উত্তর : যাবে না। রাসূল (ছাঃ) মৃত্যু কামনা করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে। কারণ সে নেককার হ’লে হয়তো অধিক নেকী অর্জন করবে এবং বদকার হ’লে সম্ভবত তওবা করে আল্লাহর সন্তোষ লাভে সমর্থ হবে’ (বুখারী, মিশকাত হা/১৫৯৮ ‘জানাযা’ অধ্যায়, ‘মৃত্যু কামনা ও মৃত্যুর স্মরণ’ অনুচ্ছেদ)। তবে নিতান্তই কেউ যদি মৃত্যু কামনা করতে চায়, তবে সে বিষয়ে রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমাদের কেউ যেন তার নিকটে বিপদ পৌঁছার কারণে মৃত্যু কামনা না করে। তবে সে যদি মৃত্যু কামনা করতেই চায়, তবে যেন বলে, হে আল্লাহ! আমাকে জীবিত রেখ যে পর্যন্ত আমার জীবন কল্যাণকর হয় এবং আমাকে মৃত্যু দান কর, যখন মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর হয়’ (মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, মিশকাত হা/১৬০০)







প্রশ্ন (১২/২৫২) : ছালাতের ওয়াক্ত হওয়ার পূর্বে আযান দিলে সেই আযানে ছালাত আদায় করা যাবে কী?
প্রশ্ন (৬/৩৬৬) : ত্বাগূত সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (৪/১৬৪) : তারাবীহ পড়িয়ে হাদিয়া দাবী করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৭/১০৭) : জুম‘আর দিন আখেরী যোহর পড়তেই হবে, না পড়লে জুম‘আ আদায় হবে না। একথার কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (৫/৫) : জনৈক আলেম বলেন, ‘জামা‘আতে ছালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে মসজিদে গমনকারী ব্যক্তি মারা গেলে সে জান্নাতী’-উক্ত বক্তব্যের সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৭/৪০৭) : ৫ বছরের দাম্পত্য জীবনে আমরা স্বামী-স্ত্রী অনেকবার তালাক চেয়েছি। স্বামীও কয়েকবার জবাবে বলেছে তুমি একেবারে চলে যাও। আর এসো না। জনৈক আলেম বলেছেন, নিয়ত না থাকলে এগুলো ধর্তব্য হবে না। এক্ষণে এর সঠিক সমাধান কি?
প্রশ্ন (১/১২১) : কাউকে রক্তদান করলে ছওয়াব পাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৬/৩৩৬) : জনৈক ব্যক্তি পবিত্র কুরআন নিয়ে দৃঢ়ভাবে শপথ করে যে, আল্লাহর কসম! আমি বাকী জীবনে এই পাপ আর করব না। কিন্তু শয়তানের ধোঁকায় পড়ে পুনরায় ঐ পাপে লিপ্ত হ’লে তার হুকুম কী?
প্রশ্ন (২০/৪৬০) : আমার ৫০ দিনের ভ্রূণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর ১৫ দিন যাবত রক্তপাত হচ্ছে। এক্ষণে উক্ত রক্ত নিফাসের রক্ত হিসাবে গণ্য হবে কি? - -হেলেনা আখতার,পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৯/১৩৯) : বাঘ বা এরূপ কোন হিংস্র প্রাণীর চামড়ার তৈরী জ্যাকেট ব্যবহার করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৯/৪২৯) : আমি ওমরাহতে যেতে চাই। আমার ফ্লাইটের তারিখ ও সময় নির্ধারিত। কিন্তু ঐ তারিখেই আমার হায়েয শুরু হয়ে যাবে। আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩৮/২৩৮) : পিতা-মাতা আমাকে সব সম্পদ থেকে বঞ্চিত করে ১৮ বছর আগে আলাদা করে দিয়েছেন। তিন মেয়েকে সব সম্পদ দিয়েছেন। এখন শেষ বয়সে তারা অসহায়। আমার অবস্থার দিকে না দেখে তারা আমার কাছে অনেক সহযোগিতা চান। চাহিদামত দিতে না পারলে কথা বলেন না, রাগ করেন। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
আরও
আরও
.