উত্তর : অবৈধ পন্থায় নেওয়া টাকা মামাকে ফেরত দিয়ে তওবা করতে হবে। আর টাকা ফেরত দেওয়ার সামর্থ্য না থাকলে মামার নিকট নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। কিন্তু তিনি ক্ষমা না করলে গৃহীত টাকা ধীরে ধীরে পরিশোধ করার ব্যাপারে রাযী করাতে হবে। অর্থাৎ যেকোন মূল্যে বিষয়টি সমাধা করার চেষ্টা করতে হবে। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেন, কোন ব্যক্তি যদি তার কোন ভাইয়ের সম্মান বা অন্য কোন বিষয়ে যুলুম করে থাকে, তাহ’লে সে যেন আজই তার সমাধা করে নেয়। সেদিন আসার আগে যেদিন তার কাছে কোন দীনার ও দিরহাম থাকবে না। সেদিন তার কোন সৎকর্ম থাকলে তা থেকে যুলুম পরিমাণ নিয়ে নেয়া হবে। আর সৎকর্ম না থাকলে মযলূমের পাপসমূহ থেকে নিয়ে উক্ত যালেমের উপর চাপিয়ে দেয়া হবে’ (বুখারী হা/২৪৪৯;  মিশকাত হা/৫১২৬)






প্রশ্ন (৩/৪০৩) : একজন আলিম গায়রে মাহরাম মহিলাদেরকে শিক্ষা দিচ্ছেন। এটা কি কাবীরা গোনাহের অন্তর্ভুক্ত নয়? এমন লোকের পিছনে ছালাত হবে কি?
প্রশ্ন (৩৬/৭৬) : আমার মা মারা যাওয়ায় পিতা দ্বিতীয় বিবাহ করেছেন। আমার প্রতি তার বর্তমান আচরণ খুবই কষ্টকর। এক্ষণে তার সাথে সম্পর্ক ত্যাগ করে পৃথকভাবে বসবাস করলে আমি গুনাহগার হব কি? - -মা‘ছূম বিল্লাহ, সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ।
প্রশ্ন (৮/৮৮) : জিব্রীল (আঃ) ব্যতীত অন্য কোন ফেরেশতা কি রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট অহি নিয়ে আগমন করতেন?
প্রশ্ন (৭/৪৭) : ঋণদাতা কি ঋণগ্রহীতার বাসায় দাওয়াত খেতে পারবে? এটা কি সূদ হবে?
প্রশ্ন (৩/৩৬৩) : রাসূল (ছাঃ) কুষ্ঠ রোগীর হাত ধরে একত্রে খেয়েছেন মর্মে কোন হাদীছ আছে কি? সেটা ছহীহ হ’লে অন্যান্য হাদীছের সাথে এর সমন্বয় কি হবে?
প্রশ্ন (৩৩/৩১৩) : ছিয়ামরত অবস্থায় ইনজেকশনের মাধ্যমে ঔষধ বা স্যালাইন দেওয়া হলে ছিয়াম ভঙ্গ হবে কি? - -আফতাব, কাহারোল, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৩৯/১৯৯) : ওয়াইস ক্বারনী সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৪০/৮০) : সালাফী বিদ্বানগণ বলেন, আগে ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম নয় বরং আগে মানুষের আক্বীদা-আমল শিরক-বিদ‘আতমুক্ত করতে হবে। কিন্তু শরী‘আতে কোন বিধান আগে বাস্তবায়ন করতে হবে, কোনটি পরে করতে হবে, এরূপ কোন নির্দেশনা আছে কি?
প্রশ্ন (১০/৩৭০) : আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে শারঈ কোন নিষেধাজ্ঞা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৪/৩৪) : পেপার-পত্রিকা বা বইয়ে প্রকাশিত রাশিফলের কোন কার্যকারিতা আছে কি? এসব পড়া যাবে কি? - -শাহরিয়ার ছালেহীন, পবা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৩/১০৩) : আমি মাদ্রাসায় পড়ুয়া এক মেয়েকে দেখে শুনে বিয়ে করেছি। পরে দেখি সে দ্বীন সম্পর্কে অজ্ঞ এবং ভীষণ উদাসীন। সাথে সাথে ঝগড়াপ্রবণ ও কটূক্তিপরায়ণ। বিয়ের আগে যাচাই করা হয়নি, এজন্য নিজেকে দোষী মনে করি। মাঝে মাঝে এমন কষ্ট হয় যে আত্মহত্যার চিন্তাও আসে, কিন্তু পরকালের ভয়ে বিরত থাকি। এটা কি আমার ভাগ্যে লেখা ছিল নাকি আমার নিজের ত্রুটির ফল? আমার করণীয় কি? যদি ধৈর্য ধরে সংসার করি, তাহ’লে এর বিনিময়ে কি আমার কোন পুরস্কার মিলবে? আর মাঝে মাঝে আমি তাকে বলি, ‘আমি মরে গেলে তোমাকে পরকালে চাই না’ এতে কি আমার গোনাহ হবে?
প্রশ্ন (৩৭/৩৭) : কিছু লোক বলে শরী‘আত এবং মা‘রেফাত আলাদা। মা‘রেফাত বলে কিছু আছে কি?
আরও
আরও
.