উত্তর : একজন আলেমের মধ্যে ন্যূনতম নিম্নোক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো থাকলে তার নিকট থেকে ইলম অর্জন করা বা ফৎওয়া নেওয়া যাবে। (১) আল্লাহভীরু হওয়া (২) দলীল সহকারে দ্বীনের সঠিক জ্ঞান ও বুঝ অর্জন করা (৩) কুরআন ও ছহীহ হাদীছে বর্ণিত সিদ্ধান্তের কাছে নিরংকুশভাবে আত্মসমর্পণের মানসিকতা থাকা (৪) নবী-রাসূলগণের দাওয়াতী নীতির অনুসারী হওয়া (৫) সালাফে ছালেহীনের বুঝ অনুযায়ী ফৎওয়া দেওয়া (৬) হিকমত বা প্রজ্ঞা থাকা (৭) হক-এর উপর দৃঢ় থাকা (৮) উত্তম চরিত্রের অধিকারী হওয়া এবং ইলম অনুযায়ী আমল করা (৯) নিজের বিরুদ্ধে হ’লেও সর্বদা ইনছাফের সাথে হক কথা বলা। (১০) ইখলাছ থাকা প্রভৃতি (দ্র. উছায়মীন, লিক্বাউল বাবিল মাফতূহ ৬৪/১৮)

প্রশ্নকারী : রফীকুল ইসলাম, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম।








প্রশ্ন (২৭/৪২৭) : দরিদ্রতার কারণে স্ত্রীর কাছে মোহরানার টাকা মাফ চাইলে এবং স্ত্রী সন্তুষ্টচিত্তে তা মাফ করে দিলে দায়মুক্ত হওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২৯/৪৬৯) : বিবাহের সময় স্বামী তার স্ত্রীর মোহরানা আদায় করেনি। এখন আদায় করতে ইচ্ছুক। সম্পদ ও অর্থ কোনটি দ্বারা আদায় করবে?
প্রশ্ন (১৮/৩৩৮) : আমি এবং আমার এক আত্মীয় একটি জমি ক্রয় করি। কিন্তু সে চক্রান্ত করে জমিটি তার নামে দলীল করে নেয়। ঐ জমির মূল্য দাবি করলে সে তা দিতে অস্বীকার করে। এতে সম্পর্ক নষ্ট হয়। এ জন্য দায়ী হবে কে?
প্রশ্ন (২৩/৩০৩) : প্রতিটি মুসলিম বাড়ির ছাদের উপর মুমিন জিন অবস্থান করে মর্মে বর্ণিত হাদীছটির সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৪/১১৪) : স্ত্রীর নামে কিছু সম্পত্তি যেমন বাড়ি লিখে দেয়ার ব্যাপারে শরী‘আতে বিধান কি? - -মুহাম্মাদ হাফীযুর রহমান, ঢাকা।
প্রশ্ন (৫/২০৫) :কোন বান্দার হক নষ্ট হয়ে থাকলে সেই হক আদায়ের জন্য যদি সেই ব্যক্তিকে খুঁজে না পাওয়া যায়, তাহ’লে তার পক্ষ থেকে তার ছওয়াবের আশায় ছাদাক্বা করলে বান্দার হক আদায় হয়ে যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৫/১৯৫) : জাপানের প্রায় প্রতিটি রেস্টুরেন্টে শূকরের গোশত বিক্রি হয়। সেখানে ওয়েটার হিসাবে মানুষকে তা খাওয়াতে হয়। এক্ষণে সেখানে চাকুরী করা বৈধ হবে কি? - -মাহফূযুর রহমান, টোকিও, জাপান।
প্রশ্ন (৩৮/১৫৮): জনৈক ব্যক্তির ছয় বোন এবং ৩ ভাই। ছোট ছেলের চাকুরীর জন্য তার মা জমি বিক্রয় করে তাকে টাকা দিচ্ছে। উক্ত টাকা দেয়া তার জন্য বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (১৩/৪৫৩) : বিভিন্ন গ্রন্থে পাওয়া যায়, মদীনায় সাত ফক্বীহ ছিলেন তাঁদের নাম কি?
প্রশ্ন (১৭/২১৭) : অজ্ঞতাবশত আপন ভাগ্নির মেয়ের সাথে বিবাহ হয়। ১ ছেলে ১ মেয়ের জন্ম হয়। হারাম জানার পর বিয়ে ভেঙ্গে দেয়া হয় এবং মেয়েকে অন্য ছেলের সাথে বিবাহ দেয়া হয়। এক্ষণে উক্ত ২ সন্তান কার বংশ পরিচয় পাবে? তারা কি মায়ের সাথে না পিতার সাথে থাকবে? যেহেতু হারাম বিয়ে থেকে জন্ম হয়েছে তারা পিতার সম্পদের অংশীদার হবে কি?
প্রশ্ন (২৬/২২৬) : আর-রাহীকুল মাখতূম গ্রন্থের ২৬৭ পৃঃ বলা হয়েছে, ‘আমার পূর্বে এমন এক যুবককে নবী হিসাবে পাঠানো হয়েছে যার উম্মতের সংখ্যা আমার উম্মতের তুলনায় অধিক হবে’। এখানে যুবক বলে কোন নবীকে বুঝানো হয়েছে?
প্রশ্ন (২২/৪২২) : চারিত্রিক হেফাযতের জন্য আমার বিবাহের প্রয়োজন। কিন্তু নিজের ও পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো নয় এবং পিতা-মাতাও এ ব্যাপারে উদাসীন। এক্ষণে নিজেকে পাপ থেকে রক্ষার জন্য আমার করণীয় কি?
আরও
আরও
.