উত্তর : কোন অবস্থাতেই মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া যাবে না। বরং সর্বদা ন্যায়পন্থা অবলম্বনের সাধ্যমত চেষ্টা করতে হবে। আল্লাহ বলেন, যার আমার পথে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালায়, আমরা তাদেরকে অবশ্যই আমার পথসমূহে পরিচালিত করব। আর আল্লাহ অবশ্যই সৎকর্মপরায়ণদের সাথেই থাকেন (আনকাবূত ২৯/৬৯)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে প্রতারণা করে, সে আমার দলভুক্ত নয়’ (মুসলিম হা/১০২; মিশকাত হা/৩৫২০)। মিথ্যা ছোট হোক বা বড় হোক মানুষের অন্তরে মুনাফিকী সৃষ্টি করে। তাছাড়া একটি মিথ্যা অপর মিথ্যাকে ডেকে আনে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘মিথ্যা মানুষকে পাপের দিকে নিয়ে যায়, পাপ তাকে জাহান্নামে নিয়ে যায়। আর মানুষ মিথ্যা কথা বলতে বলতে অবশেষে আল্লাহর কাছে মিথ্যুক হিসাবে পরিগণিত হয়ে যায়’ (বুখারী হা/৬০৯৪)






প্রশ্ন (৩৮/১১৮) : হিন্দু বা খৃষ্টান কোন বন্ধু অভিবাদন বিনিময়ের পর যদি মুছাফাহা বা কোলাকুলির জন্য এগিয়ে আসে, সেক্ষেত্রে করণীয় কি?
প্রশ্ন (১/১২১) : কাউকে রক্তদান করলে ছওয়াব পাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৯/৩৭৯) : পরীক্ষার কারণে আমি কয়েকটি ছিয়াম রাখতে পারিনি। এক্ষেত্রে আমাকে কি ক্বাযা ও কাফফারা দু’টোই দিতে হবে? - -আনীসুল হক, বৃ-কুষ্টিয়া, বগুড়া।
প্রশ্ন (৩১/৩৯১) : একটি প্লেটে কয়েকজন মিলে ভাত খাওয়ায় কোন বাধা আছে কি? - ইমরান, রংপুর।
প্রশ্ন (১৩/২৫৩) : আমি ওয়ারিছ সূত্রে কোন সম্পদ পাইনি। পিতা-মাতার মৃত্যুর পর ১টি বাড়ী ও সামান্য জমি ক্রয় করেছি। আমার তিনটি মেয়ে রয়েছে। কোন পুত্র সন্তান নেই। এক্ষণে আমার মৃত্যুর পর আমার ভাই বা তার ছেলেরা এতে কোন অংশ পাবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/১১৮) : আইনজীবী হওয়ার কারণে আমাকে ব্যাংক সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়াদির আইনজীবী হিসাবে কাজ করতে হয়। আমাদের কাজের ধরনটা যেমন- (১) কোন ব্যক্তি ব্যাংক থেকে লোন নিতে গেলে যামানত স্বরূপ ঋণগ্রহীতার জায়গা-জমির কাগজ ব্যাংকে মর্টগেজ রাখতে হয়। ওই কাগজপত্র আইনজীবী হিসাবে আমাদের যাচাই করতে হয়। ব্যাংক অনেক সময় সূদ মওকূফও করে এবং আইনজীবী এক্ষেত্রে সহায়তা করেন। (২) মানুষ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ঐামানত হিসাবে চেক জমা দেয়। নির্ধারিত সময়ে চেকের টাকা ব্যাংকে জমা না দিলে ব্যাংক তখন চেকে উল্লেখিত টাকা আদায়ের মামলা করে। এ ধরনের মামলায় আইনজীবীকে লড়তে হয়। প্রশ্ন হল, উপরোক্ত ক্ষেত্রসমূহে আইনজীবী হিসাবে আমি কাজ করতে পারি কি? - -এ্যাডভোকেট ফখরুল ইসলাম, মৌলভীবাজার।
প্রশ্ন (১০/১৩০) : রাস্তায় সহ যেকোন স্থানে হাঁটা-চলার সময় দৃষ্টি কোন দিকে থাকা উচিৎ? রাস্তায় চলার আদব কি কি? - -আয়নাল হক, কাদাকাটি, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (১৬/২৯৬) : হানাফী মাযহাবের ভাইয়েরা বলেন যে, ফিক্বহ শাস্ত্রের উৎপত্তি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর যুগে হয়েছে। দলীল হিসাবে বলেন, একবার মু‘আয ইবনু জাবালকে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ইয়ামনে গভর্ণর করে পাঠালেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, কিভাবে বিচার করবে? তিনি বললেন, কুরআন দ্বারা। রাসূল (ছাঃ) বললেন, কুরআনে না পেলে? তিনি বললেন, হাদীছ দ্বারা। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, হাদীছে না পেলে? তিনি বললেন, আমি আমার রায় দ্বারা ইজতিহাদ করব। তখন তিনি তার উপর খুশী হ’লেন। এ হাদীছ কি ছহীহ?
প্রশ্ন (১৩/১৩৩) : আমার নিছাব পরিমাণ সম্পদ আছে এবং ব্যবসাতেও বিনিয়োগ করা আছে। কিন্তু সমুদয় সম্পদের চেয়ে ঋণ আরো বেশী আছে। এক্ষণে আমার উপর যাকাত ফরয হবে কি? হ’লে কি জমানো, বিনিয়োগকৃত, ঋণকৃত সব টাকার উপর যাকাত দিতে হবে?
প্রশ্ন (২৭/১৮৭) : জুম‘আর খুৎবা চলাকালীন সময়ে সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ বা দরূদ পড়া ইত্যাদি জায়েয হবে কি? - -রফীকুল ইসলাম, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।
প্রশ্ন (১/৪০১): নারী উন্নয়নের জন্য প্রণীত নারী নীতিমালা কি শরী‘আত সম্মত? বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৭/১৪৭) : আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক হিজরী শতাব্দীর শুরুতে একজন মুজাদ্দিদ প্রেরণ করেন। যিনি দ্বীনের সংস্কার করবেন (আবুদাঊদ)। হাদীছটি কি ছহীহ? বর্তমান শতাব্দীর মুজাদ্দিদ কে?
আরও
আরও
.