উত্তর : ইসলামী শরী‘আতে এরূপ কোন বয়সসীমা নেই। যেমন আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন আছে, তাদের বিবাহ সম্পাদন করে দাও ... তারা যদি নিঃস্ব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে সচ্ছল করে দিবেন’ (নূর ২৪/৩২)। ছেলে-মেয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক হ’লে বিয়ে দেয়া উচিত। এদেশে সাধারণত ১৫ বছর বয়স হ’লে প্রাপ্ত বয়স্ক হয়ে যায়। তাই সন্তান অসৎকর্মে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকলে যথাসম্ভব দ্রুত বিবাহ দেওয়া উচিত। আর এরূপ সম্ভাবনা না থাকলে বিশেষত ছেলে সন্তানের ক্ষেত্রে পরিবার পরিচালনায় আর্থিক সক্ষমতা আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা যায়। যেমন আল্লাহ বলেন, ‘আর যারা বিবাহে সামর্থ্য রাখে না, তারা যেন সংযম অবলম্বন করে যে পর্যন্ত না আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেন... (নূর ২৪/৩৩)






প্রশ্ন (২৫/৬৫) : জনৈক বক্তা বলেন, ‘আসুন! পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে জীবন গড়ি’ একথা বলা যাবে না। কারণ শুধু ছহীহ হাদীছ দ্বারা মুসলিমগণ জীবন ধারণ করতে পারবে না। যেমন ফজরের আযানে ‘আছ ছালাতু খায়রুম মিনান্নাউম’ বলার হাদীছ যঈফ। উক্ত দাবী কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩৬/১৯৬) : আমার ছোট ভাই ২৪ বছর যাবত মানসিক বিকারগ্রস্ত এবং বিগত চার বছর ধরে নিখোঁজ। আমার আরো ভাই ও বোন বেঁচে আছে। এক্ষণে সম্পত্তি কিভাবে বণ্টিত হবে? - -আব্দুর রশীদ, সাঘাটা, গাইবান্ধা।
প্রশ্ন (১১/১৭১) : কেউ যদি ৬ তলায় বাসা হওয়ার কারণে উঠানামা কষ্টকর হওয়ায় ফজর ও এশার ছালাত এবং যোহর, আছর ও মাগরিবের ছালাত মাঝে-মধ্যে জামা‘আতে এবং মাঝে-মধ্যে একাকী আদায় করে তাহ’লেও কি সে মুনাফিক হিসাবে চিহ্নিত হবে?
প্রশ্ন (৫/১২৫) : রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য পঙ্গপালের ঢিবির ন্যায় বা তার চাইতেও ক্ষুদ্র একটি মসজিদ নির্মাণ করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করেন’ মর্মে বর্ণিত হাদীছটির বিশুদ্ধতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (১৪/২১৪) : কোন গ্রামে প্রবেশের পূর্বে দো‘আ পাঠের বিধান রয়েছে কি?
প্রশ্ন (২৮/৪৬৮) : চাচাতো ভাই বা বোনের মেয়েকে বিবাহ করা জায়েয কি?
প্রশ্ন (৩৯/৪৭৯) : ক্বিবলা নির্ণায়ক আধুনিক যন্ত্রের মাধ্যমে কোন মসজিদের ক্বিবলা যদি ভুল প্রমাণিত হয়, সেক্ষেত্রে করণীয় কি?
প্রশ্ন (১২/৩৩২) : ফরয ছালাতের পর যিকিরের সময় দরূদে ইবরাহীম পড়া যাবে কি? - -বাঁধন আখতার, ক্ষেতলাল, জয়পুরহাট।
প্রশ্ন (৩১/১৯১) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, ছোট বাচ্চাদের কপালে টিপ দিলে মানুষের বদ নযর থেকে তারা রক্ষা পায়। উক্ত বক্তব্যের সত্যতা জানতে চাই। - -নাজমুল হুদা, চরমোহনপুর, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (১/২৮১) : জনৈক লেখক বলেন যে, বাঁশির শব্দে ইবনু ওমর (রাঃ) কানে আঙ্গুল দেয়াতে গান হারাম হয়েছে তা বলা যায় না (সৌভাগ্যের পরশমণি)। আবার রাসূল (ছাঃ) নিজে কানে আঙ্গুল দিয়েছিলেন কিন্তু ইবনু ওমর (রাঃ)-কে তা করতে বলেননি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও খলীফাদের যুগে বাদ্যযন্ত্র ও গান নিষেধ ছিল না; বরং তা উপভোগ করা হত (তাবারী)। তিনি আরো বলেন, কুরআনে এমন কোন আয়াত নেই যা গানকে হারাম করে। তাই ইবনে হাজার, ইবনু খাল্লিকান, জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী, গাযালী প্রমুখ বিদ্বানদের মতে বাদ্যযন্ত্রসহ গান শোনা বৈধ। যদি তা সৎ উদ্দেশ্যে এবং কল্যাণকর কথা হয়। উক্ত দাবীগুলো কি সত্য? সৌভাগ্যের পরশমণি’ এবং ‘এহইয়াউ উলূমিদ্দীন’ বইগুলো কি গ্রহণযোগ্য?
প্রশ্ন (৬/৬) : আমার কাছে অনেক গল্প-উপন্যাসের বই আছে, শরী‘আত মোতাবেক যা পাঠ করা হারাম। এক্ষণে তা বিক্রি করে টাকা নেওয়া যাবে কি? - -ছাদ্দাম হোসাইন, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩/৪৩) : পিতা আমাকে আমার চাচাতো বোনকে বিবাহ করার আদেশ দিয়েছেন। কিন্তু আমার মা রাযী নয়। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
আরও
আরও
.