উত্তর : আল্লাহকে তাঁর গুণবাচক নামে ডাকতে হবে। আল্লাহ বলেন, ‘আর আল্লাহর জন্য সুন্দর নাম সমূহ রয়েছে। সেসব নামেই তোমরা তাঁকে ডাক (আ‘রাফ ৭/১৮০)। তবে কেউ নিজ ভাষায় কুরআন বা হাদীছে বর্ণিত ছিফাতী নামের সঠিক অর্থবোধক শব্দ যেমন প্রভু, প্রতিপালক, সৃষ্টিকর্তা ইত্যাদি ব্যবহার করলে তা জায়েয হবে। কিন্তু এক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে যেন তা আল্লাহ ব্যতীত ভিন্ন কোন অর্থে ব্যবহৃত না হয়। যেমন গড, ভগবান, ঈশ্বর ইত্যাদি (ইবনু হাযম, আল-মুহাল্লা, ৬/২৮১; ইবনু তায়মিয়া, আল-ফাতাওয়া আল-কুবরা ৬/৫৬৮)। উল্লেখ্য যে, অনেকে নিজেকে ধর্মনিরপেক্ষ প্রমাণ করার জন্য আল্লাহ নাম লুকিয়ে অস্পষ্ট শব্দ ব্যবহার করেন, যা অবশ্যই পরিত্যাজ্য। 






প্রশ্ন (৩৭/৪৭৭) : শাওয়াল মাসের ছিয়াম ধারাবাহিকভাবে রাখতে হবে কি? এছাড়া কারণবশতঃ এ মাসের মধ্যে সবকয়টি রাখা সম্ভব না হলে পরের মাসে ক্বাযা আদায় করা যাবে কি? - -আব্দুর রাযযাক, নশীপুর, বগুড়া।
প্রশ্ন (২০/১০০) : কোন বিষয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হ’লে নফল ছালাত আদায় করতে হবে মর্মে শরী‘আতে কোন নির্দেশনা আছে কি?
প্রশ্ন (৮/২০৮) : মাঠে-ময়দানে, বনে-জঙ্গলে, রেলগাড়ী ও উড়োজাহাযে সর্বত্র উচ্চৈঃস্বরে আযান দিয়ে ছালাত আদায় করতে হবে কি?
প্রশ্ন (১২/৩৭২) : দিনের বেলায় স্বপ্নদোষ হ’লে ছিয়ামের কোন ক্ষতি হবে কি?
প্রশ্ন (২৬/১৪৬) : মাগরিব ছালাতে মাসবূক মুছল্লী ইমামকে তাশাহহুদ অবস্থায় পেলে সে কী করবে? একই ছালাতে দুই বারের বেশী তাশাহহুদ পড়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৫/৮৫) : চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণকালে স্ত্রী সহবাসে শারঈ কোন নিষেধাজ্ঞা আছে কি?
প্রশ্ন (২৯/৩৮৯) : সান্ডা ও গুইসাপ খাওয়া জায়েয কি?
প্রশ্ন (২৪/৪২৪) : কোন পশু সুস্থ হ’লে ছাদাক্বা করার মানত করা হয়েছে। এক্ষণে সেই পশু দিয়ে কুরবানী করা যাবে কি? কিংবা আইয়ামের তাশরীকের দিনগুলোতে এটি যবেহ করা যাবে?
প্রশ্ন (৩১/৩১) : রাসূল (ছাঃ) নবুঅতপ্রাপ্তির পূর্বে হেরা গুহায় ধ্যানমগ্ন থাকতেন। প্রশ্ন হ’ল: কী কারণে ও কিসের ভিত্তিতে তিনি এরূপ করতেন এবং সেখানে তিনি কি ধরনের ইবাদত করতেন?
প্রশ্ন (১/২০১) : আবু সুফিয়ানকে কি ছাহাবায়ে কেরামের অন্তর্ভুক্ত গণ্য করা হয়? তার নামের সাথে ‘রাযিয়াল্লাহ ‘আনহু’ বলা যাবে কি? - -আমীনুল ইসলাম ইসলামপুর, সাপাহার, নওগাঁ।
প্রশ্ন (২৬/১৮৬) : ক্বিয়ামতের দিন রাসূল (ছাঃ)-এর শাফা‘আত কি কেবল কবীরা গুনাহগারদের জন্য হবে? যদি তাই হয় তবে ক্বিয়ামতের দিন রাসূল (ছাঃ)-এর শাফা‘আত ছাড়া কেউ জান্নাতে যাবে না’ বলার কারণ কি? - -আব্দুল্লাহ, নওহাটা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৪/৩৭৪) : জনৈক আলেম বলেন, আইয়ূব (আঃ)-এর শরীরে পোকা হওয়ায় তার পরিবার তাকে ছেড়ে চলে যায়। গ্রামবাসী তাকে গ্রামের বাইরে আবর্জনাস্থলে ফেলে আসে। একমাত্র স্ত্রী রহীমা তাকে ছেড়ে যায়নি। তিনি মানুষের বাড়ি কাজ করে তাকে খাওয়াতেন। একদিন খাদ্য সংগ্রহ করতে না পেরে মাথার চুল বিক্রি করে খাদ্য সংগ্রহ করেন। যেহেতু আইয়ূব (আঃ) তার চুল ধরে নড়াচড়া ওঠাবসা করতেন। সেদিন আর তা করতে পারলেন না। তখন তিনি বললেন, আমি কি দুঃখ-কষ্টে পতিত হয়েছি। তখন শয়তান এসে তাকে বলল, আপনার স্ত্রী যেনা করে ধরা পড়ায় তার মাথার চুল কেটে নিয়েছে, তখন তিনি বললেন তাকে আমি দোররা মারবো। এই তাফসীরের সত্যতা জানতে চাই।
আরও
আরও
.