উত্তর : এই ধরনের পরিস্থিতি বর্তমান মুসলিম দেশগুলোতে অতীব দুঃখজনক এক বাস্তবতা। ছাত্র-ছাত্রীদের পৃথক শিক্ষা পরিবেশ প্রদান না করে কর্তৃপক্ষ এমন ভয়ংকরভাবে তাদেরকে গুনাহে লিপ্ত হওয়ার ব্যবস্থা করছে। নিঃসন্দেহে এতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, ছাত্র-ছাত্রী প্রত্যেকেই গুনাহগার হবেন। কেননা এমন পরিস্থিতিতে নারী ও পুরুষ কারো পক্ষে যথাযথ ইসলামী পর্দা মেনে চলা সম্ভব নয়। অতএব এমন পর্দাহীন ও প্রতিনিয়ত গুনাহে লিপ্ত হওয়ার পরিবেশে গবেষণা থেকে বিরত থাকতে হবে।






প্রশ্ন (১০/১৩০) : জনৈক ব্যক্তি বলেন ছহীহ বুখারীতে হাদীছ আছে যে, মাথায় উকুন হ’লে ৩ দিন ছিয়াম বা ৬ জন মিসকীনকে অর্ধ ছা‘ করে খাওয়ালে মাথার উকুন থাকবে না। একথা কি সত্য? - -তা‘লীমুল হক, সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ।
প্রশ্ন (১০/১০) : নিজস্ব পরিবহন থাকা অবস্থায় সফরে ঠিক ওয়াক্ত মত ছালাত আদায় করা উত্তম, না কি যোহর ওয়াক্তে আছর বা আছর ওয়াক্তে যোহর জমা করা উত্তম হবে? এসময় একাকী না জামা‘আত করা উত্তম? - -আব্দুল লতীফ, কলারোয়া, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (৩৭/৩৫৭) : জামা‘আত অবস্থায় রুকূ থেকে উঠে কওমা ও দুই সিজদার মধ্যবর্তী বৈঠকের দো‘আ সরবে না নীরবে পাঠ করতে হবে?
প্রশ্ন (২৮/২৬৮) : জন্মের ১ দিন পর সন্তান মারা গেলে সপ্তম দিনে তার আক্বীক্বা দিতে হবে কি? - -হিযবুল্লাহ, বালিয়াপুকুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২২/৩৪২) : কোন অমুসলিম ব্যক্তির জন্য মুসলিম হওয়ার আগে কিছু করণীয় আছে কি? কী কাজ করলে সে মুসলিম হতে পারবে?
প্রশ্ন (১৪/১৩৪) : ইবাদতের উদ্দেশ্য না রেখে কেবল সম্মানের উদ্দেশ্যে কাউকে সিজদা করা যাবে কি? ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহ.) কি এটাকে জায়েয বলেছেন?
প্রশ্ন (১৫/৩৩৫) : ছালাত অবস্থায় টুপি পড়ে গেলে তুলে নেয়া যাবে কি? - -আব্দুল্লাহ, গোদাগাড়ী, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৬/৪৬৬) : সাগরের পানি দোকানে ছিটিয়ে দিলে ব্যবসায় বরকত হয়, বেচাকেনা বেশী হয়। একথার কোন ভিত্তি আছে কি? এরূপ বিশ্বাস করা শিরক হবে কি?
প্রশ্ন (৪০/৪৪০) : মুসলিম ২১৪২ নং হাদীছ থেকে বুঝা যায় আত্ম প্রশংসামূলক নাম রাখাকে রাসূল (ছাঃ) অপসন্দ করতেন। এক্ষণে অধিক পরহেযগার, দানশীল ইত্যাদি অর্থবোধক নাম রাখা যাবে কি? - আব্দুল লতীফ, পঞ্চগড়।
প্রশ্ন (১১/৪১১) : সিজদায় যাওয়ার সময় মাটিতে দু’হাত রেখে সিজদায় যাওয়ার হাদীছটি আবু হুরায়রা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু ওয়ায়েল বিন হুজর (রাঃ) বর্ণিত হাদীছে আগে হাঁটু রাখার কথা রয়েছে। কোনটি সঠিক?
প্রশ্ন (১৪/৪৫৪) : আমার মাসিক আয় সীমিত (প্রায় ৫,০০০ টাকা) এবং তা দিয়ে আমার নিজের চলাই কঠিন। আমার পিতা আর্থিকভাবে সচ্ছল হওয়া সত্ত্বেও আমার কাছে প্রতি মাসে ১,০০০ টাকা দাবী করছেন। আমার নিজের প্রয়োজন মেটাতে হিমশিম খাওয়ায় আমি এই টাকা দিতে পারছি না। এমতাবস্থায় আমি কি পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান হিসাবে গণ্য হব? তাছাড়া ভবিষ্যতে আয় বাড়লে পিতা-মাতা যা চাইবেন, সন্তান কি তা দিতে বাধ্য থাকবে?
প্রশ্ন (৪০/৪০০) : পিতা-মাতা, ভাই-বোন এবং ঘনিষ্ট বন্ধুদের সাথে নিয়ে পাত্র-পাত্রী দেখতে পারবে কি?
আরও
আরও
.