃঃ)।
উত্তর : কান্নার শব্দ, জীবনের প্রমাণ পাওয়া বা হাঁচি না দিলে জানাযা পড়া যাবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘যখন ভূমিষ্ট নবজাতক চিৎকার করবে, তখন তার উপর জানাযা পড়া হবে এবং সে ওয়ারিছ হবে’ (তিরমিযী, হা/১০৪; ইবনু মাজাহ হা/১৫০৮; মিশকাত হা/৩০৫০ ‘ফারায়েয
উত্তর : না। কারণ পিতার মৃত্যুর পূর্বে মেয়ে অংশীদার হয় না। একমাত্র মেয়ে (অন্য কোন সন্তান না থাকা সাপেক্ষে) শরী‘আত কর্তৃক নির্ধারিত অর্ধেক সম্পত্তির অধিকারী হবে এবং তা পিতার মৃত্যুর পরে। তবে জীবদ্দশায় তাকে হাদিয়া হিসাবে কিছু দিতে পারে। এ ক্ষেত্
উত্তর : কবরগুলি অতি প্রাচীন হ’লে এবং সেগুলিতে মৃত ব্যক্তিদের কোন চিহ্ন না মিললে সেখানে কবর দেওয়া যাবে। কবর খোড়ার পর যদি কোন হাড়-হাড্ডি পাওয়া যায় তাহ’লে সেগুলো কবরের এক পাশে রেখেই নতুন লাশ দাফন করবে (ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) পৃঃ ১২৬)।
উত্তর: তা‘যিয়া অর্থ বিপদে সান্ত্বনা দেওয়া। যেটা বর্তমানে শাহাদাতে হোসায়েন-এর শোক মিছিলে রূপ নিয়েছে। ইসলামে কারু মৃত্যুতে তিন দিনের অধিক শোক করা নিষেধ (আবুদাঊদ, নাসাঈ, মিশকাত হা/৪৪৬৩ ‘চুল অাঁচড়ানো’ অনুচ্ছেদ)। কিন্তু বাগদাদের গোঁড়া শী‘আ
উত্তর : আশূরায়ে মুহাররমে ৯-১০ অথবা ১০-১১ দু’দিন নাজাতে মূসার শুকরিয়ার নিয়তে দু’টি নফল ছিয়াম রাখতে হবে। ১০ই মুহাররম তারিখে ফেরাঊনের সাগরডুবি হয় এবং মূসা ও তাঁর বনু ইস্রাঈল সম্প্রদায় অত্যাচারী ফেরাঊনের হাত থেকে নাজাত পায়। তার শুকরিয়া হিসাব
উত্তর : উক্ত আলেমের বক্তব্য সঠিক। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, জিব্রীলের পায়ের গোড়ালি বা পাখার আঘাতে যমযম কূপের সৃষ্টি হয়েছে (বুখারী হা/৩৩৬৪-৬৫, ‘নবীদের কাহিনী’ অধ্যায়, ৯ অনুচ্ছেদ)।
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি জাল (তাযকিরাতুল মাওযূ‘আত, পৃঃ ৩৬; আলবানী, আছ-ছামারুল মুস্তাত্বাব, পৃঃ ৮৩৩)।
উত্তর : খালি গায়ে ওযূ করতে পারে এবং থাকতেও পারে। ওমর (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট গেলাম। তখন তিনি মাদুরের উপর চিৎ হয়ে শুয়ে ছিলেন, মাদুরের ও তাঁর মাঝে কোন কিছু ছিল না। মাদুর তাঁর শরীরে দাগ করে ফেলেছিল। তিনি খেজুরের ছাল ভর্তি
উত্তর : হবে। রাসূল (ছাঃ) এ ধরনের একজন ব্যক্তিকে শুধু নিম্নের দো‘আ শিক্ষা দিয়েছিলেন- ‘সুবহা-নাল্লা-হি ওয়াল হামদুলিল্লা-হি ওয়াল্লাহু আকবার, ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ (ছহীহ আবুদাঊদ হা/৮৩২; সনদ হাসান, মিশকাত হা/৮৫৮ ‘ছালাতে
উত্তর : দশ বছরের শিশু বিছানায় পেশাব করলে ধুয়ে ফেলতে হবে। তবে তার উপর কাপড় বিছিয়ে ছালাত আদায় করা যায় এবং কুরআন তেলাওয়াত করা যায় (বুখারী ‘ছালাত’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-১৭)।
উত্তর : বহু দিনের পুরাতন বা প্রাচীন কবরস্থান যেখানে আর কবর দেওয়া হয়নি সে স্থানে মসজিদ নির্মাণ করা যাবে। তবে অল্প দিনের কবরের উপর মসজিদ তৈরি করা যাবে না। ইবনে আববাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, তোমরা কবরের দিকে ফিরে ছালাত আদায় কর
উত্তর : বর্ণনাটি যঈফ। মুসনাদে আহমাদ ও ত্বাবারাণী সহ বিভিন্ন গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। এর সনদে রাশেদ ইবনু দাঊদ নামক একজন রাবী আছেন, যিনি দুর্বল। এজন্য মুহাদ্দিছগণ এই বর্ণনাকে যঈফ বলেছেন (তাহক্বীক্ব মুসনাদে আহমাদ হা/১৭১৬২; আলবানী, যঈফ তারগী
উত্তর : নেক আমল ও দো‘আর মাধ্যমে মানুষের তাকদীরের পরিবর্তন হয়। আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন তা মিটিয়ে দেন এবং যা ইচ্ছা করেন তা বহাল রাখেন’ (রা‘দ ৩৯)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘দো‘আর মাধ্যমে তাকদীর পরিবর্তন হয় এবং সৎ আমলের মাধ্যমে বয়
উত্তর : মৃত পিতা-মাতার জন্য দো‘আ করতে হবে (ইসরা ২৪) এবং তাদের নামে ছাদাক্বা করতে হবে (বুখারী হা/২৭৭০, ‘অছিয়ত’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-২৭)।
উত্তর : ইতেকাফ তাকওয়া অর্জন করার বড় মাধ্যম। আল্লাহ বলেন, আর যতক্ষণ তোমরা ইতিকাফ অবস্থায় মসজিদ সমূহে অবস্থান কর ততক্ষণ পর্যন্ত স্ত্রীদের সাথে মেলামেশা কর না। এগুলো আল্লাহর সীমারেখা (বাক্বারাহ ১৮৭)। এতে লায়লাতুল ক্বদর অনুসন্ধানের সুযো
উত্তর : উক্ত তথ্য সঠিক নয়। ১৫১১ নং হাদীছে ওমর বিন আব্দুল আযীয-এর কোন উল্লেখ নেই। বরং ১৫০৮ নং হাদীছে আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন যে, আমরা রাসূলের যামানায় এক ছা‘ খাদ্য-শস্য, খেজুর, যব ইত্যাদি দ্বারা ফিৎরা দিতাম। অতঃপর (হজ বা ওমরায়) মু‘আবিয়া
উত্তর : সন্তান বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করা নিষেধ। কারণ স্বাধীন মানুষকে বিক্রয় করা হারাম (মুসলিম, বুলূগুল মারাম হা/৯০১)। ঋণ পরিশোধের জন্য নিজে প্রাণপণে চেষ্টা করবে। নইলে সমাজ ও সরকারের কাছ থেকে সাহায্য নিবে (আবূদাঊদ, বুলূগুল মারাম হা/৬২৮;
উত্তর : নিতান্ত বাধ্য হ’লে পর্দা বজায় রেখে রাখাল-কিষাণের সহযোগিতা করা যাবে। কারণ আল্লাহ তা‘আলা নারীদেরকে বাড়ীতে থাকার জন্য আদেশ করেছেন (আহযাব ৩৩) এবং বাড়ীর বাহিরে পর্দা করে চলার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন (নূর ৩১)।
উত্তর : বিভিন্ন কারণে শেয়ার বেচাকেনা জায়েয নয়। যেমন- (১) ক্রেতার অনেক সময় সম্যক জ্ঞান থাকে না কী বস্ত্তর শেয়ার তিনি ক্রয় করেছেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হারাম বস্ত্তর ক্রয়-বিক্রয় হারাম করেছেন (বুখারী, মুসলিম, বুলূগুল মারাম হা/৭৬৯)। (২) যে ব
উত্তর : গান-বাজনা হারাম (লোকমান ৬)। বিশেষ করে ঈদুল ফিৎর উপলক্ষে আরো কঠিন পাপের কাজ। কারণ ঈদুল ফিৎর একটি পবিত্র ইবাদত অনুষ্ঠানের নাম। এ দিন উপলক্ষে কোন শরী‘আত বিরোধী কাজ করা যাবে না। এ সমস্ত মেলার আয়োজন করা এবং নাচ-গান ও বাজনার ব্যবস্থ
উত্তর : আছে। যেমন (১) আল্লাহ বলেন, ‘হে নবী আপনি যদি অত্যাচারীদের (কাফির-মুশরিকদের) দেখতেন, যখন তারা মৃত্যু কষ্টে পতিত হয়, ফেরেশতারা তাদের দিকে হাত বাড়িয়ে বলে, তোমরা তোমাদের আত্মা বের করে দাও। ফেরেশতাগণ এ সময় বলেন, আজ হ’তে তোমাদেরকে প্রতি
উত্তর : উক্ত ঘটনা ভিত্তিহীন। এর কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না।
উত্তর : সে কবীরা গোনাহ করেছে। তাকে আল্লাহর নিকট তওবা করতে হবে (যুমার ৫৩)। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা দারিদ্রে্যর ভয়ে সন্তান হত্যা কর না, আমি তোমাদের ও তাদের রূযী দিয়ে থাকি’ (ইসরা ৩০)।
উত্তর : হাত তুলে দো‘আ করার কথা বলা হয়নি। বরং দো‘আয় শরীক হওয়ার অর্থ হ’ল তারা পুরুষের সাথে তাকবীর পাঠ করবে এবং ইমামের খুৎবা, উপদেশমূলক বাণী ও যিকির-আযকারে শরীক হবে (মির‘আত ৫/৩১ পৃঃ)। নবী করীম (ছাঃ) বলেন, ঋতুবতী নারীরা পুরুষদের সাথে তাকব
উত্তর : তাদের হাতে যবেহকৃত প্রাণী না হলে খায় যাবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এবং তাঁর ছাহাবীগণ মুশরিক মহিলার পাত্র হ’তে পানি নিয়ে পান করেন (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত, বুলূলুল মারাম হা/২০)। অমুসলিমদের দ্বারা যবহকৃত বলে নিশ্চিত হ’লে তা ‘বিসমিল্লা-হ’ বলে
উত্তর : অনুবাদ: হে জনগণ মুহাম্মাদ তোমাদের পুরুষদের মধ্যে কারো পিতা নন, বরং সে আল্লাহর রাসূল ও সর্বশেষ নবী। আর আল্লাহ সর্ব বিষয়ে জ্ঞানী’ (আহযাব ৪০)। নবী করীম (ছাঃ) পুত্রবধুকে বিবাহ করেছিলেন বলে যে আপত্তি তোলা হয়েছিল অত্র আয়াতে তার সম
উত্তর : কুরআন তেলাওয়াতের শুরুতে ‘আঊযুবিল্লাহ’ বলে শুরু করা (নাহল ৮)। সূরা তওবা ব্যতীত অন্য সূরার শুরু থেকে তেলাওয়াত করলে ‘বিসমিল্লাহ’ বলে শুরু করা। সূরার শুরুতে এটি পড়া সুন্নাত (আবুদাঊদ, ইরওয়া হা/৩৪৩, মিশকাত হা/২১৯৬)। সুন্দর আওয়াযে তেল
উত্তর : ছালাত আদায়ের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘তোমরা আমাকে যেভাবে ছালাত আদায় করতে দেখছ, সেভাবেই ছালাত আদায় কর’ (বুখারী, মিশকাত হা/৬৮৩)। তিনি নারী ও পুরুষের জন্য দু’বার দু’ভাবে ছালাত আদা
উত্তর : দারিদ্রে্যর ভয়ে সন্তান কম নেওয়ার লক্ষ্যে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা হারাম (বনী ইসরাঈল ৩১)। তবে বাচ্চার দুধ খাওয়া পর্যন্ত কিংবা স্ত্রীর কোন শারীরিক কারণে যেকোন অস্থায়ী পদ্ধতি গ্রহণ করা যায় (মুসলিম, মিশকাত হা/৩১৮৭)। সন্তান না নেওয়ার উদ্দে
উত্তর : সন্তান জন্মের ৭ম দিনে আক্বীক্বা করা সুন্নাত। এটা পিতা বা অভিভাবকের দায়িত্ব। ৭ম দিনের আগে কিংবা পরে কেউ আক্বীক্বা করলে সেটা সুন্নাত মোতাবেক হবে না। ১৪ ও ২১ দিনে আক্বীক্বা সম্পর্কে ত্বাবারাণী ও বায়হাক্বী বর্ণিত হাদীছটি নিতান্তই যঈফ
উত্তর : পিতা-মাতা কোন ছেলেকে এককভাবে অধিক সম্পদ দিতে পারবেন না। বরং সবাইকে সমানভাবে দিতে হবে (বুখারী হা/২৫৮৬-৮৭ ‘হেবা ও তার ফযীলত’ অধ্যায়)। অতঃপর বর্তমান অবস্থায় খালেছ অন্তরে তওবা করতে হবে এবং কসম ভঙ্গের কাফফারা দিতে হবে (মুসলিম ‘শপথ’
উত্তর : তাদের অসীলায় নয়, বরং তাদের দিয়ে দো‘আ করানো যাবে। নবী করীম (ছাঃ)-এর মৃত্যুর পর ছাহাবায়ে কেরাম তাঁর চাচা আববাস (রাঃ)-কে দিয়ে বৃষ্টি প্রার্থনা করেছিলেন (বুখারী, মিশকাত হা/১৫০৯ ‘ইস্তিসক্বা’ অনুচ্ছেদ)। উল্লেখ্য যে, কোন মৃত ব্যক্তিকে
উত্তর : এমতাবস্থায় পরীক্ষা শুরুর আগে সুন্নাত ছাড়াই কেবল যোহর ও আছর দু’এক্বামতে ৪+৪ রাক‘আত (ثمانيًا) জমা করবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, নায়লুল আওত্বার ৪/১৩৬; বুখারী হা/৫৪৩, ৫৬২, ১১৭৪ ‘ফরযের পরে সুন্নাত-নফল না পড়া’ অনুচ্ছেদ; মুসলিম হা
উত্তর : এমতাবস্থায় দু’টি সহজ পথ রয়েছে : (১) প্রতি ওয়াক্তের জন্য পৃথক পৃথক ওযূ করে ছালাত আদায় করবেন (২) যোহর-আছর এবং মাগরিব-এশা সুন্নাত ছাড়াই জমা করে পড়বেন। যেভাবে মুস্তাহাযা নারীর ব্যাপারে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে (তিরমিযী; আবূদাঊদ; ম
উত্তর : উক্ত বিবরণ সঠিক হ’লে বিক্রেতার উপর ক্রেতা হাজী যুলুম করেছেন। যুলুমের মাধ্যমে অর্জিত টাকা হালাল নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ পবিত্র, তিনি পবিত্র বস্ত্ত ভিন্ন কবুল করেন না’ (মুসলিম; মিশকাত হা/২৭৬০ ‘ক্রয়-বিক্রয়’ অধ্
উত্তর : ছাগল ব্যতীত অন্য কোন পশু যেমন গরু বা উট দ্বারা আক্বীকা দেয়ার কোন ছহীহ হাদীছ নেই। উট, গরু ও ছাগল দিয়ে আক্বীক্বা সম্পর্কে আনাস (রাঃ) হ’তে যে মরফূ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে, তা মওযূ বা জাল (ত্বাবারাণী ছাগীর, ইরওয়া হা/১১৬৮, ৪/৩৯৩ পৃঃ)।
উত্তর : খোসা সহ বা খোসা বিহীন সর্বাবস্থায় গমকে গম এবং যবকে যব বলা হয় এবং তা ছিল সে সময় আরবদের সরাসরি খাদ্যের অন্তর্ভুক্ত। আর সেজন্য তা দিয়ে ফিৎরা দেওয়া হ’ত। পক্ষান্তরে খোসা বিহীন ধানকে চাউল বলা হয়, যা সরাসরি খাদ্য। সেকারণ চাউল দিয়েই ফিৎর
উত্তর : স্ত্রী যদি মনে করে স্বামী জানতে পারলে মেনে নিবেন না, তাহ’লে দান করতে পারবে না। কারণ স্বামীর অনুমতি ছাড়া দান করা নিষেধ (তিরমিযী, মিশকাত হা/১৯৫১, সনদ হাসান)। সংসার ধ্বংসকর নয় এমন দান করা যাবে। এতে স্ত্রী, স্বামী এবং রক্ষণাবেক্ষণকারীও
উত্তর : প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কুকুরের ক্ষেত্রে দু’টি শর্ত রয়েছেঃ (১) যদি কুকুরটি নিজে মৃত পশুর কিছু অংশ না খেয়ে ফেলে (২) শিকার করার সময় অন্য কোন কুকুর যেন প্রশিক্ষিত কুকুরের সাথে শামিল না হয় (ছহীহ তিরমিযী হা/১৪৭০; ছহীহ নাসাঈ হা/৪২৬৫)। ত
উত্তর : মহিলারা মহিলাদের নির্ধারিত স্থানেই ছালাত আদায় করবে। পুরুষদের জায়গা খালি থাকার সাথে কোন সম্পর্ক নেই। এতে ইমামের ইক্তেদা করতে কোন বাধা নেই (বুখারী হা/৭২৯)।
উত্তর : হিসাব হবে। হিসাব হবে না মর্মে কোন দলীল পাওয়া যায় না। তবে আগুনে পুড়ে, পানিতে ডুবে, দেয়াল চাপা পড়ে মারা গেলে শহীদের মর্যাদা পাবে মর্মে ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে (ছহীহ আবূদাঊদ হা/৩১১১; ছহীহ নাসাঈ হা/১৮৪৬)। বিনা হিসাবে জান্নাতে যা
উত্তর : হাত উঠিয়ে কতক্ষণ রাখতে হবে তা বুখারী কেন কোন হাদীছেই বলা হয়নি; বরং কোন্ পর্যন্ত হাত উঠাতে হবে তা বলা হয়েছে। অতএব ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) বইয়ে যেভাবে বলা হয়েছে সেটিই সঠিক।
উত্তর : এটি স্বাভাবিক পরিবর্তন। আল্লাহ যা খুশী তাই করতে পারেন। উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যা হচ্ছে- আল্লাহর সৃষ্টির চিরন্তন নিয়মের কোন পরিবর্তন নেই। এর ব্যতিক্রম কেবল তার হুকুমেই হ’তে পারে। যেমন মারিয়াম ও ঈসার বেলায় হয়েছিল। আরেকটি ব্যাখ্যা হ’ল, ত
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (যঈফ ইবনে মাজাহ হা/১৬১৩; যঈফ আত-তারগীব হা/১৮২৫)।
উত্তর : উক্ত ভাইয়ের কথাই সঠিক। আল্লাহর নিজস্ব আকার রয়েছে। তবে তাঁর আকার কারো সাথে তুলনীয় নয় (শূরা ১১)। আল্লাহর চেহারা, হাত, চোখ, পা ইত্যাদি অঙ্গের কথা সরাসরি পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে (রহমান ২৭; মায়েদাহ ৬৪; ত্বোয়া-হা ২০; ক্বলম ৪২)। আল্লাহ তা‘আলা বলে
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছের সনদ ছহীহ (আহমাদ, বায়হাক্বী, মিশকাত হা/৫০৯৯; ইরওয়াউল গালীল হা/৭৪)। উল্লেখ্য, উক্ত দো‘আর শেষে ‘ওয়া হার্রিম ওয়াজহী আলান না-র’ বলে যে অতিরিক্ত অংশ প্রচলিত আছে সেই অংশটুকু যঈফ (দ্রঃ ইরওয়া হা/৭৫, ১ম খন্ড, পৃঃ ১১৩)।
উত্তর : মোবাইলে গান-বাজনা রাখা ও তা শ্রবণ করা হারাম (লোকমান ৬)। ইসলাম প্রকাশ্য ও গোপন সকল প্রকার অশ্লীলতাকে হারাম করেছে (আ‘রাফ ৩৩)। সুতরাং এগুলো থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। তবে এসব সেট বন্ধ রেখে ছালাত আদায় করলে ছালাত হয়ে যাবে।
উত্তর : ঈদগাহের সামনে দিয়ে যদি প্রাচীর থাকে অথবা কবর যদি দূরে পৃথক জমিতে থাকে, তাহ’লে ছালাত হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা কবরের উপর বসো না এবং কবরের দিকে ছালাত আদায় কর না’ (মুসলিম, মিশকাত হা/১৬৯৮)।
উত্তর : ‘আমি আপনাকে সুসংবাদ দানকারী এবং সতর্ককারী হিসাবে প্রেরণ করেছি এবং আপনি জাহান্নামীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবেন না (বাক্বারাহ ১১৯)। অর্থাৎ সুসংবাদ প্রদান এবং সাবধান করার পরে তারা যে কুফরী করেছে এবং তারা যে জাহান্নামী হয়েছে, এ জন্য আপনাকে ধরা হবে
উত্তর : সূরা ফাতিহার পর নির্দিষ্ট করে কত আয়াত পড়তে হবে তা কোন ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়নি। তবে রাসূল (ছাঃ) যতটুকু সম্ভব ততটুকু পড়তে নির্দেশ দান করেছেন (ছহীহ আবুদাঊদ হা/৮৫৬, সনদ ছহীহ)। তাই কখনও ছোট আবার কখনও বড় সূরা তেলাওয়াত করা যাবে। রাসূল (ছা
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কুলুখ ও পানি একত্রে ব্যবহার করেছেন মর্মে প্রমাণ পাওয়া যায় না। তিনি কখনো কেবল পানি ব্যবহার করেছেন (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৩৪২, ৩৬০ ‘টয়লেটের শিষ্টাচার’ অনুচ্ছেদ)। কখনো বেজোড় সংখ্যক কুলুখ ব্যবহার করেছেন (বুখারী হ
উত্তর : ছয় শব্দটি উল্লেখ করে ছহীহ, যঈফ ও জাল সনদে রাসূল (ছাঃ) থেকে একটি হাদীছও দুনিয়ার কোন আলেমের পক্ষে দেখানো সম্ভব নয়। যেহেতু রাসূল (ছাঃ) হ’তে বারো তাকবীরের ছহীহ হাদীছ রয়েছে, সেহেতু তার বিপরীতে কোন আমল গ্রহণযোগ্য নয়’ (ছহীহ আবু দাঊদ হা/১১৪৯; ছ
উত্তর : সবাই মুসলিম বলে নিজের পরিচয় দিলে কোন সমস্যা নেই। দাওয়াতী ক্ষেত্রে এটি বেশ কার্যকরী। কিন্তু যেহেতু মাযহাবী পরিচয় দিয়ে বহু বিদ‘আতকে সমাজে চালু রাখা হয়েছে। সেহেতু ছহীহ্ হাদীছের অনুসারী হিসাবে ‘আহলেহাদীছ’ নামটি বৈশিষ্ট্যগত পরিচিতি হিসাবে
উত্তর : বর্ণনাটি জাল (যঈফ ইবনে মাজাহ হা/১৬৫১; সিলসিলা যঈফাহ হা/৪৬৬১)।
উত্তর : এর দ্বারা ইসলামী রাষ্ট্রের ও ইসলামী সংগঠনের মুহাদ্দিছ-আমীর, ফক্বীহ ও মুত্তাক্বী আলেমগণকে বুঝানো হয়েছে। যারা আল্লাহর আনুগত্য এবং তাঁর নবীর ছহীহ সুন্নাহ মোতাবেক মানুষকে সৎ পথে চলার আদেশ দেন, তারাই উলুল আমরের অন্তর্ভুক্ত (তাফসীর ইবনু কাছীর
উত্তর : যাবে না। কারণ রাসূল (ছাঃ) এতে নিষেধ করেছেন (ছহীহ ইবনু মাজাহ হা/১০০২)। তবে লোক সমাগম বেশী হওয়ার কারণে স্থান সংকুলান না হলে বাধ্য হয়ে দাঁড়ানো যেতে পারে (ছহীহ তিরমিযী হা/২২৯, সনদ ছহীহ)। উল্লেখ্য, পিলারের মাঝে কেউ একাকী ছালাত আদায় করলে অথবা ইমাম
উত্তর : হাদীছটি ছহীহ (আবুদাঊদ হা/৪২৯১; ঐ, মিশকাত হা/২৪৭ ‘ইল্ম’ অধ্যায়)। বর্তমান শতাব্দীর মুজাদ্দিদ কে হবেন বা হয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আল্লাহই ভাল জানেন। তবে বিগত শতাব্দীর মুজাদ্দিদ হিসাবে শায়খ আলবানীকে ধরা হয়ে থাকে।
উত্তর : শুধু মাগরিব নয় যেকোন ছালাতে মাসবূক মুছল্লী ইমামকে যে অবস্থায় পাবে সে অবস্থায় ছালাতে শরীক হবে এবং যা ছুটে যাবে তা পূর্ণ করবে (বুখারী হা/ ৬৩৬; মুসলিম হা/৬০২)। দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করে তাশাহ্হুদ পড়তে হয়। অতএব শেষ তাশাহ্হুদ পাওয়ার কারণে মাসবূ
উত্তর : বারবার তওবা করেও যদি কেউ একই গুনাহে জড়িত হয় তাহলে মনে করতে হবে যে, তার তওবা শর্ত মাফিক হচ্ছে না। এরপরেও তওবার দরজা আল্লাহ খুলে রেখেছেন। বান্দা যতই গোনাহ করুক অনুতপ্ত হয়ে পুনরায় সেই পাপ করবে না বলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে তওবা করলে আল্লাহ তা
উত্তর : মদ পানকারীর চল্লিশ দিনের ছালাত কবুল হবে না। সে যদি এ অবস্থায় মারা যায় তাহলে জাহান্নামে প্রবেশ করবে (ছহীহ ইবনে মাজাহ হা/৩৩৭৭)। তওবা ব্যতীত তার গোনাহ মাফ হবে না (যুমার ৫৩)।
উত্তর : উক্ত প্রশ্ন সঠিক হয়নি। বরং একই বেচাকেনার মধ্যে দু’টি শর্ত নিষেধ করা হয়েছে (ছহীহ তিরমিযী হা/১২৩৪; ছহীহ আবীদাঊদ হা/৩৫০৪)। ফলে একই পণ্যে নগদে এক মূল্য আর বাকীতে এক মূল্য পৃথক করা থাকলে তাতে কোন সমস্যা নেই। কারণ এরূপ ক্রয়-বিক্রয় একই বেচাকেনার
উত্তর : এগুলো ব্যবসার নামে স্পষ্ট সূদী কারবার, যা হারাম (মুসলিম, মিশকাত হা/২৮০৭)। এটা এক প্রকার প্রতারণ, যা রাসূল (ছাঃ) নিষেধ করেছেন (মুসলিম, মিশকাত হা/৩৫২০)।
উত্তর : এতে কিছু করণীয় নেই। কারণ সে না জেনে দিয়েছে। উভয়ে নেকী পাবে। তবে মসজিদে কোন এক ছালাতের জন্য একবার আযান হওয়াই সুন্নাত।
উত্তর : একই ঈদগাহে একাধিক জামা‘আত করা যাবে না। জায়গা সংকুলান না হ’লে ঈদের মাঠ বড় করে অথবা অন্য কোন খোলা ময়দানে একই স্থানে ঐক্যবদ্ধভাবে ছালাত আদায় করবে। রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম একই মাঠে একাধিক বার ঈদের জামা‘আত করেছেন মর্মে কোন প্রমা
উত্তর : ক্রেতাকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য কেউ এমনটি করলে এই ব্যবসা অবশ্যই হারাম হবে। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) প্রতারণার মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন (মুসলিম, মিশকাত হা/২৮৫৫)। পক্ষান্তরে খাদ মিশিয়ে গহনা বানালে এবং সে হিসাবে গিনি সোন
উত্তর : পাপের কাজে সাহায্য করা অবশ্যই পাপ। আল্লাহ বলেন, তোমরা সৎকর্মে ও আল্লাহভীরুতার কাজে পরস্পরকে সাহায্য কর এবং পাপ ও সীমালংঘনের কাজে সাহায্য করো না’ (মায়েদাহ ২)। তবে একাজে তার বিবেকে বাধা দেওয়াটা তার ঈমানের পরিচয়। তাকে দ্রুত এ চাকুরী ছেড়ে
উত্তর : অনুবাদ : ‘আর তাদের মধ্যে এমন কিছু লোক রয়েছে, যারা আল্লাহর নিকট ওয়াদা করে যে, আল্লাহ যদি আমাদের উপর অনুগ্রহ করেন, তবে আমরা দান-খয়রাত করব ও নেককার লোকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব’ (তওবা ৭৫)। ‘অতঃপর যখন আল্লাহ তাদেরকে অনুগ্রহ করলেন, তখন তারা তা
উত্তর : এগুলো মাদকের অন্তর্ভুক্ত এবং হারাম বস্ত্ত। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যার বেশীতে মাদকতা আনে, তার অল্পটাও হারাম’ (তিরমিযী, আবুদাঊদ, ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/৩৬৪৫ ‘দন্ডবিধি’ অধ্যায় ‘মদ্যপান’ অনুচ্ছেদ)। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, পবিত্র বস্ত্ত তাদের জন্য হাল
উত্তর : উক্ত ফায়ছালা সঠিক হয়নি। কারণ ঋতু অবস্থায় ছালাত আদায় করা ও ত্বাওয়াফ করা যায় না (বুখারী হা/৩০৫-৬)। ইবনে আববাস অপবিত্র ব্যক্তির জন্য কুরআন পাঠ করাকে কোন দোষের কাজ মনে করতেন না। নবী করীম (ছাঃ) সর্বাবস্থায় আল্লাহর যিকির করতেন (বুখারী ‘ঋতু’ অধ্যায়,
উত্তর : বৃষ্টির পানি চাওয়ার জন্য ও কুনূতে নাযেলার সময় ইমাম ও মুক্তাদী সম্মিলিতভাবে হাত তুলে দো‘আ করেছেন (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/১৫০৮; আলবানী, ছিফাতু ছালাতিন্নবী পৃঃ ১৫৯)।
উত্তর : উক্ত ঘটনা মিথ্যা ও বানাওয়াট।
উত্তর : এসব দরূদ সুন্নাত বিরোধী যা পড়লে নেকীর স্থানে গুনাহ হবে। একদা ছাহাবীগণ বলেন, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! আল্লাহ আমাদেরকে আপনার উপর ছালাত ও সালাম দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। আপনার উপর কিভাবে ছালাত পড়ব? তখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, তোমরা বল
উত্তর : এমতাবস্থায় অন্যের কাছে বিচার না চাওয়াই ভাল। কারণ যারা সঠিক পথে থাকে তাদের পক্ষ থেকে ফেরেশতারা প্রতিবাদ করেন। আর সঠিক পথের ব্যক্তি যদি প্রতিবাদ করতে যায় তাহ’লে ফেরেশতা সরে যান (আহমাদ, মিশকাত হা/৫১০২; সনদ ছহীহ, সিলসিলা ছহীহাহ হা/২২৩১)।অন্
উত্তর : মসজিদে আযান ব্যতীত অন্য কোন ঘোষণা না দেওয়াই উচিত। যেমন হারানো বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা যাবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, কেউ মসজিদে হারানো বিজ্ঞপ্তি শুনলে সে যেন বলে আল্লাহ যেন তোমাকে জিনিষটি ফেরত না দেন। কারণ এ কাজের জন্য মসজিদ বানানো হয়ন
উত্তর : এটা শরী‘আতের নামে নতুন আবিস্কার, যা পরিত্যাজ্য। নবী (ছাঃ) বলেছেন, ‘কোন ব্যক্তি এমন আমল করে যার ব্যপারে আমার কোন নির্দেশনা নেই, তা পরিতাজ্য’ (বুখারী ২/১০৯২ পৃঃ)।
উত্তর : যেকোন সময়ে মসজিদে প্রবেশ করলে তাহিইয়াতুল মসজিদ দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) দু’রাক‘আত ছালাত আদায় না করে মসজিদে বসতে নিষেধ করেছেন (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৭০৪)।
উত্তর : যে ছালাতের জন্য মসজিদে প্রবেশ করা হয়েছে সেই ছালাতের সুন্নাত থাকলে সেই সুন্নাত পড়তে হবে। আর সেই ছালাতের কোন সুন্নাত না থাকলে দুখূলুল মসজিদ দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৭০৪; ফাতাওয়া আরকানিল ইসলাম, পৃঃ ৩৫৮)
উত্তর : শুধু আমাদের নামই মুসলিম নয়; বরং সকল নবীর উম্মতের নাম ছিল মুসলিম। আল্লাহ তা‘আলা তাঁর একনিষ্ঠ বান্দাদের নাম রেখেছেন মুসলিম। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘এবং জিহাদ কর আল্লাহর পথে যেভাবে করা উচিত; তিনি তোমাদের মনোনীত করেছেন। তিনি দ্বীনের ব্
উত্তর : এটা অলৌকিক কোন ঘটনা নয়; বরং মিথ্যা গুজব মাত্র। কুরআন মাজীদে দাড়ি-চুল পাওয়া যেতেই পারে। কারণ মানুষ কুরআন পড়ে এবং প্রেস থেকে বের হওয়ার পর মানুষই তা বাঁধাই করে।
উত্তর : নারীদের জন্য এসব খেলা সর্বাবস্থায় হারাম। এসব খেলা নারীদের স্বাস্থ্য, স্বভাব ও মর্যাদার বিরোধী। আল্লাহ তাদেরকে বাড়ীতে থাকার নির্দেশ দান করেছেন (আহযাব ৩৩)। তিনি বলেন, মেয়েরা যেন এমনভাবে পা না ফেলে, যা তাদের গোপন সৌন্দর্য অন্যকে জানিয়ে দেয়
উত্তর : কোন ফরয ছালাত ছুটে গেলে যখন স্মরণ হবে তখন আদায় করে নিবে। কারণ ফরয ছালাত আদায়ের ব্যাপারে বিলম্বের কোন সুযোগ নেই। আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘কোন ব্যক্তি যদি ছালাত পড়তে ভুলে যায় অথবা ছালাত রেখে ঘুমিয়ে যায়, তা
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (তিরমিযী হা/২৮৯৮; সিলসিলা যঈফাহ হা/৩০০; মিশকাত হা/২১৫৮)। তবে সূরা ইখলাছ পাঠের অনন্য ফযীলত রয়েছে। যেমন- রাসূল (ছাঃ) বলেন, সূরা ইখলাছ একবার পড়লে এক তৃতীয়াংশ কুরআন পাঠের সমান নেকী পাওয়া যায় (মুসলিম, মিশকাত হা/২১
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। কারণ কেউ কারু জন্য ছালাত আদায় করতে পারে না। ইবনু ওমর (রাঃ) বলেন, কেউ কারো পক্ষ থেকে ছিয়াম পালন করতে পারে না এবং কেউ কারো পক্ষ থেকে ছালাত আদায় করতে পারে না (মুওয়াত্ত্বা, মিশকাত হা/২০৩৫)। তবে মানতের ছিয়াম একজন অন্য জ
উত্তর : তারা জান্নাত ও জাহান্নামের মাঝখানে একটি উঁচু জায়গায় অবস্থান করবে। তারাই হবে আ‘রাফবাসী (তাফসীরে ইবনে কাছীর ১/২২৫ পৃঃ, সূরা আ‘রাফ ৪৬ ও ৪৭ নং আয়াতের আলোচনা দ্রঃ)।
উত্তর : এধরনের দাওয়াতে অংশ গ্রহণ করা উচিত নয়। আল্লাহ তাঁর রাসূলকে বলেন, ‘ঐসব লোকদের পরিত্যাগ করুন যারা তাদের ধর্মকে ক্রীড়া ও কৌতুকরূপে গ্রহণ করেছে এবং পার্থিব জীবন যাদেরকে ধোঁকায় ফেলেছে (আন‘আম ৭০)।
উত্তর : উক্ত বিষয় সম্পর্কে শারঈ কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না।
উত্তর : বলার অপেক্ষা রাখে না ঈদে মীলাদুন্নবী একটি সুস্পষ্ট বিদ‘আত, যা ৬০৫ মতান্তরে ৬২৫ হিজরীতে ইরাকে প্রথম চালু হয়। তাই এ দিনকে উপলক্ষ করে যা কিছুই করা হোক না কেন তা বিদ‘আতী আমল হিসাবে গণ্য হবে (লাজনা দায়েমা, ফৎওয়া নং ৫৭২৩)। রাসূল (ছাঃ)-এর জী
উত্তর : ঐ সময় জান্নাতীদের বয়স ৩০ অথবা ৩৩ হবে (তিরমিযী হা/২৫৪৫; মিশকাত হা/৫৬৩৯ ‘ক্বিয়ামতের অবস্থা’ অধ্যায় ‘জান্নাত ও জান্নাতবাসীদের বিবরণ’ অনুচ্ছেদ-৫)। অনুরূপ বয়স হবে জাহান্নামীদের। তবে উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (তিরমিযী হা/২৫৬২; মিশকাত হা/৫৬৪৮)।
উত্তর : প্রসিদ্ধ চার ইমামের মধ্যে ইমাম আবু হানীফা ছাড়া বাকী তিন ইমাম ছালাতে রাফ‘উল ইয়াদায়েন করতেন। ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) শুধু তাকবীরে তাহরীমার সময় রাফ‘উল ইয়াদাইন করতেন|
উত্তর : নিরাপদ ও সুষ্ঠু যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ দৈহিক সক্ষমতা থাকলে এবং আর্থিকভাবে কা‘বা ঘরে যাওয়া ও আসার সমপরিমাণ সম্পদ থাকলে তার ওপর হজ্জ ফরয (আলে ইমরান ৯৭)। অনেকের উপর হজ্জ ফরয হওয়া সত্ত্বেও বিভিন্ন অজুহাতে অলসতা করেন। অথচ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলে
উত্তর : হাদীছটি অত্যন্ত যঈফ। ইমাম তিরমিযী (রহঃ) বলেন, উক্ত হাদীছের সনদে হাফছ ইবনু সুলায়মান নামক একজন দুর্বল রাবী আছে (যঈফ তিরমিযী হা/২৯০৫; ‘ফাযায়েলুল কুরআন’ অধ্যায়; মিশকাত হা/২১৪১)।
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সম্পূর্ণ বানাওয়াট ও ভিত্তিহীন। এখানে প্রচলিত বিদ‘আতী তাবলীগে যাওয়ার বিষয়টিকে জামা‘আতে ছালাত আদায় ও হজ্জ করার চাইতে উত্তম কাজ বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। অতএব এইসব বিদ‘আতীদের সঙ্গ ত্যাগ করা উচিত। এদের কোন বয়ান শুনবেন
উত্তর : মূলতঃ টাখনুর নীচে কাপড় পরিধান করা ও ছালাত আদায় দু’টি দুই বিষয়। টাখনুর নীচে কাপড় পরা নিঃসন্দেহে একটি বড় অপরাধ যা বহু ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত (মুত্তাফাক আলাইহ, মিশকাত হা/৪৩১১)। সেটা ছালাতের মধ্যে হোক আর ছালাতের বাইরেই হোক। একজন প্রকৃত
উত্তর : যাবে। যদি দেখে বা শুনে ইমামের রকূ, সিজদা, কওমা বুঝা যায় তাহ’লে অন্য মসজিদ বা অন্য স্থান থেকেও জামা‘আতে ছালাত আদায় করা জায়েয। মুক্তাদী ও ইমামের মাঝখানে রাস্তা বা দেয়াল থাকলেও কোন দোষ নেই, যদি মুক্তাদী ইমামের তাকবীরে তাহরীমা সহ সব
উত্তর : ইমামের পিছন থেকে কাতারবন্দি হবে, যাতে ইমাম মাঝখানে হয় এবং তার ডানে ও বামে মুছল্লী সমান হয়। আনাস বিন মালেক বলেন, একদা নবী করীম (ছাঃ) ছালাত আদায় করলেন। তখন আমি ও আমার ছোট ভাই তাঁর পিছনে দাঁড়ালাম। আমার বৃদ্ধা মা উম্মে সুলায়েম দাঁড়ালেন আম
উত্তর : এখানে জোড়া জোড়া সৃষ্টির অর্থ ভিন্ন ভিন্ন প্রকারের নর ও মাদী সৃষ্টি করা (তাফসীরে ফাৎহুল ক্বাদীর ৫ম খন্ড, পৃঃ ২৬৪)।
উত্তর : মানুষ কসম করতে পারে কেবলমাত্র আল্লাহর নামে (বুখারী হা/৩৮৩৬, মুসলিম হা/৪৩৪৮)। অন্যের নামে কসম করা শিরক (তিরমিযী, সনদ ছহীহ, মিশকাত হা/৩৪১৯)। ইবনুল আরাবী বলেন, যদি কোন ব্যক্তি জেনে-শুনে এরূপ শপথ করে, সে ব্যক্তি কাফির। আর যদি কেউ অজ্ঞতার বশে
উত্তর : এরূপ সাংকেতিক সংখ্যায় বিসমিল্লাহ লেখা যাবে না। ‘বিসমিল্লাহ’-এর শব্দগুলোর বিশেষ গাণিতিক মান বের করে ৭৮৬ সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ব্যবহারকারীরা মনে করে, এর দ্বারা ‘বিসমিল্লাহ’-কে যত্রতত্র অমর্যাদাকর ব্যবহার থেকে রক্ষা করা যায়। এটা
উত্তর : উক্ত দাবী সঠিক নয়। কেননা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তোমরা আমার পক্ষ হ’তে একটি আয়াত জানা থাকলেও তা অন্যকে পৌঁছে দাও’ (বুখারী, মিশকাত হা/১৯৮, ‘ইলম’ অধ্যায়)।
উত্তর : কাজটি বৈধ হয়নি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘আল্লাহ প্রত্যেক হকদারকে তার হক দিয়ে দিয়েছেন। সুতরাং কোন ওয়ারিছের জন্য কোন অছিয়ত নেই’ (আবুদাঊদ হা/৩৫৬৫, সনদ ছহীহ)।কোন ব্যক্তি যদি পুত্র ছাড়া কেবল একটি মেয়ে রেখে মারা যায়, তাহ’লে সে মেয়েটি তার
উত্তর : উক্ত হাদীছে তার নিজস্ব আমল বন্ধ হওয়ার কথা বলা হয়েছে (মুসলিম, মিশকাত হা/২০৩)। কিন্তু তার নামে কেউ হজ্জ বা ছাদাক্বা করলে তা তার কাছে পৌঁছবে। কারণ এটা তার করা আমল নয় (মুসলিম, মিশকাত হা/১৯৫০)।
উত্তরঃ কালোজিরাতে মৃত্যু ছাড়া সকল রোগের ঔষধ রয়েছে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৪৫২০)।
উত্তর : ইমাম ভুল করে ছালাত শেষ করলে তার জন্য আর কিছু করণীয় নেই। কারণ জানাযার ছালাতে কোন লোকমা নেই (ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/২০৭ পৃঃ)। তাই ইমাম-মুক্তাদী কেউ দায়ী হবেন না।
উত্তর : নীরবে পড়া যাবে না; বরং একাকী হলেও সরবে পড়তে হবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ৬/৪১১ পৃঃ)। তবে মাসবূক ব্যক্তি নিম্নস্বরে ক্বিরাআত পড়বে। যাতে অন্য মুছল্লীর সমস্যা না হয় (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ৬/৪১৫ পৃঃ)।
উত্তর : গণকের নিকট গিয়ে রাশি গণনা করা, তার কথা বিশ্বাস করা, তার দেয়া আংটি ও পাথর ব্যবহার করা হারাম। এতে তার ৪০ দিনের ছালাত কবুল হবে না। আর সে হবে নবী (ছাঃ)-এর আনিত বিধানকে অস্বীকারকারী (মুসলিম, মিশকাত হা/৪৫৯৫)।
উত্তর : হাদীছটি জাল (যঈফুল জামে‘ ৫৭৮৭; মওযূ‘আত ১ম খন্ড পৃঃ ২৪৭)।
উত্তর : ডাক্তারগণ রোগী দেখতে যাওয়া ব্যক্তিদের হুকুমের অন্তর্ভুক্ত হবেন না। তারা তাদের দায়িত্ব পালনের জন্য রোগীর পার্শ্বে থাকেন। পক্ষান্তরে রোগী দেখতে যাওয়া ব্যক্তিদের দুনিয়ার কোন স্বার্থ জড়িত থাকে না। তবে ডাক্তারগণ যদি মানবিক তাকীদে ও নেকী হা
উত্তর : মুসলমানের পরস্পরের প্রতি যে ৬টি শিষ্টাচারের কথা শরী‘আতে বর্ণিত হয়েছে, তন্মধ্যে একটি হ’ল, ‘সাক্ষাত হ’লে সালাম করা (নাসাঈ হা/১৯৩৮; মিশকাত হা/৪৬৩০)। এটি খাওয়া ও খাওয়ার বাইরে যেকোন সময়ে হ’তে পারে। এমনকি পেশাবরত অবস্থায় রাসূল (ছাঃ)-কে সালাম দিলে ত
উত্তর : এভাবে মাপজোক করে নয়, বরং পরিষ্কার নির্দেশ হ’ল দাড়ি ছেড়ে দাও ও গোঁফ ছাটো এবং মুশরিকদের বিপরীত কর’ (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৪৪২১)। অতএব যতটুকু দাড়ি, ততটুকু ছাড়তে হবে।
উত্তর : দিবস পালন শরী‘আত সম্মত নয়। উপহার দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। ছেলে ছোট হোক আর বড় হোক পুরুষের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার করা হারাম (তিরমিযী, মিশকাত হা/৪৩৫৪)। বিবাহ উপলক্ষে উপহার দেওয়াও বৈধ নয়।
উত্তর : স্বামীর পায়ের নীচে স্ত্রীর জান্নাত এরূপ হাদীছ নেই। তবে এরূপ হাদীছে এসেছে স্বামীই হচ্ছে জান্নাত, স্বামীই হচ্ছে জাহান্নাম (নাসাঈ কুবরা, সিলসিলা ছাহীহাহ হা/২৬১২, ১৯৩৪)। আর মায়ের পায়ের নীচে জান্নাত এ হাদীছ ‘হাসান ছহীহ’ (নাসাঈ হা/৩১০৪)।
উত্তর : একদিন এরূপ করেছিলেন (বুখারী হা/৪৬২৫, ৪৭৪০; মুসলিম হা/২৮৬০; তিরমিযী ১৪২৩)। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিয়মিত অভ্যাস এরূপ ছিল না।
উত্তর : উক্ত দো‘আটি ইবনু মাজাহতে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু হাদীছটি যঈফ। এর সনদে হাম্মাদ ইবনু আব্দুর রহমান নামে একজন রাবী আছেন, যিনি সকল মুহাদ্দিছের ঐকমত্যে যঈফ (ইবনে মাজাহ হা/১৫৫৩)।
উত্তর : যেকোন ছালাতের পর তাসবীহ পড়া যায় (মুসলিম, মিশকাত হা/৯৬৭)। তবে হাদীছে বিশেষভাবে আয়াতুল কুরসী ফরয ছালাতের পরে পড়ার কথা এসেছে (নাসাঈ আল-কুবরা হা/৯৯২৮; আলোচনা দ্রঃ সিলসিলা ছহীহাহ হা/৯৭২)।
উত্তর : দুই খুৎবার মাঝে দরূদ কিংবা অন্য কিছু পড়ার কোন প্রমাণ নেই। এটি নতুন সৃষ্টি। সুতরাং উক্ত অভ্যাস বর্জন করতে হবে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/১৪০)।
উত্তর : জুম‘আর ছালাতের পূর্বে নির্দিষ্টভাবে চার রাক‘আত সুন্নাত পড়ার প্রমাণে কোন ছহীহ হাদীছ পাওয়া যায় না। তবে নিম্নে দু’রাক‘আত পড়তে হবে (মুসলিম, মিশকাত হা/১৪১১)। আর বেশী পড়ার নির্ধারিত কোন সংখ্যা নেই। যত রাক‘আত সম্ভব পড়তে পারে (মুসলিম, মিশকাত হা/১৩৮২)
উত্তর : ইক্বামতের জবাব দিতে হবে। নবী করীম (ছাঃ) সাধারণভাবে বলেন, মুয়াযযিন যা বলেন তোমরাও তাই বল (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৬৫৭) । উক্ত হাদীছে থেকে ইক্বামতের উত্তর দেওয়ার কথা প্রমাণিত হয় (আলবানী, মিশকাত হা/৬৭০-এর টীকা দ্রঃ)। তাছাড়া অন্য হাদীছে আযান ও
উত্তর : উক্ত জুম‘আর ছালাত যোহর হিসাবে ক্বছর করে পড়া যাবে। রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম ছালাত ক্বছর করার সময় জামা‘আতেও পড়তেন। এ মর্মে অনেক হাদীছ বর্ণিত হয়েছে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৩৩৪ ও ১৩৩৮, ‘সফরের ছালাত’ অনুচ্ছেদ)।
উত্তর : আল্লাহর গুণবাচক নাম ৯৯টি মর্মে ছহীহ হাদীছ রয়েছে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/২২৮৭)। তবে যে হাদীছে নামগুলো উল্লেখ রয়েছে সে হাদীছটি যঈফ (তিরমিযী, মিশকাত হা/২২৮৮)।
উত্তর : জানাযার ছালাতের তাকবীর সমূহে হাত উঠানো যায়। কারণ মারফূ‘ হাদীছ রাসূল (ছাঃ) থেকে না পাওয়া গেলেও ছহীহ সূত্রে মাওকূফ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। যেমন আনাস (রাঃ) জানাযার প্রত্যেক তাকবীরে হাত তুলতেন (যাদুল মা‘আদ ১/৪৯২ পৃঃ)।
উত্তর : হাত তোলা যাবে। ছাহাবায়ে কেরাম হাত তুলতেন (বুখারী, কুর্রাতুল আইনাইন বিরাফইল ইয়াদাইন, হা/৯৩ ও ৯৫; সনদ ছহীহ; ইরওয়াউল গালীল ২/১৮১ পৃঃ; ফাতাওয়া ওছায়মীন ১৪/১৩৬-৩৭ পৃঃ)।
উত্তর : ঈদ ও জুম‘আর ছালাতের এক রাক‘আত ছুটে গেলে পরের রাক‘আত পড়ে নিতে হবে। তবে দুই রাক‘আতই যদি ছুটে যায় তাহলে চার রাক‘আত পড়তে হবে (বায়হাক্বী, মুছান্নাফ ইবনে আবী শায়বা, ইরওয়াউল গালীল ৩/৮১ ও ৮২ পৃঃ)। জানাযার তাকবীর ছুটে গেলে আদায় করতে হবে না; বরং ইমামের
উত্তর : ছালাতে ভুলক্রমে কোন ওয়াজিব তরক হয়ে গেলে শেষ বৈঠকের তাশাহ্হুদ শেষে সালাম ফিরানোর পূর্বে ‘সিজদায়ে সহো’ দিতে হয়। রাক‘আতের গণনায় ভুল হ’লে বা সন্দেহ হ’লে বা কম বেশী হয়ে গেলে বা ১ম বৈঠকে না বসে দাঁড়িয়ে গেলে ইত্যাদি কারণে এবং মুক্তাদীগণের মা
উত্তর : হাদীছটি ছহীহ। কিন্তু ব্যাখ্যাটি ভুল। দ্বিতীয়তঃ ১৪ শো বছর ধরে উক্ত প্রথাটি চলে আসার দাবীটি ভিত্তিহীন। তাঁর এই কল্পিত ব্যাখ্যা ও অনৈতিহাসিক দাবীর সাথে আহলেহাদীছ-হানাফী কোন বিজ্ঞ আলেমই একমত নন। যে হাদীছ তিনি এনেছেন, তার পুরাটি হ’ল, كان ا
উত্তর : ফজরের দু’রাক‘আত সুন্নাত ছালাত জামা‘আতের পূর্বে পড়াই সুন্নাত। কিন্তু তা আদায় করার সময় না পেলে ফরয ছালাত পড়ার পরে পড়তে হবে। ক্বায়েস ইবনু আমের (রাঃ) বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) একজন লোককে ফজরের ফরয ছালাতের পর দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করতে দ
উত্তর : যেকোন হালাল ব্যবসা নারী ও পুরুষ সবার জন্য জায়েয। আল্লাহ বলেন, তিনি ব্যবসাকে হালাল করেছেন ও সূদকে হারাম করেছেন (বাক্বারাহ ২৭৫)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হ’ল, কোন উপার্জন সবচেয়ে পবিত্র? তিনি বললেন, মানুষের নিজ হাতের উপার্জন এবং প্রত
উত্তর : যার মূল হারাম, তার আয়টাও হারাম। তামাক একটি হারাম বস্ত্ত, যা মাদক দ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত। তামাক থেকে উৎপাদিত বিড়ি, সিগারেট, জর্দা সবই হারাম। তামাকের চাষ করা ও ব্যবসা করা হারাম। আল্লাহ বলেন, তাদের জন্য হালাল করা হয়েছে সকল পবিত্র বস্ত্ত এব
উত্তর : শেয়ার বিক্রি করে পুরা টাকা উত্তোলন করুন। অতঃপর আসলটা রেখে দিন ও বাকীটা কোন কল্যাণকর কাজে ব্যয় করুন। কেননা ওটা সূদ। আল্লাহ স্বীয় অনুগ্রহে আপনাকে অভাবমুক্ত করবেন এবং এর উত্তম প্রতিদান দিবেন। তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, আল্লা
উত্তর : উপরের কথাগুলি কোন হাদীছ নয়। এগুলির রচয়িতা হলেন ‘মাওলিদুন্নবী’ বইয়ের লেখক মদীনার একজন শাফেঈ মুফতী ইমাম জা‘ফর আল-বারযানজী (মৃঃ ১১৭৭ হিঃ/১৭৬৪ খৃঃ)। উক্ত বইয়ে তিনি মা আমেনার প্রসবকালে আসিয়া, মারিয়াম প্রমুখের আগমন ইত্যাদি যেসব কথা লিখেছেন,
উত্তর : পরপুরুষকে দেখানোর জন্য সাবালিকা মেয়ের যেকোন অঙ্গভঙ্গি ইসলামে নিষিদ্ধ (নূর ৩১)। যারা এটা করেন ও যারা এটা সমর্থন করেন উভয়ে আল্লাহর বিধান লংঘনকারী। আর আল্লাহ কোন সীমালংঘনকারীকে ভালবাসেন না (আলে ইমরান ৫৭)। প্রকৃত অর্থে ছালাত-ছিয়াম আদায়কারী ব্যক্ত
উত্তর : ছালাতে বাম হাতের উপর ডান হাত রাখার ‘আম হাদীছের উপর (বুখারী, মিশকাত হা/৭৯৮) ভিত্তি করেই উক্ত বিষয়টি চালু হয়েছে। তবে রুকু থেকে উঠে ক্বওমায় দাঁড়ানোর নিয়ম সম্পর্কে হাদীছে খাছভাবে বর্ণিত হয়েছে ‘যতক্ষণ না অস্থি সমূহ স্ব স্ব জোড়ে ফিরে আসে’ (বু
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘কোন মুসলমান যদি জুম‘আর দিনে অথবা জুম‘আর রাতে মারা যায়, আল্লাহ তাকে কবরের ফিৎনা হতে রক্ষা করেন’ (আহমাদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/১৩৬৭)। ইমাম সুয়ূত্বী বলেন, কেননা জুম‘আর দিন জাহান্নাম উত্তপ্ত করা হয় না। এর দরজা বন্ধ থাকে।
উত্তর : এটা নিঃসন্দেহে গোনাহের কাজ। কেউ একাজ করলে ফাসেক বা পাপী হবে। তার পিছনে ছালাত আদায় করলে মাকরূহ হবে (ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/১৭৭; আবু দাঊদ, মিশকাত হা/৭৪৭, ‘মসজিদ ও ছালাতের স্থান সমূহ’ অনুচ্ছেদ)। তবে তার পিছনে ছালাত আদায় করা জায়েয। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ
