উত্তর : নবী করীম (ছাঃ)-এর ওপর দরূদ পাঠ করার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন বাক্য পাঠের বাধ্যবাধকতা নেই। বরং যে কোন বাক্যে মনের উদ্দেশ্য প্রকাশ পেলেই তা আদায় হয়ে যাবে। কেউ যদি বলে, ‘আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা মুহাম্মাদ’ অথবা বলে, ‘ছাল্লাল্লাহু আলা মুহাম্মাদ’ কিংবা ‘আছ-ছালাতু ওয়াস-সালামু আলাইকা ইয়া রাসূলাল্লাহ’ অথবা বলে, ‘ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ এমন যেকোন বাক্যে দরূদ পড়লে সেটি সঠিক হবে এবং দরূদ হিসাবে গণ্য হবে। কারণ এক্ষেত্রে শরী‘আতের পরিধি অত্যন্ত প্রশস্ত (ইবনু হাজার, ফাৎহুল বারী ১১/১৬৬)। তাছাড়া সংক্ষিপ্ত দরূদ স্বয়ং রাসূল (ছাঃ) পাঠ করেছেন। তিনি যখন মসজিদে প্রবেশ করতেন তখন বলতেন, বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা মুহাম্মাদ। অর্থাৎ আল্লাহর নামে (প্রবেশ করছি)। হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর ওপর রহমত বর্ষণ করুন। আর মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় তিনি বলতেন, বিসমিল্লাহি, আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা মুহাম্মাদ। অর্থাৎ আল্লাহর নামে (বের হচ্ছি)। হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর ওপর রহমত বর্ষণ করুন (ইবনুস সুন্নী, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লায়লাহ হা/৮৮; ছহীহুল জামে‘ হা/৪৭১৬)। তবে এই নিয়ম কেবল ছালাতের বাইরে পড়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ছালাতের ভেতরে দরূদ পড়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই হাদীছে বর্ণিত শব্দগুলোই ব্যবহার করতে হবে। আর নবী করীম (ছাঃ)-এর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ও পূর্ণাঙ্গ দরূদ হ’ল ‘দরূদে ইব্রাহীম’, যা ছালাতের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদের পর পড়া হয়। হাদীছের কিতাবগুলোতে এই দরূদটিরও বেশ কয়েকটি ছহীহ শব্দবিন্যাস বা পদ্ধতি বর্ণিত রয়েছে।

প্রশ্নকারী : ছানাউল্লাহ, সাতক্ষীরা।








প্রশ্ন (৭/১২৭) : আক্বীদা ও ঈমানের মধ্যে পার্থক্য কি?
প্রশ্ন (১/২০১) : আমরা শুনেছি যে, পবিত্র কুরআনে নাকি নারী-পুরুষ আল্লাহর নিকট সমান এ কথা বলা হয়েছে। অপরদিকে হাদীছে পিতার চেয়ে মাতার অধিকার বেশী বলা হয়েছে। কিন্তু আক্বীক্বার ক্ষেত্রে দেখা যায় তার উল্টো। অর্থাৎ ছেলের জন্য ২টি আক্বীক্বা, আর মেয়ের জন্য ১টি। এখানে কার অধিকারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হ’ল?
প্রশ্ন (১/৮১) : ঈসা (আঃ)-এর পর খালিদ বিন সিনান নামে কোন নবী এসেছিলেন কি? তার বিস্তারিত পরিচয় জানতে চাই। - -আলতাফ হোসাইন, তেরখাদিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৯/৯) : কুরবানীর গোশত তিনভাগ করার ব্যাপারে শারঈ নির্দেশনা আছে। কিন্তু আক্বীক্বা বা সাধারণভাবে পশু যবেহ করলেও তিনভাগ করতে হবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৬৪) : কুরবানীর চামড়ার মূল্য ঈদগাহ নির্মাণ কাজে ব্যয় করা যাবে কি? কেউ ব্যয় করে ফেললে তার কোন শাস্তি আছে কি?
প্রশ্ন (১৩/৯৩) : অনেকে সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে কারেন্ট জাল ব্যবহার করছে। এ ধরনের বেআইনী ব্যবসা ও উপার্জিত অর্থ বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (১৪/২৯৪) : ছহীহ বুখারীর হাদীছে রয়েছে যে, মৃতকে দাফন করে যখন লোকেরা চলে আসে তখন ঐ ব্যক্তি মানুষের পায়ের জুতার শব্দ শুনতে পায়। কিন্তু আল্লাহ বলেন, তুমি কবরবাসীকে কিছু শুনাতে পার না (ফাতির ২২)। এর সমাধান কী?
প্রশ্ন (৩৬/৪৩৬) : দুরারোগ্য ব্যাধি যেমন থ্যালাসেমিয়া, এইডস ইত্যাদি যেগুলোর কোন চিকিৎসা নেই, সেসব রোগে কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে সে পরকালে বিশেষ কোন মর্যাদায় ভূষিত হবে কি?
প্রশ্ন (১৯/১৯) : হজ্জব্রত পালনকালে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাংখীদের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ রাখা যাবে কি? - -মুবীনুল ইসলাম, উপশহর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৭/২৫৭) : আমাদের এলাকার শতভাগ মানুষ প্রতিবেশীর ফসল ক্ষতি করে হাঁস-মুরগী চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে। এরূপ অন্যের ক্ষতি করে হাঁস-মুরগী পালন করে উপার্জন করা বৈধ হবে কি? - সাইফুল ইসলাম লাকসাম, কুমিল্লা।
প্রশ্ন (৪/২৮৪) : আমার আত্মীয় একজন খৃষ্টান নারীকে বিবাহ করেছে। যে নিজেই বলেছে যে, সে কেবল বিবাহের জন্য ইসলাম গ্রহণ করেছে। এরূপ নারীর সাথে সংসার করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৩/২৬৩) : একটি খাস জমি নিয়ে একই সমাজভুক্ত মসজিদের মুছল্লীদের সবার সিদ্ধান্ত ছিল তা মসজিদের নামে হোক। কিন্তু সমাজের দু’জন প্রভাবশালী ব্যক্তি গোপনে জমিটি নিজেদের নামে করে নেয়। পরবর্তীতে সবাই বিষয়টি জেনে যায়। একে কেন্দ্র করে মুছল্লীদের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয় এবং সমাজের একদল মুছল্লী নতুন একটা মসজিদ নির্মাণ করে আলাদা হয়ে যায়। আর এগুলো প্রায় ৩৬ বছর আগে ঘটেছে। এখন প্রশ্ন হ’ল, আলাদা এই নতুন মসজিদে ছালাত আদায় জায়েয হবে কি? - -ওমর সরদার, গুরুদাসপুর, নাটোর।
আরও
আরও
.