উত্তর : এক্ষেত্রে দু’টি সুন্নাতের উপর সমন্বয় করে আমল করা উত্তম। অর্থাৎ প্রথমে আযানের জওয়াব দিবে। অতঃপর তাহিইয়াতুল মসজিদ দু’রাক‘আত আদায় করে ইমামের খুৎবা শ্রবণের জন্য বসে যাবে। এতে সে দু’টি সুন্নাতই আদায়ের নেকী পেয়ে যাবে (মুসলিম হা/৩৮৪; মিশকাত হা/৬৫৭; ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী ১/৩১১; বিন বায, নুরুন আলাদ-দারব ১৩/৩০৫)। অবশ্য কতিপয় বিদ্বান মনে করেন, তাহিইয়াতুল মাসজিদ ওয়াজিব ও আযানের জওয়াব দেওয়া সুন্নাত। অতএব সুন্নাতের উপর ওয়াজিব প্রাধান্য পাবে (উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১২/২০২)






প্রশ্ন (২৭/১৪৭) : পুরাতন জিনিস ক্রয় করার পর যদি জানা যায় সেটি চুরি করা মাল, সেক্ষেত্রে তা ফেরৎ দিতে হবে কি? সম্ভব না হ’লে ব্যবহার করা হালাল হবে কি?
প্রশ্ন (৩৭/১১৭) : কয়েকটি ইসলামী সংগঠন আমাদের প্রশ্নের মুখোমুখি করে বলেন যে, আহলেহাদীছ আন্দোলনের বই পুস্তক ও আক্বীদা বিশুদ্ধ। কিন্তু রাষ্ট্র কায়েম না হওয়া পর্যন্ত তা আমলযোগ্য নয় এবং কিছু সংগঠন বলে তাদের সব ঠিক। কিন্তু জিহাদী চেতনা নেই। উক্ত দাবী কি সঠিক?
প্রশ্ন (২/৩২২) : চাচা এবং মামারা কি মাহরামদের অন্তর্ভুক্ত। কারণ কুরআনে তাদের বিষয়টি উল্লেখ নেই।
প্রশ্ন (২৩/২৩) : বিসমিল্লাহ বলে ওযূ শুরু না করলে ওযূ হবে না (আবুদাঊদ হা/১০১)। আমার প্রশ্ন হ’ল, তবে এটা কি ফরয? সঠিক উত্তর জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৫/২৭৫) : মাযহাবী মসজিদে ছালাত আদায়ের ক্ষেত্রে পায়ে পা লাগাতে চাইলে পা টেনে নেয় এবং এটা মন্দ দৃষ্টিতে দেখে। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি? - আবুল হাসানাত বগুড়া।
প্রশ্ন (১৮/৫৮) : জনৈক আলেম বলেন, ওযূ শেষে সূরা ক্বদর একবার পড়লে ছিদ্দীকের অন্তর্ভুক্ত হওয়া যাবে, দু’বার পড়লে শহীদের তালিকায় নাম লেখা হবে, আর তিনবার পড়লে নবীদের সাথে হাশর হবে। শরী‘আতে উক্ত বক্তব্যের কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (১১/৯১) : রুকূ‘ ও সিজদায় লায়লাতুল ক্বদরের রাতে পঠিতব্য দো‘আটি পাঠ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/১৫৮) : হযরত মূসা (আঃ) শেষনবীর উম্মত হ’তে চেয়েছিলেন কি? একথার সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩১/২৭১) : ছোট বোন বড় বোনের জমিতে ২৫ বছর যাবৎ বসবাস করায় বর্তমানে সে শুফ‘আর ভিত্তিতে বড় বোনের অংশও দাবী করছে। এ ব্যাপারে শারঈ বিধান কি?
প্রশ্ন (১২/১২): জনৈক বক্তা বলেন, ওমর (রাঃ) যে রাস্তা দিয়ে হাঁটে ঐ রাস্তা দিয়ে শয়তান হাঁটে না। উক্ত হাদীছ কি ঠিক? যদি সঠিক হয় তাহ’লে হাদীছ সহ জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৯/৪৩৯) : মু‘আয বিন জাবাল (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুললাহ (সঃ) বলেছেন, আললাহ তা‘আলা শা‘বান মাসের পনের তারিখ রাতে সৃষ্টিকুলের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দান করে এবং সকলকে ক্ষমা করে দেন, তবে মুশরিক এবং হিংসুক ব্যতীত (ত্বাবারাণী)। শবেবরাতের ফযীলত প্রমাণে উপস্থাপিত এই হাদীছটি কি ছহীহ?
প্রশ্ন (২২/৬২) : ছালাতরত অবস্থায় কোন রুকন যেমন রুকূ বা সিজদা করা হয়নি- এরূপ সন্দেহের সৃষ্টি হলে কেবল সহো সিজদা দিলেই চলবে না এক রাক‘আত পুনরায় আদায় করতে হবে? - -রফীকুল ইসলাম, ভালুকা, ময়মনসিংহ।
আরও
আরও
.