উত্তর : সালাম ফিরানোর পরে একবার সরবে ‘আল্লাহু আকবার’ এবং তিনবার ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ বলাই হাদীছ সম্মত (মুত্তাফাক্ব আলাই, মিশকাত হা/৯৫৯, ৯৬১ ‘ছালাত পরবর্তী দো‘আ’ অনুচ্ছেদ)।
উত্তর : দাড়ি কাটা-ছাটা জায়েয নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তোমরা গোঁফ ছোট কর, দাড়িকে ছেড়ে দাও এবং মুশরিকদের বিরোধিতা কর’ (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৪৪২১)। তিরমিযীর বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) দাড়ির বর্ধিত অংশ ছাটতেন মর্মে আবু হুরায়রা (রাঃ) হ’তে বর
উত্তর : ইয়াযীদ বিন মু‘আবিয়া (২৭-৬৪ হিঃ) তাবেঈ ছিলেন। কারবালার মর্মান্তিক ঘটনার জন্য ইয়াযীদ দায়ী নন। এজন্য মূলতঃ দায়ী বিশ্বাসঘাতক কূফাবাসী ও নিষ্ঠুর গভর্ণর ওবায়দুল্লাহ বিন যিয়াদ নিজে। কেননা ইয়াযীদ কেবল হুসায়েন (রাঃ)-এর আনুগত্য চেয়েছিলেন, তাঁর
উত্তর : মহান আল্লাহ যাকে যে কাজের জন্য সৃষ্টি করেছেন, সে কাজে তাকে ব্যবহার করা তার জন্য শাস্তির বিষয় নয়। এছাড়া পাথরের উপরে শরী‘আতের কোন বিধান আরোপিত হয়নি যে, তার কুফরী বা অবাধ্যতার কারণে শাস্তি স্বরূপ তাকে জাহান্নামের জ্বালানী হিসাবে ব্যবহার
উত্তর : বিতর ছালাতে দো‘আয়ে কুনূত রুকূর পূর্বে ও পরে দু’ভাবেই পড়া যায় (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১২৮৯; ইবনু মাজাহ হা/১১৮৩-৮৪; মিশকাত হা/১২৯৪; মির‘আত ৪/২৮৬-৮৭; ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/১৪৭পৃঃ)। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যখন কারো বিরুদ্ধে ব
উত্তর : রাস্তা নির্মাণের জন্য যাকাতের অর্থ ব্যয় করা বৈধ নয়। কেননা এটা এলাকার দুস্থ-মিসকীনদের হক। এ অর্থ ঐ সকল খাতেই ব্যয় করতে হবে, যা মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে উল্লেখ করেছেন (ফাতাওয়া লাজনা আদ-দায়িমাহ ১০/৪৩-৪৪, ফৎওয়া নং ২৩০৬)। যাকাত বণ্টনের খা
উত্তর : মৃত ব্যক্তি উল্লিখিত কাজগুলি শুনতে বা বুঝতে পারে না। আল্লাহ বলেন, ‘তুমি কোন মৃতকে শুনাতে পারো না’ (নামল ৮০, ফাতির ১২২)। মৃত্যুর পরে মানুষ বরযাখী জগতে চলে যায়। ‘যার ও দুনিয়ার মাঝে পর্দা পড়ে যায় ক্বিয়ামত পর্যন্ত’ (মুমিনূন ১০০)। অতএব দুনিয়াবী কি
উত্তরঃ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মি‘রাজে গিয়ে ফেরার পথে মূসা (আঃ)-এর নিকটে আসেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কি করে আসলে? রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, আমার উপর ৫০ ওয়াক্ত ছালাত ফরয করা হয়েছে। তিনি বললেন, আমি মানুষ সম্পর্কে তোমার চেয়ে অধিক জ্ঞাত। আমি বনী ইসরাঈলকে
উত্তর : সুন্নাতী তরীকায় গোসল করাতে সক্ষম এমন নিকটাত্মীয় মুর্দাকে গোসল করাবেন। নিকটাত্মীয়দের মধ্যে এমন কেউ না থাকলে অন্য কেউ করাবেন। পুরুষ মাইয়েতকে পুরুষ এবং মহিলা মাইয়েতকে মহিলা গোসল করাবেন। তবে শিশুকে মহিলারাও গোসল করাতে পারবেন (ফিক্বহুস সুন
উত্তর : পুরুষ ও মহিলাদের ছালাতের মধ্যে পদ্ধতিগত কোন পার্থক্য নেই (ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/১০৯)। মহিলারা পুরুষদের ন্যায় সরবে ইক্বামত দিবে। তবে উচ্চৈঃস্বরে নয়। মহিলারা পুরুষের ইমামতির মতই ইমামতি করবে, তবে তারা জামা‘আতের প্রথম কাতারের মধ্যস্থলে দাড়িয়ে
উত্তর : কেউ যদি একই বিষয়ে একাধিকবার কসম করে এবং তা ভঙ্গ না করে তাহ’লে তা একই কসমের অন্তর্ভুক্ত হবে। তাই উক্ত ব্যক্তি যদি এখন রাসূলের কথা জানতে পারে এবং তওবা করে কসম ভঙ্গ করে, তাহ’লে তাকে একটি কসম ভঙ্গের কাফফারা দিতে হবে। কসম ভঙ্গের কাফফারা হচ
উত্তর : মুছল্লীগণকে খুৎবা শোনানোর উদ্দেশ্যে যন্ত্রের ব্যবহার দোষণীয় নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর মৃত্যুকালীন রোগের সময় আবুবকর (রাঃ) ছালাতের ইমামতি করছিলেন। এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ছালাতের জামা‘আতে উপস্থিত হ’লে আবুবকর (রাঃ) ইমামতির স্থান হ’তে
উত্তর : দাঁড়ানো অবস্থায় সাধারণত যেভাবে হাত থাকে সেভাবে রাখাই বাঞ্ছনীয়। অন্যভাবে রাখার কোন বিধান হাদীছে আসেনি।
উত্তর : উক্ত সংখ্যাটি ‘বিসমিল্লা-হির রহমানির রহীম’-এর পরিবর্তে লেখা হয়। সূরা নামল-এর ৩০নং আয়াত ‘বিসমিল্লা-হির রহমা-নির রহীম’-এ ১৯টি হরফ রয়েছে। আবজাদী নিয়ম অনুসারে প্রত্যেক হরফের মান ধরে সেগুলির সমষ্টিগত রূপ হচ্ছে ৭৮৬। এরূপ লেখা কুরআন-হাদীছ সম
উত্তর : দো‘আ শেষে মুখে হাত বুলানোর বা মুখমন্ডল মাসাহ করার কোন ছহীহ হাদীছ নেই (ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/১৪৭ পৃঃ; যঈফ আবূদাঊদ হা/১৪৮৫; বায়হাক্বী, মিশকাত হা/২২৫৫-এর টীকা; ইরওয়াউল গালীল হা/৪৩৩-৩৪, ২/১৮১ পৃঃ)।
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর মাথার চুল খুব বেশী কোঁকড়ানো ছিল না এবং সোজাও ছিল না। অর্থাৎ মধ্যম মানের ছিল। আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর মাথার চুল উভয় কানের মধ্যবর্তী স্থান পর্যন্ত পৌঁছত। অন্য বর্ণনায় আছে, তাঁর কেশরাজি উভয় কান ও কাঁধের
উত্তর : যোহরের চার রাক‘আত সুন্নাত এক সালামে ও দুই সালামে উভয় পদ্ধতিতে পড়া যায়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যোহরের পূর্বে চার রাক‘আত সুন্নাত যার মাঝে কোন সালাম নেই’ (ছহীহুল জামে‘ হা/৮৮৫, ছহীহ আবূদাঊদ হা/১১৩১)। তবে দুই সালামে চার রাক‘আত আদায় করাও জায়
উত্তর : উপরোক্ত দু’টি বর্ণনাই সঠিক। এর অর্থ হ’ল : সর্বপ্রথম ছালাতের হিসাব নেওয়া হবে আল্লাহর হক হিসাবে। আর বান্দার হক হিসাবে সর্বপ্রথম খুনের হিসাব নেওয়া হবে (বুলূগুল মারাম হা/১১৫৮-এর ব্যাখ্যা)।
উত্তর : পবিত্র কুরআন মহান আল্লাহর বাণী, যা পৃথিবীর সমস্ত গ্রন্থের চেয়ে মর্যাদামন্ডিত। আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই এটা সম্মানিত কুরআন, যা আছে এক গোপন কিতাবে, যারা পাক পবিত্র তারা ব্যতীত অন্য কেউ একে স্পর্শ করবে না (ওয়াক্বিয়া ৭৭, ৭৮, ৭৯)। কুরআন কে
উত্তর : পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন সূরায় প্রায় ২০৭৭ বার আল্লাহর নাম উল্লেখিত হয়েছে। তন্মধ্যে সূরা ফাতিহায় ২, বাক্বারায় ২৭৯, আলে ইমরানে ২০৪, নিসায় ২২৫, মায়েদায় ১৪৫, আন‘আমে ৮৪, আ‘রাফে ৫৯, আনফালে ৮৮, তওবায় ১৬৭, ইউনুসে ৬০, হূদে ৩৭, ইউসুফে ৪০, রা‘দে ৩
উত্তর : মহিলা ও পুরুষের কাফনের কাপড়ে কোন পার্থক্য নেই। উভয়কে তিনটি কাপড় দিয়ে কাফন দিতে হবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৬৩৫)। মহিলাদের জন্য প্রচলিত পাঁচ কাপড়ের হাদীছ যঈফ (আলবানী, যঈফ আবূদাঊদ হা/৩১৫৭; ছালাতুর রাসূল (ছাঃ), ১৯০ পৃঃ)।
উত্তর : একজন মৃত ব্যক্তির জানাযার ছালাত একাধিকবার পড়া যায়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর জানাযার ছালাত একাধিক বার হয়েছিল (আর-রাহীকুল মাখতুম, পৃঃ ৪৭১)। অনুরূপভাবে একই ব্যক্তির জানাযায় একজন একাধিকবারও শরীক হ’তে পারে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৬৫৮, ৫৯; মির‘আ
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। বরং ইমামের ক্বিরাআতের সাথে সাথে মুক্তাদীগণও নীরবে সূরা ফাতেহা পাঠ করবে (মুসলিম, মিশকাত হা/৮২৩; ছহীহ আবূ দাঊদ হা/৭৩৬-৩৭; ছহীহ তিরমিযী হা/২৫৭; মিশকাত হা/৮৫৪ ‘ছালাতে ক্বিরাআত’ অনুচ্ছেদ)। ইমামের আমীন বলার পর মুক্তাদীর সূরা ফ
উত্তর : পা ধরে সালাম বা কদমবুসি করা শরী‘আত সম্মত নয়। আনাস (রাঃ) বলেন, জনৈক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি যখন তার কোন ভাই বা বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাত করবে, তখন সে কি মাথা ঝুঁকাবে বা তাকে জড়িয়ে ধরবে বা চুমু খাবে? তিনি
উত্তর : কথাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। দাঊদ (আঃ)-এর সময় নাফরমান ইহুদী সম্প্রদায়ের যাদের আকৃতি পরিবর্তিত হয়ে বানর-শূকরে পরিণত হয়েছিল (বাক্বারাহ ৬৫) ঐ বানর থেকে কোন বংশ বিস্তার ঘটেনি। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, তারা কিছু খেতে পারত না, পান করতে পারত না। তারা
উত্তর : তাফসীর ইবনে কাছীরের সব বর্ণনা ছহীহ নয়। এর মধ্যে কিছু জাল-যঈফ হাদীছও পরিলক্ষিত হয় (দ্রঃ তাহক্বীক্ব ইবনে কাছীর)।
উত্তর : তাসবীহ ডান হাতে গণনা করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তোমরা তাসবীহ সমূহ আঙ্গুলে গণনা কর। কেননা আঙ্গুল সমূহ ক্বিয়ামতের দিন জিজ্ঞাসিত হবে’ (আবুদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/২৩১৬)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সকল শুভ ও পবিত্র কাজ ডান হাত দিয়ে করতেন (মুসলি
উত্তর : জানাযার ছালাতে সূরা ফাতেহার পর অন্য সূরা পড়া হয় না একথা ঠিক নয়। বরং সূরা ফাতেহার পর অন্য সূরা পড়া ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত (বুখারী ১/১৭৮ হা/১৩৩৫; নাসাঈ হা/১৯৮৬, ১৯৮৯; ছালাতুর রাসূল ৩য় সংস্করণ, পৃঃ ১৮০)।
উত্তর : মৌলিক মানবাধিকারের দিক দিয়ে সকল মানুষ সমান। তবে বিধানগত দিক দিয়ে মানুষের মধ্যে তারতম্য রয়েছে। যেমন পিতা-মাতা ও সন্তানের মধ্যকার পার্থক্য, স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যকার পার্থক্য, শাসক ও শাসিতের মধ্যকার পার্থক্য ইত্যাদি। নারী ও পুরুষের মধ্যে
উত্তর : উক্ত বস্ত্তগুলি নেশা জাতীয় দ্রব্য। নেশাদার দ্রব্য মাত্রই হারাম। হারাম বস্ত্ত খাওয়া যেমন হারাম, তার ব্যবসাও তেমন হারাম। রাসূল (ছাঃ) বলেন, আল্লাহ তা‘আলা যখন কোন সম্প্রদায়ের উপর কোন কিছু খাওয়া হারাম করেন, তখন তিনি তার ব্যবসাও হারাম করেন
উত্তর : আমানতের খেয়ানত করা মুনাফিকের আলামত সমূহের অন্যতম। কারো নিকট কোন কথা আমানত স্বরূপ বললে তা অন্যের নিকট প্রকাশ করে দিলে তা আমানতের খেয়ানত হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, মুনাফিকের আলামত তিনটি। (১) যখন সে কথা বলে, তখন সে মিথ্যা বলে (২) আর যখ
উত্তর : নকশাযুক্ত জায়নামাযে ছালাত আদায় করা ঠিক নয়। কারণ এতে ছালাতের একাগ্রতা নষ্ট হওয়ার আশংকা থাকে। একদা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) নকশাযুক্ত চাদরে ছালাত আদায় করছিলেন এবং নকশার কারণে তাঁর ছালাতের একাগ্রতা বিনষ্ট হয়। ফলে ছালাত শেষে তিনি বলেন, চাদরটি আব
উত্তর : টিভি ও রেডিওতে কুরআন তেলাওয়াত, কুরআনের বিশুদ্ধ তাফসীর ও ইসলামী অনুষ্ঠান শুনলে ছওয়াব পাওয়া যাবে। কারণ যন্ত্রটি হারাম নয়। অতএব এগুলি থেকে ভালো কিছু শুনলে বা শিখলে অবশ্যই ছওয়াব পাওয়া যাবে। কিন্তু অনৈসলামিক কিছু দেখলে বা শুনলে গোনাহ হবে।
উত্তর : প্রথমতঃ কোন ব্যক্তি কারো পক্ষ থেকে ছালাত করতে পারে না। কেননা মানুষ তা-ই পাবে, যা সে নিজে করে (নজম ৩৯)। কোন ব্যক্তি অসুস্থ থাকলে জ্ঞান থাকা পর্যন্ত তাকে ছালাত নিজেকেই আদায় করতে হবে যদি ইশারার মাধ্যমেও হয়। সময় মত আদায় করতে না পারলে সুস্থ হ’
উত্তর : প্রথমতঃ কোন ব্যক্তি কারো পক্ষ থেকে ছালাত করতে পারে না। কেননা মানুষ তা-ই পাবে, যা সে নিজে করে (নজম ৩৯)। কোন ব্যক্তি অসুস্থ থাকলে জ্ঞান থাকা পর্যন্ত তাকে ছালাত নিজেকেই আদায় করতে হবে যদি ইশারার মাধ্যমেও হয়। সময় মত আদায় করতে না পারলে সুস্থ হ’
উত্তর : জাতীয় রাজস্ব আয়ের মাধ্যম হিসাবে সরকারীভাবে সীমান্তে যে ট্যাক্স ধার্য করা হয়, তা ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে অবৈধ পথে মালামাল পাচার করে ব্যবসা করা হারাম। কেননা রাষ্ট্রীয় স্বার্থ মানেই জনস্বার্থ। আর জনস্বার্থের ক্ষতি করা ইসলাম অনুমোদন করে না
উত্তর : ছহীহ হাদীছের বর্ণনা অনুযায়ী জানা যায় দাজ্জাল শেষ যামানার কোন আদম সন্তানের ঔরসজাত হবে। সে খোরাসান থেকে বের হবে (ছহীহ তিরমিযী হা/২২৩৭; ছহীহ ইবনু মাজাহ হা/৪০৭২)। সে একজন কাফের, তার কোন সন্তান থাকবে না এবং সে মক্কা এবং মদীনায় প্রবেশ করতে সক্ষম হব
উত্তর : যদি জানা যায় যে, তার উপার্জন স্পষ্ট হারাম তাহ’লে তার বাড়ীতে খাওয়া যাবে না (মুসলিম, মিশকাত হা/২৭৬০)। তবে উপার্জিত সম্পদ হারাম হ’লেও খাদ্যটি হারাম না হ’লে তার বাড়িতে খাওয়া যাবে। কারণ রাসূল (ছাঃ) ইহুদীর খাদ্য খেয়েছেন যাদের উপার্জন হারাম পন্থ
উত্তর : অবুঝ বয়সে কোন অন্যায় করে থাকলে তা গোনাহের খাতায় লিপিবদ্ধ হবে না। কারণ তিন শ্রেণীর লোক থেকে কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছে ... যার মধ্যে একজন হ’ল অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশু (ছহীহ আবুদাঊদ হা/৪৪০১, ৪৪০২; ছহীহ তিরমিযী হা/১৪২৩)। তবে যুবকের আলামত পাওয়া না গেল
উত্তর : অকারণে কোন প্রাণী হত্যা বা গাছপালা বিনষ্ট করা ইসলামে নিষিদ্ধ। তবে মানুষের অপকার বা ক্ষতি সাধন করে এমন প্রাণী, গাছপালা নিধনে কোন বাধা নেই। যেমন রাসূল (ছাঃ) সাপ নিধনকে উম্মতের জন্য সিদ্ধ করেছেন। কেননা তা মানুষের জন্য ক্ষতিকর। রাসূল (ছাঃ
উত্তর : পর্দার আড়াল থেকে মহিলারা ইমামের নিকট থেকে কুরআন এবং হাদীছের তা‘লীম নিতে পারবে এবং প্রশ্ন করে উত্তরও জেনে নিতে পারবে (বুখারী, মিশকাত হা/১৭৫৩)।
উত্তর : ‘জাহদুল বালা’ বাক্যটি হাদীছের অংশ (বুখারী হা/৬৩৪৭; মুসলিম হা/২৭০৭)। রাসূল (ছাঃ) ‘জাহদুল বালা’ হ’তে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করতে বলেছেন। এর দ্বারা যারা জন্ম নিয়ন্ত্রণের দলীল পেশ করেন তারা বলেন যে, এর অর্থ হ’ল, ‘কম সম্পদের সাথে পরিবা
উত্তর : ক্বিয়ামতের দিন সকল মানুষ বস্ত্রহীন নগ্নদেহে উঠবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৫৫৩৬)। এদিন ইবরাহীম (আঃ)-কে সর্বপ্রথম কাপড় পরানো হবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৫৫৩৫)।
উত্তর : গোচারণ ভূমিতে ছালাত আদায় করা যাবে (তিরমিযী, মিশকাত হা/৭৩৯, ইরওয়াউল গালীল হা/৭৭)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, যমীন সর্বত্রই মসজিদ, কবরস্থান ও গোসলখানা ব্যতীত’ (আবুদাঊদ, তিরমিযী ও দারেমী, মিশকাত হা/৭৩৭)।
উত্তর : পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছে যেভাবে পর্দা করার কথা বলা হয়েছে, সেভাবে পর্দা করাই হচ্ছে যথার্থ পর্দা। আল্লাহ বলেন, ‘ঈমানদার নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান তা ব্
উত্তর : শয্যা গ্রহণকালে ‘আয়াতুল কুরসী’ পাঠ করলে শয়তানের কবল থেকে নিরাপদ থাকা যায়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘বিছানায় শয়নকালে ‘আয়াতুল কুরসী’ পাঠ করলে আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন রক্ষক নিযুক্ত হয়। ফলে সকাল পর্যন্ত শয়তান ঐ ব্যক্তির নিকটবর্তী হ’তে পারে না’ (ব
উত্তর : পবিত্র কুরআন মুখস্থকারী হাফেযগণ পরকালে উচ্চ মর্যাদার অধিকারী হবেন। আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘ক্বিয়ামতের দিন কুরআনের হাফেযকে বলা হবে কুরআন তেলাওয়াত করতে থাক এবং জান্নাতের উপরের দিকে আর
উত্তর : চিল্লা প্রথার প্রমাণে কোন হাদীছ নেই। এগুলি কপোলকল্পিত পদ্ধতি। এর ভিত্তি হচ্ছে মাওলানা ইলিয়াসের স্বপ্নের উপর। যেমন তিনি বলেন, এই তাবলীগের নিয়ম আমার নিকটে স্বপ্নে প্রকাশিত হয় (আব্দুর রহমান উমরী, তাবলীগী জামা‘আত (নয়াদিল্লী : দারুল কিতাব, ১
উত্তর : গীবতের কাফফারা হচ্ছে যার গীবত করা হয়েছে তার নিকটে ক্ষমা চাওয়া। যেমন আবুবকর ও ওমর (রাঃ) তাঁদের খাদেমের গীবত করলে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ঐ খাদেমের নিকট ক্ষমা চাইতে বলেন (আমসিক আলায়কা লিসানাকা, পৃঃ ৪৩)। তবে সরাসরি ক্ষমা চাইতে গেলে যদি ফিৎনার
উত্তর : মৃত্যুর পূর্বে কোন সম্পত্তি লিখে দেওয়া শরী‘আত সম্মত নয়। কারণ তার মৃত্যুর পূর্বে মেয়ের মৃত্যু হ’তে পারে। তখন শরী‘আতের দৃষ্টিতে সে বা তার ছেলে মেয়ে উক্ত সম্পত্তির অধিকারী হবে না। এক্ষেত্রে সে শরী‘আতের হুকুম লংঘন করল।
উত্তর : যমযম কূপের পানি পানের সময় উক্ত দো‘আ পাঠের হাদীছটি যঈফ (ইরওয়াউল গালীল, ৪/৩৩পৃঃ, হা/১১২৬-এর আলোচনা দ্রঃ; যঈফ আত-তারগীব হা/৭৫০)। তাই সাধারণ দো‘আ হিসাবে ‘বিসমিল্লাহ’ বলবে।
উত্তর : ছালাতের জন্য ওযূ করে পবিত্র হয়ে পরিচ্ছন্ন পোষাক ও দেহ-মন নিয়ে কা‘বা গৃহপানে মুখ ফিরিয়ে মনে মনে ছালাতের সংকল্প করে বিনম্রচিত্তে দাঁড়াতে হবে। আল্লাহ বলেন, قُوْمُوْا لِلّهِ قَانِتِيْنَ ‘তোমরা আল্লাহর জন্য নিবিষ্টচিত্তে দাঁড়িয়ে যাও’ (বাক্
উত্তর : কমিশন প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে কোন চিকিৎসক বিশেষ কোন ডায়গনস্টিক সেন্টারে রেফার করলে সেটি ঘুষের অন্তর্ভুক্ত হবে। রাসূল (ছাঃ) ঘুষদাতা ও ঘুষগ্রহীতা উভয়কে লা‘নত করেছেন (আবুদাঊদ হা/৩৫৮০; মিশকাত হা/৩৭৫৩)। তবে সাধারণভাবে কোন ক্লিনিক যদি স্বেচ্ছায় ল
উত্তর : এই ধরনের ব্যবসা জায়েয, যাকে ইসলামী শরী‘আতে মুযারাবা বলে। অর্থাৎ অন্যের সম্পদে নিজের শ্রম বিনিয়োগ করে ব্যবসা করা। ওছমান (রাঃ)-এর মাল নিয়ে আব্দুর রহমানের দাদা ব্যবসা করতেন। লাভ তাদের মধ্যে চুক্তি মতে ভা
উত্তর : রামাযান বা রামাযানের বাইরে কোন সময়ে নিয়মিত সারা রাত জেগে কিয়ামুল লাইল পালন করা সমীচীন নয়। আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূল (ছাঃ)-কে কখনো ভোর পর্যন্ত সারারাত জেগে ইবাদত করতে এবং রামাযান মাস ছাড়া এক নাগাড়ে পুরো মাস ছিয়াম পালন করতে দেখিনি (মু
উত্তর : তিলক বা টিপ হিন্দুদের একটি ধর্মীয় প্রতীক। তারা তাদের বিভিন্ন দেবতার উদ্দেশ্যে ভিন্ন ভিন্ন টিপ বা তিলক ব্যবহার করে থাকে (বাংলাপিডিয়া)। আবার কোন হিন্দু ধর্ম মতে, তিলক হ’ল তৃতীয় চোখ যা শিশুদের বদনযর থেকে হেফাযত করে। অতএব একজন মুসলমানের জন্য
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (আবুদাঊদ হা/১৪৭৪; তিরমিযী হা/২৯১৬; মিশকাত হা/৭২০, ২২০০; যঈফুল জামে‘ হা/৫১৩৬, ৫১৫৩)। তবে কুরআন মুখস্থ করা অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ ইবাদত। প্রত্যেক মুসলিমের উচিৎ কুরআন মুখস্থ করা এবং তদনুযায়ী আমল করা। উল্লেখ্য যে, দু
উত্তর : প্রবল ধারণার ভিত্তিতে যদি পেশাব কাপড়ের কোন অংশে লেগেছে তা চিহ্নিত করা যায়, তাহ’লে উক্ত স্থান ধুয়ে নিতে হবে। আর স্থান চিহ্নিত করা সম্ভব না হ’লে অনুমান করে ধুয়ে নিবে বা পানি ছিটিয়ে দিবে। এতেই যথেষ্ট হবে ইনশাআল্লাহ (ইবনু মাজাহ হা/৪৬৪; আল-ম
উত্তর : সফরে বের হওয়ার পূর্বে যদি দু’ওয়াক্তের ছালাত প্রথম ওয়াক্তে আদায় করা হয়ে যায় অতঃপর দ্বিতীয় ওয়াক্তের পূর্বেই সফর বাতিল ঘোষণা করা হয় তাহ’লে ঐ ছালাতই যথেষ্ট হবে। পরের ওয়াক্তের ছালাত আদায় করা যরূরী নয়। তবে যদি কেউ করে তবে তা নফল হয়ে যাবে। (
উত্তর : ইচ্ছাকৃতভাবে ছিয়াম ভঙ্গ করলে তিনি কবীরা গোনাহগার হবেন। এজন্য তাকে অনুতপ্ত হয়ে তওবা করতে হবে এবং উক্ত ছিয়ামের ক্বাযা আদায় করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘ছিয়াম অবস্থায় যে ব্যক্তি অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি করবে, তার জন্য ক্বাযা নেই। আর যে ব
উত্তর : রামাযান মাসে কুরআন খতম করা মুস্তাহাব। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, প্রতি বছর (রামাযানে) জিব্রীল (আঃ) রাসূল (ছাঃ)-এর সঙ্গে একবার কুরআন পাঠের পুনরাবৃত্তি করতেন। কিন্তু যে বছর তিনি মৃত্যুবরণ করেন সে বছর তিনি রাসূল (ছাঃ)-এর সঙ্গে দু’বার কুরআন প
উত্তর : রামাযান মাসে বিবাহ করার বিশেষ কোন গুরুত্ব নেই। বরং বছরের যেকোন মাসে ও যেকোন দিনে বিবাহ হ’তে পারে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৮/৪২)।প্রশ্নকারী : আতীকুল ইসলামভাড়ালীপাড়া, রাজশাহী।
উত্তর : মসজিদে বিবাহ পড়ানো সংক্রান্ত হাদীছটি যঈফ (তিরমিযী হা/১৮৫; ইরওয়া হা/১৯৯৩; মিশকাত হা/৩১৫২’ যঈফাহ হা/৯৭৮; যঈফুল জামে‘ ৯৬৬)। তবে এই হাদীছের উপর ভিত্তি করে জমহূর ফক্বীহগণ বরকত এবং বিবাহের প্রচারের স্বার্থে মসজিদে বিবাহ পড়ানোকে মুস্তাহাব বলেছেন
উত্তর : মহিলাকে পুরুষে বা পুরুষকে মহিলায় রূপান্তর করা সৃষ্টিকে পরিবর্তন করার শামিল যা নিষিদ্ধ। আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহর ধর্ম, যার উপরে তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর সৃষ্টির কোন পরিবর্তন নেই’ (রূম ৩০/৩০)। এটি শয়তানের কাজ। কারণ সে আল্লাহকে ব
উত্তর : এক বৈঠকে তিন তালাক এক তালাক গণ্য হয় (মুসলিম হা/১৪৭২; আহমাদ হা/২৮৭৭; হাকেম হা/২৭৯৩)। কাজেই কেউ তার স্ত্রীকে এক বৈঠকে তিন তালাক দিলে সে স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে পারে। ইদ্দতের (তিন তোহরের) মধ্যে হ’লে স্বামী সরাসরি স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেবে। ইদ্দত প
উত্তর : রামাযান মাসে ইবাদত করা খুবই ফযীলতপূর্ণ। ফরয ইবাদত পালনের ক্ষেত্রে স্ত্রী স্বাধীন। অর্থাৎ রামাযান মাসের ছিয়াম পালনের ক্ষেত্রে স্ত্রীর স্বাধীনতা রয়েছে। আর অন্যান্য ইবাদতের ক্ষেত্রে স্বামীর অনুমতিক্রমে অধিক ইবাদত পালনের সুযোগ রয়েছে। কিন্
উত্তর : রামাযান মাসের ছিয়াম দ্বিতীয় হিজরীর শা‘বান মাসে ফরয হয়েছিল (নববী, আল-মাজমূ‘ ৬/২৫০)। ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) বলেন, আমরা রাসূল (ছাঃ)-এর সাথে রামাযান মাসে দু’টি যুদ্ধ করেছি- বদর যুদ্ধ ও মক্কা বিজয়। এ সময় আমরা ছিয়াম রাখিনি (তিরমিযী হা/৭১৪; আ
উত্তর : ইফতারের বিষয়ে রাসূল (ছাঃ)-এর নির্দেশনা হ’ল- সূর্যাস্তের সাথে সাথে ছায়েম ইফতার করবে (বু. মু. মিশকাত হা/১৯৮৫)। তিনি ইশারা দিয়ে বলেন, যখন এদিক হ’তে রাত্রি আগমন করবে এবং এদিক হ’তে দিন প্রস্থান করবে এবং সূর্য অস্ত যাবে, তখনই ছায়েম ইফতার করবে’
উত্তর : ইসলাম গ্রহণ করে ইসলামের যাবতীয় বিধানাবলী পালন করার চেষ্টা করতে হবে। তবে বাধ্যগত কারণে ইবাদত পালনে কৌশল অবলম্বন করা যাবে। যেমন বাদশাহ নাজাশী ইসলাম গ্রহণ করে তা গোপন রেখেছিলেন। ইউসুফ (আঃ)-কেও রাজপ্রসাদে ইসলাম গোপন রেখে ধর্মীয় কার্যাবলী
উত্তর : একাধিক স্ত্রী থাকাকালীন স্বামীকে লটারীর মাধ্যমে সফর সঙ্গিনী নির্বাচন করতে হবে। আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) কোন সফরে বের হ’লে তাঁর সহধর্মিণীগণের মধ্যে লটারীর মাধ্যমে (নির্বাচিত করে) যার নাম উঠত তাকে সাথে নিয়ে যেতেন (বুখারী হা/২৫৯৩; ম
উত্তর : উক্ত মর্মে ইতিহাসে একাধিক বর্ণনা পাওয়া যায়। তবে বর্ণনগুলোর সনদে দুর্বলতা রয়েছে (তারীখু ত্বাবারী ৪/২৬৯; খলীফা বিন খাইয়াত্ব, আত-তারীখ ১৬৫ পৃ.; যাহাবী, তারীখুল ইসলাম ২/১৮২; তাক্বরীবুত তাহযীব ৪০৫ পৃ.)। দ্বিতীয়তঃ এর সনদকে গ্রহণযোগ্য ধরে নিলেও সে
উত্তর : রামাযান মাসে যাকাত আদায়ের বিশেষ কোন ফযীলত নেই। যাকাত যখন ফরয হবে তখনই আদায় করা ওয়াজিব। তবে রামাযানের নিকটবর্তী মাসে যাকাত ফরয হ’লে ফযীলতের দিকে লক্ষ্য রেখে রামাযান মাসে আদায় করা যেতে পারে (ফাতাওয়া আরকানিল ইসলাম, মাসআলা-৩৮৮, পৃঃ ৪৪৪; নবব
উত্তর : সুন্নাত হ’ল মুছাল্লা বা ছালাতের স্থানে বসে যিকর-আযকার করা (বুখারী হা/৪৭৭; মিশকাত হা/৭০২)। এক্ষণে হাদীছে বর্ণিত মুছাল্লা দ্বারা উদ্দেশ্য হ’ল পুরো মসজিদ (ইবনু রজব, ফাৎহুল বারী ৪/৫৬)। হাফেয ইবনু হাজার বলেন, মুছাল্লা অর্থ ব্যক্তি যে স্থানে ছালা
উত্তর : ছিয়ামের জন্য নিয়ত করা পূর্বশর্ত। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘ফজরের পূর্বে যে ব্যক্তি ছিয়ামের নিয়ত করে না, তার ছিয়াম নেই (আবুদাঊদ হা/২৪৫৪; মিশকাত হা/১৯৮৭; ছহীহুল জামে‘ হা/৬৫৩৮)। অন্যত্র এসেছে, যে ব্যক্তি রাত্রে ছিয়ামের নিয়ত করে না তার ছিয়াম হবে না (নাস
উত্তর : লজ্জাস্থান দিয়ে পুঁজ বা কোন তরল পদার্থ বের হ’লে ছিয়াম ভঙ্গ হবে না। কারণ এটি ছিয়াম ভঙ্গের কারণ নয়। তবে তার ওযূ নষ্ট হয়ে যাবে। এক্ষণে যার অনবরত কিছু বের হয় সে প্রতি ছালাতের সময় ওযূ করে ছালাত আদায় করবে। এর মধ্যে কিছু বের হ’লে তার ছালাতের
উত্তর : সকল নবী-রাসূলের হজ্জের ব্যাপারে স্পষ্ট বর্ণনা পাওয়া যায় না। তবে বিভিন্ন বর্ণনা ও ঐতিহাসিক বক্তব্য থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে, সকল নবী-রাসূল হজ্জ সম্পাদন করেছেন। রাসূল (ছাঃ) বলেন, রাওহা উপত্যকা দিয়ে সত্তুর জন নবী পশমী কাপড় পরে হজ্জ করতে
উত্তর : বিবাহ পড়ানোর সুন্নাতী পদ্ধতি হ’ল, প্রথমে বিবাহের খুৎবা পড়তে হবে (মুগনী ৭/৬২)। কোন বিয়েতে খুৎবা পূর্বে পাঠ করা না হ’লে ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল (রহঃ) সে বিবাহ অনুষ্ঠান ত্যাগ করতেন (আবুন নাজা, আল-ইক্বনা‘ ৩/১৬২; বাহূতী, কাশশাফুল কেনা‘ ৫/২১)। কারণ
উত্তর : প্রশ্নে বর্ণিত অবস্থায় ‘খোলা’ কার্যকর হয়েছে। ‘খোলা’ তথা বিবাহ বিচ্ছেদ যা নারীর পক্ষ থেকে হয় স্বামীকে মোহর বা মোহরের অংশবিশেষ ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৮/১৮১; শাওকানী, নায়লুল আওতার ৬/২৯৫) কারণ ‘খোলা’ তালাক নয় বরং বিবাহ ব
উত্তর : অভিভাবক ও মেয়ের সম্মতিক্রমে বিবাহ সম্পন্ন হওয়াই শরী‘আত সম্মত। এক্ষণে পিতা যদি সম্পদ বা প্রভাব-প্রতিপত্তির কারণে কোন ফাসেক ছেলের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হ’তে বাধ্য করে, তাহ’লে মেয়ের জন্য উক্ত বিবাহ ভঙ্গ করার অধিকার থাকবে (নাসাঈ হা/৩২৬৯
উত্তর : খুৎবা চলাকালীন ইমামের প্রশ্নের উত্তর মুছল্লীরা দিতে পারবে। এমনকি মুছল্লীরা কোন প্রশ্ন করলে খতীব তার জওয়াব দিতে পারবেন (ইবনুল ক্বাইয়িম, যাদুল মা‘আদ ১/৪১৩; উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৫/১০৭)। জনৈক মুছল্লী মদীনায় অনাবৃষ্টির অভিযোগ করে বৃষ্টি পার
উত্তর : কোন ছালাতের জন্য সময়ের পূর্বে আযান দেওয়া শরী‘আত সম্মত নয়। কেউ সময়ের পূর্বে আযান দিয়ে সময়ের মধ্যে ছালাত আদায় করলে তার ছালাতের ফরযিয়াত আদায় হয়ে যাবে। কিন্তু সময়ের পূর্বে আযানদাতা গুনাহগার হবে। এক্ষণে কেউ ভুল করে সময়ের পূর্বে আযান দিয়ে ছ
উত্তর : আ‘উযুবিল্লা-হ বলে বাম দিকে তিনবার থুক মারতে হবে। ওছমান ইবনু আবিল ‘আছ বলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! শয়তান আমার ছালাত এবং ক্বিরাআতের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি করে। রাসূল (ছাঃ) উত্তরে বললেন, ‘এটা একটা শয়তান যাকে ‘খিনযাব’ বলা হয়। সুতরাং তুমি যখন এর
উত্তর : সূরা ফাতিহার যে অংশটুকু পাঠ করা হয়েছে সে অংশে থেমে গিয়ে ইমামের অনুসরণে আমীন বলবে। অতঃপর সূরা ফাতিহার বাকী অংশটুকু পাঠ করবে। কারণ সূরা ফাতিহা ছাড়া ছালাত হবে না (বুখারী হা/৭৫৬; মুসলিম হা/৩৯৪; মিশকাত হা/৮২২)। প্রশ্নকারী : আ
উত্তর : সতর ঢেকে ছালাত আদায় করা ফরয। সাধারণভাবে পর্দা হয় না এমন আটসাঁট জিন্সের প্যান্ট ও টি-শার্ট ছালাতের উপযোগী পোষাক নয়। এতে ছালাত আদায় হয়ে গেলেও ছওয়াবে কমতি হবে এবং গুনাহ হবে। ছালাতের জন্য অবশ্যই তাকওয়াপূর্ণ ঢিলাঢালা ও শালীন পোষাক পরিধান ক
উত্তর : মহিলা ও পুরুষের কাফনের কাপড় তিনটিই যথেষ্ট (বুখারী হা/১২৬৪; মুসলিম হা/৯৪১; মিশকাত হা/১৬৩৫; উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতি‘ ৫/২২৪; দ্র. ছালাতুর রাসূল ২২৭ পৃ.)। মহিলাদের পাঁচ কাপড়ে কাফন দেওয়ার হাদীছ যঈফ (যঈফাহ হা/৫৮৪৪)।প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অন
উত্তর : ছালাতের মধ্যে ক্বিয়াম বা দাঁড়ানো অন্যতম ফরয রুকন। অতএব সক্ষম ব্যক্তির জন্য বসে ছালাত আদায় জায়েয নয়। এক্ষণে যে ব্যক্তি দাঁড়াতে অক্ষম, সে ব্যক্তি বসে, শুয়ে বা ইশারায় ছালাত আদায় করবে। বসাটা মাটিতেও হ’তে পারে বা যেকোন উঁচু জায়গায় হ’
উত্তর : জুয়া খেলা নিকৃষ্ট হারাম এবং তা থেকে প্রাপ্ত সম্পদও হারাম। অতএব এই ধরনের সম্পদ দ্বারা ব্যবসা করাও হারাম। আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, পূজার বেদী ও ভাগ্য নির্ধারক তীর সমূহ শয়তানের নাপাক কর্ম বৈ কিছুই নয়। অতএব এগুলি থেকে
উত্তর : অমুসলিম আত্মীয়-স্বজনের সাথে সুন্দর আচরণ করতে হবে, যদি তারা দ্বীন পালনে বাধা না দেয়। আল্লাহ বলেন, ‘দ্বীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদেরকে তোমাদের দেশ থেকে বের করে দেয়নি, তাদের প্রতি সদাচরণ ও ন্যায়বিচার করতে আল
উত্তর : নেকীর কাজে মানুষকে উৎসাহিত ও আকৃষ্ট করার উদ্দেশ্যে এরূপ করায় কোন বাধা নেই (ইসলাম ওয়েব, ফৎওয়া ক্রমিক : ৫৭৬২৬)। ছাহাবীদের সাথে নিয়ে রাসূল (ছাঃ) মসজিদে ক্বোবা ও মসজিদে নববী প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে কথিত মসজিদে যিরারে গিয়ে শুরুতে ছালাত আদায়ে
উত্তর : ঈদের ছালাত নারী-পুরুষ সবার জন্য ঈদের ময়দানে গিয়ে আদায় করাই সুন্নাত (বুখারী হা/৩৫১; মুসলিম হা/৮৯০; মিশকাত হা/১৪৩১)। তবে প্রয়োজনে একজন পুরুষের ইমামতিতে নারীরা মসজিদে ঈদের ছালাত আদায় করতে পারে। যেমন যাকওয়া
উত্তর : যে সকল গর্ভবতী বা দুগ্ধদানকারিণী মহিলা ছিয়াম পালনে শিশুর ক্ষতির আশংকা করে, তারা রামাযানে ছিয়াম ছেড়ে দিবে এবং পরবর্তীতে ক্বাযা আদায় করবে। আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা মুসাফিরের উপর থেকে রহিত করে দিয়েছেন অর্ধেক ছাল
উত্তর : শারঈ পর্দা, নিরাপত্তা ও অভিভাবকের অনুমতি সাপেক্ষে মহিলাদের জন্য নিজের বাড়িতে কিংবা অন্যত্র দ্বীনী শিক্ষা প্রদানে কোন বাধা নেই। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যখন কোন কওম কোন গৃহে বসে, অতঃপর কুরআন তেলাওয়াত করে এবং তা পর্যালোচনা করে, সেখানে তাদের উপ
উত্তর : প্রশ্নে বর্ণিত হাদীছ দু’টি সহ ‘রাফ‘ঊল ইয়াদায়েন’ না করার পক্ষে যে সকল দলীল পেশ করা হয়, তার সবগুলিই যঈফ। প্রশ্নে বর্ণিত ১ম হাদীছটি ইমাম আবুদাঊদ বর্ণনা করে বলেন, هَذَا مُخْتَصَرٌ مِنْ حَدِيثٍ طَوِيلٍ وَلَيْسَ هُوَ بِصَحِيحٍ عَلَى هَذَا ا
উত্তর : এক্ষেত্রে দু’টি বিষয় রয়েছে। (১) সাধারণভাবে কোন স্থানে ছবি-মূর্তি থাকলে সেখানে ছালাত আদায় করা যাবে না। কেননা ছবি-মূর্তি সংরক্ষণ করা হারাম (মুসলিম, মিশকাত হা/১৬৯৬) এবং যে ঘরে ছবি-মূর্তি বা কুকুর থাকে সে ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন না (মু
উত্তর : বাদ্যযন্ত্র ও অশ্লীল গান-বাজনা হারাম। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, সত্বর আমার উম্মতের মধ্যেকার কিছু লোক রেশমী কাতান, রেশমী কাপড়, মদ ও গান-বাদ্যকে হালাল মনে করবে (বুখারী তা‘লীক্ব, হা/৫৫৯০; মিশকাত হা/৫৩৪৩)। আল্লাহ বলেন, ‘লোকদের মধ্যে কিছু লো
উত্তর : নিজের উৎপাদিত বা বাজার থেকে ক্রয়কৃত আলু ব্যবসা বা নিজের ব্যবহারের উদ্দেশ্যে হিমাগারে দীর্ঘদিন রাখলে তাতে কোন দোষ নেই (ফতহুল বারী, পৃঃ ৯/৫০৪, তুহফাতুল আহওয়াযী, পৃঃ ৪/৪০৪)। রাসূল (ছাঃ) নিজের পরিবারের জন্য এক বছরের খাদ্য মজুদ রেখেছেন (বুখারী হা/
উত্তর : জান্নাতের নে‘মতসমূহের মধ্যে নহর অন্যতম। এ নদীগুলো কিসের হবে তা পবিত্র কুরআনে এভাবে এসেছে, ‘মুত্তাকীদেরকে যে জান্নাতের অঙ্গীকার দেয়া হয়েছে তার দৃষ্টান্ত হ’ল, সেখানে থাকবে নির্মল পানির নহরসমূহ, থাকবে দুধের নহরসমূহ যার স্বাদ হবে অপরিবর্ত
উত্তর : আয়েশা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, আমি নবী করীম (ছাঃ)-এর সম্মুখে পুতুল নিয়ে খেলা করতাম আর আমার কিছু সাথীও আমার সাথে খেলা করত। যখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) প্রবেশ করতেন তখন তারা আত্মগোপন করত। কিন্তু তিনি তাদেরকে আমার নিকট পাঠিয়ে দিতেন, অতঃপর তারা আমার
উত্তর : কবরের আযাব সত্য (আন‘আম ৯৩, মুমিন ৪৬)। যা অসংখ্য ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত (বুখারী, মিশকাত হা/১২৬, আহমাদ, মিশকাত হা/১৬৩০, সনদ ছহীহ)। রাসূল (ছাঃ) সবসময় কবরের আযাব থেকে পানাহ চাইতে বলেছেন (মুসলিম, মিশকাত হা/৯৪০)। এক্ষণে কবরের আযাব শারীরিকভাবে
উত্তর : উক্ত মর্মে কোন ছহীহ দলীল পাওয়া যায় না।
উত্তর : মুশরিক অবস্থায় মারা যাওয়ার কারণে তারা জাহান্নামী হবে। রাসূল (ছাঃ)-কে তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি (তওবাহ ১১৩; মুসলিম, মিশকাত হা/১৭৬৩)। রাসূল (ছাঃ) তাঁর পিতার ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হ’লে উত্তরে বলেন, আমার পিতা জাহান্নামী (মুসল
উত্তর : বিধর্মীরা আল্লাহর সাথে শিরক করার কারণে সত্ত্বাগতভাবে অপবিত্র (তওবা ২৮)। তাই বলে তারা শারীরিকভাবে অপবিত্র- এমনটা নয়। তাদের সাথে উঠা-বসা, লেন-দেন সবই জায়েয। তাই তারা ঘরে প্রবেশ করলে সেখানে ছালাত আদায় নাজায়েয হওয়ার কোন কারণ নেই। এমনকি তারা
উত্তর : যারা রাত্রির ছালাতে অভ্যস্ত তারা ফজর উদিত হওয়ার পূর্বে তাহাজ্জুদ ও বিতর ছালাত আদায় করবেন। (তিরমিযী হা/৪৬৬)। তবে ভুলক্রমে বা ঘুমের কারণে উক্ত সময়ে উঠতে না পারলে যখন মনে হবে বা ঘুম থেকে জেগে উঠবেন তখন পড়ে নিবেন। যদিও তা আযানের পর জামা
উত্তর : সূর্য ও চন্দ্র উভয়কে ক্বিয়ামতের দিন আলোহীন করা হবে (বুখারী, মিশকাত হা/৫৫২৬)। সূর্য মাত্র এক মাইল দূরে থাকবে (মুসলিম, মিশকাত হা/৫৫৪০)। তারপর জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে (সিলসিলা ছাহীহাহ হা/১২৪, ১/১২৩ পৃঃ)।উল্লেখ্য, সূর্য ও চন্দ্রকে শাস্তি দেও
উত্তর : মধ্যবর্তী ছালাত বলতে এখানে আছর ছালাতকে বুঝানো হয়েছে। অন্যান্য ফরয ছালাত অপেক্ষা এ ছালাতের গুরুত্ব অনেক বেশী। কারণ নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তির আছর ছালাত ছুটে গেল তার এমন ক্ষতি হ’ল যেমন ক্ষতি হয় তার ধন-সম্পদ ও পরিবারবর্গ সবকিছু ধ
উত্তর : উক্ত হাদীছের অর্থ হ’ল, ছালাতের নেকী কম হয়, সম্পূর্ণ ছালাত বাতিল হয় না। কারণ এতে ছালাতের একাগ্রতা বিনষ্ট হয় (তুহফাতুল আহওয়াযী ২/২৫৯; বলূগুল মারাম হা/২২৮-এর ব্যাখ্যা দ্রঃ)।
উত্তর : মাথার কাপড় সরিয়ে বা যেভাবে সুবিধা হবে সেভাবে মাথা মাসাহ করবে। তবে পুরুষ ও মহিলার ওযূর পদ্ধতির মধ্যে কোন পার্থক্য নেই (নাসাঈ হা/১০০, ১ম খন্ড, পৃঃ ৪২)। মেয়েদের মাথার কাপড় পড়ে গেলে বা বেগানা পুরুষ দেখলে ওযূ নষ্ট হয় না। কারণ এগুলো ওযূ ভঙ্গের কারণ
উত্তর : স্বামীর আনুগত্য না করা একটি কঠিন অপরাধ। রাসূল (ছাঃ) জনৈকা মহিলাকে বলেন, স্বামী তোমার জান্নাত ও জাহান্নাম (নাসাঈ কুবরা, আহমাদ, সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৬১২, সনদ ছহীহ)। অন্য হাদীছে বলা হয়েছে, স্বামীর অবাধ্যতার কারণে মহিলারা বেশী বেশী জাহান্নামে যাবে
উত্তর : পৃথিবীতে আল্লাহ মানুষের পরীক্ষা নিতে চান যে কে তাদের মাঝে সর্বোত্তম আমল করে (সূরা মুলক ২)। তাই প্রতিটি মানুষই প্রতিনিয়ত পরীক্ষার সম্মুখীন। এ পরীক্ষার ধরন বিভিন্ন হ’তে পারে (বাক্বারাহ ১৫৫)। যেমন কাউকে মন্দ ও কাউকে ভাল দ্বারা (আম্বিয়া ৩৫)। আল্ল
উত্তর : প্রশ্নে উল্লিখিত বক্তব্য বানাওয়াট। উক্ত মর্মে কোন ছহীহ দলীল পাওয়া যায় না। সূরা হা-মীম সাজদাহর ফযীলত সম্পর্কে যে সমস্ত বর্ণনা এসেছে সবই যঈফ ও জাল (সিলসিলা যঈফাহ হা/৫১১২; যঈফ তিরমিযী হা/২৮৭৯, ২৮৮৮, ২৮৮৯; মিশকাত হা/২১৪৪, ৪৯, ৫০)।
উত্তর : জামা‘আতের পরে আসা মুছল্লীরা এক্বামত দিয়ে জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করতে পারবে। আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) একবার জনৈক মুছল্লীকে একাকী ছালাত আদায় করতে দেখে বলেন, কে আছ এই ব্যক্তিকে ছাদাক্বা দিতে পারে, অর্থাৎ তার সাথে ছ
উত্তর : সমাজে যত কুসংস্কার চালু আছে, এটি তার অন্যতম। এগুলো থেকে বিরত থাকা কর্তব্য।
উত্তর : রোযাদার কে পানি পান করালে আল্লাহ তা‘আলা গুনাহ মাফ করেন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করেন মর্মে হাদীছটি ইমাম বায়হাক্বী বর্ণনা করেছেন। তবে হাদীছটি যঈফ (মিশকাত হা/১৯৬৫; সিলসিলা যঈফা হা/৮৭১)। কিন্ত রোযাদারকে পানি পান করালে হাউয কাওছারের পা
উত্তর : সূরা ক্বদর পড়া সম্পর্কে যে বর্ণনা এসেছে তা জাল (সিলসিলা যঈফাহ হা/১৪৪৯)। ওযূ করার পূর্বে ‘বিসমিল্লাহ’ এবং শেষে ‘আশহাদু আল্লা ইলা-হা .. .. ছাড়া আর অন্য কিছু বলা যাবে না (মুসলিম, তিরমিযী, মিশকাত হা/২৮৯)।
উত্তর : উক্ত ব্যক্তি শহীদের মর্যাদা পাবেন না। তবে অবশ্যই তিনি উত্তম প্রতিদান পাবেন। কিন্তু তিনি যদি আল্লাহর পথে সংগ্রাম করতে গিয়ে কারারুদ্ধ হন এবং নির্যাতন করে বা অন্যায় বিচারে তাকে হত্যা করা হয়, তবে তিনি প্রকৃত শহীদের মর্যাদা পাবেন।উল্লেখ্য
উত্তর : ছোট ছেলে মেয়েদের কপালে কোন এক পার্শ্বে কাজলের বা অন্য কোন জিনিষের ফোটা দেয়ার কারণ সাধারণত দু’টো হতে পারে। (ক) বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুকরণ যা মুসলমানের জন্য পরিত্যাজ্য (আহমাদ, আবূদাঊদ হা/৪৩৪৭)। (খ) কোন বিপদাপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার উদ্দেশ
উত্তর : পিতা বা কোন অভিভাবক সাবালিকা মেয়ের মতামত ছাড়া বিয়ে দিতে পারেন না (বুখারী, মুসলিম, বুলূগুল মারাম হা/৯২২; বুখারী, মিশকাত হা/৩১২৮)।
উত্তর : ছালাতে সালাম ফিরানোর সময় শুধু ডান দিকে ‘ওয়া বারাক্বা-তুহু’ যোগ করা যাবে (তামামুল মিন্নাহ, পৃঃ ১৭১)। উল্লেখ্য যে, বলূগুল মারামে (হা/৩১৬) আবুদাঊদের উদ্ধৃতি দিয়ে দুই দিকেই বলার কথা এসেছে। কিন্তু মূল আবুদাঊদে (হা/৯৯৭) এটা নেই। আরো উল্লে
উত্তর : মসজিদের মেহরাবের উপরে বা অন্য কোন স্থানে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’, ‘আল্লাহ’, ‘মুহাম্মাদ’ বা অন্য কোন আয়াত লেখা শরী‘আত সম্মত নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর মসজিদে এসব কিছু লেখা বা কোনরূপ বাড়তি সাজ-সজ্জা না থাকায় মোল্লা আলী ক্বারী হানাফী ছাহেবে
উত্তর : হযরত আবুদ্দারদা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেছেন যে, كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِيْ شَأْنٍ ‘আল্লাহ সর্বদা মহান কর্মে ব্যস্ত’ (রহমান ২৯)-এর ব্যাখ্যা এই যে, তিনি সর্বক্ষণ কারু পাপ ক্ষমা করছেন, কারু বিপদ সরিয়ে দিচ্ছেন, কাউকে উচ্চ সম্মা
উত্তর : বিভিন্ন নকশায় সজ্জিত পোষাক, কার্পেট ও কারুকার্য মন্ডিত মসজিদের দেয়াল ছালাতের মধ্যে মুছল্লীদের একাগ্রতা বিনষ্ট করে। এগুলো থেকে বেঁচে থাকা যরূরী। সেগুলো মক্কা-মদীনার হোক বা অন্য কোন স্থানের বা বস্ত্তর হোক তা দেখার বিষয় নয় (মুত্তাফ
উত্তর : জামা‘আতে শরীক হয়ে আগে ইমামের সাথে ‘আমীন’ বলবে। কেননা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তোমরা জামা‘আতে এসে ইমামকে যে অবস্থায় পাবে, সে অবস্থায় ইমামের অনুরূপ করবে’ (আবুদাঊদ হা/৫০৬; তিরমিযী হা/৫৯১; মিশকাত হা/১১৪২; ছহীহুল জামে‘ হা/২৬১)। তাছাড়া হাদীছে
