উত্তর : এভাবে টাকা দিয়ে জমি গ্রহণ করাকে বন্ধক বলা হয়। আর বন্ধক গ্রহীতা বন্ধকী জমি ভোগ করতে পারবে না। এটা পরিষ্কার সূদ। এভাবে জমি নিলে চাষের খরচ ব্যতীত বাকী শস্য মালিকের কাছে ফেরত দিতে হবে। কারণ এটা একটা কর্য। আর কর্যের লাভ ভোগ করা যায় না। ইবনে আববাস (রাঃ) বলেন, যে ঋণের বিনিময় লাভ করা হয়, তা সূদ (ইরওয়াউল গালীল হা/১৩৯৭






প্রশ্ন (৩/২৪৩) : পায়জামার চেয়ে লুঙ্গি পরা কি উত্তম? রাসূল (ছাঃ) কি পায়জামা পরা অপসন্দ করতেন? - -আব্দুল্লাহ, তাহেরপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২/৪২) : পিতা স্বীয় জীবদ্দশায় একমাত্র মেয়েকে নিজের সমুদয় সম্পত্তি লিখে দিতে পারবেন কি?
প্রশ্ন (১৩/৯৩) : বাড়ী করার জন্য পিতা-মাতা আমাকে একখন্ড জমি দান করেন। কিন্তু আমি ভাইদের সাথে ঝগড়ার এক পর্যায়ে বলে ফেলি যে, আমি যদি ঐ জমিতে যাই তাহ’লে মুসলিম থেকে খারিজ হয়ে যাব। এখন ঐ জমিতে যেতে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১১/১১) : কঠিন পরিশ্রমের কারণে বহু শ্রমিক পুরো রামাযান মাস ছিয়াম রাখতে পারে না। এরূপ অবস্থায় পরবর্তীতে ছিয়ামের ক্বাযা আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (০৪/৩৬৪) : আমি যে মসজিদে ফজরের ছালাত আদায় করি সেখানকার ইমাম ছাহেব ছালাতের পর কিছু বিদ‘আতী আমল করেন। তাই আমি মসজিদের মধ্যে মুছাল্লা ছেড়ে পৃথক স্থানে যিকির-আযকার করে ইশরাক্বের ছালাত আদায় করি। এতে নেকীর কোন কমতি হবে কি? - আবুল হাসান, মহাদেবপুর, নওগাঁ।
প্রশ্ন (৩৪/২৭৪) : স্ত্রী স্বামীর নিকটে বা স্বামী স্ত্রীর নিকটে কোন কাজের ব্যাপারে কৈফিয়ত চাইতে পারে কি? বিশেষত তাদের কেউ যদি অপরের অপসন্দের কাজ করে থাকে? - মৌসুমী আখতার মুন্সীপাড়া, রংপুর।
প্রশ্ন (১৫/১৭৫) : অনেক আলেম খাওয়ার সময় সালাম দিতে নিষেধ করেন। এর পক্ষে ছহীহ দলীল জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩২/৩১২) : যে মাসের রামাযান শুরু হবে শুক্রবার দিয়ে সেই রামাযানের ১৫ তারিখে আকাশে একটি বিকট আওয়াজ হবে এবং তাতে ৭০ হাযার মানুষ অজ্ঞান, ৭০ হাযার অন্ধ, ৭০ হাযার বোবা এবং অসংখ্য মানুষ মারা যাবে। বিষয়টি বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (৫/২০৫) : খাদ্যগ্রহণের আদব কি কি?
প্রশ্ন (৩৬/৩৯৬) : গোঁফ পুরোপুরি শেভ করা বা ছোট করে রাখা কোনটি উত্তম হবে? শেভ করা কি নিষিদ্ধ?
প্রশ্ন (২৫/২৫) : হালাল পন্থায় উপার্জন করে ঋণ পরিশোধ করতে অক্ষম হওয়ায় যদি হারাম পন্থায় ইনকাম করে সেই ঋণ পরিশোধ করা হয় তাহ’লে তা বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (২/২) : বিভিন্ন সময় আরব থেকে শায়েখ-মাশায়েখ বাংলাদেশে আগমন করেন এবং বিভিন্ন মসজিদে খুৎবা দেন। আরবী ভাষায় খুৎবা প্রদান করায় মুছল্লীরা বুঝতে পারে না। এমতাবস্থায় কোন বাঙ্গালী খুৎবার তরজমা করে দিলে কোন দোষ হবে কি?
আরও
আরও
.