উত্তর : কুনূতে রাতেবা হ’ল যা বিতরের ছালাতে পড়া হয়। ফরয ছালাতে কুনূতে রাতেবা পড়া ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত নয়। ফজরের ছালাতে রাসূল (ছাঃ) কুনূতে রাতেবা পড়েছেন মর্মে যে হাদীছটি এসেছে তা যঈফ (সিলসিলা যঈফাহ হা/১২৩৮)। আর কুনূতে নাযেলা যা যুদ্ধ, শত্রুর আক্রমণ প্রভৃতি বিপদের সময় অথবা কারুর জন্য বিশেষ কল্যাণ কামনায় আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করে বিশেষভাবে দো‘আ পাঠ করতে হয়। এটি যেকোন ফরয ছালাতে পড়া যায় (মুসলিম হা/৬৭৮নাসাঈ হা/১০৭৬)







প্রশ্ন (২৯/২২৯) : দেশে প্রচলিত ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও বীমা কোম্পানীগুলি কি সূদমুক্ত?
প্রশ্ন (২৭/৩০৭) : আমি একজন মাইক্রোবাস চালক। ড্রাইভিং প্রশিক্ষণের সময় আমাদের বিভিন্ন বিষয় মেনে চলার ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হয়। যেমন গাড়ির গতিসীমা মেনে চলা, প্রতি মিনিটে ছয়বার লুকিং গ্লাসে তাকানো, ট্রাফিক আইন মেনে চলা ইত্যাদি। এক্ষণে বাস্তবে গাড়ির চালানোর সময় এগুলো লঙ্ঘন করলে গুনাহ হবে কি?
প্রশ্ন (৩৯/৩৭৯) : জনৈক আলেম বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন যে, রামাযান মাসে ইতিকাফকারী দু’টি হজ্জ ও দু’টি ওমরাহ করার সমপরিমাণ নেকী পায়। এর কোন সত্যতা আছে কি? - -মাহমূদ সরদার, পিরোজপুর।
প্রশ্ন (১৫/৪৫৫) : আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা বাদ দিয়ে বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে? যারা এই অন্যায় করেছে তাদেরকে কি মুসলিম বলা যাবে?
প্রশ্ন (১/৪৪১) : কেউ যদি মানত করে থাকে যে তার ছেলে সন্তান হ’লে তাকে মাদ্রাসায় পড়াবে। কিন্তু জন্মের পর এখন সে তাকে স্কুলে পড়াচ্ছে। এটা ঠিক হচ্ছে কি? এজন্য কোন ক্ষতির শিকার হ’তে হবে কি?
প্রশ্ন (৯/৩২৯) : ‘বালাগাল ‘উলা বি কামালিহী’ দো‘আটি পাঠ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২০/৩৮০) : আমার বিবাহের জন্য যে পাত্রী ঠিক করা হয়েছে তার পিতা পূর্বে সূদী কারবারের সাথে জড়িত ছিল। বর্তমানে নেই। এমন পরিবারে বিবাহ করা শরী‘আতসম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (১/১৬১) : গোসলের সময় বিসমিল্লাহ বলে গোসল করলে ছালাতের জন্য ওযূ করতে হবে কি?
প্রশ্ন (২৪/১৮৪) : মহিলারা নখ বড় রাখতে ও নেইল পালিশ ব্যবহার করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৩৮৪) : কোন রোগের কারণে চিকিৎসক যদি অল্প পরিমাণে মদ্যপানে নির্দেশনা দেয় তবে তা গ্রহণ করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩১/৩১১) : যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দিয়ে কম যোগ্য প্রার্থীকে সুফারিশ করে চাকুরী দিলে এবং সে ঘুষ গ্রহণ করলে সুফারিশকারীর উপর দায়ভার বর্তাবে কি?
প্রশ্ন (১৯/৩৭৯) : জনৈক লেখক দাবী করেছেন, ইমাম আবু হানীফার জন্ম ৮০ হিজরীতে আর মৃত্যু ১৫০ হিজরীতে। ইমাম বুখারীর জন্ম ১৯৪ হিজরীতে আর মৃত্যু ২৫৬ হিজরীতে। সুতরাং আবু হানীফার কথা বাদ দিয়ে ইমাম বুখারীর সংগৃহীত হাদীছ গ্রহণ করা যাবে না। কারণ ইমাম বুখারীর চেয়ে ইমাম আবু হানীফা অনেক পূর্ববর্তী। উক্ত দাবীর সত্যতা জানতে চাই।
আরও
আরও
.