উত্তর : কুরবানীর পশু নির্বাচন করার সময় গর্ভবতী পশুকে এড়িয়ে চলাই উত্তম। তবে পশু কেনার পর যদি গর্ভবতী হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পায় তাহ’লে উক্ত পশু দিয়েই কুরবানী দিবে। কারণ গর্ভবতী পশু দ্বারা কুরবানী দেওয়া জায়েয। ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘গর্ভবতী পশু দ্বারা কুরবানী দেওয়া বৈধ। যদি গর্ভের বাচ্চা মৃত অবস্থায় বের হয়, তাহ’লে তার যবহ মায়ের যবহ হিসাবে গণ্য হবে...আর যদি বাচ্চাটি জীবিত অবস্থায় বের হয়, তবে তাকে পৃথকভাবে যবহ করতে হবে’ (আবূদাঊদ হা/২৮২৮; মিশকাত হা/৪০৯১; মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২৬/৩০৭)। জমহূর ফক্বীহদের মতে, পশুর গর্ভবতী হওয়া কুরবানীর জন্য অযোগ্য হওয়ার কারণ নয়। তবে শাফেঈ মাযহাবের বিদ্বানগণ ভিন্নমত পোষণ করেন। তারা মনে করেন যে, গর্ভবতী পশু দ্বারা কুরবানী শুদ্ধ হবে না। কারণ গর্ভধারণ পশুর পেটে ভিন্নতা নিয়ে আসে এবং মাংসকে বিস্বাদ করে তোলে (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ১৬/২৮১)

উল্লেখ্য যে, কুরবানীর জন্য নির্দিষ্ট গাভিন গরু বা বকরী যদি কুরবানীর পূর্বেই জীবিত বাচ্চা প্রসব করে, তবে ঐ বাচ্চা ঈদের দিনগুলির মধ্যেই তার মায়ের সাথে কুরবানী করবে। কুরবানীর পূর্ব পর্যন্ত বাচ্চার প্রয়োজনের অতিরিক্ত দুধ মালিক পান করতে পারবে বা তার বিক্রয়লব্ধ পয়সা নিজে ব্যবহার করতে পারবে। তবে ইমাম আবু হানীফা (রহঃ)-এর মতে উক্ত জীবিত বাচ্চা মিসকীনদের মধ্যে বিতরণ করবে এবং দুধ বা দুধ বিক্রির পয়সা ছাদাক্বা করে দিবে (মির‘আত ৫/১১৭-১৮; দ্র. ‘মাসায়েলে কুরবানী ও আক্বীক্বা’ বই)

প্রশ্নকারী : রাজেশ সরকার, কুচবিহার, ভারত।








বিষয়সমূহ: কুরবানী
প্রশ্ন (৫/৩৪৫) : আমাদের মসজিদের পুকুরে মাছ চাষ করে পরবর্তীতে ডাকে বিক্রি করা হয়। এরূপ করা শরী‘আতসম্মত কি? - -মাযহারুল ইসলাম, শিবগঞ্জ, বগুড়া।
প্রশ্ন (৩৩/২৩৩) : আমার মা এক আলেম-এর কাছে গিয়ে একটি কাঠালের পাতা পড়ে এনেছেন, যাতে আমি আসন্ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হ’তে পারি। তিনি চান আমি যেন তা কোমরে সর্বাবস্থায় বেঁধে রাখি। উক্ত আলেম এরূপ চিকিৎসা নাকি স্বপ্নে পেয়েছেন। এটা সঠিক কি?
প্রশ্ন (৩৬/১৫৬) : জনৈকা মেয়ে বিবাহ করতে চায় না। কিন্তু পরিবার তাকে বিবাহের জন্য পীড়াপীড়ি করছে। এক্ষণে ঐ মেয়ের করণীয় কী?
প্রশ্ন (১৫/১৭৫) : জনৈক ব্যক্তি একটি গার্মেন্টসে কাজ করে, যেখানে তার দায়িত্ব হ’ল কর্মীদের কাজ পর্যবেক্ষণ করা এবং তাদের দিয়ে টার্গেট পূরণ করানো। অনেক সময় কর্মীরা ঠিকমতো কাজ করে না। তখন সে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে বাধ্য হয় এবং অশিক্ষিত হওয়ায় মন্দ ভাষাও ব্যবহার করতে হয়। অন্যথা তারা কাজ করে না। টার্গেট পূরণ করতে না পারলে মালিকও মন্দ ভাষা ব্যবহার করেন। সে জানে ইসলামে গালাগালি নিষিদ্ধ। এক্ষণে একাজ করা তার জন্য জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩৩/১১৩) : শরী‘আত সম্পর্কে জ্ঞানহীন অনেক সাধারণ মানুষকে বর্তমানে বিভিন্ন বিষয়ে ফৎওয়ার ক্ষেত্রে নিজ সিদ্ধান্ত পেশ করতে দেখা যায়। এক্ষণে সাধারণ মানুষের জন্য ফৎওয়া দেওয়ার আদব কি? - -খায়রুল ইসলাম, ভাষানটেক, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩৬/২৩৬) : ওযূ অবস্থায় মোযা পরে কতক্ষণ যাবৎ পা মাসাহ করা যাবে? বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১/২৪১) : করোনা ভাইরাসের আতংকে সঊদী আরবের মসজিদসমূহে আযানের সময় ‘হাইয়া আলাছ-ছালাহ’-এর বদলে ‘ছাল্লূ ফী বুয়ূতিকুম’ বলা হচ্ছে। এটা কি শরী‘আত সম্মত? - -এনামুল হক, পাংশা, রাজবাড়ী।
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : আমি একটি ইট ভাটায় কাজ করি। কাজের সূত্রে আমি দু’টি ভাটা থেকে টাকা নিয়ে বর্ষা মৌসুমে শ্রমিকদের অগ্রিম ১০-২০ হাযার টাকা দিয়ে থাকি, যা পরবর্তীতে মজুরী থেকে কর্তন করা হয়। আর আমাকে পরিচালনাকারী হিসাবে কিছু টাকা দিয়ে থাকে। কেউ যদি ঠিকভাবে কাজ না করে তাহ’লে আমার প্রাপ্য টাকা থেকে দন্ড দিতে হয়। এক্ষণে উক্ত কাজ আমার জন্য বৈধ হচ্ছে কি? - -এম আহাদ আলী, ঝিনা-ঝালপুকুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৩/৩৩) : পিতা-মাতার যদি ভুলও হয়, তবুও তাদেরকে ভুল ধরিয়ে দেওয়া বা তাদের বিপরীত বলা জায়েয নয়। একথার সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (১৬/১৭৬) : যে ব্যক্তি অন্তর থেকে বলবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ সে জান্নাতে প্রবেশ করবে’-এ হাদীছের ব্যাখ্যা কি?
প্রশ্ন (২৪/১৪৪) : টিকটিকি ও এ জাতীয় প্রাণীর মল কাপড়ে লেগে গেলে উক্ত কাপড়ে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - -সা‘দ, পাটুল, নাটোর।
প্রশ্ন (১৪/৩৭৪) : বিভিন্ন কোম্পানীতে কিংবা ফ্যাক্টরীতে শ্রমিক সরবরাহ চুক্তি নিয়ে যদি কেউ সেখানকার মালিকের সাথে এক ধরনের বেতন নির্ধারণ করে এবং শ্রমিকদেরকে তার প্রাপ্য থেকে কিছু কম বেতন বলে চুক্তি করে তাহ’লে সেই অতিরিক্ত টাকা চুক্তিকারীর জন্য গ্রহণ করা জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.