উত্তর : জারজ নারীকে বিবাহ করা জায়েয। কারণ পিতা-মাতার পাপ সন্তানের উপর বর্তাবে না (আন‘আম ৬/১৬৪; ছহীহাহ হা/২১৮৬)। এক্ষণে মেয়ে যদি তাক্বওয়াশীল হয়, তাহ’লে তাকে বিবাহ করায় কোন বাধা নেই (ফাতাওয়া ইসলামিয়া ৩/১৬৬)। উল্লেখ্য যে, অবৈধভাবে জন্ম নেওয়া নারীর অভিভাবক হবে তাক্বওয়াশীল স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা আদালত (তিরমিযী হা/১১০২; মিশকাত হা/৩১৩১; ছহীহুল জামে‘ হা/২৭০৯)।

প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, বংশাল, ঢাকা।








বিষয়সমূহ: বিবাহ ও তালাক
প্রশ্ন (৩৯/৪৩৯) : মুসলিম দেশে বসবাসকারী কোন অমুসলিমকে কোন মুসলিম শরী‘আতসম্মত কারণে হত্যা করতে পারবে কি? - আব্দুল্লাহ আল-মামূন ছোটবনগ্রাম, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৭/২৯৭) : কুরআনে বলা হয়েছে স্বজাতীয় মহিলা ব্যতীত অন্যদের সামনে পর্দা করতে হবে। এক্ষণে অমুসলিম মহিলাদের সামনে পর্দা করতে হবে কি?
প্রশ্ন (২২/৩৪২) : নবজাতক শিশুকে কোন ভালো আলেম দ্বারা তাহনীক করানোর বিষয়টি কি ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত? - -আমাতুল্লাহ, লালবাগ, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩/২০৩) : ফরয ছালাতের পর তাসবীহ, তাহমীদ ও তাকবীর পাঠের নিয়ম কি?
প্রশ্ন (২৪/১০৪) : দ্বীনী ইলম অর্জনকারী ব্যক্তি জান্নাতে নবীগণের সমমর্যাদার অধিকারী হবেন -কথাটি কি সঠিক?
প্রশ্ন (১২/১৭২) : জনৈক ব্যক্তির দুই লক্ষ টাকার একটি গরু আছে। গরুটি অসুস্থ হ’লে তার পিতা মানত করে যে, এটি সুস্থ হ’লে কুরবানী করবে। কিন্তু সুস্থ হওয়ার পর ছেলে এখন রাযী নয়। এক্ষণে পিতার করণীয় কী? - -ফারূক হাসানচান্দিনা, কুমিল্লা।
প্রশ্ন (৪০/১২০) : আমি দ্বীনী শিক্ষা অর্জন করতে চাই। কিন্তু পিতা-মাতা রাযী নন। এক্ষণে তাদের অবাধ্য হয়ে দ্বীনী শিক্ষা অর্জনের জন্য মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৯/১৯৯) : ভাগ্য পরিবর্তনের দো‘আ হিসাবে ‘আল­াহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিন জাহদিল বালা-য়ে ওয়া দারকিশ শাক্বা-য়ে ওয়া সূইল ক্বাযা-য়ে’ পড়া যাবে কি?
প্রশ্নঃ (২০/১৮০) : যে সমস্ত ছালাতে সরবে ক্বিরাআত পড়ার হুকুম রয়েছে, সেই ছালাতগুলো একাকী পড়লে ক্বিরাআত নীরবে পড়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৮/২৮৮) : কোন প্রয়োজন পূরণার্থে জালালী খতম আমাদের এলাকায় ব্যাপকভাবে প্রচলিত। ইমামগণকে এজন্য যথেষ্ট পরিমাণ অর্থও প্রদান করা হয়। শরী‘আতে এর কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (৩৯/৩৯৯) : পিতা স্বীয় সন্তানকে শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে মুখের উপর আঘাত করতে পারে কি? - -শরীফুল ইসলামমহেশপুর, ঝিনাইদহ।
প্রশ্ন (৬/৩৬৬) : বর্তমানে সমাজে কিছু হিজড়া সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সাহায্যের নামে টাকা চায়। অনেক সময় তারা অপমানজনক ভঙ্গিতে, উচ্চৈঃস্বরে বা অশোভন আচরণে টাকা চেয়ে থাকে। এ অবস্থায় তাদেরকে সহযোগিতা করা জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.