উত্তর : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলতেন, আল্লাহ তা‘আলা ওমরের যবানে ও হৃদয়ে সত্য প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছেন (তিরমিযী হা/৩৬৮২, হাদীছ ছহীহ)। এক্ষণে ৬টি বিষয়ে ওমর (রাঃ)-এর প্রস্তাবের সমর্থনে কুরআনে আয়াত নাযিল হয়েছে, যা ছহীহ হাদীছহসমূহ দ্বারা প্রমাণিত। যেমন (১) বদর যুদ্ধের ৭০ জন বন্দীর ব্যাপারে ওমর (রাঃ)-এর পরামর্শ ছিল তাদেরকে হত্যা করা। পরে তাঁর মতের সমর্থনে আল্লাহ সূরা আনফালের ৬৭-৬৯ আয়াত নাযিল করেন (মুসলিম হা/১৭৬৩)। (২) মক্কা বিজয়ের দিন রাসূল (ছাঃ) যখন মাকামে ইবরাহীমের কাছে দাঁড়ালেন, তখন ওমর (রাঃ) তাঁকে বলেন, আমরা কি মাক্বামে ইবরাহীমকে ছালাতের স্থান বানিয়ে নিতে পারি না?... তখন সূরা বাক্বারার ১২৫ আয়াতটি নাযিল হয়।

(৩) একদা তিনি রাসূল (ছাঃ)-কে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার স্ত্রীগণের নিকট ভালো-মন্দ সব ধরনের লোক প্রবেশ করে। অতএব আপনি যদি তাদেরকে পর্দা করার নির্দেশ দিতেন!... এরপর উম্মাহাতুল মুমিনীনদের পর্দা ফরয করে সূরা আহযাবের ৫৩ আয়াতটি নাযিল হয়। (৪) হাফছার নিকটে রাসূল (ছাঃ)-এর মধু খাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্ত্রীগণের মাঝে পরস্পরে হিংসার ঘটনা ঘটলে তিনি তাদেরকে তালাক দেয়ার ধমকি দেন। অতঃপর তাঁর সমর্থনে সূরা তাহরীমের ৫ আয়াতটি নাযিল হয় (বুখারী হা/৪০২, মুসলিম হা/২৩৯৯, মিশকাত হা/৬০৪২)। (৫) ওমর (রাঃ) মুনাফিক  নেতা আব্দুল্লাহ বিন উবাইয়ের জানাযার ছালাতে বাধা দেওয়ার পরেও রাসূল (ছাঃ) তা আদায় করেন। তখন আল্লাহ ওমরের সমর্থনে সূরা তাওবার ৮৪ আয়াতটি নাযিল করেন এবং মুনাফিকদের জানাযায় অংশগ্রহণে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন (বুখারী হা/১৩৬৬, তিরমিযী হা/৩০৯৭)। (৬) ওমর (রাঃ)-এর আকাংখা মাফিক আল্লাহ তা‘আলা মদ নিষিদ্ধের আয়াত নাযিল করেন (আবুদাউদ হা/৩৬৭০; তিরমিযী হা/৫৫৪০; নাসাঈ হা/৩০৪৯)। এছাড়া আরো কয়েকটি আয়াত নাযিলের ব্যাপারে তাফসীর গ্রন্থ সমূহে বর্ণিত হয়েছে, যা ছহীহ সনদে প্রমাণিত নয়।

-আব্দুস সুবহান

বিরল, দিনাজপুর।






প্রশ্ন (৩/৪৩) : হজ্জ বা ওমরা করতে গিয়ে এক ব্যক্তি একাধিক ওমরা করতে পারবে কি? যেমন ওমরা করে মদীনায় গেল। ফিরে এসে আবার ওমরা করল এমনটি করতে পারবে কি? কিংবা একই ব্যক্তি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে ওমরা ও ত্বওয়াফ করতে পারে কি?
প্রশ্ন (৩০/৩৫০) : বিদ‘আতী মসজিদের পরিচালনা কমিটির সভাপতি, সেক্রেটারী অথবা সদস্য হওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৪/৩৫৪) : গরমের কারণে মসজিদের বাইরে মাঠে ছালাত আদায় করলে ছালাত আদায় হবে কি?
প্রশ্ন (১৮/২৯৮) : আমাদের মসজিদে ছালাত শেষে দলবদ্ধ মুনাজাত করিয়ে নেওয়ার জন্য মূর্খ ইমাম দ্বারা ছালাত আদায় করানো হয়। এক্ষণে আমরা তাদের পরে আলাদা জামা‘আত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটি কি সঠিক হবে? - -আসমাউল আলমতেরখাদিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৪/৪৩৪) : মুসলিমদের মধ্যে বিভিন্ন মাসআলায় বা মতাদর্শে মতপার্থক্য দেখা যায়। এক্ষেত্রে উম্মাহর ঐক্য বজায় রাখতে এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা প্রদর্শনে ইসলামের নির্দেশনা কী?
প্রশ্ন (৩৪/১৫৪) : স্বামী স্ত্রীকে জোরপূর্বক মাযহাবী তরীকায় ছালাত আদায়ে বাধ্য করে। উক্ত স্ত্রীর জন্য করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩/১২৩) : ওমর (রাঃ) বলেন, ‘যদি ফোরাত নদীর কূলে একটি ভেড়ার বাচ্চাও হারানো অবস্থায় মারা যায়, তাতে আমি ভীত হই যে, সেজন্য আমাকে ক্বিয়ামতের দিন জিজ্ঞাসিত হ’তে হবে’- এ মর্মে বর্ণিত আছারটির বিশুদ্ধতা জানতে চাই? - -আব্দুর রহমান, মনোহরদী, নরসিংদী।
প্রশ্ন (১০/৪৫০) : ঈদের ছালাতের খুৎবা শেষে মানুষের দানকৃত অর্থগুলো ইমামকে দেওয়া হয়। এটা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩২/৩১২) : যে মাসের রামাযান শুরু হবে শুক্রবার দিয়ে সেই রামাযানের ১৫ তারিখে আকাশে একটি বিকট আওয়াজ হবে এবং তাতে ৭০ হাযার মানুষ অজ্ঞান, ৭০ হাযার অন্ধ, ৭০ হাযার বোবা এবং অসংখ্য মানুষ মারা যাবে। বিষয়টি বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৪/১৯৪) : ছালাতের পূর্বে মিসওয়াক করলে ৭০ গুণ বেশী নেকী হয়, এ হাদীছের সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (১৩/২৯৩) : জনৈক আলেম বলেন, কসম ভঙ্গের কাফফারা হচ্ছে একটানা ৩টি ছিয়াম পালন করা। মাঝে একটি ছুটে গেলে তিনটির সাথে আরো একটি যোগ করতে হবে। এ বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৯/৩৮৯) : কুরআনের আরবী শব্দাবলী বুঝার জন্য বাংলা অক্ষরে উচ্চারণ করে লেখা যাবে কি? এছাড়া অন্য ভাষাতে লেখা যাবে কি?
আরও
আরও
.