উত্তর : কোন মহিলার শারীরিক সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও স্বামী এবং স্ত্রীর মাঝের মানবীয় চাহিদাকে অস্বীকার করা এবং একে ইবাদত-বন্দেগীর জন্য ক্ষতিকর গণ্য করা ইসলামী নীতির চরম লঙ্ঘন। কারণ স্বামী ও স্ত্রীর মিলিত হওয়াও একটি ইবাদত (মুসলিম; মিশকাত হা/১৮৯৮)। যে যত বেশী দ্বীনদার হবে, সে তত বেশী স্বামীকে খুশী রাখার চেষ্টা করবে। রাসূল (ছাঃ) স্বামীর আনুগত্যকে স্ত্রীর জান্নাত লাভের কারণ হিসাবে বর্ণনা করেছেন (আহমাদ, ছহীহুল জামে‘ হা/৬৬০, ৬৬১)। এছাড়া স্বামীর অবাধ্যতার পরিণতি ভয়াবহ। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘তিন ব্যক্তির ছালাত তাদের কর্ণকুহর পার হয় না (অর্থাৎ কবুল হয় না)। তন্মধ্যে একজন হচ্ছে ঐ মহিলা যে স্বামীর অসন্তুষ্টিতে রাত্রি যাপন করে’ (তিরমিযী, মিশকাত হা/১১২২ ‘ইমামত’ অনুচ্ছেদ)। অন্য বর্ণনায় এসেছে, ফেরেশতাগণ সকাল পর্যন্ত ঐ মহিলার উপর অভিসম্পাত করতে থাকে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৩২৪৬)






প্রশ্ন (৩৪/৭৪) : জনৈক ব্যক্তির আমল ও আক্বীদায় স্পষ্ট শিরক ছিল। তিনি তওবা করেছেন কি-না সেটাও আমার জানা নেই। এক্ষণে তার জানাযায় তার জন্য মাগফিরাতের দো‘আ করতে পারব কি?
প্রশ্ন (৬/৪৪৬) : কারণবশতঃ এক মসজিদে ই‘তিকাফ করে অন্য মসজিদে তারাবীহর ছালাতের ইমামতি করা যাবে কি? - -আবুল কালাম আযাদ, মহিমাগঞ্জ, ময়মনসিংহ।
প্রশ্ন (৬/২০৬) : আমাদের এলাকায় জানাযার সময় মৃত ব্যক্তিকে সামনে রেখে আধা ঘণ্টা বা তার চেয়েও বেশী সময় ধরে বিভিন্ন জন বক্তব্য দেন। এর শারঈ বিধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১০/২৫০) : যে ব্যক্তি সব মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীর জন্য দো‘আ বা ক্ষমা প্রার্থনা করবে আল্লাহ তাকে প্রতিটি মুমিন পুরুষ ও নারীর পরিবর্তে একটি করে নেকী দিবেন মর্মে বর্ণিত হাদীছটি ছহীহ কি?
প্রশ্ন (১৯/১৭৯) : রাশি গণনা করা ও তার প্রতি বিশ্বাস করা কি শরী‘আত সম্মত? গণকের দেওয়া আংটি বা পাথর ব্যবহার করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৫/৪১৫) : জনৈক আলেম বলেন, বিবাহ না করলে মানুষ অর্ধেক দ্বীন থেকে খালি থাকে। একথার সত্যতা ও ব্যাখ্যা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২/২০২) : স্যালুট প্রদান পদ্ধতির ক্ষেত্রে শরী‘আতের বিধান কি?
প্রশ্ন (১/৩৬১) : আমাদের সৈয়দপুর সেনানিবাসে গ্যারিসন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সহ মোট ৪টি জুম‘আ মসজিদ আছে। এক্ষণে মুছল্ল­ী বৃদ্ধির জন্য বাকী তিনটি ওয়াক্তিয়া রেখে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে কেবলমাত্র একটি জুম‘আ করতে চাই। শরী‘আতে এটি জায়েয হবে কি-না।
প্রশ্ন (৩৩/৪৩৩) : দাবা খেলাকে মাসিক আত-তাহরীকে হারাম বলা হয়েছে। কিন্তু ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর ‘হাদীসের নামে জালিয়াতি : প্রচলিত মিথ্যা হাদীস ও ভিত্তিহীন কথা’ বইয়ে এবং ড. ইউসুফ আল-কারযাভী রচিত ‘ইসলামে হালাল হারামের বিধান’ উল্লেখ আছে যে, এ বিষয়ে মারফূ‘ সূত্রে বর্ণিত কোন হাদীস নেই। এ সম্পর্কে সঠিক সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৫/১১৫) : আদম (আঃ) সৃষ্টির পূর্বে পৃথিবীতে যে জিন জাতি ছিল তাদের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন নবী-রাসূল এসেছিলেন কি?
প্রশ্ন (৩২/৪৩২) : মাসিক আত-তাহরীকে নবী-রাসূলগণের সংখ্যা ১ লক্ষ ২৪ হাযার উল্লেখ করা হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত হাদীছটিকে ছহীহ বলা হয়েছে। কিন্তু ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর ‘হাদীসের নামে জালিয়াতি : প্রচলিত মিথ্যা হাদীস ও ভিত্তিহীন কথা’ বইয়ের ২২৯ পৃষ্ঠায় হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। কোনটি সঠিক?
প্রশ্ন (৩৫/১৯৫) : কোন কোন বাস প্রতি ওয়াক্ত ছালাতের সময় মসজিদে বিরতি দেয়। এমতাবস্থায় জমা করা যাবে কি? না কি প্রতি ওয়াক্তে পড়াই উত্তম হবে?
আরও
আরও
.