উত্তর : যে কোন অন্যায় কাজে সহযোগিতা করা যাবে না। আল্লাহ বলেন, ‘নেকী ও তাক্বওয়ার কাজে তোমরা পরস্পরকে সাহায্য কর এবং গোনাহ ও অন্যায় কাজে সহযোগিতা কর না’ (মায়েদাহ ৫/২)। শায়খুল ইসলাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, যদি নিশ্চিত অনুমান করা যায় যে, উক্ত পোষাক পরিধানের মাধ্যমে আল্লাহর নাফরমানী করা হবে তাহ’লে তা বিক্রয় করা বা সেলাই করা যাবে না। কারণ এতে অবাধ্যতা ও সীমালংঘনে সহযোগিতা করা হবে (শারহুল ‘উমদাহ ৪/৩৮৬; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৩/১০৯)। শায়খ বিন বাযও অনুরূপ মন্তব্য করেছেন (ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১৮/৪২৩)। এজন্য এসকল অর্ডার গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। সুযোগ না থাকলে কর্মক্ষেত্র পরিবর্তন করতে হবে।

প্রশ্নকারী : তানভীর হাসান, আশুলিয়া, ঢাকা।






প্রশ্ন (২২/১৮২) : জনৈক ব্যক্তি চারিত্রিক দিক দিয়ে খুব ভালো নয়। ফলে অধিকাংশ মানুষের সাথে তার সম্পর্ক খারাপ। সে নিজেও অধিকাংশ মানুষকে মন্দ চরিত্রের মনে করে। এক্ষণে আচরণ ভালো করার জন্য কোন আমল বা দো‘আ আছে কি?
প্রশ্ন (৩৮/১৯৮) : দ্বীনে হানীফ কাকে বলে? ইবরাহীম (আঃ)-এর দ্বীনের নাম কী ছিল? উম্মী বলে কাদেরকে বুঝানো হয়েছে?
প্রশ্ন (৪০/২০০) : দাড়ি রাখার সঠিক বিধান কি?
প্রশ্ন (১৯/১৯) : ছালাতের মধ্যে কোন রাক‘আত কম-বেশী হওয়া বা অন্য কোন ভুল করার পর সহো সিজদা দিতে ভুলে গেলে পরবর্তীতে তা কিভাবে আদায় করতে হবে? - .
প্রশ্ন (৩৮/২৭৮) : আয়াতুল কুরসী ও সূরা নাস, ফালাক্ব দো‘আ হিসাবে পাঠ করার সময় আঊযুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ পাঠ করতে হবে কি? - মাহমূদ ঢাকা।
প্রশ্ন (২৪/২৪) : ফেরাঊন ও নমরূদের পতনের পর ৪০ দিন পর্যন্ত বৃষ্টি ও বন্যা হয়েছিল। তারপর জমি উর্বর হয়েছিল। এই কথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (৬/৪০৬) : সূরা ইখলাছ ১০ বার পাঠ করলে জান্নাতে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করা হবে। একথার সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৩/৪৭৩) : বড় ফোঁড়া হয়ে একটানা পুঁজ-রক্ত বের হচ্ছে।এমতাবস্থায় ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৪০/৪৪০) : ছালাতে আয়াতের জওয়াব সরবে দিতে হবে না নীরবে?
প্রশ্ন (৩২/৩৫২) : বিবাহ শুদ্ধ হওয়ার জন্য কি কি শর্ত প্রযোজ্য? কোন একটি পূরণ না হ’লে বিবাহ সাব্যস্ত হবে কি?
প্রশ্ন (২৯/৬৯) : যদি কোন ব্যবসায়ী বাকীতে পণ্য বিক্রয় করে এই শর্তে যে, তুমি অমুক দিন পর্যন্ত বাকীতে নিবে এবং কম হোক বা বেশী হোক সেদিন ঐ পণ্যের যে বাজারদর থাকবে সে অনুযায়ী মূল্য পরিশোধ করবে। এরূপ লেনদেন বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (১৩/৯৩) : রাসূল (ছাঃ)-এর যুগে পবিত্র কুরআন যেভাবে সংরক্ষণ বা লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল, তাতে কোন হরকত তথা যের, যবর, পেশ ছিল না। বিদায় হজ্জের দিন ইসলাম পরিপূর্ণতা লাভ করল। কিন্তু ওছমান (রাঃ) পরে তা গ্রন্থাকারে লিপিবদ্ধ করেন। আরও পরে হরকত লাগানো হয়। এটা কি পূর্ণাঙ্গ দ্বীনের মধ্যে নতুন সংযোজন নয়?
আরও
আরও
.