উত্তর : রাসূল (ছাঃ)-এর জন্মদিন মনে করে সোমবারে ছিয়াম রাখা যাবে না। কারণ জন্ম বা মৃত্যু দিবস পালন ইসলামে বৈধ নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার ছিয়াম পালন করতেন প্রথমতঃ এই কারণে যে, তিনি সোমবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন ও প্রথম অহি প্রাপ্ত হয়েছিলেন (মুসলিম হা/১১৬২; মিশকাত হা/২০৪৫)। দ্বিতীয়তঃ প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবারে বান্দার আমলনামা আল্লাহর নিকট পেশ করা হয়। তিনি বলতেন, আমি পসন্দ করি যে, আমার আমলনামা আল্লাহর নিকট ছিয়াম অবস্থায় পেশ করা হৌক (তিরমিযী হা/৭৪৭; মিশকাত হা/২০৫৬)। ইসলামে কেবল সাতটি দিবস ঈদ হিসাবে পালনীয়। জুম‘আ, দুই ঈদ, আরাফার দিন ও ঈদুল আযহার পরের তিন দিন (দ্র. ‘ছিয়াম ও ক্বিয়াম’ ১০৭ পৃ.)। এর বাইরে কোন দিবস পালন করা শরী‘আত বহির্ভূত।

প্রশ্নকারী : ইবাদুর রহমান, মান্দা, নওগাঁ।







বিষয়সমূহ: ছিয়াম-রামাযান
প্রশ্ন (২৮/১০৮) : প্রসিদ্ধ ৬ টি কিতাবকে ‘ছিহাহ সিত্তাহ’ বলা যাবে কি? নামটির প্রচলনের কারণ কি? - -রোকনুযযামান, আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া।
প্রশ্ন (২৯/৪৬৯) : বিবাহের সময় স্বামী তার স্ত্রীর মোহরানা আদায় করেনি। এখন আদায় করতে ইচ্ছুক। সম্পদ ও অর্থ কোনটি দ্বারা আদায় করবে?
প্রশ্ন (৩৯/৪৩৯) : জনৈক আলেম বলেন, ওহোদ যুদ্ধে দান্দান শহীদ হ’লে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর শরীর থেকে রক্ত বের হ’লে ছাহাবীগণ সেই রক্ত পান করেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যে আমার রক্ত পান করবে, সে জাহান্নামে যাবে না। উক্ত বক্তব্যের সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২/৩৬২) : আমার ১০ বছরের ছোট ভাই দেখতে অনেক সুন্দর। এলাকায় ওর মত আর কাউকে পাওয়া যায় না। ইদানীং সে প্রায়ই অসুস্থ থাকছে। ওষুধ খাইয়ে কোন কাজ হচ্ছে না। কারো বদ নযর লাগার কারণে এরকম হ’তে পারে কি? সেক্ষেত্রে করণীয় কি?
প্রশ্ন (৪/২৪৪) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, কালো কুকুর, গাধা ও নারী মুছল্লীর সামনে দিয়ে গেলে তার ছালাত নষ্ট হয়ে যায় (ইবনে মাজাহ, আবুদাঊদ)। হাদীছটির ব্যাখ্যা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৫/১৪৫) : এলাকার এক বড় আলেম/কবিরাজের কাছ থেকে তাবীয নেওয়াতে দীর্ঘ ৪ বছর পর একটি পুত্র সন্তান হয়েছে। ফলে তারা বলে এটা যদি শিরক হ’ত তাহ’লে আল্লাহ তাদের সন্তান দিতেন না। এই ভ্রান্ত ধারণা নিয়ে তারা যেকোন কাজে সেই কবিরাজের শরণাপন্ন হয়। এখন তাদেরকে কিভাবে বুঝাতে পারি? - -সজল*, গোমস্তাপুর, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।*[আরবীতে ইসলামী নাম রাখুন (স.স)]
প্রশ্ন (৩৮/১১৮) : আইনজীবী হওয়ার কারণে আমাকে ব্যাংক সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়াদির আইনজীবী হিসাবে কাজ করতে হয়। আমাদের কাজের ধরনটা যেমন- (১) কোন ব্যক্তি ব্যাংক থেকে লোন নিতে গেলে যামানত স্বরূপ ঋণগ্রহীতার জায়গা-জমির কাগজ ব্যাংকে মর্টগেজ রাখতে হয়। ওই কাগজপত্র আইনজীবী হিসাবে আমাদের যাচাই করতে হয়। ব্যাংক অনেক সময় সূদ মওকূফও করে এবং আইনজীবী এক্ষেত্রে সহায়তা করেন। (২) মানুষ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ঐামানত হিসাবে চেক জমা দেয়। নির্ধারিত সময়ে চেকের টাকা ব্যাংকে জমা না দিলে ব্যাংক তখন চেকে উল্লেখিত টাকা আদায়ের মামলা করে। এ ধরনের মামলায় আইনজীবীকে লড়তে হয়। প্রশ্ন হল, উপরোক্ত ক্ষেত্রসমূহে আইনজীবী হিসাবে আমি কাজ করতে পারি কি? - -এ্যাডভোকেট ফখরুল ইসলাম, মৌলভীবাজার।
প্রশ্ন (২১/১৮১) : রাসূল (ছাঃ)-এর বংশতালিকা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩/৮৩) : বায়তুল মাল থেকে মৃত সচ্ছল ব্যক্তির পরিবারকে ঋণ পরিশোধের জন্য সহায়তা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৫/৩৩৫) : অনেক সময় বিছানার চাদর বা কম্বলে বীর্য লেগে যায়। এটা কি ধুয়ে ফেলা আবশ্যক না শুকিয়ে গেলেই যথেষ্ট হবে?
প্রশ্ন (৩৫/৩৯৫) : বর্তমানে সরকার যে বয়স্ক ভাতা দেয় এই টাকা কাদের জন্য বৈধ? ধনী লোকেরা তাদের আববা-আম্মার জন্য এই টাকা গ্রহণ করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৮/৪৮) : আমরা দুই ভাই শেয়ারে একটি ভাটায় কাজ নিয়েছিলাম। এখন সে আমার হিসাবে ৩ লক্ষেরও অধিক টাকার কোন হিসাব দেয়নি। আমি চাইলেও তাকে মন থেকে ক্ষমা করতে পারি না। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
আরও
আরও
.