উত্তর : মসজিদ নির্মাণের জন্য অর্থ আদায়কালে লোকদেরকে হালাল উপার্জন থেকে দান করতে উৎসাহিত করা মুস্তাহাব। কেননা আল্লাহ পবিত্র জিনিস ছাড়া কবুল করেন না (মুসলিম হা/১০১৫)। তবে কেউ যদি তার হারাম উপার্জন যেমন সূদ, ঘুষ, ব্যাংকে চাকুরীর বেতন ইত্যাদির টাকা দান করে মসজিদ নির্মাণে সহায়তা করে তাহ’লে তা গ্রহণে কোন দোষ নেই। কারণ হ’তে পারে সে হারাম থেকে মুক্তি লাভের নিয়তে উক্ত টাকা দ্বারা মসজিদ নির্মাণে সহযোগিতা করেছে (উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১২/৩০৪; আশ-শারহুল মুমতে‘ ৪/৩৪৪)। তবে এই দানের কারণে সে কোন ছওয়াব পাবে না এবং হারাম পন্থায় উপার্জনের জন্য সে নিজেই দায়ী হবে, দান গ্রহণকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নয় (ইবনু তায়মিয়া, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২৮/২৮৩)। সুতরাং এক্ষেত্রে হালাল-হারাম জেনে নেওয়া আবশ্যক নয় এবং হারাম টাকা জানার পর তা ফেরৎ দেয়াও যরূরী নয়।

প্রশ্নকারী : হোসনে মোবারক, চিলমারী, কুড়িগ্রাম






বিষয়সমূহ: মসজিদ
প্রশ্ন (৭/৩৬৭) : গ্রামের দু’পাশে দু’টি মসজিদ রয়েছে। গ্রামের মধ্যস্থলে বাজারের নিকটে জুম‘আ মসজিদের সম্পত্তি রয়েছে। সেখানে আরেকটি ওয়াক্তিয়া মসজিদ নির্মাণ করা যাবে কি? তাছাড়া একটি মসজিদের অর্থ দিয়ে অন্য মসজিদ নির্মাণে অর্থ ব্যয় করা যাবে কি? - -মুহাম্মাদ নাজমুল হুদা, নাচোল, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (১১/৩৩১) : হারাম বস্ত্ত বা যেসব বস্ত্ত মানুষ গোনাহের কাজে ব্যবহার করে তা নিজস্ব বা অন্যের দোকানে চাকুরী নিয়ে বিক্রি করা শরী‘আত সম্মত কি?
প্রশ্ন (৬/১২৬) : ইবরাহীম (আঃ) আমাদের নাম রেখেছেন মুসলিম। প্রশ্ন হ’ল, পূর্বের নবী-রাসূলগণের অনুসারীদের নাম কী ছিল?
প্রশ্ন (২২/৪৬২) : ওয়াসীলা কাকে বলে? মানুষকে অসীলা ধরা যায় কি? মানুষে বলে অমুকের অসীলায় অমুক পেয়েছি। এভাবে বলা যায় কি?
প্রশ্ন (১৬/১৭৬) : জনৈক আলেম সূরা মায়েদাহ ৩৩ আয়াত এবং আবুদাঊদ হা/৪৩৫৩ উল্লেখ করে ৪ প্রকার দন্ডের কথা উল্লেখ করেন। আমরা জানি মুরতাদের শাস্তি কেবল মৃত্যুদন্ড। এক্ষণে এ ব্যাপারে সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১২/২১২) : মসজিদের সামনে জনসাধারণের বসার স্থান তৈরী করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২০/৩৪০) : আমার বাড়িতে দীর্ঘ তিন মাস যাবত একটি মোরগ আসছে। যার মালিক খুঁজে পাচ্ছি না। আঁটকিয়ে রাখছি না তবে খাবার খাওয়াচ্ছি। রাতে হেফাযত করার জন্য ঘরের ভিতর রাখি। বেওয়ারিশ এই মোরগ কি আমি বিক্রি করতে বা খেতে পারব? - -সাইফুল ইসলাম, শ্রীপুর, গাযীপুর।
প্রশ্ন (২৯/১৮৯) : সম্প্রতি ‘মিলাদ ও কিয়ামের অকাট্য প্রমাণ’ নামে জনৈক মুফতী একটি বই বের করেছেন। সেখানে আপনাদের প্রকাশিত ‘মীলাদ প্রসঙ্গ’ বইয়ের ও তার বিজ্ঞ লেখকের বিরুদ্ধে অশ্রাব্য ভাষায় গালি-গালাজ করা হয়েছে। উক্ত বইয়ে কুরআন-হাদীছের মাধ্যমে মীলাদ-কিয়াম প্রমাণ করা হয়েছে। তাতে মানুষ বিভ্রান্তিতে পড়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে আপনাদের বক্তব্য কি?
প্রশ্ন (৩২/৪৭২) : বাসার গ্যাস সংযোগ অবৈধ। এতে রান্না করা খাবার হালাল হবে কি?
প্রশ্ন (৬/১২৬) : কথা কাটাকাটির কারণে এবং পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের কারণে ৬/৭ মাস যাবৎ বান্ধবীর সাথে কথা বলিনি। এক্ষণে এর জন্য কি আমি গোনাহগার হচ্ছি?
প্রশ্ন (৩৩/২৩৩) : জিন জাতির ইবাদতের ধরণ কি? তাদের উপরেও কি ছালাত, ছিয়াম, হজ্জ ফরয করা হয়েছে? তাদের জন্য কি কুরআনের মতো কোন ধর্মগ্রন্থ আছে? বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (১৪/৩৭৪) : শরীরের কোন অঙ্গহানি হলে কৃত্রিম অঙ্গ সংযোজন বা পোকা লাগা দাঁত তুলে কৃত্রিম দাঁত সংযোজনে শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
আরও
আরও
.