উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। বরং ইমামের ক্বিরাআতের সাথে সাথে মুক্তাদীগণও নীরবে সূরা ফাতেহা পাঠ করবে (মুসলিম, মিশকাত হা/৮২৩; ছহীহ আবূ দাঊদ হা/৭৩৬-৩৭; ছহীহ তিরমিযী হা/২৫৭; মিশকাত হা/৮৫৪ ‘ছালাতে ক্বিরাআত’ অনুচ্ছেদ)। ইমামের আমীন বলার পর মুক্তাদীর সূরা ফাতিহা পাঠ করা এবং সেই সময় পরিমাণ ইমামের চুপ থাকার কোন দলীল নেই’ (দ্রঃ ছালাতুর রাসূল (ছাঃ), ৮৭ পৃঃ)






বিষয়সমূহ: ছালাত
প্রশ্ন (১৬/২৫৬) : মুক্তাদী ছালাতের মধ্যে কোন সূরা, দো‘আ কিংবা কোন কিছু সরবে বলতে পারবে কি?
প্রশ্ন (১১/২১১) : যে সকল ছাত্র-ছাত্রী বাইরে পড়াশুনা করে, অথবা প্রবাসে থাকে, তারা কয়েকদিন বা কয়েকমাসের জন্য বাড়িতে আসলে ছালাত ক্বছর করতে পারবে কি?
প্রশ্নঃ (৯/১৬৯): একাকী ফরয ছালাত আদায় করার সময় মহিলারা ইক্বামত দিতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৩৭/৭৭) : আমার স্ত্রী অত্যন্ত দ্বীনদার এবং দ্বীনের একজন একনিষ্ঠ দাঈ। কিন্তু সে যৌন জীবনের প্রতি চরম অনাগ্রহী। সে এ মানবীয় চাহিদাকে অস্বীকার করে এবং একে ইবাদত বন্দেগীর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হিসাবে গণ্য করে। এক্ষণে এ ব্যাপারে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি কি?
প্রশ্ন (২৮/১০৮) : ইবনু হযমের ‘মুহাল্লা’ গ্রন্থে আছার বর্ণিত হয়েছে যে, ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেছেন, ছালাতে তিনটি বিষয় অনুচ্চস্বরে পাঠ করতে হবে। আঊযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ ও আমীন। আছারটি ছহীহ কি?
প্রশ্ন (১৩/৩৩৩) : মোবাইল, টেলিভিশন, সাউন্ডবক্স ইত্যাদি মেরামত করা জায়েয কি? এসব গান-বাজনা ও সিনেমা দেখার কাজে ব্যবহার করা হয় তা জানা সত্ত্বেও মেরামত করা যাবে কি? - -মুহাম্মাদ ইকবাল হোসাইন কাউনিয়া, রংপুর।
প্রশ্ন (২৮/৩০৮) : হজ্জের সময় কোন ভুল-ত্রুটির কারণে দম ওয়াজিব হ’লে তা মক্কাতেই আদায় করতে হবে কি? নাকি হজ্জের পর দেশে এসে আদায় করলেও চলবে?
প্রশ্ন (১/২৪১): কোন ব্যক্তির দীর্ঘ রোগভোগের কারণ কি? কেউ বলে এটা তার কৃতকর্মের ফল। আবার কেউ বলে এর মাধ্যমে আল্লাহ তার পাপ মাফ করেন।
প্রশ্ন (৬/৬) : কোন শিশু যদি অন্য শিশুকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে তাহ’লে তার পিতা উক্ত শিশুকে শাস্তি দিতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৩৬/৩৯৬) : সন্তান প্রসবকালীন সময়ে কোন মহিলা মৃত্যুবরণ করলে তিনি কি শহীদের মর্যাদা লাভ করবেন?
প্রশ্ন (৯/৮৯) : আমি কা‘বাগৃহের সামনে বসে দো‘আ ও মানত করেছিলাম যে, আমার সন্তান হ’লে আমি ওমরাহ করব। পরবর্তীতে আমার সন্তান হয়েছে। এক্ষণে আমার পক্ষ থেকে আমার স্বামী যদি ওমরাহ করেন তাহ’লে উক্ত মানত পূর্ণ হবে কি?
প্রশ্ন (৭/৩২৭) : আমাদের গ্রামে কারো কোন জিনিস হারিয়ে গেলে বা চুরি হ’লে হারানো বস্ত্ত খুঁজে পাওয়ার জন্যে অথবা চোর ধরার জন্য কয়েকজন ওযূ করে একটি পিতলের বদনা নিয়ে বসে তাতে পানি দিয়ে কাঁঠালের পাতায় বিভিন্ন জনের নাম লিখে বদনাতে দিয়ে দেয়। আর পাশে বসে একজন সূরা ইয়াসীন পড়তে থাকে। আর বদনা দু’জনের দুই আঙ্গুলের উপর ধরে রাখে। এভাবে সূরা ইয়াসীন পড়তে পড়তে যখন বদনাতে চোরের নাম আসে তখন বদনা এমনিতেই ঘুরতে শুরু করে দেয়। তাদের ভাষ্যমতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নাকি আসল চোরের নাম উঠে আসে। প্রশ্ন হ’ল এভাবে সূরা ইয়াসীন পড়ে পিতলের বদনা নিয়ে চোর ধরার পদ্ধতি অথবা এগুলোর উপর বিশ্বাস করা কিসের মধ্যে পড়ে? - -সামিয়া আখতার, আম্বরখানা, সিলেট।
আরও
আরও
.