উত্তর : অন্যান্য ছালাতের ন্যায় জানাযার ছালাতেও কাতার হওয়া যরূরী (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৬৫২, ৫৭, ৫৮)। উভয় ছালাতে কাতারের হুকুমে কোন পার্থক্যের উল্লেখ নেই। পরিচ্ছন্ন জুতা বা স্যান্ডেল পরে ফরয ছালাত আদায় করা যেমন জায়েয, তেমনিভাবে জানায
উত্তর : উক্ত দাবী ঠিক নয়। কারণ হাদীছে উক্ত শর্ত উল্লেখ করা হয়নি। এটা শরী‘আতের নির্দেশকে অমান্য করার অপকৌশল মাত্র। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তিন শ্রেণীর লোকের সাথে আল্লাহ ক্বিয়ামতের দিন কথা বলবেন না, তাদের দিকে তাকাবেন না, তাদেরকে পবিত্র করবেন ন
উত্তর : কবীরা গোনাহ অর্থ মহা পাপ। (১) যার শীর্ষে রয়েছে আল্লাহর সাথে শিরক করা (২) এরপরে ঐসব গোনাহ যার শাস্তি কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা নির্ধারিত। যেমন হত্যা, চুরি, ব্যভিচার, জুয়া, লটারী, মদ্যপান, মিথ্যা সাক্ষ্য দান ইত্যাদি (৩) যেসব পাপের জন্য আল্
উত্তর : এটি সামাজিক কুসংস্কার মাত্র।
উত্তর : চুরি করা কবীরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৮)। জেনে শুনে চুরিকৃত বস্ত্ত ক্রয় করা পাপ কাজের সহযোগিতা করার শামিল। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, নেকী ও কল্যাণের কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সীমালংঘনের কাজে পরস্পরকে সহযো
উত্তর : পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া কাবীরা গোনাহ সমূহের অন্তর্ভুক্ত (বুখারী ও মুসলিম, মিশকাত হা/৫০)। কোন মেয়ে পিতা বা অভিভাবকের সম্মতি ব্যতীত বিবাহ করলে বিবাহ বাতিল বলে গণ্য হবে (আহমাদ, তিরমিযী, আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৩১৩০)। তবে সাবালক ছেলে যদি ঐরূপ বিবাহ ক
উত্তর : মসজিদে উক্ত পদ্ধতি চালু করা ঠিক নয়। কারণ কোন ব্যক্তি যদি ছালাত পড়তে থাকে আর জামা‘আতের সময় হয়ে যায় তাহলে সে হাদীছের নির্দেশ মোতাবেক ছালাত ছেড়ে দিয়ে জামা‘আতে শরীক হবে ((মুসলিম, মিশকাত হা/১০৫৮)। এতে ঐ ব্যক্তি পূর্ণ ছালাতের নেকী পেয়ে যাবে (
উত্তর : ঘটনাটি বিভিন্ন ইতিহাস গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে (আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ ৬/৩৫১ পৃঃ, ১২ হিজরীর বর্ণনা, খালিদ (রাঃ)- কে ইরাক প্রেরণ শীর্ষক আলোচনা দ্রঃ; তারীখে ত্বাবারী ২/৩১৭; তারীখে দেমাশক ৩৭/৩৬৫ প্রভৃতি)। ঘটনাটি খুবই ঈমান বর্ধক এবং তা নিম্নরূপ :
উত্তর : উল্লেখিত বাক্যাংশ দু’টি যথাক্রমে সূরা আলে ইমরান ২ ও বাক্বারাহ ১৬৩নং আয়াতের অংশ। যা নির্দিষ্টভাবে ফজর ছালাতের পর ১০০ বার করে পাঠ করার ব্যাপারে কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না।
উত্তর : এগুলো কুসংস্কার মাত্র। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ছোঁয়াচে রোগ বলতে কিছু নেই, কোন কিছুতে অশুভ নেই, পেঁচার মধ্যে কুলক্ষণ নেই এবং ছফর মাসেও কোন অশুভ নেই। তবে কুষ্ঠরোগী হতে পলায়ন কর যেমন বাঘ হতে পলায়ন কর’। একথা শুনে জনৈক বেদুঈন বলল, হে আল্লা
উত্তর : মুসলিম বা অমুসলিম হোই হৌক পাওনাদারকে সাধ্যমত খুঁজে বের করতে হবে। এজন্য আধুনিক মিডিয়া সমূহ ব্যবহার করতে হবে। ছাহাবী উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) ১০০ স্বর্ণমুদ্রা ভর্তি একটি থলি পেয়েছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাকে থলির মালিকের সন্ধানের জন্য পরপর
উত্তর : উক্ত বক্তব্য ভিত্তিহীন। কেননা এক কবরে একাধিক ব্যক্তির দাফন হ’তে পারে। তাছাড়া প্রত্যেকের হিসাব পৃথক হবে। যেমন আল্লাহ বলেন, ‘প্রত্যেক ব্যক্তিই স্বীয় কৃতকর্মের জন্য দায়ী হবে। কেউ কারু বোঝা বহন করবে না। অতঃপর তোমরা সবাই তোমাদের প্রতিপালকে
উত্তর : সূরা বাক্বারাহ শেষে ‘আমীন’ বলার পক্ষে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও খুলাফায়ে রাশেদীন থেকে কোন দলীল পাওয়া যায় না। তবে ছাহাবী মু’আয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে মওকূফ সূত্রে একটি বর্ণনা পাওয়া যায় (তাফসীর ইবনে কাছীর, ২৮৬ আয়াত)। এর বর্ণনাকারী আবু ইসহাক্ব ও ছ
উত্তর : এর সমাধান সুরা ফাতিরে ঐ আয়াতের প্রথমাংশে রয়েছে : আল্লাহ তা‘আলা বলেন: إِنَّ اللَّهَ يُسْمِعُ مَنْ يَشَاءُ وَمَا أَنْتَ بِمُسْمِعٍ مَنْ فِي الْقُبُورِ ‘আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে শ্রবণ করান। কিন্তু তুমি কবরবাসীকে শুনাতে সক্ষম নও (ফাতি
উত্তর : অনুরূপ একটি প্রশ্নের জওয়াবে ইমাম মালেক (রহঃ) প্রশ্নকারীকে জিজ্ঞেস করেন, তাদের কি প্রাণ আছে? প্রশ্নকারী বলেন, আছে। তখন ইমাম মালেক (রহঃ) বলেন, মালাকুল মউত তাদের জান কবয করে। কেননা আল্লাহ বলেন, اللهُ يَتَوَفَّى الْأَنفُسَ حِيْنَ مَوْتِهَ
উত্তর : মুসলিম প্রমাণিত না হ’লে তার জানাযা করা যাবে না। এমন লাশকে বিনা জানাযায় স্বাভাবিকভাবে দাফন করতে হবে। হযরত আলী তাঁর পিতা আবু তালেবকে তার মৃত্যুর পর রাসূল (ছাঃ)-এর হুকুমে এভাবেই দাফন করেছিলেন (আবুদাঊদ হা/৩২১৪)।
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আঙ্গুলে তাসবীহ গণনার জন্য আদেশ করেছেন। কেননা ক্বিয়ামতের দিন আঙ্গুলগুলো জিজ্ঞাসিত হবে এবং তারা কথা বলবে (আবুদাঊদ হা/১৫০১; তিরমিযী হা/৩৪৮৬, সনদ ছহীহ; মিশকাত হা/২৩১৬)। আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে ডা
উত্তর : সূর্যোদয়, মধ্যাহ্ন ও সূর্যাস্তকালে ছালাত শুরু করা সিদ্ধ নয়। অনুরূপভাবে আছরের ছালাতের পর হ’তে সূর্যাস্ত পর্যন্ত এবং ফজরের ছালাতের পর হ’তে সূর্যোদয় পর্যন্ত কোন ছালাত নেই। তবে এ সময় ক্বাযা ছালাত আদায় করা জায়েয আছে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশ
উত্তর : পোষাকের জন্য চারটি মূলনীতি রয়েছে। যথা- (১) পোষাক পরিধানের উদ্দেশ্য হবে দেহকে ভালভাবে ঢেকে রাখা, যাতে লজ্জাস্থান সমূহ অন্যের চোখে প্রকট হয়ে না ওঠে (২) ভিতরে-বাইরে তাক্বওয়াশীল হওয়া (৩) অমুসলিমদের সাদৃশ্য না হওয়া (৪) অপচয় ও অহংকার প্রকাশ
উত্তর : মসজিদে প্রবেশ করার সময় ডান পা আগে এবং বের হওয়ার সময় বাম পা আগে দিতে হবে (বায়হাক্বী ২/৪৪২; হাকেম ১/২১৮; সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৪৭৮, সনদ হাসান)।
উত্তর : কাতারে দাঁড়িয়ে শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্য অনুযায়ী পায়ে পা ও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াতে যতটুকু ফাঁক রাখার প্রয়োজন হয়, ততটুকু ফাঁক রাখবে (বুখারী হা/৭২৫; আবুদাঊদ হা/৬৬২)। তাছাড়া দুই পায়ের মাঝে জুতা জোড়া রাখা যায় এতটুকু ফাঁকা রাখার কথা হা
উত্তর : উক্ত সময়ে ঋতু শুরু হ’লে ছিয়াম বাতিল হবে এবং পরবর্তীতে তাকে ঐ ছিয়াম পালন করতে হবে। আয়েশা (রাঃ) বলেন, ঋতু অবস্থায় আমাদেরকে ছিয়াম ক্বাযা করার এবং ছালাত ছেড়ে দেয়ার আদেশ দেওয়া হ’ত (মুসলিম, মিশকাত হা/২০৩২, ‘ক্বাযা ছিয়াম’ অনুচ্ছেদ)। তবে
উত্তর : পরে পড়ে নিতে হবে (মুওয়াত্ত্বা মালেক, সনদ মুরসাল ছহীহ, মিশকাত হা/৬৮৭)। তবে পূর্বের ছালাতের জন্য সে পূর্ণ নেকী পাবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মুসলিম, মিশকাত হা/৬৮৬)। ফজরের সুন্নাত ক্বাযা হ’লে জামা‘আতে ছালাতের পরেই তা পড়া যাবে (আবুদাঊদ হা/১২৬৭; তিরমিয
উত্তর : কুরআনে ১৫ স্থানে সিজদা আছে। সূরা হজ্জে দুই স্থানে সিজদা রয়েছে। ছালাতের সিজদার মত তাকবীর দিয়ে সিজদা করবে এবং দো‘আ পড়ার পর তাকবীর দিয়ে মাথা উঠাবে (মুছান্নাফ আব্দুর রাযযাক হা/৫৯৩০; বায়হাক্বী ২/৩২৫; সনদ ছহীহ, আলবানী, তামামুল মিন্নাহ পৃঃ ২৬৯
উত্তর : আল্লাহর নামেই কসম করতে হবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৩৪০৭; আবুদাঊদ হা/৩২৪৭-৫১)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে কসম করে সে শিরক করে (আবুদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/৩৪১৯)। তবে পবিত্র কুরআনেরও কসম করা যায়। কেননা কু
উত্তর : এ অবস্থায় সালাম ফিরিয়ে ছালাত সমাপ্ত করলে তার ছালাত হয়ে যাবে। কারণ ছালাত থেকে বের হওয়ার জন্য সালাম ফিরানো আবশ্যক। আর সালামও যদি না ফিরায় তাহলে তার ছালাত হবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ছালাতের তাকবীর বললে সবকিছু হারাম হয়, আর সালাম ফিরা
উত্তর : তাঁদেরকে কোথায় অবতরণ করানো হয়েছিল এ মর্মে কোন স্পষ্ট ছহীহ হাদীছ পাওয়া যায় না। প্রচলিত বর্ণনা সমূহের ছহীহ কোন ভিত্তি নেই।
উত্তর : বৈধ কাজে একজন কিংবা প্রতিজন প্রতিযোগীর নিকট থেকে অর্থ নিয়ে তাদের জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা করায় কোন বাধা নেই। যেমন কোন ইসলামী জ্ঞানের প্রতিযোগিতা (ইবনু ক্বাইয়িম, আল-ফুরুসিয়া ৩১৮ পৃ.; মারদাভী, আল-ইনছাফ ৬/৯১; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৬/১
উত্তর : ফরয ছাদাক্বা বা যাকাতের মাল প্রকাশ্যে দান করা উত্তম। কেননা এতে মানুষের মধ্যে যাকাতদাতার প্রতি সন্দেহ বা কুধারণা দূর হবে। যেমনটি ফরয ছালাত জামাআ‘তে বা প্রকাশ্যে পড়া হয় (নববী, আল-মাজমু‘ ৬/২২৮; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ৬/১১৭)। তবে নফল ছাদ
উত্তর : জামা‘আতে ছালাত আদায় করা প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের জন্য ওয়াজিব। কেউ যদি আযান শোনার পরেও ওযর ছাড়া বাড়িতে ছালাত আদায় করে, তাহ’লে সে গুনাহগার হবে। রাসূল (ছাঃ) অন্ধ ছাহাবী আব্দুল্লাহ বিন উম্মে মাকতূমকেও মসজিদে এসে জামা‘আতে ছালাত আদায় করার নির্দ
উত্তর : সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য মহিলাদের নাক-কান ফোড়ানো জায়েয। আরবে যে প্রথাগুলো পূর্ব থেকে চলে আসছিল, সেগুলো রাসূল (ছাঃ) নিষেধ করেননি। জাবের (রাঃ) বলেন, আমি রাসূল (ছাঃ)-এর সাথে ঈদের ছালাত আদায় করেছি, খুৎবার পূর্বে তিনি বিনা আযান ও ইক্বামতে ছাল
উত্তর : শরী‘আতে নির্ধারিত যাকাত রয়েছে কেবল সাএমা বা চারণভূমিতে বিচরণশীল পশুর জন্য। গৃহপালিত পশুর কোন যাকাত নেই (বুখারী হা/১৪৫৪; তিরমিযী হা/৬২২; ইবনু মাজাহ হা/১৮০৪; নাসাঈ হা/২৪৪৪; ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৩২/৩২; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ৯/২০৫)। ত
উত্তর : যেকোন হালাল প্রাণীর প্রবহমান রক্ত ব্যতীত দেহের সকল অংশ খাওয়া হালাল (আত-তাজ ওয়াল ইকলীল ১/১২৪)। সেটি গোশত, চামড়া, হাড়, নাড়ি বা গিলা হ’তে পারে। আল্লাহ বলেন, ‘তুমি বলে দাও, আমার নিকট যেসব বিধান অহি করা হয়েছে, সেখানে ভক্ষণকারীর জন্য আমি
উত্তর : কাপড়ের নীচেও নারীদের জন্য চুল এমন উঁচু করে বেণী করা সমীচীন নয়, যা বাইরে থেকে প্রকাশ পায়। কারণ এতে শারঈ পর্দা বিনষ্ট হয়। বেপর্দা নারীদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে রাসূল (ছাঃ) বলেন, জাহান্নামবাসী দু’ধরনের লোক এমন আছে যাদের আমি (এখনো) দ
উত্তর : জিনদের ইবাদতের ধরণ মানুষের ইবাদতের মতোই। এ ব্যাপারে কুরআনে বহু আয়াত রয়েছে। তারা খায়, কিন্তু কিভাবে, কোথায় বা কখন খায় তা আমাদের জানানো হয়নি। অনুরূপ ইবাদত পালনের ক্ষেত্রেও আমাদের মতোই তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘আমি জিন ও ই
উত্তর : নবী করীম (ছাঃ)-এর প্রতি আল্লাহ তা‘আলা ছালাত ও সালাম উভয়টি প্রেরণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। সেজন্য নবী (ছাঃ)-এর নামের শেষে ‘ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ বলতে হয় (আহযাব ৩৩/৫৬)। অন্যদিকে আল্লাহ তা‘আলা পূর্ববর্তী নবী-রাসূলগণের ক্ষেত্রে কেবল
উত্তর : বর্ণিত হয়েছে। যেমন রাসূল (ছাঃ) বলেন, দাজ্জালের আবির্ভাবের তিন বছর পূর্বে দুর্ভিক্ষ দেখা দিবে, তখন মানুষ চরমভাবে অন্নকষ্ট ভোগ করবে। প্রথম বছর আল্লাহ তা‘আলা আসমানকে তিন ভাগের এক ভাগ বৃষ্টি আটকে রাখার নির্দেশ দিবেন এবং যমীনকে নির্দেশ দিল
উত্তর : তিন বা চার রাক‘আত বিশিষ্ট ছালাতের প্রথম তাশাহহুদ ছুটে গেলে সালামের পূর্বে সহো সিজদা দিলেই যথেষ্ট হবে (উছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৮/২; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৯/৩৭৪)। আব্দুল্লাহ বিন বুহায়না (রাঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, একদিন র
উত্তর : দাদীর দুধ পান করায় চাচা দুধ ভাই হিসাবে গণ্য হবে। ফলে দুধ ভাইয়ের মেয়েকে বিবাহ করা হারাম (নিসা ৪/২৩)। রাসূল (ছাঃ) ও তাঁর চাচা হামযাহ (রাঃ) একই মায়ের দুধপান করেছিলেন। সেকারণ হামযার মেয়ের সাথে রাসূল (ছাঃ)-এর বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হ’লে তিনি বলে
উত্তর : স্বামীর চাচা বা মামা তথা চাচা শ্বশুর বা মামা শ্বশুর স্ত্রীর মাহরাম নয়। সেজন্য স্ত্রীকে তাদের থেকে যথাযথভাবে শারঈ পর্দা করতে হবে (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব ১৫৫০/০৩)। কারণ কুরআনে যে মাহরামদের কথা বলা হয়েছে এরা তাদের মধ্যে নয় (নিসা ৪/২৪)
উত্তর : নারীরা বাড়িতে স্বামীর খেদমতের সাথে গৃহস্থালীর কাজগুলো করলে সে জিহাদের সমপরিমাণ ছওয়াব পাবে বলে ‘হাসান’ পর্যায়ের একটি হাদীছ বর্ণিত হয়েছে (ইবনু আবীদ-দুনিয়া, আন-নাফাকাতু আলাল ইয়াল হা/৫২৮; মেদারাতুন নাস হা/১৭৩; আমালী ইবনু বুশরান হা/১১, সনদ
উত্তর : পুকুরে চাষকৃত মাছের ওশর বা যাকাত দিতে হবে না। কারণ মাছের কোন ওশর বা যাকাত নেই (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৩/৫৬; ইবনু হাযম, মারাতিবুল ইজমা‘ ১/৩৯; কাসেম বিন সাল্লাম, আল-আমওয়াল ১/৪৩৪)। তবে মাছের চাষ যদি ব্যবসায় পরিণত হয়, তাহ’লে বছর শেষে মূলধন ও লভ্যা
উত্তর : নামের অর্থ খারাপ বা অর্থ বিকৃতির কারণে নাম পরিবর্তন করা জায়েয। এটি কোন কোন সময় মুস্তাহাব। আবার কোন কোন সময় ওয়াজিব হয়ে যায় (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১৮/২৩৯)। যেমন জনৈক ব্যক্তির নাম ছিল আব্দুল হাজার (পাথরের দাস)। রাসূল (ছাঃ) তার ন
উত্তর : মোহর হিসাবে প্রদানকৃত গহনা শাশুড়ী ফেরত পাবে না। কারণ এটি ছেলেকে দান করা হয়নি বরং ছেলের স্ত্রীকে মোহর হিসাবে দেওয়া হয়েছে, যা তার অধিকার। তাছাড়া পিতা-মাতার পক্ষ থেকে সন্তানকে দানকৃত বস্ত্ত ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য চারটি শর্ত প্রযোজ্য। (১) দান
উত্তর : ছালাতরত অবস্থায় কারো হাঁচি হ’লে সে নীরবে আলহামদুলিল্লাহ পাঠ করবে। তবে এর জওয়াব কারো দিতে হবে না (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২৯/৩৪৮)। জনৈক ছাহাবী ছালাতে হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলেন। রাসূল (ছাঃ) তাকে কিছু না বলে যে জওয়াব দিয়েছিল তাকে জওয়াব দিতে
উত্তর : আযানের জওয়াব দেওয়া মুস্তাহাব (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ১/৩০৯; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১২/১৯৬; আলবানী, তামামুল মিন্নাহ ৩৪০ পৃ.)। এ সময়ে মাইক বাজানো বা বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থেকে আযানের জওয়াব দেওয়া উত্তম (সামারকান্দী, তোহফাতুল ফুকাহা ১/১১৭)। তবে
উত্তর : মসজিদে ছালাত শেষে মুছল্লীদের জন্য মিষ্টি মুখ করা বা খাবারের ব্যবস্থা করা জায়েয। তবে নিয়মিত করা সমীচীন নয়। কারণ এতে মানুষ মসজিদকে খাবারের স্থান মনে করতে পারে (উছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৮/২, টেপ নম্বর ৩৪৮)। সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) ব
উত্তর : দ্বিতীয় স্বামীর পক্ষ থেকে উক্ত নারীর অন্যত্র বিবাহের ব্যাপারে কোন আপত্তি না থাকাটা তালাকের শামিল। তালাকের নিয়তসহ এরূপ ইঙ্গিতবহ বাক্য উল্লেখ করে তালাক প্রদান করাকে ‘কেনায়া তালাক’ বলে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূউল ফাতাওয়া ৩২/৩০২)। আর যেহেতু প
উত্তর : মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে এদেরকে বিশেষভাবে কিংবা পারিশ্রমিক হিসাবে খাওয়ানো সমীচীন নয়। কারণ যারা উপরোক্ত কাজগুলো করে তারা ছওয়াবের আশায় করে। তবে প্রতিবেশীরা খাওয়াতে পারে (তিরমিযী হা/৯৯৮; ছহীহুল জামে‘ হা/১০১৫; মিশকাত হা/১৭৩৯)। উল্লেখ্য যে
উত্তর : দাঁড়িয়ে ছালাত আদায় করা ছালাতের অন্যতম ফরয রুকন। কেউ তা পরিত্যাগ করলে ছালাত হবে না। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা মহান আল্লাহর উদ্দেশ্যে বিনীতভাবে দাঁড়াও’ (বাক্বারাহ ২/২৩৮)। ইমরান বিন হুছাইন (রাঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, ছালাত সম্পর্কে রাসূল (ছাঃ
উত্তর : একজন আদর্শ স্ত্রীর কর্তব্য হ’ল স্বামীর সাথে ভালো ব্যবহার করা এবং তার আনুগত্য করা। জনৈক মহিলা রাসূল (ছাঃ)-এর সাথে কথা বলা সম্পন্ন করলে তিনি তাকে বললেন, হে অমুক! তোমার স্বামী আছে কি? সে বলল, হ্যাঁ আছে। তিনি বললেন, তুমি তার জন্য কেমন? সে
উত্তর : খানাপিনার দাওয়াতে মুমিন ও মুত্তাকীরা অগ্রাধিকার পাবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, মুমিন ব্যতীত অন্য কাউকে বন্ধু বানাবে না এবং তোমার খাদ্য আল্লাহ্ভীরু লোক ছাড়া যেন অন্য কেউ না খায় (আবুদাঊদ হা/৪৮৩২; মিশকাত হা/৫০১৮; ছহীহুত তারগীব হা/৩০৩৬)। অত্র হা
উত্তর : আলুর ওশর দিতে হবে না। কেননা শাক-সব্জির উপর যাকাত নেই (ছহীহুল জামে‘ হা/৫৪১১)। তবে এগুলির বিক্রয়লব্ধ টাকা যদি এক বছর সঞ্চিত থাকে এবং নিছাব পরিমাণ হয়, তাহ’লে শতকরা ২.৫ টাকা বা ৪০ ভাগের ১ ভাগ হিসাবে তার যাকাত দিতে হবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৮
উত্তর : সূরা ইয়াসীন সম্পর্কে উক্ত মর্মে কোন হাদীছ বা আছার বর্ণিত হয়নি। বরং একজন তাবেঈ থেকে এমন একটি বর্ণনা পাওয়া যায়, যার সনদ ছহীহ নয় (মুহাম্মাদ বিন আমর, আহাদীছুন ওয়া মারবিয়াতুন ফিল মীযান ৪/১১৩, ৭৫ পৃ.)। আর সূরা ওয়াক্বি‘আহ সম্পর্কেও অনুরূপ কিছু বর্ণন
উত্তর : প্রাণী ব্যতীত যেকোন জড়বস্ত্তর ভাস্কর্য নির্মাণ করা যায়। কারণ রাসূল (ছাঃ) কেবল প্রাণীর ছবি নির্মাণ করতে নিষেধ করেছেন। তবে পবিত্র কুরআন আল্লাহর বাণী হওয়ায় তা সর্বাধিক সম্মানজনক। একে ভাস্কর্য হিসাবে নির্মাণ করলে এর অবমাননা হ’তে পারে। সেজ
উত্তর : এই ধরনের বাধ্যবাধকতা ইসলামী শরী‘আতে নেই। বরং যে বিবাহে খরচ কম হয়, সে বিবাহকে হাদীছে বরকতপূর্ণ বলা হয়েছে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে বিবাহ সহজে সম্পন্ন হয়, তা-ই উত্তম বিবাহ (আবুদাউদ হা/২১১৭; ছহীহাহ হা/১৮৪২)। যে নারীর বিবাহের মোহর কম, সে বিবাহ
উত্তর : একাধিক স্ত্রীর মাঝে মোহরানায় প্রয়োজনে কম-বেশী হ’তে পারে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৯/২১১)। তবে রাত্রিযাপন, বাসস্থান ও ভরণ-পোষণের ক্ষেত্রে সাধ্যমত ইনছাফ করতে হবে (নিসা ৪/৩; ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূউল ফাতাওয়া ৩২/২৬৯; ইবনুল ক্বাইয়িম, যাদুল মা‘আদ ১/১৫১)
উত্তর : প্রত্যেক মানুষের হেফাযত ও আমলনামা সংরক্ষণের জন্য আল্লাহ ফেরেশতা নিযুক্ত করে রেখেছেন। তিনি বলেন, ‘যখন দু’জন ফেরেশতা ডানে ও বামে বসে তার আমলনামা লিপিবদ্ধ করে। সে যে কথাই উচ্চারণ করে, তা গ্রহণ করার জন্য তার কাছে সদা প্রস্ত্তত প্রহরী রয়েছ
উত্তর : শর্তসাপেক্ষে বিক্রয় জায়েয। সেক্ষেত্রে ক্রয় করা বা না করা ক্রেতার ইচ্ছাধীন। ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ, ইবনুল ক্বাইয়িম, উছায়মীনসহ অনেক বিদ্বান এধরনের শর্তে পণ্য বিক্রয়কে জায়েয বলেছেন (আশ-শারহুল মুমতে‘ ৮/২৩৯; ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব ১৬/২)। রাস
উত্তর : ইসলামী শরী‘আতে নসবনামা বা বংশ তালিকা সংরক্ষণের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে (তিরমিযী হা/১৯৭৯; মিশকাত হা/৪৯৩৪; ছহীহুত তারগীব হা/২৫২০)। সেকারণ নামের শেষে পিতার নাম যুক্ত করা যায়। ইসলামপূর্ব যুগ থেকেই আরব দেশগুলিতে এর প্রচলন ছিল। তবে ভারত উপমহাদেশসহ
উত্তর : কালো ব্যতীত অন্য যে কোন রঙ চুলে ব্যবহার করা জায়েয। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন তা বিজাতীয়দের অনুকরণে না হয় এবং কাফির-মুশরিকদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ না হয় (আবুদাঊদ হা/৪০৩১; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ৫/১৬৮)। প্রশ্নকারী : ছাকিবুর রহমান, নিউ ট
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সালাম ফিরানোর পরে প্রথমে আস্তাগফিরুল্লাহ তিন বার বলতেন। ছাওবান (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) ছালাতের সালাম ফিরানোর পর তিনবার আস্তাগফিরুল্লাহু বলতেন, তারপর দো‘আ পড়তেন, আল্ল-হুম্মা আন্তাস সালা-ম, ওয়া মিনকাস সালা-ম, তাবারাকতা ই
উত্তর : এটি জায়েয নয় (ইবনু হাজার, ফৎহুল বারী হা/৫৮৯৯-এর ব্যাখ্যা দ্রষ্টব্য)। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, একদিন এক হিজড়াকে নবী (ছাঃ)-এর নিকট আনা হ’ল। তার হাত-পা মেহেদী দ্বারা রাঙ্গানো ছিল। রাসূল (ছাঃ) বললেন, এর এ অবস্থা কেন? বলা হ’ল, হে আল্লাহর রাসূ
উত্তর : কবর পাকা করা ও সুসজ্জিত করা নিষেধ। জাবের (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) নিষেধ করেছেন, কবরে চুনকাম করতে, এর উপর লিখতে এবং একে পায়ে পদদলিত করতে (তিরমিযী হা/১০৫২ প্রভৃতি; মিশকাত হা/১৭০৯)। আর এই নির্দেশের কারণে রাসূল (ছাঃ)-এর মূল কবর পাকা কর
উত্তর : সাধারণভাবে অমুসলিম বা কাফির-মুশরিকদের হাদিয়া গ্রহণ করা জায়েয। আল্লাহ বলেন, ‘ধর্মের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে না এবং তোমাদেরকে তোমাদের বাড়ি থেকে বিতাড়িত করে না, তাদের সাথে সদাচরণ করতে আল্লাহ তোমাদের নিষেধ করেন না’ (মুমতাহ
উত্তর : এই ধরনের ব্যবসায় কোন দোষ নেই। পশু কিনে পোষাণী দেওয়া এবং উভয়পক্ষের সন্তুষ্টিতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এরূপ চুক্তি করা জায়েয (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূউল ফাতাওয়া ৩০/২২৯; আল-ইখতিয়ারাত ১/৪৮৬)। পোষাণী দেওয়ার সঠিক পদ্ধতি হ’ল চুক্তির সময় উভয়ের সম্মতিক্রম
উত্তর : নারী-পুরুষ মাথায় মেহেদী দেওয়া অবস্থায় ছালাত আদায় করতে পারবে। কারণ মেহেদী অপবিত্র নয়। তবে ওযূ করার সময় মাথা মাসাহ করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ চুল বা দাড়িতে মোটা অবস্থায় মেহেদী দেওয়া থাকলে মাসাহ সম্পন্ন হবে না। আর মাসাহ সম্পন্ন
উত্তর : পিতা যদি তার সকল ছেলে-মেয়েকে অনুরূপ জমি দান করে থাকেন, তাহ’লে সৎ মা বা অন্যদের বাধা প্রদান করা ঠিক হবে না। কিন্তু পিতা যদি শুধু এক ছেলেকেই উক্ত জায়গা দিয়ে থাকেন, তাহ’লে কুরআন-হাদীছের আলোকে অংশ মোতাবেক ওয়ারিছদের মাঝে তা বণ্টন করতে হবে।
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক (মুসনাদে বাযযার, সনদ ছহীহ, সিলসিলা ছহীহাহ হা/৬২১; মুসলিম হা/৬১০৭; দালায়েলুন নবুওয়াত লিল বায়হাক্বী হা/৬৫৩)। তবে সেটা বারযাখী জীবন, যা মানুষের জ্ঞানের বাইরে। ঐ ছালাত দুনিয়াবী ছালাতের সাথে তুলনীয় নয়।
উত্তর : মিম্বর তিন স্তর বিশিষ্ট হওয়ার বিশেষ কোন তাৎপর্য পাওয়া যায় না। তবে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তিন স্তর বিশিষ্ট মিম্বর ব্যবহার করেছেন (ইবনু মাজাহ হা/১৪১৪; আওনুল মাবুদ হা/১০৭৬ -এর ব্যাখ্যা দ্রষ্টব্য)। মু‘আবিয়া (আঃ)-এর খেলাফত কালে মদীনার গবর্নর মারওয়ান আর
উত্তর : জান্নাতীদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করানোর পর জান্নাত ফাঁকা থাকবে। তখন আল্লাহ তা‘আলা এক ধরনের সৃষ্টি দিয়ে জান্নাত পূর্ণ করবেন (মুসলিম হা/২৮৪৮ ‘জান্নাত’ অধ্যায় ১৩ অনুচ্ছেদ)।
উত্তর : প্রজেক্টরের মাধ্যমে মহিলারা বক্তার বক্তব্য দেখতে ও শ্রবণ করতে পারে। ইবনে আববাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, একদা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) পুরুষদের নিকট ঈদের খুৎবা প্রদান করার পর মহিলাদের নিকট গমন করেন এবং তাদেরকে ওয়ায-নছীহত করেন ও ছাদাক্বা দিতে বলেন।
উত্তর : অনেক পার্থক্য রয়েছে। বিশেষ কয়েকটি প্রদত্ত হ’ল : (১) আরাফা ময়দানে অবস্থানকালে তারা যোহর ও আছর জমা করেন না। বরং পৃথকভাবে প্রথম ওয়াক্তে পড়েন। যা ছহীহ হাদীছের বিরোধী (২) তারা তারতীব ওয়াজিব বলেন। অর্থাৎ তাদের মতে ১০ তারিখে মিনায় ফিরে কংকর
উত্তর : উক্ত মসজিদ স্থানান্তর করা যাবে। কুফার মসজিদে রক্ষিত বায়তুল মাল চুরি হওয়ার কারণে আব্দুল্লাহ ইবনে মাস‘ঊদ (রাঃ) এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য খলীফা ওমর (রাঃ)-এর নিকট একটি পত্র লিখেন। তখন ওমর (রাঃ) মসজিদ অন্যত্র স্থানান্তর করা
উত্তর : মাথায় হাত রেখে দো‘আ পড়ার যে হাদীছ বর্ণিত হয়েছে তা নিতান্তই দুর্বল (ত্বাবারাণী, আল-মু‘জামুল আওসাত, পৃঃ ৪৫১) । শায়খ নাছিরুদ্দীন আলবানী (রহঃ) বলেন, উক্ত বর্ণনার সনদে কাছীর নামে একজন রাবী রয়েছে, সে নিতান্ত দুর্বল। ইমাম বুখারী, আবু হাতিম, নাসা
উত্তর : মসজিদের সম্পদ উদ্বৃত্ত থাকলে ঐ ধরনের অন্য কোন মসজিদের কাজে অথবা মুসাফির দুস্থদের সাহাযার্থে ব্যবহার করা যায় (দ্রঃ ফাতাওয়া ইবনে তায়মিয়াহ ৩১/২১৩)।
উত্তর : গোল হয়ে বসে যিকর করাকে হালক্বায়ে যিকর বলা হয়। রাসূল (ছাঃ)-এর মৃত্যুর কিছুদিন পর একশ্রেণীর বিদ‘আতী এই পদ্ধতি চালু করে। পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছে ইবাদতের যে সকল পদ্ধতি বর্ণিত হয়েছে, হালক্বায়ে যিকর তার অন্তর্ভুক্ত নয়। সুতরাং দলবদ্ধভাবে
উত্তর : যদি খৃষ্টান ধর্মের আক্বীদা-বিশ্বাস কচিকাচাদের শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্য থাকে, তাহলে সে স্কুলে সন্তানদেরকে পড়তে দেয়া যাবে না। আর কোন গোপন উদ্দেশ্য ছাড়াই তারা ফ্রি পড়াবে, এরূপ কথা বিশ্বাস করা যায় না। অতএব এসব স্কুল থেকে মুসলিম সন্তানদের দূ
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, সৃষ্টিকর্তার নাফরমানী করে সৃষ্টির আনুগত্য করা যাবে না (শারহুস সুন্নাহ, মিশকাত হা/৩৬৯৬; ছহীহুল জামে‘ হা/৭৫২০)। অতএব সন্তান আল্লাহর আনুগত্য করলে পিতা-মাতা তাতে অসন্তুষ্ট হ’লেও কোন সমস্যা নেই। এজন্য সন্তান গুনাহ্গার হবে ন
উত্তর : মেয়ের কোন দোষ না থাকলে সে তার স্বামীকে জানিয়ে তার মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করবে। যদি সে সমাধান করতে ব্যর্থ হয় এবং তার পক্ষে ধৈর্য ধারণ করা সম্ভব না হয় তাহলে সমাধানের লক্ষ্যে তার অভিভাবককে জানাতে পারবে এবং এর জন্য বিচার প্রার্থী হতে
উত্তর : এসবের ওশর দিতে হবে না। কেননা যমীন থেকে উৎপাদিত যে সব খাদ্য-শস্য স্বাভাবিকভাবে এক বছর পর্যন্ত থাকে না বরং তার আগেই পচন দেখা দেয়, সেগুলোর ওশর নেই (ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/৩৩৪-৩৬)। তবে এগুলির বিক্রয় লব্ধ টাকা যদি এক বছর সঞ্চিত থাকে এবং নিছাব পর
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ফেরাউন আসিয়া (রাঃ)-এর দুই হাত ও দুই পায়ে শক্ত পেরেক পুঁতে রাখত। যখন তার লোকেরা চলে যেত ফেরেশতারা তাকে ছায়া করত। আসিয়া (রাঃ) বলতেন, ‘হে আল্লাহ! আপনি আমার জন্য আপনার নিকটে জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করুন
উত্তর : উক্ত ঘটনার কোন সত্যতা পাওয়া যায় না। তবে ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, ৩জন শিশু সন্তান মায়ের কোলে থাকা অবস্থায় কথা বলেছেন। (১) ঈসা (আঃ) (২) জুরায়েজকে অপবাদ প্রদানকারী মহিলার ব্যভিচারের সন্তান (বুখারী হা/৩৪৩৬)। (৩) আছহাবুল উখদূদ
উত্তর : যেকোন মুসলিম আহলে ক্বিবলার জানাযা পড়তে হবে (ইবনু মাজাহ ‘আহলে ক্বিবলার জানাযা পড়া’ অনুচ্ছেদ)। আত্মহত্যাকারীর জানাযা রাসূল (ছাঃ) পড়েননি (মুসলিম হা/৯৭৮, পৃঃ ৩০)। অতএব মসজিদের ইমাম বা বুযর্গ আলেম তার জানাযায় শরীক হবেন না। অন্যেরা ছালাত পড়াবেন (না
উত্তর : কুরআনের সূরা ও আয়াত সমূহের বিন্যাস আল্লাহর হুকুমে জিবরীলের নির্দেশনায় রাসূল (ছাঃ) কর্তৃক সম্পন্ন হয়েছে। এটি তাওক্বীফী অর্থাৎ অপরিবর্তনীয় বিষয় সমূহের অন্তর্ভুক্ত। এ ব্যাপারে মুসলিম উম্মাহর ইজমা রয়েছে। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, প্রতি বছর র
উত্তর : ইসলাম গ্রহণের নিয়তে শুধু কালেমা শাহাদাত পাঠ করলে মুসলিম হয়ে যাবে। অর্থাৎ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللهِ পাঠ করবে। কালেমা শাহাদাত পাঠের পূর্বে কিছু করার নেই। তবে ইয়ামামাহর নেতা ছুমামাহ্ ইবনু আছাল
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে অনেকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যখন মক্কা হ’তে মদীনায় আগমন করেন, তখন আবু আইয়ূব আনছারী (রাঃ) তার বাড়ী রাসূল (ছাঃ)-কে অবস্থান করার জন্য দিয়ে দেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তার বাড়িতে প্রায় ৭/৮ মাস ছিল
উত্তর : মি‘রাজের ঘটনা শোনামাত্র সত্য বলে মেনে নেওয়ায় আবুবকর (রাঃ) ছিদ্দীক্ব উপাধিতে ভূষিত হন (হাকেম, বায়হাক্বী, সিলসিলা ছহীহাহ হা/৩০৬)।
উত্তর : উক্ত বিবরণটি মিথ্যা ও বানাওয়াট। ইমাম কুরতুবী ইবনে আরাবীর বরাত দিয়ে এটাকে মিথ্যা বলে আখ্যায়িত করেছেন (কুরতুবী ১৫/১৬৭ পৃঃ, সূরা ছোয়াদ ২১নং আয়াতের ব্যাখ্যা দ্রঃ; নবীদের কাহিনী ২/১৩৬)।
উত্তর : উভয় পক্ষ পরস্পরে জানাশোনা ও বিশ্বস্ত হ’লে মেয়ের অভিভাবকের উপস্থিতিতে দুইজন ন্যায়নিষ্ঠ সাক্ষীর সামনে মোবাইলের মাধ্যমে ছেলে সম্মতি প্রকাশ করলে বিবাহ সিদ্ধ হবে (আবুদাউদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/৩১৩০; ইরওয়াউল গালীল ৬/২৪০)। কারণ বিবাহের রুকন হ’ল&
উত্তর : ফল খাওয়ার উপযোগী না হওয়া পর্যন্ত ফলদার গাছের ফল ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২৮৩৯)। কারণ এতে ধোঁকায় পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং এটি সম্পদের মালিকানা অর্জনের পূর্বেই তা বিক্রি করার আওতাভুক্ত। পাতা কেনা বা মুকুল কেনা
উত্তর : উক্ত পদ্ধতি শরী‘আত সম্মত নয়। কারণ ঋণের বিনিময়ে মুনাফা অর্জন করা সূদের অন্তর্ভুক্ত। যদিও সেটা উভয়ের সম্মতিক্রমে হয়। সেখান থেকে কিছু টাকা ছেড়ে দিলে ‘হালাল’ হবে বলে যে কথা সমাজে চালু আছে সেটিও হীলা বা অপকৌশল মাত্র। কেবলমাত্র টাকা ফেরত পা
উত্তর : কোন ব্যক্তির আমল যদি ছহীহ সুন্নাহ মোতাবেক না হয়, তাহ’লে তা আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য হবে না। ‘সেটাকে সুন্দর আমল মনে করলেও ঐব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত আমলকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে’ (কাহফ ১০৩-৪)। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, কেউ যদি এমন কোন আমল করে, যার নির্
উত্তর : উক্ত মর্মে কোন ছহীহ দলীল পাওয়া যায় না। তবে কোন মুসলিম ব্যক্তি শুক্রবারে মারা গেলে সে কবরের ফিৎনা হ’তে বেঁচে যাবে মর্মে ছহীহ দলীল রয়েছে (আহমাদ, তিরমিযী হা/১০৯৫, সনদ হাসান; মিশকাত হা/১৩৬৭, ‘জুম‘আ’ অনুচ্ছেদ)। এখানে ‘ফিৎনা’ বলতে সওয়াল-জওয়াব
উত্তর : ১৪টি স্থানে আল্লাহ কুরআনকে ‘হাদীছ’ বলেছেন। যেমন নিসা ৭৮ ও ৮৭, আ‘রাফ ১৮৫, ইউসুফ ১১১, কাহফ ৬, ত্বোয়া-হা ৯, যুমার ২৩, জাছিয়াহ ৬, তূর ৩৪, নাজম ৫৯, ওয়াক্বি‘আহ ৮১, ক্বলম ৪৪, মুরসালাত ৫০ ও গাশিয়াহ ১ (দ্রঃ থিসিস পৃঃ ৩৬)।
উত্তর : আগে পিতার অছিয়ত পালন করবে, তারপর সম্পদ বণ্টন করবে। আল্লাহ তা‘আলা প্রথমে অছিয়ত বাস্তবায়ন ও কর্য পরিশোধের আদেশ দিয়েছেন (নিসা ১১-১২)।
উত্তর : পরিচিত বা অপরিচিত যেকোন জারজ সন্তান পালন করা যাবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ব্যভিচারিণী গামেদী মহিলার জারজ সন্তানকে জনৈক ছাহাবীর হাতে দিয়ে তাকে লালন-পালনের জন্য আদেশ করেন (মুসলিম, মিশকাত হা/৩৫৬২)। কারণ জারজ হওয়ার জন্য সন্তান দায়ী নয়। অতএব তা
উত্তর : সেখানে রাসূল (ছাঃ)-কে দেখানো হবে বলে কোন প্রমাণ নেই। বরং রাসূল (ছাঃ) সম্পর্কে তার ধারণা ও আক্বীদা কি, প্রশ্নের মাধ্যমে সেটাই যাচাই করা হবে (মির‘আতুল মাফাতীহ হা/১৩১-এর ব্যাখ্যা দ্রঃ)।
উত্তর : জুম‘আর ছালাতের পূর্বে তাহিইয়াতুল মসজিদ দু’রাক‘আত ব্যতীত নির্ধারিত কোন রাক‘আত সংখ্যা নেই। খুৎবার আগ পর্যন্ত যত রাক‘আত সম্ভব দুই দুই রাক‘আত করে পড়বে (মুসলিম, মিশকাত হা/১৩৮২)। খুৎবা শুরুর আগে বা পরে মসজিদে প্রবেশ করলে দুই রাক‘আত তাহিইয়াতুল
উত্তর : উক্ত মসজিদে ছালাত হবে না। মসজিদ স্থানান্তর করতে হবে। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, তোমরা কবরের দিকে মুখ করে ছালাত আদায় কর না এবং কবরের উপর ছালাত আদায় কর না (সিলসিলা ছহীহাহ হা/১০১৬)। তবে কবরস্থানের জন্য পৃথক প্রাচীর দিয়ে
উত্তর : যার ক্ষতি করা হয়, সে ক্ষতিকারীর অনুরূপ ক্ষতি করতে পারে (বাক্বারাহ ১৯৪)। তবে ক্ষতি না করে ক্ষমা করে দিয়ে ভাল আচরণ করাই উত্তম (হামীম সাজদাহ ৩৪)। এমনি এক প্রশ্নের উত্তরে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তুমি ফিৎনা কালে আদমের উত্তম পুত্রের ন্যায় (হাবী
উত্তর : আত্মহত্যাকারীর জানাযা করা যায়। তবে বুযর্গ আলেম ও মসজিদের ইমাম অংশ গ্রহণ করতে পারবেন না (যাদুল মা‘আদ ১/৪৯৬)। কারণ এমন ব্যক্তির জানাযা নবী করীম (ছাঃ) নিজে পড়েননি। অন্যকে পড়তে বলেছেন (আবুদাঊদ হা/৩১৮৭; তিরমিযী হা/১০৬৮)।
উত্তর : যাবে না। কেননা এরূপ মৃতের আমল রাসূল (ছাঃ), ছাহাবায়ে কেরাম ও তাবেঈগণ থেকে প্রমাণিত নয়। তবে মৃতের জন্য দো‘আ করা এবং ছাদাক্বা করা যাবে (বুখারী, মিশকাত হা/১৯৫০; ফিকহুস সুন্নাহ ১/৩৯০)। উল্লেখ্য যে, মৃত ব্যক্তির নামে দেশে প্রচলিত কুলখানী, চেহলা
উত্তর : (১) আয়েশা (রাঃ) বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আয়নায় মুখ দেখতেন তখন বলতেন, اللهم كَمَاَحَسَّنْتَ خَلْقِى فَحَسِّنْ خُلُقِى ‘হে আল্লাহ! আপনি আমাকে যেমন সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন, তেমনি আমার চরিত্রকেও সুন্দর করুন’ (ইরওয়াউল গালীল হা/৭৪)।উল্লেখ
উত্তর : কোন বিধর্মী লোক সালাম দিলে উত্তরে শুধু ‘ওয়া আলাইকা’ (وَعَلَيْكَ) অথবা ‘ওয়া আলাইকুম’ (وَعَلَيْكُمْ) বলবে (বুখারী, মিশকাত হা/৪৬৩৬-৩৭)।
উত্তর : ঈদের ছালাতের আগে ফিৎরা বণ্টন করার কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না। বরং পরে বণ্টনের প্রমাণ পাওয়া যায় (বুখারী, মিশকাত হা/২১২৩)। তবে ঈদের ছালাতের পূর্বে দায়িত্বশীলের কাছে ফিৎরা জমা করা ওয়াজিব (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৮১৫)। উল্লেখ্য যে, অনেকে হাদীছ
উত্তর : অনুবাদ : ‘আপনি কি দেখেননি আল্লাহ কিভাবে উপমা দিয়ে থাকেন? পবিত্র বাক্যের তুলনা উৎকৃষ্ট বৃক্ষের মত, যার মূল সুদৃঢ় ও শাখা-প্রশাখা ঊর্ধ্বে বিস্তৃত’ (ইবরাহীম ২৪)।অত্র আয়াতে বর্ণিত كَلِمَةً طَيِّبَةً অর্থ ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, ‘লা ইলা-হা ইল্
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) বা ছাহাবায়ে কেরাম থেকে এভাবে ফাতেহা পাঠের কোন দলীল নেই (আলবানী, তালখীছু আহকামিল জানায়েয ৮২ পৃঃ)। সুতরাং এটি নিঃসন্দেহে বিদ‘আত। যা থেকে বেঁচে থাকা আবশ্যক। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি এমন কোন আমল করল যার ব্যাপারে আমার কোন নির্
উত্তর : উপার্জন হালাল হ’লে তাদের কাছ থেকে সহযোগিতা নেয়া যাবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) অমুসলিমদের নিকট থেকে বিভিন্ন সময়ে ‘হাদিয়া’ গ্রহণ করেছেন (বুখারী হা/২৬১৫-১৮ ‘মুশরিকদের নিকট থেকে হাদিয়া গ্রহণ’ অনুচ্ছেদ)। কিন্তু ঈমান না থাকার কারণে তারা আখেরাতে কোন প
উত্তর : উক্ত বক্তব্যটি সঠিক নয়। কারণ আল্লাহ তা‘আলা এরশাদ করেন, ভূ-পৃষ্ঠে যা কিছু আছে সবই ধ্বংসশীল এবং অবশিষ্ট থাকবে শুধু আপনার প্রতিপালকের মুখমন্ডল যিনি মহিমাময়, মহানুভব (রাহমান ২৭)। আল্লাহ তা‘আলা অন্যত্র বলেন, আল্লাহর মুখমন্ডল ব্যতীত সবকিছু ধ্বংসশীল
উত্তর : যে সকল প্রাণীর গোশত খাওয়া হালাল সেগুলোর পেশাব-পায়খানা নাপাক নয়। সুতরাং কাপড়ে এ সব প্রাণীর মলমূত্র লাগলেও তা পরিধান করে ছালাত আদায় করা বৈধ। আনাস (রাঃ) বলেন, উরায়না গোত্রের কিছু নওমুসলিম মদীনায় অবস্থানকালে অসুস্থ হয়ে পড়লে রাসূল (ছাঃ) তা
উত্তর : জামা‘আতে ছালাত আদায়ের সুন্নাতী তরীকা হল, ইমাম আগে ও মুক্তাদী পিছনে দাঁড়াবে। জাবের বিন আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি একদিন রাসূল (ছাঃ)-এর সাথে ডান পার্শ্বে দাঁড়িয়ে জামা‘আতে ছালাত আদায় করছিলাম। পরবর্তীতে জাবের বিন সাখার এসে বাম পার্শ্বে দা
উত্তর : সুলায়মান (আঃ)-এর রাজত্বকালে বেঈমান জিনেরা লোকদের ধোঁকা দিত এই বলে যে, সুলায়মান জাদুর জোরে সবকিছু করেন। তিনি কোন নবী নন। শয়তানদের ভেল্কিবাজিতে বহু লোক বিভ্রান্ত হচ্ছিল। এমনকি শেষনবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর সময়েও যখন তিনি সুলায়মান (আঃ)-এর প্
উত্তর : মদ পানকারীর ৪০ দিনের ছালাত কবুল হয় না-এমনটি নয়। বরং তার ছালাত ত্রুটিযুক্ত হয় (بُخِسَتْ صَلاَتُهُ) (আবুদাঊদ হা/৩৬৮০)। প্রশ্নে উল্লেখিত সব বস্ত্তই মাদক দ্রব্য এবং তা অপবিত্র বস্ত্ত (الخَبَائِث) হিসাবে হারামের অন্তর্ভুক্ত
উত্তর : উক্ত তিনটি বস্ত্ত সর্বদা সাথে রাখা সুন্নাত, এ কথার কোন দলীল পাওয়া যায় না। তবে এগুলি অত্যন্ত তাকীদকৃত সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত। যেমন (১) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর অতি প্রিয় বস্ত্ত সমূহের মধ্যে অন্যতম ছিল ‘আতর’ (আহমাদ, নাসাঈ, মিশকাত হা/৫২৬১ ‘রিক্
উত্তর : চাকুরী থেকে অবসরকালীন প্রাপ্ত টাকা ব্যাংকে জমা রেখে, তা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হওয়ার পর সেই টাকা দিয়ে হজ্জ বা অন্যান্য ইবাদত বৈধ হবে না। কারণ তা সূদের অন্তর্ভুক্ত। ইবনু হাজার আসক্বালানী (রহঃ) বলেন, পণ্য বা অর্থের বিনিময়ে প্রদেয় অতিরিক্ত পণ্য ব
উত্তর : সাধারণ নিয়ম হ’ল- মুছল্লী যোহর ও আছরের ছালাতে ইমাম-মুক্তাদী সকলে সূরায়ে ফাতিহাসহ অন্য সূরা পড়বে এবং ৩য় ও ৪র্থ রাক‘আতে কেবল সূরায়ে ফাতিহা পড়বে। আবু ক্বাতাদাহ (রাঃ) হ’তে বর্ণিত হয়েছে, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যোহরের প্রথম দু’রাক‘আতে সূরায়ে ফাত
উত্তর : বর্ণিত নিয়মের কোন দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় না। বরং ছালাত শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করাই হাদীছ সম্মত। কারণ হাদীছে এসেছে, যদি মুছল্লীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকারী জানত যে, এটা তার জন্য কত বড় অপরাধ, তাহ’লে সে অতিক্রম করার চেয়ে দাঁড়িয়ে থাকাকে উত্তম
