উত্তর : এরূপ করা প্রতারণার শামিল, যা শরী‘আতে বৈধ নয়। কর্তৃপক্ষ প্রকৃত ওমরাহকারীদের তাওয়াফে সুবিধার জন্য এমন নিয়ম করেছে, যা লংঘন করা সঠিক নয় (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব)

প্রশ্নকারী : ক্বাযী হারূনুর রশীদ, নওদাপাড়া, রাজশাহী।







বিষয়সমূহ: হজ্জ ও ওমরাহ
প্রশ্ন (৩৮/৪৩৮) : আমি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরী করি। অফিসের বিভিন্ন মেশিন ঠিক করার দরপত্র আসে বিভিন্ন কোম্পানী থেকে। আমি এই দরদাম সম্পর্কিত তথ্য একজন ছোট ব্যবসায়ীকে জানিয়ে দিই, যাতে সে সবার থেকে কম দামে দর দেয় এবং কাজ পায়। কাজ পাওয়ার পর সে খুশি হয়ে আমাকে কিছু টাকা উপহার দেয়। আমি অফিসের স্বার্থে ও কম দামে কাজ করাচ্ছি। জানাতে চাই, তার থেকে এভাবে টাকা নেওয়া আমার জন্য জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৭/৮৭) : মারিয়া ক্বিবত্বিয়া কি রাসূল (ছাঃ)-এর স্ত্রী ছিলেন? এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে চাই। - -হাসান, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৩০/৩৫০) : আমি বিগত এক বছর যাবত মক্কা শহরে অবস্থান করছি এবং আমার বাসা কা‘বার একদম পাশেই অবস্থিত। এমতাবস্থায় হজ্জের সময় আমি যদি সরাসরি আরাফা ময়দানে গিয়ে সেখান থেকে ইহরাম পরিধান করে হজ্জের যাবতীয় কার্যক্রম পালন করি, তাহ’লে আমার হজ্জ কি সঠিকভাবে আদায় হবে?
প্রশ্ন (১৫/১৫) : মানববন্ধন বা মিছিল করা কি শরী‘আত সম্মত? - -মেহেদী হাসান, গোপালগঞ্জ।
প্রশ্ন (২৫/৩০৫) : কী কী কারণে কাবীরা গোনাহ হয়।
প্রশ্ন (৩২/৪৭২) : আল্লাহ তা‘আলার কোন ছিফাত বা গুণবাচক নামের মাধ্যমে কিছু প্রার্থনা করা যাবে কি? যেমন কেউ বলল, হে আল্লাহর কালাম! তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও ইত্যাদি।
প্রশ্ন (৯/৯) : মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর প্রতি যেভাবে সালাম ও দরূদ পাঠ করা হয় অন্যান্য নবী-রাসূলগণের প্রতিও কি সেভাবে দরূদ পাঠ করতে হবে?
প্রশ্ন (৩২/৩২) : জনৈক আলেম বলেন, ২৫ উক্বিয়া বা ২০০ দিরহাম যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ৮ হাযার টাকা, একবছর থাকলে যাকাত দিতে হবে। এর সত্যতা আছে কি? - -আব্দুল্লাহসরিষাবাড়ী, জামালপুর।
প্রশ্ন (১৬/১৭৬) : যে ব্যক্তি অন্তর থেকে বলবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ সে জান্নাতে প্রবেশ করবে’-এ হাদীছের ব্যাখ্যা কি?
প্রশ্ন (২৯/২৯) : বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে আয়োজিত একটি ট্রেনিং-এ অংশগ্রহণ করতে চাই। এটা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩২/১৯২) : জুম‘আর ছালাতের পূর্বের সুন্নাত কোন কারণে বাদ গেলে ছালাতের পর তার ক্বাযা আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৮/৩০৮) : প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিবের ‘আক্বীদা ইসলামিয়াহ’ এবং মক্কার আল-কাসিম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আহমাদ রচিত ‘সহজ আক্বীদা বা ইসলামের মূল বিশ্বাস’ বই পড়ে জানলাম আল্লাহর কথার বর্ণ ও শব্দ আছে, যা কানে শোনা যায়। অথচ ‘ফিক্বহুল আকবারে’ লেখা আছে, ‘উপকরণ ও বর্ণ ছাড়াই আল্লাহ পাক কথা বলেন’। কোনটি সঠিক? এ ব্যাপারে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের আক্বীদা কী?
আরও
আরও
.