উত্তর : আল্লাহর উপর ভরসা রেখে ঔষধ ব্যবহার করতে পারেন, তাবীয নয়। ঔষধের ক্রিয়া আছে, কিন্তু তাবীযের নিজস্ব কোন ক্রিয়া নেই। এটি মানুষকে আল্লাহর উপর ভরসা বিনষ্ট করে মাত্র। সেকারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি তাবীয লটকালো সে শিরক করল’ (আহমাদ, ছহীহাহ হা/৪৯২)। অন্য হাদীছে তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তি তাবীয লটকাবে আল্লাহ যেন তার উদ্দেশ্য পূর্ণ না করেন এবং যে কড়ি লটকাবে আল্লাহ যেন তাকে আরোগ্য দান না করেন’ (হাকেম হা/৭৫০১; আহমাদ হা/১৭৪৪০)। এছাড়া শয়তানী কোন প্রভাব থেকে বাঁচার জন্য কুরআন ও হাদীছে বর্ণিত বিশুদ্ধ দো‘আসমূহ পাঠ করবে। বিশেষ করে সকাল-সন্ধ্যায় সূরা নাস, ফালাক্ব ও ইখলাছ এবং নিয়মিত আয়াতুল কুরসী পাঠ করলে সকল প্রকার বিপদ থেকে যথেষ্ট হবে (তিরমিযী, আবুদাউদ, নাসাঈ, মিশকাত হা/২১৬৩; ছহীহুল জামে‘ হা/৪৪০৬)






প্রশ্ন (৩৮/১৯৮) : সকাল ও বিকালে যে ১০০ বার ‘সুবহানাল্লহিল ‘আযীম ওয়া বিহামদিহী’ পাঠ করবে, তাকে আল্লাহর সৃষ্টিকুলের মধ্যে সবচেয়ে বেশী মর্যাদা দেওয়া হবে, এই হাদীছটি কী ছহীহ?
প্রশ্ন (৪/৪) : জনৈক ব্যক্তিকে বলতে শুনলাম, সূরা বাক্বারাহ ১৮৭ আয়াতে ছিয়াম রাত্রি পর্যন্ত পূর্ণ করতে বলা হয়েছে। এছাড়া সূরা ইনশিক্বাক্বের ১৬-১৭ আয়াতে আল্লাহ সন্ধ্যা ও রাতকে পৃথকভাবে উল্লেখ করেছেন। সেকারণ সূর্যাস্তের পর নয়; বরং তার ১ ঘণ্টারও অধিক সময় পর রাত শুরু হ’লেই ইফতার করতে হবে। একথার কোন সত্যতা আছে কি? - -মুস্তাফীযুর রহমান, গুলশান, ঢাকা।
প্রশ্ন (২/২৮২) : রাসূল (ছাঃ) বলেন, প্রোথিতকারী (পিতা) এবং যাকে প্রোথিত করা হয়েছে (সন্তান) উভয়েই জাহান্নামী (আবুদাঊদ হা/৪৭১৭)। হাদীছটির সঠিক ব্যাখ্যা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩/৮৩) : যোহর ও আছর ছালাতে ইমামের পিছনে কি সূরা ফাতিহা ও অন্যান্য সূরা পাঠ করতে হবে?
প্রশ্ন (৯/১৬৯) : হরতাল, ধর্মঘট, অবরোধ ইসলামের দৃষ্টিতে বৈধ কি? কিছু ইসলামী সংগঠন বলছে, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় এরূপ জিহাদ ব্যতীত অন্য কোন পথ খোলা নেই। এক্ষেত্রে শরী‘আতের বিধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২/১২২) : সিলসিলা ছহীহাহ ও যঈফাহ গ্রন্থদ্বয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৪/৪) : ক্বিয়ামতের দিন মানুষের আত্মার সাথে দেহ জুড়ে দেওয়া হবে, না কি দেহ ছাড়া কেবল আত্মা পুনর্জীবিত হবে? - -যাকারিয়া খন্দকার, দামুড়হুদা, চুয়াডাঙ্গা।
প্রশ্ন (১৪/৩৭৪) : শরীরের কোন অঙ্গহানি হলে কৃত্রিম অঙ্গ সংযোজন বা পোকা লাগা দাঁত তুলে কৃত্রিম দাঁত সংযোজনে শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৮/১১৮) : আইনজীবী হওয়ার কারণে আমাকে ব্যাংক সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়াদির আইনজীবী হিসাবে কাজ করতে হয়। আমাদের কাজের ধরনটা যেমন- (১) কোন ব্যক্তি ব্যাংক থেকে লোন নিতে গেলে যামানত স্বরূপ ঋণগ্রহীতার জায়গা-জমির কাগজ ব্যাংকে মর্টগেজ রাখতে হয়। ওই কাগজপত্র আইনজীবী হিসাবে আমাদের যাচাই করতে হয়। ব্যাংক অনেক সময় সূদ মওকূফও করে এবং আইনজীবী এক্ষেত্রে সহায়তা করেন। (২) মানুষ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ঐামানত হিসাবে চেক জমা দেয়। নির্ধারিত সময়ে চেকের টাকা ব্যাংকে জমা না দিলে ব্যাংক তখন চেকে উল্লেখিত টাকা আদায়ের মামলা করে। এ ধরনের মামলায় আইনজীবীকে লড়তে হয়। প্রশ্ন হল, উপরোক্ত ক্ষেত্রসমূহে আইনজীবী হিসাবে আমি কাজ করতে পারি কি? - -এ্যাডভোকেট ফখরুল ইসলাম, মৌলভীবাজার।
প্রশ্ন (৩৯/৭৯) : স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে তালাক ব্যতীত অন্য শব্দ যেমন তুমি আমার জন্য হারাম, আমি তোমার জন্য হারাম ইত্যাদি বললে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাবে কি?
প্রশ্ন (১৪/১৪): জনৈক আলেম বলছেন, নারী-পুরুষের ছালাতের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। তার বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (২০/৩০০) : শুধু রামযান মাসে সাহারীর আযান দেয়া হয়, বাকী ১১ মাস দেয়া হয় না। এটা কি বিদ‘আত নয়?
আরও
আরও
.