উত্তর : বিতর ছালাতের কুনূত হিসাবে ‘আল্লা-হুম্মাহ্দিনী ফীমা হাদায়তা...’ মর্মে বর্ণিত ছহীহ দো‘আটি পড়তে হবে (আবুদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/১২৭৩)। ‘আল্লাহুম্মা ইন্না নাস্তাঈনুকা ওয়া নাস্তাগফিরুকা...’ দো‘আটি কুনূতে নাযেলায় পড়ার ব্যাপারে এসেছে (বায়হাক্বী ২/২
উত্তর : ছালাতের ওয়াক্ত সমূহ নিম্নরূপ : (১) ফজর : ‘ছুবহে ছাদিক হতে সূর্যোদয়ের পূর্ব পর্যন্ত। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সর্বদা গালাস বা ফজরের অন্ধকারে ফজরের ছালাত আদায় করতেন এবং জীবনে একবার মাত্র ইসফার বা চারদিক ফর্সা হওয়ার সময়ে ফজরের ছালাত আদায় করেছেন।
উত্তর : উক্ত মর্মে কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে ছালাত অস্বীকারকারী ব্যক্তি কাফির ও জাহান্নামী। কিন্তু যে ব্যক্তি ঈমান রাখে, অথচ অলসতা ও ব্যস্ততার অজুহাতে ছালাত তরক করে, ‘এমন মুসলমানরা কর্মগত কাফির হলেও বিশ্বাসগত কাফির নয়। বরং খাল
উত্তর : সরকারী আবহাওয়া অধিদপ্তরের সময়সূচীতে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের যে সময় নির্ধারণ করা হয়, তা বৈজ্ঞানিকভাবে পর্যবেক্ষণ করেই প্রদান করা হয়। তাই উক্ত সময়সূচীই ধর্তব্য এবং সে মোতাবেকই সূর্য ডোবার সাথে সাথে ইফতার করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,
উত্তর : জেহরী-সের্রী সকল ছালাতে সর্বাবস্থায় ইমাম-মুক্তাদী উভয়কেই সূরা ফাতিহা পড়তে হবে। আবু হুরায়রা (রাঃ) মুক্তাদীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, তোমরা উহা চুপে চুপে পড়। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলতে শুনেছি, সূরা ফাতিহা আমার মাঝে ও আমার বান্দার মাঝে
উত্তর : বর্তমান মুসলিম সমাজে স্ত্রীর কাছ থেকে যৌতুক গ্রহণের রীতি মূলতঃ হিন্দুয়ানী রীতির অনুকরণ মাত্র। কেননা হিন্দু উত্তরাধিকার নীতিতে কন্যা সন্তান পিতা-মাতার সম্পত্তির অংশ পায় না। তাই বিয়ের সময় মেয়েকে সাধ্যমত সবকিছু দিয়ে দেয়। যা যৌতুক নামে পর
উত্তর : শরী‘আতের যেকোন আমল কুরআন ও ছহীহ হাদীছ মোতাবেক হওয়া আবশ্যক, কোন ইমাম বা মাযহাবের রায় অনুসারে নয়। তবে স্মর্তব্য যে, কুরআন-হাদীছের খুঁটিনাটি বিষয় বুঝা সকলের পক্ষে সম্ভব হয় না। এ জন্য বিজ্ঞ ওলামায়ে কেরামের সহযোগিতা গ্রহণ করতেই হবে’ (নাহল
উত্তর : এগুলো সামাজিক কুসংস্কারের অন্তর্ভুক্ত। নবী করীম (ছাঃ) শিরকী কথার মাধ্যমে ঝাড়-ফুঁক করা, মাদুলী ঝুলানো এবং স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ভালবাসা তৈরীর জন্য কোন মাধ্যম অবলম্বন করা শিরক বলেছেন (ইবনু মাজাহ হা/৩৫৩০; আবুদাঊদ হা/৩৮৮৩)। তবে চিকিৎসা হিসাবে
উত্তর : আল্লাহ, ছালাত ও ছিয়াম ইত্যাদি আরবী নাম। যা বিশেষ ইসলামী পরিভাষা। কাজেই এ নামগুলি অনুবাদ ছাড়াই স্ব স্ব নামে ব্যবহার করতে হবে। তাছাড়া অন্য ভাষায় এ নামসমূহের যথার্থ অনুবাদ সম্ভব নয়। ফার্সীভাষীরাও মূল আরবী নাম বলবে।
উত্তর : আল্লাহ রাববুল আলামীন সৃষ্টিজগতের প্রতিটি সৃষ্টির মাঝেই সমাজবদ্ধ জীবনের সহজাত প্রবণতা সৃষ্টি করে দিয়েছেন। আর পবিত্র কুরআনেও তিনি মুসলিম উম্মাহকে হাবলুল্লাহর মূলে ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন (আলে ইমরান ১০৩)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বল
উত্তর : উক্ত দাবী তার অজ্ঞতার পরিচায়ক মাত্র। কেননা ছহীহ বুখারী ইমাম বুখারী (রহঃ)-এর কোন ব্যক্তিগত মতামতের সংকলন নয় বরং তা হ’ল ছহীহ হাদীছের সংকলন। আর ইমাম আবু হানীফার ফিক্বহ হ’ল তাঁর ব্যক্তিগত রায় এবং তা সনদবিহীন, যা অনেক পরে তাঁর নামে সংকলিত
উত্তর : হাদীছের বর্ণনামতে, মুসলমানরাই ৭৩ দলে বিভক্ত হবে (তিরমিযী, ইবনে মাজাহ হা/৩৯৯২)। যে দলটি জান্নাতে যাবে তাদের পরিচয় সম্পর্কে রাসূল (ছাঃ) বলেন, ما أنا عليه اليوم وأصحابي ‘আজকের দিনে আমি ও আমার ছাহাবীগণ যে নীতির উপরে আছি, তার অনুসারী দল (হাক
উত্তর : বিবাহের জন্য নবী করীম (ছাঃ) যে সামর্থ্যের কথা বলেছেন, সেটা মূলতঃ মোহর ও ভরণ-পোষণের সামর্থ্য (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৩০৮০; মিরক্বাত ৬/১৮৬)। আর এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত যা পূরণ করা আবশ্যক (বুখারী, মুসলিম, বুলূগুল মারাম হা/৯৮৯)। সুতরাং
উত্তর : স্ত্রী স্বামীকে তালাক দিতে পারে না। তবে স্ত্রী যেকোন সময়ে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাবার অধিকার রাখে। যাকে শরী‘আতে ‘খোলা’ বলে। এ সময় স্ত্রী তার মোহরানা স্বামীকে ফেরৎ দিবে। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, ছাবেত ইবনু ক্বায়েস
উত্তর : বাচ্চা প্রসবের পর রক্তস্রাব চালু থাকে, ততদিন মিলন বৈধ নয়। কারণ রক্তস্রাবকালীন সময়কে আল্লাহ অপবিত্র বলেছেন (বাক্বারাহ ২/২২২)। উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর যুগে মহিলারা সন্তান প্রসবের পর ৪০ দিন বা ৪০ রাত ইবাদত হ’তে বিরত থাক
উত্তর : এ বিষয়ে কোন দলীল নেই (মির‘আত ৪/২৯৯ পৃঃ ‘কুনূত’ অনুচ্ছেদ; ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) ১৪১ পৃঃ)।
উত্তর : বিদ‘আতকে ভাগ করার কোন অবকাশ নেই। সব বিদ‘আতের পরিণতি জাহান্নাম। জাবির (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, নিশ্চয় সবচেয়ে সত্য বাণী হচ্ছে আল্লাহর বাণী। আর সবচেয়ে উত্তম আদর্শ হচ্ছে রাসূল (ছাঃ)-এর আদর্শ। আমল সমূহের নিকৃষ্ট আমল হচ্ছে শরী‘আতে নব
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। কারণ মুছাফাহা এক হাতে করার বিষয়টি একাধিক ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত। আনাস (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) কারো সাক্ষাতে মুছাফাহার করার পর নিজের হাতটি আগে সরাতেন না যতক্ষণ পর্যন্ত সে ব্যক্তি নিজের হাত না সরাতো (ফাৎহুল
উত্তর : মৃত্যুর পরে তার রূহ যেখানে থাকবে সেখানেই প্রশ্নোত্তর হবে। সেখানেই সে আযাব অথবা শান্তি পাবে। সেটি মাটির কবরে হ’তে পারে কিংবা অন্যত্র, যা সম্পূর্ণরূপে আল্লাহর এখতিয়ারে। এটি ঈমান বিল গায়েবের অন্তর্ভুক্ত। যে জগতের খবরাখবর ইহজগতে কোনভাবে অ
উত্তর : উক্ত বক্তব্য ভিত্তিহীন ও বানাওয়াট।
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি জাল (তাযকিরাতুল মাওযূ‘আত, আবুল ফযল আল-মাক্বদেসী, ৩৯ পৃঃ, হা/৪০)। তবে মসজিদে দুনিয়াবী বাজে কথা বলা যাবে না। কেননা ওমর (রাঃ) মসজিদে উচ্চৈঃস্বরে দুনিয়াবী অযথা আলোচনায় ব্যস্ত দু’জন ব্যক্তিকে বললেন তোমরা বাইরের লোক
উত্তর : পূর্বের মাসগুলোতে নির্দিষ্ট যে কয়দিন মাসিক হয়েছে সেই কয়দিন মাসিক বলে গণ্য হবে। তার অতিরিক্ত দিনগুলো অসুখ বা ‘মুস্তাহাযা’ বলে গণ্য হবে। সুতরাং নির্ধারিত মাসিকের পরের দিনগুলোতে ছালাত ও ছিয়াম আদায় করতে পারবে। প্রকাশ থাকে যে, রক্তের রং হয়
উত্তর : ছালাতের শেষ বৈঠকে বসা নিয়ে মুহাদ্দিছগণের মধ্যে দুই ধরনের মত দেখা যায়। ছহীহ বুখারীতে উল্লেখিত جلس في الركعة الآخرة (হা/৮২৮) এবং ছহীহ ইবনু হিববানে উল্লেখিত التي تكون خاتمة الصلاة (হা/১৮৭৬, ৫/১৯৬ পৃঃ)- বাক্যদ্বয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে ইমাম শাফেঈ
উত্তর : সুস্থিরভাবে বসে মাটিতে ভর দিয়ে উঠতে হবে। মালেক বিন হুওয়াইরিছ (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলু্ল্লাহ (ছাঃ)-কে এভাবে ছালাত আদায় করতে দেখেছেন যে, তিনি ছালাতের মধ্যে যখন বেজোড় রাক‘আতে পৌঁছতেন, তখন সিজদা থেকে উঠে সুস্থিরভাবে না বসে দাঁড়াতেন না (বুখ
উত্তর : ওযরের কারণে বন্দী জীবনে জুম‘আর ছালাত ওয়াজিব নয়। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা যথাসাধ্য আল্লাহকে ভয় কর। তোমরা শোনো ও আনুগত্য কর’ (তাগাবুন ৬৪/১৬)। তবে যদি লকআপে জুম‘আর ছালাত আদায় করা সম্ভব হয় এবং জেল কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা না থাকে, তবে খুৎবা প্রদানের
উত্তর : শুধু পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করলেই পবিত্রতা অর্জিত হবে। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (ছাঃ) যখন পায়খানায় প্রবেশ করার ইচ্ছা পোষণ করতেন, তখন আমি ও আরেকটি ছেলে পানি ভর্তি পাত্র এবং একটা বর্শা নিয়ে যেতাম। তিনি পানি দ্বারা
উত্তর : উক্ত মর্মে কোন ছহীহ দলীল পাওয়া যায় না। আর কোন আমল ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত না হ’লে তা বিদ‘আত হবে। যার পরিণাম জাহান্নাম (মুসলিম, মিশকাত হা/১৪১; নাসাঈ হা/১৫৭৮)।
উত্তর : মাহে রামাযানের সম্মানার্থে জান্নাতের দরজা খোলা হয় এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ রাখা হয়। উক্ত হাদীছ সম্পর্কে ক্বাযী ইয়ায বলেন, এর অর্থ হল: যেসব আমলের মাধ্যমে জান্নাত অর্জিত হয় আল্লাহ রামাযান মাসে সেসব আমলের পথ আরো বেশী উন্মুক্ত করে দেন এব
উত্তর : দো‘আ কুনূত পড়তে ভুলে গেলে সহো সিজদা দিতে হবে না। কারণ সহো সিজদা কেবল ছালাতের কোন ওয়াজিব হুকুম ছাড়া পড়লে দিতে হয় (মির‘আত ৩/৩৯৩ পৃঃ; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ নং-১১০৭১ ৭/১২৬০ পৃঃ)। আর বিতর ছালাতে দো‘আ কুনূত পড়া মুস্তাহাব, ওয়াজিব নয় (মির‘আত ৪/২৮৩ পৃ
উত্তর : উক্ত মর্মে কোন দলীল পাওয়া যায় না। বরং দুই শ্রেণীর মানুষ তাঁর শাফা‘আত লাভ করতে সক্ষম হবে না মর্মে হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। অত্যাচারী শাসক এবং খিয়ানতকারী ব্যক্তি (ত্বাবারাণী, ছহীহুল জামে‘ হা/৩৭৯৮)।
উত্তর : মানুষ সৃষ্টির পূর্বে পৃথিবীতে জিন জাতির বসবাস ছিল (হিজ্র ২৭)। তারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিল (বাক্বারাহ ৩০)। শয়তানকে আগুন থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে (আ‘রাফ ১২) এবং তারা হ’ল জিন জাতির অন্তর্ভুক্ত (কাহফ ৫০)। আর জিন জাতি আগুন দ্বারা সৃষ্ট (রহমান
উত্তর : উক্ত ব্যাখ্যা সঠিক নয়। কারণ এখানে ‘নূর’ দ্বারা কুরআনকে বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ কুরআন শিরকের অন্ধকার হতে মানুষকে তাওহীদের আলোর পথে বের করে আনে। এখানে ‘কিতাবুল মুবীন’ (كتابٌ مبينٌ)‘নূর’ (نُوْرٌ)-এর উপর عطف بيان হয়েছে। অর্থাৎ আল্লাহ ব
উত্তর : কোন তারতম্য নেই। কুরআন দেখে পড়া হোক বা মুখস্থ পড়া হোক প্রতি হরফে দশটি করে নেকী হবে (তিরমিযী হা/২৯১০; মিশকাত হা/২১৩৭)। উল্লেখ্য, আমার উম্মতের সর্বোত্তম আমল হল কুরআন দেখে পড়া মর্মে যে হাদীছ বর্ণিত হয়েছে তা যঈফ (যঈফুল জামে‘ হা/১০৪৮ ও ৩৯৮০)
উত্তর : ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান ও প্রচার করার লক্ষ্যে যেকোন মাহফিল বা ইজতেমার আয়োজন করা ও সেখানে যোগদান করা যায়। কিন্তু যদি ইসলামের নামে জাল, যঈফ ও বানোয়াট হাদীছের এবং ভিত্তিহীন ফাযায়েল ও কেচ্ছা-কাহিনী শোনার দাওয়াত দেয়া হয়, বিদ‘আতী আক্বী
উত্তর : উক্ত মর্মে কোন ছহীহ হাদীছ পাওয়া যায় না। তবে সূরা ইখলাছ একবার পড়লে কুরআনের এক তৃতীয়াংশ পড়ার সমান ছওয়াব হবে মর্মে ছহীহ হাদীছে বর্ণিত হয়েছে (বুখারী হা/৫০১৩; মিশকাত হা/২১২৭)। এছাড়া যে ব্যক্তি দশবার সূরা ইখলাছ পাঠ করবে আল্লাহ্ তার জন্য জান্নাত
উত্তর : সুন্নাতী পোষাক কোনটি তা নির্দিষ্টভাবে বলা হয়নি। কারণ সবদেশের আবহাওয়া ও পোষাক এক হওয়ার কথা নয়। তবে ইসলাম পোষাকের যে মূলনীতির কথা বলেছে লম্বা জামা ও টুপি সেই মূলনীতির মধ্যে পড়ে যায়। তাছাড়া মাথা ঢাকা বা টুপি পরা বৈশিষ্ট্য ও সৌন্দর্য (বুখ
উত্তর : ক্বিবলার দিকে পা রেখে ঘুমানোতে শরী‘আতে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। কিবলাকে সামনে রেখে কিংবা পেছনে রেখে টয়লেটের বাইরে খোলা স্থানে পেশাব-পায়খানা করতে নিষেধ করা হয়েছে (বুখারী হা/৩৯৪; মিশকাত হা/৩৩৪-৩৫)।
উত্তর : সরকারের গত মার্চ ’১১-তে প্রণীত নারী উন্নয়ন নীতিমালা শরী‘আতের সাথে সম্পূর্ণরূপে সাংঘর্ষিক। নারী অধিকার সংরক্ষণের নামে উক্ত নীতিমালা প্রণয়ন করা হলেও এর দ্বারা নারীদেরকে আরো হুমকির মুখে ফেলা হয়েছে। বিগত চার দলীয় জোট সরকারের ‘নারী নির্যাত
উত্তর : এরূপ অবস্থায় সহো সিজদা দেওয়ার ব্যাপারে কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না।
উত্তর : উক্ত মর্মে কোন হাদীছ বর্ণিত হয়নি।
উত্তর : এরূপ মহিলাগণের প্রতি আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (ছাঃ)-এর লা‘নত বর্ষিত হবে (বুখারী ২/হা/৫৬৯৮)।
উত্তর : সাধারণভাবে বললে দোষ নেই। হিন্দুরা যে উদ্দেশ্যে পশ্চিমকে পাশ্চাত্য বা পাশ্চাত্য জগত বলে সে উদ্দেশ্যে কোন মুসলমান তা বলতে পারে না। বললে তাদেরই দলের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে (আহমাদ, মিশকাত হা/৪৩৪৭)।
উত্তর : তাহাজ্জুদ ছালাতকে বিতর নামে অভিহিত করা হয়েছে। অতএব যেখানে ৯ রাক‘আত বিতর বলা হয়েছে সেখানে তার অর্থ বিতর সহ তাহাজ্জুদ ছালাত (তিরমিযী ১/৪৫৭ পৃঃ; তুহফাতুল আহওয়াযী ৩/৪৪৭ পৃঃ)।
উত্তর : যখন থেকে সাবালক হয়, তখন থেকে প্রাপ্ত বয়স্ক হয় এবং তার পাপ লিপিবদ্ধ হয় (তিরমিযী ১/২৫২ পৃঃ)।
উত্তর : আল্লাহ ছাড়া যা কিছু আছে সবই আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন। প্রকৃতিও আললাহ সৃষ্টি করেছেন। কাজেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সাগর, নদী, পাহাড়, পর্বত, খনিজ সম্পদ ইত্যাদিকে প্রকৃতির সৃষ্টি বললে শিরকের পাপ হবে, যা ক্ষমার অযোগ্য।
উত্তর : কদরের রাত্রি রামাযানের কোন রাত্রিতে হবে সে বিষয়ে নবী করীম (ছাঃ) থেকে বর্ণিত হাদীছের ভাষা এই- اِلْتَمِسُوْهَا فِى الْعَشْرِ الْأَوَاخِرِ فِىْ كُلِّ وِتْرٍ অর্থাৎ ‘তোমরা রামাযানের শেষ দশকের প্রত্যেক বেজোড় রাত্রিতে কদর-এর রাত্রি তা
উত্তর : আল্লাহর নিকট সন্তান চাওয়ার শ্রেষ্ঠ দো‘আ হ’ল হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর দো‘আটি ‘রবিব হাব্লী মিনাছ ছলেহীন’ (ছাফফাত ১০০)। যে মহিলার সন্তান হবে না, সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না কথাটি ভিত্তিহীন। মা আয়েশা (রাঃ)-এর কোন সন্তান হয়নি, তাই বলে কি তিনি
উত্তর : হাদীছটি ছহীহ (ত্বাবারাণী কাবীর হা/১০২৪০; ছহীহুল জামে‘ হা/২২৩৪)।
উত্তর : এক সাথে ৩ তালাক প্রদান করলে এক তালাকে রাজ‘ঈ বলে গণ্য হবে। ইদ্দতের মধ্যে স্বামী তাকে ফেরত নিতে পারবে। আর ইদ্দত পার হয়ে গেলে নতুন বিবাহের মাধ্যমে স্ত্রীকে গ্রহণ করতে পারবে। যেহেতু এক সাথে প্রদত্ত তিন তালাক এক তালাক বলে গণ্য, সেহেতু অন্য
উত্তর : ফিৎরার মাল দু’একদিন পূর্বে সরদারের নিকট জমা করার বিধান রয়েছে (বুখারী ১/১৫১১)। অনুরূপভাবে যাকাতের মাল ইসলামী আমীরের নিকট জমা করার বিধান আছে (তওবাহ ১০৩; বুখারী, মুসলিম, আবূদাঊদ, তিরমিযী প্রভৃতি হাদীছ গ্রন্থের যাকাত অধ্যায় দ্রষ্টব্য)। সু
উত্তর : প্রশ্নোল্লেখিত খুৎবাটি সরাসরি এরূপ পদ্ধতিতে কোন হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত নয়। তবে বিভিন্ন হাদীছের শব্দের সমন্বয়ে তা গঠিত যা আল-মু‘জামুল আওসাত্ব প্রণেতা তাঁর ২য় খন্ডের শুরুতে খুৎবা হিসাবে উল্লেখ করেছেন (ত্বারাবাণী, আওসাত্ব ২য় খন্ড)।
উত্তর : এগুলি শরীআ‘তসম্মত নয়। এতে মৃত ব্যক্তির কোন উপকার হয় না। মৃত ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে যে কোন ধরনের আনুষ্ঠানিকতাই বিদ‘আত এবং বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুকরণ মাত্র। রাসূল (ছাঃ) বিজাতীয় রীতি-নীতির অনুসরণ করতে নিষেধ করেছেন (আবুদাঊদ হা/৪০৩১; তিরমিযী, ম
উত্তর : জুম‘আতুল বিদা‘ বলতে রামাযানের শেষ বা বিদায়ী জুম‘আকে বুঝানো হয়ে থাকে। জুম‘আতুল বিদা‘র বিশেষ কোন ফযীলত নেই। একটি ‘জাল’ হাদীছে এসেছে, যে ব্যক্তি রামাযানের শেষ জুম‘আর দিনে এবং রাতে পাঁচ ওয়াক্ত ফরয ছালাত আদায় করবে, তা তার পুরা বছরের ছালাতে
উত্তর : ইমাম আবূ হানীফা (রহঃ) চল্লিশ হাযার মাসআলা লিখেছেন এরূপ কথার কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না। পাঁচটি কিতাবকে ইমাম আবূ হানীফা (রাঃ)-এর কিতাব হিসাবে উল্লেখ করা হয়ে থাকে। সেগুলো হচ্ছে (১) হাম্মাদ ইবনু আবী হানীফার বর্ণনায় ‘আল-ফিক্বহুল আকবার’ (২) আ
উত্তর : ইসলাম ধর্ম মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত এমন কোন বিষয় নেই যার সমাধান দেয়নি। রসূল (ছাঃ) ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। যার রাজধানী ছিল মদীনা। একটি রাষ্ট্র পরিচালনা করার জন্য যত ধরনের রাষ্ট্রীয় নিয়মনীতির প্রয়োজন তার সব কিছুই কুরআ
উত্তর : ভারতে আর সঊদী আরবের ছহীহ বুখারীর মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। কোন অমিল আছে বলেও আমাদের জানা নেই। কোন যুগেই কেউ নিত্যনতুন হাদীছ তৈরি করে গোপন রাখতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ সেটা প্রকাশ করে দিবেন। কেননা আল্লাহ নিজেই তাঁর
উত্তর : পাঁচটি নয় কোন ব্যক্তি ইসলামের কোন একটি রুকনকে অস্বীকার করলে সে আর মুসলিম থাকে না। আর অমুসলিম ব্যক্তি কাফের এবং সে চিরস্থায়ীভাবে জাহান্নামী হবে। কাফের, মুশরিক বা মুনাফিকদের জাহান্নাম থেকে বের হওয়ার কোন সুযোগ নেই। অব্যাহতভাবে তারা জাহান
উত্তর : সংসার ও সমাজের কাছ থেকে চিরবিদায় নিয়ে কাফনের কাপড় সাথে নিয়ে কমপক্ষে ছয় মাসের দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে বিগত দিনে আমাদের দেশের যেসব প্রবীণ ব্যক্তি হজ্জ করে ফিরে আসতেন এবং সকল অন্যায় ও অসামাজিক কাজ-কর্ম হ’তে দূরে থেকে দ্বীনী কাজে নিজেকে লিপ্ত
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ ও মুনকার (ইবনু আবী হাতিম, ইলালুল হাদীছ ১/২৪৯; সিলসিলা যঈফাহ হা/৮৭১; মিশকাত হা/১৯৬৫)। এর সনদে আলী ইবনু যায়েদ ইবনে জুদ‘আন নামে একজন ত্রুটিপূর্ণ রাবী আছে (বুগইয়াতুল বাহেছ ১/৪১২)।
উত্তর : মৃত্যু এবং যে কোন বিপদাপদের জন্য ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেঊন’ পাঠ করবে (বাক্বারাহ ১৫৬; ছহীহ্ মুসলিম হা/২১৬৫, ২১৬৬)। কবরে মৃত ব্যক্তির নাম বা এপিটাফ ঝুলিয়ে রাখা শরী‘আত সম্মত নয় (তিরমিযী হা/১০৫২)।
উত্তর : আল্লাহর নির্দেশেই রাসূল (ছাঃ) সন্ধিতে সম্মত হয়েছিলেন। এটা বাতিলের সাথে আপোষ নয়; বরং রক্তক্ষয় এড়ানোর জন্য শত্রুদের সাথে সাময়িক চুক্তি ছিল। এর ফলে মক্কার কাফিররা মুসলিমদেরকে একটি শক্তি হিসাবে মেনে নিতে বাধ্য হয়েছিল। শর্তসাপেক্ষ এই সন্ধি
উত্তর : জীব-জন্তুর ভাষা বুঝা সুলায়মান (আঃ)-এর জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি মু‘জেযা ছিল (নামল ১৬-২৩)। অন্য নবীর মু‘জেযা আমাদের নবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এরও থাকতে হবে বিষয়টি এরূপ নয়। ঈসা (আঃ) আল্লাহর ইঙ্গিতে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করেছেন (আলে ইমরান ৪৯)। এ
উত্তর : মসজিদকে বিশেষ কোন ব্যক্তি, গোত্র, স্থান বা বৈশিষ্ট্যগত নামে নামকরণ করা জায়েয রয়েছে। রাসূল (ছাঃ)-এর যুগে ‘মসজিদে বনী যুরায়েক্ব’ নামে মসজিদ ছিল (বুখারী হা/৪২০)। এছাড়া মসজিদুল আক্বছা, মসজিদুল হারাম নামদ্বয় পবিত্র কুরআনে এসেছে। সুতরাং পরি
উত্তর : বাংলাদেশের সংবিধান ইসলামী শরী‘আতের আলোকে রচিত নয়। এতে ইসলামবিরোধী বহু ধারা রয়েছে। ‘আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা’-যে বাক্যটি সংবিধানে ছিল তা দেশের সংখ্যাগরিষ্ট জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিকে আকৃষ্ট করার জন্য নামকাওয়াস্তে তৎকালীন সরকার যুক্ত করেছ
উত্তর : এ বিষয়ে পবিত্র কুরআন বা হাদীছ থেকে কিছু জানা যায় না। তবে ঐতিহাসিক ও মুফাসসিরগণ বিচ্ছিন্ন সনদে উল্লেখ করেছেন যে, যুলায়খার স্বামী ক্বিৎফীরের মৃত্যুর পর এবং সে তওবাহ করার পর ইউসুফ (আঃ)-এর সাথে তার বিয়ে হয়েছিল এবং দু’টি ছেলে সন্তান হয়েছিল
উত্তর : তাঁরা সকলেই তৎকালীন সময়ের সর্বাপেক্ষা শরী‘আত অভিজ্ঞ, জ্ঞানী এবং উচ্চ মর্যাদার অধিকারী তাবেঈ ছিলেন। তারা হ’লেন (১) উরওয়া ইবনুয যুবায়ের (২২-৯৩ হিঃ) (২) সা‘ঈদ ইবনুল মুসাইয়িব (১৫-৯৪ হিঃ) (৩) কাসেম ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আবুবকর (মৃঃ ১০৭ হিঃ)
উত্তর : এসব চেইন কোন ঔষধ নয়। রোগমুক্তির উদ্দেশ্যে এসব চেইনের উপর নির্ভর করা তাবীয-কবজের অন্তর্ভুক্ত, যাকে রাসূল (ছাঃ) শিরক হিসাবে ঘোষণা করেছেন (হাকেম, আহমাদ হা/১৭৪৫৮)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি (রোগমুক্তির উদ্দেশ্যে) কিছু ঝুলিয়ে রাখল, তাকে তার
উত্তর : ছিয়াম পালনে অক্ষম ব্যক্তির ফিদইয়া মিসকীনগণকে দেয়ার কথাই আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন (বাক্বারাহ ১৮৪)। বর্তমানে অনেক মাদরাসায় লিল্লাহ বোর্ডিং ইয়াতীমখানা রয়েছে। সেখানে দরিদ্র, সহায়সম্বলহীন ছাত্রদের উদ্দেশ্যে ফিদইয়ার অর্থ দেয়া যেতে পারে। যদি নাকি
উত্তর : মাহরাম ব্যতীত কোন মহিলার উপর হজ্জ ফরয নয়। মহিলার সঙ্গে তার স্বামী বা কোন মাহরাম না থাকলে তার হজ্জ বৈধ হবে না (বুখারী হা/১০৮৮)।
উত্তর : যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং ছওয়াবের আশায় রামাযানের ছিয়াম পালন করবে এবং তারাবীহর ছালাত আদায় করবে, তার আগের ও পিছনের পাপ ক্ষমা করা হবে (বুখারী হা/১৯০১), এ পর্যন্ত ছহীহ হাদীছের অংশ। প্রশ্নের শেষ অংশটুকু ত্বাবারাণীতে এসেছে, তবে তা জাল (সিলসিলা
উত্তর : এ বক্তব্য সঠিক নয়। কেননা তারাবীহ এবং তাহাজ্জুদ উভয়টি রাত্রিকালীন নফল ছালাত। পরবর্তীতে রামাযান মাসে রাত্রিকালীন এ নফল ছালাতের নামকরণ হয়েছে তারাবীহ। সুতরাং তারাবীহ, ক্বিয়ামে রামাযান, ছালাতুল লায়েল ও ছালাতুত তাহাজ্জুদ সব একই ছালাতের নাম
উত্তর : নিম্নোক্ত কারণে ছিয়াম ভঙ্গ হয়- ১. স্ত্রী সহবাসে ২. ইচ্ছাকৃতভাবে খেলে ৩. ইচ্ছাকৃতভাবে পান করলে ৪. ইচ্ছাকৃত বীর্যপাত ঘটালে ৫. এমন জিনিস ব্যবহার করা যাতে আর পানাহারের প্রয়োজন থাকে না ৬. ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করলে ৭. হায়েয বা নিফাস শুরু হ’লে।
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সর্বদা ‘গালাস’ বা ভোরের অন্ধকারে ফজরের ছালাত আদায় করতেন। মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর এই অভ্যাস ছিল (দ্রঃ ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) ৩য় সংস্করণ ৪৩ পৃঃ)। আর সেটি ছিল স্বাভাবিক অন্ধকার। এক্ষণে উক্ত সুন্নাতী আমলের ফযীলত হাছিলের জন্য মসজিদে
উত্তর : না। এ ধরনের কর্মকান্ড নিঃসন্দেহে শিরক। এরূপ কাজ যারা করে তাদেরকে বলা হয় মাজূস বা অগ্নিপূজক। তওবা না করে মৃত্যুবরণ করলে তারা স্থায়ীভাবে জাহান্নামী হবে। কেননা আল্লাহ শিরক কারীকে ক্ষমা করবেন না (নিসা ৪৮, ১১৬)।
উত্তর : মৃত লাশ বহনের জন্য খাটিয়া মসজিদে রাখার পিছনে কোন রহস্য নেই। সংরক্ষণের সুবিধার জন্য এমনটি করা হ’তে পারে। তবে লাশ ঢাকার কাপড়ে আল্লাহ, মুহাম্মাদ, সূরা হাশরের শেষ ৩ আয়াত, ত্বোয়াহা ৫৫ আয়াত, আয়াতুল কুরসী ইত্যাদি লেখা কোন হাদীছ দ্বারা প্রমাণ
উত্তর : একমাত্র আল্লাহর জন্য ইবাদত খালেছ হওয়ার শর্ত হ’ল দু’টি : (ক) রিয়া মুক্ত হওয়া। অর্থাৎ একমাত্র আল্লাহকে রাযী-খুশী করার উদ্দেশ্যে ইবাদত করা। (খ) রাসূল (ছাঃ)-এর তরীকায় সম্পাদিত হওয়া (কাহফ ১১০)।
উত্তর : কথাটি সঠিক। শুধু তাই নয়, উদ্দেশ্যমূলকভাবে বেগানা নারীর দিকে কুদৃষ্টি দেয়া বা তার কথা শ্রবণ করা এবং যে কোন প্রকারে তার প্রতি কুচিন্তা নিয়ে অগ্রসর হওয়া-সবই যেনার পাপের অংশ হিসাবে গণ্য হবে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৮৬)। তাই এই পাপ থেকে
উত্তর : এসবের অধিকাংশ অনৈসলামী সংস্কৃতির অনুকরণ। তাই এসব আচার ও প্রথা সাধ্যপক্ষে এড়িয়ে চলাই মুমিনের কর্তব্য। কেননা এসব ক্ষেত্রে প্রায়ই শিরক, বিদ‘আত এবং বিজাতীয় সংস্কৃতির প্রভাব থাকে। আর যে কোন বিদ‘আতী প্রথা সর্বক্ষেত্রেই পরিত্যাজ্য (বুখারী, ম
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) চুলে কালো কলপ লাগাতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন (মুসলিম, মিশকাত হা/৪৪২৪)। যারা এটা করে তারা জান্নাতের সুগন্ধিও পাবে না (আবুদাউদ, নাসাঈ, মিশকাত হা/৪৪৫২)। কেননা এতে মানুষকে ধোঁকা দেয়া হয়। তাই উপরোল্লেখিত ক্ষেত্রেও কালো খিযাব ল
উত্তর : রাসূল (ছাঃ)-এর ছায়া ছিল ছিল না- এই আক্বীদা পোষণ করে পথভ্রষ্ট কিছু লোক। তারা কিছু মিথ্যা ও বানোয়াট কথাকে হাদীছ বলে চালিয়ে দিয়ে বলে যে, রাসূল (ছাঃ) ছিলেন নূরের তৈরী। আর নূরের কোন ছায়া থাকে না। অথচ পবিত্র কুরআনে আল্লাহ স্বীয় রাসূলকে বলেন
উত্তর : মসজিদে মুছল্লীদের উদ্দেশ্যে সালাম দেয়া যাবে। রাসূল (ছাঃ) ছালাতরত অবস্থাতেও কেউ সালাম দিলে আঙ্গুলের ইশারায় তার জবাব দিতেন (তিরমিযী, মিশকাত হা/৯৯১; মুওয়াত্ত্বা, মিশকাত হা/১০১৩)। তাছাড়া খালি মসজিদে প্রবেশকালেও সালাম দেওয়া যাবে। যেমন কোন মুসলমানে
উত্তর : এ মর্মে হাদীছে বিশেষ কোন দো‘আ বর্ণিত হয়নি। তবে এজন্য আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়ে দো‘আ কবুলের শ্রেষ্ঠ সময়গুলিতে যেমন রাতের শেষাংশ, সিজদার সময় বা আযান ও ইক্বামতের মধ্যবর্তী সময়ে বিভিন্ন দো‘আ পাঠ করা যায়। যেমন কুরআনে বর্ণিত দো‘আ ربنا هب لن
উত্তর : ‘মুক্বীম’ অবস্থায় ৭ ভাগে কুরবানী করার কোন দলীল পাওয়া যায় না। তাই একটি পরিবারের পক্ষ থেকে একটি পশু কুরবানী করাই যথেষ্ট। তবে সামর্থ্য থাকলে একাধিক পশুও কুরবানী করতে পারবে। ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) নিজ হাত দ্বারা দু’টি শিংওয়ালা দুম্বা কুরবানী
উত্তর : খোলা অর্থ বিচ্ছেদ। এটি তালাক নয়। তাই খোলার মাধ্যমে যতবারই বিচ্ছেদ হোক না কেন স্ত্রী পুনরায় স্বামীর কাছে ফিরে আসতে পারে। তবে এজন্য নতুনভাবে বিবাহ ও মোহর নির্ধারণ করতে হবে। কেননা খোলার মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায় (বাক্বারা ২২৯)। আর খোলা
উত্তর : উক্ত বর্ণনায় কয়েকজন ত্রুটিপূর্ণ রাবী আছে। নাহশাল ইবনু সাঈদ নামক ব্যক্তি একজন সুপরিচিত মিথ্যুক। মানছূর ইবনু জা‘ফর ও হাসান ইবনু হারূণ নামেও দুই জন অপরিচিত রাবী আছে (বিস্তারিত দ্রঃ সিলসিলা যঈফাহ হা/৬২৭৩; মিশকাত হা/৪৯৪৪)। তবে মনে রাখতে হবে
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) আরবী ভাষায় খুৎবা দিতেন এমনটি নয়; বরং তিনি মাতৃভাষায় খুৎবা দিতেন। আর তাঁর মাতৃভাষা ছিল আরবী। শ্রোতারাও যেহেতু আরবীভাষী ছিলেন, তাই তিনি মাতৃভাষা আরবীতে খুৎবা দিতেন। যেমন অন্যান্য নবীগণ দিতেন। কারণ আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক রাসূ
উত্তর : শরী‘আত যাকে হারাম করেছে, তার দ্বারা ব্যবসা করাও হারাম (আবুদাঊদ হা/৩৪৮৮)। জেনে বুঝে জাল ও যঈফ হাদীছ ভিত্তিক বক্তব্য প্রচার করা এবং এসব বই বিক্রি করা অবৈধ। ‘এর দ্বারা যত লোক অজ্ঞতা বশে পথভ্রষ্ট হবে, তত লোকের পাপের বোঝা ঐ ব্যক্তিকে বহন করত
উত্তর : পীর ধরা এবং মুরীদ হওয়া সম্পূর্ণ নাজায়েয কাজ। এটি না ছিল রাসূল (ছাঃ)-এর যুগে, না ছিল ছাহাবী, তাবেঈ ও তাবে তাবেঈদের যুগে। পরবর্তীকালে কিছু লোক অমুসলিমদের অনুকরণে নিজেরা পীর সেজে মূর্খ লোকদের মুরীদ বানিয়ে বিনা পুঁজির ব্যবসা করছে। যদিও তা
উত্তর : উক্ত কথা বানাওয়াট ও ভিত্তিহীন ।
উত্তর : উক্ত কাজ সঠিক হয়নি। কেননা কন্যার সংখ্যা যত বেশীই হৌক না কেন, তারা দুই তৃতীয়াংশের বেশী পাবে না। আর স্ত্রী পাবেন দু’আনা। বাকী অংশ আছাবাহ সূত্রে অন্যেরা পাবেন। দ্বিতীয়তঃ মৃত্যুর পূর্বে সম্পত্তি বণ্টন করা বৈধ নয়। কারণ ওয়ারিছরা মালিকের মৃত
উত্তর : এগুলো সামাজিক কুসংস্কার মাত্র। এ ধরনের আকীদা রাখা শিরক। এ থেকে বেঁচে থাকা আবশ্যক। আগুন, ম্যাচ বা লোহা কারো উপকার বা ক্ষতি করা করার ক্ষমতা রাখে না। জিন ভূতের আছর হতে রক্ষা পাওয়ার শারঈ পন্থা হল, দৈনন্দিন সূরা ইখলাছ, ফালাক্ব, নাস,
উত্তর : যে কোন ক্ষতিকর জন্তুকে হত্যা করা বৈধ। আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূল (ছাঃ) পাঁচ ধরনের জন্তুকে হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছেন (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/২৬৯৮)। ক্ষতিকর প্রাণীকে যেকোন পন্থায় মেরে ফেলা যেতে পারে। তবে আগুন দিয়ে পোড়ানো যাবে ন
উত্তর : পবিত্র কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার মাধ্যমে পূর্বের সমস্ত আসমানী কিতাব রহিত হয়ে গেছে। তাই তা এখন পড়া যাবে না। একদা ওমর (রাঃ) রাসূল (ছাঃ)-এর নিকটে তাওরাত পড়তে লাগলে তিনি অত্যন্ত রেগে যান এবং বলেন, তোমরা কি বিভ্রান্ত হবে, যেভাবে ইহুদী-নাছারারা ব
উত্তর : বর্তমান নেতৃত্ব নির্বাচন পদ্ধতি শরী‘আত সম্মত নয়। কারণ নেতা নির্বাচন করা জ্ঞানী-গুণী মানুষের কাজ। প্রচলিত নির্বাচনের নিয়ম বিধর্মীদের দেয়া উপহার। আর এটা অবৈধ হওয়ার অন্যতম কারণ হল, এতে একজন সর্বোচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি আর একজন অশিক্ষিত মূর্খ
উত্তর : বক্তব্যটি মিথ্যা ও বানাওয়াট ।
উত্তর : উক্ত বিবাহ শরী‘আত সম্মত নয়। নবী করীম (ছাঃ) বলেন, ওলী বা অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিবাহ বৈধ নয় (আহমাদ, তিরমিযী, আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৩১৩০)। অন্যত্র বলেন, যে মহিলা অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিবাহ করে, সে বিবাহ বাতিল, বাতিল, বাতিল (আহমাদ, তিরমিযী ও আবুদা
উত্তর : এরূপ কথা বলা অজ্ঞতার পরিচায়ক। কারণ যারা হাদীছ সংকলন করে গেছেন তারাই ছহীহ, যঈফ বা জাল ইত্যাদি উল্লেখ করেছেন এবং এর কারণ চিহৃিত করেছেন। আর এ বিষয়ে শত শত গ্রন্থও রচিত হয়েছে। তাছাড়া একশ্রেণীর মানুষ রাসূল (ছাঃ)-এর নামে যে নতুন হাদীছ তৈরি ক
উত্তর : আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে শরীক করাকে শিরক বলা হয়। সেটা একক স্রষ্টার মর্যাদার সাথে হোক, তাঁর গুণাবলী ও তাঁর ইবাদত সমূহের সাথে হোক। এমনটিা মনে করা যে আল্লাহ ছাড়া অন্যরাও আহারদাতা, জীবন ও মৃত্যর মালিক, ধনদৌলত, সন্তানাদী, উপকার অপকারের ক্ষম
উত্তর : অন্য মসজিদের চেয়ে জুম‘আ মসজিদে ছালাত আদায় করলে পাঁচশত ছালাত আদায়ের ছওয়াব পাওয়া যাবে মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (ইবনু মাজাহ হা/১৪১৩; মিশকাত হা/৭৫২)। সুতরাং মসজিদ ছোট হোক আর বড় হোক একটির উপর অপরটির কোন প্রাধান্য নেই মসজিদুল হারাম, মসজিদে নববী ও ম
উত্তর : মসজিদের ছাদের উপর ধান, গম, কাপড় ইত্যাদি শুকানো মসজিদের আদবের খেলাফ। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, নিশ্চয় মসজিদ সমূহ আল্লাহর ইবাদত সম্পাদনের জন্য ... (জিন ১৮)। দুনিয়াবী কাজে বা ব্যক্তি স্বার্থে মসজিদকে ব্যবহার করা ঠিক নয়।
উত্তর : প্রশ্নে বুঝা যাচ্ছে যে আলবানী (রহঃ)-এর গ্রন্থগুলো সম্পর্কে তার কোন ধারণা নেই। এমনকি অন্যান্য হাদীছগ্রন্থ সম্পর্কেও ধারণা নেই। কেননা শায়খ আলবানীর হাযার বছর পূর্বে জাল ও যঈফ হাদীছের বহু গ্রন্থ রচিত হয়েছে। বর্ণনাকারীদের মধ্যে কারা নির্ভর
উত্তর : ইমাম আবূ হানীফা (রহঃ) ৮০ হিজরীতে জন্ম গ্রহণ করেন। সে সময় চারজন কনিষ্ঠ ছাহাবী জীবিত ছিলেন: বছরায় আনাস ইবনু মালেক, কূফায় আব্দুল্লাহ্ ইবনু আবী আওফা, মদীনায় সাহ্ল ইবনু সা‘দ সা‘য়েদী আর মক্কায় আবুত তবফাইল আমের ইবনু অয়েলা। আবু হানীফা (রহঃ) ত
উত্তর : উক্ত কথা ঠিক নয়। রাসূল (ছাঃ)-এর ছালাত বিভিন্ন রকমের ছিল না। সমাজে যঈফ ও জাল হাদীছ ভিত্তিক ছালাত চালু থাকার কারণে এই ধারণা সৃষ্টি হয়েছে। যেমন পুরুষের নাভির নিচে হাত বাঁধা আর মহিলাদের বুকে হাত বাঁধা, রাফউল ইয়াদাইন না করা, ইমামের পিছনে স
উত্তর : কোর্ট বা সালিশের মাধ্যমে স্ত্রী স্বামীকে ডিভোর্স দিতে পারে। যাকে শরী‘আতে ‘খোলা’ বলা হয়। মিলমিশ না হলে উভয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নিয়ে সমাধান করা উচিত (নিসা ৩৫)। তবে কোন কারণ ছাড়াই যদি কেউ স্বামীর কাছে তালাক চায়, তাহলে সে জান্নাতের
উত্তর : মাদুলী হচ্ছে তাবীয। আর যেকোন ধরনের তাবীয ব্যবহার করা শিরক। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি তাবীয লটকালো সে শিরক করল (আহমাদ হা/১৬৯৬৯, সনদ ছহীহ, সিলসিলা ছহীহাহ হা/৪৯২; তিরমিযী হা/২০৭২, সনদ হাসান)।
উত্তর : মুহাম্মাদ (ছাঃ) প্রতিষ্ঠিত ইসলামী রাষ্ট্রের সংবিধান ছিল কেবলমাত্র আল্লাহর অহী (আন‘আম ৫০)। অর্থাৎ পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহ। এ অহী ভিত্তিক সংবিধান দ্বারাই তিনি রাষ্ট্র পরিচালনা করতেন। এর প্রথম বাক্য হচ্ছে, পড়ুন আপনার প্রভুর নামে যিনি আপনাকে
উত্তর : সূরা ফাতিহা পাঠ করে ইমামের ক্বিরাআত শুনবে। কারণ সূরা ফাতিহা পাঠ ছাড়া ছালাত হবে না (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৮২২)।
উত্তর : আত-তাহরীকের উক্ত বক্তব্যই সঠিক। কারণ চলমান বাজার মূল্যের চেয়ে কেউ যদি বেশী নেয় তাহ’লে যুলুম হবে। তবে বাকীতে ক্রয়ের সময় বাজার দরের চেয়ে কম-বেশী করা যায়, যদি ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের সম্মতিতে নগদ ও বাকী মূল্য স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হয়। আর যদ
উত্তর : শারী‘আতের উৎস হিসাবে কুরআন এবং ছহীহ হাদীছ উভয়টিই আল্লাহর অহী (&নাজম ৩-৪)। তাই উভয়টি দ্বারা উভয়টিকে আল্লাহ তা‘আলা রহিত করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আমি যখন কোন আয়াত রহিত করে দেই বা তা ভুলিয়ে দেই, তখন তার জায়গায় তার চেয়ে উৎকৃষ্ট কিংবা
উত্তর : মা‘রেফতী আক্বীদা বলতে শরী‘আতে ভিন্ন কোন আক্বীদা নেই। যারা ইসলামকে শরী‘আত, মা‘রেফত, তরীকত, হাকীকত ইত্যাদি বলে ভাগ করেছে তারা মনগড়া দ্বীনের তাবেদারী করে। অথচ আল্লাহর নিকট মনোনীত দ্বীন শুধু ইসলাম (আলে ইমরান ১৯)। মাযার ও কবরপূজা বড়
উত্তর : উক্ত মর্মে কোন ছহীহ দলীল পাওয়া যায় না।
উত্তর : শরী‘আতে চুরি নিষিদ্ধ (মায়েদাহ ৩৮)। তাছাড়া ঘুষ একটি জঘন্য অপরাধ। এর মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্য সহ যেকোন কাজ করা হারাম। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ঘুষ দাতা ও ঘুষ গ্রহীতা উভয়কে লা‘নত করেছেন (আবুদাঊদ, ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/৩৭৫৩)। চোরাচালানীর মাধ্যমে দেশের
উত্তর : প্রতিটি পরিবারের জন্য পৃথক পৃথক কুরবানী দেওয়াই ছহীহ হাদীছ সম্মত। বিদায় হজ্জে আরাফার দিনে সমবেত জনমন্ডলীকে উদ্দেশ্য করে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, হে জনগণ! নিশ্চয় প্রত্যেক পরিবারের উপরে প্রতি বছর একটি করে কুরবানী’ (তিরমিযী, আবুদাঊদ,
উত্তর : কারো নামে নামকরণের শর্তে মসজিদ তৈরি করা জায়েয নয়। তবে তার মৃত্যুর পরে যদি মুছল্লীরা নামকরণ করে তবে জায়েয আছে। কোন গোত্র বা ব্যক্তির নামে মসজিদের নামকরণ করা যায়। যা ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত (আল মু‘জামুল মুফাহাররাস লি আলফাযিল হাদীছ ২য় খ
উত্তর : বিবাহ করা গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত। মানব বংশ রক্ষার জন্য এটি আল্লাহ প্রদত্ত একটি চিরন্তন ব্যবস্থা। এটি নবীগণের সুন্নাত। বিবাহ করার জন্য পবিত্র কুরআনে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন (নিসা ৩; নূর ৩২)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, হে যুব সম্প্রদায়! তোমাদ
উত্তর : মাহরাম ছাড়া কোন মহিলার উপর হজ্জ ফরয নয়। যদি কোন মহিলার সঙ্গে মাহরাম না যায় তাহ’লে তার উপর হজ্জ বা সফর বৈধ নয় (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২৫১৩, ১৫ ‘হজ্জ’ অধ্যায়)।
উত্তর : এটা শরী‘আত সম্মত নয়। বংশবৃদ্ধির উদ্দেশ্য থাকলে অন্যত্র বিয়ে করবে।
উত্তর : মাটির নীচে ঢালাই দিয়ে কবর ঢেকে দিতে হবে। উপরে দেওয়াল দিয়ে উঁচু করা যাবে না। রাসূল (ছাঃ) কবর উঁচু করতে, পাকা করতে, তার উপর সৌধ নির্মাণ করতে ও বসতে নিষেধ করেছেন (মুসলিম, মিশকাত হা/১৬৯৬-৯৭)।
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সন্তানাদির মধ্যে ইবরাহীম ছাড়া বাকী ছয় সন্তান খাদীজা (রাঃ)-এর গর্ভে জন্মলাভ করেন। তিন পুত্রের কেউ জীবিত ছিলেন না। তবে চার কন্যার সকলেই জীবিত ছিলেন। তাঁদের নাম হ’ল যথাক্রমে- যয়নব, রোক্বাইয়া, উম্মে কুলছূম এবং ফাতেমা
উত্তর : যে ব্যক্তি জান্নাতী হবে সেই আল্লাহর দর্শন লাভ করবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, জান্নাতীগণ যখন জান্নাতে প্রবেশ করবে তখন আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে লক্ষ্য করে বলবেন, তোমরা কি আরো কিছু চাও, যা আমি তোমাদেরকে অতিরিক্ত প্রদান করব? তারা বলবে, আপনি ক
উত্তর : যখনই নিফাস বন্ধ হবে, তখন থেকেই ছালাত আদায় করতে হবে। কারণ নিফাসের সর্বনিম্ন কোন সীমা নেই। আর নিফাসের সর্বোচ্চ সীমা হ’ল চল্লিশ দিন (আবু দাঊদ হা/৩১১)।
উত্তর : উক্ত বক্তব্য ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত। আবু হুরায়রা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘প্রত্যেক সন্তানই ফিতরাতের (ইসলাম) উপর জন্মগ্রহণ করে থাকে। অতঃপর তার পিতা-মাতা তাকে ইহুদী বা খৃষ্টান কিংবা অগ্নিপূজক বানায়’ (বুখারী ও মুসলিম, মিশ
উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘যারা অন্যায়ভাবে ইয়াতীমদের ধন-সম্পদ গ্রাস করে, নিশ্চয়ই তারা স্বীয় উদরে অগ্নি ব্যতীত কিছুই ভক্ষণ করে না এবং তারা সত্বর জাহান্নামে প্রবেশ করবে’ (নিসা ১০)। আবু হুরায়রা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘বিধবা ও মিসক
উত্তর : ঘটনাটি ত্বাবারাণী ও হিলইয়াতে বর্ণিত হয়েছে (ত্ববারাণী কাবীর হা/২০৭৪০; হিলইয়াতুল আউলিয়া ২/৬৭; হাকেম হা/৬৯১২)। হাদীছটি যঈফ। কারণ এর সনদে আব্দুল মালেক ইবনু হুসাইন আবূ মালেক নাখঈ নামে একজন নিতান্ত দুর্বল রাবী আছেন। মুহাদ্দিছগণ সকলেই এব্যাপারে
উত্তর : ইসলামে এ ধরনের কোন দিবস পালনের বিধান নেই। এগুলো বিজাতীয় রীতি হিসাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে চালু হয়েছে। আর যেগুলো ইসলাম সমর্থন করে না সেগুলোতে অংশগ্রহণ করা ও সহযোগিতা করা যাবে না (মায়েদাহ ৩)।
উত্তর : ওশর হচ্ছে ফসলের যাকাত। অতএব ফসল যদি নিছাব পরিমাণ হয়, তাহ’লে ওশর বের করতে হবে। (আন‘আম ১৪১; তিরমিযী হা/৬২৬)। ওশর আদায় করে বাকী টাকা দিয়ে ঋণ পরিশোধ করা যাবে। তবে উক্ত ধান বা গম উৎপাদন বাবদ যদি ঋণ হয়ে থাকে, তাহ’লে আগে ঋণ পরিশোধ করে নিছাব পরিম
