উত্তর : সুখী হওয়ার একমাত্র উপায় হ’ল তাক্বদীর ও তাওয়াক্কুল। অর্থাৎ সর্বাবস্থায় আল্লাহর ফয়ছালা তথা তাক্বদীরকে মেনে নিতে হবে এবং বিশ্বাস রাখতে হবে যে, আল্লাহর সিদ্ধান্তের মধ্যে অবশ্যই কল্যাণ রয়েছে। অতঃপর সকল কাজে আল্লাহর উপর ভরসা করতে হবে। আল্লাহ বলেন, ‘তুমি বল, আল্লাহ আমাদের ভাগ্যে যা লিখে রেখেছেন, তা ব্যতীত কিছুই আমাদের নিকট পৌঁছবে না। তিনিই আমাদের অভিভাবক। আর আল্লাহর উপরেই মুমিনদের ভরসা করা উচিত’ (তওবা ৯/৫১)

তাছাড়া অধিক যিকর-আযকার ও ফরয ইবাদতের পাশাপাশি নফল ছালাত আদায় করতে হবে। কেননা ‘রাসূল (ছাঃ) যখন সংকটে পড়তেন, তখন ছালাতে দাঁড়িয়ে যেতেন’ (আবুদাঊদ হা/১৩১৯; ছহীহুল জামে‘ হা/৪৭০৩)। আল্লাহ বলেন, তোমরা আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা কর ধৈর্য ও ছালাতের মাধ্যমে। আর তা অবশ্যই কঠিন কাজ, তবে বিনীত বান্দাগণ ব্যতীত (বাক্বারাহ ২/৪৫)। তাছাড়া রাসূল (ছাঃ) বিপদের সময় নিম্নের দো‘আটি পাঠ করতেন, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহুল ‘আযীমুল হালীম; লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাববুল ‘আরশিল ‘আযীম; লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাববুস সামাওয়াতে ওয়া রাববুল ‘আরযে রাববুল ‘আরশিল কারীম (সালাফগণ এটিকে ‘দো‘আউল কারব’ বা বিপদের দো‘আ বলতেন) (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/২৪১৭ ‘বিভিন্ন সময়ের দো‘আ’ অনুচ্ছেদ)। বিপদকালে রাসূল (ছাঃ) নিম্নের দো‘আটিও পড়তেন, ইয়া হাইয়ু ইয়া ক্বাইয়ূম, বিরহমাতিকা আস্তাগীছ (হে চিরঞ্জীব! হে সবকিছুর ধারক! আমি তোমার রহমত কামনা করছি) (তিরমিযী হা/৩৫২৪; ছহীহুল জামে‘ হা/৪৭৭৭)

প্রশ্নকারী : সানজীদা আখতার, চৈতাব, নরসিংদী।







বিষয়সমূহ: বিবিধ
প্রশ্ন (৩৩/৪৩৩) : সূরা ইখলাছ প্রতিদিন ২০০ বার ওযূ অবস্থায় পড়ার ১০টি উপকার- ১. আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রাগের ৩০০ দরজা বন্ধ করে দিবেন। ২. রহমতের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন। ৩. রিযিকের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন। ৪. পরিশ্রম ছাড়া গায়েব থেকে রিযিক পৌঁছে দিবেন। ৫. আল্লাহ তা‘আলা নিজের জ্ঞান থেকে জ্ঞান দিবেন। আপন ধৈর্য থেকে ধৈর্য দিবেন। আপন বুঝ থেকে বুঝ দিবেন। ৬. ৬৬ বার কুরআন খতম করার ছওয়াব দিবেন। ৭. ৫০ বছরের গুনাহ মাফ করে দিবেন। ৮. জান্নাতের মধ্যে ২০টি মহল দিবেন, যেগুলো ইয়াকূত ও মারজানের তৈরী। প্রত্যেক মহলে ৭০ হাযার দরজা থাকবে। ৯. ২০০০ রাক‘আত নফল ছালাত পড়ার ছওয়াব দিবেন। ১০. যখন তিনি মারা যাবেন তখন ১,১০,০০০ ফেরেশতা তার জানাযায় শরীক হবেন। উক্ত বর্ণনার বিশুদ্ধতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৮/২৬৮) : জন্মের ১ দিন পর সন্তান মারা গেলে সপ্তম দিনে তার আক্বীক্বা দিতে হবে কি? - -হিযবুল্লাহ, বালিয়াপুকুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩/৪০৩): লায়লাতুল ক্বদরের লক্ষণ কি কি? ছহীহ হাদীছের আলোকে জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৪/৯৪) : দ্বিতীয় বিবাহের জন্য স্ত্রীর অনুমতি যরূরী কি? একাধিক স্ত্রীর মাঝে ইনছাফ না করতে পারার পরিণতি কি? - -মাসঊদ, পুঠিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২/২) : কবরস্থানে নিজের কবরের জন্য নির্দিষ্ট স্থান ক্রয় করা যাবে কি? যেন সে স্থানে অন্য কারো কবর না হয়? - -রফীকুল ইসলাম, নোয়াপাড়া, যশোর।
প্রশ্ন (৮/৮) : কোন কারণে দাঁত ক্ষতিগ্রস্ত হ’লে দাঁতে ক্যাপ পরানো যাবে কি? এটা সৃষ্টির পরিবর্তন হিসাবে গণ্য হবে কি?
প্রশ্ন (১৮/২৯৮) : কনে দ্বীনদার, কিন্তু তার পরিবার মাযহাবী এবং দ্বীনের প্রতি গাফেল। এরূপ নারী বিবাহ করা যাবে কি? - -তাওহীদুর রহমান, সাহেববাজার, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৮/১৪৮) : কুরআন ছুঁয়ে কসম করা শিরক বলে গণ্য হবে কি? - -মুহাম্মাদ, নবীনগর, বি-বাড়িয়া।
প্রশ্ন (২৩/২২৩) : রাবে‘আ বছরী সম্পর্কে জানতে চাই। - -ফাহীমা, কলারোয়া, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (১৪/৪১৪) : আত-তাহরীক পড়ে জানতে পারলাম রাসূল (ছাঃ) নূরের তৈরী নন, মাটির তৈরী। তাহলে ওছমান (রাঃ) ‘যিন নুরাইন’ বলা হয় কেন? রাসূল (ছাঃ)-এর ২ কন্যার সাথে বিবাহ হওয়ার কারণেই যদি তাকে যিন নুরাইন বলা হয় তাহলে রাসূল (ছাঃ) নূরের তৈরী। একথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩১/৩৯১) : জোরে আমীন বললে মসজিদ থেকে অপমান করে বের করে দেয়। এক্ষণে করণীয় কি? বিশেষতঃ জুম‘আর ছালাতের ক্ষেত্রে করণীয় কি? সেটাও কি বাড়িতে পড়া যাবে? - -ইশতিয়াক শাকীল, বাঘারপাড়া, যশোর।
প্রশ্ন (৩/৩২৩) : মহিলারা কি রক্ত দান করতে পারবে?
আরও
আরও
.