উত্তর : এরূপ পুশ করা ইসলামী শরী‘আতে হারাম। এর মাধ্যমে সন্তান জন্মগ্রহণ করলে সেই সন্তান জারজ হিসাবে গণ্য হবে। ফলে সে কথিত পিতার সম্পত্তিতে ওয়ারিছ হবে না এবং তাকে পিতা হিসাবে ডাকতে পারবে না। কারণ অন্যের পিতাকে পিতা বলে ডাকা হারাম (বুখারী হা/৩৫০৮)। এ সন্তান মায়ের সাথে সম্পৃক্ত হবে। মায়ের পরিচয়ে পরিচিত হবে। সমকালীন ফৎওয়া গ্রন্থসমূহে বলা হয়েছে, ‘যদি কৃত্রিম প্রজনন প্রক্রিয়ায় স্বামী-স্ত্রী ব্যতীত অন্য কোন উপাদান মিশ্রিত হয় যেমন ডিম্বাণু অন্য কোন মহিলার হয় অথবা গর্ভধারক (হোস্ট/সারোগেট মা) স্বামী-স্ত্রীর বাইরে অন্য কেউ হয়, কিংবা বীর্য স্বামী ছাড়া অন্য কারও হয় তাহ’লে এ ধরনের কৃত্রিম প্রজনন হারাম। কারণ এটি যেনার অন্তর্ভুক্ত। কেননা একজন নারীর গর্ভে কোন পরপুরুষের বীর্য প্রবেশ করানো শারঈ বিচারে সরাসরি সহবাসেরই সমতুল্য’ (মাজাল্লাতুদ দাওয়াহ, সংখ্যা ১৭৯৬, পৃ. ২০)। শায়েখ বিন বায, শায়েখ ওছায়মীন, ইবনু জিবরীনসহ সমকালীন অন্যান্য সকল বিদ্বান এ বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করেছেন (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ দারব ২১/৪৩২-৪৩৩; ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৭/২৫-২৭; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২/১৪১-১৪২)।
প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
শিমুলিয়া, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।