উত্তর : মাযার কেন্দ্রিক কোন মসজিদেই ছালাত আদায় করা যাবে না। অনুরূপ মসজিদের জমিতে কবর হ’লে সেখানেও ছালাত হবে না। সুতরাং মাযার বা কবর আগের হ’লে সেখান থেকে মাসজিদ দূরে সরাতে হবে। আর মসজিদ আগে থেকে নির্মিত হয়ে থাকলে, কবর স্থানান্তর করতে হবে। কারণ
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। পূর্বে হজ্জ করা থাকলে যে কোন ব্যক্তি অন্যের জন্য বদলী হজ্জ করতে পারবেন, তিন প্রকার হজ্জের যেটিই হোক না কেন (আবুদাঊদ হা/১৮১১)।
উত্তর : বাংলাদেশী হাজীরা ক্বছর ও জমা না করে ভুল করেন। অথচ সফর অবস্থায় ছালাত ক্বছর ও জমা করাই সুন্নাত। তারা অবজ্ঞা করে সুন্নাতকে প্রত্যাখ্যান করেন (আবুদাঊদ হা/১৯২৬; ছহীহ নাসাঈ হা/১৪৩৩; তিরমিযী হা/৫৫৩)। তবে মুক্বীম ইমামের পিছনে ছালাত আদায় করলে পূর্
উত্তর : নিম্নের আয়াত পাঠ করবে-رَبَّنَا اغْفِرْ لِيْ وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ يَوْمَ يَقُوْمُ الْحِسَابُ ‘রববানাগফিরলী ওয়ালি ওয়ালিদাইয়া ওয়া লিলমু’মিনীনা ইয়াওমা ইয়াকূমুল হিসাব’ (ইবরাহীম ৪১)। অনুরূপভাবে নিম্নের আয়াতাংশও পড়া যাবে- &n
উত্তর : যদি রোগীর নিকট হ’তে অতিরিক্ত অর্থ নেয়া না হয় এবং এ কারণে রোগীর কোন ক্ষতি না হয়, তাহ’লে পারিশ্রমিক হিসাবে কমিশন নেওয়া যেতে পারে। তবে কোন প্রকার ধোঁকার আশ্রয় নেয়া হ’লে পারিশ্রমিক হারাম হবে (মুসলিম হা/২৯৪; মিশকাত হা/৩৫২০)।
উত্তর : সরকারের উক্ত আইন শরী‘আত পরিপন্থী। অভিভাবক তার সুবিধা অনুযায়ী মেয়ের বিবাহ দিতে পারে। আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আমাকে ৬/৭ বছর বয়সে বিবাহ করেছিলেন এবং নয় বছর বয়সে সংসার শুরু করেছিলেন (ছহীহ আবুদাঊদ হা/৪৯৩৩)। উল্লেখ্য যে, সরকারের শ
উত্তর : এ দায়িত্ব ইমামের। ইমাম বলার পরেও যদি মুছল্লীরা কাতার সোজা না করে তাহ’লে মুক্তাদীরাই দায়ী হবে। রাসূল (ছাঃ) কাতার সোজা করার নির্দেশ প্রদান করতেন, এমনকি কাঁধ ধরেও সোজা করে দিতেন (নাসাঈ হা/৮১২, ৮১৩; তিরমিযী হা/২২৭)।
উত্তর : উক্ত দাবী সঠিক নয়। মানুষকে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের দিকেই আহবান করতে হবে এবং এর মাধ্যমেই যাবতীয় সমাধান সম্ভব। ‘আছছালাতু খায়রুম মিনান্নাউম’ বলার হাদীছটি ছহীহ। শায়খ আলবানী (রহঃ) উক্ত হাদীছকে ছহীহ বলেছেন (আবুদাঊদ হা/৫০০, ৫০১, ৫০৪; নাসাঈ
উত্তর : মসজিদের উপর ইয়াতীমখানা ও মাদ্রাসা তৈরি করা যাবে। তবে মাদ্রাসা এবং ইয়াতীমখানার জন্য যেমন যাকাতের টাকা ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু মসজিদের জন্য যাকাতের অর্থ ব্যয় করা বৈধ নয়। অতএব উভয়ের ফান্ড পৃথক রাখতে হবে।
উত্তর : কিভাবে তারা জন্ম গ্রহণ করে, কিভাবে মৃত্যু বরণ করে, কি কর্ম করে, কি ধরনের পোষাক পরে এগুলো সম্পর্কে কোন তথ্যই কুরআন-হাদীছে পাওয়া যায় না। তবে যেহেতু রাসূল (ছাঃ)-কে জিন জাতির জন্যও প্রেরণ করা হয়েছে। অতএব তারাও কবর দেয়ার ইসলামী রীতি অবশ্যই
উত্তর : প্রথমতঃ কবরের উপর মসজিদ বানানো হয়নি। দ্বিতীয়তঃ রাসূল (ছাঃ)-কে মসজিদে কবর দেয়া হয়নি। তাঁকে আয়েশা (রাঃ)-এর ঘরে দাফন করা হয়েছিল (ছহীহ তিরমিযী হা/১০১৮)। তৃতীয়তঃ মসজিদে নববীতে কবরস্থান নেই। রাসূল (ছাঃ)-এর কবর পাকা করাও নেই। বুঝতে এবং দেখ
উত্তর : না। কেননা রাসূল (ছাঃ) কিংবা ছাহাবীদের থেকে এরূপ বলার কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না। তবে ছালাতের বাইরে শুনলে পড়তে হবে (মুসলিম, মিশকাত হা/৯২১)।
উত্তর : এটি বাংলা ভাষার একটি বাগধারা। এটা বলা যাবে না। এটা উক্ত পবিত্র বাক্য নিয়ে ব্যঙ্গ করার শামিল। তবে এর পরিবর্তে গোড়ায় গলদ বা শুরুতেই ভুল এমনটি বলা যেতে পারে।
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, আরাফার ময়দানের সকল স্থানই হাজীগণের অবস্থানস্থল (মুসলিম, মিশকাত হা/২৫৯৩)। অতএব আরাফার যেকোন স্থান হ’তে ক্বিবলামুখী হয়ে দো‘আ করতে হবে। এক্ষেত্রে জাবালে রহমতকে ক্বিবলার দিকে রাখা শর্ত নয় এবং তা কুরআন ও ছহীহ হাদীছ
উত্তর : অসৎ কাজ করতে থাকলে সর্বদা নছীহত করতে হবে এবং তার হেদায়াতের জন্য আল্লাহর নিকট দো‘আ করতে হবে। তবে নরম ভাষায় তাকে উপদেশ দিতে হবে। কারণ আল্লাহ্ হেদায়াত না করলে যবরদস্তি করে কাউকে হেদায়াত করা সম্ভব নয় (বাক্বারাহ্ ২৭২; ক্বাছাছ ৫৬)। এছাড়া তার
উত্তর : কবরস্থানের জমি মসজিদ বানানোর জন্য নেয়া ঠিক নয়। এছাড়া মসজিদ সম্প্রসারণের প্রয়োজন পড়লে সমস্যা হ’তে পারে। আবার কবর কেন্দ্রিক বিদ‘আতও চালু হয়ে যেতে পারে। অতএব কবরস্থানের জমি মসজিদ বানানোর জন্য বদল করে নেয়া যাবে না।
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘বিশ্বের মধ্যে চারজন নারী শ্রেষ্ঠ- মারইয়াম বিনতে ইমরান, খাদীজা বিনতে খুওয়াইলিদ, ফাতেমা বিনতে মুহাম্মাদ ও ফেরাঊনের স্ত্রী আসিয়া (তিরমিযী হা/৩৮৭৮; ঐ, মিশকাত হা/৬১৮১)। অন্য বর্ণনায় এসেছে, উক্ত চারজন হ’লেন জান্নাতী মহি
উত্তর : উক্ত মর্মে ছহীহ কোন দলীল পাওয়া যায় না।
উত্তর : হাদীছে আযান ও ইক্বামত উভয়কে আযান বলা হয়েছে। সেকারণ মুওয়াযযিন যা বলবে, মুক্তাদীও তাই বলবে। অতএব ‘ছালাতুর রাসূল (ছাঃ)’-এর বক্তব্য সঠিক।
উত্তর : উক্ত কাজ শরী‘আত সম্মত নয়। ইমামকে সম্মানী দেওয়া যাবে। তবে তাকে দেওয়ার জন্য অর্থ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। তাছাড়া ঈদগাহের উন্নয়ন ও ইসলামী দাওয়াতী কাজে সহযোগিতা করার জন্য দান করবে।
উত্তর : উক্ত পানীয়গুলোর মধ্যে যদি কোন হারাম বস্ত্ত মিশ্রিত থাকে তাহ’লে তা হারাম, নইলে নয়। মহানবী (ছাঃ) বলেছেন, যে বস্ত্তর বেশীতে মাদকতা আসে, তার অল্পটাও হারাম (আবূদাউদ হা/৩৬৮২)।
উত্তর : আছর ছালাতের পর কারণ বিশিষ্ট ছালাত সমূহ পড়া যায়। যেমন জানাযা, সূর্য গ্রহণের ছালাত, তাহিইয়াতুল ওযূ, তাহিইয়াতুল মাসজিদসহ যেকোন কারণ বিশিষ্ট ছালাত (ছালাতুর রাসূল পৃঃ ৪৫)।
উত্তর : উক্ত ঘটনা ভিত্তিহীন, বানোয়াট।
উত্তর : কারণ এগুলি ওয়াজিব তরক হওয়ার বিষয় নয় (দ্রঃ ছালাতুর রাসূল পৃঃ ১২৮)।
উত্তর : প্রসিদ্ধ কিতাব ৪ খানা। তওরাত, যবূর, ইনজীল ও কুরআন। এছাড়া ইবরাহীম (আঃ) ও অন্যান্য কতিপয় নবীর উপরও ছহীফাহসমূহ অবতীর্ণ হয়েছে (আ‘লা ১৯)। কিন্তু সেগুলির বিষয়ে কিছু জানা যায় না।
উত্তর : মাইল ও দিন সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু উল্লেখ করা হয়নি। সুতরাং সফরের উদ্দেশ্যে বাড়ী থেকে বের হওয়ার পর থেকে ছালাত জমা ও ক্বছর করা যাবে। যতদিন পুনরায় বাড়ীতে ফিরে না আসবে। রাসূল (ছাঃ) সফরে বের হওয়ার পর থেকে ফেরা পর্যন্ত ছালাত ক্বছর ও জমা ক
উত্তর : খেলা-ধুলা মানুষের জন্মগত স্বভাব। এর উদ্দেশ্য সাময়িক শরীর চর্চা। যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। বয়স ভেদে মানুষের শরীর চর্চার ধরনের পরিবর্তন হয়। কিন্তু সাময়িক শরীর চর্চার বদলে যদি তা কেবল সময়ের অপচয় হয়, স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হয়, যদি ঐ ব
উত্তর : ছালাত আদায়ের সময় উক্ত অঙ্গগুলো খোলা রাখলে তাদের ছালাত শুদ্ধ হবে না (আবূদাঊদ, বুলুগুল মারাম হা/২০৭)। কেননা ‘মহিলাদের সর্বাঙ্গ সতরের অন্তর্ভুক্ত, চেহারা ও দুই হস্ততালু ব্যতীত’ (ছালাতুর রাসূল (ছাঃ), পৃঃ ৩৮)।
উত্তর : উক্ত বাক্য বললে শিরক হবে না। বাক্যটি কালেমায়ে শাহাদাতের প্রচলিত মূল অংশ। তবে উক্ত বাক্যসহ আল্লাহ, মুহাম্মাদ শব্দ মসজিদের মেহরাবের উপর লেখা যাবে না। এছাড়া কোন আয়াত ও দো‘আও লেখা ঠিক নয়। এগুলো বাড়াবাড়ি মাত্র। আল্লাহ মুহাম্মাদ লিখলে অর্থ
উত্তর : এ বিষয়ে সঊদী আরবের সাবেক প্রধান মুফতী শায়খ আব্দুল আযীয বিন বায (রহঃ) বলেন, ‘কিছু সংখ্যক লোক হজ্জের পর অধিক সংখ্যক উমরাহ করার আগ্রহে ‘তানঈম’ বা জি‘ইর্রানাহ নামক স্থানে গিয়ে ইহরাম বেঁধে আসেন। শরী‘আতে এর কোনই প্রমাণ নেই’ (দলীলুল হাজ্জ ওয়
উত্তর : জীবিত ব্যক্তির ওপর শরী‘আতের বিধি-বিধান প্রযোজ্য, মৃত ব্যক্তির ওপর নয়। অতএব তার পক্ষ থেকে কোন ছিয়ামও পালন করা লাগবে না এবং ফিদইয়াও প্রদান করতে হবে না। তবে তার অছিয়ত বা মানত থাকলে তার বদলে ছিয়াম অথবা ফিদইয়া দেওয়া যাবে (আলবানী, তালখীছ আহ
উত্তর : প্রত্যেক ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য উচিত মৃত্যু আসার পূর্বে ঋণ পরিশোধ করা এবং উপায় না থাকলে ওয়ারিছগণকে সে ব্যাপারে অছিয়ত করে যাওয়া। অন্যথায় তার আত্মা ঝুলন্ত থাকবে। এসব ব্যক্তির জানাযার ছালাত রাসূল (ছাঃ) পড়াননি (আহমাদ, তিরমিযী, বুলূগুল মারাম
উত্তর : সর্বপ্রথম জানাযার ছালাত শুরু করেন ফেরেশতাগণ। মৃত ব্যক্তি ছিলেন আদম (আঃ) (ইবনু কাছীর, আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ ১/৯১; মুসনাদ আহমাদ হা/২১২৭০৮, সনদ ছহীহ, আলবানী, সিলসিলা যঈফাহ হা/২৮৭২-এর আলোচনা দ্রষ্টব্য)।
উত্তর : ইমাম প্রত্যেক ছালাতে মুক্তাদীদের দিকে ফিরে বসবেন (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৯৪৪)। মাত্র দুই বা তিন ওয়াক্তে মুছল্লীদের দিকে ফিরে বসার পক্ষে কোন হাদীছ পাওয়া যায় না। এটা সুন্নাতের বরখেলাফ।
উত্তর : আল্লাহর কালাম দ্বারা অমুসলিমকে ঝাড়-ফুঁক করা যাবে (বুখারী হা/৫৭৩৬)।
উত্তর : রোগ মুক্তির জন্য আযান দেওয়া কিংবা উল্লেখিত নিয়ম অবলম্বন করা কোনটাই শরী‘আত সম্মত নয়। বরং বিদ‘আত ও প্রত্যাখ্যাত (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/১৪০)।
উত্তর : যাবে। কারণ ওযূর এই অবস্থার ব্যাপারে হাদীছে কোন নিষেধাজ্ঞা বর্ণিত হয়নি।
উত্তর : এটা সামাজিক কুসংস্কার মাত্র। তবে গোফ লম্বা রাখা সুন্নাত বিরোধী কাজ (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৪৪২১)। যা অবশ্যই পরিত্যাজ্য।
উত্তর : সদ্যপ্রসূত সন্তানের জন্য ইসলামে কোন অনুষ্ঠান নেই। অতএব উক্ত অনুষ্ঠানে যোগদান করার প্রশ্নই উঠে না।
উত্তর : ক্বাযা ছালাত আদায় করার সময় সুন্নাত আদায় করতে পারে। কারণ হাদীছে ফজরের ছুটে যাওয়া সুন্নাত পড়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে (ছহীহ তিরমিযী হা/৪২৩)। রাসূল (ছাঃ) যোহরের পূর্বের ছুটে যাওয়া চার রাক‘আতও পরে আদায় করেছেন (ছহীহ তিরমিযী হা/৪২৬)। আর ফরয ছালাতের পরে
উত্তর : করতে পারে (ছহীহ নাসাঈ হা/২৬৩৯; সিলসিলা ছহীহাহ হা/৩০৪৭)। তবে বদলী হজ্জকারীকে তার নিজের হজ্জ আগে করতে হবে (আবুদাঊদ হা/১৮১১)।
উত্তর : কুরবানীর পশু ক্রয়ের কোন নির্দিষ্ট সময় নেই। যার যখন ইচ্ছা কুরবানীর পশু ক্রয় করতে পারবে।
উত্তর : মৃত ব্যক্তির নামে ইফতার মাহফিল করা যাবে না, যেখানে সকল শ্রেণীর মানুষ অন্তর্ভুক্ত থাকবে (মুসলিম হা/৪৩০৬)। কারণ মৃত ব্যক্তির নামে যা করা হয় তা মূলতঃ ছাদাক্বাহ, যা ধনীরা খেতে পারে না (তিরমিযী হা/৬৫২; তওবাহ ৬০)। তবে কোন নির্দিষ্ট দিন-তারিখ ও অনুষ
উত্তর : যখন যেখানে রাত হয় তখন সেখানে তিনি প্রথম আসমানে নেমে আসেন। কিভাবে তিনি আসেন সেটা আল্লাহই ভাল জানেন। আল্লাহর পক্ষে সবই সম্ভব। লায়লাতুল ক্বদরকে নির্ধারণ করেন আল্লাহ, সময়ের পার্থক্যও করেন তিনিই। কিছু এলাকা আছে যেখানে ছয় মাস সূর্য ডুবে না,
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) রাতের ছালাত দু‘রাক‘আত দু‘রাক‘আত করে আদায় করে এক রাক‘আত দ্বারা বিতর করতেন (তিরমিযী হা/৪৬১)। অতএব ২+২ করে দশ রাক‘আত, অতঃপর এক রাক‘আত বিত্র। সঊদীদের আমলকে এ হাদীছের অন্তর্ভুক্ত করা যায়। হাসান বাছরীকে জিজ্ঞেস করা হ’ল যে, ইবনু ওমর
উত্তর : দো‘আটি হাদীছে নিম্নোক্তভাবে বর্ণিত হয়েছে। তিনি ছালাতের মধ্যে অথবা দো‘আর মধ্যে কিংবা ফজরের ছালাতের জন্য মসজিদে যাওয়ার সময় বলতেন- হে আল্লাহ্! আমার অন্তরে নূর দাও, যবানে, শ্রবণে, দৃষ্টিতে, ডানে, বামে, উপরে, নিচে, সামনে, পিছনে ... নূর দাও
উত্তর : রাসূল (ছাঃ)-এর সম্মতি লাভ করা কথাটি সঠিক নয়। অনুরূপ ‘রাসূল (ছাঃ)-এর পবিত্র রওযা’ একথা বলা মারাত্মক অন্যায়। কারণ রাসূল (ছাঃ)-এর মিম্বার এবং তাঁর বাড়ির মাঝের স্থানকে ‘জান্নাতের রওযা’ বলা হয়েছে (বুখারী হা/১১৯৫; মিশকাত হা/৬৯৪)।প্রশ্নে উল্
উত্তর : দ্বিতীয় কথাটি মূলতঃ হাদীছ لاَ تَتَّخِذُوا الضَّيْعَةَ فَتَرْغَبُوا فِى الدُّنْيَا ‘তোমরা ভূ-সম্পত্তি অর্জনে মগ্ন হয়ো না। কেননা তা তোমাদেরকে দুনিয়ার পিছনে লিপ্ত করে ফেলবে (তিরমিযী হা/২৩২৮; ঐ, মিশকাত হা/৫১৭৮ ‘রিক্বাক্ব’ অধ্যায়)। এখান
উত্তর : তাবলীগ জামা‘আত একটি বিদ‘আতী দল। এ দলের সাথে বের হওয়া এবং তাদের কোন অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করা যাবে না। তাদেরকে প্রশ্রয়ও দেয়া যাবে না। কারণ বিদ‘আতীদেরকে প্রশ্রয় দিতে রাসূল (ছাঃ) কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন (বুখারী হা/৩১৮০)। তারা বানোয়াট কিচ্ছা-
উত্তর : বাংলাদেশে সরকারীভাবে সূদী অর্থনীতি অনুসরণ করা হয়। এখানকার ব্যাংক ব্যবস্থা পুরাপুরি সূদ ভিত্তিক। ইসলামী ব্যাংক ও বীমাগুলি সূদমুক্ত বলে দাবী করা হয়। ‘কিন্তু সেগুলি পুরাপুরি শারী‘আহ ভিত্তিক করা সম্ভব নয় বলে অভিজ্ঞমহলের বিশ্বাস। কেননা রাষ
উত্তর : স্পষ্ট সূদী কোন বস্ত্ত কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ এটি একটি জঘন্য হারাম প্রথা। পবিত্র কুরআনের ৭টি আয়াতে ও ৪০টি হাদীছে সূদকে হারাম করা হয়েছে। অতএব সূদখোরের হাদিয়া গ্রহণ না করে ফেরত দিতে হবে।
উত্তর : ‘ওয়াসওয়াসা’ শব্দের আভিধানিক অর্থ গোপন শব্দ ও মনের খটকা (লিসানুল আরব)। আর শারী‘আতের পরিভাষায় মনের মধ্যে ওয়াসওয়াসা দ্বারা কুমন্ত্রণা এবং মনের মধ্যে খারাপ ধারণা এবং খারাপ কর্ম করার মানসিকতা সৃষ্টি হওয়াকে বুঝানো হয়। এটা শয়তানের পক্ষ থেকে হয়
উত্তর : প্রাইজ বন্ড কেনা যাবে না। ‘যদি লাইগা যায়’ এই রঙিন আশায় এটা ক্রয় করা হয়। অতএব এটা স্পষ্ট জুয়া। আল্লাহ বলেন, হে মুমিনগণ! নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, মূর্তির বেদী ও শুভ-অশুভ নির্ণয়ের তীর গর্হিত বস্ত্ত ও শয়তানী কাজ। অতএব তোমরা এসব থেকে বিরত থাক। যা
উত্তর : ফেতনায় পড়ার আশঙ্কা আছে, এমন স্থানে কাজ করা যাবে না, যদিও সে কাজ বৈধ হয়। রাসূল (ছাঃ) পুরুষদের জন্য নারীদেরকে সবচেয়ে ক্ষতিকর ফিৎনা হিসাবে উল্লেখ করেছেন (বুখারী হা/৫০৯৬; মিশকাত হা/৩০৮৫)। আপনার কর্মটি যদি হারাম উৎপাদন বা হারাম বস্ত্তর সা
উত্তর : যে দো‘আ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত সে দো‘আকেই দো‘আয়ে মাছূরাহ্ বলা হয়। তাশাহ্হুদ ও দরূদ পাঠের পর থেকে সালাম ফেরানোর আগ পর্যন্ত কুরআন ও ছহীহ হাদীছ হতে ইচ্ছামত যে কোন দো‘আ পড়া যায় (বুখারী হা/৮৩৫; মিশকাত হা/৯০৯)।
উত্তর : ‘সূদ’ ফারসী শব্দ। যার অর্থ ঋণ দিয়ে সেই টাকার উপর আদায়কৃত লভ্যাংশ। আরবীতে একে রিবা (الربا) বলা হয়। যার অর্থ হ’ল, বৃদ্ধি। শারঈ পরিভাষায় كل قرض جر نفعا فهو ربوا ‘প্রত্যেক ঋণ যা লাভ আনয়ন করে, সেটাই রিবা’। এটি জাহেলী আরবে চালু ছিল। ইসলাম এ
উত্তর : ‘কোয়ান্টাম মেথড’ পদ্ধতির মাধ্যমে হিন্দু এবং বৌদ্ধ ধর্মের রীতি ও আদর্শকে সর্বদলীয় ধর্মীয় নীতি হিসাবে দাঁড় করানোর চেষ্টা চলছে। এটা সম্রাট আকবরের বানানো জগাখিচড়ী ‘দ্বীনে এলাহী’র মত। অথচ অন্য ধর্মের সাদৃশ্য অবলম্বন করা ইসলামে কঠোরভাবে নিষ
উত্তর : مِلَّةَ أَبِيكُمْ إِبْرَاهِيمَ هُوَ سَمَّاكُمُ الْمُسْلِمينَ مِن قَبْلُ وَفِي هَذَا অনুবাদ : ‘তোমাদের পিতা ইবরাহীমের মিল্লাত (অনুসরণ কর)। (আল্লাহ) তোমাদের নাম রেখেছেন ‘মুসলিম’ পূর্বের কিতাবসমূহে এবং এই কিতাবে (কুরআনে) (হাজ্জ ২২/৭৮)। আ
উত্তর : বর্তমান বিশ্বে কোন ব্যক্তি তার দেশের কোন আইনের বিরোধিতা করলে রাষ্ট্রদ্রোহী সাব্যস্ত হয় এবং তার জেল বা ফাঁসি হয়। নিজেদের তৈরি করা আইনের বিরোধিতা করলে যদি এধরনের শাস্তি হয়, তাহ’লে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর আইনের বিরোধিতা করলে কেমন শাস্তি হওয়া
উত্তর : সর্বপ্রথম আবুবকর (রাঃ) কুরআন একত্রিত করেন। অতঃপর ওছমান (রাঃ)-এর যুগে উক্ত কুরআনের কয়েকটি কপি করে বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হয়। এতে কোন পরিবর্তন ও পরিবর্ধন হয়নি। তিনি কেবল একত্রিত করেছেন মাত্র (বুখারী, মিশকাত হা/২২২০ ও ২২২১)। অনুরূপভাবে তা
উত্তর : উক্ত মর্মে কোন হাদীছ পাওয়া যায় না।
উত্তর : এগুলো ধর্মের নামে চালু হওয়া সামাজিক কুসংস্কার মাত্র। এ প্রথা পরিত্যাজ্য।
উত্তর : সৃষ্টির সূচনা সম্পর্কে আল্লাহই সর্বাধিক অবগত। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, আল্লাহ তা‘আলা ছিলেন। তাঁর পূর্বে কিছুই ছিল না। পানির ওপরে তার আরশ ছিল। অতঃপর তিনি আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেন। প্রতিটি বস্ত্তই লাওহে মাহফূযে লিপিবদ্ধ ছিল (বুখারী, মিশক
উত্তর : ‘মুরশিদ’ শব্দের অর্থ পথ প্রদর্শনকারী। উক্ত আয়াতে মুরশিদ বলতে আল্লাহকে বুঝানো হয়েছে। আল্লাহ মানুষের পথ প্রদর্শনকারী। তিনি যাকে পথ দেখান সেই কেবল পথ প্রাপ্ত হয়। পক্ষান্তরে তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে কেউ পথ প্রদর্শন করতে পারে না। পীর-ফ
উত্তর : যেসব আক্বীদার কারণে মানুষ ইসলাম থেকে বের হয়ে যায়, সেসব আক্বীদাধারী মানুষের পিছনে ছালাত আদায় করা জায়েয নয়। প্রশ্নে উল্লেখিত দলগুলোর প্রত্যেকেই এমন আক্বীদা পোষণ করে, যা তাদেরকে পথভ্রষ্ট করে দেয়।মু‘তাযিলা একটি ভ্রান্ত দল, যারা আল্লাহর ছিফা
উত্তর : সংগঠন বলতে জামা‘আতকে বুঝায়। একদল ঈমানদার মানুষ যখন আল্লাহর বিধান সমূহকে নিজ নিজ জীবনে ও সমাজে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একজন আমীরের অধীনে ঐক্যবদ্ধ হয়, তখন ঐ দলটিকে ‘ইসলামী জামা‘আত’ বা সংগঠন বলা হয়। পক্ষান্তরে ইসলাম বিরোধী আদর্শের কিংবা কোন
উত্তর : অধিক ছওয়াব পাওয়ার উদ্দেশ্য না থাকলে উক্ত তিন মসজিদ ছাড়াও অন্যত্র সফর করা বৈধ (আনকাবূত ২০)।
উত্তর : টমেটো সবজির অন্তর্ভুক্ত। আর শাক-সবজির কোন ওশর নেই। কাজেই এ ধরনের শস্যের ওশর দেওয়ার প্রয়োজন নেই (ফিক্বহুস সুন্নাহ, ১ম খন্ড, পৃঃ ৪২০)। তবে এ ধরনের শস্যের বিক্রয়লব্ধ অর্থ যদি নেছাব পরিমাণ হয় এবং তাতে এক বছর অতিবাহিত হয়, তাহ’লে তার যাকাত দিতে হবে
উত্তর : বক্তব্যটি বানাওয়াট ও ভিত্তিহীন।
উত্তর : ঘটনাটি আব্দুল্লাহ ইবনু আবী আওফা (রাঃ)-এর নামে বর্ণিত হয়েছে। ঘটনাটি জাল বা মওযূ‘ (আলবানী, যঈফুল জামে‘ হা/৩১৮৩)।
উত্তর : দান করে ফেরত নেওয়া শরী‘আত সম্মত নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, দান করে ফেরত নেওয়া বমি করে বমি খাওয়ার ন্যায় (আবুদাঊদ, হা/৩৫৩৯)। তবে ওয়াকফকারী তার চেয়ে উত্তম কিছু দিতে ইচ্ছা পোষণ করলে তিনি তা পরিবর্তন করতে পারেন। অন্যথা তিনি পরিবর্তন ও ফেরত
উত্তর : উক্ত পদ্ধতিতে ছালাত আদায় করলে সুন্নাত মোতাবেক হবে না। সিজদা হ’ল ছালাতের অন্যতম প্রধান ‘রুকন’। সিজদা নষ্ট হ’লে ছালাত নষ্ট হবে। অতএব এই অভ্যাস থাকলে তা অবশ্যই পরিত্যাজ্য। সিজদা এমন লম্বা হবে, যেন বুকের নীচ দিয়ে বকরীর বাচ্চা যেতে পারে (ম
উত্তর : চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণের সময় বিভিন্ন কাজে নিষেধ করা সামাজিক কুসংস্কার মাত্র। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, চন্দ্র, সূর্য গ্রহণ আল্লাহর নিদর্শন সমূহের মধ্যে দু’টি নিদর্শন, এগুলি কারো মৃত্যু বা জন্মের কারণে গ্রহণগ্রস্ত হয় না। যখন তোমরা গ্রহণ দ
উত্তর : উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে। কারণ দাতা মসজিদের নিয়তেই জমি দান করেছেন। মসজিদটি অন্যত্র স্থানান্তর করা হলে, ঐ স্থানটি ইবতেদায়ী মাদরাসা হিসাবে ব্যবহার করা যাবে। অথবা যেকোন ভাল কাজে ব্যবহার করা যাবে। কূফার মসজিদ অন্যত্র স্থানান্তর করে
উত্তর : ব্যবসায়ী যদি কাউকে কোন পণ্য ক্রয় করার দায়িত্ব দেন, তাহলে ব্যবসায়ী ইচ্ছা করলে তাকে মজুরী হিসাবে কিছু দিতে পারেন, লাভের অংশ হিসাবে নয়। সে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নির্ধারিত কোন লাভ নিতে পারবে না (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ১৪/২৭৩ পৃঃ)।
উত্তর : মেয়ের সম্মতিক্রমে যদি হয় তাহলে উক্ত পদ্ধতিতে বিবাহ হয়ে যাবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৩১২৬)। মক্কার নেতা আবু সুফিয়ানের মেয়ে উম্মে হাবীবাকে বিবাহ করার জন্য রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মদীনা থেকে বাদশা নাজাশীকে ওকালতির দায়িত্ব প্রদান করেন। আবু
উত্তর : ইমাম আবু হানীফা (৮০-১৫০ হিঃ), জন্মস্থান- কূফা, মৃত্যু- বাগদাদ। ইমাম মালেক (৯৩-১৭৯ হিঃ), জন্মস্থান- মদীনার উত্তরে ‘যুলমারওয়া’ নামক স্থানে, মৃত্যু- মদীনা। ইমাম শাফেঈ (১৫০-২০৪ হিঃ), জন্মস্থান- সিরিয়ার গাযা এলাকায়, মৃত্যু- মিসর। ইমাম আহমা
উত্তর : আল্লাহ জিন জাতির মধ্যে কোন নবী-রাসূল প্রেরণ করেননি। জিনেরা যখন অন্যায় কাজে লিপ্ত হত, তখন আল্লাহ ফেরেশতাদের মধ্য থেকে একদল সৈন্য বাহিনী প্রেরণ করতেন। তারা তাদেরকে শায়েস্তা করতেন। প্রয়োজনে দ্বীপে নির্বাসন দিতেন (তাফসীর ইবনে কাছীর; সূরা বা
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। কারণ এখানে প্রশ্ন গোবর দিয়ে রান্না নয়। বরং গোবর পোড়ানো আগুন দিয়ে রান্না। এতে কোন দোষ নেই। চাই সে আগুন গোবরের হৌক, কেরোসিনের হৌক বা অন্যকিছুর হৌক। তাছাড়া যে সকল প্রাণীর গোশত হালাল, তাদের মল-মূত্র অপবিত্র নয় &
উত্তর : আক্বীক্বা করা সুন্নাত। সামর্থ্য থাকলে অবশ্যই করতে হবে (বুখারী, মিশকাত হা/৪১৪৯)। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, তোমাদের ছেলের পক্ষ থেকে দুইটি পশু এবং মেয়ের পক্ষ থেকে একটি পশু সপ্তম দিনে যবেহ কর (আবুদাঊদ হা/২৮৩৬; মিশকাত হা/৪১৫২)। উল্লেখ্য যে, ৭, ১৪, ২১, ত
উত্তর : রাসূল (ছাঃ)-এর ছালাতের নিয়ম এক রকমই ছিল। তিনি বলেন, ‘তোমরা সেভাবেই ছালাত আদায় কর যেভাবে আমাকে ছালাত আদায় করতে দেখছ’ (বুখারী হা/৬৩১; মিশকাত হা/৬৮৩)। চার ইমামও চার রকম ছালাত তৈরী করেননি। তাদের নামে যা কিছু বলা হচ্ছে সবই ভক্তদের বাড়াবা
উত্তর : উক্ত কথা সঠিক নয় । বরং রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি এশার ছালাত জামা‘আতের সাথে আদায় করল, সে যেন অর্ধরাত ক্বিয়াম করল। আর যে ব্যক্তি ফজরের ছালাত জামা‘আতের সাথে আদায় করল সে যেন পুরো রাত ক্বিয়াম করল (মুসলিম হা/১৫২৩)।দিনে রাতে সর্বমোট সুন
উত্তর : উক্ত কথা ভিত্তিহীন। তবে কোন কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে এমনটি ঘটতেও পারে। যেমন রাসূল (ছাঃ)-এর জন্ম এবং মৃত্যু একই দিন সোমবারে হয়েছে (মুসলিম হা/২৮০৪; বুখারী হা/৪১৮৪)।
উত্তর : পিতা-মাতার অবাধ্যতা করা তিনটি বড় গুনাহের অন্যতম (বুখারী, মিশকাত হা/৫০)। পিতা-মাতা সন্তানদের জন্য দো‘আ অথবা বদ দো‘আ করলে তা আল্লাহর দরবারে কবুল হয় (আবুদাউদ হা/১৫৩৬; সিলসিলা ছহীহাহ হা/৫৯৬)। কিন্তু তাদের কাঁদালে পূর্বের আমল বিনষ্ট হবে মর্মে কো
উত্তর : উক্ত আয়াতে আল্লাহ বলেন, আহলে কিতাবগণের মধ্যে একদল রয়েছে, যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং যা তোমাদের প্রতি ও তাদের প্রতি নাযিল হয়েছে, তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছে আল্লাহর প্রতি অনুগত হয়ে এবং যারা আল্লাহর আয়াত সমূহ স্বল্প
উত্তর : ক্বিয়ামতের পূর্বে প্রকাশিত নিদর্শন সমূহের মধ্যে কিছু ছোট আছে কিছু বড় আছে। ছোট নিদর্শনের সংখ্যা অনেক। কিছু ঘটে গেছে এবং ঘটছে। যেমন- শেষ নবী (ছাঃ)-এর আগমন, বায়তুল মুক্বাদ্দাস বিজয়, ভন্ড নবীদের আবির্ভাব, আমানতের খেয়ানত, ধর্মীয় জ্ঞানের অভ
উত্তর : যেনা অতীব জঘন্য কর্ম। তওবা ছাড়া আল্লাহ তাকে মাফ করবেন না। আল্লাহ বলেন, ক্বিয়ামতের দিন তার শাস্তি দ্বিগুণ হবে এবং সেখানে সে স্থায়ী হবে হীন অবস্থায় (ফুরক্বান ৬৯)। হাদীছে এসেছে, তাদেরকে উলঙ্গ অবস্থায় একটি পেটমোটা সরু মুখ সম্পন্ন চুলায় জ্বল
উত্তর : যদি শেষ রাক‘আতে রুকূ পায় তাহ’লে জুম‘আর জামা‘আত পেল। ইমাম সালাম ফিরানোর পর দাঁড়িয়ে বাকি ছালাত পড়ে নিবে। রাসূল (ছাঃ) এরশাদ করেছেন, কেউ যদি জুম‘আর ছালাত এক রাক‘আত পায় তাহলে সে যেন ছালাত পেল (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৪১২)। আর যদি রুকূ
উত্তর : উক্ত কথার কোন ভিত্তি নেই।
উত্তর : যেখানে ঈমান ও আমল হারানোর ঝুঁকি থাকবে সেখান থেকে অনুকূল পরিবেশে চলে যেতে হবে। আল্লাহ তা‘আলা এরশাদ করেন, আল্লাহর পৃথিবী কি প্রশস্ত ছিল না? তোমরা হিজরত করতে পারতে (নিসা ৯৭)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, অদূর ভবিষ্যতে মুসলমানের উৎকৃষ্ট মালরূপ
উত্তর : সূর্য ঢলার পর হতে যোহরের ছালাতের সময় শুরু হয়। কাঠির গোড়া থেকে মেপে মূল ছায়ার একগুণ হওয়া পর্যন্ত যোহরের সময় থাকবে। এরপর থেকেই আছরের ছালাতের সময় শুরু হবে (মুসলিম হা/১৪১৯)। এটা শীতকালে হোক বা গরম কাল হোক। তবে গরমের সময় একটু দেরী করে যোহরের
উত্তর : বাজারের প্রচলিত নীতির উপর ভিত্তি করে লেনদেন করা দরকার। আলাদা নিয়ম চালু করলে সেটা উভয়ের সম্মতিক্রমে হ’তে হবে। আল্লাহ তা‘আলা এরশাদ করেন, তোমরা ওযন করবে সঠিক মাপে। লোকদেরকে তাদের প্রাপ্য বস্ত্ত কম দিবে না এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় ঘটাবে না (শ
উত্তর : মানুষের শরীরে পা লাগলে সালাম করা ও চুম্বন করার কোন বিধান নেই। তবে এটি একটি অপসন্দনীয় কাজ। তাই সৌজন্য দেখানো উচিত। পশ্চিম দিকে পা রেখে ঘুমানো যাবে। শরী‘আতে এ ব্যাপারে কোন নির্দেশনা নেই। তবে খোলা স্থানে পশ্চিম ও পূর্ব দিকে ফিরে পেশাব-পা
উত্তর : শুধু কুরবানীর পশু নয়, ইচ্ছাকৃতভাবে যে কোন পশু দ্বারা কারো ফসলের ক্ষতি করা অন্যায় (বুখারী, মিশকাত হা/৫১২৬)। কিন্ত কুরবানীর ছওয়াব তার নিয়ত অনুযায়ী আল্লাহ তাকে দিবেন (হজ্জ ৩৭)।
উত্তর : মৃত ব্যক্তিকে স্বপ্নে দেখলে কোন করণীয় নেই। তবে সর্বাবস্থায় তাদের জন্য দো‘আ ও ছাদাক্বা করা উচিত। মানুষের স্বপ্ন তিন ধরনের হয়ে থাকে (ক) ভাল স্বপ্ন- যা আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদ বহন করে (খ) শয়তানের পক্ষ থেকে- যা মানুষকে দুশ্চিন্তায় ফেলে
উত্তর : ওযূ করার পর স্ত্রীকে স্পর্শ করলে ‘মযী’ নির্গত হলে ওযূ ভঙ্গ হবে। তবে ছিয়াম ভঙ্গ হয় না। আর ‘মযী’ নির্গত না হলে ওযূ ভঙ্গ হবে না। আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) কখনো কোন স্ত্রীকে চুম্বন করতেন এবং ওযূ না করেই ছালাতে বের হতেন (আবুদাঊদ হা/১৭৯
উত্তর : বিবাহ পড়ানোর সুন্নাতী পদ্ধতি হল, প্রথমে বিবাহের খুৎবা হবে। অতঃপর মেয়ের সম্মতিক্রমে দুই জন সাক্ষীর সামনে মেয়ের পিতা বা অভিভাবক বলবে, আমি আমার মেয়েকে তোমার সাথে বিবাহ দিলাম। আর ছেলে বলবে, আমি কবুল করলাম। এভাবে বিবাহ সম্পন্ন হয়ে যাবে। এর
উত্তর : ওযূ অবস্থায় শরীরে কোন নাপাকী লাগলে ওযূ ভঙ্গ হয় না। যে অংশে নাপাকী লাগবে ঐ অংশটুকু ধুয়ে নিলেই চলবে (আবুদাঊদ হা/৩৭৬; মিশকাত হা/৫০২)।
উত্তর : ১৩ বিঘা সম্পদকে ২৪ ভাগ করে স্ত্রী ৩ ভাগ, ৩ কন্যা ১৬ ভাগ, মা ৪ ভাগ ও ভাই-বোনরা ১ ভাগ দুই জন মেয়ে সমান একজন ছেলে অনুপাতে ভাগ করে নিবে। উল্লেখ্য যে, ভাই-বোন আসাবা সূত্রে ওয়ারিছ, বাকী অন্যরা সকলে যাবিল ফুরূয হিসাবে ওয়ারিছ বিধায় পৃথকভাবে ম
উত্তর : কাফেররা পার্থিব জীবনে চতুষ্পদ জন্তুর মত। তারা শুধু পেট ও যৌন চাহিদা পূরণে ব্যস্ত থাকে। তারা পরজীবনের কোন চিন্তা করে না বলে পশুর মত আচরণ করে এবং নেক আমল করে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, মুমিন এক পেটে ও কাফির সাত পেটে খায়’ (তাফসীরে ইবনে কা
উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা অনেক বান্দাকে ক্বিয়ামতের দিন সুফারিশের মাধ্যমে জান্নাতে যাওয়ার অনুমতি দিবেন (বুখারী হা/৬৫৬৫)। কিন্তু সে সুফারিশ তাদের জন্য হবে, যারা শিরক থেকে মুক্ত। সুতরাং মুশরিক, বিদ‘আতী, ছালাত আদায় করে না এমন পিতা-মাতার জন্য শিশু সন্তানে
উত্তর : বর্ণনাটি বিশুদ্ধ (সিলসিলা যঈফাহ হা/৫৪৪৮ -এর আলোচনা দ্রঃ)। উক্ত দো‘আ সিজদা ও তাশাহহুদে পড়া যাবে। দো‘আটি নিম্নরূপ:اَللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ كَتَبْتَ عَلَىَّ شَقْوَةً أَوْ ذَنْباً فَامْحُهُ فَإِنَّكَ تَمْحُو مَا تَشَاءُ وَتُثْبِتُ وَعِنْدَكَ أ
উত্তর : ছালাতের সময় আযান দিলে শয়তান বায়ু ছাড়তে ছাড়তে পালিয়ে যায় (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৬৫৫)। কিন্তু শয়তান কর্তৃক আক্রান্ত হলে আযান শুনলে সে পালিয়ে যায় এমনটি প্রমাণিত নয়। তবে সূরা ফালাক্ব ও নাস পড়লে শয়তান দূরে সরে যায় (আবুদাঊদ হা/১৪৭৩; মি
উত্তর : ওশর ৮ শ্রেণীর মানুষের হক। জালসা তার অন্তর্ভুক্ত নয় (তওবা ৬০)। জালসা বা অনুরূপ নেকীর কাজ সমূহ নিজেদের টাকা দিয়ে করা উত্তম।
উত্তর : যেহেতু খুৎবা চলাকালীন সময়ে মুছল্লীদের কাজ খুৎবা শ্রবণ করা, সেহেতু সালাম দেওয়া যাবে না। তবে দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করে বসতে হবে (বুখারী হা/৯৩১; মুসলিম হা/২০৫৭)।
উত্তর : এক বৈঠকে একই সাথে তিন বা ততোধিক তালাক দিলে এক তালাক বায়েনাহ গণ্য হবে (মুসলিম হা/৩৬৫৭)। ইদ্দতের মধ্যে হ’লে স্বামী সরাসরি স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেবে। আর ইদ্দত পার হয়ে গেলে নতুন বিয়ের মাধ্যমে আবার তাকে স্ত্রী হিসাবে গ্রহণ করা যাবে (ফিক্বহুস
উত্তর : মসজিদ দেখার কোন দো‘আ পাওয়া যায় না। তবে উক্ত দো‘আটি ছহীহ (ত্বাবারাণী, আল-মু‘জামুল আওসাত্ব হা/৬৬২; আহমাদ হা/১৬৩১৩)।
উত্তর : সময় মত ছালাত আদায় করতে হবে এটাই আল্লাহর নির্দেশ (নিসা ১০৩)। তাই ছালাত আদায়ের জন্য প্রধান বা শ্রেণী শিক্ষকের নিকট থেকে ছুটি নিতে হবে। ছুটি না পেলে উক্ত প্রতিষ্ঠান বর্জন করতে হবে এবং যেখানে ক্লাস রুটিনের মাঝে সঠিক সময়ে ছালাত আদায় করার সুয
উত্তর : মহান বিশেষণটি সর্বাপেক্ষা বড় বুঝায়। তাই মহান সত্তা হিসাবে আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা ঠিক হবে না। তবে বাংলায় এটি উদার ও বড় অর্থেও ব্যবহৃত হয়। যেমন মহান হৃদয়। সে হিসাবে মহান নেতা বলায় শিরক হবে না। মে দিবস বা স্বাধীনতা
উত্তর : সাপে দংশন করলে সূরা ফাতেহা পড়ে ঝাড়ফুঁক করা যায় (বুখারী হা/৫০০৭)। কিন্তু কুরআন-সুন্নাহর দো‘আ ছাড়া মন্ত্র পড়ে ঝাড়ফুঁক করলে শিরক হবে (আবুদাঊদ হা/৩৮৮৩; মিশকাত হা/৪৫৫২)। এইরূপ ঝাড়-ফুঁক করা যাবে না।
উত্তর : মানুষ নিহত হওয়ার কারণ ৩টি- ভুলক্রমে, ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করা ও ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করার ন্যায় হত্যা করা। গাড়ী দুর্ঘটনায় মানুষ মারা গেলে উক্ত ৩টি কারণের যেকোন একটির মধ্যে পড়ে যায়। প্রথম ও তৃতীয় কারণে হত্যাকান্ড সংঘটিত হলে ১০০টি উট বা তার
উত্তর : হজ্জের নিয়তের সাথে সেখানে মৃত্যুবরণ করারও নিয়ত করা যায়। এতে কল্যাণ আছে। নবী করীম (ছাঃ) বলেন, যারা মদীনায় মৃত্যুবরণ করবে তাদের জন্য আমি সুফারিশ করব (আহমাদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/২৭৫০)। ওমর (রাঃ) নিম্নরূপ দো‘আ করতেন, اللَّهُمَّ ارْزُقْنِىْ ش
উত্তর : দাড়ি রাখা অবশ্য পালনীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত। উক্ত মর্মে বিভিন্ন আদেশ সূচক হাদীছ বর্ণিত হয়েছে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৪৪২১)।
উত্তর : ভাড়া দেয়া যাবে। তবে কোন হারাম বস্ত্তর ব্যবসা করার জন্য দেয়া যাবে না (মায়েদাহ ২)।
উত্তর : উক্ত কথা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
উত্তর : সর্বপ্রথম তিন ব্যক্তির ব্যাপারে ফায়ছালা করা হবে। তারা হচ্ছে- শহীদ, আলেম ও ধনী। তাদের সৎকর্ম সমূহ আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে না হওয়ার কারণে তাদের দ্বারাই সর্বপ্রথম জাহান্নামকে প্রজ্জ্বলিত করা হবে (তিরমিযী হা/২৩৮২)। তারা সর্বপ্রথ
উত্তর : বৈধ হবে না। এটা সূদের অন্তর্ভুক্ত (বুখারী হা/৩৮১৪)।
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) শিংওয়ালা পশু কুরবানী দিয়েছেন (বুখারী হা/১৭১২; মিশকাত হা/১৪৫৩। সুতরাং শিংওয়ালা পশু কুরবানী করাই উত্তম। একান্তই যদি না পাওয়া যায় তাহলে শিং বিহীন ছাগল কুরবানী করা যায়।
উত্তর : মিষ্টি অথবা নিজ গাছের ফলমূল হাদিয়া হিসাবে ছওয়াব লাভের আশায় খাওয়ালে খাওয়া যাবে। এর ফযীলত বর্ণিত হয়েছে (ইবনু মাজাহ হা/৩২৫১)। তবে খাওয়ার বিনিময়ে দো‘আ করতে হবে এই নিয়তে খাওয়া বৈধ হবে না। দু’হাত তুলে সম্মিলিতভাবে দো‘আ করাও যাবে না। কেউ দ
উত্তর : পশুর গোশত খাওয়া হালাল হওয়ার শর্ত হচ্ছে ‘বিসমিল্লাহ’ বলে এমন বস্ত্ত দ্বারা যবহ করা যেন রক্ত প্রবাহিত হয়। রক্ত যদি প্রবাহিত না হয়, তাহলে তা খাওয়া যাবে না (তিরমিযী হা/১৪৯১; নাসাঈ হা/৪৪০৪)। রক্ত প্রবাহিত হওয়ার পর নাড়ীভুঁড়িসহ গরম পানিতে ছেড়ে দ
উত্তর : উক্ত বিষয়ে কুরআন এবং হাদীছে কোন তথ্য পাওয়া যায় না। ইতিহাসের গ্রন্থগুলোতেও কোন তথ্য মিলে না। তবে তিনি একজন মিসরীয় নারী ছিলেন।
উত্তর : বিবাহের আক্বদের বিষয়টি সুন্নাত। তবে তা লিখা আর না লিখার বিষয়টি বর-কনের ইচ্ছার উপর নির্ভর করে। বর্তমানে বহুমুখী প্রয়োজনের তাকীদেই বিবাহ রেজিষ্ট্রী করা হয়। অফিস, আদালত, হজ্জ, চাকুরী ইত্যাদিতে কেউ যেন প্রতারিত না হয় সে ক্ষেত্রে এটি
উত্তর : এসব অর্থহীন নাম রাখা উচিত নয়। রাসূল (ছাঃ) মন্দ নামকে পরিবর্তন করে অর্থপূর্ণ ভাল নাম রাখতেন (তিরমিযী হা/২৮৩৮, ২৮৩৯)। অতএব এমন কোন নাম রাখা উচিত নয় যার কোন অর্থ নেই। যেমন হামীম ও ইয়াসীন শব্দগুলোর অর্থ আল্লাহ্ ছাড়া কেউ জানে না। এমন গুণ সম্বল
উত্তর : উক্ত পদ্ধতি শরী‘আত সম্মত নয়। অন্যের সম্পদ বাতিল পন্থায় গ্রহণ করা হারাম (নিসা ২৯)। এধরনের বন্ধকী প্রথা যুলুম এবং সূদের অন্তর্ভুক্ত। এভাবে হারাম পন্থায় অর্থ উপার্জন করলে এবং তা থেকে পানাহার এবং পরিধান করলে তার ইবাদত কবুল হবে না (মুসলিম, ম
উত্তর : সালাম ফিরানোর পূর্বে তাশাহহুদে বসে কুরআন ও ছহীহ হাদীছে বর্ণিত যেকোন দো‘আ ইচ্ছামত পড়তে পারবে (বুখারী হা/৯২৪; মিশকাত হা/৯০৯)। এছাড়া সিজদাতেও হাদীছে বর্ণিত দো‘আগুলো বেশী বেশী পড়া যাবে (মুসলিম হা/১১০২)। কারো দো‘আ মুখস্থ না থাকলে ছালাতের বাইরে য
উত্তর : হাঁ উক্ত পাপের ভাগ মরণের পরেও তার আমলনামায় জারি থাকবে। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি ইসলামে কোন মন্দ কাজ চালু করল, তার পাপ এবং যারা ঐ মন্দ কাজ করল, তাদের সমপরিমাণ পাপ ঐ ব্যক্তির আমলনামায় লেখা হবে (মুসলিম, মিশকাত হা/২১০; তিরম
উত্তর : ছালাত অবস্থায় টাখনুর নীচে কাপড় থাকলে ছালাত ত্রুটিপূর্ণ হবে (আবুদাঊদ হা/৬৩৭)। ছালাত বা যে কোন অবস্থায় টাখনুর নীচে কাপড় গেলে তা জাহান্নামে যাওয়ার কারণ হবে (বুখারী, মিশকাত হা/৪৩১৪)। অতএব সর্বাবস্থায় এ কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
উত্তর : আহলেহাদীছগণ ইমাম আবু হানীফা (রহঃ)-কে সর্বাপেক্ষা বেশী অনুসরণ করে থাকেন। কারণ হাদীছ ছহীহ হলেই সেটি ইমাম আবূ হানীফার মাযহাব (হাশিয়াহ ইবনু আবেদীন ১/৬৩)। আর আহলেহাদীছগণ ছহীহ হাদীছের অনুসরণ করে থাকেন। দলীল ছাড়া কোন কিছুর অনুসরণ করাকে তাকলীদ বল
উত্তর : শারী‘আত অনুমোদিত যে কোন নেকীর কাজ করার মানত করলে তা বৈধ হবে। যেমন প্রশ্নে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ যদি আল্লাহর আনুগত্য করার ক্ষেত্রে কোন মানত হয় এবং তা কোন শরী‘আত বিরোধী কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট না হয় তাহলে তা করা যাবে এবং তা অবশ্যই পূর্ণ
উত্তর : একাধিক মেয়ে থাকলে তারা সবাই মিলে দু’তৃতীয়াংশ পাবে। বাকী এক তৃতীয়াংশ মৃত ব্যক্তির পিতা না থাকলে ভাইয়েরা ‘আছাবা’ হিসাবে পাবে। ভাইয়েরা না থাকলে ভাইয়ের ছেলেরা শরী‘আতের বিধি মোতাবেক ‘আছাবা’ হিসাবে পাবে।
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি বাতিল (সিলসিলা যঈফাহ হা/৬৯০, ১৬৮৫, ১৬৮৬)। তবে ত্রিশ জনের সমান তাঁর শক্তি ছিল মর্মে হাদীছটি ছহীহ (বুখারী হা/২৬৮)।
উত্তর : উক্ত কথাগুলো বানোয়াট। বরং সরকারের নির্দেশে পাথরগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়।
উত্তর : কুরআন-হাদীছে এর কোন কারণ উল্লেখ করা হয়নি। তবে কেউ কেউ এর বিভিন্ন কারণ বের করার চেষ্টা করে থাকেন। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, তোমরা আমাকে যেভাবে ছালাত আদায় করতে দেখছ সেভাবে ছালাত আদায় কর’ (বুখারী হা/৬৩১; মিশকাত হা/৬৮৩)।
উত্তর : রাসূল (ছাঃ)-এর জীবনে অসচ্ছলতা ও সচ্ছলতা দু’টিই ছিল। তবে তিনি দো‘আ করতেন, হে আল্লাহ্! আপনি আমাকে জীবিত রাখুন মিসকীন অবস্থায়, আমাকে মৃত্যু দিন মিসকীন অবস্থায় এবং ক্বিয়ামত দিবসে আমাকে মিসকীনদের দলভুক্ত করুন! এর কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি স্ত
উত্তর : যে যেখানেই অবস্থান করুক খাদ্য বা পানীয় হালাল কি-না তা জেনেই খেতে হবে। এমনকি সন্দেহ হলেও খাওয়া যাবে না। কারণ সন্দেহযুক্ত বস্ত্তর সাথে যে জড়িত হবে সে হারামের সাথে জড়িত হবে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/২৭৬২)। সুতরাং চোরাই পথে আনীত এসব পণ্য জ
উত্তর : একই আলোচনা সূরা আলে ইমরান ১২৯, মায়েদাহ্ ১৮ ও ৪০ এবং ফাত্হ ১৪ আয়াতেও এসেছে। আল্লাহ তা‘আলা শিরক ছাড়া অন্য পাপের সাথে জড়িতদের যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করবেন আর যাকে ইচ্ছা শাস্তি দিবেন (নিসা ৪৮, ১১৬)। বান্দা হয়তো পাপ করার সাথে সাথে এমন কিছু সৎকর্
উত্তর : ক্বাযা ছিয়াম আগে আদায় করবে। কারণ ক্বাযা ছিয়াম আদায় করার অনেক সময় থাকে। কিন্তু নফল ছিয়াম নির্দিষ্ট সময়ে করতে হয়। যেমন শাওয়ালের ৬টি নফল ছিয়াম শাওয়ালের মধ্যেই আদায় করতে হয়। কিন্তু রামাযানের ক্বাযা ছিয়াম আগামী রামাযানের আগ পর্যন্ত আদায় কর
উত্তর : কাফের ব্যক্তি নিজ ইচ্ছায় মুসলিমদেরকে সহযোগিতা করলে অথবা হাদিয়া দিলে গ্রহণ করা যাবে। যদি এর মাধ্যমে তাদের কোন দূরভিসন্ধি না থাকে। কারণ ইমাম বুখারী অধ্যায় রচনা করেছেন, ‘মুশরিকদের থেকে হাদিয়া গ্রহণ করা’ এবং তিনি কয়েকটি হাদীছ উল্লেখ করেছে
উত্তর : জানাযার ছালাতে ছানা পড়ার প্রমাণে কোন ছহীহ হাদীছ পাওয়া যায় না। তালহা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবনু আববাস (রাঃ)-এর পিছনে জানাযার ছালাত আদায় করেছি। তিনি তাতে (তাকবীরের পর) সূরা ফাতিহা পড়েছেন (বুখারী, মিশকাত হা/১৬৫৪)। অন্য হাদীছে এ
