উত্তর : সাধারণভাবে স্থায়ী জন্মনিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ হারাম। তবে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী যদি জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়, তাহ’লে স্থায়ী পদ্ধতি অবলম্বন করা যায়। কারণ আল্লাহ হারাম জিনিসকে কখনো কখনো হালাল করেছেন। যেমন নিরুপায় অবস্থায় মৃত প্রাণীর গোশত হালাল (বাক্বারাহ ২/১৭৩, নাহল ১৬/১১৫; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ১৯/৩১৮)। তবে দারিদ্রে্যর ভয়ে সন্তান না নেওয়ার লক্ষ্যে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা হারাম (বনী ইসরাঈল ১৭/৩১)






প্রশ্ন (৩৭/৩১৭) : হাদীছে বর্ণিত ঈমানের ৭০টি শাখা-প্রশাখা ধারাবাহিকভাবে জানতে চাই। - যুলফিকার আলম, খানপুর, পঞ্চগড়।
প্রশ্ন (৪০/১৬০) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, জুম‘আর খুৎবা সংক্ষিপ্ত হবে আর ছালাত দীর্ঘ হবে। অথচ আমাদের দেশে সব মসজিদেই এ হাদীছের বিপরীত আমল দেখা যায়। বিষয়টি স্পষ্টভাবে জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৫/১১৫) : সাত দিনে আক্বীক্বা করা সুন্নাত। কিন্তু পিতার আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকায় কোনভাবেই তার পক্ষে সম্ভব নয়। এক্ষণে সক্ষমতা আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৯/৩৮৯) : ছেলে-মেয়ে অভিভাবক ছাড়া বিবাহের পর মেয়ের পিতা মেনে নিলেও নতুনভাবে আর বিবাহ হয়নি। কিছুদিন পর ছেলেটি মেয়েটিকে তালাক দিয়ে দেয়। এক্ষণে উক্ত বিবাহ বৈধ না হ’লে তালাক দেয়া সঠিক হয়েছে কি? সেক্ষেত্রে নতুনভাবে বিবাহ করে আবার সংসার করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৬/২৩৬) : ফেসবুক, হোয়াটসএ্যাপের মত সামাজিক মাধ্যমে লাইক, লাভ সহ বিভিন্ন ইমোজি ব্যবহার করা শরী‘আতসম্মত হবে কি? অনেকে বলে থাকেন এটা খৃষ্টানদের ব্যবহৃত চিহ্ন।
প্রশ্ন (৪০/৮০) : স্বপ্ন সম্পর্কে জানতে চাই। সাধারণ মানুষের দেখা স্বপ্নের কোন গুরুত্ব আছে কি? খারাপ স্বপ্ন দেখলে করণীয় কি?
প্রশ্ন (২১/৩০১) : প্রচলিত ঈছালে ছওয়াব অনুষ্ঠানের কোন ভিত্তি শরী‘আতে আছে কি? এসব অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়া বা উপস্থিত হওয়া শরী‘আতসম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (১০/২১০) : আমরা জানি পবিত্র কুরআনের আয়াত সংখ্যা ৬,৬৬৬টি। কিন্তু ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত কুরআন মজীদের আয়াত সংখ্যা ৬,২৩৬টি। কোনটি সঠিক?
প্রশ্ন (৯/৯) : সম্প্রতি বাংলাদেশে সার্বজনীন পেনশন স্কীম চালু হয়েছে। যে পদ্ধতিতে এটি করা হয়েছে তা কি ইসলামী শরী‘আত সম্মত?
প্রশ্ন (২৭/১০৭) : প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সাক্ষাতের সময় সালাম বিনিময় না করে প্রচলিত স্যালুট প্রথা শরী‘আতসম্মত কি?
প্রশ্ন (১২/৪৫২) : প্রভিডেন্ট ফান্ডের ব্যাপারে হানাফী মাযহাবের ফৎওয়া হ’ল, চাকুরী শেষে যা একবারে সরকার প্রদান করে থাকে তা হালাল। কিন্তু বর্তমান সরকারী চাকুরীর ক্ষেত্রে যা দেখা যাচ্ছে তা হ’ল- সরকার প্রতি মাসে কর্মচারীদের বেতন থেকে নির্দিষ্ট হারে একটি অংশ কেটে রাখে এবং তা সূদী ব্যবসায় খাটায়। অতঃপর চাকুরী শেষে মুনাফাসহ যে পরিমাণ টাকা জমা হয়, তা এককালীন অথবা গ্রাহক চাইলে মাসিক ভিত্তিতে প্রদান করে। উক্ত অর্থ গ্রহণ করা কি হালাল হবে?
প্রশ্ন (৬/৪৬) : নারীদের জন্য বিভিন্ন ইসলামী সংগঠন, ফাউন্ডেশন ইত্যাদির সাথে জড়িত থেকে দ্বীনী কাজ করা জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.