উত্তর : ঘুমানোর পূর্বে ওযূ করে শোয়া মুস্তাহাব। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে মুসলিম রাতে পবিত্র অবস্থায় যিকর করতে করতে ঘুমায়, এরপর ঘুম ভেঙে গেলে সে আল্লাহর কাছে দো‘আ করে দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ ও মঙ্গলের জন্য, তখন আল্লাহ্ তাকে তা দান করেন’ (আবুদাঊদ হা/৫০৪২; মিশকাত হা/১২১৫)। যদি কেউ ওযূ করে বিছানায় শোয়ার পর ঘুমানোর পূর্বে ওযূ ভেঙ্গে যায় অথবা রাতে কোন সময় ঘুম ভেঙ্গে যায়, তবে তাকে পুনরায় ওযূ করতে হবে না। কেননা প্রথমবারের ওযূর মাধ্যমেই সুন্নাত পালন হয়ে গেছে। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) একবার রাতে ঘুম থেকে উঠলেন এবং প্রাকৃতিক প্রয়োজন সেরে হাত-মুখ ধুলেন। অতঃপর ঘুমিয়ে গেলেন (বুখারী হা/৬৩১৬; মুসলিম হা/৭৬৩)। অর্থাৎ তিনি পুনরায় ওযূ করেননি। সুতরাং ঘুমের উদ্দেশ্যে শোয়ার পূর্বে ওযূ করাই হাদীছের উদ্দেশ্য। শোয়ার পর ওযূ ভাঙলে তা ধর্তব্য নয়। তদুপরি কেউ চাইলে পুনরায় ওযূ করতে পারে (নববী, শরহ মুসলিম ১৭/৩২; ক্বাযী ‘ইয়ায, ইকমালুল মু‘আল্লিম ৭/১৩৪)

প্রশ্নকারী : হাসীবুর রশীদ, কাজীপুর, সিরাজগঞ্জ






বিষয়সমূহ: যাকাত ও ছাদাক্বা
প্রশ্ন (৪০/২৪০) : ‘মসজিদে নববী’ নামে কোন মসজিদের নাম রাখা যাবে কি?
প্রশ্ন (২০/১৮০) : নারীরা কি সেনাবাহিনীতে চাকুরী করতে পারবে?
প্রশ্ন (২৬/৪৬৬) : আমার স্ত্রী ৭ মাসের গর্ভবতী। সম্প্রতি আল্ট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, আমাদের অনাগত শিশুটি এনেন্সেফালি নামক একটি মারাত্মক জন্মগত বিকলাঙ্গতায় আক্রান্ত। রিপোর্ট অনুযায়ী শিশুটির মাথার খুলির উপরের অংশ অনুপস্থিত। চিকিৎসকদের মতে, শিশুটি জন্মের কিছুদিনের মধ্যে মৃত্যুবরণ করবে। এই রোগের কোন চিকিৎসা নেই। এমতাবস্থায় আমাদের জন্য গর্ভপাত করানো জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৮/১৮৮) : বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ী উভয়ে সমাঝোতার মাধ্যমে যদি এরূপ চুক্তিতে উপনীত হয় যে, লোকসানের দায় কেবল ব্যবসায়ীই নিবে বিনিয়োগকারী নয়, তাহ’লে এরূপ চুক্তি করা জায়েয হবে কি? - -রফীকুল ইসলাম, কাটাখালী, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১১/৪৫১) : ছিয়াম পালনে অক্ষম ব্যক্তির ফিদইয়া ফকীর-মিসকীনকে না দিয়ে কোন মাদরাসা বা ইয়াতীম খানায় দেয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৬/২৮৬) : হালাল বা হারাম পশুর রক্ত পবিত্র কি? গায়ে লাগলে তা নিয়ে ছালাত হবে কি?
প্রশ্ন (৪/৪৪) :কোন নারীকে হূরে ‘আইনদের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য দো‘আ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৯/৩৭৯) : জনৈক লেখক দাবী করেছেন, ইমাম আবু হানীফার জন্ম ৮০ হিজরীতে আর মৃত্যু ১৫০ হিজরীতে। ইমাম বুখারীর জন্ম ১৯৪ হিজরীতে আর মৃত্যু ২৫৬ হিজরীতে। সুতরাং আবু হানীফার কথা বাদ দিয়ে ইমাম বুখারীর সংগৃহীত হাদীছ গ্রহণ করা যাবে না। কারণ ইমাম বুখারীর চেয়ে ইমাম আবু হানীফা অনেক পূর্ববর্তী। উক্ত দাবীর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২১/৩০১) : রুকুর পরে বুকে হাত বাঁধার বিধান সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৪/৪) : জনৈক ব্যক্তিকে বলতে শুনলাম, সূরা বাক্বারাহ ১৮৭ আয়াতে ছিয়াম রাত্রি পর্যন্ত পূর্ণ করতে বলা হয়েছে। এছাড়া সূরা ইনশিক্বাক্বের ১৬-১৭ আয়াতে আল্লাহ সন্ধ্যা ও রাতকে পৃথকভাবে উল্লেখ করেছেন। সেকারণ সূর্যাস্তের পর নয়; বরং তার ১ ঘণ্টারও অধিক সময় পর রাত শুরু হ’লেই ইফতার করতে হবে। একথার কোন সত্যতা আছে কি? - -মুস্তাফীযুর রহমান, গুলশান, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৮/৩৪৮) : দীর্ঘ বিবাহিত জীবনে স্বামীর সমস্যার কারণে সন্তান হচ্ছে না। এমতাবস্থায় স্বামীর নিকট থেকে তালাক নিয়ে অন্যত্র বিবাহ করা যাবে কি?
প্রশ্নঃ (১০/৩৩০) : কাউকে জিজ্ঞেস করা হ’ল যে, আপনি কেমন আছেন? সে উত্তরে বলল, আল্লাহর রহমতে ও আপনাদের দো‘আয় ভাল আছি। এরূপ বলা যাবে কি?
আরও
আরও
.