উত্তর : শূকরের গোশত ক্রয়-বিক্রয় বা প্যাকেটজাত করা নাজায়েয। তা মুসলমানদের জন্য করা হৌক বা কাফেরদের জন্য হোক। কারণ এতে পাপের কাজে সহযোগিতা করা হয়। আর আল্লাহ পাপ ও সীমালংঘনের কাজে সহযোগিতা করতে নিষেধ করেছেন (মায়েদাহ ৫/২)। আল্লাহ বলেন, ‘বল (হে মুহাম্মাদ)! আমি যা অহি দ্বারা পেয়েছি, তাতে আমি কোন বস্ত্ত হারাম পাই না যা ভক্ষণকারী খাবে। কিন্তু হারাম হ’ল; মৃত জন্তু, প্রবাহিত রক্ত, শূকরের গোশত। কেননা তা নোংরা বা অপবিত্র’ (আন‘আম ৬/১৪৫)।
শূকরের গোশত কেবল ভক্ষণই নয়, বরং স্বয়ং আল্লাহ একে অপবিত্র বলেছেন, যার উপর ভিত্তি করে এর বেচাকেনাও নিষিদ্ধ। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আল্লাহ যখন কোন বস্ত্ত হারাম করেন, তখন তিনি তার মূল্যও হারাম করেন (আহমাদ হা/২৬৭৮, সনদ ছহীহ)। ইমাম নববী (রহঃ) বলেন, ‘মৃত পশু, মদ ও শূকরের ক্ষেত্রে মুসলিমদের মধ্যে এই বিষয়ে ইজমা (সর্বসম্মত মত) রয়েছে যে, এগুলোর প্রত্যেকটির বিক্রয় হারাম’ (শরহ মুসলিম ১১/০৮)। অতএব রিযিক অন্বেষণের বিকল্প পথ খুঁজে নিতে হবে।
প্রশ্নকারী : রিপন খান, জাপান।