উত্তরঃ এর কোন দলীল নেই। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যে সময়ে ঈদের ছালাত আদায় করতেন সে সময়ে আদায় করলে সামিয়ানার প্রয়োজন হয় না। কারণ তিনি ঈদুল আযহায় সূর্য এক ‘নেযা’ বা সাড়ে ৬ হাত উপরে উঠার পরে এবং ঈদুল ফিতরে দুই ‘নেযা’ উপরে উঠলে ঈদের ছালাত শুরু করতেন (আবুদাঊদ, ফিকহুস সুন্নাহ ১/২৩৮)






বিষয়সমূহ: জুম‘আ ও ঈদ
প্রশ্ন (১/৪১) : ওযূর সময় কথা বলা যাবে কি? ওযূ করার সময় কথা বললে মাথার উপরে রহমতের চাদর নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ফেরেশতারা চলে যায়। একথার কোন ভিত্তি আছে কি? - -সোহেল খান, মুরাদনগর, কুমিল্লা।
প্রশ্ন (৩৮/১৫৮) : মুসাফির ব্যক্তি বাড়ী ফেরার সময় যোহর-আছর জমা ও কছর করতে পারে কি?
প্রশ্ন (১৬/৪৫৬) : নারীদের নাম হিসাবে কানীয ফাতেমা রাখা যাবে কি? এর অর্থ কি? - -আব্দুল ওয়াজেদ, টাঙ্গাইল।
প্রশ্ন (২৩/২৬৩) : একাধিক স্ত্রী থাকাকালীন সফরে একজনকে নিয়ে যাওয়া জায়েয হবে কি?
প্রশ্নঃ (১৫/২৫৫) : সুলায়মান (আঃ)-এর আংটিতে ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ নকশা করা ছিল। বিষয়টি প্রমাণসহ জানতে চাই।
প্রশ্ন (১৩/৩৩৩) : জনৈক ব্যক্তি বিয়ের ১৪ বছর পর জানতে পারে যে, তার স্ত্রী তার দুধ বোন। এক্ষণে তাদের করণীয় কী?
প্রশ্ন (১৬/১৬) : হাই কমোডে বসে পেশাব-পায়খানা করা জায়েয হবে কি? - -মীযানমিরপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩০/৪৩০) : পুরুষেরা মাথার মাঝখানে সিঁথি করতে পারে কি? কয় পদ্ধতিতে চুল রাখা যায়?
প্রশ্ন (২৬/৩০৬) : আমার বিবাহে পিতা-মাতা রাযী থাকলেও সাক্ষী ছিলেন আপন দুই মামা। আর পিতৃহীন কনের মা ও ভাইয়েরা প্রথমে রাযী হয়ে বিবাহের দিনক্ষণ ঠিক করলেও পরবর্তীতে আমার আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে পিছিয়ে যায়। অতঃপর তাদের অমতেই আমাদের বিবাহ হয় এবং সেসময় কেবল মেয়ের আপন মামা উপস্থিত ছিলেন। বিয়ের দেড় বছর পার হ’লেও মেয়ে পক্ষ এই দাবীতে অনড় যে, আমার ভালো চাকুরী না হ’লে তারা মেনে নেবে না। এক্ষণে আমাদের বিবাহ কি সঠিক হয়েছে? - -মা‘ছূম, মিরপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (৪/৩৬৪) : আমি আগে পুলিশে চাকরি করতাম, এখন অবসরপ্রাপ্ত। অবসরকালীন সময়ে সরকার থেকে যে ১০/১২ লাখ টাকা এককালীন পেয়েছি, সেই টাকা কি হালাল? এছাড়াও অবসরভাতা বা মাসিক যে টাকা পাচ্ছি, তা কি হালাল?
প্রশ্ন (৩৬/২৭৬) : আরবী পড়তে না পারার কারণে বাংলায় উচ্চারণ করে কুরআন তেলাওয়াত করলে ছওয়াব পাওয়া যাবে কি? কুরআন মুখস্থ তেলাওয়াত করলে ছওয়াবের কোন কম-বেশী হবে কি? উত্তর : আরবী পড়ে কুরআন শিক্ষা করে কুরআন তেলাওয়াত করতে হবে (বুখারী, মিশকাত হা/২১০৯)। কুরআন শিক্ষা করার জন্য অক্ষরগুলি উচ্চারণ ও শব্দ বুঝার জন্য বাংলা উচ্চারণের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। কুরআন পড়ার জন্য চেষ্টা করলে দ্বিগুণ নেকী রয়েছে (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২১১২)। কুরআন শিক্ষা করার চেষ্টা না করে শুধু বাংলা বা অন্য কোন ভাষায় উচ্চারণ করে পড়া উচিত নয়। কারণ এভাবে পড়লে কুরআন শিক্ষা করার গুরুত্ব ও ফযীলত থাকবে না। এছাড়াও উচ্চারণ সঠিক না হওয়ার কারণে অর্থের মধ্যে গোলমাল হয়ে যাবে। পবিত্র কুরআন মুখস্থ তেলাওয়াত করলে ছওয়াবে কোন কম-বেশী হবে না (ছহীহ তিরমিযী হা/২৯১০)। কারণ এতে দেখে আর মুখস্থ পড়ার মধ্যে কোন পার্থক্য করা হয়নি।
প্রশ্ন (৩৮/২৩৮) : নিকটাত্মীয়দের মধ্যে কাদেরকে যাকাত-ফিতরার অর্থ প্রদান করা যায় এবং কাদেরকে যায় না?
আরও
আরও
.