উত্তর : প্রথমতঃ উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (ইবনু মাজাহ হা/৩৫৪৯, আহমাদ হা/২১২১২)। তবে পবিত্র কুরআনের যেকোন অংশ পড়ে ফুঁক দেওয়া যাবে। কেননা কুরআনকে আল্লাহ ‘শিফা’ বা ‘আরোগ্য’ বলেছেন (বনু ইসরাঈল ১৭/৮২)। দ্বিতীয়তঃ আল্লাহর কালাম দ্বারা অমুসলিমকে ঝাড়-ফুঁক করায় কোন বাধা নেই (বুখারী  হা/৫৭৩৬)






প্রশ্ন (৪/৮৪) : হান্নান ও মান্নান কি আল্লাহর গুণবাচক নাম? আল্লাহ নামটিও কি গুণবাচক নামসমূহের অন্তর্ভুক্ত? - -আব্দুল হান্নান, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩৩/৩৯৩) : কুরআনের কোন কোন আয়াতের জবাব দিতে হয়। সেগুলো বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (২/২৪২) : স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের গোপন স্থানে দৃষ্টিপাত করতে পারে কি? - .
প্রশ্ন (২৫/২৬৫) : পুরুষরা নারীদের মাঝে অফলাইন বা অনলাইনে দাওয়াতী কাজ করতে পারবে কি? এক্ষেত্রে কি কি আদব রক্ষা করা যরূরী?
প্রশ্ন (৩৬/৩১৬) : পুত্র সন্তান নেই এরূপ সচ্ছল পিতা-মাতার ভরণ-পোষণসহ সার্বিক দেখাশোনা করা বিবাহিত মেয়েদের জন্য ফরয দায়িত্ব কি? সাধ্যমত দেখাশোনা করার পরেও তাদের সন্তুষ্ট করা সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায় মেয়েরা গুনাহগার হবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৩৮৪) : রামাযান মাসে কোন ব্যক্তি সাহারী খাওয়ার জন্য ঘুম থেকে জেগে দেখল যে, সময়সূচী মোতাবেক আর মাত্র ১ মিনিট বাকি আছে। সে ব্যক্তি ছিয়াম পালনের নিয়তে এক গ্লাস পানি পান করে নিল। এক্ষণে সাহারী না খাওয়ার কারণে তার ছিয়াম নষ্ট হবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৪২৪) : নারী জাতিকে পুরুষের পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। রাসূল (ছাঃ)-এর এ বাণীটির ব্যাখ্যা কি?
প্রশ্নঃ (১০/৩৭০) : জনৈক আলেম তার ছালাত শিক্ষা বইয়ে লিখেছেন, ওযূ করার সময় ক্বিবলামুখী হয়ে বসতে হবে এবং উঁচু স্থানে বসতে হবে। উক্ত মর্মে কোন দলীল আছে কি?
প্রশ্ন (২৯/৩৪৯) : ঋতুবতী মহিলাদের জন্য ঈদের ময়দানে গমন করা কি আবশ্যিক?
প্রশ্ন (৩১/১৯১) : জামা‘আতবদ্ধ জীবন যাপন ইসলামে আবশ্যিক হ’লেও যথাযথ পরিবেশ না পেলে নারী হিসাবে আমার করণীয় কি? - - শারমীন নাহার, কলারোয়া, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (১৩/৩৭৩) : হাদীছে আছে ‘বিবাহ করলে দ্বীনের অর্ধেক পূরণ হয়, বাকীগুলির বিষয়ে সে যেন আল্লাহকে ভয় করে’। এক্ষণে কেউ বিবাহ না করলে কি দ্বীনের অর্ধেক পূরণ না করার কারণে জাহান্নামে যাবে? অথচ আমি ছালাত, ছিয়াম, হজ্জ যাকাত ও অন্যান্য সৎকর্মসমূহ সম্পাদন করি। ছহীহ হাদীছের আলোক জানিয়ে বাধিত করবেন। - -আজমাঈন, নওদাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩২/৩৫২) :এলাকায় মসজিদ নির্মাণের জন্য নির্ধারিত আদায়কারীর কোন বেতন নির্ধারণ না করে আদায়কৃত অর্থের ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ মজুরী হিসাবে নির্ধারণ করা জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.