উত্তর :  কেউ মন্দ কাজে প্ররোচিত করলে তা করা যাবে না (মুত্তাফাক্ব আলাইহ ;মিশকাত হা/৩৬৬৪)। এমনকি পিতা-মাতা হ’লেও নয় (লোকমান ৩১/১৫)। এমতাবস্থায় তাদের প্রতি সদাচরণ বজায় রাখতে হবে, উত্তমরূপে বুঝানোর চেষ্টা করতে হবে এবং প্রয়োজন ব্যতীত এড়িয়ে চলতে হবে (নাহল ১৬/১২৫; আ‘রাফ ৭/১৯৯)। তাই বলে স্থায়ীভাবে সম্পর্কচ্ছিন্নও করা যাবে না। কারণ রাসূল (ছাঃ)-এর স্পষ্ট ঘোষণা, আত্মীয়তা সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না (বুখারী, মুসলিম; মিশকাত হা/৪৯২২)। 






প্রশ্ন (৩৯/২৩৯) : আমার সন্তান ৪২ দিনের মাথায় ইন্তেকাল করেছে। এক্ষণে সে কি জাহান্নামের শাস্তি থেকে মুক্ত থাকবে এবং হাদীছ অনুযায়ী পরকালে তার কারণে আল্লাহ তা‘আলা তার পিতা-মাতাকে জান্নাতে দিতে বাধ্য থাকবেন?
প্রশ্ন (২৪/১০৪) : জনৈক আলেম বলেন, রাসূল (ছাঃ) সূরা ফাতিহা পড়ার পর মাঝে মাঝে জোরে আমীন বলতেন লোকদেরকে এ ব্যাপারে জানানোর জন্য। এটা তার সবসময়কার আমল ছিল না। একথার সত্যতা জানতে চাই। - -ছদরুদ্দীন, জামালপুর।
প্রশ্ন (৩/৩৬৩) : অনেক ইসলামী সঙ্গীত সমাজে প্রচলিত বিভিন্ন গানের সুর ও ছন্দ নকল করে গাওয়া হয়। এরূপ নকলে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (৮/২৪৮) : রুকুর পূর্বে বেশ কিছুক্ষণ ‘সাকতা’ করে সূরা ফাতিহা পাঠ করা যাবে কি? যদি না যায় তবে তা কখন পড়তে হবে?
প্রশ্ন (৩১/৭১) : ঘুম থেকে উঠে ওযূ না করে ফজরের ছালাতের আযান দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৩/১৭৩) : জনৈক অসুস্থ ব্যক্তি সুস্থতা লাভ করলে মসজিদে ১০ শতক জমি দান করবেন বলে মানত করেন। কিন্তু সুস্থ হওয়ার পর উক্ত জমি মসজিদের পরিবর্তে গোরস্থানে দিতে চায়। এটা কি শরী‘আত সম্মত হবে?
প্রশ্ন (৩১/১৯১): জনৈক পাকিস্থানী ইমাম বলেন, ছালাতের পূর্বে টাখনুর নীচের কাপড় গুটিয়ে নিয়ে অনেকে ছালাত আদায় করে। এতে তার ছালাত হবে না। এর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩২/৩২) : সূরা বাক্বারাহ শেষ করে ‘আমীন’ বলা যাবে কি?
প্রশ্ন (২০/২২০) : আলী (রাঃ)-কে নবী করীম (ছাঃ) উঁচু কবর ভাঙ্গার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এই নির্দেশ কি শুধুমাত্র ইহূদীদের কবর ভাঙ্গার জন্য প্রযোজ্য ছিল? কারণ সেই সময়ে মুসলিম ছাহাবীদের কোন কবর উঁচু ছিল, এমন কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না। মাযারপন্থীরা এই দাবী করে যে, এই নির্দেশ শুধুমাত্র ইহূদীদের কবরের জন্য খাছ। এ বিষয়ে সালাফদের মতামত কী?
প্রশ্ন (৩৭/৩৭) : হিজরী নববর্ষের শুভেচ্ছা জানানো যাবে কি? - -আব্দুল হালীম, বাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২১/১৮১) : জনৈক ইমাম খুৎবায় বলেছেন যে, হজ্জের সময় হাজীগণ শয়তানের উদ্দেশ্যে যে কংকর নিক্ষেপ করেন, তা জমা হয়ে পাহাড়ের রূপ ধারণ করে। আল্লাহ তা‘আলা পরবর্তী হজ্জের আগে ফেরেশতা দ্বারা সেই কংকর অপসারণ করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যের স্বপক্ষে যুক্তি দেন যে কুরআন শরীফে এর উল্লেখ আছে। এর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৬/২৬) : কম্পিউটারের দোকানে মাঝে মাঝেই আমাদের জমি বন্ধকের চুক্তিপত্র লিখতে হয়। এটা কম্পোজ করে দিলে কি আমাকে গোনাহের ভাগিদার হ’তে হবে?
আরও
আরও
.