উত্তর : কোন অমুসলিম নারী ইসলাম গ্রহণ করলে তার বিবাহের অভিভাবক হিন্দু পিতা হ’তে পারবেন না। বরং ইসলামী আদালত বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি অভিভাবক হয়ে বিবাহের ব্যবস্থা করবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যদি মেয়ের অভিভাবকদের (ওলীগণের) মধ্যে আপোসে মতবিরোধ দেখা দেয়, তবে যার ওলী নেই তার ওলী হবে শাসক (প্রশাসন) (আবুদাউদহা/২০৮৩; মিশকাত হা/৩১৩১; ছহীহুল জামে‘ হা/২৭০৯, ৭৫৫৬)

প্রশ্নকারী : হাসান মাহমূদ, বোয়ালিয়া, রাজশাহী।








বিষয়সমূহ: বিবাহ ও তালাক
প্রশ্ন (৪/২৮৪) : আমার আত্মীয় একজন খৃষ্টান নারীকে বিবাহ করেছে। যে নিজেই বলেছে যে, সে কেবল বিবাহের জন্য ইসলাম গ্রহণ করেছে। এরূপ নারীর সাথে সংসার করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩৩/১১৩) : দলবদ্ধভাবে কোরাস গাওয়ার ন্যায় কুরআন পাঠ করা জায়েয হবে কি? - -ফযলুল করীম, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৩৭/৩৭) : সতীসাধ্বী স্ত্রী পাওয়ার জন্য বিশেষ কোন দো‘আ আছে কী?
প্রশ্ন (১৩/৩৭৩) : আমার তিন বছর বয়সে পিতা দ্বিতীয় বিবাহ করে আমার মাকে তালাক দেন। তারপর মা আমাকে এ পর্যন্ত নানা বাড়ি রেখে বড় করে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। এক্ষেত্রে পিতা কখনো কোন ভূমিকা পালন করেননি। এমনকি আমি যেন তার সম্পদের অংশ না পাই সেজন্য দ্বিতীয় স্ত্রীর কোন ছেলে না থাকায় সকল সম্পদ মেয়েদের নামে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন। এখন আমার বৃদ্ধ পিতা চান আমি তার দেখাশোনা এবং সার্বিক সহযোগিতা করি। কিন্তু মা চান আমি যেন তা না করি। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩৭/২৩৭) : আমি আমার খালাতো বোনের মেয়েকে ভালোবাসি। সেও আমাদের পসন্দ করে। আমরা বিবাহ করতে চাই। কিন্তু উভয় পরিবার কোনভাবেই রাযী নয়। এক্ষণে আমরা শরী‘আতসম্মত উপায়ে বিবাহ বন্ধনে কিভাবে আবদ্ধ হ’তে পারি?
প্রশ্ন (১/১২১) : ওছমান (রাঃ) জুম‘আর দ্বিতীয় আযান চালু করে কি সুন্নাতবিরোধী আমল করেছিলেন? - -মোবারক হোসাইন, রাণীবাজার, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৭/২৬৭) : কোন নারী কি রামাযান মাসে অধিক ইবাদত পালনের জন্য স্বামী থেকে আলাদা থাকতে পারবে?
প্রশ্ন (২১/৪২১) : আমার একটি জমি আছে যেটি মসজিদসহ একটি মাদ্রাসা নির্মাণের জন্য দান করতে চাই। তবে আমার বসবাসের জন্য কোন জমি না থাকায় উক্ত কমপ্লেক্সের নির্দিষ্ট একটি অংশকে আমি বসতবাড়ি হিসাবে ব্যবহার করতে চাই, যা দানপত্রের শর্তে উল্লেখ থাকবে। এক্ষেত্রে শারঈ কোন বাধা আছে কি? - .
প্রশ্ন (৩০/২৩০) : দাড়ি শেভ করা লোক ছালাতে ইমামতি করতে পারবে কী?
প্রশ্ন (৬/২৪৬) : নেয়ামুল কুরআনের ৯৫ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, ৫টি স্থানে মিথ্যা বলা জায়েয। ১. জিহাদের সময়, ২. মীমাংসার সময়, ৩. স্ত্রীর মন জয় করার জন্য, ৪. ছেলে-মেয়েকে পড়ানোর ব্যাপারে উৎসাহিত করার জন্য, ৫. কথা বলার ইচ্ছা নেই তবুও বলতে হয়, এমন অবস্থায়। এগুলোর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (১৬/৪৫৬) : ‘সত্য কথাই তিতা’। হাদীছটি কি ছহীহ?
প্রশ্ন (৩০/১৫০) : যিলহজ্জ মাসে আইয়ামে বীযের নফল ছিয়াম পালন করা যাবে কি?
আরও
আরও
.