উত্তর : জীবিত অবস্থায় যাদের দেখা জায়েয মৃত্যুর পরেও তাদের দেখা জাযেয। মূলত মানুষ মারা গেলে একজন মুসলমানের জন্য যরূরী হ’ল তার জানাযায় অংশগ্রহণ করা, তাকে দেখা নয় (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৬৪৩০)। প্রচলিত আছে যে, স্বামীর মৃত্যুর পর স্বামী-স্ত্রীর বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়। যার কোন ভিত্তি নেই। এগুলি কুসংস্কার মাত্র।

-আব্দুল্লাহ আল-মামূন

চন্ডিপুর, যশোর।






প্রশ্ন (৭/৪৭) : চাকরীর প্রথম বেতন পেয়ে পাড়া প্রতিবেশীকে নিয়ে মিষ্টি খাওয়ানোর প্রথা সমাজে চালু আছে। এটা কি শরী‘আত সম্মত?
প্রশ্ন (১১/২৫১) : জনৈক আলেম বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) জীবিত নবী হওয়ার প্রমাণ এই যে, তাঁর কোন জানাযা হয়নি। একথার কোন সত্যতা আছে কি? - মাসঊদ রাণা, মান্দা, নওগাঁ।
প্রশ্ন (৩৫/৪৭৫) : মুসলিম শিক্ষক স্কুলে হিন্দু ধর্ম পড়াতে পারবে কি? - -যহীরুল ইসলাম, ধানমন্ডি, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৩/৪২৩) : প্রবাসী স্বামী বছরের পর বছর আমাকে ছেড়ে প্রবাসে রয়েছেন। শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে আমি দারুণভাবে বিপর্যস্ত। আমার অধিকার নষ্টের কারণে স্বামী কি গোনাহগার হবেন? এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৫/৩৬৫) : মৃতব্যক্তির কবরে কয়েকজন মিলে হাত তুলে দো‘আ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৪/১৪) : অমুসলিম নারী বা পুরুষকে বিবাহের ক্ষেত্রে শারঈ বিধান কি?
প্রশ্ন (১৭/৩৩৭) : মাই টিভির ইসলামী অনুষ্ঠানে জনৈক মাওলানা বললেন, একদা আয়েশা (রাঃ) রাসূল (ছাঃ)-এর গৃহে একগ্লাস পানি পেয়ে তা খেয়ে ফেললে রাসূল (ছাঃ) বললেন, এটি তো আমার প্রস্রাব। তখন আয়েশা (রাঃ) বললেন, আমি জীবনে যত শরবত খেয়েছি, এটি তার মধ্যে সবচেয়ে মিষ্টি ও সুগন্ধিযুক্ত।’ এ বক্তব্যের সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৬/২০৬) : জনৈক নারীর প্রথম পক্ষের ১টি ছেলে এবং দ্বিতীয় পক্ষে ১টি ছেলে ও ১টি মেয়ে রয়েছে। এক্ষণে তার উভয় স্বামী মারা গেলে প্রথম পক্ষের ছেলেটি উভয় পিতারই সম্পদের ওয়ারিছ হবে কি? - -আহসান হাবীব, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৩৬/৪৭৬) : নমরূদ মশার কামড়ে মারা গিয়েছিল বলে সমাজে যে ঘটনা প্রসিদ্ধ আছে তা কতটুকু নির্ভরযোগ্য?
প্রশ্ন (৩১/৪৭১) : ছালাতুল হাজত-এর বিধান ও পদ্ধতি কি? এটা যে কোন সময়ে, এমনকি নিষিদ্ধ সময়েও পড়া যায় কি?
প্রশ্ন (১৩/১৭৩) : জনৈক অসুস্থ ব্যক্তি সুস্থতা লাভ করলে মসজিদে ১০ শতক জমি দান করবেন বলে মানত করেন। কিন্তু সুস্থ হওয়ার পর উক্ত জমি মসজিদের পরিবর্তে গোরস্থানে দিতে চায়। এটা কি শরী‘আত সম্মত হবে?
প্রশ্ন (৩৩/২৩৩) : একদা মু‘আবিয়া (রাঃ) মদীনার মসজিদে এশার ছালাতের ইমামতি করেন। তিনি ‘সূরা ফাতিহার শুরুতে’ বিসমিল্লা-হির রহমা-নির রাহীম’ নীরবে পাঠ করেন। ফলে আনছার ও মুহাজির ছাহাবীগণ মু‘আবিয়া (রাঃ)-কে প্রশ্ন করেন, ‘আপনি কি ছালাত চুরি করলেন না ভুলে গেলেন? পরবর্তীতে তিনি আর কখনো নীরবে পড়েননি। উক্ত ঘটনা কি সঠিক?
আরও
আরও
.