উত্তর : সন্তানের দায়িত্ব হ’ল পিতা-মাতার ভরণপোষণ করা। এজন্য বিদ্বানগণ এ বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করেছেন যে, পিতা-মাতা বা সন্তান-সন্ততিকে যাকাত প্রদান করা যাবে না। কেননা তা প্রকারান্তরে নিজেকেই যাকাত প্রদানের শামিল (ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী ২/২৬৯)। তবে দু’টি ক্ষেত্রে ইবনু তায়মিয়াসহ কতিপয় বিদ্বান যাকাত প্রদানের পক্ষে মত ব্যক্ত করেছেন। যেমন (১) পিতা বা সন্তান যদি ঋণগ্রস্ত হন এবং তাদের উপার্জন ভরণপোষণের জন্য যথেষ্ট না হয়। কেননা পিতা বা সন্তান পরস্পরের ঋণ পরিশোধে বাধ্য নন। (২) পিতা বা সন্তান যদি পরস্পরের খরচ বহনে সক্ষম না হন, তাহ’লে তারা যাকাতের হকদার হবেন’ (ইবনু তায়মিয়াহ, আল-ফাতাওয়াল কুবরা ৫/৩৭৩; আল-ইখতিয়ারাত ১০৪ পৃ. উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৬/২৫৯-২৬০)






প্রশ্ন (৩/৩) : সূদী অর্থ দিয়ে ক্রয়কৃত জনৈক ব্যক্তির জমি ফসল ভাগাভাগির চুক্তিতে লিজ নেওয়া যাবে কি? - -কাওছার মাহমূদনওদাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৮/১৪৮) : যেকোন কাজ বাম দিক থেকে শুরু করলে বরকত থাকে না-কথাটির কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (৩৭/৩৭) : কিছু লোক বলে শরী‘আত এবং মা‘রেফাত আলাদা। মা‘রেফাত বলে কিছু আছে কি?
প্রশ্ন (১/৮১) : মহিলা মাদ্রাসায় বাধ্যগত কারণে পুরুষ শিক্ষক পাঠদান করার ক্ষেত্রে কি কি বিষয় লক্ষ্য রাখা আবশ্যক? বিশেষত ছাত্রীদের বিবাহ, পবিত্রতা, নারী বিষয়ক মাসআলা পাঠদান করার ক্ষেত্রে শিক্ষার নামে গোপনীয় বিষয়গুলো খোলাখুলি উপস্থাপন করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩৯/৩৯) : ক্রোধ নিবারণের জন্য অনেকে কানফুল দিয়ে থাকে। অনেকে ওযূ করতে বলে। এগুলো শরী‘আতসম্মত কি?
প্রশ্ন (২৩/১৮৩) : অন্য ধর্মের অনুষ্ঠানের দিন তাদের শুভেচ্ছা জানানো যাবে কি?
প্রশ্ন (১০/১৭০) : পৃথিবী ব্যতীত সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহ-উপগ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব থাকা নিয়ে ইসলাম কি বলে?
প্রশ্ন (৩৩/৪৩৩) : অবহেলা বা মাযহাবী কারণে ছালাত বা ছিয়ামের কোন সুন্নাত পরিত্যাগকারী গোনাহগার হবে কি?
প্রশ্ন (৩১/২৩১) : সূরা তীন পড়া শেষে ‘বালা ওয়া ‘আলা আনা যালিকা মিনাশ শাহিদীন’ পড়তে হবে কি? - -দাবীরুল ইসলাম, পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্ন (১৮/৫৮) : জনৈক আলেম বলেন, ওযূ শেষে সূরা ক্বদর একবার পড়লে ছিদ্দীকের অন্তর্ভুক্ত হওয়া যাবে, দু’বার পড়লে শহীদের তালিকায় নাম লেখা হবে, আর তিনবার পড়লে নবীদের সাথে হাশর হবে। শরী‘আতে উক্ত বক্তব্যের কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (৩১/১১১) : জানাযার পর মৃতদেহকে সামনে রেখে সম্মিলিত দো‘আ করা সুন্নাতসম্মত কি?
প্রশ্ন (৩১/৪৭১) : ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে সরকার নির্ধারিত ৫% ভ্যাট প্রদান করতে হয়। তাতে পণ্যের মূল্য বেড়ে যায়। তাই প্রতিষ্ঠানকে টিকিয়ে রাখতে আইনের নানা ফাঁক-ফোকর দিয়ে ভ্যাট ফাঁকি দেয়া বা কম দেয়া ছাড়া উপায় থাকে না। এটা জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.