উত্তর : পশ্চিম পার্শ্বের দেওয়ালের সাথে বুক ও মুখ লাগাতে হবে এমনটি নয়; বরং মোর্দার শরীরের ডান পার্শ্ব এবং মুখমন্ডল ক্বিবলামুখী করে রাখতে হবে। এভাবেই রাসূল (ছাঃ)-এর যুগ থেকে আমল চলে আসছে (আলবানী, তালখীছু আহকামিল জানায়েয, পৃঃ ৬৩)।
উত্তর : সূদ হচ্ছে প্রদানকৃত বা গ্রহণকৃত বস্ত্ত বা টাকার বিনিময়ে নির্দিষ্ট পরিমাণে বর্ধিত আকারে তা প্রদান বা গ্রহণ করা। আর ঘুষ হচ্ছে কিছু লাভ বা পাওয়ার উদ্দেশ্যে কাউকে হাদিয়া হিসাবে কিছু প্রদান করা। এমনকি কখনও সূদের উপর ঋণ নেয়ার জন্যও ঘুষ দেয়া
উত্তর : পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীকে আল্লাহ তা‘আলা রূযী দান করে থাকেন (হূদ ৬)। তাকে আল্লাহর উপর ভরসা করে ও তাঁর সাহায্য চেয়ে জীবন-জীবিকার জন্য অন্য কোন হালাল পন্থা অবলম্বন করতে হবে। কিন্তু সংসার চালানোর জন্য সূদের ওপর ঋণ নেওয়া যাবে না (মুসলিম হা/২৩৯৩
উত্তর : যোহর পড়বে। কেননা মহিলাদের উপর জুম‘আ ফরয নয়’ (আবুদাঊদ হা/১০৬৭; মিশকাত হা/১৩৭৭)।
উত্তর : ইক্বামত দিতে হবে (বায়হাক্বী হা/১৯৯৯, সনদ হাসান; তামামুল মিন্নাহ, পৃঃ ১৫৩)।
উত্তর : উক্ত ওয়াসওয়াসার জন্য আল্লাহ বান্দাকে পাকড়াও করবেন না। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, আমার উম্মতের অন্তরে যে খটকার উদয় হয় আল্লাহ তা‘আলা তা মাফ করে দিবেন- যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা তা কাজে পরিণত করে অথবা মুখে প্রকাশ করে
উত্তর : ছেলে ব্যতীত উল্লেখিত কোন ব্যক্তিই বউ দেখতে পারবে না। তবে পরিবেশ বা আনুসঙ্গিক বিষয় সমূহ দেখার জন্য অভিভাবকগণ খোঁজ-খবর নিতে পারবেন। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে বলল, আমি আনছারদের এক মেয়েকে বিবাহ করতে ইচ্ছুক।
উত্তর : ঈদুল আযহার ছালাতের পূর্বে কুরবানী করলে তা কবুল হবে না (মুত্তাফাক আলাইহ, মিশকাত হা/১৪৭২)। ছালাত ও খুৎবা দু’টিই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ঈদের খুৎবা শুনার জন্য ঋতুবতী মহিলাদেরকেও ঈদগাহে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে (বুখারী হা/৩২৪)। তবে কোন যরূরী কারণে ছালাত শ
উত্তর : অনুবাদটা ভুল হয়েছে। ওয়াসওয়াসাকে ঈমান বলা হয়নি; বরং ওয়াসওয়াসার ভীতিকে ঈমান বলা হয়েছে। ছাহাবীগণের একটি দল এসে বললেন, আমাদের মনে এমন কিছু উদয় হয় যা আমরা খুব খারাপ মনে করি। কিন্তু তা মুখে প্রকাশ করাকে আমরা গুরুতর অপরাধ মনে করি। তখন রাসূলু
উত্তর : স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে স্বামী যদি তাকে তালাক দেয় এবং স্ত্রীকে জানিয়ে দেয় তাহলে তালাক হয়ে যাবে। আমর ইবনু হাফছ তার স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে ফাতিমা বিনতে ক্বায়েসকে তালাক দেন এবং কিছু যবসহ তার নিকট একজন প্রতিনিধি পাঠান। কিন্তু তার স্ত্রী তা নিত
উত্তর : শূকরের চর্বি মিশানো প্রমাণিত হলে তা অবশ্যই পরিত্যাগ করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) হারাম করে দিয়েছেন, মদ, মৃতজীব, শূকর ও মূর্তি বিক্রি করা। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হল, মৃত জীবের চর্বি নৌকা ও বিভিন্ন বস্ত্তত
উত্তর : পুরুষের সতর নাভী হতে হাটু পর্যন্ত। তবে ছালাত আদায়কালীন সময়ে দুই কাঁধ ও নাভী হতে হাটু পর্যন্ত (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৭৫৫; ছালাতুর রাসূল (ছাঃ), ৪৫ পৃঃ)। অবশ্য গোসলের সময় পুরুষরা উল্লেখিত অঙ্গ খোলা রাখতে পারে (বুখারী হা/২৭৮)। তবে পর্দার
উত্তর : সূরা জিনের ১৪নং আয়াতের মাধ্যমে জানা যায় জিনদের মধ্যে মুমিন জিনও আছে। তাদের মাধ্যমে কবিরাজগণ কুরআন ও ছহীহ হাদীছ সম্মত যেসব কথা বলে থাকেন তা বিশ্বাস করা যায়। কারণ এটা গণকের কাল্পনিক ভাগ্য নির্ণয়ের অন্তর্ভুক্ত নয়। গণক তারাই যারা মানুষের
উত্তর : শরী‘আতে এর কোন অনুমোদন নেই। রাসূল (ছাঃ) বলেন, শেষ যামানায় একশ্রেণীর লোক চুল-দাড়িতে কালো রং দ্বারা খেযাব দিবে। দেখতে কবুতরের বুকের মত সুন্দর লাগবে। তারা জান্নাতের সুগন্ধিও পাবে না (আবুদাউদ হা/৪২১২)। বরং মেহেদী লাগাবে (তিরমিযী, আবুদাঊদ, ম
উত্তর : ইমামের ছালাত সঠিক হয়েছে। আর যারা বিতর্কে লিপ্ত হয়েছে এবং পুনরায় ছালাত আদায় করেছে তারা ভুল করেছে। কারণ শিশু সন্তানকে পার্শ্বে নিয়ে কিংবা কাঁধে ও কোলে নিয়ে ছালাত আদায় করা যায়। স্বয়ং রাসূল (ছাঃ) এমনটি করেছেন। আবু ক্বাতাদা (রাঃ) বলেন, আমি
উত্তর : হাদীছের নির্দেশ অনুযায়ী এটা বলতে হয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, কৃপণ সেই ব্যক্তি যার নিকট আমার নাম উল্লেখ করা হয়, অথচ সে আমার উপর দরূদ পাঠ করে না (তিরমিযী, মিশকাত হা/৯৩৩)। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করে, আল্লাহ তার উপর দ
উত্তর : সরাসরি এ্যালকোহল পান নিষিদ্ধ (মায়েদাহ ৯০)। কিন্তু তা যদি পরিশুদ্ধ করে ঔষধ বানানো হয় ও মাদকতা না আসে এবং ছালাত ও যিকর হতে বিরত না রাখে, তবে তা জায়েয হবে (ফাতাওয়া উছায়মীন ১১তম খন্ড, পৃঃ ২৫৬-২৫৯)। যেমন- সাপ খাওয়া হারাম কিন্তু সেই সাপের বিষ দ্বার
উত্তর : উক্ত আলেমের দাবী সঠিক। এর সনদে আম্মার ইবনু সাইফ ও উবাইদ ইবনু ইসহাক্ব আল-আত্ত্বার নামে দু’জন যঈফ রাবী আছেন। ইমাম দারাকুৎনী, ইমাম যাহাবী প্রমুখ মুহাদ্দিছ তাকে যঈফ বলেছেন (সিলসিলা যঈফাহ হা/১৯০৪; মিশকাত হা/৫১৫২)।
উত্তর : যাবে। মাইয়েত পুরুষ ও নারী মিশ্রিত হ’লে পুরুষের লাশ ইমামের কাছাকাছি সম্মুখে রাখবে। অতঃপর মহিলার লাশ রাখবে। যদি শিশু ও মহিলা হয় তাহ’লে শিশুর লাশ প্রথমে ও পরে মহিলার লাশ রাখবে (বুখারী হা/১৩৪৭, ছালাতুর রাসূল (ছাঃ), পৃঃ ২১৪; ফাতাওয়া উছায়মীন
উত্তর : উক্ত অবস্থায় ইমাম যদি বসে থাকেন, তবে যারা সুন্নাত শুরু করেনি তাদের নিয়ে তাকবীর দিয়ে দু’টি ‘সিজদায়ে সহো’ করে সালাম ফিরাবেন (মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, মিশকাত হা/১০১৬)। যারা সুন্নাত শুরু করেছেন তাদের সহো সিজদা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
উত্তর : উক্ত মর্মে দারাকুৎনীতে দু’টি ‘আছার’ বর্ণিত হয়েছে (দারাকুৎনী হা/১১৯৯ ও ১২০০) যা যঈফ। ইবনু মাঈন, নাসাঈ, আলী ইবনুল মাদীনী প্রমুখ মুহাদ্দিছ যঈফ বলেছেন (নাছবুর রাইয়াহ ১/৩৫৩ পৃঃ)। উল্লেখ্য যে, ‘বিসমিল্লাহ’ সরবে বলার পক্ষে যতগুলো বর্ণনা রয়েছে সবই দু
উত্তর : সূর্য স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে উক্ত ছালাতের সময় শুরু হয়। প্রথম প্রহরের শুরুতে পড়লে তাকে ‘ছালাতুল ইশরাক্ব’ বলে এবং কিছু পরে দ্বিপ্রহরের পূর্বে পড়লে তাকে ছালাতুয যোহা বা চাশতের ছালাত বলা হয় (ছালাতুর রাসূল (ছাঃ), পৃঃ ২৫৪)। এই ছালা
উত্তর : উক্ত ব্যাখ্যা সঠিক নয়। বরং প্রশ্নে বর্ণিত দু’টি সময়ই আনন্দের সময় (ফাৎহুল বারী ৪/১১৮ পৃঃ)।
উত্তর : পারবে না। কারণ হিন্দুরা মুশরিক। তারা অপবিত্র (তওবা ২৮; ওয়াক্বি‘আহ ৭৯)। এটা পবিত্র কুরআনের জন্য অবমাননাকর।
উত্তর : যাবে না। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, মুমিন ও কাফেরের মধ্যে পার্থক্য হল ছালাত (ছহীহ মুসলিম হা/১৩৪, ঈমান অধ্যায়; ফাতাওয়া উছায়মীন, ১২ খন্ড, পৃঃ ১০০)। তবে সে যদি তওবা করে এবং নিয়মিত ছালাত আদায় করে তাহলে তার সাথে বিয়ে দেওয়া যাবে।
উত্তর : সরবে ক্বিরাআত পড়বে। তবে উচ্চৈঃস্বরে নয় (আবুদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/১২০৪, সনদ ছহীহ)।
উত্তর : উক্ত ব্যক্তি স্ত্রীকে তিন তোহরে তিন তালাক দেওয়ার পরও যদি স্ত্রীকে হালাল মনে করে ব্যবহার করে, তবে সে ইসলাম থেকে খারিজ বলে গণ্য হবে (ফাতাওয়া লাজনাহ দায়েমাহ ৭ম খন্ড, পৃঃ ৩৭৮; ফাতাওয়া উছায়মীন, ১৫তম খন্ড, পৃঃ ১৩৪)। উক্ত অন্যায় কর্মকান্ডের জন
উত্তর : স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদের জন্য শরী‘আত কর্তৃক দু’টি পন্থা রয়েছে। একটি হচ্ছে স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে শরী‘আতের পদ্ধতি অনুযায়ী তালাক প্রদান করা। অন্যটি হচ্ছে- স্বামীর দেওয়া মোহরানা সরকারি কর্তৃপক্ষের নিকটে ফেরত দিয়ে স্ত্রীর ‘খোলা’ করে
উত্তর : দোকান বা নব নির্মিত বাড়ীতে ওঠা ও তার জন্য কুরআন পাঠ, মীলাদ পড়ানো, অনুষ্ঠান করা, মুনাজাত করা সবই বিদ‘আতী প্রথা। রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবীদের যুগে এ ধরনের কোন প্রথার অস্তিত্ব ছিল না। এগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে (মুসলিম হা/৪৫৯০)। বাড়ীওয়ালা নিজে ‘
উত্তর : বিদ‘আতীদের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ হবে। যেমন- আল্লাহ বলেন, ‘আপনি বলে দিন, আমি কি তোমাদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত আমলকারীদের সম্পর্কে জানিয়ে দিব? (দুনিয়াবী জীবনে) যাদের সমস্ত আমল বরবাদ হয়ে গেছে। অথচ তারা ভাবে যে, তারা সুন্দর আমলই করে যাচ্ছে’ (কাহফ
উত্তর : উক্ত মর্মে যে সমস্ত বর্ণনা পাওয়া যায় সেগুলো সবই জাল বা বানোয়াট।
উত্তর : চুরি করা কাবীরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। কাজেই কেউ চুরি করার পর তওবা না করে মারা গেলে সে চুরির অপরাধে জাহান্নামে শাস্তি ভোগ করবে। তবে সে যদি আন্তরিক বিশ্বাস নিয়ে কালেমা পড়ে থাকে, তাহ’লে কালেমায়ে শাহাদাতের বরকতে এবং শেষনবী মুহম্মাদ (ছাঃ)-এ
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর জন্মদিনের স্মরণে কোন প্রাণী যবেহ করা জায়েয নয়। আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে কোন কিছু উৎসর্গ করা শিরক। সুতরাং উক্ত প্রাণীর গোশত খাওয়া যাবে না (মায়েদাহ ৩)। উল্লেখ্য যে, রাসূল (ছাঃ)-এর জন্ম দিন উপলক্ষে ঈদে মীলাদুন্নবী কিং
উত্তরঃ পবিত্র কুরআনে উক্ত শব্দদ্বয় বহুবচনেও এসেছে। যেমন ‘রাববুল মাশারিক্ব’ অনেক পূর্বের রব (ছাফফাত ৫; মা‘আরিজ ৪০)। তাতে বুঝানো হয়েছে যে, সূর্য বছরের ৩৬০ দিনে নির্ধারিত একটি মাত্র স্থান হ’তে উদিত হয় না। এর দ্বারা সূর্যের গতিশীলতার প্রতি ইঙ্গিত করা
উত্তর : হিজড়া পুরুষের অন্তর্ভুক্ত (বুখারী হা/৫৮৮৬)। মুসলিম হ’লে পুরুষের নিয়মেই তার জানাযার ছালাত পড়তে হবে। ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, নারী ও পুরুষের কাফন তিন কাপড় দিয়ে করতে হবে। হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে তিনটি সাদা সূতী
উত্তর : উক্ত আমলের প্রমাণে কোন দলীল পাওয়া যায় না। অনেক সূরা ক্বাফ-এর ২২নং আয়াত ‘লাক্বাদ কুনতা... পাঠ করে স্বীয় চোখ মাসাহ করেন। উক্ত মর্মেও কোন হাদীছ পাওয়া যায় না।
উত্তর : বাসের হেলপার হলেও ছালাত ত্যাগ করা যাবে না। ছালাত আদায়ের সময় বের করে নিতে হবে। উক্ত অবস্থায় যোহর ও আছর একত্রে দুই দুই রাক‘আত করে পৃথক এক্বামতে জমা ও ক্বছর করবেন। অনুরূপভাবে মাগরিব তিন রাক‘আত ও এশা দুই রাক‘আত পৃথক এক্বামতে জমা ও ক্বছর ক
উত্তর : বায়হাক্বী (৭/২৩৩ পৃঃ) বর্ণিত উক্ত হাদীছটি মুনক্বাতি‘ অর্থাৎ যঈফ। তবে একই হাদীছ যা আবুদাঊদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনু মাজাহতে বর্ণিত হয়েছে, সেটি ‘হাসান’। তবে সেখানে মহিলার আপত্তির কথা বর্ণিত হয়নি। উল্লেখ্য যে, মোহরানা বেশী করায় কোন নিষেধাজ্
উত্তর : বিভিন্ন কারণে শেয়ার বেচাকেনা জায়েয নয়। যেমন- (১) ক্রেতার অনেক সময় সম্যক জ্ঞান থাকে না কী বস্ত্তর শেয়ার তিনি ক্রয় করেছেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হারাম বস্ত্তর ক্রয়-বিক্রয় হারাম করেছেন (আবুদাঊদ হা/৩৪৮৮)। (২) যে বস্ত্তর শেয়ার কেনা-বেচা হয়, তা দ
উত্তর : উক্ত ব্যক্তির পক্ষ থেকে বদলী হজ্জ করা যাবে এবং মাইয়েত তার নেকীও পাবেন (মুসলিম হা/২৭৫৩; মিশকাত হা/১৯৫৫)। তবে বদলী হজ্জ সম্পাদনকারীকে আগে নিজের হজ্জ করতে হবে (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/২৫২৯)।
উত্তর : ক্বিয়ামতের মাঠে সকল মানুষকে নগ্নাবস্থায় একত্রিত করা হবে (বুখারী হা/৬৫২৭)। তবে পরবর্তীতে অনেককে কাপড় পরানো হবে। আর যাদেরকে কাপড় পরানো হবে ইবরাহীম (আঃ) হবেন তাদের মধ্যে প্রথম ব্যক্তি (বুখারী হা/৪৫৫৪)। এতে প্রমাণিত হয় যে, অন্য কোন ব্যক্তিকেও ক
উত্তর : মোটেই নির্ভরযোগ্য নয়। এ সমস্ত বই ক্রয় করা যাবে না, পড়াও যাবে না। কারণ নিয়ামুল কুরআনে এমন কিছু কল্পিত দরূদ আছে যেগুলো পড়লে শিরক হবে। অনুরূপভাবে মকছুদুল মুমিনীন বইটি জাল, যঈফ, মিথ্যা ও বানোয়াট কাহিনীতে ভরপুর।
উত্তর : বর্ণনাটি জাল বা বানোয়াট (যঈফ তিরমিযী হা/৩৭২৩; মিশকাত হা/৬০৮৭; যঈফুল জামে‘ হা/১৩১৩)।
উত্তর : মানুষকে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করা হয়েছে। সূরা ফুরক্বানে যেখানে মানুষকে পানি দ্বারা সৃষ্টি করার কথা বলা হয়েছে তার অর্থ বীর্য (ইবনু কাছীর)। প্রকৃতপক্ষে তা তৈরী হয়েছে মাটি হ’তে উৎপাদিত খাদ্যদ্রব্যের নির্যাস হ’তে।
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক। হাদীছটি ছহীহ মুসলিমে (হা/১৭২ ‘ঈমান’ অধ্যায় ৭৫ অনুচ্ছেদ) হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত হয়েছে। হাফেয ইবনু কাছীর (রহঃ) বলেন, এটিই সম্ভাবনাযুক্ত যে, এটি ছিল ফজরের ছালাত এবং এটি স্পষ্ট যে, এটি ছিল মি‘রাজ থেকে ফেরার পথ
উত্তর : করা যাবে। উক্ত পদ্ধতিতে পাঁচ ওয়াক্ত ছালাতেই দো‘আ করা যাবে। একে কুনূতে নাযেলাহ বলা হয় (আবূদাঊদ, নাসাঈ, মিশকাত হা/১২৯৮)।
উত্তর : উক্ত অবস্থায় ছালাত ছেড়ে দিবে এবং ওযূ করে জামা‘আতে শরীক হবে (মুস্তাদরাক হাকেম হা/৬৫৫, হাদীছ ছহীহ)। সালামের পর বাকী ছালাত পূর্ণ করবে। পূর্বে আদায়কৃত ছালাত ধরবে না। উল্লেখ্য, পূর্বের ছালাত ঠিক থাকবে মর্মে ইবনু মাজাহতে যে হাদীছ বর্ণিত হয়েছে
উত্তর : উক্ত প্রথা শরী‘আত সম্মত নয়। মৃত ব্যক্তির ঋণ পরিশোধ সম্পর্কে ইমাম কথা বলতে পারেন (বুখারী, মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২৯০৯, ২৯১৩)। জানাযার আগে-পরে ‘সকলে ব্যক্তিগতভাবে মাইয়েতের গুণাবলী বর্ণনা করবে। এতে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে। কেননা মু
উত্তর : ইমাম তিরমিযী, আবুদাঊদ প্রমুখ মুহাদ্দিছগণ স্ব স্ব গ্রন্থে যে সমস্ত যঈফ হাদীছ উল্লেখ করেছেন এবং যঈফ বলে অভিহিত করেছেন সেগুলো মূলতঃ জনসাধারণকে যঈফ হাদীছ হতে সতর্ক করার জন্য। এরপরও যারা সেগুলোর প্রতি আমল করবে তারাই দায়ী হবে। তবে কিছু হাদীছ
উত্তর : যতটুকু গভীর করা প্রয়োজন ততটুকু গভীর করতে হবে। কারণ হাদীছে কবর গভীর করার কথা বলা হয়েছে (বুখারী, মিশকাত হা/১৬৯৫)। কিন্তু কতটুকু করতে হবে তা বলা হয়নি। এতে নারী-পুরুষের কোন পার্থক্য নেই (মুগনী ২য় খন্ড, পৃঃ ৪৯৭; মির‘আত হা/১৭১৭)।
উত্তর : জানাযা হ’ল মুসলিম মাইয়েতের জন্য একমাত্র দো‘আর অনুষ্ঠান। এর বাইরে সবকিছু বিদ‘আত। প্রশ্নে বর্ণিত উভয়টিই বিদ‘আতী প্রথা। বিশেষ করে জানাযার ছালাত আদায়ের পর হাত তুলে দো‘আ করার নিয়মটি সম্প্রতি চালু হয়েছে। উক্ত প্রথার প্রমাণে কোন দলীল নেই। তব
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা মাগরিবের ছালাতের ন্যায় (মাঝখানে বৈঠক করে) বিতর আদায় করো না’ (দারাকুৎনী হা/১৬৩৪-৩৫; ছহীহ ইবনে হিববান হা/২৪২০; তুহফাতুল আহওয়াযী ২য় খন্ড, পৃঃ ৪৫৩)। পক্ষান্তরে মাগরিবের ছালাতের ন্যায় বিত
উত্তরঃ মৌলিকভাবে দু’টি পদ্ধতিতে যৌথ ব্যবসা করা শরী‘আত সম্মত। একটির নাম ‘মুশারাকাহ’ (مشاركة) অর্থাৎ শরীকানা ব্যবসা। এতে যার যেমন অর্থ থাকবে, সে তেমন লভ্যাংশ পাবে (আবুদাঊদ হা/৪৮৩৬; সনদ ছহীহ, বুলূগুল মারাম হা/৮৭০; নায়ল হা/২৩৩৪-৩৫)। অপরটির নাম ‘ম
উত্তরঃ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর জন্ম তারিখ ৯ রবীউল আউয়াল সোমবার এটাই সঠিক। কেননা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর জন্ম ও মৃত্যু যে সোমবারে হয়েছে তা ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত। কিন্তু তাঁর জন্মের নির্ধারিত তারিখ হাদীছে উল্লেখ নেই। আধুনিক জ্যোর্তিবিজ্ঞানের হিস
উত্তরঃ মুমিন ব্যক্তি স্বপ্নে নবী-রাসূলগণকে দেখতে পারে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখল, সে সত্যি আমাকেই দেখল। কারণ শয়তান আমার রূপ ধারণ করতে পারে না’ (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত ‘স্বপ্ন’ অধ্যায়, হা/৪৬০৯-১০)। তবে যে ব্যক্ত
উত্তর : অনলাইনে অনেক ফ্রিল্যান্সিং কোম্পানী রয়েছে যেমন ওডেক্স, এলান্স, ল্যান্সটেক, ফ্রিল্যান্সার ইত্যাদি। এ কোম্পানীগুলিতে কোনরূপ ফি ছাড়াই রেজিস্ট্রেশন করে স্বীয় যোগ্যতা অনুযায়ী ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স, ডাটাএন্ট্রি ইত্যাদি কাজ পাওয়ার জন্য আবেদ
উত্তর : দাস প্রথা শরী‘আতের পরিপন্থী নয় এবং এর হুকুমও রহিত হয়নি। তবে দাস মুক্ত করণের অত্যধিক ফযীলতের কারণে ছাহাবা, তাবেঈন ও পরবর্তী যুগের মুসলমানগণ ছওয়াবের উদ্দেশ্যে দাস মুক্ত করতে থাকলে সমাজ থেকে এ প্রথা বিলুপ্ত হয়ে যায়। কেননা রাসূলুলাহ (ছাঃ
উত্তর : দুনিয়ার কথা তাদের মনে থাকবে (আ‘রাফ ৩৮; আহযাব ৬৬-৬৮)। জান্নাত ও জাহান্নাম সৃষ্টাবস্থায় রয়েছে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/১৩২২)। ক্বিয়ামতের দিন সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেলেও আল্লাহর চেহারা, জান্নাত ও জাহান্নাম ধ্বংস হবে না (রহমান ২৬-২৭; ফাতাওয়া ইবনে তা
উত্তর : আল্লাহ বান্দার কর্ম দেখে হাসেন (বায়হাক্বী, আসমা ওয়া ছিফাত, ‘আল্লাহর হাসি’ অনুচ্ছেদ ২/২১৬-২৪)। যেমন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, আল্লাহ ঐ দুই ব্যক্তিকে দেখে হাসবেন যারা একে অপরকে হত্যা করেছে, অতঃপর দু’জনেই জান্নাতে প্রবেশ করেছে। একজন আল্লাহর
উত্তর : পিতা মুসলিম হলে তার গোনাহ মাফের জন্য সন্তান কবরের পাশে বা যেকোন স্থানে থেকে দো‘আ করতে পারবে (মুসলিম, মিশকাত হা/২০৩)। আল্লাহ চাইলে তার দো‘আর ফলে কবরের আযাব মাফ হতে পারে।
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। কারণ ছাহাবীদের অনেকের বাবরি চুল ছিল না। তাই মাথার চুলকে সমানভাবে কেটে ছোট করেও রাখা যায়। প্রয়োজনে পুরা মাথা মুন্ডানো যায় (মুগনী ১/৭৩-৭৪)।
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। হাদীছে এসেছে, রাসূল (ছাঃ) বলেন যে, আমি আমার মহান প্রভুকে সর্বোত্তম আকৃতিতে স্বপ্নে দেখি।... এমতাবস্থায় তিনি তাঁর হস্ততালু আমার দুই কাঁধের মাঝে রাখেন, যার শীতলতা আমি আমার বুকের মাঝে অনুভব করি’ (তিরমিযী হা/৩২৩৩; মিশক
উত্তর : পান, সুপারী, চুন এগুলো হারামের অন্তর্ভুক্ত নয়। টেলিভিশন, কম্পিউটার, সিডি-ভিসিডি ইত্যাদি পণ্যের ব্যবসা করা যাবে। এগুলোর দ্বারা মানুষের দৈনন্দিন অনেক উপকার ও প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ হয়। তবে ব্যবহারকারী যদি তা হারাম কাজে ব্যবহার করে তবে সে
উত্তর : আরাফার মাঠে হোক বা তাঁবুতে হোক বা অন্য কোথাও হোক হাজীদের যোহর ও আছর এক আযান ও দুই ইক্বামতে জমা এবং ক্বছর করতে হবে। অনুরূপ মাগরিব ও এশা এক আযানে ও দুই ইক্বামতে জমা করবেন। এ সময় কেবল এশার ছালাত কছর করবেন। একাকী হোক বা জামা‘আতে হোক, এটাই
উত্তর : উক্ত বর্ণনাটি মিথ্যা বা জাল (সিলসিলা যঈফাহ হা/৬১৪৬)। বর্ণনাটি ‘তাবলীগী নিছাবে’র ‘ফাযায়েলে যিকর’ অংশে উল্লেখ করা হয়েছে। অবশ্য সেখানেও এটিকে মিথ্যা বলা হয়েছে। কিন্তু মূল উর্দূতে থাকলেও বাংলায় উক্ত অংশের অনুবাদ করা হয়নি (বঙ্গানুবাদ ফাযায়েল
উত্তর : উক্ত আলেমের বক্তব্য সঠিক (আহমাদ হা/২১২৬৯, সনদ হাসান; সূরা নিসা ১১৭; ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) পৃঃ ২৩৭)।
উত্তর : মৃত ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে এ দেশে যত বিদ‘আত চালু আছে, উক্ত প্রথা তার অন্যতম। এর পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ (নাসাঈ হা/১৫৭৮)। রাসূল (ছাঃ), ছাহাবায়ে কেরাম ও তাবেঈদের স্বর্ণযুগে এসব প্রথার অস্তিত্ব ছিল না (এ বিষয়ে ৯০টি বিদ‘আতের তালিকা দেখুন: ছালাতুর রাস
উত্তর : চিল্লায় যাওয়া ও স্ত্রীকে সঙ্গে নেওয়া দু’টিই নাজায়েয। কারণ প্রচলিত তাবলীগ জামা‘আত স্বপ্নে পাওয়া ইলিয়াসী তরীকা মাত্র। রাসূল (ছাঃ)-এর তরীকার সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। উক্ত নবোদ্ভূত তরীকা থেকে বিরত থাকতে হবে। তাবলীগের নামে দলবদ্ধভাবে ৪০ দি
উত্তর : মসজিদের কাজ আগে সমাপ্ত করা আবশ্যক। আর মসজিদের টাকা ব্যাংকে জমা রেখে মুনাফা নেয়া সূদের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহর ঘর নির্মাণের ক্ষেত্রে পবিত্র মাল খরচ করতে হবে (বাক্বারাহ ২৬৭)। মসজিদের উনণতি কল্পে আদায় করা টাকা জনসাধারণের আমানত। সেটা মসজ
উত্তর : গৃহ পালিত গাধার গোশত খাওয়া হারাম। তবে বন্য গাধার গোশত খাওয়া হালাল। ঘোড়ার গোশত খাওয়া হালাল। জাবের (রাঃ) বলেন, খায়বারের যুদ্ধে রাসূল (ছাঃ) গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন এবং ঘোড়ার গোশত খাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন (বুখারী হা/৫৫২০; মিশকাত হা/৪১০৭)।
উত্তর : উক্ত খাতে ফিৎরা অথবা কুরবানীর চামড়ার টাকা ব্যয় করা যাবে না। এগুলো মূলত: ফকীর-মিসকীনের হক (আবুদাঊদ হা/১৬০৯; মিশকাত হা/১৮১৮)। প্রয়োজনে যাকাতের যেকোন খাতে ব্যবহার করা যেতে পারে। কিমুত খাত ব্যতীত অন্যত্র ব্যয় করা বৈধ নয় (তওবা ৬০)।
উত্তর : ঈদগাহ হ’ল ছালাতের স্থান। যাতে তা উক্ত কাজেই ব্যবহৃত হয়, তার নিশ্চয়তার জন্য ওয়াফক করা আবশ্যক। মসজিদে নববীর জন্য মাটি ক্রয় করতে চাইলে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর মাতুল গোষ্ঠী বনু নাজ্জার সেটা বিনা পয়সায় আল্লাহর ওয়াস্তে দিয়ে দেন। ওমর (রাঃ) যখন
উত্তর : মসজিদে ডান পা দিয়ে উঠা ও বাম দিয়ে নামার দলীল রয়েছে (মুস্তাদরাক হাকেম হা/৭৯১; সনদ হাসান, সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৪৭৮)। কিন্তু পায়খানায় প্রবেশের সময় কোন্ পা আগে দিতে হবে সে সম্পর্কে কোন দলীল পাওয়া যায় না।
উত্তর : তাদের মধ্যে পরস্পরে সাক্ষাৎ হবে (হাফেয ইবনুল ক্বাইয়িম, আর-রূহ, পৃঃ ১৭)। সৎ বান্দাদের রূহ ইল্লিয়ীনে এবং পাপীদের রূহ সিজ্জীনে অবস্থান করে। তাদের আমল অনুযায়ী আরাম ও শাস্তি ভোগ করে (ফাত্বির ৭-৯, ১৮-২১; আবুদাঊদ হা/৪৭৫৫; মিশকাত হা/১৩১)। শহীদদের রূহ
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। কারণ কুরবানী দেওয়া সুন্নাত, ওয়াজিব নয় (ফাৎহুল বারী ১৬/৩; তুহফাতুল আহওয়াযী ৫/৭৯)। সামর্থ্য থাকলে অবশ্যই কুরবানী দিবে। নিছাবের মালিক হওয়া শর্ত নয়। রাসূল (ছাঃ) নিজেও নিছাবের মালিক ছিলেন না। অথচ তিনি একাধিক কুরবানী করতেন
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (তিরমিযী হা/৭৫৮; ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/১৪৭১)। উল্লেখ্য যে, যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশকে নয় দিন ছিয়াম পালন করা বা অন্যান্য নেক আমল করার অশেষ নেকীর পক্ষে ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে (বুখারী, মিশকাত হা/১৪৬০; নাসাঈ হা/২৪১৭)।
উত্তর : কথাটি সত্য (আবুদাঊদ হা/৩৭৩; মিশকাত হা/১৩৮৮)।
উত্তর : উক্ত হাদীছ দ্বারা বিশেষ কোন বাড়ি বা গাড়ী বুঝানো হয়নি; বরং মানুষের স্বাভাবিক প্রকৃতি অনুযায়ী যে গাড়ি বা বাড়িতে থাকা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে তাকে বুঝানো হয়েছে। আর সংকীর্ণ বাড়ি ও বিপদজনক যানবাহন বলতে যাকে মানুষ কষ্ট ও সংকীর্ণ মনে করে তাকে বু
উত্তর : উক্ত অর্থ সঠিক নয়। বরং সঠিক অর্থ হল- দাড়ি লম্বা করার জন্য ছেড়ে দাও (ফাৎহুল বারী ১০/৩৫১, হা/৫৮৯৩-এর আলোচনা দ্রঃ)। এ সম্পর্কে হাদীছে আরো অনেকগুলো শব্দ এসেছে। যেমন-( وأوفروا وَأَوْفُوا وَأَرْخُوا ,وَوَفِّرُوا) আওফিরু, আওফু, আরখু, ওয়াফ্ফিরু।
উত্তর : জেনেশুনে চোরাই মাল খরিদ করা নিষিদ্ধ। তবে অজ্ঞাত অবস্থার কথা ভিন্ন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘পাপ এবং অন্যায়ের কাজে তোমরা পরস্পরকে সহযোগিতা করো না’ (মায়েদাহ ২)।
উত্তর : আইয়ামে বীযের ছিয়াম, মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রাখতে হবে (ছহীহ আত-তারগীব হা/১০৩৮)। কিন্তু উক্ত তারিখে রাখা সম্ভব না হলে মাসের যেকোন তারিখে রাখবে। আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) মাসের যে কোন দিনে তিনটি ছিয়াম রাখতেন (মুসলিম হা/২৮০১
উত্তর : উক্ত মর্মে দায়লামী তার মুসনাদুল ফিরদাউসে একটি বর্ণনা উল্লেখ করেছেন। যা মওযূ বা জাল (সিলসিলা যঈফাহ হা/১৪৪৯)।
উত্তর : যে আয়ের মাধ্যম হারাম সে আয়ও হারাম (বুখারী হা/২৫৯৭)। অতএব উক্ত টাকায় হজ্জ করলে তা কবুল হবে না (মুসলিম, মিশকাত হা/২৭৬০)।
উত্তর : বিয়ের পর স্বামীর দায়িত্ব হ’ল তার উপর অর্পিত স্ত্রীর হক আদায় করা (নিসা ১২৯; বুখারী হা/১৯৭৫)। স্ত্রীর প্রতি অসদাচরণকে আল্লাহ তা‘আলা নিষিদ্ধ করেছেন (বাক্বারাহ ২৩১)। এধরনের ব্যক্তি যালেম। আল্লাহ যালেমদের ভালবাসেন না (আলে ইমরান ৫৭)।
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) দ্বীন প্রচারের জন্য প্রথম দাওয়াত দিতেন তাওহীদের প্রতি। অতঃপর ছালাতের, অতঃপর যাকাতের (বুখারী হা/৭৩৭২; মিশকাত হা/১৭৭২)। উক্ত দাওয়াত তিনি পেশ করতেন নম্র বাক্য, বাস্তব আমল ও সুন্দর চরিত্রের মাধ্যমে।
উত্তর : উক্ত মর্মে শরী‘আতে বিশেষ কোন নিয়ম বা বিধান নেই। সাধারণভাবেই ‘বিসমিল্লাহ’ বলে উঠে যাবে। তবে জিনের উৎপাত থাকার আশঙ্কা করলে বেশী বেশী সূরা বাক্বারাহ তেলাওয়াত করবে (মুসলিম, মিশকাত হা/২১১৯)।
উত্তর : ঈদের মাঠে কোলাকুলি করার বিষয়ে কোন দলীল পাওয়া যায় না। কোলাকুলি কোন দিকে কয়বার করতে হবে তারও কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না।
উত্তর : (১) উক্ত দলের নীতি সমূহ স্বপ্নে পাওয়া (মাওলানা মুহাম্মাদ মানযূর নু‘মানী, মালফূযাতে হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ ইলিয়াস, পৃঃ ৫১, ৫০ নং বয়ান)। (২) আক্বীদা হল- মুর্জিয়া, অদ্বৈতবাদী ও সর্বেশ্বরবাদী। তারা বলেন, রাসূল (ছাঃ) নূরের তৈরি, তিনি কবরে জীবি
উত্তর : এমতাবস্থায় উক্ত মহিলা সমাজের দায়িত্বশীল বা আদালতের মাধ্যমে স্বামীকে মোহর ফেরত দিয়ে ‘খোলা’ করতে পারে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৩২৭৪)। অতঃপর ইদ্দত পালন ছাড়াই অন্যত্র বিয়ে করতে পারবে। কারণ উক্ত স্বামীর সাথে তার কোন স্পর্শ বা সহবাস হয়নি (আহযা
উত্তর : ভাল কাজে মানত করে তা পুরা না করে ভঙ্গ করলে কাফফারা দিতে হবে। এর কাফফারা হল, (১) ১০ জন মিসকীনকে মাঝারি মানের খাদ্য দেওয়া (২) অথবা তাদেরকে পোষাক দেওয়া (৩) অথবা গোলাম আযাদ করা। (৪) এগুলো করতে অক্ষম হলে ৩টি ছিয়াম পালন করা (মায়েদাহ ৮৯)। আর
উত্তর : স্থান নিরাপদ হলে এবং তাদের আলোচনা বাইরের পুরুষ শুনতে না পেলে তারা সমাবেশ করতে পারে। কারণ (১) তাদের জন্য পর্দা ফরয (আহযাব ৫৯)। (২) তাদের কণ্ঠ পর পুরুষকে শুনানো যাবে না (আহযাব ৩২)। উক্ত শর্ত মেনে তারা দাওয়াতের কাজ করবে। তবে মহিলাদের নিরাপদ দা
উত্তর : প্রথমা স্ত্রীর অনুমতি নেওয়া শর্ত নয়। সামর্থ্য থাকলে একজন পুরুষ চারটি বিয়ে করার অধিকার রাখে (নিসা ৩; বুখারী হা/৪৮৭৮)। তবে সকল স্ত্রীর প্রতি সমান ইনছাফ করতে হবে এবং কারো অধিকার আদায়ে কোনরূপ ত্রুটি করা যাবে না। কারণ আখেরাতে এর পরিণাম হবে অত্
উত্তর : ক্রয়কারীর উপর মালিকানা সাব্যস্ত হওয়ায় উক্ত জায়গার উপর যেকোন কাজ করতে পারে (দ্রঃ ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা খন্ড ১৬, পৃঃ ৩৮)। ওমর (রাঃ)-এর নির্দেশে কূফার একটি মসজিদ স্থানান্তর হয়। অতঃপর সেই স্থানটি খেজুর বিক্রির বাজারে পরিণত হয় (ফাতাওয়া ইবনে তায়মিয়া
উত্তর : পৃথিবী ও সূর্য উভয়ই ঘোরে। শুধু তা-ই নয়, আসমানে যত গ্রহ-উপগ্রহ ও নক্ষত্ররাজি আছে সবই নিজ নিজ কক্ষ পথে পরিভ্রমণ করে। আল্লাহ বলেন, বস্ত্ততঃ প্রত্যেকটিই স্ব স্ব নিরক্ষবৃত্তে সাঁতার কাটছে (ইয়াসীন ৩৬/৪০)। শায়খ আলবানী উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায়
উত্তর : এসবের অধিকাংশ অনৈসলামী সংস্কৃতির অনুকরণ। তাই এসব আচার ও প্রথা সাধ্যপক্ষে এড়িয়ে চলাই মুমিনের কর্তব্য। কেননা এসব ক্ষেত্রে প্রায়ই শিরক, বিদ‘আত এবং বিজাতীয় সংস্কৃতির প্রভাব থাকে। আর যে কোন বিদ‘আতী প্রথা সর্বক্ষেত্রেই পরিত্যাজ্য (ব
উত্তর : সিজদা থেকে মাথা উঠিয়ে তাকবীর শুরু করবে এবং দাঁড়ানোর পূর্বে শেষ করবে। অর্থাৎ রুকূ, সিজদা বা অন্য কোন অবস্থায় যাওয়ার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তাকবীর পাঠ করবে। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, ...রাসূল (ছাঃ) রুকূতে যাওয়ার সময় তাকবীর বলতেন।
উত্তর : ছালাতসহ যেকোন ভালো কাজে উৎসাহিত করার জন্য পুরস্কার দেওয়া যায়। রাসূল (ছাঃ) যুদ্ধের ময়দানের শত্রু পক্ষের সৈন্যদের পরাস্ত করার লক্ষ্যে তিনি পুরস্কার ঘোষণা করে বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোন শত্রুকে হত্যা করবে সে তার সাথে থাকা সম্পদ লাভ করবে’ (ব
উত্তর : দাড়ি মুন্ডনকারী ব্যক্তি ছালাত আদায় করলে তা কবুল হয়ে যাবে। কেননা ছালাত কবুলের শর্ত হ’ল, (১) আক্বীদা ছহীহ হওয়া। অর্থাৎ শিরক মুক্ত নির্ভেজাল তাওহীদে বিশ্বাসী হওয়া (কাহফ ১৮/১১০) (২) তরীকা ছহীহ হওয়া। অর্থাৎ রাসূল (ছাঃ)-এর ছহীহ সুন্ন
উত্তর : ব্যাংকের লভ্যাংশ সূদের অন্তর্ভুক্ত। সেকারণ তা দিয়ে মসজিদের ইমাম বা মুওয়াযযিনের বেতন দেওয়া জায়েয হবে না। বরং বাধ্যগত অবস্থায় ব্যাংকে টাকা জমা রাখতে হ’লে তার লভ্যাংশ ছওয়াবের আশা ছাড়া ছাদাক্বা করে দিতে হবে (নববী, আল-মাজমূ‘ ৯/৩৫১; ইবনু
উত্তর : বাংলাদেশ সরকার বয়স্ক ভাতা ঐসব লোকদের জন্য প্রদান করে যারা অসহায় এবং যাদের কোন অবলম্বন নেই। এক্ষণে কোন সম্পদশালী ব্যক্তি যদি সরকারের দৃষ্টি এড়িয়ে এ ভাতা তার পিতা-মাতার জন্য গ্রহণ করে তা তার জন্য বৈধ হবে না। বরং সন্তান স্বয়ং পিতা-মাতার ভরণ
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘রাতের ছালাত দুই দুই। অতঃপর যখন তুমি ফজর হয়ে যাবার আশংকা করবে, তখন এক রাক‘আত পড়ে নাও, যা তোমার পিছনের সব ছালাতকে বিতরে পরিণত করবে’ (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/১২৫৪)। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি চায় একটানা ৫ রাক‘আত বিতর পড়ুক, যে চ
উত্তর : এমতাবস্থায় জামা‘আতে ছালাত আদায়ের ছওয়াব পেয়ে যাবে (উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৪/৩২৩; লিকাউল বাবিল মাফতুহ ১০/৪৪)। কারণ সে জামা‘আতে ছালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে মসজিদে এসেছিল। আর রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি উত্তমরূপে ওযূ করল তৎপর মসজিদের উদ্
উত্তর : এ ব্যাপারে কুরআনে বা হাদীছে কোন বর্ণনা নেই। তবে একদল বিদ্বানের মতে, যেমন ভাবে শহীদগণ কবরে প্রশ্নের সম্মুখীন হবেন না (নাসাঈ হা/২০৫৩), তেমনি নবীগণও কবরে প্রশ্নের সম্মুখীন হবেন না (ইবনুল ক্বাইয়িম, কিতাবুর রূহ ১/৮১-৮২; আদ-দুর্রুল ম
উত্তর : পৃথিবী ছাড়াও অন্যত্র জীবনের অস্তিত্ব থাকা অসম্ভব নয়। আল্লাহ বলেন, ‘আসমান ও যমীনে যত প্রাণী আছে, সবই আল্লাহকে সিজদা করে এবং ফেরেশতাগণ। আর তারা অহংকার করে না’ (নাহল ১৪/৪৯)। তিনি বলেন, সাত আসমান ও যমীন এবং এ দু’য়ের মধ্যবর্তী সবকিছ
উত্তর : এরূপ করা উচিত হবে না। কারণ এতে মুছল্লীদের খুশূ-খুযূ বিনষ্ট হয় এবং খুৎবা ও ছালাতের পবিত্রতা ক্ষুণ্ণ হয়। আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই সফলকাম হবে মুমিনগণ, যারা তাদের ছালাতে তন্ময়-তদ্গত (মুমিনুন ২৩/১-২)। অতএব জুম‘আর খুৎবায় প্রজেক্টরের বদলে সাউন
উত্তর : ছিদ্দীক অর্থ মহাসত্যবাদী। এতে তাযকিয়া তথা অধিক প্রশংসাসূচক অর্থ রয়েছে। এই ধরনের অতি প্রশংসাসূচক নাম রাখা অপসন্দনীয়। তবে যদি কেউ তাযকিয়া উদ্দেশ্য ছাড়াই এরূপ নাম রাখে, তাতে কোন দোষ নেই (নববী, শরহ মুসলিম ১৪/১১৯; তুহফা ৮/১০১; মিরক্বাত ৭
উত্তর : অবৈধ প্রেমে লিপ্ত হওয়া নিঃসন্দেহে কবীরা গোনাহ, যা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা ব্যভিচারের নিকটবর্তী হয়ো না। নিশ্চয়ই এটা অশ্লীল কাজ ও নিকৃষ্ট পথ’ (ইসরা ১৭/৩২)। এজন্য তাকে অনুতপ্ত হয়ে তওবা করতে হবে এবং আল্লাহর নিকট ক্ষমা
উত্তর : স্বামীর জন্য ফরয কর্তব্য হ’ল স্ত্রীর জন্য নির্ধারিত মোহরানা পরিশোধ করা। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের ফরয মোহরানা পরিশোধ কর’ (নিসা ৪)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, বিবাহের সবচেয়ে বড় শর্ত হ’ল মোহর’ (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত
উত্তর : ক্বাযা ছালাত আদায়ের ক্ষেত্রে সুন্নাতের ক্বাযা আদায় করাও সুন্নাত। রাসূল (ছাঃ) ক্বাযা সুন্নাত পরে আদায় করেছেন। একবার ব্যস্ততার কারণে রাসূল (ছাঃ) যোহরের পূর্বের সুন্নাত আছরের পরে আদায় করেছিলেন (বুখারী হা/১২৩৩; মিশকাত হা/১০৪৩)। আয়েশা (র
উত্তর : নারীরা জেহরী ছালাতে সরবে কুরআন তেলাওয়াত করবে। তবে যদি আশপাশে গায়ের মাহরাম পুরুষ থাকলে এবং ফেৎনার আশংকা থাকলে অনুচ্চস্বরে তেলাওয়াত করবে (ইমাম শাফেঈ, কিতাবুল উম্ম ১/১৯১; শায়খ বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১১/১২৮)।প্রশ্নকারী : তাহেরা, গ
উত্তর : মসজিদে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় সালাম দেওয়া যায়। রাসূল (ছাঃ) ছালাতরত অবস্থাতেও কেউ সালাম দিলে আঙ্গুলের ইশারায় তার জবাব দিতেন (তিরমিযী, মিশকাত হা/৯৯১; মুওয়াত্ত্বা, মিশকাত হা/১০১৩)। তবে জামা‘আত চলা অবস্থায় তথা মুছল্লীরা ছালাতরত অবস্থায়
উত্তর : এতে বাধা নেই। রাসূল (ছাঃ) বলেন, তুমি তোমার লজ্জাস্থান ঢেকে রাখ। তবে তোমার স্ত্রী ও দাসী ব্যতীত (ইবনু মাজাহ হা/২৭৯৪; মিশকাত হা/৩১১৭)। উল্লেখ্য আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত ‘আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর গোপন স্থান কখনো দেখিনি’ মর্মের হাদীছটি য
উত্তর : অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবে অংশগ্রহণ ও তার আয়োজনে কোনরূপ সহযোগিতা করা জায়েয নয়। আল্লাহ বলেন, হে মুমিনগণ! তোমরা ইহূদী-নাছারাদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যারা তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, তারা তাদের মধ্যে গণ্য হ
উত্তর : সন্তানের নাম রাখার ক্ষেত্রে পিতা ও মাতা উভয়ে পরামর্শ করবে। যদি সন্তানের নাম রাখার ব্যাপারে পিতা ও মাতার মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়, তাহ’লে পরিবার প্রধান হিসাবে পিতার মতই অগ্রাধিকার পাবে (বুখারী হা/২৫৫৪)। মনে রাখতে হবে যে, পিতা হৌক বা ম
উত্তর : এসব কর্মক্ষেত্র মহিলাদের জন্য নয়। বরং গৃহই মহিলাদের প্রধান কর্মস্থল (আহযাব ৩৩/৩৩)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, নারী হ’ল গোপন বস্ত্ত। যখন সে বের হয়, শয়তান তার পিছু নেয়’ (তিরমিযী হা/১১৭৩; মিশকাত হা/৩১০৯)। তবে প্রয়োজনে অভিভাবকের
উত্তর : মৃত প্রাণীর গোশত খাওয়া যাবে না। কারণ এটি হারাম (মায়েদাহ ৫/৩)। তবে দুর্ঘটনার পর জীবিত থাকলে তাকে যবেহ করে খাওয়া যাবে। হালাল প্রাণীর বর্ণনা দিয়ে আল্লাহ বলেন, হিংস্র জন্তুতে খাওয়া পশু, তবে যা তোমরা যবেহ দ্বারা হালাল করেছ, তা ব্যতীত&nbs
প্রশ্নকারী : আযীযুল ইসলাম, পিরুজালী, গাযীপুর।উত্তর : জমি ক্রয় বা বিক্রয় করে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতারণা না থাকলে বা অন্যের হক বিনষ্ট করার উদ্দেশ্য না থাকলে এরূপ চুক্তি জায়েয। রাসূল (ছাঃ) বলেন, মুসলিমগণ তাদের পরস্পরের শর্তানুযায়ী কাজ করবে
উত্তর : সাদা চুল কালো করার উদ্দেশ্য না থাকলে দুলহান তেল কালো চুলে ব্যবহার করা যাবে। তবে সাদা চুলকে কোন তেল বা রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করে কালো করা নারী-পুরুষ সবার জন্যই নিষিদ্ধ (মুসলিম হা/২১০২; মিশকাত হা/৪৪২৩-২৪)। আর নারীরা সৌন্দয্যবর্ধন, স
উত্তর : কোন নারী অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হ’তে পারবে না। রাসূল (ছাঃ) এরূপ বিবাহকে বাতিল (৩ বার) বলেছেন (তিরমিযী হা/১১০১; আবুদাঊদ হা/২০৮৫; মিশকাত হা/৩১৩০-৩১)। তিনি বলেন, ‘কোন মহিলা নিজেকে বা অপর মহিলাকে বিবাহ দিতে পারবে না’
উত্তর : ওযূর পরে যে দো‘আগুলো পাঠ করা হয়, তায়াম্মুমের পরেও সে দো‘আগুলো পাঠ করতে হয়। কারণ তায়াম্মুম হ’ল ওযূর স্থলাভিষিক্ত (নববী, আল-মাজমূ‘ ২/২৩৪)।প্রশ্নকারী : আব্দুল হালীম, ভূগরইল, রাজশাহী।
উত্তর : জিন দ্বারা আক্রান্ত হ’লে শরী‘আতসম্মত দো‘আগুলো দ্বারা ঝাড়-ফুঁক করবে। যেমন সূরা নাস, ফালাক্ব, ইখলাছ, আয়াতুল কুরসী, সূরা ফাতিহা ইত্যাদি পাঠ করে ফুঁক দিবে (বুখারী হা/৪৪৩৯; মুসলিম হা/২১৯২; মিশকাত হা/১৫৩২)। কোন অবস্থায় হারাম বস্ত্ত দ্বারা
উত্তর : ইয়া রাসূল বা ইয়া নবী কেবল রাসূল (ছাঃ)-কে সালাম দেওয়ার ক্ষেত্রে বলা যাবে। চাওয়া, প্রার্থনা বা অন্য কোন উদ্দেশ্যে এই আহবান করা যাবে না। কারণ তিনি এখন মৃত (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ১/১২৪; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ দারব)। আর আ
উত্তর : সাধারণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে খুৎবা দেওয়া সুন্নাত। কারণ রাসূল (ছাঃ) সারা জীবন দাঁড়িয়ে খুৎবা দিতেন (জুম‘আ ১১; মুসলিম হা/৮৬২; মিশকাত হা/১৪১৫; ফিকহুস সুন্নাহ ১/৩১১)। তবে স্থান-কাল-পাত্রভেদে সুস্থ ব্যক্তিও বসে খুৎবা দিতে পারে। রাসূল (ছাঃ) বিদা
উত্তর : দানকৃত সম্পদ হস্তান্তর করার পূর্বে নিয়ত পরিবর্তন করা যাবে (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৩/১৮৭; বাহুতী, কাশশাফুল কেনা‘ ২/২৯৮)। তবে হস্তান্তর হয়ে গেলে নিয়ত পরিবর্তন করা যাবে না (ফাৎহুল বারী ৫/২৩৫)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, দান করে
উত্তর : বোনের নাতনী বোনের মতই মাহরাম। তথা বোনের নাতনী নিজের নাতনীর সমতুল্য। সুতরাং বোনের নাতনীকে বিবাহ করা হারাম। আল্লাহ বলেন, তোমাদের জন্য হারাম করা হ’ল- তোমাদের মা, মেয়ে, ফুফু, খালা, ভাতিজী, ভাগিনেয়ী’ (নিসা ৪/২৩)। উক্ত আয়াতের তাফসীরে মুফা
উত্তর : রাসূল (ছাঃ) আল্লাহর আরশের চেয়ার ধরে কান্নাকাটি করবেন মর্মে কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না। বরং ক্বিয়ামতের দিন যখন লোকেরা শাফা‘আতের জন্য রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট আবেদন করবে তখন তিনি আল্লাহর আরশের নীচে আল্লাহর উদ্দেশ্যে সিজদায় পড়ে যাবেন (বুখারী হ
