উত্তর : এটি বাংলা ভাষার একটি বাগধারা। এটা বলা যাবে না। এটা উক্ত পবিত্র বাক্য নিয়ে ব্যঙ্গ করার শামিল। তবে এর পরিবর্তে গোড়ায় গলদ বা শুরুতেই ভুল এমনটি বলা যেতে পারে।






প্রশ্নঃ (৯/৩৬৯): ফিৎরা কি ছিয়ামের সাথে সম্পৃক্ত? যদি তাই হয় তাহলে যারা ছিয়াম পালন করে না, তাদের ফিৎরা নেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১/১২১) : ওয়ালীমায় ছেলেকে মেয়ে পক্ষ বা বিবাহের দিন বরযাত্রীদের জন্য খাবার ব্যবস্থাপনায় ছেলে পক্ষ মেয়ে পক্ষকে সহযোগিতা করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৮/৩৬৮) : মসজিদের সামনে বা মেহরাবের সামনে কালেমায়ে ত্বাইয়েবা বা কালেমায়ে শাহাদাত লেখা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৬/৩০৬) : সন্তান জন্মের কয়েকদিন পূর্ব থেকে যে বিভিন্ন প্রকার তরল পদার্থ বের হয় সেগুলো কি নিফাসের অন্তর্ভুক্ত হবে? এতে ওযূ ভঙ্গ হবে কি?
প্রশ্ন (৩/৩) : ‘মাক্বামে মাহমূদ’ স্থান না মর্যাদা?
প্রশ্ন (২/১২২) : আমাদের এলাকায় প্রচলন আছে যে, সিজার করে বাচ্চা প্রসব করালে, টিউমার কিংবা অন্য কোন রোগের কারণে কোন মহিলার পেটে অস্ত্রোপচার করা হ’লে এবং এ ধরনের মহিলা মৃত্যুবরণ করলে তাদের নিকটে যাওয়া বা স্পর্শ করা যাবে না। এমনকি ঐ মহিলা কারো মা হ’লেও সন্তান তাকে ম্পর্শ করতে পারবে না। এটা কতটুকু সঠিক?
প্রশ্ন (২১/৩০১) : পিতার অবর্তমানে আমার অমতে বড় ভাই আমাকে বিবাহ দেন। বিবাহে আমি কবুল বলিনি এবং কাবিননামায় স্বাক্ষর করিনি। এরপর সংসার হয়, সন্তান হয়। একসময় আমরা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। কিন্তু স্বামী তালাক দিতে রাযী নন। আর আমার পরিবার ডিভোর্সের ব্যাপারে রাযী নয়। পরে সরকারী নিয়ম অনুযায়ী খোলা তালাকের চিঠি দেই। তারপর বড় ভাইয়ের অনুমতি ছাড়া নিজে ব্যক্তিগতভাবে অন্যজনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। পরে জানতে পারি অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিবাহ জায়েয নয়। বর্তমানে আলাদা আছি। অভিভাবকের সম্মতি আদায়ের চেষ্টা চলছে। কিন্তু তাদের কথা পূর্বের স্বামীর কাছে ফিরে না গেলে তারা কোন সম্পর্ক রাখবে না। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১১/৩৩১) জুম‘আর ফরয ছালাতের আগে ও পরে সুন্নাত পড়ার বিশেষ কোন গুরুত্ব আছে কি?
প্রশ্ন (২৫/১০৫) : ৭ বছর আগে আমার তালাকপ্রাপ্তা বোন অন্য কোথাও বিবাহ করেনি। তার ২ সন্তান আছে। তবে তার প্রাক্তন স্বামী ৫ বছর আগে বিবাহ করেছে এবং ঐ ঘরে তার একটি কন্য সন্তান আছে। এখন ঐ স্বামী আমার বোনকে পুনরায় বিবাহ করতে চায়। এটা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৩৮৪) : জনৈক ব্যক্তি সবসময় মায়ের সেবা করে এসেছে এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মা তার প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন। কিন্তু শেষ সময়ে মায়ের সাথে উচ্চবাক্য বিনিময় করায় তিনি কষ্ট পান এবং দু’দিন পরেই মারা যান। কিন্তু সন্তান তার নিকট থেকে মাফ নিতে পারেনি। এক্ষণে তার জন্য ক্ষমা পাওয়ার কোন সুযোগ আছে কি?
প্রশ্নঃ (১০/১৩০) : মসজিদের মাইকে আযান ব্যতীত অন্য কোন ঘোষণা দেয়া যাবে কি? যেমন মৃত সংবাদ, হারানো বিজ্ঞপ্তি, সরকারী ঘোষণা, চিকিৎসার ঘোষণা ইত্যাদি।
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
আরও
আরও
.