উত্তর : ঘুমানোর পূর্বে ওযূ করে শোয়া মুস্তাহাব। রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে মুসলিম রাতে পবিত্র অবস্থায় যিকর করতে করতে ঘুমায়, এরপর ঘুম ভেঙে গেলে সে আল্লাহর কাছে দো‘আ করে দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ ও মঙ্গলের জন্য, তখন আল্লাহ্ তাকে তা দান করেন’ (আবুদাঊদ হা/৫০৪২; মিশকাত হা/১২১৫)। যদি কেউ ওযূ করে বিছানায় শোয়ার পর ঘুমানোর পূর্বে ওযূ ভেঙ্গে যায় অথবা রাতে কোন সময় ঘুম ভেঙ্গে যায়, তবে তাকে পুনরায় ওযূ করতে হবে না। কেননা প্রথমবারের ওযূর মাধ্যমেই সুন্নাত পালন হয়ে গেছে। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) একবার রাতে ঘুম থেকে উঠলেন এবং প্রাকৃতিক প্রয়োজন সেরে হাত-মুখ ধুলেন। অতঃপর ঘুমিয়ে গেলেন (বুখারী হা/৬৩১৬; মুসলিম হা/৭৬৩)। অর্থাৎ তিনি পুনরায় ওযূ করেননি। সুতরাং ঘুমের উদ্দেশ্যে শোয়ার পূর্বে ওযূ করাই হাদীছের উদ্দেশ্য। শোয়ার পর ওযূ ভাঙলে তা ধর্তব্য নয়। তদুপরি কেউ চাইলে পুনরায় ওযূ করতে পারে (নববী, শরহ মুসলিম ১৭/৩২; ক্বাযী ‘ইয়ায, ইকমালুল মু‘আল্লিম ৭/১৩৪)

প্রশ্নকারী : হাসীবুর রশীদ, কাজীপুর, সিরাজগঞ্জ






বিষয়সমূহ: যাকাত ও ছাদাক্বা
প্রশ্ন (২১/৩০১) : জনৈক ব্যক্তির শারীরিক অক্ষমতার কারণে স্ত্রী তাকে ডিভোর্স দিয়েছে। এক্ষণে তার মোহরানা স্বামীকে ফেরত দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৩/১২৩) : মৃত্যু বা জন্ম দিবস উপলক্ষে সভা, সমিতি, সম্মেলন করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৭/৪০৭) : জামা‘আতে তারাবীহর ছালাত আদায় করা অবস্থায় ২/১ রাক‘আত ছুটে গেলে তা পূর্ণ করতে হবে কি?
প্রশ্ন (৬/২৮৬) : একটি বিশেষ খাবারকে হালীম নামকরণ করা হয়ে থাকে। কোন কোন বক্তা আল্লাহর নাম হিসাবে এই শব্দটি কোন খাবারের নাম হিসাবে ব্যবহার করাকে নিষিদ্ধ মনে করেন। এটি কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩০/৩১০) : মৃত্যুপথযাত্রী রোগী অছিয়ত করেছেন যেন তার অপারেশন করানো না হয়। চিকিৎসক বলছেন, অপারেশন করলে বাঁচতেও পারে, নাও পারে। এক্ষণে রোগীর অছিয়তের বিপরীতে অপারেশন করানো জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৪/৪০৪) : ‘মাসআলা ও হাকীকত’ নামক বইয়ে জনৈক লেখক লিখেছেন, দাড়ির সর্বোচ্চ পরিমাণ এক মুষ্টি। এর অতিরিক্ত লম্বা দাড়ি রাখা হারাম। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, তোমরা দাড়ি অল্প লম্বা কর। অনুরূপ চুল-দাড়িতে কালো খেযাব, কালো মেহেদী ব্যবহার করা সুন্নাত। আবুবকর, ওমর, ওছমান (রাঃ) সহ অনেক ছাহাবী কালো কলপ ব্যবহার করেছেন। কালো খেযাব ব্যবহার করার বিরুদ্ধে যেসব হাদীছ বর্ণিত হয়েছে, সেগুলো সবই জাল, যঈফ। লেখকের উক্ত দাবী কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩/৩২৩) : আমি একজন চাকুরীজীবী নারী। আমার স্বামী বিভিন্ন পারিবারিক অশান্তিতে যিদের বশে পরবর্তীতে আরো ২টা বিবাহ করেন। ২ বছর পর সে ভুল বুঝতে পারে। এক্ষণে সে আমার চাহিদার কারণে পরবর্তীতে বিবাহ করা দুই স্ত্রীকে তালাক দিতে পারবে কি?
প্রশ্ন (১০/৯০) : অনেক মাদরাসায় বিভিন্ন ব্যক্তির নামে ফলের বীজ দিয়ে দো‘আ ইউনুস পড়া হয়। অতঃপর সবাই পানির পাত্রে ফুঁক দেয়। শেষে উপস্থিত সকলকে নিয়ে ঐ ব্যক্তির জন্য সম্মিলিতভাবে হাত তুলে দো‘আ করা হয় এবং তবারক বিতরণ করা হয়। উক্ত পদ্ধতি কি শরী‘আত সম্মত? উক্ত অনুষ্ঠানে যোগ দেয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১২/১৩২) : কোন মাদরাসা বা ইসলামী প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট কমিশনের বিনিময়ে চাঁদা আদায় করে দেওয়ার কাজে নিযুক্ত হওয়া জায়েয হবে কি? - -মুজীবুর রহমান, পশ্চিম বঙ্গ, ভারত।
প্রশ্ন ৪০/৩৬০) : সাপ বা যে কোন ক্ষতিকর প্রাণী থেকে বাঁচার জন্য কোন দো‘আ আছে কি?
প্রশ্ন (১০/৯০) : আমাদের এলাকার হিন্দু এমপি মসজিদে ১ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছেন। এক্ষণে মসজিদের দেয়ালে তার নামে নেমপ্লেট বসানো যাবে কি?
প্রশ্ন (২/৩৬২) : স্ত্রী আমার চাহিদা মোতাবেক আমার সাথে নির্জনবাস করে না। বরং তার চাহিদা মত আমাকে তার কাছে যেতে হয়। এরূপ কারণে স্ত্রীকে তালাক দেয়া যাবে কি?
আরও
আরও
.