উত্তর : মুছাফাহা (المصافحة) শব্দটি বাবে مفاعلة-এর ক্রিয়ামূল। এর আভিধানিক অর্থ, الإفضاء بصفحة اليد إلي صفحة اليد অর্থাৎ এক হাতের তালুর সাথে অন্য হাতের তালুকে অাঁকড়িয়ে ধরা (ইবনু হাজার, ফৎহুলবারী ১১/৫৪)। আরবী ভাষার কোন অভিধানে চার হাতের সংযোগকে মুছাফাহা বলে অভিহিত করা হয়নি। আর দুই দুই করে চার হাতের তালু মিলিয়ে মুছাফাহার প্রমাণে কোন মারফূ হাদীছ নেই (ছিদ্দীক হাসান খান ভূপালী, তানকীহুর রুওয়াত শরহ মিশকাত ৩/২৮৭ পৃঃ, টীকা-৬)

আনাস (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করল যে, আমি কি আমার বন্ধুর আগমনে মাথা নত করব? রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, না। তবে কি আলিঙ্গন করব? তিনি বললেন, না। আমি কি তাকে চুম্বন করব? তিনি বললেন, না। সে বলল যে, তবে কি তার এক হাতে মুছাফাহা করব? (أَفَيَأْخُذُ بِيَدِهِ وَيُصَافِحُهُ) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, হ্যাঁ (তিরমিযী হা/২৭২৮; ছহীহাহ হা/১৬০; মিশকাত হা/৪৬৮০ ‘শিষ্টাচার’ অধ্যায় ‘মুছাফাহা ও মু‘আনাকা’ অনুচ্ছেদ)। 

হাসান ইবনে নূহ বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনে বুসরকে বলতে শুনেছি, তোমরা আমার এই হাতের তালুটি দেখেছ? তোমরা সাক্ষী থাক, আমি এই তালুটি মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর তালু মোবারকে রেখেছি। অর্থাৎ মুছাফাহা করেছি (আহমাদ হা/১৭৭২৬, তুহফাতুল আহওয়াযী ৭/৪৩০ পৃঃ ‘মুছাফাহা’ অনুচ্ছেদ)।

তবে আব্দুল্লাহ ইবনে মাস‘ঊদ থেকে বর্ণিত যে, তাঁকে তাশাহহুদ শিক্ষা দেওয়ার সময় তাঁর হাতের তালুটি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর দু’হাতের তালুর মধ্যে ছিল (বুখারী হা/৬২৬৫)। উক্ত হাদীছটির ব্যাখ্যায় আবদুল হাই লাক্ষ্ণৌবী হানাফী স্বীয় ফৎওয়া গ্রন্থে বলেছেন, হাদীছটি মুছাফাহার সাথে সম্পৃক্ত নয়। বরং শিক্ষার প্রতি শিক্ষার্থীর অধিক আগ্রহ সৃষ্টির জন্য রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরূপ করেছিলেন (তুহফাতুল আহওয়াযী হা/২৮৭৫-এর ভাষ্য, ৭/৫২২)

আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ)-এর উক্ত হাদীছ থেকেও চার হাতের তালু মিলানো প্রমাণিত হয় না; বরং তিন হাতের তালু প্রমাণিত হয়। সুতরাং উভয়ের ডান হাতের তালু দ্বারা মুছাফাহা করাই ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত।






প্রশ্ন (৫/২০৫) : পুরুষেরা দাড়ি ব্যতীত শরীরের অন্য স্থানে সৌন্দর্যের জন্য মেহেদী ব্যবহার করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৩৭/৪৭৭) : শাওয়াল মাসের ছিয়াম ধারাবাহিকভাবে রাখতে হবে কি? এছাড়া কারণবশতঃ এ মাসের মধ্যে সবকয়টি রাখা সম্ভব না হলে পরের মাসে ক্বাযা আদায় করা যাবে কি? - -আব্দুর রাযযাক, নশীপুর, বগুড়া।
প্রশ্ন (৪০/৪০) : কোন নারী ধর্ষণের শিকার হ’লে সে কি অপরাধী হিসাবে গণ্য হবে?
প্রশ্ন (২৬/৩৪৬) : জনৈক বিশিষ্ট আলেম বলেন যে, সরকারী আবহাওয়া দফতরের সময়সূচীতে সূর্যাস্তের যে সময় দেওয়া হয়, বিগ ব্যাং থিওরী ও গ্যালাক্সির আবর্তন রীতি মোতাবেক সূর্য আরো ২/৩ মিনিট পরে অস্ত যায়। সুতরাং উক্ত সময়সূচীর ২/৩ মিনিট পরে ইফতার করার হানাফী আলেমদের সিদ্ধান্তই সঠিক। উক্ত দাবীর সত্যতা সম্পর্কে জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৩/৭৩) : আমার পিতা প্রায়ই বলেন, নারী জাতি কোন জাতি না, নারী জাতিকে আমি মানুষই মনে করি না। এরূপ বলা কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩৪/৪৩৪) : ঋণ করে ফিৎরা দেওয়া ও কুরবানী করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১১/৪১১) : জনৈকা মহিলা রাগের মাথায় কাযী অফিসে গিয়ে স্বামীকে ডিভোর্স দেয় তথা খোলা‘ করে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটায়। কিন্তু পরক্ষণেই অনুতপ্ত হয়ে স্বামীর নিকট ফেরত যেতে চায়। এক্ষণে ইদ্দত পালন না করেই প্রথম স্বামীর সাথে সংসার করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৫/২৮৫) : কোন পরহেযগার ব্যক্তি তার পরহেযগার আত্মীয়ের সাথে সম্পর্ক না রাখলে তার ইবাদতের উপর গোনাহের প্রভাব পড়বে কি?
প্রশ্ন (১১/৪৫১) : ছিয়াম পালনে অক্ষম ব্যক্তির ফিদইয়া ফকীর-মিসকীনকে না দিয়ে কোন মাদরাসা বা ইয়াতীম খানায় দেয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২৭/১৮৭) : মোহরানার টাকা পরিশোধের পদ্ধতি কি? যদি বাকীতে মোহরানা ধার্য করা হয় এবং স্ত্রী মারা যায় তাহলে স্বামী মোহরানার টাকা কার নিকট পরিশোধ করবে?
প্রশ্ন (৩২/১৯২) : আমি একজন ছাত্র এবং চাকুরীও করি। আমার পরিবারের সূদী ঋণ রয়েছে, যার দায়িত্ব এখন আমার কঁাধে। চাকুরীতে যা পাই তা দিয়ে ঋণ পরিশোধ করি। অন্যদিকে ফেৎনা থেকে বাঁচার জন্য বিবাহ করাও একান্ত যরূরী। কিন্তু ঋণ পরিশোধের আগ পর্যন্ত বিবাহ করতে পারছি না। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১১/৩৩১) : কালোজিরা কি সকল রোগের ঔষধ? তবে এতে অনেক ক্ষেত্রেই কাঙ্খিত ফলাফল পাওয়া যায় না কেন?
আরও
আরও
.