উত্তর : উক্ত মর্মে কোন ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়নি। আবু নাঈম ইস্ফাহানীর ‘হিলইয়াতুল আউলিয়া ওয়া ত্বাবাক্বাতু আছফিয়া’ (৩/৩৫৮) নামক গ্রন্থে উক্ত মর্মে একটি হাদীছ রয়েছে যা নিতান্তই যঈফ (ইবনু হাজার, আত-তালখীছুল হাবীর ২/৩৪১)। তবে নিঃসন্দেহে উক্ত কর্মটি নিষিদ্ধ। কেননা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘আল্লাহ তা‘আলা পুরুষের সাথে মহিলার এবং মহিলার সাথে পুরুষের সাদৃশ্য অবলম্বনকারীকে লা‘নত করেছেন’ (বুখারী, মিশকাত হা/৪৪২৯)। অন্য বর্ণনায় এসেছে, নবী করীম (ছাঃ) পুরুষ হিজড়াদের উপর এবং পুরুষের বেশধারী মহিলাদের উপর লা‘নত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘ওদেরকে ঘর থেকে বের করে দাও’। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেছেন, নবী (ছাঃ) অমুককে বের করেছেন এবং ওমর (রাঃ) অমুককে বের করে দিয়েছেন’ (বুখারী হা/৫৮৮৬; মিশকাত হা/৪৪২৮)






প্রশ্ন (২৫/২৬৫) : আমি ছোট বেলায় আমার চাচার পকেট থেকে না বলে ২৫০০ টাকা নিয়েছিলাম। এজন্য আমি গোনাহগার হব কি? তার অজান্তে ব্যাংক বা বিকাশের মাধ্যমে বা অন্য কোন মাধ্যমে তা পরিশোধ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৪/১৫৪) : বর্তমানে এমন কিছু নিত্য ব্যবহার্য প্রসাধনী আছে, যা বাধ্য হয়েই ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু এগুলোতে অতি মাত্রায় সুগন্ধি ব্যবহার করা হয়। মহিলাদের সুগন্ধি ব্যবহার হারাম। কিন্তু উক্ত ব্যবহার্য বস্ত্তর সুগন্ধি যদি স্বামী ব্যতীত অন্য মাহরাম বা গায়ের মাহরাম পায় তাহ’লে গুনাহ হবে কি?
প্রশ্ন (২৮/৪২৮) : ‘আল্লাহুম্মা ইন্না নাসতাঈনুকা...’ মর্মে বর্ণিত দো‘আটি বিতরের কুনূত হিসাবে পাঠ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৫/২১৫) : আমাদের মসজিদের ইমাম ছাহেব প্রত্যেক জুম‘আর দিন ফজরের ছালাতের ২য় রাক‘আতে হাত তুলে দো‘আ করেন। এটা শরী‘আতসম্মত কি? - -ইউসুফ আলী, কান্তনগর পূর্বপাড়া, নাটোর।
প্রশ্ন (৭/১৬৭) : আমাদের এলাকায় খুৎবার পূর্বে একজন বাংলায় বয়ান করেন। অতঃপর খত্বীব ছাহেব কেবল আরবী খুৎবা পাঠ করেন। এটি শরী‘আতসম্মত হবে কি? - -আব্দুল হামীদ, মোহনপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩০/৩১০) : ছেলেদের বুক বা পিঠের লোম শেভ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৭/৩৩৭) : আমার দুই ভাগিনী হানাফী মাদরাসায় লেখাপড়া করে। আমি তাদের মাদরাসার মাসিক বেতন দেই। কিন্তু তাদের পিতামাতা আহলেহাদীছ লোকদের ছালাত পসন্দ করে না এবং যে দুই ভাগিনী মাদরাসায় লেখাপড়া করে তারাও পসন্দ করে না। এ ক্ষেত্রে আমার করণীয় কি? আমি যে টাকা দিচ্ছি তাতে তারা যে ভুল জিনিস শিক্ষা নিয়ে ভুল আমল করবে তাতে আমি গোনাহগার হব কি? - -আব্দুল্লাহ, মিরপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্ন (২০/৪২০) : যে মসজিদে কবর রয়েছে সেখানে ছালাত হবে কি?
প্রশ্ন (২২/৪২২) : আমি ঈদের সময় নানা ব্যস্ততায় সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অলসতাবশত ১-২ ওয়াক্ত ছালাত আদায় করিনি। এক্ষণে আমি এর ক্বাযা আদায় করলে আমার গুনাহ মাফ হবে কি? না পুনরায় কালেমা পাঠ করে মুসলিম হ’তে হবে?
প্রশ্ন (১৬/৫৬) : আমি যে অফিসে চাকরি করি সেখানে একটি ফান্ড ছিল। দুই বছর হওয়ার পর মালিক পক্ষ থেকে ফান্ডের টাকা চার শতাংশ সূদসহ সবাইকে ফেরৎ দেওয়া হয়েছে। উক্ত সূদী অর্থের ক্ষেত্রে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১১/৩৩১) : ইসলামী শরী‘আতে স্বামীকে আপনি, তুমি বা তুই সম্বোধন করার ব্যাপারে কোন নির্দেশনা আছে কি?
আরও
আরও
.