উত্তর : ই‘তিকাফ অবস্থায় নফল ছালাত, যিকির, তাসবীহ, তাহলীল, তাহমীদ ও কুরআন তেলাওয়াত প্রভৃতি ইবাদতে ব্যস্ত থাকা মুস্তাহাব। তবে একান্ত প্রয়োজনে ইবাদতের উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য বইপত্র পড়তে পারে (বাহুতী, কাশশাফুল কেনা‘ ২/৩৬৩; নববী, আল-মাজমূ‘ ৬/২২৮)। উল্লেখ্য যে, ই‘তিকাফের মূল উদ্দেশ্য নিরন্তর ইবাদতের মাধ্যমে লায়লাতুল কদর অন্বেষণ করা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা।

প্রশ্নকারী : শাহীনুর রহমান

মেলান্দহ, জামালপুর।







বিষয়সমূহ: ছিয়াম-রামাযান
প্রশ্ন (১৩/৫৩) : সামর্থ্যহীন ব্যক্তি কারো টাকায় হজ্জ করার পর পরবর্তীতে তার সামর্থ্য হ’লে তাকে কি পুনরায় হজ্জ করতে হবে?
প্রশ্ন (২১/২৬১) : জুম‘আর খুৎবার সময় সামনে উঁচু ডেস্ক থাকায় সেখানে হাত এবং নোট রেখে বক্তব্য দেওয়ায় লাঠি রাখা কঠিন হয়। এক্ষণে সামনে টেবিল থাকা সত্ত্বেও লাঠি হাতে থাকতে হবে কি?
প্রশ্ন (১৯/২১৯) : প্রখর রৌদ্রের কারণে ঈদের মাঠে সামিয়ানা টানানো যাবে কি?
প্রশ্ন (২৭/১০৭) : ছালাতে বুকের উপর হাত বাঁধার ক্ষেত্রে কেউ কনুই পর্যন্ত পুরো হাত অপর হাতের উপর রাখে। আবার কেউ হাতের তালু অপর হাতের তালুর উপর রাখে। এক্ষণে হাত বাঁধার সঠিক নিয়ম কি? - -আব্দুল ক্বাইয়ূম, সাভার, ঢাকা।
প্রশ্ন (২০/৪৬০) : শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে বিভিন্ন অপরাধের শাস্তি স্বরূপ আর্থিক জরিমানা আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৮/১০৮) : প্রয়োজনীয় ছবি তোলা ও প্রিন্ট করার ব্যবসা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৫/২১৫) : বর্তমান হারামাইন কর্তৃপক্ষের আইন অনুযায়ী ইহরামের কাপড় ছাড়া তথা ওমরাহকারী ছাড়া অন্য কেউ মাতাফে নেমে তওয়াফ করতে পারবে না। তাদেরকে কেবল উপরের তলাগুলো দিয়ে তওয়াফ করতে হবে। সেকারণে অনেক ওমরাহকারী ওমরাহ শেষ হওয়ার পরও কৌশল করে ইহরামের কাপড় পরে নীচে তওয়াফ করছেন। এরূপ করা সঠিক হবে কি?
প্রশ্ন (২১/৩০১) : আত্মীয়-স্বজন বেশী হওয়ায় মেয়ে সন্তানের আক্বীক্বা হিসাবে দু’টি ছাগল দিতে চাই অথবা বাজার থেকে কিছু গোশত কিনে আক্বীক্বার গোশতের সাথে একত্রিত করে খাওয়াতে চাই। এটা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২১/৪৬১) : জুম‘আর দিন দো‘আ কবুলের সময় কখন? খুৎবার সময় চুপে চুপে দো‘আ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২/৪২) : কেউ যদি কুরআন ও সুন্নাহ মেনে চলে তার জন্য কোন জামা‘আত বা সংগঠনের অন্তুর্ভুক্ত থাকা যরূরী কি? বিশেষতঃ যারা আমরা অমুসলিম দেশে বসবাস করি? - -রফীকুল ইসলাম, এ্যানকোনা, ইতালী।
প্রশ্ন (২৯/৪২৯) : জনৈক ব্যক্তির প্রথমা স্ত্রীর দু’সন্তান ও দ্বিতীয় স্ত্রীর সাত সন্তান। প্রথমা স্ত্রীর বড় ছেলের পাঁচ সন্তান ও ছোট ছেলে নিঃসন্তান। প্রথমা স্ত্রীর বড় ছেলে মারা গেছে এবং তার দুই ছেলে আছে। এক্ষণে প্রথমা স্ত্রীর ছোট ছেলে মারা গেলে বৈমাত্রেয় ভাইয়েরা সম্পত্তির ওয়ারিছ হবে, নাকি আপন ভাতিজারা ওয়ারিছ হবে?
প্রশ্ন (২৫/৬৫) : জনৈক বক্তা বলেন, ‘আসুন! পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে জীবন গড়ি’ একথা বলা যাবে না। কারণ শুধু ছহীহ হাদীছ দ্বারা মুসলিমগণ জীবন ধারণ করতে পারবে না। যেমন ফজরের আযানে ‘আছ ছালাতু খায়রুম মিনান্নাউম’ বলার হাদীছ যঈফ। উক্ত দাবী কি সঠিক?
আরও
আরও
.