উত্তর : এধরনের লোকদের একান্ত প্রয়োজন ব্যতীত এড়িয়ে চলতে হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তুমি মুমিন ব্যতীত কাউকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করবে না এবং তোমার খাদ্য যেন কেবল মুত্তাকীরা খায়’ (আবুদাঊদ হা/৪৮৩২; মিশকাত হা/৫০১৮)। তিনি আরো বলেন, ‘মানুষ তার বন্ধুর রীতির উপর হয়ে থাকে। অতএব দেখ সে কার সঙ্গে বন্ধুত্ব করছে’ (আবুদাঊদ হা/৪৮৩২; মিশকাত হা/৫০১৯)। তবে সুযোগ পেলেই তাদেরকে সঠিক পথে ফিরে আসার জন্য উপদেশ দিতে হবে। আর এধরনের লোকদের পরিত্যাগ করাতে তাদের বা নিজের অধিক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে বাহ্যিক সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।







প্রশ্ন (৭/২০৭) : আমি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং পরিবারের বড় মেয়ে। আমাদের কোন ভাই নেই। পিতার চাকুরী ১ বছরের মধ্যে শেষ হবে। আমাদের আর কোন ইনকামের সোর্স নেই। পিতা আমার পড়াশুনার পিছনে অনেক অর্থ ব্যয় করেছেন এ আশায় যে আমি চাকুরী করে সংসারের হাল ধরব। অধ্যয়নরত অবস্থায় পিতা আমার বিবাহ দেন এবং আমার সন্তান হয়। এখন পিতা-মাতা চান আমি সন্তানকে তাদের কাছে রেখে ৩০০ কি.মি. দূরে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে পড়াশুনা শেষ করি এবং চাকুরী করি। কিন্তু স্বামী চান তার কাছে থেকে সন্তানের দেখাশুনা করি। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৩/৩৩৩) : ছালাতে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে মহিলাদের দু’পা মিলিয়ে দাঁড়াতে হবে কি?
প্রশ্ন (৩২/৪৩২) : শখের বশে বিড়াল বা কুকুর পোষা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৪/১৯৪) : সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের ছালাত আদায়ের পদ্ধতি বিস্তারিত জানতে চাই। - -ফাহীমা, কেঁড়াগাছি, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (১১/২১১) : কা‘বাগৃহ, মসজিদে নববীসহ বিভিন্ন স্থানে ফরয ছালাত চলাকালীন সময়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মুছল্লীদের মাঝে দাঁড়িয়ে পাহারারত দেখা যায়। জামা‘আত চলাকালীন সময়ে এরূপ করা জায়েয হবে কি? - -ছালাউদ্দীন বাবু, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৬/৩৮৬) : অমুসলিমের রক্ত মুসলমানের দেহে প্রবেশ করানো যাবে কি? এছাড়া অমুসলিমকে রক্তদানে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (১৯/১৭৯) : কোন কোন দেশে ৬ মাস রাত ও ৬ মাস দিন। তাহ’লে সেদেশের মানুষ কিভাবে ছালাত ছিয়াম পালন করবে?
প্রশ্ন (৩৪/২৩৪) : ভুলক্রমে ফরয ছালাত পাঁচ রাক‘আত পড়া হয়েছে। মুছল্লীরা লোকমা দেয়নি সবাই সুন্নাত পড়তে শুরু করেছে। কিন্তু যে এক রাক‘আত পায়নি সে বলল, আমার ছালাত পূর্ণ হয়েছে, কিন্তু আপনাদের এক রাক‘আত বেশী হয়েছে। এখন করণীয় কী?
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্ন (১৭/২৫৭) : পাঞ্জাবী হিন্দুদের পোষাক, শার্ট-প্যান্ট-কোট-টাই ইহূদী-খৃষ্টানদের, জুববা বা তোপ সঊদীদের জাতীয় পোষাক। এক্ষণে সুন্নাতী পোষাক বলে নির্দিষ্ট কোন পোষাক আছে কি?
প্রশ্ন (৩৭/৩৫৮) : উট, গরু, ছাগল, মহিষ, দুম্বা, ভেড়া, হাঁস-মুরগী ইত্যাদির পেশাব-পায়খানা কাপড়ে লাগলে সেই কাপড়ে ছালাত হবে কি? আলেমদের মাঝে এ নিয়ে নানা মত রয়েছে। সঠিক সিদ্ধান্ত জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২/২৮২) : বাউলদের উৎপত্তি কোথা থেকে? বাউল-ফকীরদের আক্বীদা-বিশ্বাস সম্পর্কে জানতে চাই। - -হাসান শহীদসরকারী আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া।
আরও
আরও
.