মানুষের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যখন চারদিকের সমস্ত দরজা বন্ধ মনে হয়। শত্রুর ষড়যন্ত্র, যালেমের যুলম, মিথ্যা অপবাদ বা পাহাড়সম বিপদের সামনে মানুষ নিজেকে চরম অসহায় ভাবে। দুনিয়ার কোন শক্তি যখন আর ভরসা দেওয়ার মতো থাকে না, তখন একজন মুমিন সরাসরি আরশের মা
মানুষের জীবন এক অবিরাম ছুটে চলার গল্প। এই ছুটে চলায় আমরা সম্পদ খুঁজি, সম্মান খুঁজি, খুঁজি একটু সুখ। কিন্তু দিন শেষে আমাদের সবচেয়ে বেশী যা প্রয়োজন হয়, তা হ’ল প্রশান্তি ও নিরাপত্তা। আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (ছাঃ) উম্মতকে এমন একটি জাদুকরী দো‘আ শিখিয়েছ
মানুষের জীবন আনন্দ ও বেদনার এক অপূর্ব সংমিশ্রণ। পৃথিবীতে এমন কোন মানুষ নেই, যাকে কোন বিপদ বা প্রিয়জন হারানো বেদনার স্বাদ গ্রহণ করতে হয় না। মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় বান্দাদেরকে কখনো সম্পদ কমিয়ে, কখনো রোগব্যাধি দিয়ে, আবার কখনো প্রিয়জনকে কেড়ে নিয়ে পরীক্ষা
নিস্তব্ধ রজনীর গভীরে যখন চরাচরের সমস্ত কোলাহল স্তব্ধ হয়ে যায় তখন গুনাহের ভারে ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত এক অনুতপ্ত হৃদয়ের সর্বশ্রেষ্ঠ আশ্রয় হয়ে উঠে মহান রবের দরবার। জীবনের সকল গুনাহ মুছে ফেলে রবের নৈকট্য লাভের এক অনন্য পাথেয় হ’ল রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর শেখানো
পবিত্র কুরআনে বর্ণিত নবীদের জীবনী থেকে প্রাপ্ত দো‘আগুলো কেবল ইতিহাসের অংশ নয় বরং এগুলো মুমিন জীবনের প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তের চূড়ান্ত সমাধান। যুগে যুগে আম্বিয়ায়ে কেরাম ও আল্লাহর নেককার বন্দারা বিপদে আপদে একমাত্র আল্লাহর কাছে নিবেদন পেশ করতেন। এমনই একট