উত্তর : ঈদুল আযহার দিনে কেবল কুরবানী করাই শরী‘আত সম্মত; আক্বীক্বা নয়। কেননা আক্বীক্বার একটি নির্ধারিত সময় আছে, তাহ’ল সপ্তম দিনে। যদি কেউ সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও নির্ধারিত দিনে আক্বীক্বা না করতে পারে, তবে তার জন্য আক্বীক্বার সময় পার হয়ে গেছে। এখন কেউ যদি ঈদুল আযহার দিনে আক্বীক্বা করতে চায় তাহ’লে সে দু’টি ভুল করবে। প্রথমত এতে এমন এক সময়ে আক্বীক্বা করা হবে, যা শরী‘আত বৈধ করেনি। দ্বিতীয়ত সে কুরবানীর দিনের মূল কর্তব্য (কুরবানী) ছেড়ে গৌণ কাজ (আক্বীক্বা) বেছে নিচ্ছে। নবী করীম (ছাঃ) কুরবানীর গুরুত্ব বিষয়ে বলেন, ‘যে ব্যক্তি সামর্থ্য রাখে অথচ কুরবানী করে না, সে যেন আমাদের ঈদের মাঠের ধারে কাছেও না আসে’ (ইবনু মাজাহ হা/৩১২৩; ছহীহুল জামে‘ হা/৬৪৯০)। অতএব যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কুরবানী করে না, বরং আক্বীক্বা করে সে শরী‘আতের দু’টি বিধান লঙ্ঘন করছে। তবে যদি সন্তান জন্মের সপ্তম দিন ঈদের দিন পড়ে যায় তাহ’লে সে দিন আক্বীক্বা করাতে দোষ নেই। বরং ঈদের দিনেই কুরবানী ও আক্বীক্বা করবে (আলবানী, ফৎওয়া ‘আবরাল হাতেফ, টেপ নং ১৩৩; দ্র. ‘মাসায়েলে কুরবানী ও আক্বীক্বা’ বই)।
প্রশ্নকারী : মাহবূব আলম, আমতলী, বরগুনা।