উত্তর : কবরের মাটি দৃঢ় করার জন্য কবরে পানি ছিটিয়ে দেওয়া মুস্তাহাব। রাসূল (ছাঃ) তাঁর ছেলে ইবরাহীমকে দাফন করার পর কবরের উপর পানি ছিটিয়ে ছিলেন (ত্বাবারাণী আওসাত্ব হা/৬১৪১; মিশকাত হা/১৭০৮; ছহীহাহ হা/৩০৪৫; ইবনু কুদামা, মুগনী ২/৩৭৬)। তবে পানি ছিটানোর মাধ্যমে মাইয়েত প্রশান্তি পাবে, তার কল্যাণ হবে এরূপ ধারণার কোন ভিত্তি নেই (উছায়মীন, তা‘লীক ‘আলাল কাফী ২/৩৮৯)







প্রশ্ন (২৯/২২৯) : মানুষের নেক আমলের ক্ষেত্রে বলা হয় যে শেষ ভালো যার, সব ভালো তার। এটি কি ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত? ছহীহ হ’লে সকল ফাঁসির আসামী কি জান্নাতবাসী হবে বলে আশা করা যায়? - -রফীকুল ইসলাম, ভালুকা, ময়মনসিংহ।
প্রশ্ন (১১/১৭১) : মহিলাদের জন্য কুরবানীর পশু যবেহ করতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (১৮/২৫৮) : উলুল আমর কাকে বলে? ইসলামী খেলাফত যদি কায়েম না থাকে, তবে শরী‘আতে উলুল আমর- এর নির্দেশ মেনে চলার বিধান কি ততদিন পর্যন্ত স্থগিত থাকবে? এছাড়া আমীরের আনুগত্য, জামা‘আতবদ্ধ জীবন-যাপন ইত্যাদি বিষয়গুলির ব্যাপারে বিধান কি হবে?
প্রশ্ন (৯/৩২৯) : আমি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম। ঐ বছর রামাযানে আমি ছিয়াম রাখিনি। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩৫/৩৫) : বৃদ্ধা মহিলাদের জন্য গায়ের মাহরাম পুরুষের সামনে নেকাব বিহীন চলা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩৩/২৭৩) : জনৈক মুফতি বলেন, যে পুরুষ বাবরী চুল রাখে না সে রাসূল (ছাঃ)-এর আনুগত্য করে না। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? চুল রাখার বিধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১/১) : মৌসুমে ইট আগাম কিনে রেখে অন্য সময়ে তা বেশী দামে বিক্রয় করা এবং খাদ্যদ্রব্য যেমন ধান-চাল, আলু- পিঁয়াজ ইত্যাদি স্টক রেখে পরে তা বিক্রয় করা যাবে কি? এছাড়া মাছ চাষের সময় টাকা বিনিয়োগ করে পরে মাছ বিক্রয়ের সময় মনপ্রতি কিছু টাকা লাভ নেওয়া জায়েয হবে কি? - -মুহসিন আলীদৌলতপুর, কুষ্টিয়া।
প্রশ্ন (৩৩/১১৩) : জন্মের পর বাবা আমার আক্বীকা করেননি। আমার স্ত্রীরও আক্বীকা হয়নি। এখন আমরা কি নিজেরা আক্বীকা করব? আক্বীক্বা কতদিন পর্যন্ত করা যায়? কেমন যরূরী?
প্রশ্ন (৩৭/৩৭) : পৃথিবীতে কি এমন কোন দ্বীপ থাকতে পারে, যেখানে এ পর্যন্ত ইসলামের দাওয়াত পৌঁছেনি? যদি থাকে, তাহ’লে সেখানকার লোকজন অমুসলিম অবস্থায় মারা গেলে। মৃত্যুর পর তাদের ব্যাপারে ফায়ছালা কি হবে?
প্রশ্ন (৩৭/২৩৭) : গান-বাজনা শুনতে পেলে নবী করীম (ছাঃ) কানে আংগুল দিতেন। একথা কি সত্য?
প্রশ্ন (১৯/৩৭৯) : জনৈক লেখক দাবী করেছেন, ইমাম আবু হানীফার জন্ম ৮০ হিজরীতে আর মৃত্যু ১৫০ হিজরীতে। ইমাম বুখারীর জন্ম ১৯৪ হিজরীতে আর মৃত্যু ২৫৬ হিজরীতে। সুতরাং আবু হানীফার কথা বাদ দিয়ে ইমাম বুখারীর সংগৃহীত হাদীছ গ্রহণ করা যাবে না। কারণ ইমাম বুখারীর চেয়ে ইমাম আবু হানীফা অনেক পূর্ববর্তী। উক্ত দাবীর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৩/২৩) : শিশু সন্তান পিতা-মাতার সাথে হজ্জ পালন করলে তার কোন নেকী হবে কি বা হজ্জের ফরযিয়াত আদায় হয়ে যাবে কি? এছাড়া উক্ত সন্তানের জন্য কি পৃথকভাবে ত্বাওয়াফ ও সাঈ করতে হবে না সন্তান কোলে নিয়ে করা হ’লে সেটাই যথেষ্ট হবে?
আরও
আরও
.