উত্তর : এটি উক্ত নারীর হায়েযের নিয়মিত সময়সীমার উপর নির্ভর করবে। সাধারণভাবে যে সময় হায়েয হওয়ার কথা, সেসময় রক্তস্রাব শুরু হ’লে সেটি হায়েয হিসাবে গণ্য হবে। আর যদি রক্তস্রাব অনিয়মিত হয় তাহ’লে তা ইস্তিহাযা হিসাবে গণ্য হবে। সাধারণত নিফাস বন্ধ হওয়ার পর ইস্তিহাযা হয় না। এক্ষণে চল্লিশ দিনের পূর্বে নিফাস বন্ধ হওয়ার পর আবার রক্তস্রাব হ’লে তা নিফাসের হুকুমে পড়বে। কারণ নিফাসের সর্বোচ্চ সময় চল্লিশ দিন (আবুদাঊদ হা/৩১১; বিন বায, মাজমূফাতাওয়া ১০/২২৫, ১৫/১৯৮; ফাতাওয়া ইসলামিয়া ২/১৪৬; ফাতাওয়া ইবনু জাবরীন ১৬/১৬)

প্রশ্নকারী : শাহরিমামান্দানওগাঁ।







বিষয়সমূহ: তাহারাত-পবিত্রতা
প্রশ্ন (৯/২৮৯) : সরকারী জমিতে জোরপূর্বক মসজিদ নির্মাণ করা জায়েয হবে কি? এভাবে তৈরীকৃত মসজিদে ছালাত হবে কি? সেখানে দান করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৯/১১৯) : ঠোটের নীচের লোম কাটা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৮/১০৮) : হায়েয অবস্থায় মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেয়া বা স্পর্শ করা যাবে কি? - -মাহবূবুর রশীদবাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৯/৩১৯) : অসুস্থতা আল্লাহর পক্ষ থেকে নে‘মত না পাপের ফল? এটা বুঝার উপায় কি?
প্রশ্ন (৩৯/৩৯৯) : পিতা স্বীয় সন্তানকে শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে মুখের উপর আঘাত করতে পারে কি? - -শরীফুল ইসলামমহেশপুর, ঝিনাইদহ।
প্রশ্ন (৬/১২৬) : রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবীদের জীবন নিয়ে কোন নাটক-সিনেমা করা যাবে কি? - -নূরুল ইসলাম, বহরমপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৪/১১৪) : বিবাহের কয়েক মাস পর স্বামীর সাথে বিরোধ সৃষ্টি হ’লে আমি পিতার বাসায় চলে আসি। গর্ভবতী হওয়ায় ডিভোর্স হয়নি। পরে অনেক বার যেতে চেয়েছি সন্তানের কথা ভেবে। সে নেয়নি। দু’বছর পর স্বামীর ইচ্ছায় আবার ওনার বাড়িতে এসেছি। এক্ষেত্রে আমাদের বিবাহ বহাল আছে কি? চলে আসার কারণে আমি গোনাহগার হব কি?
প্রশ্ন (২৭/২২৭) : মসজিদে কর্মরত দারোয়ান মুছল্লীদেরকে সালাম দিয়ে থাকেন। এভাবে বৃহৎ জামা‘আতের মসজিদে তিনি কতজনকে সালাম দিবেন?
প্রশ্ন (৩১/৪৭১) : ছালাতের ভিতরে মনোযোগী হওয়ার জন্য বার বার মৃত্যু বা পরকালের কথা স্মরণ করলে ছওয়াব কমে যাবে কি?
প্রশ্ন (১৩/৪১৩) : ইসলামী সম্মেলনে জনৈক বক্তা বলেন, কবরে নবী-রাসূল, ছাহাবায়ে কেরাম, পীর-আওলিয়াদের লাশ অক্ষত থাকে। তাঁদের লাশ মাটিতে খায় না। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩৫/২৭৫) : ছালাতের সময় জামার হাতা গুটিয়ে রাখায় কোন বাধা আছে কি? - -আরীফ, কোরপাই, বুড়িচং, কুমিল্লা।
প্রশ্ন (৩২/১৫২) : দিগন্ত টেলিভিশনে জনৈক আলেম বলেন, ঈদের তাকবীর ১২ এবং ৬ উভয়ের পক্ষে ছহীহ হাদীছ আছে। সুতরাং যেকোন একটি আদায় করলেই হবে? উক্ত কথা কি সঠিক?
আরও
আরও
.