উত্তর : আমলে বড় শিরক থাকলে তার ঈমান ও আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে এবং বড় শিরকে লিপ্ত ব্যক্তি তওবা না করে মৃত্যুবরণ করলে চিরস্থায়ীভাবে জাহান্নামী হবে। যেমন আল্লাহর ইবাদতে শিরক করা ইত্যাদি। আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে তাঁর সাথে কাউকে শরীক করে। এটা ব্যতীত যাকে ইচ্ছা তিনি ক্ষমা করে থাকেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শরীক করল, সে ব্যক্তি দূরতম ভ্রষ্টতায় নিপতিত হ’ল (নিসা ৪/১১৬)। তিনি বলেন, বস্ত্ততঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অন্যকে শরীক করে, আল্লাহ অবশ্যই তার উপরে জান্নাতকে হারাম করে দেন এবং তার ঠিকানা হ’ল জাহান্নাম (মায়েদাহ ৫/৭২)। তিনি আরো বলেন, ‘যদি তুমি শিরক কর, তাহ’লে তোমার সকল আমল অবশ্যই বরবাদ হয়ে যাবে এবং তুমি অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে’ (যুমার ৩৯/৬৫)

প্রশ্নকারী : নাছরুল্লাহনরসিংদী। 






প্রশ্নঃ (১০/১০) : জনৈক ব্যক্তি তার পুত্রবধুর সাথে যেনায় লিপ্ত হয়। এমতাবস্থায় তার পুত্রের বিবাহ বিচ্ছেদ হবে কি? স্বামী যদি ঐ স্ত্রীর সাথে ঘর-সংসার করে তাহ’লে সে গোনাহগার হবে কি?
প্রশ্ন (৬/২০৬) : জনৈক নারীর প্রথম পক্ষের ১টি ছেলে এবং দ্বিতীয় পক্ষে ১টি ছেলে ও ১টি মেয়ে রয়েছে। এক্ষণে তার উভয় স্বামী মারা গেলে প্রথম পক্ষের ছেলেটি উভয় পিতারই সম্পদের ওয়ারিছ হবে কি? - -আহসান হাবীব, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৭/১৬৭) : আমাদের এলাকায় খুৎবার পূর্বে একজন বাংলায় বয়ান করেন। অতঃপর খত্বীব ছাহেব কেবল আরবী খুৎবা পাঠ করেন। এটি শরী‘আতসম্মত হবে কি? - -আব্দুল হামীদ, মোহনপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৬/২৬৬) : আমি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি। যার অধিকাংশ শিক্ষার্থী মুশরিক। আমাকে যেখানে থাকতে হয় তারা সবাই অমুসলিম। আমি তাদের সাথে হারাম কিছু ভক্ষণ না করলেও আমার অধিকাংশ সময় তাদের সাথে কাটাতে হয়। এক্ষণে আমার জন্য করণীয় কী? - -লতীফুর রহমান, করণদীঘি, উত্তর দিনাজপুর, ভারত।
প্রশ্ন (২০/২৬০) : ‘দেশকে ভালবাসা ঈমানের অঙ্গ’ কথাটি কি হাদীছ? জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৯/৩৩৯) : ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী কে ছিলেন? জনৈক বক্তা বলেন, ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) তাকে কাফের ঘোষণা করেছিলেন। এ কথার সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (২১/২২১) : ধর্মীয় জীবনে ইসলামের সকল বিধি-বিধান মেনে চলার সাথে সাথে বৈষয়িক জীবনে গণতন্ত্র বা ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদ রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠার জন্য সময় ও শ্রম ব্যয় করলে নিজেকে মুসলিম হিসাবে দাবী করা যাবে কি? - .
প্রশ্ন (৪০/৪৮০) : আল্লাহ নেক আমলের ছওয়াব বিশ লক্ষগুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেন। মুসনাদে আহমাদ-এর এই বর্ণনাটি ছহীহ কি?
প্রশ্নঃ (১০/২৫০) : হাদীছে এসেছে, আয়েশা (রাঃ) আযান ও ইক্বামত দিতেন। প্রশ্ন হ’ল, তিনি কি উচ্চৈঃস্বরে আযান দিতেন?
প্রশ্ন (৩৬/৩৫৬) : রামাযান মাসে লায়লাতুল ক্বদরের বেজোড় রাত্রিগুলোতে ওয়ায-নছীহত করে তারপর ইবাদত করা হয়। এই রাতে ওয়ায করে সময় ব্যয় করা কি হাদীছ সম্মত? - -হাফেয শহীদুল ইসলাম বাংলা বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩৭/৪৭৭) : শাওয়াল মাসের ছিয়াম ধারাবাহিকভাবে রাখতে হবে কি? এছাড়া কারণবশতঃ এ মাসের মধ্যে সবকয়টি রাখা সম্ভব না হলে পরের মাসে ক্বাযা আদায় করা যাবে কি? - -আব্দুর রাযযাক, নশীপুর, বগুড়া।
প্রশ্ন (৩২/৪৭২) : আল্লাহ তা‘আলার কোন ছিফাত বা গুণবাচক নামের মাধ্যমে কিছু প্রার্থনা করা যাবে কি? যেমন কেউ বলল, হে আল্লাহর কালাম! তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও ইত্যাদি।
আরও
আরও
.