উত্তর : নফস নিয়ন্ত্রণের কয়েকটি কার্যকর উপায় রয়েছে। যথা- (১) গোনাহের জায়গা ও সুযোগ থেকে দূরে থাকা : যে পরিবেশ বা মাধ্যম নফসকে উত্তেজিত করে, তা থেকে দূরে থাকাই সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিকার। নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, ‘তোমরা এই নোংরা কাজে (গোনাহে) লিপ্ত হওয়া থেকে বেঁচে থাক, যেটি আল্লাহ নিষিদ্ধ করেছেন’ (ছহীহাহ হা/৬৬৩)। (২) দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করা : গোনাহ ছেড়ে দেওয়ার দৃঢ় মানসিকতা তৈরি করা। মনে এমন শক্তি তৈরি করা যে, এই কাজ আমি ছাড়ব আল্লাহর জন্য। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আল্লাহ তা‘আলা কেবল মুত্তাক্বীদের থেকে কবূল করেন (মায়েদাহ ৫/২৭)। (৩) নির্জনে আল্লাহর ভয় ও স্মরণ করা : গোনাহ সাধারণত একাকী অবস্থায় ঘটে। তাই আল্লাহ সর্বদা দেখছেন এমন ভয় মনে কার্যকর রাখতে হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘সে কি জানে না যে, আল্লাহ তার সব কিছুই দেখেন? (আলাক্ব ৯৬/১৪)। (৪) নফসকে বৈধ কাজে ব্যস্ত রাখা : সেটা যেমন অবসরে পড়াশুনা, লেখালেখি ও হালাল বিনোদন প্রভৃতি। সৎকর্মহীন নফস শয়তানের কর্মশালা। দেহ ও মনকে এজন্য সর্বদা ভালো কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে। (৫) তাক্বওয়া ও ইহতিসাব বৃদ্ধির আমল : নিয়মিত ওয়াক্তমত ছালাত আদায়, কুরআন পাঠ, সকাল-সন্ধ্যার যিকর ও নফল ছিয়াম নফসকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। আল্লাহ বলেন, ‘আর যদি তোমরা ছিয়াম রাখ, তবে সেটাই তোমাদের জন্য উত্তম যদি তোমরা বুঝ (বাক্বারাহ ২/১৮৩)

(৬) তওবা ও ইস্তিগফারে অভ্যস্ত হওয়া : প্রতিদিন ১০০ বার আস্তাগফিরুল্লাহ পাঠ করা। এটি হৃদয় কোমল করে এবং গোনাহ কমিয়ে দেয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘প্রত্যেক আদম সন্তান ভুলকারী, আর ভুলকারীদের মধ্যে উত্তম হ’ল তারা যারা তওবা করে (ইবনু মাজাহ হা/৪২৫১; মিশকাত হা/২৩৪১, সনদ ছহীহ)। (৭) ভালো সঙ্গী নির্বাচন করা : ভালো সঙ্গী নফসকে নিয়ন্ত্রণ করে আর খারাপ সঙ্গী খারাপ পথে পরিচালিত করে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘মানুষ তার বন্ধুর আদর্শের অনুসারী হয়। সুতরাং তার বন্ধু নির্বাচনের সময় এ বিষয়ে খেয়াল রাখা উচিত, সে কাকে বন্ধু নির্বাচন করছে (আবুদাউদ হা/৪৮৩৩; মিশকাত হা/৫০১৯)

প্রশ্নকারী : গোলাম রাববী, বরিশাল।







বিষয়সমূহ: বিবিধ
প্রশ্ন (৬/১৬৬) : আমানতের খেয়ানতকারীর পরিণাম কি? কারু বলা গোপন কথা প্রকাশ করে দিলে তা কি খেয়ানতের অন্তুর্ভুক্ত হবে?
প্রশ্ন (২৩/১৮৩) : বাড়ীতে প্রবেশের দো‘আ হিসাবে বর্ণিত ‘হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আগমন ও নির্গমনের মঙ্গল চাই’ দো‘আটি কি ছহীহ? - -আব্দুল মান্নান, বাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৯/১২৯) : কোন ব্যক্তি হাজীকে ইহরামের কাপড় উপহার দিলে তা দ্বারা হজ্জ করা জায়েয হবে কি? - -ছফীউদ্দীন, সরোজগঞ্জ বাজার, চুয়াডাঙ্গা।
প্রশ্ন (২৭/২৬৭) : ‘হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া ‘আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাববুল ‘আরশিল আযীম’- দো‘আটি প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় ৭ বার করে পাঠ করলে সকল দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত থাকবে- মর্মে বর্ণিত হাদীছটি আমলযোগ্য কি?
প্রশ্ন (২২/১০২) : স্ত্রীর নামের শেষে স্বামীর নাম লাগানো যাবে কি? - -নাসীম মন্ডল, বিরামপুর, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (২০/৪৬০) : দুই সিজদার মাঝে পড়ার জন্য প্রচলিত দো‘আটি ছাড়া আর কোন দো‘আ আছে কি?
প্রশ্ন (৩২/২৭২) : সন্তান কতদিন পর্যন্ত মায়ের দুধ খেতে পারে? সন্তানকে দুধ না খাওয়ালে পাপী হতে হবে কি? মি‘রাজের রাত্রে রাসূল মহিলাদের বুকে সাপ কামড়াতে দেখলেন পরে জানলেন তারা দুনিয়াতে সন্তানদের বুকের দুধ খাওয়াতো না। এর সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৭/৪৪৭) : আমাদের মসজিদের ইমাম ছাহেব প্রতিদিন ফজরের ছালাতে রুকূর পর হাত তুলে কুনূত পাঠ করে। এভাবে নিয়মিতভাবে করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩৫/২৭৫) : পেশাব করার পরে কিছু অংশ কাপড়ে লেগে যায় বলে মনে হয়। এমতাবস্থায় করণীয় কি?
প্রশ্ন (২৬/১৮৬) : যে সকল ইমাম বিশ্বাস করেন যে, ‘আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান’- তাদের পিছনে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - -ফায়ছাল, চট্টগ্রাম।
প্রশ্ন (২৭/১০৭) : এক হায়েয থেকে পরের হায়েয পর্যন্ত স্বামী একাধিকবার তালাক দিলে তা কি এক তালাক গণ্য হবে? আর যদি এক মাসের মধ্যে দুইবার আলাদা দিনে তালাক দিয়ে স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয় এবং এরপর আবার তৃতীয়বার তালাক দেয় (অর্থাৎ তিনটিই এক তোহরে) তাহ’লে কি এটি এক তালাক হবে, না তিন তালাক হবে?
প্রশ্ন (১/৩৬১) : অন্যের জমিতে ফসলের ক্ষতি না করে বিনা অনুমতিতে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগী চরানো বা ঘাস খাওয়ানো যাবে কি?
আরও
আরও
.