উত্তর : তিনি বদলী হজ্জ করাবেন। ইবনু আববাস (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, বিদায় হজ্জের বছর খাছ‘আম গোত্রের জনৈকা মহিলা এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! ...আমার বৃদ্ধ পিতার উপর এমন সময় হজ্জ ফরয হয়েছে, যখন তিনি সওয়ারীর উপর ঠিকভাবে বসতেও সক্ষম নন। আমি তার পক্ষ থেকে
উত্তর : তিনি প্রথমে হজ্জ করবেন। অতঃপর যা সম্পদ থাকে তা থেকে তিনি সর্বোচ্চ এক-তৃতীয়াংশ সম্পত্তি দান করে দিতে পারেন (বুখারী, মুসলিম; মিশকাত হা/৩০৭১)। এর বেশী জায়েয নয়। তবে যদি ওয়ারিছগণ ধনবান হয় এবং তারা সম্মত থাকে, তবে সব জমি দান করতে বাধা নে
উত্তর : এ ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা আক্বীদা বা তাওয়াক্কুল বিরোধী নয়। কেননা রোগ হওয়ার পূর্বে তার প্রতিরোধ ব্যবস্থা অবলম্বন করাও এক ধরনের চিকিৎসা। আর চিকিৎসা গ্রহণ করা শরী‘আতেরই নির্দেশ। তবে ঔষধ বা ডাক্তারকে আরোগ্যদানকারী মনে করলে শিরক হবে। রাসূল (
উত্তর : ইমামতি বা কুরআন শিক্ষাদান সহ যেকোন বৈধ কাজের জন্য কাউকে নিয়োগ করা হ’লে, তার কাজের বিনিময়ে সম্মানজনক হাদিয়ার ব্যবস্থা কর্তৃপক্ষকে করতে হবে। রাসূল (ছাঃ) এরশাদ করেন, ‘যাকে আমরা কোন দায়িত্বে নিয়োগ করি আমরা তার রূযীর ব্যবস্থা করে থাকি’ (
উত্তর : সফরের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় এবং বাড়িতে প্রবেশ করার সময় দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করা মুস্তাহাব। রাসূল (ছাঃ) বলেন, তুমি বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করবে। কারণ তা তোমাকে বাইরের অনিষ্ট থেকে হেফাযত করবে। আর বাড়িতে প্র
উত্তর : কারো স্ত্রী থাকা অবস্থায় তাকে বিবাহ করলে সেটি বিবাহ হিসাবে গণ্য হবে না। বরং সহবাস করলে তা ব্যভিচার হিসাবে গণ্য হবে। আল্লাহ বলেন, ...সকল সধবা নারী তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ (নিসা ৪/২৪)। আর ব্যভিচার কবীরা গুনাহ (ইসরা ১৭/৩২)। এক্
উত্তর : এই ধরনের প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করা যাবে না। কারণ ব্যবসায় মিথ্যা বলা, টাল-বাহানা করা, প্রতারণা করা ইত্যাদির মাধ্যমে ব্যবসা করা হারাম। রাসূল (ছাঃ) বলেন, মিথ্যা কসম পণ্যের কাটতি বাড়ায়, কিন্তু বরকত শেষ করে দেয় (বুখারী হা/২০৮৭; মুসলিম হা/১৬
উত্তর : উক্ত আলেম ঠিকই বলেছেন। এতে চোরকে এবং তার অন্যায় কাজে সহযোগিতা করা হচ্ছে যা নিষিদ্ধ (মায়েদাহ ২)। আর হালাল উপার্জন ইবাদত কবুলের পূর্ব শর্ত (মুসলিম, মিশকাত হা/২৭৬০)। অতএব এ কাজ পরিহার করে তওবা করতে হবে।
উত্তর : বিষয়টি একটি প্রসিদ্ধ ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করে। কথিত আছে যে, মক্কায় ইমাম আওযাঈর সাথে ইমাম আবু হানীফা (রহঃ)-এর সাক্ষাত হয়। তখন আওযাঈ (রহঃ) তাঁকে বলেন, আপনারা রুকুতে যাওয়ার সময় ও রুকূ থেকে ওঠার সময় রাফ‘উল ইয়াদায়েন করেন না কেন? জবাবে আবু হান
উত্তর : প্রশ্নটি ভুল হয়েছে। কুরআনের প্রথম সূরা ফাতেহা। আর কুরআনের সূরা আগে-পরে হওয়া কোন কিছুর উত্তম আর অনুত্তম হওয়ার দলীল নয়। মনে রাখা আবশ্যক যে, কুরআনের সূরা ও আয়াত সমূহের বিন্যাস সম্পূর্ণরূপে আল্লাহর ইচ্ছাধীন বিষয়, যা তাওক্বীফী অর্থাৎ অপরিব
উত্তর : বর্ণনাটি ইমাম ত্বাবারাণী (রহঃ) স্বীয় ‘আল-মু‘জামুল আওসাত্ব’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন (হা/১০২৮)। তবে বর্ণনাটি যঈফ। এর উপর আমল করা যাবে না (সিলসিলা যঈফাহ হা/৫৩৪৯)।
উত্তর : এ বিষয়ে ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ বলেন, যদি কেউ বলে ঈমান মাখলূক না গায়ের মাখলূক? তাহ’লে তাকে বলা হবে, ঈমান দ্বারা তুমি কি বুঝ? তুমি কি এর দ্বারা আল্লাহর গুণাবলী ও তাঁর কালাম বুঝ? যেমন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ও তার উপর বিশ্বাস স্থাপন করা, যাকে মু
উত্তর : যাকে কুরআন পড়তে বলা হবে তিনি পড়তে সক্ষম হবেন। ভুলে যাবেন না ।
উত্তর : এগুলো বিজাতীয় রীতি। মুসলিম সমাজে যার অনুপ্রবেশ ঘটেছে। আর বিজাতীয় রীতির অনুসরণ করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ (আবুদাঊদ হা/৪০৩১; সিলসিলা ছহীহাহ হা/২১৯৪)।
উত্তর : শিরকের গুনাহ আল্লাহ ক্ষমা করবেন না (নিসা ৪৮)। তবে মৃত্যুর পূর্বে শর্ত মাফিক তওবা করে মরার সুযোগ পেলে আল্লাহ্ শিরকের গুনাহ্ও ক্ষমা করে দিবেন (তওবা ৫; যুমার ৫৩)।জাহান্নামের একটি উপত্যকাকে জুববুল হুযন (جب الخرن) বলা হয়েছে। যা থেকে বাঁচার জন্য
উত্তর : উক্ত পদ্ধতি শরী‘আত সম্মত নয়। এতে জমি দিয়ে ঋণ গ্রহণকারী অত্যাচারিত হয়। আর ঋণ প্রদানকারী লাভবান হয় এবং সে বাতিল পন্থায় অন্যের সম্পদ ভোগ করে। যা করতে আল্লাহ নিষেধ করেছেন (বাক্বারাহ ১৮৮; নিসা ২৯)। তবে চুক্তিতে জমি লীজ নেওয়া জায়েয (বুখারী হা
উত্তর : আল্লাহ বলেন, যে ব্যক্তি মন্দ কাজে সুফারিশ করবে, সে ব্যক্তি তার অংশ পাবে (নিসা ৪/৮৫)। অতএব এখানে হকদারকে বঞ্চিত করার জন্য সুফারিশকারী এবং ঘুষ গ্রহণকারী উভয়েই পাপ করেছে। অতএব তারা উভয়েই গুনাহ্গার এবং যুলুমকারী হিসাবে গণ্য হবে। যে স্থানের
উত্তর : শয়তান (ইবলীস) জিনদের অন্তর্ভুক্ত। পুরুষ-নারী উভয় প্রকার জিন আছে (নিসা ১১৭; আহমাদ হা/২১২৬৯)। আর তাদের সন্তানও রয়েছে (কাহফ ৫০)। সন্তান থাকলে অবশ্যই তার স্ত্রীও আছে। অতএব তারাও বিয়ে করে থাকে, সন্তান হয়, বংশও বৃদ্ধি হয়। তবে সঠিক বিষয় আল্লাহ জানেন
উত্তর : জান্নাত একটি আর জাহান্নামও একটি। তবে জান্নাত এবং জাহান্নামের অনেকগুলি স্তর রয়েছে। জান্নাত শব্দটি কুরআনে এবং হাদীছে বহুবচন ব্যবহার করা হয়েছে ঐসব স্তরগুলির দৃষ্টিকোণ থেকে। যেমন বলা হয়েছে, জান্নাতের ১০০টি স্তর রয়েছে। প্
উত্তর : আহলে সুন্নাত ওয়াল জাম‘আতের আক্বীদা হ’ল- আল্লাহর কথার শব্দ এবং বর্ণ আছে। শব্দ না থাকলে মূসা (আঃ) কিভাবে শুনলেন? (ত্বোয়াহা ১৩-১৪)। আর শব্দের জন্য বর্ণ অপরিহার্য, যা আমাদের সামনে বিদ্যমান রয়েছে। বর্ণ না থাকলে কুরআন আসত কিভাবে? ইবনু তায়মিয়াহ
উত্তর : মিসওয়াকের অর্থ হলো এমন নরম ডাল, যা দ্বারা মিসওয়াক করা হয়। খেজুর গাছের কাঁচা ডাল দিয়ে মেসওয়াক করা সুন্নাত মর্মে কোন দলীল পাওয়া যায় না। তবে আরাক গাছের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করা ভাল (আহমাদ হা/৩৯৯১, সনদ হাসান; সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৭৫০)।
উত্তর : মহিলাদের জন্য হাতে-পায়ে মেহেদী ব্যবহার করা জায়েয (আবুদাঊদ হা/৪১৬৫)। মেহেদীর রং ওযূর কোন ক্ষতি করে না। পুরুষের জন্য হাতে-পায়ে মেহেদী ব্যবহার করা নিষিদ্ধ (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ৫/২১৮)।
উত্তর : ‘হিজাব’ (حجاب) অর্থ পর্দা। যা পরপুরুষের দৃষ্টি থেকে নারীকে নিরাপদ রাখে। ইসলামী বিধান অনুযায়ী নারীর সর্বাঙ্গ সতরের অন্তর্ভুক্ত। কেবল তার চেহারা ও দুই হস্ততালু ব্যতীত (আবুদাঊদ হা/৪১০৫, মিশকাত হা/৪৩৭২)। তবে এটি হ’ল বাড়ীতে স্বাভাবিক অবস্থ
উত্তর : ফাসিক ও বিদ‘আতীর পিছনে ছালাত আদায় করা মাকরূহ। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ইমামগণ ছালাতে ভুল করলে তোমাদের রয়েছে নেকী ও তাদের জন্য রয়েছে গোনাহ’ (বুখারী, মিশকাত হা/১১৩৩)। এমতাবস্থায় মুক্তাদীর ছালাত কবুল হবে। যুহরী বলেন, বাধ্যগত অবস্থায় ব্যতীত আমরা এমন
উত্তর : সম্মান ও মর্যাদা দেওয়ার উদ্দেশ্যে কোন প্রাণীর ছবি তোলা এবং তা টাঙানো বা স্থাপন করা হারাম। কারণ এগুলি মূর্তিপূজার শামিল। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, প্রত্যেক ছবি নির্মাতা জাহান্নামী (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৪৪৯৮, ‘ছবিসমূহ’ অনুচ্ছেদ)। তবে
উত্তর : মুসলিমদের যেকোন চুক্তি বৈধ শর্তের উপর লিখিত হওয়া আবশ্যক এবং সে চুক্তি উভয়েই ভঙ্গ করবে না মর্মে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া উচিত (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২৮৭৭)। বাড়ীর মালিক ও ভাড়াটিয়াকে অবশ্যই তাদের চুক্তিতে আরোপিত বৈধ শর্ত মেনে চলতে হবে। এ ক্
উত্তর : মসজিদে যাতায়াতের জন্য মসজিদ কমিটি বিভিন্ন পথ করে রেখেছে বলেই বিভিন্ন পথ দিয়ে মসজিদে যাতায়াত করা যায়। কিন্তু জান্নাতে প্রবেশ করার জন্য জান্নাতের মালিক আল্লাহ তা‘আলা মাত্র একটি পথ খোলা রেখেছেন। উক্ত পথ ছাড়া অন্য কোন পথ দিয়ে জান্নাতে যাও
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (সিলসিলা যঈফাহ হা/৫৩৪৫; যঈফ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব হা/১৫৭৩)।
উত্তর : হস্তমৈথুন বা যেকোন উপায়ে বীর্য স্খলন করা নিষিদ্ধ। এটি কবীরা গোনাহ। আল্লাহ বলেন, যারা নিজ স্ত্রী ও দাসী ব্যতীত অন্যকে কামনা করে, তারা সীমালংঘনকারী (মুমিনূন ২৩/৬-৭; মা‘আরিজ ৭০/৩০-৩১)। এটি হ’ল আত্মঘাতি পাপ। যা মানুষের জীবন-যৌবন ধ্বংস করে।
উত্তর : প্রথম কারণ হল, উক্ত বাক্যগুলি দরূদ নয়। ২য় কারণ হ’ল এটি শিরক মিশ্রিত। এখানে বলা হয়েছে, ‘উচ্চতা তার পূর্ণতায় পৌঁছে গেছে’। অথচ এটি কেবল আল্লাহর জন্য খাছ। ৩য় কারণ, এখানে রাসূল (ছাঃ)-কে নূরের তৈরী কল্পনা করা হয়েছে, যাঁর দেহের আলোকচ্ছটায় অন
উত্তর : নাপাক অবস্থা দু’প্রকারের (ক) পেশাব-পায়খানা করার কারণে নাপাক হওয়া (খ) স্ত্রী সহবাসে বা অন্য কোন উপায়ে বীর্যপাত হওয়ার কারণে নাপাক হওয়া। প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় অবস্থায় কুরআন মাজীদ স্পর্শ ছাড়া পড়া যায় (তিরমিযী ১/১৪৬; আহমাদ হা/৬৩৯, ৮৭২; বুখারী,
উত্তর : আঘাত করার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বললে বা যবহ করার পূর্বে ‘বিসমিল্লাহ’ বললে খাওয়া যাবে। নিয়ম হল, বিসমিল্লাহ বলে তীর নিক্ষেপ করা এবং এমন অস্ত্র দ্বারা আঘাত করা যদ্বারা রক্ত প্রবাহিত হয় (মায়েদাহ ২)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যে অস্ত্র রক্ত প্রবাহি
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, সালামের পরে মুছাফাহা করা সালামের পূর্ণতা (আদাবুল মুদরাদ হা/৯৬৮, সনদ ছহীহ)। অতএব বিদায়ের সময়েও মুছাফাহা করা সালামের পূর্ণতা হিসাবে গণ্য হবে। রাসূল (ছাঃ) যখন কাউকে বিদায় দিতেন তখন ঐ ব্যক্তি হাত না ছাড়া পর্যন্ত আল্লাহ
উত্তর : কোন ব্যক্তি তার কৃত অপরাধের জন্য অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর নিকট খালেছ অন্তরে ক্ষমা প্রার্থনা করলে আল্লাহ তা‘আলা তাকে ক্ষমা করে দিবেন (মুসলিম ২য় খন্ড, পৃঃ ৩৫৫)। তবে হাক্কুল ইবাদ বা বান্দার হক নষ্ট করে থাকলে তাকে অবশ্যই তা ফেরত দিতে হবে। কারণ এই
উত্তর : প্রশ্নে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (আবুদাঊদ হা/৬৩৮)। তবে আবুদাঊদে বর্ণিত তার পূর্বের হাদীছটি ছহীহ। যেখানে রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি টাখনুর নীচে কাপড় ঝুলিয়ে ছালাত আদায় করবে সে হালালের মধ্যে আছে না হারামের মধ্যে আছে তা আল্লাহ্র যায় আসে না (আবু
উত্তর : আল্লাহ বলেন, তোমরা ধীরে ও শুদ্ধভাবে কুরআন তেলাওয়াত কর (মুযযাম্মিল ৪)। কুরআন তেলাওয়াত শুদ্ধ না হলে শব্দের অর্থ পরিবর্তিত হয়ে গুনাহের সম্ভাবনা থাকে, তবে ছালাত হয়ে যাবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ৭ম খন্ড, পৃঃ ৩৪৮)।বিশুদ্ধভাবে কুরআন তেলাওয়াতের গুরুত
উত্তর : বিষয়টি সঠিক নয়।
উত্তর : কবর ও গোসলখানা ব্যতীত পৃথিবীর সর্বত্রই ছালাতের স্থান (আবুদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/৭৩৭)। সুতরাং উক্ত অফিসের যে কোন স্থানে ছালাত আদায় করে নিতে হবে। এতেও যদি বাধা সৃষ্টি হয়, তাহলে উক্ত চাকুরী ছেড়ে দিবে এবং প্রয়োজনে অন্যত্র হালাল রূযী তালাশ
উত্তর : দ্বীন শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনা করে মুছল্লীদের পরামর্শক্রমে উক্ত আলোচনার ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। সুতরাং কারো ব্যস্ততা থাকলে তিনি মসজিদের বারান্দায় সুন্নাত পড়তে পারেন অথবা বাড়ীতে গিয়ে পড়তে পারেন (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১১৬০; মুসলিম, ম
উত্তর : সঠিক (মুসনাদে আহমাদ হা/৪৪১৪, আহমাদ শাকির ‘ছহীহ’ বলেছেন এবং আরনাঊত্ব ‘ছহীহ লিগায়রিহী’ বলেছেন। ইবনু কাছীর বলেন, সনদে ‘দুর্বলতা’ আছে। আলবানী একই মত পোষণ করেন। সীরাতে ইবনে হিশাম, পৃঃ ১/৯১; আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ ৪/৪২)।
উত্তর : উক্ত দাবী সঠিক নয়। কারণ শরী‘আতের উৎস হল, পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ (মুস্তাদরাক হাকেম হা/৩১৮, সনদ ছহীহ)। এছাড়া উদ্ভূত কোন সমস্যার সমাধান কুরআন-সুন্নাহ্র মাঝে না পেলে আহলেহাদীছগণ ইজমায়ে ছাহাবা অতঃপর ইজতিহাদের শরণাপন্ন হন।শাশুড়ী স্বামীর জন্য হ
উত্তর : যাবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, কেউ যদি ছালাত আদায় করতে ভুলে যায় তাহলে স্মরণ হওয়া মাত্রই যেন তা আদায় করে নেয়। কারণ ছালাত আদায় করাই তার কাফফারা (বুখারী হা/৫৯৭)। নিষিদ্ধ সময়ে ছালাত আদায় করা যাবে না এই নির্দেশের মধ্যে ক্বাযা ছালাত অন্তর্ভুক্ত
উত্তর : গর্হিত কোন অন্যায়ের কারণে যদি স্রেফ আল্লাহ্র জন্য সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে থাকে, তাহলে তার ইবাদতের উপর গোনাহের কোন প্রভাব পড়বে না (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৩০; বায়হাক্বী শু‘আব, মিশকাত হা/৫০১৪)। আর যদি অন্য কারণে বা বিদ্বেষমূলক হয়ে থাকে, তাহলে পরিণাম অত্যন
উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা বলেন, মানুষের মধ্যে কেউ কেউ অজ্ঞতাবশতঃ আল্লাহ্র পথ হতে (মানুষকে) বিচ্যুত করার জন্য গান ক্রয় করে এবং আল্লাহ্র পথকে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করে; তাদের জন্য রয়েছে অপমানজনক শাস্তি (লোকমান ৬)। আবু মালেক আশ‘আরী (রাঃ) হ’তে বর্ণিত আছে, ত
উত্তর : নযর লাগা সত্য। এর প্রতিকার সম্পর্কে প্রশ্নোল্লেখিত আলোচনা সঠিক। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, নযর লাগা সত্য। অতঃপর যদি কোন বস্ত্ত তাক্বদীর পরিবর্তনে সক্ষম হ’ত, তাহ’লে বদ-নযরই তা করতে পারত। আর যদি তোমাদের গোসল করাতে চাওয়া হয়, তাহ’লে তোমরা গো
উত্তর : স্ত্রী-সন্তানের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করা স্বামী বা পিতার অবশ্য কর্তব্য। সে হিসাবে কৃপণ পিতার সম্পদ থেকে ন্যায়সঙ্গতভাবে কিছু গ্রহণ করা সন্তানের জন্য জায়েয (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২২/৩১২; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ২১/১৬৬; শাওকানী, নায়লুল আও
উত্তর : সুৎরাবিহীন অবস্থায় সিজদার স্থানের ভিতর দিয়ে বিড়াল, ছাগল বা কোন প্রাণী অতিক্রম করলে ছালাতের কোন ক্ষতি হয় না, কেবল কালো কুকুর ব্যতীত। কেননা হাদীছে এসেছে, কালো কুকুর সামনে দিয়ে গেলে ছালাত হবে না (মুসলিম হা/৫১১)। এর অর্থ হ’ল, ছালাতের নেকী ক
উত্তর : উক্ত মর্মে একটি বর্ণনা উল্লেখ করেছেন ইবনু আসাকির, তবে বর্ণনাটি জাল (তারীখু দিমাশক্ব ৩/৩১০; যাহাবী, মীযানুল ই‘তিদাল ৪/৯৮)। অনুরূপভাবে বায়হাক্বীতেও একটি বর্ণনা এসেছে, যাকে শায়খ আলবানী মিথ্যা ও জাল বলেছেন (সিলসিলা যঈফাহ হা/৪১৪৪)।প্রশ্নকারী :&nbs
উত্তর : আদম (আঃ) জান্নাতে নিষিদ্ধ বৃক্ষের ফল খাওয়ার পরে তাদেরকে পৃথিবীতে কোথায় নামানো হয়েছিল তা প্রমাণিত নয়। তবে বিভিন্ন যঈফ ও জাল বর্ণনার ভিত্তিতে বিদ্বানগণ বিভিন্ন স্থানের কথা বলেছেন যেগুলি তাদের ইজতিহাদ মাত্র। শরী‘আতের কোন দলীল নয়। একদল বি
উত্তর : মূর্তি ও ভাষ্কর্যের মধ্যে অর্থগত পার্থক্য থাকলেও উদ্দেশ্য একই। মূর্তি হ’ল অবয়ব বা প্রতিকৃতি। আর প্রস্তরাদি খোদাই করে যে মূর্তি তৈরী হয় তা-ই ভাষ্কর্য। ইসলামী শরী‘আতে মূর্তি ও ভাষ্কর্য দু’টির মধ্যে কোন পার্থক্য করা হয়নি। কোনটি পূজনীয়, আ
উত্তর : সাধারণভাবে অমুসলিমদের মন্দির বা পূজা পরিদর্শন করা বা উদ্বোধন করা কোন মুসলিমের জন্য হারাম। কেননা এতে তাদের শিরকী কর্মকান্ডের প্রতি স্বীকৃতি ও ভালোবাসার প্রকাশ পায়। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা গোনাহ ও সীমালংঘনের কাজে সহযোগিতা করোনা’ (মায়েদাহ ৫/২)
উত্তর : উক্ত ঘটনাটি প্রসিদ্ধ হ’লেও সূত্রবিহীন। অতএব তা অগ্রহণযোগ্য।প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।
উত্তর : অর্থ ইচ্ছামত খরচ করা বা অপচয় করা যাবে না। বরং আয়-ব্যয় দু’টিই হালাল পথে ও ইসলামের নির্দেশিত পথে খরচ করতে হবে। কেননা ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহর দেওয়া প্রতিটি নে‘মত সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হ’তে হবে (তাকাছুর ৪; তিরমিযী হা/২৪১৭; মিশকাত হা/৫১৯৭)।ইসলাম
উত্তর : অপমৃত্যু বা অকাল মৃত্যু বলে অভিহিত করা যাবে না। কেননা প্রকৃত প্রস্তাবে অকাল মৃত্যু বলে কিছু নেই। বরং জন্ম-মৃত্যু আল্লাহর পূর্বনির্ধারিত এবং ভাগ্যের অবধারিত লিখন (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ৮/৫১৭)। আল্লাহ বলেন, ‘তিনি একটি নি
উত্তর : বর্ণনাটি যঈফ (আলবানী, যঈফুত তারগীব হা/৮৯১)।প্রশ্নকারী : খাদেমুল ইসলাম, নলডাঙ্গা, নাটোর।
উত্তর : মিথ্যা বলা বা মিথ্যা কসম করা হারাম। তবে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক রক্ষা বা জীবন রক্ষার মত কঠিন পরিস্থিতি এলে মিথ্যা কসম করা জায়েয (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১/৫৪)। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তিনটি ক্ষেত্রে মিথ্যা বলা যায়। সেগুলি হ’ল : (১)
উত্তর : কোন অপরিচিত নারী রাস্তায় মারা গেলে তার কপালে তিলক বা হাতে শঙ্খ কিংবা পোষাকে আলামত খুঁজতে হবে। যদি তাতে কিছু বুঝা না যায়, তাহ’লে এলাকার ভিত্তিতে তার পরিচয় নির্ণীত হবে। যদি মুসলিম এলাকায় মারা যায় তাহ’লে মুসলিম হিসাবে কাফন-দাফন হবে। আর ক
উত্তর : আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে বিনীতভাবে দন্ডায়মান হও’ (বাক্বারাহ ২/২৩৮)। তিনি আরও বলেন, ‘আর তুমি আমার স্মরণে ছালাতে দাঁড়িয়ে যাও’ (ত্বোয়া-হা ২০/১৪)। অতএব ছালাতের মূল বিষয়টি হ’ল আল্লাহর উদ্দেশ্যে বিনীতভাবে দাঁড়ানো। এক্ষণে শক্তি থ
উত্তর : সাধ্যমত পর্দা বজায় রেখে মহিলা রোগীর চিকিৎসা করা জায়েয। তবে মহিলা একাকী আসলে আবদ্ধ কক্ষে কোন সহযোগী রাখতে হবে। আর সহযোগী না থাকলে ঘরের দরজা-জানালা খোলা রেখে চিকিৎসা দিতে হবে, যাতে মনের মধ্যে শয়তানী প্রবৃত্তি জাগ্রত না হয়। রাসূল (ছাঃ) ব
উত্তর : উক্ত আয় বৈধ হবে, যদি দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সেই সমিতি অনুমোদিত হয়। আর যদি তা গোপনীয় হয় এবং অন্যায়ভাবে চাঁদা আরোপ করা হয়, তবে তা হারাম হবে। আল্লাহ বলেন, হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা একে অপরের মাল অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করোনা, পারস্পরিক সম্মতিতে
উত্তর : অবশ্যই হবে। আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তোমরা তাদের বিবাহ সম্পাদন করে দাও এবং তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মশীল তাদেরও। যদি তারা নিঃস্ব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দিবেন। আল্লাহ প্রাচুর
প্রশ্নকারী : শাকিল আহমাদ, মহেশপুর, ঝিনাইদহ।উত্তর : উক্ত বক্তব্যের কোন ভিত্তি নেই। তবে কবর সংরক্ষণের জন্য দেওয়া প্রাচীর যতদিন কবর হেফাযতের জন্য স্থায়ী থাকবে ততদিন সেগুলি ব্যবহার করা সমীচীন নয়। আর তা ভেঙ্গে গেলে পরিত্যক্ত বস্ত্ত ব্যবহারে কোন বাধা
উত্তর : কাহিনীটি প্রসিদ্ধ, কিন্তু বিশুদ্ধ নয় (দ্র. সীরাতুর রাসূল (ছাঃ) ৩য় মুদ্রণ ৪৯১ পৃ. টীকা-৬৭৮)।প্রশ্নকারী : মামূনুল হক, মহাদেবপুর, নওগাঁ।
উত্তর : মসজিদ নির্মাণে অমুসলিম মিস্ত্রির সহযোগিতা নেওয়া যাবে। এমনকি তাদের আর্থিক সহায়তাও নেওয়া যাবে। এতে কোন বাধা নেই (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ১৭/৪৯৯; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৫/২৫৬)।প্রশ্নকারী : ইকবাল আখতার, ক্ষেতলাল, জয়পুরহাট।
উত্তর : নারী বা পুরুষের জন্য অপারেশনের মাধ্যমে স্থায়ী বন্ধ্যাত্ব গ্রহণ করা হারাম (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৯/৩১১; ফাতাওয়া ইসলামিয়াহ ৩/২০০; ওয়াহবাতুয যুহায়লী, আল-ফিক্বহুল ইসলামী ৪/১৯৮)। কেবল যদি নারীর জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়, তাহ’লে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্
উত্তর : কুরআনের অনুবাদ বা তাফসীর পাঠকালেও সিজদা করা উত্তম। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আদম সন্তানরা যখন সিজদার আয়াত পড়ে ও সিজদা করে, শয়তান তখন কাঁদতে কাঁদতে একদিকে চলে যায় ও বলে হায় আমার কপাল মন্দ। আদম সন্তান সিজদার আদেশ পেয়ে সিজদা করল, তাই তার জ
উত্তর : মোবাইলে বিবাহের পর অলীমা করা যায়, যদিও বাসর না হয়। কেননা বিবাহ সংঘটিত হয়েছে (ফাৎহুল বারী হা/৫১৬৬-এর পূর্বের আলোচনা ‘অলীমা’ অনুচ্ছেদ, ৯/২৩১ পৃ.)। তবে রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরামের অলীমা বাসরের পরে ছিল (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/৩২১২; ইবনু তায়মিয়াহ, আ
উত্তর : এক্ষেত্রে স্ত্রী মোহরানাসহ স্বামীর সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারী হবে। কারণ সে শরী‘আত সম্মতভাবে স্ত্রীর মর্যাদা লাভ করেছে (তিরমিযী হা/১১৪৫; আবুদাউদ হা/২১১৪ প্রভৃতি; মিশকাত হা/৩২০৭)। একদিন জনৈক ব্যক্তি ইবনু মাসঊদ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, এক ব্যক্তি
উত্তর : উক্ত হাদীছটি বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হওয়ায় শায়খ আলবানী (রহঃ)-এর সনদকে ছহীহ লিগায়রিহী বা হাসান পর্যায়ের হাদীছ বলেছেন (ছহীহাহ হা/২৬৬৮-এর আলোচনা দ্রষ্টব্য)। অনুরূপভাবে ইবনু কাছীর ও হাফেয ইবনু হাজার (রহঃ) হাদীছটিকে গ্রহণযোগ্য বলেছেন (আল-বিদায়াহ ১/৯
উত্তর : মসজিদে প্রবেশের দো‘আ নিম্নস্বরে পড়বে। তবে মসজিদে প্রবেশকালে মুছল্লী থাকলে সালাম দেওয়া সম্পর্কে ওলামায়ে কেরাম মতভেদ করেছেন। জমহূর বিদ্বানগণ ছালাতরত মুছল্লীদের উপর সালাম দেওয়াকে মাকরূহ বলেছেন। তবে হাম্বলীরা জায়েয বলেছেন। কেননা ইবনু ওমর
উত্তর : অন্যূন সাত বছর জেল খাটার পর বাদশাহর এক স্বপ্নের ব্যাখ্যা দানের পুরস্কার স্বরূপ তাঁর মুক্তি হয়। পরে তিনি বাদশাহর অর্থ ও রাজস্ব মন্ত্রী নিযুক্ত হন এবং বাদশাহর আনুকূল্যে তিনিই হন সমগ্র মিসরের একচ্ছত্র শাসক। ইতিমধ্যে ‘আযীযে মিছর’ ক্বিৎফীর
উত্তর : না, নির্ধারিত ৯৯টি নাম নয়; বরং বিদ্বানগণ পবিত্র কুরআন ও হাদীছ সমূহ থেকে আল্লাহর দুই শতাধিক গুণবাচক বা ‘ছিফাতী’ নাম সাব্যস্ত করেছেন (তাফসীর কুরতুবী)। এগুলিকে ‘আসমাউল হুসনা’ বলা হয়। তন্মধ্যে যেকোন ৯৯টি নাম যে ব্যক্তি পূর্ণ ঈমান ও আনুগত্
উত্তর : ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি যাকাত আদায়ের পূর্বে তার ঋণ পরিশোধ করবে। যেমন ওছমান (রাঃ) বলেন, এটি (রামাযান) যাকাতের মাস। অতএব যদি কারো উপর ঋণ থাকে তাহ’লে সে যেন প্রথমে ঋণ পরিশোধ করে। এরপর অবশিষ্ট সম্পদ নিছাব পরিমাণ হ’লে সে তার যাকাত আদায় করবে (মুওয়
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) অধিকাংশ সময় দীর্ঘ জামা তথা প্রচলিত জুববার মত পোষাক পরিধান করতেন (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/৪৩০৫)। তবে ক্বামীছ ও পায়জামাও রাসূল (ছাঃ) মাঝে-মধ্যে পরিধান করেছেন (সাফারেনী, গেযাউল আলবাব ২/২৪১)। বরং ক্বামীছ রাসূল (ছাঃ)-এর অন্যতম প্রিয় পো
উত্তর : ইয়াতীমের জন্য আদায়কৃত সম্পদ থেকে নির্দিষ্ট দায়িত্বশীলগণ প্রাপ্য বেতন গ্রহণ ও প্রয়োজনীয় খাদ্যগ্রহণ করতে পারবেন। যদিও সে সম্পদ যাকাতের হয়। কেননা যাকাতের একটি খাত রয়েছে, যা আমেল তথা দায়িত্বশীলগণের জন্য নির্দিষ্ট (তওবা ৯/৬০)। তবে কর
উত্তর : মসজিদের আন্ডারগ্রাউন্ড মসজিদেরই অংশ হওয়ায় মহিলারা সেখানে জামা‘আতে ছালাত আদায় করতে পারবে। তবে ইমামের অনুসরণের জন্য তাকবীর শুনতে হবে (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১২/২১৩; ফাতাওয়া ইসলামিয়া ২/৮)।প্রশ্নকারী : সাইফুল ইসলাম, কাজলা, রাজশাহী।
উত্তর : কুকুরে কামড়ানো প্রাণী বেঁচে থাকলে যবেহ করে খাওয়া যাবে (ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী ৯/৩২২; তাফসীরে ইবনু কাছীর, মায়েদাহ ৩ আয়াতের ব্যাখ্যা দ্রষ্টব্য)। আল্লাহ হালাল প্রাণীর বর্ণনা দিয়ে বলেন, হিংস্র জন্তুতে খাওয়া পশু, তবে যা তোমরা যবেহ দ্বারা হালাল করে
উত্তর : কেবল অপসন্দের দোহাই দিয়ে স্ত্রীকে তালাক দেওয়া ঘৃণিত কাজ। বরং স্ত্রীর কোন কিছু অপসন্দ হ’লে মনে করতে হবে আল্লাহ হয়ত এর মধ্যে কল্যাণ রেখেছেন। আল্লাহ বলেন, তোমরা স্ত্রীদের সাথে সদ্ভাবে বসবাস কর। যদি তোমরা তাদের অপসন্দ কর, (তবে হ’তে পারে)
উত্তর : তাদের প্রথম বিবাহটি শরী‘আতসম্মত হয়নি। কারণ তাতে পিতা বা অভিভাবকের সম্মতি ছিল না। আর রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে নারী তার অলীর অনুমতি ছাড়া বিবাহ করবে, তার বিবাহ বাতিল, বাতিল, বাতিল’ (তিরমিযী হা/১১০২; মিশকাত হা/৩১৩১; ছহীহুল জামে‘ হা/২৭০৯)। অত
উত্তর : এটি সুস্পষ্ট প্রতারণা ও মিথ্যার শামিল, যা থেকে বেঁচে থাকা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আবশ্যক। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে প্রতারণার আশ্রয় নেয়, সে আমার দলভুক্ত নয়’ (মুসলিম হা/১০২; মিশকাত হা/২৮৬০)। এক্ষণে করণীয় হ’ল, যে কয় বছরে অতিরিক্ত টাকা ন
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি ছহীহ (ইবনু মাজাহ হা/৭৩৮; ইবনু হিববান হা/১৬১৮; ছহীহুত তারগীব হা/২৭১)। কোন বর্ণনায় এসেছে যে, ‘যে ব্যক্তি পাখির ডিম দেওয়ার বাসার ন্যায় একটি মসজিদ নির্মাণ করবে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করবেন’ (আহমাদ হ
উত্তর : উক্ত বক্তব্যের কোন ভিত্তি নেই। কারণ কোন সূত্র দ্বারা প্রমাণিত নয় যে, তিনি কোন হাদীছের কিতাব সংকলন করেছেন। মূলতঃ তিনি মুহাদ্দিছ ছিলেন না বরং ফক্বীহ ছিলেন। আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক (রহঃ) ফিক্বহের ক্ষেত্রে আবু হানীফা (রহঃ)-এর দক্ষতার ভূয়স
উত্তর : উক্ত সংখ্যাটি বলা হয়েছে শহীদদের মর্যাদায়। যেমন রাসূল (ছাঃ) শহীদদের ৬টি মর্যাদার অন্যতম হিসাবে বলেন, ... তাদের প্রত্যেকের পক্ষ থেকে ৭০ জন নিকটাত্মীয়ের জন্য সুফারিশ কবুল করা হবে (তিরমিযী হা/১৬৬৩; ইবনু মাজাহ হা/২৭৯৯; মিশকাত হা/৩৮৩৪)।
উত্তর : যেহেতু ব্যক্তির অন্য কোন পুরুষ ওয়ারিছ নেই। সেজন্য নাতির মেয়ে ও ছেলেরা ওয়ারিছ হবে। তবে নাতির স্ত্রী এই সম্পত্তির কোন ওয়ারিছ হবে না। কারণ তার স্বামী উক্ত সম্পত্তির মালিক হওয়ার পূর্বে মারা গেছে। এক্ষণে নাতির দুই ছেলেকে ছেলে ও দুই মেয়ে ও
উত্তর : বিবাহের ক্ষেত্রে কন্যা পক্ষের কোন দায়িত্ব নেই মেহমানদারী ব্যতীত। আর ছেলে পক্ষের উপর অলীমা করা ওয়াজিব। এক্ষণে প্রশ্নমতে নেকীর কাজে যে কেউ যে কাউকে সাহায্য করতে পারে (মায়েদাহ ৫/২)। বরং এরূপ ভালো কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা করা উত্তম। ৫ম হিজর
উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, সন্তানের সাথে আক্বীক্বা জড়িত। অতএব তোমরা তার পক্ষ হতে রক্ত প্রবাহিত কর এবং তার থেকে কষ্ট দূর করে দাও (অর্থাৎ তার জন্য একটি পশু যবহ কর এবং তার মাথার চুল ফেলে দাও)’ (বুখারী, মিশকাত হা/৪১৪৯ ‘আক্বীক্বা’ অনু
উত্তর : সম্মানিত লেখক হয়তবা ইবনু ওমর (রাঃ) বর্ণিত উক্ত হাদীছটি সঠিকভাবে বুঝতে সক্ষম হননি। কেননা হাদীছের শেষে বলা হয়েছে, ইবনু ওমর (রাঃ) বলছেন যে, আমি তখন ছোট ছিলাম’ (আহমাদ, আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৪৮১১ ‘শিষ্টাচার’ অধ্যায় ‘বক্তৃতা ও কবিতা’ অ
উত্তর: বরযখ শব্দের অর্থ অন্তরায় ও পৃথককারী। শরী‘আতের পরিভাষায় মৃত্যর পর হতে ক্বিয়ামত পর্যন্ত সময়কালকে বরযখ বলা হয়। এটা দুনিয়া ও আখেরাতের জীবনের মধ্যেকার প্রাচীর। আল্লাহ বলেন, তাদের সামনে পর্দা থাকবে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত (ম’ুমিনূন ১০০)। ক্ব
উত্তর : উক্ত মর্মে সমাজে যে বর্ণনা প্রচলিত আছে তা ভিত্তিহীন (সিলসিলা যঈফাহ হ/৫১০৩)। এবিষয়ে সঠিক আক্বীদা হল, আল্লাহ তা‘আলা আরশের উপরে সমুন্নীত। এ সম্পর্কে কুরআনে সাতটি আয়াত বয়েছে (সূরা ইউনুস ৩; আ‘রাফ ৫৪; ত্বোয়াহা ৫; ফুরক্বান ৫৯; সাজদাহ ৪; হাদীদ ৪)। এক
উত্তর : যবহকৃত হালাল পশুর প্রবাহিত রক্ত ব্যতীত সবই হালাল (আন‘আম ১৪৫)। হানাফী কিতাব সমূহে আরো ছয়টি বস্ত্ত হারাম বলে উল্লেখ আছে। কিন্তু সেগুলি সব ক্বিয়াসী বা অনুমান নির্ভর। সুতরাং হালাল পশুর চামড়া যদি কেউ খেতে চায়, খেতে পারে। তবে স্বাস্থ্যের জন্য
উত্তর: যে দো‘আর সাথে অন্যরা ‘আমীন’ বলে যেমন ক্বুনূতে নাযেলা, এস্তেস্কার দো‘আ ইত্যাদি ব্যতীত বাকী সকল দো‘আ নীরবে পড়া উচিত। কেননা আল্লাহ তা‘আলা এরশাদ করেন, ‘তোমরা প্রতিপালককে মনে মনে বিনয় ও ভীতি সহকারে অনুচ্চস্বরে ডাক’ (আ‘রাফ ২০৫)। প্রশ্নে উল্লেখ
উত্তর : কবরের মাটির চাপ থেকে সৎ অসৎ, মুসলিম অমুসলিম কেউ রক্ষা পাবে না (আহমাদ হা/২৪৩২৮; সিলসিলা ছহীহাহ হা/১৬৯৫)। তবে সবার চাপ একই ধরনের হবে না। মুমিন ব্যক্তি এই চাপে শান্তি অনুভব করবে।
উত্তর : কুরআন শিক্ষা দিয়ে, ইমামতি করে, আযান দিয়ে, দ্বীনী তা‘লীম দিয়ে বিনিময় গ্রহণ করা জায়েয আছে। তবে অর্থ গ্রহণ যেন উদ্দেশ্য না হয়। উদ্দেশ্য হতে হবে আল্লাহর সন্তুষ্টি। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, যে বস্ত্তর উপর তোমরা পারিশ্রমিক গ্রহণ করবে সেগুলো
উত্তর : শিরক ও বিদ‘আত দুইটিই জঘন্য অপরাধ। যদি উক্ত পাপ হতে তওবা না করে কেউ মারা যায়, তাহলে আল্লাহ তাকে জাহান্নামের আগুনে পুড়িয়ে শাস্তি দিবেন। যেমন শিরক সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, নিশ্চয় যে আল্লাহর সঙ্গে শিরক করবে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতকে হারাম কর
উত্তর : চুল ক্রয়-বিক্রয় করা শরী‘আত সম্মত নয়। কারণ যা সংযুক্ত থাকা অবস্থায় বিক্রি করা নাজায়েয়, তা পৃথক হওয়ার পরও নাজায়েয। মানুষের চুল তার অন্যতম। এর দ্বারা মানুষের মর্যাদার হানি হয় (নববী, আল-মাজমূ‘ ৯/২৫৪ পৃঃ)।
উত্তর : এ ধরনের মসজিদে ছালাত আদায় করার কারণে ছালাতে একাগ্রতা নষ্ট হলে ইমাম পাপী হবে। তবে মুক্তাদীর ছালাত হয়ে যাবে (বুখারী হা/৬৯৪; মিশকাত হা/১১৩৩ ‘ইমামের কর্তব্য’ অনুচ্ছেদ)। আর ছালাতের সময় হয়ে গেলে একাকী আউয়াল ওয়াক্তে ছালাত আদায় করে নিতে হবে।
উত্তর: উক্ত অবস্থায় শুধু সূরা ফাতেহা পড়বে (বুখারী হা/৭৫৭; মুসলিম হা/৫০৭)। আর ইমাম সালাম ফিরানোর পর দাঁড়িয়ে এক রাক‘আত পড়ে বৈঠক করবে। অতঃপর আরেক রাক‘আত পড়ে বৈঠক শেষে সালাম ফিরাবে। পিছনে আসা ব্যক্তি ইমামের সাথে যে রাক‘আত পাবে সেটাই তার প্রথম রাক‘আ
উত্তর: ওয়ারিছগণ কে কতটুকু পাবে তা স্বয়ং আল্লাহ নির্ধারন করে দিয়েছেন (নিসা ৭, ১১)। কিন্তু সেটা পাবে মৃত্যুর পরে, আগে নয়। তবে কেউ যদি জীবিত অবস্থায় বন্টন করতে চায়, তাহলে অবশ্যই সব ওয়ারিছকে অংশ মত দিতে হবে। তবে এটা হ’তে হবে সাময়িক ভিত্তিতে কেবল মৌ
উত্তর : স্বামী-স্ত্রীর মিলনের মাধ্যমে সন্তান আসে। কিন্তু মিলন হলেই সন্তান হবে এমনটি নয়। কারণ এটা সম্পূর্ণ আল্লাহ্র হাতে (শূরা ৪৯-৫০)। তাছাড়া অন্যত্র বিবাহ হলে সন্তান হবেই মর্মে কোন নিশ্চয়তা নেই। কাজেই ধৈর্যধারণ করে স্বামীর সাথে জীবন-যাপন করাই ভাল
উত্তর : সোনা-চাঁদীর নিছাব অনুযায়ী টাকার যাকাত নির্ধারিত হবে। অর্থাৎ বর্তমান ওযন অনুযায়ী ৮৫ গ্রাম সোনা এবং ৫৯৫ গ্রাম চাঁদী। প্রয়োজনীয় খরচ বাদে যা অবশিষ্ট থাকবে এবং এক বছর তার উপর অতিবাহিত হলে সঞ্চিত টাকার উপর যাকাত ওয়াজিব হবে। শতকরা আড়াই ভাগ হ
উত্তর : এজন্য তাদেরকে তওবা করতে হবে এবং এক দীনার বা অর্ধ দীনার ছাদাক্বা করতে হবে (আবুদাঊদ হা/২৬৪; মিশকাত হা/৫৫৩)। এটি ছিল নবী যুগের স্বর্ণমুদ্রার নাম। এখন সেখানে তা নেই। অতএব স্ব স্ব দেশের মুদ্রায় কিছু ছাদাক্বা করা উত্তম। ইমাম আহমাদ (রহঃ) বলেন, ন
উত্তর : অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শের আলোকে যদি মায়ের জীবনের হুমকি থাকে তাহলে গর্ভস্থিত ভ্রূণ ফেলে দেয়া জায়েয। অন্যথায় শরী‘আতের দৃষ্টিতে গর্ভপাত করা হারাম (বাক্বারাহ ২০৫)। আর দারিদ্রে্যর ভয়ে সন্তান হত্যা করা হলে তা হবে আরো বড় পাপ (বনু ইসরাঈল ৩১)।
উত্তর : ওটা নারী জিন ছিল। উযযা মূর্তির রূপ ধরে মহিলা জিন মূর্তিপূজা করার জন্য উৎসাহ দিত। এজন্য রাসূল (ছাঃ) উক্ত নগ্ন নারী জিনকে প্রকৃত উযযা বলেছেন (নাসাঈ কুবরা হা/১১৫৪৭)। উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) বলেন, প্রত্যেক মূর্তির সাথে একজন করে নারী জিন থাকে’ (আ
উত্তর : যদি প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্রে বিভিন্ন মেয়াদে পৃথক পৃথক শিক্ষক থাকার বিষয়টি আবশ্যিক থাকে, তবে প্রতিষ্ঠান প্রধান দায়ী হবেন। আর তা না থাকলে কমিটির পরামর্শে প্রধান শিক্ষক যাকে যোগ্য মনে করবেন তার নাম প্রস্তাব করতে পারেন। এতে একই শিক্ষক একাধ
উত্তর : উক্ত ফৎওয়া সঠিক নয়। কারণ রাসূল (ছাঃ), আবুবকর (রাঃ) এবং ওমর (রাঃ) মিনাতে ছালাত ক্বছর করে করতেন। মক্কার স্থানীয় ব্যক্তিরাও তাঁদের সাথে ক্বছর করতেন। তবে ওছমান (রাঃ) তাঁর খেলাফতের প্রথমদিকে ক্বছর করতেন এবং পরবর্তীতে পুরা পড়তেন (বুখারী হা/
উত্তর : বিয়ে অনুষ্ঠান ভিডিও করা যাবে না। কারণ এটি স্রেফ সখ মাত্র। ধর্মীয় অনুষ্ঠান ভিডিও করা যায় সেখান থেকে ধর্মীয় উপদেশ লাভের জন্য।বর্তমান টিভি চ্যানেলগুলিতে পাপের অংশই বেশী। রাসূল (ছাঃ) বলেন, আদম সন্তানের উপর ব্যভিচারের একটি অংশ নির্ধারিত আছে। চ
উত্তর : ওযূর শুরুতে যে ‘বিসমিল্লাহ’ বলবে না তার ওযূ হবে না (আবুদাঊদ হা/১০১; ইবনু মাজাহ হা/৩৯৮, সনদ হাসান ছহীহ)।
উত্তর : মসজিদের জমি যদি কেউ ক্রয় করতে না চায়, তবে মসজিদ সংস্কারের স্বার্থে জমি দাতা নিজে তা ক্রয় করে নিতে পারেন (ফাতাওয়া ইবনু তায়মিয়াহ, ৩১/২১৬)।
উত্তর : প্রতারণাকারী ব্যক্তিই দায়ী হবে। কারণ সে দু’টি অন্যায় করেছে। একটি হচ্ছে অন্যের সম্পদ নিজ নামে করে নেওয়া। দ্বিতীয়টি হচ্ছে জমি ফেরত না দেওয়া। উক্ত দু’টি অন্যায়ই বান্দার হকের সাথে জড়িত, যা বান্দা ক্ষমা না করা পর্যন্ত আল্লাহ ক্ষমা করেন না (ব
উত্তর : যাবে না। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘কোন ছবি পেলে তাকে ধুলিসাৎ করে দাও’ (মুসলিম হা/৯৬৯)। তাছাড়া এতে কোন কল্যাণ নেই। বরং মায়ের অদৃশ্য স্মৃতি বুকে ধারণ করে তার জন্য প্রাণভরে দো‘আ ও ছাদাক্বা করার মধ্যেই প্রকৃত কল্যাণ নিহিত রয়েছে (মুসলিম, মিশকাত
উত্তর : (১) অত্যাচারীর অত্যাচার প্রকাশ করার জন্য (২) সমাজ থেকে অন্যায় দূর করা এবং পাপীকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সাহায্য করার জন্য (৩) হাদীছের সনদ যাচাই ও ফৎওয়া জানার জন্য (৪) মুসলিমদেরকে মন্দ থেকে সতর্ক করা ও তাদের মঙ্গল কামনার ক্ষেত্র
উত্তর : মাদানী জীবনে প্রথম জানাযার বিধান জারি হয়। ১লা হিজরীর শাওয়াল মাসে বদর যুদ্ধের পূর্বে খ্যাতনামা আনছার ছাহাবী আস‘আদ বিন যুরারাহ (রাঃ) অল্প বয়সে মৃত্যুবরণ করেন এবং ১ম ছাহাবী হিসাবে বাক্বী‘ গোরস্থানে কবরস্থ হন। তিনিই ছিলেন ১ম মাইয়েত, আল্লা
উত্তর : জুম‘আর ছালাতের পূর্বে চার রাক‘আত ছালাত আদায় করা সম্পর্কে ইবনু মাজাহতে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (যঈফ ইবনে মাজাহ হা/১১২৯)। তবে খত্বীব মিম্বরে বসার আগ পর্যন্ত যত রাক‘আত খুশী নফল ছালাত আদায় করা যাবে (মুসলিম, মিশকাত হা/১৩৫৮, ১৩৮৪, ৮৭)।
উত্তর : বার বার হজ্জ ও ওমরাহ না করে দরিদ্র ও অসহায় পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন ও ইয়াতীমদের প্রতি লক্ষ্য রাখা এবং তাদের মাঝে অর্থ দান করা উত্তম (ফাতাওয়া ওছায়মীন, ২১/২৮ পৃঃ)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ঐ ব্যক্তি মুমিন নয় যে পেট ভরে খায়। অথচ তার তার প
উত্তর : মাদরাসায় দান করার কথা বলার কারণে উক্ত জমি যে কোন মাদরাসায় দিতে হবে (ফিক্বহুস সুন্নাহ ‘হেবা’ অনুচ্ছেদ)। মাদরাসা বলতে কেবল ঐগুলিকে বলা হয়, যেখানে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ অনুযায়ী আক্বীদা ও আমল শিক্ষা দেওয়া হয়। পক্ষান্তরে দ্বীনী ইলমের নামে
উত্তর : উক্ত দাবী সঠিক নয়। মহিলারা গহনা ও অলংকার পরিধান করতে পারে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ঈদের ছালাত ও খুৎবা প্রদানের পর মহিলাদের নিকট গিয়ে নছীহত করলেন ও তাদের ছাদাক্বা করার উপদেশ দিলেন। ফলে তারা কান ও গলার গহনা খুলে বেলালের নিকট দিতে লাগলেন (মুত্
উত্তর : এটা কুফরী আক্বীদা। ইসলামে পীরের কোন অস্তিত্ব নেই। কারণ আল্লাহ ও রাসূল (ছাঃ) কোন পীরের অনুসরণ করার নির্দেশ দেননি। আল্লাহ বলেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও তোমাদের আমীরের আনুগত্য কর’ (নিসা ৫৯)। যিনি আল্লাহ্র কিতাব অনুযায়ী তোম
উত্তর : স্বামীর সংসারের ক্ষতি না হলে এবং এরূপ দানে স্বামী সন্তুষ্ট থাকবে বলে মনে করলে উক্ত দান শরী‘আত সম্মত হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, স্ত্রী তার স্বামীর খাদ্য সামগ্রী হতে ছাদাক্বা করলে এবং তাতে বিপর্যয়ের উদ্দেশ্য না থাকলে সে ছওয়াব পাবে। উপ
উত্তর : প্রতারণা ও মিথ্যা কৌশল থেকে মুক্ত হলে এ ধরনের ব্যবসা বৈধ হবে (মুসলিম হা/২৯৪; মিশকাত হা/৩৫২০)।
উত্তর : অঙ্গীকার ভঙ্গ করা মুনাফিকের আলামত সমূহের অন্যতম (বুখারী হা/৩৩; মিশকাত হা/৫৫)। আর ক্বিয়ামতের দিন সফলকাম মুমিন তারাই, যারা অঙ্গীকার পূর্ণ করে (মুমিনূন ৮)। অতএব যদি কেউ কোন ব্যক্তির দেনার দায় গ্রহণ করে তাহ’লে এ দায়িত্ব হতে সে মুক্ত হতে পারবে না
উত্তর : ছালাত, ছিয়াম আদায় করা সত্ত্বেও যদি কেউ টাখনুর নীচে পোশাক পরিধান করে, তাহলে অবশ্যই তার ঈমানে দুর্বলতা আছে। এরা তওবা না করলে আল্লাহ তা‘আলা ক্ষমা করবেন না। রাসূল (ছাঃ) এরশাদ করেন, যারা টাখনুর নীচে কাপড় পরিধান করে, ক্বিয়ামতের দিন আল
উত্তর : পারবে (বুখারী, মিশকাত হা/১১৩৯)। হুমায়দী বলেন,إِذَا صَلَّى جَالِسًا فَصَلُّوْا جُلُوْسًا، هُوَ فِى مَرَضِهِ الْقَدِيْمِ ثُمَّ صَلَّى بَعْدَ ذَلِكَ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَالِسًا وَالنَّاسُ خَلْفَهُ قِيَامًا لَمْ يَأْ
