উত্তর : কয়েকটি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তা বাই‘য়ে সালাম এর আওতায় পড়বে। ১. মূল্য অগ্রিম পরিশোধ করতে হবে। অর্ডারের সময় সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করা আবশ্যক। পরবর্তী সময়ে কিস্তিতে দেওয়া হ’লে এটি সালাম হবে না। অথবা পণ্য হাতে পাওয়ার সাথে সাথে মূল্য পরিশোধ করতে হবে, যাকে বাই‘য়ে সালাম হাল বলে। ২. পণ্যের ধরন, পরিমাণ ও বৈশিষ্ট্য নির্ধারিত থাকতে হবে। ৩. সরবরাহের নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ থাকতে হবে। ৪. বাজারে সেই পণ্য বিদ্যমান থাকতে হবে। হাফেয ইবনুল ক্বাইয়িম (রহঃ) বলেন, এই হাদীছে সালাম (আগাম ক্রয়)-এর ক্ষেত্রে মোটেই তাৎক্ষণিক সরবরাহে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়নি, বরং নিষেধ করা হয়েছে এমন এক বিক্রয় পদ্ধতি থেকে, যেখানে একজন এমন কিছু বিক্রি করে যা এখনো তার মালিকানায় নেই এবং যার সরবরাহ দেওয়ার সক্ষমতাও তার নেই; অথচ সে তা আগেই বিক্রি করে দেয় এবং লাভও করে নেয়, তখন সেটা তার জন্য নাজায়েয।

তাই যদি কেউ তাৎক্ষণিক অগ্রিম বিক্রয় করে অথচ তার কাছে পণ্যটি নেই এবং সে নিজে তা সরবরাহ করতেও সক্ষম নয়, তখন সে এমন কিছুর দায় নিচেছ যা হয়তো পাবে কিংবা পাবে না। এটা এক প্রকার প্রতারণা (غرر) এবং ঝুঁকিপূর্ণ লেনদেন (مخاطرة)। কিন্তু যদি বাস্তবে পণ্যটি তার কাছে থাকে এবং সে তাৎক্ষণিক সরবরাহে সক্ষম হয়। তাহ’লে এটি জায়েয হবে। ইমাম শাফেঈ (রহঃ) বলেন, যখন বিলম্ব বাই‘য়ে সালাম বৈধ, তখন তাৎক্ষণিক বাই‘য়ে সালাম আরও বেশী বৈধ হওয়া উচিত (যাদুল মা‘আদ ৫/৭২০)

প্রশ্নকারী : যহূরুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ।








বিষয়সমূহ: জায়েয-নাজায়েয
প্রশ্ন (৩৮/২৩৮) : নিকটাত্মীয়দের মধ্যে কাদেরকে যাকাত-ফিতরার অর্থ প্রদান করা যায় এবং কাদেরকে যায় না?
প্রশ্ন (৯/১৬৯) : রাসূল (ছাঃ)-এর প্রশংসায় বাড়াবাড়ি করার ক্ষেত্রে শরী‘আতের বিধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৮/৪৩৮) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘চল্লিশটি (উত্তম) স্বভাব রয়েছে। তন্মধ্যে সবচেয়ে উন্নত স্বভাব হ’ল দুধেল প্রাণী কাউকে দান করা। যে কোন আমলকারী ঐ স্বভাবগুলির কোনটির উপর ছওয়াব লাভের উদ্দেশ্যে ও তার জন্য প্রতিশ্রুত প্রতিদানের বিষয়কে সত্য জেনে আমল করবে তাকে অবশ্যই মহান আল্লাহ জান্নাতে দাখিল করবেন’ (বুখারী হা/২৬৩১)। উক্ত হাদীছে বর্ণিত চল্লিশটি স্বভাব কি কি?
প্রশ্ন (১/৪০১) :মূসা (আঃ) তাঁর সম্প্রদায়কে নিয়ে বৃষ্টি প্রার্থনা করেছিলেন। তখন আল্লাহ বললেন, সাথে এমন এক লোক আছে, যে চল্লিশ বছর যাবৎ গুনাহ করেই যাচ্ছে। উক্ত ঘটনার সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৪/৩৪) : কুরবানী কিংবা আক্বীক্বার জন্য কোন মাদি ছাগলকে নির্দিষ্ট করে রাখলে তার পেট থেকে জন্ম নেওয়া বাচ্চা বিক্রি করা যাবে কি? না উক্ত বাচ্চাকেও আক্বীক্বা বা কুরবানী করতে হবে?
প্রশ্ন (৬/৩২৬) : আমি ইসলামের বিধান মেনে চলার চেষ্টা করি। পর্দার খেলাফ হবে এই আশংকায় আমি গর্ভাবস্থায় দো‘আ করতাম যে, আমার প্রসব যেন অস্ত্রোপচারহীন হয়। কিন্তু বাধ্য হয়ে অপারেশন করতে হয়েছে এবং পরবর্তীতেও বাচ্চা নিলে অপারেশন করতে হবে বলে ডাক্তার জানিয়েছেন। এজন্য আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আমি আর বাচ্চা নেব না। এরূপ সিদ্ধান্ত কি সঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (৩৭/২৩৭) : ছহীহ বুখারীর ৮২২ নং হাদীছে ছালাত অবস্থায় চুল ও কাপড় গুটিয়ে নিতে নিষেধ করা হয়েছে। এর ব্যাখ্যা কি? - -আব্দুল্লাহ আল-মামূন, সঊদী আরব।
প্রশ্ন (২৪/১৮৪) : মহিলারা নখ বড় রাখতে ও নেইল পালিশ ব্যবহার করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৬৪) : কুরবানীর চামড়ার মূল্য ঈদগাহ নির্মাণ কাজে ব্যয় করা যাবে কি? কেউ ব্যয় করে ফেললে তার কোন শাস্তি আছে কি?
প্রশ্ন (২৩/১৪৩) : আলী (রাঃ) খায়বারের যুদ্ধে দুর্গের দরজা নিজের হাতে তুলে নেন এবং সেটাকেই ঢাল হিসাবে ব্যবহার করতে করতে এগিয়ে যান। দরজাটি এত ভারী ছিল যে, পরবর্তীতে সাতজন ছাহাবী মিলেও তা তুলতে পারেননি। ঘটনাটির সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৪/২৮৪) : তাক্বদীর কি? এ সম্পর্কে সঠিক আক্বীদা কি? বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৯/১২৯) : শরী‘আত-বিরোধী বিষয় (যেমন সূদভিত্তিক ব্যবস্থা) থাকা সত্ত্বেও অর্থনীতি ও হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে পড়ার হুকুম কি?
আরও
আরও
.