উত্তর : অন্য ওয়ারিছদের বঞ্চিত করার অসৎ উদ্দেশ্য না থাকলে হেবা বা হাদিয়া হিসাবে এরূপ প্রদান করায় কোন বাধা নেই (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ, ফৎওয়া নং ৬৭৪৫)। তাছাড়া ভবিষ্যৎ ওয়ারিছ তথা মামা ও খালাদের সম্মতিতে মা তার যে কোন সম্পদ মেয়ের নামে লিখে দিতে পারে। এতে বাধা নেই (বিন বায, মাজমূফাতাওয়া ২০/৫০-৫২)

উল্লেখ্য, উত্তরাধিকার সম্পদ মৃত্যুর পরে বণ্টন করাই শরী‘আত সম্মত। আল্লাহ তা‘আলা মৃতের মীরাছ বণ্টনের বিধান বর্ণনার পর বলেন, ‘এগুলি হ’ল আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। ...যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্যতা করবে এবং তাঁর সীমাসমূহ লংঘন করবে, তিনি তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন। সেখানে সে চিরদিন থাকবে। আর তার জন্য রয়েছে অপমানজনক শাস্তি’ (নিসা ৪/১৩-১৪)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আল্লাহ প্রত্যেক হকদারের জন্য তার হক নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন’ (আবুদাঊদ, ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/৩০৭৩)। সুতরাং অন্য ওয়ারিছদের বঞ্চিত করার অসৎ উদ্দেশ্য থেকে সাবধান থাকা আবশ্যক।

প্রশ্নকারী : তাসনীমঝিকরগাছাযশোর







বিষয়সমূহ: মীরাছ
প্রশ্ন (১৮/৩৫৮) : আমাদের সরকারী অফিসে অনেক কর্মকর্তা আছেন, যারা দ্বীনী কাজের অজুহাতে মাসের অর্ধেক দিন অফিস ফাঁকি দেন। যদিও তারা ধর্মীয় কার্যাবলী সুচারুরূপে করেন। কিছু বলা হ’লে তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি রয়েছে বলে জানান। অথচ সরকারী চাকুরী বিধি সবার উপর সমভাবে প্রযোজ্য। এরূপ অন্যায়ের জন্য তাকে গুনাহগার হ’তে হবে কি? - -আব্দুন নূর, কোনাবাড়ী, গাযীপুর।
প্রশ্ন (১০/২৫০) : সন্তান ছোট থাকতেই ডিভোর্সের মাধ্যমে আলাদা হয়ে যাওয়ার পরে জনৈক পিতা কন্যাসন্তানের প্রতি কোন খোঁজ-খবর, ভরণ-পোষণ, দায়-দায়িত্ব পালন করেননি। এক্ষেত্রে সমস্ত দায়িত্ব মা ও মামারা পালন করে আসছেন। বিবাহের ক্ষেত্রে উক্ত মেয়ের অভিভাবকত্বের দায়িত্ব কার? পিতার সাথে যোগাযোগ করে তার অনুমতি /সম্মতি প্রয়োজন নাকি মামারা অভিভাবক হ’তে পারবেন?
প্রশ্ন (১১/৪১১) : সূরা ওয়াক্বি‘আহ পাঠ করলে অভাব-অনটন দূর হয় কি? - -ফয়ছাল মাহমূদ, মীরপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (২১/২৬১) : দুপুরে বিশ্রাম নেওয়ার ব্যাপারে শরী‘আতে কোন নির্দেশনা আছে কি?
প্রশ্ন (৮/১২৮) : কারু নিকট থেকে যদি আমি অর্থ নিয়ে এ শর্তে ব্যবসা করি যে, আমার যা লাভ বা ক্ষতি হোক না কেন, প্রতি মাসে আমি তাকে নির্দিষ্টভাবে ৮ হাযার টাকা করে লাভ দিব। এটা জায়েয হবে কি?
প্রশ্নঃ (৯/২৮৯): মসজিদে প্রতিদিন বাদ ফজর কুরআন মাজীদ থেকে কমপক্ষে তিন আয়াত এবং বাদ এশা সুন্নাতের পূর্বে ছহীহ হাদীছ অথবা আত-তাহরীক থেকে কিছু অংশ পাঠ করে শোনানো হয়। কিন্তু যরূরী কাজ থাকার কারণে অনেকে ফরয ছালাতের পরেই সুন্নাত পড়তে শুরু করে। ফলে তার ছালাতে বিঘ্ন ঘটে। এমতাবস্থায় করণীয় কী? নিয়মিত করার কারণে এটি বিদ‘আতের অন্তর্ভূক্ত হবে কি?
প্রশ্ন (৪/২৮৪) : তাক্বদীর কি? এ সম্পর্কে সঠিক আক্বীদা কি? বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৭/১৪৭) : কুরআন মাজীদ মুখস্থ পড়ায় এক হাযার এবং দেখে পড়ায় দুই হাযার নেকী হয়। এর সত্যতা আছে কি? - -মহীউদ্দীন, তালা, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (৩১/৭১) : প্রতি ওয়াক্ত ছালাত বা যেকোন নফল ছালাত শুরুর পূর্বে বিশেষ কোন দো‘আ আছে কি?
প্রশ্ন (১/৪১) : বাড়ি থেকে সফরের উদ্দেশ্যে ফজরের ছালাতের ওয়াক্ত হওয়ার পূর্বে বের হ’তে হ’লে আযানের আগেই ছালাত আদায় করে নেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৫/৫৫) : আমাদের এলাকায় একজন পুরুষ তার বৈমাত্রেয় বোনের মেয়েকে বিবাহ করেছে এবং তাদের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। উক্ত বিবাহ শরী‘আতসম্মত হয়েছে কি? না হ’লে এখন করণীয় কি? - -হাবীবুর রহমান, বাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৬/২৫৬) : ‘সৌভাগ্যবান হওয়ার চারটি জিনিস (১) সতী-সাধ্বী স্ত্রী (২) প্রশস্ত বাসস্থান বা বাড়ি (৩) সৎ প্রতিবেশী (৪) আরামদায়ক যানবাহন। আর দুর্ভাগা হওয়ার চারটি জিনিস (১) খারাপ প্রতিবেশী (২) মন্দ স্ত্রী (৩) বিপদজনক যানবাহন (৪) সংকীর্ণ বাসস্থান (সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৮৩ ও ১৯০৩)। উক্ত হাদীছের ব্যাখ্যা জানিয়ে বাধিত করবেন।
আরও
আরও
.