উত্তর : হুসাইন বিন মানছূর বিন মাহমা আল-হাল্লাজ (২৪৪-৩০৯ হিঃ/৮৪৮-৯২২ খৃঃ) ইরানের বায়যা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। ওয়াসিত্বে বড় হন। পরে বাগদাদে চলে আসেন। তিনি ভারতে যান ও সেখানে জাদু বিদ্যা শিখেন। বাগদাদে ফিরে তিনি প্রথমে ‘নবী’ দাবী করেন। অতঃপর সৃষ
উত্তর : প্রতিষ্ঠানের নিয়ম না মানলে অবশ্যই দায়িত্ব সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, সাবধান! তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল। আর (ক্বিয়ামতের দিন) তোমরা প্রত্যেকে স্ব স্ব দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে
উত্তর : মাহরাম ব্যতীত মহিলাদের একাকী বের হওয়া শরী‘আতে নিষিদ্ধ (বুখারী হা/৩০০৬; মিশকাত হা/২৫১৩)। তবে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা থাকলে একান্ত বাধ্যগত প্রয়োজনে মুখমন্ডলসহ সমস্ত শরীর আবৃত করে সাবধানতার সাথে বাজারে যেতে পারে (ফাৎহুল ক্বাদীর ৪/৩০৪, আহযাব ৫৯ আয়াতে
উত্তর : প্রকৃত আহলেহাদীছ যারা, তাদের মধ্যে কোন দলাদলি নেই। কারণ আক্বীদাগতভাবে সকল আহলেহাদীছই এক। শরী‘আতের ব্যাখ্যাগত বুঝের পার্থক্যের কারণে কিছু প্রশাখাগত বিষয়ে মতভেদ থাকা স্বাভাবিক। মতভেদ থাকলেও জামা‘আতগতভাবে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ এসেছে হাদ
উত্তর : উক্ত দাবী পুরোটাই মিথ্যা ও বানোয়াট। আল্লাহ নবীকে সৃষ্টি না করলে পৃথিবী সৃষ্টি করতেন না এ মর্মে বর্ণিত হাদীছটি জাল (সিলসিলা যঈফাহ হা/২৮২)। ময়ূররূপে গাছে রাখা হয় এবং শরীরের ৭ ফোটা ঘাম হতে পৃথিবী সৃষ্টি করা হয় এগুলো সব বানোয়াট কথা। পৃথিবীকে
উত্তর : এগুলো সামাজিক কুসংস্কার। বরং উক্ত বর্ণনা ছহীহ হাদীছের বিরোধী। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেন, কালোজিরা মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের ঔষধ (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৪৫২০)।
উত্তর : ইবলীস ফেরেশতাদের সরদার ছিল একথা ঠিক নয়। তবে ইবলীস কাজে-কর্মে ফেরেশতাদের সাথে মিশে গিয়েছিল এবং ইবাদতে তাদের সদৃশ হয়েছিল। একারণে তাকে ফেরেশতাদের সাথে সম্বোধন করা হয়েছে (তাফসীরে ইবনে কাছীর, সূরা কাহাফ ৫০ আয়াতের ব্যাখ্যা দ্রঃ)। এতে সে অহংকা
উত্তর: উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। আল্লাহ তা‘আলা আগেই স্বপ্নযোগে রাসূল (ছাঃ)-এর সাথে আয়েশা (রাঃ)-এর বিবাহের সুসংবাদ দিয়েছিলেন (বুখারী হা/৩৮৯৫; মুসলিম হা/৬৪৩৬)। বিবাহের উক্ত প্রস্তাব আয়েশা (রাঃ) ক্ষেত্রে নয়, বরং ওমর (রাঃ) তাঁর মেয়ে হাফছা (রাঃ)-এর
উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা আরশে থাকলেও তিনি জ্ঞান ও দৃষ্টির দিক দিয়ে বান্দার গ্রীবাদেশের রগ অপেক্ষাও নিকটে থাকেন (ক্বাফ ১৬)। আর ঈমানের উচ্চ স্তর হল, ইবাদত সমূহ এই বিশ্বাস নিয়ে করা যে, যেন বান্দা তাঁকে সামনে দেখছে। তা না হলে আল্লাহ যেন বান্দাকে দ
উত্তর : সরকার বয়স্ক ভাতা ঐসব লোকদের জন্যই প্রদান করে যারা অসহায় এবং যাদের কোন অবলম্বন নেই। এক্ষণে কোন সম্পদশালী ব্যক্তি যদি সরকারের দৃষ্টি এড়িয়ে এ ভাতা তার পিতা-মাতার জন্য গ্রহণ করে তা তার জন্য কখনোই বৈধ হতে পারে না। বরং সন্তান স্বয়ং পিতা-মাত
উত্তর : নবী (ছাঃ) জীবিত নন বরং তিনি মারা গেছেন। আল্লাহ বলেন, প্রত্যেক প্রাণীকে মরণের স্বাদ গ্রহণ করতে হবে (আম্বিয়া ৩৪)। আল্লাহ অন্যত্র বলেন, নিশ্চয়ই আপনি মরণশীল ও তারাও মরণশীল (যুমার ৩০)। আমাদের নবী (ছাঃ)-কে মরণের স্বাদ গ্রহণ করতে হয়েছে (বুখারী, মুসল
উত্তর : ইসলামী শারী‘আতে আযানের সময় মাথায় কাপড় দেয়ার কোন বিধান নেই। ইসলাম পরপুরুষের সামনে মাথা ঢাকাসহ সম্পূর্ণ শরীর আবৃত করে পর্দা করার নির্দেশ দিয়েছে (নূর ৩১)। অতএব শুধুমাত্র আযানের সময় এরূপ করাটা কুসংস্কার মাত্র।
উত্তর : যে পণ্য আনতে সরকারী অনুমতির প্রয়োজন হয়, সে পণ্য সরকারী ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে নিয়ে আসলে সে পণ্যের ব্যবসা অবৈধ হিসাবে গণ্য হবে।
উত্তর : উক্ত কথা সঠিক নয়। কারণ অতি বৃষ্টি কোন কোন সময়ে গযব হিসাবে দেখা দিতে পারে। কিন্তু তা সত্ত্বেও সে পানি পান করা বা ব্যবহার করা নিষেধ নয়। অনুরূপভাবে শিলাবৃষ্টিও ধরতে এবং খাওয়াতে কোন সমস্যা নেই। কারণ আল্লাহ্ তা‘আলা সব কিছুকেই মানুষের উপকার
উত্তর : উক্ত আচরণ যুলুমের অন্তর্ভুক্ত। এই যুলুম ক্বিয়ামতের দিন তার জন্য ঘন অন্ধকার হিসাবে দেখা দিবে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৫১২৩)। তবে ইসলাম পরস্পরকে হাদিয়া দিতে উৎসাহিত করেছে। পরস্পরের মাঝে ভালোবাসা সৃষ্টিতে তা সহায়ক ভূমিকা রাখে (ছহীহ আল-আদাবু
উত্তর : এমতাবস্থায় স্ত্রীর উচিত হবে স্বামীকে বাধা প্রদান করা। কারণ এটি একটি অন্যায় কাজ আর অন্যায়ের প্রতিবাদ করা প্রত্যেক মুমিনের ঈমানী দায়িতব (মুসলিম, মিশকাত হা/৫১৩৭)।
উত্তর : ছালাতে প্রবেশের আগেই মোবাইল বন্ধ করতে হবে। যদি ভুলে যায় এবং ছালাতের মধ্যে মোবাইল ফোন বেজে ওঠে, তবে তা সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দিতে হবে।
উত্তর : প্রথমে যৌতুক পরিশোধ করে নিজেকে দায়মুক্ত করতে হবে। মোহরানা পরিশোধ করতে দেরী হলেও তাতে কোন ক্ষতি নেই।
উত্তর : জন্মনিরোধক কিছু ব্যবহার করা মৃত্যু বা স্বাস্থ্যগত ক্ষতির আশংকা ব্যতীত ইসলামে নিষিদ্ধ। কিন্তু বর্তমান সমাজে জন্মনিরোধ একটি স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। এমতাবস্থায় এরূপ ঔষধ বিক্রয় করা গুনাহের কাজে সহযোগিতার অন্তর্ভুক্ত হবে। আর গুনাহের ক
উত্তর : সাহারীর সময়সূচীর ১ মিনিট বাকী থাকলেও সে সময় এক লোকমা খাদ্য বা এক ঢোক পানি পান করলে সাহারী আদায় হয়ে যাবে এবং সাহারী খাওয়ার ফযীলত পাওয়া যাবে। তাছাড়া সাহারী খেতে না পারলেও ছিয়ামের নিয়ত করলে ছিয়াম আদায় হয়ে যাবে (বুখারী, ফাৎহুল বারী ৪/১৭৫ হা
উত্তর : উক্ত কবর যদি পুরাতন হয় এবং মৃত ব্যক্তির হাড়সহ কোন চিহ্নই যদি না থাকে, তাহলে সে স্থানকে চাষাবাদসহ প্রয়োজনে যে কোন উপকার গ্রহণের জন্য ব্যবহার করা যাবে (ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/৪৭২ পৃঃ; আলবানী, তালখীছু আহকামিল জানায়েয, পৃঃ ৯১)। তাছাড়া সমস্যা
উত্তর : পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের মাধ্যমে দ্বীন পরিপূর্ণ হয়েছে (মুস্তাদরাকে হাকেম হা/৩১৮)। ছহীহ এবং হাসান উভয় হাদীছই গ্রহণযোগ্য। অন্যান্য হাদীছ বলতে যঈফ, জাল ও বানোয়াট হাদীছ কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়। এধরনের হাদীছের উপর কোন অবস্থাতেই আমল
উত্তর : ইবাদত হিসাবে মুছল্লী ব্যক্তি দ্বারা খবর খনন করাই উচিত (ছহীহ তারগীব হা/৩৪৯২)। তবে প্রয়োজনের তাকীদে কবর খনন এবং লাশ বহনের কাজে ছালাত পড়ে না এমন ব্যক্তির সহযোগিতা নেয়া যাবে। কিন্তু কাফন পরানো, কবরে নামানো এবং দাফনের কাজগুলো তাদের দ্বারা কর
উত্তর : এরূপ ছবি সম্বলিত পণ্য বিক্রি করা যাবে। মূলতঃ ছবিকে সম্মান দেখানো ও যত্ন করা উদ্দেশ্য হলে তা হারাম হবে। এরপরেও ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়কে চেষ্টা করতে হবে প্রাণীর ছবি থেকে দূরে থাকা আল্লাহ বলেন, তোমরা সাধ্যমত আল্লাহকে ভয় কর (তাগাবুন ১৬)।
উত্তর : ছালাত ব্যতীত অন্য যে কোন সময়ে নবী (ছাঃ)-এর নাম নিজে পড়লে অথবা অন্য কারো কাছে শুনলে অবশ্যই সংক্ষিপ্ত দুরূদ ‘ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ পাঠ করতে হবে। রাসূল (ছাঃ) নিজের উপর দরূদে ইবরাহীমী পাঠ করতেন এবং তা ছাহাবীগণকে শিখিয়ে দিয়েছেন
উত্তর : পিতা-মাতার মাথায় হাত রেখে অথবা সন্তানের মাথায় হাত রেখে কসম করা শিরক। রাসূল (ছাঃ) এভাবে কসম করতে নিষেধ করেছেন এবং আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন কিছুর দ্বারা কসম করাকে শিরক অথবা কুফরী আখ্যা দিয়েছেন (আবুদাঊদ হা/৩২৪৮, ৩২৫১)।
উত্তর : সন্তান হত্যা করা মহাপাপ (ইসরা ১৭/৩১)। বাসূল (ছাঃ) একে বড় গুনাহ্ সমূহের অন্তর্ভুক্ত করেছেন (মুসলিম হা/৮৬)। সুতরাং তওবা না করে মারা গেলে কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে (তাকভীর ৮১/৮-৯)।
উত্তর : মশা সহ ক্ষতিকর বা কষ্টদায়ক কীটপতঙ্গ মারা যাবে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/২৬৯৮)। তবে তা যেন বেশী করা না হয়। কারণ তা ছালাত বিনষ্ট হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এছাড়া ছালাতের মধ্যে এদিক-ওদিক তাকানো খুবই অপসন্দনীয় কাজ। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ছালাতের
উত্তর : ছালাতের বাইরে উক্ত সময়ে কুরআনে ও ছহীহ হাদীছে বর্ণিত দো‘আ সমূহ ছাড়াও নিজ নিজ ভাষায়ও মনে মনে দো‘আ পড়া যাবে (ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) ৪র্থ সংস্করণ পৃঃ ১৩৩)।
উত্তর : উক্ত ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। একজন নবীর স্ত্রী সম্পর্কে এধরনের কথা রটনা করা মহা অন্যায়। বিভিন্ন তাফসীর গ্রন্থে ও ইসরাঈলী বর্ণনায় এগুলো পাওয়া যায়। ‘শয়তান এসে তাকে বলল, আপনার স্ত্রী যেনা করে ধরা পড়ায় তার মাথার চুল কেটে নিয়েছে’ উক
উত্তর : যাবে (মুছান্নাফ ইবনু আবী শায়বা, ইরওয়া হা/৭৩৪, ৩/১৮১)।
উত্তর : উক্ত আয়াত থেকে অনেকে বুঝেছেন যে, জাহান্নামে কাফেরদের শাস্তি স্থায়ী হবে না। একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত শাস্তি হবে। অর্থাৎ যতদিন আসমান ও যমীন বিদ্যমান থাকবে ততদিন তাদের শাস্তি হবে। উক্ত ধারণা সঠিক নয়। কারণ আরবদের রীতি ছিল, কোন জিনিসের স
উত্তর : পবিত্র কুরআনে মায়ের পেটের কথা বলা হয়নি। বরং রেহেমের কথা বলা হয়েছে (লোকমান ৩৪)। আল্লাহ তা‘আলা মানুষকে তার মায়ের গর্ভে তিনটি অন্ধকারের মধ্যে সৃষ্টি করেছেন (যুমার ৬)। তিনটি অন্ধকার বলতে প্রথমটি রেহেম, দ্বিতীয়টি মাশীমা (المشيمة) বা গর্ভফুল আর তৃত
উত্তর : পুরুষ ও মহিলার মাঝে পার্থক্য করার জন্য দো‘আর সর্বনাম পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই। কারণ এখানে উদ্দেশ্য হল ‘মাইয়েত’। আর ‘মাইয়েত’ (ميت) শব্দটি স্ত্রী ও পুরুষ উভয় লিঙ্গে ব্যবহৃত হয় (আওনুল মা‘বূদ হা/৩১৮৪-এর ভাষ্য ৮/৪৯৬; নায়ল ৫/৭২, ৭৪; ছালাতুর
উত্তর : যারা ছিয়াম পালন করে না, তাদেরও ফিৎরা আদায় করতে হবে। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর ফিৎরা ফরয করেছেন (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/১৮১৫, ‘ছাদাক্বাতুল ফিৎর’ অনুচ্ছেদ)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ফিৎরা হচ্ছে ফক্বীর-মিসকীনদের খাদ্য
উত্তর : কোন বিষয়ে আদেশ ও নিষেধকারীর জন্য দু’টি বিষয় ওয়াজিব। এক : নিজে সৎ কাজ করা। দুই : অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকা। এক্ষেত্রে প্রথমটির ত্রুটির কারণে দ্বিতীয়টির ফারযিয়াত বাতিল হবে না। কেননা তার জন্য শরী‘আতের বিধি-বিধান পরিপূর্ণরূপে পালন করা শর্ত ন
উত্তর : উক্ত দাবী সঠিক নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) জানাযার ছালাতের পূর্বে উক্ত ভাষণ দেননি। বরং কবর খনন করলে তিনি অনতিদূরে বসে কবরের বর্ণনা দিচ্ছিলেন (আহমাদ হা/১৮৫৫৭; ছহীহুল জামে‘ হা/১৬৭৬)। বর্তমানে জানাযার পূর্বে ধারাবাহিকভাবে একের পর এক ভাষণ দেওয়ার
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। কেননা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন যে, তোমরা ছালাতে সূরা ফাতিহা পাঠ কর এবং কুরআন থেকে যা সহজ মনে কর’ (আবুদাঊদ হা/৮১৮, ৮২০)। তবে ধারাবাহিক পড়া উত্তম।
উত্তর : কুরআনের কোথাও সাত দিনের কথা নেই। আল্লাহ তা‘আলা সবকিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, যা কুরআনের সাত জায়গায় এসেছে (আ‘রাফ ৫৪; ইউনুস ৩; হূদ ৭; ফুরক্বান ৫৯; সাজদাহ ৪; ক্বাফ ৩৮; হাদীদ ৪; দ্রঃ মু‘জামুল মুফাহরাস লি আলফাযিল কুরআনিল কারীম, পৃঃ ৪২২)।
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। বরং সর্বাবস্থায় মিসওয়াক করা সুন্নাত। চাই তা দিনের প্রথম ভাগে হোক কিংবা দ্বিপ্রহরের পরে হোক। আমির বিন রাবী‘আ (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে ছিয়াম অবস্থায় অসংখ্যবার মিসওয়াক করতে দেখেছি। নবী করীম (ছাঃ) বলেন, আ
উত্তর : মূলতঃ মৃতব্যক্তির তার রূহে শাস্তি হয়। তবে কেউ কেউ বলেন, দেহের উপর শাস্তি হয়। একথার জবাবে বলা যায়, দেহে আত্মা স্থাপনের পর রূহ ও দেহ উভয়েরই আযাব হয়। কেননা মানুষের শরীরের চালিকা শক্তিই হল রূহ। রূহবিহীন দেহ মূল্যহীন। তাছাড়া মালাকুল মউত মৃ
উত্তর : ছালাতে সূরা ফাতিহার পর তিনবার আমীন বলা সম্পর্কে ত্বাবারাণীতে যে হাদীছ বর্ণিত হয়েছে তা যঈফ (ত্বাবারাণী কাবীর হা/১৭৫০৭)। উক্ত বর্ণনার সনদে আবু ইসহাক্ব ও সা‘দ ইবনু ছালত নামে দুইজন ত্রুটিপূর্ণ রাবী আছেন। মুহাদ্দিছগণ তাদেরকে যঈফ বলেছেন (তানক্বীহুল
উত্তর : ১১ বা ১৩ রাক‘আত। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) রামাযান মাসে বিতর সহ ১১ রাক‘আতের বেশী রাতের ছালাত (তারাবীহ) আদায় করেননি (বুখারী ১/১৫৪ পৃঃ; মুসলিম ১/২৫৪ পৃঃ; আবুদাঊদ ১/১৮৯পৃঃ; নাসাঈ ১/১৯১ পঃ:; তিরমিযী ১-৯৯ পৃঃ; ইবনু মাজাহ ১/৯৬-৯৭ পৃঃ; মুওয়াত্ত্বা মালেক ১/৭
উত্তর : ইসলামের মূল দর্শন হল তাওহীদের প্রচার ও প্রতিষ্ঠাদান। মানব সমাজে আল্লাহর দ্বীনের বার্তা ছড়িয়ে দেয়ার জন্য কুরআন ও হাদীছে মুসলিম উম্মাহ্কে বহু বার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। এমনকি যদি একটি আয়াতও কেউ জানে, তা প্রচার করার জন্য রাসূল (ছাঃ) ন
উত্তর : হাদীছটির সকল সূত্র যঈফ মিশকাতে (হা/১৩০৬ ‘রামাযানে রাত্রি জাগরণ’ অনুচ্ছেদ) শায়খ আলবানী (রহঃ) হাদীছটিকে যঈফ বলেছেন। অতঃপর বলেন, তবে হাদীছটি আমার নিকটে ‘শক্তিশালী’ (قوى) এ কারণে যে, এর সমার্থক (শাওয়াহেদ) কিছু হাদীছ রয়েছে। উক্ত সমার্থক বর্ণ
উত্তর : যদি কোন পাপী মুসলমান শিরক ও কুফর থেকে বিরত থেকে ঈমানের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে (বাক্বারাহ ২১৭, মায়েদা ৭২) এবং বান্দার হক্ব নষ্ট না করে (বুখারী, মিশকাত হা/৫১২৬)। সাথে সাথে সে পাপ থেকে খালেছ নিয়তে তওবা করে, তবে আল্লাহর অনুগ্রহে সে নিষ্পাপ অবস্থায়
উত্তর : সূদের ক্ষেত্রে এর হার কম হোক বেশী হোক সবই সমান। সূদ প্রসঙ্গে ইসলামের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। এ ব্যাপারে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সূদের যে অংশ বাকী আছে তা ছেড়ে দাও, যদি তোমরা প্রকৃত মুমিন হও। যদি তোমরা ত
উত্তর : এ্যালকোহল তথা মাদকদ্রব্য মিশ্রিত খাদ্য-পানীয় নিঃসন্দেহে হারাম (মায়েদা ৫/৯০-৯১)। তবে আহার্য ব্যতিরেকে বাহ্যিক ব্যবহার্য বস্ত্ততে মাদকের সংস্পর্শ থাকলে তা হারাম হবে কি না এ নিয়ে ওলামায়ে কেরামের মতদ্বৈততা রয়েছে। যেহেতু সেন্টে বা চিকিৎসার ক
উত্তর : কত বছর বয়স থেকে মেয়েরা মাথার চুল রাখবে এ ব্যাপারে কোন ধরা-বাঁধা নিয়ম নেই। মহিলাদের মাথায় চুল লম্বা থাকাই শরী‘আত সম্মত। বিভিন্ন হাদীছ দ্বারা স্পষ্ট বুঝা যায় যে, রাসূল (ছাঃ)-এর যামানায় মহিলাদের মাথায় লম্বা চুল থাকত (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, ম
উত্তর : আল্লাহর যিক্র করতে হবে নীরবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আপনি আপনার প্রভুকে সকাল-সন্ধ্যায় আপন মনে অত্যন্ত বিনীত ও ভীত সন্ত্রস্তভাবে স্মরণ করুন, উচ্চ শব্দে নয়’ (আ‘রাফ ২০৫)। তিনি আরো বলেন, ‘তোমাদের প্রভুকে অত্যন্ত বিনয়ের সাথে এবং সংগোপনে ডাক’ (
উত্তর : শরী‘আতের দৃষ্টিতে ইবাদত দু’প্রকার : ফরয ও নফল (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১৬)। অর্থাৎ আবশ্যিক ও ঐচ্ছিক। সুন্নাত-নফল ঐচ্ছিতের অন্তর্ভুক্ত। নিম্নে প্রশ্নে বর্ণিত পরিভাষাগুলি আলোচিত হ’ল।-১. ফরয : শরী‘আতের যেসব হুকুম অপরিহার্য এবং অকাট্য দলীল
উত্তর : ঐ ইমাম ফাসিক। কিন্তু কাফির নয়। অতএব তার পিছনে ছালাত হবে। তবে সেটা অপসন্দনীয় হবে। আল্লাহ বলেন, তোমার রুকূকারীর পিছনে রুকূ কর (বাক্বারাহ ৪৩)। হাসান বাছরী বলেন, তুমি তার পিছনে ছালাত আদায় কর। বিদ‘আতের গোনাহ বিদ‘আতীর উপর বর্তাবে। মূলতঃ এই ধরনে
উত্তর : সন্তানের সৎকর্ম বা অসৎকর্মের জন্য পিতা-মাতার আমলনামায় নেকী বা গোনাহ যুক্ত হবে এমনটি পাওয়া যায় না। কেননা আল্লাহ বলেন, একের বোঝা অন্যে বইবে না (আন‘আম ৬/১৬৪)। বরং সৎ সন্তান পিতা-মাতার জন্য দো‘আ করলে তা তাদের আমলনামায় যুক্ত হয় (মুসলিম, মিশকাত
উত্তর : পুরুষেরা মাথার মাঝখানে সিঁথি করতে পারে (বুখারী হা/৫৯১৭; মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৪৪২৫)। আর মাথার চুল লম্বা রাখা বা ছোট করে রাখা উভয়টিই জায়েয। এটি ‘সুনানুয যাওয়ায়েদ’ বা অভ্যাসগত সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত। এ ধরনের সুন্নাতকে প্রতিষ্ঠা করা
উত্তর : মৃতব্যক্তি জীবিতদের কর্মকান্ড দেখতে বা তাদের কথাবার্তা শুনতে পায় না। আল্লাহ স্বীয় রাসূল (ছাঃ)-কে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘নিশ্চয়ই আপনি মৃতদেরকে শুনাতে পারেন না’ (নামল ৮০, রূম ৫২)। অন্যত্র তিনি বলেন, ‘আপনি কবরবাসীদেরকে শুনাতে সক্ষম নন’ (ফাত্ব
উত্তর : ‘হূর’ (حُوْرٌ) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। এটি জান্নাতী পুরুষদের জন্য নির্ধারিত। তবে জান্নাতী মহিলাদের জন্য অবশ্যই জান্নাতী স্বামী হবেন। যদিও তাদেরকে হূর বলা হবে না। নারীদের প্রতি পুরুষদের অধিক আসক্তির কারণে কুরআনে পুরুষদের জন্য হূরের কথা বলা
উত্তর : বন্ধক গ্রহীতা বন্ধকী জমি ভোগ করতে পারবে না। এটা পরিষ্কার সূদ। এভাবে জমি নিলে চাষের খরচ ব্যতীত বাকী শস্য মালিকের কাছে ফেরত দিতে হবে। কারণ এটা একটা কর্য। আর কর্যের লাভ ভোগ করা যায় না। ইবনে আববাস (রাঃ) বলেন, যে কর্ম লাভ বহন করে সে কর্য গ
উত্তর : উক্ত নিয়মে কর্য নেয়া যাবে না। কারণ এটা সূদের অন্তর্ভুক্ত। তবে এ টাকার লাভ চুক্তি হারে গ্রহণ করলে জায়েয হবে। আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াকুব বর্ণনা করেন, তিনি ওছমান (রাঃ)-এর সম্পদ নিয়ে ব্যবসা করতেন। আর লাভ উভয়ের মাঝে চুক্তি হারে বণ্টন করা হত
উত্তর : এ সময় জামা‘আতে শরীক হবে। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, ছালাতের জন্য ইক্বামত দেয়া হলে উক্ত ফরয ছালাত ব্যতীত আর কোন ছালাত নেই (মুসলিম, মিশকাত হা/১০৫৮)। পরে সুন্নাত পড়ে নিতে হবে (আবুদাঊদ হা/১২৬৭; মিশকাত হা/১০৪৪)। এজন্য সূর্য ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে
উত্তর : পরবর্তীতে বিবাহ হোক আর না হোক এ কাজ কবীরা গোনাহ। যা তওবা ব্যতীত মাফ হবে না। এমন মানুষ অবিবাহিত হলে তার শাস্তি হচ্ছে একশ’ বেত্রাঘাত (নূর ২)। আর বিবাহিত হলে শারঈ ফায়ছালা অনুযায়ী তাকে রজম করতে হবে (বুখারী হা/৬৮৩১; মিশকাত হা/৩৫৫৬ ও ৩৫৫৭ ‘দন্ড
উত্তর : বাজারের স্বাভাবিক যোগান ও সরবরাহ নীতির মধ্যে থেকে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় জায়েয। এর বাইরে অস্বাভাবিক কিছু করা এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা নাজায়েয। কেননা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যে মওজুদ করল, সে পাপী’ (মুসলিম হা/৪২০৬; মিশকাত হা/২৮৯২)। বা
উত্তর : প্রাপ্ত বয়স্কা হলে তাদের উপর পর্দা ফরয হয় (নূর ৫৯; ফাতাওয়া আরকানিল ইসলাম, পৃঃ ২৬৫)।
উত্তর : উক্ত মর্মে যত ঘটনা বর্ণিত হয়েছে সবই জাল ও যঈফ। তবে মুস্তাদরাকে হাকেমে (হা/৬৩৪৩) ছাহাবী আব্দুল্লাহ বিন যুবায়ের কর্তৃক রাসূল (ছাঃ)-এর শিঙ্গা লাগানোর রক্ত গোপনে পান করার একটি ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পেরে এজন্য রাসূল (ছাঃ) তাক
উত্তর : দরূদের সাথে সাইয়িদিনা শব্দ বলার কোন প্রমাণ নেই। দরূদে ইবরাহীমী এবং সংক্ষিপ্তভাবে ‘ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ পড়ার প্রমাণ পাওয়া যায় (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মুসলিম, মিশকাত হা/৯১৯, ৯২১)।
উত্তর : যাবে। যাকাত বণ্টনের খাতগুলোর মধ্যে একটি খাত আছে ‘ফী সাবীলিল্লাহ’ বা আল্লাহর রাস্তা (তওবা ৬০)। আর আল্লাহর দ্বীন টিকিয়ে রাখার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে দ্বীনী প্রতিষ্ঠান। যেসব প্রতিষ্ঠানে প্রকৃত দ্বীনকে প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে পবিত্র কুরআন ও
উত্তর : কতবার পড়েছিলেন তার প্রমাণ পাওয়া যায় না। তবে আল্লাহ বলেন, অন্ধকার সমূহের ভিতর হতে ইউনুস ডাক দিয়ে বললেন, لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّيْ كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِيْنَ- ‘আপনি ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই। আমি আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করি।
উত্তর : এক বিঘা জমির অর্ধেক মা পাবে। বাকী অর্ধেকের তিন ভাগের দুই ভাগ দুই বোনের মাঝে বণ্টন হবে। বাকী এক ভাগ মৃত খালার পিতা-মাতা বা ভাই-বোন কিংবা ভাই-বোনের ছেলে মেয়েদের মাঝে আছাবা সূত্রে অংশহারে বণ্টন হবে।
উত্তর : ডাহা মিথ্যা। এতে নবী-রাসূলগণের চেয়ে আলেমের সম্মান ২৫ গুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে প্রকৃত আলেমগণ নবীগণের ওয়ারিছ। তাঁরা অন্যদের চেয়ে অনেক গুণে সম্মানী (তিরমিযী হা/২৬৮২; মিশকাত হা/২১২, সনদ হাসান)।
উত্তর : উভয়ের সম্মতি থাকলে এধরনের ব্যবসা জায়েয (তিরমিযী হা/১২৩১; মিশকাত হা/২৮৬৮)।
উত্তর : উক্ত দাবী সঠিক নয়। মূলতঃ কন্যাদ্বয়ের মর্যাদার দিকে লক্ষ্য করে এই উপনাম ব্যবহার করা হয়েছে। এর দ্বারা প্রকৃত ‘নূর’ উদ্দেশ্য নয়। যেমন আদর করে সন্তানকে বলা হয় কলিজার টুকরা, নয়নের মণি ইত্যাদি। এমনকি রাসূল (ছাঃ) তার কন্যা ফাতিমাকে ‘নিজের অং
উত্তর : জামা‘আতের সাথে পড়াই উত্তম হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি শেষ পর্যন্ত জামা‘আতের সাথে রাত্রির ছালাত আদায় করবে, তার জন্য সারা রাত্রি ছালাত আদায়ের নেকী লেখা হবে (তিরমিযী হা/৮০৬; নাসাঈ হা/১৩৬৪. সনদ ছহীহ; ফাতাওয়া উছায়মীন, ২০/২১৩)।
উত্তর : যাবে। রাফে‘ ইবনে খাদীজ (রাঃ) বলেন, আমার দুই চাচা নবী করীম (ছাঃ)-এর যুগে জমি বর্গা দিতেন এভাবে যে, নালার পাশে যে শস্য হবে তা তাদের অথবা জমির মালিক শস্য নেয়ার জন্য কিছু কিছু জমি নির্দিষ্ট করে দিতেন। অতঃপর নবী করীম (ছাঃ) এরূপ করতে নিষেধ
উত্তর : ওয়ায়েল বিন হুজর (রাঃ) বর্ণিত হাদীছটি যঈফ। এর সনদে শারীক নামক একজন রাবী রয়েছেন, যিনি যঈফ। তিনি এককভাবে বর্ণনা করার কারণে হাদীছটি যঈফ (ইরওয়া হা/৩৫৭; সিলসিলা যঈফাহ হা/৯২৯)।
উত্তর : সকাল-সন্ধ্যা বা যেকোন সময় যতবার ইচ্ছা ততবার পড়তে পারে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি উক্ত দো‘আ বলবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে (আবুদাঊদ হা/১৫২৯)। উল্লেখ্য যে, উক্ত দো‘আ সন্ধ্যায় পড়বে মর্মে যে হাদীছ তিরমিযীতে এসেছে তা যঈফ (যঈফ তিরমিযী হা/৩৩৮৯)
উত্তর : উম্মে সালামাহ (রাঃ)-এর অনুরূপ এক প্রশ্নের জবাবে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যতটুকুতে পা ঢাকবে ততটুকু নীচে নামাবে (আবুদাঊদ, নাসঈ, ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/৪৩৩৪-৩৫)।
উত্তর : ইফতার ছিয়াম পালনকারীর সাথে সংশ্লিষ্ট। যার ছিয়াম নেই, তার ইফতারও নেই (বুখারী ও মুসলিম, মিশকাত হা/১৯৫৯)।
উত্তর : মৃত্যুর পরে মৃতের প্রতিবেশী ও নিকটাত্মীয়দের কর্তব্য হ’ল, মৃতের পরিবারের লোকদেরকে কমপক্ষে এক দিন ও এক রাত পেট ভরে খাওয়ানো। জাফর বিন আবু তালিব (রাঃ) শহীদ হলে রাসূল (ছাঃ) তার প্রতিবেশীদের এই নির্দেশ দিয়েছিলেন (তিরমিযী হা/৯৯৮; মিশকাত হা/১৭৩
উত্তর : আঙ্গুলগুলো খোলা থাকবে এবং হাতের তালু ক্বিবলার দিকে সোজা থাকবে (যাদুল মা‘আদ ১/৫১ পৃঃ)।
উত্তর : আবু সাঈদ খুদরী হ’তে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি আমার সাথে ই‘তিকাফ করতে চায়, সে যেন রামাযানের শেষ দশকে ই‘তিকাফ করে’ (বুখারী হা/২০২৭)। ইসলামে রাত থেকেই দিন গণনা শুরু হয়। সে হিসাবে ২১ রামাযানের মাগরিবের পূর্বে মসজিদে ই‘তিকা
উত্তর : উক্ত দাবী বিভ্রান্তিমূলক। কেননা দাড়ি লম্বা করা সম্পর্কে যত হাদীছ বর্ণিত হয়েছে তার মধ্যে أعفوا، أوفروا، وفروا، أوفوا ارخوا، ارجوا، ইত্যাদি শব্দ এসেছে। যার অর্থ দাড়িকে (কোন প্রকার কাটছাট ছাড়াই) স্বীয় অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া (মুত্তাফাক্ব
উত্তর : বেপর্দা অবস্থায় এটা করলে গোনাহ হবে। মহিলারা পর্দার মধ্যে থাকা অবস্থায় শিক্ষা দান করলে গোনাহ হবে না। রাসূল (ছাঃ) একটি বাড়ী নির্ধারণ করে সেখানে মহিলাদেরকে শিক্ষা দিতেন (বুখারী, মিশকাত হা/১৭৫৩)। এমন আলেমের পিছনে ছালাত আদায় করতে বাধা নেই।
উত্তর : খলীফা নির্বাচনে দেরী হওয়ায় কাফন-দাফনে প্রায় ৩২ ঘণ্টা দেরী হয়েছিল’ (মানছুরপুরী, রহমাতুললিল আলামীন, ১/২৫৩)।
উত্তর : ইয়াজূজ, মাজূজ এবং দাজ্জাল পৃথক কোন সম্প্রদায় নয় তারাও মানুষের অন্তর্ভুক্ত (বুখারী, মিশকাত হা/৫৪৭৫; মুসলিম, মিশকাত হা/৫৪৮২)। মানুষের ঈমান পরীক্ষা করার জন্য এদের সৃষ্টি করা হয়েছে। আর দাজ্জাল জান্নাত ও জাহান্নামের মত (مِثْلَ الجَنَّةِ وَالنّ
উত্তর : অত্র হাদীছটি আল্লাহর গুণাবলী সম্পর্কিত হাদীছ সমূহের (أحاديث الصفات) অন্তর্ভুক্ত। এ হাদীছে আল্লাহর আঙ্গুলসমূহের বর্ণনা এসেছে। এখানে যেভাবে বর্ণিত হয়েছে, সেভাবে বিশ্বাস করাটাই হ’ল ছাহাবায়ে কেরাম ও আহলেসুন্নাত ওয়াল জামা‘আত আহলেহাদীছের আক
উত্তর : এই উপনামের কারণ দু’টো- (ক) নবী করীম (ছাঃ) বড় ছেলের নাম ছিলো ক্বাসেম। তাই তাঁকে আবুল ক্বাসেম বলা হতো (তাবাক্বাত ১ম খন্ড, পৃঃ ১৭)। (খ) রাসূল (ছাঃ) আল্লাহর তরফ থেকে প্রাপ্ত ইলম মানুষের মধ্যে বিতরণ করতেন (বুখারী, মুসলিম; মিশকাত হা/২০০) এজন্য তা
উত্তরঃ শী‘আরা একটি ভ্রান্ত দল। ইমাম ইবনু হাযম আন্দালুসী (রহঃ) বলেন, ‘রাফেযী শী‘আরা মুসলিম নয়, তাদের কথা দীনের ব্যাপারে দলীল হিসাবে গণ্য নয়, এটি একটি নতুন দল, যা রাসূল (ছাঃ)-এর মৃত্যুর পঁচিশ বছর পর সৃষ্টি হয়েছে। এ দলটি ইহুদী ও খৃষ্টানদের মত মি
উত্তর : যিনি আপনাকে এ পাপ কর্মে বাধ্য করছেন, তিনিই মূল অপরাধী। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, ‘যদি কেউ এতে আনন্দবোধ করে যে, লোকেরা তাকে দেখে স্থিরভাবে দন্ডায়মান থাকুক, তাহ’লে সে জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নিল (তিরমিযী, আবুদাঊদ, সনদ ছহীহ, মিশকা
উত্তর : উক্ত ব্যবসা হালাল নয়। কারণ উক্ত ব্যবসা রিবা আন-নাসিআহ বা বাকীতে ঋণের সূদ-এর উপর প্রতিষ্ঠিত। কেননা প্রতিষ্ঠানটি মূলতঃ বাকীতে ঋণ প্রদানের উপর অতিরিক্ত অর্থ নিচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি কেবল অর্থলগ্নিকারী, পণ্যের বিক্রেতা নয় এবং ঋণগ্রহ
উত্তর : হাদীছটি মওযূ বা জাল (সিলসিলা যঈফাহ হা/১৪৫২)।
উত্তর : স্বপ্ন ভাল মন্দ দু’টিই হ’তে পারে। রাসূল (ছাঃ) বলেন. ‘উত্তম স্বপ্ন আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়, আর খারাপ স্বপ্ন শয়তানের পক্ষ থেকে হয়। সুতরাং তোমাদের কেউ যদি ভাল স্বপ্ন দেখে তাহ’লে সে যেন ঐ ব্যক্তির কাছে প্রকাশ করে, যাকে সে ভালবাসে। আর যদি কেউ
উত্তর : কেবল সারাদিন পানাহার ও যৌন সম্ভোগ থেকে বিরত থাকার নাম ছিয়াম নয়। বরং ছিয়াম সাধনা হচ্ছে পানাহার থেকে বিরত থাকার সাথে সাথে সকল প্রকার মিথ্যা থেকে বিরত থাকা। নবী করীম (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও কাজ থেকে বিরত থাকে না, সে ব্যক্তির
উত্তর : কোন খাদ্য ও পানীয়তে কম-বেশী যা-ই থাক না কেন, অ্যালকোহল অর্থাৎ নেশাদার দ্রব্য মিশ্রিত থাকলে তা গ্রহণ করা সম্পূর্ণ হারাম। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘মাদকতা আনয়নকারী প্রত্যেক বস্ত্তই মদ এবং প্রতিটি মাদকদ্রব্য হারাম’ (মুসলিম, মিশকাত হা/৩৬৩৮
উত্তর : অর্থগত দৃষ্টিকোণ থেকে ত্রুটিপূর্ণ নামকে পরিবর্তন করে একটি সুন্দর ইসলামী নাম রাখাই শরী‘আতের বিধান। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মন্দ নাম পরিবর্তন করে দিতেন (তিরমিযী, মিশকাত হা/৪৭৭৪; ছহীহাহ হা/২০৭)। অতএব একজন ভালো আলেমের নিকট থেকে জেনে নিয়ে একটি উত্তম
উত্তর : ছালাতরত অবস্থায় কেউ সালাম দিলে কথা না বলে শুধু হাত বা আঙ্গুলের ইশারায় সালামের উত্তর দিতে হবে (তিরমিযী, নাসাঈ সনদ ছহীহ, মিশকাত হা/৯৯১)। উল্লেখ্য যে, ছালাতরত অবস্থায় গলার আওয়াজ দেওয়ার হাদীছটি যঈফ (নাসাঈ, মিশকাত হা/৪৬৭৫; তামামুল মিন্নাহ পৃঃ ৩১২)
উত্তর : সম্পদ বা অর্থ যা দিয়ে পরিশোধ করা হোক না কেন, তা ধার্যকৃত মোহরের সমপরিমাণ হতে হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমাদের স্ত্রীদের কাছ থেকে যে স্বাদ গ্রহণ করেছ, তার বিনিময়ে তাদের জন্য নির্ধারিত মোহরানা আদায় কর’ (নিসা ২৪)।
উত্তর : ‘অধিকার’ বিষয়টি ব্যাপক। সেকারণ এ বিষয়ে ইসলামী শরী‘আতে মৌলিকভাবে বর্ণিত হয়েছে। যেমন রাসূল (ছাঃ) বলেন, যেকোন স্ত্রী (১) নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত ছালাত আদায় করে (২) রামাযানের ছিয়াম পালন করে (৩) লজ্জাস্থানের হেফাযত করে এবং (৪) স্বামীর আনুগত্য ক
উত্তর : সরকার অমুসলিমদের জন্য নির্ধারিত খাত থেকে হিন্দুদের পূজার জন্য সহযোগিতা করতে পারে। তবে কোন মুসলিম ব্যক্তি কোন প্রকার সহযোগিতা করতে পারবে না। কারণ এটা বড় শিরকের অন্তর্ভুক্ত। আর কোন প্রকার পাপের কাজে সহযোগিতা করতে আল্লাহ নিষেধ করেছেন (মা
উত্তর : হালাল হবে না। কারণ এটা স্রেফ প্রতারণা মাত্র। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি প্রতারণা করে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়’ (মুসলিম, মিশকাত হা/২৮৬০, ৩৫২০)।
উত্তর : সূরার প্রথম থেকে পড়া আরম্ভ করলে প্রতিবার বিসমিল্লাহ বলতে হবে। এমনকি কিছু বিরতির পর পড়লেও। কারণ একটি সূরা থেকে তার একটি সূরা পৃথক করার মাধ্যম হচ্ছে বিসমিল্লাহ (আবুদাঊদ হা/৭৮৮)। যেকোন সময়ে যে কোন স্থান হতে কুরআন পড়লে আঊযুবিল্লাহ পড়বে। আ
উত্তর : আলেম ইমামতি করবেন। যদি তিনি শুদ্ধ করে কুরআন তেলাওয়াত করতে পারেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সবচেয়ে ভাল ক্বারীকে ইমাম হওয়ার জন্য বলেছেন। উভয়ে যদি ক্বিরাআতের দিক থেকে সমান হন, তাহ’লে যিনি সুন্নাহ সম্পর্কে অধিক অবগত, তিনি ইমামতি করবেন (মুসলিম, মি
উত্তর : পেটে বাচ্চা ওয়ালী গাভী অসুস্থ হলে যবেহ করে খাওয়াতে কোন দোষ নেই। জাবির (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, পেটের বাচ্চাকে যবেহ করা হচ্ছে তার মাকে যবেহ করা (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৪০৯১)। অত্র হাদীছে গাভীর পেটের বাচ্চাকে হালাল বলা হয়েছে। মানু
উত্তর : অছিয়ত স্বরূপ সর্বোচ্চ এক তৃতীয়াংশ সম্পত্তি দান করা যায়। এর বেশী অছিয়ত করা বৈধ নয় (বুখারী, মুসলিম; মিশকাত হা/৩০৭১)। অতএব উক্ত অছিয়ত পূরণ করা আবশ্যক নয়।
উত্তর : মোট সম্পত্তির চার ভাগের এক ভাগ পাবে (নিসা ১২)। ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে অনুরূপই দেওয়া হয়।
উত্তর : যাকাতের টাকা ইসলাম প্রচারের কাজে ব্যবহার করা যাবে। এগুলো ফী সাবীলিল্লাহর অন্তর্ভুক্ত হবে (মাজমু‘ ফাতাওয়া উছায়মীন ১৮/২৫২)।
উত্তর : বিবাহের ক্ষেত্রে সর্বাগ্রে পাত্র ও পাত্রী উভয়ের ধার্মিকতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। আল্লাহ বলেন, তোমরা মুশরিক মেয়েদের বিয়ে করো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে। নিশ্চয়ই একজন ঈমানদার মেয়ে মুশরিক মেয়ের চেয়ে উত্তম। যদিও সে তোমাদেরকে মোহিত করে। ত
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (তিরমিযী, সিলসিলা যঈফাহ হা/৩৬০৯)। বরং ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ হ’ল জান্নাতের চাবি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, ‘যার শেষ কালেমা ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ হবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে’ (আবুদাঊদ হা/৩১১৬; মিশকাত
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি মওযূ বা জাল (যঈফ ইবনু মাজাহ হা/৬০৯, সিলসিলা যঈফাহ হা/ ১২৩৪)। তবে এ মর্মে ছহীহ হাদীছটি হ’ল- ‘একটি দিন ও রাত্রি আল্লাহ রাস্তায় নিজেকে নিয়োজিত রাখা, এক মাস ছিয়াম ও রাত্রিতে ছালাতে দন্ডায়মান থাকার চাইতে উত্তম। আর উ
উত্তর : যাবে। কেননা পিতা-মাতার অন্যায়ের দায় জারজ সন্তানের উপর পড়ে না (বাক্বারাহ ২৮৬; আন‘আম ১৬৪)। উল্লেখ্য যে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, وَلَدُ الزِّنَا شَرُّ الثَّلاَثَةِ ‘জারজ সন্তান হ’ল তিনজন নিকৃষ্ট ব্যক্তির একজন’ (আবুদাঊদ হা/৩৯৬৩)। এ বিষয়ে ইমাম
উত্তর : টাখনুর নীচে কাপড় ঝুলিয়ে পরা সর্বাবস্থায় নিষিদ্ধ। শুধু ছালাতের সময় পায়জামা টাখনুর উপরে তুলে নিতে হবে এমনটি নয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, مَا أَسْفَلَ مِنَ الْكَعْبَيْنِ مِنَ الإِزَارِ فَفِى النَّارِ ‘টাখনুর নীচে যতটুকু যাবে, ততটুকু জাহান
উত্তর : এজন্য পিতা-মাতার নিকটে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইতে হবে। কেননা পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতে আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং মায়ের পায়ের নীচে সন্তানের জান্নাত (তিরমিযী; মিশকাত হা/৪৯২৭; নাসাঈ হা/৩১০৪)।
উত্তর : কারণ হল, তৎকালীন সময়ে ইমাম আহমাদ (রহঃ) সবচেয়ে বড় বিদ্বান ছিলেন এবং তার কথা সকল হক্বপন্থী জনগণ এক বাক্যে মেনে নিত। তাই তিনি যদি বিষয়টির ব্যাপারে স্বীকৃতি দেন, তাহলে সবাই এক বাক্যে তা মেনে নেবে। উল্লেখ্য যে, ‘কুরআন সৃষ্ট’ মতবাদটি কুফরী
উত্তর : সরকারের পক্ষ থেকে নির্ধারিত বেতনের যে অংশ প্রতি মাসে কেটে নেওয়া হয়, চাকুরী শেষে শুধু সেই অর্থই গ্রহণ করা জায়েয হবে। আর বেতন থেকে সূদের অংশটি আলাদা করে সমাজ কল্যাণে ব্যয় করতে হবে। তবে তাতে নেকীর আশা করা যাবে না। যে কোন মূল্যে সূদ থেকে
উত্তর : কুরাইশ বংশীয় হিসাবে রাসূল (ছাঃ)-এর সাথে আবু জাহ্লের দূরবর্তী সম্পর্ক রয়েছে, নিকটবর্তী কোন সম্পর্ক নেই। রাসূল (ছাঃ) আবদু মানাফ গোত্রীয় আর আবু জাহ্ল বানু মাখযূম গোত্রীয়। রাসূল (ছাঃ) এবং আবূ জাহ্ল উভয়ের বংশ ‘মুর্রা ইবনু কা‘বে’ গিয়ে মিলিত
উত্তর : সাক্ষী থাক আর না থাক, ভুলের জন্য হোক বা অন্য কোন কারণে হোক, তালাক দিলে অবশ্যই তালাক কার্যকর হয়ে যাবে। এমনকি তামাশা বা মজা করে তালাক দিলেও তালাক হয়ে যাবে (আবুদাউদ হা/২১৯৪; মিশকাত হা/৩২৮৪)। মুখে প্রকাশ করা পর্যন্ত মনে মনে বলে তালাক হবে
উত্তর : চুরির সম্পদ পরবর্তীতে পাওয়া না গেলে মালিক ছাদাক্বা করার সমান নেকী পাবে (মুসলিম, মিশকাত হা/১৯০১ ‘ছাদাক্বার ফযীলত’ অনুচ্ছেদ)। চোরের উচিত চুরি করা সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া এবং তওবা করা। চোরের শারঈ দন্ড দুনিয়াতে যদি না হয় এবং মালিককে যদি ফিরি
উত্তর : পশুর ক্ষেত্রে প্রজনন বৃদ্ধি পায়, এমন কোন পদ্ধতি গ্রহণ করা শরী‘আত সম্মত। কারণ শরী‘আতের বিধান মেনে চলার হুকুম পশুর উপরে নয়। তা কেবল জিন ও ইনসানের উপর অর্পিত হয়েছে (যারিয়াত ৫৬)। বৃক্ষের ক্ষেত্রে যেকোন পদ্ধতি গ্রহণ করার বৈধতা রয়েছে (মুসলিম
উত্তর : উক্ত দাবী ঠিক নয়। দুই সিজদার মাঝে দো‘আ পড়া সুন্নাত (আবুদাঊদ, তিরমিযী হা/২৮৪; মিশকাত হা/৯০০)।
উত্তর : এটি সম্পূর্ণরূপে শিরকী আক্বীদা। সৃষ্টি ও সৃষ্টিকর্তাকে যারা এক করে দেখাতে চায়, তারা সর্বেশ্বরবাদী শিরকী দর্শনের অনুসারী। উক্ত বানোয়াট দর্শনের পক্ষে দলীল হিসাবে যা পেশ করা হয়েছে তা স্রেফ ধোঁকা ও প্রতারণা মাত্র। পৃথিবীর কোন সৃষ্টিই সৃষ্
উত্তর : একাকী হাত তুলে দো‘আ করা যাবে (ছহীহ সীরাহ নববী, পৃঃ ১৪৭)। তাছাড়া অন্য হাদীছে এসেছে, হাত তুলে দো‘আ করলে আল্লাহ্ শূন্য হাত ফিরিয়ে দেন না (আবুদাঊদ হা/১৪৮৮; তিরমিযী হা/৩৫৫৬)। তবে দো‘আ শেষে হাত মুখে মাসাহ না করে ছেড়ে দিবেন। কারণ মুখে হাত মাসাহ করা
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। বরং সূরা ফাতিহা পাঠের পূর্বে আঊযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ পড়তে হবে, যা রাসূল (ছাঃ) পড়েছেন (আবুদাঊদ, তিরমিযী; মিশকাত হা/১২১৭; আবুদাঊদ হা/৪০০১)।
উত্তর : মূলতঃ কালেমার কোন প্রকার নেই। একই কালেমা বিভিন্ন শব্দে হাদীছের গ্রন্থগুলোতে বর্ণিত হয়েছে। ভারত বর্ষের বিদ্বানগণ ঐ শব্দগুলোর প্রতি লক্ষ্য করে কালেমার বিভিন্ন নামকরণ করেছেন। যেমন- কালেমা তাইয়েবাহ, শাহাদাত, তাওহীদ, তামজীদ ইত্যাদি। এটি ইজ
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক (তিরমিযী হা/৫৮৬, সনদ হাসান)।
উত্তর : ব্যাপক ভিত্তিক হাদীছের (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৭০৪) কারণে সঠিক হচ্ছে এই যে, যে কোন সময়ে মসজিদে প্রবেশ করলে দু’রাক‘আত ছালাত আদায় না করে বসবে না। এ কারণে উক্ত কথা সঠিক নয়। বরং সর্বাবস্থায় ফরয ছালাতের পূর্বে সময় থাকলে ওযূ করে মসজিদে প্র
উত্তর : এমতাবস্থায় কৃত পাপের জন্য অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর নিকটে ইখলাছের সাথে তওবা করবে ও ক্ষমা প্রার্থনা করবে। কারণ অভিভাবকের অনুমতিবিহীন বিবাহ বাতিল (আবুদাঊদ হা/২০৮৩)। পরবর্তীতে অভিভাবক বিয়ে মেনে নিয়ে থাকলে তখনই শরী‘আত সম্মতভাবে পুনরায় বিয়ে হও
উত্তর : সূরা বাক্বারার এ আয়াত দ্বারা মদীনার ইহুদীদেরকে সম্বোধন করা হয়েছে। যাতে তারা দুনিয়াবী স্বার্থের বিনিময়ে তাওরাত ও ইঞ্জীলে রাসূল (ছাঃ) সম্পর্কে বর্ণিত ভবিষ্যদ্বাণী সহ অন্যান্য বিধানাবলী গোপন না করে এবং হারামকে হালাল ও হালালকে হারাম না করে।
উত্তর : অমুসলিম-কাফের-মুশরিকদের বাড়িতে খাওয়া যাবে। শর্ত হ’ল খাদ্যটি হালাল ও পবিত্র হবে। কারণ রাসূল (ছাঃ) ইহুদীর দাওয়াত খেয়েছেন, যাদের অধিকাংশ উপার্জন হারাম পন্থায় হয়ে থাকে (বুখারী হা/২৬১৭, আবুদাঊদ হা/৪৫০৮)। তাদেরকে মানবিক সাহায্য-সহযোগিতা ক
উত্তর : ভূপৃষ্ঠে এমন কোন স্থান থাকবে না যেখানে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছবে না (আহমাদ হা/২৩৮৬৫, মিশকাত হা/৪২)। এরপরও কারু নিকটে যদি ইসলামের দাওয়াত না পৌঁছে, তবে আল্লাহ তা‘আলা ক্বিয়ামতের দিন তাদের আনুগত্যের পরীক্ষা নিবেন। এতেই তারা জান্নাতী বা জাহা