উত্তরঃ কবরস্থানের উপর ঘর-বাড়ি, টয়লেট নির্মাণ করে বসবাস করা যাবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘তোমাদের কোন ব্যক্তির আগুনের টুকরার উপরে বসা এবং সে টুকরাটা তার কাপড়কে পুড়িয়ে তার চামড়া পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া তার জন্য বেশী উত্তম হবে কবরের উপর বসার চেয়ে’ (মুসলিম হা/৯৭১, ‘জানাযা’ অধ্যায়; মিশকাত হা/১৬৯৯)। অন্য হাদীছে রাসূল (ছাঃ) কবরে চুনকাম করতে, তার উপরে লিখতে, বসতে, কোন কিছু নির্মাণ করতে এবং হাটতে নিষেধ করেছেন (মুসলিম হা/৯৭০; ছহীহ্ তিরমিযী হা/১০৫২; মিশকাত হা/১৬৯৭-৯৮, ১৭০৯)। 






বিষয়সমূহ: কবর
প্রশ্ন (৩৩/৩৫৩) : আমার এলাকাটি হানাফী অধ্যুষিত হওয়ায় ঈদের ছালাত অনেক দেরীতে আদায় করা হয়। এক্ষণে আমি আউয়াল ওয়াক্তে একাকী তা আদায় করে নিব কি? - -খায়রুল ইসলাম, সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম।
প্রশ্ন (৬/২৪৬) : বিয়ের পূর্বে অবৈধ সম্পর্কের কারণে গর্ভে আসা সন্তান পরবর্তীতে সন্তান জন্মের পূর্বেই তাদের বিবাহ হয়ে থাকলে সন্তান কি উক্ত পিতার দিকে সম্পর্কিত হবে?
প্রশ্ন (২২/৬২) : আমি আমার দাদীর বুকের দুধ খেয়ে বড় হয়েছি। অতঃপর গত ২ বছর পূর্বে আমার আপন ফুফুর মেয়ের সাথে আমার বিবাহ হয়েছে। এ বিবাহ সঠিক হয়েছে কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকগোদাগাড়ী, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২১/১৮১) : রেডিও-টিভিতে সম্প্রচারিত ফরয ছালাতের ইমামের অনুসরণে বাড়ীতে ছালাত আদায় করা বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (১৫/২১৫) : বুখারীর ৩৮৪৯ নং হাদীছ রয়েছে, জাহেলী যুগে কিছু বানর একটি বানরকে ব্যভিচারের কারণে হত্যা করেছিল। এর দ্বারা অনুমিত হয় যে পশুদের মাঝেও রজমের বিধান রয়েছে। হাদীছটির বোধগম্য ব্যাখ্যা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৪/৪১৪) : আত-তাহরীক পড়ে জানতে পারলাম রাসূল (ছাঃ) নূরের তৈরী নন, মাটির তৈরী। তাহলে ওছমান (রাঃ) ‘যিন নুরাইন’ বলা হয় কেন? রাসূল (ছাঃ)-এর ২ কন্যার সাথে বিবাহ হওয়ার কারণেই যদি তাকে যিন নুরাইন বলা হয় তাহলে রাসূল (ছাঃ) নূরের তৈরী। একথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (১/১) : জামা‘আতে ছালাত ওয়াজিব হওয়ার জন্য কি আযান শ্রবণ করা শর্ত? কোন কোন বিদ্বান বলেছেন, জামা‘আত ঐ ব্যক্তির উপরে ওয়াজিব, যে মসজিদ থেকে এমন দূরত্বে অবস্থান করে যেখান থেকে খালি মুখের আযান শুনা যায়।
প্রশ্ন (২১/৩৮১) : বহু মানুষকে দেখা যায় মাথাসহ দাড়িতে লাল মেহেদী ব্যবহার করে। এর ভিত্তি আছে কি? - -রফীকুল ইসলাম, মাকলাহাট, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।
প্রশ্ন (৭/১২৭) : আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি। আমাকে গ্রামের লোকজন বাড়ি করে দিয়েছে। আমি কি এখন আমার বিধর্মী বাবার সম্পত্তি নিতে পারব?
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্ন (২৪/২২৪) : ছহীহ হাদীছ জানার পর যারা বিদ‘আতী আমল করে থাকে তাদের পরিণতি কি হবে?
প্রশ্ন (২৮/৩০৮) : জনৈক ইমাম বলেন, ইবনু আববাস (রাঃ) শিশুদের তাবীয দিতেন। তাই ছোটদের তাবীয দেওয়া যাবে, কিন্তু বড়দের নয়। আর হাদীছে বর্ণিত তামীমা দ্বারা তাবীয নয় বরং তাগা, সুতা এগুলো বুঝায়। আর তাবীযই ভালো করবে বা নাপা ওষুধই ভালো করবে এরকম মনে করলে শিরক হবে। সাধারণভাবে ব্যবহার করলে শিরক হবে না। এসব কথার সত্যতা আছে কি?
আরও
আরও
.