উত্তর : ইচ্ছাকৃতভাবে ছিয়াম ভঙ্গ করলে তিনি কবীরা গোনাহগার হবেন। এজন্য তাকে অনুতপ্ত হয়ে তওবা করতে হবে এবং উক্ত ছিয়ামের ক্বাযা আদায় করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘ছিয়াম অবস্থায় যে ব্যক্তি অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি করবে, তার জন্য ক্বাযা নেই। আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করবে, সে যেন ক্বাযা আদায় করে’ (তিরমিযী হা/৭২০; মিশকাত হা/২০০৭, সনদ ছহীহ)

প্রশ্নকারী : আকলীমা, পুরোহিত, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।







বিষয়সমূহ: ছিয়াম-রামাযান
প্রশ্ন (৩৯/১৯৯) : মসজিদের ইমাম ও মুওয়াযযিনের বেতন সঠিকভাবে আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না। সে কারণে মসজিদের নীচতলা সম্পূর্ণ মার্কেট করে ২য় তলায় ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩০/৩১০) : ছিয়াম অবস্থায় বিমানে পশ্চিম দিকে গেলে দিন বড় হয়ে যায়, তাহ’লে আমি কি বিমানে বাংলাদেশের সময়ে ইফতার করব নাকি সেদেশের সময়ে ইফতার করব? - -আল-মামূন, মাকলাহাট, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।
প্রশ্ন (১৯/১৭৯) : আমি প্রাইভেট টিউশনী করি। আমার কাছে এমন অনেক ছাত্র পড়ে যারা পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করে, আবার এমন ছাত্রও আছে যারা খারাপ রেজাল্ট করে বা ফেল করে। এক্ষণে রেজাল্ট খারাপ করায় তাদের নিকট থেকে মাসিক বেতন নেয়া জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৫/২৬৫) : যে ব্যক্তি চল্লিশ দিনকে কেবল আল্লাহর উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট করবে তার কথায় জ্ঞানের ধারা প্রবাহিত হবে’ মর্মে বর্ণিত হাদীছটি কি ছহীহ? - -যহীরুল ইসলাম, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩৫/১১৫) : কাফেরদের সাদৃশ্যের প্রকৃত ব্যাখ্যা ও হুকুম সম্পর্কে জানতে চাই। কাফেরদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ পোষাক পরা নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হবে কি? - -সুরাইয়া, সাভার, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩০/২৩০) : আমাদের এলাকার জামে মসজিদের বারান্দার পিলারে বাড়ি ভাড়ার বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। এটা জায়েয হবে কি? - -আবুল কাসেমবাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩/১২৩) : জনৈক আলেম বলেন, কাউকে সাপে দংশন করলে সূরা ফাতিহা সাতবার পড়ে তার উপর দম করবে। অতঃপর অর্থহীন মন্ত্র পড়তে হবে। যেমন- সিজ্জাতুন তারানি য়্যাতুন মিলহাতু বাহরিন কাফাত্বা। প্রশ্ন হল, উক্ত পদ্ধতিতে ঝাড়ফুঁক করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৮/১৭৮) : জুম‘আর খুৎবা চলাকালীন সময়ে দো‘আ কবুলের আশায় মনে মনে ইচ্ছানুযায়ী দো‘আ করা যাবে কি? - -আবু তালেব, চালা, সিরাজগঞ্জ।
প্রশ্ন (৫/২০৫) : দান-ছাদাক্বার মাধ্যমে ক্বিয়ামতের দিন ছালাত-ছিয়ামসহ অন্যান্য ইবাদতের ঘাটতি পূরণ হবে কি?
প্রশ্ন (১৮/২৯৮) : ছাহাবীগণের নামের শেষে (রাঃ) বলা হয়। কিন্তু তেহরান রেডিওতে (আঃ) বলা হয়। এছাড়াও ছহীহ বুখারীতে অনেক স্থানে হযরত আলী ও ফাতেমা (রাঃ)-এর নামের পরে (আঃ) লেখা আছে। এর কারণ কি এবং এরূপ বলা কি শরী‘আতসম্মত?
প্রশ্ন (১৪/৪১৪) : অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে গেলে অনেক ফযীলতের কথা হাদীছে বলা হয়েছে। আমরা দেখি যে, ডাক্তারের কাছে রোগী আসে চিকিৎসার জন্য। এক্ষেত্রে ডাক্তার যদি সৎ নিয়ত রাখে তাহ’লে হাদীছে বর্ণিত ফযীলত পাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৩/২১৩) : স্বামী স্ত্রীকে দু’বার তালাক প্রদানের পর তাকে বারবার খোলা করার প্রস্তাব দিলে স্ত্রীর জন্য করণীয় কি?
আরও
আরও
.