উত্তর: যারা ইসলামের বিরোধিতা করে না বা মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে না, তাদের সাথে বন্ধুত্বে কোন দোষ নেই (মুমতাহিনাহ ৬০/০৮)। তবে তাদের প্রতি বিশেষ মহববত ও ভালোবাসা রেখে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করা যাবে না এবং কোনভাবেই তাদের ধর্মীয় কাজে সহযোগিতা করা যাবে না। আল্লাহ বলেন, হে মুমিনগণ! তোমাদের পূর্বে যারা কিতাবপ্রাপ্ত হয়েছে, তাদের মধ্য থেকে যারা তোমাদের দ্বীনকে খেল-তামাশার বস্ত্ত মনে করে, তাদের ও কাফেরদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না (মায়েদাহ ৫/৫৭)। তিনি আরো বলেন, আল্লাহ ও আখেরাতে বিশ্বাসী এমন কোন সম্প্রদায়কে তুমি পাবে না, যারা আল্লাহ ও তার রাসূলের বিরুদ্ধাচরণকারীদের সাথে বন্ধুত্ব করে (মুজাদালা ৫৮/২২)। অতএব অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্বের সাথে সাথে সতর্কও থাকতে হবে এবং তাদেরকে ইসলামের দিকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা থাকতে হবে।

প্রশ্নকারী : আকরাম হোসাইন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।








বিষয়সমূহ: বিবিধ
প্রশ্ন (৩৬/১৯৬) : অনেকেই মসজিদে বিভিন্ন পণ্য কিংবা ফলমূল দান করেন। সেগুলো সবাইকে ডেকে নিলামে তুলে বিক্রয় করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩২/৩৯২) : ঋণ গ্রহণ করে কুরবানী দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৩/৪৭৩): ছিয়াম অবস্থায় গান শোনা, মিথ্যা কথা বলা, মেয়েদের দিকে কুদৃষ্টি দেওয়া প্রভৃতি পাপ কাজ করলে ছিয়াম বাতিল হয়ে যাবে। উক্ত বক্তব্যটি কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩২/৪৭২) : ছালাত রত অবস্থায় শরীরে মশা-মাছি বা অন্য কোন পোকা পড়লে তা তাড়ানো এবং প্রয়োজনে শরীরের কোন জায়গায় চুলকানো যাবে কি? - -রাশেদ আলম, নাচোল, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩৬/৪৩৬) : জনৈক ব্যক্তি হাফেযদেরকে দাওয়াত দিয়ে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে কুরআন খতম করান এবং কবরের পাশে নিয়ে গিয়ে পিতা-মাতার জন্য দো‘আ করানো হয়। এছাড়াও মীলাদ মাহফিল ও চল্লিশা পালন করা হয়। এগুলো কি শরী‘আত সম্মত?
প্রশ্ন (৮/১৬৮) : ৭৮৬-এর শারঈ ভিত্তি কী? - -লুৎফর রহমান, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্ন (৬/৩২৬) : অনেকে নিয়মিত ছালাত ও ছিয়াম পালন করে। কিন্তু সর্বদা টাখনুর নীচে কাপড় পরে। অথচ হাদীছে আছে, টাখনুর নীচে কাপড় পরিধানকারী ব্যক্তি জাহান্নামী। উক্ত ব্যক্তির পরিণাম কী হবে?
প্রশ্ন (১৮/৫৮) : ঈদগাহের পশ্চিম পার্শ্বের দেওয়ালে মেহরাব ও মিম্বর এবং চার পাশে প্রাচীর নির্মাণ করায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৯/৩১৯) : পুরুষ বা মহিলা সিজদারত অবস্থায় দু’পা মিলিত না পৃথক রাখবে?
প্রশ্ন (২২/২২২) : নবী-রাসূলগণের মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাবান কে?
প্রশ্ন (২৭/২২৭) : যে ব্যক্তি জুম‘আর রাত্রিতে সূরা ফাতিহাসহ চার রাক‘আত ছালাত আদায় করবে এইভাবে যে, প্রথম রাক‘আতে ইয়াসীন, দ্বিতীয় রাক‘আতে দুখান, তৃতীয় রাক‘আতে সাজদাহ এবং চতুর্থ রাক‘আতে সূরা মুলক পড়বে, সে কুরআনের কোন অংশ ভুলে যাবে না। হাদীছটির সনদ সম্পর্কে জানতে চাই।
প্রশ্ন (৭/৪০৭) : ঘর-সংসার সামলানো ও স্বামী-সন্তানের সেবা-যত্ন করতে নারী কি বাধ্য? এর শারঈ কোন ভিত্তি আছে কি?
আরও
আরও
.