উত্তর : প্রতিবেশীর হক উভয়ের জন্য সমান। তবে মুসলমানদের তুলনায় কম। প্রতিবেশী তিন প্রকার: (১) মুসলিম আত্মীয় প্রতিবেশী যার তিনটি হক রয়েছে। মুসলমান হিসাবে। আত্মীয় হিসাবে ও প্রতিবেশী হিসাবে (২) মুসলিম প্রতিবেশীর জন্য দু’টি হক রয়েছে। মুসলিম হিসাবে ও প্রতিবেশী হিসাবে। (৩) কাফির প্রতিবেশী। যার একটিমাত্র হক রয়েছে। আর তা হ’ল কেবল প্রতিবেশী হিসাবে (নিসা ৪/৩৬; ফাৎহুল বারী ১০/৪৪১; বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৬/৪৯৩)

প্রশ্নকারী : আবুল বাশার, দিনাজপুর।








বিষয়সমূহ: বিবিধ প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন (৩৭/১৫৭) : ইবলীস শয়তান কি একাই মানব ও জিন জাতিকে পথভ্রষ্ট করে, নাকি তার সন্তানরা রয়েছে যারা এ কাজে তাকে সহায়তা করে? - -মুহাম্মাদ ইমরান মোল্লারিয়াদ, সঊদী আরব।
প্রশ্ন (২৯/২২৯) : বালিশ, তোষক ও ম্যাট্রেসে আমার শিশু ভাইয়ের পেশাব লেগে যায়। কিন্তু আমার পিতা-মাতা মনে করেন, শুকিয়ে গেলে এটা পবিত্র হয়ে যায়। কখনো বালিশ পেশাবে ভিজে গেলে তারা তা ধুয়ে না দিয়ে শুকিয়ে নিয়ে বলেন পবিত্র হয়ে গেছে। এরূপ ধারণা সঠিক কি?
প্রশ্ন (৩১/১৫১) : তাকবীরে তাহরীমা বা সিজদার সময় হাতের আঙগুল মিলিয়ে রাখতে হবে কি?
প্রশ্ন (৩৭/৩৫৮) : উট, গরু, ছাগল, মহিষ, দুম্বা, ভেড়া, হাঁস-মুরগী ইত্যাদির পেশাব-পায়খানা কাপড়ে লাগলে সেই কাপড়ে ছালাত হবে কি? আলেমদের মাঝে এ নিয়ে নানা মত রয়েছে। সঠিক সিদ্ধান্ত জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৪/২৭৪) : কোন অমুসলিম মুসলিম ব্যক্তিকে উপকার করলে তাকে জাযাকাল্লাহু খায়রান বলতে বা শুকরিয়া জানাতে পারবে কি?
প্রশ্ন (২০/৩৮০) : আমি মানুষের বসার সুবিধার্থে গ্রামের তিন রাস্তার মোড়ে দু’টি বসার স্থান তৈরী করে দিয়েছি। কিন্তু অনেকের অভিযোগ যে, সেখানে বসে ভালো-মন্দ উভয় কাজই হয়, তাই এটা উঠিয়ে ফেলা উচিৎ। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১০/২৯০) : আপন ভাগ্নী জামাই তথা বোনের মেয়ের স্বামীর সাথে হজ্জে যাওয়া যাবে কি? উল্লেখ্য যে, সাথে বোনের মেয়েও থাকবে। - -হাফেয লুৎফর রহমান, বগুড়া।
প্রশ্ন (৫/১২৫) : ব্যাংক, রেডিও ও টেলিভিশনে ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে চাকুরী করা যাবে কি? - -তাহসীন, অচিনতলা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৪/৩৩৪) : ব্যক্তির সম্মানে দাঁড়ানো সম্পর্কে বুখারীতে সা‘দ বিন মু‘আয সম্পর্কিত যে হাদীছটি বর্ণিত হয়েছে, তার প্রকৃত ব্যাখ্যা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৯/১৭৯) : রামাযান মাসে কবরের আযাব স্থগিত থাকে কি?
প্রশ্ন (২৯/৬৯) : সূরা হিজরের ৮৭ আয়াতের ব্যাখ্যা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৮/৩০৮) : জনৈক ইমাম বলেন, ইবনু আববাস (রাঃ) শিশুদের তাবীয দিতেন। তাই ছোটদের তাবীয দেওয়া যাবে, কিন্তু বড়দের নয়। আর হাদীছে বর্ণিত তামীমা দ্বারা তাবীয নয় বরং তাগা, সুতা এগুলো বুঝায়। আর তাবীযই ভালো করবে বা নাপা ওষুধই ভালো করবে এরকম মনে করলে শিরক হবে। সাধারণভাবে ব্যবহার করলে শিরক হবে না। এসব কথার সত্যতা আছে কি?
আরও
আরও
.